সারাদেশ

  • কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকা জোগাতে ৫ শিশুকে বিক্রি

    কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকা জোগাতে ৫ শিশুকে বিক্রি

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে মাদক সেবনের টাকা জোগাড় করতে চার পরিবারের পাঁচ শিশুকে টাকার বিনিময়ে অন্যের হাতে তুলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাগুলো উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামে ঘটেছে বলে স্থানীয়দের দাবি।

    এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মাদকের বিস্তারের কারণে গ্রামের বেশ কিছু পরিবারের নারী-পুরুষ নেশার টাকা জোগাড় করতে নিজেদের সন্তানদের বিক্রি করে দিচ্ছেন। সন্তান দেয়ার বিনিময়ে পাওয়া টাকা দিয়ে তারা মাদক কিনে সেবন করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

    স্থানীয়রা জানান, উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামের চার পরিবারের পাঁচ শিশুকে পৃথক সময়ে বিভিন্ন অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অন্যের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, দুলাল মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন ও তার স্ত্রী ফারজানার নবজাতক ছেলেসন্তানকে গত ২ সেপ্টেম্বর ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে অন্যের কাছে দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

    এ ছাড়া জজ মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেনের দুই স্ত্রীর গর্ভে জন্ম নেয়া দুটি শিশুকে যথাক্রমে ১ লাখ ৫০ হাজার ও ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে অন্যের হাতে তুলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। আসাদ মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন তার সন্তানকে ৭৭ হাজার টাকা এবং মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে আসাদ মিয়া তার সন্তানকে ২ লাখ টাকার বিনিময়ে অন্যের কাছে দিয়েছেন বলেও স্থানীয়দের দাবি।

    এলাকাবাসী সূত্রে আরও জানা যায়, শিশুদের প্রথমে যাদের কাছে দেয়া হয়েছিল, তাদের কেউ কেউ পরে বেশি টাকার বিনিময়ে অন্যত্র দিয়ে দিয়েছেন। ফলে এসব শিশুর বর্তমান অবস্থান ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    চরপুক্ষিয়া গ্রামের বাসিন্দাদের অভিযোগ, বর্তমানে গ্রামে মাদকের বিস্তার ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মাদকের টাকা জোগাড় করতে না পেরে মাদকাসক্ত স্বামী-স্ত্রী নিজেদের সন্তানদের টাকার বিনিময়ে অন্যের হাতে তুলে দিয়ে সেই অর্থ মাদক সেবনে ব্যয় করছেন বলে অভিযোগ তাদের।

    তারা আরও বলেন, মাদকের কারণে গ্রামের সামাজিক পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে। এ এলাকার ছেলে-মেয়েদের অন্যত্র বিয়ে দেয়ার ক্ষেত্রেও নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। গ্রামের বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ মাদকাসক্ত। এ কারণে তারা নিজেরাও অসহায় হয়ে পড়েছেন এবং প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেন না।

    স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমাদেরও ছোট ছোট সন্তান রয়েছে। প্রতিবাদ করলে আমাদের সন্তানদেরও অন্যত্র বিক্রি করে দিতে পারে—এমন আতঙ্কে আমরা ভুগছি। ’

    এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, মাদকসেবীরা নিজেদের শিশুদেরও মাদকের সংস্পর্শে নিয়ে আসছেন। পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে মাদক সেবন করানোর অভিযোগও রয়েছে। এ ছাড়া অনেক বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে একসঙ্গে বসে মাদক সেবন করেন বলেও অভিযোগ করেছেন তারা। এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    কটিয়াদী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমি এখন আমার গ্রামের পরিচয় দিতে পারি না। উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামের কথা বললেই অনেকে বলে, তোমরা সবাই মাদকাসক্ত। তোমাদের গ্রামের লোকজন মাদকের টাকার জন্য সন্তান বিক্রি করে দেয়। ’

    জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামে মাদকের ছোবল ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মাদক সেবনের টাকা জোগাড় করতে বিভিন্ন সময়ে পাঁচটি শিশু সন্তান বিক্রি করে দেয়ার কথা শুনতে পেরেছি।

    এ সময় পরিষদের সব সদস্য ও প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে কাজ করবেন বলেও জানান তিনি।

    কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামটি খুবই দরিদ্র। সেখানে মাদকসেবীর সংখ্যাও বেশি। মাদকের টাকা জোগাড় করতে সন্তানদের অন্যের কাছে তুলে দেয়ার অভিযোগ পেয়েছি। তিনি বলেন, মাদক নির্মূলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হবে। এ,আর

  • সকালে খেলতে বেরিয়ে নিখোঁজ শিশু, ছয় ঘণ্টা পর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার

    সকালে খেলতে বেরিয়ে নিখোঁজ শিশু, ছয় ঘণ্টা পর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    শরীয়তপুরের ডামুড্যায় খেলতে গিয়ে নিখোঁজের প্রায় ছয় ঘণ্টা পর সোয়াইফ হোসেন (৪) নামে এক শিশুর বস্তাবন্দি গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার দুপুর ১টার দিকে ডামুড্যা উপজেলার পশ্চিম আদাশন এলাকার একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে রাসেল শিকদার (২২) এক তরুণকে আটক করেছে পুলিশ।

    নিহত সোয়াইফ হোসেন পশ্চিম আদাশন গ্রামের সেলিম সরদার ও শিমুলি দম্পতির সন্তান।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকাল ৭টার দিকে বাড়ি থেকে খেলতে বের হয় সোয়াইফ। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সে বাড়িতে ফিরছিল না। পরে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কোথাও সন্ধান না পেয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা শিশুটির সন্ধানে তল্লাশি চালান। একপর্যায়ে একই এলাকার আবু আলম শিকদারের বসতঘরের পেছনের ডোবা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় সোয়াইফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ডামুড্যা থানা পুলিশ জানায়, শিশুটির গলা কাটা ছিল।

    নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, প্রতিবেশী আবু আলম শিকদারের সঙ্গে সেলিম সরদারের পরিবারের তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সন্ধ্যায় ঝগড়া হয়। ওই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে শিশুটিকে হত্যা করে বস্তাবন্দি করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।

    শিশুটির বাবা সেলিম সরদার কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, ‘গতকাল সন্ধ্যায় আমার মায়ের সঙ্গে আবু আলমের ঝগড়া হয়। আমার মা রাতে আমাকে বিষয়টি জানায়। শনিবার সকালে আমি বাজার থেকে এসে দেখি আমার সন্তান নেই। আমি থানায় গিয়ে জিডি করলে, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করে আলী আকবরের বাড়ির পেছনের ডোবা থেকে আমার ছেলের বস্তাবন্দি গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করে। আমার ছেলেকে ওরা হত্যা করেছে। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।’

    মরদেহ উদ্ধারের পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত আবু আলমের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এ ঘটনায় আবু আলম শিকদারের ছেলে রাসেল শিকদারকে আটক করেছে পুলিশ।

    তবে অভিযোগের বিষয়ে আবু আলমের পরিবারের কোনো সদস্যের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর তারা বাড়িতে না থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

    ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শিধলকুড়া ইউনিয়নের আদাশন গ্রাম থেকে এক শিশুর বস্তাবন্দি গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে। যারা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। এ,আর

  • টঙ্গীতে ১০ ককটেলসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ব্যানার উদ্ধার স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক

    টঙ্গীতে ১০ ককটেলসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ব্যানার উদ্ধার স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    গাজীপুরের টঙ্গীতে ১০টি ককটেল ও দুটি ব্যানার উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে টঙ্গীর গুটিয়ার আন্ধারুল এলাকায় এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। উদ্ধার হওয়া ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করতে বোম ডিসপোজাল টিম ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন গুটিয়ার আন্ধারুল এলাকায় একটি বাড়ির সামনে সকালে ককটেলগুলো পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে টঙ্গী পশ্চিম থানার একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাটি ঘিরে ফেলে। রাত প্রায় ২টা থেকে পুলিশ ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকা নিরাপত্তার আওতায় রেখেছে বলে জানা গেছে।

    টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি মোহাম্মদ আরিফুর রহমান ১০টি ককটেল ও দুটি ব্যানার উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, উদ্ধার হওয়া ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করার জন্য বোম ডিসপোজাল টিমকে খবর দেওয়া হয়েছে। টিমটি ঘটনাস্থলে এসে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ায় ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করবে।

    এদিকে উদ্ধার হওয়া দুটি ব্যানারে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ও আদালতের রায় বাতিল এবং কারাবন্দিদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা রয়েছে। ব্যানার দুটিতে টঙ্গী পশ্চিম থানা ও ৫২ নম্বর ওয়ার্ডের যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

    একটি ব্যানারে ৫২ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের বিভিন্ন পদপ্রত্যাশী হিসেবে মো. ফরিদ, মো. হাবিবুর রহমান, মো. বাবুল ও আলী আকবরের নাম রয়েছে। অপর ব্যানারে টঙ্গী পশ্চিম থানা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নূরনবী, সাজিদ হোসেন দিপু, ৫২ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের হাসান নাহিদ ও সজিবের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

    ককটেল ও ব্যানারগুলো একই এলাকায় পাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে ককটেলগুলো সেখানে কারা রেখেছে এবং ব্যানারগুলোর সঙ্গে এর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

    পুলিশ জানিয়েছে, বোম ডিসপোজাল টিমের কার্যক্রম শেষে ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করা হবে। পাশাপাশি ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ,আর

  • কুষ্টিয়ায় আওয়ামী লীগের ২ নেতা গ্রেপ্তার

    কুষ্টিয়ায় আওয়ামী লীগের ২ নেতা গ্রেপ্তার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    কুষ্টিয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের রাজনীতি পুনরায় সক্রিয় করার অভিযোগে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাবা-ছেলেকে গ্রেপ্তার করেছে কুষ্টিয়া সদর থানা পুলিশ।

    কুষ্টিয়ার মোল্লাতেঘরিয়া এলাকায় শুক্রবার রাতে এ অভিযান চালানো হয়। কুষ্টিয়া সদর থানার ওসি জাকির হোসেন তাঁদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন আওয়ামিলীগ নেতা শেখ আব্দুর রহমান (৬০) এবং তাঁর ছেলে ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা শরিফ শেখ (৩৮)। স্থানীয় সূত্রের দাবি, এই দুইজনের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক তৎপরতা ছাড়াও অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শরিফ শেখ কুষ্টিয়ার প্রভাবশালী নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ এমপির ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব ও প্রভাব বিস্তার করতেন। সিঙ্গাপুর ও আমেরিকায় অবস্থানরত প্রবাসীদের অর্থ সংগ্রহ ও তা স্থানান্তরের একটি বিশেষ সিন্ডিকেটের সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন।

    অভিযোগ রয়েছে, বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেল এড়িয়ে হুন্ডির মাধ্যমে সিঙ্গাপুর ও আমেরিকা থেকে প্রবাসীদের ডলার সংগ্রহ করতেন শরিফ শেখ। এই বৈদেশিক অর্থ সরাসরি হানিফের সংশ্লিষ্ট বিদেশি হিসাবে জমা হতো এবং এর বিনিময়ে বাংলাদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের স্বজনদের কাছে সমপরিমাণ দেশীয় মুদ্রা পৌঁছে দেওয়া হতো।

    সম্প্রতি সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফেরার পর শরিফ শেখ ও তাঁর বাবা শেখ আব্দুর রহমান গোপন বৈঠকে মিলিত হন এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিক্ষিপ্ত নেতাকর্মীদের পুনরায় সংগঠিত ও সক্রিয় করার চক্রান্ত শুরু করেন। এই গোপন তৎপরতার খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাঁদের ওপর কঠোর নজরদারি শুরু করে এবং অবশেষে শুক্রবার রাতে পুলিশি অভিযানে তাঁরা গ্রেপ্তার হন।

    পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট মামলা ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের আদালতে পাঠানোর পাশাপাশি পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ,আর

  • ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪ জন নিহত

    ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪ জন নিহত

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    মাকে গাজীপুরে নিজের কাছে নিয়ে যেতে গতকাল শুক্রবার সকালে জামালপুরের দড়ি হামিদপুর গ্রামের বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন মোফাজ্জল হোসেন লেবু। সাথে ছিলেন তার মেয়ে মর্জিনা আক্তার ও পাঁচ বছরের নাতি মিনান। কয়েক ঘণ্টার সেই যাত্রাই হয়ে উঠল তাদের জীবনের শেষ যাত্রা।

    শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুরে ময়মনসিংহ নগরের রহমতপুর বাইপাস সড়কের দাপুনিয়া হাড়গুজির পাড় এলাকায় রাজীব পরিবহনের একটি বাসের সাথে তাদের বহনকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে একই পরিবারের চার প্রজন্মের চারজনসহ সাতজন নিহত হন।

    নিহত একই পরিবারের চারজন হলেন রাশিদা বেগম (৭০), তার ছেলে মোফাজ্জল হোসেন লেবু (৫০), নাতনি মর্জিনা আক্তার (২৫) ও প্রপৌত্র মিনান (৫)।

    এ দুর্ঘটনায় নিহত অন্য তিনজন হলেন অটোরিকশাচালক সুজন আলী (৪৪), আকরাম আলী (৫১) ও তার স্ত্রী মমতা বেগম (৩৯)।

    মোফাজ্জলের ছোট ভাই মোবারক হোসেন বলেন, ‘মাকে নিজের কাছে বেড়াতে নিতে এসেছিল। মেয়ে ও নাতিও সাথে যাওয়ার বায়না ধরেছিল। তিনজনকে নিয়ে বের হয়েছিল। কিন্তু এ যাওয়া যে শেষ যাওয়া হবে, সেটি তারা বুঝতে পারেনি।’

    শুক্রবার সকালে মাকে সাথে নিয়ে গাজীপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন মোফাজ্জল। পরিবারের স্বাভাবিক একটি যাত্রা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিণত হয় মর্মান্তিক দুর্ঘটনায়।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষের শব্দ ছিল বিকট। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। ভেতরে আটকে পড়েন যাত্রীরা।

    প্রত্যক্ষদর্শী নাজিম উদ্দিন জানান, তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুসহ এক নারীকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। তবে হাসপাতালে নেয়ার প্রস্তুতির মধ্যেই তাদের মৃত্যু হয়।

    দুর্ঘটনার পর ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। রাতেই আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    শনিবার সকালে জামালপুরের রানাগাছা ইউনিয়নের দড়ি হামিদপুর ভাটিপাড়া গ্রামে পাশাপাশি দাফন করা হয় একই পরিবারের চারজনকে। যে বাড়ি থেকে আগের দিন তারা গাজীপুরের পথে বের হয়েছিলেন, সেখানেই ফিরলেন নিথর দেহ হয়ে।

    পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, সড়কের বাঁকে দ্রুতগতিতে আসা দুই যানবাহন নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারায় মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শিবিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

    দুর্ঘটনার পর যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, চালকদের দায়িত্বশীলতা, যানবাহনের ফিটনেস ও চালকদের বৈধ কাগজপত্র এবং দুর্ঘটনাপ্রবণ ওই এলাকায় পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এসব বিষয়ে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ ও দায় নির্ধারণ হবে।

    একই পরিবারের চারজনকে একসাথে হারানোর ঘটনায় দড়ি হামিদপুরসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়দের কাছে ঘটনাটি যেন অবিশ্বাস্য এক বাস্তবতা। যাদের সাথে প্রতিদিন দেখা ও কথা হতো, তাদের এভাবে একসাথে হারানোর ঘটনায় স্তব্ধ স্বজন ও এলাকাবাসী।

    একটি সড়ক দুর্ঘটনা একসাথে কেড়ে নিল একটি পরিবারের চার প্রজন্মের চারটি প্রাণ। আজ পাশাপাশি চারটি কবর যেন সেই শোকেরই নীরব সাক্ষী হয়ে রইল।

    মাকে নিতে বেরিয়ে যারা ঘর ছেড়েছিলেন, তারা আর ফিরে এলেন না। ফিরলেন নিথর দেহ হয়ে—এক পরিবারের চার প্রজন্মের চারজন। এ,আর

  • সিলেট সীমান্তে বিজিবির হাতে চোরাইপণ্য জব্দ

    সিলেট সীমান্তে বিজিবির হাতে চোরাইপণ্য জব্দ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    সিলেট সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে ৪৬ লাখ ৫৩ হাজার ৬০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় চোরাইপণ্য জব্দ করেছে সিলেট ব্যাটালিয়ন ৪৮ বিজিবি।

    শনিবার সিলেট ব্যাটালিয়ন ৪৮ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ নাজমুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, এদিন ভোরে সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয়। এ সময় জড়িত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

    বিজিবি সূত্র জানায়, শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে শনিবার ভোর পর্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাংলাবাজার, তামাবিল, উৎমা, বিছনাকান্দি, সংগ্রাম, প্রতাপপুর, সোনারহাট, দমদমিয়া ও ডিবিরহাওর বিওপির সদস্যরা পৃথক অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ভারতীয় জিরা, গরু, কম্বল, বডি লোশন, বাসমতি চাল, মদ, শুটকি, চকলেট, সুপারি ও চিনিসহ বিভিন্ন চোরাইপণ্য জব্দ করা হয়।

    সিলেট ব্যাটালিয়ন ৪৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো: নাজমুল হক জানান, সীমান্তের সার্বিক নিরাপত্তা রক্ষা, চোরাচালান ও মাদকদ্রব্য পাচার প্রতিরোধে বিজিবির আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

    তিনি বলেন, এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ চোরাইপণ্য জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। জব্দকৃত পণ্যের বিষয়ে আইন ও প্রচলিত বিধি অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। এ,আর

