দেশের কুটির, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি থমকে গেছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে এ খাতে মোট বকেয়া ঋণ আগের প্রান্তিকের তুলনায় ৫ দশমিক ১৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৮৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকায়। একই সঙ্গে উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে খেলাপি ঋণের হার, যা আগের প্রান্তিকের ২৪ দশমিক ০৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৬ দশমিক ০৪ শতাংশে পৌঁছেছে। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত সিএমএসএমই ঋণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এখনও অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
খাত-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, “সিএমএসএমই খাত কর্মসংস্থান ও উৎপাদনের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। কিন্তু খেলাপি ঋণের উচ্চ হার ব্যাংকগুলোকে নতুন ঋণ বিতরণে নিরুৎসাহিত করছে। কেবল পুনঃঅর্থায়ন তহবিল বাড়ালেই হবে না, ঋণের সুশাসন ও আদায় সক্ষমতা বাড়াতে হবে।”
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্চ মাস শেষে সিএমএসএমই খাতের ঋণ দেশের মোট ঋণের মাত্র ১৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ, যেখানে নিয়ন্ত্রক সংস্থার লক্ষ্য ২৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রা থেকে প্রায় ১০ শতাংশ পয়েন্ট পিছিয়ে রয়েছে ব্যাংকিং খাত।
খেলাপি ঋণের চাপ বাড়ছে:
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, সিএমএসএমই ঋণের শ্রেণিকৃত বা খেলাপি ঋণের হার এক প্রান্তিকেই ২ দশমিক ০১ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে। একই সময়ে সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতের খেলাপি ঋণের হারও বেড়ে ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশে পৌঁছেছে। এতে স্পষ্ট হচ্ছে যে, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ঋণ পুনরুদ্ধারে চাপ বাড়ছে এবং ব্যাংকগুলোর ঝুঁকিও বৃদ্ধি পাচ্ছে।বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ঋণ পুনরুদ্ধার জোরদার করা, কার্যকর তদারকি এবং টেকসই ঋণ বিতরণ অব্যাহত রাখা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
বিতরণ বেড়েছে, কিন্তু কমেছে বকেয়া ঋণ:
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৪৫৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫২ হাজার ১০৭ কোটি ৭২ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ঋণ বিতরণের পরিমাণ ৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং অর্থায়ন পাওয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেড়েছে। তবে একই সময়ে মোট বকেয়া ঋণ কমেছে, যা ঋণ পরিশোধ, শ্রেণিকরণ এবং নতুন ঋণের ধীরগতির প্রভাব নির্দেশ করে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্চ মাস শেষে সিএমএসএমই খাতের ঋণ দেশের মোট ঋণের মাত্র ১৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ, যেখানে নিয়ন্ত্রক সংস্থার লক্ষ্য ২৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রা থেকে প্রায় ১০ শতাংশ পয়েন্ট পিছিয়ে রয়েছে ব্যাংকিং খাত।
খেলাপি ঋণের চাপ বাড়ছে:
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, সিএমএসএমই ঋণের শ্রেণিকৃত বা খেলাপি ঋণের হার এক প্রান্তিকেই ২ দশমিক ০১ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে। একই সময়ে সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতের খেলাপি ঋণের হারও বেড়ে ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশে পৌঁছেছে। এতে স্পষ্ট হচ্ছে যে, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ঋণ পুনরুদ্ধারে চাপ বাড়ছে এবং ব্যাংকগুলোর ঝুঁকিও বৃদ্ধি পাচ্ছে।বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ঋণ পুনরুদ্ধার জোরদার করা, কার্যকর তদারকি এবং টেকসই ঋণ বিতরণ অব্যাহত রাখা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
