বিনোদন

  • ডলি সায়ন্তনীকে বিয়ে করাটা বড় ভুল ছিল: রবি চৌধুরী

    ডলি সায়ন্তনীকে বিয়ে করাটা বড় ভুল ছিল: রবি চৌধুরী

    চলতি বছর একটি পডকাস্টে সাবেক স্ত্রী ডলি সায়ন্তনীর সঙ্গে বিচ্ছেদের কারণ জানিয়ে তুমুল আলোচনায় আসেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরী। তিনি দাবি করেন- তার অজান্তে ডলি এক কোরিয়া প্রবাসী গাড়িচালকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরেই তিনি ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেন।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রবি চৌধুরী এবার জানান, তার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল তার প্রথম বিয়ে। তবে অতীত নিয়ে আর আলোচনা করতে চান না বলেও জানান এই শিল্পী।

    রবি চৌধুরীর কথায়, ‘আমার প্রথম বিয়েটাই জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল। সুযোগ থাকলে সেই অতীত পুরোপুরি মুছে ফেলতে চাইতাম। কিন্তু সেটা তো আর সম্ভব নয়। তাই সেই অতীত নিয়ে এখন আর কথা বলতে চাই না।’

    নব্বই দশকের শেষভাগে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ডলি সায়ন্তনীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে রবির। ২০০০ সালের দিকে বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় দ্বৈত গানে কণ্ঠ দেন তারা। কাজের সূত্রেই দুজনের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে এবং ২০০১ সালে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে দাম্পত্য জীবনে মতবিরোধ ও কলহের কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই তাদের সংসার জীবনের ইতি ঘটে।

    সাক্ষাৎকারে রবি চৌধুরীর জনপ্রিয় গান ‘কাল নাগিনী’ নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। ‘ঘুরাও দু নয়ন’ অ্যালবামের এই গান কি তার সাবেক স্ত্রী ডলি সায়ন্তনীকে উদ্দেশ করে লেখা হয়েছিল- এমন প্রশ্নের জবাবে রহস্য বজায় রাখেন তিনি।

    হাস্যরসের সুরে রবি চৌধুরী বলেন, ‘সবসময় তো আর বন্দুক দিয়ে মারতে হয় না, মাঝে মাঝে কলম দিয়েও মারা যায়। গানটি আমার নিজের লেখা। তবে কাকে নিয়ে লিখেছিলাম, সেটা এখন আর বলতে চাই না।’

  • ‘ইত্যাদি’ এবার লক্ষ্মীপুরে

    ‘ইত্যাদি’ এবার লক্ষ্মীপুরে

    লোকজ ইতিহাস, সভ্যতা, সংস্কৃতি, পুরাকীর্তি, অনন্য পর্যটন এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের অজানা সব বৈচিত্র্যময় গৌরবগাথাকে দর্শকের সামনে তুলে ধরে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’। সেই ধারাবাহিকতায় এবারের পর্বের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে নদীঘেরা উপকূলীয় জনপদ লক্ষ্মীপুরকে। স্থানীয় ইতিহাস ও সৌন্দর্যকে উপজীব্য করে মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছিল শতবর্ষ প্রাচীন দালাল বাজার জমিদারের স্মৃতিবহনকারী নবীন কিশোর উচ্চ বিদ্যালয়ের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে।

    ইত্যাদির ধারণকে ঘিরে পুরো লক্ষ্মীপুরজুড়ে ছিল উৎসবের আবহ। দুপুরের পর থেকেই অনুষ্ঠানস্থলে আসতে শুরু করেন দর্শকরা। প্রতিবারের মতো এবারও স্থানীয় জেলা প্রশাসনের মাধ্যমেই দর্শকদের জন্য আমন্ত্রণপত্র বিতরণ করা হয়। দেখতে দেখতে নির্ধারিত সময়ের আগেই অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ কানায়-কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে। জেলা সদরে আয়োজিত হলেও দূর-দূরান্তের উপজেলা, এমনকি পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলা থেকেও ছুটে এসেছিলেন নানা শ্রেণী-পেশার দর্শক।

    এবারের অনুষ্ঠানে থাকছে দুটি বিশেষ গান। একটিতে কণ্ঠ মিলিয়েছেন লক্ষ্মীপুরের কণ্ঠশিল্পী তানজিনা রুমা এবং ফেনীর কণ্ঠশিল্পী সাজিয়া সুলতানা পুতুল। গীতিকার কবির বকুলের কথায় দরদী সুরে গানটি সৃষ্টি করেছেন আকাশ মাহমুদ।

    অন্যদিকে, প্রতিবারের মতো এবারও থাকছে জেলা-পরিচিতিমূলক নৃত্যগীত। মনিরুজ্জামান পলাশের কথায় গানটির সুর-সংগীতায়োজন করেছেন উজ্জ্বল সিনহা। তানজিনা রুমা ও রাজিবের কণ্ঠে সুরের মূর্ছনায়, এস কে জাহিদের কোরিওগ্রাফিতে মঞ্চ মাতিয়েছেন স্থানীয় নৃত্যশিল্পীরা।

    দর্শকপর্বে লক্ষ্মীপুরকে ঘিরে করা প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে উপস্থিত দর্শকের মধ্যে থেকে চারজনকে নির্বাচন করা হয়। তারপর এই নির্বাচিত দর্শকরা তাদের জেলারই কৃতিসন্তান জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা জামানের সঙ্গে অভিনয় করেন।

    পৃথিবীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্টজয়ী প্রথম বাংলাদেশি নারী, লক্ষ্মীপুরের সন্তান নিশাত মজুমদারের একটি বিশেষ সাক্ষাৎকার। বলেছেন পর্বতারোহণ ও ইত্যাদি নিয়ে তার অনুভূতির কথা।

    প্রতিবারের মতো এবারের পর্বেও থাকছে কয়েকটি অনবদ্য প্রতিবেদন। লক্ষ্মীপুরের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য বিস্তৃত মাঠজুড়ে সয়াবিনের সমারোহ, নারিকেল ও সুপারিগাছের সারি। এসবের চিত্র তুলে ধরার পাশাপাশি অনুষ্ঠানে জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান-স্থাপনার ওপর রয়েছে একটি তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন। শিক্ষা ও উদ্দীপনার অনন্য এক উদাহরণ হিসেবে সেখানকার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওপর রয়েছে উদ্দীপনামূলক প্রতিবেদন।

    এ ছাড়াও রয়েছে নদী আর ভাগ্যের সঙ্গে অবিরাম লড়াই করা লক্ষ্মীপুরের এক নিঃস্ব মাঝিকে নিয়ে একটি মানবিক প্রতিবেদন। একসময় নদী যার আয়ের উৎস ছিল, আজ সেই নদীই তাদের নিঃস্ব করেছে।

    এবারের বিদেশি পর্বে রয়েছে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ-ফেরত সৈনিকদের তৈরি অন্যতম জনপ্রিয় ও চোখধাঁধানো উপকূলীয় পথ বিশ্বের দীর্ঘতম যুদ্ধস্তম্ভ ‘গ্রেট ওশান রোড’।

    থাকছে কাশেম টিভির রিপোর্টার ও নাতির প্রাণবন্ত আলাপ। এ ছাড়াও ইত্যাদির নিয়মিত আয়োজন চিঠিপত্র পর্ব ছাড়াও রয়েছে বেশকিছু সামাজিক অসংগতি ও সমসাময়িক প্রসঙ্গনির্ভর তীক্ষ্ম ও তীর্যক নাট্যাংশ। তৈল টিভি, মুখোশের অন্তরালে, স্ক্রিনবন্দি জীবন, উন্নয়ন প্রতারণা, বিয়ে যন্ত্রণা, সবাই ডাক্তার, ইউটিউব ফিভার, ডিজিটাল চিকিৎসা, খাঁটি সোনা ও নকল সোনাসহ বেশ কয়েকটি নাট্যাংশ।

    এবারের ইত্যাদিতে উল্লেখযোগ্য শিল্পীরা হলেন সোলায়মান খোকা, আজম খান, সুভাশিষ ভৌমিক, আবদুল্লাহ রানা, মীর নাসিমুল ইসলাম সেলিম, জিল্লুর রহমান, আব্দুল আজিজ, বড়দা মিঠু, শরাফ আহমেদ জীবন, হারুন রশিদ বান্টি, আশরাফুল আলম সোহাগ, সুমন পাটোয়ারী, আমিন আজাদ, মুকিত জাকারিয়া, আনন্দ খালেদ, সাইদুর রহমান পাভেল, এমএনইউ রাজু, আনোয়ারুল আলম সজল, আনোয়ার শাহী, জামিল হোসেন, সাবরিনা নিসা, জাহিদ শিকদার, কামাল বায়েজিদ, সাজ্জাদ সাজু, নূরে আলম নয়ন, সুজাত শিমুল, সুবর্ণা মজুমদার, তারিক স্বপন, মুকুল সিরাজ, নজরুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন, সূচনা শিকদার, নিপু, বেলাল আহমেদ মুরাদসহ আরও অনেকে। শিল্প নির্দেশনা ও মঞ্চ পরিকল্পনায় ছিলেন মুকিমুল আনোয়ার মুকিম।

    আগামী শুক্রবার বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর প্রচার হবে দর্শকপ্রিয় ইত্যাদির এই পর্ব। রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন। স্পন্সর করেছে যথারীতি কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড।

  • অনেক কেঁদেছিলাম: ভাবনা

    অনেক কেঁদেছিলাম: ভাবনা

    সম্প্রতি ওমরাহ পালন করে দেশে ফিরেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আশনা হাবিব ভাবনা। যা তিনি নিজেই জানিয়েছেন সামাজিক মাধ্যমে। প্রকাশ করেছেন একাধিক ওমরাহ সফরের ছবিও। এবার ফেসবুকে জানালেন ওমরাহর পেছনের গল্প।

    গতকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই) এক পোস্টে ভাবনা লিখেছেন, ‘আমাদের ওমরাহ করতে যাওয়ার সিদ্ধান্তটা হুট করে হয়। যদিও হুট করে বললে ঠিক হবে কি না। কারণ বাবা-মা সবসময় যেতে চাইতেন। আমিও যেতে চেয়েছি গত তিন বছরে, তবে সত্যি কথা হলো আমি সিদ্ধান্তে অটুট ছিলাম না। কারণ যাব ভেবেছি তারপর আর হয়নি। এবার ঈদের পর ব্যাংককে যাই। তারপর যেদিন ব্যাংককে আমার শেষ রাত পরদিন বাংলাদেশে চলে আসব। জুনের ৬ তারিখ। আমি রাতে অনেক কাঁদছিলাম আর দিয়াকে (আমার বান্ধবী) বলছিলাম আমি আল্লাহর ঘরে যেতে চাই, যত দ্রুত সম্ভব। আমার যেন কিছুতেই মন মানছিল না। মনে হচ্ছিল আমি অনেক কাঁদব আল্লাহর ঘরে গিয়ে। জুনের ২৫ তারিখ আমরা সবাই ওমরাহ করতে রওনা হই।’

