বিনোদন

  • ২৪ জুলাই সম্মাননা পাচ্ছেন রুনা লায়লা, বন্যার্তদের সহায়তায় গাইবেন গান

    ২৪ জুলাই সম্মাননা পাচ্ছেন রুনা লায়লা, বন্যার্তদের সহায়তায় গাইবেন গান

    ১৮ জুলাই রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লাকে সম্মাননা দেওয়ার অনুষ্ঠান। তবে দেশের বন্যা পরিস্থিতির কারণে পিছিয়ে দেওয়া হয় সেই অনুষ্ঠান। গতকাল বৃহস্পতিবার শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, ২৪ জুলাই বসবে বিশেষ এই আসর। শিল্পকলা একাডেমির পক্ষ থেকে জানানো হয়, রুনা লায়লাকে সম্মাননা প্রদানের পাশাপাশি এ অনুষ্ঠান থেকে বন্যার্ত মানুষের জন্য তহবিল গঠন করা হবে।

    শিল্পকলা একাডেমি এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, রুনা লায়লার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে এবং সংগীতের ভুবনে তাঁর অবদানকে জাতীয়ভাবে সম্মানিত করার লক্ষ্যে তাঁকে সম্মাননা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২৪ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়েছে রুনা লায়লাকে সম্মাননা প্রদান ও একক সংগীতানুষ্ঠান। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এই অনুষ্ঠানে বন্যার্তদের সাহায্যার্থে গাইবেন রুনা লায়লা। ছয় দশকের বেশি সময়ের সংগীত ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম শিল্পকলায় একক সংগীতানুষ্ঠানে গান শোনাবেন রুনা লায়লা।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সভাপতিত্ব করবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ (রেজাউদ্দিন স্টালিন)।

    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় গত বছর থেকে দেশবরেণ্য শিল্পীদের সম্মাননা ও একক গানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে। গত সেপ্টেম্বরে সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীনকে দিয়ে শুরু হয় এই আয়োজন। সবশেষ গত জুনে সম্মাননা দেওয়া হয় সৈয়দ আব্দুল হাদীকে।

  • আবারও বিয়ে করছেন পরী, ঠেকাতে পারলেন না হ্যারি কেইন!

    আবারও বিয়ে করছেন পরী, ঠেকাতে পারলেন না হ্যারি কেইন!

    ম্যাচ শুরুর আগে ঘোষণা দিয়েছিলেন, আর্জেন্টিনা শিরোপা জিতলে আবারও বিয়ে করবেন। আর প্রিয় দলের জয় নিশ্চিত হতেই সেই ঘোষণার ধারাবাহিকতায় ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইনকে উদ্দেশ্য করে নতুন পোস্ট দিলেন ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী পরীমনি।

    আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল চলাকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পরীমনি লিখেছিলেন, ‘আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে আমি আবার একটা বিয়া করবো, ফাইনাল।’ ফুটবল উন্মাদনার আবহে দেওয়া তাঁর এই পোস্ট মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অল্প সময়েই এতে হাজারো প্রতিক্রিয়া ও শেয়ার জমা হয়। তবে পোস্টটির মন্তব্যের সুযোগ বন্ধ রেখেছিলেন অভিনেত্রী।

    ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনা জয় নিশ্চিত করার পর আবারও ফেসবুকে সরব হন পরীমনি। এবার তিনি লেখেন, ‘হ্যারি কেইন, পারলে না তুমি আমার বিয়েটা ঠেকাতে।’ ইংল্যান্ডের অধিনায়কের উদ্দেশে করা এই রসিকতাপূর্ণ মন্তব্যও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    পরীমনির দুই পোস্টই মূলত ফুটবলকে ঘিরে তাঁর উচ্ছ্বাসের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন ভক্তরা। অনেকেই মজার ছলে তাঁর ঘোষণার বাস্তবায়ন নিয়েও মন্তব্য করছেন বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

    ব্যক্তিজীবনে একাধিক বিয়ে ও বিচ্ছেদের কারণে এর আগেও আলোচনায় ছিলেন পরীমনি। সর্বশেষ ২০২১ সালে অভিনেতা শরিফুল রাজকে বিয়ে করেন তিনি। তাঁদের সংসারে শাহীম মুহাম্মদ পুণ্য নামে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। দাম্পত্য কলহের পর ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে তাঁদের আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ হয়।

