বিনোদন

  • পপির পাশে দাঁড়ালেন ওমর সানী

    পপির পাশে দাঁড়ালেন ওমর সানী

    জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী সাদিকা পারভীন পপিকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বিশেষ করে অভিনয়জীবন নিয়ে তার একটি পুরনো মন্তব্য নতুন করে চর্চায় এসেছে। এই বিতর্কের মাঝে চলচ্চিত্রের সম্মান ও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে ফেসবুকে বার্তা দিয়েছেন অভিনেতা ওমর সানী।

    ওমর সানী তার পোস্টে ধর্ম ও কর্মকে আলাদা বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, ‘পপির কথাটা যেভাবে আসছে এভাবে ঠিক না যদি ও এভাবে বলে থাকে। আসলে ধর্ম কর্ম দুইটা আলাদা জিনিস কর্মটা হালাল ধর্ম তো কোন কথাই নেই।’

    ওমর সানী তার বক্তব্যে পপির বক্তব্য বা মনোভাবের সমালোচনা করলেও চলচ্চিত্রের সম্মান রক্ষায় সোচ্চার ভূমিকা রাখেন। তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, চলচ্চিত্র মাধ্যমে কাজ করে সৎ উপায়ে জীবিকা নির্বাহ করা কোনো অপরাধ বা অনৈতিক কিছু নয়। সমাজের অনেক অবৈধ ব্যবসায়ী বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের চেয়ে বিনোদন জগতের মানুষের সততা ও হালাল পরিশ্রম অনেক বেশি সম্মানের।

    পপির ও তার নিজের মক্কা-মদিনা সফরের প্রসঙ্গও আসে ওমর সানীর বক্তব্যে। তিনি লেখেন, ‘আল্লাহর হুকুম ছাড়া কেউ মক্কা এবং মদিনাতে যেতে পারে না, কিন্তু আল্লাহ আমাদের ডেকেছেন।বুঝলে বুঝপাতা না বুঝলে তেজপাতা।’

    পপিকে উদ্দেশ করে পোস্টের শেষাংশে ওমর সানী আরও লেখেন, ‘ও এখনও আমার কাছে ছোট মানুষ, ভালো থাকিস পপি।’

    পূর্বে এক ভিডিও বার্তায় অভিনয়জগৎ থেকে দূরে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে অঝোর কান্নায় পপি বলেছিলেন, তিনি সবকিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন। জীবনের বাকি দিনগুলো শান্তিতে বাঁচতে চান, ভালো থাকতে চান এবং সৃষ্টিকর্তার নাম জপেই সময় কাটাতে চান।

    সম্প্রতি অভিনয়জীবন ও অতীত পথচলা নিয়ে পপির এই মন্তব্য নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছে। আর সেই বক্তব্য ঘিরে নেটপাড়ায় শুরু হয় নানা আলোচনা-সমালোচনা।

    ১৯৯৭ সালে পপির প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘কুলি’-তেই তার বিপরীতে নায়ক হিসেবে অভিনয় করেছিলেন ওমর সানী। পরবর্তীতে তারা দুজনে মিলে ‘জগত সংসার’সহ একাধিক ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন।

  • মারধরের ঘটনার পর স্নিগ্ধা বললেন, এই শহর অনেক কিছু শিখিয়েছে

    মারধরের ঘটনার পর স্নিগ্ধা বললেন, এই শহর অনেক কিছু শিখিয়েছে

    নিজের জন্মদিনকে ‘নতুন এক জন্ম’ হিসেবে দেখছেন মডেল ও অভিনেত্রী স্নিগ্ধা চৌধুরী। জন্মদিন উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে জীবনের কঠিন সময়, মানসিক যন্ত্রণা, মানুষের বিচার এবং ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প তুলে ধরেছেন ‘প্রেশার কুকার’ সিনেমার এই অভিনেত্রী।

    স্নিগ্ধার কাছে জন্মদিন মানে শুধু জীবনের আরও একটি বছর পার হওয়া নয়। বরং এই দিনটি তার কাছে ফিরে দেখার সুযোগ—কোথা থেকে শুরু করেছিলেন, আর সময়ের সঙ্গে কোথায় এসে দাঁড়িয়েছেন।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্নিগ্ধা লিখেছেন, ‘এই শহর আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে, অনেক কিছু দিয়েছে। তবে কোনোটাই সহজে দেয়নি। অনেক দরজা বন্ধ হয়েছে, অনেকবার নিজেকে প্রমাণ করতে হয়েছে।’