    এরপর লিখেছেন, ‘আমি ফেসবুকে ততটুকুই বলি, যতটুকু বলতে চাই। এই কথাটা এজন্যই বললাম যে, আল্লাহ আমাকে তার ঘরে আসার সুযোগ দিয়েছেন। ৬ তারিখ রাত থেকে ২৫ তারিখ, কয়েকদিনের মধ্যেই আমি আল্লাহর মেহমান হতে পেরেছি।’

    নেটিজেনরা অভিনেত্রীর ওমরাহ’র ছবিগুলো দেখে অনেকেই অনেক কথা বলেছেন। যারা সমালোচনা করেছেন তাদের উদ্দেশে ভাবনা লিখেছেন, ‘আমার ওমরাহ নিয়ে আপনারা অনেক উত্তেজিত (সবাই না কিছু মানুষ)। আমার ওমরাহ হবে কি হবে না? আজেবাজে মন্তব্য করা, এটা নতুন কিছু নয়। আপনারা যারা বাজে মন্তব্য করেন তারা সংখ্যায় খুবই কম। তবে এতটুকু আপনারা নিশ্চিত জানেন, আল্লাহ যদি না চায় আপনি কি তার ঘরে যেতে পারবেন?’

    অভিনেত্রীর কথায়, ‘আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ আমাকে অনেক ভালোবাসেন, আল্লাহ তার সব বান্দাদের ভালোবাসেন। জানি না আমার ওমরাহ কবুল হয়েছে কি না। আমি কিছু জানি না। তবে এতটুকু জানি আল্লাহ আছেন। আল্লাহ সব দেখেন। আমার মনে কি আছে, আমার নিয়ত কি আল্লাহ সব বোঝেন। আমি অন্য কাউকে প্রমাণ দেব না আমি কে? আমার আল্লাহ ছাড়া আমি আর কাউকেই কিছু প্রমাণ করতে চাই না।’

    সবশেষে তিনি লিখেছেন, ‘অনেকে বলতে পারেন, ফেসবুকে কেন ওমরাহর ছবি দিলাম। আমি মক্কা-মদিনায় প্রতিটি মুহূর্ত কী কী অনুভব করেছি তা আমি আপনাদের বলতে পারিনি। তবে যারা আমাকে ফলো করে, যারা পজিটিভ মানসিকতার মানুষ তারা আমার এই সময়টা আমাকে দোয়া দিয়েছেন। সে কারণে ছবি দিয়েছি, যাতে আমাকে দেখে আরও কেউ যদি অনুপ্রাণিত হয় সেখানেই আমার সার্থকতা হবে।’

  • শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে কেন সরব হলেন আলিয়া ভাট?

    শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে কেন সরব হলেন আলিয়া ভাট?

    শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন নিয়ে অবশেষে মুখ খুলতে শুরু করেছেন বলিউডের একাধিক তারকা। নিট পরীক্ষাকে ঘিরে বিতর্ক এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে শুরু হওয়া বিক্ষোভ ধীরে ধীরে বড় আকার ধারণ করেছে। দীর্ঘদিন তারকাদের নীরবতা নিয়ে সমালোচনা চললেও সাম্প্রতিক পরিস্থিতির পর কয়েকজন অভিনেতা শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার রাতে শিক্ষার্থীদের সংকট নিয়ে কথা বলেন সালমান খান। এরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্দোলনকারীদের প্রতি সমর্থন জানান অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। তার বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    দিল্লির যন্তর মন্তরে টানা ২৬ দিন ধরে চলা আন্দোলন গত ২০ জুলাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সংসদ অভিমুখে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জের পাশাপাশি কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। এরপর থেকেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়।

    এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে আলিয়া ভাট বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো তাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। তবে একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের দৃঢ় অবস্থান তাকে আশাবাদীও করেছে।

    অভিনেত্রীর ভাষায়, শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন শুধু একটি পরীক্ষার দাবি বা ব্যক্তিগত সমস্যাকে কেন্দ্র করে নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে তাদের ভবিষ্যৎ, পরিবারের স্বপ্ন এবং দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম। তার মতে, আন্দোলনকারীরা নিজেদের অধিকারের পাশাপাশি একটি পুরো প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন।

    শিক্ষার্থীদের সাহস ও দৃঢ়তার প্রশংসা করে আলিয়া আরও বলেন, তাদের অটল অবস্থান সমাজের সামনে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন তুলে ধরেছে। যাদের হাতে দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে ওঠার কথা, তাদের কথা কি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে শোনা হচ্ছে এমন প্রশ্নও তোলেন তিনি।

    শেষে শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ভবিষ্যত তাদেরই। তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনকারীদের প্রতি আলিয়া ভাটের প্রকাশ্য সমর্থনকে অনেকেই তাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে দেখছেন।

