জাতীয়

  • আগামী বছর ৬ জুনের আগে শেষ করতে হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি সানাউল্লাহ

    আগামী বছর ৬ জুনের আগে শেষ করতে হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি সানাউল্লাহ

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগামী বছর ৬ জুনের আগে শেষ করতে হবে। এজন্য যত দ্রুত সম্ভব ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

    বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রস্তুতি সভা শেষে এমনটা জানিয়েছেন তিনি।

  • বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীসহ ৪ জনের পেট কেটে বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলেন জিয়াউল

    বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীসহ ৪ জনের পেট কেটে বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলেন জিয়াউল

    বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ চারজনকে বলেশ্বর নদে নিয়ে চোখ বেঁধে, গুলি করে, পেট কেটে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে পানিতে ফেলা দেওয়া হয় বলে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন মেজর সাব্বির।

    বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গুমের মামলায় এ সাক্ষ্য দেন প্রত্যক্ষদর্শী মেজর সাব্বির।

    মেজর সাব্বির ট্রাইব্যুনালে জানান, ২০১০ সালের মে মাসে র‍্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায় র‍্যাব-৮-এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা। পাথরঘাটার চরদুয়ানির বলেশ্বর নদে ফ্রিশিং ট্রলারে মুখ ও পুরো শরীর ঢেকে চারজনকে নিয়ে যায়। এরপর তাদের নৃশংসভাবে মেরে ফেলে।

    এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর র‍্যাবের সাবেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গুম ও হত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ সাক্ষ্য দিয়েছেন ট্রলার মাঝি আব্বাস মল্লিক।

    এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ধরে আনা লোকদের গুলি করতেন জিয়াউল আহসান। কোনো বন্দিকে একবার, কাউকে দুবার গুলি করা হতো। এরপর তার গলায় অথবা পায়ে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হতো।

    আব্বাস মল্লিক জানান, বন্দিদের পেট কেটে দেওয়া ও মাথায় গুলি করার কারণে নাড়িভুঁড়ি ও মস্তিষ্ক বেরিয়ে আসত এবং শরীর থেকে রক্ত পড়ত। এ কারণেই বোট ধোয়ার প্রয়োজন হতো। এরপর বোট ধুয়ে তারা চর দুয়ানীর বরফ মিলে ফিরে আসতেন।

  • এহসান মাহমুদকে জুলাই জাদুঘরের মহাপরিচালক নিয়োগ

    এহসান মাহমুদকে জুলাই জাদুঘরের মহাপরিচালক নিয়োগ

    জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের মহাপরিচালক হিসেবে সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক এহসান মাহমুদকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আগামী এক বছর তিনি এ পদে দায়িত্ব পালন করবেন।

    বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আইন, ২০২৬-এর ধারা ১২(২) অনুযায়ী তাকে এই পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছরের মেয়াদে তিনি এই দায়িত্ব পালন করবেন। এই নিয়োগের অন্যতম শর্ত হিসেবে তাকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক সম্পূর্ণভাবে ত্যাগ করতে হবে। উপসচিব মো. গোলাম রব্বানীর স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়, জনস্বার্থে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

    নতুন দায়িত্ব পেয়ে এহসান মাহমুদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা। এর গৌরবময় স্মৃতি সংরক্ষণ, সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং জুলাইয়ের শহীদ ও যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের স্মারক হিসেবে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’

    গণঅভ্যুত্থানের পর প্রতিষ্ঠানটি ঘিরে মানুষের নতুন আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে বলেন মনে করেন তিনি। গণতন্ত্র, সম-অধিকার ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যে শিক্ষা জুলাই থেকে পাওয়া গেছে, তা সামনে রেখে কাজ করতে চান জুলাই জাদুঘরের নবনিযুক্ত মহাপরিচালক।

    সবার সম্মিলিত অংশগ্রহণে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ, চর্চা ও গবেষণার পাশাপাশি জাদুঘরটিকে একটি জাতীয় সাংস্কৃতিক বিদ্যাপীঠে রূপ দেয়ার চেষ্টা করবেন বলেও জানান তিনি।