  • চুয়াডাঙ্গায় অবৈধভাবে এলপিজি গ্যাস বিক্রির দায়ে জরিমানা

    চুয়াডাঙ্গায় অবৈধভাবে এলপিজি গ্যাস বিক্রির দায়ে জরিমানা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    চুয়াডাঙ্গায় ট্রেড লাইসেন্স হালনাগাদ না করে অবৈধভাবে এলপিজি গ্যাস বিক্রির অভিযোগে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

    শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত সদর উপজেলার পৌর কলেজ রোড এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

    অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গার জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের উদ্যোগে পরিচালিত এ অভিযানে পৌর কলেজ রোড এলাকার এলপিজি গ্যাস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য সামগ্রীর বাজারে তদারকি করা হয়। এ সময় ট্রেড লাইসেন্স হালনাগাদ না করে অবৈধভাবে এলপিজি গ্যাস বিক্রির অপরাধে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইনে মেসার্স মল্লিক গ্যাস ঘরের স্বত্বাধিকারী মো: মুক্তাজুর রহমান মল্লিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    জরিমানার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটিকে দ্রুত ট্রেড লাইসেন্স হালনাগাদ করে ব্যবসা পরিচালনা করা ও কোনো ধরনের অবৈধ মজুদ না করার কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়। এছাড়া অভিযানে এলাকার অন্য ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত ও যৌক্তিক মূল্যে পণ্যসামগ্রী কেনা-বেচা করা, মেয়াদোত্তীর্ণ, মানহীন ও নিষিদ্ধ পণ্য, ওষুধ বা শিশু খাদ্য বিক্রি না করার জন্য সতর্ক ও সচেতন করা হয়।

    অভিযান পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ মামুনুল হাসান। অভিযান পরিচালনায় সার্বিক সহযোগিতা করেন কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) প্রতিনিধি মো: রফিকুল ইসলাম ও চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের একটি দল।

    সহকারী পরিচালক মামুনুল হাসান জানান, ভোক্তা স্বার্থ সুরক্ষায় ও বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ,আর

  • টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু

    টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শ্রমিকের মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    টাঙ্গাইলের বাসাইলে নির্মাণাধীন দোতলা ভবনে কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রায়হান মিয়া (২০) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

    শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে বাসাইল পৌরসভার প্রশিকা এলাকায় প্রবাসী আনিসের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

    মৃত রায়হান দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার বাসিন্দা বাবুল মিয়ার ছেলে। তিনি কয়েকদিন ধরে আনিসের নির্মাণাধীন ভবনে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করছিলেন।

    জানা গেছে, সকালে রায়হান ভবনের রডের কাজ করছিলেন। এ সময় রডটি ওপরের দিকে উঠালে পল্লীবিদ্যুতের তারের সাথে লেগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রায়হান গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    বাসাইল থানার ওসি আলমগীর কবির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘নিহতের লাশ হাসপাতালে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।’ এ,আর

  • নওগাঁয় ছাগলে ফসল খাওয়ায় সংঘর্ষে নিহত ১

    নওগাঁয় ছাগলে ফসল খাওয়ায় সংঘর্ষে নিহত ১

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নওগাঁর ধামুইহাটে করলা ক্ষেতে ছাগল প্রবেশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আবুল কাশেম (৬০) নামে একজন নিহত হয়েছেন।

    শনিবার (৩ অক্টোবর) ভোরে ওই ঘটনায় অভিযান চালিয়ে পাঁচবিবি থানার বিভিন্ন এলাকা থেকে সাতজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর আগে গত শুক্রবার দুপুরে উপজেলার বড়শিবপুর (মাস্টারপাড়া) গ্রামে আবুল কাশেম ও রনি গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    নিহত আবুল কাশেম বড়শিবপুর (মাস্টারপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা।

    গ্রেফতাররা হলেন উপজেলার বড়শিবপুর (মাস্টারপাড়া) গ্রামের আব্দুর হাকিমের ছেলে রাকিবুল ইসলাম (২৮), মরহুম আব্দুল গফুরের ছেলে আব্দুল হাকিম (৬০), মরহুম আব্দুল গফুরের ছেলে কফিল উদ্দীন (৬৫), ফেরদৌস হোসেনের স্ত্রী আকলিমা বেগম (৩৫), ইসমাইলের মেয়ে হামিদা বেগম (৩৮), আব্দুল হাকিমের স্ত্রী ফরিদা বেগম (৫০) ও রাকিবুল ইসলামের স্ত্রী জিয়াসমিন বেগম (২১)।

    পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘ দিন ধরে আবুল কাশেম ও রাকিবুল ইসলাম রনি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। ঘটনার দিন দুপুরে একটি ছাগল করলা ক্ষেতে প্রবেশ করে। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয়পক্ষের কয়েকজন আহত হয়ে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। এর মধ্যে আবুল কাশেম গ্রুপের আবুল কাশেমের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।

    এ ব্যাপারে ওই দিন আবুল কাশেমের ছেলে আবু সাঈদ হোসেন মামলা করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়। এ,আর

  • ২০৩০ সালে দুবার রমজান, যে কারণে ঘটবে বিরল ঘটনা

    ২০৩০ সালে দুবার রমজান, যে কারণে ঘটবে বিরল ঘটনা

    ২০৩০ সালে এক বিরল মহাজাগতিক বিন্যাসের কারণে একই বছরে দুবার রমজান মাস পড়বে। অর্থাৎ একই বছরে দুবার রোজা পালনের সুযোগ পাবেন মুসল্লিরা। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইসলামি ও গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের হিসাবের পার্থক্যের কারণেই এমন বিরল ঘটনা ঘটবে। যেহেতু ইসলামি বর্ষপঞ্জি গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির চেয়ে প্রায় ১১ দিন ছোট, তাই প্রতি বছর রমজান শুরুর সময়টি এগিয়ে আসে।
    ২০৩০ সালে এই পরিবর্তনের ফলে প্রথম রমজান শুরু হবে ৫ জানুয়ারি (ইসলামি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ১৪৫১ হিজরি সনে) এবং দ্বিতীয় রমজান শুরু হবে ২৬ ডিসেম্বর (১৪৫২ হিজরি সনের শুরুতে)। এর ফলে মুসলমানরা এক বছরে দুবার রোজা রাখবেন। অর্থাৎ ওই বছর মোট ৩৬ দিন রোজা রাখতে হবে; যার মধ্যে জানুয়ারি মাসে ৩০ দিন এবং ডিসেম্বরের শেষে আরও ৬ দিন অন্তর্ভুক্ত থাকবে। গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর আবর্তনের ওপর ভিত্তি করে চলে, কিন্তু ইসলামি বর্ষপঞ্জি মূলত চান্দ্র চক্রের ওপর নির্ভরশীল।
    একটি চান্দ্র বছর ৩৫৪ দিনের হয়, যা সৌর বছরের চেয়ে প্রায় ১১ দিন কম। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই পার্থক্যের কারণে ইসলামি মাসগুলো চারটি ঋতুর মধ্য দিয়ে আবর্তিত হয়; এই চক্রটি মোটামুটি প্রতি ৩৩ বছরে একবার পুনরাবৃত্তি হয়। সর্বশেষ এমন ঘটনা ঘটেছিল ১৯৯৭ সালে এবং ২০৩০ সালের পর এটি আবার ঘটবে ২০৬৩ সালে। মুসলমানদের জন্য ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা রাখা একইসাথে একটি ধর্মীয় আবশ্যিকতা এবং আত্মিক শুদ্ধির একটি মাধ্যম।তবে রমজান কোন সময়ে পড়ছে, তার ওপর ভিত্তি করে রোজার অভিজ্ঞতায় ব্যাপক তারতম্য হয়। শীতকালে রোজা পড়লে দিনের দৈর্ঘ্য বা রোজার সময়কাল তুলনামূলকভাবে কম হয়; অন্যদিকে গ্রীষ্মকালে কিছু অঞ্চলে তা ১৭ ঘণ্টারও বেশি হতে পারে। যদিও জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত হিসাব-নিকাশের মাধ্যমে রমজান শুরুর সম্ভাব্য সময় জানা সম্ভব। তবু চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই এর আনুষ্ঠানিক শুরুর তারিখ নির্ধারণ করা হয়। সৌদি আরবসহ অনেক ইসলামী দেশ চাঁদ দেখার প্রথাগত পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে, আবার অন্য অনেক দেশ তারিখ নির্ধারণে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে।

  • চকরিয়ায় বনভূমির জমি দখল করে বসত বাড়ী নির্মাণ

    চকরিয়ায় বনভূমির জমি দখল করে বসত বাড়ী নির্মাণ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের ডুলাহাজারা বনবিটের সংরক্ষিত বনভূমি অবৈধভাবে দখল নিয়ে গড়ে উঠেছে বসতি ও স্থাপনা। সংকোচিত হয়ে পড়েছে সংরক্ষিত বনভূমি। দিন-রাতে বিপুল পরিমাণ অংশ একের পার এক দখল করে নিচ্ছে দলীয় প্রভাব কাটিয়ে এক শ্রেণির প্রভাবশালী মহল। তাদের বিভিন্ন ভাবে সহায়তা প্রদানের অভিযোগ উঠছে সংশ্লিষ্ট বন বিভাগের অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।

    সংরক্ষিত বনভূমি দখল নিয়ে এ দখলবাজ সিন্ডিকেট মোটা অংকে দখল বেচা—বিক্রি করে মোটা অংকের অর্থ ভাগবাটোয়ারা করে নেয়ার অভিযোগ উঠছে। প্রভাবশালী এ সিন্ডিকেট হাওয়ায় ক্ষমতার দাপটে সরকারি বিধি নিষেধের কোনোরূপ তোয়াক্কা না করে সংরক্ষিত বনভূমিতে গড়ে তোলা হচ্ছে পাকা ঘর- বাড়ি ও খামার বাড়িসহ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা। যার ফলে ধীরে ধীরে সংকোচিত হয়ে পড়েছে সংরক্ষিত বনভূমি।

    স্থানীয়রা জানায়, ডুলাহাজারা বনবিটের পশ্চিম পাশে বিটের লাগোয়া রেলওয়ে স্টেশনের পাশে সংরক্ষিত এ বনভূমি দিবারাত্রি দখল বাজ এ সিন্ডিকেট দখল করে নতুন নতুন স্থাপনা নির্মাণ করে যাচ্ছে। এতে করে সংরক্ষিত বনের অনেক পুরানো মাদার ট্রি গর্জন সহ সামাজিক নবায়নের মূল্যবান বৃক্ষ নিধনের পাশাপাশি দখলদারিত্বে কারণে সংকোচিত হয়ে আসছে সংরক্ষিত বনভূমি এবং হুমকির মুখে পড়েছে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্য।

    সরেজমিনে পরিদর্শন কালে দেখা যায়, ডুলাহাজারা রেলওয়ে স্টেশনের পাশে সাম্প্রতিক সময়ে স্থানীয় বনবিট কার্যালয়ের কাছাকাছি এমন কর্মকাণ্ড চললেও সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় পরিবেশ সচেতন মহল। গত এক মাস ধরে এসব বনভূমি দখল নিয়ে অবৈধ বসতি, মুরগির খামার ঘরসহ বিভিন্ন পয়েন্টে স্থাপনা গড়ে তোলার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।

    স্থানীয় পরিবেশ সচেতন মহলের অভিযোগ, সংরক্ষিত বনভূমি রক্ষায় শুধু অভিযান পরিচালনা করে স্থাপনা উচ্ছেদ করলে হবে না, উচ্ছেদের পর যাতে পুনরায় দখল না হয়, সে বিষয়েও কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন এবং বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ-সব চিহ্নিত দখলবাজ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান।

    তারা আরো বলেন, সংশ্লিষ্ট বন বিভাগের বন কর্মকর্তাদের নীরব সহযোগিতার সুযোগে এ প্রভাবশালী একাধিক সিন্ডিকেট সংরক্ষিত বনভূমি একের পর এক অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে বলে তারা মনে করেন।

    ডুলাহাজারা বনবিট কর্মকর্তা শাহরিয়ার আমিন বনভূমি জবরদখল করে অবৈধ স্থাপনা তৈরি করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

    তিনি বলেন, ‘ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা দখল বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে মামলা করে আসছি এবং প্রতিবাদ করছি কিন্তু দখলবাজ চক্রকর্তৃক প্রাণে হত্যার হুমকির আশঙ্কা থাকায় সেখানে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে সাহস পাচ্ছি না।’

    চকরিয়া উপজেলা পরিবেশ সাংবাদিকরা বলেন, অবৈধ দখল ও স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ করা না হলে ধীরে ধীরে সরকারি সংরক্ষিত বনভূমি সংকুচিত হয়ে পড়বে এবং বনজ সম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের পাশাপাশি এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ ও ভারসাম্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে তারা মনে করেন।

    চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) কামরুল হাসান বলেন, ‘ডুলাহাজারা বনবিটের ওই জায়গায় ইতোমধ্যে কয়েকবার অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা, মুরগির খামার উচ্ছেদ করা হয়।’অভিযানের পর জড়িত দখলবাজ চক্রের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে বলে তিনি জানান। এ,আর

  • রূপগঞ্জে ধর্ষণের অভিযোগে ৩ জন আটক

    রূপগঞ্জে ধর্ষণের অভিযোগে ৩ জন আটক

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে তিন যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাতে উপজেলার তারাবো পৌরসভার মৈকুলী এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতাররা হচ্ছেন রূপগঞ্জের গন্ধর্বপুর এলাকার রেদোয়ানের ছেলে নাদিম হোসেন (২২), শুক্কুর আলীর ছেলে সিহাব হাসান (২১) ও জহিরুল ইসলামের ছেলে ইমন মিয়া (১৯)।

    পুলিশ জানায়, মৈকুলী গ্রামের কিশোরী তার বন্ধু আকাশ আহম্মেদের সাথে শুক্রবার বিকেলে পূর্বাচল উপশহরে মোটরসাইকেলে করে বেড়াতে যায়। পরে পূর্বাচল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাত ১১টার দিকে তারাবো পৌরসভার গন্ধর্বপুর এলাকায় পৌঁছলে কিশোরীর পূর্ব পরিচিত নাদিম হোসেন, সিহাব হাসান ও ইমন মিয়া তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে জোরপূর্বক পাশের একটি পরিত্যক্ত ভবনে নিয়ে যায়। এ সময় কিশোরীর বন্ধু আকাশ আহম্মেদকে ভবনের একটি কক্ষে আটকে রেখে ওই যুবকরা কিশোরীকে জোরপূর্বক পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে।

    একপর্যায়ে ধর্ষকরা কিশোরীর বন্ধু আকাশ আহম্মেদের কাছে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। সেই টাকা এনে দেয়ার জন্য কৌশলে সেখান থেকে আকাশ আহম্মেদ বের হয়ে সরকারি পরিষেবা ৯৯৯ এ কল করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে উদ্ধার করে। এসময় পুলিশ ওই যুবকদের গ্রেফতার করে।

    থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এইচ এম সালাউদ্দিন বলেন, ‘এ ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রূপগঞ্জ থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেফতারদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।’ এ,আর

  • ব্রাহ্মণপাড়ায় পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু

    ব্রাহ্মণপাড়ায় পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে জুনায়েদ (১০) ও হাসিব (৯) নামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের গোপালনগর উত্তরপাড়া ইছামতি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত শিশু জুনায়েদ উপজেলার রামনগর গ্রামের হালিমের ছেলে। সে গোপালনগর উত্তরপাড়ায় তার খালার বাড়িতে থেকে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। অপর নিহত শিশু হাসিব গোপালনগর উত্তরপাড়া ইছামতি বাড়ির কাউসারের ছেলে। সে স্থানীয় বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

    স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনদের সাথে কথা বলে জানা যায়, শনিবার বেলা ১১টার দিকে জুনায়েদ ও হাসিবসহ কয়েকজন শিশু বাড়ির পাশের পুকুরে গোসল করতে যায়। গোসলের একপর্যায়ে জুনায়েদ ও হাসিব পানিতে তলিয়ে যায়। বিষয়টি বুঝতে পেরে পুকুরে থাকা অন্য শিশুরা চিৎকার শুরু করে। পরে আশপাশের লোকজন ও স্বজনরা ছুটে এসে পুকুরে নেমে দুই শিশুকে উদ্ধার করেন।

    পরে দ্রুত তাদের ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দুই শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক রেদওয়ান আহম্মদ হিমেল জানান, হাসপাতালে আনার আগেই দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ধারণা করা হয়। পরে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করতে উভয়ের ইসিজি করা হয়। ইসিজি পরীক্ষার পর তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। এ,আর

  • মেহেরপুরে জামায়াতের শিক্ষাশিবির অনুষ্ঠিত

    মেহেরপুরে জামায়াতের শিক্ষাশিবির অনুষ্ঠিত

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    মেহেরপুরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক দায়িত্বশীলদের নিয়ে দিনব্যাপী শিক্ষাশিবির-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (৩ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে মেহেরপুর জেলা ডিআইটি মসজিদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মেহেরপুর জেলা শাখার উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও মেহেরপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা তাজউদ্দীন খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর অঞ্চল টিম সদস্য ও কুষ্টিয়া জেলা আমির অধ্যাপক খন্দকার এ কে এম আলী মুহসীন।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চলের টিম সদস্য মো: আব্দুল মতিন ও মেহেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মো: নাজমুল হুদা।

    শিক্ষাশিবিরে সাবেক ছাত্র দায়িত্বশীলদের ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা, নৈতিক চরিত্র গঠন ও সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেয়া হয়। বক্তারা ইসলামী মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধি, সততা, জবাবদিহিতা ও সমাজ সংস্কারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

    অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া জেলা তারবিয়াতী সেক্রেটারি আব্দুস সাত্তার, মেহেরপুর জেলা নায়েবে আমির মাওলানা মাহবুব উল আলম, সদর উপজেলা আমির সোহেল রানা, সাবেক মেহেরপুর জেলা শিবির সভাপতি অধ্যক্ষ আল আমিন ইসলাম বকুল, ইকবাল হোসেন, সাইফুল ইসলাম, সোহেল রানা ডলার প্রমুখ।

