বিনোদন

  • ‘তারা বাংলার শেষ নবাবের বংশধর!’

    ‘তারা বাংলার শেষ নবাবের বংশধর!’

    শোবিজের পরিচিত মুখ অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও বেশ সক্রিয়। ব্যক্তিজীবন, ক্যারিয়ার ও সমসাময়িক নানা ইস্যুতে নিয়মিতই মত প্রকাশ করে থাকেন এই মাধ্যমে।

    গতকাল মোটরচালিত/ব্যাটারি চালিত রিকশা দুর্ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী মারা গেছেন। বিষয়টি স্মরণ করে প্রধান সড়কে মোটরচালিত/ব্যাটারি চালিত রিকশা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন শবনম ফারিয়া।

    আজ মঙ্গলবার এক ফেসবুক পোস্টে ফারিয়া লিখেছেন, ‘গতকাল ঠিক যে সময়ে আমি আইইউবি থেকে মাস্টার্স শেষ করার আনন্দ সবার সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছিলাম, ঠিক সেই সময়ই আইইউবি-এর আরেকজন ছাত্র ওলি নুর সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছিলেন। আমাদের সরকার, আইনপ্রণেতা আর প্রশাসনের চেয়ে কি মোটরচালিত রিকশা চালকেরা বেশি শক্তিশালী যে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যায় না? আমাদের এই চাওয়াটা তো বহুদিনের, ঢাকার প্রধান সড়কগুলোতে মোটরচালিত/ব্যাটারি চালিত রিকশা দেখতে চাই না। এটা কি খুব বড় কোনো দাবি?’

    কয়েক দিন আগের একটি ঘটনা বর্ণনা করে এই অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘কিছুদিন আগে ৩০০ ফিটের একটা ভিডিও দেখছিলাম। এআই ক্যামেরা বসানোর পর রাস্তা ফাঁকা থাকলেও গাড়িচালকেরা সিগন্যাল মেনে থামছেন। ভাবছিলাম, প্রযুক্তি এই কয়েকদিনের মধ্যে মানুষের আচরণ কি চমৎকারভাবে বদলে দিতে পারে, আর তখনই চোখে পড়ে আমাদের “বিশেষ” কিছু মোটররিকশা চালক। গাড়ি থেমে আছে, সিগন্যাল লাল, কিন্তু তারা দিব্যি চলে যাচ্ছে। তাদের আবার কিসের সিগন্যাল? তারা বাংলার শেষ নবাবের বংশধর! বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সিগন্যালে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে পারেন, কিন্তু তারা পারেন না!’

    বহুদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে পরিকল্পনা হচ্ছে অথচ বাস্তবায়ন নেই। একগুচ্ছ প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে শবনম ফারিয়া লিখেছেন, ‘ব্যাটারি চালিত রিকশা নিয়ে নিয়ন্ত্রণ, নিবন্ধন, লাইসেন্সিং ও রুট নির্ধারণের কথা বহুদিন ধরেই হচ্ছে। কিন্তু পরিকল্পনা আর বাস্তবায়নের মধ্যে যে বিশাল ফারাক, তার মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। প্রশ্ন হলো, নুরের মতো আর কতজনের মৃত্যুর পর একটা দৃঢ় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে? আর কত পরিবার তাদের সন্তান, স্বামী, বাবা কিংবা ভাইকে হারানোর পর আমরা বলব, “দুঃখজনক দুর্ঘটনা?” না কি শাহবাগে রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলন শুরু হলে তবেই আমাদের পলিসি মেকারদের মনে হবে, এবার কিছু একটা করা দরকার?’

    মোটরচালিত/ব্যাটারি চালিত রিকশা বন্ধ করে কারো জীবিকা কেড়ে নেওয়ার কথা বলছেন না শবনম ফারিয়া। বরং আইনসম্মত-নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থার পক্ষে তার মত। তিনি বলেন, ‘কারো জীবিকা কেড়ে নেওয়ার কথা বলছি না। আমরা চাই- নিয়ন্ত্রিত, নিরাপদ ও আইনসম্মত ব্যবস্থা। কিন্তু মানুষের জীবনের চেয়ে কোনো গোষ্ঠীর রাস্তার ওপর প্রভাব যদি বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায়, তাহলে প্রশ্নটা শুধু সড়ক নিরাপত্তার থাকে না, প্রশ্নটা হয়ে যায়, এই শহরের রাস্তায় আসলে কার অধিকার বেশি? আর কত মৃত্যু লাগবে উত্তরটা পাওয়ার জন্য?’