    উল্লেখ্য, মাদারীপুরে জন্ম নেওয়া এহসান মাহমুদের পৈতৃক নিবাস বরিশালের মুলাদীতে। স্নাতক ডিগ্রিধারী এই সাংবাদিক কর্মজীবনে দৈনিক সমকাল, দেশ রূপান্তর, ভয়েস অব আমেরিকা বাংলা, মানবজমিন ও নেত্র নিউজসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন।

    সাংবাদিকতার পাশাপাশি কথাসাহিত্য ও কবিতাতেও তার কাজ রয়েছে। তার প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে উপন্যাস ‘একাত্তরের লালমিয়া’ ও ‘কোকিল অসময়ে ডাকিয়াছিল’ এবং কবিতার বই ‘আদিবাসী প্রেমিকার মুখ’ উল্লেখযোগ্য। এছাড়া প্রবন্ধ ও রাজনীতি বিষয়েও তার প্রকাশনা রয়েছে।

  • সাফের সূচি চূড়ান্ত, বাংলাদেশের খেলা কবে

    সাফের সূচি চূড়ান্ত, বাংলাদেশের খেলা কবে

    আট বছর পর বাংলাদেশে ফিরছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। টুর্নামেন্টের সূচি অনুযায়ী, আগামী ৫ নভেম্বর ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আসর শুরু করবে স্বাগতিক বাংলাদেশ। ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে রাত ৮টায়। একই দিন বিকেল সাড়ে ৩টায় ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান।

    বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচ ১১ নভেম্বর। সেদিন রাত ৮টায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলবে স্বাগতিকরা। ‘এ’ গ্রুপের অপর ম্যাচে ৮ নভেম্বর ভুটানের মুখোমুখি হবে শ্রীলঙ্কা। গ্রুপের সব ম্যাচই হবে জাতীয় স্টেডিয়ামে।

    ‘বি’ গ্রুপে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারতের সঙ্গে রয়েছে মালদ্বীপ ও পাকিস্তান। এই গ্রুপে ৮ নভেম্বর মালদ্বীপের বিপক্ষে খেলবে পাকিস্তান। ১১ নভেম্বর ভারত মুখোমুখি হবে মালদ্বীপের।

    গ্রুপ পর্ব শেষে দুই গ্রুপের শীর্ষ দুটি করে দল সেমিফাইনালে উঠবে। ১৪ নভেম্বর হবে দুটি সেমিফাইনাল। প্রথম ম্যাচটি শুরু হবে বিকেল ৩টায়, দ্বিতীয়টি রাত সাড়ে ৮টায়। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৭ নভেম্বর রাত ৮টায়।

    তবে প্রকাশিত সূচিটি এখনো চূড়ান্ত নয়। ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে আগস্টের ড্রয়ে নেপালকে রাখা হয়নি। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে নেপালও টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবে। সে ক্ষেত্রে নেপালকে বাংলাদেশের গ্রুপে যুক্ত করে নতুন সূচি প্রকাশ করা হবে এবং খেলা শুরু হবে ৪ নভেম্বর থেকে।

    ঘরের মাঠে সর্বশেষ ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ।

  • ‘সরকারি চাকরিজীবীদের কাজ হলো কিছু চুরি করা, কিছু কাজ করা’

    ‘সরকারি চাকরিজীবীদের কাজ হলো কিছু চুরি করা, কিছু কাজ করা’

    বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, ‘আমাদের রাজনীতিবিদদের কাজ হলো বক্তৃতা দেওয়া। সরকারি চাকরিজীবীদের কাজ হলো কিছু চুরি করা, কিছু কাজ করা; এক তালে তো আর যাবে না এটা। তবে আমরা চাই, বর্তমান প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে সমাজটা পরিবর্তন হোক—যে সমাজে আমাদের ছেলেমেয়েরা ভবিষ্যতে এমন একটি জীবন কাটাতে পারবে, যা তাদের জন্য হবে অর্থবহ।’