    দিনব্যাপী আয়োজিত এ শিক্ষাশিবিরে জামায়াতে ইসলামী ও সাবেক ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন। এ,আর

  • শেষ বয়সে এসেও কোরআন শেখার নেশায় কর্মজীবীরা

    শেষ বয়সে এসেও কোরআন শেখার নেশায় কর্মজীবীরা

    সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় জীবনের পড়ন্ত বেলায় এসে পবিত্র কোরআন শেখার এমন অনন্য নজির স্থাপন করেছেন অর্ধশতাধিক প্রবীণ শ্রমজীবী মানুষ। ছোটবেলায় দারিদ্র্য, জীবনসংগ্রাম কিংবা পারিবারিক দায়িত্বের কারণে যাদের আর কোরআন স্পর্শ করা হয়ে ওঠেনি, জীবনের পাঁচ দশক পার করে এসে তারাই এখন পরম যত্নে প্রতিদিন বানান করে পড়ছেন আল্লাহর বাণী। একই সঙ্গে নিয়মিত শুদ্ধভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের নিয়মকানুনও রপ্ত করছেন তারা।

    শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাতে কামারখন্দ উপজেলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে গিয়ে দেখা যায় এই অনুপ্রেরণাদায়ী দৃশ্য। সেখানে ‘শেখ আব্দুস সালাম ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে বিনা মূল্যে মাদানি পদ্ধতিতে পবিত্র কোরআন শিক্ষা সম্পন্ন করা ৪২ জন প্রবীণ শিক্ষার্থীর হাতে উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয় কোরআন শরিফ। গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে এসব দিনমজুর, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সবজি বিক্রেতাকে পরম যত্নে পাঠদান করিয়েছেন উপজেলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম আব্দুল মোমেন।

    কোরআন উপহারের পাশাপাশি এই শিক্ষার্থীদের একজনের জন্য ছিল বিশেষ এক চমক। লটারির মাধ্যমে ৭০ বছর বয়সী শফিকুল ইসলাম তারা নামের এক বৃদ্ধকে বিনা খরচে ওমরাহ পালনের সুযোগ করে দেয় ‘স্যাম ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরস’ নামের একটি ভ্রমণ সংস্থা। এমন অপ্রত্যাশিত উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।

    বাংলাদেশ কুরআন শিক্ষা বোর্ডের পরিচালক মাওলানা ক্বারী মুয়াজ নোমানী জানান, এটি তাদের কোরআন শিক্ষা কার্যক্রমের দ্বিতীয় ব্যাচ। ২০২৫ সালের ৯ জুলাই এই ব্যাচের পাঠদান কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল। প্রতিদিন মাগরিবের পর থেকে শুরু করে এশার আজান পর্যন্ত একটানা চলে এই পাঠদান। সারা দিনের হাড়ভাঙা খাটুনি শেষে ক্লান্তি ভুলে প্রতিদিন নিয়মিত মসজিদে এসে হাজির হতেন এই প্রবীণ শিক্ষার্থীরা।

    তিনি আরও জানান, চলমান দ্বিতীয় ব্যাচের মেয়াদ এখনও তিন মাস বাকি রয়েছে। এই পর্ব শেষ হলেই শুরু হবে নতুন তৃতীয় ব্যাচ। স্থানীয় প্রবীণ জনগোষ্ঠীর মাঝে ধর্মীয় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে এই বিনা মূল্যের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

    কোরআন বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ধর্মীয় বিভিন্ন দিক ও হাদিসের আলোকে আলোচনা করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কামারখন্দ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লা আল মামুন, শেখ আব্দুস সালাম ফাউন্ডেশনের বয়স্ক কোরআন শিক্ষা কার্যক্রমের পরিচালক মাওলানা ক্বারী মো. মুয়াজ মোহা, বেলকুচি ওলামা ঐক্য পরিষদের সেক্রেটারি হাফেজ মো. রফিকুল ইসলামসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

  • চৌগাছায় শারদীয় দুর্গা উৎসব উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    চৌগাছায় শারদীয় দুর্গা উৎসব উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    এম এ রহিম চৌগাছা (যশোর)

    যশোরের চৌগাছায় আসন্ন শারদীয় দুর্গা পূজা উদযাপন উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে । শনিবার দুপুরে চৌগাছা থানা কম্পাউন্ডে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মামুনুর রশিদ। সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের চৌগাছা উপজেলার আহবায়ক গোবিন্দ কুমার রাহা,চৌগাছা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ বলাই চন্দ্র পাল,উপজেলা বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা গোলাম মোরশেদ, সহকারী সেক্রেটারী মাষ্টার কামাল আহমেদ, প্রেসক্লাব চৌগাছার সহসভাপতি সাংবাদিক রহিদুল ইসলাম খান,পৌর বিএনপির সভাপতি সেলিম রেজা আওলিয়ার, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম চঞ্চল, বিএনপি নেতা ইউনুচ আলী দফাদার, প্রেসক্লাব চৌগাছার সহ-সাধারণ সম্পাদক এম এ রহিম, চৌগাছা থানার অফিসার (তদন্ত) নুরুল আমিন শিকদার প্রমুখ।

    সভায় দুর্গা উৎসবকে যাতে নির্বিঘ্নভাবে উদযাপন করা যায় সে ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

  • ১২৩ বছরেও চশমা ছাড়াই কোরআন পড়েন আব্বাস

    ১২৩ বছরেও চশমা ছাড়াই কোরআন পড়েন আব্বাস

    নাটোরের গুরুদাসপুরের আব্বাস প্রামাণিকের বয়স ১২৩ বছর। ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য অনুযায়ী, ১৯০৩ সালে জন্ম নেওয়া এই প্রবীণ ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তান আমল ও ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময়ের সাক্ষী। দীর্ঘ জীবনে শিক্ষকতা করেছেন, পাশাপাশি এলাকার শিশুদের বিনামূল্যে কোরআন শিক্ষা দিয়েছেন।

    গুরুদাসপুর উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের যোগেন্দ্রনগর গ্রামের মৃত সদর উদ্দিনের ছেলে আব্বাস প্রামাণিক।কর্মজীবনে মাত্র ৬০ টাকা বেতনে খুবজীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন তিনি। দুই মেয়ে ও ছয় ছেলের বাবা আব্বাসের স্ত্রীও অনেক বছর আগে মারা গেছেন।

    বয়সের ভারে এখন শরীর অনেকটাই দুর্বল। হাঁটতে লাঠির প্রয়োজন হয়, কমে গেছে শ্রবণশক্তিও। তবে ১২৩ বছর বয়সেও তার দৃষ্টিশক্তি অনেকটাই স্বাভাবিক। চশমা ছাড়াই নিয়মিত নামাজ আদায় ও কোরআন শরিফ পড়েন তিনি। হাতে পরেন ক্যাসিও ঘড়িও।

    পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আব্বাসের সমবয়সিদের কেউ এখন আর বেঁচে নেই। জীবনের দীর্ঘ সময় অনেকটা একাই কাটিয়েছেন তিনি। একসময় অর্থ-সম্পদ থাকলেও বর্তমানে ভাঙাচোরা একটি ঘরেই বসবাস করছেন। বয়সের সঙ্গে তার বহু পুরোনো স্মৃতিও মলিন হয়ে গেছে। তবু ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার পাশাপাশি নিজের কাজ নিজে করার চেষ্টা করেন।

    আব্বাসের পছন্দের খাবারের মধ্যে রয়েছে বাতাসা, গরুর দুধ ও মসুর ডাল। নাতি-বউয়েরা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী তার দেখাশোনা করেন।

    নাতি শফিকুল ইসলাম বলেন, তার দাদা খুবই ধার্মিক ও সৎ মানুষ। সাদাসিধে জীবনযাপন করাই ছিল তার পছন্দ। গাড়িতে চড়াকেও তিনি একসময় বিলাসিতা মনে করতেন। তাই বেশির ভাগ সময় হেঁটেই চলাফেরা করতেন। এখন শরীর আগের মতো সায় না দিলেও লাঠিতে ভর করে বাড়ির উঠানে হাঁটার চেষ্টা করেন।

    আরেক নাতি বেলাল হোসেন বলেন, আব্বাসের ছেলেমেয়েরা সবাই নিজ নিজ সংসার নিয়ে ব্যস্ত। ফলে তাকে দেখাশোনার জন্য নির্দিষ্ট কেউ নেই। পরিবারের সদস্যরা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী তার পাশে থাকার চেষ্টা করেন। ভাঙাচোরা ঘরে থাকা আব্বাসের জন্য এই বয়সে প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার সবসময় জোগাড় করাও সম্ভব হয় না।

    আব্বাসের মেয়ে আলিমা বেগম জানান, মাত্র ৫ বছর বয়সে তার মাকে হারান আব্বাস। এরপর বাবার কাছেই বড় হয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই বাবাকে সৎ ও সহজ-সরল জীবনযাপন করতে দেখেছেন তিনি।

    আলিমা বলেন, তার বাবা এখনো চশমা ছাড়াই কোরআন পড়তে পারেন। অথচ তার সন্তানদের অনেকেই এখন চোখে ঝাপসা দেখেন। তিনি সুযোগ পেলেই বাবাকে দেখতে যান এবং পছন্দের খাবার নিয়ে যান।

    গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ বলেন, আব্বাস প্রামাণিক উপজেলার প্রবীণ ব্যক্তিদের একজন। বয়সের কারণে তার চলাফেরায় সমস্যা হয়। সুবিধার জন্য উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাড়ির সামনে সিঁড়ি করে দেওয়া হয়েছে। তার চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছে খুবজীপুর প্রবীণ সেবাকেন্দ্র। পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন সময়ে তাকে সহযোগিতা করা হচ্ছে।

  • চৌগাছায় সোনালী অতীত ক্লাবের উদ্বোধন

    চৌগাছায় সোনালী অতীত ক্লাবের উদ্বোধন

    এম এ রহিম চৌগাছা

    যশোরের চৌগাছায় সোনালী অতীত ক্লাবের কেক কেটে উদ্বোধন করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে এ ক্লাবের উদ্বোধন করা হয়। ফুটবল প্রেমীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ করে, চৌগাছায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করল ‘সোনালী অতীত ক্লাব’। পৌর শহরের সরকারি শাহাদৎপাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ক্লাবটির শুভ উদ্বোধন করা হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন সোনালী অতীত ক্লাবের সভাপতি সেলিম রেজা আওলিয়ার। প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা ইসলাম।

    সোনালী অতীত ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম এ মান্নানের পরিচালনায় বক্তৃতা করেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম চঞ্চল, যশোর জেলার সাবেক ফুটবলার সহেল আল মামুন নিশাদ, ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান লাল, আব্দার রশিদ ও আইনাল হক প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানে চৌগাছার সাবেক কৃতি ফুটবলার, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ক্রীড়ানুরাগীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন। দীর্ঘদিন পর সোনালী অতীতের খেলোয়াড়দের এক মঞ্চে দেখে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসব আমেজ লক্ষ্য করা গেছে।

    একটি আনন্দ র‍্যালি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা ফুটবল নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান এবং বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে মুখরিত করে তোলেন।

    র‍্যালি শেষে আয়োজিত সভায় বক্তারা চৌগাছার হারানো ফুটবল ঐতিহ্য ফিরিয়ে তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার প্রতি আকৃষ্ট করার আহবান জানানো হয়। সোনালী অতীত ক্লাব ব্যাপক ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। এই ক্লাবের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়রা অভিজ্ঞ ফুটবলারদের সান্নিধ্যে এসে নিজেদের দক্ষতা আরও বৃদ্ধি করতে পারবে।

    আগামীতে নিয়মিত টুর্নামেন্ট আয়োজন এবং ফুটবল প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ ক্লাবের উদ্বোধন ঘোষণা করে কেক কাটেন।

    চৌগাছার ক্রীড়াঙ্গনে এই নতুন অধ্যায়ের শুরু তরুণ প্রজন্মের জন্য বড় অনুপ্রেরণা বলে সকলে আশা ব্যক্ত করেছেন। এ,আর

  • চাকরিজীবনে যেভাবে ইসলাম চর্চা করবেন

    চাকরিজীবনে যেভাবে ইসলাম চর্চা করবেন

    জীবিকার তাগিদে প্রতিদিন সকালেই ঘর থেকে বেরিয়ে পড়েন নানা পেশার মানুষ। কারও গন্তব্য অফিস, কারও কারখানা বা দোকান, আবার কেউ ছুটছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দিকে।সংসারের খরচ, সন্তানের পড়াশোনা এবং পরিবারের প্রয়োজন মেটাতে কর্মজীবন মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে একজন মুসলিমের কাছে চাকরি শুধু বেতন পাওয়ার মাধ্যম নয়; কর্মক্ষেত্রও সততা, আমানতদারি, দায়িত্ববোধ ও আল্লাহভীতির পরীক্ষাস্থল। ইসলাম কর্মমুখরতা শেখায়, হালাল জীবিকা অর্জনে উৎসাহিত করে। আল্লাহ বলেন, ‘অতঃপর যখন নামাজ শেষ হবে, তখন তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ অনুসন্ধান করো।’ (সুরা : আল-জুমুআহ, আয়াত : ১০)
    তাই হালাল পথে জীবিকা অর্জনের পাশাপাশি সেই উপার্জনের পথে ইসলামের নীতিমালা মেনে চলাও জরুরি।

    বেতনের প্রতিটি টাকায় থাকুক হালালের স্বস্তি

    একজন চাকরিজীবী মাস শেষে বেতন হাতে পান। সেই অর্থ দিয়ে বাজার করেন, বাড়িভাড়া দেন, সন্তানের মাদরাসা/স্কুলের ফি পরিশোধ করেন, মা-বাবার জন্য ওষুধ কেনেন। তাই উপার্জনের উৎস পবিত্র হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কোনো ব্যক্তি নিজ হাতের উপার্জনের চেয়ে উত্তম খাদ্য কখনো ভক্ষণ করেনি।’ (বুখারি, হাদিস : ২০৭২)
    সময় ও দায়িত্বের আমানত কর্মজীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সময় ও দায়িত্বের আমানত। একজন কর্মী যে সময়ের বিনিময়ে বেতন নিচ্ছেন, সেই সময়টুকু প্রতিষ্ঠানের কাজে ব্যয় করা তাঁর দায়িত্ব এবং এটি তাঁর কাছে আমানত। কোনো কারসাজির মাধ্যমে এই আমানতের খেয়ানত করলে আল্লাহর দরবারে এর হিসাব দিতে হবে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছেন, তোমরা আমানতসমূহ তার হকদারদের কাছে পৌঁছে দাও।’ (সুরা : আন-নিসা, আয়াত : ৫৮)
    অতএব, ইচ্ছাকৃতভাবে আমানতের খেয়ানত করার জন্য কোনো পন্থা অবলম্বন করা নিষিদ্ধ।

    কর্মক্ষেত্রে পরিচয় হোক চরিত্রে

    কর্মক্ষেত্রে যোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ। তবে যোগ্যতার সঙ্গে উত্তম চরিত্রের সমন্বয় না থাকলে সেই যোগ্যতা অনেক সময় কল্যাণ বয়ে আনে না। একজন কর্মকর্তা অধীন কর্মীর সঙ্গে কেমন আচরণ করছেন, একজন কর্মী সহকর্মীর সঙ্গে কেমন ব্যবহার করছেন—এসবও ইসলামের দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ। তাই কর্মস্থলে কাউকে ছোট করা, সহকর্মীর ভুলকে বাড়িয়ে বলা, তাঁর পেছনে নিন্দা করা, অন্যের কৃতিত্ব নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া কিংবা অহংকার করা নিন্দনীয় কাজ। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা একে অন্যের প্রতি উপহাস কোরো না…এবং একে অন্যের গিবত কোরো না।’ (সুরা : আল-হুজুরাত, আয়াত : ১১-১২)

    কর্মজীবন হোক ইবাদতের সহযাত্রী

    কর্মজীবনের ব্যস্ততা অনেক সময় মানুষকে এমনভাবে গ্রাস করে যে জীবিকার পেছনে ছুটতে গিয়ে নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ও পরিবারের প্রাপ্য সময়ও কমে যায়। অথচ জীবিকার জন্য কাজ করতে গিয়ে জীবনের মূল উদ্দেশ্য হারিয়ে ফেলা উচিত নয়। মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই নামাজ মুমিনদের ওপর নির্ধারিত সময়ে ফরজ করা হয়েছে।’ (সুরা: আন-নিসা, আয়াত: ১০৩)

    কর্মস্থলে নামাজের সময় হলে যথাসম্ভব নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা এবং কাজের কারণে ফরজ ইবাদতকে অবহেলা না করা একজন মুসলিমের দায়িত্ব।

    একই সঙ্গে নিজের পেশায় দক্ষতা অর্জন করাও দায়িত্বের অংশ। চিকিৎসককে চিকিৎসাবিজ্ঞানে দক্ষ হতে হবে, শিক্ষককে নিজের বিষয়ে জ্ঞানী হতে হবে, প্রকৌশলীকে দায়িত্ব পালনে সক্ষম হতে হবে এবং ব্যবসায়ীকে লেনদেনের বিধান জানতে হবে। অযোগ্যতা লুকিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করা নিজের ও অন্যের ক্ষতির কারণ হতে পারে। অতএব, দিনশেষে ঘরে ফেরার সময় ক্লান্ত শরীরের সঙ্গে যদি একজন মানুষ এই প্রশান্তি নিয়েও ফিরতে পারে যে, ‘আজ আমি কারো হক নষ্ট করিনি, হারাম উপার্জন করিনি এবং আমার দায়িত্বে ফাঁকি দিইনি’, তাহলে তার কর্মজীবনও হতে পারে সফল এবং ইবাদতের একটি সুন্দর মাধ্যম।

