শিরোনাম

  • আর্জেন্টিনার অনুরোধে সাড়া দিয়ে শাস্তি তুলে নিচ্ছে ফিফা

    আর্জেন্টিনার অনুরোধে সাড়া দিয়ে শাস্তি তুলে নিচ্ছে ফিফা

    ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা তো কম হয়নি। বিশেষ করে ফাইনাল শেষে স্পেনের ফুটবলারদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ানোয় আর্জেন্টিনার ফুটবলার-কোচদের শাস্তিও দেওয়া হয়েছে। অবশেষে তাঁরা পেলেন সুখবর। ফিফা সেই শাস্তি তুলে নিচ্ছে।

    আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) গতকাল নিশ্চিত করেছে যে ফুটবলার-কোচদের শাস্তি তুলে নিতে ফিফার কাছে অনুরোধ করা হয়েছে। বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা তা অনুমোদন করেছে। এক বিবৃতিতে এএফএ বলেছে, ‘আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন নিজেদের এবং নিজেদের খেলোয়াড়দের অধিকার রক্ষায় সিদ্ধান্তগুলোর বিস্তারিত কারণ জানার অপেক্ষায় রয়েছে। এরপর ফিফার আপিল কমিটির কাছে যথাযথ আবেদন করা হবে। প্রয়োজনে সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে ক্রীড়া আদালতে যাব।’

    ১৯ জুলাই নিউজার্সির ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে যাওয়ার পর লেয়ান্দ্রো পারেদেস মেজাজ ধরে রাখতে পারেননি। এমনিতেই ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে একটা হলুদ কার্ড দেখেছিলেন। রানার্সআপ হওয়ার পর পারেদেস স্পেনের দুই ফুটবলার গাভি ও দানি অলমোর গলা চেপে ধরেছিলেন। জোড়া হলুদ কার্ডে লাল কার্ড দেখার পর ফিফা সেই শাস্তি তুলে নিয়েছিল।

    পারেদেসের শাস্তি তুলে নেওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়ে ফিফা আর্জেন্টিসা-স্পেন ফাইনাল নিয়ে তদন্ত করে। বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা এরপর পারেদেসকে ১০ ম্যাচ, নাউয়েল মলিনাকে ৭ ম্যাচ এবং থিয়াগো আলমাদাকে ১ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেয়। তাছাড়া গলা চেপে ধরার কাণ্ডে জড়িত থাকায় সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালা জড়িত থাকায় তিন ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়।

    মলিনা-পারেদেসদের নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি আর্থিক জরিমানাও করা হয়। নিয়ম অনুযায়ী কোপা আমেরিকা বা বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্টে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের কথা থাকলেও এএফএর পক্ষ থেকে ফিফার কাছে বিশেষ অনুরোধ করা হয়। ফুটবলাররা যেন অফিশিয়াল টুর্নামেন্টের বাইরে প্রীতি ম্যাচগুলোতেও তাঁদের নিষেধাজ্ঞা কাটাতে পারেন, সেই অনুরোধ করেছে এএফএ।বিশ্ব
    ফুটবলের অভিভাবক সংস্থা আর্জেন্টিনার এই আবেদন মঞ্জুর করেছে। দরকার পড়লে ক্রীড়া আদালত পর্যন্ত যাওয়ার চিন্তা করছে এএফএ।

    আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জেতে স্পেন। এর আগে ২০১০ সালে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল স্প্যানিশরা। স্পেনের মতো ফ্রান্সও দুইবার জিতেছে বিশ্বকাপ। সর্বোচ্চ পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ব্রাজিল। জার্মানি-ইতালি চারবার করে বিশ্বকাপ জিতেছে। আর্জেন্টিনা তিনটি বিশ্বকাপ জিতেছে।

  • আইন পেশায় সফলতা পেতে অর্থের পেছনে না ছোটার আহ্বান আইনমন্ত্রীর

    আইন পেশায় সফলতা পেতে অর্থের পেছনে না ছোটার আহ্বান আইনমন্ত্রীর

    আইনজীবী হিসেবে সফল হতে হলে অর্থের পেছনে না ছুটে পেশাগত দক্ষতা অর্জনে মনোযোগী হতে আহ্বান জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

    শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি) অডিটরিয়ামে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ইউএপির ল’ গ্র্যাজুয়েটদের সম্মাননা প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত ফেলিসিটেশন প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

    আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আইনজীবী হিসেবে সফল হতে হলে শুধু অর্থের পেছনে না ছুটে পেশাগত দক্ষতা অর্জনে মনোযোগী হতে হবে। দুর্নীতি কিংবা কোনো ধরনের শর্টকাট অবলম্বন করে দ্রুত বড়লোক হওয়ার চেষ্টা না করে মেধা, সততা, নৈতিকতা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে একজন আদর্শ আইনজীবী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।’

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট পরীক্ষা পদ্ধতিকে স্বচ্ছ ও কঠোর করার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে আইনজীবী হিসেবে প্রবেশের সুযোগ নিশ্চিত করা। যারা এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইনজীবী হিসেবে সনদ পেয়েছেন, তারা কারও দয়া বা অনুকম্পায় নয়, নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই এ অবস্থানে এসেছেন।’

    নবীন আইনজীবীদের উদ্দেশে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় কোনো ধরনের নেপোটিজমের সুযোগ নেই। এমনকি এনরোলমেন্ট কমিটির সদস্যদের সন্তানদেরও পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার নজির রয়েছে। তাই নবীন আইনজীবীদের নিজেদের মেধা ও যোগ্যতার প্রতি আস্থা রেখে পেশাগত জীবনে এগিয়ে যেতে হবে। আইন পেশায় প্রতিষ্ঠিত হতে হলে শুরুতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। কর্মজীবনের শুরুতে কাজ ও পারিশ্রমিক কম থাকলেও ধৈর্য ধরে কাজ করতে হবে। অভিজ্ঞতা অর্জনের সঙ্গে সঙ্গে কাজের পরিধি ও পারিশ্রমিকও বাড়বে। তাই পেশাগত জীবনের শুরুতেই অর্থের পেছনে না ছুটে নিজেকে যোগ্য আইনজীবী হিসেবে গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ দিতে হবে।’

    আইনমন্ত্রী আইনজীবীদের পেশাগত নৈতিকতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, ‘দুর্নীতি বা শর্টকাটের পথ অবলম্বন করে দ্রুত অর্থবিত্ত অর্জনের চেষ্টা করা উচিত নয়। মেধা, সততা, নীতি-নৈতিকতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমেই একজন আইনজীবীকে নিজের অবস্থান তৈরি করতে হবে।’

    তিনি ক্লায়েন্টের সঙ্গে পেশাগত সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, ‘ক্লায়েন্ট ইজ এ ক্লায়েন্ট। ক্লায়েন্টের সঙ্গে পেশাগত সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে এবং পেশার মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।’

    আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘একজন আইনজীবীর দায়িত্ব শুধু অর্থের বিনিময়ে মামলা পরিচালনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। অসহায় ও দরিদ্র মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করাও আইনজীবীদের সামাজিক ও পেশাগত দায়িত্ব।’

    তিনি পারিশ্রমিকের বিনিময়ে পরিচালিত মামলার পাশাপাশি অসহায় মানুষের কিছু মামলা বিনামূল্যে পরিচালনার চেষ্টা করার আহ্বান জানান।

    নিজের আইনজীবী জীবনের একটি ঘটনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘আইনজীবীদের সবকিছু অর্থের মানদণ্ডে বিচার করা উচিত নয়। মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও আইনজীবীদের ভূমিকা রাখতে হবে।’

    নবীন আইনজীবীদের নিয়মিত পড়াশোনা ও আইনচর্চার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আইন পেশায় প্রতিদিন শেখার সুযোগ রয়েছে। যত বেশি পড়াশোনা করা হবে, তত বেশি জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব। বিশেষ করে ভালো ড্রাফটিংসহ পেশাগত দক্ষতা অর্জনের জন্য আইনজীবীদের নিয়মিত অধ্যয়ন করতে হবে।’

    তিনি বলেন, দেশে বিপুলসংখ্যক আইনজীবী থাকলেও তাদের পেশাগত প্রশিক্ষণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। আইনজীবীদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের দিকে সরকার এগিয়ে যাচ্ছে। আইন পেশাকে আরও মর্যাদাপূর্ণ ও দক্ষতাভিত্তিক পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আগামী দিনে এমন একটি আইনজীবী সমাজ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে শিক্ষা, মেধা, দক্ষতা, সততা ও নৈতিকতার কারণে আইনজীবী পেশা মানুষের কাছে আরও মর্যাদাপূর্ণ হয়ে উঠবে। আইনজীবীরা যেন সমাজ ও রাষ্ট্রের নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেন, সেভাবেই নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।’

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএপির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান কেএম মজিবুল হক, ইউএপির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মহিউদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া এবং স্কুল অব ল’-এর ভারপ্রাপ্ত ডিন প্রফেসর ড. এমএ বাকি খলিলি। এতে সভাপতিত্ব করেন ইউএপির ডিপার্টমেন্ট অব ল’ অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ড. নূর-ই মেডিনা সূরাইয়া জেসমিন।

    অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ইউএপির ল’ গ্র্যাজুয়েটদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সম্মাননাপ্রাপ্ত গ্র্যাজুয়েট ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ডুবন্ত শিশুকে উদ্ধারে দুই বোনের নদীতে ঝাঁপ, প্রাণ গেল একজনের

    ডুবন্ত শিশুকে উদ্ধারে দুই বোনের নদীতে ঝাঁপ, প্রাণ গেল একজনের

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    শেরপুরের নকলায় মৃগী নদীতে ডুবে যাওয়া এক শিশুকে উদ্ধার করতে গিয়ে লামিয়া আক্তার (১৪) নামে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় তার জমজ বোন সামিয়া আক্তার প্রাণে বেঁচে গেলেও অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেরপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের চরমধুয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    মারা যাওয়া লামিয়া আক্তার চরমধুয়া গ্রামের সেলিম রেজার মেয়ে। সে চরমধুয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

    নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার দুপুরে লামিয়া ও তার জমজ বোন সামিয়া ব্রহ্মপুত্রের শাখা মৃগী নদীতে গোসল করতে যায়। এ সময় তারা সিজদা (৮) নামে এক শিশুকে নদীর পানিতে ডুবে যেতে দেখে। তাকে উদ্ধারে দুই বোনই পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। একপর্যায়ে তারা সিজদাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও লামিয়া পানিতে ডুবে যায়।

    পরে স্থানীয়রা চেষ্টা চালিয়ে লামিয়াকে উদ্ধার করে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় সামিয়া আক্তারও অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেরপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র গোপ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

  • বগুড়ায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা পেল ৫ হাজার মানুষ

    বগুড়ায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা পেল ৫ হাজার মানুষ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    বগুড়ায় প্রায় পাঁচ হাজার সুবিধাবঞ্চিত নারী, পুরুষ ও শিশুকে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়েছে। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমানের উদ্যোগে আল-বাসার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এ চিকিৎসা ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়।

    শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বগুড়া পৌর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে আয়োজিত ক্যাম্পে জেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় পাঁচ হাজার মানুষকে চক্ষু পরীক্ষা, চিকিৎসকের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী রোগীদের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চশমা সরবরাহ করা হয়। পাশাপাশি ছানি রোগীদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    ক্যাম্পে শনাক্ত হওয়া ৫০০ ছানি রোগীর লেন্সসহ বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারের জন্য বগুড়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে আয়োজকরা জানান।

    চিকিৎসা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও কৃষকদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি সাবেক এমপি মো. হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু। তিনি ক্যাম্পের কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং চিকিৎসক ও রোগীদের সাথে কথা বলেন। পরে তিনি রোগীদের মধ্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চশমা বিতরণ করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন আল-বাসার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের বাংলাদেশ সেক্টরের কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. আহমেদ তাহের হামিদ আলী, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আলী আজগর তালুকদার হেনা, জেলা বিএনপির নেতা ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল, যুগ্ম সম্পাদক শেখ তাহা উদ্দিন নাহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদ উল নবী সালাম, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন বগুড়ার নেতৃবৃন্দের মধ্যে ডা. শাহ মো. শাহজাহান আলী, ডা. আফসারুল হাবিব রোজ, আমিনুল হক দেয়ান সজল ও ডা. ইউনুস আলী, আল-নূর চক্ষু হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আবু সাঈদ, আল-বাসার ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের ফ্রি ক্যাম্পিং ম্যানেজার মো. ওবায়দুজ্জামান, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ সুজন এবং গাবতলী উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আরিফুর রহমান মজনুসহ চিকিৎসকরা।

    আয়োজকরা জানান, আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে নিম্নআয়ের মানুষের একটি বড় অংশ সময়মতো প্রয়োজনীয় চক্ষু চিকিৎসা নিতে পারেন না। বিশেষ করে ছানি ও দৃষ্টিশক্তিজনিত সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের কাছে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো মানুষ যেন প্রয়োজনীয় চক্ষু চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন—এই মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

  • রূপগঞ্জে পরিত্যক্ত ভবন থেকে ৫টি পাইপগান ও ৪৭০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার

    রূপগঞ্জে পরিত্যক্ত ভবন থেকে ৫টি পাইপগান ও ৪৭০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পরিত্যক্ত ভবন থেকে পাঁচটি পাইপগানসহ চার কেজি ৭০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১-এর একটি আভিযানিক দল উপজেলার তারাবো পৌর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব উদ্ধার করে।

    র‌্যাব-১১ জানায়, অভিযানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে ওই পরিত্যক্ত ভবনে তল্লাশি চালিয়ে পাঁচটি পাইপগান, তিন রাউন্ড গুলির খোসা ও চার কেজি ৭০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

    র‌্যাব আরো জানায়, উদ্ধার করা অস্ত্র, গুলির খোসা ও গাঁজা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রূপগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • ‘পিংক বাস’ নিয়ে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল

    ‘পিংক বাস’ নিয়ে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল

    আকাশি রঙের শাড়ি আর কালো কোট পরে পিংক বাসে চড়ে বসেন মডেল ও আইনজীবী পিয়া জান্নাতুল। তবে কোনো শুটিংয়ের জন্য নয়, সাধারণ নারী যাত্রীদের মতোই উপভোগ করলেন বিআরটিসির নতুন এই সেবা।

    রাজধানীতে নারীদের যাতায়াত সহজ, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে সম্প্রতি চালু হয়েছে বিআরটিসির বিশেষ ‘মহিলা বাস সার্ভিস’ বা ‘পিংক বাস’। নারীদের জন্য তৈরি এই বিশেষ বাসটিতে যাত্রার পর নিজের যে অভিজ্ঞতা পেলেন, তা এবার ভক্তদের মাঝে ভাগ করে নিলেন তিনি।

    নিজের সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন পিয়া জান্নাতুল। বাসে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা জানিয়ে পিয়া জান্নাতুল বলেন, ‘একটা বাসযাত্রা, কিন্তু অনুভূতিটা ছিল একটু অন্যরকম। নিরাপত্তা, স্বস্তি আর আত্মবিশ্বাস—পিংক বাসে উঠে একজন নারী হিসেবে ঠিক এটাই অনুভব করেছি।’

    অভিজ্ঞতা জানিয়ে পিয়া আরও জানান, পিংক বাসটি যখন রাস্তায় চলে, তখন সাধারণ মানুষ বেশ কৌতূহল নিয়ে তাকিয়ে থাকে। এতে চড়ার অভিজ্ঞতাকে তিনি ‘সেলিব্রিটি বাসে’ ঘোরার মতো অনুভূতি বলে মনে করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হবে এবং নারীরা আরও এগিয়ে যাবেন।

    ২৮ আগস্ট ২০২৬ বাসযাত্রার একপর্যায়ে বাসের নারী চালকের সঙ্গে কথা বলেন পিয়া। কাজের অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে চালক জানান, তিনি ছয় বছর ধরে গাড়ি চালানো শিখেছেন এবং আড়াই বছর ধরে বিআরটিসিতে চাকরি করছেন। পরিবার থেকেও পূর্ণ সমর্থন পাচ্ছেন বলে জানান এই নারী চালক।

    পিয়া জান্নাতুলের এই ভিডিও বেশ সাড়া পায় সামাজিক মাধ্যমে। আইন পেশার পাশাপাশি ফ্যাশন ও বিনোদন অঙ্গনে দীর্ঘ দিন ধরে পরিচিত মুখ হিসেবে কাজ করছেন পিয়া জান্নাতুল।

    গত ১৮ আগস্ট তেজগাঁওয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের পর থেকে ‘পিংক বাস’ সেবাটি ঢাকার ১০টি রুটে নিয়মিত চলাচল করছে। নারী যাত্রীদের সুবিধার্থে এতে ই-টিকিটিং, জিপিএস ট্র্যাকিং ও সিসি ক্যামেরা সুবিধা রাখা হয়েছে।

  • চৌগাছায় সড়ক দুর্গটনায় নিহত-১

    চৌগাছায় সড়ক দুর্গটনায় নিহত-১

    চৌগাছা প্রতিনিধি
    যশোরের চৌগাছায় গরুবোঝাই আলমসাধু গাড়ী নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে চালক
    নুর ইসলাম (৫০) নামে এক জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার
    চৌগাছা-ঝিকরগাছা সড়কের পাশাপোল ইউনিয়নের পলুয়া গ্রামের খলসি বাজার
    এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নুর ইসলাম ঝিকরগাছা উপজেলার মনোহরপুর
    গ্রামের মৃত হারেজ আলী মন্ডলের ছেলে। তিনি পেশায় আলমসাধু গাড়ী চালক।
    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নুর ইসলাম নিজের আলমসাধু চালিয়ে পাঁচটি
    গরু নিয়ে ঝিকরগাছা থেকে চৌগাছা পশুহাটের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথিমধ্যে
    পলুয়া গ্রামের খলসি বাজার এলাকায় পৌঁছালে আলমসাধু গাড়ীটি নিয়ন্ত্রণ
    হারিয়ে সড়কের নিচে উল্টে পড়ে যায়। এ সময় গাড়ির নিচে চাপা পড়ে ঘটনা
    স্থলেই নুর ইসলামের মৃত্যু হয়।
    পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থল থেকে আলমসাধু গাড়ীতে থাকা পাঁচটি গরু
    জীবিত উদ্ধার করেন। দুর্ঘটনার পর কিছু সময় চৌগাছা-ঝিকরগাছা সড়কে
    যান চলাচল বন্ধ ছিলো। খবর পেয়ে দশপাখিয়া ফাঁড়ির পুলিশের হস্তক্ষেপে যান চলাচল
    স্বাভাবিক হয়।
    পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরাদেহ উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য
    প্রেরণ করেছেন।
    চৌগাছা থানার ওসি মামুনুর রশীদ এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

