বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা-গঙ্গামতি এলাকায় বেড়িবাঁধের স্লোপ দখল করে আবারও অবাধে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। ইতোমধ্যে ছোট-বড় অন্তত দুই শতাধিক স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। ধোলাই মার্কেট এলাকায় বন বিভাগের সৃজিত গাছপালা কেটে স্থাপনা নির্মাণেরও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় সূত্র ও সরেজমিনে দেখা গেছে, কুয়াকাটা সৈকতের মিরাবাড়ি থেকে ঝাউবাগান পর্যন্ত বেড়িবাঁধের রিভার সাইটে শত শত স্থাপনা গড়ে উঠেছে।
সেখান থেকে গঙ্গামতি সেতু এলাকা হয়ে ধোলাই মার্কেট পর্যন্তও নতুন করে কিছু স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। ধোলাই মার্কেটের দুই পাশে এখনও স্থাপনা নির্মাণের কাজ চলছে।
অভিযোগ রয়েছে, বাঁধের স্লোপের গাছপালা কেটে ওই স্থানেই দোকানপাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। এ নিয়ে বন বিভাগ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যকর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, কুয়াকাটা-গঙ্গামতি পর্যটন এলাকার স্বার্থে পাউবোর ৪৮ নম্বর পোল্ডারের ৩৯ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ পুনরাকৃতিকরণ, সৌন্দর্যবর্ধন ও সাগরের ভাঙন থেকে রক্ষায় ২০১৯ সালে উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর আগে বেড়িবাঁধের স্লোপ দখল করে গড়ে ওঠা ৬৭৩টি স্থাপনা অপসারণে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়া হয় ৭ কোটি ৩১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৩৭ টাকা।
পরবর্তী সময়ে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় প্রায় দেড় শ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩৯ কিলোমিটার বাঁধের মেরামত, পুনরাকৃতিকরণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করা হয়। কুয়াকাটা সৈকতসংলগ্ন এলাকায় সাগরের ভাঙন ঠেকাতে কংক্রিটের ব্লক স্থাপন এবং বাঁধের রিভার ও কান্ট্রি সাইটে বনায়ন করা হয়।