    বর্তমানে সন্তানদের নিয়ে সিঙ্গেল মাদার হিসেবে জীবনযাপনের পাশাপাশি চলচ্চিত্র ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে নিয়মিত কাজ করছেন পরীমনি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে দেওয়া তাঁর টানা দুই ফেসবুক পোস্ট এবারও ভক্তদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে।

  • চমক দিতে তার খুব বেশি আয়োজনের প্রয়োজন হয় না

    চমক দিতে তার খুব বেশি আয়োজনের প্রয়োজন হয় না

    বিয়ন্সে, পুরো নাম বিয়ন্সে গিসেল নোলস-কার্টার। তিনি আবারও প্রমাণ করলেন, চমক দিতে তাঁর খুব বেশি আয়োজনের প্রয়োজন হয় না। কোনো আগাম ঘোষণা ছাড়াই সম্প্রতি প্রকাশ করেছেন তাঁর নতুন সিঙ্গেল ‘মর্নিং ডিউ (ডঙ্ক)’। তাতেই বিশ্বজুড়ে ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে উন্মাদনা। তবে এটি কেবল একটি নতুন গান নয়; এর মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম সফল অ্যালবাম ‘বি-ডে’র ২০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপনের আনুষ্ঠানিক কাউন্টডাউন।

    ২০২৪ সালে ‘কাউবয় কার্টার’ অ্যালবাম দিয়ে সংগীতাঙ্গনে আলোড়ন তৈরির পর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার শ্রোতার সামনে হাজির হলেন এই গান নিয়ে। মুক্তির পর থেকেই ‘মর্নিং ডিউ’ স্পটিফাই, অ্যাপল মিউজিকসহ বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। ভক্তদের কাছে এটি যেন একই সঙ্গে নতুন গান ও পুরোনো স্মৃতির এক আবেগঘন ফিরে দেখা।

    ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত হয়েছিল ‘বি-ডে’ শিরোনামে বিয়ন্সের অ্যালবাম। এটি ছিল তাঁর দ্বিতীয় একক স্টুডিও অ্যালবাম। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই অ্যালবামটির প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ কপি বিক্রি হয়েছিল। ‘ডেজা ভু’, ‘ইররিপ্লেসেবল’, ‘বিউটিফুল লায়ার’ কিংবা ‘গেট মি বডিড’-এর মতো একের পর এক জনপ্রিয় গান এই অ্যালবামকে পপসংগীতের ইতিহাসে একটি বিশেষ জায়গা করে দেয়। চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে অ্যালবামটির ২০ বছর পূর্ণ হবে। পাশাপাশি আগামী ৪ সেপ্টেম্বর, বিয়ন্সের ৪৬তম জন্মদিনে প্রকাশ করা হবে ‘বি-ডে’র বিশেষ সংস্করণ। সেই বিশেষ সংস্করণেই যুক্ত হয়েছে ‘মর্নিং ডিউ’।

    নতুন এই গানের গল্পও বেশ ব্যতিক্রমী। গানটি নতুন হলেও এর জন্ম হয়েছিল ২০১৩ সালে প্রকাশিত স্বনামের ‘বিয়ন্সে’ অ্যালবামের জন্য। শেষ পর্যন্ত গানটি অ্যালবামে স্থান পায়নি। এরপর দীর্ঘ নীরবতা। ২০২৩ সালে গানটির একটি ডেমো সংস্করণ অনলাইনে ফাঁস হয়ে যায়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সেটি টিকটকে ভাইরাল হয়ে পড়ে। হাজার হাজার ব্যবহারকারী সেই ডেমো ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি করেন। ভক্তদের দীর্ঘদিনের আগ্রহ ও অনুরোধের পর অবশেষে বিয়ন্সের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘পার্কউড এন্টারটেইনমেন্ট’ গানটি প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয়।

