শিরোনাম

  • হরমুজ খুললেও পারমাণবিকে ছাড় নয়

    হরমুজ খুললেও পারমাণবিকে ছাড় নয়

    ইরানের দেওয়া প্রস্তাবে যুক্তরাষ্ট্র রাজি হলেও পারমাণবিক কর্মসূচিতে কোনো ছাড় দেবে না তেহরান। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এ কথা জানিয়েছেন এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা।

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সব শর্ত পূরণ না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধই থাকবে।

    ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, তাদের প্রস্তাব অনুযায়ী কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি সাত দিনের মধ্যে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নৌ অবরোধ তুলে নিতে, জব্দ করা ইরানি অর্থ ছাড় করতে এবং তেল নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে।

    মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের অবসানে হরমুজ প্রণালি এখন গুরুত্বপূর্ণ দর-কষাকষির বিষয় হয়ে উঠেছে। ইরান চাইছে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহারের মাধ্যমে অর্থনৈতিক চাপ কমাতে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র চাইছে বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল আবার স্বাভাবিক হোক।

    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, আগামী ৩ নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই ওয়াশিংটনের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর আশা করছে তেহরান।

    পারমাণবিক কর্মসূচিতে ছাড় নয়

    ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের শর্তগুলো মেনে নিলে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় বসতে প্রস্তুত তারা। তবে ইরানের ওই কর্মকর্তা স্পষ্ট করে বলেছেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অধিকারসহ নিজেদের পারমাণবিক অধিকার থেকে কোনো ছাড় দেবে না তেহরান।

    ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠানোর মার্কিন দাবিও তারা মেনে নেবে না বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।

    ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র ও কয়েকটি পশ্চিমা দেশ দীর্ঘদিন ধরে ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করার অভিযোগ করে আসছে। এর অন্যতম কারণ, ইরান ইউরেনিয়াম ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ করেছে, যা বেসামরিক ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় মাত্রার চেয়ে অনেক বেশি এবং অস্ত্র তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় ৯০ শতাংশের কাছাকাছি। তবে ইরান বরাবরই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

  • ভারতজুড়ে ককরোচদের কর্মসূচি ঘোষণা

    ভারতজুড়ে ককরোচদের কর্মসূচি ঘোষণা

    ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার আজ শনিবারের (২৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যে পদত্যাগ না করলে আগামী ২ অক্টোবর থেকে দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হবে— এমনটাই ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি রাজ্যের নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকায় কথিত পরিবর্তন নিয়ে চলমান বিরোধের মধ্যেই এই ঘোষণা এলো।

    সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে জানান, ২ অক্টোবর মুম্বাই থেকে বিক্ষোভ শুরু হবে। পরে তা ভারতের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

    এর আগে শুক্রবার দেশটির বিভিন্ন এলাকায় বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করেন। রয়টার্স জানিয়েছে, কয়েকটি স্থানে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে।

    কেন ২ অক্টোবর?

    গত বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) সিজেপি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে পদত্যাগের জন্য ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়েছিল। দলটির দাবি, ওই সময়ের মধ্যে পদত্যাগ না করলে ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীর দিন থেকে দেশব্যাপী আন্দোলন শুরু হবে।

    দীপকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে ২ অক্টোবর মুম্বাই থেকে আন্দোলন শুরু করে তা ভারতের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

    সিজেপি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটারদের অধিকার ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ করেছে। তাদের দাবি, ভোটার তালিকায় করা পরিবর্তন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)–কে সুবিধা দিতে পারে। তবে এসব অভিযোগ এখনো প্রমাণিত হয়নি।

    এদিকে, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, একাধিক সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। কমিশন আরও বলেছে, তাদের নেওয়া পদক্ষেপগুলো আইনসম্মত। প্রতিবেদনে বলা হয়, ভোটার তালিকা ব্যবস্থাপনা নিয়ে অন্য নির্বাচন কমিশনাররা কিছু সিদ্ধান্তের বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।

    কংগ্রেসসহ অন্যান্য বিরোধী দলও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিজেপির সঙ্গে যোগসাজশ করে ভোটার তালিকায় কারসাজির অভিযোগ করেছে। তবে নির্বাচন কমিশন ও ক্ষমতাসীন দল—উভয়েই এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।

  • নড়াইলে পুকুরপাড় থেকে লাশ উদ্ধার, গাছ থেকে পড়ে মৃত্যুর ধারণা

    নড়াইলে পুকুরপাড় থেকে লাশ উদ্ধার, গাছ থেকে পড়ে মৃত্যুর ধারণা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নড়াইল সদর উপজেলার শাহাবাদ ইউনিয়নের দলজিৎপুর গ্রামের একটি পুকুরপাড় থেকে উসমান গনির (৪৬) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, নারকেল পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

    শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে উসমানের লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেয় গ্রামবাসী।

    উসমান গনি ওই গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।

    স্থানীয়রা জানায়, শনিবার সকালে দলজিৎপুর গ্রামের মামুনের বাড়ির পেছনের পুকুরপাড়ে একটি নারকেল গাছের নিচে উসমানের লাশটি দেখতে পায় তারা। লুঙ্গি ও গেঞ্জি পরিহিত ছিলেন তিনি। লাশের পাশে একটি ব্যাগে সাতটি নারকেলও ছিল। স্থানীয়দের ধারণা, নারকেল পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়েছে।

    উসমানের বোন আছিয়া জানান, ওসমান ঘরে একা থাকতেন। তার স্ত্রী সৌদি আরব এবং দুই সন্তান নানা বাড়িতে থাকেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উসমানকে ঘরে রান্না করতে দেখেছেন তিনি।

    এদিকে, স্থানীয় গারুচিরা বাজারে শুক্রবার রাত ১২টার দিকে উসমানকে চা পান করতেও দেখেছেন স্থানীয়রা।

    নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসেল সরোয়ার জানান, খবর পেয়ে উসমানের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ,আর

  • পাকিস্তানকে ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ বললেন এস জয়শঙ্কর

    পাকিস্তানকে ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ বললেন এস জয়শঙ্কর

    পাকিস্তানকে ‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ বলে উল্লেখ করেছে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের এক সাংবাদিক ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রশ্ন করেন, ভারত সরকার ঠিক কবে নাগাদ পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদে ইন্ধন দেওয়া বন্ধ করবে?

    শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এনডিটিভি।

    এদিকে, প্রশ্নের জবাবে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পালটা প্রশ্ন করেন, ‘একটি সন্ত্রাসী দেশ কি আমাকে এই প্রশ্ন করছে?’ এরপর তিনি ভারতীয় প্রতিনিধিদলের সদস্যদের নিয়ে নিজ নিজ আসন ছেড়ে কক্ষ ত্যাগ করেন। তবে তারা বেরিয়ে যাওয়ার সময়ও ওই সাংবাদিক তার বক্তব্য ও মন্তব্য অব্যাহত রাখেন।

    এর মধ্যে বাহাওয়ালপুরকে দীর্ঘদিন ধরে জৈশ-ই-মোহাম্মদের গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি হিসেবে উল্লেখ করে আসছে ভারত। পাশাপাশি মুজাফফরাবাদ ও ভিম্বারকে জম্মু ও কাশ্মীরে অনুপ্রবেশের সম্ভাব্য ট্রানজিট রুট হিসেবে চিহ্নিত করার দাবি করেছে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

    অন্যদিকে, জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদে দেওয়া বক্তব্যে পাকিস্তানের কড়া সমালোচনা করেন ভারতীয় কূটনীতিক ক্ষিতিজ ত্যাগী।

    তিনি বলেন, অন্য দেশের ভূখণ্ড দখলের চেষ্টা কিংবা সন্ত্রাসবাদ ছড়িয়ে দেওয়ার পরিবর্তে পাকিস্তানের উচিত নিজেদের দুর্বল অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে মনোযোগ দেওয়া।

    ক্ষিতিজ ত্যাগী বলেন, ‘অন্যের ভূখণ্ড দখল বা সন্ত্রাসবাদ রপ্তানি না করে নিজেদের দেশের উন্নয়নে মনোযোগ দিলেই পাকিস্তানের জনগণের বেশি উপকার হবে। কারণ এসব কর্মকাণ্ড কিংবা এই পরিষদে কোনো নাটকিয়তা চালিয়ে তাদের অর্থনৈতিক ঋণ পরিশোধ করা যাবে না, যার ওপর ভিত্তি করে তাদের অর্থনীতি টিকে আছে।’

    তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, ‘পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে গত জুন মাস থেকে শুরু হওয়া গণবিক্ষোভ ও সুনির্দিষ্ট বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যুর বিষয়ে সঠিক তথ্য দিতে ব্যর্থ হয়েছে ইসলামাবাদ। উক্ত বিক্ষোভের সময় সেখানে খাদ্য, জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দেয় এবং আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন যে ইসলামাবাদ ইচ্ছাকৃতভাবে জরুরি ত্রাণ সরবরাহ আটকে রেখেছে।’

    ভারতীয় প্রতিনিধি আরও বলেন, ‘এই পরিষদকে জানানো হয়েছিল যে পাকিস্তান-দখলকৃত ভূখণ্ডে জুনের পর থেকে বহু বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন, ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডিতে শিক্ষার্থীদের গ্রেফতার করা হয়েছে এবং খাদ্য ও ওষুধ আটকে রাখা হয়েছে। যখন এসব তথ্য সামনে আনা হয়, তখন পাকিস্তানের একমাত্র উত্তর ছিল একটি ‘পয়েন্ট অব অর্ডার’ তোলা। এই কক্ষে যদি এমন কোনো প্রতিনিধিদল থাকে যা কাউন্সিলের সুনির্দিষ্ট পর্যালোচনার সব মানদণ্ড পূরণ করে, তবে সেটি হলো পাকিস্তান।’

  • কুষ্টিয়া মেডিক্যালে রোগীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা, আটক ৩

    কুষ্টিয়া মেডিক্যালে রোগীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা, আটক ৩

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু ঘিরে চিকিৎসক ও স্বজনদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে উভয় পক্ষের দাবি। এ ঘটনার পর হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় পুলিশ মৃত রোগীর ছেলেসহ তিনজনকে আটক করে।

    শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে কুমারখালী উপজেলার সাউতা গ্রামের বাসিন্দা হৃদরোগী আতিয়ার শেখ (৬৫) কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন।

    স্বজনদের দাবি, কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকিৎসকের পরামর্শে আতিয়ার শেখকে ইসিজি করার জন্য বলা হয়। এর মধ্যেই তার মৃত্যু হয়। এ নিয়ে চিকিৎসক ও স্বজনদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

    মৃত রোগীর ছেলে রিপন শেখ জানান, তারা চিকিৎসক বা নার্সদের সাথে কোনো ধরনের খারাপ আচরণ করেননি।

    বরং হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীরা একতরফাভাবে তাদের ওপর হামলা করেছেন বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তারা।

    ঘটনার খবর পেয়ে বিক্ষুব্ধ ইন্টার্ন চিকিৎসক ও মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীরা হাসপাতাল চত্বরে জড়ো হন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, পুলিশ প্রশাসন, কর্তব্যরত চিকিৎসক ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অভিযোগের ভিত্তিতে মৃত রোগীর ছেলে ওবায়দুর ইসলাম এবং তার দুই স্বজন রুহুল আমিন ও হযরত আলীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

    আটক ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘বাবার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা। আমাদেরকে বেদম পিটিয়েছে চিকিৎসকেরা।’

    হাসপাতালের উপপরিচালক ডা: আকুল উদ্দিন বলেন, ‘রোগীর স্বজনরা ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওপর হামলা করলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বর্তমানে হাসপাতালের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমও স্বাভাবিকভাবে চলছে।’

    এদিকে, ঘটনার বিষয়ে ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তারা জানিয়েছেন, শনিবার পরবর্তী সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

    দিবাগত রাত ৩টার দিকে মডেল থানা পুলিশ আটক তিনজনকে থানায় নিয়ে যায়। বর্তমানে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা স্বাভাবিক রয়েছে। আতিয়ার শেখের লাশ হাসপাতাল থেকে বাড়িতে নিয়ে গেছেন স্বজনরা। এ,আর

  • মোদি থেকে পুতিন

    মোদি থেকে পুতিন

    জাতিসংঘের অধিবেশনে অংশ নেননি যেসব বিশ্বনেতা

    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের (ইউএনজিএ) মতো বড় আন্তর্জাতিক মঞ্চ এড়িয়ে যাওয়ার কথা সচরাচর কোনো বিশ্বনেতা ভাবতেই পারেন না।

    নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ডোনাল্ড ট্রাম্প, রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান ও ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর মতো শীর্ষ নেতারা যোগ দিলেও বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রপ্রধানের অনুপস্থিতি সবাইকে অবাক করেছে।

    চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন কোন বিশ্বনেতা এই মহাসমাবেশ থেকে দূরে থেকেছেন এবং কী তার কারণ।

    জার্মানি: ফ্রিডরিখ মার্ৎস

    জার্মানির চ্যান্সেলর হিসেবে দ্বিতীয় বছর দায়িত্ব পালন করা ফ্রিডরিখ মার্ৎস আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের উপস্থিতি বাড়াতে চাইলেও দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি তাকে ব্যস্ত রেখেছে।

    সেপ্টেম্বরে জার্মানির তিনটি রাজ্যে পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটস-এর নেতা ও চ্যান্সেলর হিসেবে মার্ৎস বর্তমানে চরম রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে রয়েছেন। বিরোধীদের সম্ভাব্য বিদ্রোহ ঠেকানোর জন্য তিনি নিজেই দেশে অবস্থান করছেন। তার বদলে জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়াডেফুল এই অধিবেশনে অংশ নেন।

    ইতালি: জর্জিয়া মেলোনি

    ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি তুলনামূলক শক্ত অবস্থানে থাকলেও তিনিও অভ্যন্তরীণ জরুরি কাজ সামলাতে নিউইয়র্কে যাননি। জুলাইয়ের শুরুর দিকে নর্থ আটলান্টিক ট্রিটেশন অর্গানাইজেশন (ন্যাটো) শীর্ষ সম্মেলন শেষে তিনি দেশে ফেরেন এবং জানান যে ইতালির কিছু পেন্ডিং কাজ ও অভ্যন্তরীণ বিষয় তাকে সামলাতে হবে। তার পরিবর্তে ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন এবং ভাষণও দিয়েছেন। Advertisement

    দক্ষিণ আফ্রিকা: সিরিল রামাফোসা

    ভারতের ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা বর্তমানে চিকিৎসকদের পরামর্শে পুরোপুরি বিশ্রামে রয়েছেন। স্বাস্থ্যগত কারণে তিনি এবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে অংশ নেননি। তার পক্ষ থেকে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোনাল্ড লামোলা যোগদান করেন।

    মিশর: আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি

    আফ্রিকার বৃহত্তম অর্থনীতির দেশগুলোর অন্যতম মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসিও এবার নিউইয়র্কে যাননি। তার পরিবর্তে দেশের প্রধানমন্ত্রী মোস্তফা মাদবৌলি মিশরের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

    অবশ্য আল-সিসির কার্যালয় থেকে তার অনুপস্থিতির সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানানো হয়নি। ২০২০ সালের পর থেকে তিনি সশরীরে জাতিসংঘের এই অধিবেশনে কখনো যোগ দেননি।

    নাইজেরিয়া: বোলা টিনুভু

    আফ্রিকার আরেক প্রভাবশালী দেশ নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বোলা টিনুভুর অনুপস্থিতির কারণ হলো তার অবকাশ যাপন। আগস্টের শেষ দিক থেকে তিনি যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সে ছুটি কাটাচ্ছেন। তার দেশ থেকে দেশটির উপ-রাষ্ট্রপতি কাশিম শেটিমা পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিনিধিত্ব করছেন।

    ভারত: নরেন্দ্র মোদি

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে খুব একটা নিয়মিত নন। এর আগে তিনি শেষবার ২০২১ সালে এই মঞ্চে বক্তব্য রেখেছিলেন। এরপর থেকে বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশটি নিয়মিতভাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রহ্মণ্যম জয়শঙ্করকে পাঠাচ্ছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এবারও মোদির নাম বক্তার তালিকায় থাকার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তার পরিকল্পনা বদলানো হয়।

    চীন: শি জিনপিং

    চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের অনুপস্থিতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে উপস্থিত থাকলেও নিউইয়র্কে জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দিচ্ছেন না। এর পরিবর্তে তিনি প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দূরে ওয়াশিংটনে একটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রীয় সফরে গেছেন, যেখানে হোয়াইট হাউসের গালা ডিনার ও সামরিক কুচকাওয়াজে অংশ নেন তিনি।

    এর মাধ্যমে তিনি জাতিসংঘের বহুপক্ষীয় কূটনীতির চেয়ে পরাশক্তিগুলোর দ্বিপক্ষীয় কূটনীতিকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    রাশিয়া: ভ্লাদিমির পুতিন

    রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বরাবরই জাতিসংঘের এই আইকনিক মঞ্চে সশরীরে উপস্থিত থাকা এড়িয়ে চলেন। তাই এবারও তার পরিবর্তে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ রাশিয়ার প্রতিনিধিত্ব করেছেন। পুতিন নিজেই ডিক্রি জারি করে তাকে পাঠিয়েছেন এবং নিজের অনুপস্থিতির কোনো কারণ জানাননি।

    ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড: মাহমুদ আব্বাস

    ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘের অধিবেশনে নিয়মিত মুখ ছিলেন। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র তাকে কূটনৈতিক ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। গত বছরের মতো এবারও তাকে ভিসা দেওয়া হয়নি।