  • স্টার সিনেপ্লেক্সে একসঙ্গে মুক্তি পেল ৪ আন্তর্জাতিক সিনেমা

    স্টার সিনেপ্লেক্সে একসঙ্গে মুক্তি পেল ৪ আন্তর্জাতিক সিনেমা

    সিনেমাপ্রেমীদের জন্য এই সপ্তাহান্তে থাকছে একসঙ্গে চারটি ভিন্নধর্মী আন্তর্জাতিক ছবি। শুক্রবার থেকে ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্সে দেখা যাবে হরর, মনস্তাত্ত্বিক সাসপেন্স, বিজ্ঞান কল্পকাহিনিনির্ভর অ্যানিমেশন ও কনসার্ট চলচ্চিত্র চার ঘরানার চার সিনেমা। মাল্টিপ্লেক্স কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শুক্রবার মুক্তি পাচ্ছে ‘এভিল ডেড বার্ন’, ‘প্যাসেঞ্জার’, ‘টাইম হোপার্স: দ্য সিল্ক রোড’ এবং বিলি আইলিশ অভিনীত কনসার্ট চলচ্চিত্র ‘হিট মি হার্ড অ্যান্ড সফট: দ্য ট্যুর’।

    একই দিনে এত ভিন্ন ঘরানার ছবি মুক্তি পাওয়ায় দর্শকদের সামনে পছন্দের সুযোগও তৈরি হয়েছে বেশ কয়েকটি। যারা ভৌতিক অভিজ্ঞতা খুঁজছেন, তাদের জন্য রয়েছে ‘এভিল ডেড বার্ন’। রহস্য ও সাসপেন্স পছন্দ করা দর্শকদের জন্য ‘প্যাসেঞ্জার’। পরিবার নিয়ে সিনেমা দেখতে চাইলে বেছে নেওয়া যেতে পারে অ্যানিমেশন ছবি ‘টাইম হোপার্স: দ্য সিল্ক রোড’। আর বিলি আইলিশের ভক্তদের জন্য রয়েছে বিশেষ কনসার্ট অভিজ্ঞতা।

    ‘এভিল ডেড বার্ন’: ভয়ংকর প্রত্যাবর্তন

    জনপ্রিয় ‘এভিল ডেড’ ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন ছবি ‘এভিল ডেড বার্ন’ পরিচালনা করেছেন সেবাস্তিয়ান ভানিচেক। ছবির সঙ্গে প্রযোজক হিসেবে যুক্ত আছেন স্যাম রাইমি ও রব ট্যাপার্ট। গল্পে দেখা যায়, স্বামীকে হারানোর পর এক তরুণী আশ্রয়ের সন্ধানে স্বামীর পরিবারের সদস্যদের কাছে একটি প্রত্যন্ত বাড়িতে যান। সেখানে পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলনের আবহ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না। রহস্যময় ও অভিশপ্ত ‘বুক অব দ্য ডেড’ সক্রিয় হওয়ার পর পরিস্থিতি দ্রুত ভয়াবহ রূপ নেয়। পরিবারের সদস্যরা একে একে ভয়ংকর শক্তির প্রভাবে বদলে যেতে থাকেন।সুহেইলা ইয়াকুব, হান্টার ডুহান ও লুসিয়ান বুকানন অভিনীত ছবিটিতে রক্তাক্ত দৃশ্য, অন্ধকার পরিবেশ ও ভৌতিক আতঙ্কের সমন্বয় দেখা যাবে।

    ‘প্যাসেঞ্জার’: গাড়ির ভেতরেই শুরু অশুভ আতঙ্ক

    আন্দ্রে ওভ্রেডাল পরিচালিত ‘প্যাসেঞ্জার’ এক তরুণ দম্পতির গল্প। দৈনন্দিন ব্যস্ততা থেকে দূরে থাকতে তারা ভ্যান নিয়ে দীর্ঘ ভ্রমণে বের হন। কিন্তু পথেই ঘটে যায় এমন এক ঘটনা, যা তাদের পুরো যাত্রাকে বদলে দেয়। একটি ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর তারা আহত এক ব্যক্তিকে সাহায্য করেন। এরপর ধীরে ধীরে তাদের মনে হতে থাকে, দুর্ঘটনাস্থল থেকে শুধু ওই মানুষটিকেই তারা সঙ্গে আনেননি তাদের গাড়িতে যেন আরও কিছু উঠে এসেছে। অদৃশ্য সেই অশুভ উপস্থিতিকে ঘিরেই শুরু হয় আতঙ্ক, সন্দেহ ও বাঁচার লড়াই। ছবিতে অভিনয় করেছেন জ্যাকব সিপিও, লু লোবেল ও মেলিসা লিও।

    ‘টাইম হোপার্স: দ্য সিল্ক রোড’: ইতিহাস বাঁচানোর অভিযানে চার শিক্ষার্থী

    শিশু-কিশোরদের পাশাপাশি পরিবারের সবার জন্য উপযোগী অ্যানিমেশন ছবি ‘টাইম হোপার্স: দ্য সিল্ক রোড’। গল্পের শুরু ভবিষ্যতের ২০৫০ সালে। চার মেধাবী শিক্ষার্থী একটি সময়ভ্রমণ যন্ত্রের মাধ্যমে অনিচ্ছাকৃতভাবে চলে যায় অতীতের ৮২৫ খ্রিষ্টাব্দের বাগদাদে।