    স্নিগ্ধা চৌধুরী। ছবি: ফেসবুক

    গত জুলাইয়ে স্নিগ্ধার জীবনে নেমে আসে কঠিন সময়। তিনি মারধরের শিকার হন। এরপর কেটে যাওয়া প্রায় ৪০ দিনকে জীবনের অন্যতম কঠিন সময় হিসেবে উল্লেখ করেছেন অভিনেত্রী। তার ভাষ্য, এই সময়ে শারীরিক কষ্টের চেয়েও মানসিক যন্ত্রণা ছিল বেশি।

    চিকিৎসকের পরামর্শে দীর্ঘদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকেও দূরে ছিলেন স্নিগ্ধা। এ সময় পরিবারের সঙ্গে কাটিয়েছেন সময়। নিজেকে সময় দিয়েছেন, কেঁদেছেন, ভেবেছেন এবং অনেকটা নীরব থেকেছেন।

    মানুষের দ্রুত বিচার করার প্রবণতা নিয়েও আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন তিনি। স্নিগ্ধার মতে, অনেকেই পুরো ঘটনা না জেনেই একজন মানুষকে ভালো কিংবা খারাপ হিসেবে বিচার করে ফেলেন। আবার কারও জীবনের সবচেয়ে দুর্বল মুহূর্তকেও তার পুরো পরিচয় হিসেবে দেখেন অনেকে।

    স্নিগ্ধা চৌধুরী। ছবি: ফেসবুক

    তবে এই কঠিন সময় তাকে ভেঙে দিতে পারেনি বলেই মনে করেন স্নিগ্ধা। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, ‘যারা ভেবেছিলেন আমি ভেঙে গেছি, হয়তো তারা শুধু আমার নীরবতাটা দেখেছিলেন। আমি জানি, আমি ভাঙিনি। আমি শুধু একটু থেমেছিলাম ক্লান্ত হয়ে। এবার আবার চলার পালা।’

    নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে স্নিগ্ধা আরও জানান, তিনি অনেক নারীর সামনের দিনের পথচলা সহজ করার চেষ্টা করেছেন। অন্যায়ের শিকার নারীদের হয়ে বিভিন্ন সময়ে কণ্ঠও তুলেছেন তিনি।

    জন্মদিনে সব কর্মজীবী নারীর জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। পাশাপাশি প্রত্যেক নারীর কর্মস্থল নিরাপদ হোক—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছেন তিনি।

    স্নিগ্ধা চৌধুরী। ছবি: ফেসবুক

    সবশেষে কঠিন সময়ে নিঃস্বার্থভাবে পাশে থাকা মানুষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান স্নিগ্ধা। তাদের ভালোবাসা তাকে নতুন করে উপলব্ধি করিয়েছে—ভালোবাসার শক্তি অনেক, আর সেই ভালোবাসা অনেক ক্ষতও সারিয়ে তুলতে পারে।

  • বাজে চরিত্রে অভিনয় করেছি, কিন্তু নেতাদের মতো খারাপ নই: বিপ্লব

    বাজে চরিত্রে অভিনয় করেছি, কিন্তু নেতাদের মতো খারাপ নই: বিপ্লব

    পশ্চিমবঙ্গের বর্ষীয়ান অভিনেতা বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তবে তিনি সুস্থ আছেন। মৃত্যুর গুজব ছড়ানোর বিষয়টি জানতে পেরে নিজেই ভিডিও বার্তায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এই অভিনেতা।

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়ের একটি ছবি পোস্ট করে তাকে প্রয়াত বলে দাবি করা হয়। মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন তাঁর অনুরাগীরা। পরে ওয়েস্ট বেঙ্গল মোশন পিকচার্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিপ্লব চট্টোপাধ্যায় সুস্থ আছেন এবং তার মৃত্যুর খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা।

    এরপর বিষয়টি নিয়ে নিজেই মুখ খোলেন অভিনেতা। ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘একটা খবর ছড়িয়ে পড়েছে, আমি নাকি মারা গেছি। মারা তো যাবই। তবে ঈশ্বর যতদিন রেখেছেন, ততদিন থাকি। যে বা যিনি এই কাজ করেছেন, তিনি এটা বন্ধ করুন। চট করে সবাইকে মৃত বলে দেবেন না। শুধু আমার নয়, কারও সম্পর্কে এমনটা বলবেন না। বলার আগে একটু ভাববেন।’

    এ ধরনের গুজব ছড়ানোর ঘটনাকে ‘শিক্ষার অভাব’ বলেও মন্তব্য করেন বিপ্লব। তার কথায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনও তথ্য প্রকাশের আগে সেটি যাচাই করা উচিত।

    পরে নিজের অভিনীত চরিত্রের প্রসঙ্গ টেনে খানিকটা রসিকতা করেন এই অভিনেতা। তিনি বলেন, ‘আমাকে অনেক বদমায়েশের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখেছেন। অনেকেই আমাকে খারাপ লোক হিসেবে চেনে। তবে আমি রাজনৈতিক নেতাদের থেকে খারাপ নই।’

