দেশীয় মাছ অবমুক্ত ২৮৫ কেজি

দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে নাটোরের গুরুদাসপুরের কয়েকটি জলাশয়ে রুই, কাতলা ও মৃগেলের পোনা অবমুক্ত করা হয়। পোনা মাছ অবমুক্ত করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ।

মৎস্য অফিসের তথ্য মতে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রাজস্ব খাতের আওতায় উপজেলার নয়টি জলাশয়ে মোট ২৮৫ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে চলনবিলের বিলশা বিলে ৫৫ কেজি, খামারপাথুরিয়া মাদ্রাসার পুকুরে ৫০ কেজি, উপজেলা পরিষদের পুকুরে ৩০ কেজি, দিকদারিয়া বিলে ৩০ কেজি, মির্জা মাহমুদ খালে ৩০ কেজি, খোলাগাড়ি বিলে ৩০ কেজি, পাটপাড়া মরা তুলশী নদীতে ২০ কেজি, থানা পুকুরে ২০ কেজি এবং বিল কাঠোর মরা নদীতে ২০ কেজি পোনা অবমুক্ত করা হয়।

উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তের এ উদ্যোগে একদিকে যেমন দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে, অন্যদিকে বাড়বে জলাশয়ে মাছের প্রাপ্যতা। এতে স্থানীয় মৎস্যজীবীদের জীবিকা ও সাধারণ মানুষের মাছের জোগানেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উপজেলা পরিষদের পুকুরে পোনামাছ অবমুক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাটোর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ওমর আলী, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রতন চন্দ্র সাহা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে এম রাফিউল ইসলাম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আমিনুর রশীদ, উপজেলা বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী সাইদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এ সময় বিভিন্ন এলাকার মৎস্যজীবীরাও উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, উন্মুক্ত জলাশয়ে দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হলে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অবমুক্ত পোনাগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা গেলে ভবিষ্যতে এসব জলাশয়ে দেশীয় মাছের প্রাচুর্য আরও বাড়বে।