বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের কথিত সমাবেশ ও মিছিলের ঘটনায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এছাড়া পৃথক মামলায় ওয়ারেন্টমূলে ছয়জন এবং নিয়মিত মামলায় আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) কাপাসিয়া থানা পুলিশ ২০ জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর ভোরে কাপাসিয়া থানার বারিষাব ইউনিয়নের পূর্ব লোহাদী এলাকায় ঢাকা-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের ওপর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে বিভিন্ন স্লোগান ও অপপ্রচারের মাধ্যমে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল ও অকার্যকর করার উদ্দেশ্যে সমবেত হন বলে অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনায় ১৪ সেপ্টেম্বর কাপাসিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ৮/৯(১)/৯(২)/৯(৩)/১০/১১/১২ ধারায় মামলা করা হয়।
মামলার পর ১৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে কাপাসিয়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে এজাহারনামীয় ১২ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন—কাপাসিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল রানা (৪৫), তরগাঁও ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আঃ হান্নান (৫১), মো. জহিরুল ইসলাম (২৯), মোস্তাকিম (৩৭), সুমন (২৬), শ্রাবন (১৯), যোবায়ের (১৯), হৃদয় খান (২০), মুন্না হোসেন (১৯), সানী (২২), নিয়ান খান অমি (১৭) ও সুমন (১৬)।
গ্রেপ্তার জুয়েল রানা কাপাসিয়া উপজেলার তরুন এলাকার আব্দুল মান্নানের ছেলে এবং মো. আঃ হান্নান মৈশন এলাকার মৃত ছমির উদ্দিনের ছেলে। অন্যদের বাড়ি কাপাসিয়া উপজেলার খিলগাঁও, ভিটিপাড়া, বেগুনহাটি ও আশপাশের এলাকায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এছাড়া বিভিন্ন মামলায় ওয়ারেন্টমূলে ছয়জন এবং নিয়মিত মামলায় আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গ্রেপ্তারকৃত ২০ জনকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নাশকতা ও সন্ত্রাসবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