    ভুয়া মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে বিনোদন জগতের একাধিক তারকাকে নিয়ে এমন গুজব ছড়িয়েছে। পরে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি মিথ্যা বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

    বিপ্লব চট্টোপাধ্যায় বাংলা চলচ্চিত্রের পরিচিত মুখ। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে নানা ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। বিশেষ করে নেতিবাচক ও খলচরিত্রে তাঁর অভিনয় দর্শকদের কাছে আলাদা পরিচিতি পেয়েছে। তবে এবার নিজের মৃত্যুর গুজবের জবাব দিতে গিয়ে সেই খলনায়ক পরিচয়কেই মজার ছলে সামনে আনলেন বর্ষীয়ান এই অভিনেতা। সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

  • বিয়ের ৫ মাসের মাথায় বিচ্ছেদের ঘোষণা বাদশার

    বিয়ের ৫ মাসের মাথায় বিচ্ছেদের ঘোষণা বাদশার

    বিয়ের মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই আলাদা হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন ভারতের জনপ্রিয় র‍্যাপার বাদশা ও পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ইশা রিখি। গতকাল সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে নিজেদের বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন তারা। চলতি বছরের মার্চে ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছিলেন বাদশা ও ইশা। এরপর কয়েক মাস একসঙ্গে থাকার পর পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

    ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে দেওয়া বিবৃতিতে বাদশা জানান, দুজনেই নিজেদের জীবনের পথ আলাদাভাবে এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একে অপরের প্রতি সম্মান বজায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে সম্মান করার জন্য ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন এই র‍্যাপার। একই সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে নতুন কোনো জল্পনা বা অনুমান না করার আহ্বানও জানিয়েছেন তারা।

    বাদশা আরও স্পষ্ট করে বলেন, এ বিষয়ে তাদের পক্ষ থেকে এটিই একমাত্র বক্তব্য। ভবিষ্যতে বিচ্ছেদ নিয়ে আর কোনো মন্তব্য করা হবে না বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তারা।

    বাদশা ও ইশার সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়েছে এমন আলোচনা অবশ্য নতুন নয়। জুলাই থেকেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। ওই সময় ইশা রিখি বাদশার সঙ্গে কাটানো বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও নিয়ে একটি মন্টাজ প্রকাশ করেন। পোস্টটির সঙ্গে তিনি লেখেন, ‘প্রতিটি ঝড়ই এক একটি শিক্ষা। প্রতিটি প্রার্থনাই একটি আশা।’

    ক্যাপশনের সঙ্গে ভাঙা হৃদয় ও হাতজোড় করা ইমোজি থাকায় অনেকেই পোস্টটিকে তাদের সম্পর্কের টানাপোড়েনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখেছিলেন। এরপর ইশার মা পুনম রিখির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কয়েকটি পোস্টও আলোচনায় আসে। সেখানে তিনি ‘কর্মফল’ নিয়ে একাধিক পোস্ট শেয়ার করেছিলেন। এসব পোস্টও বাদশা-ইশার সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করে।

    বিচ্ছেদের খবর প্রকাশের কয়েক মাস আগেই বাদশার সঙ্গে তার বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে নিশ্চিত করেছিলেন ইশা রিখি। জুনে ইনস্টাগ্রামে আয়োজিত ‘আস্ক মি অ্যানিথিং’ পর্বে এক ভক্তের প্রশ্নের জবাবে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন। এদিকে ইশার পেশাগত জীবন নিয়েও সম্প্রতি আলোচনা চলছিল। সালমান খানের পরিচালনায় আসন্ন ‘বিগ বস ২০’-এর প্রতিযোগী হিসেবে তার নাম শোনা যাচ্ছিল। এর মধ্যেই সামনে এলো বাদশার সঙ্গে তার বিচ্ছেদের খবর।

    ইশা রিখির সঙ্গে বিয়ের আগে বাদশা জেসমিন মসিহের সঙ্গে সংসার করেছিলেন। ২০২০ সালে তাদের আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ হয়। সাবেক এই দম্পতির একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে জন্ম নেয় তাদের মেয়ে।

