জাতীয়

  • জুলাই হত্যাযজ্ঞ: ওবায়দুল কাদেরসহ সাত জনের মামলার রায় আগামীকাল

    জুলাই হত্যাযজ্ঞ: ওবায়দুল কাদেরসহ সাত জনের মামলার রায় আগামীকাল

    কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ-ছাত্রলীগের শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে জুলাই হত্যাযজ্ঞের মামলার রায় আগামীকাল মঙ্গলবার ঘোষণা করা হবে।

    আজ সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ দিন ধার্য করেন। প্যানেলের বাকি দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

    ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

    এ মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক।

    এর আগে গত ১৭ আগস্ট যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হলে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত ২ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষ হয়। তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে সাক্ষ্য দেন মোট ২৯ জন সাক্ষী।

    চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন একই আদালত।

    প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগ অনুযায়ী, আসামিরা জুলাই-আগস্টে আন্দোলন দমনে সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানানোসহ একাধিক বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনা করেন। কোথাও কোথাও সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন ও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখেন। তাদের এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতা সংঘটিত হয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য।

  • শিল্পে গ্যাস সরবরাহ কাল থেকে আগের অবস্থায় ফিরবে: প্রধানমন্ত্রী

    শিল্পে গ্যাস সরবরাহ কাল থেকে আগের অবস্থায় ফিরবে: প্রধানমন্ত্রী

    শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ আগামীকাল থেকে দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়েছেন।

    প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সবাইকে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি থেকে বিরত থেকে সরকারের মেয়াদে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ করে দেওয়ার আহ্বান জানান।

    আজ সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ব্যবসায়ী নেতা ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। তিন ঘণ্টার এই আলোচনায় তাঁরা বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ কথা জানান। তিনি আরও জানান, সভায় ‘বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পথরেখা’ শীর্ষক একটি উপস্থাপনা করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

    প্রধানমন্ত্রী দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান সংকটকে ‘উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সমস্যা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এই সংকট ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে সরকার সমস্যা চিহ্নিত করে পরিকল্পনা তৈরি করেছে এবং এখন সেগুলো বাস্তবায়নের পর্যায়ে রয়েছে।

    তারেক রহমান বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সরকার একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ধরে কাজ করছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতিও উপকৃত হবে।

    বর্তমান গ্যাস-সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একটিতে দুর্ঘটনার কারণে সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে শিল্পকারখানাসহ বিভিন্ন খাতে। তবে দুর্ঘটনাজনিত সমস্যাটি এরই মধ্যে সমাধান করা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা আশা করছি, আগামীকাল সন্ধ্যা থেকে গ্যাসের সরবরাহ এক থেকে দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে।’ ঘাটতি মোকাবিলায় তৃতীয় একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগের কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জিটুজি ভিত্তিতে গত এক মাসে আরেকটি টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তুতি মোটামুটি সম্পন্ন হয়েছে। দ্রুতই কাজ শুরু হবে।

    সরকার আগামী ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তারেক রহমান। বিদ্যুৎ খাতের সমস্যাও দীর্ঘদিনের বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সমস্যাগুলো পর্যালোচনা করেছে, সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বসেছে এবং সেগুলো সমাধানে পরিকল্পনা তৈরি করেছে। এখন তা বাস্তবায়নের কাজ চলছে।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যেকোনো কিছু পরিকল্পনা এবং সেটি বাস্তবায়ন করতে সময় লাগে। জ্বালানি ও বিদ্যুতের এই সমস্যা উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া। চাইলেই ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে এর সমাধান করা সম্ভব নয়।

    সরকার কোন কাজ কখন শেষ করতে চায়, তার একটি সম্ভাব্য সময়সীমাও সভায় ব্যবসায়ী নেতাদের সামনে তুলে ধরা হয়। বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সময় কিছুটা এদিক-সেদিক হতে পারে। তবে সরকারের সামনে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সময়সীমা রয়েছে।

    ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যবসা ও শিল্প খাত ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার সামগ্রিক প্রভাব দেশের অর্থনীতির ওপর পড়ে। ফলে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান শুধু ব্যবসায়ীদের স্বার্থের বিষয় নয়; এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির সঙ্গে সম্পর্কিত।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছানোর যে লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে, তা অর্জন করতে হলে নিরবচ্ছিন্ন ও পর্যাপ্ত জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে।