    ১৯৪৭ সালের জাতিসংঘ সদর দপ্তর চুক্তি অনুযায়ী বিদেশি প্রতিনিধিদের প্রবেশ সহজ করার কথা থাকলেও মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর পিএলও এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সদস্যদের জন্য ভিসা নিষেধাজ্ঞা বজায় রেখেছে।

    বাধ্য হয়ে মাহমুদ আব্বাস গতবারের মতো এবারও ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে বক্তব্য রেখেছেন।

  • নেত্রকোনায় নিখোঁজের ১ সপ্তাহ পর মাটি খুঁড়ে নারীর লাশ উদ্ধার

    নেত্রকোনায় নিখোঁজের ১ সপ্তাহ পর মাটি খুঁড়ে নারীর লাশ উদ্ধার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নেত্রকোনায় নিখোঁজ হওয়ার এক সপ্তাহ পর মাটি খুঁড়ে নাজু আক্তার (৩৪) নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের নগুয়া গ্রামের নদীর তীরের শ্মশান ঘাটের পাশ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

    নিহত নাজু আক্তার নেত্রকোনা পৌর এলাকার কাটলী গ্রামের মৃত ইসলাম উদ্দিনের মেয়ে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় তার সাবেক স্বামী নগুয়া গ্রামের নুরুল আমিনের বাড়ি থেকে নিখোঁজ হন তিনি।

    পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দাম্পত্য জীবনে বনিবনা না হওয়ায় বছরখানেক আগে তাদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়। এ নিয়ে আদালতে একটি মামলাও রয়েছে। ঘটনার দিন গত ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সাবেক স্বামী নুরুল খোরপোশের টাকা দেয়ার কথা বলে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নাজুকে তার বাড়িতে ডেকে নেন। সেই থেকে তিনি নিখোঁজ হন। নিখোঁজের তিনদিন পর ২২ সেপ্টেম্বর তার ভাই শুভ নেত্রকোনা মডেল থানায় একটি জিডি করেন। এরপর মডেল থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

    জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে নুরুল পুলিশের কাছে স্বীকার করেন, তার সাবেক স্ত্রীকে টাকা দেয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করে নগুয়া গ্রামের নদীর তীরে শ্মশান ঘাটের পাশে লাশ পুঁতে রাখেন তিনি।

    এরই প্রেক্ষিতে পুলিশ নুরুলের উপস্থিতিতে তার দেখানো স্থান থেকে মাটি খুঁড়ে নাজু আক্তারের লাশ উদ্ধার করে।

    শনিবার নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের নয়া দিগন্তকে বলেন, ‘এ বিষয়ে একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে আর কী কী কারণ থাকতে পারে তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ এ,আর

  • চুরির অভিযোগে খুঁটিতে বাঁধা বাবা, রুটি-চা নিয়ে ছুটে এলো ছোট্ট মেয়ে

    চুরির অভিযোগে খুঁটিতে বাঁধা বাবা, রুটি-চা নিয়ে ছুটে এলো ছোট্ট মেয়ে

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    বাজারের একটি খুঁটির সাথে বাঁধা বাবা। চারপাশে মানুষের ভিড়। সেই ভিড় ঠেলে বাবার কাছে ছুটে গেল ছোট্ট মেয়ে। এরপর দোকান থেকে রুটি ও চা কিনে এনে নিজের হাতে বাবাকে খাইয়ে দিলো সে।

    বাবার প্রতি মেয়ের এই মমতার দৃশ্যটি উপস্থিত মানুষের নজর কাড়ে। পরে সেই মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

    ঘটনাটি বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বামরাইল বাজারের। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত গভীর রাতে একটি দোকানে চুরির চেষ্টার অভিযোগে অনিক সরদার নামে এক যুবককে আটক করেন স্থানীয় লোকজন। পরে তাকে বাজারের একটি খুঁটির সাথে বেঁধে রাখা হয়।

    শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বাবাকে দেখতে বাজারে আসে তার ছোট্ট মেয়ে। বাবাকে খুঁটির সাথে বাঁধা অবস্থায় দেখে সে একটি দোকান থেকে রুটি ও চা কিনে আনে। এরপর বাবার মুখে নিজের হাতে খাবার তুলে দেয়।

    ঘটনাটি দেখে স্থানীয় এক যুবক মোবাইলফোনে ভিডিও ধারণ করেন। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
    ভিডিওতে দেখা যায়, খুঁটির সাথে বাঁধা বাবার পাশে দাঁড়িয়ে মেয়েটি তাকে রুটি ও চা খাওয়াচ্ছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, চুরির অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে আইনগতভাবেই নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। তবে বাবাকে খুঁটির সাথে বাঁধা অবস্থায় দেখে মেয়েটি যেভাবে ছুটে এসে খাবার এনে খাইয়েছে, দৃশ্যটি উপস্থিত অনেকেরই দৃষ্টি কাড়ে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৯টার দিকে অনিক সরদারের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাকে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়।

    উজিরপুর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) ফারুক বলেন, চুরির অভিযোগে একজনকে আটকের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে মোবাইল টিম পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। পরে স্থানীয়রা ওই ব্যক্তির কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়। এ,আর

  • দুর্গাপূজায় ভারতে ইলিশ পাঠাবে না বাংলাদেশ

    দুর্গাপূজায় ভারতে ইলিশ পাঠাবে না বাংলাদেশ

    আসন্ন দুর্গাপূজায় ভারতে আর ইলিশ পাঠাচ্ছে না বাংলাদেশ। উল্টো চিত্র হিসেবে, এ বছর বাংলাদেশ নিজেই ভারত থেকে প্রায় ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ আমদানি করেছে।

    সাধারণত প্রতি বছর পূজার ঠিক আগে সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝিতে বাংলাদেশ সরকার ভারতে ইলিশ পাঠানোর অনুমতি দেয়। তবে এবার নির্দিষ্ট সেই সময় পার হয়ে যাওয়ায় এবং সব অনুমতি বাতিল হওয়ায় ব্যবসায়ীদের হাতে আর কোনো সময় নেই। এছাড়া বাংলাদেশের জেলেদের ইলিশ ধরা বন্ধের সময় চলে আসায় এবার ভারতে ইলিশ আসার সেই সুযোগটুকুও আর থাকছে না।

    বাণিজ্যের এই অদ্ভুত উল্টো গতির কারণ হলো, এবার বাংলাদেশে ইলিশের উৎপাদন কিছুটা কম হয়েছে। দেশের ভেতরের চাহিদা মেটাতে উল্টো ভারত থেকে মাছ কেনা হচ্ছে। বিশেষ করে ভারতের গুজরাট থেকে এই মাছগুলো আনা হয়েছিল, যেগুলোতে প্রচুর ডিম থাকায় চট্টগ্রাম ও সিলেটের ক্রেতাদের কাছে এর দারুণ চাহিদা রয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২০১২ সাল থেকেই বাংলাদেশ সাধারণত ভারতে ইলিশ রফতানি বন্ধ রেখেছিল। তবে ২০১৯ সাল থেকে প্রতি বছর পূজার সময় কিছুদিন এই নিয়ম শিথিল করা হতো। এমনকি রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও সেই ধারা বজায় ছিল। কিন্তু এবার তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এ বছর দুর্গাপূজায় ভারতীয়দের পাতে সুস্বাদু পদ্মার ইলিশ পাওয়ার আশা নিরাশায় রূপ নিয়েছে।

  • জাসদ কার্যালয়ে গোপন বৈঠক, আ.লীগের শতাধিক নেতাকর্মী আটক

    জাসদ কার্যালয়ে গোপন বৈঠক, আ.লীগের শতাধিক নেতাকর্মী আটক

    রাজধানীর গুলিস্তানের জিপিও মোড়ে অবস্থিত জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রধান কার্যালয় থেকে আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতাকর্মীকে আটক করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

    শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে তাদের আটক করা হয়।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুল আলম বলেন, আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পাই যে, জাসদ কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে গোপন বৈঠক করছেন। সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এখান থেকে তাদের আটক করা হয়। তারা যেন কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে না পারেন, সে বিষয়েও পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

    অভিযান সম্পূর্ণ শেষ হলে বিস্তারিত তথ্য জানানো সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।

  • ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প

    ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের পক্ষ থেকে দেওয়া সাত দিনের যুদ্ধবিরতি এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রস্তাবটি নাকচ করে দিয়েছেন।

    দ্য ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বেনামি মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে ট্রাম্প এই প্রস্তাবটি খারিজ করে দিয়েছেন। এর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই ইরান হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিক চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার নতুন এই রোডম্যাপটি পেশ করেছিল।

    ইরানের এই প্রস্তাব অনুযায়ী, এক সপ্তাহের মধ্যে স্বাভাবিক সামুদ্রিক চলাচলের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার কথা বলা হয়েছিল। এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ১২ বিলিয়ন ডলারের অবরুদ্ধ ইরানি সম্পদ মুক্ত করা, ইরানি তেল নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ শেষ করার শর্ত দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া লেবাননসহ সব ধরনের শত্রুতা বন্ধ করার কথা বলা হয়েছিল।

    শর্তগুলো পূরণ হলে সপ্তম দিন থেকে চূড়ান্ত চুক্তির বিষয়ে আলোচনা শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

    তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব দেওয়া হয়নি। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে ওয়াশিংটন এ নিয়ে কোনো তাড়াহুড়ো করতে চায় না এবং তারা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। যদিও কাতার ও অন্যান্য মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে উভয় পক্ষের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা এখনো চলছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতির মোড় এবার নতুন কোনো সংঘাতের দিকেও গড়াতে পারে। ওয়াল স্ট্রিটের জানায়, ট্রাম্প তার সহযোগীদের জানিয়েছেন যে তিনি আগামী নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে বোমা হামলা বা সামরিক অভিযান চালানোর কথা বিবেচনা করছেন।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ট্রাম্প অনুকূল নয় এমন শর্তে এই যুদ্ধ শেষ করতে চান না এবং নভেম্বরের নির্বাচনের ফলাফল ও মার্কিন কংগ্রেসের সমীকরণের ওপরই এই সংঘাতের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে।

  • কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১

    কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নিহত ১

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে হালিম নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরো একজন।

    শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের খয়েরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মান্নান গ্রুপ ও ইউসুফ মেম্বার গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকাল ৭টার দিকে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে হালিম গুরুতর আহত হন। পরে তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অপর একজন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    আলামপুর পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ফরিদুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে হালিম নামে একজন নিহত হয়েছেন। ঘটনার পর এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।

    কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা (ইএমও) ডা: মো: ইকবাল হাসান বলেন, ‘সংঘর্ষের ঘটনায় আহত একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত নয়। একই ঘটনায় হালিম নামে অপর একজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।’

    কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে হালিম নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরো একজন।

    শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার আলামপুর ইউনিয়নের খয়েরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মান্নান গ্রুপ ও ইউসুফ মেম্বার গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকাল ৭টার দিকে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে হালিম গুরুতর আহত হন। পরে তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত অপর একজন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    আলামপুর পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ফরিদুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে হালিম নামে একজন নিহত হয়েছেন। ঘটনার পর এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।

    কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা (ইএমও) ডা: মো: ইকবাল হাসান বলেন, ‘সংঘর্ষের ঘটনায় আহত একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত নয়। একই ঘটনায় হালিম নামে অপর একজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।’ এ,আর

  • ভালুকায় ডোবার পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

    ভালুকায় ডোবার পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ময়মনসিংহের ভালুকায় বাড়ির পাশে ডোবার পানিতে পড়ে শিহাব উদ্দিন (৩) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার ডাকাতিয়া দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    মৃত শিহাব উদ্দিন দক্ষিণপাড়া এলাকার শরীফুল ইসলামের ছেলে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে পরিবারের সবার অজান্তে শিহাব বাড়ির পাশে ডোবার পানিতে পড়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজি পর পরিবারের লোকজন ওই ডোবা থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে পাশের সখিপর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: মাসুদ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য মো: নুরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশুটি সম্পর্কে তার নাতি হয়।

    ভালুকা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি তার জানা নেই। এ,আর

  • গোপালগঞ্জে কলেজছাত্রকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ১

    গোপালগঞ্জে কলেজছাত্রকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা, গ্রেফতার ১

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    গোপালগঞ্জে কলেজছাত্র জোবায়ের ভুইয়াকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আত্মগোপনে থাকা আসামি স্বপন মোল্যাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে পুলিশ ও এসআরবি যৌথ অভিযান চালিয়ে নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার ডিক্রিরচর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বপন হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোপালগঞ্জ সদর থানার এসআই নয়ন সাহা।

    তিনি আরো জানান, শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আসামিকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়।

    এর আগে, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে সদর উপজেলার ঘোড়াদাই গ্রামের জুবায়ের ও তার বাবাকে বেধড়ক মারপিট ও কুপিয়ে আহত করে পার্শ্ববর্তী পুকুরিয়া গ্রামের ১০-১২ জন। পরে তাদের উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একইদিন দুপুরে জুবায়েরের মৃত্যু হয়।

    এ ঘটনায় জুবায়েরের বাবা রমজান ভুইয়া সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত পরিচয় আরো তিনজনকে আসামি করে শুক্রবার গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

    নিহত জুবায়ের গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। এ,আর

  • ভারতের ইসি, সরকার ও বিরোধী পক্ষ জল মাপছে

    ভারতের ইসি, সরকার ও বিরোধী পক্ষ জল মাপছে

    বিজেপিবিরোধীরা বুঝতে পারছেন, নির্বাচন কমিশনে কলহ ও জ্ঞানেশ কুমারের ‘স্বৈরাচারী আচরণ’ তাঁদের হাতে এক মোক্ষম অস্ত্র তুলে দিয়েছে। কিন্তু কীভাবে তা ব্যবহার করা উচিত হবে, সে বিষয়ে সবাই একমত নন। এ পরিস্থিতিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন সবাই। তাঁরা মনে করছেন, সবাই মিলে আলোচনায় বসলে মোকাবিলার পন্থা বেরিয়ে আসবে। আগামী সপ্তাহে, খুব সম্ভবত বুধবারে সেই বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা।

    বৈঠকের জন্য সবাই তাকিয়ে আছেন কংগ্রেস নেতৃত্বের দিকে। ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক দ্রুত ডাকার দাবি জানিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর সিপিএম সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি সব বিরোধী নেতাকে চিঠি লিখেছিলেন। আশ্চর্য কাণ্ড, পত্রপাঠ প্রত্যুত্তর দেওয়া ছাড়াও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অতীত ভুলে ফোন করেন কেরলমের সিপিএম নেতাকে।

    যে দলের সঙ্গে রাজনৈতিক বার্তালাপ এতকাল বন্ধ ছিল, বিজেপিকে ঠেকাতে এই সেদিন পর্যন্তও যাদের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতার প্রয়োজন বোধ করেননি, পশ্চিমবঙ্গে চিরকাল যাদের তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছেন, সেই দলকেই তৃণমূল নেত্রী এখন কাছে টানতে ব্যগ্র। মমতা কথা বলেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও। প্রধানত ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক ডাকার জন্য। বেবিকে সে কথা চিঠিতে জানাতেও তিনি ভোলেননি।

    তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিএমসহ পুরো বামপন্থী জোট—দুই পক্ষই আজ পশ্চিমবঙ্গ ও কেরলম হাতছাড়া করে সর্বহারা। সর্বগ্রাসী বিজেপির আগ্রাসন রুখতে তাদের কাছাকাছি আসা যতটা সময়ের দাবি, তার চেয়ে বেশি তাদের পারস্পরিক তাগিদ। সংকটকালে হাত ধরাধরি করেই বাঁচতে হয়।

    এ পরিস্থিতিতে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) বিরোধীদের কাছে নতুন এক প্রস্তাব রেখেছে। জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের তীব্র বিরোধিতা করা, তাদের ‘ভোট চোর’ আখ্যা দিয়েও তাদেরই তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দ্বিচারিতা ছাড়া অন্য কিছু হতে পারে না। কেননা, এর মধ্য দিয়ে বিরোধীরা নির্বাচন কমিশনের তদারকিতে হওয়া নির্বাচনকেই বৈধতা দিচ্ছে।

    সিজেপি নেতা অভিজিৎ দিপকে তাই প্রস্তাব করেছেন, এসআইআর, ভোট চুরি, গণতন্ত্র হত্যা ও বিজেপি–ইসির যুগলবন্দীর বিরুদ্ধে জনমত গঠন করতে হলে বিরোধীদের ভোট বয়কট করা দরকার। দিপকে বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ভোটের প্রক্রিয়াকে প্রহসনে পরিণত করেছে। দিনদুপুরে ডাকাতি করার মতো নির্লজ্জভাবে বিরোধী দল ও ভোটারদের সঙ্গে তারা প্রতারণা করছে। এ সত্ত্বেও বিরোধীরা যদি সেই ভোটে অংশ নেয়, তা হলে প্রতারণামূলক নির্বাচন একধরনের বৈধতা পেয়ে যায়। ক্রিকেটের ম্যাচ ফিক্সিংয়ের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, জেনেশুনেও ফিক্সড ম্যাচে অংশগ্রহণের অর্থ তাকে মান্যতা দেওয়া। এ দ্বিচারিতা বন্ধ হওয়া দরকার।

