বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,
পিরোজপুরের কাউখালীতে মা ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৬-এর অংশ হিসেবে সন্ধ্যা নদীতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদফতর। এ সময় নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে প্রায় আট হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরের দিকে উপজেলার সন্ধ্যা নদীর চিরাপাড়া মোহনা, লঞ্চঘাট এলাকাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জব্দ করা জালের মধ্যে সাত হাজার মিটার অবৈধ সুতার জাল ও এক হাজার মিটার চায়না দুয়ারি জাল রয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে জব্দ জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
কাউখালী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা মৎস্য অধিদফতরের যৌথ উদ্যোগে এবং নৌ পুলিশের সহযোগিতায় পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: হাফিজুর রহমান।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, ‘মা ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়ার সুযোগ পেলে ভবিষ্যতে ইলিশের উৎপাদন বাড়বে। কিন্তু কিছু অসাধু ও অসচেতন ব্যক্তি সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে অবৈধ জাল ফেলে ইলিশ শিকারের চেষ্টা করছেন। তাদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। আজকের অভিযানে প্রায় আট হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। মা ইলিশ রক্ষায় পুরো প্রজনন মৌসুমে নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কাউখালীর ইউএনও রেহানা আক্তার বলেন, ‘জাতীয় সম্পদ ইলিশ রক্ষা এবং মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করতে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি বজায় থাকবে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ যাতে নদীতে জাল ফেলতে না পারে, সে লক্ষ্যে দিন-রাত তদারকি ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’ এ,আর
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
