ক্যাটাগরি পটুয়াখালী

Patuakhali district

  • দুমকিতে সরকারি রাস্তায় বাঁশের বেড়া দিয়ে চাষাবাদ, ৭ দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ

    দুমকিতে সরকারি রাস্তায় বাঁশের বেড়া দিয়ে চাষাবাদ, ৭ দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় সরকারি রেকর্ডিয় রাস্তা দখল করে বাঁশের বেড়া দিয়ে চাষাবাদ করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান প্যাদার বিরুদ্ধে।

    এ ঘটনায় সরেজমিনে পরিদর্শন করে রাস্তা থেকে বাঁশের বেড়া অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্টদের ৭ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছেন উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা।

    সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে কাঁঠালতলা থেকে তহশিল অফিসের মাঝ বরাবর সরকারি রাস্তা পরিদর্শন করেন উপজেলা ভূমি অফিসের কানুনগো মো: সাইফুল ইসলাম ও ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এ কে এম ফজলুল হক।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লেবুখালী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা শাহজাহান প্যাদা, তার ছেলে সেনাবাহিনীতে কর্মরত রামিম প্যাদা এবং শাহজাহান প্যাদার স্ত্রী ডেইজি বেগম সরকারি রাস্তার ওপর বাঁশের বেড়া দিয়ে চাষাবাদ শুরু করে চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

    এ ঘটনায় লেবুখালী হাবিবুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক গাজী সোহরাব হোসেন উপজেলা ভূমি অফিসে সরকারি রাস্তার ওপর দেয়া বাঁশের বেড়া অপসারণের দাবিতে লিখিত আবেদন করেন।

    আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা সোমবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে সরেজমিনে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে বিবাদী শাহজাহান প্যাদাকে সরকারি রাস্তা থেকে বাঁশের বেড়া অপসারণের জন্য ৭ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়।

    অভিযুক্ত শাহজাহান প্যাদা বলেন, ‘আমাদের জমি সরকার নিয়েছে, কিন্তু আমাদের কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়নি। তাই আমি রাস্তায় বেড়া দিয়েছি। আমি অন্য জায়গা দিয়ে মানুষের হাঁটার রাস্তার ব্যবস্থা করব, কিন্তু ওই জায়গা দিয়ে রাস্তা দেবো না।’

    উপজেলা ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারি রাস্তা থেকে বাঁশের বেড়া অপসারণ না করা হলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    সরকারি রাস্তা দখলমুক্ত করে সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে দ্রুত বেড়া অপসারণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

  • এই সেই আইফোন, যার জন্য সন্তান বিক্রি করেন বাবা

    এই সেই আইফোন, যার জন্য সন্তান বিক্রি করেন বাবা

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    টেকসই ও নিরাপত্তার জন্য সারাবিশ্বেই আইফোন বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু সেই বিলাসী শখ পূরণের অন্ধ মোহে এক বাবা তার নিজের দেড় বছরের শিশুকে ১ লাখ টাকায় বিক্রি করে দেন। পরে সেই টাকা দিয়ে আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্স কিনেন।

    ঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বেতাগী-সানকিপুর ইউনিয়নের বড় গোপালদী গ্রামে।

    অভিযুক্ত ওই বাবার নাম মো. মারুফ মুন্সি। তিনি ওই গ্রামের মফিজ মুন্সির ছেলে এবং পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি। এ ঘটনার পর শিশুটিকে উদ্ধারে মাঠে নেমেছে পুলিশ। আটক করা হয় শিশুটির বাবাকে।

    এই সেই আইফোন, যার জন্য সন্তান বিক্রি করেন বাবা

    সন্তান বিক্রি করে আইফোন কেনা সেই বাবা আটক

    মারুফ জানায়, ‘তিনি আইফোন-১৩ প্রো-ম্যাক্স মডেলের ব্যবহৃত ফোনটি একই এলাকার ইমরান নামের এক যুবকের কাছ থেকে ৫৫ হাজার টাকায় কেনেছেন। ফোন কেনার পর অবশিষ্ট ৪৫ হাজার টাকা তিনি নিজের দেনা পরিশোধসহ অন্যান্য কাজে খরচ করে ফেলেছেন।’