    ককরোচ জনতা পার্টির এ প্রস্তাবকে যুক্তিযুক্ত মনে করলেও বিরোধীদের অনেকেই তা মেনে নিতে পারছে না। ইন্ডিয়া জোটের শরিকদের মধ্যে এ বিষয়ে তীব্র মতপার্থক্য রয়েছে। কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, তৃণমূল কংগ্রেস ও বামপন্থী দলগুলো মনে করছে, এখনই এ সিদ্ধান্ত নিলে তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে। বিজেপি ফাঁকা মাঠে গোল দিয়ে তাদের ইচ্ছা ও আদর্শমতো সংবিধান সংশোধন করে ফেলবে। বিরোধীরাও সংসদকে হাতিয়ার করে লড়ার অধিকার হারাবে। তা ছাড়া মাঠপর্যায়ে যেসব কর্মী বিজেপির মোকাবিলা করে মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লড়াই করে চলেছেন, তাঁদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হবে।

    তামিলনাড়ুর ডিএমকে কিছুকাল আগেও ইন্ডিয়া জোটের সদস্য ছিল। গত বিধানসভা ভোটের পর কংগ্রেস ও বামপন্থীরা তাদের ছেড়ে টিভিকে–কে সরকার গড়তে সমর্থন দেওয়ায় ডিএমকে ইন্ডিয়া জোট থেকে দূরত্ব সৃষ্টি করেছে। যদিও এখনো তারা বিজেপিবিরোধিতার লাইন ছাড়েনি। এ দলের নেতারা মনে করছেন, সিজেপির নিদান মেনে ভোট বয়কট করলে জনগণের কাছে এমন বার্তা যেতে পারে যে বিরোধীরা বিজেপিকে ভয় পাচ্ছে। তাদের সঙ্গে লড়াইয়ে নামতে চাইছে না। এতে লাভের চেয়ে ক্ষতি হতে পারে।

    জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে তেলাপোকারা অনড়। সিজেপি নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই তাঁদের আন্দোলন কর্মসূচি জানিয়ে দিয়েছেন। জ্ঞানেশ ইস্তফা না দিলে আগামী ২ অক্টোবর গান্ধীজয়ন্তীর দিন থেকে তাঁরা ‘যন্তর মন্তর ২.০’ শুরু করবেন জানিয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে সিপিএম ও তৃণমূল কংগ্রেস দুই দলই চাইছে বিজেপিবিরোধিতা তীব্র করতে সিজেপি, টিভিকে, আম আদমি পার্টি ও ডিএমকের মতো দলকে কাছে টানতে। মমতা ও এম এ বেবি চাইছেন, সবাই মিলে জোটবদ্ধ হয়ে এই ইস্যুতে বিজেপিবিরোধী আন্দোলন জোরদার করে তুলুক। আগামী সপ্তাহে ইন্ডিয়া জোটের সম্ভাব্য বৈঠকে প্রসঙ্গটি অবশ্যই আলোচিত হবে।

    ইন্ডিয়া শরিকেরা, বিশেষ করে কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, আরজেডি, সমাজবাদী পার্টি ও বামপন্থীরা বিজেপির শরিকদের মনোভাব বোঝারও চেষ্টা করছে। বিজেপির শরিকদের কেউ এখনো প্রবলভাবে জ্ঞানেশ কুমার বা নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধাচরণ করেনি। চার শরিক, বিহারের লোকজনশক্তি পার্টি (এলজেপি), অন্ধ্র প্রদেশের টিডিপি, উত্তর প্রদেশের রাষ্ট্রীয় লোক মঞ্চ ও মহারাষ্ট্রের রিপাবলিকান পার্টি অব ইন্ডিয়া মনে করে, মানুষের মনে যখন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে সন্দেহ ও সংশয় দেখা দিয়েছে, ওই প্রতিষ্ঠানের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তখন নির্বাচন কমিশনের উচিত প্রকাশ্যে এসে সব প্রশ্নের ব্যাখ্যা দেওয়া। সব সংশয় দূর করা।

    এলজেপি নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিরাগ পাসোয়ান, সরকারের সবচেয়ে বড় শরিক টিডিপির লোকসভার দলনেতা শ্রীকৃষ্ণ দেভারায়ালু, রাষ্ট্রীয় লোকমঞ্চের উপেন্দ্র কুশাওয়া ও আরপিআইয়ের রামদাস আটওয়ালের এ ধরনের মন্তব্য বিজেপিকে কিঞ্চিৎ চিন্তিত রেখেছে। কমিশনবিরোধী প্রচার এনডিএ শরিকদের কতটা প্রভাবিত করছে, বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব আপাতত তা বোঝার চেষ্টা করছে। বিজেপি এ–ও দেখছে, শরিক নয় অথচ নানাভাবে সরকারকে সাহায্য করে আসা ওয়াইএসআর কংগ্রেস নেতা জগনমোহন রেড্ডির কণ্ঠেও ভিন্নসুর। জগনমোহন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন, গণতন্ত্রে স্বচ্ছতা বজায় থাকার পাশাপাশি এমন বিশ্বাসও জনমানসে প্রতিষ্ঠিত হওয়া জরুরি যে স্বচ্ছতা বজায় রয়েছে। বিজেপিকে তিনি মনে করিয়ে দিতে ভোলেননি, ২০২৩ সালে নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের নিযুক্তির জন্য যে আইন পাস করতে তাঁরা সাহায্য করেছিলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে তার পর্যালোচনা হওয়া প্রয়োজন। সেই আইনেই ইসি সদস্যদের মনোনয়নের দায়িত্ব থেকে প্রধান বিচারপতিকে বাদ দিয়ে সেই জায়গায় প্রধানমন্ত্রী মনোনীত আরও এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে রাখার কথা বলা হয়েছিল। কমিটির তৃতীয় সদস্য লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এ আইনের ফলে সরকারপক্ষ যাঁকে ঠিক করবে, তিনিই সিইসি ও ইসি সদস্য হিসেবে মনোনীত হবেন। বিরোধী নেতা কিছুই করতে পারবেন না।

    জ্ঞানেশ প্রশ্নে শরিক ও সমমনা দলগুলোর মনোভাব শেষ পর্যন্ত কেমন হয়, বিজেপি এখন তা বোঝার চেষ্টা করছে। জ্ঞানেশ কুমারকে নিয়ে এখনই কোনো সিদ্ধান্ত নিতে সরকার রাজি নয়। বিজেপির এক শীর্ষ নেতার কথায়, জল কতদূর গড়ায়, তা না দেখে কোনো ব্যবস্থা নয়। তিনি মনে করিয়ে দেন, নরেন্দ্র মোদি কখনো হুট করে কোনো সিদ্ধান্ত নেন না। ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরানোর সিদ্ধান্তও অনেক ভাবনাচিন্তার পর নেওয়া। এ ক্ষেত্রে প্রশ্নটি সাংবিধানিক সংস্থার প্রধানকে নিয়ে। বিরোধী আন্দোলনের তীব্রতা, নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যা ও জনগণের প্রতিক্রিয়া দেখেই সরকার উপযুক্ত পদক্ষেপ নেবে।

  • নাগরপুরে ভীমরুলের কামড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ

    নাগরপুরে ভীমরুলের কামড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ভীমরুলের কামড়ে চান মিয়া নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তবে পরিবারের দাবি, চিকিৎসায় গাফিলতির কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।

    শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    নিহত চান মিয়া উপজেলার মামুদনগর ইউনিয়নের শ্রীবড়টিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

    নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে চান মিয়া তার নিজ বাড়ির তালগাছে ওঠেন গাছ পরিষ্কার করতে থাকেন। এমন সময় গাছে থাকা ভীমরুলের চাক থেকে বেশ কিছু ভীমরুল তাকে আক্রমণ করে এবং শরীরের একাধিক স্থানে হুল ফোটালে তিনি দ্রুত গাছ থেকে নেমে আসেন। পরে তার অবস্থা গুরুতর দেখে পরিবারের লোকজন তাকে দ্রুত নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

    নিহতের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালে ভর্তির পর চান মিয়া সঠিক চিকিৎসা দেয়া হয়নি। সঠিক চিকিৎসা না দেয়ার কারণে তার অবস্থা খারাপ হতে থাকে। তারা চিকিৎসা দিতে পারবে না একথা বললে আমরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্যত্র নিয়ে যেতাম। চিকিৎসকদের অবহেলার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। আমরা এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

    নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা: রিফাত মাহবুব বলেন, চান মিয়া বিকেল ৫টার দিকে হঠাৎ করেই শকে চলে যান। বহু চেষ্টা করেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এ,আর

  • ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে পটুয়াখালী সরকারি কলেজে নবীনবরণ প্রোগ্রাম

    ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে পটুয়াখালী সরকারি কলেজে নবীনবরণ প্রোগ্রাম

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    পটুয়াখালী সরকারি কলেজের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের অনার্স প্রথম বর্ষ ও ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের নিয়ে নবীনবরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) কলেজ প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির পটুয়াখালী সরকারি কলেজ শাখার উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    ‘জ্ঞান, দক্ষতা, দেশপ্রেম ও ইসলামী চেতনা’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি দক্ষতা অর্জন, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তিনি শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি নিজেদের দক্ষ, সৎ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান। তরুণদের মেধা ও যোগ্যতাকে দেশের কল্যাণে কাজে লাগানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও ইসলামী সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। পরে নবীন শিক্ষার্থী, কলেজের শিক্ষক, সাবেক সভাপতিবৃন্দ ও সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।

    ক্যারিয়ারভিত্তিক আলোচনায় বক্তব্য দেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সম্পাদক মো: সুমন সরকার ও সাবেক কেন্দ্রীয় দাওয়াহ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম। তারা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার পরিকল্পনা, দক্ষতা উন্নয়ন ও সময়ের সঠিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক কার্যকরী পরিষদ সদস্য ও সাবেক জেলা সভাপতি আব্দুল্লাহ আল নাহিয়ান, পটুয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান। এ,আর

  • ইরানি ফ্লাইটে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আহ্বান বাগদাদের

    ইরানি ফ্লাইটে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আহ্বান বাগদাদের

    ইরানি ফ্লাইটের জন্য মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকার সুযোগ চাইছে ইরাক। ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদির কার্যালয় জানিয়েছে, বাগদাদ যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক একটি নীতির বিষয়ে তাদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা চালাচ্ছে।

    মার্কিন অর্থ বিভাগের ওই নীতিতে বলা হয়েছে, যেসব বিমানবন্দর ইরানি ফ্লাইট পরিচালনা বা সেগুলোকে সহায়তা করবে, সেগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হতে পারে। ইরাক তার কয়েকটি বিমানবন্দরকে এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত রাখার চেষ্টা করছে।

    শনিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় উল্লেখ করেছে যে, এই আলোচনার লক্ষ্য হলো এমনভাবে ছাড় বা অব্যাহতি পাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে, যাতে চিকিৎসা, পড়াশোনা, ধর্মীয় ভ্রমণ এবং সাধারণ নাগরিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট মানবিক কারণে বিমান চলাচল পুনরায় শুরু করার সুযোগ পাওয়া যায়।

    বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘ইরাক সরকার যখন এই অঞ্চলে উত্তেজনা প্রশমনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে, তখন সংকটের ধারাবাহিকতা পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তোলে। তাই তারা সব পক্ষকে সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে এমন সমাধান খোঁজার আহ্বান জানাচ্ছে, যা বর্তমান সংকট ও সংঘাতের অবসান ঘটাবে এবং এই অঞ্চলের দেশ ও জনগণের স্বার্থ রক্ষা করবে।’

  • চুয়াডাঙ্গায় পৃথক অভিযানে ৭২৩ বস্তা সার জব্দ

    চুয়াডাঙ্গায় পৃথক অভিযানে ৭২৩ বস্তা সার জব্দ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে পৃথক অভিযানে অবৈধভাবে মজুদ করা ৭২৩ বস্তা রাসায়নিক সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ।

    শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ও শনিবার উপজেলায় পৃথক অভিযান চালিয়ে সারগুলো জব্দ করা হয়।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জীবননগর শহরের দত্তনগর সড়কে অবস্থিত শান্তনা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আবুল কালাম আজাদ লাইসেন্স ছাড়াই দোকানে বাড়তি দামে বিক্রির উদ্দেশে সরকারি রাসায়নিক সার মজুদ করেন। খবর পেয়ে জীবননগরের ইউএনও সুমাইয়া সুলতানা এ্যানির নেতৃত্বে শুক্রবার বিকেলে সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে জীবননগর থানার ওসি সোলায়মান শেখ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে দোকানের মালিক আজাদ পালিয়ে যান। পরে দোকান থেকে ৪০৩ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়।

    অন্যদিকে, শনিবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জীবননগর থানার ওসি সোলায়মান শেখের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল হাসাদাহ বাজারের তৌফিক এন্টারপ্রাইজে অভিযান চালায়। দোকান মালিক আব্দুল খালেকের উপস্থিতিতে ৩২০ বস্তা ডিএপি, টিএসপি ও এমওপি সার জব্দ করা হয়। পরে তার তিনটি দোকান সিলগালা করে দেয়া হয়।

    জীবননগর থানার ওসি জানান, সার ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ ও আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে জীবননগর থানায় পৃথক দুটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

    ইউএনও সুমাইয়া সুলতানা বলেন, ‘কৃষকদের প্রয়োজনীয় সার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ও কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি রোধে প্রশাসন তৎপর রয়েছে। কেউ অসাধু উপায়ে কৃত্রিম সঙ্কট বা অবৈধ মজুদের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

    জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক নূরুল ইসলাম বলেন, ‘যশোরের নওয়াপাড়াসহ বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে রাসায়নিক সার এনে মজুদ করছিল, যাতে ভুট্টা মৌসুমে কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করে চড়া দামে বিক্রি করা যায়। বর্তমানে কৃষি মৌসুম চলায় সারের চাহিদা অনেক বেশি। এ সময় অবৈধ মজুদ সার সরবরাহ ব্যবস্থাকে বাধাগ্রস্ত করে, যার ফলে প্রকৃত কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হন। এসব কর্মকাণ্ড রোধে ভবিষ্যতে আরো কঠোর পদক্ষেপ নেয়া হবে।’ এ,আর

  • ৬০ শতাংশ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে অনড় ইরান

    ৬০ শতাংশ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে অনড় ইরান

    ইউরেনিয়াম ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধকরণ থেকে সরে আসবে না ইরান।দেশটির পার্লামেন্টের অভ্যন্তরীণ বিষয় ও কাউন্সিলবিষয়ক কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সালেহ জোকার এ কথা বলেছেন।আধা সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।

    জোকার বলেন, বিভিন্ন মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করা ইরানের জনগণের বৈধ ও মৌলিক অধিকার।

    তিনি বলেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায় না। তবে শিল্প, চিকিৎসা, কৃষি ও জ্বালানি উৎপাদনে পারমাণবিক বিজ্ঞানের ব্যবহার অব্যাহত রাখতে চায় দেশটি।

    জোকার বলেন, ‘আমাদের ৬০ শতাংশ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের প্রয়োজন নেই—এমন দাবি ঠিক শত্রুরা যা চায়, সেটিই।’

    ইরানের জনগণের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার রক্ষা করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

  • মুসলমানদের উস্কে দিচ্ছে ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র: পেজেশকিয়ান

    মুসলমানদের উস্কে দিচ্ছে ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্র: পেজেশকিয়ান

    ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সম্পদ ও নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র মুসলিম দেশগুলোকে পরস্পরের বিরুদ্ধে সংঘাতে জড়াচ্ছে। আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ইরানে হামলা চালাতে মুসলিম দেশগুলোর আকাশসীমা ব্যবহার করা হয়েছে।

    ইয়েমেন প্রসঙ্গে পেজেশকিয়ান বলেন, হুথিদের সঙ্গে সৌদি আরবের বিরোধ ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয় এবং দুই পক্ষের সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা উচিত। প্রয়োজনে ইরান এ বিষয়ে সহযোগিতা করতে পারে বলেও জানান তিনি।

    মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা এবং নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরান চাপের মুখে নতি স্বীকার করবে না। তাঁর দাবি, আঞ্চলিক দেশগুলোকে যুদ্ধে জড়িয়ে দিয়ে ইরানের সরকার দ্রুত পতন ঘটবে—এমন ধারণা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। তিনি আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য বাইরের কোনো ‘পুলিশম্যান’ নয়, বরং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেন।

  • মেঘনায় ট্রলারডুবি : কুমিল্লায় একই পরিবারের ৩ জনের দাফন সম্পন্ন

    মেঘনায় ট্রলারডুবি : কুমিল্লায় একই পরিবারের ৩ জনের দাফন সম্পন্ন

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজের দুই দিন পর একই পরিবারের তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

    শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের আল মোস্তফা ফ্যাক্টরির সামনে মেঘনা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় লাশ তিনটি উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ।

    নিহতরা হলো— সামিনা (১৭), সজিব (২৪) ও সামিন (৫)। তাদের বাড়ি কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামে। লাশ নিহতদের বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া।

    এর আগে দুর্ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রায়েশা বেগম (৫৫) নামে আরো এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে, এ ঘটনায় হেলাল উদ্দিন নামে আরো একজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তাকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশের অভিযান এখনো চলমান রয়েছে।

    শনিবার দুপুর ১২টার দিকে নিহত তিনজনের লাশ হোমনার শ্রীমদ্দি গ্রামে নেয়া হয়। পরে স্থানীয় মাঠে জানাজা শেষে চরেরগাঁও কবরস্থানে পাশাপাশি তিনজনকে দাফন করা হয়। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুসরাত জাবিনসহ স্থানীয় লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লার হোমনা থেকে আত্মীয়ের বিয়েতে যাওয়ার পথে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার মেঘনা নদীতে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সোনামই এলাকায় আমান সিমেন্ট কারখানা সংলগ্ন নদীতে প্রবল স্রোতের মধ্যে ট্রলারটি উল্টে যায়। মুহূর্তের মধ্যে যাত্রীরা নদীতে পড়ে যান।