  • সরকার সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণ করে যাচ্ছে: জামায়াত সেক্রেটারি

    সরকার সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণ করে যাচ্ছে: জামায়াত সেক্রেটারি

    সরকার সর্বক্ষেত্রে দলীয়করণ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। সরকারের এমন কর্মকাণ্ডকে ‘অসাংবিধানিক’ উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, সিটি কর্পোরেশন, জেলা পরিষদ, পৌরসভাসহ সবক্ষেত্রে দলীয়করণ করা হচ্ছে। আজ যদি, দেশে কোনো দলীয় সরকার না থাকতো, তাহলে প্রশাসক নিয়োগটা বৈধতা ছিল। কিন্তু এখন দলীয় নির্বাচিত সরকার রয়েছে, তারা এটা পারে না।

    সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচন দিয়ে জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচন করার সুযোগ দিলে, জনগণের ভোগান্তি কমবে বলে মনে করেন জামায়াত সেক্রেটারি।

    শুক্রবার (২৮ আগস্ট) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম বাজারস্থ মহিলা মাদরাসা মাঠে উপজেলা জামায়াতের ইউনিট সভাপতিদের সম্মেলন শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

    ক্ষমতায় এসে তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে উল্লেখ করে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা ও বিএনপিসহ অনেকগুলো রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করেছিলাম। সেখানে উল্লেখ ছিল, নির্বাচিত সরকার ১৮০ দিনের মধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে। আমরা তাদেরকে সে পথ থেকে ফেরানোর চেষ্টা করছি। সেপ্টেম্বরে সরকারের ১৮০ দিন পূর্ণ হবে। আমরা আশা করবো, সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন অধিবেশন ডেকে সে সনদকে বাস্তবায়ন করবে। অন্যথায়, আমরা এদেশের জনগণকে নিয়ে সনদ বাস্তবায়নে আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নেব।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, এদেশে সব বিষয়ক একজন মন্ত্রী রয়েছে। তিনি সব মন্ত্রণালয় নিয়ে কথা বলেন। জাতীয় সংসদের বিরোধী দলকে ছোট করে তিনি বক্তব্য রাখেন। অথচ, তার মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা আইনশৃঙ্খলার অবনতির দিকে তার খেয়াল নেই।

    সরকারের উদ্দেশ্যে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আমরা দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন দেখতে পাচ্ছি না। সব দিকে শুধু সরকার দলীয় লোকদের মারামারি দেখতে পাচ্ছি। দেশে উন্নয়নের বৈষম্য চলছে। বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যের আসনে সুষম বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে না।

    ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, নির্বাচিত সংসদ সদস্য তার এলাকায় সব উন্নয়ন করবে, উদ্বোধন করবে, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সরকার বিরোধীদলের সংসদ সদস্যের এলাকায় সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদেরকে দারোয়ান হিসেবে উন্নয়ন তদারকির দায়িত্ব প্রদান করেছে, যা বেমানান। এতে করে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের আরও খাটো করা হচ্ছে।

    জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, বিরোধীদলের ১৩ জন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য রয়েছেন। তাহলে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের এলাকায় আমাদের নারী সংসদ সদস্যদেরকে তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হোক।

    এর আগে উপজেলা জামায়াতের ইউনিট সভাপতি সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শাহজাহান। চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি বেলাল হোসাইনের পরিচালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের ঢাকা মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য সাহাব উদ্দিন, পৌরসভা জামায়াতের আমির মাওলানা ইব্রাহিম, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি আবদুর রহিম, উপজেলা জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারী, মজলিসে শূরা সদস্য ডা. মঞ্জুর আহমেদ সাকি, আবদুল কাদের, ইউসুফ মেম্বার, পৌরসভা জামায়াতের নায়েবে আমির কাজী মো. ইয়াছিন, সেক্রেটারি মোশারফ হোসেন ওপেল, উপজেলা সদর শিবির সভাপতি নাসিম মিয়াজীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

  • নিরাপদে আছেন অপু

    নিরাপদে আছেন অপু

    নেপালে আকস্মিক ভূমিধস

    নতুন সিনেমার শুটিং করতে নেপাল গিয়েছিলেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। বুধবার নেপালে আকস্মিক বন্যায় রাস্তাঘাট, সেতু ও বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎ প্রকল্প পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দেড় শতাধিকে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে শত শত মানুষ। নেপালে আটকা পড়েছেন অপু বিশ্বাস। তবে তিনি নিরাপদে আছেন।

    সবকিছু ঠিক থাকলে আজ দেশে ফিরবেন।

    অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আমি পোখারাতে আছি, যেখানে আছি নিরাপদে। তবে পোখারা থেকে কাঠমান্ডু যাওয়ার হাইওয়ে রাস্তায় ভয়াবহভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। জানতে পেরেছি, এই রাস্তা ঠিক হতে মাসখানেক সময় লাগবে। আমাদের গাড়ি ঠিক করা হয়েছে। আগামীকাল (আজ) কাঠমান্ডু যাব। ফ্লাইটে অনেক চাপ চলছে। কাঠমান্ডু থেকে আগামীকাল (আজ) ফ্লাইটে ঢাকা ফিরব।’ নেপালে নিজের পরিস্থিতি নিয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আমার জন্য চিন্তা করবেন না। সবার কাছে দোয়া চাই, যেন নিরাপদে দেশে আমার সন্তানের কাছে ফিরতে পারি।’

    এর আগে নেপালে শুটিংয়ের সময় নিজের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে ভক্তদের নজর কেড়েছিলেন অপু। তার পোস্ট করা ছবিতে নেপালের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি অভিনেত্রীর শুটিংয়ের নানা মুহূর্তও উঠে এসেছে। সিনেমাটিতে অপুর বিপরীতে অভিনয় করছেন মুর্তজা পলাশ। এতে আরও অভিনয় করছেন কলকাতার অভিনেতা রজতাভ দত্ত, শ্যাম ভট্টাচার্য প্রমুখ।

  • পতাকা বিতর্কে বিশ্বকাপজয়ীদের সংবর্ধনা বাতিল করল বার্সেলোনা

    পতাকা বিতর্কে বিশ্বকাপজয়ীদের সংবর্ধনা বাতিল করল বার্সেলোনা

    স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ জেতা খেলোয়াড়দের মৌসুমের প্রথম হোম ম্যাচে সংবর্ধনা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল বার্সেলোনা।

    তবে কাতালোনিয়ার স্বাধীনতাপন্থী প্রতীক এস্তেলাদা পতাকা ঘিরে সৃষ্ট ঘটনার পর সেই আয়োজন বাতিল করেছে লা লিগার ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।

    বৃহস্পতিবার অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের বিপক্ষে স্প্যানিশ লিগের হোম ম্যাচে নামার আগে ক্যাম্প ন্যুতে এস্তেলাদার সমর্থনে একটি কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় একটি সংগঠনের আয়োজনে সমর্থকদের মধ্যে প্রায় ১০ হাজার ছোট পতাকা বিতরণ করা হয়। গ্যালারিতেও দেখা যায় বড় আকারের বেশ কিছু পতাকা ও ব্যানার। বার্সার সংগীত বাজানোর সময় সমর্থকেরা পতাকাগুলো উঁচিয়ে ধরেন।

    ম্যাচের আগে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, কয়েক হাজার সমর্থক ক্যাম্প ন্যুর আশপাশে এস্তেলাদা হাতে মিছিলও করেন।

    বিশ্বকাপজয়ী স্পেন দলে বার্সার আটজন খেলোয়াড় ছিলেন। এরা হলেন জোয়ান গার্সিয়া, এরিক গার্সিয়া, পেদ্রি, পাউ কুবার্সি, গাভি, রদ্রি, দানি ওলমো ও লামিনে ইয়ামাল। কোনো ক্লাবের মধ্যে এই সংখ্যা সর্বোচ্চ। এ কারণেই তাঁদের সম্মান জানাতে বিশেষ সংবর্ধনার পরিকল্পনা করেছিল বার্সা।

    তবে গত সপ্তাহে এলচের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বার্সার এক তরুণ সমর্থকের কাছ থেকে পুলিশ এস্তেলাদা পতাকা নিয়ে নেওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায়। ওই সমর্থক পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তর্কে জড়ালে তাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে আটক করা হয়।

    এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে বার্সা। ক্লাবটির দাবি, এস্তেলাদা একটি আইনসম্মতভাবে স্বীকৃত প্রতীক এবং এটি প্রদর্শন করা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বৈধ প্রয়োগ। একই সঙ্গে সমর্থককে আটকের পদ্ধতিকেও অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছে বার্সা। পুলিশের বলপ্রয়োগের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় যৌক্তিকতা ছিল না বলে মনে করে ক্লাবটি।

    বিশ্বকাপজয়ী খেলোয়াড়দের সংবর্ধনা বাতিলের ব্যাখ্যায় বার্সা সভাপতি হোয়ান লাপোর্তা বলেন, ‘এই মুহূর্তে এমন কিছু আয়োজন করা যাচ্ছে না। ফুটবলকে ঐক্যবদ্ধ করা উচিত। সংঘাত তৈরি করা যাবে না।’

    বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের খেলোয়াড়দের সম্মান জানাতে এর আগে দেশটির অন্যান্য ক্লাবও স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন আয়োজন করেছে। সেসব অনুষ্ঠানে বিশ্বকাপ ট্রফি প্রদর্শনের পাশাপাশি স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তেকেও উপস্থিত রাখা হয়েছিল। তবে বার্সার ক্ষেত্রে এস্তেলাদা পতাকা ঘিরে তৈরি উত্তেজনার কারণে সেই ধারাবাহিকতা আর থাকল না।

  • তীব্র গরমে দেশের সোয়া দুই কোটি শিশু ঝুঁকিতে

    তীব্র গরমে দেশের সোয়া দুই কোটি শিশু ঝুঁকিতে

    জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশে শূন্য থেকে ৯ বছর বয়সী প্রায় দুই কোটি ২০ লাখ শিশু প্রতিবছর অন্তত এক মাস অতিরিক্ত বিপজ্জনক তাপজনিত চাপের মুখে পড়ছে।

    এ সংখ্যা দেশের এই বয়সী মোট শিশুর প্রায় ৭৯ শতাংশ।

    ব্রাসেলসের ভ্রিজে বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

    গবেষণাটি গতকাল বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্স অ্যাডভান্সেসে প্রকাশিত হয়েছে।


    গবেষণায় দেখা যায়, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে শূন্য থেকে ৯ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে বছরে অন্তত পাঁচ মাস বা ১৫০ দিন মোট বিপজ্জনক তাপজনিত চাপের মুখে পড়া শিশুর সংখ্যাও প্রায় তিন গুণ বেড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন না থাকলে এ সংখ্যা প্রায় ৯০ লাখ হওয়ার কথা ছিল। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় দুই কোটি ৬০ লাখে, যা এই বয়সী মোট শিশুর ৯১ শতাংশ।

    বাংলাদেশের পরিস্থিতি দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে বিস্তৃত বড় সংকটের অংশ।

    গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, পুরো দক্ষিণ এশিয়ায় শূন্য থেকে ৯ বছর বয়সী প্রায় ১৬ কোটি ৭৪ লাখ শিশু, অর্থাৎ এই বয়সী মোট শিশুর প্রায় ৬২ শতাংশ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বছরে অন্তত এক মাস অতিরিক্ত তাপজনিত চাপের মুখে রয়েছে। এ অঞ্চলে বছরে অন্তত পাঁচ মাস বিপজ্জনক তাপজনিত চাপের মুখে থাকা শিশুর সংখ্যাও দ্বিগুণ হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন না থাকলে এ সংখ্যা প্রায় আট কোটি হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ১৫ কোটি ৬৬ লাখ।

    বিশ্বজুড়ে গবেষণায় দেখা গেছে, শূন্য থেকে ৯ বছর বয়সী সর্বোচ্চ ৫৬ কোটি শিশু, অর্থাৎ এই বয়সী মোট শিশুর ৪৩ শতাংশ মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বর্তমানে প্রতিবছর অন্তত এক মাস অতিরিক্ত তাপজনিত চাপের মুখে পড়ছে। অন্যান্য বয়সী মানুষের চেয়ে শিশুদের এ ঝুঁকি বেশি।

    অতিরিক্ত গরমে শিশুরা বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ, প্রাপ্তবয়স্কদের চেয়ে তাদের শরীর দ্রুত উত্তপ্ত হয়। ঘামের মাধ্যমে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতাও তুলনামূলকভাবে কম। এ ছাড়া অতিরিক্ত গরম থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে তারা প্রাপ্তবয়স্কদের ওপর বেশি নির্ভরশীল। তীব্র গরমের কারণে শিশুদের পানিশূন্যতা ও হিটস্ট্রোক হতে পারে। বিদ্যমান স্বাস্থ্য সমস্যা আরও গুরুতর হয়ে উঠতে পারে। পাশাপাশি অতিরিক্ত তাপ শিশুদের শেখার ক্ষমতা ও মস্তিষ্কের বিকাশেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

    গবেষণায় আর্দ্রতাজনিত তাপের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ছায়ায় ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার সম্মিলিত প্রভাবকে তাপজনিত চাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকলে ঘামের মাধ্যমে শরীর কার্যকরভাবে তাপ ছেড়ে দিতে পারে না। ফলে এ ধরনের গরম শরীরের জন্য আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।

    গবেষণার প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বৈশ্বিক উষ্ণতা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখা গেলেও বাংলাদেশে শূন্য থেকে ৯ বছর বয়সী প্রায় দুই কোটি ৩০ লাখ শিশু, অর্থাৎ ৮৭ শতাংশ প্রতিবছর অন্তত এক মাস অতিরিক্ত তাপজনিত চাপের মুখে পড়তে পারে। একই সময়ে প্রায় দুই কোটি ৫০ লাখ শিশু, অর্থাৎ ৯৩ শতাংশ বছরে অন্তত পাঁচ মাস তাপজনিত চাপের মুখে পড়তে পারে।


    অন্যদিকে, বৈশ্বিক উষ্ণতা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে এই বয়সী প্রায় এক কোটি ৯০ লাখ শিশু, অর্থাৎ ৯৮ শতাংশ প্রতিবছর অন্তত এক মাস অতিরিক্ত তাপজনিত চাপের মুখে পড়তে পারে। একই সঙ্গে প্রায় এক কোটি ৯০ লাখ শিশু, অর্থাৎ ৯৭ শতাংশ বছরে অন্তত পাঁচ মাস তাপজনিত চাপের মুখে পড়ার ঝুঁকিতে থাকবে।

    গবেষণার প্রধান লেখক ও ব্রাসেলসের ভ্রিজে বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি গবেষক রোসা পিয়েত্রোইউস্তি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে ইতোমধ্যেই কোটি কোটি শিশু বিপজ্জনক তাপের মুখে পড়ছে, যা তাদের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে। উন্নয়নশীল দেশের শিশুরা এখন এবং ভবিষ্যতে জলবায়ুজনিত চরম পরিস্থিতির তুলনামূলকভাবে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।


    ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. লুৎফন নেছা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তীব্র গরমের প্রভাব শিশুদের মধ্যেও ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। বিশেষ করে রোদে খেলাধুলার পর হঠাৎ বমি, অতিরিক্ত ক্লান্তি, অস্থিরতা ও ক্ষুধামন্দার মতো সমস্যা এখন আগের চেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে।

    তিনি বলেন, শিশুদের বসার ও খেলার জন্য ঠান্ডা জায়গার ব্যবস্থা করতে হবে। দুপুর ও বিকেলের কয়েক ঘণ্টা তাদের বাড়ির বাইরে যাওয়া থেকে বিরত রাখা দরকার। শিশুদের হালকা ও বাতাস চলাচলের উপযোগী পোশাক পরাতে হবে। শিশুদের প্রচুর পানি পান করানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

    গবেষণার ফল বলছে, চরম তাপমাত্রা এখন শুধু পরিবেশগত সমস্যা নয়; এটি শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামগ্রিক বিকাশের জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। শিশুদের সুরক্ষায় শিশুকেন্দ্রিক তাপ মোকাবিলা পরিকল্পনা, শক্তিশালী তাপজনিত স্বাস্থ্য প্রস্তুতি, জলবায়ু সহনশীল জনসেবা এবং তাপজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে তাপ ঝুঁকি আরও বেড়ে যাওয়া ঠেকাতে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ দ্রুত কমানোর ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন গবেষকরা। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে দারিদ্র্য, অপর্যাপ্ত আবাসন, শীতল পরিবেশে থাকার সীমিত সুযোগ এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ শিশুদের তীব্র গরমের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা আরও কমিয়ে দিতে পারে।

    সূত্র: সমকাল অনলাইন

  • খাদ্যগুদামে নয়ছয় হলে ছাড় নয়, সিন্ডিকেটও রেহাই পাবে না: খাদ্যমন্ত্রী

    খাদ্যগুদামে নয়ছয় হলে ছাড় নয়, সিন্ডিকেটও রেহাই পাবে না: খাদ্যমন্ত্রী

    দেশের সরকারি খাদ্যগুদামগুলোতে মজুত খাদ্যশস্য নিয়ে কোনো ধরনের নয়ছয়, অনিয়ম কিংবা দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।

    খাদ্যগুদামকেন্দ্রিক কোনো সিন্ডিকেট গড়ে উঠলে কিংবা অনিয়মের সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে এসব অনিয়মের নেপথ্যে থাকা মদদ দাতাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে একটি জাতীয় দৈনিককে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা জানান।

    খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের ৬৪ জেলার সরকারি খাদ্য গুদাম পর্যায়ক্রমে অনুসন্ধানের আওতায় আনা হবে। কোথাও মজুতের হিসাবে গরমিল, খাদ্যশস্য আত্মসাৎ, সংরক্ষণে অনিয়ম কিংবা অন্য কোনো দুর্নীতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খাদ্য নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দায়িত্বে অবহেলা কিংবা দুর্নীতির কোনো সুযোগ নেই।

    মন্ত্রী বলেন, জনগণের খাদ্য নিয়ে কোনো ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। খাদ্যগুদামকে কেন্দ্র করে কোনো সিন্ডিকেট আমরা বরদাশত করব না। সরকারি গুদামে জনগণের খাদ্য নিরাপদ থাকবে, সঠিক হিসাব থাকবে এবং দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের জবাবদিহির মধ্যে থাকতে হবে।

    তিনি জানান, দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা এবং টেকসই ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। বিমানমন্ত্রী থাকাকালীন প্রধানমন্ত্রী যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন। বর্তমানে দায়িত্বের চেয়ার বদলালেও কাজের গতি বদলাবে না।

    খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয়কে শতভাগ জনবান্ধব ও সেবামুখী হিসেবে গড়ে তুলতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি ইশতেহারে খাদ্য নিরাপত্তাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিশু থেকে বৃদ্ধ—সবার জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ক্ষেত্রে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি থাকবে।

    তিনি জানান, সাময়িক অভিযান নয়, স্থায়ী সমাধানের লক্ষে দেশের খাদ্য পরীক্ষাগার ও ল্যাবরেটরিগুলোর আধুনিকায়ন করা হবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে।

    ঘিওরের ঘটনা

    খাদ্যমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে তার নিজ জেলা মানিকগঞ্জ থেকেই সরকারি খাদ্যগুদামে অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হয়েছে। সম্প্রতি ঘিওর সরকারি খাদ্যগুদামে মজুত যাচাই করতে গিয়ে বিপুল পরিমাণ চাল ও গমের ঘাটতির বিষয়টি সামনে আসার পর ঘটনাটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

    তিনি বলেন, ঘিওরের ঘটনাকে আমরা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা হিসেবে দেখছি না। দেশের অন্যান্য খাদ্যগুদামেও একই ধরনের অনিয়ম আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হবে।

    আফরোজা খানম রিতা বলেন, ঘিওরের ঘটনায় আমরা দেখিয়ে দিতে চাই, সরকারি খাদ্যগুদামে নয়ছয় করার দিন শেষ। দায়িত্বে থাকা কোনো কর্মকর্তা যদি অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকেন, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুধু যারা সরাসরি অনিয়ম করেছেন, তারা নন; এর পেছনে যারা মদদ দিয়েছেন বা সহযোগিতা করেছেন, তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

    তিনি বলেন, খাদ্যগুদামে মজুত খাদ্যশস্যের হিসাব কাগজে-কলমে এক রকম আর বাস্তবে আরেক রকম—এমন চিত্র কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। সরকারি খাদ্যশস্য জনগণের সম্পদ। এই সম্পদের এক কেজিও অপচয়, আত্মসাৎ বা অবৈধভাবে সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ নেই। গুদামের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি তদারকির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদেরও জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।

    মন্ত্রী বলেন, কোনো গুদামে অসঙ্গতি ধরা পড়লে সেটিকে ছোটখাটো ভুল বলে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকবে না। বিশেষ করে ঘিওর সরকারি খাদ্যগুদামের মতো কোনো ঘটনা দেশের অন্য কোথাও পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনিয়ম যারই হোক, পরিচয় বা প্রভাব বিবেচনা করা হবে না।

    খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ বিনির্মাণে যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন, তা বাস্তবায়নে খাদ্য মন্ত্রণালয়কে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সঙ্গে কাজ করতে হবে। শুধু খাদ্য সংগ্রহ করলেই হবে না, সংগৃহীত খাদ্যশস্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও বিতরণ নিশ্চিত করাও সরকারের দায়িত্ব।

    খাদ্যমন্ত্রীর ভাষায়, খাদ্য নিরাপত্তা শুধু পর্যাপ্ত খাদ্য মজুতের বিষয় নয়। সেই খাদ্য সঠিকভাবে সংরক্ষিত আছে কিনা, হিসাব ঠিক আছে কিনা এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীর কাছে পৌঁছাচ্ছে কিনা, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। এ জায়গায় কোনো দুর্নীতি বা সিন্ডিকেট থাকলে তা ভেঙে দেওয়া হবে।

    খাদ্যগুদামগুলোকে জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থার আওতায় আনার কথা জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব সরকারি খাদ্যগুদামের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে। অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্তের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খাদ্যশস্যের মজুত ও সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ করতে ভবিষ্যতে নজরদারি জোরদার করা হবে।

    মন্ত্রী বলেন, সরকারের খাদ্যগুদাম জনগণের জন্য, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়। জনগণের খাদ্য নিয়ে দুর্নীতি করলে কাউকে রেহাই দেওয়া হবে না।

  • কপ সম্মেলনে যোগ দিতে নভেম্বরে তুরস্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    কপ সম্মেলনে যোগ দিতে নভেম্বরে তুরস্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

    আসন্ন জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন কপে যোগ দিতে আগামী নভেম্বরে তুরস্ক সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) ২৩তম বিশেষ পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের সাইডলাইনে তুরস্কের পররাষ্ট্র উপমন্ত্রী মুসা কুলাকলিকায়ার সঙ্গে বৈঠকে এ তথ্য জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।


    বৃহস্পতিবারের ওই বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা আঞ্চলিক বিভিন্ন পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন। পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তারা।


    দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়েও আলোচনা হয় বৈঠকে। অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষা খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান সহযোগিতায় সন্তোষ প্রকাশ করে উভয় পক্ষ। একই সঙ্গে বিস্তৃত পরিসরে দুই দেশের সম্পৃক্ততা আরও বাড়ানো এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার বিষয়ে অভিন্ন আগ্রহের কথা জানান তারা।


    কূটনৈতিক সূত্র বলছে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের কপ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। এবারের সম্মেলনেও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না।


    আঙ্কারার একটি কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, গত জুনে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের ঢাকা সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে তুরস্ক সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানো হয়। ওদিকে সম্মেলনের ফাঁকে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর প্রধানদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের আলোচনা চলছে। এক্ষেত্রে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের সঙ্গেও তারেক রহমানের বৈঠক হতে পারে বলে জানিয়েছে কূটনৈতিক সূত্র।

    বৈঠক হলে সেখানে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।


    প্রসঙ্গত, আগামী ৯ থেকে ২০ নভেম্বর তুরস্কের আনতালিয়া শহরে কপ-৩১ অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানসহ জলবায়ু সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।

  • কৃষকের ধান ক্রয়ে অনিয়ম, ঘুষ না দেয়ায় ধান ফেরতের চাপ

    কৃষকের ধান ক্রয়ে অনিয়ম, ঘুষ না দেয়ায় ধান ফেরতের চাপ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায় সরকারি খাদ্যগুদামে ধান সংগ্রহে ব্যাপক অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। সরকার নির্ধারিত দামে ধান কেনার কথা থাকলেও গুদামে ধান ঢোকাতে টনপ্রতি দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করা হচ্ছে। ঘুষ দিতে রাজি না হওয়ায় অনেক প্রান্তিক কৃষকের ধান ফেরত নিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দেয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা।

    চলতি মৌসুমে নিকলী খাদ্যগুদামে এক হাজার ৫৬৮ মেট্রিক টন ধান ও দুই হাজার এক মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। নীতিমালা অনুযায়ী কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনার কথা থাকলেও অভিযোগ উঠেছে, দালাল চক্র ও স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা সরকারি বস্তা ব্যবহার করে আগে ধান সংগ্রহ করছেন।

    দামপাড়া ইউনিয়নের কৃষক কামরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, তার ৩০৭ মণ ধান ওজন করে গুদামে নেয়া হলেও টনপ্রতি দুই হাজার টাকা ঘুষ না দেয়ায় গুদামের কর্মকর্তা ধান ফেরত নেয়ার চাপ দিচ্ছেন। বিষয়টিতে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষসহ জেলা প্রশাসককে লিখিতভাবে জানিয়েছেন। একই ইউনিয়নের আরেক কৃষক আল আমিন জানান, অগ্রিম টাকা দেয়ার শর্ত দেয়ায় তার মতো অনেক প্রান্তিক কৃষক সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

    তবে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন এলএসডির ওসি হিমেল। তিনি বলেন, গুদামে কোনো অনিয়ম হয়নি বরং তার ওপর অহেতুক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

    অন্য দিকে নিকলী উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা লুৎফুর নাহার ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ লটারির মাধ্যমে কৃষক নির্বাচনের কথা বললেও, প্রভাবশালীদের সুপারিশে মুক্তিযোদ্ধাসহ একাধিক ব্যক্তির নাম তালিকায় নাম ঢোকানোর বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন। তার দাবি, জাতীয় পরিচয় সংগ্রহ করে লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়েছে। এ ছাড়া তার কাছে কোনো প্রকার অভিযোগ আসেনি। জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, এ ধরনের অভিযোগ আমার কাছে আসেনি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • মারা গেছেন সাতক্ষীরার ‘দৈনিক দৃষ্টিপাত’ সম্পাদক

    মারা গেছেন সাতক্ষীরার ‘দৈনিক দৃষ্টিপাত’ সম্পাদক

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাতক্ষীরার বহুল প্রচলিত ‘দৈনিক দৃষ্টিপাত’ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক জিএম নুর ইসলাম ইন্তেকাল করেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুের রাজধানীর নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    তার বড় ছেলে আদম শফিউল্লাহ জানান, বাবার লাশ বৃহস্পতিবার রাতে বাড়িতে আনা হয়েছে। শুক্রবার বাদ জুম্মা জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হবে।

    জিএম নুর ইসলাম সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছিলেন।

    আশির দশকে জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকা বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ইসলাম ট্রেডার্স প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণমাধ্যম জগতে প্রবেশ করেন তিনি।

    এরপর খুলনার দৈনিক জন্মভূমি পত্রিকার প্রতিনিধি হিসেবে শুরু করেন সাংবাদিকতা। ২০০০ সালে বাজারে আসে তার মালিকানাধীন পত্রিকা দৈনিক দৃষ্টিপাত।

    জীবনের শেষ দিন অবধি তিনি পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

  • ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

    ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

    বকশীগঞ্জে সাড়ে ৩ মেট্রিকটন অবৈধ সার জব্দ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    জামালপুরের বকশীগঞ্জে লাইসেন্সবিহীনভাবে সার মজুত করে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে দুলাল মিয়া নামে এক ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে তার গোদাম থেকে ৭২ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার বগারচর ইউনিয়নের অকুলের মোড় এলাকায় দুলাল মিয়ার দোকান ও গোডামে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে দুলাল মিয়া লাইসেন্স ছাড়াই অবৈধভাবে সার মজুত করে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করে আসছিলেন—এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় গোদাম থেকে ৬৪ বস্তা ডিএপি ও ৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়। জব্দ করা সারগুলো পরবর্তীকালে উপজেলার কৃষকদের মধ্যে ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করা হবে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বকশীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম।

    উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা বলেন, অবৈধভাবে সার মজুত করে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করার কোনো সুযোগ নেই। কৃষকদের স্বার্থে অবৈধ মজুত ও কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • পিস্তল ও ইয়াবাসহ

    পিস্তল ও ইয়াবাসহ

    বড়লেখা সীমান্তে ভারতীয় চোরাকারবারি আটক

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    মৌলভীবাজারের বড়লেখা সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে ভারতীয় চোরাকারবারিদের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আহত অবস্থায় বলাই দাস নামে এক ভারতীয় চোরাকারবারিকে আটক করেছে বিজিবি। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও পাঁচশ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

    বিজিবি ৫২ ব্যাটেলিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আতাউর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন ভারতীয় একটি চোরাকারবারি চক্র বড়লেখার কুমারশাইল সীমান্ত ব্যবহার করে বাংলাদেশে মাদক ও অবৈধ অস্ত্র প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে।

    এ তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের একটি বিশেষ টহলদল কুমারশাইল এলাকায় অবস্থান নিয়ে অভিযান চালায়। এ সময় সন্দেহভাজন চোরাকারবারিদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা বিজিবি সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। আত্মরক্ষার্থে বিজিবিও গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও আহত অবস্থায় ভারতীয় নাগরিক বলাই দাসকে আটক করা হয়। পরে তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও ৫ শত ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

  • শিক্ষক গণপতিসহ তিনজনকে ছাদেই হত্যা করা হয়

    শিক্ষক গণপতিসহ তিনজনকে ছাদেই হত্যা করা হয়

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও নগরীর মাছুয়াপাড়ার বাসিন্দা গণপতি চক্রবর্তীসহ তার পরিবারের চারজনকে শ্বাসরোধে হত্যার রোমহর্ষক বিবরণ দিয়েছে গ্রেপ্তার দুই ঘাতক। তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উঠে এসেছে, ইয়াবা সেবনের সময় গৃহকর্তা গণপতি দেখে ফেলায় একে একে পরিবারের সবাইকে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডকে ডাকাতি হিসেবে চালাতে বাড়ির স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট করে চম্পট দেয় মাদকাসক্ত সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস।

    গতকাল বৃহস্পতিবার মামলার সার্বিক পরিস্থিতি ও তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে ব্রিফিংয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি) কমিশনার আব্দুল মাবুদ জানান, গ্রেপ্তার মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ আদালতে জবানবন্দিতে জানিয়েছে, চারজনের মধ্যে গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও মেয়েকে বাড়ির ছাদেই হত্যা করা হয়। পরে গণপতির লাশ টিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়। তার স্ত্রী ও মেয়ের লাশ ছাদের সিঁড়ির গেটের আড়ালে রাখা হয়, যাতে পাশের বাড়ির ছাদ থেকে সহজে দেখা না যায়।

    আরএমপি কমিশনার বলেন, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে অভিযুক্ত সিদ্ধার্থ জানায়, গত ২০ আগস্ট রাত ১২টার পর সে ইয়াবা নিয়ে অপর আসামি মুগ্ধসহ তাদের বন্ধু সীমান্তের বাসায় যায়। সেখানে তারা তিনটি ইয়াবা সেবন করে। রাত ৩টার দিকে আরো ইয়াবা খাওয়ার ইচ্ছা হলে ইয়াবা ব্যবসায়ী শান্তকে ফোন দিয়ে আরো চারটি ইয়াবা চায়। এরপর তারা গণপতির বাসার ছাদে যায়।

    শিক্ষক গণপতির ছাদের চারদিকে অর্ধেক দেয়াল থাকায় বাইরে থেকে দেখা যেত না। বাসার ছাদে পানির ট্যাংকের আড়ালে বসে তারা ইয়াবা সেবন করতে থাকে। একপর্যায়ে ভোরের আলো ফুটে যায়। সে রাতে তারা দুজন আটটি ইয়াবা সেবন করেছিল। সকালে গণপতি স্যার ছাদে হাঁটতে এসে তাদের দেখে ফেলেন এবং ধমক দিয়ে বলেন, ‘তোরা এত সকালে এখানে কী করিস?’

    জবানবন্দির বরাত দিয়ে আরএমপি কমিশনার বলেন, তখন মানসম্মানের ভয়ে তাদের মাথা কাজ করছিল না। শিক্ষক গণপতিকে চিল্লাচিল্লির সুযোগ না দিয়ে তারা দুজন তাকে ধরে ফেলে এবং ধস্তাধস্তি হয়। তার ঘাড়ে থাকা গামছা দিয়ে সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দুদিক থেকে টান মেরে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। তার লাশ টিন দিয়ে ঢেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় সম্ভবত শব্দ পেয়ে স্ত্রী ও মেয়ে ছাদে চলে আসেন। তারা দু-তিনবার চিৎকার দিলে মুগ্ধ শিক্ষক গণপতির স্ত্রীর গলা এবং সিদ্ধার্থ মেয়ের গলা চেপে ধরে। পাঁচ মিনিটের মতো ধস্তাধস্তির পর তারা দুজনকে মেরে ফেলে। সিদ্ধার্থ এক হাতে মেয়ের গলা ও অন্য হাতে মুখ চেপে ধরেছিল। মুগ্ধ স্যারের স্ত্রীকে মারার পর দুজন মিলে গামছা দিয়ে আবার মেয়ের গলায় প্যাঁচ দেয়। তাতেও মেয়ে না মরলে পাশের কবুতরের খাবার রাখার বক্স থেকে রশি এনে মেয়ের গলায় পেঁচিয়ে দুদিক থেকে টান দিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে।

    বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা আছে কি না সে ভয়ে সিদ্ধার্থ ছাদ থেকে নিচে নেমে পুরোনো প্লায়ার্স দিয়ে বিদ্যুতের তার কেটে দেয়, যাতে সিসিটিভি থাকলে ডিসকানেক্ট হয়ে যায়। তখন মুগ্ধ ছাদে ছিল। এরপর সিদ্ধার্থ আবার ছাদে ফিরে যায় এবং দুজনে মিলে মা-মেয়ের লাশ ছাদের গেটের ভেতরের সিঁড়ির দিকে এমনভাবে রাখে যেন পাশের ছাদ থেকে দেখা না যায়।

    এরপর তারা দোতলায় শিক্ষকের রুমে ঢোকে। তখন ১২ বছর বয়সি ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী ঘুম থেকে উঠে আসামি সিদ্ধার্থকে দেখে বলে ওঠে ‘সিদ্ধার্থ দা, তুমি এখানে কেন?’ তখন তারা তাকে পেটিকোট দিয়ে গলা পেঁচিয়ে মেরে ফেলে।

    এরপর আসামিরা খুব ক্লান্ত হয়ে বাথরুমে গিয়ে গায়ে-মাথায় পানি ঢালে এবং তাদের কাছে থাকা আরো একটি ইয়াবা সেবন করে। ডাকাতি বা চুরির নাটক সাজাতে মুগ্ধর বুদ্ধিতে তারা ঘরের আলমারি, ড্রয়ার, জামাকাপড় ও খাতা-বই ওলটপালট করে। মুগ্ধ স্বর্ণালংকার এনে দিলে সিদ্ধার্থ তা প্লাস্টিকের বাক্সে ও কাপড়ের প্যাকেটে ঢোকায়। ঘরে তারা ১৫ হাজার টাকা নগদ পায়।