    এই সেই আইফোন, যার জন্য সন্তান বিক্রি করেন বাবা

    আলোচিত দেড় বছরের শিশু মুসার সুরক্ষার এগিয়ে এলেন ইউএনও

    এদিকে সন্তানকে বিক্রি করে আইফোন কেনার মতো চরম অনৈতিক কাজ করলেও তার মনে বিন্দুমাত্র অনুতাপ দেখা যায়নি। বরং নতুন আইফোন হাতে নিয়ে প্রকাশ্যে স্বাচ্ছন্দ্যে এলাকায় ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় তাকে।

    এর আগে, শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে মারুফ তার মা মাহফুজা বেগমের কাছ থেকে ছেলে মুসাকে ‘ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার’ কথা বলে বের হন। সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলেও তারা না ফেরায় স্বজনরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পরিবারের লোকজন জানতে পারেন মারুফ তার ছেলে মুসাকে আলীপুর ইউনিয়নের রামনাথসেন গ্রামের ইমরান হোসেনের কাছে ১ লাখ টাকায় তিনি মুসাকে বিক্রি করে দিয়েছেন। বিক্রির টাকা দিয়ে তিনি একটি আইফোন কিনেছেন।

    ঘটনার খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয়ভাবে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় ওঠে। খবর পেয়ে অতি দ্রুত অভিযানে নামে পুলিশ। এরপর রোববার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় অভিযুক্ত মারুফ মুন্সিকে আটক করে পুলিশ। পরে রাত ১০টার দিকে শিশু মুসাকে উদ্ধার করে তার দাদা-দাদির জিম্মায় দেয় পুলিশ।

    এ ঘটনার পর শিশুটির ভবিষ্যৎ সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এগিয়ে এসেছে দশমিনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মে. মাহমুদ হাসান। শিশু মুসার নামে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে দেওয়া সহ প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • ১১ মাসে যা করেছি,  ১০৫ বছরেও কেউ পারেনি: সাদিক কায়েম

    ১১ মাসে যা করেছি, ১০৫ বছরেও কেউ পারেনি: সাদিক কায়েম

    শিক্ষা ডেস্ক:

    দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ১১ মাসে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে এমন কাজ করা হয়েছে, যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫ বছরের ইতিহাসে আর কেউ করতে পারেননি বলে দাবি করেছেন ডাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম।

    আজ পটুয়াখালী জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    সাদিক কায়েম বলেন, ‘১১ মাসে আমরা প্রমাণ করেছি কিভাবে শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিত করতে হয়, শিক্ষার্থীরাই বলে আমরা গত ১১ মাসে ডাকসুতে দায়িত্ব নেওয়ার পরে যে কাজ করেছি বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাসে ১০৫ বছরের সে কাজ করতে পারেনি। ’

    ডাকসুর বর্তমান নেতৃত্বের সময়ে ক্যাম্পাসে মারামারি, হানাহানি, চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে বলেও দাবি করেন তিনি। একাধিক জরিপের তথ্য তুলে ধরে ডাকসুর ভিপি বলেন, ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী মনে করেন, বর্তমান সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সবচেয়ে নিরাপদ অবস্থায় রয়েছে।

    ডাকসুর ভিপি আরও বলেন, একই সঙ্গে ক্যাম্পাসের মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা করা গবেষণা করা চিন্তা করা প্রশ্ন করা এবং নতুন নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার করা। এজন্য সেই একাডেমিক পরিবেশ আমরা ইতিমধ্যে নিশ্চিত করেছি।

    দেশের তরুণ প্রজন্মকে যথাযথ স্বীকৃতি ও সুযোগ না দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের এই দেশে আমরা গত ৫৫ বছর জুড়ে আমাদের যারা নেতৃত্ব ছিল তারা আমাদেরকে নিয়ে যেভাবে ভাবা দরকার ছিল আমাদের তরুণ প্রজন্মদেরকে নিয়ে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে নিয়ে যেভাবে ভাবা দরকার ছিল তাদেরকে যেভাবে স্বীকৃতি দেওয়া দরকার ছিল সেটা তারা দিতে পারেনি। সাদিক কায়েম বলেন, দীর্ঘদিনের এ ব্যর্থতার কারণেই জাতি একই বৃত্তে ঘুরপাক খাচ্ছে। দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিদেশের নামী বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিলেও দেশে তাদের মেধার যথাযথ বিকাশ ও কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আন নাহিয়ান। এতে পটুয়াখালী সদর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৩০০ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

