শিরোনাম

  • রাস্তা-ড্রেন খুঁড়ে ফেলে রাখেন ঠিকাদার, জনদুর্ভোগ চরমে

    রাস্তা-ড্রেন খুঁড়ে ফেলে রাখেন ঠিকাদার, জনদুর্ভোগ চরমে

    বরিশালের গৌরনদী পৌরসভায় জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তা খুঁড়ে দীর্ঘদিন ধরে ফেলে রেখেছেন ঠিকাদার। মাসের পর মাস ভাঙাচোরা সড়কে চলাচলে চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকায় প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

    এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার জন্য পৌরসভা থেকে তিনবার নোটিস দেওয়া হলেও ড্রেন ও রাস্তার কাজ শেষ করছে না। কবে নাগাদ নির্মাণ কাজ শুরু ও শেষ হবে এ নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

    পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি পৌরসভা থেকে ১০ কোটি ৬৬ লাখ ৫২ হাজার টাকা ব্যয়ে ১২টি রাস্তা ও ছয়টি ড্রেন নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। সর্বনিম্ন দরদাতা হিসেবে ২৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ কম দরে ৭ কোটি ৯৫ লাখ টাকায় মেসার্স এমডি দেলোয়ার হোসেন অ্যান্ড মেসার্স শহিদ ব্রাদার্স (জয়েন্ট ভেঞ্চার) ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ পায়।

    পরবর্তী সময়ে পৌরসভা থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির অনুকূলে কার্যাদেশ দেওয়া হলেও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ম্যান্ডেট নিয়ে কাজটি বাস্তবায়ন করছেন শামীম হোসেন নামের আরেক ঠিকাদার। গত বছরের ১৩ আগস্ট কাজ শুরু হয়ে ২০২৭ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

    সূত্র আরো জানায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে একটি সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু করে সম্প্রতি শেষ করা হয়েছে। এছাড়াও একটি রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণের জন্য রাস্তা খুঁড়ে কাজ না করে ফেলে রাখা হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন পৌরবাসী। সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা বিবেচনায় রেখে ড্রেন ও রাস্তার কাজ দ্রুত শেষ করার পাশাপাশি অন্যান্য কাজ শুরু করার জন্য পৌর প্রশাসকের পক্ষ থেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নোটিস দেওয়া হয়েছে।

    পৌরসভার একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন, থানার মোড় থেকে গৌরনদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কার্যালয় পর্যন্ত রাস্তার পাশ দিয়ে ড্রেন নির্মাণের জন্য চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রাস্তার একপাশ খোঁড়াখুঁড়ির কাজ শুরু করা হয়। এরপর থেকে মাত্র এক থেকে দেড়শ ফুট ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। বাকি কাজ না করে ফেলে রাখায় জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে।

    এতে করে রাস্তায় বৃষ্টির পানি জমে মশার উপদ্রব যেমন বেড়েছে, তেমনি বাসাবাড়ির ময়লা পানির দুর্গন্ধে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে এলাকার বাসিন্দারা।

    এ বিষয়ে ঠিকাদার শামীম হোসেন বলেন, শ্রমিক সংকটের কারণে একটু ঝামেলা হয়েছিল। দু-একদিনের মধ্যে কাজ শুরু করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা হবে।

    পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুস সালেক বলেন, সিডিউল অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে কাজ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে ঠিকাদার গাফিলতি করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এ বিষয়ে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইব্রাহীম বলেন, জনগুরুত্বপূর্ণ নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন না করে ফেলে রাখায় ইতোমধ্যে ঠিকাদারকে তিনবার নোটিস দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজগুলো বাস্তবায়ন না করলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • মাদারীপুরে গাঁজা ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    মাদারীপুরে গাঁজা ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

    যিডিডেস্ক নিউজ,

    মাদারীপুর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২১ কেজি গাঁজা, ১৯৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ ৫২ হাজার ৫০০ টাকাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    শনিবার জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাত ৯টায় চেয়ারম্যান হাট মোড় বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২০ কেজি গাঁজাসহ মো. শাহাদাৎ হোসেন (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তিনি কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার শাসনগাছা এলাকার বাসিন্দা হলেও বর্তমানে ফরিদপুরের ভাঙ্গার মোড়ল কান্দা এলাকায় বসবাস করেন।

    ওইদিন বিকেল ৪টায় উপজেলার চাঁনপট্টি এলাকায় পৃথক অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় ১৯৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১ কেজি গাঁজা ও নগদ ৫২ হাজার ৫০০ টাকাসহ মো. রুবেল খান (৩০) নামে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়।

    পুলিশ আরও জানায়, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মাদক, কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • মালয়েশিয়ায় নিখোঁজের পর ময়লার ভাগারে মিলল কুমিল্লার রবিনের লাশ

    মালয়েশিয়ায় নিখোঁজের পর ময়লার ভাগারে মিলল কুমিল্লার রবিনের লাশ

    সোমবার (৪ মে) সকালে কুয়ালালামপুরের বুকিত জলিল এলাকায় একটি চীনা নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে গিয়ে নিখোঁজ হন রবিন। পরদিন মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে থাকা একটি ময়লার ড্রাম্পার থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারে স্বচ্ছলতা ফেরানোর আশায় মালয়েশিয়ায় পাড়ি দেন কুমিল্লার তিতাস উপজেলার রবিউল হাসান রবিন (৩৮)। কিন্তু তিন বছরের কঠোর পরিশ্রম শেষে তার সেই স্বপ্ন এখন কফিনে বন্দী। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে কর্মস্থল থেকে নিখোঁজের একদিন পর একটি ময়লার ড্রাম্পার থেকে রবিনের লাশ উদ্ধার করে স্থানীয় পুলিশ। নিহত রবিন উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের কালাইগোবিন্দপুর গ্রামের মরহুম আব্দুর রহমানের ছেলে।

    পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (৪ মে) সকালে কুয়ালালামপুরের বুকিত জলিল এলাকায় একটি চীনা নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে গিয়ে নিখোঁজ হন রবিন। পরদিন মঙ্গলবার (৫ মে) বিকেলে নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে থাকা একটি ময়লার ড্রাম্পার থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। বর্তমানে তার লাশ মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে।

    রবিনের পরিবারের অভিযোগ, এটি কোনো সাধারণ মৃত্যু নয়; বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। নিহত রবিনের শ্বশুর মো: রশিদ মিয়া জানান, মাত্র ১৫ দিন আগে রবিন শ্রমিকদের বেতনের হিসাব রাখার দায়িত্ব পান। এরপর থেকেই কিছু সহকর্মীর সাথে তার বিরোধ তৈরি হয়। সেই প্রতিহিংসা থেকেই তাকে হত্যা করে লাশ ময়লার ড্রাম্পারে ফেলে রাখা হয়েছে বলে তাদের ধারণা।

    নিহতের বড় ভাই খোকন জানান, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে কলিং ভিসায় রবিন মালয়েশিয়ায় যায়। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে পুরো পরিবার। রবিনের ১৫ বছরের ছেলে মিহাদ, পাঁচ বছরের মেয়ে রাইসা ও মাত্র দুই বছরের ছোট ছেলে রোহানের ভবিষ্যৎ এখন অন্ধকার। স্বামীর শোক সইতে না পেরে বারবার মূর্ছা যাচ্ছে রবিনের স্ত্রী ফেরদৌসী আক্তার।

  • নিজামীর স্বপ্ন পূরণে জামায়াত আমিরের আহ্বান

    নিজামীর স্বপ্ন পূরণে জামায়াত আমিরের আহ্বান

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির, সাবেক মন্ত্রী ও সাবেক এমপি শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপি।

    তিনি মাওলানা নিজামীর আদর্শ ও অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়ন এবং বাংলাদেশকে একটি ইসলামী কল্যাণরাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতের আন্দোলনে শরিক হওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

    মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দিনকে সামনে রেখে শনিবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে এই আহ্বান জানান তিনি।

    বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শহীদ মাওলানা নিজামী বাংলাদেশের জনগণের কাছে এক সুপরিচিত ও শ্রদ্ধাভাজন নাম। তিনি ছিলেন প্রজ্ঞাবান আলেমে দ্বীন, দূরদর্শী ইসলামী চিন্তাবিদ এবং আদর্শনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ। সততা, প্রজ্ঞা, বিনয়, উদারতা ও নেতৃত্বগুণ তাকে অনন্য উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছে।

    তিনি আরো বলেন, মহান আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে শৈশবকাল থেকেই মাওলানা নিজামী প্রতিটি স্তরে নেতৃত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। ছাত্রজীবনের শুরু থেকেই তিনি ইসলামী আদর্শের প্রচার, প্রসার ও প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আত্মনিয়োগ করেন। একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি মানুষের কল্যাণ, ন্যায়বিচার ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। গণতান্ত্রিক ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইসলামের সুমহান আদর্শ প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশকে একটি ইসলামী কল্যাণরাষ্ট্রে রূপান্তরের লক্ষ্যে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

    বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, মাওলানা নিজামী নিজ এলাকা থেকে ১৯৯১ ও ২০০১ সালে বিপুল ভোটে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জাতীয় সংসদে তার গঠনমূলক ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণীয়। ইসলামী শিক্ষার প্রসারে তার অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষত কওমি মাদ্রাসা শিক্ষার সরকারি স্বীকৃতির ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

    জামায়াত আমির বলেন, তিনি অত্যন্ত সততা, দক্ষতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কৃষি ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। তার দূরদর্শী নেতৃত্ব, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠার ফলে দেশের শিল্পখাত নতুন গতিশীলতা লাভ করে এবং লাভজনক খাতে পরিণত হয়।

    তিনি আরো বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তার গ্রহণযোগ্যতা ছিল ব্যাপক। ২০০৬ সালের এক বৈশ্বিক জরিপে বিশ্বের প্রভাবশালী ৫০০ ব্যক্তিত্বের তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়। পরবর্তীতে ২০০৯ সালের আরেকটি বৈশ্বিক জরিপে বিশ্বের প্রভাবশালী ৫০ জন মুসলিম ব্যক্তিত্বের অন্যতম হিসেবে তাকে বিবেচনা করা হয়।

    তিনি অসংখ্য মূল্যবান গ্রন্থ রচনা করেছেন, যা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ গঠনে আলোর দিশা হিসেবে কাজ করবে। দেশে-বিদেশে বিভিন্ন সেমিনার, সভা ও সমাবেশে তাঁর দাওয়াতি বক্তব্য মানুষের চিন্তা-চেতনায় গভীর প্রভাব সৃষ্টি করেছে।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় মাওলানা নিজামীকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয় এবং ২০১৬ সালের ১০ মে রাত ১২টা ১০ মিনিটে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

    তিনি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মানের সঙ্গে মাওলানা নিজামীর অবদান স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তাকে শহীদ হিসেবে কবুল করা এবং তাকে জান্নাতুল ফিরদাউসে সর্বোচ্চ মর্যাদায় আসীন করার জন্য মহান রবের দরবারে কায়মনোবাক্যে দোয়া করেন।

  • সিলেটে বিএনপি নেতার অর্ধকোটি টাকা ছিনতাই, বিকাশ কর্মীসহ গ্রেফতার ৯

    সিলেটে বিএনপি নেতার অর্ধকোটি টাকা ছিনতাই, বিকাশ কর্মীসহ গ্রেফতার ৯

    সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নাসিম হোসাইনের অর্ধকোটি টাকা ছিনতাইয়ের মামলায় বিকাশ কর্মীসহ নয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (৯ মে) দুপুরে নিজেদের ফেসবুক পেজে দেয়া এক পেস্টে এ তথ্য জানায় পুলিশ।

    গ্রেফতার নয়জন হলেন— দক্ষিণ সুরমা শেখপাড়ার শাহেদ আহমদ (৪২), কমলগঞ্জের কামাল হোসেন (৩৫), কানাইঘাটের আদনান (৩৮) ও আবু তাহের (২৬), জকিগঞ্জের রুপায়ন বিশ্বাস (৪০), দক্ষিণ সুরমার রোমান আহমদ (৪৪), রাজনগরের সালমান আহমদ (২৮), বিশ্বনাথের গোলাম শহীদ (২৯) ও কানাইঘাটের জুনায়েদ (২২)।

    এর মধ্যে শাহেদ আহমদ বিকাশের সিলেট অঞ্চলের সুপারভাইজার, আদনান (৩৮), আবু তাহের (২৬) ও রুপায়ন বিশ্বাস (৪০) ডিএসও।

    ভুক্তভোগী সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নাসিম হোসাইন মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান বিকাশের সিলেট বিভাগীয় ডিস্ট্রিবিউটর। ব্যাংক বন্ধ থাকায় শুক্রবার (৮ মে) সকালে নিজ কর্মীদের দিয়ে ফেঞ্চুগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীদের দিতে ৮১ লাখ ৮২ টাকা নিয়ে প্রাইভেটকারে করে পাঠান নাসিম। এরপর দক্ষিণ সুরমার পারাইরচকে ছিনতাইকারীরা ৫০ লাখ ৫৭ হাজার টাকা লুটে নেয় বলে অভিযোগ তার।

    পুলিশ জানায়, শুক্রবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে লালমাটিয়া এলাকায় পৌঁছালে তিনজন আরোহীর একটি মোটরসাইকেল বিকাশের টাকা বহনকারী গাড়িটিকে থামার সঙ্কেত দেয়। তখন গাড়ির ড্রাইভার গাড়ির গতি কমালে মোটরসাইকেল আরোহীরা গাড়িটি থামিয়ে গাড়িতে থাকা সকলকে ভয়ভীতি, হুমকি প্রদর্শনসহ একজনকে মারপিট করে পাঁচটি ব্যাগে থাকা ৫০ লাখ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

    সিলেট মহানগর পুলিশের ফেসবুক পেজে জানানো হয়, অভিযোগ রয়েছে, গাড়িতে থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পরিস্থিতির ঝুঁকি সম্পর্কে অবগত থাকা সত্ত্বেও গাড়ির গতি কমিয়ে টাকা ডাকাতির সুযোগ সৃষ্টি করেন। এছাড়া টাকাবাহী গাড়ির নিরাপত্তায় নিয়োজিত স্কর্ট সদস্য রোমান আহমদ (৪৪), সালমান আহমদ (২৮), গোলাম শহীদ (২৯) ও জুনায়েদ (২২) ঘটনার সময় গাড়ির সাথে উপস্থিত ছিলেন না, যা সন্দেহের সৃষ্টি করে।

    এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মোগলাবাজার থানা পুলিশ নয়জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

  • চীনে সাবেক দুই প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ফাঁসির আদেশ

    চীনে সাবেক দুই প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ফাঁসির আদেশ

    চীনের সামরিক আদালত সাবেক দু’জন প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে স্থগিত মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ আনা হয়েছে। সাবেক ওই দুই মন্ত্রী হলেন ওয়েই ফেংহে, লি শ্যাংফু। প্রথমজনের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এ জন্য তাকে দু’বছর স্থগিতাদেশ সহ মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়া হয়েছে।

    অন্যদিকে লি শ্যাংফুর বিরুদ্ধে ঘুষ দেয়া এবং নেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। ফলে তাকেও একই সাজা দেয়া হয়েছে। চীনে এমন স্থগিত সাজার বেশির ভাগই লঘু করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড করা হয়। এ খবর দিয়েছে অনলাইন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট।

    প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তার সিনিয়র কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেয়ার যে উদ্যোগ নিয়েছেন এই শাস্তি তারই সর্বশেষ সংযোজন। শি বলেছেন, এক দশকেরও বেশি সময় আগে তার দুর্নীতিবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। তা চলমান আছে। এতে জানুয়ারিতে চীনের সর্বোচ্চ র‌্যাংকের জেনারেল ও সামরিক নেতৃত্বকে সরিয়ে দেয়া হয়। এক বছর আগেও চীনের শক্তিশালী সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনে ১১ জন সদস্য ছিলেন। এখন প্রেসিডেন্ট শি বাদে এর সদস্য সংখ্যা মাত্র একজন। অভিযানটি দুর্নীতিবিরোধী হলেও রাজনৈতিক অভিজাতদের কাছ থেকে রাজনৈতিক আনুগত্য ও নিয়ন্ত্রণকে সংহত করার একটি উপায় হিসেবে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকে ব্যবহার করছেন শি জিনপিং।

    সর্বশেষ বৃহস্পতিবার যে দুই সাবেক মন্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয়া হয়েছে তাদের কোনো পলিসি বা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে রাজনৈতিক মতবিরোধ ছিল কিনা তা স্পষ্ট নয়। এর মধ্যে ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ওয়েই ফেংহে। এরপর তার স্থলাভিষিক্ত হন লি শ্যাংফু। মাত্র কয়েক মাস দায়িত্ব পালন করার পর তিনি জনগণের চোখের আড়ালে চলে যান। ২০২৩ সালের অক্টোবরে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। লি শ্যাংফু একজন ক্ষেপণাস্ত্র বিশেষজ্ঞ হিসেবে তার ক্যারিয়ারের বেশির ভাগ সময় কাটান। এছাড়া চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি’র ক্রয় শাখায়ও দায়িত্ব পালন করেন। রাশিয়ার কাছ থেকে সামরিক হার্ডওয়্যার কেনার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ ও আর্থিক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েন তিনি।

    ২০২৪ সালে তাদের দু’জনকেই কমিউনিস্ট পার্টি থেকে বহিষ্কার করা হয়। এর মধ্য দিয়ে তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করে রাষ্ট্র। লি শ্যাংফুর স্থলাভিষিক্ত ডং ডুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তাকে শক্তিধর সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশন নিয়োগ করেনি। এই কমিটি সামরিক বাহিনী তদারকি করে।

  • ভালুকায় সিএনজি-অটো সংঘর্ষে শিশু নিহত

    ভালুকায় সিএনজি-অটো সংঘর্ষে শিশু নিহত

    ময়মনসিংহের ভালুকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে সুরাইয়া আক্তার (১১ মাস) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির দাদি সনি খাতুন গুরুতর আহত হয়েছেন।