    জুমার নামাজের সময় রাস্তায় মানুষের চলাচল কমে গেলে তারা শিক্ষক গণপতির ছাদ হয়ে পাশের বাড়ির ছাদ দিয়ে দেয়াল টপকে বেরিয়ে যায়। মুগ্ধ ১৫ হাজার টাকা নিয়ে যায়। আর সিদ্ধার্থ স্বর্ণের ব্যাগ নিয়ে গলির ভেতর দিয়ে নিজের বাসায় চলে যায়। ওই সন্ধ্যায় সবার অগোচরে সিদ্ধার্থ স্বর্ণের ব্যাগটি তার পূর্ণিমা কাকির বাসার পেছনের মাটিতে পুঁতে রাখে।

    অপর আসামি মুগ্ধর স্বীকারোক্তির সারসংক্ষেপও প্রায় একই রকম উল্লেখ করে আরএমপি কমিশনার বলেন, আসামি মুগ্ধকে তিন কিলোমিটার দূরের এক শ্মশান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখানে পালিয়ে গিয়ে কেয়ারটেকার বিদ্যুৎ দাসের কাছে পানি ও আশ্রয় চেয়ে সে স্বীকার করে, ‘দাদা, আমাকে পানি ও আশ্রয় দাও। আমি আর সিদ্ধার্থ মিলে গণপতি স্যারসহ চারজনকে খুন করে এসেছি।’ কিন্তু বিদ্যুৎ তাকে আশ্রয় দেয়নি। এর পরপরই পুলিশ পৌঁছে মুগ্ধকে গ্রেপ্তার করে। বিদ্যুৎ আদালতে ১৬৪ ধারায় সাক্ষ্য দিয়েছে।

    পুলিশ কমিশনার বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যার বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধর ডোপ টেস্ট ও ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলছে। আদালতের অনুমতি নিয়ে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নিহত আগামী চক্রবর্তী ও প্রীতিলতা চক্রবর্তীর লাশের ভ্যাজাইনাল সোয়াব সংগ্রহ করা হয়েছিল। পরীক্ষায় ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। গলায় শ্বাসরোধ বা ফাঁস লাগার ঘটনায় লাশ থেকে বীর্য ও মলমূত্র বের হয়ে আসতে পারে। এটি বাইরের বীর্য নয়, লাশের ভেতর থেকেই বের হয়। একইভাবে গলায় ফাঁস লাগলে চোখ কিছুটা বেরিয়ে আসার মতো শারীরিক পরিবর্তনও ঘটতে পারে বলে জানান তিনি।

    গত বুধবার রাতে সিদ্ধান্তের ভাই পার্থ দাস অভিযোগ করে বলেছিলেন, বাড়ির আলামত নষ্ট করার জন্য পুলিশ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলার চেষ্টা করেছে। তার এ দাবির বিষয়ে আরএমপির গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) উপকমিশনার (ডিসি) সনাতন চক্রবর্তী বলেন, বাড়িতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ আলামত আগেই সংগ্রহ করা হয়েছে এবং পানি দিয়ে কোনো আলামত ধুয়ে ফেলার ঘটনা ঘটেনি। সেখানে নিরাপত্তার জন্য পুলিশ রয়েছে। এগুলো বলে মামলা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা মাত্র।

  • সার সংকট নিয়ে আতঙ্কের মধ্যেই মাঠপর্যায়ে অভিযান

    সার সংকট নিয়ে আতঙ্কের মধ্যেই মাঠপর্যায়ে অভিযান

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    সার সংকট নিয়ে সারা দেশে ছড়ানো তথ্যকে ‘সম্পূর্ণ গুজব’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। মাঠপর্যায়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ফায়দা লোটা এবং সরকারকে বিব্রত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযানে নেমেছে প্রশাসন। ইতোমধ্যে মানিকগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রংপুর, যশোরে ভেজাল সার বিক্রি, অতিরিক্ত দাম আদায় ও অবৈধ মজুতের দায়ে একাধিক ডিলার এবং ব্যবসায়ীকে জরিমানা ও বিপুল পরিমাণ সার জব্দ করা হয়েছে।

    গত সোমবার থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট অসাধু ব্যবসায়ীদের জরিমানা ও শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

    কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আহমেদ ফয়সাল ইমাম আমার দেশকে বলেন, সার সংকটের বিষয়টি সম্পূর্ণ ভুল ও গুজব। সাধারণ কৃষকদের মাঝে প্যানিক তৈরি সৃষ্টি এবং সরকারকে বিব্রত করার জন্য এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ের তদারকিতে দেশের ৬৪ জেলার জন্য মন্ত্রণালয়ের ৬৪ কর্মকর্তা এ বিষয়ে নিয়মিত খোঁজ-খবর নিচ্ছেন।

    অসাধু ডিলারদের বিষয়ে তিনি আরো জানান, বেশি দামে বিক্রি বা কালোবাজারির অভিযোগ পেলেই নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী ডিলারশিপ স্থগিত ও বাতিল করা হচ্ছে, যা একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। তবে তদারকি সত্ত্বেও মাঠ পর্যায়ে কিছু ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীর নানা অনিয়ম এবং পদ্ধতিগত ত্রুটি সামনে আসছে।

    রংপুরের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সিরাজুল ইসলাম আমার দেশকে বলেন, সরকারি নিয়ম মেনে গোডাউনে সার না রাখা এবং পদ্ধতিগত ত্রুটির কারণে অনেক ডিলারকে জরিমানার আওতায় আনা হচ্ছে। তার অঞ্চলের কোথায় কাকে আরো জরিমানা ও শাস্তি দেওয়া হয়েছে, তা পরে নিশ্চিত করা যাবে।

    এদিকে সাটুরিয়া উপজেলার জান্না বাজারে বিএডিসির সার ডিলার ছানোয়ার হোসেনকে সারের সঙ্গে মাটি মিশিয়ে ভেজাল ডিএপি সার বিক্রির অভিযোগে হাতেনাতে ধরে ফেলেন স্থানীয় কৃষকরা। গতকাল বৃহস্পতিবার সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলামের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর ১৭ ধারা অনুযায়ী ওই ব্যবসায়ীকে দুই লাখ টাকা জরিমানা এবং ৫ বস্তা ভেজাল সার জব্দ করা হয়।

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের হোসেনডাঙ্গা এলাকায় মেসার্স ইসলাম ট্রেডার্সের মালিক নুর ইসলামকে সরকারি মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি এবং অবৈধভাবে ২৫৯ বস্তা ইউরিয়া, ১০৬ বস্তা ডিএপি ও ৪৫ বস্তা টিএসপি সার মজুত রাখার অপরাধে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। গত সোমবার এ ঘটনা ঘটে। সেখানে জব্দ করা সার পরে সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের মাঝে বিক্রি করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

    চৌগাছা পৌর শহরের পারবাজারে লাইসেন্স ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া ৩ লাখ ৫৩,৩৫০ টাকা মূল্যের মোট ২৭১ বস্তা (১৩,৫৫০ কেজি) সার অবৈধভাবে মজুত রাখার দায়ে গত বুধবার খাইরুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬-এর ১২ ও ১৮ ধারা অনুযায়ী এ জরিমানা আদায় করা হয় এবং জব্দ সার ন্যায্যমূল্যে কৃষকের মাঝে বিক্রি করে টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করার আদেশ দেওয়া হয়। এর আগে চৌগাছায় পাচারকালে আটক আরো ৩৭ বস্তা সার সরকারি মূল্যে বিক্রি করে পরিবহনের দায়ে আলমসাধু চালককে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    কৃষি মন্ত্রণালয় বলছে, দেশের কোথাও সারের প্রকৃত ঘাটতি নেই এবং সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে মাঠ পর্যায়ে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলেই প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের যৌথ অভিযানের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    সরকারের দাবি সারের পর্যাপ্ত মজুত ও সরবরাহ রয়েছে। তবে বিভিন্ন জেলায় বেশি দামে বিক্রি, অবৈধ মজুত ও ভেজাল সারের ঘটনায় সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও কৃষক পর্যায়ে নির্ধারিত দামে সারের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে তদারকি আরো জোরদার করা প্রয়োজন। প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকলেও কৃষকরা সময়মতো ও নির্ধারিত দামে সার পাচ্ছেন কি না—সেটিই এখন মাঠ পর্যায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

    তবে সার সংকট নেই—এমন দাবি করা হলেও নিরাপত্তা মজুতে ঘাটতি দেখা গেছে। গত ২২ আগস্টের প্রতিবেদনের তথ্যমতে, ইউরিয়ার নিরাপত্তা মজুত থাকার কথা ৫ লাখ টন, সেখানে আছে ৪ লাখ ৯৬২ টন; অর্থাৎ ঘাটতি ৯৯ হাজার টন। একইভাবে টিএসপির ৪ লাখ টন; কিন্তু মজুত আছে ৩ লাখ ৩৭৩ টন; অর্থাৎ ঘাটতি সাড়ে ৯৯ হাজান টন। অনুরূপভাবে ডিএপির নিরাপত্তা মজুত থাকার কথা ৫ লাখ টন। কিন্তু আছে ৩ লাখ ২৭৭ টন; এখানেও ঘাটতি ২ লাখ টন। সবশেষ এমওপির মজুত থাকার কথা ৩ লাখ টন, সেখানে আছে ১ লাখ ৪৮৪ টন; এখানেও ঘাটতি প্রায় ২ লাখ টন।

    কৃষি মন্ত্রণালয়ের এই তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গ্যাস সংকটের কারণে সারের নিরাপত্তা মজুত অনেকটাই নিম্নমুখী। এ বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া জরুরি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের।

  • উড়ো চিঠি পাঠিয়ে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি

    উড়ো চিঠি পাঠিয়ে সাংবাদিককে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় উড়ো চিঠিতে হত্যার হুমকি পেয়েছেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক হাসান ইমাম ইবনে হাবীব ওরফে হাসান ইমাম রুবেল। গত বুধবার ভোরে উপজেলার হিড়িমদিয়া গ্রামে অবস্থিত তাঁর বাড়ির প্রধান ফটকের নিচে একটি খামে করে চিঠিটি রেখে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় তিনি সেদিনই ভেড়ামারা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

    ‘তৌহিদী জনতা’র নামে পাঠানো চিঠিতে হাসান ইমাম রুবেলকে তাঁর ফেসবুক প্রোফাইলের লেখালেখি পর্যালোচনা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এসব লেখালেখিকে ‘ইসলামবিরোধী’ আখ্যা দিয়ে তা বন্ধ করার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। অন্যথায় তাঁকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। চিঠির শেষাংশে এটিই ‘শেষ সতর্কবার্তা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি হাসান ইমাম
    রুবেলের ঢাকায় অবস্থান ও চলাফেরার তথ্য রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
    হাসান ইমাম রুবেল দৈনিক প্রথম আলোতে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। এ ছাড়া চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের আউটপুট এডিটর ও নিউজবাংলার নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি। বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমে সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিষয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন।

    ভেড়ামারা থানায় করা জিডিতে তিনি লিখেছেন, চিঠিতে তাঁর ফেসবুকের স্ট্যাটাস, মন্তব্য ও লেখালেখির কথা উল্লেখ করে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। এসব লেখাকে ইসলাম ও আলেম-ওলামাবিরোধী আখ্যা দিয়ে লেখালেখি বন্ধ করার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। অন্যথায় ‘প্রাণ নিয়ে ফিরতে পারবেন না’ ও ‘যেকোনো উপায়ে’ হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে তাঁর ছাত্রজীবনের বামপন্থি রাজনীতি ও ব্যক্তিগত তথ্য রয়েছে বলেও দাবিও করা হয়েছে। পাশাপাশি চলাফেরার ওপর নজর রাখা হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়। এসব কারণে তিনি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।
    হাসান ইমাম রুবেল বছরে দু’একবার পরিবার নিয়ে হিড়িমদিয়ার বাড়িতে অল্প কয়েকদিন অবস্থান করেন। তিনি বলেন, ‘পরিবার নিয়ে অনেক দিন পর গ্রামের বাড়িতে এসেছি। (বুধবার) ভোরে ফটকের নিচে তৌহিদী জনতার নামে চিঠি রেখে যাওয়া হয়। বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়ে জিডি করেছি। হুমকির প্রকৃত উৎস ও জড়িতদের তদন্তের মাধ্যমে শনাক্ত করার দাবি জানাচ্ছি।’ তাঁর ভাষ্য, চিঠির প্রেরক কে বা কারা, তা নিশ্চিত নন। কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনকে সরাসরি দায়ী না করে উৎস শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।
    ভেড়ামারা থানার ওসি মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান জানান, সাংবাদিক হাসান ইমাম রুবেল জিডি করেছেন। পুলিশ তাঁর বাড়ি পরিদর্শন করেছে। কারা জড়িত, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
    আরও হুমকি
    ভেড়ামারায় সাম্প্রতিক সময়ে এমন আরও কয়েকটি হুমকির তথ্য পাওয়া গেছে। জুনিয়াদহ ইউনিয়নের জগশ্বর গ্রামের কিয়ামাত আলী সরদারকে ১৭ আগস্ট বিশেষ বাহিনীর নামে উড়ো চিঠি দিয়ে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। এ ছাড়া একটি দলের জেলা কমিটির আহ্বায়ককেও কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন নম্বর থেকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

  • ব্রাহ্মণপাড়ায় ২০ বছর শিকলবন্দি আজাদ, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ চান এলাকাবাসী

    ব্রাহ্মণপাড়ায় ২০ বছর শিকলবন্দি আজাদ, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ চান এলাকাবাসী

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    একসময় যিনি ছিলেন চঞ্চল ও হাসিখুশি, সেই আজাদ মিয়ার (৪০) জীবনের প্রায় ২০ বছর কেটেছে চার দেয়ালের মধ্যে পায়ে শিকল পরা অবস্থায়। কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের টাটেরা গ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মুছা মিয়ার ছোট ছেলে আজাদের জীবনের এই করুণ চিত্র দেখা গেছে সরেজমিনে।

    চার ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট আজাদ মিয়া প্রায় ২০ বছর বয়স পর্যন্ত স্বাভাবিক জীবনযাপন করতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বর্তমানে একতলা টিনশেড ভবনের একটি স্যাঁতসেঁতে ঘরে তাকে পায়ে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। ঘরে কোনো খাট, বিছানা কিংবা বালিশ নেই। উশকোখুশকো চুলের আজাদের পরনে ছিল অপর্যাপ্ত পোশাক। নাম জানতে চাইলে হাসিমুখে নিজের নাম আজাদ এবং বয়স ৪০ বছর বলে জানান তিনি।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজাদের বয়স যখন প্রায় ২০ বছর, তখন পারিবারিক একটি ঘটনার জেরে বাড়িতে কাজ করতে আসা আবদুল লতিফ নামে এক দিনমজুরের সাথে তার তর্কাতর্কি হয়। একপর্যায়ে ওই দিনমজুর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। পরে সংক্রমণের কারণে তার একটি হাত কেটে ফেলতে হয় বলে জানা যায়। এর প্রায় দুই বছর পর বড় ভাইয়ের স্ত্রীর সাথে পারিবারিক কলহের ঘটনায় আজাদ তাকে মারধর করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

    পরিবারের দাবি, এসব ঘটনার পর থেকেই আজাদের আচরণে অস্বাভাবিকতা দেখা দেয় এবং নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই তাকে শিকল দিয়ে রাখা হচ্ছে। তবে গ্রামের একাধিক বাসিন্দা দীর্ঘদিন ধরে এভাবে একজন মানুষকে শিকলবন্দি করে রাখার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তার যথাযথ চিকিৎসা ও প্রশাসনিক উদ্যোগের দাবি জানিয়েছেন।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পার্শ্ববর্তী লোক এমন কয়েকজন বলেন, ‘আজাদের বাবা সরকারি চাকরি করতেন এবং মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। পরিবারের আর্থিক সামর্থ্যও রয়েছে। আজাদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা সঠিকভাবে পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা জরুরি।’

    এ বিষয়ে জানতে চাইলে আজাদের বড় ভাই ও অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য আমজাদ হোসেন বলেন, ‘আমার ভাই দু’টি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর পর নিরাপত্তার স্বার্থে তাকে শিকলে বেঁধে রাখতে বাধ্য হয়েছি। একসময় তাকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। চিকিৎসকেরা ভালো হওয়ার আশা কম দেখানোর পর আর নিয়মিত চিকিৎসা করানো হয়নি। তবে সম্প্রতি কুমিল্লায় একজন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞকে দেখানো হয়েছে। তিনি কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা দিয়ে আগামী মাসে আবার দেখা করতে বলেছেন।’

    সাহেবাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: মনির হোসেন চৌধুরী ঘটনাটিকে অত্যন্ত দুঃখজনক আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘বিষয়টি এইমাত্র অবগত হলাম। সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যকে নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যাব। বিস্তারিত জেনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

    ব্রাহ্মণপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: ফারুক হোসেন জানান, ঘটনাটি জানার পর বিষয়টি খতিয়ে দেখতে আজাদের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হবে।

    ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও সামাজিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি জানান।

    এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুন্নী ইসলামের সাথে মুঠোফোনে ও খুদে বার্তার মাধ্যমে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংবাদ লেখা পর্যন্ত তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

    দীর্ঘ দুই দশক ধরে একজন মানুষকে শিকলবন্দি করে রাখার এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। আজাদের প্রকৃত শারীরিক ও মানসিক অবস্থা নির্ণয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ চান এলাকাবাসী।

  • মিরসরাইয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

    মিরসরাইয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ভবনের ছাদে রাজমিস্ত্রির কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নুর আলম (২৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের বিষুমিয়ারহাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত নুর আলম জোরারগঞ্জ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম সোনাপাহাড় এলাকার জামশেদ আলীর ছেলে।

