জাতীয়

  • মাকসুদ কামাল-জাফর ইকবালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    মাকসুদ কামাল-জাফর ইকবালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

    মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল ও অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালসহ আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

    রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, ঢাবি শিক্ষক এ কে এম জামাল উদ্দিন ও ছাত্রলীগ নেতা তানবীর হাসান সৈকতকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

    এর আগে ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানকালে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামাল, লেখক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালসহ আটজনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ (আইসিটি) রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করে প্রসিকিউশন।

    অন্য অভিযুক্তরা হলেন- ঢাবি অধ্যাপক এ কে এম জামাল উদ্দিন, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন এবং সাধারণ সম্পাদক তানবীর হাসান সৈকত।

    অভিযুক্তদের মধ্যে শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, এ কে এম জামাল উদ্দিন ও তানবীর হাসান সৈকত বর্তমানে কারাগারে আছেন। অন্যরা পলাতক রয়েছেন।

  • প্রথমবার যে মামলার তদন্তের দায়িত্ব পেল স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন

    প্রথমবার যে মামলার তদন্তের দায়িত্ব পেল স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন

    রাজধানীর মিরপুরে বাড়ি দখল, ভাঙচুর, মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্তের দায়িত্ব প্রথমবারের মতো পেয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত নালিশি মামলাটি আমলে নিয়ে এসআরবিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

    রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বাদী মো. মিজানুর রহমান ওরফে বাচ্চুর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ আদেশ দেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে হেমায়েত উদ্দিন সুমন, মো. নাজমুল হোসেন ও মুন্নী আক্তার মিষ্টিকে।

    আদালতের আদেশে বলা হয়েছে- এসআরবি আইনের ১০(গ) ধারায় মাদক, সাইবার অপরাধ, ভূমি ও ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। মামলাটি ভূমিসংক্রান্ত হওয়ায় এসআরবি আইনের ৫(২) ধারা অনুযায়ী আদালত মহাপরিচালককে যেকোনো ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন। এ কারণে বাদীর নালিশি দরখাস্তটি এসআরবি দিয়ে তদন্ত করা যুক্তিযুক্ত।

    আদেশে আরও বলা হয়, এসআরবি আইনের ১৫(২) ধারা অনুযায়ী মহাপরিচালক ইউনিটে কর্মরত পুলিশের উপ-পরিদর্শক পদমর্যাদার নিচে নয়- এমন কোনো সদস্য দিয়ে মামলাটি তদন্ত করিয়ে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করবেন।

    মামলার বিবরণে বলা হয়, মিরপুর হাউজিং এস্টেটের অন্তর্ভুক্ত জমিতে নির্মিত বহুতল ভবনটির মালিক মো. ইউনুস আলী ও রুমা আক্তার সপরিবারে কানাডায় অবস্থান করছেন। তাদের আপন চাচা বাদী মিজানুর রহমান বাংলাদেশে থাকা তাদের স্থাবর সম্পত্তি দেখাশোনা, রক্ষণাবেক্ষণসহ অন্যান্য দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

    বাদীর অভিযোগ, মালিকদের অনুপস্থিতির সুযোগে আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে বাড়িটি দখল ও আত্মসাতের চেষ্টা করে আসছেন। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই হেমায়েত উদ্দিন সুমনের নেতৃত্বে আসামিরা জোরপূর্বক বাড়িতে প্রবেশ করে দখলের চেষ্টা করেন।

    এ সময় বাধা দিলে আসামিরা বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায়ে হেমায়েত উদ্দিন সুমন বাদীর কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর করেন এবং সেখান থেকে দুই লাখ টাকা নিয়ে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

    মামলাটির তদন্তের মাধ্যমে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রতিবেদন দিতে এসআরবিকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

  • রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শহীদ মুগ্ধর পরিবারের সাক্ষাৎ

    রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শহীদ মুগ্ধর পরিবারের সাক্ষাৎ

    রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে আজ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহিদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ’র পরিবারের সদস্যগণ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