  • ঘুমের মধ্যে মারা গেছেন অভিনেত্রী অনন্যা রাজ

    ঘুমের মধ্যে মারা গেছেন অভিনেত্রী অনন্যা রাজ

    ভারতীয় অভিনেত্রী অনন্যা রাজ মারা গেছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৩৫ বছর। ‘থাগ্গেদে লে’, ‘৭ আওয়ার্স টু গো’ ও ‘ঘোস্ট’সহ বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। খবর বলিউড হাঙ্গামার

    অনন্যার পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ১৫ জুলাই ভোরে ঘুমের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়। মৃত্যুর প্রায় এক মাস পর গত রোববার তাঁর পরিবারের সদস্যরা অনন্যার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে বিষয়টি জানান।

    বিবৃতিতে পরিবারের সদস্যরা লিখেছেন, ‘অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে জানাচ্ছি, ১৫ জুলাই ভোরে অনন্যা মারা গেছে। ঘুমের মধ্যেই শান্তিপূর্ণভাবে তার মৃত্যু হয়। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সে শারীরিক ও মানসিক অস্বস্তির মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। সেসব কাটিয়ে ওঠার জন্য একজন যোদ্ধার মতো লড়াই করেছে সে।’

    মৃত্যুর খবর প্রকাশের পাশাপাশি অনন্যার শেষকৃত্যের কয়েকটি ছবিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছে তাঁর পরিবার। তাঁকে ‘দৃঢ়চেতা মেয়ে’ হিসেবে উল্লেখ করে পরিবারের সদস্যরা বলেন, অনন্যা নিজের জীবন নিজের মতো করে, ‘রানির মতো’ বাঁচতেন।

    অনন্যা রাজ। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে

    পরিবারের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘তোমার অনুপস্থিতি আমরা গভীরভাবে অনুভব করব। সবাইকে অনুরোধ করছি, তাঁর আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করুন। এই কঠিন সময়ে আমরা গোপনীয়তা ও নীরবতা বজায় রাখতে চাই।’

    অনন্যা রাজ শুধু সিনেমাতেই অভিনয় করেননি। বিভিন্ন সংগীত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের মিউজিক ভিডিওতেও তাঁকে দেখা গেছে। টি-সিরিজ, জি মিউজিক ও টাইমস মিউজিকের মতো প্রতিষ্ঠানের বেশ কিছু মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেছেন তিনি। ‘দ্য ফাইনাল এক্সিট’ও তাঁর অভিনীত সিনেমাগুলোর একটি।

    তাঁর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পরিবার বিস্তারিত কিছু জানায়নি। শুধু জানিয়েছে, মৃত্যুর আগে এক বছরের বেশি সময় ধরে তিনি শারীরিক ও মানসিক অস্বস্তির সঙ্গে লড়াই করছিলেন।
    অনন্যার মৃত্যুর খবর প্রকাশের পর তাঁর অনুরাগী ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে এ সময়ে গোপনীয়তা বজায় রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • ভারতের স্বাধীনতা উদযাপনে জয়া আহসান, কটাক্ষ শ্রীলেখার

    ভারতের স্বাধীনতা উদযাপনে জয়া আহসান, কটাক্ষ শ্রীলেখার

    নারীদের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা এবং সমমর্যাদার বার্তা দিতে কলকাতায় আয়োজিত হয় ‘ফ্রিডম বিয়ন্ড মিডনাইট’ শীর্ষক পদযাত্রা। ভারতের স্বাধীনতা দিবস ছিল গতকাল শনিবার। এ উপলক্ষে ১৪ আগস্ট রাতে অনুষ্ঠিত নারীদের এই আয়োজনে টালিউডের নারী শিল্পীদের সঙ্গে অংশ নেন বাংলাদেশের অভিনেত্রী জয়া আহসান।

