ক্যাটাগরি নাটোর

Natore district

  • দেশীয় মাছ অবমুক্ত ২৮৫ কেজি

    দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে নাটোরের গুরুদাসপুরের কয়েকটি জলাশয়ে রুই, কাতলা ও মৃগেলের পোনা অবমুক্ত করা হয়। পোনা মাছ অবমুক্ত করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ।

    মৎস্য অফিসের তথ্য মতে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রাজস্ব খাতের আওতায় উপজেলার নয়টি জলাশয়ে মোট ২৮৫ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে চলনবিলের বিলশা বিলে ৫৫ কেজি, খামারপাথুরিয়া মাদ্রাসার পুকুরে ৫০ কেজি, উপজেলা পরিষদের পুকুরে ৩০ কেজি, দিকদারিয়া বিলে ৩০ কেজি, মির্জা মাহমুদ খালে ৩০ কেজি, খোলাগাড়ি বিলে ৩০ কেজি, পাটপাড়া মরা তুলশী নদীতে ২০ কেজি, থানা পুকুরে ২০ কেজি এবং বিল কাঠোর মরা নদীতে ২০ কেজি পোনা অবমুক্ত করা হয়।

    উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তের এ উদ্যোগে একদিকে যেমন দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে, অন্যদিকে বাড়বে জলাশয়ে মাছের প্রাপ্যতা। এতে স্থানীয় মৎস্যজীবীদের জীবিকা ও সাধারণ মানুষের মাছের জোগানেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    উপজেলা পরিষদের পুকুরে পোনামাছ অবমুক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজ। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাটোর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ওমর আলী, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রতন চন্দ্র সাহা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে এম রাফিউল ইসলাম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আমিনুর রশীদ, উপজেলা বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী সাইদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এ সময় বিভিন্ন এলাকার মৎস্যজীবীরাও উপস্থিত ছিলেন।

    সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, উন্মুক্ত জলাশয়ে দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করা হলে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অবমুক্ত পোনাগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা গেলে ভবিষ্যতে এসব জলাশয়ে দেশীয় মাছের প্রাচুর্য আরও বাড়বে।

  • নাটোরে ২৬১ বস্তা অবৈধ সার মজুত, ৪ ব্যবসায়ীকে জরিমানা-কারাদণ্ড

    নাটোরে ২৬১ বস্তা অবৈধ সার মজুত, ৪ ব্যবসায়ীকে জরিমানা-কারাদণ্ড

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নাটোরের সিংড়ায় অবৈধভাবে সার মজুত করে কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি ও বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে চার ব্যবসায়ীকে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় তাদের দোকান থেকে ২৬১ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। অভিযানে চার ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মোট ৮০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।

    মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত উপজেলার ডাহিয়া ইউনিয়নের বড়গ্রাম বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    সার ব্যবস্থাপনা আইন অনুযায়ী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। আদালত পরিচালনা ও দণ্ডাদেশ দেন সিংড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত আনজুম।

    অভিযানে ব্যবসায়ী সোহেল হোসেনের দোকান থেকে আট বস্তা সার জব্দ করে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। ব্যবসায়ী আব্দুস সালামের কাছ থেকে ৫৩ বস্তা সার জব্দ ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

    অন্যদিকে ব্যবসায়ী আবুল হাসেমের কাছ থেকে ৫৩ বস্তা সার জব্দ ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের পাশাপাশি সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। অপর ব্যবসায়ী মোবারকের কাছ থেকে ১৪৭ বস্তা সার জব্দ করে তাকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড ও সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

    অভিযানে মোট ২৬১ বস্তা সার জব্দ এবং চার ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়।

    অভিযানে সিংড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার ফরিদ হাসান উপস্থিত ছিলেন।

    সিংড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত আনজুম বলেন, ‘অবৈধভাবে সার মজুত করে কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি কিংবা বেশি দামে বিক্রির মাধ্যমে কৃষকদের হয়রানি করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। কৃষকদের স্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

  • নাটোরে শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

    নাটোরে শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নাটোরে তৃতীয় শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে আবু বকর সিদ্দিক (২২) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসাথে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারকে প্রদানের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

    রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নাটোরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ শারমিন আখতার এ রায় ঘোষণা করেন।

    দণ্ডপ্রাপ্ত আবু বকর সিদ্দিক নাটোরের সিংড়া উপজেলার বিজয়নগর গ্রামের মো: আবু হানিফের ছেলে।

    মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ওই শিশু শিক্ষার্থী স্কুলে যাচ্ছিল। পথে অভিযুক্ত আবু বকর সিদ্দিক তাকে রাস্তা থেকে ডেকে পাশের একটি ঘরে নিয়ে যান। সেখানে তিনি শিশুটিকে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

    পরে শিশুটি কান্নাকাটি করতে করতে বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানায়। এরপর স্বজনরা তাকে সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

    এ ঘটনায় শিশুটির বাবা সিংড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযুক্ত আবু বকর সিদ্দিককে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে নাটোর জেলা কারাগারে পাঠায়।

    দীর্ঘদিন ধরে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রমাণ উপস্থাপন শেষে রোববার বিকেলে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। কিন্তু আসামী জামিনে মুক্ত রয়েছে।

    নাটোর জজ কোর্টের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন তালুকদার টগর জানান, দীর্ঘদিন সাক্ষ্যগ্রহণ ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের এই রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছে। জরিমানার টাকা নিহতের পরিবারকে দেয়া হবে বলেও তিনি জানান।

  • বাগাতিপাড়ায় মসজিদের দানবাক্সের তালা ভেঙে চুরি

    বাগাতিপাড়ায় মসজিদের দানবাক্সের তালা ভেঙে চুরি

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নাটোরের বাগাতিপাড়ায় একটি মসজিদের দানবাক্সের তালা ভেঙে টাকা চুরির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার ১ নম্বর পাঁকা ইউনিয়নের গালিমপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

    মসজিদ কমিটি সূত্রে জানা গেছে, ভোরে মসজিদের পাশের বাড়ির বাসিন্দা মাসিদুল দাঁত ব্রাশ করতে বের হয়ে এবং একই সময়ে এক নারী দানবাক্সে ১০০ টাকা দিতে এসে তালা ভাঙা দেখতে পান। পরে তাঁরা বিষয়টি মসজিদ কমিটির ক্যাশিয়ার কমর উদ্দিনকে জানান।

    Thieves Break Open Mosque Donation Box and Steal Money in Bagatipara.

    খবর পেয়ে কমিটির ক্যাশিয়ার ঘটনাস্থলে এসে মসজিদের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করেন। ফুটেজে দেখা যায়, দুই ব্যক্তি মাথা ও মুখ কাপড় দিয়ে ঢেকে দানবাক্সের কাছে আসে। মাত্র ৭ থেকে ৮ মিনিটের মধ্যে তারা দানবাক্সের তালা ভেঙে ব্যাগে টাকা ভরে নিয়ে চলে যায়। তবে মুখে কাপড় থাকায় তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

    মসজিদ কমিটির ক্যাশিয়ার কমর উদ্দিন বলেন, “আমি পাশের মাদ্রাসায় শ্রমিক নিয়ে কাজ করাচ্ছিলাম। ফোন পেয়ে এসে দেখি দানবাক্সের তালা ভাঙা এবং ভেতরের সব টাকা নিয়ে গেছে। পরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়। স্থানীয় লোকজন ও কমিটির সদস্যদের নিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ দেখা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ফুটেজ সংগ্রহ করেছে।”

    তিনি আরও জানান, প্রায় এক বছর তিন মাস ধরে দানবাক্সটি খোলা হয়নি। এর আগে তিন মাস পর একবার দানবাক্স খুলে প্রায় ৬৫ হাজার টাকা পাওয়া গিয়েছিল। চোরদের শনাক্ত করতে এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, কেউ তথ্য দিয়ে চোর শনাক্তে সহায়তা করলে মসজিদ কমিটির পক্ষ থেকে তাঁকে সম্মাননা ও পুরস্কার দেওয়া হবে।

    মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ মেহেদী হাসান দুলাল বলেন, মসজিদে বিভিন্ন দান-অনুদান আসে। প্রতি শুক্রবারও মুসল্লিরা দান করেন। এসব অর্থ দানবাক্সে জমা রাখা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, ভোর ৩টা ৫৭ মিনিটে দুই ব্যক্তি দানবাক্সের কাছে এসে তালা ভাঙে এবং ভোর ৪টা ৫ মিনিটে বস্তাভর্তি টাকা নিয়ে চলে যায়। মুখে কাপড় থাকায় তাদের চেহারা শনাক্ত করা যায়নি।

    বাগাতিপাড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন চন্দ্র দাস বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”

  • সিংড়ায় দুর্বৃত্তদের হাতে নিহত অটোচালকের পরিবারকে অর্থ ও খাদ্য সহায়তা প্রদান

    সিংড়ায় দুর্বৃত্তদের হাতে নিহত অটোচালকের পরিবারকে অর্থ ও খাদ্য সহায়তা প্রদান

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নাটোরের সিংড়ায় দুর্বৃত্তদের হাতে নিহত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক আনোয়ার হোসেনের পরিবারকে অর্থ ও খাদ্য সহায়তা দিয়েছে প্রশাসন।

    সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার শেরকোল ইউনিয়নের কান্দিপাড়া গ্রামে নিহত অটোচালকের বাড়িতে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল রিফাত।

    এ সময় নিহতের পরিবারের খোঁজ-খবর নিয়ে মা আসমা বেগম ও স্ত্রী ফেরদৌসি আক্তারের হাতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৬ হাজার টাকার চেক ও চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী তুলে দেন ইউএনও।

    সেখানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিশাত আনজুম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিঠুন কুন্ডু, শেরকোল ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, ছাত্রদলের সদস্য সচিব সিহাব উদ্দিন শান্ত প্রমুখ।

    ইউএনও আব্দুল্লাহ আল রিফাত বলেন, দুর্বৃত্তদের হাতে নিহত অটোচালকের পরিবারের পাশে রয়েছে প্রশাসন। তার হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারে পুলিশ প্রশাসন কাজ করছে।

    উল্লেখ্য, ২৪ আগস্ট নিখোঁজ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর ভোগা বসন্তপুর রাস্তার পাশ থেকে অটোচালক আনোয়ার হোসেনের হাত-পা ও মুখ বাঁধা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় থানায় অজ্ঞাত পরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা হলেও এখন পর্যন্ত হত্যাকারীদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

  • নলডাঙ্গায় গ্রামবাসীর মানবিকতায় ৬০ বছর বয়সে ঘর পেলেন ‘অপেজান’

    নলডাঙ্গায় গ্রামবাসীর মানবিকতায় ৬০ বছর বয়সে ঘর পেলেন ‘অপেজান’

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নাটোরের নলডাঙ্গায় গ্রামবাসীর মানবিক সহযোগিতায় ৬০ বছর বয়সে নতুন ঘর পেলেন অসহায় অপেজান বেগম।

    স্বামীকে হারিয়ে একমাত্র প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে দীর্ঘদিন জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন তিনি। অভাব-অনটনের কারণে অনেক সময় না খেয়েও দিন কাটাতে হয়েছে মা-মেয়েকে।

    নলডাঙ্গা উপজেলার ৫ নম্বর বিপ্রবেলঘড়িয়া ইউনিয়নের মমিনপুর ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষ্ণপুরদীঘা গ্রামে বসবাস করেন অপেজান বেগম। বয়সের ভারে কাজ করার সক্ষমতাও কমে গেছে তার। নিজের কোনো বসতঘর না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে নানা কষ্টে দিন পার করছিলেন তিনি।

    নলডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘অপেজানের দুর্দশার কথা জানতে পেরে স্থানীয় গ্রামবাসীকে সাথে নিয়ে তার জন্য নতুন ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়। আমার এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় নির্মিত হয় ঘরটি। পাশাপাশি অপেজানকে খাদ্যসামগ্রীও দেয়া হয়েছে। এছাড়া অপেজানের একমাত্র প্রতিবন্ধী মেয়ের জন্য প্রতিবন্ধী কার্ড এবং অপেজান বেগমের জন্য বয়স্ক ভাতা কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষ যদি এভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান, তাহলে অনেক মানুষের জীবন বদলে যেতে পারে।’

    মমিনপুর ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে অপেজান বেগম স্বামীহীন অবস্থায় প্রতিবন্ধী মেয়েকে নিয়ে জরাজীর্ণ ঘরে বসবাস করছিলেন। বিষয়টি শফিকুল ইসলাম বুলবুলকে জানালে তিনি ঘর নির্মাণ ও খাদ্য সহায়তায় এগিয়ে আসেন। ডা: মো: মোজাহের আলীর অর্থায়নে ঘরটি নির্মাণ করা হয়।’

    নতুন ঘর পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অপেজান বেগম। তিনি বলেন, ‘জীবনের শেষ বয়সে নিজের একটি ঘর হবে, এটা কখনো ভাবিনি। স্থানীয় নেতা ও গ্রামের মানুষের ভালোবাসা এবং সহযোগিতায় আমার সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ।’

    স্থানীয় ডা: মো: মোজাহের আলী বলেন, ‘সমাজের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো সবার দায়িত্ব। অপেজানের মতো অসহায় মানুষের পাশে সবাই এগিয়ে এলে সমাজে মানবিকতার বন্ধন আরো দৃঢ় হবে।’

