বিনোদন

  • বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কিনলেন বিরাট-আনুশকা, কী আছে এতে

    বিলাসবহুল ফ্ল্যাট কিনলেন বিরাট-আনুশকা, কী আছে এতে

    ভারতের তারকা দম্পতি বিরাট কোহলি ও আনুশকা শর্মা আবারও রিয়েল এস্টেটে বড় বিনিয়োগ করেছেন। মুম্বাইয়ের ভারসোভা এলাকায় একটি বিলাসবহুল আবাসনে প্রায় ১৮ কোটি ২৯ লাখ রুপি মূল্যের নতুন ফ্ল্যাট কিনেছেন তারা।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নতুন ফ্ল্যাটটির আয়তন ২ হাজার ৬৪৪ বর্গফুট। বহুতল ভবনের ওপরের দিকের একটি তলায় অবস্থিত এই ফ্ল্যাটের সঙ্গে রয়েছে অতিরিক্ত ৩১৬ বর্গফুট ব্যবহারযোগ্য জায়গা। এছাড়া তিনটি গাড়ি রাখার জন্য নির্দিষ্ট পার্কিং সুবিধাও রয়েছে।

    এর আগে ২০১৬ সালে মুম্বাইয়ের ওরলি এলাকার সমুদ্রঘেঁষা একটি আবাসনের ৩৫তম তলায় ৭ হাজার ১৭১ বর্গফুটের একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট প্রায় ৩৪ কোটি রুপিতে বুক করেছিলেন বিরাট। চার শয়নকক্ষের সেই ফ্ল্যাটের বুকিং পরে বাতিল করা হয়। ফলে চুক্তিটি বাস্তবায়িত হয়নি।

    নতুন এই ফ্ল্যাটের মাধ্যমে বিরাট-আনুশকার সম্পত্তির তালিকায় আরও একটি সংযোজন হলো। এরই মধ্যে মুম্বাই, গুরুগাঁও ও আলিবাগে তাদের একাধিক বিলাসবহুল বাড়ি ও জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ করে আসছেন এই তারকা দম্পতি।

    পশ্চিম দিল্লিতে বেড়ে ওঠা বিরাটের গুরুগ্রামের ডিএলএফ ফেজ-১ এলাকায় প্রায় ১০ হাজার বর্গফুটের একটি বিলাসবহুল বাড়িও রয়েছে। শহরের অন্যতম অভিজাত এলাকায় অবস্থিত বাড়িটির আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮০ কোটি রুপি। সেখানে ব্যক্তিগত সুইমিং পুল, আধুনিক জিমসহ নানা সুযোগ-সুবিধা রয়েছে।

    ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে আলিবাগের আওয়াস সমুদ্রসৈকতের কাছে জিরাড গ্রামে পাঁচ একরের বেশি জমি কেনেন বিরাট ও আনুশকা। জমিটির মূল্য ছিল প্রায় ৩৭ কোটি ৮৬ লাখ রুপি।

    এর আগে ২০২২ সালে আলিবাগেই প্রায় আট একর জমি ১৯ কোটি রুপিতে কিনেছিলেন তারা। পরে সেখানে একটি বিলাসবহুল ভিলা নির্মাণ করেন। সেই ভিলায় রয়েছে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত সুইমিং পুল, বিশেষ নকশার রান্নাঘর, চারটি বাথরুম, জাকুজি, বড় ল্যান্ডস্কেপ বাগান, ছাউনি দেওয়া পার্কিং এবং কর্মীদের থাকার জন্য আলাদা ব্যবস্থা।

  • ভুল করছি আবার সেই ভুল থেকেই নিজেকে গড়ছি: আইশা খান

    ভুল করছি আবার সেই ভুল থেকেই নিজেকে গড়ছি: আইশা খান

    অভিনয়ের জগতে জনপ্রিয়তা অনেকটা জোয়ারের মতো। কেউ সেই জোয়ারে ভেসে যান, কেউ আবার দাঁড়িয়ে থাকেন নিজের তীরে। আইশা খান যেন দ্বিতীয় দলের মানুষ। আলোচনায় থাকার চেয়ে তিনি বেশি বিশ্বাস করেন নিজেকে প্রস্তুত করে তোলায়। চরিত্রের ভেতর ডুবে যাওয়াকে তিনি মনে করেন অভিনয়ের সবচেয়ে বড় অনুশীলন। তাই কাজের সংখ্যা নয়, প্রতিটি কাজের গভীরতাই তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