    হতাশ হওয়ার কারণ নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সমস্যার ব্যাপ্তি ও জটিলতা সম্পর্কে ব্যবসায়ী সম্প্রদায় আগে থেকেই অবগত। সরকার সমস্যাগুলো আড়াল না করে খোলামেলাভাবে তুলে ধরেছে। একই সঙ্গে কীভাবে সেগুলোর সমাধান করতে চায়, সেটিও জানিয়েছে। তিনি বলেন, আপনাদের জানাতে চাই যে, আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি। সে জন্য হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই।

    সরকারের পরিকল্পনা যৌক্তিক মনে হলে তা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এগুলো বাস্তবায়ন হলে শুধু ব্যবসায়ী সম্প্রদায় নয়, পুরো দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।

    দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও আশঙ্কার প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জনগণই সময়মতো ঠিক করবে কাকে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব দেবে। তবে যে সময় যে সরকার দায়িত্বে থাকে, তাকে তার পরিকল্পিত কাজগুলো সম্পন্ন করার সুযোগ দেওয়া উচিত।

    আলোচনায় গণমাধ্যমকর্মী ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের আমন্ত্রণ জানানোর কারণ ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা গণমাধ্যমের কাছে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন। তা না হলে বিচ্ছিন্ন তথ্য থেকে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। গণমাধ্যম সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেলে তা দেশবাসীর কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারবে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বড় কোনো কাজ সফলভাবে করতে একটি কার্যকর দল প্রয়োজন। সরকারের সংশ্লিষ্ট সবাই একসঙ্গে কাজ করছেন, যাতে পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা যায়। ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সহযোগিতা করবেন, যাতে আমরা আপনাদের জন্য আরও ভালো কিছু করতে পারি।’

    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, শিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা মাহদী আমিন, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান, বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ এবং জ্বালানি সচিব মো. জিয়াউল হক।

    ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ফজলুল হক, বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ, বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কামাল, চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আমিরুল হক, বাংলাদেশ এগ্রো প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুব আনাম প্রমুখ।

    এ ছাড়াও দৈনিক মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ড. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, ইংরেজি দৈনিক ওয়াদার সম্পাদক শফিকুল আলম, সাংবাদিক আশরাফ কায়সার, মোস্তাফা ফিরোজ, আব্দুন নূর তুষার, আকবর হোসেন, শাহেদ আলম, রেজাউল করিম রনি, আজিজুর রহমান রিপন, তরিকুল ইসলাম সৌরভ এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহরিন ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

  • এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরাও নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন, যদি…

    এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরাও নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন, যদি…

    ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্রথম ধাপের নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইনের সংশোধন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে ওই সংশোধনী বিল আকারে উত্থাপন করেনি সরকার।

    কমিশন মনে করছে, প্রথম ধাপের তফসিল ঘোষণার আগে জাতীয় সংসদের অধিবেশন বসছে না। ফলে শিগগিরই এ আইনের সংশোধনী জাতীয় সংসদে পাশ হচ্ছে না। অপরদিকে সংসদ কার্যকর এবং শক্তিশালী বিরোধী দল মাঠে থাকায় রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নিয়ে অধ্যাদেশ আকারে এ সংশোধনী সরকার পাশ করবে কিনা-তা নিয়েও সন্দিহান কমিশন।

    এই অবস্থায় প্রথম ধাপের নির্বাচনের আগে ইসির প্রস্তাবিত আইনের সংশোধনী পাশ করা না হলে সরকারকে চিঠি দেওয়ার চিন্তা করছে কমিশন। ওই চিঠিতে বাকি ধাপের ভোট শেষ হওয়ার আগে সংশোধনী পাশ না করার অনুরোধ করা হতে পারে। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে এ বিষয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনাও হয়েছে।

    ইসির একাধিক কর্মকর্তা বলেন, ‘আইনের সংশোধনী পাশ না হলে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের সার্বক্ষণিক শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং দ্বৈত নাগরিকদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার আইনগত সুযোগ নেই। কারণ হিসাবে তারা বলেন, স্থানীয় সরকার আইনগুলোতে এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা কর্মকর্তা/কর্মচারীর পদকে লাভজনক পদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালার অনুচ্ছেদ ১১.১৭(ক) ও (খ) এর মতে, এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক-কর্মচারী একই সঙ্গে একাধিক পদে বা চাকরিতে বা আর্থিক লাভজনক কোনো পদে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না। লাভজনক পদ বলতে যেসব পদকে বোঝানো হয়েছে সেসব পদে স্থানীয় সরকারের কোনো পদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