    অসহায় অপেজানের জন্য গ্রামবাসীর এমন মানবিক উদ্যোগ স্থানীয়দের মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে।

  • নাটোরে বাস-ভ্যানের সংঘর্ষে দুইজন নিহত

    নাটোরে বাস-ভ্যানের সংঘর্ষে দুইজন নিহত

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নাটোর শহরের হরিশপুর এলাকায় ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে বাসের সঙ্গে ভ্যানের সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন।

    শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— সাইদ (৪৫) ও সাব্বির (২৩)।

    নিহত সাইদ বড় হরিশপুর ইউনিয়নের রাজিবপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম হাসান আলী। অপর নিহত সাব্বির (২৩) জয়নগর পূর্বপাড়ার বাসিন্দা। তার বাবার নাম জমশেদ।

    নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুনছুর রহমান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শনিবার দুপুরে হরিশপুর এলাকায় ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে বাসের সঙ্গে একটি ভ্যানের সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন।

    দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এ সময় মহাসড়কে কিছুক্ষণ যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

  • নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের দুই ভাইসহ নিহত ৪

    নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের দুই ভাইসহ নিহত ৪

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নাটোরের বড়াইগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের দুই ভাইসহ একই মহল্লার তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারজনে। দুর্ঘটনায় আহত আরও দুইজন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নাজমুল হোসেন (৩৫) মারা যান। তিনি বড়াইগ্রাম পৌরসভার ধামানিয়াপাড়া মহল্লার সাদেক মন্ডলের ছেলে।

    এর আগে দুর্ঘটনায় ধামানিয়াপাড়া মহল্লার আপন দুই ভাই আক্কাছ আলী ও জাহাঙ্গীর আলম এবং একই মহল্লার নাজমুল হোসেন ও লক্ষীপুর মহল্লার আব্দুর রহমান মারা যান। নিহত ও আহতরা সবাই গরু ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

    ৮ আগস্ট বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের গুরুদাসপুর উপজেলার নয়াবাজার এলাকায় গরুবাহী ভুটভুটির সঙ্গে ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী আরআর ট্রাভেলসের একটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন। পরদিন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়। শনিবার মারা যান নাজমুল হোসেন।

    বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আলমগীর হোসেন জানান, চান্দাইকোনা গরুর হাটে যাওয়ার পথে গরুবাহী ভুটভুটির সঙ্গে বাসটির সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর বাসটি আটক করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। পলাতক বাসচালককে গ্রেপ্তারে পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

  • নাটোরে সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের  বিরুদ্ধে ৭ সাংবাদিক আহত করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

    নাটোরে সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ৭ সাংবাদিক আহত করার প্রতিবাদে মানববন্ধন

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নাটোরের লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে দুই উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অফিসে হামলা, সরকারি কর্মকর্তা ও দৈনিক সংগ্রামের বাগাতিপাড়া উপজেলা প্রতিনিধি ফজলুর রহমানসহ ৭ জন সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের হয়নি। তাছাড়া সরকারদলীয় নেতাকর্মীরা সরকারি সম্পদ নষ্ট ও কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করলেও মামলা করার কোনো তোড়জোড় নেই দুই উপজেলার ইউএনওদের।

    এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের হামলার প্রতিবাদ এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন জেলার গণমাধ্যমকর্মীরা। এ সময় লালপুর ও বাগাতিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহারের আল্টিমেটাম দেন তারা। অন্যথায় বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা।

    গত বুধবার দুপুরে লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলে স্থানীয় ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা ইউএনওর কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন। এ সময় মিছিল নিয়ে বিক্ষুব্ধরা বাগাতিপাড়া উপজেলার নির্বাহী অফিসারের রুমের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। এ সময় বেশ কিছু ফুলের টব ও ইউএনও অফিসের গেট ভাঙচুর করা হয় এবং কৃষি কর্মকর্তা ও এক অফিস সহকারীকে মারপিট করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় ভিডিও করতে গেলে দৈনিক সংগ্রামের প্রতিনিধি সাংবাদিক ফজলুর রহমান ও চ্যানেল এস-এর খাদেমুল ইসলামসহ চার সাংবাদিককে মারপিট করা হয় এবং চ্যানেল ওয়ান ও স্টার নিউজ টিভির সাংবাদিককে লাইভ সম্প্রচারে বাধা দেওয়া হয়।