    স্থানীয়রা জানান, জীবিকার তাগিদে নুর আলম কখনো রাজমিস্ত্রি, কখনো ডেকোরেশনের হেলপার, আবার কখনো কারখানায় শ্রমিকের কাজ করতেন। বৃহস্পতিবার সকালে বিষুমিয়ারহাট এলাকায় একটি ভবনের ছাদে রাজমিস্ত্রির কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নুর আলমকে মৃত ঘোষণা করেন।

    স্থানীয় বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম ইমন বলেন, নুর আলম একেক সময় একেক কাজ করতেন। তিনি সব সময় মানুষের উপকার করতেন।

    মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক শুভ্রা জানান, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট এক যুবককে হাসপাতালে আনা হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

  • চুয়াডাঙ্গায় নানা আয়োজনে জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

    চুয়াডাঙ্গায় নানা আয়োজনে জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গায় দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে কবির স্মৃতিবিজড়িত স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

    বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় কার্পাসডাঙ্গার মিশনপাড়ার আটচালা ঘরের পাশে কবির স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সূচনা হয়। এতে স্থানীয় প্রশাসন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, কবি-সাহিত্যিক এবং সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

    দামুড়হুদা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) নেতৃত্বে কবির স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারাও ফুল দিয়ে জাতীয় কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

    পরে কার্পাসডাঙ্গা নজরুল স্মৃতি পাঠাগার প্রাঙ্গণে কবির বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

    আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মানবতা, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন।

    বক্তারা আরও বলেন, নজরুলের সৃষ্টিশীল জীবন ছিল মাত্র ২৩ বছরের। এই স্বল্প সময়েই তিনি কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ ও নাটকসহ বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় অনন্য অবদান রাখেন। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি তিনি সাংবাদিক, গায়ক ও অভিনেতা হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।

    কার্পাসডাঙ্গার সঙ্গে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের রয়েছে গভীর স্মৃতির সম্পর্ক। কবি ১৯২৬ ও ১৯২৭ সালে পরপর দুবার নদীপথে স্বপরিবারে এখানে এসেছিলেন। স্ত্রী প্রমীলা, দুই ছেলে সব্যসাচী ও বুলবুল এবং শাশুড়ি গিরিবালাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি কার্পাসডাঙ্গার মিশনপাড়ার হর্ষপ্রিয় বিশ্বাসের বাগানবাড়ির একটি আটচালা খড়ের ঘরে অবস্থান করেন। ঐতিহাসিক সেই ঘরটি এখনো কবির স্মৃতি বহন করছে।

    স্থানীয়দের মতে, কার্পাসডাঙ্গায় অবস্থানকালে নজরুল বিভিন্ন ছড়া, কবিতা ও গান রচনা করেন। ফলে স্থানটি নজরুলপ্রেমী ও সাহিত্য অনুরাগীদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। কবির স্মৃতি সংরক্ষণ ও নতুন প্রজন্মের কাছে তা তুলে ধরতে প্রতিবছর তাঁর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করা হয়।

    দিনব্যাপী কর্মসূচিতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • যশোর সীমান্তে ৭ লাখ টাকার মাদক-চোরাই মালামাল জব্দ

    যশোর সীমান্তে ৭ লাখ টাকার মাদক-চোরাই মালামাল জব্দ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    যশোর সীমান্তে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানের মালামাল জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    বুধবার যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)-এর অধীনস্থ হিজলী বিওপি, বেনাপোল আইসিপি এবং আমড়াখালী চেকপোস্টের টহলদল সীমান্তবর্তী এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে। দিনব্যাপী অভিযানে ভারতীয় ৫০ বোতল এসকাফ সিরাপ (নেশাজাতীয়), ৫৮টি শাড়ি, ৫৭টি চকলেট, ৩৬ কেজি ফুচকা, ১ কেজি জিরা, ০.৫ কেজি কিসমিস, ৫ প্যাকেট সনপাপড়ি এবং ৩৫২টি কসমেটিকস সামগ্রী আটক করা হয়। জব্দকৃত এসব চোরাচালানি মালামাল ও মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য ৭ লাখ ৫৫ হাজার ১০০ টাকা।

    যশোর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান, পিএসসি বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সীমান্ত সুরক্ষায় গোয়েন্দা তৎপরতাও চোরাচালান দমনে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

  • মাদারগঞ্জে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে কৃষকের মৃত্যু

    মাদারগঞ্জে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে কৃষকের মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    জামালপুরের মাদারগঞ্জে সেচ পাম্প চালু করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আজাহার মন্ডল (৫৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগষ্ট) সকালে উপজেলার বালিজুড়ী ইউনিয়নের চর শুভগাছা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আজাহার মন্ডল ওই এলাকার তফিল মন্ডলের ছেলে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে কৃষক আজাহার মন্ডল নিজের কৃষি জমিতে পানি দেয়ার উদ্দেশ্যে সেচপাম্পের সুইচ চালু করতে গেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।

    গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

  • মেহেরপুরে হারানো ১০৮ মোবাইল ফিরে পেলেন মালিকরা

    মেহেরপুরে হারানো ১০৮ মোবাইল ফিরে পেলেন মালিকরা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    মেহেরপুরে ১০৮টি হারানো মোবাইল ফোন এবং প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ১৭ লাখ ৪৩ হাজার টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলার পুলিশ সুপার কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে প্রকৃত মালিকদের কাছে মোবাইল ও অর্থ হস্তান্তর করেন পুলিশ সুপার উত্তম কুমার রায়। গত দুই মাসে মেহেরপুরে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের অভিযানে উদ্ধার হয় এসব মুঠোফোন ও নগদ অর্থ।

    পুলিশ জানায়, ২০২৬ সালের জুন ও জুলাই মাসে জেলার তিন থানায় সাধারণ ডায়েরির ভিত্তিতে ১০৮টি হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল। একই সময়ে ২৬টি ফেসবুক আইডিও রিকভার করা হয়। এ ছাড়া বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে প্রতারণা করে হাতিয়ে নেওয়া ভুক্তভোগীদের করা থানার জিডির ভিত্তিতে ১৬ লাখ ৮৪ হাজার টাকা এবং ভুলক্রমে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে চলে যাওয়া টাকা-সংক্রান্ত ছয়টি জিডির ভিত্তিতে ৫৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। মোট ১৭ লাখ ৪৩ হাজার টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    পুলিশ সুপার উত্তম কুমার রায় বলেন, ‘অনলাইন জুয়া, বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে ভিসা জালিয়াতি, বিকাশ প্রতারণা ও অনলাইন কেনাকাটাসহ বিভিন্ন সাইবার অপরাধের ঘটনা ঘটলে ভুক্তভোগীদের থানায় আসতে হবে। ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা দিতে কাজ করে যাচ্ছে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল।’

    অনলাইনে প্রতারণা থেকে বাঁচতে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ওটিপি কারও সঙ্গে শেয়ার না করা এবং অনলাইনে কেনাকাটার আগে যাচাই-বাছাই করার পরামর্শও দেন তিনি।

  • মোড়াগাছা স্কুলে মাদক-ইভটিজিংবিরোধী সভা

    মোড়াগাছা স্কুলে মাদক-ইভটিজিংবিরোধী সভা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার মোড়াগাছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মাদক, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুর ১২টায় বিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাসেন আলী মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খোকসা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা জাকির হোসেন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওসি মোল্লা জাকির হোসেন বলেন, মাদক, সন্ত্রাস, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ শুধু একটি পরিবার নয়, পুরো সমাজের জন্য ক্ষতিকর। এসব অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

    তিনি শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে দূরে থাকা, ইভটিজিং প্রতিরোধে সোচ্চার হওয়া এবং বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে পরিবার ও সমাজকে সচেতন করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে কোনো অপরাধ বা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের তথ্য পাওয়া গেলে তা দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর পরামর্শ দেন।

    সভায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অংশ নেন। এ সময় তাঁরা মাদক ও সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    সচেতনতামূলক এ আয়োজনকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করে উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা খোকসা থানা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

  • হাটহাজারীতে আমন চাষে বাড়তি খরচ, শ্রমিক সংকটে দুশ্চিন্তায় কৃষক

    হাটহাজারীতে আমন চাষে বাড়তি খরচ, শ্রমিক সংকটে দুশ্চিন্তায় কৃষক

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে রোপা আমন চাষে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা। জমি প্রস্তুত, চারা রোপণ, সার, কীটনাশক, সেচ ও কৃষিশ্রমিকের মজুরি—প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই ব্যয় বেড়েছে। এর সঙ্গে কোথাও কোথাও শ্রমিক সংকট দেখা দেওয়ায় বাড়তি মজুরি দিয়েও শ্রমিক নিতে হচ্ছে। ফলে উৎপাদন খরচের তুলনায় ধানের ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন কৃষকেরা।

    উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত বছরের তুলনায় এবার আমন চাষে জমি প্রস্তুত থেকে শুরু করে ধান কাটা পর্যন্ত ব্যয় বেড়েছে। বিশেষ করে পাওয়ার টিলারে জমি চাষ, চারা রোপণ, সেচ ও কৃষিশ্রমিকের মজুরি কৃষকদের বাড়তি চাপের মুখে ফেলেছে। পাশাপাশি সার, বীজ ও কীটনাশকের খরচও বেড়েছে।

    চারিয়া এলাকার কৃষক মো. আজগর আলী বলেন, এক কানি জমিতে আমন চাষে জমি প্রস্তুত, চারা রোপণ, সার প্রয়োগ, আগাছা পরিষ্কার, কীটনাশক, সেচ ও ধান কাটাসহ প্রতিটি ধাপেই খরচ হচ্ছে। শ্রমিক সংকটের কারণে প্রয়োজনের সময় শ্রমিক পাওয়া যায় না। ফলে বেশি মজুরি দিয়ে শ্রমিক নিতে হচ্ছে। ভালো ফলন হলেও উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে লাভ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    মির্জাপুর এলাকার কৃষক আবদুল করিম বলেন, ‘এবার জমি তৈরি, চারা রোপণ, সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি—সবকিছুর দাম বেশি। ধানের দাম যদি উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয়, তাহলে কৃষকের লাভ করা কঠিন হয়ে যাবে।’

    ধলই ইউনিয়নের কৃষক মো. সেলিম বলেন, ‘আমন চাষে সবচেয়ে বেশি খরচ হচ্ছে জমি প্রস্তুত ও শ্রমিকের মজুরিতে। এর সঙ্গে সার ও কীটনাশকের খরচও বেড়েছে। ধানের ভালো দাম না পেলে উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খেতে হবে।’

    কয়েকজন কৃষক অভিযোগ করেন, প্রয়োজনের সময় কোথাও কোথাও সার ও কৃষি উপকরণ কিনতে গিয়ে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি টাকা দিতে হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচ আরও বাড়ছে। তারা সার ও কৃষি উপকরণের বাজারে নিয়মিত নজরদারি এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

    সরেজমিনে উপজেলার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ৩০ টাকা কেজি দামের কিছু সার ৩৩ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। অর্থাৎ কেজিপ্রতি তিন টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। তবে সব দোকানে এমন চিত্র দেখা যায়নি।

    হাটহাজারী উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় রোপা আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ হাজার ৯৫৫ হেক্টর। কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষায় মাঠপর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘চলতি মৌসুমে হাটহাজারীতে রোপা আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৮ হাজার ৯৫৫ হেক্টর। উপজেলায় সার ও বীজের কোনো সংকট নেই। সার ও বীজের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। কেউ নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

    তিনি আরও বলেন, উৎপাদন খরচ কমাতে কৃষকদের পরিমিত সার ব্যবহার, উন্নত জাতের বীজ ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারে উৎসাহিত করা হচ্ছে। সার ও কৃষি উপকরণ নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে কি না, তা নজরদারি করা হচ্ছে।

    কৃষকদের দাবি, আমন মৌসুমে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় ধানের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা জরুরি। উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে যৌক্তিক দাম নিশ্চিত করা গেলে কৃষকেরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন। পাশাপাশি সার, বীজ ও কৃষি উপকরণ নির্ধারিত দামে বিক্রি নিশ্চিত করতে বাজার মনিটরিং আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

  • দিনাজপুরে শ্রমিক নেতার মুক্তির দাবিতে থানা ঘেরাও : যান চলাচল বন্ধ, সংঘর্ষ

    দিনাজপুরে শ্রমিক নেতার মুক্তির দাবিতে থানা ঘেরাও : যান চলাচল বন্ধ, সংঘর্ষ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    দিনাজপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগদানকারী শ্রমিক নেতা শেখ বাদশাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানাসহ সড়ক অবরোধ করেছে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা।

    এতে গোটা শহরজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী, পথচারীসহ সাধারণ মানুষ। কোতোয়ালি থানা অবরোধের সময় শ্রমিকদের দু’গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এতে কমপক্ষে ৬ শ্রমিক আহত হন।

    বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল থেকেই দিনাজপুরের সকল রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে।

    দিনাজপুর শহরের সরকারি কলেজ মোড়, ফুলবাড়ী বাসস্ট্যান্ড, বালুয়াডাঙ্গা টেম্পু স্ট্যান্ডসহ শহরের সবকটি প্রবেশপথ যানবাহন দিয়ে ব্যারিকেড দিয়ে রাখা হয়েছে। দুপুরের দিকে কোতোয়ালি থানার সামনে একটি বাসে আগুন জ্বালিয়ে দেয় ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা। এ সময় কয়েকটি বাসে ভাঙচুর চালানো হয়।

    বুধবার রাত ৯টার দিকে ৫ আগস্টের একটি মামলায় শ্রমিক নেতা শেখ বাদশাকে গ্রেফতার করে ডিবি পুলিশ। তার গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়লে বুধবার রাত থেকেই পরিবহন শ্রমিকরা দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাসসহ সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেয়।

    এছাড়া বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা রাস্তার মোড়ে মোড়ে বড় বড় বাস ও নাইট কোচ রেখে রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে। এতে গোটা শহরজুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

    পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘শ্রমিক নেতা শেখ বাদশা ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। তাকে আইন অনুসরণ করেই ধরা হয়েছে। শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের সাথে সমস্যা সমাধানে আলোচনা চলছে।’

    এদিকে শ্রমিকরা জানান, ‘শেখ বাদশাকে না ছাড়লে আমরা সড়ক অবরোধ তুলে নেব না। আমরা দ্রুত তার নিঃশর্ত মুক্তি চাই। তাকে না ছাড়লে উত্তরবঙ্গসহ সারা দেশ অচল করে দেয়া হবে।’

  • মহেশপুর  ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিনির্মানে মতবিনিময় সভা 

    মহেশপুর  ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিনির্মানে মতবিনিময় সভা 

    মোঃ মনিরুজ্জামান মহেশপুর (ঝিনাইদাহ)

    ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার সকল তফসিলি ব্যাংকের আয়োজনে এক দেশ এক QR লেনদেনে বাংলা QR ক্যাশলেস, বাংলাদেশ বিনির্মানে বাংলা QR বাস্তবায়নে জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

    বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলা অডিটোরিয়াম এ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের খুলনা জয়েন্ট ডিরেক্টর (জেডি) মোঃ সোহানুর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মহেশপুর ইসলামী ব্যাংকের সহকারী অফিসার (আরডিএস) পিএলসি মোঃ রফিকুল ইসলাম। মহেশপুর সোনালী ব্যাংকের পিএলসি এজিএম মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, ঝিনাইদহ জোনাল অফিস ও অগ্রনী ব্যাংকের পিএলসি মোঃ মোজাহারুল ইসলাম। ঝিনাইদহ ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি,এসএ ভিপি ও ব্যবস্থাপক মোঃ রুহুল আমীন। অনুষ্ঠান বক্তারা QR লেনদেনে বাংলা QR ব্যবহার করে সহজেই অর্থ লেনদেন করা যায় এবং QR app ব্যবহার করে গ্রাহক র্চাজ ছাড়া সহজেই অর্থ লেনদেন করতে পারে সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মহেশপুর ইসলামী ব্যাংকের ম্যানেজার মোঃ জামাল হোসেন। অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতা করেন বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনা।

    এ.আর

  • শিগগিরই চালু হবে মায়েদের রান্না করা মিড-ডে মিল

    শিগগিরই চালু হবে মায়েদের রান্না করা মিড-ডে মিল

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শ্রীলঙ্কা ও ভারতের তামিলনাড়ুর অভিজ্ঞতা অনুসরণ করে বাংলাদেশেও মায়েদের সম্পৃক্ততায় শিশুদের জন্য রান্না করা খাবার সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেন, ‘স্থানীয় বাজার থেকে শাকসবজি, ডিম, মাছসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করে মায়েদের মাধ্যমে রান্না ও সরবরাহের সম্ভাব্য মডেলগুলো পাইলট প্রকল্পে পরীক্ষা করা হবে।’বুধবার (২৬ আগস্ট) চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহিদ সাটু হলে আয়োজিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’ বিষয়ক প্রকল্পের ওপর প্রধান শিক্ষকদের ওরিয়েন্টেশন ও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পদ্ধতি একাধিক হতে পারে, তবে সরকারের মূল লক্ষ্য একটাই প্রতিটি শিশুর কাছে সঠিক সময়ে নিরাপদ, মানসম্মত ও পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেওয়া।’

    মিড-ডে মিল কর্মসূচি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মাদারস কমিটির কার্যকর নজরদারির ফলে মিড-ডে মিল প্রকল্পে অনিয়ম ও বিভিন্ন অভিযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। স্থানীয় পর্যায়ে মায়েদের সরাসরি সম্পৃক্ততা খাবারের মান, সরবরাহ ও বিতরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিটি বিদ্যালয়ে মাদারস কমিটিকে আরও সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। খাবারের গুণগত মান, গন্ধ, স্বাদ ও সরবরাহে কোনো অসঙ্গতি দেখা গেলে তাৎক্ষণিকভাবে তা প্রত্যাখ্যান করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। মায়েদের এই অংশগ্রহণের মাধ্যমে মিড-ডে মিল প্রকল্প আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও শিশুদের জন্য নিরাপদ হয়ে উঠছে।’

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর দুটি প্রধান লক্ষ্য হলো- কোনো শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে থাকবে না এবং প্রত্যেক শিশুকে মানসম্মত শিক্ষা দিতে হবে। এই দুটি লক্ষ্য বাস্তবায়নের মূল দায়িত্ব মাঠপর্যায়ের শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, শ্রেণি কার্যক্রম, শেখার অগ্রগতি এবং শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।’