    গানটির গীতরচনায় বিয়ন্সের সঙ্গে কাজ করেছেন ফারেল উইলিয়ামস, অ্যাঞ্জেলা শেরি উডস, ড্যারিয়াস ডিকসন এবং দ্য ড্রিম। সংগীত প্রযোজনার দায়িত্বও ভাগাভাগি করেছেন বিয়ন্সে ও ফারেল উইলিয়ামস। ফারেলের সঙ্গে বিয়ন্সের রসায়ন নতুন নয়। অতীতেও তাঁদের একাধিক সফল সহযোগিতা শ্রোতার প্রশংসা কুড়িয়েছে। ‘মর্নিং ডিউ’-এ সেই পরিচিত ঘরানার সঙ্গে আধুনিক আরঅ্যান্ডবি ও পপের মিশেল তৈরি হয়েছে, যা গানটিকে দিয়েছে আলাদা আবেদন। গানের পাশাপাশি প্রকাশ করা হয়েছে একটি সাদাকালো ভিজ্যুয়াল ভিডিও, যা ইতোমধ্যে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন বিয়ন্সের দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও খ্যাতিমান ফটোগ্রাফার ক্লিফ ওয়াটস।

    ভিডিওটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো, এতে ব্যবহার করা হয়েছে ২০০৭ সালে ‘স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেড’ ইস্যুর ফটোশুট চলাকালীন ধারণ করা বিয়ন্সের অপ্রকাশিত আর্কাইভ ফুটেজ। নতুন গানের সঙ্গে পুরোনো সেই মুহূর্তগুলোর সংমিশ্রণ দর্শককে যেন এক লহমায় ফিরিয়ে নিয়ে যায় দুই দশক আগের বিয়ন্সের সোনালি সময়ে। ভিডিওটি শুধুই একটি মিউজিক ভিডিও নয়, বরং তাঁর ক্যারিয়ারের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের স্মৃতিচারণ।
    পপসংগীতের ইতিহাসে বিয়ন্সে এমন একজন শিল্পী, যিনি প্রতিটি অ্যালবামের মাধ্যমে নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করেছেন। ‘ডেঞ্জারাসলি ইন লাভ’ থেকে ‘লেমনেড’, ‘রেনেসাঁ’ কিংবা ‘কাউবয় কার্টার’ প্রতিটি অধ্যায়ে তিনি ভেঙেছেন প্রচলিত ধারা। ‘মর্নিং ডিউ’ সেই ধারাবাহিকতায় এক ভিন্ন সংযোজন। এটি যেমন অতীতের অপ্রকাশিত একটি গানকে নতুন জীবন দিয়েছে, তেমনি ‘বি-ডে’র বিশ বছর পূর্তিকে ঘিরে ভক্তদের আবেগও নতুন করে দিয়েছে।

    বিশ্বজুড়ে সংগীতপ্রেমীরা এখন অপেক্ষায় আছেন সেপ্টেম্বরের বিশেষ সংস্করণের জন্য। কারণ, ‘মর্নিং ডিউ’ শুধু একটি নতুন সিঙ্গেল নয়; এটি বিয়ন্সের দীর্ঘ সংগীতযাত্রার এক নস্টালজিক অধ্যায়ের দরজা খুলে দিয়েছে, যেখানে অতীতের স্মৃতি আর বর্তমানের সাফল্য এক হয়ে তৈরি করেছে নতুন এক উদযাপনের গল্প।

  • বোরকা পরে আদালতে ববি

    বোরকা পরে আদালতে ববি

    প্রতারণার মামলায় আত্মসমর্পণের পর জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববি। আজ বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন তিনি। এ সময় ববিকে দেখা যায় বোরকা ও সানগ্লাস পরে হাজির হতে, সঙ্গে অনেকেই ছিলেন।

    শুনানি শেষে আদালত এক হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। ববির পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ঢাকা বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোক্তার।

    এর আগে, ১২ জুলাই রাজধানীর গুলশান থানায় ইটুই সলিউশনস লিমিটেডের সিনিয়র ম্যানেজার মেহেদি আলম প্রিন্স ববিসহ চারজনের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন বিটিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মির্জা আবুল বাশার, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আব্দুল আহাদ মিয়া এবং অ্যাডমিন সোহেল রানা।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ১২ নভেম্বর আবুল বাশার তার প্রতিষ্ঠানের জন্য লিথিয়াম আয়রন ব্যাটারি সরবরাহের অনুরোধ করেন। সেই অনুরোধের ভিত্তিতে ২০ নভেম্বর গুলশানে বিটিএলের কার্যালয়ে পাঁচটি ৬৪ ভোল্টের ১৭০ অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি সরবরাহ করা হয়, যার মোট মূল্য ছিল ৬ লাখ ৭২ হাজার ৯৫৪ টাকা।