  • দামুড়হুদায় পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৯

    দামুড়হুদায় পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৯

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় পুলিশ হেফাজত থেকে আসামি ছিনিয়ে নেওয়া, সরকারি কাজে বাধা, পুলিশ সদস্যকে আহত করা ও সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় প্রধান আসামিসহ মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে ও ১ অক্টোবর চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট যৌথ অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে আসামিদের ফেলে যাওয়া ৯টি বাঁশের লাঠি ও ২টি হাসুয়া উদ্ধার করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— চন্ডিপুর পূর্বপাড়া গ্রামের আবু সিদ্দীক (৭০), লক্ষণ (৩৮), ফিরোজ হোসেন (১৯), ফরহাদ হোসেন (১৯), সোনালী হালদার (৩০), কণা রাণী (২৫), নাছিমা বেগম (৪০), আলম বাদশা (৫৫) এবং ফুলন হালদার (৩২)। গ্রেপ্তারকৃত সবাই দর্শনা থানার চন্ডিপুর পূর্বপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

    পুলিশ জানায়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে দর্শনা থানার এসআই মোল্ল্যা আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম চন্ডিপুর পূর্বপাড়া গ্রামের সর্বজনীন শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দিরের সামনে অভিযান চালায়। সেখানে কয়েকজন ব্যক্তি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছিল। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আবু সিদ্দীক (৭০) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে।

    আটক আবু সিদ্দীককে থানায় নেওয়ার সময় স্থানীয় একদল উশৃঙ্খল ব্যক্তি সংঘবদ্ধ হয়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা সরকারি কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে এবং দুই পুলিশ সদস্যকে আহত করে আসামি আবু সিদ্দীককে জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

    ঘটনার পরপরই চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ারের সার্বিক দিকনির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল (সিসিআইসি) ও দর্শনা থানা পুলিশ চন্ডিপুর গ্রামে যৌথ চিরুনি অভিযান চালায়। অভিযানে ঘটনায় জড়িত ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীকালে অভিযান অব্যাহত রেখে ১ অক্টোবর চুয়াডাঙ্গা সদর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে পালিয়ে যাওয়া প্রধান আসামি আবু সিদ্দীককে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

    দর্শনা থানা পুলিশ জানিয়েছে, সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আইনিপ্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধীদের দমনে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের এই কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ,আর

  • বক শিকার করার অপরাধে দুই যুবককে জেল-জরিমানা

    বক শিকার করার অপরাধে দুই যুবককে জেল-জরিমানা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ফাঁদ পেতে অবৈধভাবে বক পাখি শিকার করার অপরাধে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে দুই যুবককে এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম রব্বানী সরদার এ দণ্ডাদেশ দেন। দণ্ডাদেশ প্রাপ্তরা হলেন দিনাজপুর জেলার সেতাবগঞ্জ উপজেলার চাঁপাইতোর গ্রামের রফিকুল ইসলাম ও সাকিব ইসলাম।

    পীরগঞ্জ বন বিট কর্মকর্তা মহসিন আলী জানান, ঐ দুই যুবক বৃহস্পতিবার সকালে পীরগঞ্জ উপজেলার কালো পীর বাজারের পাশে নিজামপুর বিলে ফাঁদ পেতে অবৈধ ভাবে ১৫টি বক পাখি শিকার করেন। খবর পেয়ে বন বিভাগের লোকজন তাদের আটক করেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০২৬ মতে তাদের ঐ দণ্ডাদেশ দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং এ সময় শিকার করা বক পাখিগুলো খোলা আকাশে ছেড়ে দেওয়া হয়।

    পীরগঞ্জ থানার ওসি ইকবাল হোসেন প্রামাণিক জানান, দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত ঐ দুই যুবককে ঠাকুরগাঁও জেলখানায় পাঠানো হয়েছে। এ,আর

  • ঘোড়াঘাটে পাটের বাম্পার ফলন, খুশি চাষিরা

    ঘোড়াঘাটে পাটের বাম্পার ফলন, খুশি চাষিরা

    দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাটে চলিত মৌসুমে পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, বৃষ্টিপাত এবং জমিতে পর্যাপ্ত আদ্রতা থাকায় এবার পাটের ফলন ভালো হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। এবার পাটের দামে খুশি চাষিরা। ভালো দাম পেয়ে, খুশি পাট চাষিরা। এতে তাদের মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা যায় একটি পৌরসভা চারটি ইউনিয়নে ১৫০ হেক্টর জমিতে দেশীয় তোষা জাতের পাটের চাষ করেছে কৃষকরা। হেক্টর প্রতি গড় ফলন নির্ধারণ করা হয়েছে ও ১১.৯ বেল। ১৫০ হেক্টর জমি থেকে পাটের উৎপাদন নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫২৬ বেল। যা গত বছরের তুলনায় পাটের গড় ফলন ছিল ১০.৬ বেল। ও ১২৫ হেক্টর জমিতে পাটের পাটের উৎপাদন ছিল ১৫. ১৩ বেল।

    কৃষকরা পাট কাটা, পানিতে জাগ দেয়া, আশ ছাড়ানো শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। বর্তমানে অনেকেই বাজারে বিক্রি করছেন। উপজেলার কালু পাড়া গ্রামের হারুনুর রশিদ বলেন,, গত বছর প্রতি মন পাট বিক্রি করেছি দেড় থেকে দুই হাজার টাকা। এই বছর পাট বিক্রি করেছি ৩৫০০ টাকা থেকে ৪০০০ টাকা পর্যন্ত।


    উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ জমিতে পাট কেটে আঁটি বেঁধে রাখা হয়েছে। কোথাও কোথাও কৃষকরা পাটের আঁটি পানিতে জাগ দিচ্ছেন, আবার কোথাও জাগ দেওয়া পাট থেকে আঁশ ছাড়িয়ে শুকানোর প্রস্তুতি চলছে। কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অন্যান্য ফসলের তুলনায় পাট চাষে খরচ তুলনামূলক বেশি হলেও এবার ফলন ভালো হওয়ায় সেই খরচ পুষিয়ে লাভের মুখ দেখার আশা করছেন তারা।

    ঘোড়াঘাট উপজেলার এক পাটচাষি বলেন, “এবার জমিতে পাট বেশ ভালো হয়েছে। গাছের উচ্চতা ও আঁশের মানও ভালো। ফলন ভালো হওয়ায় আমরা খুশি। এখন বাজারে যদি ভালো দাম পাওয়া যায়, তাহলে পাট চাষ করে লাভবান হওয়া সম্ভব।”আরেক কৃষক বলেন, “পাট কাটা, জাগ দেওয়া ও আঁশ ছাড়াতে শ্রমিক খরচ অনেক। তারপরও এবার ফলন ভালো হওয়ায় আশা করছি খরচ বাদ দিয়ে কিছুটা লাভ থাকবে।”

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা [মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান বলেন, “চলতি মৌসুমে আবহাওয়া পাট চাষের জন্য বেশ অনুকূল ছিল। ফলে অনেক এলাকায় ভালো ফলন হয়েছে। কৃষকদের পাট কাটার সঠিক সময়, জাগ দেওয়ার পদ্ধতি এবং আঁশের মান ভালো রাখার বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”

    কৃষকরা বলছেন, পাটের বাম্পার ফলনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে উন্নতমানের বীজ সরবরাহ, উৎপাদন খরচ কমানো এবং বাজারে স্থিতিশীল ও ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এসব ব্যবস্থা করা গেলে ঘোড়াঘাটে পাট চাষ আরও সম্প্রসারিত হবে। তাই উৎপাদনের পাশাপাশি পাটের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা।

  • পিতা হত্যার দায়ে ছেলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১৬ বছর পর রায় ঘোষণা

    পিতা হত্যার দায়ে ছেলের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১৬ বছর পর রায় ঘোষণা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    বরিশালে পিতাকে হত্যার দায়ে পুত্রকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। হত্যাকাণ্ডের ১৬ বছর পর বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশালের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. সোহেল আহমেদ চাঞ্চল্যকর এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

    একই মামলায় অপর অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিত ঘাতক পুত্র পলাশ হাওলাদার পলাতক ছিল। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

    আদালত সূত্রে জানা গেছে, দণ্ডিত ঘাতক পুত্র পলাশ হাওলাদার বরিশালের উজিরপুর উপজেলার পরমানন্দ সাহা গ্রামের মৃত আলী আকবর হাওলাদারের ছেলে।

    মামলার বাদী নিহত আলী আকবর হাওলাদারের অপর পুত্র মো. শহিদ হাওলাদার এজাহারে উল্লেখ করেছেন। তাদের মা দীর্ঘদিন পূর্বে মৃত্যুবরণ করেছেন। তার পিতা একজন দিনমজুর ছিলেন। তার (শহিদ) মেঝ ভাই পলাশ সাকরাল গ্রামের ইসমাইল হোসেনের কন্যা জোছনা আক্তারকে বিয়ে করে প্রায় একবছর ঘর সংসার করে। পরবর্তীতে পুনরায় সে (পলাশ) পরিবারের সকলের অমতে ভদ্রসা গ্রামের শাহ আলম রাঢ়ীর কন্যা সুইটি বেগমকে দ্বিতীয় বিয়ে করে শশুর বাড়িতে বসবাস শুরু করে।

    তিনি আরো উল্লেখ করেন, প্রায়ই পলাশ তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে উঠতে চাইলে তার বাবা বাঁধা প্রদান করেন। এনিয়ে বাবা আলী আকবরের ওপর চরমভাবে ক্ষিপ্ত ছিলো পলাশ। এরইমধ্যে পলাশের প্রথম স্ত্রী জোছনা বেগমকে কোন প্রকার ভরণপোষণ না দেয়ায় তিনি (জোছনা) পলাশের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় পলাশ বেশ কিছুদিন কারাভোগ করে জামিনে বের হয়।

    মামলার বাদি বলেন, ওই মামলা দায়েরের জন্য পলাশ তার বাবা আলী আকবরের ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযুক্ত করেন। ফলে কারাভোগের প্রতিশোধ নিতে সে (পলাশ) মরিয়া হয়ে ওঠে। এনিয়ে ২০১০ সালের ২ মে সন্ধ্যার পর তাদের পিতার সাথে পলাশের তুমুল বাগবিতণ্ডা হয়।

    ওইদিন দিবাগত মধ্যরাতে পলাশসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন ব্যক্তি তার ঘুমন্ত পিতাকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরেরদিন (৩ মে) ভোর সাড়ে ছয়টার দিকে প্রতিবেশী আলমগীর হাওলাদার তাদের পিতাকে পার্শ্ববর্তী একটি ধান ক্ষেতে হাত-পা দড়ি দিয়ে বাঁধা এবং চোখমুখ গামছা দিয়ে বাঁধাসহ রক্তাক্ত জখম অবস্থায় দেখে তাদের (শহিদ) বাড়িতে খবর দেয়।

    পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মুমূর্ষু অবস্থায় তাদের বাবা আলী আকবর হাওলাদারকে উদ্ধার করে প্রথমে উজিরপুর উপজেলা হাসপাতালে ও পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর সেখানে তার (আলী আকবর) মৃত্যু হয়।

    চাঞ্চল্যকর এ মামলায় দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ২৫ মার্চ উজিরপুর মডেল থানার ওসি সুকুমার রায় আদালতে তিনজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশীট দাখিল করেন। মামলায় একাধিক সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার বিচারক উল্লেখিত রায় ঘোষণা করেছেন। এ,আর

  • বরিশালে তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে শিক্ষিকার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

    বরিশালে তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে শিক্ষিকার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    বরিশাল নগরীর আমানতগঞ্জে একটি ভবনের দোতলার তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে আমেনা খানম (৬৫) নামে এক অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষিকার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, অন্তত দুই দিন আগে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বড় ছেলে রিফাতের উপস্থিতিতে দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    নিহত আমেনা হিজলা উপজেলার দুর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। তিনি নগরীর রোকেয়া আজিম সড়কের একটি ভবনের দোতলার ফ্ল্যাটে প্রায় এক বছর ধরে একা ভাড়া থাকতেন।

    কাউনিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কামাল হোসেন জানান, আমেনার বড় ছেলে রিফাত ব্যাংক কর্মকর্তা এবং কর্মসূত্রে রাজধানীতে থাকেন। ছোট ছেলে রিয়াদ থাকেন হিজলার গ্রামের বাড়িতে। বৃহস্পতিবার সকালে বড় ছেলের ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফ্ল্যাটটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ দেখতে পায়। পরে দরজা ভেঙে খাটের ওপর আমেনার হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশ জানায়, মরদেহ ফুলে গিয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল। অন্তত দুই দিন আগে তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মরদেহে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে।

    ভবন মালিক রিনা বেগম জানান, আমেনা প্রায় এক বছর আগে ফ্ল্যাটটি ভাড়া নেন। তিনি ভবনের অন্য বাসিন্দাদের সঙ্গে তেমন মিশতেন না। তাঁর দুই ছেলে মাঝে মাঝে মায়ের কাছে আসতেন। ফ্ল্যাট থেকে দুর্গন্ধ ছড়ানোর পর আমেনার বড় ছেলেকে খবর দেওয়া হয়।

    পাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা তানিয়া জানান, মঙ্গলবার সর্বশেষ আমেনাকে দেখেছেন তিনি। এরপর ফ্ল্যাটে বাইরে থেকে তালা দেখে ভেবেছিলেন, তিনি কোথাও বেড়াতে গেছেন। বুধবার বিকেল থেকে দুর্গন্ধ পাওয়া যায়।

    বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার জানান, বড় ছেলের ফোন পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে তালাবদ্ধ অবস্থায় ফ্ল্যাটটি পাওয়া যায়। পরে ভেতর থেকে কাপড় দিয়ে হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে। এ,আর

  • রাউজানে সন্ত্রাসীর গুলিতে ১২ পুলিশ সদস্য আহত

    রাউজানে সন্ত্রাসীর গুলিতে ১২ পুলিশ সদস্য আহত

    দুই অস্ত্র ও ১২৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    চট্টগ্রামের রাউজানে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধসহ ১২ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গুলিবিনিময় হয়। ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দিলদার হোসেন নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার কাছ থেকে একটি দোনলা বন্দুক, একটি একনলা কাটা বন্দুক, ১১৯ রাউন্ড চায়না রাইফেলের গুলি ও ছয় রাউন্ড সীসা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।

    বুধবার দিবাগত রাতে রাউজান থানার কদলপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ কদলপুর জয়নগর বড়ুয়া পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মাসুদ আলম।

    আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন এসআই (নিরস্ত্র) জান্নাতুন নাঈম রাজন, এসআই খোরশেদ আলম, এসআই বায়েজিদ মৃধা, এসআই মো. জাহাঙ্গীর আলম, এএসআই মো. জুয়েল চন্দ্র বিশ্বাস ও এএসআই রবিউল হোসেনসহ ১২ জন।

    পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, সন্ত্রাসী জানে আলম ওরফে ডাকাত আলম এবং মোহাম্মদ আজিজ ওরফে আজিজ বসের নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি ও আদায় করে আসছিল। এ তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার রাত ১০টা ৪০ মিনিটে দক্ষিণ কদলপুর জয়নগর বড়ুয়া পাড়ায় জানে আলমের বসতঘরের সামনে অভিযান চালায় পুলিশ।

    তিনি বলেন, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বসতঘরের ভেতরে থাকা জানে আলম ওরফে ডাকাত আলম (৪২), মোহাম্মদ আজিজ ওরফে আজিজ বস (৫২), দিলদার হোসেন (৩৭), মো. রুবেল (২৭), মো. মামুন-অর-রশিদ ওরফে মামুন (৩৫) ও মো. বাঁচা (৪৫)সহ অন্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এ সময় পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

    গুলিবিনিময়ের সময় ১২ পুলিশ সদস্য আহত হন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। এ,আর

  • কুষ্টিয়ায় বাসচাপায় পাখিভ্যান চালকসহ মর্মান্তিকভাবে নিহত ২

    কুষ্টিয়ায় বাসচাপায় পাখিভ্যান চালকসহ মর্মান্তিকভাবে নিহত ২

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    কুষ্টিয়ার মিরপুরে শ্যামলী পরিবহনের বাসের চাপায় পাখিভ্যানের চালক ও এক নারী যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও এক নারী গুরুতর আহত হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সদরপুর ইউনিয়নের আমতলা মাদরাসার সামনে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর আঞ্চলিক সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    নিহতরা হলেন—মিরপুর উপজেলার নওদা আজমপুর গ্রামের আব্দুল সাত্তারের ছেলে পাখিভ্যানচালক কামরুল ইসলাম এবং কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ভাদালিয়া এলাকার স্বস্তিপুর গ্রামের হাসেম আলীর স্ত্রী ভানুমতি (৫৫)। আহত নারী ভানুমতির মেয়ে হাসিনা।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে কয়েকজন যাত্রী নিয়ে একটি পাখিভ্যান কুষ্টিয়া-মেহেরপুর সড়ক দিয়ে যাচ্ছিল। পথে ভ্যানটির এক্সেল ভেঙে সেটি সড়কের ওপর পড়ে যায়। এ সময় পেছন থেকে মেহেরপুরগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি বাস ভ্যানটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে পাখিভ্যানটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই ভানুমতি নিহত হন।

    দুর্ঘটনায় ভ্যানচালক কামরুল ইসলাম ও ভানুমতির মেয়ে হাসিনা গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে আমলা পুলিশ ক্যাম্প ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভানুমতির লাশ উদ্ধার করেন এবং আহতদের মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

    সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কামরুল ইসলাম ও হাসিনাকে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে আইসিইউতে নেওয়ার কিছুক্ষণ পর পাখিভ্যানচালক কামরুল ইসলাম মারা যান বলে নিশ্চিত করেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ইকবাল হোসেন।