    উপস্থাপনা দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও খুব অল্প সময়েই অভিনয়ে নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন আইশা। ছোট পর্দার নাটক, ওয়েব কনটেন্ট কিংবা বিশেষ প্রযোজনা—প্রতিটি মাধ্যমেই তিনি রেখেছেন সংযত অথচ স্বতন্ত্র উপস্থিতির ছাপ। তাই এখন নাটকের অন্যতম ভরসার নাম আইশা।

    অভিনয়ে কখনও অতিনাটকীয়তা নেই, নেই অকারণ চমক; বরং স্বাভাবিকতা আর পাশের বাড়ির মেয়ের সহজসরল আবহই তাঁকে দর্শকের কাছে আলাদা করে তুলেছে। এবার তাঁর অভিষেক হচ্ছে বড় পর্দায়। যুক্ত হচ্ছে চিত্রনায়িকার পরিচয়। সিনেমার নাম ‘শেকড়’।

    শেকড়ে ফেরার গল্প

    আইশার এই যাত্রায় নতুন সংযোজন প্রসূন রহমান পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘শেকড়’। সিনেমাটিতে তিনি অভিনয় করেছেন ‘ফাল্গুনী’ চরিত্রে। তাঁর বিপরীতে রয়েছেন এফ এস নাঈম। আরও অভিনয় করেছেন একঝাঁক অভিনয়শিল্পী। তবে মধ্যমণি যে আইশা খানই, তাতে সন্দেহ নেই। কারণ এটি তাঁর প্রথম সিনেমা, প্রথম বড় পর্দা, প্রথমবারের মতো চলচ্চিত্রের নায়িকা হওয়ার অভিজ্ঞতা। অভিবাসী মানুষের আত্মপরিচয়ের সংকট, শেকড়ের সন্ধান এবং প্রিয় মানুষদের সঙ্গে আবার যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টার গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘শেকড়’। নির্মাতা প্রসূন রহমানের ভাষায়, এটি মানুষ, মাটি ও স্মৃতির অদৃশ্য বন্ধনের এক আবেগঘন ভাষ্য।

    আজ দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘শেকড়’। এরপর ২ আগস্ট কানাডায় মুক্তি পাবে ছবিটি। আগামী সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডেও সিনেমাটি মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে। দক্ষিণ আমেরিকার কয়েকটি দেশের দর্শকদের জন্য তৈরি হচ্ছে স্প্যানিশ সংস্করণও। তাই প্রথম সিনেমা দিয়েই যেন বিশ্বভ্রমণে বের হচ্ছে আইশার অভিনয়।

    অভিনেত্রী বলেন, শেকড় আমার ক্যারিয়ারের খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। অবশেষে ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে। শেষ হচ্ছে দীর্ঘ অপেক্ষার। দর্শক ছবিটি হলে গিয়ে দেখবেন, এটাই আমার প্রত্যাশা। আমি বিশ্বাস করি, গল্প আর চরিত্র— দুটিই তাদের ভালো লাগবে।

    তিনি আরও বলেন, প্রতিটি চলচ্চিত্রেরই একটি নিজস্ব যাত্রা থাকে। নির্মাতার হাত ধরে সেই যাত্রা শুরু হলেও দর্শকের কাছে পৌঁছানোর মধ্য দিয়েই তা পূর্ণতা পায়। একজন শিল্পী হিসেবে আমি আন্তরিকতার সঙ্গে একটি গল্প বলার চেষ্টা করেছি। সেই গল্প দর্শকের হৃদয়ে পৌঁছাতে পারছে কিনা, সেটি এবার দর্শকদের কাছ থেকেই জানতে চাই।”

    যেন পরিণত হওয়ার পথ

    অনেক সময় একটি সফল কাজ শিল্পীকে আরও ব্যস্ত করে তোলে। আইশা যেন উল্টো পথে হাঁটছেন। তাঁর কাছে সাফল্য কোনো গন্তব্য নয়; বরং আরও ভালো হওয়ার দায়। তিনি বলেন, শেকড়-এর পর আপাতত নতুন কোনো কাজে যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা নেই। আমি এখনও শিখছি, ভুল করছি, আবার সেই ভুল থেকেই নিজেকে গড়ে তুলছি। যখন আবার পর্দায় ফিরব, চাই আরও পরিণত একজন অভিনেত্রী হিসেবে ফিরব।”