    শনিবার (৯ মে) বিকেলে উপজেলার উথুরা ইউনিয়নের নারাঙ্গী চৌরাস্তা মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত সুরাইয়া আক্তার ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট কড়ইতলা এলাকার ছমির উদ্দিনের মেয়ে। দুর্ঘটনার সময় শিশুটি তার দাদি সনি খাতুনের কোলে ছিল।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিশু সুরাইয়া আক্তার তার মা ও দাদির সাথে নানার বাড়ি উপজেলার উথুরা থেকে সিএনজিযোগে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার কড়ইতলি এলাকায় যাচ্ছিল। পথে ভরাডেবা-ঘাটাইল সড়কের ভালুকা উপজেলার নারাঙ্গী চৌরাস্তা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সাথে সিএনজিটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দাদি সনি খাতুন ও তার কোলে থাকা শিশু সুরাইয়া আক্তার ছিটকে নিচে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই শিশুটির মৃত্যু হয়। এ সময় শিশুর দাদি সনি খাতুন গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে অবস্থায় উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

    এ বিষয়ে ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

  • পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ভারতের

    পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম আন্তমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ভারতের

    পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে ভারত। শুক্রবার সন্ধ্যায় ওডিশা উপকূলে দেশটির প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) এই উৎক্ষেপণের কাজ পরিচালনা করে।

    ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার ওডিশা উপকূলে ডিআরডিও এবং ভারতীয় বিমানবাহিনী যৌথভাবে ‘ট্যাকটিক্যাল অ্যাডভান্সড রেঞ্জ অগমেন্টেশন’ (টিএআরএ) নামে এই সিস্টেমের প্রথম ফ্লাইট ট্রায়াল সম্পন্ন করেছে। এটি ভারতের প্রথম নিজস্ব ‘মডুলার রেঞ্জ এক্সটেনশন কিট’, যা সাধারণ বোমাকে নিখুঁতভাবে লক্ষ্যভেদী অস্ত্রে পরিণত করতে সক্ষম।

    প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে, পরীক্ষা করা ক্ষেপণাস্ত্রটি দেখতে ‘অগ্নি-৬’-এর মতো না হলেও এটি নিশ্চিতভাবেই আইসিবিএম শ্রেণির। তবে ডিআরডিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এই পরীক্ষার ঘোষণা দেয়নি। এর আগে এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, ভারত শিগগির ১০ হাজার কিলোমিটারের বেশি পাল্লার আইসিবিএম পরীক্ষা করতে যাচ্ছে।

    যদি ভারত সত্যিই এ সক্ষমতা অর্জন করতে পারে, তাহলে তারা যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের যে কোনো দেশে হামলা করতে পারবে। এখন পর্যন্ত কেবল যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন ও উত্তর কোরিয়ারই ভূমি থেকে নিক্ষেপযোগ্য আইসিবিএম আছে বলে জানা যায়, যাদের পাল্লা ১২ হাজার কিলোমিটারের বেশি।

    এই পরীক্ষার কয়েকদিন আগেই ভারতের ডিআরডিও-র চেয়ারম্যান বলেছিলেন, অগ্নি-৬ ক্ষেপণাস্ত্র চূড়ান্ত করার সব প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি রয়েছে, সরকারের অনুমোদন পেলেই তারা এ ক্ষেপণাস্ত্র বানানোর পথে এগিয়ে যাবেন।

    গত বুধবার ক্ষমতাসীন দল বিজেপি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ অগ্নি-৬ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করে বড় ইঙ্গিত দিয়েছিল। সেখানে বলা হয়, ‘১০ হাজার কিলোমিটারের বেশি পাল্লা এবং এমআইআরভি প্রযুক্তিসহ অগ্নি-৬ ইতিহাস গড়তে প্রস্তুত। এই ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের নিরাপত্তাকে দুর্ভেদ্য করবে এবং আমাদের বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশগুলোর কাতারে নিয়ে যাবে।’

  • ইরান ইস্যুতে হতাশা, ভেনিজুয়েলার ইউরেনিয়াম লুটে নিলেন ট্রাম্প

    ইরান ইস্যুতে হতাশা, ভেনিজুয়েলার ইউরেনিয়াম লুটে নিলেন ট্রাম্প

    ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলা থেকে উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জব্দ করেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

    শুক্রবার (৮ মে) মার্কিন জ্বালানি বিভাগ এক ঘোষণায় জানায়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘চূড়ান্ত নেতৃত্বের’ কারণে কারাকাসের একটি পুরোনো গবেষণা চুল্লি থেকে ১৩.৫ কেজি (প্রায় ৩০ পাউন্ড) ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। ব্রিটেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভেনেজুয়েলার এই যৌথ অভিযানকে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের জন্য বড় জয় হিসেবে দেখছে ওয়াশিংটন।

    আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) জানিয়েছে, একটি অত্যন্ত জটিল ও সংবেদনশীল অভিযানের মাধ্যমে এই ইউরেনিয়াম স্থল ও জলপথে দক্ষিণ আমেরিকা থেকে উত্তর আমেরিকায় পরিবহন করা হয়েছে। কারাকাস থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরের একটি স্থান থেকে সংগৃহীত এই তেজস্ক্রিয় পদার্থটি বর্তমানে দক্ষিণ ক্যারোলিনায় মার্কিন জ্বালানি বিভাগের একটি কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।

    মার্কিন ন্যাশনাল নিউক্লিয়ার সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রশাসক ব্র্যান্ডন উইলিয়ামস এই পদক্ষেপকে একটি ‘পুনরুদ্ধারকৃত ও নবায়িত’ ভেনেজুয়েলার সংকেত হিসেবে অভিহিত করেছেন।

    উল্লেখ্য, গত ৩ জানুয়ারি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের বিতর্কিত নির্দেশের পর কারাকাসের সঙ্গে দীর্ঘদিনের শত্রুতা কাটিয়ে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছে হোয়াইট হাউস।

    তাদের মতে, নির্বাসিত বিরোধী নেত্রী ও নোবেলজয়ী মারিয়া করিনা মাচাদোকে পাশ কাটিয়ে রদ্রিগেজের সাথে সমঝোতা করা হতাশাজনক। এছাড়া গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তেহরানের হাতে থাকা ৪০৮ কেজি উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জব্দ করার লক্ষ্য থাকলেও, এখন পর্যন্ত সেই চেষ্টায় ট্রাম্প সফল হতে পারেননি। সেই তুলনায় ভেনেজুয়েলার এই অর্জন নেহাতই নগণ্য বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।

  • খার্গ দ্বীপে ব্যাপক তেল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা

    খার্গ দ্বীপে ব্যাপক তেল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা

    আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক:

    ইরানের প্রধান তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপের আশপাশের সমুদ্র এলাকায় বড় ধরনের তেল ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য জানিয়েছেন পরিবেশ ও জ্বালানি বিশ্লেষকেরা।

    ইউরোপীয় ইউনিয়নের কপারনিকাস সেন্টিনেল-১, সেন্টিনেল-২ ও সেন্টিনেল-৩ স্যাটেলাইটে ৬ থেকে ৮ মের মধ্যে ধারণ করা ছবিতে খার্গ দ্বীপের পশ্চিমে বিস্তীর্ণ জলরাশিতে ধূসর-সাদা রঙের একটি স্তর দেখা গেছে।

    পরিবেশবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান কনফ্লিক্ট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট অবজারভেটরির গবেষক লিওন মোরল্যান্ড জানিয়েছেন, ছবিতে দেখা স্তরটির আকৃতি তেলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এর বিস্তৃতি প্রায় ৪৫ বর্গকিলোমিটার হতে পারে।

    জলবায়ু ও জ্বালানি বিশ্লেষণ সংস্থা ডাটা ডেস্কের সহ-প্রতিষ্ঠাতা লুই গডার্ডও একই ধরনের আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের চলমান যুদ্ধ শুরুর পর এটিই সবচেয়ে বড় তেল ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা হতে পারে।

    তবে কী কারণে এ তেল ছড়িয়ে পড়েছে বা কোথা থেকে এর উৎস, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। গবেষকদের মতে, সর্বশেষ স্যাটেলাইট চিত্রে নতুন করে তেল নিঃসরণের কোনো স্পষ্ট চিহ্ন দেখা যায়নি।

    ইরানের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ খার্গ দ্বীপের মাধ্যমে হয়ে থাকে। এর বেশিরভাগ তেল চীনে রপ্তানি করা হয়। যুদ্ধ চলাকালে এর আগে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছিল, তারা দ্বীপটিতে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

    চলমান সংঘাতের কারণে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। এতে শত শত জাহাজ আটকা পড়েছে। বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের সরবরাহেও বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে

  • মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন: আড়ালে থেকে রণকৌশল সাজাচ্ছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা !

    মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন: আড়ালে থেকে রণকৌশল সাজাচ্ছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা !

    মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার পর্যালোচনা অনুযায়ী, ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি যুদ্ধ কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে বিভক্ত ইরানি প্রশাসনে কার হাতে কতটা ক্ষমতা রয়েছে, তা এখনো অস্পষ্ট। তবে একাধিক গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, যুদ্ধ অবসানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা কীভাবে পরিচালিত হবে, তা হয়তো নেপথ্যে থেকে ঠিক করে দিচ্ছেন খামেনিই।

    যুদ্ধের শুরুতে এক হামলায় তার বাবা এবং দেশের বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক নেতা নিহত হয়েছেন। মোজতবা খামেনি নিজেও গুরুতর আহত হন। যার ফলে তার সুস্থতা এবং ইরানি নেতৃত্বের কাঠামোতে তার ভূমিকা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়।

    সূত্রমতে, ট্রাম্প প্রশাসন সংঘাতের একটি কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার মতে, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বোমাবর্ষণের ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে হামলায় ইরানের উল্লেখযোগ্য সামরিক সক্ষমতা অক্ষত রয়েছে এবং মার্কিন অবরোধ সত্ত্বেও আরো কয়েক মাস টিকে থাকার সক্ষমতা তাদের রয়েছে।

    যে হামলায় তিনি আহত হয়েছিলেন, তার কয়েকদিন পরই খামেনিকে তার বাবার স্থলাভিষিক্ত করে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা তার অবস্থান নিশ্চিত করতে পারেনি বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

    সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, এই অনিশ্চয়তার একটি কারণ হলো খামেনি যোগাযোগের জন্য কোনো ইলেকট্রনিক যন্ত্র ব্যবহার করেন না। বরং এর পরিবর্তে তিনি কেবল তাদের সঙ্গেই যোগাযোগ করেন যারা তার সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে পারেন অথবা বার্তাবাহকের মাধ্যমে বার্তা পাঠান।

    ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের প্রোটোকল প্রধান মাজাহের হোসেইনি শুক্রবার বলেছেন, খামেনি তার আঘাত থেকে সেরে উঠছেন এবং সম্পূর্ণ সুস্থ আছেন।

    হোসেইনি ইরানের এক জনসমাবেশে বলেন, ‘শত্রুরা নানা ধরনের গুজব ও মিথ্যা দাবি ছড়াচ্ছে। তারা তাকে দেখতে ও খুঁজে বের করতে চায়, কিন্তু জনগণকে ধৈর্য ধরতে হবে এবং তাড়াহুড়ো করা উচিত নয়। সঠিক সময়ে তিনি আপনাদের সঙ্গে কথা বলবেন।’


    আরও পড়ুন · নির্ভরযোগ্য সূত্র:

  • ইরানকে মারণাস্ত্র দিয়ে সহায়তা করছে রাশিয়া

    ইরানকে মারণাস্ত্র দিয়ে সহায়তা করছে রাশিয়া

    যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির মোকাবেলায় ইরানকে অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র দিয়ে সহায়তা করছে রাশিয়া। সম্প্রতি এমন কিছু তথ্য সামনে এসেছে যা থেকে বোঝা যায়, মস্কো তেহরানকে বিপুল পরিমাণে নতুন নতুন প্রযুক্তির’ অস্ত্র সরবরাহ করেছে। এসব অস্ত্র মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন ও তাদের মিত্র বাহিনীর ওপর বড় ধরনের আঘাত হানতে সক্ষম।

    গোয়েন্দা রিপোর্ট দাবি করছে, রুশ প্রযুক্তির কারণেই ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের রণকৌশলগুলো ব্যর্থ হচ্ছে। জানা গেছে, এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনাদের অবস্থান শনাক্ত করতে ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সাহায্য করেছিল ভ্লাদিমির পুতিনের সরকার। এবার জানা যাচ্ছে, মস্কো ইরানকে এমন কিছু ড্রোন দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে, যা জ্যাম করা বা মাঝপথে আটকে দেয়া প্রায় অসম্ভব। শুধু তাই নয়, এসব অত্যাধুনিক ড্রোন নিখুঁতভাবে চালানোর জন্য ইরানি সেনাদের বিশেষ সামরিক প্রশিক্ষণ দেয়ার প্রস্তাবও দিয়েছে রাশিয়া।

    একটি গোপন নথির বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট জানিয়েছে, রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা জিআরইউ একটি বিশেষ পরিকল্পনা তৈরি করেছে। এই পরিকল্পনার আওতায় রাশিয়া ইরানকে পাঁচ হাজার ফাইবার-অপটিক ড্রোন দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। এই একই ড্রোন বর্তমানে ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহার করছে মস্কো।

    এছাড়া, দূরপাল্লার স্যাটেলাইট-নির্ভর বেশ কিছু ড্রোনও তেহরানকে দেয়ার কথা রয়েছে এই প্রস্তাবে। শুধু অস্ত্র দেয়াই নয়, এসব ড্রোন নিখুঁতভাবে চালানোর জন্য ইরানি পেশাদারদের প্রশিক্ষণ দেয়ার দায়িত্বও নিতে চায় রাশিয়া। ১০ পাতার ওই প্রস্তাবনায় বিভিন্ন দ্বীপের মানচিত্র এবং ড্রোন ব্যবহারের ছয়টি রেখাচিত্র যুক্ত করা হয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ফাইবার-অপটিক ড্রোনগুলো মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। সাধারণত ড্রোন রেডিও সিগন্যালের মাধ্যমে চলে, যা জ্যাম করে দেয়া সম্ভব। কিন্তু এই ড্রোনগুলো সরু তারের মাধ্যমে সরাসরি অপারেটর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। ফলে এগুলো কোনো রেডিও সিগন্যাল ছড়ায় না এবং শত্রুপক্ষ অপারেটরের অবস্থানও খুঁজে পায় না। এগুলো ৪০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে পিনপয়েন্ট হামলা চালাতে পারে। সম্প্রতি লেবাননে হিজবুল্লাহর কাছেও এমন ড্রোন দেখা গেছে, যা তারা ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছে।ইসরাইলি কর্মকর্তাদের দাবি, এসব ড্রোন ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী থেকে এসেছে। তবে এর উৎস যে রাশিয়া, সেটা এখন জোরালো হচ্ছে।

    নথিটি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, যুদ্ধের শুরুর দিকে যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনা খার্গ দ্বীপে স্থল হামলার নির্দেশ দিতে পারেন বলে গুঞ্জন ছিল, ঠিক তখনই রাশিয়ার পক্ষ থেকে এমন প্রস্তাব দেয়া হয়। এছাড়া রাশিয়া তাদের নিজস্ব কারখানায় তৈরি উন্নতমানের শাহেদ ড্রোনও তেহরানকে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এসব ড্রোনে স্টারলিংক টার্মিনাল যুক্ত করা হয়েছে, যাতে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সুদূরপ্রসারী হামলা চালানো যায়।রাশিয়ার গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইরানকে সামরিকভাবে শক্তিশালী করতে মস্কো এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি আগ্রহী।

  • রিফাতের এ টু আই স্মার্ট কারে প্রধানমন্ত্রী

    রিফাতের এ টু আই স্মার্ট কারে প্রধানমন্ত্রী

    কলেজছাত্র শারীরিক প্রতিবন্ধী ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি করা বিশেষ স্মার্ট কারে চড়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    শনিবার (৯ মে) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি করা বিশেষ স্মার্ট কার পরিদর্শন করেন তিনি।

    এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, মোস্তফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু), শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীনসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

    রিফাত যশোরের চৌগাছার ব্রাক পাড়ার দিনমজুর আবু খায়ের এর ছেলে। সে চৌগাছা সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র।

  • শিক্ষাব্যবস্থা আধুনিকায়ন করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষাব্যবস্থা আধুনিকায়ন করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষাক্ষেত্রের উন্নয়নে শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করতে হবে।‌

    তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে শিক্ষাক্ষেত্রের উন্নয়ন করতেই হবে, এর কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করেছে।

    শনিবার সকালে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে চীন দূতাবাস ও চায়না-বাংলাদেশ এডুকেশন অ্যান্ড কালচারাল এক্সচেঞ্জ অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ‘চায়না-বাংলাদেশ এডুকেশন কো-অপারেশন ফোরাম-২০২৬’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে দেশের জিডিপির ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়নে সিলেবাস, কারিকুলাম এবং একাডেমিক ক্যালেন্ডার পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, শিক্ষার মান উন্নত করতে হলে শিক্ষকদের মানের উন্নয়ন ঘটাতে হবে। এর জন্য আমরা চীনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে সাধারণ ও কারিগরি শিক্ষকদের জন্য প্রশিক্ষণ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আমরা চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের সেতুবন্ধ আরো সুদৃঢ় করতে চাই। সেই সেতুর মূল উপকরণ হবে শিক্ষা।

    তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাই তাদের দেশের নেতৃত্ব গ্রহণের জন্য যোগ্য হিসেবে গড়ে উঠতে হবে।

    এ সময় ফোরামে শিক্ষাক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ ও চীনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা শিক্ষা ও প্রযুক্তিবিষয়ক প্রদর্শনীর উদ্বোধন এবং বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

    বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মামুন আহমেদ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ বি এম বদরুজ্জামান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

  • সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমান

    সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমান

    বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠন—যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা ও মহানগর পর্যায়ের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    শনিবার (৯ মে) সকাল ১০টায় রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভা শুরু হয়। পরে বেলা ১১টার দিকে ভার্চুয়ালি সভায় যুক্ত হন তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে এটিই তার প্রথম বড় সাংগঠনিক বৈঠক বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

    সভায় যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন জেলার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং মহানগর নেতারা অংশ নেন। বৈঠকে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা, সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করা, স্থানীয় পর্যায়ের অন্তঃকোন্দল নিরসন এবং চেইন অব কমান্ড পুনঃপ্রতিষ্ঠার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিতে পারেন তারেক রহমান।

    দলীয় সূত্র জানিয়েছে, আগামী দিনের রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নে তৃণমূল নেতাদের আরও সক্রিয় ও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হবে এ মতবিনিময় সভা থেকে।

    এর আগে, মতবিনিময় সভা ঘিরে শুক্রবার বিকেলে ভেন্যু পরিদর্শন করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, এ মতবিনিময়ের মাধ্যমে আগামী দিনের সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধির রূপরেখা তুলে ধরবেন তারেক রহমান।

  • ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার পথেই হাঁটছে সরকার: বুলবুল

    ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার পথেই হাঁটছে সরকার: বুলবুল

    জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি বলেছেন, জনগণকে বিভ্রান্ত করতে সরকার জুলাই সনদ অক্ষরে-অক্ষরে পালন করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।

    তিনি বলেন, জনগণ সংস্কার চায়, জনগণ পরিবর্তন চায়, কিন্তু সরকার সংস্কার ও পরিবর্তন না করে পুরোনো ফ্যাসিবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথেই হাঁটছে।

    শুক্রবার দুপুরে জামায়াতে ইসলামী মতিঝিল-শাহজাহানপুর জোনের ‘নন রুকন সাথী ও সদস্য শিক্ষাশিবির’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, যারা নির্বাচনের আগে গণভোটে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ক্ষমতায় বসে গণভোটের জনরায়কে মেনে নিচ্ছে না তাদের মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কার হবে না, তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে না। সরকার যদি জুলাই সনদ অক্ষরে-অক্ষরে পালনই করে তবে কেন সরকার দলীয় সংসদ সদস্যরা গণভোটের রায় মেনে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ করেনি প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, জনগণের মতামতের ভিত্তিতে সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে না বলেই সরকার গণভোটের রায় মেনে নিচ্ছে না।

    তিনি সংঘাত বা সংঘর্ষ সৃষ্টি না করে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করলে সরকারকে সব ধরনের সহযোগিতা জামায়াতে ইসলামী করতে প্রস্তুত রয়েছে।

    জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি, মতিঝিল-শাহজাহানপুর জোন পরিচালক মুহাম্মদ শামছুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং শাহজাহানপুর পূর্ব থানা আমির মুহাম্মদ শরিফুল ইসলামের পরিচালনায় মহানগরীর হলরুমে অনুষ্ঠিত শিক্ষাশিবিরে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

  • বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা

    বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা

    কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পশ্চিম আকাশে রহস্যময় দীর্ঘ আলোর রেখা দেখা যাওয়ায় সাধারণ মানুষ ও পর্যটকদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে নিশ্চিত হওয়া গেছে, এটি ভারতের পরীক্ষামূলকভাবে উৎক্ষেপণ করা একটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (ICBM) দৃশ্য হতে পারে।

    শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কক্সবাজার সৈকতের লাবণী ও সুগন্ধা পয়েন্ট এলাকায় এই বিরল আলোর রেখা দেখা যায়। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে আকাশে দীর্ঘ আলোর মতো একটি রেখা স্পষ্ট হয়ে উঠলে সেখানে উপস্থিত পর্যটক ও স্থানীয়রা অবাক হয়ে যান।

    সৈকতে উপস্থিত আব্দুর রহিম বলেন, “হঠাৎ এই দৃশ্য দেখে প্রথমে ভয় পেয়ে যাই। দেখতে অনেকটা ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের মিসাইলের মতো।’’

    অন্য পর্যটক সাইফুর রহিম বলেন, “পরিবার নিয়ে বেড়াতে এসে এমন দৃশ্য দেখব ভাবিনি। তবে বিষয়টি বেশ অদ্ভুত ও আকর্ষণীয় লেগেছে।”

    তবে কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের এক আবহাওয়াবিদ জানান, এটি কোনো আবহাওয়াজনিত প্রাকৃতিক ঘটনা নয়।

    এদিকে একটি বিমানবাহিনীর গোয়েন্দা সূত্র দাবি করেছে, ভারত পূর্বেই বঙ্গোপসাগরে তাদের সম্ভাব্য আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘অগ্নি-৬’ পরীক্ষার প্রস্তুতির বিষয়ে জানিয়ে রেখেছিল। সূত্র অনুযায়ী, ৪ থেকে ৯ মে পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরের আকাশসীমায় বিশেষ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

    গোয়েন্দা সূত্রটি আরও জানায়, “আমরা বিষয়টি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেছি।” তবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইকোনোমিক টাইমস–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পরীক্ষার জন্য ‘নোটাম’ (Notice to Airmen) জারি করা হয়েছিল। এতে ওড়িশার ড. এ পি জে আব্দুল কালাম দ্বীপ থেকে প্রায় ৩,৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত আকাশসীমায় বিধিনিষেধ ছিল বলে উল্লেখ করা হয়।

    উল্লেখ্য, এই দ্বীপ থেকেই ভারত নিয়মিতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়ে থাকে বলে জানা গেছে।

  • শুভেন্দুকে হাসিনার শুভেচ্ছা

    শুভেন্দুকে হাসিনার শুভেচ্ছা

    পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ী মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

    শুক্রবার নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে এ শুভেচ্ছা জানানো হয়।

    বিবৃতিতে বলা হয়, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সকল প্রতিনিধিসহ বিজয়ী সবাইকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বাংলাদেশ সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    বিবৃতিতে শুধু শুভেন্দুর নাম উল্লেখ করা হলেও বিজয়ী সকলের সাফল্য কামনা করেছেন হাসিনা।

  • গাংনীতে পৌর জামায়াতের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    গাংনীতে পৌর জামায়াতের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    রাশিদুল ইসলাম বোরহান, গাংনী (মেহেরপুর) সংবাদদাতা: মেহেরপুরের গাংনীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পৌর শাখার উদ্যোগে কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) গাংনীর চৌগাছা দারুল ইয়াতিম মিলনায়তনে আছর নামাজের পর এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

    গাংনী পৌর জামায়াতের আমীর মোঃ আহসানুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনের সংসদ সদস্য মোঃ নাজমুল হুদা।

    সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গাংনী উপজেলা জামায়াতের আমীর মোঃ রবিউল ইসলাম, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুল মজিদ, পৌর সেক্রেটারি ওয়াস করুনী জামিল এবং পৌর বায়তুলমাল সেক্রেটারি জিল্লুর রহমান।

    বক্তারা তাদের বক্তব্যে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, নৈতিক সমাজ বিনির্মাণ এবং জনসম্পৃক্ত কার্যক্রম বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি আগামী দিনে আদর্শিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান করতে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

    সম্মেলনে পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত জামায়াতের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

  • ইরান যুদ্ধ থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় বিভিন্ন কোম্পানির

    ইরান যুদ্ধ থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় বিভিন্ন কোম্পানির

    যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধ যখন বিশ্বজুড়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে নাভিশ্বাস তুলছে, তখন কিছু বহুজাতিক কোম্পানি এই অস্থিরতাকে পুঁজি করে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের রেকর্ড মুনাফা ঘরে তুলছে।

    বিশেষ করে ইরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ার ফলে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, যা একদিকে যেমন বাজেট ঘাটতি ও মুদ্রাস্ফীতি বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে নির্দিষ্ট কিছু খাতের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের বাণিজ্যিক হিসাব অনুযায়ী, জ্বালানি, ব্যাংক ও প্রতিরক্ষা খাতের কোম্পানিগুলো এই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে অভাবনীয় আয় করেছে।

    জ্বালানি খাতে ইউরোপীয় তেল জায়ান্টরা এই সঙ্কটের সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস পরিবহন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বাজারে অস্থিরতা বেড়েছে, যার সুযোগ নিয়েছে বিপি এবং শেলের মতো কোম্পানিগুলো।

    বছরের প্রথম তিন মাসে বিপি-র মুনাফা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে ৩.২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। একইভাবে শেল ৬.৯২ বিলিয়ন ডলার এবং টোটাল এনার্জি ৫.৪ বিলিয়ন ডলার মুনাফা অর্জন করেছে। সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার কারণে মার্কিন জায়ান্ট এক্সনমোবিল ও শেভরনের আয় গত বছরের তুলনায় কিছুটা কমলেও তারা বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা ছাড়িয়ে গেছে এবং তেলের ক্রমবর্ধমান দামের কারণে ভবিষ্যতে আরও বড় মুনাফার আশা করছে।

    আর্থিক খাতেও এই যুদ্ধের প্রভাব স্পষ্ট। শেয়ার ও বন্ড বাজারে বিনিয়োগকারীদের অস্থিরতা এবং নিরাপদ সম্পদের দিকে ঝোঁকার প্রবণতা বড় ব্যাংকগুলোর আয় বাড়িয়ে দিয়েছে। জেপি মর্গান ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে ১১.৬ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ড রাজস্ব সংগ্রহ করেছে, যা ব্যাংকটির ইতিহাসে অন্যতম সেরা প্রান্তিক আয়।

    গোল্ডম্যান স্যাকস এবং মরগান স্ট্যানলির মতো বড় ছয়টি মার্কিন ব্যাংক সম্মিলিতভাবে বছরের প্রথম প্রান্তিকে ৪৭.৭ বিলিয়ন ডলার মুনাফা করেছে। মূলত বাজারের অস্থিতিশীলতাকে কাজে লাগিয়ে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার কেনাবেচার ধুম বা ট্রেডিং ভলিউম বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকগুলো এই বিশাল অংকের কমিশন ও মুনাফা পেয়েছে।

    প্রতিরক্ষা বা সমরাস্ত্র খাত বরাবরের মতোই এই যুদ্ধে বড় অঙ্কের কাজ পেয়েছে। ইরান যুদ্ধের ফলে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ড্রোন মোকাবিলা প্রযুক্তি এবং সামরিক সরঞ্জামের চাহিদা আকাশচুম্বী হয়েছে। বিএই সিস্টেমস, লকহিড মার্টিন এবং বোয়িংয়ের মতো বড় ঠিকাদাররা তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অর্ডার হাতে পাওয়ার কথা জানিয়েছে।

    বিশ্বজুড়ে নিরাপত্তার ঝুঁকি বাড়ায় বিভিন্ন দেশের সরকার তাদের অস্ত্রভাণ্ডার নতুন করে পূর্ণ করতে বিপুল বিনিয়োগ করছে। সমরাস্ত্র নির্মাতারা একে তাদের ব্যবসার জন্য একটি সহায়ক প্রেক্ষাপট হিসেবে দেখছে।

    আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই যুদ্ধ নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা রিনিউয়েবল সেক্টরকেও গতিশীল করেছে। জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর তাগিদ থেকে বিশ্বজুড়ে সৌরবিদ্যুৎ ও বায়ুবিদ্যুতের চাহিদা বেড়েছে।

    ফ্লোরিডা ভিত্তিক নেক্সটএরা এনার্জি বা ডেনমার্কের ভেস্টাসের মতো কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দাম ও মুনাফা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাজ্যে সৌর প্যানেলের বিক্রি ফেব্রুয়ারি থেকে প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে এবং পেট্রোলের উচ্চমূল্যের কারণে বৈদ্যুতিক যানবাহনের চাহিদাও বেড়েছে ব্যাপক। সব মিলিয়ে যেখানে সাধারণ মানুষ উচ্চমূল্যের বাজারে হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে যুদ্ধের উত্তাপ বড় কর্পোরেশনগুলোর সিন্দুকে বিলিয়ন ডলারের জোগান দিচ্ছে।

  • ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাত, অনেকে নিখোঁজ

    ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাত, অনেকে নিখোঁজ

    ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাত হয়েছে। দেশটির হালমাহেরা দ্বীপের মাউন্ট ডুকোনো আগ্নেয়গিরিতে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আরও অন্তত ২০ পর্বতারোহী নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে অভিযান শুরু করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

    শুক্রবার (৮ মে) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৪১ মিনিটে সক্রিয় আগ্নেয়গিরি মাউন্ট ডুকোনোতে অগ্ন্যুৎপাত ঘটে। ইন্দোনেশিয়ার সেন্টার ফর ভলকানোলজি অ্যান্ড জিওলজিক্যাল হ্যাজার্ড মিটিগেশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিস্ফোরণের সময় প্রায় ১০ কিলোমিটার উঁচু পর্যন্ত আগুনের ছাই আকাশে ছড়িয়ে পড়ে। এর সঙ্গে ভয়ংকর গর্জনের শব্দও শোনা গেছে।

    স্থানীয় উদ্ধার সংস্থার প্রধান ইওয়ান রামদানি রয়টার্সকে জানান, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে আটকে পড়া ২০ জন পর্বতারোহীকে খুঁজে বের করতে পুলিশসহ কয়েক ডজন উদ্ধারকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি বলেন, নিখোঁজদের মধ্যে ৯ জন সিঙ্গাপুরের নাগরিক রয়েছেন।

    এএফপির বরাতে উত্তর হালমাহেরার পুলিশ প্রধান এরলিখসন পাসারিবু জানিয়েছেন, নিহত তিনজনের মধ্যে দুজন বিদেশি নাগরিক। বিজ্ঞানীরা আগ্নেয়গিরির তৎপরতা বেড়ে যাওয়ার লক্ষণ দেখার পর গত ১৭ এপ্রিল থেকেই এলাকাটি পর্যটকদের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।

    কর্তৃপক্ষ স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের মালুপাং ওয়ারিরাং ক্রেটার থেকে অন্তত ৪ কিলোমিটার দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। এই ক্রেটারটিকেই আগ্নেয়গিরির প্রধান সক্রিয় কেন্দ্র হিসেবে ধরা হচ্ছে।

    আগুনের ছাই উত্তর দিকে ছড়িয়ে পড়ায় সরকার পরিচালিত আগ্নেয়গিরি পর্যবেক্ষণ সংস্থা তোবেলো শহরের বাসিন্দাদের সতর্ক করেছে। তারা জানিয়েছে, আগুনের ছাইয়ের বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি আগ্নেয়গিরি থেকে ছিটকে আসা পাথর এবং লাভার প্রবাহ থেকেও সরাসরি ঝুঁকির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

    মাউন্ট ডুকোনো বিশ্বের অন্যতম সক্রিয় আগ্নেয়গিরির একটি। চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে সেখানে প্রায় ২০০ বার অগ্ন্যুৎপাত ঘটেছে।

  • হরমুজের ধাক্কা : সৌদি বাজেটে সর্বোচ্চ ঘাটতি।

    হরমুজের ধাক্কা : সৌদি বাজেটে সর্বোচ্চ ঘাটতি।

    হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রভাব মোকাবিলা এবং আগাম ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে সৌদি আরব ১২৫ দশমিক ৭ বিলিয়ন রিয়াল (প্রায় ৩৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার) বাজেট ঘাটতির মুখে পড়েছে, যা ২০১৮ সালের পর দেশটির সর্বোচ্চ ঘাটতি। একই সঙ্গে এটি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

    সৌদি অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক প্রকাশিত তথ্যের বরাতে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থার অর্থনৈতিক অভিঘাত কমাতে সরকার আগেভাগেই অবকাঠামো উন্নয়ন ও খাদ্য আমদানিসংক্রান্ত কিছু ব্যয় এগিয়ে আনে। এই অতিরিক্ত ও ত্বরান্বিত ব্যয়ই মূলত বাজেট ঘাটতি বাড়ার অন্যতম কারণ।

    সৌদি অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সম্ভাব্য সরবরাহ ঝুঁকি মোকাবিলায় দেশটি লোহিত সাগর উপকূলীয় বন্দরগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে বড় ধরনের বিনিয়োগ করেছে। পাশাপাশি পরিবহন ও লজিস্টিক খাতেও নতুন প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধি করা হয়েছে, যাতে বিকল্প বাণিজ্যপথ শক্তিশালী করা যায়।

    বিশ্লেষকদের মতে, আঞ্চলিক উত্তেজনা ও জ্বালানি পরিবহন অনিশ্চয়তার মধ্যে সৌদি আরব অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগাম প্রস্তুতির পথ বেছে নিয়েছে, যদিও এর তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়েছে রাষ্ট্রীয় বাজেটের ওপর।

  • যুদ্ধবিরতির মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা

    যুদ্ধবিরতির মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা

    এক মাস ধরে চলা ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যেই গত বৃহস্পতিবার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী একে অপরের ওপর বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে। দুই দেশ যখন হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং নৌ-অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়ে একটি চুক্তির আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই এই সংঘাতের ঘটনা ঘটল।

    যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে তিনটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ার লক্ষ্য করে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ও ছোট নৌকা দিয়ে হামলা চালায়। এর জবাবে মার্কিন বাহিনী ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, কমান্ড সেন্টার এবং গোয়েন্দা নজরদারি কেন্দ্রগুলোতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

    অন্যদিকে, ইরান এই সংঘাতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনীর দাবি, যুক্তরাষ্ট্র গত বুধবার হরমুজ প্রণালির দিকে যাওয়া একটি ইরানি তেলের ট্যাঙ্কারে গুলি চালিয়ে প্রথমে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। এর প্রতিশোধ নিতেই তারা মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলা চালিয়েছে।

    প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, তিনটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ার হামলার মুখে পড়লেও কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই প্রণালি পার হয়েছে।

    তিনি বলেন, মার্কিন বাহিনী ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলো অনায়াসেই ধ্বংস করেছে। ইরানের নেতৃত্বকে ‘উন্মাদ’ আখ্যা দিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, দ্রুত চুক্তিতে সই না করলে আরো কঠোর হামলা চালানো হবে। তবে এত কিছুর পরেও যুদ্ধবিরতি এখনো ‘অক্ষত’ আছে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানান।