  • বিয়ে করেছেন মিষ্টি জান্নাত

    বিয়ে করেছেন মিষ্টি জান্নাত

    বিয়ে করেছেন চিত্রনায়িকা মিষ্টি জান্নাত। সম্প্রতি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘গট ম্যারিড’ লাইফ ইভেন্ট যুক্ত করেছেন তিনি। পরে গণমাধ্যমে নিজের বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এই অভিনেত্রী। মিষ্টি জানিয়েছেন, তার স্বামী একজন ব্যবসায়ী। পাশাপাশি মিডিয়ার সঙ্গেও তার কিছুটা সম্পৃক্ততা রয়েছে। তবে আপাতত স্বামীর নাম কিংবা বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করতে রাজি নন তিনি। বিয়ের সময়, স্থান ও স্বামীর পরিচয় জানতে চাইলে মিষ্টি জানান, এসব তথ্য এখনই প্রকাশ করা যাবে না। শুধু জানিয়েছেন, তাদের বিয়ে বাংলাদেশেই হয়েছে। মিষ্টির বিয়ে প্রেমের নাকি পারিবারিকভাবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, এটি প্রেমের বিয়ে। তবে কবে থেকে তাদের সম্পর্ক, কিংবা ঠিক কবে বিয়ে করেছেন, সেই তথ্যও আপাতত গোপন রাখতে চান অভিনেত্রী। এর কারণ হিসেবে মিষ্টি জানান, সব তথ্য একসঙ্গে প্রকাশ করে দিলে আর কোনো ‘সাসপেন্স’ থাকবে না। তাই আপাতত স্বামীর পরিচয় ও বিয়ের অন্যান্য তথ্য প্রকাশ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। মিষ্টি জানান, তাদের বিয়েটি হুট করে হয়নি। বরং অনেক আগেই বিয়ে করেছেন তারা। তবে ব্যক্তিগত কিছু কারণে এতদিন বিষয়টি গোপন রেখেছিলেন।

  • মৌসুমী পপিকে খোঁচা বাপ্পারাজ জয়ের

    মৌসুমী পপিকে খোঁচা বাপ্পারাজ জয়ের

    ঢাকাই সিনেমার সফল চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপি। নব্বইয়ের দশকের শেষে সিনেমায় আসেন। শূন্য দশকে পার করেছেন তুমুল ব্যস্ত সময়। দীর্ঘদিন অভিনয়ে নেই। আর অভিনয় করবেন না বলেও জানিয়েছেন। এই পর্যন্ত সবই ঠিক ছিল। কিন্তু তার একটি মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে আলোচনা। ‘যতটুকু পাপ কামিয়েছি সব ধুয়ে-মুছে সুন্দরভাবে মরতে চাই।’

    পপির এই মন্তব্যে কারও বুঝতে বাকি নেই, সিনেমায় অভিনয়কে ‘পাপ’ হিসেবে ইঙ্গিত করেছেন তিনি। আর প্রসঙ্গটি নিয়ে পপিকে খোঁচা দিয়েছেন অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয়। গতকাল ফেসবুক পোস্টে জয় লেখেন, ‘নায়িকা মৌসুমী যা বলেছিলেন, নায়িকা পপিও তা বললেন। এখন শাবনূর এবং পূর্ণিমা একই কথা বললে একটা জেনারেশন পূর্ণ হতো। অভিনয় যে একটা গুনাহর কাজ, এটা তারা বুঝতে পেরেছে। কিন্তু আমার প্রশ্ন- আপনারা তো ষোলো আনা বুঝে নিয়ে তারপর ভুল বুঝতে পেরেছেন। কিন্তু আমরা যে কিছু না বুঝেই আপনাদের ভক্ত হয়ে ভুল করেছি এবং গুনাহ করেছি, আমাদের কী হবে তাহলে?’

    এদিকে পোস্টটির মন্তব্যের ঘরে নিজের মতামত জানিয়েছেন অভিনেতা বাপ্পারাজ। তিনি লেখেন, ‘যখন ইনকাম করা হয়, তখন পাপ মনে হয় না। বেকার হয়ে গেলেই মনে হয় আগে পাপ করেছি। ইবাদত সব সময়ের জন্যই, বেকারদের জন্য নয়।’

  • চোট কাটিয়ে কাজে ফিরছেন রাশমিকা

    চোট কাটিয়ে কাজে ফিরছেন রাশমিকা

    চোটের কারণে প্রায় এক মাস অভিনয় থেকে দূরে থাকার পর আবারও কাজে ফিরছেন দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা। তার আসন্ন সিনেমা ‘মাইসা’র শুটিংয়ের সময় হিপে চোট পাওয়ার পর চিকিৎসকের পরামর্শে বিশ্রামে ছিলেন তিনি। এবার সুস্থ হয়ে শিগগিরই সেটে ফেরার খবর জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

    বিরতির সময় বেশিরভাগ সময় বাড়িতে কাটিয়েছেন রাশমিকা। সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রামে বিশ্রামে থাকার সময়ের কিছু ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেছেন তিনি। সেখানে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, ধর্মীয় রীতি পালন, পোষা কুকুরের সঙ্গে খেলা, ধাঁধা মেলানো কিংবা বাগানে সময় কাটানোর মুহূর্ত দেখা গেছে।