    অভিযোগ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে ব্যাটারির মূল্য পরিশোধ না করে আসামিরা নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন। পরে চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি পাওনা টাকা চাইতে গেলে মেহেদি আলম প্রিন্সকে অর্থ দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাকে হুমকি-ধামকি দিয়ে অফিস থেকে বের করে দেওয়া হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে ব্যাটারির ৬ লাখ ৭২ হাজার ৯৫৪ টাকা আত্মসাৎ করেছেন আসামিরা।

  • তৃতীয় বিয়ের পর ‘লাভ জিহাদ’ বিতর্ক, ব্যাখ্যা দিলেন আমির খান

    তৃতীয় বিয়ের পর ‘লাভ জিহাদ’ বিতর্ক, ব্যাখ্যা দিলেন আমির খান

    তৃতীয় বিয়ে নিয়ে নতুন করে শুরু হওয়া ‘লাভ জিহাদ’ বিতর্কের জবাব দিয়েছেন বলিউড অভিনেতা আমির খান। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তার কোনো স্ত্রী বা বর্তমান সঙ্গী কখনো ধর্ম পরিবর্তন করেননি। তাদের বিয়ে হয়েছে সিভিল ম্যারেজের মাধ্যমে, যেখানে ধর্মান্তরের কোনো প্রশ্নই ছিল না।

    সম্প্রতি রেডিফকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আমির বলেন, ‘গৌরী, কিরণ রাও কিংবা রিনা দত্ত—কেউ তাদের ধর্ম পরিবর্তন করেনি। আমাদের সিভিল ম্যারেজ হয়েছে। গৌরী হিন্দুও নন, তিনি খ্রিস্টান। তবে তিনি নিয়মিত ধর্মচর্চাও করেন না। সময়ের সঙ্গে জীবন যেন আরও হাস্যকর হয়ে উঠছে।’

    দীর্ঘদিন ধরেই ভিন্ন ধর্মের নারীদের সঙ্গে সম্পর্ক ও বিয়ের কারণে ‘লাভ জিহাদ’-এর অভিযোগের মুখে পড়তে হয়েছে আমির খানকে। বিশেষ করে সম্প্রতি গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করার পর সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে। তবে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন অভিনেতা। তিনি বলেন, তার পরিবার বরাবরই বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতিকে সম্মান করে এসেছে।

    আমিরের ভাষায়, ‘আমাদের পরিবার খুবই অন্তর্ভুক্তিমূলক। আমার দুই বোন হিন্দু পরিবারে বিয়ে করেছেন। আমার মেয়ে ইরা খানের স্বামীও হিন্দু। আমার চাচাতো ভাই মনসুর খান একজন খ্রিস্টান নারীকে বিয়ে করেছেন।’

    আমির বলেন, তার সব সম্পর্কই পারস্পরিক সম্মান ও বোঝাপড়ার ওপর দাঁড়িয়ে ছিল, ধর্মের ওপর নয়। তাই তার ব্যক্তিগত জীবনকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

    গত ৫ জুলাই মুম্বাইয়ের নিজ বাসভবনে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তৃতীয়বারের মতো বিয়ে করেন আমির খান। তার বর্তমান স্ত্রী গৌরী স্প্র্যাট।

    এর আগে রিনা দত্ত ও কিরণ রাও–এর সঙ্গে তার দুটি বিয়ে হয়েছিল। বিচ্ছেদের পরও দুই সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে সম্মানজনক সম্পর্ক বজায় রেখেছেন বলে বিভিন্ন সময় জানিয়েছেন এই অভিনেতা। সহ-অভিভাবকত্ব (কো-প্যারেন্টিং) এবং পারিবারিক বন্ধন বজায় রাখার বিষয়েও তিনি বরাবরই ইতিবাচক অবস্থানের কথা তুলে ধরেছেন। সূত্র: ইন ইন্ডিয়া

  • রুনা লায়লাকে সম্মাননা দেওয়ার আয়োজন পিছিয়ে গেল

    রুনা লায়লাকে সম্মাননা দেওয়ার আয়োজন পিছিয়ে গেল

    দীর্ঘ ৬২ বছরের ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে একক সংগীত পরিবেশন করবেন কিংবদন্তি শিল্পী রুনা লায়লা। আগামী ১৮ জুলাই একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনের মূল মঞ্চে গান গাওয়ার কথা ছিল তার। পাশাপাশি এই অনুষ্ঠানে কিংবদন্তি শিল্পীকে সম্মাননাও জানানো হবে। তবে দেশের চলমান বন্যা পরিস্থিতির কারণে আপাতত অনুষ্ঠানটি স্থগিত করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।