    ইরানের সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সংঘাতের জেরে ইরানের কেশম দ্বীপ, বন্দর আব্বাস এবং রাজধানী তেহরানে বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র এই হামলার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। উল্লেখ্য, দুই দেশের কর্মকর্তারা বর্তমানে ৩০ দিনের জন্য শত্রুতা বন্ধ এবং নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়ার বিষয়ে একটি এক পৃষ্ঠার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করছেন। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ইউরেনিয়াম মজুত নিয়ে মতবিরোধই এই চুক্তির প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সংঘাতের ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এবং তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে।

  • বৃটেনের স্থানীয় নির্বাচনে ভরাডুবির পথে লেবার, বিপাকে স্টারমার

    বৃটেনের স্থানীয় নির্বাচনে ভরাডুবির পথে লেবার, বিপাকে স্টারমার

    বৃটেনের ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনে চমক দেখিয়েছিল দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকা লেবার পার্টি। স্থানীয় নির্বাচনে সফলতায় ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে ভূমিধস জয়ের মাধ্যমে সরকার গঠন করে লেবার পার্টি। তবে দেশটিতে লেবার শাসনের মাত্র দুই বছরের মাথায় রাজনীতির মাঠের চিত্র পাল্টে গেলো।লেবার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে বৃটেনের জনগণ। ইংল্যান্ডের স্থানীয় নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে লেবার পার্টি। ৭ই মে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয় স্থানীয় সরকার নির্বাচন। ভোট গণনার প্রাথমিক ফল হতাশ করেছে লেবার পার্টিকে। প্রাথমিক ফলাফলে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি বড় ধরনের ধাক্কার মুখে পড়েছে।

    লেবার ঘাঁটি হিসেবে খ্যাত বিভিন্ন কাউন্সিলে লেবারের আসন কমেছ। অন্যদিকে ফলাফলে উল্লেখযোগ্য সফলতার মুখ দেখেছে অভিবাসী বিরোধী নেতা নাইজেল ফারাজের রিফর্ম রিফর্ম ইউকে।
    অনেকেই মনে করছেন, এই ফলাফল প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে রিফর্ম ইউকের উত্থান বৃটিশ রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    প্রাপ্ত ফলাফলে প্রথম স্থানে এগিয়ে রয়েছে রিফর্ম ইউকে ও লেবার রয়েছে চতুর্থ স্থানে।
    নির্বাচনে ভরাডুবি নিয়ে স্টারমার বলেন, দেশের অর্থনৈতিক সংকট ও আন্তর্জাতিক অস্থিরতার কারণে মানুষ পরিবর্তন আশা করলেও সেই পরিবর্তন এখনও অনুভব করছে না।
    স্টারমারের মন্ত্রিসভার পররাষ্ট্র সচিব ইভেট কুপার বলেন, নির্বাচনের ফলাফল সরকার ও লেবার পার্টির জন্য বড় বার্তা বহন করছে।

    তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীরভাবে ভাবার সময় এসেছে। দেশের রাজনীতিতে মেরুকরণ বাড়ছে এবং এটি জাতীয় ঐক্যের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

    এদিকে স্থানীয় নির্বাচনে বড় সাফল্য পাওয়া রিফর্ম ইউকের নেতা নাইজেল ফারাজ দাবি করেছেন, এই ফলাফল ব্রিটিশ রাজনীতিতে ঐতিহাসিক পরিবর্তনের সূচনা।

  • শুভেন্দু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী, শনিবার শপথ

    শুভেন্দু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী, শনিবার শপথ

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা দলের নেতা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শুক্রবার বিকেলে বলেন, আমি পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি বিধানসভা দলের নেতা হিসেবে নির্বাচিত শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করছি।

    নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম ঘোষণার পর অমিত শাহ আরও বলেন, নতুন সরকার সোনার বাংলার স্বপ্ন পূরণে সর্বাত্মক চেষ্টা করব ।তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথিত স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে ভোট দেয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

    একই সঙ্গে রাজ্যে এই ঐতিহাসিক জনরায় অর্জনের জন্য দিনরাত পরিশ্রম করা সকল বিজেপি কর্মীকেও ধন্যবাদ জানান অমিত শাহ। এদিন বিশ্বভঙ্গ কনভেনশন সেন্টারে বিজয়ী ২০৭ জন বিধায়ককে নিয়ে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অমিত শাহ। সেই বৈঠকেই শুভেন্দুকে পরিষদীয় দলনেতা মনোনিত করা হয়। নব-নির্বাচিত দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় লোকভবনে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল টি এন রবির সঙ্গে দেখা করবেন। তিনি সমস্ত বিধায়কের স্বাক্ষর করা সম্মতিপত্র দিয়ে মন্ত্রিসভা গঠনের দাবি জানাবেন। আগামীকাল শনিবার সকাল ১১টায় কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহসহ বিজেপির নেতৃত্ব ও ২১ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিকে শুভেন্দু শপথ নেবেন
    এ/জেড

  • ভালুকায় অটোরিকশার চাপায় আহত শিক্ষার্থীর মৃত্যু

    ভালুকায় অটোরিকশার চাপায় আহত শিক্ষার্থীর মৃত্যু

    ময়মনসিংহের ভালুকায় স্কুলে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত সাড়ে পাঁচ বছরের শিশু ফারহান আহমেদ শুক্রবার (৮ মে) সকালে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।

    বৃহস্পতিবার সকালে ধামশুর মামারিশপুর সড়কে হালিমুন্নেছা চৌধুরানী বালিকা বিদ্যালয়ের কাছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চাপায় গুরুতর আহত হয় সে।

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ধামশুর (উত্তর পাড়ার) গ্রামের লিটন আহমেদের ছেলে স্থানীয় হলিব্রাইড কিন্ডারগার্টেনের প্লে গ্রুপের ছাত্র ফারহান আহমেদ বৃহস্পতিবার সকালে মায়ের সাথে হেঁটে তার স্কুলে যাচ্ছিলো। স্কুলের কাছাকাছি পৌঁছলে শিশুটি মায়ের হাত ছেড়ে দৌড়ে স্কুলে ভেতরে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তাকে চাপা দিলে সে গুরুতর আহত হয়। তাকে প্রথমে ভালুকা ৫০ শয্যা সরকারী হাসপাতাল ও পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নিহত শিশুর বাবা লিটন আহমেদের বন্ধু নাহিদ।

  • মাদকের টাকা না পাওয়ায় স্ত্রীকে মারধর, বাধা দেওয়ায় দা নিয়ে বাবার ওপর হামলা

    মাদকের টাকা না পাওয়ায় স্ত্রীকে মারধর, বাধা দেওয়ায় দা নিয়ে বাবার ওপর হামলা

    নেত্রকোনার কলমাকান্দায় মাদকাসক্ত এক যুবকের হামলায় তাঁর বাবা ও স্ত্রী আহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কালিহালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁর বাবাকে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

    অভিযুক্ত যুবকের নাম মো. ইমামুল (৩০)। তিনি কালিহালা গ্রামের আবুল হাসেমের (৬০) ছেলে।

    স্থানীয় বাসিন্দা ও আবুল হাসেমের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ইমামুল দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মাদকদ্রব্য সেবন করে আসছেন। মাদকের টাকা না পেয়ে তিনি প্রায়ই তাঁর স্ত্রী, মা–বাবাসহ পরিবারের লোকজনের ওপর নির্যাতন চালান। গতকাল গভীর রাতে স্ত্রীর কাছে মাদকের জন্য টাকা চান ইমামুল। কিন্তু টাকা দিতে না পারায় স্ত্রীকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে স্ত্রীকে গলা চেপে ধরে হত্যার চেষ্টা চালায় ইমামুল।

    ওই সময় ইমামুলকে থামাতে যান তাঁর বাবা আবুল হাসেম। এ সময় হাসেমকেও মারধর করেন ইমামুল। পরে স্থানীয় লোকজন হাসেমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করে।

    আবুল হাসেম বলেন, ‘একটি ঘর থেকে দা এনে ইমামুল আমাকে কোপাতে চায়। প্রাণভয়ে আমি দৌড়ে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিই। পরে সে দরজা ভেঙে আমার ওপর হামলা চালায়। এতে আমার হাতের আঙুল কেটে যায়। ইমামুলের কারণে আমরা পরিবারের সবাই আতঙ্কের মধ্যে থাকি। ইমামুলের দুই শিশুসন্তান আছে। তার ভয়ে শিশুরা বেশির ভাগ সময় তাদের মামার বাড়িতে থাকে। মাদকের টাকা জোগাড় করতে ইমামুল অটোরিকশাসহ জমিজমা অনেক কিছুই নষ্ট করেছে, এখন আমি নিঃস্ব।’
    এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইমামুলের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাঁকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

    এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন কলমাকান্দা থানার ওসি সিদ্দিক হোসেন।

  • মাদারগঞ্জে জামায়াতের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    মাদারগঞ্জে জামায়াতের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    জামালপুরের মাদারগঞ্জে দেশে ন্যায়বিচার, মানবিক মূল্যবোধ ও কল্যাণমুখী একটি সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মাদারগঞ্জ পৌর শাখার উদ্যোগে কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার (৮ মে) সকালে পৌর জামায়াতের কার্যালয়ে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    মাদারগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমির আতিকুর রহমান সেলিমের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি শরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আব্দুস সাত্তার।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বর্তমান সময়ে দেশে ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনা জরুরি। একটি দুর্নীতিমুক্ত এবং আদর্শিক সমাজ গঠনে জামায়াতের কর্মীদের আরো দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’

    এ ছাড়া কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করাসহ সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরো বেগবান করার আহ্বান জানান তিনি।

    কর্মী সমাবেশ বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মজিবুর রহমান আজাদী ও উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা নুরুল আমিন বলেন, জামায়াতে ইসলামী জনগণের অধিকার আদায় এবং একটি সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আগামী দিনেও সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে নেতাকর্মীরা রাজপথে সক্রিয় থাকবে।

    সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন মাদারগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ফরহাদ হোসেন, সাবেক আমির শাহিন আক্তার খান পিটার এবং কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুল আজিজ জামালী। সমাবেশে মাদারগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

  • শিবগঞ্জে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবক নিহত

    শিবগঞ্জে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবক নিহত

    সিঁধ কেটে কয়েকজন ব্যক্তি ঘরে ঢুকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে রাখে। তারা ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। এমনকি তার পরনে থাকা গয়নাও খুলে নেয়। পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন একজনকে ধরে ফেলে। বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে সেলিম ফকির (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৮ মে) ভোরে উপজেলার মাঝিহট্ট ইউনিয়নের ছাতুয়া মাতালপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত সেলিম ফকির কাহালু উপজেলার কালাই ইউনিয়নের পীলখঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৭ মে) গভীর রাতে ছাতুয়া গ্রামের গোপাল চন্দ্রের বাড়িতে একদল ব্যক্তি প্রবেশ করে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, তারা নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে পালানোর চেষ্টা করছিল। এ সময় বাড়ির লোকজন চিৎকার দিলে আশপাশের মানুষ এগিয়ে এসে সেলিম ফকিরকে আটক করে। পরে উত্তেজিত জনতার মারধরে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    গৃহকর্তার পুত্রবধূ পূর্ণিমা সাহা জানান, সিঁধ কেটে কয়েকজন ব্যক্তি ঘরে ঢুকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে রাখে। তারা ঘরে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। এমনকি তার পরনে থাকা গয়নাও খুলে নেয়। পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন একজনকে ধরে ফেলে।

    গৃহকর্তা গোপাল চন্দ্র জানান, তার বাড়ি থেকে নগদ সাড়ে তিন লাখ টাকা ও প্রায় সাড়ে আট ভরি স্বর্ণালঙ্কার খোয়া গেছে।

    শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুজ্জামান বলেন, নিহত সেলিম ফকিরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের একাধিক মামলা রয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • সাড়ে ৬ হাজার কিলোমিটার দূরত্ব পেরিয়ে মাদারগঞ্জে পোল্যান্ডের তরুণী

    সাড়ে ৬ হাজার কিলোমিটার দূরত্ব পেরিয়ে মাদারগঞ্জে পোল্যান্ডের তরুণী

    কাতলামারী এলাকার ইমান আলীর ছেলে ইসমাইল দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে পোল্যান্ডে বসবাস করছেন। সেখানে পোল্যান্ডের নাগরিক ভেরোনিকা মারিয়া পিতলার্সের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমের সম্পর্ক থেকে বিয়ে, এরপর সাড়ে ছয় হাজার কিলোমিটার দূরের দেশ ছেড়ে স্বামীর হাত ধরে জামালপুরের মাদারগঞ্জে এসেছেন পোল্যান্ডের তরুণী ভেরোনিকা মারিয়া পিতলার্স।

    শুক্রবার (৮ মে) ভোররাতে উপজেলার গুনারীতলা ইউনিয়নের কাতলামারী গ্রামে নবদম্পতির আগমনে এলাকায় সৃষ্টি হয় ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনা।

    জানা গেছে, কাতলামারী এলাকার ইমান আলীর ছেলে ইসমাইল দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে পোল্যান্ডে বসবাস করছেন। সেখানে পোল্যান্ডের নাগরিক ভেরোনিকা মারিয়া পিতলার্সের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সময়ের ব্যবধানে সেই সম্পর্ক গভীর হলে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

    সম্প্রতি স্ত্রীকে নিয়ে নিজ জন্মভূমি মাদারগঞ্জে ফেরেন ইসমাইল। বিদেশিনী বধূকে দেখতে স্থানীয়দের ভিড় জমে বাড়িতে। অনেকেই নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানান এবং তাদের নতুন জীবনের জন্য দোয়া করেন।

    স্থানীয়রা জানান, ভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতির দুই মানুষের ভালোবাসার এই গল্প এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পোল্যান্ড প্রবাসী ছেলের বিদেশিনী স্ত্রীকে পরিবারের সদস্যরাও আন্তরিকভাবে বরণ করে নিয়েছেন।

    তবে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার কথা বিবেচনা করে ভেরোনিকা মারিয়া পিতলার্স কোনো ভিডিও সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হননি। এ কারণে তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

    এদিকে, বিদেশিনী পুত্রবধূকে ঘিরে কাতলামারী গ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। স্থানীয়দের অনেকে এটিকে ভালোবাসার এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন।

  • চান্দিনায় নারী উদ্যোক্তাকে শ্লীলতাহানি করে ভিডিও ধারণ, আটক ২

    চান্দিনায় নারী উদ্যোক্তাকে শ্লীলতাহানি করে ভিডিও ধারণ, আটক ২

    বেশ কিছুদিন ধরে রুবেল ও জামাল তাকে বিভিন্নভাবে উত্যক্তসহ কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছে। তাদের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভুক্তভোগী নারীর অশ্লীল ভিডিও তৈরি করে সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয় এবং তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। কুমিল্লার চান্দিনায় এক নারী উদ্যোক্তাকে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানি করে মোবাইলফোনে ভিডিও ধারণ করার অভিযোগে দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ।

    শুক্রবার (৮ মে) ভোরে চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল সরকারি হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকা থেকে অভিযুক্তদের আটক করা হয়।

    আটকরা হলেন— চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল বাজার সংলগ্ন এলাকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে গাড়ি চালক মো: রুবেল (২৮) ও একই এলাকার মরহুম ইসমাইল হোসেনের ছেলে মো: জামাল (৪০)।

    ভুক্তভোগী ওই নারী জানান, তিনি নিজে স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে পার্লারের কাজ শিখে মহিচাইল বাজারে পার্লারের ব্যবসা করছেন। বেশ কিছুদিন ধরে রুবেল ও জামাল তাকে বিভিন্নভাবে উত্যক্তসহ কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছে। তাদের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ভুক্তভোগী নারীর অশ্লীল ভিডিও তৈরি করে সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয় এবং তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে।

    তাতেও ওই নারী কর্ণপাত না করায় বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে তারা ওই নারী উদ্যোক্তার বিউটি পার্লারে গিয়ে জোরপূর্বক শ্লীলতাহানি করে এবং শ্লীলতাহানির ভিডিও মোবাইলফোনে ধারণ করে। পরে ভুক্তভোগী নারী পুলিশের জরুরি নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে।

    চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতিকুর রহমান জানান, ভুক্তভোগী ওই নারী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। আমরা মামলা গ্রহণ করে বিশেষ অভিযানে পর্ণোগ্রাফি উৎপাদন, সংরক্ষণ ও মর্যাদাহানির জন্য ভীতি প্রদর্শনসহ যৌন নিপীড়নের অপরাধে তাদের আটক করি। এ ঘটনার সাথে আর কেউ জড়িত আছে কি-না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • পাইকগাছায় লতায় সড়ক উন্নয়ন কাজে ধীরগতিতে জনদুর্ভোগ!

    পাইকগাছায় লতায় সড়ক উন্নয়ন কাজে ধীরগতিতে জনদুর্ভোগ!

