১৫ দিনে লালন অ্যাকাডেমির দানবাক্সে মিলল ৮ লাখ টাকা

প্রতিবেদন:

·

, , , , ,

বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় ফকির লালন শাহের আখড়াবাড়ির দু’টি দানবাক্স থেকে পাওয়া গেছে আট লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ টাকা।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে দানবাক্সের সিল ভেঙে টাকা সংগ্রহ করা হয়। এরপর লালন অ্যাকাডেমি ভবনের চতুর্থ তলায় প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলে টাকা গণনা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জাকির হোসেন, কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাইসুল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাভিদ সারওয়ার, লালন অ্যাকাডেমির সদস্য, সাধু ও সাংবাদিকরা।

এর আগে, গত ১০ অক্টোবর দানবাক্স খুলে পাওয়া যায় ছয় লাখ ৪৯ হাজার ৩৪৮ টাকা। দুই দফায় ১৫ দিনের ব্যবধানে দানবাক্স থেকে পাওয়া গেল মোট ১৪ লাখ ৭৬ হাজার ৭৯৮ টাকা। আগের দফায় পাওয়া অর্থ পরদিন লালন অ্যাকাডেমির ব্যাংক হিসাবে জমা দেয়া হয় বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়।

কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাইসুল ইসলাম জানান, সকলের উপস্থিতিতে আজ দ্বিতীয়বারের মতো লালন মাজারের দু’টি দানবাক্স খোলা হয়। এখান থেকে প্রাপ্ত টাকা আজ লালন অ্যাকাডেমির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হবে।

ফকির লালন শাহের তিরোধান দিবস ও দোলপূর্ণিমা উপলক্ষে ছেঁউড়িয়ার আখড়াবাড়িতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশ থেকে লাখো বাউল, সাধু, ভক্ত ও দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে। এছাড়া সারা বছরই ভক্ত-অনুরাগীরা আখড়াবাড়িতে এসে দানবাক্সে অর্থ দান করেন।

স্থানীয়রা জানান, বছরে চারবার দানবাক্স খোলা হলেও আগে অর্থ গণনার বিষয়টি গণমাধ্যম ও স্থানীয়দের সামনে প্রকাশ করা হতো না। এবার প্রকাশ্যে গণনার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন দর্শনার্থী ও সাধুরা।

এর আগে, গত বছর লালন শাহের ১৩৫তম তিরোধান দিবসের আগে দানবাক্স খুলে পাওয়া যায় চার লাখ ৯২ হাজার ২৬৪ টাকা। আর তিরোধান দিবসের তিন দিন পর পাওয়া যায় নয় লাখ ২২ হাজার ২৪২ টাকা। আগামী দোল উৎসবের আগে আবারো দানবাক্স খোলা হবে বলে জানা গেছে। এ,আর

Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