    মঙ্গলবার বিকেলে লক্ষ্মীপুরে সরকারি কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি দমন ও মাদক নিয়ন্ত্রণসহ উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের হলরুমে এ সভার আয়োজন করা হয়।

    মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদেরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সমাজ ও দেশের উন্নয়নের জন্য, যার মধ্যে আর্থসামাজিক উন্নয়নও রয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে দুর্নীতি দমন। দুর্নীতি কে করে, আমি জানি না। তবে দুর্নীতি আমাদের সমাজে হয়। দুর্নীতি করলে আমি আপনাদের (সরকারি কর্মকর্তা) মাধ্যমেই করব। ধরেন, আমি যদি কোনো ঠিকাদারের কাছ থেকে টাকা নিই, আপনাদের মাধ্যমেই নেব। এজন্য আমি অনুরোধ করব, যতক্ষণ আমরা দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে না পারি, চেষ্টা চালিয়ে যাব। দুর্নীতি সব সময় থাকবে, কম আর বেশি নিয়ে কথা। দুর্নীতি প্রতিরোধ করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব।’

    জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম ও জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক প্রমুখ।

  • ডাকসুর মেয়াদ বাড়ছে আরও ৩ মাস

    ডাকসুর মেয়াদ বাড়ছে আরও ৩ মাস

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) বর্তমান কমিটির এক বছরের মেয়াদ শেষ হলেও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আরও ৯০ দিন বা তিন মাস দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাচ্ছেন নির্বাচিত নেতারা। ফলে নতুন নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আপাতত দায়িত্বে থাকছে সহসভাপতি (ভিপি) আবু সাদিক কায়েম ও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এসএম ফরহাদের নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিটি।

    গতকাল রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) ডাকসুর বর্তমান কমিটির এক বছরের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনো নতুন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেনি।

    এ কারণে গঠনতন্ত্রের বিধান অনুযায়ী অতিরিক্ত ৯০ দিন রুটিন দায়িত্ব পালন করবে বর্তমান কমিটি।

    ডাকসুর গঠনতন্ত্রের ৬ নম্বর অনুচ্ছেদের (গ) উপধারা অনুযায়ী, নির্বাচিত কমিটির মেয়াদ ৩৬৫ দিন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হলে আরও ৯০ দিন দায়িত্ব পালন করতে পারবেন নির্বাচিত নেতারা।

    তবে এই সময়ের দায়িত্ব মূলত রুটিন কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর দায়িত্ব পালন করলেও বর্তমান কমিটি কোনো গুরুত্বপূর্ণ বা নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না।

    সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এর মধ্যে নতুন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলে বর্তমান কমিটির কার্যকারিতা শেষ হয়ে যাবে। তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই যে কোনো সময় দায়িত্ব ছাড়বেন বলে জানিয়েছেন বর্তমান কমিটির একাধিক নেতা।

    এদিকে, নতুন নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত ছাত্রত্ব থাকা সাপেক্ষে ডাকসু থেকে নির্বাচিত বর্তমান নেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

    উল্লেখ্য, দীর্ঘ ২৮ বছর পর ২০১৯ সালে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জয়ী হয়ে ১৪ সেপ্টেম্বর শিবির-সমর্থিত প্যানেলের নির্বাচিত নেতারা ডাকসুর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এক বছর পর গত ১৪ সেপ্টেম্বর তাদের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে নতুন নির্বাচন না হওয়ায় গঠনতন্ত্রের বিধান অনুযায়ী আরও তিন মাস রুটিন দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাচ্ছেন তারা।

  • স্থানীয় নির্বাচন : ২৬ মন্ত্রণালয়-বিভাগের সঙ্গে বৃহস্পতিবার ইসির বৈঠক

    স্থানীয় নির্বাচন : ২৬ মন্ত্রণালয়-বিভাগের সঙ্গে বৃহস্পতিবার ইসির বৈঠক

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে রেখে ২৬ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে আগামী বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    সোমবার ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এ সংক্রান্ত চিঠি থেকে বিষয়টি জানা গেছে। ইতোমধ্যে চিঠিটি সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে।

    এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ নির্বাচনী এলাকার শূন্য আসনের নির্বাচন এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের নির্বাচন উপলক্ষে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রস্তুতিমূলক সভা আগামী বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে সভায় নির্বাচন কমিশনাররা উপস্থিত থাকবেন।

    যে ২৬ মন্ত্রণালয়, সংস্থা বা বিভাগের সঙ্গে সভা

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, (ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর পরিচালক বা উপযুক্ত কর্মকর্তাকে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হলো), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মহাপুলিশ পরিদর্শক, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

    এ ছাড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন, মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ/কোস্টগার্ড/আনসার ও ভিডিপি/ডিজিএফআই/এনএসআই/এনটিমসি, বাংলাদেশ ডাক বিভাগ, হেড অব বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট, বাংলাদেশ ব্যাংককেও বৈঠকে থাকতে বলা হয়েছে।

    ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, নভেম্বরের মাঝামাঝি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পরে অন্য নির্বাচন করবে ইসি। এ ছাড়া ঠাকারগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচন হবে ২৯ অক্টোবর।

  • দেড় বছরে হামজা চৌধুরীর প্রায় ৫ হাজার জার্সি বিক্রি

    দেড় বছরে হামজা চৌধুরীর প্রায় ৫ হাজার জার্সি বিক্রি

    কোনো তারকা খেলোয়াড়ের জনপ্রিয়তা বোঝার অন্যতম বড় সূচক তার জার্সি বিক্রির পরিমাণ। বাংলাদেশেও জাতীয় দলের জার্সি বিক্রির সাম্প্রতিক চিত্রে দেখা যাচ্ছে, হামজা চৌধুরীকে ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।

    ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপের ক্লাব শেফিল্ড ইউনাইটেডের হয়ে খেলা হামজা বাংলাদেশের জার্সিতে মাঠে নামার পর দেশের ফুটবল নিয়ে নতুন করে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। সেই প্রভাব পড়েছে জাতীয় দলের জার্সি বিক্রিতেও। বর্তমানে বাংলাদেশের ফুটবলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে হামজার নাম-নম্বর সংবলিত জার্সি।

    গত দেড় বছরে প্রায় ৫ হাজার হামজা চৌধুরীর জার্সি বিক্রি হয়েছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কিট স্পন্সর হিসেবে দৌড়ের সঙ্গে চুক্তি হয়। শুরুতে জাতীয় দলের জার্সি বিক্রিতে খুব একটা সাড়া পাওয়া না গেলেও হামজা বাংলাদেশ দলে আসার পর পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়।

    দৌড়ের তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে তারা প্রায় ৩৫ হাজার জাতীয় দলের জার্সি বিক্রি করেছে। এর মধ্যে ২০ শতাংশের বেশি জার্সিতে ছিল নির্দিষ্ট খেলোয়াড়ের নাম ও নম্বর। সেই তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে হামজা। ১ হাজার ৪০০ টাকা দামের অফিশিয়াল জার্সিতে হামজার নাম ও নম্বর যুক্ত করে নিয়েছেন প্রায় ৫ হাজার সমর্থক।

    বিক্রির দিক থেকে হামজার পরেই রয়েছেন জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া এবং প্রবাসী মিডফিল্ডার শমিত সোম।

    দৌড়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবিদ আলম চৌধুরী জানান, হামজা বাংলাদেশে আসার পর জাতীয় দলের জার্সির চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তার ভাষায়, গত দেড় বছরে প্রায় ৫ হাজার হামজার জার্সি বিক্রি হয়েছে এবং তার আগমনে দেশের ফুটবলে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।

    এদিকে হামজার জার্সির ব্যাপক চাহিদার মধ্যেই নতুন ডিজাইনের জাতীয় দলের জার্সি উন্মোচন করেছে দৌড়। নতুন জার্সি নিয়েও সমর্থকদের আগ্রহ বেশ ইতিবাচক। ইতোমধ্যে এর জন্য এক হাজারের বেশি অর্ডার পাওয়া গেছে।

