বিনোদন

  • কনসার্ট নিয়ে স্পেনে ফিরছেন শাকিরা, হচ্ছে ‘শাকিরা স্টেডিয়াম’!

    কনসার্ট নিয়ে স্পেনে ফিরছেন শাকিরা, হচ্ছে ‘শাকিরা স্টেডিয়াম’!

    দীর্ঘ আট বছর পর কনসার্ট নিয়ে স্পেনে ফিরছেন কলম্বিয়ান পপ তারকা শাকিরা। তবে এবার শুধু একটি-দুটি নয়, কলম্বিয়ান পপ তারকার প্রত্যাবর্তনে থাকছে ১২টি কনসার্ট! আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত মাদ্রিদে এসব কনসার্টে মঞ্চ কাঁপাবেন শাকিরা। এ উপলক্ষে স্পেপেনর রাজধানী মাদ্রিদের ইবেরদ্রোলা মিউজিক এলাকায় তৈরি করা হচ্ছে ‘শাকিরা স্টেডিয়াম’।

    স্টেডিয়ামের নকশা করেছে বিশ্বখ্যাত স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান বিজর্কে ইঙ্গেলস গ্রুপ। স্টেডিয়াম এবং আয়োজন প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শাকিরা বলেছেন, ‘ওহ আমার ঈশ্বর, এই স্টেডিয়ামটি দেখতে অসাধারণ! মাদ্রিদে ইউরোপিয়ান আবাসিক কনসার্টে আপনাদের দেখতে আমার তর সইছে না!’

    এটি শাকিরার ‘লাস মুজেরেস ইয়া নো ইয়োরান’ বিশ্ব সফরের অংশ। ইউরোপিয়ান আবাসিক কনসার্ট। স্পেনে আন্তর্জাতিক শিল্পীদের জন্য এ ধরনের কনসার্ট প্রথমবার হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে মাদ্রিদের সরকারি পর্যটন বিভাগ। বিশাল এই সঙ্গীতযজ্ঞের আয়োজক ‘লাইভ নেশন এস্পানিয়া’। শাকিরা মঞ্চে উঠবেন ১৮, ১৯, ২০, ২৫, ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর এবং ২, ৩, ৪, ৯, ১০ ও ১১ অক্টোবর। আয়োজক সংস্থা এই সূচি প্রকাশ করেছে।

    অবশ্য উৎসব কেবল কনসার্টেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। শাকিরাকে ঘিরে ইবেরদ্রোলা মিউজিক এলাকায় গড়ে তোলা হচ্ছে একটি সাময়িক বিনোদন ও সাংস্কৃতিক পরিসর। প্রতি রাতে গড়ে ৫০ হাজারেরও বেশি দর্শকের উপস্থিতির আশা করছেন আয়োজকরা। ১২টি শোতে প্রায় ছয় লাখেরও বেশি দর্শকের সমাগম হতে পারে। টিকিট বিক্রি প্রায় শেষ। কার্যত টিকিট হয়ে উঠেছে সোনার হরিণ। বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে টিকিটের ন্যূনতম মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০ হাজার ৫০০ টাকা। সর্বোচ্চ ১ লাখ ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত।

    আয়োজনের বাড়তি আকর্ষণ ‘ম্যাকন্ডো পার্ক’। কলম্বিয়ান লেখক গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের বিখ্যাত উপন্যাস ‘নিঃসঙ্গতার ১০০ বছর’-এর কাল্পনিক শহর ম্যাকন্ডো থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সজ্জিত করা হচ্ছে পার্কটি। যেখানে কেবল নাচ-গান নয়, শিল্প-সাহিত্য, খাবার, পোশাক এবং শিশুদের বিনোদনসহ নানা আয়োজনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যেখানে তুলে ধরা হবে ল্যাটিন আমেরিকান সংস্কৃতির নানা দিক। যার কেতাবি নাম ‘এস ল্যাটিনা’। এতে করে দর্শকেরা নিছক শাকিরার কনসার্ট নয় বরং একটি পূর্ণাঙ্গ সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা পেতে যাচ্ছেন।

    অর্থাৎ কয়েক সপ্তাহের জন্য মাদ্রিদের ইবেরদ্রোলা মিউজিক এলাকা শুধু শাকিরার গানের মঞ্চই নয়, সংগীত, লাতিন সংস্কৃতি, খাবার, শিল্প ও বিনোদনের এক বিশাল মিলনমেলায় পরিণত হতে যাচ্ছে। বিশাল এই আয়োজনের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবেন শাকিরা—স্পেনে তার বহল প্রতীক্ষিত প্রত্যাবর্তন নিয়ে।