    এই অপ্রতাশিত ছুটিটা যে তিনি বেশ উপভোগ করেছেন, সেটিও জানিয়েছেন রাশমিকা। ছবিগুলো শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, ‘আমি শিগগিরই কাজে ফিরছি। কিন্তু সত্যি বলতে এই দিনগুলো আমি ভীষণ মিস করব’।

    চোট পাওয়ার আগে টানা কয়েকটি সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন রাশমিকা। এর মধ্যে অন্যতম আলোচিত সিনেমা ‘মাইসা’। গন্ড উপজাতির পটভূমিতে নির্মিত এই ইমোশনাল অ্যাকশন থ্রিলারে রাশমিকাকে দেখা যাবে এক সাহসী উপজাতি নারীর চরিত্রে। সিনেমাটিতে তার চরিত্রটি আগের কাজগুলোর তুলনায় বেশ আলাদা।

  • ছোটবেলায় অভিনয় শুরু, তিন দশক পর কারিশমার উপলব্ধি

    ছোটবেলায় অভিনয় শুরু, তিন দশক পর কারিশমার উপলব্ধি

    বলিউডে তিন দশকেরও বেশি সময় পার করেছেন অভিনেত্রী কারিশমা কাপুর। কিশোরী বয়সে অভিনয় শুরু করা এই তারকা মনে করেন, একজন শিল্পীর শেখার প্রক্রিয়া কখনোই শেষ হয় না। সময়ের সঙ্গে নিজেকে বদলে নেওয়াই একজন অভিনেতার সবচেয়ে বড় গুণ।

    সম্প্রতি বোম্বে টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কারিশমা বলেন, ‘অভিনয় মানেই প্রতিদিন নিজেকে বদলে নেওয়া। শুধু প্রতিটি সিনেমা নয়, প্রতিটি দিনই আমাকে নতুন কিছু শিখিয়েছে। বিভিন্ন মানুষ ও শুটিং সেট থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি। এই ধারাবাহিক শেখার মধ্য দিয়েই একজন শিল্পীর বিকাশ ঘটে।’

    মাত্র ১৬ বছর বয়সে অভিনয়জীবন শুরু করেন কারিশমা। তাঁর প্রথম ছবি প্রেম কায়েদি মুক্তি পায় ১৭তম জন্মদিনের মাত্র চার দিন আগে। তাই চলচ্চিত্র অঙ্গনেই তাঁর বেড়ে ওঠা বলে মনে করেন এই অভিনেত্রী।

    কারিশমা কাপুর। ছবি: ইন্সটাগ্রাম

    কারিশমার ভাষায়, ‘আমি খুব অল্প বয়সে কাজ শুরু করেছি। তাই ইন্ডাস্ট্রিতেই আমার বড় হওয়া। জীবনের উত্থান-পতন ও অভিজ্ঞতা থেকেই শিখেছি। ধাপে ধাপে এগিয়েছি। যখন পেছনে তাকিয়ে মনে হয় কিছু বিষয় ভিন্নভাবে করা যেত, তখন বুঝি একজন অভিনেতা হিসেবে আমি আরও পরিণত হয়েছি।’

    সম্প্রতি মেন্টালহুড ও ব্রাউন-এর মতো ওটিটি কনটেন্টে কাজ করেছেন কারিশমা। তার মতে, সিনেমা, টেলিভিশন ও ওটিটির কাজের ধরন একেবারেই আলাদা।

    তিনি বলেন, ‘ওটিটি চলচ্চিত্রের চেয়ে অনেক ভিন্ন। আমার কাছে এটি বেশ কঠিন মনে হয়েছে। কারণ, একটি সিরিজে একদিনে হয়তো প্রথম পর্বের দৃশ্যের পাশাপাশি সপ্তম পর্বের দৃশ্যও ধারণ করতে হয়। তাই কাজের গতি ও পদ্ধতি আলাদা। সিনেমার অভিনেতাদের জন্য ওটিটি নতুনভাবে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়।’

    কারিশমা কাপুর। ছবি: ইন্সটাগ্রামকারিশমা জানান, তিনি কখনোই খুব পরিকল্পনা করে ক্যারিয়ার এগিয়ে নেননি। বরং নিজের ইচ্ছা ও অনুভূতিকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।

    ‘আমি সব সময় এমন মানুষ ছিলাম যে, কোনো কাজ করতে চাইলে করেছি, না চাইলে করিনি। ক্যারিয়ার নিয়ে খুব বেশি পরিকল্পনা করিনি। তবে সৌভাগ্যক্রমে অনেক স্মরণীয় সিনেমা ও অসাধারণ চরিত্রে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি,’ বলেন রাজা হিন্দুস্তানি তারকা।