  • ফজরের সুন্নত নামাজে সেজদায় গিয়ে ইমামের মৃত্যু

    ফজরের সুন্নত নামাজে সেজদায় গিয়ে ইমামের মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    পটুয়াখালীতে ফজরের সুন্নত নামাজের দ্বিতীয় রাকাতে সেজদায় গিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন মসজিদের ইমাম হাফেজ মুহাম্মদ আতাউল্লাহ। সোমবার (১৭ আগস্ট) ভোরে সদর উপজেলার মৌকরন ইউনিয়নের শ্রীরামপুর বাজার মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

    প্রতিদিনের মতো ভোরে ফজরের নামাজ আদায়ের প্রস্তুতি নেন আতাউল্লাহ। সুন্নত নামাজের দ্বিতীয় রাকাতে সেজদায় যাওয়ার পর তিনি আর ওঠেননি। পরে মুসল্লিরা বিষয়টি বুঝতে পেরে কাছে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।

    হাফেজ মুহাম্মদ আতাউল্লাহ দুমকী উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তালুকদার বাজারসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা। তার বাবা মাওলানা আব্দুস সালাম। বাবার একমাত্র সন্তান আতাউল্লাহ পটুয়াখালীর জামিয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসায় পড়াশোনা করেছেন। তিনি দুই সন্তানের বাবা ছিলেন।

    স্থানীয়রা জানান, প্রায় দেড় বছর ধরে মৌকরন ইউনিয়নের শ্রীরামপুর বাজার মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন আতাউল্লাহ। ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি স্থানীয়দের সঙ্গেও তার ভালো সম্পর্ক ছিল। নম্র স্বভাব ও সুন্দর ব্যবহারের কারণে মুসল্লিদের কাছেও তিনি ছিলেন জনপ্রিয়।

    এক প্রতিবেশী জানান, আতাউল্লাহ শান্ত ও ভালো মানুষ ছিলেন। সবার সঙ্গে আন্তরিকভাবে কথা বলতেন এবং কারও সঙ্গে খারাপ আচরণ করতে দেখা যায়নি। নিয়মিত নামাজ আদায় ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতেন তিনি।

    আতাউল্লাহর মামাতো ভাই মহিবুল্লাহ বলেন, পরিবারের একমাত্র সন্তান ছিলেন তিনি। তার দুটি ছোট সন্তান রয়েছে। আকস্মিক এ মৃত্যুতে স্বজনরা গভীরভাবে শোকাহত।

    পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার জোহরের নামাজের পর শ্রীরামপুর বাজার মসজিদের সামনে আতাউল্লাহর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে আসরের নামাজের পর নিজ বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

  • বাউফলে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়ালেন ড. মাসুদ

    বাউফলে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়ালেন ড. মাসুদ

    পটুয়াখালীর বাউফলে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও একটি পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

    বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বগা ইউনিয়নের সাবুপুরা বাজারে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পরিদর্শন করেন তিনি।

    এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও একটি বসতঘরের মালিককে ৭ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। পাশাপাশি প্রত্যেককে দুই বান টিন এবং প্রতিটি পরিবারকে ৩০ কেজি করে চাল দেয়া হয়।

    ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের ক্ষতির তুলনায় আমাদের এই প্রচেষ্টা খুবই সামান্য। তারপরও সান্ত্বনার অংশ হিসেবে আমরা আপনাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছি। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও আপনাদের যেকোনো সমস্যায় পাশে থাকব।’

    তিনি আরো বলেন, ‘আমরা কাউকে দল-মত দেখে সহযোগিতা করি না। এখানে হিন্দু ভাইয়ের দোকান আছে, মুসলিম ভাইয়ের দোকান আছে, অন্য দলের ভাইদের দোকানও আছে। কিন্তু তারা ক্ষতিগ্রস্ত—এটাই আমাদের কাছে মূল বিবেচ্য বিষয়।’

    সহায়তা পেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, আগুনে সর্বস্ব হারিয়ে তারা যখন ভয়াবহ অনিশ্চয়তায় ছিলেন, তখন জনপ্রতিনিধির এই সহায়তা তাদের নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর সাহস জুগিয়েছে। ভবিষ্যতেও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকারি ও সামাজিক সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