    এই কথার মধ্যেই যেন ধরা পড়ে তাঁর শিল্পদর্শন। দ্রুত আলোয় আসার চেয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার প্রস্তুতিতেই তিনি বেশি বিশ্বাসী। শেকড়-কে আপাতত শেখার যাত্রারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বলে মনে করছেন তিনি। তাই আপাতত নতুন সিনেমা নয়, নিজের প্রস্তুতির দিকেই মনোযোগ দিতে চান।

    আইশা বলেন, আমি থিয়েট্রিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে আসিনি। তাই প্রতিদিনই শিখছি। প্রতিটি চরিত্র আমাকে নতুন করে ভাবতে শেখায়। এই শেখার পথটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

  • আইসিইউতে চিত্রনায়িকা মেঘলা মুক্তা

    আইসিইউতে চিত্রনায়িকা মেঘলা মুক্তা

    রাজধানীর একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন চিত্রনায়িকা মেঘলা মুক্তা। তার জরুরি অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি চলছে। আজ বুধবার (২৯ জুলাই) অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানানো হচ্ছে যে, মেঘলা মুক্তা ভয়াবহ এক দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। বর্তমানে আইসিইউতে রয়েছেন তিনি এবং তার অস্ত্রোপচারের জন্য প্রস্তুতি চলছে। আর এই কঠিন সময়ে তাকে আপনারা সবাই প্রার্থনায় রাখুন। আমরা তার সফল অস্ত্রোপচার এবং দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।

    এছাড়াও বিবৃতিতে তার ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশে কোনো ধরনের অপপ্রচার না চালানোর জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, অনুগ্রহ করে কোনো যাচাইহীন তথ্য বা গুজব ছড়াবেন না কেউ। নতুন কোনো আপডেট পাওয়া মাত্রই আপনাদের তা অফিশিয়াল পেজের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।

    এর আগে, গত ২৭ জুলাই ফেসবুকে ভাঙা ফোনের কয়েকটি ছবি দিয়ে মেঘলা মুক্তা লিখেছিলেন, আমার ফোনটি অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এজন্য কিছুদিন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকব। আপনারা ফেসবুক বা হোয়াসঅ্যাপে আমাকে পাবেন না। তবে জরুরি বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনে সরাসরি নম্বরে ফোন করবেন।

    উল্লেখ্য, তেলেগু সিনেমা ‘সাকালা কালা ভাল্লাভুডু’ সিনেমায় অভিনয় করে বেশি আলোচনায় আসেন মেঘলা মুক্তা। তবে শুরুর দিকে র‍্যাম্পে কাজ করেছেন তিনি। আর মডেল হিসেবে বিলবোর্ড এবং মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেছেন। তার অভিনীত সিনেমাগুলোর মধ্যে আছে- ‘পায়ের ছাপ’, ‘কাঠগোলাপ’ ও আগুনের পাখি’।

  • রজনীকান্ত ও বিজয়ের পথে কি হাঁটবেন ধানুশ?

    রজনীকান্ত ও বিজয়ের পথে কি হাঁটবেন ধানুশ?

    দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা ধানুশ রাজনীতিতে আসছেন, এমন গুঞ্জন আলোচনায় এসেছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি অভিনেতা। তবে তাঁর ফ্যান ক্লাবগুলোর সাংগঠনিক কার্যক্রম, জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ এবং সাম্প্রতিক কিছু কর্মকাণ্ড ঘিরে তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।

    ভক্তদের উদ্দেশে দেওয়া এক বক্তব্যে ধানুশ তাঁদের সামাজিক কাজে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আজ আপনারা সবাই এখানে একত্র হয়েছেন। এভাবে একসঙ্গে হতে পারাটাই আমাদের শক্তি। এই শক্তিকে একটি স্পষ্ট উদ্দেশ্যে কাজে লাগান এবং মানুষের পাশে দাঁড়ান। আরও জনকল্যাণমূলক কাজ করুন। প্রতিবেশীদের সমস্যাগুলো জানুন, তাঁদের একজন হয়ে পাশে দাঁড়ান এবং সাহায্য করুন।’

    তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে চলচ্চিত্র তারকাদের প্রবেশ নতুন নয়। রজনীকান্ত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজনীতিতে আসার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি ‘আধ্যাত্মিক রাজনীতি’র কথা বললেও পরে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। অন্যদিকে অভিনেতা বিজয়ের রাজনৈতিক দল গঠনের পর দক্ষিণের আরেক বড় তারকা হিসেবে ধানুশকে নিয়েও আলোচনা বাড়ছে।

    ধানুশের রাজনৈতিক ভাবনা নিয়েও নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি এক বক্তব্যের শেষে তিনি ‘ওম নমঃ শিবায়’ উচ্চারণ করায় তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

    রজনীকান্ত ও ধানুশছবি: এক্স

    ধানুশের রাজনীতিতে আসার সম্ভাবনা নিয়ে ৯ জুলাই প্রতিবেদন প্রকাশ করে টাইমস অব ইন্ডিয়া। সেখানে বলা হয়, সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ধানুশের বাবা নির্মাতা কস্তুরি রাজাকে তাঁর ছেলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। এর আগে কস্তুরি রাজা মন্তব্য করেছিলেন, তাঁর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কেউ কেউ ভবিষ্যতে রাজনীতিতে আসতে পারেন। তবে ধানুশকে নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো উত্তর দেননি।

    কস্তুরি রাজা বলেন, ‘আগেও বলেছি, এই প্রশ্ন ধানুশকেই করা উচিত।’

    একই প্রতিবেদনে ধানুশের ফ্যান ক্লাবের নেতা ও পরিচালক সুব্রামানিয়াম শিবার বক্তব্যও উঠে আসে। ধানুশের ফ্যান ক্লাবের পতাকা ঘিরে তৈরি হওয়া জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে তিনি বলেন, এটি নতুন কোনো রাজনৈতিক পতাকা নয়। প্রায় ১৫ বছর ধরে বিয়ে, কান ফোঁড়ানো অনুষ্ঠান, সিনেমার মুক্তিসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এই পতাকা ব্যবহার করে আসছেন ভক্তরা। চলতি বছরের ফ্যান ক্লাব সভার জন্য গাড়িতে ব্যবহারের সুবিধার্থে পতাকার আকার ছোট করে তৈরি করায় অনেকে এটিকে নতুন রাজনৈতিক প্রতীক হিসেবে ধরে নিয়েছেন।

    তামিলনাড়ু রাজ্যের বিধানসভায় বক্তৃতা করছেন মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়ছবি: এএনআই

    ধানুশের রাজনীতিতে প্রবেশের গুঞ্জন নিয়ে ক্ষমতাসীন দল ডিএমকে বলেছে, ‘যে কেউ রাজনীতিতে আসতে চাইলে আমরা তাঁকে স্বাগত জানাই। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সবাই অংশ নিতে পারেন।’

    তবে আপাতত ধানুশের মূল মনোযোগ সিনেমাতেই। আগামী কয়েক বছরে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তাঁর বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্প। ফলে ফ্যান ক্লাবের তৎপরতা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক জল্পনা বাড়ালেও ধানুশ নিজে এখনো রাজনীতিতে আসার বিষয়ে কোনো ঘোষণা দেননি।

  • ধারাবাহিক নাটকে তটিনী

    ধারাবাহিক নাটকে তটিনী

    অল্প সময়েই ছোট পর্দার নির্মাতাদের ভরসা হয়ে উঠেছেন তানজিম সাইয়ারা তটিনী। বর্তমান সময়ের অন্যতম ব্যস্ত অভিনেত্রী তিনি। নিয়মিত টিভি ও ইউটিউবে মুক্তি পাচ্ছে তাঁর অভিনীত নাটক। মাঝে মাঝে ওটিটিতেও দেখা যায় তাঁকে। ২০২১ সালে ‘হাউজ নং ৯৬’ নামের একটি ধারাবাহিকে অভিনয় করেছিলেন তটিনি। পাঁচ বছর পর আবারও যুক্ত হলেন ধারাবাহিক নাটকে। ‘ফিরে আসার গল্প’ নামের ধারাবাহিকটি নির্মাণ করছেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ।