    রুনা লায়লা জানান, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলে শিল্পকলা একাডেমি নতুন তারিখ ঘোষণা করবে।

    শিল্পকলা একাডেমির জনসংযোগ কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘সবকিছু অনুকূলে থাকলে চলতি মাসেই অনুষ্ঠানটি আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ২৫ জুলাই সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ভাবা হচ্ছে, তবে সেটিও নির্ভর করবে বন্যা পরিস্থিতির ওপর।’

    এ মাসের শেষ দিকে অস্ট্রেলিয়ায় দুটি কনসার্টে অংশ নিতে যাচ্ছেন রুনা লায়লা। আগামী ১ আগস্ট সিডনি এবং ৮ আগস্ট মেলবোর্নে তার পরিবেশনার কথা রয়েছে। প্রায় এক দশক পর অস্ট্রেলিয়ার মঞ্চে গান গাইবেন তিনি। এজন্য ২৯ জুলাই যন্ত্রশিল্পীদের নিয়ে দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার।

    শিল্পকলা একাডেমি চায়- বিদেশ সফরের আগেই সম্মাননা অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন করতে। অনুষ্ঠানে রুনা লায়লা তার জনপ্রিয় গান পরিবেশন করবেন। পাশাপাশি সংগীতাঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা তার দীর্ঘ ছয় দশকের সংগীতজীবনের নানা স্মৃতি ও অবদানের কথা তুলে ধরবেন।

    রুনা লায়লা বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের কাছে সংগীতের ইতিহাস ও স্মৃতি পৌঁছে দিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ। শিল্পকলা একাডেমিতে এটিই হবে আমার প্রথম একক সংগীতানুষ্ঠান।’

    সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় গত বছর থেকে দেশবরেণ্য শিল্পীদের সম্মাননা দেওয়ার আয়োজন করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। এর আগে, এই আয়োজনে সম্মাননা পেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমীন ও সৈয়দ আব্দুল হাদী।

  • ‘আমরা কখনও এটা করিনি’

    ‘আমরা কখনও এটা করিনি’

    চিত্রনাট্য হাতে পেয়ে সংলাপের সংখ্যা গোনার চেয়ে চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক যাত্রা ও গভীরতাকে প্রাধান্য দেন অভিনেতা ফজলুর রহমান বাবু। তার অভিনীত তেমনই একটি সিনেমা ‘মাস্তুল’। আগামী শুক্রবার (১৭ জুলাই) দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে এটি। সেই উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যায় ধানমণ্ডির রাশিয়ান কালচারাল সেন্টারে সিনেমাটির একটি বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

    সিনেমায় বাবুর কোনো সংলাপ নেই, তবে নিখুঁত অভিনয় আর ভাব-অভিব্যক্তিতে পর্দায় চরিত্রটি জীবন্ত করে তুলেছেন তিনি। চরিত্রটি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এমনটাই জানালেন এই অভিনেতা।

    সিনেমাটির মূল কাহিনি আবর্তিত হয়েছে একটি জ্বালানিবাহী তেলের ট্যাংকারের বৃদ্ধ পাচক মকবুল এবং বন্দর এলাকার এক পথশিশু নূরাকে ঘিরে। তাদের মনস্তাত্ত্বিক সম্পর্কের সমীকরণে পর্দায় উঠে এসেছে নদী বন্দরের প্রান্তিক মানুষের জীবনযাত্রা, একাকীত্ব, স্নেহ, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এবং বেঁচে থাকার লড়াই।

    ‘মকবুল’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন বাবু। তিনি বলেন, ‘চলচ্চিত্রে আমাদের কিছু অভিনেতা-অভিনেত্রী আছেন, যারা স্ক্রিপ্ট পেলে কয়টা সংলাপ আছে তা মার্ক করে। কিন্তু থিয়েটার থেকে আমরা যারা এসেছি, আমরা কখনও এটা করিনি। অভিনয় আসলে শুধু সংলাপ না, এটি অ্যাকশন ও রিঅ্যাকশন। আমার চরিত্রটির জার্নি বা গ্রাফটা কেমন, সেটাই মূল বিষয়। আমরা সবসময় চেষ্টা করি নিজের সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করে চরিত্রের মধ্যে ডুবে থাকার।’