    পশ্চিমবঙ্গের সংবাদ দ্য ওয়াল-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই পদযাত্রায় অংশ নেন প্রায় ৫ হাজার নারী। উপস্থিত ছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, চৈতি ঘোষাল, ইন্দ্রাণী হালদার, ইমন চক্রবর্তী, পৌষালী বন্দ্যোপাধ্যায়, লাজবন্তী রায়, ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায়, মৌবনী সরকার, মুমতাজ সরকার, রিচা শর্মার মতো তারকারাও।

    এ পদযাত্রায় জয়াকে হাঁটতে দেখে অনেকেই ভ্রু কুঁচকেছেন। অনেকেই আবার করছেন সমালোচনা। টালিপাড়ার অন্যতম ঠোঁটকাটা অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র তাদেরই একজন। জয়া আহসানকে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করেছেন তিনি। নবমিতা বসুর একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন তিনি। সেখানে লেখা আছে, ‘জয়া আহসান কবে থেকে ভারতীয় হয়ে উঠল, প্লিজ জানাবেন। আজন্ম আমি জেনে এসেছি- ১৫ আগস্ট ভারতবর্ষ স্বাধীন হয়েছিল? আর কদিন আগে অবধি “দিপু দাস হত্যাকাণ্ড” নিয়ে ভারতবর্ষ তোলপাড় হয়েছিল। রিসেন্টলি দিলীপ ঘোষ মহাশয় ভারতীয় মুসলমান গোষ্ঠীকে নামাজ পড়তে হলে পাকিস্তান চলে যাওয়ার সাজেশন অবধি দিয়েছেন। জয়া আহসান হচ্ছেন সনাতনী, পিউর, আদি ও আসল ভারতীয়। নেতাজির পূর্বপুরুষ। আমার উত্তর চাই কেন? জয়া আহসান থেকে তাসলিমা নাসরিন, তা হলো- তাদের জন্মভূমির কাছে দেশদ্রোহী।’

    আর পোস্টটি শেয়ার করে শ্রীলেখা লিখেছেন, ‘ধর্ম… ধান্দা… ও দেশপ্রেম…। বাকিরা দেশদ্রোহী…। হিংটিংছট।’

  • মডেল রিধির মরদেহ উদ্ধার: প্রেমিক হাসিবুর কারাগারে

    মডেল রিধির মরদেহ উদ্ধার: প্রেমিক হাসিবুর কারাগারে

    রাজধানীর ভাটারা থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে মডেল ও অভিনেত্রী লিনা আক্তার ওরফে রিধিকা রিধির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার প্রেমিক হাসিবুর রহমানকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    দুপুরের পর হাসিবুর রহমানকে আদালতে হাজির করে ভাটারা থানা পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল ওয়াদুদ মামলার তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

    প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই কামাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আসামির পক্ষের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। পরে জামিন শুনানির জন্য আদালত ১৮ আগস্ট তারিখ ধার্য করেন। এর আগে, গতকাল রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ আগস্ট ভাটারা এলাকার একটি বাসার সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় লিনা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই বাসায় ভাড়া থেকে মিডিয়ায় কাজ করতেন তিনি। লিনার সঙ্গে হাসিবুর রহমানের দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

    এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, সম্পর্কের শুরু থেকেই হাসিবুর তাঁকে বিভিন্নভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিলেন। ঘটনার আগের রাতে, অর্থাৎ ১৪ আগস্ট লিনা তাঁর দুই বান্ধবী ইশান ও জান্নাতের সঙ্গে বাসায় ছিলেন। রাত ১১টার দিকে মোবাইল ফোনে লিনা ও হাসিবুরের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। এরপর লিনা তাঁর বান্ধবীদের ড্রয়িংরুমে গিয়ে ঘুমাতে বলেন।

    পরে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে হাসিবুর লিনার ফ্ল্যাটে গিয়ে ডাকাডাকি করেন। তাঁর বান্ধবীরা দরজা খুলে দিলে হাসিবুর জানান, লিনা তাঁর ওপর রাগ করে গলায় ফাঁস দিয়েছেন। পরে সবাই ঘরে ঢুকে লিনাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    এ ঘটনায় লিনার মা মনি বেগম আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে ভাটারা থানায় মামলা করেন।

    তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে দেওয়া আবেদনে উল্লেখ করেন, হাসিবুর মোবাইল ফোনে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লিনাকে মানসিকভাবে যন্ত্রণা দিতেন এবং তাঁকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেন। এসব নির্যাতন ও প্ররোচনা সহ্য করতে না পেরে লিনা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

    পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হাসিবুর অপরাধ স্বীকার করেছেন এবং ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা জানিয়েছেন। মামলাটির তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

  • বিজেপি সরকার না হলে আমি তৃণমূলেই থাকতাম: রচনা ব্যানার্জি

    বিজেপি সরকার না হলে আমি তৃণমূলেই থাকতাম: রচনা ব্যানার্জি

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার নির্বাচনে বিজেপির বিজয়ের পর অনেকের মতো তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়েছেন টলিউড অভিনেত্রী ও ভারতের লোকসভার সংসদ সদস্য (এমপি) রচনা ব্যানার্জি। তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার বিষয়ে নানা জন নানা কারণ বললেও রচনা বললেন, বিজেপি না জিতলে তিনি তৃণমূলেই থাকতেন।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের খবরে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার চুঁচুড়ার বিজেপি বিধায়ক সুবীর নাগের ‘ভারতমাতার পূজা’য় অংশ নেন এমপি রচনা। সেখানে দলবদলের কারণ স্পষ্ট করে হুগলি থেকে নির্বাচিত এ এমপি বলেন, ‘অনেক কাজ করেছি। আরও তিন বছর এমপি আছি। আরও কিছু কাজ করতে হবে। আমি বিজেপি, তৃণমূল, সিপিএম বুঝি না। মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে মিলে সেই কাজ করব।’

    ‘অনেক কাজ করেছি। আরও তিন বছর এমপি আছি। আরও কিছু কাজ করতে হবে। আমি বিজেপি, তৃণমূল, সিপিএম বুঝি না। মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে মিলে সেই কাজ করব।’

    রচনার দাবি এমপি হওয়ার পর প্রথম প্রথম নাকি তিনি সাধারণ মানুষের জন্য কোনো কাজ করার সুযোগ পাননি। তখন নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে কেন্দ্রের ‘আর্থিক বঞ্চনা’র কথা বলতেন। রচনা বলেন, ‘আমি অনেকের কাছে গিয়েছি। বলাগড়ের নদী ভাঙন থেকে রেল সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছি।

    তিনি বলেন, কেন্দ্র-রাজ্য দড়ি টানাটানির সমস্যা থেকে রেহাই পেতে ডবল ইঞ্জিন সরকারের দরকার রয়েছে। না হলে উন্নয়ন কার্যত অসম্ভব।

    এ ব্যাপারে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঢালাও প্রশংসাও করেন রচনা। তার দাবি, এই অল্প সময়ের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে যথেষ্ট ভালো কাজ করেছেন শুভেন্দু।

    চব্বিশের লোকসভা ভোটে ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এর সেটে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতির প্রসঙ্গও তোলেন রচনা। তিনি বলেন, ‘আমি সাধারণ মেয়ে নই। মমতা বুঝেছিলেন, তাই তিনি ‘‘দিদি নম্বর ওয়ান’’-এর সেটে গিয়েছিলেন। উনি জানতেন, আমি আসব না। লকেটের বিরুদ্ধে আমাকে কেন প্রার্থী করা হয়েছিল? তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা আছে।’

    অকপট রচনা বলেন, ‘বিজেপি সরকার না হলে আমি তৃণমূলেই থাকতাম।’

    ‘আরবানা’ বিতর্ক নিয়েও মুখ খোলেন রচনা। আফসোসের সুরে তিনি বলেন, ‘আমাকে এক এমপি আক্রমণ করেছিলেন। তাই জবাব দিয়েছি। একটা ছোট ফ্ল্যাটে থাকতাম। স্বপ্ন দেখতাম আরবানায় থাকার। মা-বাবাকে রাখার। সেই স্বপ্নপূরণ হয়েছে। আগে কোনো দিন কাউকে বলিনি। আমিও গড়িয়াহাট থেকে কাপড় কিনি। আমার মা গড়িয়ায় থাকেন। আমার মন্তব্য নিয়ে বন্ধুরা কিছু বলেনি। তবে কিছু লোক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছে। এখন মনে হয়, আরবানা মন্তব্য না করলেই ভালো হতো।’