    গতকাল ফিরে আসার গল্প ধারাবাহিকে তটিনীর লুক প্রকাশ করে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিনেমাওয়ালা এন্টারটেইনমেন্ট। এতে তাঁর অভিনীত চরিত্রের নাম নূরজাহান। ধারাবাহিকটিতে আরও অভিনয় করবেন খায়রুল বাসার, শহীদুজ্জামান সেলিম, সুমাইয়া শিমু, ফাইজুল ইয়ামিন, মনিরা মিঠু, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, দীপা খন্দকার, এজাজুল ইসলাম, মুকিত জাকারিয়া প্রমুখ। এই নাটক দিয়ে দীর্ঘদিন পর ধারাবাহিকে ফিরছেন সুমাইয়া শিমু।

    মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের বানানো সবশেষ ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’। পাকিস্তানি সিরিয়ালের অনুপ্রেরণায় পারিবারিক গল্পে নির্মিত হয়েছিল এটি। প্রচারের শুরু থেকেই সাড়া ফেলেছিল দর্শকদের মাঝে। নির্মাতা জানিয়েছেন, নতুন ধারাবাহিকেও দেখা যাবে পরিবারের গল্প। এখন শুটিংয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আগামী মাসে শুরু হবে শুটিং। তখনই নাটকটি নিয়ে বিস্তারিত জানাবেন।

    এর আগে মোস্তফা কামাল রাজের একাধিক নাটকে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা আছে তটিনীর। নির্মাতার ‘তোমাদের গল্প’, ‘তোমাদের গল্প ২’, ‘সম্পর্কের গল্প’ নাটকগুলোতে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তটিনী। এ ছাড়া সম্প্রতি শেষ করেছেন রাজের ‘পথহারা’ নাটকের শুটিং। এতে আরও অভিনয় করেছেন জাহিদ হাসান, খায়রুল বাসার, দীপা খন্দকার প্রমুখ।

    তটিনীকে সবশেষ দেখা গেছে জাকারিয়া সৌখিনের ‘কাজল চোখের মেয়ে’ নাটকে। এতে তাঁর সহশিল্পী ফারহান আহমেদ জোভান। ইউটিউবে প্রকাশের পর থেকে প্রশংসিত হচ্ছে নাটকটি। মাত্র ৮ দিনে ১৩ মিলিয়নের বেশি ভিউ হয়েছে। এদিকে আজ সিএমভি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ পাচ্ছে তটিনীর আরেক নাটক ‘অমর প্রেম’। পরিচালনা করেছেন জাহিদুল ইসলাম সুজন। এতে তটিনীর বিপরীতে আছেন পার্থ শেখ।

    নাটকের পাশাপাশি তটিনীকে নিয়ে সিনেমা বানানোর কথাও ভাবছেন নির্মাতারা। মাঝে মাঝেই খবর প্রকাশ পায় সিনেমায় নাম লেখাচ্ছেন তিনি। তবে তটিনী জানালেন, একাধিক প্রস্তাব পেলেও সিনেমা নিয়ে এখনই ভাবতে চান না তিনি। নাটকেই এখন পুরো মনোযোগ তাঁর। নিজেকে আরও প্রস্তুত করে বড় পর্দায় নাম লেখাতে চান তটিনী।

  • স্বামী-সন্তান নিয়ে হঠাৎ কেন ভারতে ফিরলেন প্রিয়াঙ্কা

    স্বামী-সন্তান নিয়ে হঠাৎ কেন ভারতে ফিরলেন প্রিয়াঙ্কা

    বলিউড থেকে অনেক আগেই হলিউডে পাড়ি জমিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। এখন বেশিরভাগ সময় সেখানেই থাকেন তিনি। প্রায় আট বছর পর বলিউড সিনেমায় দেখা যাবে তাকে। তার এই প্রত্যাবর্তন যে বড় মাপের কিছু হতে পারে, তার ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। সিনেমার বেশিরভাগ শুটিং হওয়ার পর হঠাৎ নিজ দেশে পা রাখলেন দেশি গার্ল। স্বামী নিক জোনাস ও মেয়ে মালতি মেরিকে নিয়ে ভারতে পৌঁছান তিনি।

    আজ রোববার বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় তাদের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও হায়দরাবাদ সফর নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানাননি প্রিয়াঙ্কা।

    ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এস এস রাজামৌলি পরিচালিত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘বারাণসী’-এর শুটিংয়ে অংশ নিতে তিনি ভারতে এসেছে।