    ‘মাস্তুল’ দেখার আহ্বান জানিয়ে বাবু বলেন, ‘আপনারা সিনেমাটি দেখেছেন, সবাইকে অনুরোধ করব পরিবার নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে এসে সিনেমাটি দেখার। সিনেমাটি দেখে একটা গল্প নিয়ে ফিরবেন।’

    এ সিনেমায় ফজলুর রহমান বাবু ছাড়াও অভিনয় করেছেন দীপক সুমন, আমিনুর রহমান মুকুল, আরিফ হাসান, সিকদার মুকিত, শাহজাহান শোভন ও সিফাত বন্যাসহ অনেকে।

    সিনেমার জন্য অভিনেতা বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে জানতে চাইলে নির্মাতা মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বলেন, ‘আমার কাস্টিং ফিলোসফি খুবই সিম্পল। আমার কল্পনার চরিত্রটির সাথে সামনে থাকা একজন রক্ত-মাংসের মানুষের অবয়ব যখন মিলে যায়, তখন তাকেই কাস্ট করি। এই সিনেমায় সবচেয়ে বেশি অডিশন দিতে হয়েছে “সুকানি” চরিত্রটির জন্য। অনেক নামী অভিনেতা এই চরিত্রের দৌড়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত আমরা দীপক সুমনকে বেছে নিয়েছি, তার কাজের কোনো তুলনা নেই।’

    নির্মাতা আরও বলেন, ‘আমি যে সিনেমা দেখতে চাই, সেটাই বানাতে চাই। আমি বিশ্বাস করি, এই ধরনের সিনেমা দেখার মতো একটি দর্শকশ্রেণী বাংলাদেশে আছে। হয়তো সংখ্যায় খুব বড় নয়, কিন্তু দিন দিন সেই দর্শক বাড়ছে।’

    বিশেষ এই প্রদর্শনীতে দেশের শিল্প-সাহিত্য ও চলচ্চিত্রাঙ্গনের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রদর্শনী শেষে ‘মাস্তুল’র মেকিং ও থিমের প্রশংসা করেন ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’খ্যাত পরিচালক মসিহউদ্দিন শাকের। তিনি বলেন, ‘পুরো সিনেমাটি আমার বেশ ভালো লেগেছে। এটি দেখতে অনেকটা প্রামাণ্যচিত্রের মতো মনে হলেও ভেতরে একটি দারুণ গল্প রয়েছে। বিশেষ করে সিনেমায় যে জীবনযাত্রা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, তা আমাদের অনেকের কাছেই বেশ অচেনা। এমন একটি ভিন্নধর্মী ও সুন্দর থিম নিয়ে কাজ করার জন্য পরিচালককে ধন্যবাদ।’

    উল্লেখ্য, গত বছর মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে ‘স্পেশাল মেনশন’ পুরস্কার পায় মাস্তুল। এরপর একাধিক আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হওয়ার পর এবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে সিনেমাটি।

  • মুখ্যমন্ত্রী বাবার সঙ্গে প্রতিযোগিতা নয়, পেছাল ছেলের সিনেমা

    মুখ্যমন্ত্রী বাবার সঙ্গে প্রতিযোগিতা নয়, পেছাল ছেলের সিনেমা

    তামিল সিনেমার সুপারস্টার ও মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয় অভিনীত শেষ সিনেমা ‘জনা নায়াগান’ মুক্তি পাচ্ছে আগামী ২৪ জুলাই। এই সিনেমার সঙ্গে বক্স অফিসে সংঘর্ষ এড়াতে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বিজয়ের ছেলে জেসন সঞ্জয় পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘সিগমা’ মুক্তির তারিখ।

    আগে সিনেমাটি ৩১ জুলাই মুক্তির কথা থাকলেও এখন এটি আগস্টে মুক্তি পাবে বলে জানা গেছে। পরিচালনায় অভিষেকের পাশাপাশি জেসন সঞ্জয় অভিনয়েও নাম লেখাতে চলেছেন।

    এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেসন সঞ্জয়ের প্রথম অভিনীত সিনেমা নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রযোজক জিকেএম তামিল কুমারান নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে সিনেমাটি নির্মাণের বিষয়ে জেসনের সঙ্গে আলোচনা করছেন।