    শাকিরার মাদ্রিদ প্রত্যাবর্তনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে স্পেনের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ ব্যক্তিগত জীবনের গল্পও। বিশ্বকাপজয়ী স্প্যানিশ ডিফেন্ডার জেরার্ড পিকের সঙ্গে সম্পর্কের সময় দীর্ঘদিন বার্সেলোনায় বসবাস করেছেন শাকিরা। কলম্বিয়ান পপ তারকার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় কেটেছে এই স্পেনেই। দেশটি তার ঘরের মতোই। কিন্তু ২০২৩ সালে পিকে এবং শাকিরার পথ আলাদা হয়ে যায়। পরে সন্তানদের নিয়ে শাকিরা চলে যান যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে। অবশেষে বহু বছর পর আবারও কনসার্ট নিয়ে স্পেনে ফিরছেন তিনি। তবে এবার বার্সেলোনা নয়, শাকিরার গন্তব্য স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ।

    ইবেরদ্রোলা এলাকায় আগের বড় অনুষ্ঠানগুলোতে শব্দ ও যানজট নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল। এবার সেটি গুরুত্বের সঙ্গে তা বিবেচনা করছেন আয়োজকরা। কনসার্টে বিশেষ শব্দ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, অ্যাকোস্টিক স্ক্রিন এবং দর্শকদের ধাপে ধাপে বের করে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সময়রাত ৮-১১টা পর্যন্ত কনসার্ট করার পরিকল্পনা থাকলেও দর্শকেরা রাত ১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানস্থলে থাকতে পারবেন। বিশাল এই আয়োজনে প্রায় অর্ধ লাখ দর্শকের প্রতিটি রাত নির্বিঘ্নে শেষ করাটা আয়োজকদের জন্য বিরাট চ্যালেঞ্জ বটে।

    তথ্য সূত্র: লাইভ নেশন এস্পানিয়া, মাদ্রিদ পর্যটন বিভাগ ও ইবেরদ্রোলা মিউজিক

  • ‘পিংক বাস’ নিয়ে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল

    ‘পিংক বাস’ নিয়ে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল

    আকাশি রঙের শাড়ি আর কালো কোট পরে পিংক বাসে চড়ে বসেন মডেল ও আইনজীবী পিয়া জান্নাতুল। তবে কোনো শুটিংয়ের জন্য নয়, সাধারণ নারী যাত্রীদের মতোই উপভোগ করলেন বিআরটিসির নতুন এই সেবা।

    রাজধানীতে নারীদের যাতায়াত সহজ, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে সম্প্রতি চালু হয়েছে বিআরটিসির বিশেষ ‘মহিলা বাস সার্ভিস’ বা ‘পিংক বাস’। নারীদের জন্য তৈরি এই বিশেষ বাসটিতে যাত্রার পর নিজের যে অভিজ্ঞতা পেলেন, তা এবার ভক্তদের মাঝে ভাগ করে নিলেন তিনি।

    নিজের সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন পিয়া জান্নাতুল। বাসে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা জানিয়ে পিয়া জান্নাতুল বলেন, ‘একটা বাসযাত্রা, কিন্তু অনুভূতিটা ছিল একটু অন্যরকম। নিরাপত্তা, স্বস্তি আর আত্মবিশ্বাস—পিংক বাসে উঠে একজন নারী হিসেবে ঠিক এটাই অনুভব করেছি।’

    অভিজ্ঞতা জানিয়ে পিয়া আরও জানান, পিংক বাসটি যখন রাস্তায় চলে, তখন সাধারণ মানুষ বেশ কৌতূহল নিয়ে তাকিয়ে থাকে। এতে চড়ার অভিজ্ঞতাকে তিনি ‘সেলিব্রিটি বাসে’ ঘোরার মতো অনুভূতি বলে মনে করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হবে এবং নারীরা আরও এগিয়ে যাবেন।

    ২৮ আগস্ট ২০২৬ বাসযাত্রার একপর্যায়ে বাসের নারী চালকের সঙ্গে কথা বলেন পিয়া। কাজের অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে চালক জানান, তিনি ছয় বছর ধরে গাড়ি চালানো শিখেছেন এবং আড়াই বছর ধরে বিআরটিসিতে চাকরি করছেন। পরিবার থেকেও পূর্ণ সমর্থন পাচ্ছেন বলে জানান এই নারী চালক।

    পিয়া জান্নাতুলের এই ভিডিও বেশ সাড়া পায় সামাজিক মাধ্যমে। আইন পেশার পাশাপাশি ফ্যাশন ও বিনোদন অঙ্গনে দীর্ঘ দিন ধরে পরিচিত মুখ হিসেবে কাজ করছেন পিয়া জান্নাতুল।

