ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গুলিতে নিহত যুবক সুমন মোল্লার (২৫) পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভাঙ্গা পৌর আমির ও গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-৪ আসনের এমপি পদপ্রার্থী মাওলানা মো: সরোয়ার হুসাইন।
শনিবার (৪ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে নিহত সুমনের গ্রামের বাড়ি কাপুরিয়া সদরদীতে গিয়ে তার বাবা-মাসহ পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং গভীর সমবেদনা জানান জামায়াত নেতা সরোয়ার।
এ সময় তিনি বলেন, ‘সুমনের হত্যাকারী যেই হোক, যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ইনশা আল্লাহ এই বাংলার মাটিতে অপরাধীরা বিচারের মুখোমুখি হবেই।’
এ সময় তিনি নিহতের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তা হিসেবে কিছু নগদ অর্থ তুলে দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক খান জসিম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভাঙ্গা উপজেলা শাখার পৌর আমির ডা: মো: এনায়েত হোসেন, জামায়াত নেতা মোহাম্মদ হাফিজ উদ্দিন, লিঠু খন্দকার, পৌর জামায়াতের অর্থবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা ফিরোজ কবির মিয়া, মাওলানা মো: আসাদুজ্জামানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌরসভার দক্ষিণপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কাপুড়িয়া সদরদী ও পূর্ব হাসামদিয়া গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন যুবক সুমন। তাকে প্রথমে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে নিহত সুমনের বাবা মিলন মিয়া ১১ জনের নাম উল্লেখ করে ভাঙ্গা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তবে মামলার কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা যায়নি।
এ ব্যাপারে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। আশা করছি অতি দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হবো।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