    ‘সিগমা’ প্রযোজনা করছে লাইকা প্রোডাকশন্স। এটি ট্রেজার হান্ট, হাইস্ট ও কমেডির মিশেলে নির্মিত একটি অ্যাকশনধর্মী সিনেমা।

    সিনেমাটির প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুন্দীপ কিশান। আরও রয়েছেন ফারিয়া আবদুল্লাহ, রাজু সুন্দরম, সম্পথ রাজ, শিব পণ্ডিত, আনবু থাসান, যোগ জাপি, মহালক্ষ্মী, শীলা রাজকুমার, কমলেশ ও কিরণ কোন্ডা।

    তামিলনাড়ু ও থাইল্যান্ডের বিভিন্ন স্থানে সিনেমাটির শুটিং হয়েছে। সংগীত পরিচালনা করেছেন এস থামান।

    এক বিবৃতিতে জেসন সঞ্জয় বলেন, ‘সিগমা এমন এক গল্পের সিনেমা, যে সমাজের প্রচলিত প্রত্যাশার বাইরে নিজের পথ নিজেই বেছে নেয়। ট্রেজার হান্ট, হাইস্ট আর কমেডির সমন্বয়ে এটি দর্শকদের জন্য দারুণ এক বিনোদনের অভিজ্ঞতা হবে।’

    এখন দর্শকদের অপেক্ষা—২৪ জুলাই মুক্তি পাচ্ছে বিজয়ের বিদায়ী সিনেমা ‘জনা নায়াগান’, আর তার পরেই আগস্টে বড় পর্দায় আসবে জেসন সঞ্জয়ের পরিচালনায় প্রথম সিনেমা ‘সিগমা’। সূত্র: আউটলুক ইন্ডিয়া

  • আবারও রাজের নাটকে জাহিদ হাসান

    আবারও রাজের নাটকে জাহিদ হাসান

    দীর্ঘদিন পর নির্মাতা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের পরিচালনায় ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন অভিনেতা জাহিদ হাসান। তাঁদের নতুন এই নাটকের নাম ‘পথহারা মন’। প্রেমের গল্প নিয়ে নির্মিত এ নাটকে আরও অভিনয় করছেন খাইরুল বাসার, তানজিম সাইয়ারা তটিনী, দীপা খন্দকার, ডা. এজাজুল ইসলাম ও মনিরা মিঠু।

    নাটকটি প্রসঙ্গে নির্মাতা রাজ জানান, ‘পথহারা মন’ মূলত ভালোবাসা, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং মানুষের চিরায়ত আবেগের গল্প। দর্শক যেন খুব সহজে নিজেদের জীবনের কিছু মুহূর্ত এই নাটকে খুঁজে পান, সেভাবেই গল্পটি পর্দায় ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

    জাহিদ হাসানকে নিয়ে সবশেষ ২০১৮ সালে ‘ছেলেমানুষি’ নামে সাত পর্বের একটি ধারাবাহিক নাটক পরিচালনা করেছিলেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ, যা বৈশাখী টিভিতে প্রচারিত হয়েছিল।

    দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে কাজ করা প্রসঙ্গে রাজ বলেন, ‘দীর্ঘ বিরতির পর জাহিদ ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি খুব আনন্দিত। তাঁর সহজাত অভিনয় দক্ষতা নাটকটিকে অন্য মাত্রা দিয়েছে। একই সঙ্গে অভিজ্ঞ ও তরুণ প্রজন্মের একঝাঁক প্রতিভাবান শিল্পীর সমন্বয়ে দারুণ একটি টিম পেয়েছি।’

    অভিনেতা জাহিদ হাসান বলেন, ‘রাজের সঙ্গে আমার কাজের অভিজ্ঞতা সব সময়ই চমৎকার। অনেক দিন পর আবারও তাঁর নির্দেশনায় কাজ করছি, এটা সত্যি আনন্দের। নাটকের গল্প খুব ভালো। শুটিংয়ের পরিবেশও দারুণ উপভোগ করছি।’

    ঢাকার উত্তরার বিভিন্ন লোকেশনে ১০ জুলাই থেকে পথহারা মন নাটকের শুটিং চলছে। আজ মঙ্গলবার এর চিত্রায়ণ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। নাটকটির গল্প লিখেছেন জাকিয়া হোসেন তৃষা, যৌথভাবে পাণ্ডুলিপি তৈরি করেছেন আসাদ জামান ও নির্মাতা রাজ। সিনেমাওয়ালা ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাবে নাটকটি।