    খবর পেয়ে সোনারগাঁও ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ উদ্ধার অভিযান শুরু করে। এ সময় রায়েশা বেগম নামে এক নারীকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। কিন্তু নিখোঁজ হন একই পরিবারের চারজন (হেলাল উদ্দিন, তার মেয়ে সামিনা ও দুই ছেলে সজিব ও সামিন)। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়েও তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

    পরদিন শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে আবার উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ডুবে যাওয়া ট্রলার উদ্ধার করা গেলেও নিখোঁজ চারজনের সন্ধান মেলেনি। এ সময় ট্রলারে বেঁধে রাখা দু’টি গরু ও একটি খাসি মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। এ,আর

  • ‘শক্তি নয়, কূটনীতিই হরমুজের সমাধান’

    ‘শক্তি নয়, কূটনীতিই হরমুজের সমাধান’

    ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে নয় বরং কূটনৈতিকভাবেই কেবল হরমুজ সংকটের সমাধান সম্ভব। আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি একথা বলেন।

    হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে তিনি বলেন, ‘ওয়াশিংটনই আমাদের পথ রুদ্ধ করেছিল।’

    তিনি আরো বলেন, ইরানের জন্য চলাচলের পথ বন্ধ করে দেওয়া হলে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়াটা এক ধরনের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া।

    তার মতে, শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে নয় বরং আলোচনার মাধ্যমেই হরমুজ প্রণালি সংকটের সমাধান করা সম্ভব।

    ইরানি প্রেসিডেন্ট বলেন, আলোচনার মাধ্যমে যদি বিরোধের নিষ্পত্তি হয়, তাহলে বাণিজ্য চলাচলের জন্য এই জলপথটি উন্মুক্ত থাকবে।

  • দেবীগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু

    দেবীগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গৃহবধূর মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আলেফা বেগম (৪৮) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

    শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার সোনাহার সাহাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    মৃত আলেফা ওই গ্রামের আজিজুল ইসলামের স্ত্রী।

    স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাড়ির ভেতরে টিউবওয়েলের পাশে বৈদ্যুতিক মোটরের সুইচ দিয়ে পানি তুলতে যান আলেফা। এ সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুতের লাইনে হাত লেগে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান তিনি।

    পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    দেবীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) প্রবীর কুমার সরকার বলেন, ‘সুরতহাল শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’এ,আর

  • যশোরে নিয়োগপত্র না পেয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি

    যশোরে নিয়োগপত্র না পেয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচি

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    যশোরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া ১০৬ প্রার্থী নিয়োগের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন।

    শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টা থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা প্রার্থীরা অংশ নেন।

    তাদের দাবি, চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ২৯০ জনের মধ্যে ১৮৪ জনকে নিয়োগপত্র দেয়া হলেও ১০৬ জনকে নিয়োগপত্র দেয়া হয়নি।

    প্রার্থীদের অভিযোগ, বিভিন্ন কারণে নিয়োগপত্র আটকে দেয়া হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক কারণে তারা বাদ পড়েছেন। বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে জানানো হলে তিনি গুরুত্বসহকারে দেখার আশ্বাস দেন ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় বিষয়টি আলোচনা করবেন বলে জানান।

    নিয়োগের বিষয়টি সমাধান না হলে রোববার বাদ পড়া প্রার্থীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সমবেত হয়ে পরবর্তী কর্মসূচির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা। এ,আর

  • থাইল্যান্ডে বন্যায় ৫০ জেলা প্লাবিত

    থাইল্যান্ডে বন্যায় ৫০ জেলা প্লাবিত

    টানা তিন দিনের ভারী বর্ষণে ব্যাপক জলাবদ্ধতা ও বন্যা দেখা দেওয়ায় থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের ৫০টি জেলায় দুর্যোগপূর্ণ এলাকা ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। শনিবার এ ঘোষণা দেওয়া হয়। ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপুন্ট জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে নগরীতে প্রায় ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

    অবিরাম বৃষ্টিতে নগরীর সড়ক ও খালগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। খাল ও সড়কের পাশের বহু বাড়িঘর ও দোকানেও পানি ঢুকে পড়ে। বিভিন্ন ছবি ও ভিডিওতে ব্যাংককের প্রধান সড়কগুলো পানিতে ডুবে থাকতে এবং পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় চলাচল করতে না পেরে রাস্তায় পরিত্যক্ত অবস্থায় গাড়ি পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

    চাদচার্ট বলেন, নগরীর পূর্বাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শনিবার আরো বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে বলে সতর্ক করেন তিনি। তবে বৃষ্টি থেমে গেলে পানি দ্রুত কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন গভর্নর। নগর কর্তৃপক্ষ দ্রুত বন্যার পানি নিষ্কাশনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাদচার্ট বলেন, ‘বৃষ্টি থামছে না এবং আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। পানি পাম্প করে বের করার চেষ্টা করছি, কিন্তু খালগুলো পানিতে পূর্ণ হয়ে গেছে। যারা খালের আশপাশে বসবাস করেন, তারাই সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছেন। এখন প্রতিটি খালই পানিতে পূর্ণ।’

    নতুন করে বৃষ্টি না হলে পানি পুরোপুরি নেমে যেতে আরো দুই থেকে তিন দিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    চাদচার্ট বাসিন্দাদের গাড়ি নিরাপদ ও উঁচু স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

    এদিকে দুর্যোগ প্রতিরোধ ও প্রশমন বিভাগ জানিয়েছে, রোববার পর্যন্ত পূর্ব, উত্তর-পূর্ব ও মধ্য থাইল্যান্ডে নিম্নচাপের প্রভাব থাকতে পারে। এর ফলে আকস্মিক বন্যা, পাহাড়ি ঢল, ভূমিধস এবং নদীর পানি উপচে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।

  • সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িত ইরান: আইআরজিসি

    সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িত ইরান: আইআরজিসি

    ইরান সর্বাত্মক ও বহুমাত্রিক যুদ্ধে জড়িত বলে জানিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। আইআরজিসির স্থলবাহিনীর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ কারামি বলেন, দেশটি বর্তমানে এমন এক সর্বাত্মক ও সমন্বিত যুদ্ধে জড়িত, যার অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক মাত্রা রয়েছে।

    তিনি বলেন, বুদ্ধিবৃত্তিক যুদ্ধের ক্ষেত্রে শত্রুপক্ষ জনমত প্রভাবিত করতে এবং মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করতে গণমাধ্যম ও সাইবার জগতকে ব্যবহার করে থাকে।

    কারামি অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলি হামলার প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, তেহরান নিপীড়ন ও অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে এবং এই প্রতিরোধ অব্যাহত থাকবে।

  • ভারতের বিষাক্ত মদ্যপানে ১৯ জনের মৃত্যু

    ভারতের বিষাক্ত মদ্যপানে ১৯ জনের মৃত্যু

    ভারতের নাগাল্যান্ডে বিষাক্ত মদ্যপানে দুদিনে দুই জেলায় ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। অসুস্থ বেশ কয়েক জন। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, মোকোকচুং জেলায় আটজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্য দিকে, ১১ জনের মারা গেছে তুয়েনসাং জেলায়। এই ঘটনার তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    ১৯৮৯ সালে রাজ্যে মদ নিষিদ্ধ করার আইন আনা হলেও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয় ১৯৯০ সালের এপ্রিল থেকে। তার পরেও কী ভাবে রাজ্যে মদের চোরাচালান হচ্ছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    সূত্রের বরাত দিয়ে আনন্দবাজার অনলাইন জানিয়েছে, অভিযান চালিয়ে প্রায় তিনি হাজার মদের বোতল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

  • হামের উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০৬৪

    হামের উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০৬৪

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরো ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে এ রোগের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ৯৮০ শিশু এবং হাম শনাক্ত হয়েছে ৮৪ জনের। সব মিলিয়ে হামের নতুন রোগী ১,০৬৪ শিশু । এই নিয়ে সরকারি হিসেবে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট মারা গেছে এক হাজার ৮৭ শিশু। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০১ শিশুর। বাকী ৯৮৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গে। এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছে ২ লাখ ৭ হাজার ৯১২ শিশু।

    শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে , গত ১৫ মার্চ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত সন্দেহজনক হামের উপসর্গের রোগী পাওয়া গেছে এক লাখ ৮৬ হাজার ৮১৩ জন। এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামের রোগী পাওয়া গেছে ২১ হাজার ৯৯ জন।

    এ সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ৬৫ হাজার ১৫৫ শিশু। হাম থেকে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে এক লাখ ৫৮ হাজার ৫৭৬ শিশু।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় মারা যাওয়া ৩ শিশুর মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং খুলনা বিভাগের একজন করে রয়েছে। আর একই সময়ে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৩৯৪ জন হাম উপসর্গের রোগী পাওয়া গেছে। আর নিশ্চিত হামের রোগী পাওয়া গেছে ৫১ জন।

  • প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে অস্বচ্ছতা -বৈষম্যের’ প্রতিবাদ জামায়াতের

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে অস্বচ্ছতা -বৈষম্যের’ প্রতিবাদ জামায়াতের

    শিক্ষা ডেস্ক:

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও শত শত প্রার্থীর নিয়োগপত্র না পাওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

    শুক্রবার এক বিবৃতিতে তিনি এই প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২৭ জেলায় অন্তত ৭৭৮ জন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে অনেক প্রার্থী দাবি করেছেন, ভেরিফিকেশনের নামে তাদের নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর এবং রাষ্ট্রীয় নিয়োগব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার জন্য অশনিসংকেত।

    মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষাসহ নির্ধারিত সব ধাপ অতিক্রম করে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পর তাদের হঠাৎ করে কোন আইনে, কোন মানদণ্ডে এবং কার সিদ্ধান্তে তাদের বাদ দেওয়া হলো? অনেকের গুরুতর অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয়, পারিবারিক পরিচয়, মতাদর্শ কিংবা সামাজিক অবস্থান বিবেচনায় চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও বহু প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। দেশবাসী মনে করে, সরকারি চাকরি কোনো দলের আনুগত্যের পুরস্কার নয়। রাজনৈতিক বা পারিবারিক পরিচয় মেধা ও যোগ্যতার বিকল্প হতে পারে না।

    তিনি আরো বলেন, চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের মধ্য থেকে কারা বাদ পড়েছেন, কেন বাদ পড়েছেন এবং কোন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে বাদ পড়েছেন, তা জানার অধিকার জাতির রয়েছে। আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই, ভেরিফিকেশনের নামে মেধাবী তরুণদের হয়রানি বা বঞ্চিত করা হলে তার দায় সরকারকেই নিতে হবে। বাংলাদেশের তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো ধরনের দলীয়করণ, বৈষম্য কিংবা গোপন সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে না।

    জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, আমি সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, অবিলম্বে নিয়োগপত্র না পাওয়া চূড়ান্ত নির্বাচিত প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করুন, প্রত্যেকের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তের সুনির্দিষ্ট কারণ জানান এবং ভেরিফিকেশনের মানদণ্ড জনসমক্ষে স্পষ্ট করুন।

    তিনি আরো বলেন, চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত কোনো নিরপরাধ প্রার্থী অন্যায়ভাবে বঞ্চিত হয়ে থাকলে অবিলম্বে তার প্রতিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অনিয়ম বা বৈষম্যের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। কোনো প্রার্থী অন্যায়ভাবে বাদ পড়ে থাকলে তার নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

  • এবার ক্ষমতার গরমের আঁচ পড়ল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ওপর

    এবার ক্ষমতার গরমের আঁচ পড়ল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ওপর

    রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বরে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে ভাঙচুর ও লুটপাটের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার নিজের ফেসবুক পেজে দেয়া পোস্টে তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান।

    পোস্টে তিনি লিখেছেন, মধ্যরাতে রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে। মুখোশ পরা দুই শতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে লুটপাট চালানোর পর সেটি গুঁড়িয়ে দেয়।

    এবার ক্ষমতার গরমের আঁচ পড়ল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ওপর। রাতের আঁধারে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটি গুঁড়িয়ে দিয়ে সেখানে রহস্যজনক একটি সাইনবোর্ড টানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, কোথায় প্রশাসন, কোথায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী? এর পেছনে কারা রয়েছে, তা আর মোটেই অস্পষ্ট নয়। তাদের পেটের ক্ষুধা কোনোভাবেই নিবারণ হচ্ছে না। তারাই জনগণের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার এই সুযোগটিকে নিশ্চিহ্ন করে দিল।

    জামায়াত আমির বলেন, সরকার একদিকে জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করছে। অন্যদিকে চলছে এই খেলা।আর কত দিন এ ধরনের খেলা চলবে? দুষ্কৃতিকারীদের অবশ্যই খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তা না হলে একসময় জনগণের হাতেই তাদের শাস্তি পেতে হবে।

  • আসামে আতঙ্কে মুসলিমরা

    আসামে আতঙ্কে মুসলিমরা

    আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার কঠোর সমালোচনা করেছেন অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট প্রধান বদরুদ্দিন আজমল। তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর লাগাতার বিভেদমূলক বক্তব্য এবং নীতিগুলোর কারণে রাজ্যের মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে একটি চরম ভীতি ও নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে।’ ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সাম্প্রতিক রাজ্য নির্বাচনে বিন্নাকান্দি বিধানসভা আসনে জয়লাভের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আজমল এ অভিযোগ করেন।

    এ সময় তিনি আরো বলেন, বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করার ক্ষেত্রে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এক নম্বরে রয়েছেন। তার রাজনীতি এবং একের পর এক বিতর্কিত বিবৃতির কারণে আসামের মুসলিমরা প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

    আজমল দাবি করেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মনে তীব্র নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হলেও, তারা রাজ্যের শান্তি ও উন্নয়নের পক্ষেই রয়েছেন। রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকা সত্ত্বেও মুসলিম সমাজ সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    এআইইউডিএফ প্রধান তার সংস্থার সামাজিক কাজের খতিয়ান তুলে ধরে বলেন, তাদের চ্যারিটেবল ট্রাস্ট কোনো ধর্মীয় বৈষম্য না করে সবার শিক্ষার জন্য কাজ করে।

    তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, আজমল ফাউন্ডেশনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কেবল মুসলিম শিক্ষার্থীরাই নয়, হিন্দু ছেলেমেয়েরাও সমানভাবে পড়াশোনা করে। আমরা সবসময় বৈষম্যহীনভাবে শিক্ষা এবং সামাজিক উন্নয়নের জন্য কাজ করে এসেছি।

  • গভীর রাতে দিল্লির মদিনা মসজিদে বুলডোজার

    গভীর রাতে দিল্লির মদিনা মসজিদে বুলডোজার

    গভীর রাতে ভারতের দিল্লির শালিমারবাগ মদিনা মসজিদে বুলডোজার অভিযান চালিয়েছে দিল্লি পৌরসভা।

    ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর রাতে এই অভিযান চালানো হয়।

    ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়, দিল্লির ম্যাক্স হাসপাতালের দিকে যাওয়ার রাস্তার কাছে ভারী পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে মসজিদের উপরের অংশ এবং সংলগ্ন কয়েকটি বাড়িতে ভাঙার কাজ চালানো হয়। রাস্তা চওড়া করার প্রকল্পের অংশ হিসেবে ‘দখল’ সরাতেই এ অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।

    তবে মসজিদ কমিটির অভিযোগ, আইনি প্রক্রিয়া চলমান থাকা অবস্থায় পর্যাপ্ত সময় না দিয়েই রাতের আঁধারে ধর্মীয় স্থাপনায় বুলডোজার চালানো হয়েছে।

    মসজিদ কমিটির সভাপতি মোবিন খান জানান, পৌরসভার নোটিশ পাওয়ার পর আইনজীবীর পরামর্শে প্রয়োজনীয় নথির স্পষ্ট কপি চাওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে পৌরসভার পক্ষ থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় নোটিশ দেয়া হয়। শেষ নোটিশে ১৫ দিনের মধ্যে স্থাপনা ভেঙে ফেলার কথা জানানো হয়। পরে কমিটি আপিল ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হয়।

    মোবিনের দাবি, শুনানিতে পৌরসভার পক্ষ থেকে বলা হয়, বিদ্যুতের মিটার থাকা মসজিদের একটি তলা স্বীকৃত। বাকি অংশকে নতুন নির্মাণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কমিটি ২০০১ সালে তিন তলা নির্মাণের নকশা জমা দেয়। পাশাপাশি দেয়ালের প্লাস্টারের বয়স পরীক্ষারও আবেদন করা হয়। তবে এসব নথি ও বক্তব্য যথাযথ গুরুত্ব পায়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    মসজিদের ইমাম জারিফুর রহমান প্রশ্ন করেন, শালিমারবাগের বহু বাড়ি যদি সাধারণ পাওয়ার অব অ্যাটর্নির ভিত্তিতে নির্মিত হয়ে থাকে, তাহলে একই ব্যবস্থায় থাকা বাড়িগুলোর মধ্যে শুধু মসজিদকেই কেন বেআইনি নির্মাণ বলা হচ্ছে?