    এছাড়া একই দাবিতে লালপুর উপজেলায় ইউএনও অফিস ঘেরাও করে সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর এবং সমাজসেবা কর্মকর্তা মাসুদ রানা ও আইসিটি কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমানকে লাঞ্ছিত করেন সরকারদলীয় নেতাকর্মীরা। এ সময় ভিডিও ধারণ করতে গেলে মানবজমিন-এর সাংবাদিক রাশেদুল এবং এনটিভি অনলাইনের সজিবুল ইসলাম হৃদয়কে মারপিট করেন তারা।

    এসব ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও দুই উপজেলার ইউএনও কোনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে দুই উপজেলার ইউএনও কেউ ফোন রিসিভ করেননি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, সরকারি সম্পদ নষ্ট হলেও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

    তবে লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এবং বাগাতিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান বলেন, এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। তবে অভিযোগ পেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এদিকে দুই উপজেলায় সাংবাদিকদের মারপিটের ঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে নাটোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা অংশ নেন।

    এ সময় মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পুলিশের দায়িত্ব ছিল সাংবাদিক এবং উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা দেওয়া। কিন্তু তারা সেই দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতেই ইউএনওকে অবরুদ্ধ করা এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

    নির্যাতিত সংগ্রাম-এর প্রতিনিধি ফজলুর রহমান ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, বুধবার দুপুরে আমরা ইউএনও অফিসে সংবাদ সংগ্রহ করছিলাম। এ সময় বাগাতিপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সোহেল রানা ও পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোতালেব হোসেন পান্নার নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী আমাদের ওপর হামলা চালায়। তারা ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ফুটেজ মুছে ফেলে এবং আমাদের শারীরিকভাবে নির্যাতন করে।

  • ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, বাগাতিপাড়ায় ইউএনও কার্যালয় ঘেরাও

    ফ্যামিলি কার্ডের নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, বাগাতিপাড়ায় ইউএনও কার্যালয় ঘেরাও

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    নাটোরের বাগাতিপাড়ায় ফ্যামিলি কার্ড শুমারি-২০২৬-এর তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন নিয়োগপ্রত্যাশী ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

    এ সময় ইউএনওর কক্ষের দরজায় লাথি ও সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন ইউএনও।

    বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে বাগাতিপাড়া উপজেলা পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার মালঞ্চি রেলগেট এলাকা থেকে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক সোহেল রানার নেতৃত্বে একটি মিছিল বের হয়।

    মিছিলটি উপজেলা পরিষদে গিয়ে দ্বিতীয় তলায় ইউএনওর কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়। সেখানে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে কয়েকজন বিক্ষোভকারী ইউএনওর কক্ষের দরজায় লাথি মারেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

    বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের সুযোগ দেয়া হয়েছে। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও ছাত্রদলের নেতাকর্মীসহ অনেক নিয়োগপ্রত্যাশীকে বাদ দেয়া হয়েছে। এমনকি পরীক্ষা না দিয়েও অর্থের বিনিময়ে কয়েকজন নিয়োগ পেয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।

    এদিকে বিক্ষোভের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগও উঠেছে।

    স্টার নিউজ টেলিভিশনের নাটোর প্রতিনিধি তারিকুল হাসান বলেন, বিক্ষোভের ঘটনা সরাসরি সম্প্রচারের সময় তাকে হুমকি ও ধাক্কা দিয়ে লাঞ্ছিত করা হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত অন্যান্য গণমাধ্যমের স্থানীয় প্রতিনিধিদেরও লাঞ্ছিত করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

    তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক সোহেল রানা বলেন, অনেক প্রার্থী ভালো পরীক্ষা দিয়েও নিয়োগের সুযোগ পাননি। বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নিয়ে অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে। বিএনপি সরকারকে বিতর্কিত করতে তিনি আওয়ামী লীগের সমর্থকদের নিয়োগ দিয়েছেন। ফলে নিয়োগপ্রত্যাশী ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। এ কারণে নিয়োগ বাতিলের দাবিতে তারা সম্মিলিতভাবে বিক্ষোভ করেছেন। তবে কোনো হামলা বা সাংবাদিক লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটেনি।

    বাগাতিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবাশীষ বসাক বলেন, নিয়োগের ফলাফল প্রকাশের পর কয়েকজন সংক্ষুব্ধ হয়ে অনিয়মের অভিযোগ করেছেন। অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    ইউএনওর কক্ষে হামলা ও সাংবাদিক লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সকাল থেকেই আমি অফিসের ভেতরে ছিলাম। বাইরে কী ঘটেছে, তা আমি জানি না। বিষয়টি জেনে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

    নাটোরের পুলিশ সুপার শরীফুল হক বলেন, হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।