    এছাড়া রিট পিটিশন নং ৬৩৬৬/২০০৯-এর মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ পৌরসভার মেয়র পদকে লাভজনক পদ হিসাবে ব্যাখ্যা করেনি। এমনকি নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থানীয় সরকারের অন্যান্য পদকে লাভজনক পদ হিসাবে ব্যাখ্যা করা এখতিয়ারবহির্ভূত হিসাবে পর্যবেক্ষণ দিয়েছে।

    জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘আমরা সব নির্বাচনের জন্য একই আইন চাই। এক নির্বাচনে এক ধরনের আইন, আরেক নির্বাচনে অন্য ধরনের আইন প্রণয়ন করা হলে বৈষম্য তৈরি হবে। সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্নের সৃষ্টি হবে।’

    জানা গেছে, নির্বাচন কর্মকর্তা ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের তথ্য যাচাই করে ইউনিয়ন পরিষদের তালিকা তৈরি করেছে ইসি সচিবালয়। দেশের চার হাজার ৫৮০টির মধ্যে চার হাজার দুইশর বেশি ইউপি নির্বাচন উপযোগী হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে সেপ্টেম্বরে ভোট আয়োজনের উপযোগী ইউপির সংখ্যা তিন হাজার নয়শর বেশি।

    প্রায় পাঁচশ ইউনিয়ন পরিষদের ভোট করার মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে। এবার কমিশন এক উপজেলার নির্বাচন উপযোগী সবকটি ইউপিতে একইদিনে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা করছে। প্রথম ধাপে পাঁচ থেকে সাতশ ও দ্বিতীয় ধাপে নয়শ থেকে এক হাজার ইউপিতে ভোটগ্রহণের বিষয়ে আলোচনা চলছে। শেষের দিকের ধাপগুলোতে তুলনামূলক কম সংখ্যক ইউপি রাখা হচ্ছে।

  • আধুনিক ও সমৃদ্ধ রূপে উন্মোচিত হলো ডাকসু সংগ্রহশালা

    আধুনিক ও সমৃদ্ধ রূপে উন্মোচিত হলো ডাকসু সংগ্রহশালা

    দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং গৌরবময় কর্মকাণ্ড—বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে সংস্কার কাজ শেষে ডাকসু সংগ্রহশালা আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। এই সংস্কার কার্যক্রমের মাধ্যমে সংগ্রহশালাটিকে আরও আধুনিক, নান্দনিক ও সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলা হয়েছে।

    রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টায় ফিতা কেটে এই সংগ্রহশালার সংস্কার কাজের শুভ উদ্বোধন করেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। সংগ্রহশালাটির সামগ্রিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এইচ. এম. মোশারফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস. এম. ফরহাদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শরিফুল ইসলাম, ডাকসুর ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, ক্যারিয়ার উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের, ডাকসুর সাবেক ভিপি মরহুম বদরুল আলমের কন্যা ফারজানা আলম ও তাঁর পরিবারের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন হল সংসদের নেতৃবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

    উদ্বোধনী বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজের হাজারো সংগ্রামের ইতিহাসের সঙ্গে ডাকসুর ইতিহাস ও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে ডাকসু অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এসব গৌরবের বহু স্মৃতি ও নিদর্শন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকলেও তা যথাযথভাবে সংরক্ষণের সংগ্রহশালাটি এতদিন জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি আধুনিকায়ন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করি, যার সফল বাস্তবায়ন আজ সম্পন্ন হলো।’

    তিনি আরও জানান, সংগ্রহশালাটিকে আরও সমৃদ্ধ করতে আগামী এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ঐতিহাসিক দলিল ও তথ্য সংযোজন করা হবে। শুধু ঢাবি নয়, বরং এতে সমগ্র দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য স্থান পেয়েছে। পর্যায়ক্রমে সাবেক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গবেষকদের সংগ্রহে থাকা পুরোনো ছবি, নথি, প্রকাশনা, পোস্টার ও স্মারক সংগ্রহ করে এটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ ঐতিহাসিক আর্কাইভে রূপান্তর করা হবে।