    অভিযানের খবর পেয়ে গভীর রাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছান এআইএমআইএমের দিল্লি সভাপতি শোয়েব জামাই। তার দাবি, পুলিশ পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছিল। মসজিদের ভেতরে কোরআনসহ বিভিন্ন সামগ্রী থাকায় তিনি দলবল নিয়ে সেগুলো সরিয়ে আনেন।

    শোয়েব জামাই অভিযোগ করেন, মধ্যরাতের এ অভিযান সাংবিধানিক অধিকার নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। তিনি ঘটনাটিকে উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরে মসজিদ ভাঙার ঘটনার সাথে তুলনা করে দিল্লিতে এমন পরিস্থিতি তৈরি না করার আহ্বান জানান।

  • খুলনায় অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী রিফাত গ্রেফতার

    খুলনায় অস্ত্রসহ সন্ত্রাসী রিফাত গ্রেফতার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    খুলনায় সন্ত্রাসী গ্রুপ ‘বি কোম্পানি’র সদস্য হিসেবে তালিকাভুক্ত চিংড়ি পলাশের বাড়ি থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ তার স্ত্রী টিকলি মাক্কি রানীকে (৩০) আটকের পর ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। পুলিশের বক্তব্য, তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে রিফাত তালুকদার (২২) নামে এক সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

    খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বলেন, গত বুধবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, কারাগারে বন্দি নগরীর শীর্ষ সন্ত্রাসী চিংড়ি পলাশের গোবরচাকার বাড়িতে যশোর থেকে আসা ২০-২২ বছর বয়সী কয়েকজন সন্ত্রাসী অবস্থান করছে। ওই সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তার বাড়ি ঘিরে ফেলে এবং বাড়ি থেকে রিফাত তালুকদার নামের এক যুবককে গ্রেফতার করে। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ওই বাড়ির একটি কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে তিনটি বিদেশী পিস্তল, ৯ রাউন্ড গুলি ও ৪টি ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার রিফাত তালুকদার যশোর শহরের শংকরপুর বাস টার্মিনাল এলাকার মো: ইদ্রিস তালুকদার ও নাসিমা বেগমের ছেলে। রিফাত তালুকদারের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে।

    এর আগে দুপুরে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া বলেছিলেন, অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় চিংড়ি পলাশের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গুলিসহ তার স্ত্রী টিকলি মাক্কি রানীকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেছিলেন, জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, স্বামী পলাশ গ্রেফতার হওয়ার পর দুই সন্তান নিয়ে তিনি ঢাকায় চলে যান। এরপর সেখানে একটি গার্মেন্টসে চাকরি নেন। স্বামীর সংসারে আর তিনি ফিরতে চাননি। পরে তার ভাশুর স্বামীর জামিনের মিথ্যা তথ্য দিয়ে তাকে খুলনায় নিয়ে আসেন। এর সাথে সে জড়িত নয়। পলাশের বাড়ি থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের ঘটনায় তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করা হবে।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৭ ডিসেম্বর যশোর থেকে চিংড়ি পলাশকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। এখন সে কারাগারে রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ১২টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে সোনাডাঙ্গা থানায় আটটি হত্যা মামলা রয়েছে। এ ছাড়া মাদক, চাঁদাবাজি, মারামারি ও বিস্ফোরক আইনে মামলা রয়েছে। এ,আর

  • নেতানিয়াহুর বক্তব্য শুনেছে দুই মুসলিম দেশ

    নেতানিয়াহুর বক্তব্য শুনেছে দুই মুসলিম দেশ

    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নজিরবিহীন গণবর্জন ও অধিবেশন কক্ষ ত্যাগের (ওয়াকআউট) ঘটনা ঘটেছে। তবে অধিকাংশ মুসলিম ও আরব রাষ্ট্র প্রতিবাদ জানিয়ে সভাকক্ষ ত্যাগ করলেও নিজ আসনে বসে তার বক্তব্য শুনেছে দুই মুসলিম দেশ বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

    ইসরাইলের নিজস্ব পর্যালোচনার বরাতে জানা গেছে, নেতানিয়াহুর ৪১ মিনিটের বক্তব্যের সময় বাংলাদেশসহ অন্তত ৭৭টি দেশের আসন পুরোপুরি ফাঁকা ছিল। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী পোডিয়ামে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং ওয়াকআউট করে অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। এছাড়া অনেক দেশের প্রতিনিধিরা পূর্বনির্ধারিতভাবেই ওই অধিবেশনে অংশ না নিয়ে শুরু থেকেই অনুপস্থিত ছিলেন।

    প্রতিবাদকারী দেশগুলোর তালিকায় ইসরাইলের প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিসর, জর্ডান, লেবানন ও সিরিয়ার পাশাপাশি তুরস্ক, সৌদি আরব ও ইরানের মতো প্রভাবশালী মুসলিম দেশগুলো ছিল। তবে গাজা উপত্যকায় চলমান সামরিক আগ্রাসন নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র ক্ষোভ থাকা সত্ত্বেও ওয়াশিংটন-মধ্যস্থ আব্রাহাম চুক্তির অংশীদার বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধি দল নেতানিয়াহুর ভাষণ চলাকালে নিজেদের আসন ত্যাগ করেনি; তারা সভাকক্ষে বসেই পুরো বক্তব্য শুনেছে।

    অন্যদিকে, পাকিস্তানের প্রতিনিধি দল সভাকক্ষ থেকে বেরিয়ে বাইরে লবিতে দাঁড়িয়ে বক্তব্য পর্যবেক্ষণ করে। মিসর ও জর্ডান সরাসরি পরিকল্পিত ওয়াকআউট না করলেও তাদের আসনগুলো খালি ছিল। তবে ইসরাইলি কর্মকর্তাদের দাবি, সকালের অধিবেশন হওয়ায় কয়েকটি দেশের প্রতিনিধি সময়মতো উপস্থিত হতে পারেননি।

  • সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় জাতিসংঘে প্রস্তাব পাস

    সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় জাতিসংঘে প্রস্তাব পাস

    সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় আরো জোরালো পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বৃহস্পতিবার সর্বসম্মতভাবে একটি প্রস্তাব পাস করেছে জাতিসংঘ। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও বরফের চাদর ও হিমবাহ গলে যাওয়ার কারণে সৃষ্ট এ সংকট নিচু দ্বীপদেশগুলোর অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    ২০২৪ সালে বিশ্বজুড়ে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রায় ৬ মিলিমিটার বেড়েছে। এক বছরে এটাই এ পর্যন্ত রেকর্ড করা সর্বোচ্চ বৃদ্ধি। বড় ধরনের পদক্ষেপ না নিলে চলতি শতাব্দীর শেষ নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা এক মিটার বা তারও বেশি বাড়তে পারে।

    জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা মিলিমিটারে মাপা হয়। কিন্তু এর ক্ষয়ক্ষতি মাপা হয় লাখ লাখ মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হওয়া, জনপদ উচ্ছেদ এবং ভবিষ্যৎ হারানোর মধ্য দিয়ে।’

    তিনি বলেন, ‘আমরা দেশ ও সংস্কৃতিগুলোকে ঢেউয়ের নিচে হারিয়ে যেতে দিতে পারি না। কোটি কোটি মানুষের আকাঙ্ক্ষাকেও আমরা পানিতে ডুবে যেতে দিতে পারি না।’

    সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির সমস্যা মোকাবিলায় নতুন গতি সৃষ্টির লক্ষ্যেই এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এতে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ কমানো এবং ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে তাদের সহনশীলতা বাড়ানোর পরিকল্পনা জোরদারে অর্থায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

    এর পাশাপাশি, সমুদ্রের ঢেউয়ের নিচে কোনো দেশ ধীরে ধীরে বিলীন হতে শুরু করলে কী হবে, সে-সংক্রান্ত আইনি বিষয়গুলোরও সমাধান করা হয়েছে।

    ঘোষণায় বলা হয়েছে, উপকূলরেখা পিছিয়ে গেলেও সামুদ্রিক সীমানা বহাল থাকবে। একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এর কোনো একটি মৌলিক উপাদান বিলীন হয়ে গেলেই যে রাষ্ট্রের মর্যাদা হারাতে হবে, তা নয়।

    ছোট দ্বীপদেশগুলোর জোট অ্যালায়েন্স অব স্মল আইল্যান্ড স্টেটসের পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার সময় পালাউয়ের প্রেসিডেন্ট সুরাঙ্গেল হুইপস জুনিয়র বলেন, ‘আমাদের চারপাশের সমুদ্রই যেসব রাষ্ট্রের অস্তিত্বের সংজ্ঞা নির্ধারণ করে, তাদের জন্য সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি জীবন বদলে দেওয়ার মতো প্রভাব ফেলবে।’

    তিনি বলেন, ছোট দ্বীপদেশগুলো ১৯৮৯ সালের ‘মালে ঘোষণার’ পর থেকেই বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি নিয়ে সতর্ক করে আসছে। তারা এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক আইন প্রণয়নেও ভূমিকা রেখেছে। তিনি এই ঘোষণাকে ‘একটি সত্যিকারের অর্জন’ হিসেবে স্বাগত জানান।

  • দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও আইনশৃঙ্খলা অবনতির প্রতিবাদে ফেনীতে জামায়াতের বিক্ষোভ

    দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও আইনশৃঙ্খলা অবনতির প্রতিবাদে ফেনীতে জামায়াতের বিক্ষোভ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে ফেনীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

    শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জেলা আমির মুফতি আবদুল হান্নান।

    বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের বড় জামে মসজিদ থেকে শুরু হয়ে ট্রাংক রোড প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ আবদুর রহিম, সহকারী সেক্রেটারি ও প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট জামাল উদ্দিন, শহর আমির ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের শহর সেক্রেটারি এনামুল হক প্রমুখ।

    মুফতি আবদুল হান্নান বলেন, ‘তেলের দাম প্রতি লিটারে ২০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। অবিলম্বে জ্বালানি তেলের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। আজকে সারাদেশে একটি অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে আইনশৃঙ্খলার সর্বোচ্চ অবনতি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলার উন্নতি সাধনে সরকারকে অবিলম্বে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আর যদি ব্যর্থ হয় তাহলে দ্রুত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। তিনি একজন ব্যর্থ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’ এ,আর

  • পটিয়ায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

    পটিয়ায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    চট্টগ্রামের পটিয়ার শ্রীমাই খাল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার উত্তর ছনহরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রীমাই খাল থেকে ওই লাশ উদ্ধার করা হয়।

    স্থানীয়রা জানায়, আজ সকালে শ্রীমাই খালের পানিতে একটি লাশ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। পরে পটিয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।

    থানার পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ জিয়াউল হক এ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘উত্তর ছনহরার খাল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তার বয়স আনুমানিক ৪০ বছর হতে পারে। লাশের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।’

    তিনি বলেন, ‘ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই ওই ব্যক্তির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’ এ,আর

  • নড়াইলে নাশকতার মামলায় হবখালী ইউপি মেম্বার লিটু গ্রেফতার

    নড়াইলে নাশকতার মামলায় হবখালী ইউপি মেম্বার লিটু গ্রেফতার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নাশকতার মামলায় নড়াইল সদরের হবখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার (সদস্য) ইব্রাহিম হোসেন লিটুকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে তাকে কাগজীপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

    নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসেল সরোয়ার জানান, হবখালী ইউপি মেম্বার ইব্রাহিম হোসেন লিটুকে নাশকতার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। এ,আর

  • সাতক্ষীরায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা

    সাতক্ষীরায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ‘মেধা, সততা ও দেশপ্রেমে গড়ি ইনসাফের বাংলাদেশ’ – এ স্লোগান ধারণ করে সাতক্ষীরায় এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৩০০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের শহর শাখা।

    শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাতক্ষীরা শহরের মুন্সিপাড়ায় আল আমিন ট্রাস্টের কাজী শামসুর রহমান মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও সাতক্ষীরা শহর সভাপতি মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ। প্রধান আলোচক ছিলেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক সাইদুল ইসলাম।

    বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কলেজ কার্যক্রম সম্পাদক হাফেজ ইউসুফ ইসলাহী, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি প্রভাষক ওমর ফারুক, সাতক্ষীরা শহর জামায়াতের সেক্রেটারি খোরশেদ আলম এবং সদর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা হাবিবুর রহমান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা শহর ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মো. নুরুন্নবী।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্লাহ বলেন, “জিপিএ-৫ অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সততা ও দেশপ্রেমের চর্চা করতে হবে। মেধা ও নৈতিকতার সমন্বয়ের মাধ্যমে বৈষম্যহীন ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে তরুণ প্রজন্মকে ভূমিকা রাখতে হবে।”

    প্রধান আলোচক সাইদুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, “শিক্ষার্থীদের কেবল একাডেমিক ফলাফলে সফল হলেই চলবে না, তাদের একজন আদর্শ ও চরিত্রবান মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। ইসলামী ছাত্রশিবির শিক্ষার্থীদের মাঝে মেধা ও নৈতিকতার অপূর্ব সমন্বয় ঘটিয়ে দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে প্রস্তুত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের নতুন প্রজন্মকে জ্ঞান-বিজ্ঞানে সেরা হওয়ার পাশাপাশি আদর্শিক চেতনায় বলীয়ান হতে হবে।”

    অনুষ্ঠানে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে স্মারক ক্রেস্ট, ফুল, বই, কলম ও প্যাডসহ বিভিন্ন উপহার তুলে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের মতামত ও পরামর্শ গ্রহণের জন্য একটি ‘পরামর্শ বোর্ড’ও রাখা হয়। অনুষ্ঠানে ছবি তোলার জন্য ফটোফ্রেমের ব্যবস্থা করা হয়।

    শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ কামাল উদ্দিন। এ ছাড়া জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেও একজন বক্তব্য দেন।

    আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ শেষে ‘কপোতাক্ষ শিল্পীগোষ্ঠী, সাতক্ষীরার শিল্পীদের অংশগ্রহণে পরিবেশিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
    অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা শহর ছাত্রশিবিরের অফিস সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ, ভর্তি কার্যক্রম সম্পাদক আবু সালেহ সাদ্দাম, অর্থ সম্পাদক হাফেজ আনিসুর রহমান, মিডিয়া ও তথ্য সম্পাদক মো. মাসুদ রানা, সাহিত্য সম্পাদক ইমরান হোসেন আফজাল, সমাজসেবা সম্পাদক হাফেজ এবাদুল ইসলাম, মাদরাসা কার্যক্রম সম্পাদক মো. শাহনেওয়াজ, প্রচার সম্পাদক মো. ওয়ালীউল্লাহ, প্রকাশনা সম্পাদক মো. মাসুদুজ্জামান, এইচআরডি সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম, আইন সম্পাদক মো. আকবর হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক মো. হাসানুল বান্না, সহকারী সমাজসেবা সম্পাদক বিল্লাল হোসেন, সহকারী এইচআরডি সম্পাদক রাসেল হুসাইন, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ সভাপতি জিয়াউর রহমান ফাহিম, সিটি কলেজ সভাপতি মোল্ল্যা ইব্রাহীম খলিলুল্লাহ ও আগরদাঁড়ী মাদরাসা থানা সভাপতি মো. মুহিব্বুল্লাহ। এ,আর

  • দেবীগঞ্জে ধানক্ষেত থেকে নারীর লাশ উদ্ধার

    দেবীগঞ্জে ধানক্ষেত থেকে নারীর লাশ উদ্ধার

    পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে কৃষি জমির পাশ থেকে হাছিনা বেগম (৪৫) নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের বালাপাড়া এলাকার একটি কৃষি জমি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

    মৃত হাছিনা বেগম বালাপাড়া এলাকার নূর শেখের স্ত্রী। তিনি বালাপাড়া বাজারে একটি কনফেকশনারি দোকান পরিচালনা করতেন।

    স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে বাজারের দোকান বন্ধ করে বাড়িতে ফেরেন হাছিনা বেগম। বাড়িতে ফিরে তিনি স্বামীকে রাতের খাবার দেন। পরে বাড়ির পাশের এক প্রতিবেশীর বাড়িতে দাওয়াতে যাওয়ার জন্য বের হন। এরপর তার আর বাড়িতে ফেরা হয়নি।

    শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরের একটি কৃষি জমিতে স্থানীয় কয়েকজন মাছ ধরার ফাঁদ আনতে গেলে হাছিনা বেগমের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।

    দেবীগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার বিমল চন্দ্র বর্মণ বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

  • নড়াইলে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা

    নড়াইলে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের ছাত্রশিবিরের সংবর্ধনা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নড়াইলে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির নড়াইল জেলা শাখা।

    শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের মাল্টিপারপাস হলরুমে ৪০৪ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।

    জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি তাজ মোহাম্মদের সভাপতিত্বে ও জেলা শাখার সেক্রেটারি রোমান শেখের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) জিএস ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ। এছাড়া বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক ডা: জায়েদ আহমাদ।

    অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, ছাত্রকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক তানভীর সিকদার, প্রকাশনা সম্পাদক নুরুজ্জামান, এইচআরডি সম্পাদক নাইমুল ইসলাম, নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ শাখার ছাত্রশিবিরের সভাপতি ওয়াকিবুজ্জামান অভিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। এ,আর

  • মাধবদীতে অটোরিকশা ও কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে নিহত ২

    মাধবদীতে অটোরিকশা ও কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে নিহত ২

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নরসিংদীর মাধবদীর পাঁচদোনায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন।

    শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে পাঁচদোনা-টঙ্গী সড়কের ভাটপাড়া বাজারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন নরসিংদী সদর উপজেলার চরদিঘলদী ইউনিয়নের অন্তরামপুর এলাকার খোরশেদ আলমের ছেলে সাইদুল ইসলাম (২২) ও আশুলিয়ার মাতাইল দক্ষিণ পাড়ার হারিস মোল্লার ছেলে নুর উদ্দিন।