    এ সময় বাউফল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, বাউফল উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা রফিকুল ইসলাম, বগা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো: জামাল হোসেন, বগা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম, পটুয়াখালী জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক অফিস সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলামসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • অঘোষিত রাজা বিট কর্মকর্তা

    অঘোষিত রাজা বিট কর্মকর্তা

    দশমিনা উপজেলার নদীবেষ্টিত সবুজ বন এখন দুর্নীতির সাম্রাজ্যে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় জেলে ও নিরীহ মানুষকে জিম্মি করে দুর্নীতির এ সাম্রাজ্যে চলে লাখ লাখ টাকার কারবার। আর ওই সাম্রাজ্যের অঘোষিত রাজা যেন বন বিভাগের বিট কর্মকর্তা রওসান হাছান। বনের সিংহভাগ দুর্নীতির নিয়ন্ত্রকও তিনি।অভিযোগ আছে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করেই চলে তার রাজত্ব। একই কর্মস্থলে বছরের পর বছর চাকরি করলেও রহস্যজনক কারণে বদলি করা হচ্ছে না তাকে। অথচ, সরকারি চাকরির নিয়ম অনুযায়ী তার বদলির সময় পেরিয়ে গেছে বহু আগেই।

    বনের দুর্নীতির সাম্রাজ্যের সঙ্গে রওসান হাছান ছাড়াও বন বিভাগসংশ্লিষ্ট অনেকেই জড়িয়েছেন বলে অভিযোগ আছে। অনিয়ম, দুর্নীতি ও লুটপাটের আখড়ায় পরিণত হওয়া উপজেলা বন বিভাগের বন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুর্নীতির দাপটের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের অভিযোগের অন্ত নেই। বন ও অর্থখেকো কর্তাদের জুলুম-নির্যাতনে অসহায় সাধারণ মানুষ। ২০২১ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি উপজেলার চরহাদীতে এক বিট কর্মকর্তার চাহিদামতো ১২ হাজার টাকা ঘুস দিয়ে ছয়টি মহিষ আটকাবস্থা থেকে মুক্ত করতে না পেরে আত্মহত্যা করেন সুমন হাওলাদার নামে এক রাখাল। আলোচিত সে ঘটনার পরও কর্মকর্তাদের মনের বনে রয়ে গেছে দুর্নীতির শেকড়।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ চরহায়দার, লালচর, চরআলগা, চরহাদি ও চরশাহজালালে বন বিভাগের সামাজিক বনাঞ্চল রয়েছে। বন বিভাগ সূত্র বলছে, চরগুলোতে ২০ হাজার একর বন বিভাগের জমি রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচ হাজার ৮২১ একর বনাঞ্চল রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বিশাল বনাঞ্চল ও জমি থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিট কর্মকর্তা রওসান হাছানসহ বন বিভাগের অসাধু ব্যক্তিরা প্রভাবশালীদের বনের গাছ ও মাটি কেটে খালে বাঁধের পর বাঁধ দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন। প্রতি বছর ফাল্গুন-চৈত্র মাসে পরবর্তী বছরের জন্য ভিন্ন ভিন্নভাবে লাখ লাখ টাকায় লিখিত-অলিখিত বিট দেওয়া হয় চরাঞ্চল। সেইসঙ্গে বনের খালে ঝাড়া দেওয়ার সুযোগ করে দিয়ে লাখ লাখ টাকার ঘুসের কারবার করা হচ্ছে।

    এছাড়া গোপনে বনের গাছ বিক্রি ও বন বিভাগের জমিতে মহিষ চড়ানোর অনুমোতি দিয়ে মাসিক ও বার্ষিক কিস্তিতে হাজার হাজার টাকা আদায় করা হচ্ছে রাখালদের থেকে। নারকেল গাছের ডাব বিক্রি করেও হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে টাকা। তবে, এসব অনিয়মের প্রতিবাদ করলে অত্যাচার, হামলা-মামলা ও হয়রানি করা হয় বলে দাবি স্থানীয়দের।

    মো. অহিদুজ্জামান নামে এক ভুক্তভোগী বলেন, ‘প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর চরের খালে বাঁধ দিতে নিষেধ করেছেন। তারপরও টাকা নিয়ে বন বিভাগ খালে বাঁধ দেওয়ার ব্যবস্থা করে দেয় প্রভাবশালীদের। গণঅধিকার পরিষদের নেতা হওয়ায় আমি প্রতিবাদ করি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আমাকেসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে দুটি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে বন বিভাগ।’