    সেখানে তারা জানতে পারে, এক দুষ্ট রসায়নবিদ সময়ভ্রমণের প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ইতিহাস থেকে বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারগুলো মুছে ফেলার পরিকল্পনা করছে। এরপর চার শিক্ষার্থীকে জড়িয়ে পড়তে হয় এক রোমাঞ্চকর অভিযানে। মানবসভ্যতার জ্ঞান ও ইতিহাস রক্ষাই হয়ে ওঠে তাদের প্রধান লক্ষ্য।

    বিলি আইলিশের কনসার্ট এবার বড় পর্দায়

    বিলি আইলিশের ভক্তদের জন্য সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হতে পারে ‘হিট মি হার্ড অ্যান্ড সফট: দ্য ট্যুর’। এটি প্রচলিত অর্থে শুধু একটি কনসার্ট রেকর্ডিং নয়। ছবিটি নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে জেমস ক্যামেরনের ত্রিমাত্রিক ধারণপ্রযুক্তি।

    চলচ্চিত্রটিতে বিলি আইলিশের বিশ্বভ্রমণ কনসার্টের ম্যানচেস্টার পর্বের পরিবেশনা তুলে ধরা হয়েছে। ত্রিমাত্রিক প্রযুক্তি ও ডলবি সাউন্ডের কারণে দর্শকেরা বড় পর্দায় কনসার্টের আবহ আরও কাছ থেকে অনুভব করতে পারবেন। ছবিতে থাকছে ‘বার্ডস অব আ ফেদার’ ও ‘লাঞ্চ’-এর মতো জনপ্রিয় গানও। স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়া বিভাগের প্রধান মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আন্তর্জাতিক মানের নতুন সিনেমা বাংলাদেশের দর্শকদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা সব সময়ই থাকে তাদের। একই দিনে চার ভিন্ন ঘরানার ছবি মুক্তি পাওয়ায় দর্শকেরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী সিনেমা বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। হরর, রহস্য, অ্যানিমেশন কিংবা সংগীত এই চার ভিন্ন স্বাদের ছবির মধ্যে শুক্রবার বড় পরয়ে প্রবাসী বাংলা ভাষাভাষী শ্রোতাদের গান শোনাবেন এই কিংবদন্তি শিল্পী।

  • উপস্থাপনায় ফিরলেন রুমানা মালিক মুনমুন

    উপস্থাপনায় ফিরলেন রুমানা মালিক মুনমুন

    ‘লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০০৬’ প্রতিযোগিতা দিয়ে শোবিজে পথচলা শুরু রুমানা মালিক মুনমুনের। অভিনয়ে আসেন তৌকীর আহমেদের পরিচালনায় ‘দারুচিনি দ্বীপ’ সিনেমা দিয়ে। এরপর নাটকেও অভিনয় করেছেন। তবে অভিনেত্রীর পরিচয় ছাপিয়ে তিনি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন উপস্থাপনায়।

    কয়েক বছর আগেই কানাডায় স্থায়ী হওয়ায় দীর্ঘদিন শোবিজ থেকে দূরে ছিলেন মুনমুন। সম্প্রতি দেশে এসেছেন তিনি। একটি পডকাস্টে অংশ নিয়ে জানিয়েছিলেন, রিসার্চবেজ কোনো শোর প্রস্তাব পেলে আবারও তিনি বসতে চান সঞ্চালকের আসনে। তবে, শুধু স্ক্রিনে থাকার জন্য নয়, মানসম্পন্ন কাজ করতে চান, যা মানুষের মন ছুঁয়ে যাবে।

    মুনমুনের সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। সম্প্রতি তিনি যুক্ত হয়েছেন ‘লিজেন্ড অ্যান্ড লিগ্যাসি’ নামের একটি শোতে। এতে মুনমুনের অতিথি হিসেবে দেখা যাবে অভিনয়, সংগীত, শিল্প ও সাহিত্য অঙ্গনের মানুষদের। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে অনুষ্ঠানটির প্রচার। প্রথম পর্বে মুনমুনের অতিথি হয়ে এসেছেন নৃত্যশিল্পী শামীম আরা নিপা। সামনের পর্বগুলোতে মুনমুন কথা বলবেন নাট্যজন মামুনুর রশীদ, আবুল হায়াত, তারিক আনাম খান, সংগীতশিল্পী ফেরদৌসী রহমান, অদিতি মহসিন, নকীব খান, জাদুশিল্পী জুয়েল আইচ, কথাসাহিত্যিক নাসরীন জাহান, স্থপতি রফিক আজম প্রমুখের সঙ্গে।

    লিজেন্ড অ্যান্ড লিগ্যাসি পরিচালনা করছেন সাজ্জাদ হুসাইন। তিনি এক যুগের বেশি সময় পরিচালনা করেছেন ‘আমার আমি’ নামের টক শোটি। আমার আমি দিয়েই উপস্থাপক হিসেবে জনপ্রিয় হয়েছেন মুনমুন।