    গত ১৮ আগস্ট তেজগাঁওয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের পর থেকে ‘পিংক বাস’ সেবাটি ঢাকার ১০টি রুটে নিয়মিত চলাচল করছে। নারী যাত্রীদের সুবিধার্থে এতে ই-টিকিটিং, জিপিএস ট্র্যাকিং ও সিসি ক্যামেরা সুবিধা রাখা হয়েছে।

  • নিরাপদে আছেন অপু

    নিরাপদে আছেন অপু

    নেপালে আকস্মিক ভূমিধস

    নতুন সিনেমার শুটিং করতে নেপাল গিয়েছিলেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। বুধবার নেপালে আকস্মিক বন্যায় রাস্তাঘাট, সেতু ও বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎ প্রকল্প পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দেড় শতাধিকে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে শত শত মানুষ। নেপালে আটকা পড়েছেন অপু বিশ্বাস। তবে তিনি নিরাপদে আছেন।

    সবকিছু ঠিক থাকলে আজ দেশে ফিরবেন।

    অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আমি পোখারাতে আছি, যেখানে আছি নিরাপদে। তবে পোখারা থেকে কাঠমান্ডু যাওয়ার হাইওয়ে রাস্তায় ভয়াবহভাবে বিপর্যস্ত হয়েছে। জানতে পেরেছি, এই রাস্তা ঠিক হতে মাসখানেক সময় লাগবে। আমাদের গাড়ি ঠিক করা হয়েছে। আগামীকাল (আজ) কাঠমান্ডু যাব। ফ্লাইটে অনেক চাপ চলছে। কাঠমান্ডু থেকে আগামীকাল (আজ) ফ্লাইটে ঢাকা ফিরব।’ নেপালে নিজের পরিস্থিতি নিয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘আমার জন্য চিন্তা করবেন না। সবার কাছে দোয়া চাই, যেন নিরাপদে দেশে আমার সন্তানের কাছে ফিরতে পারি।’

    এর আগে নেপালে শুটিংয়ের সময় নিজের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে ভক্তদের নজর কেড়েছিলেন অপু। তার পোস্ট করা ছবিতে নেপালের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি অভিনেত্রীর শুটিংয়ের নানা মুহূর্তও উঠে এসেছে। সিনেমাটিতে অপুর বিপরীতে অভিনয় করছেন মুর্তজা পলাশ। এতে আরও অভিনয় করছেন কলকাতার অভিনেতা রজতাভ দত্ত, শ্যাম ভট্টাচার্য প্রমুখ।

  • নতুন রূপে অপু বিশ্বাস

    নতুন রূপে অপু বিশ্বাস

    ঢালিউড অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস তার নতুন সিনেমা ‘শিকার’-এর শুটিংয়ের কাজে বেশ কিছু দিন ধরে নেপালে ছিলেন। কাজের ফাঁকে ঘুরেছেন বেশ কয়েকটি দর্শনীয় স্থানেও। সেসব স্থানের তোলা ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনসহ ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে নানা মুহূর্ত শেয়ার করে নেন তিনি।

    মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) মধ্যরাতে অভিনেত্রী লাল রঙের একটি পোশাকে একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। সেখানে দেখা যায়, পাঁচটি ছবি প্রকাশ করেছেন অপু বিশ্বাস। রূপের পাশাপাশি তার পোশাকেও নান্দনিকতার ছাপ।

    এদিন নিজেকে ধরা দেন অভিনেত্রী। সেই রাতে হাস্যোজ্জ্বল ও ভিন্ন পোজে ক্যামেরাবন্দি হতে দেখা যায় অপু বিশ্বাসকে। রাতের আবহের সেই ছবিগুলো পোস্টের পর ক্যাপশনে অপু বিশ্বাস লিখেছেন— ‘শান্ত রাত, সুন্দর স্বপ্ন। শুভরাত্রি!’। অর্থাৎ তার এ নৈশবার্তায় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নির্মল প্রশান্তি ও সুন্দর স্বপ্নের শুভকামনা জানান এই ঢালিউড কুইন।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই পোস্টটি শেয়ার করার পরপরই তা নেটিজেনসহ শুভাকাঙ্ক্ষীদের নজর কাড়ে। লাইক, কমেন্ট ও শেয়ারের বন্যায় ভেসে যান অপু। তবে অপুর এ রহস্যময় পোস্টে মন্তব্যের ঘরে ভক্তদের ভালোবাসা ও প্রশংসার পাশাপাশি দেখা যায় নানা রসাত্মক ও কটাক্ষপূর্ণ মন্তব্যও, যা অপ্রত্যাশিত বলেও মনে করেন অভিনেত্রী।