    খুলনার পাইকগাছার দুর্গম পল্লী লতার শংকরদানা খেঁয়াঘাট (নির্মাণাধীন ব্রিজ) কাঠামারী বাজার ভায়া তেঁতুলতলা কারপেটিং সড়ক নির্মাাণে ঠিকাদারের অবহেলা ও শম্ভুক গতিতে এক পশলা বৃষ্টিতেই জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। খুলনার পাইকগাছার দুর্গম পল্লী লতার শংকরদানা খেঁয়াঘাট (নির্মাণাধীন ব্রিজ) কাঠামারী বাজার ভায়া তেঁতুলতলা কারপেটিং সড়ক নির্মাাণে ঠিকাদারের অবহেলা ও শম্ভুক গতিতে এক পশলা বৃষ্টিতেই জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। ২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ২ হাজার ৯শ’ ৪০ মিটার কারপেটিং রাস্তা নির্মাণে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান শুরুতে বেড কার্টিয়ের পর কিছু অংশে বালু ফিলিং করলেও সিংহভাগ ফেলে রাখায় চলতি বর্ষা মেসৈুমে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে সড়কে সরু খালের সৃষ্টি হয়েছে। এতে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের চলাচলে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয় ভুক্তভোগীরা অতি দ্রুত উন্নয়ন প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।

    উপজেলা প্রকৌশল অধিদফতর সূত্র জানায়, আম্ফান প্রকল্পের আওতায় পাইকগাছা উপজেলার লতা ইউনিয়নের শংকরদানা খেঁয়াঘাট (নির্মাণধীন ব্রিজ) হতে তেঁতুলতলা হয়ে কাঁঠামারি বাজার অভিমুখে ২ হাজার ৯শ’ ৪০ মিটার কারপেটিং রাস্তা নির্মাণে ২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা বরাদ্দ হয়। টেন্ডারে প্রকল্পটির কার্যাদেশ পেয়ে চুয়াডাঙ্গার জাকাউল্লাহ অ্যান্ড ব্রাদার্স লিমিটেড নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু করেছে।

    স্থানীয়রা জানান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পে বেড কার্টিয়ের পর একাংশে বালুভরাট করলেও অপর অংশ ফেলে রাখায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘ দিন প্রকল্পটি ফেলে রাখায় বৃষ্টি ও জোয়ারে স্লুইচগেট’র পানি চুইয়ে রাস্তার বেডে ঢুকে পরিণত হয়েছে সরু খালে। এ অবস্থায় বিস্তির্ণ জনপদের স্কুল-কলেজগামী ছাত্র-ছাত্রীসহ সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ রীতিমতো চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।

    এ ব্যাপারে প্রকল্প এলাকায় অবস্থানরত ঠিকাদারের রোলার চালক টিটন বিশ্বাস জানান, তারা প্রকল্প এলাকায় অবস্থান করলেও যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল না হওয়ায় প্রকল্প অভ্যন্তরে রোলার ঢুকাতে পারছেন না, বিধায় কাজ চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

    ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য বিজন কুমার হালদার ভোগান্তির কথা উল্লেখ করে বলেন, রাস্তার কিছু অংশে বালু ভরাট করা হলেও বৃষ্টিতে যোগাযোগ ব্যবস্থা নাজুক থাকায় সেখানে রোলার ঢুকতে পারছে না বিধায় কাজে অসুবিধা হচ্ছে।

    এ বিষয় পাইকগাছা উপজেলা প্রকৌশল অধিদফতরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, মানুষের ভোগান্তি যেন না হয় সেজন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে পানি নিষ্কাশনের তাগিদ দেয়া হয়েছে। পরিবেশ ভাল হলে প্রকল্প কাজ অতি দ্রুত এগিয়ে নেয়ারও আশ্বাস দেন তিনি।

  • মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্রসহ ৪ ডাকাত আটক

    মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্রসহ ৪ ডাকাত আটক

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড জানতে পারে, কুখ্যাত ডাকাত ফজল কাদের বাহিনীর সদস্যরা মহেশখালী থানার ধলঘাটা নাছিরডেল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। কক্সবাজারের মহেশখালীতে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কুখ্যাত ডাকাত ফজল কাদের বাহিনীর চার সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

    শুক্রবার (৮ মে) সকালে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড জানতে পারে, কুখ্যাত ডাকাত ফজল কাদের বাহিনীর সদস্যরা মহেশখালী থানার ধলঘাটা নাছিরডেল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এর ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাত ৯টার দিকে কোস্ট গার্ড স্টেশন মহেশখালী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

    অভিযানে ফজল কাদের বাহিনীর চার সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে দু’টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, তিন রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও পাঁচটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

    কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিরা মহেশখালী থানার বাসিন্দা। তারা দীর্ঘদিন ধরে ফজল কাদের বাহিনীর সক্রিয় সদস্য হিসেবে ডাকাতির সাথে জড়িত ছিল।

    জব্দকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহেশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • রাণীনগরে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের, অভিযুক্ত গ্রেফতার

    রাণীনগরে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের, অভিযুক্ত গ্রেফতার

    গত ২ মে দুপুরে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের ওই শিশু স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে টিফিনের বিরতিতে বাড়িতে খাবার খেতে যায়। এরপর খাবার খেয়ে স্কুলে ফেরার পথে আব্দুর রাজ্জাক ওই শিশুকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন।নওগাঁর রাণীনগরে চতুর্থ শ্রেণি পড়ুয়া ১১ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাতে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা ওই মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাতেই থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাককে (৪০) গ্রেফতার করেছে।

    গ্রেফতার আব্দুর রাজ্জাক উপজেলার ধোপাপাড়া গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে।

    মামলার বরাত দিয়ে রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকারিয়া মন্ডল বলেন, গত ২ মে দুপুরে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের ওই শিশু স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে টিফিনের বিরতিতে বাড়িতে খাবার খেতে যায়। এরপর খাবার খেয়ে স্কুলে ফেরার পথে আব্দুর রাজ্জাক ওই শিশুকে কৌশলে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন।

    পরে ওই শিশু বাড়িতে গিয়ে পরিবারের লোকজনদের বিষয়টি জানায়। এছাড়া শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে শিশুর পরিবারের লোকজন থানায় এসে আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রাতেই অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেফতার করা হয়।

    ওসি আরো জানান, গ্রেফতার রাজ্জাককে শুক্রবার (৮ মে) আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া শিশুর শারীরিক পরীক্ষার জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

  • চৌগাছা পৌরসভার সড়কগুলোর বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে

    চৌগাছা পৌরসভার সড়কগুলোর বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ চরমে

    এম এ রহিম চৌগাছা (যশোর)

    যশোরেরচৌগাছা পৌরসভার সড়কগুলোর বেহাল অবস্থা। বৃষ্টি হলেই সড়কের বুকে খানা-খন্দে জমে হাঁটু পানি। কাঁদা পানিতে পথচারীদের চলাফেরায় ব্যাপক সমস্যা হয়। ফলে, জনগণের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে। যশোরের চৌগাছা পৌরসভার সড়কগুলোর বেহাল অবস্থা। বৃষ্টি হলেই সড়কের বুকে খানা-খন্দে জমে হাঁটু পানি। কাঁদা পানিতে পথচারীদের চলাফেরায় ব্যাপক সমস্যা হয়। ফলে, জনগণের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করে।

    জানা যায়, ২০০৪ সালে তৎকালীন চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে চৌগাছা শহরকে পৌরসভায় উন্নিত করা হয়। নতুন হলেও খুব দ্রুত পৌরসভার সর্বত্র উন্নয়নের ছোঁয়া লাগে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকারের ২০২২ সালের পর থেকে এ শহরের সড়কসহ সকল উন্নয়ন কাজ স্থবির হয়ে পড়ে। পরে অন্তবর্তী সরকারের সময় ও পৌরসভার সকল উন্নয়ন কাজ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমান সরকারের মেয়াদ কয়েক মাস পার হলেও এখন পর্যন্ত পৌরসভার উন্নয়ন কাজে কোনো গতি আসেনি।

    চৌগাছা পৌরসভায় মূলত চারটি বড় ও ব্যস্ত সড়ক রয়েছে। এ সড়ক গুলোতে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা নষ্ট হচ্ছে বিভিন্ন যানবাহন। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক এগুলো হলো চৌগাছা কোটচাঁদপুর সড়ক, চৌগাছা মহেশপুর সড়ক, চৌগাছা শার্শা সড়ক ও চৌগাছা ঝিকরগাছা সড়ক। এ সব সড়কের পৌরসভার বাইরের অংশটুকু স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর সংস্কার করলেও পৌরসভার অংশটুকু চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন আর প্রতিদিন ঘটছে নানা দুর্ঘটনা।

    পৌরবাসী সড়ক সংস্কারের দাবি নিয়ে পৌরকর্তৃপক্ষের নিকট বার বার ধর্ণা দিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। এ চারটি সড়ক ছাড়াও পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সড়ক, বেড়বাড়ি পাঁচনামনা সড়ক, বাকপাড়া সড়ক, বিশ্বাসপাড়া সড়ক, কারিগর পাড়া সড়কসহ পৌর এলাকার প্রায় ৯৫ শতাংশ সড়কের অবস্থা খুবই নাজুক।

    পৌর শহরের বাসিন্দা পাশাপোল কলেজের ইংরেজী প্রভাষক আজিজুর রহমান বলেন, ‘পৌর শহরের রাস্তাঘাটের এই বেহাল অবস্থার কারণে পৌরবাসীর চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ছোট-বড় গর্তের কারণে প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা।’

    স্থানীয় সাংবাদিক এম এ মান্নান বলেন, ‘এই পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয় পত্রিকাগুলোতে অনেক রিপোর্ট করা হয়েছে, যেখানে পৌরবাসীর ক্ষোভ ও অসুবিধার কথা তুলে ধরা হয়েছে।’

    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম বলেন, ‘পৌরসভার রাস্তাগুলো নিয়ে আমরা খুবই বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছি। কি কারণে এসব রাস্তা সংস্কার করা হচ্ছে না তা বোধগম্য নয়। আমার বাসায় যাওয়ার রাস্তাটাও একেবারে ভেঙেচুরে গেছে।

    উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা গোলাম মোরশেদ বলেন, ‘পৌরসভার সড়কগুলো চলাচলের একেবারে অযোগ্য হয়ে গেছে। আমাদের দাবি অতি দ্রুত সড়কগুলো মেরামত করা হোক।’

    পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র সেলিম রেজা আওলিয়ার বলেন, ‘চৌগাছা পৌরসভার সড়কগুলো

    কোন সময়ই এত খারাপ ছিল না বর্তমানে পৌরবাসী চলাচলে চরম সমস্যার মধ্যে আছে। রাস্তাগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে সংস্কার হওয়া দরকার।’

    সাবেক প্যানেল মেয়র মাস্টার কামাল আহমেদ বিশ্বাস বলেন, ‘চৌগাছা পৌরসভায় এখন নির্বাচিত মেয়র না থাকায় অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। যেকারণে রাস্তাঘাটসহ কোনো সেক্টরই ঠিকঠাকমতো চলছে না।’

    তিনি অতিদ্রুত সড়কগুলো সংস্কারের দাবি জানান।

    এ ব্যাপারে চৌগাছা পৌরসভার প্রকৌশলী রুহুল আমিন জানান, পৌর প্রশাসক মহোদয় দীর্ঘদিন যাবত না থাকায় আমরা কোনো কাজ করতে পারছি না। সম্প্রতি প্রশাসক যোগদান করেছেন এবার রাস্তাগুলো সংস্কারের পদক্ষেপ নেয়া হবে।

    চৌগাছা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌরসভার নয়া প্রশাসক জি এম এ মুনীব বলেন, ‘আমি সবেমাত্র এ উপজেলায় যোগদান করেছি। আশা করছি পর্যায়ক্রমে অতিদ্রুত পৌর শহরের সড়কসহ সকল উন্নয় কাজ শুরু করা হবে।’

    সকল উন্নয়ন কাজে পৌরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

  • মেহেরপুর সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা, টহল জোরদার

    মেহেরপুর সীমান্তে বিজিবির সর্বোচ্চ সতর্কতা, টহল জোরদার

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় সম্ভাব্য অস্থিরতা এড়াতে মেহেরপুর সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্তজুড়ে জোরদার করা হয়েছে টহল কার্যক্রম।

    চুয়াডাঙ্গা ৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান মুঠোফোনে জানান, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মেহেরপুর সীমান্তে আমাদের টহল জোরদার করেছি। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের সন্দেহজনক চলাচল দ্রুত শনাক্ত করা যায়। এছাড়া সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন বিওপি (বর্ডার আউট পোস্ট) থেকে দিন-রাত নিয়মিত টহল দেওয়া হচ্ছে। সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান কিংবা সহিংসতার আশঙ্কা এড়াতেই এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা।
    সূত্রে জানা গেছে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিজিবি সবসময় প্রস্তুত রয়েছে। সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে স্থানীয় জনসাধারণকেও সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
    উল্লেখ্য, মেহেরপুর জেলায় মোট ৬৫ কিলোমিটার সীমান্তে বিজিবির বিওপি ক্যাম্প রয়েছে ১৮ টি।

  • পশ্চিমবঙ্গের ৫৮ শতাংশ বিধায়কের বিরুদ্ধে গুরুতর ফৌজদারি মামলা

    পশ্চিমবঙ্গের ৫৮ শতাংশ বিধায়কের বিরুদ্ধে গুরুতর ফৌজদারি মামলা

    পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে আবারো স্বচ্ছতা ও নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সদ্য প্রকাশিত অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্মসের (এডিআর) রিপোর্টে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য। রিপোর্ট অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের বিপুল সংখ্যক নবনির্বাচিত বিধায়কের বিরুদ্ধে গুরুতর ফৌজদারি মামলা রয়েছে। শুধু তা-ই নয়, বিধায়কদের (সংসদ সদস্য) সম্পত্তির পরিমাণও আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এডিআরের সমীক্ষা অনুযায়ী, বিশ্লেষণ করা ২৯২ জন বিধায়কের মধ্যে প্রায় ৫৮ শতাংশ, অর্থাৎ ১৭০ জনের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধমূলক মামলা বিচারাধীন। ২০২১ সালে এই সংখ্যা ছিল ১১৩। সব মিলিয়ে ১৯০ জন বিধায়কের বিরুদ্ধে কোনো না কোনো ফৌজদারি মামলা রয়েছে, যা মোটের প্রায় ৬৫ শতাংশ।

    এডিআর জানিয়েছে, গুরুতর ফৌজদারি মামলা বলতে এমন অপরাধ বোঝানো হয়েছে, যার সর্বোচ্চ সাজা পাঁচ বছর বা তার বেশি, অথবা যেগুলো অজামিনযোগ্য। এর মধ্যে রয়েছে খুন, খুনের চেষ্টা, অপহরণ, নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, দুর্নীতি এবং সরকারি তহবিল সংক্রান্ত অপরাধ।

    রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, ১৪ জন বিধায়কের বিরুদ্ধে খুনের মামলা রয়েছে। ৫৪ জনের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া নারী সংক্রান্ত অপরাধে অভিযুক্ত বিধায়কের সংখ্যা ৬৩। এদের মধ্যে দু’জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগও রয়েছে। ২০২৬ সালের দলভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিশ্লেষণ করা বিজেপির ২০৬ জন বিধায়কের মধ্যে ১৪১ জনের বিরুদ্ধে গুরুতর মামলা রয়েছে, যা প্রায় ৬৮ শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ২৫ জন, অর্থাৎ প্রায় ৩১ শতাংশের বিরুদ্ধে এমন মামলা রয়েছে।

    এডিআর আরো জানিয়েছে, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী), অল ইন্ডিয়া সেকুলার ফ্রন্ট এবং আম জনতা উন্নয়ন পার্টির সব জয়ী প্রার্থীর বিরুদ্ধেই গুরুতর মামলা রয়েছে। তবে কংগ্রেসের দুই জয়ী বিধায়কের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধমূলক মামলা নেই।

    অপরাধমূলক মামলার পাশাপাশি বিধায়কদের সম্পত্তির পরিমাণও নজর কেড়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ২৯২ জনের মধ্যে ১৭৮ জন বিধায়কের সম্পত্তির পরিমাণ এক কোটির বেশি। বর্তমানে সব বিধায়কের মোট ঘোষিত সম্পত্তির পরিমাণ ১ হাজার ৯১ কোটি টাকা। গড় সম্পত্তির পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ৩ দশমিক ৭ কোটি টাকা, যা ২০২১ সালে ছিল ২ দশমিক ৫ কোটি।

    দল অনুযায়ী সম্পত্তির গড় হিসাবেও পার্থক্য দেখা গেছে। তৃণমূল বিধায়কদের গড় সম্পত্তি ৫ দশমিক ৩ কোটি টাকা, বিজেপির ক্ষেত্রে তা ২ দশমিক ৯ কোটি। অন্যদিকে কংগ্রেসের দুই বিধায়কের গড় সম্পত্তি সবচেয়ে বেশি ১৭ দশমিক ৯ কোটি টাকা।

    রিপোর্টে বিজেপি নেতা দিলিপ সাহার নামও উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি ব্যক্তিগতভাবে সর্বোচ্চ সম্পত্তির ঘোষণা করেছেন, যার পরিমাণ ৪৩ কোটিরও বেশি। এছাড়া, টিএমসির জাকির হোসেনের সম্পত্তির পরিমাণ ১৩৩ কোটিরও বেশি বলে অন্য রিপোর্টে উঠে এসেছে।

    পুনর্নির্বাচিত ১০২ জন বিধায়কের সম্পত্তির হিসাব বিশ্লেষণ করে এডিআর জানিয়েছে, তাদের গড় সম্পত্তি ২০২১ সালের তুলনায় প্রায় ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২১ সালে যেখানে গড় সম্পত্তি ছিল ২ দশমিক ৩ কোটি টাকা, তা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৮ কোটি টাকায়।

    নারী প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রেও খুব একটা আশাব্যঞ্জক ছবি উঠে আসেনি। ২৯২ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র ৩৭ জন মহিলা, যা মোটের মাত্র ১৩ শতাংশ। আগের বিধানসভায় এই হার ছিল ১৪ শতাংশ।

    শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রেও নানা চিত্র উঠে এসেছে। এডিআর জানিয়েছে, ৬৩ শতাংশ বিধায়কের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক বা তার বেশি। ৩২ শতাংশের শিক্ষাগত যোগ্যতা পঞ্চম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণির মধ্যে। এছাড়া একজন বিধায়ক নিজেকে নিরক্ষর বলে ঘোষণা করেছেন।

    এডিআরের এই রিপোর্ট রাজ্যের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও জনপ্রতিনিধিদের স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। একদিকে যেমন গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত বিধায়কদের সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে তেমনই দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে তাদের সম্পত্তির পরিমাণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, গণতন্ত্রকে আরো শক্তিশালী ও স্বচ্ছ করতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়ায় আরো কড়াকড়ি আনা এবং অপরাধমূলক পটভূমি থাকা ব্যক্তিদের বিষয়ে ভোটারদের আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