    ডাকসুর সাবেক ভিপি বদরুল আলমের (১৯৫৭-৫৮ সেশন) কন্যা ফারজানা আলম বলেন, ‘কোনো ধরনের রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রভাব বা পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই ১৯৫৭ সাল থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত ইতিহাস অত্যন্ত নিরপেক্ষভাবে এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এর মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের পূর্বসূরিদের ডাকসুর সঙ্গে সম্পৃক্ততা, কাজ ও সাফল্য সম্পর্কে জানতে পারবে। সত্য ইতিহাস তুলে ধরার এই সুন্দর উদ্যোগের জন্য আমি ডাকসুকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।’

    ডাকসুর জিএস এস. এম. ফরহাদ বলেন, ‘১৯৯০ সালের পর দীর্ঘ অবহেলা ও একরকম ময়লার স্তূপে পরিণত হওয়া ডাকসু সংগ্রহশালাটিকে আমরা নতুন রূপ দিয়েছি। এতে প্রাচীন ইতিহাস, ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ, ৯০-এর গণঅভ্যুত্থান থেকে শুরু করে ২৪-এর জুলাই বিপ্লব এবং ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ক্রোনোলজিক্যাল (কালানুক্রমিক) আকারে তুলে ধরা হয়েছে। কিছু ভিপির ছবিসহ এখনও কিছু ঘাটতি রয়েছে, তাই আগামী এক সপ্তাহ সংশোধনের সময় হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে কারও কাছে কোনো তথ্য বা পরামর্শ থাকলে তা জানানোর আহ্বান জানাচ্ছি।’

    ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ‘দীর্ঘকাল অবহেলা ও ফ্যাসিবাদের দখলে অকার্যকর থাকা ডাকসু সংগ্রহশালাটিকে সংস্কার করে ১৯০৫ সাল থেকে ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রকৃত ইতিহাস ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এখানে ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, ফ্যাসিবাদ আমলের বিভিন্ন গণহত্যা এবং জুলাই বিপ্লবের দুর্লভ দলিল, চিত্র ও শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ১৯২১ সাল থেকে শুরু হওয়া ৩৯টি ডাকসুর ইতিহাস এবং সাবেক ভিপি-জিএসদের নামসংবলিত অনার বোর্ড এখানে যুক্ত করা হয়েছে।’ সংগ্রহশালাটি আরও সমৃদ্ধ করতে দেশবাসী ও গবেষকদের কাছে ঐতিহাসিক দলিলপত্র এবং জুলাই বিপ্লবের দুর্লভ চিত্র জমা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

  • ফ্যাসিবাদের আমলে আমাদের ৭০০ ভাইকে গুম করা হয়েছিল: শিবির সভাপতি

    ফ্যাসিবাদের আমলে আমাদের ৭০০ ভাইকে গুম করা হয়েছিল: শিবির সভাপতি

    বিগত ১৭ বছরে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর অন্যায়ভাবে জুলুম-নির্যাচার চালানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। তিনি বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদের আমলে প্রায় সাতশ ভাইকে গুম করা হয়েছিল, ১০৮ জনকে স্থায়ীভাবে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে এবং এক হাজারের অধিক ভাইকে জখম করা হয়েছে। এ ছাড়া ৭৫ হাজার মিথ্যা মামলা দিয়ে নেতাকর্মীদের হয়রানি করা হয়েছে। এত নির্যাতন সত্ত্বেও ছাত্রশিবিরের কার্যক্রম থেমে থাকেনি, বরং এ সময়ে সংগঠনের কলেবর তিন থেকে চার গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    সোমবার দুপুরে রংপুর কারমাইকেল কলেজ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ ইসলামী ছাত্রশিবির কারমাইকেল কলেজ শাখার উদ্যোগে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

    নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, গুমের যে ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশে একক ছাত্র সংগঠন হিসেবে ৩১ শতাংশ গুমের ঘটনা শুধু ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাথে ঘটেছে। সরকারের কাছে আমরা এই অভিযোগ দায়ের করতে পেরেছি। আমাদের যে সকল ভাইয়েরা দেশে আসতে পারে নাই, বিদেশে অবস্থান করছে এখনো পর্যন্ত, যারা এই গুমের ঘটনার শিকার হয়েছিলেন কিন্তু অভিযোগ দায়ের করতে পারে নাই। সেই সংখ্যাটা অনেক।