  • দুই সন্তানসহ ৮ বছর লিভ-ইন, এবার বিয়ে করলেন অর্জুন-গ্যাব্রিয়েলা

    দুই সন্তানসহ ৮ বছর লিভ-ইন, এবার বিয়ে করলেন অর্জুন-গ্যাব্রিয়েলা

    দীর্ঘ আট বছরের সম্পর্ক, দুই সন্তান ও লিভ-ইন জীবনের পর অবশেষে বিয়ে করলেন বলিউড অভিনেতা অর্জুন রামপাল ও মডেল-ডিজাইনার গ্যাব্রিয়েলা ডেমেট্রিয়াডেস। শুক্রবার (২১ আগস্ট) গোয়ায় ঘনিষ্ঠ কয়েকজন বন্ধুর উপস্থিতিতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন এই তারকা জুটি।

    ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, কোনো জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন ছাড়াই অত্যন্ত সাদামাটাভাবেই রেজিস্ট্রির আনুষ্ঠানিকতা সারেন তারা। গোয়ার ইউনিফর্ম সিভিল কোডের অধীনে তাদের এই আইনি বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

    জানা যায়, সাবেক স্ত্রী মেহের জেসিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ২০১৮ সাল থেকে গ্যাব্রিয়েলার সঙ্গে একসঙ্গে বসবাস শুরু করেন অর্জুন। ২০১৯ সালে তাদের প্রথম সন্তান অ্যারিকের জন্ম হয়। এর চার বছর পর ২০২৩ সালে আসে দ্বিতীয় সন্তান আরিভ।

    দীর্ঘদিনের সম্পর্ক হলেও বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে তাড়াহুড়া ছিল না এই জুটির। এক পডকাস্টে অর্জুন বলেছিলেন, বিয়ে তার কাছে মূলত একটি কাগজের বিষয়; তারা মানসিকভাবে নিজেদের বিবাহিত মনে করেন। তার ভাষায়, ভালোবাসাকে কোনো কাগজ দিয়ে মাপা যায় না।

    ২০২৫ সালে গ্যাব্রিয়েলার সঙ্গে বাগদানের ঘোষণা দেন অর্জুন। অবশেষে তার এক বছর পর সেই সম্পর্ক পেল আইনি স্বীকৃতি। দীর্ঘদিনের ভালোবাসার সম্পর্ককে এবার কাগজে-কলমেও স্থায়ী রূপ দেওয়ায় ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের শুভেচ্ছায় ভাসছেন অর্জুন-গ্যাব্রিয়েলা।

    সূত্র: পিটিআই

  • নিজের স্বপ্নের পথে পূজা চেরি: ‘অজান্তেই সেই নারী হয়ে উঠছি’

    নিজের স্বপ্নের পথে পূজা চেরি: ‘অজান্তেই সেই নারী হয়ে উঠছি’

    ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূজা চেরি। অভিনয়ের দক্ষতা এবং সাবলীল উপস্থাপনায় তিনি খুব অল্প সময়েই দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। অভিনয়ের বাইরেও নিজের ব্যক্তিগত জীবন এবং চিন্তাধারা নিয়ে মাঝেমধ্যেই ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন তিনি।

    শনিবার (২২ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের একটি নতুন ছবি প্রকাশ করে পূজা চেরি এক গভীর অনুভূতির কথা জানিয়েছেন, যা তার ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে বেশ প্রশংসিত হচ্ছে।

    নিজের স্বপ্নের পথে এগিয়ে চলার এক অনন্য প্রকাশ ঘটিয়েছেন অভিনেত্রী পূজা চেরি। নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলে একটি ছবি পোস্ট করে তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, নিজের অজান্তেই সেই নারী হয়ে উঠছি, যার কল্পনা আমি একসময় করতাম।

    ছবিটিতে পূজা চেরিকে বেশ চমৎকার একটি লুকে দেখা গেছে। তিনি একটি সাদা রঙের শার্ট এবং নীল রঙের জিন্স পরে আছেন। তার হাতে একটি ঘড়ি এবং আঙুলে রিং রয়েছে। তার চোখে রয়েছে স্টাইলিশ রোদচশমা (সানগ্লাস)। তিনি হাত দিয়ে একটি মিষ্টি ‘ফিঙ্গার হার্ট’ পোজ তৈরি করে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসছেন।

    তার এই ছবি দেখে ভক্তরা ভালোবাসা ও প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। অনেকেই তার এই পরিণত চিন্তাধারা এবং আত্মবিশ্বাসী মনোভাবের প্রশংসা করছেন। অভিনয় ক্যারিয়ারে ব্যস্ততা থাকলেও, নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তোলার এই নিরন্তর প্রচেষ্টা পূজার ভক্তদের জন্য সবসময়ই এক দারুণ অনুপ্রেরণা।

    শিশুশিল্পী হিসেবে মিডিয়াতে পথচলা শুরু করা পূজা চেরি পরবর্তীতে ঢালিউডের অন্যতম শীর্ষ নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। বিশেষ করে ‘পোড়ামন ২’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি দেশজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন। এরপর থেকে ‘দহন’ সহ বিভিন্ন ব্যবসা সফল ও প্রশংসিত সিনেমায় অভিনয় করে তিনি নিজের অভিনয় দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। বড়পর্দা কিংবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম সবখানেই পূজার সাবলীল উপস্থিতি দর্শকদের মুগ্ধ করে চলেছে।

  • আলোচনায় চার সিনেমা, বড়পর্দায় কি নিয়মিত হচ্ছেন অপূর্ব?