  • ভারত সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী, ওদের কথা কেউ বিশ্বাস করে না: পাকিস্তান সেনাবাহিনী

    ভারত সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী, ওদের কথা কেউ বিশ্বাস করে না: পাকিস্তান সেনাবাহিনী

    ভারতের বিরুদ্ধে আবারও তীব্র ভাষায় বক্তব্য রেখেছেন পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। দেশটির সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী ভারতকে ‘সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী তোমরাই। কেউ তোমাদের কথা শোনে না, কেউ বিশ্বাসও করে না।’

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) সংবাদমাধ্যম দ্য ডন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানান।

    ‘মারকা-ই-হক’-এর এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী ভারতের বিরুদ্ধে এই কঠোর বক্তব্য দেন। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তান নৌবাহিনীর উপপ্রধান (অপারেশনস) রিয়ার অ্যাডমিরাল শাফাআত আলী এবং বিমানবাহিনীর উপপ্রধান (প্রকল্প) এয়ার ভাইস মার্শাল তারিক গাজী।

    গত বছরের ২২ এপ্রিল পেহেলগাম হামলা থেকে শুরু করে পাকিস্তানের ‘অপারেশন বুনইয়ানুম মারসুস’ এবং ১০ মে যুদ্ধবিরতির মধ্য দিয়ে ভারত-পাকিস্তানের সামরিক উত্তেজনার যে অধ্যায় শেষ হয়, পাকিস্তান সেটিকে ‘মারকা-ই-হক’ বা ‘সত্যের যুদ্ধ’ হিসেবে উল্লেখ করে থাকে।

    এদিনের সংবাদ সম্মেলনের শুরুতেই আহমেদ শরিফ চৌধুরী দেশবাসীকে ‘মারকা-ই-হক’-এর এক বছর পূর্তির শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করেছে এবং বহু-মাত্রিক সামরিক অভিযানের মাধ্যমে শত্রুকে পরাজিত করেছে।

    তিনি বলেন, ‘আজ আমরা কী হয়েছিল তা নিয়ে খুব বেশি কথা বলব না। বরং ২০২৫ সালের মে থেকে ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত সময় নিয়ে বেশি আলোচনা করব’।

    তিনি আরও বলেন, এই সংঘাতের ‘কৌশলগত পরিণতি’ তুলে ধরা হবে।

    আইএসপিআর প্রধান বলেন, ‘মারকা-ই-হক’-এর ১০টি কৌশলগত পরিণতি রয়েছে। এর প্রথমটি হলো— পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের উৎস হিসেবে উপস্থাপনের ভারতীয় বয়ান ‘সমাধিস্থ’ হয়েছে। তার ভাষায়, কোনও প্রমাণ ছাড়াই পাকিস্তানকে ভারতে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। পেহেলগাম ঘটনার এক বছর পেরিয়ে গেলেও পাকিস্তানের তোলা প্রশ্নগুলোর উত্তর এখনও মেলেনি।

    তিনি প্রশ্ন করেন, ‘(পেহেলগাম হামলায় পাকিস্তানের জড়িত থাকার) প্রমাণ কোথায়?’। এরপর তিনি বলেন, ‘কেউ এটা বিশ্বাস করে না। সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসী তোমরাই। কেউ তাদের কথা শোনে না, কেউ বিশ্বাসও করে না’। তিনি বলেন, দ্বিতীয় কৌশলগত পরিণতি হলো— পুরো অঞ্চলে পাকিস্তানের ‘নিরাপত্তা স্থিতিশীলতার প্রধান শক্তি’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়া। তিনি বলেন, ‘এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা দূত হলো পাকিস্তান এবং পাকিস্তানের বর্তমান নেতৃত্ব।’

    তৃতীয় কৌশলগত পরিণতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি ভারতের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের সমালোচনা করেন। তার ভাষায়, ‘ভারতীয় সামরিক নেতৃত্বের রাজনীতিকরণ এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের সামরিকীকরণ’ ঘটেছে। তিনি বলেন, ‘ওদের সামরিক বাহিনী আগে পেশাদার ছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এখন তা রাজনীতিকরণ হয়েছে।’

    আইএসপিআর প্রধান আরও বলেন, ভারতীয় রাজনীতিকদের বক্তব্য দেখে মনে হয় তারা ‘যুদ্ধবাজ’। তার মতে, সামরিক বাহিনীর রাজনীতিকরণ এবং রাজনীতির সামরিকীকরণ ‘বিপজ্জনক’।

    তিনি দাবি করেন, ভারতের অভ্যন্তরীণ সমস্যার মধ্যে রয়েছে সংখ্যালঘু ও কাশ্মীরিদের দমন-পীড়ন। তার ভাষায়, ‘এটি এক ধরনের ভ্রান্ত শ্রেষ্ঠত্ববোধ ও অহংকার থেকে আসে’। তিনি বলেন, ভারত নিজেদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধান করতে চায় না। তাই তারা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে যে— দেশটি ভারতে সন্ত্রাসবাদে জড়িত।

    কাশ্মীর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কাশ্মীর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি বিরোধপূর্ণ অঞ্চল। এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয় যে সেখানে জনসংখ্যার চিত্র বদলে দেয়া হবে’। তিনি আবারও অভিযোগ করেন, ভারত পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদে মদদ দিচ্ছে। এমনকি নিজেদের দেশেও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পর অন্যদের দোষারোপ করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।

    তার ভাষায়, ‘মারকা-ই-হক’-এর পর বিশ্ব এখন বুঝতে পেরেছে ভারত কীভাবে এসব ভণ্ডামিপূর্ণ কাজ করে। পঞ্চম কৌশলগত পরিণতি হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, ‘ভারতীয় গণমাধ্যমের আসল চেহারা এবং তাদের তথ্যযুদ্ধের ব্যর্থতা’ প্রকাশ পেয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের বিভিন্ন পরিসংখ্যানও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘মারকা-ই-হক’-এর পর পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা বেড়ে গিয়েছিল। এরপর অক্টোবর মাসে পাকিস্তান প্রতিবেশী আফগানিস্তানে সন্ত্রাসী অবকাঠামোতে হামলা চালায়। এর পর ঘটনাগুলো কমে আসে বলে দাবি করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদে ভারতের ভূমিকা রয়েছে এবং আফগানিস্তানকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। তার ভাষায়, ‘মারকা-ই-হকে শিক্ষা পাওয়ার পর ভারত কাকে ফোন করেছিল, দেখেছেন? আফগান তালেবান সরকারের তথাকথিত পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে।’

  • পাকুন্দিয়ায় সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু

    পাকুন্দিয়ায় সরকারিভাবে ধান-চাল সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু

    কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় সরকারি ব্যবস্থাপনায় চলতি মৌসুমের ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে উপজেলা সরকারি খাদ্য গুদামে এই কার্যক্রমের সূচনা করা হয়।

    পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুপম দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো: জালাল উদ্দিন। তিনি ফিতা কেটে ও ধান-চাল মাপার মাধ্যমে এই সংগ্রহ অভিযানের শুভ উদ্বোধন করেন।

    উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ বছর ৪০০ কৃষকের কাছ থেকে ৩৬ টাকা কেজি দরে এক হাজার ২০০ টন ধান এবং উপজেলার একটি অটোরাইসমিলসহ নয়টি হাসকিং মিল থেকে ৪৯ টাকা কেজি দরে দুই হাজার মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

    উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জেসমিন আক্তার জানান, বর্তমানে ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। সারাদেশের ন্যায় এ উপজেলায় অতিবৃষ্টির কারণে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ফলে মানসম্মত ও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান-চাল সংগ্রহ করা কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো: জালাল উদ্দিন বলেন, ‘ধান এবং চাল সংগ্রহে কোনো অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ যাতে কোনো অনৈতিক সুবিধা না নিতে পারে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিনে তিনি।

    তিনি আরো বলেন, ‘এ বছর মৌসুমের শুরুতেই অতিবৃষ্টির কারণে সারাদেশের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং হাওর এলাকায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে কৃষকদের ভর্তুকিসহ বিভিন্ন সাহায্যের ঘোষণা দিয়েছেন।’ দলীয় নেতাকর্মীদেরকে কৃষকদের পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) নাজমুন নাহার এবং বিভিন্ন হাসকিং মিলের মালিকসহ সাধারণ কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন।

  • নেত্রকোনায় ঘুষ নিয়ে এসআই ও চোরাকারবারির দর-কষাকষির অডিও ভাইরাল

    নেত্রকোনায় ঘুষ নিয়ে এসআই ও চোরাকারবারির দর-কষাকষির অডিও ভাইরাল

    নেত্রকোনার কলমাকান্দায় চোরাই পথে আনা ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ ও দুই যুবক আটকের ঘটনায় পুলিশের এক উপ-পরিদর্শকের সঙ্গে (এসআই) চোরাকারবারির ঘুষ নিয়ে দর-কষাকষির দুটি অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল বুধবার রাত ১০টার পর অডিও দুটি ফাঁস হয়। পরে রাতেই অভিযুক্ত এসআই মো. আবু হানিফকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়। একই সঙ্গে এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পুলিশ।

    জেলা পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘ছড়িয়ে পড়া অডিও আমার নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্ত এসআই আবু হানিফকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকারকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।’

    স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের রাঙ্গামাটিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ একটি পিকআপ থেকে ১৮ বস্তা বডি স্প্রে, শ্যাম্পু, অলিভ অয়েলসহ বিপুল ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ করে। এ সময় পিকআপের চালক নাজিরপুরের শিংপুর এলাকার মো. নাছিম (২৩) ও তাঁর সহকারী সেইচাহানি গ্রামের মনির হোসেনকে (২১) আটক করা হয়। পরে ওই দুই যুবক ও মূল হোতা উপজেলার রাজনগর গ্রামের জসিম উদ্দিনসহ (৩৫) পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়।

    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত এসআই আবু হানিফ ও চোরাকারবারি জসিম উদ্দিনের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

    এ বিষয়ে কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিদ্দিক হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি পুলিশ সুপার স্যার দেখছেন। এসআই আবু হানিফকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। চোরাই পণ্যের মালিক জসিম মিয়াকে আটক করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।’ এসব ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত নন বলেও দাবি করেন ওসি।

  • যশোরের শার্শায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশু খাদ্য বিক্রি, এক লাখ টাকা জরিমানা

    যশোরের শার্শায় মেয়াদোত্তীর্ণ শিশু খাদ্য বিক্রি, এক লাখ টাকা জরিমানা

    যশোরের শার্শার নাভারণ এলাকায় মেয়াদোত্তীর্ণ, উৎপাদনের তারিখবিহীন ও অনুমোদনহীন রং ব্যবহার করে তৈরি শিশুখাদ্য বিক্রির অভিযোগে বিসমিল্লাহ স্টোরকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে এ অভিযান পরিচালনা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর যশোরের সদস্যরা।

    ঠিকানা বিহীন একটি ফ্যাক্টরিতে তৈরি করা এসব শিশু খাদ্য দীর্ঘদিন ধরে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছিল। অভিযানে বিপুল পরিমাণ অনিরাপদ শিশুখাদ্য জব্দ করা হয়।

    ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তারা জানান, এসব খাদ্য গ্রহণের ফলে শিশুরা বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এমনকি কিডনি বিকল হওয়ার মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিও রয়েছে।

    পরে প্রতিষ্ঠানটির মালিক বিল্লাল হোসেনকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৩৭ ধারায় ৫০ হাজার টাকা এবং ৪৫ ধারায় আরো ৫০ হাজার টাকাসহ মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

    অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর যশোর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান।

    এ সময় শার্শা থানা পুলিশ ও যশোর জেলা পুলিশের একটি টিম অভিযানে সহযোগিতা করে।

  • সরকারি জমিতে দেশের প্রথম পিপিপি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হচ্ছে ফেনীতে

    সরকারি জমিতে দেশের প্রথম পিপিপি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হচ্ছে ফেনীতে

    চট্টগ্রামের মীরসরাই ও ফেনী অঞ্চলে গড়ে ওঠা জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে সরকারি জমিতে দেশের প্রথম পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)। এ লক্ষ্যে বেজা ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) মধ্যে আজ একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন বেজার নির্বাহী বোর্ডের সচিব ও সরকারের যুগ্ম সচিব ড. জুলিয়া মঈন এবং বিপিডিবির সচিব আফরোজা সুলতানা।

    বেজা বৃহস্পতিবার (৭ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ফেনীর সোনাগাজীতে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভেতরে বেজার মালিকানাধীন প্রায় ৪১২ একর জমিতে এই বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। সরকারি অব্যবহৃত জমিকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটিকে একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত ‘গাইডলাইনস ফর ডেভেলপমেন্ট অব রিনিউএবল এনার্জি প্রজেক্টস ইউজিং ল্যান্ড ওনড বাই গভর্নমেন্ট এজেন্সিজ আন্ডার পিপিপি মডালিটি, ২০২৬’-এর আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। গত ৭ এপ্রিল নতুন এ গাইডলাইন অনুমোদন দেয় সরকার।

    এর আগে, ২০২৫ সালের ৬ মার্চ অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভায় প্রকল্পটি পিপিপি পদ্ধতিতে বাস্তবায়নের নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়। পরে চলতি বছরের ২ এপ্রিল বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সভায় ফেনীর সোনাগাজীতে বেজার জমিতে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রকল্পটিকে নতুন গাইডলাইনের আওতায় একটি ‘পাইলট প্রকল্প’ হিসেবে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    গাইডলাইন অনুযায়ী, সরকারি জমিতে পিপিপি পদ্ধতিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ‘কন্ট্র্যাক্টিং অথরিটি’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। অন্যদিকে, জমির মালিক সংস্থা হিসেবে থাকবে বেজা।

    বেজার মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন ও সবুজ জ্বালানির ব্যবহার বাড়বে। একইসাথে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং সরকারি জমির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার নতুন সুযোগ তৈরি হবে।

    সংস্থাটি আরো জানিয়েছে, প্রকল্পটির সম্ভাবনা, বিনিয়োগ আগ্রহ ও অংশীদারত্বের সুযোগ নিয়ে দেশী-বিদেশী উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে শিগগিরই একটি ‘মার্কেট সাউন্ডিং’ কর্মশালা আয়োজন করা হবে। এ প্রকল্পে ব্যাটারি স্টোরেজ সিস্টেমসহ আধুনিক প্রযুক্তিগত সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ও বিবেচনায় রয়েছে।

    অনুষ্ঠানে বেজা, বিপিডিবি ও পিপিপি কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ‘পুশব্যাক’ নিয়ে বাংলাদেশকে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের আহ্বান-ভারতের

    ‘পুশব্যাক’ নিয়ে বাংলাদেশকে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের আহ্বান-ভারতের

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয়ের পর বাংলাদেশে ‘পুশব্যাক’ বা সীমান্ত দিয়ে জোরপূর্বক লোক পাঠানোর আশঙ্কা নিয়ে শীর্ষ পর্যায় থেকে যেসব মন্তব্য এসেছে, সে বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। বৃহস্পতিবার (৭ মে) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই এসব মন্তব্য দেখা উচিত। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে দ্রুত নাগরিকত্ব যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

    জয়সওয়াল জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের কাছে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের ২ হাজার ৮৬০টির বেশি মামলা ঝুলে আছে। এর মধ্যে অনেক আবেদন পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি বলেন, ‘দ্রুত যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানো সহজ ও সুশৃঙ্খলভাবে করা সম্ভব হবে।’

    এর আগে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সীমান্তে সম্ভাব্য পুশব্যাক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বুধবার (৬ মে) সাংবাদিকদের তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের পর এমন কোনো ঘটনা ঘটবে বলে তিনি আশা করেন না। তবে সীমান্ত পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানও এই বিষয়ে মন্তব্য করেন। বিএনপির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বক্তব্যে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর যদি সীমান্তে ‘পুশ ইন’ বা জোরপূর্বক লোক ঢোকানোর ঘটনা ঘটে, তাহলে বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

    এদিকে তিস্তা নদীর পানিবণ্টন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেছেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অভিন্ন নদীর সংখ্যা ৫৪টি এবং এসব নদী-সংক্রান্ত সব ধরনের ইস্যু নিয়ে আলোচনা করার জন্য দুই দেশের মধ্যে সুসংগঠিত দ্বিপক্ষীয় কাঠামো রয়েছে। বৃহস্পতিবার তিনি জানান, পানিবণ্টন ও নদী ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিদ্যমান যৌথ প্রক্রিয়াগুলো নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে তিস্তা চুক্তি নিয়ে নতুন কোনো অগ্রগতি বা নির্দিষ্ট সময়সীমা সম্পর্কে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি।

  • শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

    আগামী ১২ মে থেকে ঈদুল আজহা পর্যন্ত দোকানপাট ও বিপণিবিতান সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) এক ভিডিও বার্তায় তথ্য নিশ্চিত করেছেন দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন।

    হেলাল উদ্দিন বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে আমরা সন্ধ্যা ৭টার পরিবর্তে রাত ১১টা পর্যন্ত দোকানপাট ও বিপণিবিতান খোলা রাখতে সরকারের কাছে আবেদন করেছিলাম। সরকার রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে। পাশাপাশি আমরা যেন অতিরিক্ত আলোকসজ্জ্বা বা বিদ্যুৎ ব্যবহার না করি, সেই নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

    জ্বালানি সংকটের কারণে গত ৩ এপ্রিল থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দোকানপাট বন্ধের নির্দেশনা দেয় সরকার। এরপর ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে ৫ এপ্রিল থেকে এক ঘণ্টা বাড়িয়ে দোকান বন্ধের সময় সন্ধ্যা ৭টা করা হয়।