    নতুন এই অনুষ্ঠান নিয়ে সাজ্জাদ হুসাইন বলেন, ‘বিভিন্ন অঙ্গনের গুণী মানুষদের নিয়ে সাজানো হয়েছে অনুষ্ঠানটি। বাংলাদেশের ইতিহাস বিবেচনায় বিভিন্ন অঙ্গনে যাঁদের ভূমিকা রয়েছে তাঁদেরকে অতিথি হিসেবে রাখার চেষ্টা করেছি। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কাহিনি স্টুডিওস এমন একটা অনুষ্ঠান করতে চাইছিল যেটা আর্কাইভ হিসেবে থাকবে। যেখানে গুণীদের জীবনের গল্পগুলো দর্শকের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। সেভাবেই আমরা অনুষ্ঠানটি ডিজাইন করেছি।’

    মুনমুনকে দিয়ে উপস্থাপনা করানোর বিষয়ে সাজ্জাদ বলেন, ‘অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা ঠিক করার পর আমরা কয়েকজন উপস্থাপকের কথা ভেবেছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কারও সঙ্গে মিলছিল না। এরপর আমার মনে হলো এখানে মুনমুন হলে খুব ভালো হয়। প্রযোজকের সঙ্গে আলোচনা করে মুনমুনের সঙ্গে কথা বলি। যেহেতু মুনমুনের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের কাজের সম্পর্ক। বছরের পর বছর আমরা একসঙ্গে শো করেছি। তাই সে আমার পরিকল্পনাটা সহজেই বুঝতে পারে। মুনমুন দেশে এলে আমরা পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী ৫ থেকে ৮ জুলাই শুটিং করেছি। আমার কাছে মনে হয়েছে আমার আমি অনুষ্ঠানের নতুন কিছু পর্ব শুট করলাম। কারণ, ওই অনুষ্ঠানের রিফ্লেকশন পাওয়া যাবে এতে।’

    কাহিনি স্টুডিওস ইউটিউব চ্যানেল ও ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বঙ্গতে প্রচারিত হচ্ছে লিজেন্ড অ্যান্ড লিগ্যাসি। প্রতি সপ্তাহে মুক্তি পাবে ১৩ পর্বের এই অনুষ্ঠানের নতুন পর্ব।

  • ককরোচ পার্টির সমালোচনা করে তোপের মুখে কঙ্গনা

    ককরোচ পার্টির সমালোচনা করে তোপের মুখে কঙ্গনা

    মোদি সরকারের কোনো প্রকার সমালোচনা সহ্য করতে পারেন না বলিউড তারকা কঙ্গনা রনৌত। যখনই কোনো বিষয়ে প্রতিবাদ ওঠে, তা নিয়ে অভিনেত্রীর মুখের আগল খুলে যায়। আরও একবার তার প্রমাণ মিলল শিক্ষামন্ত্রী ধমেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ঘিরে।

    গত সোমবার লোকসভা অভিযানের কর্মসূচি ছিল তাদের। এমনিতেই মাসখানেক ধরে ভারতের দিল্লির যন্তর মন্তরে একই দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির অবস্থানে বসেছে। সেখানে অনশন ধর্মঘটে ছিলেন সোনম ওয়াং চুক। সব মিলিয়ে দিল্লি উত্তপ্ত। এর মধ্যেই মুখ খুলেছেন কঙ্গনা রনৌত। ককরোচ জনতা পার্টি তথা তরুণদের এই প্রতিবাদের সমালোচনা করেছেন একেবারে তাঁর নিজস্ব চেনা কায়দায়।

    এ তথ্যের পাশাপাশি আনন্দবাজারসহ ভারতের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন নিয়ে কঙ্গনার বক্তব্য, কে পদে থাকবেন আর কে থাকবেন না, বিক্ষোভ দেখিয়ে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে তা ঠিক করা যায় না।

    সংসদ ভবনের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, জনস্বার্থের সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করার সঠিক জায়গা হলো সংসদ। নিট প্রশ্ন-ফাঁসের ঘটনায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে চলা এই আন্দোলন নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে কঙ্গনা বলেন, ‘সংসদের অধিবেশন এমন একটি জায়গা, যেখানে আমরা সব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারি এবং প্রয়োজনীয় প্রশ্ন তুলতে পারি।’

    বিক্ষোভের জেরে সংসদের কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলেও দাবি কঙ্গনার। তাঁর বক্তব্য, ‘জনগণ ভোট দিয়ে যে সরকারকে নির্বাচিত করেছেন, সেই সরকার কীভাবে কাজ করবে, তা ঠিক করার অধিকার তাদেরই রয়েছে। বিক্ষোভ দেখিয়ে সরকারকে চাপে ফেলা ঠিক নয়। সরকার কীভাবে দেশ চালাবে, তা ঠিক করার অধিকার তাদের রয়েছে। যদি এতই আপত্তি থাকে, তা হলে নিজেরাই নির্বাচনে দাঁড়ান। জানি সেই সাহস কারও নেই। তাই ধীরে ধীরে সবাই বিজেপি এবং সনাতন সংস্কৃতির দিকেই ফিরে আসবেন। কারণ, এটাই আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি।

    বাকি সবই বাইরে থেকে ধার করা।’ এমন বক্তব্যের জেরে আন্দোলনকারীদের রোষানলে পড়েছেন কঙ্গনা। অভিনেত্রীর দৃষ্টিভঙ্গি নিরপেক্ষ নয় বলেই দাবি করছেন তারা।