    স্থানীয়রা জানান, নিহত ভানুমতি তার জামাইয়ের বাড়ি নওদা আজমপুরে বেড়াতে এসেছিলেন।

    মিরপুর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’ এ,আর

  • শৈলকূপায় ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা, স্ত্রী আটক

    শৈলকূপায় ঘুমন্ত অবস্থায় স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা, স্ত্রী আটক

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ঝিনাইদহের শৈলকূপায় পারিবারিক কলহের জেরে ঘুমন্ত অবস্থায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে স্বামী মো: মিরাজ বিশ্বাসকে (৪০) হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রী মোছাম্মৎ সুমাইয়া খাতুনের (২৫) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্ত্রীকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

    বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    আহত মিরাজ শৈলকূপা উপজেলার ১৩ নম্বর উমেদপুর ইউনিয়নের আড়ুয়াকান্দি গ্রামের আবু বকর বিশ্বাসের ছেলে। অভিযুক্ত সুমাইয়া যশোরের দলনগর গ্রামের সাইফুল ইসলামের মেয়ে।

    পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে মিরাজের প্রথম স্ত্রী মারা যান। পরে সুমাইয়ার সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সংসারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই কথা কাটাকাটি হতো। মিরাজের প্রথম পক্ষের সন্তানদের সাথে সুমাইয়া বিরূপ আচরণ করত বলে অভিযোগ রয়েছে।

    আহত মিরাজ জানান, তিনি গত তিন দিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন। বুধবার সামান্য বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি স্ত্রীকে চড় মারেন।

    এর জেরে রাত ৩টার দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় সুমাইয়া ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে হত্যার চেষ্টা করেন। তার চিৎকার শুনে তার বাবা-মা ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

    ঘটনার খবর পেয়ে শৈলকূপা থানার এসআই জাহাঙ্গীর ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত সুমাইয়াকে পুলিশ হেফাজতে নেন।

    শৈলকুপা থানার ওসি (তদন্ত) শাকিল আহমেদ জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনার বিষয়ে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ,আর

  • বড়াইগ্রামে ডোবার পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    বড়াইগ্রামে ডোবার পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নাটোরের বড়াইগ্রামে বাড়ির পাশের ডোবার পানিতে ডুবে সাঈদ হোসেন নামে দেড় বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার জোনাইল ইউনিয়নের কুশমাইল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত সাঈদ কুশমাইল গ্রামের শাকিল হোসেনের ছেলে।

    জোনাইল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রাশেদুল ইসলাম রাসেল জানান, বিকেলে শিশুটিকে বাড়ির আঙ্গিনায় খেলতে দিয়ে তার মা গৃহস্থালী কাজ করছিলেন। কিছুক্ষণ পরে তাকে দেখতে না পেয়ে আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পাশের ডোবায় শিশুটিকে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্বজনরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। এ,আর

  • মোহনগঞ্জে যুবকের বিরুদ্ধে তরুণীকে ধর্ষণ ও হত্যার হুমকি

    মোহনগঞ্জে যুবকের বিরুদ্ধে তরুণীকে ধর্ষণ ও হত্যার হুমকি

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় বিয়ের আশ্বাস দিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণ এবং হত্যার হুমকি দিয়ে গর্ভপাত করানোর অভিযোগ উঠেছে মো: রাকিব মিয়া (২৪) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে।

    অভিযুক্ত রাকিব উপজেলার সহিলদেও ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের লিটন মিয়ার ছেলে। তিনি মোহনগঞ্জ বাজারে এক পল্লী চিকিৎসকের সহকারী হিসেবে কাজ করেন।

    গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ভুক্তভোগী তরুণী বাদী হয়ে মোহনগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, প্রায় তিন বছর আগে রাকিবের সাথে ওই তরুণীর সম্পর্ক ছিল। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে অন্যত্র বিয়ে দিয়ে দেয়া হয়। এরপর রাকিব পুনরায় তার সাথে যোগাযোগ করে সম্পর্ক রাখার কথা বলেন।

    একপর্যায়ে গত ৮ জুন বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তরুণীকে স্বামীর বাড়ি থেকে নিজের বাড়িতে নিয়ে আসেন এবং সেখানে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে তাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এ ঘটনার জেরে ওই তরুণীর স্বামীর সাথে বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়।

    অভিযোগে আরো বলা হয়, স্বামীর সাথে বিচ্ছেদের পর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে রাকিব একাধিকবার ওই তরুণীর সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেন। একপর্যায়ে তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে রাকিব তাকে হুমকি দিলে ওষুধ সেবনের পর তার গর্ভস্থ সন্তান নষ্ট হয়।

    গত ২৪ সেপ্টেম্বর তরুণী রাকিবের চেম্বারে গিয়ে বিয়ের জন্য চাপ দিলে রাকিব তাকে গালিগালাজ করেন এবং হত্যার হুমকি দেন। বর্তমানে রাকিব মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে আছেন। তার সাথে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।

    এ বিষয়ে অভিযুক্ত রাকিবের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় যোগাযোগ করা যায়নি।

    মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, ‘অভিযোগটি তদন্ত করা হবে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ এ,আর

  • সিরাজদিখানে রেললাইনের পাশ থেকে বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার

    সিরাজদিখানে রেললাইনের পাশ থেকে বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।

    বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার নিমতলা এলাকা থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়।

    মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে নয়া দিগন্তকে জানান, সকালে খবর পেয়ে সিরাজদিখান ফায়ার স্টেশনের একটি উদ্ধারকারী ইউনিট রেললাইনের পাশে এক অজ্ঞাতপরিচয় বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করে।

    তিনি আরো জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে অসাবধানতাবশত রেললাইন পারাপারের সময় ওই নারী দুর্ঘটনার শিকার হয়ে থাকতে পারেন। তার আনুমানিক বয়স ৭৫ বছর।

    পরে আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য লাশটি জিআরপি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে ফায়ার সার্ভিসের ওই কর্মকর্তা জানান। এ,আর

  • মহেশপুরে হত-দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে গরু বিতরণ

    মহেশপুরে হত-দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে গরু বিতরণ

    মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

    ঝিনাইদহের মহেশপুরে ফতেপুর গাজীরণনেছা বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বিএনএফের আর্থিক সহায়তায় হত-দরিদ্র ও অসহায় পরিবার গুলোকে স্বাবলম্বীকরণ ও জীবন মান উন্নয়নের লক্ষে আরডিসি সংস্থার উদ্দ্যোগে বিনামূল্যে গরু বিতরণ ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে মানবাধিকার সংগঠন আরডিসির নির্বাহী প্রধান আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে গরু বিতরণ ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাজ্জাদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, মহেশপুর থানার ওসি তদন্ত এনায়েদ হোসেন, উপজেলা প্রাণি সম্পদ দপ্তরের প্রতিনিধি ডাক্তার রেজাউল ইসলাম,ফতেপুর ইউপি সদস্য আসাদ,সাবেক বিজিবি কর্মকর্তা মতিউর রহমান,সাবেক ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান,গাজীরননেছা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ। সঞ্চলনা করেন সহকারী শিক্ষক ওলিউল্লাহ। র্সাবিক সহযোগিতা করেন,আরডিসি‘র প্রোগ্রাম সুপার ভাইজার মোঃ ওসমান গণি। উল্লেখ্য,বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ও আরডিসি সংস্থার বাস্তবায়নে মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর ও নাটিমা ইউনিয়নে ৬টি পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে এই গরু বিতরণ ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। এ,আর

  • সিলেট সীমান্তে ভারতীয় শটগান-গুলিসহ বিপুল পরিমাণ চোরাইপণ্য জব্দ

    সিলেট সীমান্তে ভারতীয় শটগান-গুলিসহ বিপুল পরিমাণ চোরাইপণ্য জব্দ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    সিলেট সীমান্তে চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ভারতীয় শটগান, গুলি, মদসহ বিপুল পরিমাণ চোরাইপণ্য জব্দ করেছে সিলেট ব্যাটালিয়ন ৪৮ বিজিবি।

    বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ভোরে জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার প্রতাপপুর সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব পণ্য জব্দ করা হয়। তবে, এ সময় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

    বিজিবি সূত্র জানায়, বিশেষ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত থেকে বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত ৪৮ বিজিবির একটি বিশেষ অপারেশন দল প্রতাপপুর বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় পরিত্যক্ত অবস্থায় ৩০০ বোতল ভারতীয় মদ, একটি ভারতীয় সিঙ্গেল ব্যারেল শটগান ও আট রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

    এছাড়া ভারত থেকে অবৈধভাবে আনা বিপুল পরিমাণ জিরা, গরু, সানগ্লাস, কসমেটিকস, কম্বল, বিড়ি, চকলেট, ফুচকা ও এনার্জি ড্রিংক জব্দ করা হয়। একই অভিযানে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচারের সময় মশলা ও শিং মাছসহ বিভিন্ন চোরাইপণ্য জব্দ করা হয়। জব্দকৃত এসব চোরাইপণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য এক কোটি ৭৩ হাজার টাকা।

    সিলেট ব্যাটালিয়ন ৪৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো: নাজমুল হক জানান, সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষা, চোরাচালান ও মাদকদ্রব্য পাচার প্রতিরোধে বিজিবির আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ভারতীয় মদ, শটগান, গুলি ও অন্যান্য চোরাচালানি মালামাল জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত পণ্যের বিষয়ে আইন ও প্রচলিত বিধি মোতাবেক পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। এ,আর

  • দিনাজপুরে ডোবার পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু

    দিনাজপুরে ডোবার পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় বাড়ির পাশের ডোবার পানিতে ডুবে মালিহা জান্নাত মেহজাবিন (২) ও তানিয়া জান্নাত (৩) নামে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার কাটলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত শিশু মালিহা জান্নাত মেহজাবিন উত্তর কাটলা গ্রামের হুমায়ুন কবিরের মেয়ে ও তানিয়া জান্নাত তরিকুল ইসলামের মেয়ে।

    স্থানীয়রা জানান, সকালে খেলতে খেলতে দুই শিশু মেহজাবিন ও তানিয়া বাড়ির পাশের ডোবার পানিতে পড়ে যায়। পরে দুই শিশুর ভাসমান লাশ দেখতে পান প্রতিবেশীরা।

    বিরামপুর থানার উপপরিদর্শক সাইফুদ্দিন প্রামানিক জানান, খবর পেয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ বা আপত্তি না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ স্বজনদের হাতে তুলে দিয়েছেন তারা। এ,আর

  • সিলেটে বালুভর্তি ট্রাকে মিলল ৪৩৪১ পিস ভারতীয় শাড়ি

    সিলেটে বালুভর্তি ট্রাকে মিলল ৪৩৪১ পিস ভারতীয় শাড়ি

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    সিলেটের জৈন্তাপুরে বালুভর্তি ট্রাকে অভিনব কায়দায় পাচারের সময় চার হাজার ৩৪১ পিস ভারতীয় শাড়ি জব্দ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ট্রাকচালক মো: আলালকে (৩৫) আটক করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিলেট জেলা পুলিশের ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা ও সহকারী পুলিশ সুপার মো: সম্রাট তালুকদার।

    তিনি জানান, এ ঘটনায় জৈন্তাপুর মডেল থানায় মামলা দায়েরপূর্বক আটক ট্রাকচালক আলালকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

    আটক ট্রাকচালক আলাল গোয়াইনঘাট উপজেলার পূর্ব আলীরগাঁও ইউনিয়নের পাঁচ সেউতী গ্রামের সিদ্দেক আলীর ছেলে।

    এর আগে, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ভোররাত সোয়া ৫টার দিকে জৈন্তাপুর থানার নিজপাট ইউনিয়নের নয়াখেল এলাকায় সারী নদীর সেতুর উত্তর পাড়ে সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে একটি বালুভর্তি ট্রাকে তল্লাশি চালায় পুলিশ। এ সময় ট্রাকের ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশ জানায়, জব্দকৃত শাড়ির আনুমানিক বাজারমূল্য এক কোটি ৩০ লাখ ২৩ হাজার টাকা। এছাড়া পাচারে ব্যবহৃত হলুদ রঙের ট্রাকটিও জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ২৫ লাখ টাকা। এ,আর

  • বাকেরগঞ্জে নিখোঁজ ৩ স্কুলছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার

    বাকেরগঞ্জে নিখোঁজ ৩ স্কুলছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    বরিশালের বাকেরগঞ্জে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে নিখোঁজ হওয়া দাড়িয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির তিন ছাত্রীকে ঢাকার শ্যামপুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ভোরে কদমতলী থানার আওতাধীন শ্যামপুরের ঢাকা ম্যাচ ফ্যাক্টরি এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশ ও জিডি সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার স্কুলে যাওয়ার কথা বলে দাড়িয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির তিন ছাত্রী বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর তারা আর বাড়িতে ফেরেনি। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের সন্ধান না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

    পরে বাকেরগঞ্জ থানার ওসি মো: আদিল হোসেনের নির্দেশনায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায় পুলিশ। উপ-পরিদর্শক নাজমুল মোল্লা ও সবিতা রানীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বৃহস্পতিবার ভোরে ঢাকার শ্যামপুরের ঢাকা ম্যাচ ফ্যাক্টরি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

    ওসি আদিল বলেন, ‘দাড়িয়াল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির নিখোঁজ তিন ছাত্রীকে ঢাকার শ্যামপুর থেকে উদ্ধার করে বাকেরগঞ্জে নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।’ এ,আর

  • কলারোয়ায় মেধাবী ১০ শিক্ষার্থীর মাঝে সাইকেল বিতরণ

    কলারোয়ায় মেধাবী ১০ শিক্ষার্থীর মাঝে সাইকেল বিতরণ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উদ্যোগে কলারোয়া উপজেলার আটটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মেধাবী ১০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে সাইকেল বিতরণ করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কলারোয়া সরকারি জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব।

    এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এস এম মাহফুজুর রহমান।

    কলারোয়া সরকারি জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুদীপ কুমার বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুল কাদের বাচ্চু, প্রধান শিক্ষক রাশেদুল হাসান কামরুল, প্রধান শিক্ষক আখতার আসাদুজ্জামান চান্দু, শিক্ষক মনিরুজ্জামান প্রমুখ।

    সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন কলারোয়া সরকারি জিকেএমকে পাইলট হাইস্কুলের সিনিয়র শিক্ষক তামিম আজাদ মেরিন। অনুষ্ঠানে ছেলেদের লাল ও মেয়েদের মাঝে গোলাপী রঙের সাইকেল বিতরণ করা হয়। এ,আর

  • চৌগাছায় জিসিবি আদর্শ কলেজে নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

    চৌগাছায় জিসিবি আদর্শ কলেজে নবীন বরণ অনুষ্ঠিত

    চৌগাছা (যশোর) প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় জিসিবি আদর্শ কলেজে নবীন বরণ অনুষ্ঠান করা হয়েছে । বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় কলেজ হলরুমে এ অনুষ্ঠান করা হয়।

    এতে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ আবু জাফর। প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আবু শরীফ বকুল। অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথি এবং নবীন ছাত্র-ছাত্রীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয় । প্রভাষক শহীদ আলম ও সাজেদা খাতুনের যৌথ পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন বাংলা প্রভাষক রফিকুল ইসলাম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান প্রভাষক শফিকুল ইসলাম, রসায়ন প্রভাষক আইনুল হক, ইসলাম শিক্ষা প্রভাষক মেহেদী ইসলাম। ছাত্রীদের মধ্যে বক্তৃতা করেন প্রথম বর্ষের ছাত্র সিয়াম হোসন, নায়িম হোসেন, সুরাইয়া , বৃষ্টি খাতুন ও শশি । বক্তৃতা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ,আর

  • গোয়ালঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে গরুর লাথিতে শিক্ষিকার মৃত্যু

    গোয়ালঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে গরুর লাথিতে শিক্ষিকার মৃত্যু

    নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে গোয়ালঘর পরিষ্কার করার সময় গরুর লাথির আঘাতে আরেফা বেগম (৩৮) নামে এক শিক্ষিকার মৃত্যু হয়েছে।

    নিহত আরেফা বেগম ওই এলাকার এজানুর রহমানের স্ত্রী। তিনি স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন।

    নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজ বাড়ির গোয়ালঘর পরিষ্কার করছিলেন আরেফা বেগম। এ সময় একটি গরু তার বুকে জোরে লাথি দেয়। এতে তিনি ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে স্বজনেরা ছুটে এসে তার মরদেহ উদ্ধার করেন।

    কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল গফুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

  • কুড়িগ্রামে তিস্তার ভাঙনে ৪০ মিটার ক্রসবাঁধ বিলীন

    কুড়িগ্রামে তিস্তার ভাঙনে ৪০ মিটার ক্রসবাঁধ বিলীন

    কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় বুড়িরহাট ক্রসবাঁধে হঠাৎ তিস্তা নদীর ভাঙনে ৪০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন ঠেকাতে জিও ব্যাগ ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

    এদিকে স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বাঁধটি ভেঙে গেলে বড়দারগা, বুড়িরহাট, রামহরি, চতুরা, কালিরমেলা ও ডাংরারহাট—এই ছয় গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ সরাসরি ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। হুমকিতে পড়বে বসতভিটা, ঘরবাড়ি, ফসলি জমি এবং অন্তত পাঁচটি বাজার।

    পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, তিস্তা নদীর কাউনিয়া স্টেশনে মঙ্গলবার সকাল ৬টায় পানির উচ্চতা ছিল ২৮ দশমিক ৭৩ মিটার এবং সকাল ৯টায় ২৮ দশমিক ৭৫ মিটার। ওই স্টেশনে তিস্তার বিপৎসীমা ২৯ দশমিক ৩১ মিটার।

    স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার সকাল ৭টা থেকেই বুড়িরহাট ক্রসবাঁধের রাস্তার কিছু অংশে হঠাৎ ভাঙন শুরু হয়। পরে রাস্তার উত্তর ও দক্ষিণ পাশে ভাঙন ছড়িয়ে পড়ে। নদীর স্রোত তীব্র থাকায় বাঁধের নিচের অংশের মাটি ও বালু সরে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

    স্থানীয় বাসিন্দা মো. সালাম মিয়া অভিযোগ করেন, গতকাল আমরা দেখেছি নদীর স্রোত অনেক বেশি ছিল। গত বছরের মতো এবারও ভাঙনের লক্ষণ দেখেছিলাম। আশঙ্কার কথা অনেককে জানিয়েছি। কিন্তু তখন কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

    বুড়িরহাট এলাকার আরেক বাসিন্দা মাইদুল ইসলাম (৩৫) বলেন, শুকনো মৌসুমে এখানে বালু ছিল। একটা জায়গা অল্প দেবে গিয়েছিল। তখন কাজ করা হয়নি। এখন পানি বেড়েছে, বালু নেই— কীভাবে ভাঙন সামলাবে?

    এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, বুড়িরহাট ক্রসবাঁধে হঠাৎ ভাঙন দেখা দেওয়ার খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। দ্রুত ভাঙনরোধ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।

  • প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ: ময়মনসিংহে ২২ নিয়োগপ্রার্থীর আমরণ অনশন

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ: ময়মনসিংহে ২২ নিয়োগপ্রার্থীর আমরণ অনশন

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ময়মনসিংহে নিয়োগপত্র না পাওয়ার অভিযোগে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের সামনে আমরণ অনশন শুরু করেছেন ২২ জন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগপ্রার্থী। চূড়ান্ত নিয়োগপত্র হাতে না পাওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

    বুধবার সকাল ১১টার দিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান নিয়ে অনশন কর্মসূচি শুরু করেন আন্দোলনকারীরা।

    অনশনকারীদের থেকে জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ময়মনসিংহ জেলায় মোট ২৫৯ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ২১৯ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। পরে আরও দুজনকে নিয়োগ দেওয়া হলেও একই প্রক্রিয়ার ২২ জন প্রার্থী এখনো নিয়োগপত্র পাননি।

    তাদের দাবি, দেশের অন্যান্য জেলায় সুপারিশপ্রাপ্তদের নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হলেও ময়মনসিংহে তাদের ২২ জনের নিয়োগ স্থগিত রাখা হয়েছে। কেন তাদের নিয়োগ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে, সে বিষয়ে কার্যালয় থেকে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

    অনশন কর্মসূচিতে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী মোশাররফ হোসেন বলেন, ময়মনসিংহ জেলায় আমরা ২৫৯ জন সুপারিশ পেয়েছিলাম। প্রথম ধাপে ২১৯ জন ও পরে আরও দুজন নিয়োগ পেলেও আমরা ২২ জন কোনো কারণ ছাড়াই বাদ পড়ে আছি। আমরা আজকের মধ্যেই নিয়োগপত্র হাতে পেতে চাই। এটি ছাড়া আজ এখান থেকে কেউ ফিরব না। প্রয়োজনে না খেয়ে মারা যাব, তবুও কাফনের কাপড় সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাব।

    একই দাবি জানিয়ে আরেক অনশনকারী হাসি আক্তার বলেন, ‘অন্যরা নিয়োগ পেয়ে স্কুলে যোগ দিয়েছেন, কিন্তু আমাদের আটকে রাখা হয়েছে। কারণটাও আমাদের জানানো হচ্ছে না। নিয়োগপত্র না পাওয়া পর্যন্ত আমরা অনশনস্থল ছেড়ে বাড়ি ফিরব না।’

    জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলায় মোট ২৫৯ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হলেও ১৮ জন কোনো কাগজপত্র জমা দেননি। বাকি ২৪১ জনের মধ্যে ২১৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং ২২ জনের নিয়োগ স্থগিত রয়েছে।

    এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গোয়েন্দা প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় ওই ২২ জনের নিয়োগ স্থগিত রাখা হয়েছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয়, জেলা বা বিভাগীয় পর্যায়ে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো এখতিয়ার আমাদের নেই। এটি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিষয়। মন্ত্রণালয় থেকে পরে নতুন কোনো নির্দেশনা এলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে; অন্যথায় বর্তমান সিদ্ধান্তই বহাল থাকবে।’

    শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা অনশনকারীদের বিষয়টি বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করছি। আমাদের এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে কিছু করার সুযোগ নেই। বিষয়টি সচিব, মহাপরিচালক ও মন্ত্রী মহোদয়সহ জাতীয় পর্যায়ে অবহিত রয়েছে।’

    গোয়েন্দা প্রতিবেদনের তথ্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘গোয়েন্দা প্রতিবেদন অত্যন্ত গোপনীয় নথি। ওই প্রতিবেদনে ঠিক কী উল্লেখ রয়েছে, তা আমাদের জানা বা প্রকাশ করার কোনো সুযোগ নেই। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষই এ বিষয়ে অবগত আছেন, আমরা শুধু নির্দেশনা বাস্তবায়ন করছি।’ এ,আর

  • ময়মনসিংহে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, ২ যুবকের যাবজ্জীবন

    ময়মনসিংহে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ, ২ যুবকের যাবজ্জীবন

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ময়মনসিংহে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় দুই যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসাথে তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

    বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ) এম এল বি মেছবাহ উদ্দিন আহমেদ এ রায় ঘোষণা করেন।

    দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানা এলাকার মো: মারুফ (২১) ও স্বাধীন (২০)।

    মামলার এজাহার ও নথি সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১২ আগস্ট সকালে ওই ছাত্রীর মা কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। ওই দিন দুপুর আনুমানিক ৩টার দিকে মারুফ ও স্বাধীন ঘরে প্রবেশ করে ওই ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

    সন্ধ্যায় বাড়িতে ফিরে ভুক্তভোগীর মা বিষয়টি জানতে পারেন। পরে তিনি ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। মামলাটি দীর্ঘদিন আদালতে বিচারাধীন থাকার পর সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ বুধবার রায় ঘোষণা করা হয়।

    রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট বজলুল করিম চৌধুরী বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়ায় আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এ কারণে আদালত তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট। রায়ের পর মামলাটির দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার অবসান হলো। এ,আর

  • মৌলভীবাজারে নাঈম হত্যা মামলার ৪ আসামির মৃত্যুদণ্ড

    মৌলভীবাজারে নাঈম হত্যা মামলার ৪ আসামির মৃত্যুদণ্ড

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    মৌলভীবাজার সদর উপজেলার চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের বর্ষিজোড়া এলাকার রেজাউল করিম নাঈম হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

    বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে মৌলভীবাজার জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ রবিউল আউয়ালের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। মামলায় অপর পাঁচ আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

    মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ২০২৩ সালের ৭ নভেম্বর রেজাউল করিম নাঈমের ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় আসামিরা। ধারালো ছুরির আঘাতে নাঈম গুরুতর আহত হন। পরে পরিবার ও স্থানীয়রা মিলে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতাল নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ৮ নভেম্বর তার মৃত্যু হয়।

    এ ঘটনায় নিহত নাঈমের বাবা মো: চেরাগ মিয়া ৯ নভেম্বর মৌলভীবাজার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে নয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয় আরো চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়।

    পরে দীর্ঘ শুনানি শেষে মৌলভীবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত আজ বুধবার মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে চারজনকে মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচজনকে খালাস দেয়া হয়।

    মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চার আসামি হলেন— চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের বর্ষিজোড়া এলাকার মরহুম মো: ইদ্রিস মিয়ার ছেলে মো: নুরুল ইসলাম, দণ্ডপ্রাপ্ত নুরুল ইসলামের ছেলে নাহিদুল ইসলাম রনি, আব্দুল আজিজের ছেলে মো: সাইমন ইসলাম ও আব্দুল কাদিরের ছেলে আনোয়ার হোসেন। সাজাপ্রাপ্ত নাহিদুল ইসলাম রনি ও আনোয়ার হোসেন পলাতক রয়েছেন।

    খালাসপ্রাপ্তরা হলেন— বর্ষিজোড়া এলাকার ইদন মিয়ার ছেলে ইমন মিয়া, নাজিরাবাদ ইউনিয়নের সাহিদ মিয়ার ছেলে আল আমিন, বর্ষিজোড়া এলাকার মো: রমিজ মিয়ার ছেলে সাকির আহমদ ওরফে শাকিল, দণ্ডপ্রাপ্ত মো: নুরুল ইসলামের স্ত্রী পারভীন বেগম ও মেয়ে রুকশানা আক্তার।

    এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন চৌধুরী বলেন, আমরা এই রায়ে সন্তুষ্ট। আসামিদের দণ্ড প্রদানে বাদী পক্ষসহ আইনের প্রতি মানুষের আস্থা ও শ্রদ্ধা বাড়বে। অপরাধীরা বুঝতে পারবে যে, অপরাধ করে আইনি সাজা থেকে রেহাই পাওয়া যায় না। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় চাঞ্চল্যকর এই মামলার রায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে। আমরা প্রত্যাশা করি, উচ্চ আদালত এই সাজা বহাল রাখবেন। এ,আর

  • কুষ্টিয়ার চামড়াপট্টি স্থানান্তর প্রক্রিয়া এখনও ফাইল বন্দি

    কুষ্টিয়ার চামড়াপট্টি স্থানান্তর প্রক্রিয়া এখনও ফাইল বন্দি

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    পরিবেশ রক্ষায় যখন সরকারের নতুন নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে ঠিক তখন কুষ্টিয়া শহরের একেবারে মধ্যবর্তিস্থানে কাঁচা চামড়ার কারখানায় দিনভর চামড়া প্রক্রিয়াজাত করণ আর গুদামজাত করায় এক দুর্গন্ধে পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে। শহরের এ চামড়াপট্রিটি আবাসিক এলাকা থেকে স্থানান্তর করার জন্য ইতিপুর্বে বহুবার উদ্যোগ নেয়া হলেও তা কোন এক অজ্ঞাত কারণে ফাইল বন্দি হয়ে রয়েছে বলে জানা গেছে।

    সরজমিনে শহরের ওই চামড়া পট্রিটি ঘুরে এমন দৃশই পরিলক্ষিত হয়েছে। চামড়ার দূর্গন্ধযুক্ত পচা বর্জে সেখানকার এলাকাবাসীর জীবন বিষিয়ে তুললেও চামড়াপট্টি স্থানান্তরের প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন স্বপ্নই রয়ে গেল। পচা বর্জের দূর্গন্ধে শহরের এই অভিজাত এলাকার সাধারণ মানুষের চলাচলে নাকে রুমাল থাকলেও পরিবেশ রক্ষায় দায়িত্বরত পরিবেশবিদদের গন্ধ লাগেনা তেমন একটা। দিনের পর দিন নয়, সেই দেশ স্বাধীনের আগে থেকেই একসময়ের শহরের এক কর্ণারে ফাঁকা জায়গায় গড়ে ওঠে কাঁচা চামড়া শিল্পের চামড়ায় লবনজাত প্রক্রিয়ার এই চামড়াপট্টি। শুরু থেকে কাঁচা চামড়া শিল্পের জন্য কোন সমস্যা না হলেও বর্তমানে এই কালের আবর্তে গড়ে ওঠা অভিজাত আবাসিক এলাকার পরিবেশ দূষিত হচ্ছে প্রতি নিয়ত। এখানকার পরিবেশ এতটায় দূষিত যে, এলাকার সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ি ও ব্যাংক গ্রাহকদের ওই এলাকায় ঢুকতে নাভিশ্বাস হয়ে উঠছে। শহরের অভিজাত আবাসিক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় এই চামড়াপট্টি স্থানান্তরিত করার উদ্দ্যোগ নেই কারো।

    চামড়াপট্টির ব্যবসায়ীরা ব্যবসার নিরাপত্তা ও উপযুক্ত পরিবেশ, ব্যাংক, অবাধে যাতায়াতের ভাল সুব্যবস্থা পেলে তারা চামড়াপট্টি স্থানান্তরের পক্ষে সব সময়, কিন্তু তাদের এই দায়িত্ব নেবে কে বা কোন প্রতিষ্ঠান। চারটি চামড়া বোঝায় ভ্যান এসে দাঁড়ালো চামড়াপট্টির একটি আড়তের সামনে। একপিচ চামড়া নামানোর সাথে সাথে পচাঁ চিমটি দূর্গন্ধ পুরো এলাকার পরিবেশে ছড়িয়ে পড়লে দোকানগুলোতে আগত ক্রেতা, বিশেষ প্রয়োজনে শহরের আসা সাধারণ মানুষ, কুষ্টিয়া অঞ্চলিক আয়কর অফিসে কর দিতে আসা করদাতা, সোনালী ব্যাংকে আসা গ্রাহক সবাই এক মুহুর্তেই নাকে মুখে রুমাল চেপে ধরলো। থেমে গেলো অনেকটাই তাদের চলার গতি। কোন রকমে নিজেকে সামলিয়ে নিয়ে দ্রুত সরে গেলেন অনেকেই।

    চামড়া নামানো শেষে ব্যবসায়ীরা প্রতি দিনই উৎছিষ্ট পচাবর্জ পানি দিয়ে ধুয়ে নামিয়ে দিচ্ছে পৌরসভার আবদ্ধ ড্রেনে। সুর্যের তাপ বাড়ার সাথে সাথে আবদ্ধ ড্রেনের রক্ত মেশানো ও চামড়ার পচা বর্জ আরো পচে গলে দূর্গন্ধ ছড়াচ্ছে বেশি। এখানে জন্ম নিচ্ছে কোটি কোটি মশা। এই মশকবাহিনী অতিষ্ট ও বিষিয়ে তুলছে শহরবাসীকে এমন কথাই জানালেন ব্যাংক গ্রাহকরা।

    পোড়াদহ থেকে আয়কর দিতে আসা এক ব্যবসায়ী জানান, চামড়ার পচাবর্জের চিমটি গন্ধে এই অফিসেই আসা দায়। রিক্সা কিংবা হেটে আসার সময় দূর্গন্ধে বোমি উঠে আসে। সামলানো মুশকিল। সরকারী বালিকা বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর অভিভাব আড়–য়া পাড়ার জনৈক ব্যক্তি জানালেন আরো ভিন্ন কথা, চামড়া পচার গন্ধ্যে ছাত্র-ছাত্রীসহ সাধারণ পথচারীরা নিত্য মুখোমুখি হওয়ার কারনে শ্বাসকষ্ট সহ নানান রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। পক্ষান্তরে পরিবেশ রক্ষায় নিয়োজিতরা কোন ব্যবস্থা নেয়া কিংবা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিমূলক এই খাতটিকে বাচিয়ে রাখতে চামড়াপট্টিটি স্থানান্তরে সরকারের উচ্চপর্যায়ে জানাতে কোন উদ্দ্যেগতো নেয়নি আজো। সব কিছু দেখেও তারা না দেখার ভান করে নাকে তেল দিয়ে ঘুমান।

    কুষ্টিয়া চামড়াপাট্টির বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও কুষ্টিয়া পৌরসভার কাউন্সিলররা জানান, পরিবেশ দূষমনমুক্ত রাখতে চামড়া ব্যবসায়ীরাও বদ্ধপরিকর। দেশ স্বাধীনের অনেক আগে থেকেই একসময়ের শহরের এক কর্ণারে ফাঁকা জায়গায় হাতে গনা কয়েকটি আড়ৎ নিয়ে গড়ে ওঠে চামড়ায় লবনজাত প্রক্রিয়ার কাঁচা চামড়া শিল্পের এই চামড়াপট্টি। বর্তমানে এ পট্টিতে ছোট বড় দিয়ে প্রায় ৫০টি চামড়ার আড়ৎ রয়েছে।

    এসব আড়তে প্রতি বছর ২লাখ ৮০ হাজার থেকে ৪ লাখ পর্যন্ত গরু ও মহিষের চামড়া এবং ৩ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৪ লাখ পিচ পর্যন্ত ছাগল ও ভেড়ার চামড়া লবনজাত প্রক্রিয়া করণ করে ঢাকা হাজারীবাগ ও যশোরের নয়াপাড়ার টেনারীতে আমদানী করা হয়।

    এতে প্রতি বছরের কুষ্টিয়ার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধিতে ও চলমান অর্থনীতির চাকাকে আরো গতিশীল করতে প্রায় ৮০/৯০ কোটি টাকা যোগ হয়।

    তিনি বলেন কুষ্টিয়ার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি গতিশীল এই খাতটিকে বাচিয়ে রাখা সবার দায়িত্ব। চামড়া ব্যবসায়ীরাও পরিবেশ রক্ষার পরে লোক। চামড়াপট্টির ব্যবসায়ীরা ব্যবসার নিরাপত্তা, উপযুক্ত জায়গা ও পরিবেশ, ব্যাংক, সুবিধা, অবাধে যাতায়াতের ভাল সুব্যবস্থা পেলে চামড়াপট্টি স্থানান্তরের পক্ষে সব সময়। কিন্তু তাদের এই দায়িত্ব নেবে কে বা কোন প্রতিষ্ঠান।

    সরকারের পরিবেশ অধিদপ্তর কিংবা মন্ত্রণালয় যদি সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আলোকে চামড়াপট্টি স্থানান্তর করে কুষ্টিয়া শহরের পরিবেশ রক্ষা করার উদ্দ্যোগ গ্রহণ করে তাহলে চামড়া ব্যবসায়ীরা সাধুবাদ জানাবেন।