  • ফেসবুকে ‘উড়াল দেব আকাশে’ লিখে পোস্ট, এরপর নিখোঁজ ইউপি সদস্য

    ফেসবুকে ‘উড়াল দেব আকাশে’ লিখে পোস্ট, এরপর নিখোঁজ ইউপি সদস্য

    পটুয়াখালীতে এক ইউপি সদস্য দুই দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। গত মঙ্গলবার নিখোঁজ হওয়ার দিন তিনি তাঁর ফেসবুক আইডিতে ‘উড়াল দেব আকাশে’ লিখে একটি পোস্ট দেন। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী থানায় জিডি করেছেন।

    নিখোঁজ শহিদুল ইসলাম জোমাদ্দার (৩৮) পটুয়াখালী সদর উপজেলার লোহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। তিনি তাঁর স্ত্রী আফিয়া ঝুমুরকে (৩৪) নিয়ে পটুয়াখালী শহরের সবুজবাগের প্রথম লেনে বসবাস করতেন। তিনি লোহালিয়া ইউনিয়নের লোহালিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

    শহিদুলের স্ত্রী আফিয়া ঝুমুর জানান, গত মঙ্গলবার দুপুরে তাঁরা একসঙ্গে খাবার খান। পরে শহিদুল ব্যক্তিগত কাজের কথা বলে বাসা থেকে বের হন। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে তিনি মুঠোফোনে স্ত্রীকে কল করে জানান, তাঁর মায়ের জন্য কিছু ওষুধ প্রয়োজন। সেগুলো দিতে তিনি গ্রামের বাড়িতে যাবেন এবং কাজ শেষে রাত ৯টা বা ১০টার মধ্যে শহরের বাসায় ফিরবেন। রাত নয়টার দিকে শহিদুলের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এরপর তাঁর বড় বোন শাহনাজ বেগমের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শহিদুল তাঁর গ্রামের বাড়িতে মুঠোফোন চার্জে দিয়ে ঘর থেকে বের হয়েছেন। রাত গভীর হলেও তাঁর আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরদিন স্ত্রী আফিয়া সদর থানায় জিডি করেন।

    আফিয়া ঝুমুর আরও জানান, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর তাঁদের বিয়ে হয়। স্বামীর ব্যক্তিগত বা সামাজিক সম্পর্ক এবং কারও সঙ্গে তাঁর কোনো বিরোধ ছিল কি না, সে বিষয়ে তাঁর কিছু জানা নেই।

    স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় গ্রামের বাড়িতে এসে স্থানীয় বাবু নামের এক ব্যক্তিকে ফোন করে ডেকে নেন শহিদুল ইসলাম। বাবু ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালান। পরে নিজের ব্যবহৃত দুটি ফোন চার্জে লাগিয়ে রেখে ঘর থেকে বের হন শহিদুল। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার পরই তিনি ফোন দুটি রেখে বের হয়ে যান।

    মোটরসাইকেলচালক বাবু জানান, ঘটনার দিন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে তিনি শহিদুল ইসলামকে মোটরসাইকেলে করে লোহালিয়া সেতুর ঢালে পৌঁছে দেন। পরে স্থানীয় ব্যক্তিদের মাধ্যমে তিনি শহিদুল ইসলামের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন।

    সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বলেন, ‘গতকাল বুধবার সকালে আফিয়া ঝুমুর নামে এক নারী তাঁর স্বামী নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগে থানায় জিডি করেন। পরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শহিদুল ইসলাম লোহালিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য। নিখোঁজ হওয়ার দিন তিনি নিজেই ফেসবুকে “উড়াল দেব আকাশে” লিখে একটি স্ট্যাটাস দেন। এতে বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। আমরা সব দিক বিবেচনায় তদন্ত করছি।’

  • শ্রীনগরে গাঁজা গাছসহ যুবক গ্রেফতার

    শ্রীনগরে গাঁজা গাছসহ যুবক গ্রেফতার

    মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাজা গাঁজা গাছসহ সাইফুল ইসলাম (৩৬) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    বুধবার (৬ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার পাটাভোগ ইউনিয়নের ফৈনপুর পাঠান বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার সাইফুল ইসলাম ফৈনপুর দক্ষিণ পাড়ার কাঞ্চন পাঠানের ছেলে।

    জানা গেছে, সাইফুল বসতবাড়ির পাশে একটি পুকুর পাড়ে গাঁজার চাষ করে আসছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শ্রীনগর খানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে ছয়টি তাজা গাঁজ গাছ জব্দ করে।

    শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) মিল্টন দত্ত জানান, মাদক মামলায় আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের ঝুঁকিতে সুইজারল্যান্ড

    ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের ঝুঁকিতে সুইজারল্যান্ড

    যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের চলমান যুদ্ধের কারণে আসন্ন শীতে গ্যাস সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এমন তথ্য দিয়ে সতর্ক করেছে সুইজারল্যান্ডের ফেডারেল ইলেকট্রিসিটি কমিশন। বৃহস্পতিবার আল-জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়।

    সুইজারল্যান্ডের ফেডারেল ইলেকট্রিসিটি কমিশন জানিয়েছে, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে ইউরোপ ও সুইজারল্যান্ডের বিদ্যুৎ সরবরাহের স্থিতিশীলতাও হুমকির মুখে পড়তে পারে।

    ইউরোপের জ্বালানি চাহিদার বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল। ফলে ইরানকে ঘিরে সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা ইউরোপীয় জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইরান কার্যত নিজেদের বাইরে অন্য দেশের জন্য হরমুজ প্রণালির তেল ও গ্যাস রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। এর ফলে বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ আটকে পড়েছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা উল্লেখ করছেন।

    এই সংকট দীর্ঘায়িত হলে ইউরোপজুড়ে জ্বালানি মূল্য আরও বাড়তে পারে এবং শীত মৌসুমে বিদ্যুৎ সরবরাহে চাপ তৈরি হতে পারে।

  • ইরানে ফের হামলার সুযোগ খুঁজছে ইসরায়েল

    ইরানে ফের হামলার সুযোগ খুঁজছে ইসরায়েল

    ইরানের বিরুদ্ধে আবারও সামরিক অভিযান চালাতে সুযোগ খুজছে ইসরায়েল। এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছে দেশটি। ইসরায়েলি পাবলিক ব্রডকাস্টিং করপোরেশনের (আইপিবিসি) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেল আবিবের সামরিক ও নিরাপত্তা নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনা বা সম্ভাব্য সমঝোতা কেবল সময়ক্ষেপণ ছাড়া কিছু নয়।

    পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের চলমান উত্তেজনাকে কাজে লাগিয়ে ইরানের ভেতরে নতুন করে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল। এ লক্ষ্যে গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক কর্মকর্তারা সম্ভাব্য হামলার জন্য নতুন লক্ষ্যবস্তুর তালিকাও প্রস্তুত করেছেন বলে জানা গেছে। তালিকায় ইরানের অপরিশোধিত তেল শোধনাগার, জ্বালানি অবকাঠামো ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

    আইপিবিসির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ওয়াশিংটনের কাছে পাঠানো সাম্প্রতিক বার্তায় ইসরায়েল স্পষ্ট করেছে যে, তারা যেকোনো উপায়ে ইরানের ওপর আবারও আক্রমণ শুরু করার সুযোগ খুঁজছে।অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে অঞ্চলজুড়ে সংঘাত আরও বিস্তৃত হতে পারে।

  • দিনাজপুর জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ

    দিনাজপুর জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ

    দিনাজপুরে জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি বাতিলের দাবিতে দিনাজপুরে ছাত্রদলের অপর একটি অংশ বিক্ষোভ মিছিল প্রতিবাদ সভা ও আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেছে।দিনাজপুরে জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি বাতিলের দাবিতে দিনাজপুরে ছাত্রদলের অপর একটি অংশ বিক্ষোভ মিছিল প্রতিবাদ সভা ও আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেছে।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকালে দিনাজপুর জেলা ছাত্রদলের সাবেক কমিটির সমর্থক নেতাকর্মীরা নতুন ঘোষিত আহ্বায়ক কমিটি বাতিলের দাবিতে শহরের অ্যাকাডেমি স্কুল প্রাঙ্গণ হতে এক বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি মডার্ণ মোড় হয়ে লিলি মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল শেষে নেতাকর্মীরা লিলিরমোড়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করে ও টায়ার আগুন জ্বালিয়ে নবঘোষিত কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করে এবং প্রতিবাদ জানায়।

    প্রতিবাদ সমাবেশে জেলা ছাত্রদলের সদ্য সাবেক কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রুবেল ইসলাম বলেন, যারা দীর্ঘদিন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের জুলুম-নির্যাতন, হামলা ও মামলার শিকার হয়েছেন, তৃণমূলের সেইসব ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে নতুন কমিটি গঠন এটা বৈষম্যের সামিল। তিনি বলেন, আমরা কেন্দ্রীয় কমিটির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি, কিন্তু তারা মোবাইল রেসপন্স করেনি।

    জেলা ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো: আবুজার সেতু বলেন, আমরা দলকে যেভাবে ভালবাসি, সবচেয়ে কষ্টের জায়গা সেখানেই, আমি জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হয়েও আমি জানতেও পারলাম না, দিনাজপুরে ছাত্রদলের নতুন কমিটি দেয়া হয়েছে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক বা সদস্য সচিব কারো জেলা ছাত্রদলের কমিটিতে নাম নেই। আজকে আমার হয়তো বয়স হয়েছে, কিন্তু আমার যারা ছোট ভাই, দীর্ঘদিন লড়াই সংগ্রাম করে অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করে ছাত্রদলকে আঁকড়ে ধরে রেখেছেন, তাদেরও স্থান হয়নি বর্তমান ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে। অনতিবিলম্বে নীতি নির্ধারকদের কাছে জেলা ছাত্রদলের সাবেক কমিটির সাথে সমন্বয় করে নতুন কমিটি দেয়ার আহ্বান জানান জেলা ছাত্র নেতা আবুজার সেতু।

    উল্লেখ্য, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির স্বাক্ষরিত একপত্রে মো: আব্দুর রাজ্জাককে আহ্বায়ক, জাকারিয়া হাবিব জনিকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও অন্য ৬ জনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে ৮ সদস্য বিশিষ্ট দিনাজপুর জেলা ছাত্রদলের নতুন আহ্বায়ক কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। ওই কমিটিকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটির গঠন করার নির্দেশনা দেয়া হয়।

  • গাজায় রোগ ছড়িয়ে পড়ছে, ভয়াবহ স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের আশঙ্কা

    গাজায় রোগ ছড়িয়ে পড়ছে, ভয়াবহ স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের আশঙ্কা

    গাজায় বাস্তুচ্যুত মানুষের মধ্যে দ্রুত রোগ ছড়িয়ে পড়ায় ভয়াবহ স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ।

    মঙ্গলবার দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা জানায়, ইসরায়েলি হামলায় সৃষ্ট মানবিক সংকটের কারণে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে পরিবেশ পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে অবনতি হয়েছে। দূষিত পানি, ক্ষতিগ্রস্ত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, জমে থাকা বর্জ্য ও পরিচ্ছন্নতা সামগ্রীর সংকটে বিভিন্ন সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ছে।

    কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, ইঁদুর, মশা ও বিভিন্ন পরজীবীর বিস্তারের কারণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। সম্ভাব্য মহামারি ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সহায়তা, ওষুধ ও প্রতিরোধমূলক চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

    জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্মসংস্থান সংস্থা জানায়, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে চর্মরোগের সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। খোসপাঁচড়া, উকুন, পোকামাকড় ও চামড়াজনিত নানা সংক্রমণে হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। সংস্থাটি বলছে, এসব রোগ সাধারণ ওষুধেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসামগ্রী প্রায় নেই বললেই চলে

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, চলতি বছরের শুরু থেকে গাজায় বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ইঁদুর ও পরজীবীজনিত সংক্রমণের ১৭ হাজারের বেশি ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। সংস্থাটি পরিস্থিতিকে ‘নৈরাশ্যজনক ও অত্যন্ত বিপজ্জনক’ বলে বর্ণনা করেছে।

    এ ছাড়া স্বাস্থ্যখাতে প্রায় ১৪০ কোটি ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানানো হয়। বড় হাসপাতালসহ এক হাজার ৮০০-র বেশি স্বাস্থ্যসেবা স্থাপনা আংশিক বা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।

    যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও গাজার প্রায় ২৪ লাখ মানুষের মানবিক পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। খাদ্য, চিকিৎসা সহায়তা, ত্রাণ ও আশ্রয় উপকরণ প্রবেশে চলমান বিধিনিষেধের কারণে সংকট আরও তীব্র হচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।

  • মার্কিন ঘাঁটির ২২৮টি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত : ওয়াশিংটন পোস্ট

    মার্কিন ঘাঁটির ২২৮টি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত : ওয়াশিংটন পোস্ট

    যুক্তরাষ্ট্রের মার্কিন সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্ট বুধবার প্রকাশিত এক বিশেষ প্রতিবেদনে লিখেছে, পত্রিকাটির স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ অনুযায়ী যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের বিমান হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ‘মার্কিন সামরিক বাহিনী ব্যবহৃত ঘাঁটি বা স্থাপনাগুলোর অন্তত ২২৮টি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে’।

    ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, এসব হামলায় লক্ষ্যবস্তু ছিল মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ‘বিমান সংরক্ষণ কাঠামো, ব্যারাক, জ্বালানি ডিপো, বিমান, এবং গুরুত্বপূর্ণ রাডার, যোগাযোগ ও বিমান প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম’। মার্কিন এই সংবাদপত্রটি লিখেছে, ‘ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কখনো স্বীকার বা এর আগে কোনো প্রতিবেদনে উঠে আসা যেকোনো তথ্যের চেয়ে অনেক বেশি।’ কয়েক দিন আগে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন একই ধরনের এক প্রতিবেদনে অঞ্চলের অন্তত ১৬টি মার্কিন ঘাঁটিতে ‘ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির’ কথা জানিয়েছিল।

    এখন ওয়াশিংটন পোস্ট লিখছে, কর্মকর্তাদের মতে বিমান হামলার হুমকি ‘অঞ্চলের কিছু মার্কিন ঘাঁটিকে স্বাভাবিকভাবে সেনা মোতায়েনের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক করে তুলেছে এবং কমান্ডাররা যুদ্ধ শুরুর সময় থেকেই তাদের বাহিনীর একটি বড় অংশকে ইরানি হামলার আওতার বাইরে সরিয়ে নিয়েছেন’।

    তবে এক সামরিক মুখপাত্র ওয়াশিংটন পোস্টকে জানান, ঘাঁটিগুলোর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ‘বিশেষজ্ঞদের বর্ণনাকে ব্যাপক ধ্বংস বা ব্যর্থতার লক্ষণ হিসেবে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়’, কারণ ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ জটিল এবং কিছু ক্ষেত্রে ‘ভুল ধারণা সৃষ্টি করতে পারে’।সামরিক মুখপাত্র ওয়াশিংটন পোস্টকে আরো বলেন, যুদ্ধ শেষ হলে সামরিক কমান্ডাররা ইরানের হামলা সম্পর্কে আরো পূর্ণাঙ্গ চিত্র দিতে পারবেন।

    গত সপ্তাহে মার্কিন যুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী পিট হেগসেট কংগ্রেসে ঘোষণা দেন যে ইরানের সাথে যুদ্ধের ব্যয় হবে ২৫ বিলিয়ন বা ২৫০০ কোটি ডলার। তবে একইসাথে তিনি স্বীকার করেন যে এই যুদ্ধে ব্যবহৃত গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম পুনরায় সংগ্রহ করতে মাস বা বছর লেগে যেতে পারে। এদিকে, ইরানের সাথে যুদ্ধ শুরুর পর পেন্টাগন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের কাছে ২০২৭ অর্থবছরের জন্য ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি বাজেট চেয়েছে, যা আগের তুলনায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে।

  • মোবাইলফোনে মিসাইল হামলার সতর্কবার্তা পাচ্ছি : ‘বাংলার জয়যাত্রা’র প্রধান প্রকৌশলী

    মোবাইলফোনে মিসাইল হামলার সতর্কবার্তা পাচ্ছি : ‘বাংলার জয়যাত্রা’র প্রধান প্রকৌশলী

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে সাগরে আটকে পড়া ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’ জাহাজের প্রধান প্রকৌশলী রাশেদুল হাসান বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, ‘মোবাইলফোনে মিসাইল হামলার সতর্কবার্তা পাচ্ছি। প্রতিনিয়ত ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কে বিভিন্ন বার্তা দেয়া হচ্ছে। বার্তা পাচ্ছি- কেউ যদি হরমুজ প্রণালী ক্রসের চেষ্টা করো, অ্যাটাক করা হবে।’

    জাহাজটিতে নাবিক, ইঞ্জিনিয়ারসহ মোট ৩১ জন ক্রু রয়েছেন। তাদের কয়েকজন জানান, ইরান যুদ্ধ শুরুর পর চোখের সামনে মুহুর্মুহু মিসাইল হামলা, কখনো বিধ্বস্ত মিসাইলের ভাঙা অংশ এসে আশপাশের কোনো জাহাজে পড়তে দেখেছেন তারা।

    এমন পরিস্থিতিতে কবে হরমুজ প্রণালী পাড়ি দিয়ে নিরাপদে উপসাগরীয় এলাকা ছাড়তে পারবেন, জানেন না জাহাজটিতে থাকা বাংলাদেশী নাবিকদের কেউ।জাহাজটির ক্যাপ্টেন মো: শফিকুল ইসলাম বুধবার (৬ মে) বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘আমরা এমন একটা জায়গায় আটকে পড়েছি, ধরে নিতে পারেন এটা একটা পুকুর। আমাদের বের হওয়ার রাস্তা একটাই, সেটা হরমুজ প্রণালী। জানি না কবে এখান থেকে বের হতে পারব।’