    তিনি বন বিভাগের অনিয়মের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। মামলা প্রত্যাহারেরও দাবি জানান তিনি। সহিদুল ইসলাম নামে একজন বলেন, ‘তাদের শতাধিক মহিষ রয়েছে। বছরে প্রত্যেকটি মহিষের জন্য বিট কর্মকর্তা রওসান হাছানসহ বন বিভাগের লোকজনকে দুই হাজার করে টাকা দিতে হয়। টাকা নিয়ে খালে বাঁধ দেওয়া হয়।’

    হাসান সরদার নামে অন্য একজন বলেন, বন বিভাগের লোকজন চরে লাখ লাখ টাকার কারবার করেন। অভিযোগের বিষয়ে বিট কর্মকর্তা রওসান হাছান যুগান্তরকে বলেন, তিনি চরফাতেমা, চরআলগা ও চরহায়দারের দায়িত্বে আছেন। একই কর্মস্থলে তিন বছরের বেশি সময় আছেন জানিয়ে তিনি বলেন, তার কোনো দুর্নীতির সাম্রাজ্য নেই এবং তিনি কোনো অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নন। তার বিরুদ্ধে করা সব অভিযোগ মিথ্যা বলে তিনি দাবি করেন।

    উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, রওসান হাছান দুর্নীতির গডফাদার বিষয়টি সত্য নয়। তিনি সঠিক দায়িত্ব পালন করেন। বিগত সময়ে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় খালে বাঁধ দেওয়া হলেও এখন সে সুযোগ নেই। বাঁধ কেটে দেওয়া হয়েছে। যারা অন্যায় করেছেন কেবল তাদের বিরুদ্ধেই মামলা করা হয়েছে। অন্যায়ভাবে কাউকে হয়রানি করা হয়নি।

    এ এম

  • গলাচিপা পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি গ্রেপ্তার

    গলাচিপা পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি গ্রেপ্তার

    গলাচিপা পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ সোহাগ প্যাদাকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। রবিবার (১৪ জুন) রাতে পুলিশের একটি টিম গলাচিপা পৌর এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে নিজ বাসা থেকে তাকে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে নাশকতাবিরোধী আইনে মামলা রয়েছে। তিনি মৃত বাদশাহ প্যাদার ছেলে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোহাগ প্যাদা নিষিদ্ধ ঘোষিত পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন। পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার রাতে পৌর এলাকার টিঅ্যান্ডটি রোডে অভিযান চালিয়ে তাকে তার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে।গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে নাশকতাবিরোধী আইনে মামলা রয়েছে। তিনি মৃত বাদশাহ প্যাদার ছেলে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোহাগ প্যাদা নিষিদ্ধ ঘোষিত পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন। পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার রাতে পৌর এলাকার টিঅ্যান্ডটি রোডে অভিযান চালিয়ে তাকে তার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে।

    এ এম

  • ১০ জেলায় ঝড়ের আভাস

    ১০ জেলায় ঝড়ের আভাস

    দেশের ১০ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে শক্তিশালী ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    শুক্রবার (১২ জুন) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানা গেছে।

    এতে বলা হয়েছে—ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলার ওপর দিয়ে পূর্ব অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

    এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

    বি. এ

  • সেই ছাত্রদল নেতার বিয়েতে জামায়াত এমপি মাসুদের উপহার

    সেই ছাত্রদল নেতার বিয়েতে জামায়াত এমপি মাসুদের উপহার

    পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ফাহাদের বিয়ের অনুষ্ঠানে উপহার পাঠালেন জামায়াতের স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

    সোমবার (১ জুন) দুপুরে বাউফল নির্বাচন অফিসের মাঠে আয়োজিত বৌভাত অনুষ্ঠানে এমপির পক্ষ থেকে উপহার সামগ্রী পৌঁছে দেন স্থানীয় জামায়াত ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

    শফিকুল ইসলাম মাসুদের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন সাবেক পটুয়াখালী জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম নুর। এ সময় তিনি নবদম্পতির সুখী ও সমৃদ্ধ দাম্পত্য জীবন কামনা করে ফাহাদের হাতে উপহারসামগ্রী তুলে দেন।

    উপহার সামগ্রী গ্রহণ করে ছাত্রদল নেতা ফাহাদ শফিকুল ইসলাম মাসুদ এবং তার প্রতিনিধি দলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