    আলোচনায় চার সিনেমা, বড়পর্দায় কি নিয়মিত হচ্ছেন অপূর্ব?

    ছোটপর্দার ব্যস্ততা, ওটিটি এবং যুক্তরাষ্ট্রে যাতায়াত— সব মিলিয়ে অভিনয় জীবনে নানা ব্যস্ততার মধ্যেই সময় কাটাচ্ছেন জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। তবে এবার বড় পর্দাকে ঘিরেও নতুন করে ভাবছেন এই অভিনেতা। দীর্ঘ বিরতির পর সিনেমায় নিয়মিত হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। ইতোমধ্যে ৪টি সিনেমায় অভিনয়ের বিষয়ে নির্মাতা ও প্রযোজকদের সঙ্গে তার আলোচনা চলছে।

    অপূর্বর চলচ্চিত্রযাত্রা অবশ্য খুব বেশি দীর্ঘ নয়। ২০১৫ সালে ‘গ্যাংস্টার রিটার্নস’ দিয়ে সিনেমায় অভিষেকের পর বড় পর্দা থেকে প্রায় এক দশক দূরে ছিলেন তিনি। ২০২৪ সালে টালিউডের ‘চালচিত্র’ দিয়ে আবারও সিনেমায় ফেরেন। এবার সেই বিরতি আর দীর্ঘ করতে চান না। যদিও আলোচনায় থাকা চার সিনেমার কোনোটিই এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

    এ বিষয়ে অপূর্বের অবস্থানও বেশ সতর্ক। তিনি বলেন, ‘এখনো আলোচনা চূড়ান্ত হয়নি। শুধু এতটুকু বলতে পারি, একসঙ্গে ৪টি সিনেমা নিয়ে কথা হচ্ছে। অনেক সময় দেখা যায়, শুটিং শুরু হওয়ার পরেও শেষ পর্যন্ত সিনেমাটি আর হয় না। এ কারণে আগে থেকে বলতে চাই না। কোনো কারণে পরবর্তী সময়ে সিনেমাটি না হলে দর্শকের আস্থা নষ্ট হয়ে যাবে। যখন বুঝতে পারব আসলেই হচ্ছে, তখন আনুষ্ঠানিকভাবে সবাইকে জানাব।’

    এদিকে দেশে ফিরেই নাটকের কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন অপূর্ব। বর্তমানে মাসরিকুল আলমের পরিচালনায় একটি নাটকের শুটিং করছেন তিনি। এতে তার সহশিল্পী শার্লিন ফারজানা। দীর্ঘ ছয় বছর পর এই জুটিকে আবারও একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে ছোট পর্দায়।

    একটি নাটকের কাজ শেষ করেই থামছেন না অপূর্ব। পরপর আরও ৭টি নাটকের শুটিংয়ে অংশ নেবেন তিনি। এসব নাটকের নির্মাতা হিসেবে থাকছেন জাকারিয়া সৌখিন, সৈয়দ শাকিল, মুরসালিন শুভ, মাহমুদুর রহমান হিমি ও রুবেল হাসান। এই ব্যস্ততা শেষ করে ফের যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার কথা রয়েছে তার। বছরের শেষ দিকে দেশে ফিরে ঈদের ওটিটি কনটেন্ট ও টেলিভিশন নাটকের কাজে যুক্ত হবেন তিনি।

    অভিনয়ের বাইরে গান নিয়েও সম্প্রতি দর্শকদের সামনে নতুনভাবে হাজির হয়েছেন অপূর্ব। ৮ আগস্ট নিউইয়র্কের জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে অনুষ্ঠিত ‘অপূর্ব মিউজিক্যাল নাইট’-এ প্রায় দুই ঘণ্টা দর্শকদের সঙ্গে সময় কাটান তিনি। গান পরিবেশনের পাশাপাশি গল্পের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি জমিয়ে তোলেন এই অভিনেতা।

    নিউইয়র্কের ওই আয়োজনের সাফল্য এবার নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি শহর থেকে কনসার্টে অংশ নেওয়ার প্রস্তাব পেয়েছেন অপূর্ব। তবে একসঙ্গে সব প্রস্তাবে সাড়া দেওয়ার পরিকল্পনা নেই তার। সময় নিয়ে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেই পরবর্তী কনসার্টগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চান তিনি।