  • ‘এরকম নোংরামি করতে চাই না’

    ‘এরকম নোংরামি করতে চাই না’

    সম্প্রতি একটি পডকাস্টে প্রেমের কথা স্বীকার করেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা খায়রুল বাসার। জানিয়েছেন, অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মানের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে সেই সম্পর্ক ভেঙে গেছে বছর কয়েক আগে। এরপর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এই দুই তারকা।

    এবার সেসব গুঞ্জন, ব্যক্তিগত জীবন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন সাদিয়া আয়মান। তার কথায়, ‘গুঞ্জন তো গুঞ্জনই, গুঞ্জন নিয়ে বলার কিছু নেই। থাকে না, কিছু কথা না বললেও হয়। যখন একটা মানুষ তার কথা বলে ফেলে, আমি যদি আমার সাইড অফ স্টোরি বলি, তখন কিন্তু গল্পটা আসলে অন্যরকম হবে। তো ওইটা হয়তোবা যে মানুষটা বলে সে চিন্তাও করে না। আমি চাই না আসলে কাদা ছোড়াছুড়ি হোক। আমি চাই না একজন একটি ইন্টারভিউতে এক কথা বলছে, আবার আমি আরেক কথা বলব…। এরকম নোংরামি করতে চাই না। আমার মনে হয় সত্য কখনো চাপা থাকে না, সত্য একসময় সামনে আসবেই।’

    সাদিয়া আয়মান বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি, আমার প্রেমের খুব ইচ্ছা নেই। আমি সব সময় আমার সেটেলমেন্ট করাতেই বিশ্বাসী। আমার কাছে যখন মনে হবে ঠিকঠাক- সময়, সুযোগ…। আল্লাহ তো সব লিখে রেখেছেন কপালে। আমরা অনেক কিছু চাইলেও সেটা হয় না। আল্লাহ সবকিছু আসলে প্ল্যান করে রেখেছেন। আমাদের কোনো প্ল্যান থাকলেও সেটা আসলে পরক্ষণেই চেঞ্জ হয়ে যেতে পারে। তো আমার মনে হয় যখন সঠিক সময় হবে, যা হবে সব।’

    এখন ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে আছেন উল্লেখ করে এই অভিনেত্রী জানান, অহেতুক বিতর্ক থেকে দূরে থেকে নিজের কাজ, পরিবার ও মানসিক স্বাস্থ্যের দিকেই নজর দিচ্ছেন তিনি।

    তার ভাষ্য, ‘আমার মনে হয় এখন সময় না। আমি এখন অনেক ছোট, কাজ করে যাই। যখন অনেক বড় হব, সিনিয়র হব- তখন যখন আমার গল্পগুলো বলব, তখন সেগুলো আরো ভ্যালু অ্যাড করবে। আসলে এত এনার্জি নষ্ট করার কোনো মানে হয় না। শুটিংয়ের কাজ, ফ্যামিলি, নিজের ও আমার বিড়ালের যত্ন নেওয়া- এসব নিয়েই চিন্তা করতে হয়। আমার মেন্টাল হেলথ আমি খুবই প্রটেক্ট করি। যেগুলো আমাকে মেন্টাল হেলথে ইফেক্ট করতে পারে, সেগুলোকে আমি পাত্তাই দিই না।’

  • মডেল-অভিনেত্রী রিধিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    মডেল-অভিনেত্রী রিধিকার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    রাজধানীর একটি আবাসিক এলাকা থেকে অভিনেত্রী রিধিকা রিধির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    শনিবার সকাল ছয়টার দিকে সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। এরপর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এটি আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে।

    তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

    ভাটারা থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম জানান, শনিবার সকাল ৬টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে রিধিকে উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    মাজহারুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা কুর্মিটোলা হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ পাই। বর্তমানে তার মা ও পরিবারের সদস্যরা থানায় আছেন। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একজনের সঙ্গে রিধির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। আজ ভোরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে ভিডিও কলে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ভিডিও কলে থাকা অবস্থাতেই রিধি আত্মহত্যা করে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা মামলা নিচ্ছি।

    পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রিধির পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকেও তথ্য নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে তার সঙ্গে ওই ব্যক্তির সম্পর্ক ও মৃত্যুর আগে তাদের মধ্যে কী ঘটেছিল, সেটিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।

    মডেলিংয়ের পাশাপাশি বেশ কটি নাটকে অভিনয় করেছেন রিধি। এর মধ্যে ‘এখানে মানুষ বিক্রি হয়’, ‘বহুরূপী’, ‘ডাবল হানিমুন’, ‘সুন্দরী’ উল্লেখযোগ্য।

  • দেবের থেকে পিছিয়ে জিৎ!

    দেবের থেকে পিছিয়ে জিৎ!

    ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে বড়পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে টালিউড মেগাস্টার জিতের বায়োপিক ধর্মী সিনেমা ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’। তবে এ সিনেমা মুক্তির ঠিক আগমুহূর্তে টালিউডের চিরপরিচিত দেব-জিৎ রেষারেষি উসকে সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি করলেন প্রযোজক রানা সরকার।

    অভিনেতা জিতের নতুন সিনেমার অগ্রিম বুকিংয়ের গতিকে খোঁচা দিতেই এক বছর আগের দেব ও শুভশ্রী অভিনীত ‘ধূমকেতু’ সিনেমার হাউসফুল অগ্রিম বুকিংয়ের স্ক্রিনশট শেয়ার করে বিতর্ক তৈরি করলেন এ প্রযোজক।

    সামাজিক মাধ্যমে ‘ধূমকেতু’ সিনেমার টিকিটের চাহিদা তুলে ধরে জিতের ভক্ত-অনুরাগীদের উসকে দিয়ে রানা সরকার লিখেছেন, ‘টজিদ্দার ফ্যানদের একটু উৎসাহ দেওয়ার জন্য এ পোস্ট…। এক বছর আগে ১৪ আগস্ট (সিনেমা) রিলিজের দুদিন আগে ১২ আগস্ট এটি ছিল ধূমকেতুর আগাম বুকিং দুটি সিনেমা প্লেক্সে, কেউ বলে বিপ্লবী কেউ বলে ডাকাতের আগাম বুকিং খুলে গেছে, তাড়াতাড়ি করুন জিৎ ভক্তরা, প্রমাণ করুণ জিৎ সেরা।’

    এই পোস্টের মাধ্যমে প্রযোজক স্পষ্ট বোঝাতে চান যে, মুক্তির মুখে জিতের নতুন সিনেমার টিকিট বিক্রির গতি দেবের পুরোনো রেকর্ড ভাঙা ‘ধূমকেতু’-র অগ্রিম বুকিংয়ের তুলনায় পিছিয়ে।

    রানার এ উসকানিমূলক তুলনার কড়া সমালোচনা করেন জিতের ক্ষুব্ধ ভক্তরা। এভাবে এক তারকার সিনেমার সঙ্গে অন্য তারকার তুলনা টেনে খাটো করাকে ‘পরপীড়ক বিকৃত মানসিকতা’ বলে তোপ দাগেন জিতের এক অনুরাগী। তিনি কমেন্ট বক্সে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন— আপনি কি এসব করে খুব মজা পান? এ রকম স্য়াডিস্ট মেন্টালিটি কেন?

    তবে ট্রল বা ভক্তদের ক্ষোভের মুখেও পিছু হটেননি রানা সরকার। সেই কটাক্ষের উত্তর দিতে গিয়ে জিতের ভক্তদের উদ্দেমৈ আরও একটি বিস্ফোরক মন্তব্য ছুড়ে দেন তিনি। প্রতিবাদকারী অনুরাগী ও জিতের ফ্যান ক্লাবের উদ্দেশে প্রযোজক পাল্টা লেখেন— কী, চ্যালেঞ্জ একসেপ্ট করবে না?’ দেব বনাম জিৎ— এই দ্বৈরথ বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে বরাবরের। স্বাধীনতা দিবসেও মুখোমুখি লড়াইয়ে নামবার জল্পনা তৈরি হয়েছিল দুই তারকার। তবে গত মাসেই নিজের আসন্ন সিনেমা ‘বাইক অ্য়াম্বুলেন্স দাদা’র মুক্তি অনির্দিষ্টকালের জন্য পিছিয়ে দেন দেব।