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকালে গাজীপুর থেকে যাত্রীবাহি একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা নরসিংদীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। পাঁচদোনার ভাটপাড়া সড়কে পৌঁছার পর ওভারটেক করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কাভার্ডভ্যানের পিছনে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার যাত্রী নুর উদ্দিন ও হাসপাতালে নেওয়ার পথে সাইদুল ইসলামের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে মাধবদী থানা পুলিশ নুর উদ্দিনের লাশ উদ্ধার ও অটোরিকশার চালককে হেফাজতে নেয়।

    থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো: জসিম জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের সাথে কথা বলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ,আর

  • বিদ্যুতায়িত ছিল বৈদ্যুতিক খুঁটি, হাত দিতেই বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিশুর মৃত্যু

    বিদ্যুতায়িত ছিল বৈদ্যুতিক খুঁটি, হাত দিতেই বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিশুর মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    যশোরের কেশবপুর উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাব্বির হোসেন (১০) নামে এক স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

    শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার হাড়িয়াঘোপ গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত শিশুশিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন হাড়িয়াঘোপ গ্রামের আজহারুল ইসলামের ছেলে। সে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

    এলাকাবাসী ও থানা সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকেলে সাব্বির তার গ্রামে বিদ্যুতায়িত হয়ে থাকা একটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে হাত দিয়ে দাঁড়াতেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সেখানেই মারা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক দিনের বৃষ্টির কারণে হয়ত কোনোভাবে বৈদ্যুতিক খুঁটিটি বিদ্যুতায়িত হয়ে ছিল। শিশুটি ওই বৈদ্যুতিক খুঁটিতে হাত দিতেই বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তার মৃত্যু হয়।

    কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। এ,আর

  • রায়পুরে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

    রায়পুরে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।

    শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার ৮ নম্বর দক্ষিণ চরবংশী উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে চরবংশী এলকেএইচ উপকূল উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    মাস্টার লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম।

    তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের অর্জিত সাফল্য ধরে রেখে উচ্চশিক্ষায় মনোযোগী হতে হবে। জ্ঞান ও নৈতিকতার সমন্বয়ে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে হবে।’

    নিজেদের মেধা ও প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে সমাজ ও দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।

    প্রধান বক্তা ছিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা জামায়াতের আমির মাস্টার রুহুল আমিন ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন রায়পুর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা সাইয়্যেদ নাজমুল হুদা, সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আব্দুল আউয়াল রাসেল, ৮ নম্বর দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফজলুল করিম, ২ নম্বর উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী ও উপজেলা যুব বিভাগের সেক্রেটারি মাওলানা হোসাইন, এলকেএইচ উপকূল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাস্টার মিজানুর রহমান, ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা সামছুদ্দিন সামদানী ও সহকারী সেক্রেটারি গাজী এম এ সিদ্দিক।

    পরে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়। এ,আর

  • আনোয়ারায় স্বাস্থ্য শিবিরে ৫০০ রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা

    আনোয়ারায় স্বাস্থ্য শিবিরে ৫০০ রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    চট্টগ্রামের আনোয়ারায় স্বাস্থ্য শিবিরে উপকূলীয় এলাকার ৫০০ হতদরিদ্র রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, ওষুধ ও চশমা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি যাকাত ফান্ড থেকে ৯০ জন হতদরিদ্র রোগীকে জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়।

    শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) উপজেলার গহিরা মোহাম্মাদীয়া দাখিল মাদরাসা প্রাঙ্গণে নীডি ফাউন্ডেশন ও ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, আগ্রাবাদ শাখার যৌথ উদ্যোগে এ স্বাস্থ্য শিবির অনুষ্ঠিত হয়।

    চিকিৎসা শিবিরে মেডিসিন, গাইনি, শিশু, চর্ম, চক্ষু ও দন্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়। চিকিৎসাসেবা শেষে রোগীদের প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং চক্ষু রোগীদের বিনামূল্যে চশমা প্রদান করা হয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল আগ্রাবাদ শাখার সহকারী সুপারিন্টেন্ডেন্ট আবদুল আজিজ রিয়াদ, হিসাব কর্মকর্তা ইকরামুল হক, মার্কেটিং কর্মকর্তা সাম মোহাম্মদ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা হেলাল উদ্দীন, মো: রাকিব হোসেন, নীডি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো: আলম খান, উপদেষ্টা কামাল হোসাইন, মহাসচিব আজম কুতুবী, প্রকল্প পরিচালক হাফেজ মো: ইসহাক, যাকাত দাতা ইরফানুল করিম ইমন, মোস্তফা কামাল, ইকবাল হোসেন সিফু, মো: নাছির, অ্যাডভোকেট আবু জাফর মো: সাদেক চৌধুরী ও মনির মেম্বার। এ,আর

  • লৌহজংয়ে লুণ্ঠিত ৯৫টি অটোরিকশার ব্যাটারি উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

    লৌহজংয়ে লুণ্ঠিত ৯৫টি অটোরিকশার ব্যাটারি উদ্ধার, গ্রেফতার ৩

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে একটি অটো গ্যারেজ থেকে লুট হওয়া ৯৫টি পুরোনো ব্যাটারি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে পদ্মা সেতু উত্তর থানার সামনে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান শ্রীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: আনিছুর রহমান। বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে ব্যাটারি উদ্ধারসহ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতাররা হলেন পটুয়াখালীর বাউফলের ওলিপুরা গ্রামের মো: মাসুদ (৩৩), মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের দিপুপুরা গ্রামের আছলাম শেখ (৩৮) ও টঙ্গিবাড়ীর পূর্ব আউটশাহী গ্রামের সজিব ফকির (২৯)।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান জানান, গত শনিবার রাতে উপজেলার মেদিনীমণ্ডলের মাওয়া পুরাতন ঘাট এলাকায় সুরেশ্বর ফারুক নামে একটি অটো গ্যারেজে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। অজ্ঞাতপরিচয় তিন থেকে চারজন ডাকাতদল গ্যারেজের তালা কেটে ভেতরে ঢুকে পাহারাদার মাসুমের হাত-পা বেঁধে মারধর করে হত্যার হুমকি দেয়। এরপর গ্যারেজে থাকা ২২টি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা থেকে ৯৫টি পুরাতন ব্যাটারি ও ২২টি চার্জার নিয়ে একটি পিকআপভ্যানে লুট করে পালিয়ে যায় ডাকাতরা।

    লুট হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য সাড়ে ১০ লাখ টাকা বলে জানায় পুলিশ। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার পদ্মা সেতু (উত্তর) থানায় মামলা করা হয়।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি আরো জানান, মামলার পর তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকার যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী এলাকায় পাকা রাস্তায় অভিযান চালিয়ে মাসুদকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার দেয়া তথ্যমতে লুট হওয়া ৯৫টি ব্যাটারি উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশ সুপার জানান, জিজ্ঞাসাবাদে মাসুদ জানান তিনি সিরাজদিখানের মালখানগর চৌরাস্তার আছলাম সাইকেল স্টোরের মালিক আছলাম শেখের কাছ থেকে ছয় লাখ ৭৪ হাজার টাকায় ব্যাটারিগুলো কিনেছেন। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে অভিযান চালিয়ে আছলামকে গ্রেফতার করা হয়।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আছলাম পুলিশকে জানান, টঙ্গিবাড়ীর সজিব ফকির ও তার এক বন্ধু ব্যাটারিগুলো বিক্রির জন্য তার কাছে নিয়ে আসেন। তাদের উপস্থিতিতে আছলাম সাইকেল স্টোরের ক্যাশ মেমো ব্যবহার করে ব্যাটারিগুলো মাসুদের কাছে বিক্রি করা হয়।

    এরপর রাত ১০টা ৫ মিনিটের দিকে টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা নতুন বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে সজিবকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সজিব ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

    ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পদ্মা সেতু উত্তর থানার ওসি সৈয়দ মো: আক্তার হোসেন। এ,আর

  • ধরতে ধরতেই চোখের পলকে পানিতে ভেসে গেল ভাই

    ধরতে ধরতেই চোখের পলকে পানিতে ভেসে গেল ভাই

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলায় পদ্মা নদীতে পানির তোড়ে ভেসে গেছে উজির মন্ডল নামে এক কৃষক। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নৌকা করে পদ্মা নদী পাড়ি দেয়ার সময় প্রচন্ড ঢেউয়ে তিনি নৌকা থেকে পড়ে যান। চোখের পলকে তাকে হারিয়ে ফেলে নৌকায় থাকা অন্য সঙ্গীরা।

    নিখোঁজ কৃষক উজির মন্ডল ভেড়ামারা উপজেলার চাঁদগ্রাম ইউনিয়নের মন্ডলপাড়া এলাকার মরহুম খেদের আলীর ছেলে।

    নিখোঁজ উজির মন্ডলের ছোট ভাই নাজির মন্ডলও ওই নৌকায় ছিলেন। তিনি বলেন, পদ্মা নদীর চরে আমাদের জমি রয়েছে। প্রতিদিনই আমরা এক সাথে ছয়-সাতজন একটা নৌকা নিয়ে চরে আসি এবং নিত্যদিনের কাজ করি। আজকেও আমার বড় ভাই উজিরসহ চাচাদের সাথে নিয়ে চরে গিয়েছিলাম।

    তিনি আরো বলেন, জুমার নামাজ আদায়ের জন্য সাড়ে ১২টার দিকে আমরা নৌকা নিয়ে ফিরছিলাম। পদ্মা নদী এখন উত্তাল থাকায় প্রচন্ড ঢেউ ছিল। নৌকা দুলে দুলে চলছিল। হঠাৎ করেই দেখি ভাই পড়ে গেল। তাকে ধরতে ধরতেই চোখের পলকে পানিতে ভেসে গেল ভাই। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও ভাইকে পাইনি।

    স্থানীয়রা জানান, উজির মন্ডলকে উদ্ধার করার জন্য ফায়ার সার্ভিস ও অনেকগুলো নৌকা পদ্মায় নামানো হয়েছে। তবে নদী উত্তাল থাকায় উদ্ধার অভিযান ধীর গতিতে চলছে। এ,আর

  • সিংড়ায় ঈদগাহ মাঠের জায়গা নিয়ে ২ গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ১৮

    সিংড়ায় ঈদগাহ মাঠের জায়গা নিয়ে ২ গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ১৮

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নাটোরের সিংড়ায় ঈদগাহ মাঠের জায়গা নিয়ে দ্বন্দ্বে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে দু’পক্ষের অন্তত ১৮ জন আহত হয়েছেন।

    শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার হাতিয়ান্দহ ইউনিয়নের পাছলাড়ুয়া বাজরে এ ঘটনা ঘটে।

    আহতরা হলেন পাছলাড়ুয়া গ্রামের মাহফুজ (৪৪), কাউছার (২৬), মোস্তফা (৪৪), আয়নাল হক (৫০), স্বাধীন (১৭), ইয়াছিন আলী (২১), আব্দুর রাজ্জাক (৪০), সবুজ আলী (২২), মোজাহার (৫০), আশরাফুল (৬০), আবুল কাশেম (৬১) ও ইসলাম (৪৫) এবং নতুনবস্তি গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মোস্তফা (৫৫), শাহীন (৫০), মনিরুল (২৫), রবিউল (৩৫) ও নাসির (৪৫), বেলাল হোসেন (৪৫)।

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি উপজেলার পাছলাড়ুয়া ঈদগাহ মাঠের জায়গা নিয়ে পাছলাড়ুয়া ও পাশবর্তী নতুনবস্তি গ্রামবাসীর মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিরোধ মীমাংসায় একাধিক বার উদ্যোগ নেন স্থানীয় নেতারা। পরে ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে নতুন করে দুই গ্রামের বিরোধ সৃষ্টি হয়।

    এরই জেরে সকালে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তফার নেতৃত্বে পাছলাড়ুয়া বাজারে হামলা চালায় নতুনবস্তি গ্রামের প্রায় শতাধিক লোকজন। এ সময় ওই বাজারে অন্তত ছয়টি দোকান ভাংচুর করা হয় বলে জানা গেছে।

    সংঘর্ষে পাছলাড়ুয়া গ্রামের ১২ জন ও নতুনবস্তি গ্রামের ছয়জন আহত হন। আহতদের মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিরা সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নাটোর সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    এ বিষয়ে এই হামলায় নেতৃত্বদানকারী ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তফার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ভাই রেজাউল ইসলাম ফোন রিসিভ করে বলেন, ‘নতুনবস্তি কবরস্থানটি পাছলাড়ুয়া ঈদগাহ মাঠের সাথে লাগানো। কিন্তু ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর নির্মাণে কবরস্থানের মধ্যে ঢুকে যাওয়ায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।’

    পাছলাড়ুয়া ঈদগাহ মাঠের সভাপতি সাইফুল ইসলাম জানান, আরএস ১৬৮২ নম্বর দাগে তাদের ঈদগাহ মাঠের ৩৮ শতক রেকর্ডভুক্ত সম্পত্তি। সেই জায়গায় ঈদগাহ মাঠের কাজ করতে গেলে সাবেক ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা মোস্তফার নেতৃত্বে হেলমেট পড়ে শতাধিক লোকজন তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

    সিংড়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদগাহ মাঠের জায়গা নিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’ এ,আর

  • ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে অপর বাসের ধাক্কা, নিহত ৩

    ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে অপর বাসের ধাক্কা, নিহত ৩

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    মাদারীপুরের শিবচরে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসে অপর বাসের ধাক্কায় তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ১৫ জন।

    শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের বাখরেরকান্দি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    ফায়ার সার্ভিস ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুরে গোপালগঞ্জ থেকে রাজধানী ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে পালকী পরিবহনের একটি বাস। মাঝপথে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের শিবচরের বাখরেরকান্দি এলাকায় এলে বাসটির চাকা বিকল হয়ে যায়। পরে এক্সপ্রেসওয়েতে পার্কিং করে রাখা হয় বাসটি। এ সময় দ্রুতগতির হানিফ পরিবহনের আরেকটি বাস পালকী পরিবহনের ওই বাসটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন। এছাড়া এ ঘটনায় আহত হন অন্তত ১৫ জন।

    খবর পেয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করেন। দুর্ঘটনার পর ঢাকামুখী লেনে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে শিবচর হাইওয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিকেল ৫টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    ফরিদপুরের ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আবু জাফর সরদার জানান, ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হয়। পালকী পরিবহনের বাসটি এক্সপ্রেসওয়েতে পার্কিং করে রাখে। এ সময় দ্রুতগতির হানিফ পরিবহনের বাস সামনের বিকল বাসটিকে ধাক্কা দিলেই ঘটে এ দুর্ঘটনা। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।

    মাদারীপুরের শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ এম ইবনে মিজান জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে উদ্ধার কাজের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়। নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। এ,আর

  • নেতানিয়াহুবিরোধী বিক্ষোভ, অস্কারজয়ী অভিনেত্রীসহ অনেকে গ্রেপ্তার

    নেতানিয়াহুবিরোধী বিক্ষোভ, অস্কারজয়ী অভিনেত্রীসহ অনেকে গ্রেপ্তার

    যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুবিরোধী বিক্ষোভ থেকে অস্কারজয়ী অভিনেত্রী, রাজনীতিকসহ প্রায় ১০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    গতকাল বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেন নেতানিয়াহু। তাঁর নিউইয়র্ক সফর ও সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ ঘিরে বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভকারীরা গাজায় ৭২ হাজারের বেশি মানুষকে হত্যার জন্য তাঁকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে আখ্যা দেয়।

    বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিক্ষোভ থেকে গ্রেপ্তার করা ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন অস্কারজয়ী মার্কিন অভিনেত্রী সুসান সারান্ডন, এমি পুরস্কারজয়ী অভিনেত্রী হান্না আইনবাইন্ডার, যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেটিক পার্টির কংগ্রেসপ্রার্থী দারিয়ালিজা আভিলা শেভালিয়ের, নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের সদস্য চি ওসে।

    পুলিশের তথ্যের বরাতে দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল বৃহস্পতিবার মিডটাউন ম্যানহাটন এলাকায় নেতানিয়াহুবিরোধী বিক্ষোভ থেকে প্রায় ১০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিক্ষোভে অংশ নেওয়া একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মানিজেহ মোরাদিয়ান (৫০) বলেন, ‘গাজায় যা করা হচ্ছে, তাতে একটি পুরো সমাজকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হচ্ছে। এটা আমাদের নামে এবং আমাদের করের অর্থে করা হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে কথা বলা আমাদের দায়িত্ব। এসব নৃশংসতার সাফাই গাওয়ার জন্য জাতিসংঘের মঞ্চ ব্যবহার করার কোনো অধিকার নেতানিয়াহুর নেই।’

    সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে নেতানিয়াহু অঞ্চলটিতে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের পক্ষে যুক্তি দেন। নির্বাচনের আগে আন্তর্জাতিকভাবে ইসরায়েলের বিচ্ছিন্নতা বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে তিনি তা ঠেকানোর চেষ্টা করেন। নেতানিয়াহুর সামনে এমন একটি নির্বাচন রয়েছে, যেখানে তিনি হেরে যেতে পারেন।

    নেতানিয়াহু সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য দিতে মঞ্চে ওঠার পরপরই বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও প্রতিনিধিরা ‘ওয়াকআউট’ করেন। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, নেতানিয়াহু মঞ্চের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কক্ষে উপস্থিত প্রতিনিধিদের একাংশ তাঁর উদ্দেশে দুয়ো দিতে শুরু করেন। তবে এ সময় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব প্রতিনিধিদল দাঁড়িয়ে তালি দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানায়।

    বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসংঘ সদর দপ্তরের বাইরে নেতানিয়াহুবিরোধী বিক্ষোভের আয়োজন করে ‘জিউইশ ভয়েস ফর পিস’ নামের একটি ইহুদি অধিকারগোষ্ঠী। তারা ফিলিস্তিনিদের সমর্থন করে।

    প্রায় ২০০ মানুষ জাতিসংঘ সদর দপ্তরের বাইরে জড়ো হন। তাঁদের পরনে ছিল একই ধরনের সাদা টি-শার্ট। এসব টি-শার্টে লেখা ছিল, ‘বোমা নয়, মানুষের জন্য অর্থ দাও’, ‘যুদ্ধ নয়’ ও ‘ফিলিস্তিন মুক্ত করো’।

    বিক্ষোভকারীরা সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। পুলিশ লাউডস্পিকারে বিক্ষোভকারীদের চলে যেতে বলে। তখন কয়েকজন ফুটপাতে সরে যান। তবে বিক্ষোভকারীদের একটি দল রাস্তায় বসে থাকে। তারা নেতানিয়াহুবিরোধী স্লোগান দিতে থাকে। সাইকেলে করে আসা পুলিশের সদস্যরা তাদের ঘিরে ফেলেন।

    পুলিশের সদস্যরা একে একে বিক্ষোভকারীদের দল থেকে টেনে বের করেন। তাঁদের হাত পেছনে নিয়ে ‘জিপ টাই’ (প্লাস্টিকের বন্ধনী) দিয়ে বেঁধে দেওয়া হয়। এরপর তাঁদের পুলিশের বাসে তোলা হয়। বাসের বাইরে থাকা বিক্ষোভকারীরা ‘নেতানিয়াহু জাহান্নামে যাও’ স্লোগান দিতে থাকেন।

  • সিও কি তা-ই মনে করেন?