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদসহ নিহতদের স্মরণ করেন তিনি বলেন, শহীদ আবু সাঈদের কথা স্মরণ করছি, যার বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা টোটাল বাংলাদেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। বিশ্বকাপন এই বিপ্লবের কথা দুনিয়ার বিভিন্ন দেশ স্মরণ করছে। আমরা যখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সফরে যাই, আমাদের কাছে ওই দেশের ওই ভাষাভাষী মানুষগুলো বাংলাদেশের এই অভ্যুত্থানের কথা জানতে চায়। এই গল্পের কথা তারা জানতে চায়। কারণ একটা মনস্টার, একটা দৈত্য দানব আমাদের ঘাড় থেকে বিতাড়িত হয়েছে। নতুন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন আমরা দেখেছিলাম, যে বাংলাদেশ ইনসাফ আর ন্যায়ের ভিত্তিতে গঠিত হবে। কিন্তু সেই বাংলাদেশ আমরা গঠন করতে ব্যর্থ হয়েছে। শুধু একটা ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্রের কোনো পরিবর্তন আমাদের দেশে এখনো ঘটে নাই। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করা হয়নি।

    বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গেই তারা বলেছিল যে আপনারা গণভোটে হ্যাঁ এর পক্ষে রায় দিন, দয়া করে। এমন ভিক্ষা তারা চেয়েছিল। এই ভিক্ষুকের জাতি ক্ষমতায় আসার পরে নিজেদেরকে এখন মুনিব মনে করা শুরু করেছে। এখন তারা বলে যে আমাদের সাথে প্রতারণা করা হয়েছিল। হ্যাঁ ভোট যদি না মানতাম তাহলে ভোটই দিত না। এই ভয়ে আমরা হ্যাঁ ভোট মেনে নিছি। ক্ষমতায় যাওয়া তাদের একমাত্র দরকার ছিল।

    গণভোটে দেওয়া ‘হ্যাঁ’ ভোটের রায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের গঠনমূলক সংস্কার হলে কোনো পক্ষের পক্ষে স্থায়ীভাবে ক্ষমতার বন্দোবস্ত করা সম্ভব হবে না। এ কারণেই সংবিধানের মৌলিক সংস্কারে অনীহা দেখানো হচ্ছে। গণভোটে ৩০টি বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য হয়েছিল। নির্বাচিত হওয়ার পর এসব বিষয়ে বাস্তবায়নের অঙ্গীকারও করা হয়েছিল। কিন্তু এখনো সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেওয়া হয়নি।

    পিএসসি সংস্কারের দাবি তুলে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি বলেন, সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ভাইভার নম্বর কমানো প্রয়োজন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাঁরা এ বিষয়ে স্মারকলিপি দিয়েছিলেন বলেও জানান তিনি।

    নুরুল ইসলাম সাদ্দামের অভিযোগ, ভাইভায় স্বজন ও পরিচিতজনের সুপারিশের সুযোগ থাকায় মেধাবীরা বৈষম্যের শিকার হন। তিনি বলেন, ভাই, চাচা, মামা-খালুর রেফারেন্স দেওয়া হয়। সেই রেফারেন্সের মাধ্যমে কাউকে ২০০ নম্বরের মধ্যে ১৯০ নম্বর দেওয়া হয়। আবার অনেকে ভালো করলেও তাকে ৪০ নম্বর না দিয়ে নন-ক্যাডার করা হয় অথবা ফেল দেখিয়ে দেওয়া হয়। ভাইভার নম্বর ২০০ থেকে কমিয়ে ৫০ করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করতে পিএসসিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা জরুরি।

    কারমাইকেল কলেজ শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মাহমুদুল হক মাসুমের সভাপতিত্বে দেন রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল, মহানগর জামায়াতের আমীর এটিএম আজম খান, কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল, মহানগর ছাত্রশিবির সভাপতি আনিসুর রহমানসহ নেতৃবৃন্দ। নবীর ২ হাজার ৫শত শিক্ষার্থী ও কৃতি ২শত শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেন তারা।

  • সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারের পথে যাবে না সরকার

    সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারের পথে যাবে না সরকার

    বর্তমান সরকার সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারের পথে যাবে না বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

    সোমবার বেলা ১১টায় খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান তিনি।

    আইনমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারের পথে যাবে না সরকার। প্রয়োজনে প্রচলিত আইনকে আরও শক্তিশালী করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে পরিকল্পিতভাবে মাদক চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বর্ডারের ওপারে বসে ইয়াবা চোরা কারবারিরা পরিকল্পনা করছে। ড্রোনের মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় মাদক পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। মাদক এখন আর শুধু খুলনার সমস্যা নয়। সে কারণে সারা দেশে ডোপ টেস্টের ওপর বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে।