    বিমানবন্দরে প্রিয়াঙ্কাকে দেখা যায় গাঢ় বাদামি রঙের কো-অর্ড সেট, অফ-শোল্ডার টপ, বেইজ ক্যাপ, কালো সানগ্লাস ও বাদামি ফ্ল্যাট জুতা পরে। অন্যদিকে নিক জোনাস ছিলেন পুরো কালো পোশাকে। তিনি কালো শার্ট ও ট্রাউজারের সঙ্গে চেক ডিজাইনের স্নিকার্স এবং সানগ্লাস পরেছিলেন। তাদের মেয়ে মালতি মেরিকে কোলে নিয়েই বিমানবন্দর থেকে বের হতে দেখা যায় নিককে।

    ‘বারাণসী’ সিনেমার মাধ্যমে দীর্ঘ বিরতির পর আবারও ভারতীয় ভাষার চলচ্চিত্রে ফিরছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। সর্বশেষ ২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য স্কাই ইজ পিঙ্ক’-এ অভিনয় করেছিলেন তিনি।

    চলতি মাসে প্রিয়াঙ্কার জন্মদিন উপলক্ষে সিনেমাটিতে তার চরিত্র ‘মন্দাকিনী’-র প্রথম লুক প্রকাশ করা হয়। পোস্টারে কালো পোশাকে হাতে বন্দুক নিয়ে তীব্র অভিব্যক্তিতে দেখা যায় অভিনেত্রীকে।

    সিনেমাটির নাম প্রথম ঘোষণা করা হয় ২০২৫ সালের ১৫ নভেম্বর হায়দরাবাদে আয়োজিত ‘গ্লোবট্রটার’ অনুষ্ঠানে। সেখানে উপস্থিত অতিথিদের জন্য বিশেষ ফুটেজও প্রদর্শন করা হয়েছিল। পরে ১৮ জুলাই প্রিয়াঙ্কার জন্মদিনে সেই ঝলক বিশ্বজুড়ে প্রকাশ করা হয়।

    রাজামৌলি পরিচালিত এই সিনেমায় প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করছেন মহেশ বাবু। ছবিটি ২০২৭ সালের ৭ এপ্রিল প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পরিকল্পনা রয়েছে।

    সম্প্রতি ‘হে জোনাস’ পডকাস্টে প্রিয়াঙ্কা জানিয়েছিলেন, বলিউডের গসিপ সম্পর্কে অনেক সময় নিক জোনাস তার চেয়েও বেশি জানেন। হাসতে হাসতে তিনি বলেন, ‘নিক এমন অনেক খবর জানে, যেগুলো আমি নিজেও জানি না। একবার কাউকে আমার শুভেচ্ছা জানাতে বলেছিলাম, তখন সে বলল, না, ওদের তো ব্রেকআপ হয়ে গেছে।’

    নিকও স্বীকার করেন, তিনি নিয়মিত কয়েকটি বলিউড গসিপ অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করেন, যদিও সেগুলোর নাম প্রকাশ করেননি।

    উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রথম পরিচয় হয় প্রিয়াঙ্কা ও নিকের। ২০১৭ সালের মেট গালায় প্রথমবার একসঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা যায় তাঁদের। ২০১৮ সালে বিয়ের পর ২০২২ সালের জানুয়ারিতে সারোগেসির মাধ্যমে কন্যা মালতি মেরির বাবা-মা হন এই তারকা দম্পতি। সূত্র: এনডিটিভি

  • যুক্তরাষ্ট্রের ১৬ শহরে গাইবেন কনা

    যুক্তরাষ্ট্রের ১৬ শহরে গাইবেন কনা

    জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী দিলশাদ নাহার কনা মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কনসার্টের উদ্দেশে আমেরিকা ট্যুরে গেছেন। তবে কবে, কোথায় গাইবেন, সেসব না জানিয়ে পাড়ি জমান সাতসমুদ্দর তেরো নদীর ওপারে। রেখেছিলেন গোপন। শনিবার সেটি প্রকাশ করলেন। কনা জানান, তার এই ট্যুর আয়োজন করছে দেশি মিউজিক এন্টারটেইনমেন্ট।