    ফলে সামনে অপূর্বর ব্যস্ততা শুধু নাটককেন্দ্রিক থাকছে না। সিনেমায় নতুন কাজ, ওটিটি, টেলিভিশন এবং কনসার্ট—সব মাধ্যমেই নিজের উপস্থিতি আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা করছেন এই অভিনেতা।

  • হাওরের ‘নিরালা’ হয়ে পর্দায় আসছেন রুনা খান

    হাওরের ‘নিরালা’ হয়ে পর্দায় আসছেন রুনা খান

    হাওর অঞ্চলের মানুষের জীবন ও অপেক্ষার গল্প নিয়ে নির্মিত হচ্ছে ‘জলপবন’। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করছেন তরুণ নির্মাতা রাজন তালুকদার। আগস্ট মাসের ১৫ তারিখ থেকে সুনামগঞ্জের হাওর এলাকায় শুরু হয়েছে দৃশ্যধারণ।

    এতে ‘নিরালা’ নামে কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে রুনা খানকে।

    চলচ্চিত্রটি প্রসঙ্গে রুনা খান সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন, ‌‘জলপবন’ মূলত অপেক্ষার গল্প। এতে তিনি অভিনয় করছেন ‌নিরালা চরিত্রে। হাওর এলাকার মানুষের জীবনের গল্প উঠে আসবে এ চলচ্চিত্রে। দর্শকরা একটি ভালো মানের ছবি উপহার পাবেন বলেই বিশ্বাস তার।

    চলচ্চিত্রটিতে রুনা খানের পাশাপাশি প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করছেন প্রাচ্যনাটের সদস্য সুশান্ত পৃথ্বীরাজ ও জাবির নাট্যকলা বিভাগে শিক্ষার্থী সামিউল হক। এছাড়া স্থানীয় কয়েকজন অভিনয়শিল্পীও যুক্ত হয়েছেন সিনেমাটিতে, তাদের অনেকেই থিয়েটারের সঙ্গে জড়িত।

    জানা যায়, রুনা খান অভিনীত বেশ কয়েকটি সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এর মধ্যে জাহিদ হোসেন পরিচালিত ‘লীলা মন্থন’ ও মাসুদ পথিকের ‘বক’ অন্যতম।

    উল্লেখ্য, ২০০৫ সালে জনপ্রিয় শিশুতোষ ধারাবাহিক সিসিমপুর-এ ‘সুমনা’ চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে রুনা খান অভিনয়ে পথচলা শুরু করেন। বর্তমানে চলচ্চিত্রের পাশাপাশি ছোটপর্দায়ও সফলভাবে কাজ করে চলেছেন। ২০১৭ সালে ‘হালদা’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পুরস্কার লাভ করেছিলেন তিনি।

  • আমার শরীর ও মনে এমন ক্ষত আছে, যা কখনো সারবে না: অনুপমা

    আমার শরীর ও মনে এমন ক্ষত আছে, যা কখনো সারবে না: অনুপমা

    ভারতীয় অভিনেত্রী অনুপমা পরমেশ্বরন তার সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্কের সময়কার তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ওই সম্পর্কের কারণে দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপ ও উদ্বেগে ভুগেছেন। এমনকি আতঙ্কের সময় শরীর কাঁপা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, খাওয়ার পর বমি, ওজন কমে যাওয়া এবং চোখের গুরুতর সমস্যায় ভুগতে হয়েছে তাকে। একপর্যায়ে চোখে অস্ত্রোপচারও করাতে হয়।

    সম্প্রতি ‘আই অ্যাম উইথ ধন্যা ভার্মা’ অনুষ্ঠানে নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে অনুপমা এসব কথা বলেন। তার ভাষ্য, প্রায় দুই বছর ধরে চলা ওই সম্পর্কে মানসিক চাপ ধীরে ধীরে তার শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে শুরু করে।

    অনুপমা বলেন, আগে কখনো এমন সমস্যার মুখোমুখি হননি তিনি। তার ভাষ্য, ‘আমি সুখী শিশু ছিলাম। স্বাভাবিক জীবনযাপন করতাম। এর আগে এমন কিছুই ঘটেনি।’

    আতঙ্কে কাঁপত শরীর
    অনুপমার দাবি, ওই সময়ে নিয়মিত প্যানিক অ্যাটাক ও তীব্র উদ্বেগে আক্রান্ত হতেন তিনি। তখন নিজের শরীরের ওপর নিয়ন্ত্রণও থাকত না।