    বর্তমানে টেলিভিশনের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ইন্ডিয়াজ বেস্ট ড্যান্সার-এর বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন কারিশমা। তবে পেশাগত জীবনের অনেক আগেই নাচ তাঁর জীবনের অংশ হয়ে উঠেছিল।

    কারিশমা কাপুর। ছবি: ইন্সটাগ্রাম

    শৈশবের স্মৃতি মনে করে তিনি বলেন, ছোট বোন কারিনা কাপুর খানের সঙ্গে সিনেমার গান শুনে বাড়িতে নাচতেন তারা। বিশেষ করে প্রয়াত অভিনেত্রী শ্রীদেবীর বড় ভক্ত ছিলেন কারিশমা। তিনি বলেন, ‘ছোটবেলায় আমি শ্রীদেবীর বড় ভক্ত ছিলাম। কারিনা আর আমি বাবা-মায়ের সামনে “তাথাইয়া তাথাইয়া, নয়নো মে সপ্না” গানে নাচতাম। নাচ সবসময়ই আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’

    অভিনেত্রীর ভাষায়, ‘আমাদের পরিবারে নাচের দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। শাম্মি কপূর, ঋষি কপূর ও শশী কপূর—প্রত্যেকেরই নিজস্ব নাচের ধরন ছিল। তাই নাচ সবসময়ই আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছে।’ সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

  • তারকারা কে কোন পেশা-ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত

    তারকারা কে কোন পেশা-ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত

    শোবিজের অনেক তারকা অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত আগ্রহ থেকে বেছে নিয়েছেন চাকরি কিংবা ব্যবসা। কেউ অভিনয়ের পরিচয় পেছনে রেখে চাকরিতে মনোনিবেশ করেছেন, কেউ ব্যবসায় মন দিয়েছেন পুরোপুরি। আসুন জেনে নেই তারকারা কে কোন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।

    আমিন খান
    চিত্রনায়ক আমিন খান ওয়ালটনে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর পদে কর্মরত। করপোরেট চাকরির পাশাপাশি মাঝেমধ্যে অভিনয়েও দেখা যায় তাকে।

    আজিজুল হাকিম
    অভিনেতা আজিজুল হাকিম একই প্রতিষ্ঠানে নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। চাকরির পাশাপাশি অভিনয়ও চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

    শাহনাজ সুমি
    ওটিটি ও সিনেমায় পরিচিত অভিনেত্রী শাহনাজ সুমি সম্প্রতি ব্র্যাকের হেলথ প্রোগ্রামে যোগ দিয়েছেন। চাকরির পাশাপাশি সুযোগ বুঝে অভিনয় চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার।

    তমা মির্জা
    জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী তমা মির্জা একটি বেসরকারি ব্যাংকে অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশনস) হিসেবে কাজ করছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি বছরে এক বা দুটি সিনেমায় কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে তার।

    আইরিন সুলতানা
    চিত্রনায়িকা আইরিন সুলতানা নিয়মিত চাকরির সঙ্গে যুক্ত। চাকরির নির্দিষ্ট সময়সূচির কারণে অভিনয়ে আগের মতো সময় দিতে পারছেন না তিনি।

    মেহরিন ইসলাম নিশা

    ২০১০ সালের লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় রানারআপ মেহরিন ইসলাম নিশা বর্তমানে ঢাকা ব্যাংকের চাকরিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

    শবনম ফারিয়া

    একসময় নিয়মিত অভিনয় করলেও বর্তমানে চাকরি ও সংসারকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। একটি টেলিকম প্রতিষ্ঠানে কর্মরত তিনি। সময় পেলে অভিনয়েও ফেরেন।

    সিয়াম আহমেদ

    চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদ তিন বন্ধুকে নিয়ে গড়ে তুলেছেন ফ্যাশন ও গার্মেন্টস ব্যবসা ‘হোলাগো’। ২০২০ সালে অনলাইনে যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটির পরবর্তী সময়ে শোরুমও চালু হয়েছে।

    ফারহানা হামিদ

    বন্ধু ঊর্মিলা শুক্লার সঙ্গে যৌথভাবে ২০১৮ সালে ‘খুঁত’ নামে ফ্যাশন হাউজ চালু করেন অভিনেত্রী ফারহানা হামিদ। বর্তমানে এর তিনটি শোরুম রয়েছে। পোশাকের নকশার কাজও করেন তিনি।

    জিয়াউল হক পলাশ

    ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর কাবিলা চরিত্রে জনপ্রিয় জিয়াউল হক পলাশ যুক্ত হয়েছেন ফ্যাশন ব্যবসায়। তার অনলাইন ব্র্যান্ড ‘হাইওয়ে’। ব্র্যান্ডটির টি-শার্টে তার অভিনীত বিভিন্ন নাটকের নাম ও নকশা ব্যবহার করা হয়েছে।