    একটি সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ১৬ শহরে গান গাইবেন গায়িকা কনা। যেসব শহরে গাইবেন, তার মধ্যে রয়েছে— ইন্ডিয়ানা, মিশিগান, আটলান্টিক সিটি, লস অ্যাঞ্জেলেসে, ওকলোহামা সিটি, ডালাস, হিউস্টন, শিকাগো, বস্টন, অরল্যান্ডো, ওয়াশিংটন ডিসি, মিয়ামি, আটলান্টা, আবেয়া, অ্যারিজোনা ও নিউইয়র্ক। তার এ কনসার্ট ট্যুর শুরু হচ্ছে ২৫ জুলাই থেকে। আর শেষ হবে আগামী ৩ অক্টোবর। প্রায় তিন মাস ধরে তিনি দেশটির বিভিন্ন শহরে গান শোনাবেন। দেশের শিল্পীদের মধ্যে এটা অন্যতম দীর্ঘ সংগীত সফর বটে।

    আমেরিকা যাওয়ার সামাজিক মাধ্যমে এ সংগীতশিল্পী ঘোষণা দিয়েছেন। সেখানে কনা লিখেছেন— ‘প্রিয় আমেরিকাবাসী, আমি আসছি তোমাদের শহরে। চলো, একসঙ্গে স্মরণীয় কিছু মুহূর্ত উপভোগ করি।’

    এর আগে কনার সর্বশেষ গান প্রকাশ হয়েছে ১১ জুলাই সিএমভির ইউটিউব চ্যানেলে— ‘তোমার হতে চাই’ গানটি। রবিউল ইসলাম জীবনের কথায় গানটির সুর ও সংগীত করেছেন সজীব দাস। গানে কনার সঙ্গে দ্বৈত গেয়েছেনও সজীব। এটি ব্যবহৃত হয়েছে রাফাত মজুমদার রিংকুর নাটক ‘ভালোবাসার গল্প’তে।

  • নান্দনিক সাজে ভক্তদের ধরা দিলেন তটিনী

    নান্দনিক সাজে ভক্তদের ধরা দিলেন তটিনী

    অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী অভিনয়ের পাশাপাশি প্রায়ই সামাজিক মাধ্যমে নিজেকে নান্দনিক সাজে মেলে ধরেন। এবারও সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে নিজেকে মেলে ধরেন অনন্য রূপে।

    সম্প্রতি ফেসবুক পেজে নান্দনিক সোনালি কাজের লাল একটি শাড়ি পরে ছবি শেয়ার করে নিয়েছেন অভিনেত্রী। সঙ্গে পরনে লাল ব্লাউজ, হাতে লাল চুড়ি, গলায় অলংকার আর চুলে খোঁপা। লাল টকটকে শাড়িতে ঝলমলে হাসি আর কপালে লাল টিপ; একগুচ্ছ চেনা-অচেনা মিষ্টি ভঙ্গির ছবিতে সামাজিক মাধ্যমে ধরা দিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দিয়েছেন তটিনী।

    পোস্ট করা ছবিগুলো ইনডোর লোকেশনে তোলা। কখনো মৃদু হাসিতে, আবার কখনো চোখ নামিয়ে পোজ দিয়েছেন। আবার কানের কাছে হাত রেখে মিষ্টি ভঙ্গিতেও ক্যামেরা বন্দি হয়েছেন অভিনেত্রী। ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক হিসেবে জুড়ে দিয়েছেন রবীন্দ্রনাথের অমর সৃষ্টি ‘ভালোবেসে সখী’ গানটি। আর সেই গানেরই একটি কথা টেনে তটিনী লিখেছেন— ‘আমার নামটি লিখো, তোমার মনের মন্দিরে।’

    নিজের সাবলীল অভিনয় ও স্নিগ্ধ উপস্থিতি দিয়ে সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে। সুন্দরী এ তারকার এমন মিষ্টি আকুতি আর চোখজুড়ানো রূপের ঝলক দেখে চোখ ফেরাতে পারছেন না ভক্ত-অনুরাগীরা।

    পোস্টটি করা মাত্রই লাইক, কমেন্ট আর শেয়ারের ঝড় উঠেছে সামাজিক মাধ্যমে। অভিনেত্রীর রূপ ও ক্যাপশনের সঙ্গে মিলিয়ে অনুরাগীরা মন্তব্য বক্সে কাব্যিক সব অনুভূতির প্রকাশ ঘটাচ্ছেন। অনেকেই রবীন্দ্রনাথের গানের কলি কমেন্ট বক্সে লিখেছেন— আমার পরানে যে গান বাজিছে তাহার তালটি শিখো।’