    তিনি আরো জানান, এক সময় ব্যবসায়ীরা চামড়ার বর্জ যত্রতত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলে দিতো। এতে পরিবশে মারাত্বক দূষিত হত। কিন্তু বর্তমানে এ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করা হয়েছে। ময়লা আবর্জনার সাথে চামড়ার উৎছিষ্ট বর্জ নিজ নিজ আড়তের গুছিয়ে রাখা হয় এবং পৌরসভার ময়লা নেয়া গাড়ী এলে গুছিয়ে তুলে দেয়া হচ্ছে। শুরু থেকে চামড়ায় লবনজাত প্রক্রিয়ায় কোন সমস্যা না হলেও বর্তমানে কালের আবর্তে গড়ে ওঠা অভিজাত আবাসিক এলাকার জন্য কিছুটা সমস্যা হচ্ছে বইকি। আর এতে শহরের বাবর আলী গেট থেকে চামড়া পট্রিটি স্থানান্তর করা এখন এ এলাকার মানুষের এক মাত্র দাবী। এ,আর

  • কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে নির্জন মাঠ থেকে বস্তাবন্দী যুবকের লাশ উদ্ধার

    কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে নির্জন মাঠ থেকে বস্তাবন্দী যুবকের লাশ উদ্ধার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে নির্জন মাঠের সড়কের পাশ থেকে খড় দিয়ে ঢেকে রাখা অজ্ঞাত এক যুবকের (৩০) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, লাশটি দুই থেকে তিন দিনের পুরোনো।

    বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সোয়া ৬টার দিকে উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের কামালপুর সাতবিল মাঠের একটি ইট বিছানো (হেরিংবোন) সড়কের পাশ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে স্থানীয় কৃষক সানাউল্লাহ মাঠে কাজ করতে যাচ্ছিলেন। নির্জন সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি দেখতে পান, কয়েকটি শিয়াল একটি বস্তু ঘিরে টানাটানি করছে। কাছে এগিয়ে গেলে শিয়ালগুলো পালিয়ে যায়। পরে তিনি দেখতে পান, ঘাস ও খড় দিয়ে এক ব্যক্তির লাশ ঢেকে রাখা হয়েছে। লাশটির শরীরের একাংশ শিয়ালে খুবলে খেয়েছে।

    বিষয়টি দেখে তিনি চিৎকার দিলে আশপাশের মাঠে থাকা অন্য কৃষকেরা ছুটে আসেন। খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা-পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। নিহতের পরিচয় শনাক্ত ও মৃত্যুর কারণ জানতে ঝিনাইদহ থেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ক্রাইমসিন টিমকে ঘটনাস্থলে তলব করা হয়েছে।

    পুলিশ বলছে, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

    দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, ‘লাশটি আনুমানিক দুই থেকে তিন দিনের পুরোনো। লাশের মুখমণ্ডলসহ শরীরের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিচয় শনাক্তের জন্য কাজ চলছে। এ জন্য ঝিনাইদহ থেকে সিআইডির ক্রাইমসিন টিম আসছে।’

    এ বিষয়ে ভেড়ামারা-দৌলতপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘শিয়ালের টানাটানিতে লাশটি খড়ের বাইরে বেরিয়ে আসে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সে সংবাদ পেয়ে আমরা লাশটি উদ্ধার করি। এ ব্যাপারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’ এ,আর

  • সিরাজগঞ্জে ৯৪ চোরাই মোবাইলসহ ৮ জন আটক

    সিরাজগঞ্জে ৯৪ চোরাই মোবাইলসহ ৮ জন আটক

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    সিরাজগঞ্জের যমুনা সেতু পশ্চিম গোলচত্বরে শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসে অভিযান চালিয়ে চোরাই ৯৪টি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনসহ আন্তঃজেলা চোরচক্রের আট সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।

    বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে যমুনা সেতু পশ্চিম গোলচত্বরে চেকপোস্ট বসিয়ে শ্যামলী পরিবহনের বাসে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ওই আটজনকে আটক করে তাদের কাছ থেকে ৯৪টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

    আটক ব্যক্তিরা হলো- চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানার সৈয়দপাড়া গ্রামের আলামিন (৩০), পাঠানপাড়া গ্রামের ইসরাফিল রহমান (২৭), বাকলিয়া থানার সিএমপি বাকলিয়া গ্রামের আক্কাস আলী (৩৫), পটিয়া থানার ইসমাইল ফয়েজ রোডের মো. রিদয় (৩৪), নরসিংদীর রায়পুর থানার চর মদিনানগর গ্রামের মো. ইমরান (৩০), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার চকবাস মোল্লাবাড়ী গ্রামের ইয়াসিন আরাফাত (৩৮), কুমিল্লার চান্দিনা থানার নওয়াতপুর গ্রামের মো. রবিউল (৩৩) এবং মুরাদনগর থানার কামাল্লা গ্রামের আলাউদ্দিন (২৫)।

    যমুনা সেতু পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিরুল ইসলাম জানান, বুধবার সকাল ৮টার দিকে সংঘবদ্ধ একটি চোরচক্র বগুড়ার ধুনটের মাসুদ টেলিকমের শাটার কেটে দোকানে ঢুকে ৯৪টি মোবাইল ফোন চুরি করে। পরে তারা শ্যামলী পরিবহনের বাসে করে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ধুনট থানা পুলিশ, সিরাজগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ও যমুনা সেতু পশ্চিম থানা পুলিশের সমন্বিত দল যমুনা সেতু পশ্চিম গোলচত্বরে চেকপোস্ট বসায়। পরে শ্যামলী পরিবহনের বাসটিতে তল্লাশি চালিয়ে আটজনকে আটক ও তাদের কাছ থেকে চুরি যাওয়া ৯৪টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

    পুলিশ জানায়, জব্দ করা মোবাইল ফোন ও আটক ব্যক্তিরা বর্তমানে যমুনা সেতু পশ্চিম থানা হেফাজতে রয়েছেন। এ ঘটনায় ধুনট থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আটক ব্যক্তিদের ধুনট থানায় হস্তান্তর করা হবে। এ,আর

  • গাজীপুরে গাড়ির চাপায় বৃদ্ধা নিহত

    গাজীপুরে গাড়ির চাপায় বৃদ্ধা নিহত

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    গাজীপুরে গাড়ি চাপায় গৌরী রানী (৬৫) নামে এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন।

    বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মহানগরীর রাজবাড়ি রোডের রেল ক্রসিং এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত বৃদ্ধা ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকার নারায়ণ চন্দ্র দাসের স্ত্রী। তিনি সন্তানদের সাথে গাজীপুর মহানগরীর বোর্ডবাজার এলাকায় বসবাস করতেন।

    পুলিশ ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা জানায়, বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে গৌরী রানী ওষুধ কেনার জন্য বোর্ডবাজার থেকে গাজীপুর শহরে আসেন। এক পর্যায়ে রাজবাড়ি রোডের রেল ক্রসিং এলাকায় সড়ক পার হওয়ার সময় অজ্ঞাতপরিচয় একটি গাড়ি তাকে চাপা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এসময় তিনি গুরুতর আহত হন।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    গাজীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহত নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। অজ্ঞাতপরিচয় গাড়িটি শনাক্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এ,আর

  • ১০ কেজি সারের জন্য ৬ ঘণ্টার অপেক্ষা, কৃষকের ক্ষোভ

    ১০ কেজি সারের জন্য ৬ ঘণ্টার অপেক্ষা, কৃষকের ক্ষোভ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    মাত্র ১০ কেজি সার পেতে সকাল থেকে দীর্ঘ ছয় ঘণ্টা ধরে ডিলারের দোকানের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে কৃষকদের। টাকা দিয়েও চাহিদামতো সার না পাওয়ায় ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন কৃষকরা।

    কারো জমি পাঁচ কানি, কারো সাত কানি, আবার কারো আমন ধানের আবাদ ১৪ কানি পর্যন্ত। অথচ দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও মিলছে মাত্র ১০ কেজি সার।

    বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন সার ডিলারের দোকানে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে। ভোর থেকেই সার নিতে কৃষকদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকে খালি হাতে ফিরছেন বলে অভিযোগ করেছেন কৃষকরা।

    কৃষক নুরুল আলম বলেন, সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এখনো সার পাইনি। যারা পেয়েছেন, তারা ১০ কেজি করে পেয়েছেন। আর কতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হবে, তা বলা মুশকিল।

    কৃষকদের অভিযোগ, আমন ধানের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পর্যাপ্ত সার না পাওয়ায় জমিতে প্রয়োজনমতো সার প্রয়োগ করা যাচ্ছে না। এতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও চাহিদার তুলনায় অল্প পরিমাণ সার পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে।

    উখিয়া উপজেলা সার ডিলারদের সভাপতি মোহাম্মদ কবির বলেন, এই মৌসুমে পুরো উখিয়ায় নয় হাজার ৭০৫ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ হয়েছে। এর বাইরে প্রচুর পরিমাণ পিএফ জায়গাতেও ধান চাষ হয়। সোনারপাড়াসহ উখিয়ার বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে বিশাল সুপারি বাগান। পাশাপাশি রোহিঙ্গা ও স্থানীয়রা বাড়ির আঙিনায় শাকসবজি চাষ করেন। এসব আবাদে যে পরিমাণ সার প্রয়োজন, তার পুরোটা সরকারিভাবে বরাদ্দ দেয়া হয়নি।

    তিনি আরো বলেন, কিছু অসাধু ব্যক্তি অতিরিক্ত মুনাফার আশায় সার মিয়ানমারে পাচার করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার ভাষ্য, কৃষিজমি, বাগান ও আঙিনার চাষাবাদসহ বিভিন্ন খাতে বাড়তি চাহিদা এবং সার পাচারের অভিযোগ, সব মিলিয়ে উখিয়ায় বর্তমানে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

    তবে কৃষকদের চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে দ্রুত সঙ্কট নিরসনের আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশীষ সরকার। তিনি বলেন, ‘৩০ সেপ্টেম্বর থেকে কৃষকরা ডিলারদের দোকান থেকে সার নিচ্ছেন। সার সঙ্কট নিরসনে আমরা কাজ করছি। কৃষকদের মধ্যে যারা একেবারেই সার পাননি, তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সার দেয়া হবে। আশা করছি, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’

    কৃষকদের প্রশ্ন, আমন ধানের মৌসুমে যেখানে সময়মতো সার প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সেখানে ১০ কেজি সার পেতেই যদি ছয় ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, তাহলে বড় আকারের আবাদ করা কৃষকের প্রয়োজন মিটবে কিভাবে?

    উখিয়ার কৃষকদের দাবি, সার সরবরাহ ও বিতরণ ব্যবস্থা দ্রুত স্বাভাবিক করার পাশাপাশি বরাদ্দের প্রকৃত চাহিদা নিরূপণ করে পর্যাপ্ত সার নিশ্চিত করতে হবে। একইসাথে সার পাচার ও অবৈধ মজুতের অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। এ,আর

  • পারমাণবিক কর্মসূচিতে অগ্রগতি করছে ইরান

    পারমাণবিক কর্মসূচিতে অগ্রগতি করছে ইরান

    ইরান আবারও পারমাণবিক কর্মসূচিতে অগ্রগতি করছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানকে এই বার্তা দিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। গত রোববার আবুধাবিতে দুই নেতার বৈঠকে এসব তথ্য তুলে ধরেন নেতানিয়াহু।

    ইসরাইলি এক কর্মকর্তা জানান, নেতানিয়াহুর দেওয়া তথ্যের মধ্যে ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’ নামে পরিচিত একটি পাহাড়ি এলাকায় নতুন নির্মাণকাজের তথ্যও ছিল। স্থানটি তেহরান থেকে প্রায় ২২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত।

    ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টায় এই স্থানটি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সেখানে বর্তমানে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ চলছে—এমন কোনো তথ্য প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়নি।

  • সোনারগাঁওয়ে যুবকের লাশ উদ্ধার, বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাত

    সোনারগাঁওয়ে যুবকের লাশ উদ্ধার, বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাত

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ সময় তার বুকের ডান পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এশিয়ান হাইওয়ের (ঢাকা বাইপাস) কাঁচপুরের
    চেঙ্গাইন এলাকায় অলিম্পিক বিস্কুট কারখানার পাশ থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ।

    নিহত যুবকের নাম হাবিবুল্লাহ শেখ নাসিম (২৩)। তিনি নারায়ণগঞ্জ সদর থানার দেওভোগ এলাকার মোশারফ হোসেন ও নাজমা বেগমের ছেলে।

    নিহতের পরিবার জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার রাত থেকে হাবিবুল্লাহ নিখোঁজ ছিলেন।

    সোনারগাঁ থানার তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচ এম জসিম উদ্দিন বলেন, এশিয়ান হাইওয়ের চেঙ্গাইন এলাকায় অলিম্পিক বিস্কুট কারখানার পাশে একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করে।

    তিনি জানান, উদ্ধার হওয়া ওই যুবকের বুকের ডান পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়।

    পুলিশ আরো জানায়, লাশের পকেট থেকে পাওয়া পরিচয়পত্রের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে নিহতের ছোট বোন মিলি আক্তার লাশটি শনাক্ত করেন।

    নিহতের ভাগিনা সিফাত বলেন, হাবিবুল্লাহ দেওভোগ এলাকার একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করতেন। প্রায় দেড় বছর আগে পড়াশোনা ছেড়ে বাবার সাথে ইলেকট্রিশিয়ানের কাজ শুরু করেন। মঙ্গলবার রাতে বাসার কাউকে কিছু না বলে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি।

    সোনারগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মহম্মদ আবদুল বারিক বলেন, লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। এ,আর

  • গোপালগঞ্জে পরিত্যক্ত মিলে তরুণের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    গোপালগঞ্জে পরিত্যক্ত মিলে তরুণের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উলপুর এলাকায় একটি পরিত্যক্ত ধানকল থেকে ইমাম রেজা (১৮) নামের এক তরুণের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত তরুণের শরীরে আঘাতের চিহ্ন ও রক্তের দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত ইমাম রেজা বরিশাল জেলার জহিরুল মৃধার ছেলে। তিনি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার উলপুর পূর্বপাড়া গ্রামে মায়ের সাথে মামাবাড়িতে থাকতেন। গোপালগঞ্জ শহরের একটি শাড়ির দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন ইমাম।

    বুধবার সকালে উলপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত ধানকলের ঘরের জানালার সাথে বেল্ট দিয়ে পেঁচানো অবস্থায় ইমামের লাশ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে বৌলতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।

    পুলিশ জানায়, লাশ উদ্ধারের সময় ইমামের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ও রক্তের দাগ দেখা যায়। পরে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

    এদিকে, ইমাম রেজাকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তার মা আফি বেগম। তিনি বলেন, তার ছেলেকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।

    পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও এর সাথে জড়িতদের বিষয়ে তথ্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে। এ,আর

  • দেওয়ানগঞ্জে বিস্ফোরক মামলায় আইনজীবী গ্রেফতার

    দেওয়ানগঞ্জে বিস্ফোরক মামলায় আইনজীবী গ্রেফতার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে বিস্ফোরক মামলায় আব্দুর রশিদ (৫০) নামের এক আইনজীবীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পৌরসভার তেঁতুলতলা মোড় এলাকার সিএনজিচালিত অটোরিকশাস্ট্যান্ড থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতার আইনজীবী আব্দুর রশিদ পৌরসভার কাচারিপাড়া গ্রামের মরহুম ইয়ারউদ্দিনের ছেলে।

    দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আনোয়ার হোসেন নয়া দিগন্তকে জানান, গ্রেফতার আইনজীবী আব্দুর রশিদ কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের দেওয়ানগঞ্জ পৌর শাখার আইনবিষয়ক সম্পাদক। তার বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে একটি বিস্ফোরক মামলা করা হয়েছিল। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং পরে আদালতে পাঠানো হয়। এ,আর

  • ডিবি-র‌্যাব পরিচয়ে ডাকাতি, চক্রের সাথে যুক্ত চাকরিচ্যুত পুলিশ-সেনা সদস্য

    ডিবি-র‌্যাব পরিচয়ে ডাকাতি, চক্রের সাথে যুক্ত চাকরিচ্যুত পুলিশ-সেনা সদস্য

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ও এর আশপাশের সড়কের বিভিন্ন স্থানে ভয়ঙ্কর প্রতারক চক্রের অপতৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ছদ্মবেশে ছিনতাই, অপহরণ করে অর্থ আদায়, লুটের মতো বিভিন্ন অপরাধ কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।

    এসব ঘটনায় কয়েকটি চক্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের চাকরিচ্যুত কিংবা বরখাস্তকৃত কতিপয় সদস্য রয়েছেন বলে পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে।

    বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসতিয়াক আশফাক রাসেল নয়া দিগন্তকে জানান, কখনো ডিবি, আবার কখনো র‌্যাব পরিচয়ে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে সাধারণ মানুষের সাথে এসব প্রতারণা করা হয়। তবে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আগেভাগেই বেশকিছু প্রতারক চক্রকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। একইসাথে প্রতারকদের এসব অপরাধ যেন কোনোভাবেই সঙ্ঘটিত হতে না পারে, সে লক্ষ্যে ডিবির টিম সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

    এদিকে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে ছদ্মবেশে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুই চাকরিচ্যুত সেনা সদস্যসহ মোট সাতজনকে আটক করা হয়।

    এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি সিলভার রঙের টয়োটা মাইক্রোবাস, একটি লাল রঙের হিরো এক্সব্লেড মোটরসাইকেল, তিনটি র‍্যাবের কটি, দু’টি ওয়াকিটকি, একটি প্লাস্টিক ও একটি মেটালের খেলনা পিস্তল, দুই জোড়া হ্যান্ডকাফ, র‍্যাবের লোগোযুক্ত তিনটি ভুয়া পরিচয়পত্র ও একটি ইলেকট্রিক শক মেশিনসহ ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়।