  • মিমের ছবি দেখে প্রশংসায় ভাসালেন ভক্তরা

    মিমের ছবি দেখে প্রশংসায় ভাসালেন ভক্তরা

    জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ও মডেল বিদ্যা সিনহা মিম। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সরব তিনি। ফেসবুকে প্রায়শই নানা মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করে ভক্ত-অনুরাগীদের প্রশংসা কুড়াতে দেখা যায় ‘মালিক’ সিনেমার এই অভিনেত্রীকে।

    গেল শুক্রবার (১৭ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গোলাপি রঙের পোশাকে একগুচ্ছ ছবি আবারও অনুরাগীদের কাছে ধরা দেন জনপ্রিয় এই নায়িকা। ওই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে নেটিজেনরাও তাকে প্রশংসার সাগরে ভাসান। এসব ছবি দেখতে দেখতে ভক্তদের মন্তব্য ও অভিনেত্রী সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেওয়া যাক—

    নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একগুচ্ছ ছবি সম্বলিত পোস্টের ক্যাপশনে ভালোবাসার ইমোজি দিয়ে মিম লিখেছেন, ‘গোলাপি রঙে রাঙা আমি, ভালোবাসায় ভরা মন।’ তবে ছবিগুলো কোনো ওয়েব সিরিজ নাকি সিনেমার দৃশ্যের, সে ব্যাপারে তিনি কিছুই জানাননি। ছবি: অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

    পোস্টটির মন্তব্যের ঘরে অনুরাগীরা অভিনেত্রীর সৌন্দর্যেরে প্রশংসায় পঞ্চমুখ। নানা বিশেষণে তারা প্রিয় অভিনেত্রীকে বর্ণনা করছেন। এই যেমন, সজীব নামের একজন লিখেছেন, ‘আমাদেরও একজন মিম আছেন, যিনি বলিউড–হলিউড, তামিল নায়িকাদের হার মানায়।’ ছবি: অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

    রিশা মনি নামের আরেক নেটিজেনের মন্তব্য, ‘সেরার যদি সেরা সুন্দরী নায়িকা যদি বর্তমানে বাংলাদেশে থাকে সেটা হচ্ছে মীম।’ ছবি: অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

    আরেক ব্যবহারকারীর মন্তব্য যেন বাকি সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে। প্রিয় তারকাকে নিয়ে একজন লিখেছেন, ‘বিদ্যা সিনহা সাহা মিম সৌন্দর্য, আভিজাত্য, প্রতিভা এবং এক মুগ্ধকর ব্যক্তিত্বের অপূর্ব সমন্বয়ে আপনি সত্যিই এমন এক তারকা, যিনি বিশ্বের প্রতিটি কোণ আলোকিত করে তোলেন।’ ছবি: অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

    এদিকে, নব্বই দশকের জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী শমী কায়সার প্রযোজিত একটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন মিম। সরকারি অনুদানে তৈরি সেই ছবির শুটিং ২০২৩ সালে শেষ হলেও মুক্তির কোনো খবর নেই। ছবির নাম ‘দিগন্তে ফুলের আগুন’।

    সর্বশেষ গেল ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় মিম অভিনীত চলচ্চিত্র ‘মালিক’। এতে তিনি অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভর বিপরীতে। যদিও দীর্ঘদিন পর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া ছবিটি আশানুরূপ সাড়া ফেলতে পারেনি। ছবি: অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

    ‘মালিক’ মুক্তির পর জুনে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে মুক্তি পেয়েছে ওয়েব ফিল্ম ‘লাইফলাইন’। কাজী আসাদ পরিচালিত এ ছবিতে অভিনয় করে বেশ আলোড়ন তোলেন এই অভিনেত্রী। ছবি: অভিনেত্রীর ফেসবুক থেকে

  • মেসি, দয়া করে কেঁদো না, আবেগঘন পোস্ট শশীর

    মেসি, দয়া করে কেঁদো না, আবেগঘন পোস্ট শশীর

    ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করার পর লিওনেল মেসির আবেগঘন মুহূর্ত কোটি ভক্তের মতোই স্পর্শ করেছে ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী শারমীন জোহা শশীকে। ম্যাচশেষে মেসির কান্না দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি হৃদয়ছোঁয়া স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি, যা ইতোমধ্যে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    ‘হাজার বছর ধরে’ সিনেমার এ অভিনেত্রী পোস্টের শুরুতেই মেসির প্রতি নিজের অকৃত্রিম ভালোবাসা প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘আমি তোমাকে ভালোবেসেছি, ভালোবাসি এবং সব সময় ভালোবাসব। তুমি সর্বকালের সেরা। মেসি, তুমি দয়া করে কেঁদো না।’

    নিজেকে আর্জেন্টিনার সমর্থক উল্লেখ করে শশী লেখেন, জীবনে সবাই সবকিছু পায় না—এটাই বাস্তবতা। তাই একটি পরাজয় কখনোই মেসির অসাধারণ অর্জন ও কিংবদন্তি মর্যাদাকে ম্লান করতে পারে না। তার ভাষায়, ‘আজকের দিনটি হয়তো তোমার ছিল না। কিন্তু তাই বলে তুমি কোনো অংশেই কম নও। তোমার ছোট ছোট অপূর্ণতাগুলোই তোমাকে আরও সুন্দর করে তোলে।’