    ওমর সানী
    চিত্রনায়ক ওমর সানী রেস্তোরাঁ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তার রেস্তোরাঁর নাম ‘চাপওয়ালা’। মানিকগঞ্জের বাথুলী ও অরঙ্গাবাদ এলাকায় রয়েছে ‘চাপওয়ালার শ্বশুরবাড়ি’ নামে শাখা।

    অপু বিশ্বাস
    চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস অভিনয়ের পাশাপাশি রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ও যুক্ত হয়েছেন। রাজধানীর আফতাবনগরে ‘এবি ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট’ চালু করেছেন তিনি। রেস্টুরেন্টের পাশাপাশি পার্লার ও বুটিক ব্যবসায়ও যুক্ত হয়েছেন অপু বিশ্বাস। আফতাবনগরে ‘সিগনেচার বাই এবি পার্লার অ্যান্ড বুটিক’ চালু করেছেন তিনি।

    কেয়া পায়েল
    অভিনেত্রী কেয়া পায়েল মেকওভার ও স্যালন ব্যবসায় যুক্ত হয়েছেন। রাজধানীর উত্তরায় ‘পার্ল বাই পায়েল মেকওভার অ্যান্ড স্যালন’ চালু করেছেন তিনি।

    রিচি সোলায়মান
    অভিনয়ে কিছুটা অনিয়মিত রিচি সোলায়মান ব্যবসায়ী হিসেবেও পরিচিতি তৈরি করেছেন। উত্তরার রবীন্দ্র সরণিতে ‘ইটারনাল বিউটি লাউঞ্জ’ পরিচালনা করছেন তিনি।

    স্বাগতা
    অভিনেত্রী-গায়িকা জিনাত শানু স্বাগতা অর্গানিক খাদ্যপণ্যের ব্যবসা করছেন। ‘ট্রুগানিক বাই স্বাগতা’ নামের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে চিনিগুঁড়া চাল, ঢেঁকিছাঁটা চাল, চিড়া, মুড়িসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করা হয়।

    পরীমণি
    নিজের মাতৃত্বকালীন অভিজ্ঞতা থেকে মা ও শিশুর প্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে ‘বডি’ নামে একটি ব্র্যান্ড গড়ে তুলেছেন চিত্রনায়িকা পরীমণি। ব্র্যান্ডটিতে ম্যাটার্নিটি ড্রেস ও শিশুদের পোশাক রয়েছে।

    সামিরা খান মাহি
    অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি একটি গাড়ির ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার হিসেবে যুক্ত হয়েছেন। প্রায় দুই বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যুক্ত থেকে ব্যবসার অভিজ্ঞতা অর্জন করছেন তিনি।

    তৌকীর আহমেদ
    অভিনেতা-নির্মাতা তৌকীর আহমেদ গাজীপুরে ‘নক্ষত্রবাড়ি’ নামে একটি রিসোর্ট পরিচালনা করছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি স্থাপত্য পেশার সঙ্গেও যুক্ত তিনি।

    আলমগীর
    অভিনেতা-নির্মাতা আলমগীর ব্যবসায়ী পরিবার থেকে এসেছেন। পারিবারিকভাবেই পোশাকশিল্পের সঙ্গে যুক্ত তিনি।

    অনন্ত জলিল
    নায়ক ও প্রযোজক হওয়ার আগেই ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি ছিল অনন্ত জলিলের। অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যবসা তার দীর্ঘদিনের পেশাগত পরিচয়ের অংশ।

    বাপ্পারাজ
    নায়করাজ রাজ্জাকের ছেলে অভিনেতা বাপ্পারাজ অভিনয়ের পাশাপাশি বায়িং হাউজ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।

    সম্রাট
    বাপ্পারাজের মতো নায়করাজ রাজ্জাকের আরেক ছেলে সম্রাটও বায়িং হাউজ ব্যবসায় সম্পৃক্ত।

    শাকিব খান
    ঢালিউডের শীর্ষ তারকা শাকিব খান অভিনয়ের বাইরে বড় পরিসরে ব্যবসায়িক উদ্যোগ নিয়েছিলেন। কসমেটিকস ও ভোক্তাপণ্যের বাজারেও তিনি যুক্ত হয়েছেন।

  • সোহেল রানার ইচ্ছা মনে রেখে ৪০ বছর পর রুবেলের দামি উপহার

    সোহেল রানার ইচ্ছা মনে রেখে ৪০ বছর পর রুবেলের দামি উপহার

    চিত্রনায়ক সোহেল রানা ও চিত্রনায়ক রুবেল দুই ভাই। বড় ভাইয়ের প্রতি রুবেলের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার কথা অনেকবারই প্রকাশ্যে এসেছে। এবার প্রায় ৪০ বছর আগের একটি ইচ্ছের কথা মনে রেখে সোহেল রানাকে দামি একটি ঘড়ি উপহার দিয়েছেন রুবেল। সেই উপহার পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পুরোনো স্মৃতিতে ফিরে গেছেন সোহেল রানা।

    সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে প্রায় চার দশক আগের সেই ঘটনার কথা তুলে ধরেছেন সোহেল রানা। তিনি জানান, চিকিৎসার জন্য একসময় তাকে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়েছিল। সঙ্গে ছিলেন অভিনেতা হুমায়ুন ফরীদি, শহীদুল ইসলাম খোকন ও ছোট ভাই রুবেল।

    সোহেল রানা লেখেন, “প্রায় ৪০ বছর আগের কথা। চিকিৎসার জন্য আমাকে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতাল সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়েছিল। সমস্ত কিছু পরীক্ষা করার পর চিকিৎসক বললেন, “তুমি সম্পূর্ণ সুস্থ।” মনের আনন্দে হাসপাতাল ছেড়ে হোটেলে উঠলাম। বিকেলে বেরিয়ে গেলাম।”

    চিত্রনায়ক রুবেল ও সোহেল রানা। ছবি: ফেসবুক

    অভিনেতা জানান, দামি ঘড়ি কেনার প্রতি তার বরাবরই আগ্রহ ছিল। তখন তার হাতে রাডোর একটি ঘড়ি ছিল। সেটি অত্যন্ত টেকসই হওয়া সত্ত্বেও নতুন একটি দামি ঘড়ি কেনার ইচ্ছা হয়েছিল তার।

    সোহেল রানা বলেন, ‘দামি ঘড়ি কেনার আমার একটা শখ ছিল। রাডো হাতে ছিল, যার ওপর দিয়ে ট্রাক গেলেও ঘড়ির কিছুই হতো না। তারপরও মনে হলো আরও একটা দামি ঘড়ি কিনব। দোকানে গেলাম। সঙ্গে রুবেল এবং খোকন।’

    দোকানের বিশাল শোরুমে সবচেয়ে দামি একটি ঘড়ি তার সামনে আনা হয়েছিল। কিন্তু দাম শুনে চমকে যান সোহেল রানা। তার কাছে তখন সেই ঘড়ি কেনার মতো অর্থ ছিল না। শেষ পর্যন্ত ঘড়িটি না কিনেই ফিরতে হয় তাঁকে। তবে ঘড়িটির প্রতি তাঁর মুগ্ধতা রুবেলের চোখ এড়ায়নি।

    চিত্রনায়ক রুবেল ও সোহেল রানা। ছবি: ফেসবুক

    প্রায় ৪০ বছর পর সেই পুরোনো স্মৃতিই আবার ফিরিয়ে আনলেন রুবেল। সেই একই ঘড়ি না হলেও রুবেল যে ঘড়িটি উপহার দিয়েছেন, সেটিও অত্যন্ত দামি।

    সোহেল রানা লেখেছেন, “গতকাল আমার বাসায় এসে আমার হাতটা টেনে নিয়ে একটা ঘড়ি পরিয়ে দিল বলল, ‘যে ঘড়িটার দিকে তুমি তাকিয়েছিলে তার দাম এখন আমার নাগালের বাইরে এক কোটি থেকে দেড় কোটি। কিন্তু তারপরেও যে ঘড়িটা আমাকে দিল, দাম বলবো না।”

    তিনি লেখেন, ‘দাম দিয়ে সবকিছু কেনা যায় না, হৃদয় থাকতে হয়, ভালোবাসা থাকতে হয়। আমার সেই ইচ্ছেটা মনে রেখে চল্লিশ বছর পরে বড় ভাইয়ের জন্য অনেক অনেক দামি একটা ঘড়ি নিয়ে এলো।’

    চিত্রনায়ক রুবেল ও সোহেল রানা। ছবি: ফেসবুক

    রুবেল ঘড়িটি পরিয়ে দিয়ে তাকে সব সময় সেটি পরে থাকার কথাও বলেন। ছোট ভাইয়ের এমন ভালোবাসায় আবেগাপ্লুত সোহেল রানা। তিনি লেখেন, ‘আমি শুধু তাকিয়ে রইলাম। মনে মনে ভাবলাম, কথাটা না বললেও চলত। আমৃত্যু এই ঘড়ি আমার হাতেই থাকবে।’

    প্রায় চার দশক আগের একটি ছোট্ট ইচ্ছেকে মনে রেখে ছোট ভাইয়ের এমন উপহার যে সোহেল রানার কাছে শুধু দামি ঘড়ি নয়, বরং ভালোবাসার স্মারক—তাঁর আবেগঘন লেখাতেই সেটি স্পষ্ট।