    মতবিনিময় সভায় জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনার বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্য, বিভাগীয় কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, পুলিশ সুপার, কেসিসি ও জেলা পরিষদ প্রশাসকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • ভারতের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক চাই না: স্পিকার

    ভারতের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক চাই না: স্পিকার

    ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক স্বামী-স্ত্রীর মতো নয়, বরং সমমর্যাদার ভিত্তিতে হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রতিবেশীসুলভ সমমর্যাদার ভিত্তিতে আমাদের সম্পর্ক চাই। অতীতে আওয়ামী লীগ আমলে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক বলেছিলেন। আমরা সেই স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক চাই না।’

    সোমবার সকালে ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে স্পিকার বলেন, ব্রিকসের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের কাছে ভারত এখন পর্যন্ত খোলাখুলিভাবে কোনো নীতি জানায়নি। এ ক্ষেত্রে অপর পক্ষের উৎসাহও দেখা যাচ্ছে না। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদা দিয়ে ভারত আমন্ত্রণ জানায়নি। বিশেষ করে পতিত সরকারের প্রধানমন্ত্রীকে তারা আশ্রয় দিয়েছে এবং সেখানে বসে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছে। এটিকে প্রতিবেশীসুলভ আচরণ মনে করে না বাংলাদেশ।

    তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে আমরা আশা করব ভারতের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক রাখা দরকার। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারাও যে সুসম্পর্ক চায়, তেমন কিছু দেখা যাচ্ছে না। সার্বভৌম একটি রাষ্ট্রের সঙ্গে আরেকটি রাষ্ট্রের যে ধরনের সম্পর্ক থাকা উচিত, আমরা সেই ধরনের সম্পর্ক চাই।’

    আওয়ামী লীগ সরকারের প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, গত ১৭ বছর, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে দেশের প্রতিটি স্তর ও বিভাগে ধস নেমেছে। হত্যা, গুম, খুন, মানি লন্ডারিং ও দুর্নীতি অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। বিগত সরকারের অবৈধ কর্মকাণ্ড দেশকে প্রায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে অনেক সময় লাগবে।

    জুলাই সনদ ও সংস্কার প্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, সংস্কার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। আইন-কানুনে অনেক সংস্কার আনতে হবে। এ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনা চলছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে দলগুলোর মধ্যে কিছু বিষয়ে মতৈক্য না হওয়ায় অসুবিধা দেখা দিয়েছে।

    নিজেকে নিরপেক্ষ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি নিরপেক্ষভাবে সংসদ পরিচালনার চেষ্টা করছি। আশা করি, বিএনপি ও বিরোধী দল মিলে যদি একটা সমঝোতায় আসে, তাহলে দীর্ঘ ১৬-১৭ বছরের দুঃশাসন থেকে জনগণ মুক্তি পেতে পারে।’

    স্পিকার বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার ও বিরোধী দল উভয়ই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংসদের আগামী অধিবেশনে সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে বিরোধী দল একমত হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইন পরিবর্তন করা সম্ভব হবে। সংবিধান সংস্কারের কাজ শেষ হলে এর প্রকৃত ফল পাওয়া যাবে এবং জনগণ দীর্ঘদিনের দুঃশাসন থেকে মুক্তি পাবে।

    এ সময় জনগণের বাক্‌স্বাধীনতা ফিরে পাওয়া, গুম-খুন-হত্যা এবং ভোলা-বরিশাল সেতু নিয়েও কথা বলেন স্পিকার।

    পরে ‘আমরা ভোলাবাসী’র নেতৃবৃন্দ ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের দাবিতে স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি দেন। এ বিষয়ে স্পিকার বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতুর সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছে। নতুন মহাসড়কেরও সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে। এর মধ্যে যেটি ভালো হবে, সরকার সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে।

    এ সময় ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, জেলা পরিষদ প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর, পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছারসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

  • পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ড্রোনের মাধ্যমে মাদক ঢুকছে: আইনমন্ত্রী

    পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ড্রোনের মাধ্যমে মাদক ঢুকছে: আইনমন্ত্রী

    পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ড্রোনের মাধ্যমে মাদক ঢুকছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    আইনমন্ত্রী বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে পরিকল্পিতভাবে মাদক চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বর্ডারের ওপারে বসে ইয়াবা চোরাকারবারিরা পরিকল্পনা করছে। ড্রোনের মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় মাদক পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। মাদক এখন আর শুধু খুলনার সমস্যা নয়। সে কারণে সারা দেশে ডোপ টেস্টের ওপর বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, মাদক থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে শিক্ষা, খেলাধুলা ও সংস্কৃতির দিকে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

    সন্ত্রাস দমন নিয়ে মন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারে যাবে না সরকার। মানবাধিকার রক্ষা করে প্রয়োজনে প্রচলিত আইনকে আরও শক্তিশালী করে সন্ত্রাস দমন করা হবে।

    তিনি বলেন, সরকারের বয়স ছয় মাস। এ সরকারকে আবর্জনা পরিষ্কার করার জন্য সময় দিতে হবে। তবে রাষ্ট্র ব্যবস্থায় যে পচন ধরেছে, সে পচনকে চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। ছয় মাসে সাংস্কৃতিক পরিবর্তন আনা হয়েছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাকে উন্নত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    খুলনার জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, আজিজুল বারী হেলাল এমপি, আমির এজাজ খান এমপি, খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জেলা পরিষদের প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী, বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

  • ৬৬৬ কোটি টাকা করের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলে ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণ

    ৬৬৬ কোটি টাকা করের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলে ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণ

    অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতেই হবে— হাইকোর্টের এমন রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করা হয়েছে।

    সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) চেম্বার আদালতে এ আবেদন করা হয়।

    ড. ইউনূসের আইনজীবী খাজা তানভীর আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে। চেম্বার আদালতে সোমবারই এর শুনানি হতে পারে।

    এর আগে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দেন হাইকোর্ট। ওইদিন বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে রায় দেন। রায়ে আদালত বলেন, আগামী ৩ অর্থবছরের মধ্যে গ্রামীণ কল্যাণকে এই অর্থ পরিশোধ করতে হবে।

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গত ৪ অক্টোবর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা দেয়ার রায় স্বপ্রণোদিতভাবে প্রত্যাহার করে নেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় প্রত্যাহার করেন। সেই সঙ্গে প্রধান বিচারপতির কাছে এ মামলার নথি পাঠানো হয়। পরে নতুন বেঞ্চে মামলাটি পাঠানো হয়।

    পুনর্মূল্যায়নের পর ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭— এই করবর্ষের জন্য গ্রামীণ কল্যাণের কাছে প্রদেয় কর দাবি ঘিরে ড. ইউনূসের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটি ২০১৭ সালে পৃথক দু’টি রিট করে। এরপর প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত রুল দেন। তবে গত বৃহস্পতিবার রুল খারিজ করেন হাইকোর্টের নতুন বেঞ্চ। পাশাপাশি রিট খারিজ হওয়ায় আয়কর বাবদ গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে ওই অর্থ আদায় করতে পারবে এনবিআর।

  • দুই কারণে ভ্যাপসা গরম

    দুই কারণে ভ্যাপসা গরম

    দিনের শুরুতেই ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ দেশবাসী। সকাল থেকেই রোদের তেজও অনেক বেশি থাকে। আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাগুলোর তথ্য বলছে, রাজধানীর আকাশের প্রায় ৭০ শতাংশ মেঘে ঢাকা থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা খুব বেশি নেই।

    সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ।

    আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ গণমাধ্যমকে বলেন, বর্ষা প্রায় শেষের দিকে। ফলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমে এসেছে।

    আবহাওয়া অফিসের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, দেশের উত্তরাঞ্চলে কিছুটা বৃষ্টি হলেও দক্ষিণাঞ্চল একেবারেই নেই।

    আজ সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৪৮ মিলিমিটার। এছাড়া, রংপুরে ৪৩ শতাংশ, নারায়ণগঞ্জে ১৮, ঢাকায় ১৪, বাঘাবাড়ীতে ১৩ ও শ্রীমঙ্গলে ১২ শতাংশ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

    দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে এই সময়ে কেবল মোংলায় ২ ও যশোরে ১ শতাংশ বৃষ্টি হয়েছে।

    গতকাল সন্ধ্যায় ফেনী ও রামগতিতে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সে সময় ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ৩৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি।

    অধিদপ্তর আজ সকালে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সবচেয়ে কম তাপমাত্রা ছিল বান্দরবানে ২৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি।