নোবিপ্রবি ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ; কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

শিক্ষা ডেস্ক:

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) বহিরাগতদের নিয়ে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার পর পুরো ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও নতুন করে বিশৃঙ্খলা এড়াতে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও তৎপর রয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে এ সংঘাতের ঘটনা ঘটে। গতকাল মধ্যরাতের পর থেকে বিকেল পর্যন্ত চলমান সংঘর্ষে এক সাংবাদিকসহ অন্তত ৯ জন আহত হন। সংঘর্ষ চলাকালে এক বহিরাগতকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

অনাকাঙ্ক্ষিত এসব ঘটনায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। তবে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার আশ্বাস দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ও হল প্রশাসন। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পাসের পকেট গেট বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম হল এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হলে প্রবেশাধিকার সীমিত করা হয়েছে। কঠোরভাবে শিক্ষার্থীদের পরিচয় নিশ্চিত করার পরই হলে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে প্রক্টরিয়াল বডি সার্বক্ষণিক টহল দিচ্ছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী বলেন, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সুরক্ষামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ক্যাম্পাসে স্থায়ী শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের যৌথ নজরদারি অব্যাহত থাকবে।

Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