    আটক ব্যক্তিরা হলেন— শরীয়তপুরের সখিপুর এলাকার ফরহাদ হোসেন (৪০), চাকরিচ্যুত সেনা সদস্য নওগাঁর বদলগাছি এলাকার নাদিম মাহমুদ শান্ত ওরফে রায়হান হোসেন (৩০), চাকরিচ্যুত সেনা সার্জেন্ট রাজবাড়ীর পাংশা এলাকার মিজানুর রহমান (৪১), বরগুনা সদরের আব্দুল আলীম (৩২), মাগুরা সদরের সাকিবুর জামান মেহেদী (২৬), ভোলার চরফ্যাশনের মেহেদী হাসান সুজন (৩৫) ও বরগুনা সদরের গাড়িচালক আবু হানিফ (৩২)।

    একইদিন সন্ধ্যায় মুন্সীগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো: মেনহাজুল আলম।

    তিনি বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশ জানতে পারে, র‍্যাব পরিচয়ে এক ব্যবসায়ীর স্বর্ণ ডাকাতির উদ্দেশ্যে একটি মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল নিয়ে একদল ডাকাত সিংপাড়ার দিকে যাচ্ছে। এ সময় জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি টিম শ্রীনগর উপজেলার ছনবাড়ী-ইছাপুরা সড়কের হরিবাড়ী ব্রিজ এলাকায় চেকপোস্ট বসায়।

    একপর্যায়ে দুপুর সোয়া ১টার দিকে সন্দেহভাজন গাড়ি দু’টিকে থামার সঙ্কেত দেয়া হয়। এ সময় মাইক্রোবাসের চালকের পাশের আসনে থাকা এক ব্যক্তি র‍্যাবের কটি পরা অবস্থায় নিজেকে র‍্যাব কর্মকর্তা পরিচয় দেন এবং ওয়াকিটকি দেখান। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে ডিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করেন। এ সময় তারা পালানোর চেষ্টা করলে ডিবি সদস্যরা ধাওয়া করে সাতজনকেই আটক করেন।

    পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানান, শ্রীনগর বাজারের এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী প্রায় দেড় কেজি স্বর্ণ নিয়ে মুন্সীগঞ্জ সদরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তাকে র‍্যাব পরিচয়ে তুলে নিয়ে স্বর্ণালঙ্কার লুট করাই তাদের পরিকল্পনা ছিল।

    জেলা পুলিশ সুপার মেনহাজুল আলম আরো বলেন, আটক ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েসহ আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে বাস ও মাইক্রোবাস থামিয়ে যাত্রীদের সর্বস্ব লুট করে আসছিলেন। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

    এদিকে গত ২৪ জানুয়ারি ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের লৌহজং উপজেলার পদ্মা সেতুর উত্তর থানা এলাকা সংলগ্ন সড়কে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির চেষ্টাকালে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

    একইদিন এক্সপ্রেসওয়ের পদ্মা সেতুর টোল প্লাজা সংলগ্ন ৪ নম্বর লেনে দ্রুতগতির সন্দেহজনক একটি মাইক্রোবাসের গতিরোধ করে ভেতরে থাকা ছদ্মবেশী ডাকাত সদস্যদের আটক করা হয়। এ সময় ডাকাতদলের সদস্যদের তল্লাশি চালিয়ে একটি মাইক্রোবাস, একটি খেলনা পিস্তল, এক জোড়া হ্যান্ডকাপ, চারটি ডিবির কোটি, একটি ওয়ারলেস সেট ও চায়না লেজার লাইটসহ ডাকাতিকালে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

    ডিবি পুলিশের ওই অভিযানে আটক ছয়জনের মধ্যে চাকরিচ্যুত ও সাময়িক বরখাস্তকৃত দু’জন পুলিশ সদস্য ও চাকরিচ্যুত একজন সেনা সদস্য ছিলেন।

    এদিকে গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে ১১টার দিকে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের হাঁসাড়া-ফেরিঘাট সার্ভিস লেনের পাশে বেজগাঁও এলাকায় ঝোপের আড়ালে ওৎ পেতে থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আন্তঃজেলা ডাকাতদলের ছয় সদস্যকে আটক করা হয়।

    ওই দিন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্রীনগর থানার এএসআই ইয়ার মাহমুদ সঙ্গীয় ফোর্সসহ ডিউটিকালে জানতে পারেন, শ্রীনগর থানাধীন বেজগাঁও সাকিনস্থ ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে ঝোপের আড়ালে কতিপয় ব্যক্তি ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে ধারালো দেশীয় অস্ত্র ও ডাকাতি করার সরঞ্জামাদিসহ অবস্থান করে শলাপরামর্শ করছে। একপর্যায়ে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই স্থান থেকে আট-নয়জন পালানোর চেষ্টা করলে সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় ছয়জনকে আটক করে পুলিশ।

    এ সময় পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা স্বীকার করেন, গাড়িযোগে ঢাকা থেকে মাওয়ায় ঘুরতে আসা ব্যক্তিদের টার্গেট করে তারা সার্ভিস লেনের পাশে ঝোপের আড়ালে ওৎ পেতে থেকে ছিনতাই অথবা গাছ ফেলে ডাকাতি করে থাকে। এ অভিযানে অপরাধীদের হেফাজত থেকে চাপাতি, ধারালো ছুরি, টর্চ লাইট, পাটের রশি, কচস্টেপ উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়।

    তবে জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়, সার্বিক নিরাপত্তা ও শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিতে সদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ। নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, বিশৃঙ্খলা ও মাদকের বিস্তার রোধে জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্পটে গোয়েন্দা নজরদারি, চেকপোস্ট ও টহল চলমান রয়েছে। এ,আর

  • ঘাটাইলে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের অভিযোগ

    ঘাটাইলে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের অভিযোগ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে স্ত্রী তামান্না ইসলাম তন্নিকে (২০) পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী মো: রোমান মিয়ার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে তাৎক্ষণিক আটক করেছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের উত্তর খিলগাতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    মৃত তন্নি দেউলাবাড়ি ইউনিয়ন উত্তর খিলগাতি গ্রামের প্রবাসী তোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামী রোমান মিয়া মধুপুর উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের শিবরামবাড়ি গ্রামের তুলা মিয়ার ছেলে।

    পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে রোমান মিয়া তার শ্বশুর বাড়িতে স্ত্রীর সাথে এক রাত্রিযাপন করেন। রাতে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক ঝামেলা নিয়ে কথা কাটাকাটি এবং মারামারি হয়। এক পর্যায়ে স্বামী রোমান শ্বশুর বাড়ির পরিবারের সবাইকে ডেকে জানান তার স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়েছে।

    পরে বুধবার ভোরে মুমূর্ষু অবস্থায় তন্নিকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    পরিবারের দাবি, তন্নির গলায় এবং সারা শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাদের ধারণা রাতেই স্বামীর দেয়া কোনো আঘাতে তার মৃত্যু হয়।

    তন্নির বাবা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘আমার মেয়ের জামাই রাতেই আমার মেয়েকে মেরে ফেলেছে। এ ঘটনায় আমি থানায় মামলা করতে এসেছি।’

    এলাকাবাসী জানায়, এক বছর আগে রোমানের সাথে বিয়ে হয় তন্নির। রাতে রোমান তন্নির ঘরে ছিলেন এবং তাদের ঝগড়া হয়।

    এ ব্যাপারে দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আবু হানিফ বলেন, ‘মেয়েটিকে অত্যাচার করে তার স্বামী মেরে ফেলেছে। মেয়েটির পরিবার একটি সুখী পরিবার। মাত্র এক বছর আগে অত্যন্ত ঘটা করে মেয়েটির বিয়ে হয়। এমন ঘটনা আগে কখনো আমাদের এলাকায় ঘটেনি। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সঠিক বিচার দাবি করছি।’

    থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকসেদুর রহমান বলেন, ‘অভিযুক্ত রোমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হসপিটাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’ এ,আর

  • গাংনীতে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও ভারতীয় পণ্য জব্দ

    গাংনীতে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও ভারতীয় পণ্য জব্দ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    মেহেরপুরের গাংনী সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পৃথক আরেক অভিযানে ৮ গ্রাম গাঁজা ও একটি মোটরসাইকেলসহ এক যুবককে আটক করা হয়েছে।

    বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১টার দিকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক কর্নেল রাশেদ কামাল রনি এসব তথ্য জানান।

    কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে গাংনী উপজেলার শেওড়াতলা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার শেওড়াতলা পুকুরপাড়ে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালায় কাজিপুর বিওপির একটি বিজিবি টহল দল। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ৯৫ বোতল ভারতীয় ফেয়ারডিল সিরাপ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মাদকের আনুমানিক সিজার মূল্য ৩৮ হাজার টাকা।

    একইদিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ উপজেলার রংমহল বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার রংমহলে অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় দুই হাজার ৮০০ পিস ভারতীয় ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট ও ৫৯ প্যাকেট পাতার বিড়ি জব্দ করা হয়। এসব মাদক ও চোরাচালান পণ্যের আনুমানিক সিজার মূল্য আট লাখ ৪৩ হাজার ২৪৫ টাকা।

    এরপর বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে জামালপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার ডাক্তার মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৮ গ্রাম গাঁজা ও একটি মোটরসাইকেলসহ দৌলতপুর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ গ্রামের মো. সনি (২৫) নামে এক যুবককে আটক করে বিজিবি। আটক সনিকে উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য মালামালসহ দৌলতপুর থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে বিজিবি জানিয়েছে।

    বিজিবি জানায়, পৃথক এসব অভিযানে সর্বমোট নয় লাখ ৫১ হাজার ২৭১ টাকা মূল্যের ভারতীয় মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্য জব্দ করা হয়।

    কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত গোয়েন্দা তৎপরতার পাশাপাশি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এ,আর

  • মাদারগঞ্জে ইয়াবাসহ ২ যুবক গ্রেফতার

    মাদারগঞ্জে ইয়াবাসহ ২ যুবক গ্রেফতার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    জামালপুরের মাদারগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবাসহ বগুড়ার দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার গাবেরগ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতাররা হলেন বগুড়ার সারিয়াকান্দী উপজেলার শংকরপুর গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে মো: কাওসার (৩০) ও একই গ্রামের বকুল প্রামাণিকের ছেলে জুয়েল (২৭)।

    পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাবেরগ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ১০০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।

    মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশিষ রায় জানান, গ্রেফতার দু’জন বগুড়ার বাসিন্দা। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। পরে তাদের জামালপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। এ,আর

  • নাগরপুরে চোরের ছুরিকাঘাতে হতাহত ৩

    নাগরপুরে চোরের ছুরিকাঘাতে হতাহত ৩

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    টাঙ্গাইলের নাগরপুরে চোর ধরতে গিয়ে চোরের ছুরিকাঘাতে মজনু মিয়া (৫০) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় চোরকে বাধা দিতে গিয়ে আহত হয়েছেন আলতাফ ও নাজমুল নামে আরো দুইজন।

    বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার বারাপুষা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

    নিহত মজনু মিয়া ওই গ্রামের মরহুম বেল্লাল মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় ঢালাই মিস্ত্রীর সহকারী ও তিন সন্তানের জনক ছিলেন। পরে জনতা চোর ছামিনুর মিয়াকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার গয়হাটা গ্রামের মুন্নাফ মিয়ার ছেলে ছামিনুর মিয়া বারাপুষা মজনু মিয়ার বাড়িতে চুরি করতে যায়। এসময় গৃহকর্তার ছোট মেয়ে জুলেখা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর হতে বের হয়ে চোরকে দেখতে পায়। পরে চোর চোর বলে ডাক চিৎকার করলে চোর ছামিনুর খড়ের গাদার পিছনে লুকায়।

    এসময় গৃহস্থ মজনু মিয়া তাকে ঝাপটে ধরলে চোরের হাতে থাকা ছুরি দিয়ে তার ঘাড়ে ও গলায় আঘাত করে। প্রতিবেশী আলতাফ ও নাজমুল তাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে ছামিনুর তাদেরকেও ছুরি দিয়ে আঘাত করে। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত ডাক্তার মজনু মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (ভার:) ডাক্তার মীর রকিবুল ইসলাম লীন জানান, ছুরির আঘাতে মজনু মিয়ার ক্যারোটিড আর্ট্যরি কেটে যাওয়ায় তার মৃত্যু হয়। অপর আহত দু’জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

    থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: জহুরুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহতর লাশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। জড়িত ছামিনুরকে গ্রেফতার করে নাগরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসা চলছে।’

    আইনি প্রক্রিয়ায় চলমান রয়েছে বলেও তিনি জানান। এ,আর

  • বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যু

    বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ময়মনসিংহের ভালুকায় কৃষিজমিতে কাজ করতে গিয়ে পড়ে থাকা পল্লী বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুই চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।

    বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ১০টার দিকে ভালুকা সদর ইউনিয়নের খারুয়ালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন- ধনু আকন্দ (৬৫) ও শাহাব উদ্দিন আকন্দ (৬৩)।

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে বাড়ির উত্তর পাশে কৃষিজমিতে কাজ করতে যান খারুয়ালী গ্রামের মৃত মজিদ আকন্দের ছেলে ধনু আকন্দ।

    এ সময় জমিতে পড়ে থাকা পল্লী বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে জড়িয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    খবর পেয়ে একই বাড়ির চাচাতো ভাই মৃত আজিজ আকন্দের ছেলে শাহাব উদ্দিন আকন্দ তাকে উদ্ধারে এগিয়ে গেলে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে ভালুকা সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    স্থানীয় শিক্ষক মো. জান্নাতুল ইসলাম সোহাগ বলেন, সকাল ৯টার দিকে তিনি পল্লী বিদ্যুতের একটি তার ছিঁড়ে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন।

    বিষয়টি পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ে জানানো হলেও তারটি সরানো বা বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধে দ্রুত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

    ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. নাসির উদ্দিন জানান, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। তদন্তে অফিসের কারও অবহেলা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ,আর

  • চৌগাছায় গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

    চৌগাছায় গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    যশোরের চৌগাছায় মিলন হোসেন (৪৫) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা। বুধবার গভীর রাতে উপজেলার ফুলসারা ইউনিয়নের দুর্গাবরকাঠি গ্রামে নিজ বাড়ির বাথরুমে এ ঘটনা ঘটে।

    মিলন হোসেন (৪৫) ওই গ্রামের সামছুল আলমের ছেলে। পরিবারের সদস্যরা জানান, রাতে বাথরুম থেকে তার গোঙানির শব্দ শুনতে পান তারা।

    পরে চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। তবে ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।

    পরিবার ও প্রতিবেশীদের ভাষ্য, মিলন দীর্ঘদিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। এর আগেও তিনি কয়েকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন বলে জানান তারা।

    চৌগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মামুনুর রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। এ,আর

  • কসবায় শিক্ষিকাকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

    কসবায় শিক্ষিকাকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় এক স্কুলশিক্ষিকাকে পিস্তল দেখিয়ে জোরপূর্বক সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে কসবা পশ্চিম ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষিকা রাতেই কসবা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

    সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার কসবা পশ্চিম ইউনিয়নের আকছিনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগকারী শিক্ষিকা ও অভিযুক্ত দেলোয়ার একই গ্রামের বাসিন্দা।

    থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে শিক্ষিকা উল্লেখ করেন, স্কুল ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে দেলোয়ার তাঁর পথরোধ করেন। ব্যক্তিগত বিষয়ে কথা বলতে রাজি না হওয়ায় তিনি পিস্তল বের করে ভয় দেখান এবং জোর করে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নেন। এ সময় দেলোয়ারের সঙ্গে থাকা অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি তাঁর মুখ চেপে ধরে এবং গলায় ছুরি ঠেকিয়ে হত্যার হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

    অভিযোগে আরও বলা হয়, সিএনজিটি কুল্লাবাড়ি জোড়া ব্রিজের কাছে পৌঁছালে প্রাণ বাঁচাতে চলন্ত গাড়ি থেকে লাফ দেন ওই শিক্ষিকা। তাঁর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন।তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দেলোয়ার হোসেন জিন্নাহ। তাঁর দাবি, ওই শিক্ষিকার সঙ্গে তাঁর প্রায় এক মাসের সম্পর্ক ছিল। শিক্ষিকার রাগ কমাতে তাঁকে নিয়ে সিএনজিতে করে ঘুরতে বের হয়েছিলেন। অপহরণের অভিযোগটি মিথ্যা বলেও দাবি করেন তিনি।

    অন্যদিকে শিক্ষিকা দেলোয়ারের সঙ্গে সম্পর্কের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, বাড়ি ফেরার পথে দেলোয়ার তাঁর পথরোধ করে কথা বলতে চান। তিনি রাজি না হওয়ায় পিস্তল ঠেকিয়ে জোর করে সিএনজিতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

    ওই শিক্ষিকা আরও বলেন, ঘটনার পর তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

    কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ভালুকায় যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    ভালুকায় যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ময়মনসিংহের ভালুকায় মো: রতন মিয়া (২৫) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে মডেল থানা পুলিশ।

    মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার উথুরা ইউনিয়নের ধলিকুড়ি গ্রামের নিজ বসতঘর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

    নিহত রতন মিয়া ওই গ্রামের চাঁন মিয়ার ছেলে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে পরিবারের লোকজন রতন মিয়ার ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান। পরে ঘরের ভেতরে আড়ার সাথে গলায় দড়ি বাঁধা অবস্থায় তাকে ঝুলতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে।

    স্থানীয় ইউপি সদস্য মনসুর আলী জানান, কিছুদিন আগে ছেলেটার মা মারা গেছে। সে দিনমজুরির কাজ করত, তার স্ত্রী ও একটি শিশু সন্তান রয়েছে। কী কারণে সে মারা গেছে তা বোঝা যাচ্ছে না।

    ভালুকা মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো: ইসমাইল হোসেন জানান, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ,আর