    তিনি বলেন, ‘হঠাৎ আমাদের পা কাঁপতে শুরু করত, হাত কাঁপত, এমনকি আমরা সেটা নিয়ন্ত্রণও করতে পারতাম না।’ এ সময় কয়েকবার জ্ঞান হারানোর মতো ঘটনাও ঘটেছিল বলে জানান তিনি।

    মানসিক চাপের প্রভাব পড়েছিল তার খাওয়ার অভ্যাসেও। সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে কথোপকথনের সময় অনেক কিছু তাকে উদ্বিগ্ন করে তুলত। অনুপমা বলেন, কিছু খাওয়ার পর ওই ব্যক্তির সঙ্গে কোনো কথা বা ঘটনা তাকে উদ্বিগ্ন করে তুললে তিনি বমি করে ফেলতেন।

    ওজন কমে যাচ্ছিল, শুটিংয়েও সমস্যা
    অতিরিক্ত উদ্বেগের কারণে তার ওজনও দ্রুত কমে যাচ্ছিল। আশপাশের মানুষ বিষয়টি বুঝতে পারলেও তখন নিজের ভেতরের পরিস্থিতি কাউকে বোঝাতে পারছিলেন না বলে জানান অনুপমা।

    শুটিংয়ের সময়ও এর প্রভাব পড়েছিল। তার ডান চোখ অনিয়ন্ত্রিতভাবে কাঁপত। এতে কখনো কখনো শুটিং বন্ধ করে দিতে হতো।

    অনুপমা বলেন, ‘আমার ডান চোখে সমস্যা শুরু হতো। চোখ এমনভাবে কাঁপত যে শুটিং বন্ধ করতে হতো। এটা থামানোর কোনো উপায় ছিল না।’

    দীর্ঘক্ষণ কান্না, শেষে অস্ত্রোপচার
    অনুপমার ভাষ্য, ওই সময় তিনি প্রায় প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাঁদতেন। এর প্রভাব পড়ে তার চোখের অশ্রুগ্রন্থিতে। একপর্যায়ে অশ্রুগ্রন্থিটি স্বাভাবিক অবস্থান থেকে সরে গিয়ে ফুলে যায়।

    তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিদিন রাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাঁদতাম। এরপর সকালে উঠে শুটিংয়ে যেতে হতো। হঠাৎ আমার অশ্রুগ্রন্থি নিচের দিকে নেমে আসে। সেটি ফুলে গিয়েছিল। আমাকে অস্ত্রোপচার করাতে হয়।’

    ‘পর্দা’ সিনেমার প্রচারের সময় তার চোখের এক পাশ ফুলে থাকার বিষয়টিও উল্লেখ করেন অনুপমা। তিনি জানান, অশ্রুগ্রন্থিটি পুরোপুরি নিচে নেমে গিয়েছিল। পরে অস্ত্রোপচার করে সেটিকে আবার সেলাই করে ঠিক জায়গায় বসাতে হয়।

    অনুপমা আরও বলেন, ওই সম্পর্কের প্রভাব শুধু চোখের সমস্যাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। তার শরীর ও মনে এমন কিছু ক্ষত তৈরি হয়েছে, যেগুলো হয়তো কখনো পুরোপুরি সেরে উঠবে না।

    ‘নার্সিসিস্টিক নির্যাতন’ বলছেন অনুপমা
    এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এক পোস্টেও সাবেক সঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ককে ‘নার্সিসিস্টিক অ্যাবিউজ’ বা নার্সিসিস্টিক নির্যাতন হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন অনুপমা।

    তার দাবি, সম্পর্কের শুরুতে অতিরিক্ত ভালোবাসা ও যত্ন দিয়ে তাকে এমনভাবে আবেগগতভাবে জড়িয়ে ফেলা হতো যে নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে ভাগ্যবান মানুষ মনে হতো। পরে আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন আসত এবং সম্পর্কটি হয়ে উঠত অত্যন্ত কঠিন।

    অনুপমার ভাষ্য অনুযায়ী, পরে আবার ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়া, কান্নাকাটি ও আর এমন হবে না-এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হতো। এরপর আবার আগের মতোই ভালোবাসা ও নির্যাতনের চক্র চলত।

    সাবেক সঙ্গী কে, জানাননি
    অনুপমা তার বক্তব্যে সাবেক সঙ্গীর নাম প্রকাশ করেননি। তবে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে তার সঙ্গে অভিনেতা ধ্রুব বিক্রমের সম্পর্ক নিয়ে আগে গুঞ্জন ছিল। ২০২৫ সালে মারি সেলভারাজের বাইসন কালামাদান ছবিতে একসঙ্গে কাজ করার পর তাদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা বাড়ে।