    সিও কি তা-ই মনে করেন?

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর নতুন হেলিপ্যাড থেকে শুরু করে পূর্বসূরিকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক একটি প্রতিকৃতিসহ নানা কিছু চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংকে দেখিয়েছেন। এতে স্পষ্ট যে তিনি সি চিন পিংয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের সম্পর্ক দেখাতে চাইছেন।

    প্রশ্ন হলো, চীনের প্রেসিডেন্টও কি একইভাবে ভাবছেন?

    যুক্তরাষ্ট্রে সির রাষ্ট্রীয় সফরকালে তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর ব্যাপক চেষ্টা করেছেন ট্রাম্প। তিনি বারবার চীনের প্রেসিডেন্টের বাহুতে হাত রেখেছেন। তিনি সির সঙ্গে তাঁর ‘সত্যিই দারুণ বন্ধুত্বের’ কথাও বলেছেন।

    ট্রাম্পের এসব আচরণে কখনো কখনো সিকেও সাড়া দিতে দেখা যায়।

    হোয়াইট হাউসের কলোনেডে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টদের প্রতিকৃতি দেখানোর সময় ট্রাম্প বলেন, ‘ট্রাম্প, তারপর ট্রাম্প—আর এটি অটোমেটিক সিগনিং ডিভাইস।’

    ট্রাম্প এ কথা বলার সময় সিকে দেখান, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছবির জায়গায় স্বয়ংক্রিয় স্বাক্ষরযন্ত্রের একটি ছবি বসানো হয়েছে।

    ট্রাম্পের এক সহযোগীর পোস্ট করা ভিডিও অনুযায়ী, সি হাসলে বিষয়টি জোর দিয়ে বোঝাতে তাঁর বাহুতে হাত রাখেন ট্রাম্প।

    আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, হোয়াইট হাউসের ওয়েস্ট উইংয়ের দেয়ালে সির সঙ্গে আগের একটি বৈঠকের ছবি দেখাচ্ছেন ট্রাম্প।

    ‘উনি কে? আমি তাঁকে চিনতে পারছি না!’—মজা করে বলেন ট্রাম্প। এরপর তিনি আবার সির বাহুতে হাত রাখেন। পরে বলেন, ‘আপনার প্রতি আমাদের অনেক শ্রদ্ধা রয়েছে।’

    চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও তাঁর স্ত্রী পেং লিউয়ানকে স্বাগত জানান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প।যুক্তরাষ্ট্র, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

    চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও তাঁর স্ত্রী পেং লিউয়ানকে স্বাগত জানান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প।যুক্তরাষ্ট্র, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

    ‘তিনি গ্রানাইট পছন্দ করেন’

    এর এক দিন আগেই ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে গিয়ে নিজে সিকে স্বাগত জানান।

    কোনো চীনা নেতাকে স্বাগত জানাতে এই প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিমানবন্দরে গেলেন। তবে গত মে মাসে বেইজিংয়ে ট্রাম্পের রাষ্ট্রীয় সফরের সময় তাঁকে একই ধরনের সৌজন্য দেখাননি সি।

    সির সঙ্গে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠতা দেখানোর প্রচেষ্টা গতকাল বৃহস্পতিবার আরও এক ধাপ এগোয়। হোয়াইট হাউসের দক্ষিণ লনে তৈরি বিশাল হেলিকপ্টার অবতরণস্থল দেখাতে সিকে নিয়ে যান ট্রাম্প।

    সবশেষে সিকে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বহনকারী হেলিকপ্টার ‘মেরিন ওয়ান’-এর ভেতরেও নিয়ে যান ট্রাম্প। বিশ্বের সবচেয়ে সংবেদনশীল আকাশযানগুলোর একটি এটি।

    এরপর ইরান, তাইওয়ান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্ন এড়িয়ে যান দুজন। ট্রাম্প বরং পাথর নিয়ে কথা বলেন।

    সির দিকে ইঙ্গিত করে ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি গ্রানাইট পছন্দ করেন।’

    ট্রাম্প আরও বলেন, ‘তিনি পাথর বিষয়ে বিশেষজ্ঞ। আরও অনেক কিছুর মতো ভালো গ্রানাইটও তিনি পছন্দ করেন।’

  • জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বিশ্বকে সতর্কবার্তা নেপাল

    জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বিশ্বকে সতর্কবার্তা নেপাল

    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ বলেছেন, গত মাসে নেপালে ভয়াবহ বন্যা ছিল জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা ঝুঁকির জন্য একটি ‘সতর্কবার্তা’। জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে নেপালকে সহায়তার জন্য তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশন চলাকালে দেওয়া ভাষণে শাহ বলেন, উষ্ণ হয়ে ওঠা জলবায়ু ‘ভঙ্গুর হিমালয় পরিবেশব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করে তুলছে’। এর ফলে পারমাফ্রস্ট বা দীর্ঘদিন ধরে জমাট থাকা মাটি গলছে, হিমবাহ দ্রুত গলে যাচ্ছে এবং বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিও বাড়ছে।

    গত মাসের শেষ দিকে নেপাল তার ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখে পড়ে। নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে উচ্চ পার্বত্য এলাকায় হিমবাহসংক্রান্ত একটি ধসের ফলে সৃষ্ট সুনামির মতো প্রবল ঢল ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।

    এ ঘটনায় ১ হাজার ৪০০-এর বেশি মানুষের প্রাণহানি এবং প্রায় ৬ হাজার মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছে। বিপর্যয়ে নেপালের অর্থনৈতিক ক্ষতির পরিমাণ কয়েক বিলিয়ন ডলার বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশনের বিজ্ঞানীরা ঘটনাটিকে একটি ‘সম্মিলিত সংকট’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাদের মতে, স্থানীয় ভূতাত্ত্বিক অস্থিতিশীলতার সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি উষ্ণায়ন একত্রিত হয়ে হিমবাহ সরে যাওয়া এবং পারমাফ্রস্ট বা দীর্ঘদিন ধরে জমাট থাকা মাটি গলার মতো প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করেছে।

    বালেন্দ্র শাহ বলেন, ‘বিশ্বের মোট গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে নেপালের অবদান শূন্য দশমিক ১ শতাংশেরও কম। আমরা এই সংকট তৈরি করিনি, অথচ এর মূল্য আমাদেরই দিতে হচ্ছে।’

    জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে নেপালকে যে বিপুল ব্যয় করতে হবে, তার একটি অংশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বহন করার আহ্বান জানান তিনি।

    বালেন্দ্র শাহ বলেন, ‘বিশ্বব্যবস্থার ব্যর্থতার কারণে আরো তীব্র হয়ে ওঠা একটি সংকটের বিরুদ্ধে নেপাল একা নিজের সক্ষমতা তৈরি করতে পারবে না।’

    তিনি ‘হিমালয়া ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স মেকানিজম’ নামে একটি আঞ্চলিক উদ্যোগ গঠনের প্রস্তাব দেন। এতে নেপালের পাশাপাশি ভারত ও চীনকে যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। উদ্যোগটির আওতায় স্যাটেলাইট তথ্য ও বিশেষজ্ঞ মতামত বিনিময়, হিমবাহের হ্রদগুলোর ওপর নজরদারি এবং যৌথভাবে আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    ৩৬ বছর বয়সি সাবেক র‌্যাপার বালেন্দ্র শাহ ছয় মাস আগে ক্ষমতায় আসেন। দুর্নীতিবিরোধী তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলনের ব্যাপক সমর্থন নিয়ে তিনি ক্ষমতায় আসেন এবং পরিবর্তনের প্রত্যাশা তৈরি করেন।

    তবে সাম্প্রতিক এই বিপর্যয়ের পর শাহের সরকারের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে জলবায়ু কূটনীতি। ফলে তার সরকারের দুর্নীতিবিরোধী কর্মসূচির তুলনায় বিষয়টি এখন বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

    নেপাল জাতিসংঘের লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড থেকে ২ কোটি ডলার সহায়তা চেয়েছে। এই তহবিল থেকে একটি দেশের জন্য সর্বোচ্চ যে পরিমাণ অর্থ চাওয়া যায়, এটিই তার সীমা। তবে নেপালের প্রয়োজনের তুলনায় এই অর্থ অত্যন্ত সামান্য। সরকারের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, এবারের দুর্যোগে মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৫০০ কোটি ডলার।

    ২০২২ সালে পাকিস্তানের ভয়াবহ বন্যার পর এই তহবিল গঠন করা হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত তহবিলটি প্রথমবারের মতো অর্থ ছাড়ও করতে পারেনি। ফলে নেপালের ক্ষেত্রে তহবিলটি বাস্তবে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    চলতি সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র বন্যা-পরবর্তী পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে আরো ৩ কোটি ১০ লাখ ডলার সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে।

    নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল এএফপিকে জানিয়েছেন, বুধবারের এক বৈঠকে জি-৭ দেশগুলো অনানুষ্ঠানিকভাবে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। যুক্তরাজ্যও নেপালকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।

  • সন্তানকে প্রহার করে শাসন, ইসলাম কী বলে?

    সন্তানকে প্রহার করে শাসন, ইসলাম কী বলে?

    যুগ পাল্টেছে। পৃথিবীতে এসেছে বিভিন্ন প্রজন্ম। একেক প্রজন্মের মূল্যবোধ, আচার-আচরণ ও জীবনযাপনে এসেছে নানা পরিবর্তন। আর তাই একটি শিশু জন্মের পর বাবা-মাকে যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশি ভাবিয়ে তোলে, তার অন্যতম হলো সন্তানের সঠিক লালন-পালন।

    সন্তানকে বড় করতে বাবা-মা ও পরিবারের সদস্যরা নানা পন্থা অবলম্বন করেন। কখনো আদর, কখনো শাসন—দুইয়ের সমন্বয়েই সন্তানকে সঠিক পথে পরিচালনার চেষ্টা করেন তারা। তবে প্রজন্ম বদলালেও সন্তানকে শাসনের একটি পুরোনো পদ্ধতি এখনো সমাজে প্রচলিত—শারীরিক প্রহার। অনেকের ধারণা, সন্তানকে ‘একটু-আধটু মার’ না দিলে সে শাসনে আসবে না।

    কিন্তু সন্তানকে মারধর করে কি সত্যিই সংশোধন করা যায়? ইসলাম এ বিষয়ে কী নির্দেশনা দিয়েছে? সন্তানকে প্রহার করা কি বৈধ? বৈধ হলেও এর সীমা কতটুকু?

    ইসলামের মূল শিক্ষা হলো, সন্তানদের সঙ্গে কোমলতা, মমতা ও সুন্দর আচরণ করা। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘আপনি যদি রূঢ় ও কঠোর হৃদয়ের হতেন, তাহলে তারা আপনার চারপাশ থেকে সরে যেত।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত ১৫৯)। আয়াতটি মূলত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি নির্দেশনা হলেও এর মধ্যে কোমল আচরণের গুরুত্ব স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।

    সন্তান প্রতিপালনের ক্ষেত্রেও কোরআনের নির্দেশনায় দায়িত্বশীলতা ও নৈতিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা নিজেদের এবং তোমাদের পরিবারকে সেই আগুন থেকে রক্ষা করো, যার ইন্ধন মানুষ ও পাথর।’ (সুরা আত-তাহরিম, আয়াত ৬)। অর্থাৎ সন্তানকে শুধু শাস্তি দেওয়া নয়, বরং তাকে সঠিক শিক্ষা ও নৈতিকতার পথে গড়ে তোলাই অভিভাবকের দায়িত্ব।

    নামাজের ক্ষেত্রে যে হাদিসটি বলা হয়

    সন্তানকে শাসনের প্রসঙ্গে সবচেয়ে বেশি উদ্ধৃত করা হয় নামাজসংক্রান্ত একটি হাদিস। আবদুল্লাহ ইবন আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা তোমাদের সন্তানদের সাত বছর বয়সে নামাজের নির্দেশ দাও এবং ১০ বছর বয়সে নামাজের ব্যাপারে তাদের শাসন করো; আর তাদের শয্যা পৃথক করে দাও।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস ৪৯৫)। হাদিসটি হাসান-সহিহ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    তবে এই হাদিসকে সন্তানকে ইচ্ছামতো মারধরের সাধারণ অনুমতি হিসেবে নেওয়া যায় না। হাদিসটির বিষয় নির্দিষ্টভাবে নামাজের শিক্ষা ও অনুশীলন। একই সঙ্গে ইসলাম শাসনের ক্ষেত্রেও সীমালঙ্ঘন, ক্ষতি করা বা নির্যাতনকে সমর্থন করে না।

    শারীরিক শাসনের ইসলামি সীমা

    সন্তানকে শাসনের ক্ষেত্রে ইসলাম সীমালঙ্ঘন ও ক্ষতি করার অনুমতি দেয় না। বিশেষ করে নামাজের শিক্ষা দিতে ১০ বছর বয়সের পর শাসনের কথা হাদিসে এসেছে। তবে এ শাসন কোনোভাবেই নির্যাতন বা রাগের বশে মারধরের লাইসেন্স নয়। ইসলামি দৃষ্টিতে বিষয়টি কয়েকটি সীমার মধ্যে বোঝা যায়—

    ১.১০ বছর বয়সের প্রসঙ্গ: সন্তানকে সাত বছর বয়স থেকে নামাজের শিক্ষা ও অভ্যাস করানোর নির্দেশ রয়েছে। ১০ বছর বয়সে নামাজের ব্যাপারে শাসনের কথা হাদিসে এসেছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা তোমাদের সন্তানদের সাত বছর বয়সে নামাজের নির্দেশ দাও এবং ১০ বছর বয়সে এ ব্যাপারে তাদের শাসন করো।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৪৯৫)

    ২. উদ্দেশ্য হতে হবে সংশোধন: শাসনের উদ্দেশ্য হতে হবে সন্তানের সংশোধন ও শিক্ষা দেওয়া, নিজের রাগ বা ক্ষোভ প্রকাশ করা নয়। রাগের বশে সন্তানকে আঘাত করা শাসনের উদ্দেশ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাই অভিভাবকের উচিত আগে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং ধৈর্যের সঙ্গে সন্তানকে বোঝানোর চেষ্টা করা।

    ৩. মুখমণ্ডলে আঘাত করা যাবে না: ইসলামে মানুষের মুখমণ্ডলে আঘাত করতে নিষেধ করা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ যখন তার ভাইয়ের সঙ্গে লড়াই করে, সে যেন চেহারা এড়িয়ে চলে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৬১২)। ফলে সন্তানকে শাসনের ক্ষেত্রেও মুখে আঘাত করা থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।

    ৪. ক্ষতি করা যাবে না: ইসলামের একটি মৌলিক নীতি হলো—কাউকে ক্ষতি করা যাবে না এবং ক্ষতির জবাবেও ক্ষতি করা যাবে না। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘ক্ষতি করা যাবে না এবং ক্ষতির মাধ্যমে ক্ষতি করা যাবে না।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ২৩৪০)। তাই শাসনের নামে এমন কোনো আচরণ করা বৈধ নয়, যাতে সন্তানের শরীরে আঘাত, জখম বা গুরুতর শারীরিক কিংবা মানসিক ক্ষতি হয়।

    ৫. নবীজির আদর্শ ছিল কোমলতা: সন্তান ও শিশুদের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আচরণ ছিল স্নেহশীল ও কোমল। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) কখনো নিজ হাতে কোনো নারী বা খাদেমকে আঘাত করেননি।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৩২৮)। এ থেকে বোঝা যায়, সংশোধনের ক্ষেত্রেও কোমলতা ও উত্তম আচরণকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