    প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদকে নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা নেতিবাচক মন্তব্য করে বিতর্কের ঝড় তোলেন ফাহাদ। মাসুদকে নিয়ে তার নানা মন্তব্যকে ঘিরে জামায়াত ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষুব্দ ছিলেন। এমন সেময়ে সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে নিজের বিয়েতে দেওয়া উপহার সামগ্রী গ্রহণ করে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন ছাত্রদল নেতা ফাহাদ। অবশ্য ওই উপহারের প্যাকেটে কী ছিল তা জানা যায়নি।

  • ফেসবুকে ‘উড়াল দেব আকাশে’ লিখে পোস্ট, এরপর নিখোঁজ ইউপি সদস্য

    ফেসবুকে ‘উড়াল দেব আকাশে’ লিখে পোস্ট, এরপর নিখোঁজ ইউপি সদস্য

    পটুয়াখালীতে এক ইউপি সদস্য দুই দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। গত মঙ্গলবার নিখোঁজ হওয়ার দিন তিনি তাঁর ফেসবুক আইডিতে ‘উড়াল দেব আকাশে’ লিখে একটি পোস্ট দেন। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী থানায় জিডি করেছেন।

    নিখোঁজ শহিদুল ইসলাম জোমাদ্দার (৩৮) পটুয়াখালী সদর উপজেলার লোহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। তিনি তাঁর স্ত্রী আফিয়া ঝুমুরকে (৩৪) নিয়ে পটুয়াখালী শহরের সবুজবাগের প্রথম লেনে বসবাস করতেন। তিনি লোহালিয়া ইউনিয়নের লোহালিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

    শহিদুলের স্ত্রী আফিয়া ঝুমুর জানান, গত মঙ্গলবার দুপুরে তাঁরা একসঙ্গে খাবার খান। পরে শহিদুল ব্যক্তিগত কাজের কথা বলে বাসা থেকে বের হন। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে তিনি মুঠোফোনে স্ত্রীকে কল করে জানান, তাঁর মায়ের জন্য কিছু ওষুধ প্রয়োজন। সেগুলো দিতে তিনি গ্রামের বাড়িতে যাবেন এবং কাজ শেষে রাত ৯টা বা ১০টার মধ্যে শহরের বাসায় ফিরবেন। রাত নয়টার দিকে শহিদুলের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এরপর তাঁর বড় বোন শাহনাজ বেগমের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শহিদুল তাঁর গ্রামের বাড়িতে মুঠোফোন চার্জে দিয়ে ঘর থেকে বের হয়েছেন। রাত গভীর হলেও তাঁর আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরদিন স্ত্রী আফিয়া সদর থানায় জিডি করেন।

    আফিয়া ঝুমুর আরও জানান, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর তাঁদের বিয়ে হয়। স্বামীর ব্যক্তিগত বা সামাজিক সম্পর্ক এবং কারও সঙ্গে তাঁর কোনো বিরোধ ছিল কি না, সে বিষয়ে তাঁর কিছু জানা নেই।

    স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় গ্রামের বাড়িতে এসে স্থানীয় বাবু নামের এক ব্যক্তিকে ফোন করে ডেকে নেন শহিদুল ইসলাম। বাবু ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালান। পরে নিজের ব্যবহৃত দুটি ফোন চার্জে লাগিয়ে রেখে ঘর থেকে বের হন শহিদুল। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার পরই তিনি ফোন দুটি রেখে বের হয়ে যান।

    মোটরসাইকেলচালক বাবু জানান, ঘটনার দিন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে তিনি শহিদুল ইসলামকে মোটরসাইকেলে করে লোহালিয়া সেতুর ঢালে পৌঁছে দেন। পরে স্থানীয় ব্যক্তিদের মাধ্যমে তিনি শহিদুল ইসলামের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন।

    সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বলেন, ‘গতকাল বুধবার সকালে আফিয়া ঝুমুর নামে এক নারী তাঁর স্বামী নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগে থানায় জিডি করেন। পরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শহিদুল ইসলাম লোহালিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য। নিখোঁজ হওয়ার দিন তিনি নিজেই ফেসবুকে “উড়াল দেব আকাশে” লিখে একটি স্ট্যাটাস দেন। এতে বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। আমরা সব দিক বিবেচনায় তদন্ত করছি।’