বিতরণ বেড়েছে, কিন্তু কমেছে বকেয়া ঋণ:
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৪৫৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫২ হাজার ১০৭ কোটি ৭২ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ঋণ বিতরণের পরিমাণ ৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং অর্থায়ন পাওয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেড়েছে। তবে একই সময়ে মোট বকেয়া ঋণ কমেছে, যা ঋণ পরিশোধ, শ্রেণিকরণ এবং নতুন ঋণের ধীরগতির প্রভাব নির্দেশ করে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্চ মাস শেষে সিএমএসএমই খাতের ঋণ দেশের মোট ঋণের মাত্র ১৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ, যেখানে নিয়ন্ত্রক সংস্থার লক্ষ্য ২৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রা থেকে প্রায় ১০ শতাংশ পয়েন্ট পিছিয়ে রয়েছে ব্যাংকিং খাত।
খেলাপি ঋণের চাপ বাড়ছে:
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে, সিএমএসএমই ঋণের শ্রেণিকৃত বা খেলাপি ঋণের হার এক প্রান্তিকেই ২ দশমিক ০১ শতাংশ পয়েন্ট বেড়েছে। একই সময়ে সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতের খেলাপি ঋণের হারও বেড়ে ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশে পৌঁছেছে। এতে স্পষ্ট হচ্ছে যে, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ঋণ পুনরুদ্ধারে চাপ বাড়ছে এবং ব্যাংকগুলোর ঝুঁকিও বৃদ্ধি পাচ্ছে।বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ঋণ পুনরুদ্ধার জোরদার করা, কার্যকর তদারকি এবং টেকসই ঋণ বিতরণ অব্যাহত রাখা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
বিতরণ বেড়েছে, কিন্তু কমেছে বকেয়া ঋণ:
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৪৫৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫২ হাজার ১০৭ কোটি ৭২ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ঋণ বিতরণের পরিমাণ ৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ এবং অর্থায়ন পাওয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১৯ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেড়েছে। তবে একই সময়ে মোট বকেয়া ঋণ কমেছে, যা ঋণ পরিশোধ, শ্রেণিকরণ এবং নতুন ঋণের ধীরগতির প্রভাব নির্দেশ করে।
বেসরকারি ব্যাংকের দখলে অর্ধেকের বেশি বাজার:
সিএমএসএমই ঋণের সবচেয়ে বড় অংশ এখনও বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর হাতে। মোট বকেয়া ঋণের ৫১ দশমিক ৯৫ শতাংশ তাদের দখলে। ইসলামী ব্যাংকগুলোর অংশ ২০ দশমিক ০৮ শতাংশ এবং রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের অংশ ১৮ দশমিক ৮৮ শতাংশ।
অন্যদিকে মোট ঋণের তুলনায় সিএমএসএমই ঋণের অনুপাত সবচেয়ে বেশি ফাইন্যান্স কোম্পানিগুলোর, যা ২২ দশমিক ৭০ শতাংশ। এরপর রয়েছে বিশেষায়িত ব্যাংক, ২১ দশমিক ১৯ শতাংশ। বিদেশি ব্যাংকের অনুপাত সবচেয়ে কম, মাত্র ৭ দশমিক ৩০ শতাংশ।
শীর্ষে ব্র্যাক ব্যাংক:
চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে সিএমএসএমই ঋণ বিতরণে শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক, যারা একাই ৭ হাজার ৪৫৬ কোটি ৪৪ লাখ টাকা বিতরণ করেছে। এরপর রয়েছে পূবালী ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ এবং আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক। পাঁচটি ব্যাংক মিলেই মোট বিতরণের প্রায় ৪০ শতাংশ সম্পন্ন করেছে।
বাণিজ্য খাতে অতিরিক্ত নির্ভরতা:
খাতভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মোট সিএমএসএমই ঋণের ৪৪ দশমিক ৯৩ শতাংশই বাণিজ্য খাতে গেছে, যদিও নিয়ন্ত্রক সীমা সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ। উৎপাদন খাতের অংশ ৩৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ, যা নির্ধারিত ন্যূনতম ৪০ শতাংশের নিচে। সেবা খাতের অংশ ২০ দশমিক ১১ শতাংশ, যা বাংলাদেশ ব্যাংকের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করেছে।