    প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে, যাতে দীর্ঘ সময় বিদ্যালয়ের বাইরে থেকে প্রশিক্ষণ নিতে না হয় এবং এর ফলে বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট তৈরি না হয়। পাশাপাশি মূল্যায়নভিত্তিক পদোন্নতি, নতুন বদলি নীতি এবং শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়নের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দুর্গম এলাকার শিক্ষকদের সুবিধা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট বিদ্যালয়ভিত্তিক দুর্গম ভাতা প্রদানের বিষয়েও নতুন নীতিমালায় ব্যবস্থা রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

    তিনি বলেন, ‘শিক্ষক সংকট নিরসনে শূন্য পদ পূরণ, প্রধান শিক্ষক নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক নিশ্চিত করার কাজ এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে বিদ্যালয়গুলোতে নাইটগার্ড ও এমএলএসএসসহ প্রয়োজনীয় জনবল দেওয়ার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’

    প্রাথমিক শিক্ষার অবকাঠামো প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নদীভাঙনসহ বিভিন্ন কারণে যেসব বিদ্যালয় বারবার স্থান পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকে, সেসব এলাকায় স্থানান্তরযোগ্য অবকাঠামোর মডেল নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত বিভিন্ন মডেল পর্যালোচনা করে তা সরকারি ব্যবস্থায় প্রয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

    একই সঙ্গে ইলিয়াস কাঞ্চনকে নিয়ে মিথ্যা মৃত্যুসংবাদটি প্রথম কোথা থেকে ছড়ানো হয়েছে, তা শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানিয়েছে নিসচা। ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য তৈরি ও প্রচারের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়ে থাকলে বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

    সবশেষে ইলিয়াস কাঞ্চনের সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও সুন্দর জীবনের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে নিসচার নেতৃবৃন্দ।

  • শৈলকুপায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

    শৈলকুপায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    ঝিনাইদহের শৈলকুপায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

    বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে উপজেলার মাধবপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

    এলাকাবাসীর সূত্রে জানা গেছে, সকালে মাধবপুর গ্রামের অমর ভৌমিক ও তার স্ত্রী মীনাক্ষী রানী ঘাস কাটা মেশিনে ঘাস কাটতে গেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে আহত হন। আহত অবস্থায় তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।

    স্থানীয় মুকুল নামের এক ব্যক্তি জানান, গরুর ঘাস কাটার মেশিনে বিদ্যুৎ সংযোগ সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ায় তারা স্বামী-স্ত্রী বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দু’জনের মৃত্যু হয়।

    এ ব্যাপারে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা জানান, মাধবপুর গ্রামে ঘাস কাটা মেশিনের সাথে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামী-স্ত্রী দু’জনের মৃত্যু হয়েছে ।

  • চুয়াডাঙ্গায় জামায়াত কর্মীর ইন্তেকালে জেলা আমিরের শোক প্রকাশ

    চুয়াডাঙ্গায় জামায়াত কর্মীর ইন্তেকালে জেলা আমিরের শোক প্রকাশ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার কোর্টপাড়ার বিশিষ্ট সমাজসেবক, ইসলামী আন্দোলনের অন্যতম অগ্রসৈনিক এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ত্যাগী ও সাহসী কর্মী মো: ইউসুফ আলী মোল্লার (৭৫) ইন্তেকালে গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চুয়াডাঙ্গা জেলা আমির ও জাতীয় সংসদ সদস্য মো: রুহুল আমিন এবং জেলা সহকারী সেক্রেটারি ও জাতীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো: মাসুদ পারভেজ রাসেল।

    বুধবার (২৬ আগস্ট) এক যৌথ শোকবার্তায় এই দুই সংসদ সদস্য বলেন, ‘মরহুম ইউসুফ আলী মোল্লা ছিলেন দ্বীন প্রতিষ্ঠায় অকুতোভয় এক নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব। ইসলামী সমাজ বিনির্মাণে তার অপরিসীম ত্যাগ ও অনবদ্য অবদান আলমডাঙ্গাবাসী চিরকাল শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ রাখবে।’

    মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি মোল্লা ফারুক এলাহী এবং এনপিপির কেন্দ্রীয় নেতা মোল্লা মোহাম্মদ ফারুক এহসানের সম্মানিত বাবা।

    নেতৃবৃন্দ মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে মরহুমের জীবনের সকল নেক আমল কবুল করে তাকে জান্নাতুল ফেরদাউসের সর্বোচ্চ মর্যাদা দানের আকুল প্রার্থনা করেন। একই সাথে তারা মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, সন্তানাদি ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং পরম করুণাময় আল্লাহ যেন তাঁদের এই অপূরণীয় ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার ও সবর ধারণ করার তৌফিক দান করেন, সেই দোয়া করেন। আমিন।

    উল্লেখ্য, মোল্লা ইউসুফ বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

  • শ্রীপুরে জামায়াতের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন

    শ্রীপুরে জামায়াতের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে রাজাবাড়ী ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে।

    বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ১১টায় ধলাদিয়া কলেজ মাঠে ‘পরিবেশ রক্ষা ও বৃক্ষনিধন রোধে’ জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজাবাড়ী ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন শ্রীপুর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আবুল কালাম আজাদ।

    এ সময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বেশি বেশি গাছ লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজাবাড়ী ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি হাফেজ আল আমিন।

    অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজাবাড়ী ইউনিয়নের বায়তুলমাল সেক্রেটারি মো. সিরাজ উদ্দিন আকন্দ, ওলামা বিভাগের সেক্রেটারি ও ৭ নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদপ্রার্থী মাওলানা মো. হাবিবউল্লাহ, যুব বিভাগের সেক্রেটারি মো. মুমিনুর রহমান তুর্কি, জামায়াত নেতা উসমান শেখ, ৯ নং ওয়ার্ড সভাপতি মো. ওয়াকিল হোসেন, ছাত্রশিবির গাজীপুর সদর উপজেলা সভাপতি মো. সফর আলীসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ, কলেজের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রী।

    উদ্বোধন শেষে ধলাদিয়া কলেজ মাঠ চত্বরসহ বিভিন্ন স্থানে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।

  • মাগুরায় সিআইডি পুলিশ পরিচয়ে অপহরণের চেষ্টা, আটক ৭

    মাগুরায় সিআইডি পুলিশ পরিচয়ে অপহরণের চেষ্টা, আটক ৭

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    মাগুরায় সিআইডি পুলিশ পরিচয়ে এক নারীকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে সঙ্ঘবদ্ধ চক্রের সাত সদস্যকে আটক করেছে শ্রীপুর থানা পুলিশ।

    মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দিবাগত গভীর রাতে শ্রীপুর উপজেলার নাকোল পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

    আটক সাতজন হলেন— ঝিনাইদহ জেলার পাগলাখানা গ্রামের মোসা: আছমা খাতুন (৩১), পবহাটি এলাকার হাসানুজ্জামান (২৮), পাগলাখানার ওসমান গনি (২৫), আরবপুর এলাকার সালমান শাহ (২৫), নলডাঙ্গা এলাকার সাকিব (২৩), কুড়িগ্রাম জেলার কালিঘাট এলাকার ছাব্বির হোসেন (২২) ও মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার দেবিলা গ্রামের আল-আমিন হোসেন (২২)।

    বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের প্রেস কনফারেন্স রুমে পুলিশ সুপার (এসপি) মোল্যা আজাদ হোসেন জানান, একটি মাইক্রোবাসযোগে শ্রাবনী নামে এক নারীকে অপহরণের চেষ্টা করছিল চক্রটি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাকোল ক্যাম্পের পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা পালানোর চেষ্টা করে। মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) খায়রুল হাসানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

    এ সময় তল্লাশি চালিয়ে আটকদের কাছ থেকে সিআইডি লেখা চারটি এপ্রোন, একটি খেলনা পিস্তল ও আটটি মোবাইলফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ তাদের ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটিও জব্দ করেছে।

    তিনি আরো জানান, এই অপহরণ চক্রের মূল পরিকল্পনাকারী ভুক্তভোগী শ্রাবনীর দ্বিতীয় স্বামী শিমুলকে আটকের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটকদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হবে।

  • শ্রীপুরে নদীতে সাঁতার কাটতে গিয়ে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু

    শ্রীপুরে নদীতে সাঁতার কাটতে গিয়ে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    গাজীপুরের শ্রীপুরে সুতিয়া নদীতে সাঁতার কাটতে গিয়ে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের বাপ্তা-বেলদিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলো— বেলদিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে রাব্বী (১১) ও একই গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে মুত্তাসীন (১১)। তারা উভয়ই বাপ্তা-বেলদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

    নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল বাশার জানান, বিদ্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:)-এর অনুষ্ঠান শেষে রাব্বী ও মুত্তাসীন কয়েকজন বন্ধুর সাথে বাড়ির পাশের সুতিয়া নদীতে সাঁতার কাটতে যায়। এ সময় একজন সাঁতারে অনভিজ্ঞ হওয়ায় অপরজনকে ঝাপটিয়ে ধরলে একপর্যায়ে তারা দু’জনই পানিতে তলিয়ে যায়।

    এ সময় তাদের সাথে থাকা অন্য শিশুরা চিৎকার করলে স্বজন ও স্থানীয়রা ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

  • নড়াইলে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে ধাক্কা, ট্রলিচালক নিহত

    নড়াইলে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে ধাক্কা, ট্রলিচালক নিহত

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নড়াইল-কালিয়া সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে ধাক্কা খেয়ে ইটভাঙার কাজে ব্যবহৃত ট্রলিচালক মুত্তাকাব্বির সরদার (১৮) নিহত হয়েছেন।

    বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে চাচুড়ি বাজারে তুসার ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত মুত্তাকাব্বির কালিয়ার কদমতলা গ্রামের আসগর সরদারের ছেলে।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বুধবার দুপুরে নড়াইল-কালিয়া সড়কের চাচুড়ি বাজার এলাকায় একটি দোকানের মালামাল খালাসের জন্য ট্রাকটি দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় মুত্তাকাব্বির কালিয়া থেকে চাচুড়ির দিকে আসার পথে সেতু থেকে নামার সময় ট্রলিটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে থেমে থাকা ট্রাকের পেছনে ধাক্কা খায়। এ দুর্ঘটনায় ট্রলিচালক মুত্তাকাব্বিরের মাথা থেতলে ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়। তবে ট্রলিতে থাকা চালকের সহকারী রক্ষা পান।

    কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইদ্রিস আলী জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

  • ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানচৌগাছায় ২৭১ বস্তা সার জব্দ ২০ হাজার টাকাজরিমানা

    ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানচৌগাছায় ২৭১ বস্তা সার জব্দ ২০ হাজার টাকাজরিমানা


    এম এ রহিম, চৌগাছা
    যশোরের চৌগাছায় সরকারি নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির
    উদ্দেশ্যে গুদামজাত করে রাখা ২৭১ বস্তা সার জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার
    (২৬ আগস্ট দুপুরে) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌগাছা পৌর শহরের পারবাজার
    এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার
    ভূমি জি,এম,এ, মুনীব। এ সময় একটি গুদাম থেকে ২৭১ বস্তা সার জব্দ করা হয়।
    খাইরুল ইসলাম নামে অভিযুক্ত এক ব্যবসায়ীকে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬
    মোতাবেক ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার মুশাব্বির হুসাইন, উপজেলা
    বিএডিসি সার ডিলার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ইউনুচ আলী দফাদার,
    চৌগাছা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সেলিম রেজা আওলিয়ার ও
    চৌগাছা থানা পুলিশ। জব্দ করা সার সরকারি মূল্যে কৃষকদের মাঝে বিক্রি করা
    হয়েছে।
    এদিকে সোমবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও
    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জি,এম,এ, মুনীব ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুশাব্বির
    হোসাইন পৌর শহরের চাঁদপুর বটতলা মোড় এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় ১০
    বস্তা ইউরিয়া, ৫ বস্তা এমওপি, ১২ বস্তা টিএসপি এবং ১০ বস্তা ডিএপি সার জব্দ
    করেন। পরে সরকারি দামে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে সব সার বিক্রি করা হয়। বিক্রির
    টাকা সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে। এ সার বহন করার অপরাধে আলমসাধু
    চালক টিটোন হোসেনকে (৪১) ২ হাজার টাকা জরিমান করা হয়।
    এদিন সন্ধ্যায় উপজেলা সহকারী কৃষি অফিসার সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে খাইরুল
    ইসলামের বিরুদ্ধে চৌগাছা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত খাইরুল
    ইসলাম উপজেলার ধুলিয়ানী ইউনিয়নের আজমতপুর গ্রামের মৃত রওশন আলীর ছেলে।
    স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, একটি অসাধু চক্র নিয়িমিত সরকারি সার
    কালোবাজারে বিক্রির উদ্দেশ্যে কালো পলিথিনে ঢেকে আলমসাধু, ভ্যান, পিকআপ ও
    ট্রাকে করে অন্যত্র নিয়ে যায়। এ ধরনের অনিয়ম বন্ধে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর
    নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।
    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুসাব্বির হোসাইন বলেন, জব্দ করা সার প্রকৃত
    কৃষকদের কাছে সরকারি দামে বিক্রি ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী
    ম্যাজিস্ট্রেট জি,এম,এ, মুনীব বলেন, কৃষকের স্বার্থবিরোধী যেকোনো
    অনিয়মের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    এ,আর

  • চুয়াডাঙ্গায় সাপের কামড়ে কিশোরের মৃত্যু

    চুয়াডাঙ্গায় সাপের কামড়ে কিশোরের মৃত্যু

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় সাপের কামড়ে রিফাত হোসেন (১৪) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।

    মঙ্গলবার দিনগত রাত ২টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের শেখপাড়ায় ওই ঘটনা ঘটে।

    নিহত রিফাত হোসেন উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের মিন্টু মিয়ার ছোট ছেলে।

    স্বজন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাতে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় রিফাত হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে। শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেসবাহ্ উদ্দিন সাপে কেটে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার বিষয়টি আইনগত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সা: উদযাপন

    খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সা: উদযাপন

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সা: উদযাপন করা হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে এ উপলক্ষে খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) নগর ভবন চত্বরে মহানবী সা:-এর জীবন ও আদর্শের ওপর আলোচনা সভা, হামদ ও নাত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, মহানবী সা:-এর আদর্শ ধারণ, অনুসরণ ও অনুকরণ করা প্রয়োজন। তিনি ইসলাম ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছেন, দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করেছেন এবং আমাদের ধর্ম পালন শিখিয়েছেন।

    কেসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার মো: মনিরুজ্জামান রহিমের সঞ্চালনায় খুলনা সিটি করপোরেশন আয়োজিত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, সচিব মো: রেজা রশীদ, ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ কেসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

    মহানবী সা:-এর জীবন ও আদর্শের ওপর আলোচনা করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মো: আবদুল্লাহ, কেসিসির শিক্ষক সমিতির সভাপতি নাসির উদ্দিন কাশেমী, ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মো: গোলাম কিবরিয়া ও মাওলানা মো: মুসফিকুর রহমান।

    অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি হামদ-নাত প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

    এছাড়া পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সা: উদযাপন উপলক্ষে জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ শিশু অ্যাকাডেমি খুলনার যৌথ আয়োজনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রচনা, হামদ ও নাত প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

    এ উপলক্ষে জেলার সব মসজিদে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং মসজিদ কমিটির সহযোগিতায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কর্তৃক মহানবী হযরত মুহম্মদ সা:-এর জীবনী, কর্ম ও শিক্ষা, ইসলামে শান্তি, প্রগতি, সৌহার্দ্য, সহিষ্ণুতা, বিশ্বভ্রাতৃত্ব, মানবাধিকার ও নারীর মর্যাদা ইত্যাদি বিষয়ের ওপর আলোচনা হয়। এছাড়া কেরাত, দোয়া মাহফিল, হামদ-নাত, কবিতা পাঠ, শিক্ষার্থীদের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও মহানবী হযরত মুহম্মদ সা:-এর জীবনীর ওপর কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। শিশুদের জন্য হামদ-নাত, মহানবী সা:-এর জীবন ও কর্মভিত্তিক কবিতা, আলোচনা সভা ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

  • চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল

    চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল পরিদর্শনে এমপি মাসুদ পারভেজ রাসেল

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা, রোগীদের সুযোগ-সুবিধা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর নিচ্ছেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল। সাধারণ মানুষ যাতে সরকারি হাসপাতালে এসে কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করতে হাসপাতালের সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।

    এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল পরিদর্শন করেন সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল। এ সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখেন এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসাসেবার পরিস্থিতি তদারকি করেন।

    পরিদর্শনকালে তিনি হাসপাতালের চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং রোগীদের কাছ থেকেও চিকিৎসাসেবা ও সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে খোঁজ নেন। একই সঙ্গে হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনার বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. বিদ্যুৎ কুমার, হাসপাতালের সার্জারি কনসালটেন্ট ডা. এহসানূল হক তন্ময়, চুয়াডাঙ্গা জেলা ও সদর উপজেলা জামায়াতের নেতাকর্মীসহ হাসপাতালের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী।

    জনগণ যাতে সরকারি হাসপাতাল থেকে প্রয়োজনীয় ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পান, পরিদর্শনকালে সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে হাসপাতালের সেবার মানোন্নয়ন ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত রাখার গুরুত্বও তুলে ধরেন সংসদ সদস্য মাসুদ পারভেজ রাসেল।

  • চুয়াডাঙ্গায় স্ত্রীকে‌ গলা কেটে হত্যার দায়ে স্বামীর আমৃত্যু কারাদণ্ড

    চুয়াডাঙ্গায় স্ত্রীকে‌ গলা কেটে হত্যার দায়ে স্বামীর আমৃত্যু কারাদণ্ড

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    চুয়াডাঙ্গায় স্ত্রীকে ধারালো দা দিয়ে গলা কেটে হত্যার দায়ে রহম আলী (৬০) নামের এক ব্যক্তিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে চুয়াডাঙ্গার বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক শিমুল কুমার বিশ্বাস এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত রহম আলী চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের মৃত আবু তালেবের ছেলে।

    রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে চুয়াডাঙ্গা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মারুফ সারোয়ার বাবু।

    আদালতের নথি ও মামলা সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২৫ বছর আগে রহম আলীর সঙ্গে আলেয়া বেগমের (৪০) বিয়ে হয়। তাদের চার সন্তান। আলেয়াকে বিয়ের আগে রহম আলীর আরও দুটি বিয়ে করেছিলেন। তিনি মাদকাসক্ত এবং বিভিন্ন সময় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে মারধর করতেন।

    ২০১৫ সালের ১৪ নভেম্বর রাতে খাবার খেয়ে দুই মেয়েকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন ভোর সাড়ে ৪টার দিকে দরজা খোলার শব্দে মেয়ে লিপছিয়ার ঘুম ভাঙে। সে দেখতে পায়, তার বাবা রহম আলীর হাতে রক্তমাখা একটি গাছি দা। রহম আলী দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে যান। পরে চৌকির নিচে তাকিয়ে লিপছিয়া মায়ের গলাকাটা রক্তাক্ত দেহ দেখতে পায়। তার চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যরা ছুটে এসে আলেয়ার মরদেহ দেখতে পান।

    এ ঘটনায় আলেয়ার ছেলে চাঁন মিয়া বাদী হয়ে রহম আলীর বিরুদ্ধে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন তৎকালীন চুয়াডাঙ্গা সদর থানার এসআই মহসিন আলী। ২০১৬ সালের ৪ মার্চ তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ১৩ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মঙ্গলবার রায় ঘোষণা করেন আদালত। মফিজ জোয়ার্দ্দার, চুয়াডাঙ্গা।

  • চুয়াডাঙ্গায় র‍্যাবের অভিযানে বিপুল ভারতীয় সিরাপ ও নগদ টাকা উদ্ধার, গ্রেফতার ১

    চুয়াডাঙ্গায় র‍্যাবের অভিযানে বিপুল ভারতীয় সিরাপ ও নগদ টাকা উদ্ধার, গ্রেফতার ১

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় সিরাপ, নগদ টাকা ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেলসহ ইমন আহম্মেদ (২৪) নামে এক যুবককে আটক করেছে র‍্যাব-১২ মেহেরপুর ক্যাম্পের সদস্যরা।

    মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে জীবননগর উপজেলার নতুনপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটক ইমন আহম্মেদ উপজেলার নতুনপাড়া এলাকার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।

    র‍্যাব-১২ সিপিসি-৩ মেহেরপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার (ভারপ্রাপ্ত) সহকারী পুলিশ সুপার হান্নান হাওলাদার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জীবননগর উপজেলার সীমান্তবর্তী নতুনপাড়া এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালানো হয়। এ সময় ইমন আহম্মেদকে আটক করা হয়।

    পরে তাঁর কাছ থেকে ৫৪২ বোতল স্ক্যার্ফ সিরাপ ও ১১০ বোতল উইনক্যারেক্স সিরাপ, মোট ৬৫২ বোতল সিরাপ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তাঁর হেফাজত থেকে নগদ ১৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

    উদ্ধার করা সিরাপগুলো ভারতীয়। সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে এসব সিরাপ বাংলাদেশে এনে মাদক হিসেবে সরবরাহ বা বিক্রির উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ নগদ টাকার উৎস নিয়েও তদন্ত চলছে।

    র‍্যাব-১২ মেহেরপুর ক্যাম্প সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদকদ্রব্যের চোরাচালান ও পরিবহন বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবারের অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। অভিযানে উদ্ধার হওয়া সিরাপ, নগদ টাকা ও মোটরসাইকেল আইনগত প্রক্রিয়ায় জব্দ করা হয়েছে।

    এ ঘটনায় আটক ইমন আহম্মেদের বিরুদ্ধে জীবননগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) সারণির ১৪(গ)/৩৮/৪১ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    র‍্যাব জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নড়াইলে ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী হুমায়ুনের নাম ঘোষণা

    নড়াইলে ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী হুমায়ুনের নাম ঘোষণা

    নড়াইল প্রতিনিধি

    দীর্ঘ ৪০ বছরের দ্বন্দ্ব ভুলে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার নোয়াগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে হুমায়ুন কবির শেখের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে ব্রাহ্মণডাঙ্গা দাখিল মাদরাসা চত্বরে পাঁচ গ্রামের হাজারো মানুষ এককাতারে মিলিত হন। সবাই ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী হুমায়ুন কবিরের জন্য একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি বিবাদপূর্ণ পাঁচটি গ্রামে শান্তি-শৃঙ্খলারক্ষায় সবাই একযোগে কাজ করবেন বলে প্রতিজ্ঞা করেন।

    সমাজসেবক চর-ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের আবুল হোসেন মোল্লার সভাপতিত্বে এবং সাবেক ইউপি সদস্য খায়রুল ইসলামের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন-নোয়াগ্রাম ইউনিয়ন শ্রমিকদলের সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী হুমায়ুন কবির শেখ।

    এছাড়া বক্তব্য দেন-নোয়াগ্রাম ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান নুর নবী, সাবেক ইউপি সদস্য কায়কোবাদ লস্কার, সমাজসেবক সাহিদার রহমান মোল্লা, নাজির মোল্লা, মনজুরুল ইসলাম মিলন, শামীম পারভেজ জনি, ব্রাহ্মণডাঙ্গা দাখিল মাদরাসার সুপার মাওলানা মিজানুর রহমানসহ অনেকে।

    বক্তারা বলেন, দীর্ঘ ৪০ বছরের দ্বন্দ্ব ভুলে নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের হান্দলা, বাড়ীভাঙ্গা, কাংকুল, ব্রাহ্মণডাঙ্গা ও চর-ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের বিভিন্ন পেশার হাজারো মানুষ এককাতারে মিলিত হয়েছেন। দীর্ঘদিনের গ্রাম্য সংঘাত, হানাহানি ভুলে সবাই অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছেন আর কোনো মারামারি করবেন না। হত্যাকান্ডে জড়াবেন না। দীর্ঘ ৪০ বছরের ইতিহাসে পাঁচটি গ্রামের দ্বন্দ্বের জেরে অর্ধশতাধিক সহিংসতায় অন্ততপক্ষে পাঁচজন হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছেন। প্রায় এক হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। ব্যাপক বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট হয়েছে। কিন্তু এখন থেকে ওই পাঁচগ্রামে আর কোনো হানাহানি ও মারামারি কেউ করবেন না। এই মতবিনিময় সভায় পাঁচটি গ্রামে শান্তি অটুট রাখার জন্য নোয়াগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে হুমায়ুন কবির শেখের নাম ঘোষণা করা হয়। আগামী ইউপি নির্বাচনে হুমায়ুন কবির শেখকে বিজয়ী করতে এবং গ্রামে শান্তি-শৃঙ্খলারক্ষায় সবাই একযোগে কাজ করবেন বলে অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    প্রসঙ্গত, নড়াইলের নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের হান্দলা, বাড়ীভাঙ্গা, কাংকুল, ব্রাহ্মণডাঙ্গা ও চর-ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামে আধিপত্য বিস্তার, ইউপি নির্বাচন, জমিজমাসহ বিভিন্ন ঘটনায় প্রায়ই দ্বন্দ্ব-সংঘাত সৃষ্টি হতো। যা প্রায় ৪০ বছর ধরে চলে আসছিল। বিশেষ করে ইউপি নির্বাচন পরবর্তী বেশি মারামারি হতো। এসব সংঘাত আজ (মঙ্গলবার) থেকে অবসান হলো। সবার মাঝে সম্প্রীতি রক্ষায় আসন্ন ইউপি নির্বাচনে হুমায়ুন কবির শেখকে পাঁচটি গ্রামের পক্ষ থেকে একক চেয়ারম্যান প্রাথী ঘোষণা করলেন গ্রামবাসী।

    এদিকে গ্রাম্য হানাহানি, দ্বন্দ্ব-সংঘাত, হত্যাকান্ড এড়াতে পাঁচ গ্রামের মানুষের এককাতারে মিলিত হওয়াকে বিভিন্ন পেশার মানুষ ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের প্রত্যাশা-এ বন্ধন যেন আজীবন অটুট থাকে।

  • ভেড়ামারায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু

    ভেড়ামারায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু

    কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় সবজি ক্ষেতে পানি দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো: আলেফ (৩৭) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ৬টা ২০ মিনিটের দিকে উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের উত্তর ভবানীপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত আলেফ ওই গ্রামের আলী আকবরের ছেলে।

    স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহত আলেফ অত্যন্ত দরিদ্র ও ভূমিহীন ছিলেন। তিনি অন্যের জমি লিজ নিয়ে সবজির চারা উৎপাদন এবং তা স্থানীয় কৃষকদের কাছে বিক্রি করে সংসার চালাতেন।

    প্রতিদিনের মতো সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তিনি দনিজের নার্সারিতে চারাগাছে পানি দিচ্ছিলেন। এ সময় অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে আসলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান।

    একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে সন্তানদের লেখাপড়াসহ পরিবারের সামগ্রিক ব্যয় নির্বাহে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

    স্থানীয়রা জানান, কঠোর পরিশ্রম করে পরিবারটি আগলে রেখেছিলেন আলেফ। তার মৃত্যুতে পরিবারটি আজ পুরোপুরি অসহায়। এ অবস্থায় পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

  • মহেশপুরে শিশুনিলয় ফাউন্ডেশনের ইমিটেশন এর উপর কর্মশালা অনুষ্ঠিত। 

    মহেশপুরে শিশুনিলয় ফাউন্ডেশনের ইমিটেশন এর উপর কর্মশালা অনুষ্ঠিত। 

    মনিরুজ্জামান মহেশপুর (ঝিনাইদহ)

    ঝিনাইদহের মহেশপুরে শিশুনিলয় ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নির্ধারিত প্রকল্পের আওতায় ইমিটেশন জুয়েলারি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে প্রস্ততকারকদের সাথে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকালে পৌরসভার হলরুমে শিশুনিলয় ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাজ্জাদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঝিনাইদহ বিসিকের ডেপুটি ম্যানেজার সেলিনা রহমান। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ক্যামিকেল ব্যবসায়ী তাইজুল ইসলাম,আমির হোসেন। প্রায় অর্ধশত উদ্যোক্তা অংগ্রহণ করেন এই কর্মশালায়। কর্মশালায় ইমিটেশন জুয়েলারি উৎপাদন ও মার্কেটে এর চাহিদা বাড়ানো এবং বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়। উল্লেখ্য দেশের উল্লেখ্যযোগ্য বাজার দখল করে আছে মহেশপুর ইমিটেশন জুয়েলারি। এই উপজেলায় প্রায় ৬/৭ হাজার শ্রমিক কাজ করে এবং প্রায় ২/৩ হাজার উদ্যোক্তা রয়েছে। বক্তারা এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য সরকারের সহযোগিতা কামনা করে। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শিশুনিলয় ফাউন্ডেশনের প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার ইমদাদুল হোসেন।

  • মানিকগঞ্জে আলোচিত হিরন হত্যা মামলায় ৮ জনের যাবজ্জীবন

    মানিকগঞ্জে আলোচিত হিরন হত্যা মামলায় ৮ জনের যাবজ্জীবন

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    মানিকগঞ্জে ২০০৯ সালের আলোচিত আব্দুল মজিদ হিরন হত্যা মামলায় আট আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. তাছিম বিল্যাহ এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও অতিরিক্ত পিপি বুলবুল আহমেদ গোলাপ।

    দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মর্জিনা, ফালানী, মিজান খান, রুস্তম খান, সবুজ আহমেদ, সেলিম মিয়া, আনিস ও রফিক।

    মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ৭ অক্টোবর রাতে সাটুরিয়ার রাইল্যা গ্রামের আব্দুল মজিদ হিরন নামাজ ও খাওয়া শেষে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরদিন ধলেশ্বরী নদীর পশ্চিম পাড়ের একটি মেহগনি বাগান থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এজাহারে হিরনকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ করা হয়।

    দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় মামলায় ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন। একই মামলায় আরও সাত আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মামলা চলাকালে দুই আসামির মৃত্যু হয়।

  • রূপগঞ্জে পৃথক অভিযানে ৭৬ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ৩

    রূপগঞ্জে পৃথক অভিযানে ৭৬ কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার ৩

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৫১ পিস ইয়াবা, ১০ গ্রাম হেরোইন ও ৭৬ কেজি গাঁজাসহ এক নারীসহ তিন মাদককারবারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ভোরে উপজেলার মুড়াপাড়া, চনপাড়া ও ছোটবানিয়াদী এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতাররা হলেন রূপগঞ্জ উপজেলার মুড়াপাড়া ইউনিয়নের ছোট বানিয়াদি এলাকার মনির হোসেন ওরফে ডিব্বা মনিরের স্ত্রী রিকু আক্তার (২৯), শরীয়তপুর জেলার জাজিরা থানার কৃষ্ণনগর এলাকার মরহুম মেহের আলী মুন্সির ছেলে আব্দুল মান্নান (৩৯) ও একই এলাকার মরহুম রহম আকন মিয়ার ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৩৬)। আব্দুল মান্নান ও দেলোয়ার হোসেন রূপগঞ্জের ফকির আলীর বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছেন।

    থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ এইচ এম সালাউদ্দিন বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রূপগঞ্জ থানা পুলিশের পৃথক দল এ অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে আব্দুল মান্নান ও দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জ থানাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।’

  • সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে ৭২ বস্তা সার উদ্ধার

    সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে ৭২ বস্তা সার উদ্ধার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন সরকারের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৭২ বস্তা সার উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় তাকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকালে উপজেলার উত্তর মন্দুয়ার এলাকায় শাহীন সরকারের বাড়িতে অভিযান চালায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসিম উদ্দিন।

    শাহীন সরকার (৬০) উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ।

    উপজেলা প্রশাসন জানায়, অভিযানে অবৈধভাবে মজুত রাখা এসব সার উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ১৩ বস্তা ইউরিয়া, ২৮ বস্তা জিপসাম, ১৬ বস্তা ডিএপি, ১৩ বস্তা টিএসপি ও ২ বস্তা পটাশ সার রয়েছে। এসব সারের বাজার মূল্য প্রায় ৫৬ হাজার ৭০০ টাকা।

    তবে শাহীন সরকার বলেন, ‘আমরা প্রান্তিক কৃষক। বাড়িতে রাখা এসব সার বিক্রির উদ্দেশ্যে বা অবৈধভাবে মজুত করা হয়নি। রোপা আমন জমিতে ব্যবহারের জন্য রাখা হয়েছিল। ’

    সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসিম উদ্দিন বলেন, কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা সার কেউ অবৈধভাবে মজুত করলে বা বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নারায়ণগঞ্জে সুতার মিল থেকে শ্রমিকের লাশ উদ্ধার

    নারায়ণগঞ্জে সুতার মিল থেকে শ্রমিকের লাশ উদ্ধার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে একটি সুতার মিল থেকে এস এম তানিম (৩০) নামে এক শ্রমিকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া এলাকার আব্বাস চেয়ারম্যানের একটি সুতার মিল থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

    তানিম চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়নের খন্দকারবাড়ি এলাকার আবদুর রাজ্জাকের ছেলে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার দুপুরে মিলের ভেতরে একটি আড়ার সঙ্গে রশি দিয়ে তানিমকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় লোকজন ও সহকর্মীরা।

    পরে তাঁরা বিষয়টি আড়াইহাজার থানা-পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

    আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সবজেল হোসেন জানান, তানিমের মৃত্যুর সঠিক কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    বন্ধ অভ্যন্তরীণ রুটের বাস চলাচলময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

  • নাগরপুরে কলেজ ছাত্রকে হত্যার পর মাটিচাপা, গ্রেফতার ১

    নাগরপুরে কলেজ ছাত্রকে হত্যার পর মাটিচাপা, গ্রেফতার ১

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    টাঙ্গাইলের নাগরপুরে শ্বাসরোধে হত্যা পর মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় মো: শামিম (২৩) নামে এক কলেজ ছাত্রের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অনিক (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ৭টার দিকে মাটিচাপা অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়

    নিহত শামিম ভাদ্রা ইউনিয়নের পং ভাদ্রা গ্রামের বিল্লাল মল্লিকের ছেলে। তিনি সাইক ইনিস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজির শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী।

    গ্রেফতার অনিক উপজেলার ভিকন ভাদ্রা গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে।

    পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার বিকাল ৪টার দিকে অনিক ফোন করে শামিমকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে শামিম নিখোঁজ হন। স্বজনরা সম্ভ্যাব্য সব জায়গায় খোঁজ নেন কিন্তু তাকে পাওয়া যায়নি। পরে শামিমের বাবা নাগরপুর থানায় সাধারণ ডাইরি (জিডি) করেন।

    শামিমের কল লিস্টের সূত্র ধরে সোমবার রাতে অনিককে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। পরে তিনি জিজ্ঞাসাবাদে শামিমকে গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ তার বাড়ির পাশে চাপা দেয়া কথা স্বীকার করেন। পুলিশ অনিকের বাড়ি থেকে শামিমের মোবাইল ফোন উদ্বার করে ও মঙ্গলবার সকালে তার দেয়া তথ্যমতে ঘটনাস্থল থেকে শামিমের বস্তাবন্দি অর্ধগলিত লাশটি উদ্বার করে।

    নিহতের বাবা বিল্লাল মল্লিক বলেন, ‘ঘাতক অনিক শামিমের মোবাইল থেকে আমার বাড়িতে ফোন করে দেড় লাখ টাকা ৩০ মিনিটের মধ্যে পাঠাতে বলে ফোন বন্ধ করে দেয়।’ তিনি সন্তান হত্যার সুষ্ঠু বিচার ও দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।

    নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: জহুরুল ইসলাম জানান, লাশ উদ্বার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে নিহতের বাবা একটি হত্যা মামলা করেছেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে অনিক নামের একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অনিক একজন মাদকাসক্ত ও মাদককারবারি। জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে বেশকিছু তথ্য পেয়েছে পুলিশ।

    এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের ব্যাপারে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

  • জীবননগরে কোরআনে হাফেজ সিহাব ৫ দিন ধরে নিখোঁজ

    জীবননগরে কোরআনে হাফেজ সিহাব ৫ দিন ধরে নিখোঁজ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়নের ঘুগরাগাছি গ্রামে ২১ পারা কোরআনের হাফেজ কিশোর সিহাব হোসেন (১৪) গত পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। তাকে খুঁজে না পেয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে তার পরিবার।

    নিখোঁজ সিহাব হোসেন ঘুগরাগাছি গ্রামের কৃষক জাহাঙ্গীর মণ্ডলের ছেলে। সে আন্দুলবাড়ীয়া পারেশ শাহ দরগা মাদরাসার ছাত্র। পরিবারের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে মাদরাসায় যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয় সিহাব। তবে পরে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, সে মাদরাসায় পৌঁছায়নি।

    এরপর পরিবারের লোকজন সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনদের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নেয়া হলেও এখন পর্যন্ত সিহাবের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

    সিহাবের নিখোঁজের ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও হতাশা বিরাজ করছে। সন্তানের সন্ধান পেতে পরিবারের পক্ষ থেকে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে জীবননগর থানায় জিডি করা হয়েছে (জিডি নম্বর-১২০০, তারিখ: ২৫-০৮-২৬)। পরিবারের পক্ষ থেকে সিহাবকে দ্রুত খুঁজে পেতে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

    কেউ সিহাব হোসেনের সন্ধান পেয়ে থাকলে অথবা তার অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে তার ভাই শিলন হোসেনের সাথে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

    যোগাযোগ: শিলন হোসেন, মোবাইল: ০১৯৯০৩৬৭৮৩, ০১৭৩৪-৫২৭৪৮২।

  • উলিপুরে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা গ্রেফতার

    উলিপুরে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা গ্রেফতার

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    কুড়িগ্রামের উলিপুরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা নাশকতার মামলায় ইউনুস আলী (৪২) নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    গ্রেফতার ইউনুস সাদুল্যা গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে ও তবকপুর ইউনিয়নে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত।

    পুলিশের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার বিকেলে তবকপুর ইউনিয়নের সাদুল্যা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইউনুসকে গ্রেফতার করা হয়।

    মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১২ নভেম্বর রাতে দুর্গাপুর ইউনিয়নের অর্জুনডারা সেতুর পূর্ব পাশে মোগলবাসাগামী সড়কে নাশকতার ঘটনা ঘটে। গোড়াই ছোট ড্রেন সেতুর ওপর পেট্রোল ঢেলে টায়ারে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। ১৩ নভেম্বরের ডাকা লকডাউনকে কেন্দ্র করে সড়কে আতঙ্ক তৈরি ও নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছিল বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

    খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সেখানে থাকা ইউনুসসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দ্রুত পালিয়ে যান। পরে ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। সেই মামলায় পলাতক ইউনুসকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দিক জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে ইউনুসকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

  • বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধনসহ সার্বিক সংস্কারে সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি

    বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধনসহ সার্বিক সংস্কারে সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি

    বাংলাদেশের আইনি ও বিচারিক সংস্কার এবং সংবিধান সংশোধনসহ সার্বিক সংস্কার প্রক্রিয়ায় ইউএনডিপি পূর্ণ সহযোগিতা করতে চায় বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

    আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর অফিসকক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসেন জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিগেজ। এ সময় তিনি সহযোগিতার কথা জানান।

    বৈঠকে সাংবিধানিক সংস্কার, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তা, পুলিশের সামর্থ্য বৃদ্ধি, গুজব ও অপতথ্য রোধে প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা, প্রস্তাবিত জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

    বৈঠকে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি বলেন, ‘আমরা বর্তমান সরকারের লক্ষ্য, অগ্রাধিকার ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করতে চাই।’

    তিনি মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘আপনি সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির সভাপতি মনোনীত হয়েছেন জেনে আমরা আনন্দিত। আপনি চাইলে আমরা এ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করতে আগ্রহী।’

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইউএনডিপির ধারাবাহিক সহায়তার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করার আহ্বান জানান। বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) জন্য ইউএনডিপির সহায়তার কথা উল্লেখ করে আবাসিক প্রতিনিধি জানান, ক্যাম্প এলাকায় পরিবেশ সুরক্ষা (যেমন-পাহাড় ধস প্রতিরোধ) এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে ক্যাম্পের অভ্যন্তরীণ জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ইউএনডিপি কাজ করে যাচ্ছে।

    এ সময় মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্তমান অবকাঠামোর যথোপযুক্ত উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন চাই, তবে বৃহত্তর স্বার্থে সেখানে নতুন করে কোনো অবকাঠামো নির্মাণ করতে চাই না।’

    আবাসিক প্রতিনিধি জানান, ইউএনডিপি বাংলাদেশ পুলিশের পেশাগত দক্ষতা ও সামর্থ্য বৃদ্ধিতে নাগরিক অধিকার সংরক্ষণ, সংঘাত ও বিরোধ নিষ্পত্তিসহ নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করছে। মন্ত্রীও এ সময় পুলিশের দক্ষতা ও সামর্থ্য বৃদ্ধিতে ইউএনডিপির সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার প্রতিরোধ প্রসঙ্গে আবাসিক প্রতিনিধি বলেন, ‘বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন গুজব, অপতথ্য ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ছে। এগুলো কার্যকরভাবে রোধে আমরা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করছি। এ ক্ষেত্রে আমরা প্রযুক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা দিতে চাই, যাতে কোনো লঙ্ঘন ঘটলে দ্রুত প্রতিকার নিশ্চিত করা যায়।’

    মন্ত্রী এ বিষয়ে বলেন, সাইবার সুরক্ষা আইন ইতিমধ্যে পাস হয়েছে। আপনারা এ আইনের সফল বাস্তবায়নে লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করতে পারেন।

    প্রস্তাবিত মানবাধিকার কমিশন আইন সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে এবং জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে এটি পাস হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। তিনি বলেন, আইনটি প্রণয়নে ইউএনডিপি, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা, বিদেশি মিশন, উন্নয়ন অংশীদার, পত্রিকার সম্পাদক ও আইনজীবীসহ বিভিন্ন অংশীজনের মতামত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশের সামাজিক মনস্তত্ত্ব ও ধর্মীয় অনুভূতিকে বিবেচনায় রাখা হয়েছে। আশা করা যায়, এটি একটি যুগোপযোগী ও গ্রহণযোগ্য আইন হিসেবে স্বীকৃতি পাবে।

    বৈঠকে মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দেশে কোনো গুম বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেনি। এ সময় নিজের গুম হওয়ার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন ২০২৬’-এর খসড়াও মন্ত্রিসভায় নীতিগত অনুমোদন লাভ করেছে।

    আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশের সঠিক ভাবমূর্তি তুলে ধরার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে আবাসিক প্রতিনিধি বলেন, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সব সময় বাংলাদেশের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে না। বাংলাদেশ একটি উদার ও ধর্মীয় সহনশীল দেশ এবং ইউএনডিপি এ ইতিবাচক ভাবমূর্তি বাস্তবায়নেও কাজ করতে আগ্রহী।

    সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্ম সচিব রেবেকা খান এবং ইউএনডিপি বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড পার্টনারশিপ সাপোর্ট স্পেশালিস্ট সাইফ ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • ডিমলায় বাল্যবিবাহ ঠেকিয়ে কিশোরীর পড়াশোনার পাশে প্রশাসন

    ডিমলায় বাল্যবিবাহ ঠেকিয়ে কিশোরীর পড়াশোনার পাশে প্রশাসন

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নীলফামারীর ডিমলায় ১৪ বছর বয়সী ষষ্ঠ শ্রেণির এক কিশোরীর বাল্যবিবাহের আয়োজন বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বিয়ের আয়োজন বন্ধের এক দিন পরই কিশোরীর পড়াশোনা যাতে আর্থিক কারণে থেমে না যায়, সে জন্য তাকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে প্রশাসন।

    মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ডিমলা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কিশোরীটিকে আর্থিক সহায়তা দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: ইমরানুজ্জামান।

    এর আগে, সোমবার ডিমলা উপজেলার নাউতারা ইউনিয়নের মাস্টারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। কিশোরী ও তার পরিবারের পরিচয় গোপন রাখতে বাবার ছদ্মনাম ব্যবহার করা হয়েছে।

    স্থানীয়ভাবে পাওয়া নির্ভরযোগ্য গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ফোর্সসহ ওই বাড়িতে যান ডিমলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রওশন কবির। সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পান, পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে ১৪ বছর বয়সী কিশোরীর বিয়ের আয়োজন চলছে। কিশোরীটি ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে।

    এ সময় রওশন কবির পরিবারের সদস্যদের বাল্যবিবাহের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে বোঝান। অল্প বয়সে বিয়ের ফলে কিশোরীর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকি, শিক্ষাজীবন ব্যাহত হওয়া এবং ভবিষ্যৎ জীবনে এর নেতিবাচক প্রভাবের বিষয়টি তুলে ধরেন তিনি।

    পরে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ অনুযায়ী বিয়ের আয়োজন বন্ধের নির্দেশ দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তার নির্দেশনা মেনে কিশোরীর বাবা নিজের ভুল স্বীকার করে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করেন। একইসাথে মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে বিয়ে দেবেন না মর্মে মুচলেকা দেন। এ ঘটনায় কোনো আর্থিক জরিমানা করা হয়নি।

    বাল্যবিবাহ বন্ধের পর কিশোরীর পড়াশোনা যাতে আর্থিক কারণে ব্যাহত না হয়, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে নেয় উপজেলা প্রশাসন।

    ইউএনও মো: ইমরানুজ্জামান বলেন, ‘বাল্যবিবাহ শুধু একটি মেয়ের শৈশব কেড়ে নেয় না, তার শিক্ষা, স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎকেও বাধাগ্রস্ত করে। আমরা চাই, মেয়েটি পড়াশোনা চালিয়ে গিয়ে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলুক। উপজেলা প্রশাসন তার পাশে আছে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে শুধু আইন প্রয়োগ করলেই হবে না; বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পাওয়া শিশুদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাও আমাদের দায়িত্ব।’

  • সিলেটে বিজিবির অভিযানে ৭৩ লাখ টাকার মালামাল জব্দ

    সিলেটে বিজিবির অভিযানে ৭৩ লাখ টাকার মালামাল জব্দ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    সিলেটের বিভিন্ন সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ৭৩ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) দায়িত্বাধীন সীমান্তবর্তী এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালাইরাগ, প্রতাপপুর, সংগ্রাম, দমদমিয়া ও সোনারহাট বিওপি অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় বিভিন্ন প্রকার ওষুধ, গরু, শাড়ি, চকলেট, বিড়ি, সুপারি, সবজি ও মাদক বিয়ার জব্দ করা হয়।

    জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক মূল্য ৭৩ লাখ ১৭ হাজার টাকা।

    এ ব্যাপারে সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবির) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো: নাজমুল হক বলেন, ‘সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা, চোরাচালান ও মাদকদ্রব্য পাচার প্রতিরোধে বিজিবির আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা সর্বোতভাবে অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণে এসব চোরাচালানি মালামাল আটক করা হয়। আটককৃত চোরাচালানী মালামালগুলোর বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

  • ভারত সিরিজে আফগানিস্তানের নতুন অধিনায়ক

    ভারত সিরিজে আফগানিস্তানের নতুন অধিনায়ক

    ভারতের বিপক্ষে ইব্রাহিম জাদরানকে অধিনায়ক করে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের দল ঘোষণা করেছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)।

    দলে ফেরানো হয়েছে পেস বোলার নবীন উল হককে। ডান কাঁধের চোটের জন্য কয়েক মাস মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি। খেলতে পারেননি গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও। দলে রয়েছেন ফজল হক ফারুকি, আবদুল্লাহ আহমেদজাইয়ের মতো পেসার। অলরাউন্ডার আজমতউল্লাহ ওমরজাইও।

    দলে ফেরানো হয়েছে অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার গুলবাদিন নাইবকেও। রশিদ খান, মোহাম্মদ নবি, নুর আহমেদ, নানগেলিয়া খারোতের মতো নিয়মিত ক্রিকেটারেরাও আসছেন ভারতে। প্রথম উইকেটরক্ষক হিসাবে দলে রয়েছেন রহমাউল্লাহ গুরবাজ। দ্বিতীয় উইকেটরক্ষক হিসাবে রয়েছেন নুর রহমান।

    এসিবির সিইও নাসিব খান জানিয়েছেন, ভারসাম্যযুক্ত দল নির্বাচন করা হয়েছে। ব্যাটিং-বোলিং, স্পিন বোলিং-জোরে বোলিং, অভিজ্ঞতা-তারুণ্য সব কিছুরই ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

    ভারত-আফগানিস্তান টি-টোয়েন্টি সিরিজের সব ম্যাচই হবে দিল্লির অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে। ম্যাচগুলি হবে ১৩, ১৫ এবং ১৭ সেপ্টেম্বর।

    আফগানিস্তান দল: ইবরাহিম জাদরান (অধিনায়ক), রহমানউল্লাহ গুরবাজ (উইকেটরক্ষক), নুর রহমান (উইকেটরক্ষক), রশিদ খান, মোহাম্মদ নবি, সেদিকুল্লাহ অটল, দারউইশ রাসুলি, নবিন-উল হক, ফজল হক ফারুকি, আবদুল্লাহ আহমেদজাই, মুজিব-উর রহমান, আজমতউল্লাহ ওমরজাই, গুলবাদিন নাইব, নুর আহমেদ, নানগেলিয়া খারোত।

    রিজার্ভ: ইজাজ আহমেদজাই, শহিদুল্লাহ কামাল, ফরিদ আহমেদ মালিক।

  • নড়াইলে ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

    নড়াইলে ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল, ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার

    নড়াইল প্রতিনিধি

    নড়াইলের লোহাগড়া সরকারি আদর্শ কলেজ শাখার প্রচার সম্পাদক জি এম মাশরাফির ইয়াবা সেবনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে (ভাইরাল) পড়ায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ রুবাইয়াৎ তুরশেদ শাথীল স্বাক্ষরিত প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জি এম মাশরাফিকে বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

    সম্প্রতি লোহাগড়া সরকারি আদর্শ কলেজ শাখার প্রচার সম্পাদক জি এম মাশরাফির ইয়াবা সেবনের ভিডিও এবং ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, গাছপালাবেষ্টিত একটি নির্জন স্থানে বসে ইয়াবা সেবন করছেন ছাত্রদল নেতা মাশরাফি। তবে কোথায় বসে ইয়াবা সেবন করছেন, তা জানা যায়নি। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে (ভাইরাল) পড়লে নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরপর তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

    এ ব্যাপারে ছাত্রদল নেতা জি এম মাশরাফির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

    জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ রুবাইয়াৎ তুরশেদ শাথীল স্বাক্ষরিত প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে-‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, নড়াইল জেলা শাখার সিদ্ধান্ত মোতাবেক সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে লোহাগড়া সরকারি আদর্শ কলেজ শাখার প্রচার সম্পাদক জি এম মাশরাফিকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো।

    নড়াইল জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান সনি, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ রুবাইয়াৎ তুরশেদ শাথীল এবং সদস্য সচিব মামুন গাজী এই নির্দেশনা প্রদান করেন।

  • নতুন রূপে অপু বিশ্বাস

    নতুন রূপে অপু বিশ্বাস

    ঢালিউড অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস তার নতুন সিনেমা ‘শিকার’-এর শুটিংয়ের কাজে বেশ কিছু দিন ধরে নেপালে ছিলেন। কাজের ফাঁকে ঘুরেছেন বেশ কয়েকটি দর্শনীয় স্থানেও। সেসব স্থানের তোলা ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনসহ ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে নানা মুহূর্ত শেয়ার করে নেন তিনি।

    মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) মধ্যরাতে অভিনেত্রী লাল রঙের একটি পোশাকে একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। সেখানে দেখা যায়, পাঁচটি ছবি প্রকাশ করেছেন অপু বিশ্বাস। রূপের পাশাপাশি তার পোশাকেও নান্দনিকতার ছাপ।

    এদিন নিজেকে ধরা দেন অভিনেত্রী। সেই রাতে হাস্যোজ্জ্বল ও ভিন্ন পোজে ক্যামেরাবন্দি হতে দেখা যায় অপু বিশ্বাসকে। রাতের আবহের সেই ছবিগুলো পোস্টের পর ক্যাপশনে অপু বিশ্বাস লিখেছেন— ‘শান্ত রাত, সুন্দর স্বপ্ন। শুভরাত্রি!’। অর্থাৎ তার এ নৈশবার্তায় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নির্মল প্রশান্তি ও সুন্দর স্বপ্নের শুভকামনা জানান এই ঢালিউড কুইন।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই পোস্টটি শেয়ার করার পরপরই তা নেটিজেনসহ শুভাকাঙ্ক্ষীদের নজর কাড়ে। লাইক, কমেন্ট ও শেয়ারের বন্যায় ভেসে যান অপু। তবে অপুর এ রহস্যময় পোস্টে মন্তব্যের ঘরে ভক্তদের ভালোবাসা ও প্রশংসার পাশাপাশি দেখা যায় নানা রসাত্মক ও কটাক্ষপূর্ণ মন্তব্যও, যা অপ্রত্যাশিত বলেও মনে করেন অভিনেত্রী।

  • খলিল-হুমায়ুনের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, কী আলোচনা হলো

    খলিল-হুমায়ুনের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, কী আলোচনা হলো

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।

    মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

    দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান আলোচনার অংশ হিসেবেই এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। উভয়পক্ষ সম্প্রতি দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেছে বলে জানা গেছে।

    তবে বৈঠকের বিষয়ে কোনো পক্ষ থেকেই তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

    কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে— আলোচনায় পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, সামগ্রিক বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক, আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার মতো বিষয়গুলো স্থান পেয়ে থাকতে পারে। নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতৃত্বের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও আলোচনা বজায় রেখেছেন।