    ৬. সহজ করা ইসলামের শিক্ষা: রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘সহজ করো, কঠিন করো না; সুসংবাদ দাও, বিমুখ করে দিয়ো না।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৯)। সন্তান প্রতিপালনের ক্ষেত্রেও এই নীতির গুরুত্ব রয়েছে। তাই শাসনের নামে ভয়, আতঙ্ক ও নির্যাতনের পরিবেশ তৈরি না করে ভালোবাসা, বোঝানো ও ধৈর্যের মাধ্যমে সন্তানকে সঠিক পথে পরিচালনা করাই অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

    সন্তানকে শাসন মানেই মারধর নয়

    ইসলামে সন্তান প্রতিপালনের ক্ষেত্রে আদর্শ হিসেবে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আচরণ গুরুত্বপূর্ণ। শিশুদের প্রতি তাঁর মমতা, স্নেহ ও কোমল আচরণের বহু দৃষ্টান্ত হাদিসে পাওয়া যায়। ফলে সন্তানকে সংশোধনের নামে রাগের বশে মারধর করা বা তাকে অপমান করা ইসলামের সামগ্রিক শিক্ষা ও নবীজির আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

    অভিভাবকের দায়িত্ব হলো সন্তানের ভুলের কারণ বোঝা, তাকে ভালোভাবে বুঝিয়ে বলা এবং প্রয়োজন হলে উপযুক্ত শাসনের মাধ্যমে সংশোধনের চেষ্টা করা। শারীরিক আঘাত, ভয় দেখানো বা অপমানকে নিয়মিত শাসনের পদ্ধতি বানানো ইসলামের উদ্দেশ্য নয়।

    সুতরাং সন্তানকে মানুষ করার ক্ষেত্রে শুধু শাসন নয়, ভালোবাসা, ধৈর্য, সুন্দর আচরণ ও নৈতিক শিক্ষা—এসবের ওপরই বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। সন্তান যেন ভয় থেকে নয়, ভালোবাসা ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে সঠিক পথ বেছে নেয়—ইসলামের সামগ্রিক শিক্ষার সঙ্গে এই দৃষ্টিভঙ্গিই বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

  • নেতানিয়াহুকে বয়কট ৭৭ দেশের

    নেতানিয়াহুকে বয়কট ৭৭ দেশের

    জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় নজিরবিহীন গণবর্জন ও অধিবেশন কক্ষ ত্যাগের (ওয়াকআউট) ঘটনা ঘটেছে। তার ৪১ মিনিটের বক্তব্যের সময় বাংলাদেশসহ ৭৭টি দেশের আসন ফাঁকা ছিল বলে নিজস্ব পর্যালোচনায় তথ্য প্রকাশ করেছে ইসরাইল।

    ইসরাইলি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, নেতানিয়াহু পোডিয়ামে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা প্রতিবাদ জানিয়ে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন। আবার অনেক দেশের প্রতিনিধিরা শুরু থেকেই সেই অধিবেশন বর্জন করে নিজ আসনে অনুপস্থিত ছিলেন।

    এই তালিকায় ইসরাইলের প্রতিবেশী চার দেশ মিসর, জর্ডান, লেবানন ও সিরিয়ার পাশাপাশি তুরস্ক, সৌদি আরব ও ইরানের মতো প্রভাবশালী দেশগুলো রয়েছে। ইসরাইলের কর্মকর্তারা অবশ্য দাবি করেছেন, সব অনুপস্থিতি সরাসরি ওয়াকআউট ছিল না; সকালের অধিবেশন হওয়ায় কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিরা যথাসময়ে উপস্থিত হননি। যেমন—মিসর ও জর্ডান পূর্বপরিকল্পিত ওয়াকআউটে সরাসরি অংশ না নিলেও তাদের আসন ফাঁকা ছিল। অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রতিনিধি দল সভাকক্ষ থেকে বেরিয়ে লবিতে দাঁড়িয়ে ভাষণ শুনেছে।

    তবে আব্রাহাম চুক্তির অংশীদার বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিরা গাজা যুদ্ধের তীব্র প্রতিক্রিয়া সত্ত্বেও নিজ আসনে বসেই বক্তব্য শুনেছেন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে নেতানিয়াহুর বক্তব্যের চেয়ে খালি হওয়া অধিবেশন কক্ষের দৃশ্যই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ ঘটনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তেল আবিবের গভীর কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতাকেই ফুটিয়ে তুলেছে।

    নেতানিয়াহুর ভাষণে অনুপস্থিত বা ওয়াকআউট করা ৭৭টি দেশ:

    ১. সুরিনাম

    ২. টুভালু

    ৩. তুর্কমেনিস্তান

    ৪. ইয়েমেন

    ৫. মিসর

    ৬. পানামা

    ৭. সেনেগাল

    ৮. ফিলিস্তিন

    ৯. সুদান

    ১০. তিউনিসিয়া

    ১১. তুরস্ক

    ১২. ভেনেজুয়েলা

    ১৩. অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা

    ১৪. বেলিজ

    ১৫. কঙ্গো

    ১৬. ওমান

    ১৭. কাতার

    ১৮. সৌদি আরব

    ১৯. টোঙ্গা

    ২০. উজবেকিস্তান

    ২১. অ্যাঙ্গোলা

    ২২. বার্বাডোস

    ২৩. কলম্বিয়া

    ২৪. কোমোরোস

    ২৫. ডোমিনিকা

    ২৬. জিবুতি

    ২৭. উত্তর মেসিডোনিয়া

    ২৮. সান মারিনো

    ২৯. দক্ষিণ আফ্রিকা

    ৩০. সোমালিয়া

    ৩১. আলজেরিয়া

    ৩২. বাংলাদেশ

    ৩৩. ব্রুনাই দারুসসালাম

    ৩৪. ব্রাজিল

    ৩৫. চিলি

    ৩৬. গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডিআরসি)

    ৩৭. লেবানন

    ৩৮. লাইবেরিয়া

    ৩৯. ইরিত্রিয়া

    ৪০. চাদ

    ৪১. মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র

    ৪২. লিবিয়া

    ৪৩. মৌরিতানিয়া

    ৪৪. জর্ডান

    ৪৫. নিকারাগুয়া

    ৪৬. মাদাগাস্কার

    ৪৭. নাইজার

    ৪৮. পেরু

    ৪৯. সেন্ট লুসিয়া

    ৫০. স্লোভেনিয়া

    ৫১. আফগানিস্তান

    ৫২. বাহামা

    ৫৩. বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা

    ৫৪. বতসোয়ানা

    ৫৫. উত্তর কোরিয়া

    ৫৬. এসওয়াতিনি

    ৫৭. সিরিয়া

    ৫৮. উগান্ডা

    ৫৯. পাকিস্তান

    ৬০. লেসোথো

    ৬১. বলিভিয়া

    ৬২. স্পেন

    ৬৩. কিউবা

    ৬৪. নিরক্ষীয় গিনি

    ৬৫. ইরান

    ৬৬. কিরগিজস্তান

    ৬৭. ইরাক

    ৬৮. মোজাম্বিক

    ৬৯. মিয়ানমার

    ৭০. আয়ারল্যান্ড

    ৭১. মালদ্বীপ

    ৭২. ইন্দোনেশিয়া

    ৭৩. কুয়েত

    ৭৪. নামিবিয়া

    ৭৫. মালয়েশিয়া

    ৭৬. গায়ানা

    ৭৭. কেনিয়া

  • নিজেদের ড্রোন বিস্ফোরণে ২ ইসরাইলি সেনা নিহত

    নিজেদের ড্রোন বিস্ফোরণে ২ ইসরাইলি সেনা নিহত

    গাজা উপত্যকায় অভিযান পরিচালনার সময় বিস্ফোরকবাহী একটি ছোট ড্রোন বিধ্বস্ত ও বিস্ফোরিত হয়ে ইসরাইলের দুই রিজার্ভ সেনা নিহত হয়েছেন।

    নিহত সেনারা হলেন—হার হালুতজ এলাকার বাসিন্দা মাস্টার সার্জেন্ট নাদাভ কালি (২৪) এবং জেরুজালেমের বাসিন্দা মাস্টার সার্জেন্ট ওফেক মোয়ালেম (২৩)।

    তারা উভয়েই জেরুজালেম ব্রিগেডের ৭০০৭ নম্বর ব্যাটালিয়নে কর্মরত ছিলেন।

    সেনাবাহিনীর প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই দুই সেনা গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত সামরিক বাফার জোনের একটি সেনাঘাঁটি থেকে পরিচালনা করছিলেন।

    প্রথম ড্রোনটি তার নির্ধারিত মিশন সফলভাবে সম্পন্ন করলেও, দ্বিতীয় ড্রোনটি উড্ডয়নের সময় অজানা কোনো কারণে সেনাঘাঁটির ভেতরেই বিধ্বস্ত হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, বিধ্বস্ত হওয়ার কয়েক মিনিট পর সেনারা ড্রোনটির কাছে গিয়ে সেটি তুলে নেন; ঠিক তখনই সেটি বিস্ফোরিত হয় এবং তারা মারাত্মকভাবে আহত হন। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

  • অক্টোবরে ফের আন্দোলনে নামার ঘোষণা ককরোচ পার্টির

    অক্টোবরে ফের আন্দোলনে নামার ঘোষণা ককরোচ পার্টির

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার শনিবারের মধ্যে পদত্যাগ না করলে ২ অক্টোবর থেকে আন্দোলন শুরু করবে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। শুক্রবার ককরোচ পার্টির নেতা অভিজিৎ দীপকে এ ঘোষণা দেন।

    এর আগে বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগের জন্য ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল সিজেপি।

    সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া পোস্টে দীপকে লেখেন, ‘কালকের মধ্যে জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে সিজেপি আগামী ২ অক্টোবর মুম্বাই থেকে আন্দোলন শুরু করবে। তারপর দেশের প্রতিটি শহরে এই আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এই গান্ধীজয়ন্তীতে গণতন্ত্র রক্ষা করার শপথ নিন।’

    বৃহস্পতিবার দিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা কারচুপি ও ভোটাধিকার ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ তোলেন। তিনি জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

    এছাড়া, ভারতের নির্বাচনব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও। তিনি দাবি করেন, লোকসভা থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিধানসভা নির্বাচন—সব ক্ষেত্রেই ভোটচুরি হয়েছে।

  • ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল কলম্বিয়া

    ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল কলম্বিয়া

    ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে কলম্বিয়া। বৃহস্পতিবার দেশটির সরকার এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়। এর মধ্য দিয়ে লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের আরেক মিত্র ওয়াশিংটনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করল।

    কলম্বিয়ার নতুন ডানপন্থি প্রেসিডেন্ট আবেলার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা ক্ষমতায় আসার পর দেশটির বৈদেশিক জোট ও সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন আনছেন। গত ৭ আগস্ট বামপন্থী সাবেক প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর কাছ থেকে ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকেই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জোরালো সমর্থন পেয়েছেন।

    ক্ষমতা গ্রহণের আগেই দে লা এসপ্রিয়েলা কিউবা ও নিকারাগুয়ার মতো বামপন্থী কর্তৃত্ববাদী সরকারের সঙ্গেও কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। তবে এখনো তিনি ওই দুই দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেননি।

    কলম্বিয়ার সরকার বৃহস্পতিবার জানায়, ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্তটি ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘এই অঞ্চলের জাতীয় নিরাপত্তা’ বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    কলম্বিয়ার সরকার ইরান সরকারের বিরুদ্ধে দেশটির নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করা ‘মাদক-সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর’ সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগ করেছে। তবে অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।

    এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধে তেহরানের ভূমিকারও সমালোচনা করেছে বোগোতা। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে নৌযান চলাচলে বাধা সৃষ্টি এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করেছে কলম্বিয়ার সরকার।

    তবে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করলেও ইরানের সঙ্গে কনস্যুলার বা নাগরিকসেবা-সংক্রান্ত যোগাযোগ বজায় রাখবে বলে জানিয়েছে কলম্বিয়া।

  • সংখ্যালঘু দমনে সন্ত্রাসবিরোধী আইন ব্যবহার করছে ভারত

    সংখ্যালঘু দমনে সন্ত্রাসবিরোধী আইন ব্যবহার করছে ভারত

    ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের আটক করতে সন্ত্রাসবিরোধী আইন ইউএপিএকে অপব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ধর্মীয় স্বাধীনতাবিষয়ক কমিশন (ইউএসসিআইআরএফ)। ধর্ম বা বিশ্বাসের স্বাধীনতার কারণে বন্দি ব্যক্তিদের মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। এসব বন্দির মধ্যে রয়েছেন মানবাধিকারকর্মী ওমর খালিদ ও শারজিল ইমাম।

    ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গার ষড়যন্ত্র মামলায় খালিদ ও ইমাম প্রায় ছয় বছর ধরে বন্দি রয়েছেন; এখনো তাদের বিচার শুরু হয়নি।

    সম্প্রতি দিল্লি হাইকোর্ট ব্রিটিশ নাগরিক জগতার সিং জোহালকে ইউএপিএ-সংক্রান্ত মামলায় জামিন দেওয়ার পর কমিশন এ আহ্বান জানায়। জোহালকে ২০১৭ সালে পাঞ্জাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ২০১৬-১৭ সালের কয়েকটি হত্যাকাণ্ড ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

    সংস্থাটির দাবি, জোহালের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো মিথ্যা এবং তার মামলা ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের দমন-পীড়নের বৃহত্তর প্রবণতার উদাহরণ। কমিশন ২০২৬ সালের প্রতিবেদনে ভারতকে ‘বিশেষ উদ্বেগের দেশ’ হিসেবে চিহ্নিত করার সুপারিশও করেছে।

    তবে ভারত অতীতে ইউএসসিআইআরএফের প্রতিবেদনকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে প্রত্যাখ্যান করে। বর্তমান বক্তব্যের বিষয়ে নয়াদিল্লির কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

  • শিশুসন্তানদের সামনে মাকে ধর্ষণের অভিযোগ; আত্মহত্যার চেষ্টা

    শিশুসন্তানদের সামনে মাকে ধর্ষণের অভিযোগ; আত্মহত্যার চেষ্টা

    গাজীপুরের শ্রীপুরে আশ্রয় দেওয়ার কথা বলে দুই শিশুসন্তানের সামনে এক নারীকে (২৫) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে সোহরাব হোসেন নামের এক পানদোকানির বিরুদ্ধে। গত মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে ওই নারী জানান।

    এ ঘটনার পর স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে বিচার না পেয়ে সন্তানদের নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় বাসের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান ভুক্তভোগী নারী। স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় পানের আড়তে নিয়ে যান।

    খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় নিজের ওপর হওয়া নির্যাতনের বর্ণনা দেন ওই নারী। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় একটি মামলা করেছেন।

    ভুক্তভোগী নারী শ্রীপুর উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা। স্বামী ছেড়ে চলে যাওয়ায় দুই সন্তানকে নিয়ে শ্রীপুরের একটি এলাকায় ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতেন তিনি। জীবিকা নির্বাহে আশপাশের এলাকায় ভিক্ষা করতেন।

    অভিযুক্ত সোহরাবের বাড়ি নেত্রকোনায়। মাওনা চৌরাস্তা এলাকায় তিনি ছোট্ট একটি পানের দোকান চালান। ঘটনার পর তিনি পালিয়ে যাওয়ায় অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

    ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ওই নারী বলেন, কয়েক মাসের ভাড়া বাকি পড়ায় গত মঙ্গলবার রাতে বাড়ির মালিক তাঁকে ঘর থেকে বের করে দেন। এরপর তিনি দুই সন্তানকে নিয়ে মাওনা চৌরাস্তার উড়াল সড়কের নিচে বসে ছিলেন। একপর্যায়ে সোহরাব নামের ওই পানের দোকানদার এসে তাঁর কাছে সমস্যার কথা জানতে চান। পরে আশ্রয় ও টাকা দেওয়ার কথা বলে তিনি তাঁকে চৌরাস্তার পূর্ব পাশে একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে ধর্ষণ করেন। তিনি বলেন, ‘সাড়ে তিন বছর বয়সী ছেলেডা আমার সব বোঝে। তারে আমার বুক থেইককা কাইড়া নিয়া আমার সঙ্গে খারাপ কাজ করছে। আমি কানছি; কিন্তু আমারে ছাড়ে নাই।’

    ভুক্তভোগী নারী আরও বলেন, ঘটনার পর তিনি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের বিষয়টি জানিয়ে বিচার চান। কিন্তু তাঁরা বিচার না করে হাতে ৫০০ টাকা ধরিয়ে দিয়ে বিদায় হতে বলেন। শেষে মাওনা চৌরাস্তায় বাসের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু লোকজন দেখে ফেলায় তাঁরা তাঁকে সেখান থেকে পানের আড়তে নিয়ে আসেন।

    গতকাল দুপুরে পানের আড়তে গিয়ে দেখা যায়, এক শিশুকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন ওই নারী। ঘটনাস্থলে শ্রীপুর থানা-পুলিশের তিন সদস্যকেও দেখা গেল। এ সময় ওই নারী বারবার নিজের সঙ্গে ঘটে যাওয়া নির্যাতনের কথা বলে বিচার চাচ্ছিলেন। একপর্যায়ে ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। সঙ্গে ওই নারীকেও নিয়ে যাওয়া হয়।

    মো. শফিকুল নামের এক কাঁচামাল ব্যবসায়ী বলেন, পানের আড়তের পাশে সোহরাব নামের এক ব্যক্তির একটি পানের দোকান চালাতেন। বর্তমানে তাঁর দোকান বন্ধ আছে।

    আটক দুজনের বিষয়ে ওসি বলেন, স্থানীয় লোকজন ওই দুজনকে ধরে পুলিশে দিয়েছিলেন। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের পর ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।