  • দৃষ্টিনন্দন মেহেদির নকশায় পরীমনি

    দৃষ্টিনন্দন মেহেদির নকশায় পরীমনি

    ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনিকে এখন আর রুপালি পর্দায় খুব একটা দেখা যায় না। অভিনেত্রী কাজের চেয়ে নিজের এবং সন্তানের দিকেই বেশি নজর দিচ্ছেন। তবে তার ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে বরাবরই সরব তিনি। এবার সামাজিক মাধ্যমে তার ‘সানকিসড’ ফটো নিয়েই আলোচনায় এলেন পরীমনি।

    পরীমনিকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা যাই হোক না কেন, তার রূপের জাদু ভক্ত-অনুরাগীদের মুগ্ধ করে। বেশি কিছু ছবি সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী। শেয়ার করা সেই ছবিতে দেখা যায়, এক শান্ত, মনোরম পরিবেশে যেন নিজেকে হারিয়ে ফেলেছেন তিনি। পরিমনির মুখের শান্ত অভিব্যক্তি এবং আধবোজা চোখ দেখে মনে হচ্ছে— মিঠে রোদ নয়, বরং কোনো অদৃশ্য ভালোবাসার উষ্ণতা অনুভব করছেন তিনি। তার হাতে দেখা যাচ্ছে নজরকাড়া মেহেদির নকশা। সঙ্গে কমলা-খয়েরি প্রিন্টের পোশাক।

    পরীমনির হাতে নান্দনিক মেহেদির নকশা, শান্ত মুখে রোদের পরশ। যেন এক অপার্থিব সৌন্দর্য হয়েই ধরা দিলেন। সাতসকালেই সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকের স্ক্রিনে তিনটি ক্লোজআপ ছবি ভেসে উঠল। আর তাতেই চোখ আটকে গেল ভক্ত-অনুরাগীদের। ছবির সঙ্গে অভিনেত্রীর ছোট্ট ক্যাপশন— ‘সানশাইন’।

    সেই ছবি পোস্ট করার মুহূর্তেই নেটিজেনদের মাঝে ভাইরাল হয়ে পড়ে। ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে। পোস্ট করা ছবির কমেন্টবক্সে ভক্ত-অনুরাগীরা তার মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন। ভক্তদের অনেকেই আবার মেহেদির নকশা নিয়ে প্রশ্ন করেছেন— কে এই মেহেদি পরিয়ে দিল?

  • আইসোলেশনে শাবানা আজমি

    আইসোলেশনে শাবানা আজমি

    বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শাবানা আজমি হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। অসুস্থতার কারণে চিকিৎসকের পরামর্শে বর্তমানে আইসোলেশনে রয়েছেন এ অভিনেত্রী। সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। সে কারণে আগে থেকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া দেশটিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনে প্রতিবাদ কর্মসূচিতেও অংশ নিতে পারেননি তিনি।

    একটি ছাত্র সংগঠনের আয়োজনে প্রতিবাদসভায় তার উপস্থিত থাকার কথা ছিল। সেখানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন শাবানা আজমি। তবে হঠাৎ সোয়াইন ফ্লু ধরা পড়ায় চিকিৎসক তাকে বাড়ির বাইরে যেতে নিষেধ করেছেন। সংক্রমণ যাতে অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্যই তাকে আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে শাবানা আজমি বলেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে না পারায় তিনি হতাশ। শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে না পারলেও শিক্ষার্থীদের প্রতি তার সমর্থন সবসময় থাকবে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে দ্রুত সুস্থতার জন্য সবার কাছে প্রার্থনা কামনা করেছেন অভিনেত্রী।

    শাবানার অসুস্থতার খবর সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ্যে আসার পর তার ভক্ত-অনুরাগী ও শুভানুধ্যায়ীরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।

    সোয়াইন ফ্লু একটি ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ। এ রোগে সাধারণত জ্বর, সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা ও ক্লান্তির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টও হতে পারে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে আক্রান্ত ব্যক্তিকে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলার পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।

    উল্লেখ্য, অভিনেত্রী শাবানা আজমি দীর্ঘদিন ধরে অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিজের মতপ্রকাশ করে আসছেন। ছাত্র আন্দোলন, মানবাধিকার ও নারী অধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাকে সরব হতে দেখা গেছে। এবার অসুস্থতার কারণে ছাত্রদের ওই কর্মসূচিতে অংশ নিতে না পারায় আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন তিনি। এর আগে গত ২০ জুলাই ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিতে হাজারো নাগরিকের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন শাবানা আজমি।