    জাহাজটির কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে হরমুজ প্রণালী থেকে বের হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন কোম্পানির অন্তত দুই হাজার ২৭৩টি জাহাজ। এর মধ্যে যুক্তরাজ্য-ইসরাইলসহ বিভিন্ন দেশের জাহাজও রয়েছে।এদিকে আটকে পড়া বাংলাদেশী জাহাজটিকে বের করে আনতে কূটনীতিক চ্যানেলে ইরানের সাথে কয়েক দফায় যোগাযোগ করার কথা জানিয়েছে সরকার।

    বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন বা বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘ইরানের সাথে আলোচনা করে বাংলাদেশের জাহাজটিকে যখন বের করে আনার পর্যায়ে নিয়ে এসেছিল, ঠিক তখন আবার সঙ্ঘাতময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। যে কারণে এটি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।’

    এদিকে, বুধবার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর বা আইআরজিসি’র নৌবাহিনী জানিয়েছে, ‘আগ্রাসীদের হুমকি বন্ধ হলে হরমুজ প্রণালী আবারো খুলে দেয়া হতে পারে।’উল্লেখ্য, বাংলাদেশের বাণিজ্যিক জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’ গত ২৬ জানুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় প্রবেশ করে। এরপর ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সেটি কয়েক দফায় চেষ্টা করেছে কিন্তু হরমুজ প্রণালী থেকে বের হতে পারেনি। বরং এরপর থেকে জাহাজটি ঘুরছে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জলসীমায়।

  • বিশ্বজুড়ে  তৎপরতা বেড়েছে হান্টাভাইরাস নিয়ে

    বিশ্বজুড়ে তৎপরতা বেড়েছে হান্টাভাইরাস নিয়ে

    ইঁদুরবাহিত প্রাণঘাতী হান্টাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে এখন বিশ্বজুড়ে জরুরি তৎপরতা শুরু হয়েছে। আক্রান্ত একটি বিলাসবহুল ক্রুজ জাহাজ থেকে নেমে যাওয়া যাত্রীরা ইতিমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ভাইরাসটির সংস্পর্শে শত শত মানুষ এসে থাকতে পারেন বলে উদ্বেগ বাড়ছে। এমভি হন্ডিয়াস নামের ক্রুজ জাহাজটি শনিবার থেকে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য আতঙ্কের কেন্দ্রে রয়েছে। জাহাজটিতে বিরল হান্টাভাইরাস সংক্রমণের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার পর এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডেইলি মেইল

    এতে বলা হয়, যদিও সাধারণত ইঁদুরের মূত্র, মল ও লালার মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায়, তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) নিশ্চিত করেছে যে, এই সংক্রমণের জন্য দায়ী ভাইরাসটি হলো হান্টাভাইরাসের বিরল ‘অ্যান্ডিস’ ধরন। এটিই একমাত্র পরিচিত হান্টাভাইরাস, যা মানুষ থেকে মানুষে ছড়াতে পারে বলে ধারণা করা হয়।

    ডব্লিউএইচও চেষ্টা করছে কীভাবে হান্টাভাইরাসটি জাহাজে এল, তা নির্ধারণ করতে। প্রথম মৃত ব্যক্তি- ৭০ বছর বয়সী এক ডাচ নাগরিক ৬ এপ্রিল অসুস্থ হন। তিনি ১১ এপ্রিল মারা যান। এ সময় জাহাজটি ট্রিস্টান দা কুনহার দিকে যাচ্ছিল। ওশানওয়াইড এক্সপেডিশনস জানিয়েছে, তার মরদেহ ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত জাহাজেই রাখা হয়েছিল। পরে সেন্ট হেলেনায় নামানো হয় তা। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সময় আরও ২৩ জন যাত্রী জাহাজ থেকে নেমেছিলেন এবং পরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে ভ্রমণ করেন।

    ডব্লিউএইচও নিশ্চিত করেছে, ওই নারী ২৫ এপ্রিল এয়ারলিংক পরিচালিত একটি বিমানে জোহানেসবার্গে যান। ওই বিমানে ৮২ জন যাত্রী ও ছয়জন ক্রু ছিলেন। তিনি গুরুতর উপসর্গ থাকা অবস্থায় জোহানেসবার্গ থেকে নেদারল্যান্ডসগামী আরেকটি বিমানে ওঠেন। তবে তার শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে কর্মীরা তাকে নামিয়ে দেন। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা এখন অন্তত ৮০ জন যাত্রীকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন, যারা ওই নারীর সঙ্গে একই ফ্লাইটে ছিলেন। ২৭ এপ্রিল ক্রুজের এক বৃটিশ যাত্রী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং অ্যাসেনশন দ্বীপ থেকে তাকে চিকিৎসার জন্য দক্ষিণ আফ্রিকায় নেয়া হয়। কয়েক দিন পর আরেক যাত্রী এক জার্মান নাগরিক মারা যান।

    ৩রা মে এমভি হন্ডিয়াস কেপ ভার্দেতে পৌঁছালেও জাহাজটিকে ভিড়তে দেয়া হয়নি। ফলে যাত্রীরা কার্যত সমুদ্রে আটকা পড়েন। এরপর তিনজন রোগীকে নেদারল্যান্ডসের হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। সুইজারল্যান্ডে এক যাত্রী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া সেন্ট হেলেনা থেকে দেশে ফেরা দুই বৃটিশ যাত্রী বর্তমানে বৃটেনে স্বেচ্ছানির্বাসনে আছেন। বৃটিশ সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী, ভাইরাসটির উপসর্গ সাধারণত সংস্পর্শে আসার দুই থেকে চার সপ্তাহের মধ্যে দেখা দেয়। তবে দুই দিন থেকে আট সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। ফলে আগামী দিন বা সপ্তাহগুলোতে আরও যাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।

    সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন বা সিডিসির তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্তদের প্রায় ৪০ শতাংশের মৃত্যু হয়। ২০১৮ ও ২০১৯ সালে আর্জেন্টিনার চুবুত প্রদেশের এপুয়েন শহরে অ্যান্ডিস ভাইরাসের আরেকটি প্রাদুর্ভাবে সংক্রমণের হার ছিল ২ দশমিক ২। অর্থাৎ একজন আক্রান্ত ব্যক্তি গড়ে আরও দুজনের বেশি মানুষকে সংক্রমিত করতেন। বৃহস্পতিবার সকালে নিশ্চিত করা হয়েছে, জাহাজে থাকা এক অস্ট্রেলীয় নাগরিকও ২১ এপ্রিল সেন্ট হেলেনায় নেমে দেশে ফিরে গেছেন।

  • হামাস নেতার ছেলেকে হত্যা করেছে ইসরাইল

    হামাস নেতার ছেলেকে হত্যা করেছে ইসরাইল

    ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের নির্বাসিত গাজাপ্রধান খলিল আল-হাইয়ার ছেলে আজম আল-হাইয়া বুধবার গাজা সিটিতে ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছেন। হামাসের কর্মকর্তা বাসিম নাঈম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এই খবর দিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

    এর আগে খবরে বলা হয়, ইসরাইলি হামলায় আল-হাইয়া গুরুতর আহত হয়েছেন। তবে সর্বশেষ আল-হাইয়ার নিহতের খবর প্রকাশ করেছে হামাস। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আল-হাইয়াকে হত্যার জন্য বহুবার হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। তবে সাত সন্তানের এতদিন বেঁচে থাকলেও ইসরাইলি হামলায় আর তার শেষ রক্ষা হলো না। এর আগে গত বছর দোহায় হামাস নেতাদের লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরাইলি বাহিনী। সেইবারও প্রাণে রক্ষা পেয়েছিলেন আল-হাইয়া।

  • যেভাবে হত্যা করা হয় শুভেন্দুর সহকারীকে

    যেভাবে হত্যা করা হয় শুভেন্দুর সহকারীকে

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ) চন্দ্রনাথ রাঠকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের মাত্র দুই দিন পর বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামে এই হামলা হয়।

    তদন্তকারীরা জানান, প্রথম ভুয়া নম্বর প্লেটধারী এক গাড়ি চন্দ্রনাথের গাড়ি গতিরোধ করে। এরপর হামলাকারীমোটরসাইকেলে এসে তিনবার চন্দ্রনাথকে গুলি করে।
    দেশটির স্থানীয় সময় বুধবার রাত সাড়ে ১০টায় এই হত্যাকাণ্ড হয়েছে। চন্দ্রনাথের গাড়িটি প্রথমে দোলতালার কাছে মধ্যমগ্রামে আটকানো হয়।
    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভুয়া নম্বর প্লেট লাগানো গাড়িটি রাস্তার মাঝে চন্দ্রনাথের গাড়ি থামাতে বাধ্য করে। এরপর চন্দ্রনাথকে লক্ষ্য করে অন্তত চারটি গুলি চালায় হামলাকারীরা।

    এরপর ওই ভুয়া নম্বর প্লেট লাগানো গাড়িটি ফেলে মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।

    স্থানীয় হাসপাতালের একজন চিকিৎসক পিটিআই’কে বলেন, চন্দ্রনাথকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। তার বুকে এবং হৃদপিন্ডে গুলি লেগেছিল।

    ওই চিকিৎসক আরও বলেন, ভুক্তভোগীকে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছিল। চন্দ্রনাথের বুকে দুটি গুলির আঘাত ছিল, যার একটি হৃৎপিণ্ড ভেদ করে এবং আরেকটি গুলি তার পেটে লাগে। তাকে বাঁচানোর কোনো সুযোগ ছিল না।
    একজন প্রতক্ষ্যদর্শী দাবি করেছেন যে হামলাকারীরা পেশাদার ছিলেন।
    ওই ব্যক্তি এনডিটিভিকে বলেন, চন্দ্রনাথের গাড়িটি কেবল আমাকে অতিক্রম করলো, এরপর রাস্তার মাঝে হুট করে থামলো এবং বাইকে আসা এক ব্যক্তি গাড়ির বামপাশে গুলি চালালো। হামলাকারীদের দেখে পেশাদার মনে হয়েছে।

    এ ছাড়া তিনি আরও বলেন, আমি দুই রাউন্ড গুলির শব্দ শুনেছি। রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।
    প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে বলা হয়েছে, হামলাকারীরা চারটি মোটরসাইকেল এবং একটি গাড়ি এই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহার করেছে।

    পশ্চিমবঙ্গের ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ সিদ্ধ নাথ গুপ্ত বলেন, চন্দ্রনাথের গতিরোধ করা গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। তবে গাড়িতে যে নম্বর প্লেট লাগানো ছিল তা ভুয়া। এ ছাড়া মোটরসাইকেলগুলোর নম্বর প্লেটও ভুয়া ছিল।

    হামলায় অত্যাধুনিক অস্ত্রের ব্যবহার
    পুলিশ ধারণা করছে, এই হামলায় হামলাকারীরা অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করেছে। পুলিশের এক কর্মকর্তা পিটিআইকে বলেছেন, হামলাকারীরা সম্ভবত গ্লোক ৪৭এক্স পিস্তল ব্যবহার করেছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পশ্চিমবঙ্গের ঊর্ধতন এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, এই ধরনের অস্ত্র সাধারণ ক্রিমিনালরা ব্যবহার করে না। আমরা তদন্ত করে দেখছি যে এই হামলায় পেশাদার শুটার জড়িত ছিল কিনা।

    সিদ্ধ নাথ গুপ্ত বলেন, আমরা ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোসা ও তাজা গুলি উদ্ধার করেছি। এই মুহূর্তে হামলার উদ্দেশ্য স্পষ্ট নয়।

    ৪০ মিনিট ধরে অপেক্ষায় ছিল হামলাকারীরা
    চন্দ্রনাথ শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। তিনি মধ্যমগ্রামের দোহারিতে আবাসিক কমপ্লেক্সে থাকতেন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, হামলাকারীরা চন্দ্রনাথের জন্য ৪০মিনিট ধরে অপেক্ষায় ছিল। তিনি স্করপিও এসইউভি ব্যবহার করতেন। এই গাড়িতে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার স্টিকার লাগানো ছিল। তাই তার গাড়ি চিনতে হামলাকারীদের কোনো সমস্যা হয়নি।

  • ফের বাড়ল সোনার দাম!

    ফের বাড়ল সোনার দাম!

    দেশের বাজারে আরেক দফা সোনার দাম বেড়েছে। এবার ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী

    বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী

    ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির খবরের প্রেক্ষাপটে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়েছে।

    বৃহস্পতিবার লেনদেনের শুরুতে মার্কিন অপরিশোধিত তেলের ফিউচার মূল্য প্রতি ব্যারেলে প্রায় ১ ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে।

    বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড ফিউচার ৮০ সেন্ট বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯৫ দশমিক ৮৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগে বুধবার লেনদেন চলাকালীন তেলের দাম সর্বোচ্চ ৯৬ দশমিক ৩৩ ডলারে উঠেছিল।

    বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি প্রাথমিক শান্তি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছানোর খবরের প্রভাবেই বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে।

    তবে ঝুঁকি বিশ্লেষণী সংস্থা ভেরিস্ক ম্যাপলক্রফট-এর জ্বালানি ও সম্পদ বিষয়ক প্রধান কাহো ইউ সতর্ক করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে হামলার হুমকি পুরোপুরি দূর না হওয়া পর্যন্ত তেলের দাম এবং জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা কম।

    তিনি আরো বলেন, কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও জ্বালানি বাজার এখনই সংকট-পূর্ব অবস্থায় ফিরছে না। চীন ও ইরানের মধ্যকার আলোচনা উত্তেজনা হ্রাসে ভূমিকা রাখলেও শেষ পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া হচ্ছে কি-না, বাজার সেদিকেই নজর রাখছে। আগামী মাসগুলোতে তেলের সরবরাহ ও ট্যাংকার চলাচলের প্রকৃত চিত্রই বলে দেবে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা ফিরছে কি-না। সূত্র: আলজাজিরা

  • ১৭ থেকে ২১ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব পিডিবির

    ১৭ থেকে ২১ শতাংশ বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব পিডিবির

    দেশে বিদ্যুতের ঘাটতির লোকসান কমাতে পাইকারি বিদ্যুতের দাম বাড়াতে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বরাবর আনুষ্ঠানিক আবেদন করা হয়েছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) করা ওই আবেদনে বিদ্যুতের দাম কমপক্ষে ১৭ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ২১ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।
    বুধবার বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ পিডিবির আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি জানান, আমরা পিডিবির প্রস্তাব পেয়েছি। সেখানে পাইকারি বিদ্যুতের দাম ১৭ শতাংশ থেকে ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। কারিগরি কমিটি পিডিবির প্রস্তাব পর্যালোচনা করবে।

    এর আগে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সবশেষ বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছিল। এই সময় খুচরা পর্যায়ে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে ৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল বিদ্যুতের দাম। এতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি দাম গড়ে ৬ দশমিক ৭০ টাকা ৩৪ পয়সা থেকে বেড়ে ৭ দশমিক ০৪ টাকা হয়েছিল।

    বর্তমানে পিডিবির আবেদনে ১৭ থেকে ২১ শতাংশ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দাম বাড়ানো হলে বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের দাম ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৪৮ পয়সা বাড়বে।

    গত ৯ই এপ্রিল বিদ্যুতের দাম পর্যালোচনা করে দাম বৃদ্ধির সুপারিশ করতে ৬ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। পিডিবির প্রস্তাব অনুযায়ী, বর্তমানে পাইকারি ট্যারিফ ইউনিটপ্রতি ৫০ পয়সা বাড়ালে সরকারের ভর্তুকি ৫ হাজার ২৪৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা কমবে।

  • ইরান প্রস্তাব মেনে নিলে যুদ্ধ শেষ হতে পারে: ট্রাম্প

    ইরান প্রস্তাব মেনে নিলে যুদ্ধ শেষ হতে পারে: ট্রাম্প

    ইরান প্রস্তাবিত শর্ত মেনে নিলে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

    আজ বুধবার তার মালিকানাধীন সোশাল প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

    ইরানকে সতর্ক করে ট্রাম্প বলেন, তেহরান যদি হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার চুক্তি না মানে, তবে যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের ওপর হামলা শুরু করবে। এই হামলা আগের তুলনায় ‘আরও বেশি মাত্রা ও তীব্রতায়’ হবে।

    পোস্টে ট্রাম্প জানান, ইরান যদি শর্তগুলো মেনে চলে, তাহলে ‘এপিক ফিউরি’ অভিযানের সমাপ্তি ঘটবে এবং কার্যকর অবরোধ তুলে নেওয়া হবে, ফলে হরমুজ প্রণালি ইরানসহ সবার জন্য উন্মুক্ত হবে।

    তিনি বলেন, ‘যদি তারা রাজি না হয়, তাহলে বোমাবর্ষণ শুরু হবে এবং তা আগের চেয়ে অনেক বেশি মাত্রা ও তীব্রতায় হবে।’

  • আগামী শনিবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শপথ

    আগামী শনিবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শপথ

    পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শপথ গ্রহণ আগামী ৯ মে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে বিজেপি। শপথ অনুষ্ঠানের দিনটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীর সঙ্গে মিলে যাওয়ায় অনুষ্ঠানের বিশেষ গুরুত্ব থাকছে।বুধবার (৬ মে) কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠান হবে বলে জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, আগামী ৯ই মে আমাদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। ব্রিগেডে সকাল দশটায়।

    ব্রিগেডে মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান এবং নবান্নের পরিবর্তে মহাকরণ থেকেই সরকার চালানোর বিষয়ে নিয়েও আলোচনা চলছে। এর আগে কখনো ব্রিগেডে শপথ নিতে দেখা যায়নি রাজ্যের কোনো মুখ্যমন্ত্রীকে। অনেকেই একে নজিরবিহীন বলে আখ্যাও দিয়েছেন।

    বিজেপি সূত্র এনডিটিভিকে জানিয়েছে, অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া বিজেপি ও শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাসহ বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও উপস্থিত থাকতে পারেন।

    এর আগে অমিত শাহ বলেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন এমন একজন, যিনি বাঙালি, বাংলায় জন্মেছেন, বাংলা মাধ্যমে পড়াশোনা করেছেন এবং বাংলা ভাষায় কথা বলেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, শুভেন্দু অধিকারী সেই মানদণ্ডের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যান।