    ফাইনাল শেষে স্পেন যখন শিরোপা জয়ের উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে, তখন নিজের অনুভূতির কথাও তুলে ধরেন এই অভিনেত্রী। তিনি লেখেন, ‘স্পেন যখন উদ্‌যাপনে ব্যস্ত ছিল, আমি দর্শকদের ভিড়ে দাঁড়িয়ে টেলিভিশনের পর্দায় শুধু ১০ নম্বর জার্সিটির দিকেই তাকিয়ে ছিলাম। আমার চোখ সেখানেই আটকে ছিল।’

    পুরো বিশ্বকাপজুড়ে মেসির নেতৃত্ব ও পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে শশী বলেন, জয়-পরাজয়কে কীভাবে গ্রহণ করতে হয়, তা মেসিই শিখিয়েছেন। টুর্নামেন্টজুড়ে অসাধারণ ফুটবল উপহার দেওয়ার জন্য তিনি আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে ধন্যবাদ জানান।

    স্ট্যাটাসের শেষেও মেসি ও আর্জেন্টিনার প্রতি নিজের অটুট ভালোবাসার কথা পুনর্ব্যক্ত করে শশী লেখেন, ‘আজকের দিনটা একসময় হারিয়ে যাবে, কিন্তু মেসি কখনো হারিয়ে যাবে না। তাই এখনো আমার কণ্ঠে একটাই ধ্বনি—মেসি সর্বকালের সেরা, আর সেরা আর্জেন্টিনা।’

    শশীর এই আবেগঘন স্ট্যাটাসে আর্জেন্টিনা ও মেসির অসংখ্য সমর্থক একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। অনেকেই মন্তব্যে লিখেছেন, একটি হার কখনোই লিওনেল মেসির কিংবদন্তি ক্যারিয়ার বা তার প্রতি ভালোবাসাকে ম্লান করতে পারবে না।

  • হিনা-শিল্পা দ্বন্দ্বে নতুন মোড়, ‘লক আপ ২’ ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে

    হিনা-শিল্পা দ্বন্দ্বে নতুন মোড়, ‘লক আপ ২’ ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে

    নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘লক আপ’ সিজন ২-এ বড় চমক নিয়ে হাজির হতে পারেন অভিনেত্রী হিনা খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে তার অংশগ্রহণের জোর গুঞ্জন ছড়িয়েছে। আর তাতেই নতুন করে আলোচনায় এসেছে প্রতিযোগী শিল্পা শিন্ডের সঙ্গে তার পুরোনো দ্বন্দ্ব।

    ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া ফোরামসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী পর্বগুলোতে বিশেষ অতিথি হিসেবে হিনা খান ও উরফি জাভেদ শোতে যোগ দেবেন। যদিও এখনো বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেননি নির্মাতারা।

    হিনা ও শিল্পার বিরোধ নতুন নয়। ‘বিগ বস ১১’-এ অংশ নেওয়ার সময় থেকেই তাদের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়। সম্প্রতি সেই বিতর্ক আবারও সামনে আসে, যখন ভরতি সিংয়ের পডকাস্টে শিল্পা স্বীকার করেন যে, প্রযোজক সঞ্জয় কোহলির সঙ্গে আইনি বিরোধ চলাকালে তিনি তার বিরুদ্ধে মিথ্যা যৌন হয়রানির অভিযোগ করেছিলেন।

    শিল্পার এই স্বীকারোক্তির পর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে কড়া প্রতিক্রিয়া জানান হিনা। তিনি লেখেন, ‘কোনো বিরোধে জিততে নিজের লিঙ্গ পরিচয় ব্যবহার করে কারও ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করা অত্যন্ত লজ্জাজনক। এর বিরুদ্ধে মানুষ যে প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং বিচার চাইছে, সেটাই স্বাভাবিক। আমি সত্যিই হতবাক।’

    হিনা আরও দাবি করেন, এই ঘটনায় প্রকৃত ভুক্তভোগী ছিলেন সঞ্জয় কোহলি। একই সঙ্গে প্রশ্ন তোলেন, অভিযোগের পরও কেন ওই প্রযোজক আবার শিল্পার সঙ্গে কাজ করেছিলেন। তার ভাষায়, ‘শেষ পর্যন্ত হাসির পাত্র তো আমরাই।’

    এরপর পরোক্ষভাবে হিনাকে নিশানা করেন শিল্পা শিন্ডে। তিনি হিনার ক্যানসারের চিকিৎসা এবং বাবার মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘মানুষ কবে যে আমার নাম ব্যবহার করে প্রচার পাওয়া বন্ধ করবে, জানি না। চলন্ত ট্রেনে উঠতে যাবেন না, আঘাত পাবেন। প্রচার পাওয়ার জন্য আপনার নিজের অসুস্থতা আছে, পরিবারের সদস্যের মৃত্যুর ঘটনাও আছে। তাহলে শিলপা শিন্ডেকে কেন দরকার? আপনি তো আগেই যথেষ্ট প্রচার পেয়েছেন।’

    হিনা যদি সত্যিই ‘লক আপ ২’-এ হাজির হন, তাহলে বহুদিনের এই দ্বন্দ্ব নতুন মোড় নিতে পারে বলেই মনে করছেন দর্শকরা। তবে তাদের মুখোমুখি হওয়ার বিষয়টি নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি। সূত্র: এনডিটিভি