    তবে অনুপমা তার সাম্প্রতিক বক্তব্যে ধ্রুব বিক্রমের নাম উল্লেখ করেননি। ধ্রুবও এমন কোনো সম্পর্ক বা অনুপমার অভিযোগের বিষয়ে প্রকাশ্যে নিশ্চিত বা মন্তব্য করেননি। সূত্র: এনডিটিভি

  • সালমান শাহর ভক্তদের আবেগ ও শোকের গল্প নিয়ে সিনেমা, মুক্তি ৪ সেপ্টেম্বর

    সালমান শাহর ভক্তদের আবেগ ও শোকের গল্প নিয়ে সিনেমা, মুক্তি ৪ সেপ্টেম্বর

    অমর নায়ক সালমান শাহর জীবনী নয়, তাঁর মৃত্যুরহস্যও নয়। বরং নব্বইয়ের দশকে এই নায়ককে ঘিরে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়া উন্মাদনা, আবেগ আর ভক্তদের পাগলামির গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে সিনেমা ‘লাভ ৯৬’। তরুণ নির্মাতা ইভান মল্লিক পরিচালিত সিনেমাটি আগামী ৪ সেপ্টেম্বর সারাদেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে।

    নির্মাতা জানান, সালমান শাহর ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকীর দুদিন আগে মুক্তি দেওয়া হবে সিনেমাটি। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৪ বছর বয়সে মারা যান জনপ্রিয় এই নায়ক। তাঁর মৃত্যুর পর ভক্তদের মধ্যে যে গভীর শোক ও আবেগ তৈরি হয়েছিল, সেই সময়কেই পর্দায় তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে ‘লাভ ৯৬’-এ।

    গত ১০ মে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে আনকাট ছাড়পত্র পেয়েছে সিনেমাটি। নির্মাতা ইভান মল্লিক বলেন, ‘সিনেমাটি যেহেতু সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে আনকাট ছাড়পত্র পেয়েছে এবং প্রশংসিত হয়েছে, তাই এখানে বিতর্কিত কিছু নেই। আছে শুধু সালমান শাহ ভক্তদের আবেগ, উন্মাদনা এবং নব্বইয়ের দশকের সেই সময়কে ফিরে দেখার চেষ্টা।’

    সিনেমটির গল্পে উঠে এসেছে নব্বইয়ের দশকের সেই চেনা সময়। ব্যাটারিচালিত সাদাকালো টেলিভিশনে প্রিয় অনুষ্ঠান দেখা, চাঁদা তুলে ভিসিআর ভাড়া করে রাতভর সিনেমা দেখা, ভিউকার্ড সংগ্রহ, ক্যাসেট প্লেয়ারে গান শোনা কিংবা রেডিওতে পছন্দের অনুষ্ঠানের জন্য অপেক্ষা—সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যাওয়া এসব স্মৃতির আবহেই এগিয়েছে গল্প।

    সেই সময় বাংলা চলচ্চিত্রে ধূমকেতুর মতো আবির্ভাব ঘটে সালমান শাহর। অভিনয়, স্টাইল, ব্যক্তিত্ব ও রোমান্টিক উপস্থিতিতে অল্প সময়েই তিনি হয়ে ওঠেন দর্শকের প্রিয় নায়ক। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো দেশ শোকাহত হয়ে পড়ে। প্রিয় নায়ককে হারানোর বেদনা সহ্য করতে না পেরে কয়েকজন ভক্ত আত্মহত্যার পথও বেছে নিয়েছিলেন।

    সেই সময়ের আবেগ, সালমান শাহকে ঘিরে ভক্তদের উন্মাদনা এবং এক অন্ধ ভক্তের জীবনকাহিনিকে কেন্দ্র করেই নির্মিত হয়েছে ‘লাভ ৯৬’।

    রাইসা ফিল্মসের ব্যানারে মো. জসিম উদ্দিনের প্রযোজনায় নির্মিত সিনেমাটির মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হচ্ছে নতুন জুটি আরিয়ান খান ও পূর্ণতার। সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন শিবা সানু, সানজিদা মিলা, তমাল মাহবুব, রেবেকা রউফ, আরমান খান, প্রিয়া, ডি জে সোহেল, রুবেল রানা ও সিমান্ত খন্দকার।

    ইভান মল্লিক বলেন, ‘অডিশনের মাধ্যমে একেবারে নতুন দুজনকে নির্বাচন করেছি। অডিশনের ক্ষেত্রে পরিচালক সমিতিও সহযোগিতা করেছে। “লাভ ৯৬” পুরোপুরি রোমান্টিক ও অ্যাকশনধর্মী বাণিজ্যিক সিনেমা। দর্শকরা টানটান উত্তেজনা পাবেন। আমি মনে করি, এই চলচ্চিত্রটি দেখলে প্রত্যেক সালমান শাহ ভক্তই নিজের কোনো না কোনো অনুভূতিকে খুঁজে পাবেন।’