  • মিষ্টি মেয়ের ইমেজ ভেঙে পর্দায় ভিলেন হতে চান পূর্ণিমা

    মিষ্টি মেয়ের ইমেজ ভেঙে পর্দায় ভিলেন হতে চান পূর্ণিমা

    ঢালিউডে প্রায় তিন দশকের ক্যারিয়ার চিত্রনায়িকা দিলারা হানিফ পূর্ণিমার। নব্বইয়ের দশকের শেষ ভাগে, ১৯৯৮ সালে জাকির হোসেন রাজুর ‘এ জীবন তোমার আমার’ দিয়ে রুপালি পর্দায় তাঁর অভিষেক। প্রথম সিনেমাতেই তিনি হাজির হন রোমান্টিক নায়িকা হিসেবে। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে; দর্শকদের উপহার দিয়েছেন একের পর এক ব্যবসাসফল সিনেমা।

    ক্যারিয়ারের বেশির ভাগ সিনেমাতেই পূর্ণিমাকে দেখা গেছে ‘মিষ্টি মেয়ে’র চরিত্রে। দর্শক এই চেনা রূপে তাঁকে লুফে নেওয়ায় নির্মাতারাও কখনো ভিন্নধর্মী কোনো চরিত্রে তাঁকে নিয়ে ভাবেননি। ক্যামেরার সামনে দীর্ঘ ২৮ বছর পার করার পর, এবার পর্দায় ‘ভিলেন’ বা খলনায়িকা হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন এই অভিনেত্রী।

    ১১ জুলাই ছিল পূর্ণিমার জন্মদিন। এ উপলক্ষে একটি টিভি চ্যানেলের এক বিশেষ অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে নিজের এই ইচ্ছার কথা জানান তিনি। অভিনেত্রী জানান, দীর্ঘ ক্যারিয়ারে নানামাত্রিক চরিত্রে অভিনয় করলেও কখনো খলচরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পাননি। ভবিষ্যতে এমন একটি জাঁদরেল চরিত্রে অভিনয় করতে চান, যা দর্শকদের মনে গভীর ছাপ ফেলবে এবং অভিনেত্রী হিসেবে তাঁকে নতুনভাবে আবিষ্কার করার সুযোগ দেবে।

    নিজের ইচ্ছার কথা জানিয়ে পূর্ণিমা বলেন, ‘আমার খুব ইচ্ছা খলনায়িকা বা ভিলেন টাইপ চরিত্রে অভিনয় করার। পর্দায় এমন একটি চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে চাই, যার প্রতি মানুষের তীব্র ঘৃণা তৈরি হবে।’

    পূর্ণিমার ধারণা, তাঁর চেহারার কোমলতার কারণেই নির্মাতারা তাঁকে কখনো নেতিবাচক চরিত্রে ভাবেননি। অভিনেত্রীর ভাষ্যমতে, ‘এখন পর্যন্ত খলচরিত্রে অভিনয় করা হয়নি আমার। আমাকে নিয়ে হয়তো কেউ তেমনটা চিন্তাই করেননি। সবাই ভাবেন আমার চেহারার সঙ্গে নেতিবাচক চরিত্র ঠিক জমবে না। দর্শকেরা আমাকে রোমান্টিক ও পরিপাটি লুকে দেখতেই অভ্যস্ত। তবে এবার এর বিপরীতে কিছু হলে খুব ভালো হতো।’

    কয়েক বছর ধরেই অভিনয়ে অনিয়মিত পূর্ণিমা। মাঝে মাঝে টেলিভিশনের পর্দায় সঞ্চালক কিংবা রিয়েলিটি শোর বিচারক হিসেবে পাওয়া গেলেও, অভিনেত্রী হিসেবে তিনি অনেকটাই আড়ালে। সবশেষ ২০২৪ সালের রোজার ঈদে মুক্তি পাওয়া ছটকু আহমেদের ‘আহারে জীবন’ সিনেমায় দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এর আগে ২০২৩ সালে কাজল আরেফিন অমির ‘হোটেল রিলাক্স’ ওয়েব সিরিজ দিয়ে ওটিটি মাধ্যমে নাম লেখালেও, এরপর আর ওটিটিতেও দেখা মেলেনি তাঁর।