    ফলে হামজাকে ঘিরে তৈরি হওয়া উন্মাদনা শুধু তার ব্যক্তিগত জার্সির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; জাতীয় দলের জার্সির প্রতিও সমর্থকদের আগ্রহ বাড়ছে।

    আগামী নভেম্বরে বাংলাদেশের মাটিতে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সেই টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে জার্সির চাহিদা আরও বাড়বে বলে আশা করছে দৌড়। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য, এক বছরে এক লাখ জাতীয় দলের জার্সি বিক্রি করা।

    নতুন জার্সির নকশা তৈরিতেও ছিল সমর্থকদের অংশগ্রহণ। আবিদ আলমের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমীদের কাছ থেকে প্রায় ১ হাজার ৩০০টি ডিজাইন পাওয়া যায়। সেখান থেকে ৩৪টি উপাদান বেছে নিয়ে চূড়ান্ত জার্সির নকশা তৈরি করা হয়েছে।

    হোম জার্সির মূল ভাবনায় রাখা হয়েছে মাতৃভাষা বাংলা। বিশেষ প্রযুক্তি ও নকশায় তৈরি এই জার্সির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো ঘাম মাত্র আট মিনিটের মধ্যে শুকিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা।

    খেলোয়াড়দের জন্য তৈরি জার্সির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৬০০ টাকা। আর সমর্থকদের সংস্করণের মূল্য রাখা হয়েছে ৭০০ টাকা।

  • ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানায়নি ভারত: স্পিকার

    ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানায়নি ভারত: স্পিকার

    ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ সুসম্পর্ক চায়, তবে এখন পর্যন্ত ভারতও একই ধরনের সম্পর্ক চায় এমন কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

    তিনি বলেছেন, ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যথাযথ মর্যাদা দিয়ে এখনো আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। একই সঙ্গে ভারত বাংলাদেশের সম্পর্ক সমমর্যাদা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্পিকার।

    হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদা দিয়ে একজন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তো তারা এখনো ইনভাইট করেনি।”

    ভারতে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে আশ্রয় দেওয়া এবং সেখান থেকে রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়ার বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তার মতে, এটি সৎ প্রতিবেশীসুলভ আচরণ নয়।

    স্পিকার বলেন, “ভারতের সাথে আমাদের সুসম্পর্ক রাখা দরকার। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারাও যে সুসম্পর্ক চায় তেমন কিছু দেখা যাচ্ছে না। কেবলমাত্র দুই দেশের কূটনৈতিক পর্যায়ে কথাবার্তা চালাচালি হচ্ছে।”

    বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে সৎ প্রতিবেশীসুলভ ও সমমর্যাদার সম্পর্ক চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক হতে হবে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে।

    অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বাংলাদেশ ভারতের সম্পর্ককে ‘স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল উল্লেখ করে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমরা সেই স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক চাই না। সমমর্যাদার ভিত্তিতে একটা সার্বভৌম দুটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের মধ্যে মর্যাদার ভিত্তিতে যে সম্পর্ক থাকা উচিত, আমরা সেই ধরনের সম্পর্কই চাই।”

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ সব রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়।

    এদিকে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও সংস্কার কার্যক্রমের প্রশংসা করেন স্পিকার। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছেন। সরকারের বয়স মাত্র সাত মাস হলেও গত ১৭ বছরের বিভিন্ন সংকট থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড় করাতে সময় লাগবে।

    সংস্কার কার্যক্রমের বিষয়ে তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার ও বিরোধী দল উভয়ই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে সংসদে ঐকমত্য হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইন ও সংবিধান সংশোধন করা সম্ভব হবে।

  • ঢাকা দক্ষিণে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী সাদিক কায়েম, উত্তরে সেলিম উদ্দিন

    ঢাকা দক্ষিণে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী সাদিক কায়েম, উত্তরে সেলিম উদ্দিন

    ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মেয়র প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

    সোমবার দলটির পক্ষ থেকে ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

    ঘোষণায় দলটি জানায়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনের জামায়াতের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির।

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী হবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি আবু সাদিক কায়েম।