    যদিও জিৎ জানিয়েছেন— এ ব্যাপারে তার সঙ্গে দেবের কোনো কথা হয়নি। পুরোটাই নাকি দেব ও নন্দী মুভিজের সিদ্ধান্ত। অন্যদিকে দেবের সঙ্গে ব্যক্তিগত স্তরে তার কোনো মনোমালিন্য নেই বলেও জানান জিৎ।

    রানা সরকারের এই উত্তর যেন চলতি বক্স অফিস লড়াইয়ে নতুন আগুনে ঘি ঢেলে দিল। প্রযোজক বুঝিয়ে দিতে চেয়েছেন— একে সস্তা তুলনা না ভেবে সুস্থ প্রতিযোগিতার চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করুক অনুরাগী মহল। সব মিলিয়ে স্বাধীনতা দিবসের বক্স অফিস যুদ্ধের আগে দেব-জিতের এই ভার্চুয়াল রেষারেষি এখন তুঙ্গে!

  • ইমরান-পড়শীর যে গান ছাড়াল ১০০ মিলিয়ন

    ইমরান-পড়শীর যে গান ছাড়াল ১০০ মিলিয়ন

    ৯ বছর আগে, ২০১৭ সালে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ইমরান মাহমুদুল ও সাবরিনা পড়শীর দ্বৈত কণ্ঠে একটি গান গেয়েছিলেন। সে সময় শ্রোতারা খুব একটা ইউটিউব কেন্দ্রিক না হলেও আজ অনেকদিন পর এসে সেই গান স্পর্শ করল এক দারুণ মাইলফলক। ইউটিউবে ১০০ মিলিয়ন ভিউ অর্থাৎ ১০ কোটি বার দেখা হয়েছে গানটি।

    গানটির নাম ‘জনম জনম’। ইমরান-পড়শী জুটির প্রথম ডুয়েট এটি। সময়ের ব্যবধানে তারা জুটি বেঁধে বহু গান করলেও পুরোনো এই গানটি এখনও শুনছেন শ্রোতারা।

    শুক্রবার দুপুরে গানটির এমন অর্জন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট দেন গায়ক ইমরান মাহমুদুল। উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে লেখেন, ‘আমার মিউজিক ক্যারিয়ারে পড়শীর সঙ্গে এটাই ছিল প্রথম কোনো ডুয়েট গান। দেখতে দেখতে গানটি ১০ কোটিরও বেশি ভিউ পার করেছে।’

    ইমরান লেখেন, ‘যদিও গানটি ইউটিউবের যুগের গান নয়, তারপরও সময় ও প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আজও গানটি শ্রোতাদের ভালোবাসা পাচ্ছে এটাই সত্যিই আনন্দের।’

    গানটি লিখেছেন জনপ্রিয় গীতিকার রবিউল ইসলাম জীবন। সহশিল্পীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ইমরান আরও লেখেন, রবিউল ইসলাম জীবনের কথায়, আমার সুর ও সংগীতে ‘জনম জনম’ গানটি ছিল পড়শীর তৃতীয় একক অ্যালবামের গান। সেই অ্যালবামের সবচেয়ে জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে এটিও ছিল অন্যতম। গানটির সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও ভালোবাসা। ‘জনম জনম’ এভাবেই বেঁচে থাকুক শ্রোতাদের ভালোবাসায়।

    ২০১৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি জি-সিরিজের ইউটিউব চ্যানেলে অফিসিয়াল ভিডিও আকারে প্রকাশ করা হয় গানটি। ভিডিওটি পরিচালনা করেছিলেন রম্য খান। অডিও ক্যাসেট ও সিডির যুগ পেরিয়ে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও গানটি একইভাবে সফল, তা বলাই বাহুল্য।

    এদিকে, ইমরানের পোস্টের কমেন্ট সেকশনে শুভেচ্ছা এবং পুরানো স্মৃতি প্রকাশ করছেন ভক্ত-অনুরাগীরা। গানটির গীতিকার রবিউল ইসলাম জীবন নিজেও ইমরানকে ভালোবাসার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। মন্তব্য ঘরে এক ভক্ত লিখেছেন, ‘নোকিয়া ফোনে শুনতাম গানটা, এখনো সেই আগের মতো ইউটিউবে শুনি সেম ফিল পাই।’

  • যেসব ভুলে আত্মবিশ্বাস কমে যায়

    যেসব ভুলে আত্মবিশ্বাস কমে যায়

    জীবনে সফল ও সুখী হতে হলে আত্মবিশ্বাসের বিকল্প নেই। যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতি সামাল দিতে হলে নিজের ওপর নিজেকেই আস্থা রাখতে হয়। তবে জীবনে এমন কিছু পরিস্থিতি সামনে এসে হাজির হয়, যখন বিশ্বাস টলে যায়। বিশেষত জীবনে ঝড়-ঝাপটা, কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হলে মনের কোণে ভয়, দুর্বলতা বাসা বাঁধে। বিপদে নিজের প্রতি আস্থা হারালে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। তাই এমন কোনো কথা বা কাজ করা যাবে না যেগুলো আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়।

    পারব না ভেবে ফেলা
    ‘আমি কি পারব, আমি তো পারব না’, এমন ভাবনা ব্যর্থতার কারণ। মন যা বিশ্বাস করে, সেটাই কিন্তু বাস্তবেও প্রতিফলিত হয়। অনেকেই নিরন্তর নেতিবাচক ভাবনায় ডুবে থাকেন। হচ্ছে না, হবে না। কিছু মানুষ বরাবরের আত্মবিশ্বাসী, আর কিছু মানুষের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের অভাব থাকে। ভাবনাই সেই বিশ্বাস বদলের চাবিকাঠি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকার একটি প্রতিবেদনে। ‘পারব’, ‘হবেই’, এমন ইতিবাচক মানসিকতা প্রতিকূলতাকে সহজ করতে পারে।

    সমালোচনায় ভেঙে পড়া
    সমালোচনা, তীর্যক মন্তব্যে অনেকে খুব দ্রুত ভেঙে পড়েন। কাজে ব্যর্থতা থাকবে, সমলোচনাও থাকবে। সেগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে চলার মানসিকতা নিজেকেই তৈরি করতে হবে। ইতিবাচক ভাবনা এবং প্রচেষ্টা দ্বারাই সমালোচকদের জবাব দেওয়া সম্ভব।

    অন্যের সঙ্গে তুলনা
    কখনো না চাইলেও অন্যের সাফল্য মনকে ঈর্ষান্বিত করে তোলে। বিশেষত সমাজমাধ্যমে বন্ধু, পরিচিতদের সাফল্য দেখে মনের মধ্যে তুলনা আসেই। তাতে আত্মবিশ্বাস ধাক্কা খায়। সততা, পরিশ্রম ছাড়া সাফল্য আসে না, এ কথা বিশ্বাস করতে পারলে, নিজের মানসিকতাও বদলানো সম্ভব।

    ভুল ধরে বসে থাকা
    জীবনে ভুলভ্রান্তি হতেই পারে। এক বার ভুল হয়েছে মানেই বার বার হবে, তা কিন্তু ঠিক নয়। ভুল বা খারাপ অভিজ্ঞতা অনেক সময়েই আত্মবিশ্বাসে আঘাত হানে। সিদ্ধান্তে বা কাজে ভুল হতে পারে, সেটা সহজ ভাবে নিলেই ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস ফিরে আসা সম্ভব।

    নতুন কিছু করার ভয়
    যে কাজে ঝুঁকি আছে, স্বাচ্ছন্দ্য কম-সেই ধরনের কাজ এড়িয়ে চলতে চান অনেকে। জীবনে এগোতে গেলে ঝুঁকি নিতেও হয়। কঠিন কাজও করা সম্ভব, সেখান থেকে নতুন অভিজ্ঞতা লাভ করা যায়-এই ভাবেও মনকে বোঝানো যেতে পারে। এতে ভয় কাটে। নতুন কাজে এক বার সাফল্য এলে, আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে যায়।