    বঙ্গভবনে সাক্ষাৎকালে শহিদ মুগ্ধ’র পিতা মীর মোস্তাফিজুর রহমান, ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ ও পরিবারের সদস্য মাহফুজা জাফরিন আরিবা উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় রাষ্ট্রপতি মুগ্ধ’র পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং তাঁদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

    সাক্ষাৎকালে পরিবারের সদস্যগণ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার ও আহতদের কল্যাণ, পুনর্বাসন এবং আহতদের চিকিৎসায় সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। তাঁরা শহিদ ও আহতদের পরিবারের কল্যাণে সরকারের গৃহীত কার্যক্রমগুলো যথাযথ বাস্তবায়নের অনুরোধ জানান।

    এ সময় সদস্যগণ গেজেট প্রজ্ঞাপনে প্রকাশিত ৮৪৫ জন জুলাই শহিদের নাম খচিত জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভের একটি রেপ্লিকা রাষ্ট্রপতিকে উপহার দেন।

    রাষ্ট্রপতি ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করার সংগ্রামে যারা জীবন দিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন, জাতি তাঁদের আত্মত্যাগ কখনো ভুলবে না। রাষ্ট্রপতি শহিদ পরিবারগুলোর সার্বিক কল্যাণ, আহতদের যথাযথ চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন।

    রাষ্ট্রপতি এ সময় জুলাই শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও চিরশান্তি কামনা করেন।

    সাক্ষাৎকালে বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • আগামী জানুয়ারীতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ইসি মাছউদ

    আগামী জানুয়ারীতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ইসি মাছউদ

    আগামী বছর জানুয়ারিতে হতে পারে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

    রোববার নির্বাচন কমিশনের নিজ ভবনে তিনি এসব কথা জানান।

    তিনি বলেন, নভেম্বরের ১২ তারিখে প্রাথমিক নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা করা হয়েছে, সেখান থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। নভেম্বর-ডিসেম্বরে স্কুল-কলেজের পরীক্ষা, ভোটকেন্দ্র, শিক্ষকদের দায়িত্ব পালন ইত্যাদি বিবেচনায় রেখে ভোট করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

    তিনি আরো বলেন, তফসিল ঘোষণা নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি ইসি। এছাড়া, ২৩, ২৪, ২৫ সেপ্টেম্বরে রাজনৈতিক দল সহ স্টেকহোল্ডারদের যে সংলাপ হওয়ার কথা ছিলো সেটিও বাতিল করেছে ইসি।

  • সব মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণে অভিন্ন সিলেবাসের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    সব মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণে অভিন্ন সিলেবাসের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার ভিত্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে অভিন্ন সিলেবাসে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদানের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    আজ শনিবার সকাল ১০টায় তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) গভর্নিং বডির তৃতীয় সভায় সভাপতিত্বকালে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন।

    সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার ভিত্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এনএসডিএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।’

    তিনি আরও বলেন, ‘দেশের যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনেক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হলেও যথাযথ সমন্বয়ের অভাবে এসব প্রশিক্ষণ ও সনদ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। ফলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এসব সনদের বিপরীতে আমাদের তরুণ প্রজন্ম কাঙ্ক্ষিত স্বীকৃতি পাচ্ছে না।’

    তারেক রহমান বলেন, ‘এনএসডি-এর গভর্নিং বডিকে অল্প সময়ের মধ্যে একটি ছোট কমিটির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনতে হবে।’

    তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন, সনদায়ন এবং সনদের পারস্পরিক স্বীকৃতির বিষয়েও আলোচনা করা হয়

    তিনি অভিন্ন সিলেবাসের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদানের ব্যবস্থা করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অভিন্ন ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ এবং সনদায়ন ব্যবস্থা চালু করা গেলে দেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে তাদের গ্রহণযোগ্যতা ও স্বীকৃতি বাড়বে।’

    সভায় এনএসডি-এর প্রশাসনিক কাঠামো, জনবল ও কার্যাবলি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়। এ ছাড়া জাতীয় দক্ষতা উন্নয়নসংক্রান্ত নীতি ও কৌশলপত্র, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, খাতভিত্তিক দক্ষতার চাহিদা বিশ্লেষণ এবং স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।

    এ সময় প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন, সনদায়ন এবং সনদের পারস্পরিক স্বীকৃতির বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

    সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুণ, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক এস এম আব্দুল আওয়াল, এনএসডিএর নির্বাহী চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বসছে সোলার প্যানেল

    প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে বসছে সোলার প্যানেল

    দেশে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলা এবং পরিবেশবান্ধব শক্তির প্রসারে সোলার প্যানেল ব্যবহারের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গুলশানের নিজ বাসভবনে সোলার প্যানেল বসানোর উদ্যোগ নিয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে এই প্যানেল বসানোর কাজ শুরু হয়। জানা গেছে, সরকারিভাবে নয়, নিজ উদ্যোগে এই সোলার প্যানেল বসানোর উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি ও ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন উৎসাহিত করতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ও নির্দেশনার কথা জানিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে পর্যায়ক্রমে সকল গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপন, বিদ্যুৎ বিক্রির সুযোগ, যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্ক মওকুফ ও ছাড়, লোডশেডিংয়ের সমস্যা এড়াতে এবং মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম নিরবচ্ছিন্ন রাখতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনেসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল বসানোর কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০% নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টা চলছে: জামায়াত আমির

    প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টা চলছে: জামায়াত আমির

    স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার হরণের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় প্রধান ডা. শফিকুর রহমান। সরকার দেশবাসীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি থেকে সরে গিয়ে উল্টো পথে হাঁটছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

    বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সেমিনারে দেওয়া বক্তব্যে জামায়াত আমির এসব মন্তব্য করেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, প্রবাসীদের শুধু ‘রেমিট্যান্স যোদ্ধা’ হিসেবে আখ্যা দিলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; তাদের অধিকার নিশ্চিত করাও সরকারের দায়িত্ব। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার বন্ধ বা খর্ব করার কোনো উদ্যোগ মেনে নেওয়া হবে না। এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা প্রবাসীদের প্রতি জুলুম হবে।

    তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে চতুর্থবারের মতো অচলাবস্থা তৈরি না হয়, সে জন্য শ্রমবাজারের সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে। বিরোধী দল ক্ষমতার নয়, জনগণের বিজয় চায়। সংসদ ও সংসদের বাইরে অন্যায় ও জনস্বার্থবিরোধী আইনের বিরুদ্ধে চোখে চোখ রেখে কথা বলব আমরা।

    ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জনগণের মুখ বন্ধ করার উদ্দেশ্যে কোনো আইন করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না।

  • প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের একান্ত সচিব হলেন সাইফুল ইসলাম জয়

    প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের একান্ত সচিব হলেন সাইফুল ইসলাম জয়

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের একান্ত সচিব (পিএস) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সিনিয়র সহকারী সচিব মো. সাইফুল ইসলাম জয়।

    বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব ড. গোলাম মোর্শেদ প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেন।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সিনিয়র সহকারী সচিব মো. সাইফুল ইসলাম জয়কে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের একান্ত সচিব পদে বদলিপূর্বক পদায়ন করা হয়েছে। এর আগে তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বদলির আদেশাধীন ছিলেন। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

    মো. সাইফুল ইসলাম জয় ইয়োফাসের সেক্রেটারি এবং ৩৪তম বিসিএস অল ক্যাডার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে রূপগঞ্জের ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সততা ও নিষ্ঠার জন্য তিনি প্রশংসিত হয়েছেন।

  • সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে না যেতে সরকারের প্রতি ১১ দলের আহবান

    সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে না যেতে সরকারের প্রতি ১১ দলের আহবান

    সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে না যেতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য। জোটটির নেতারা বলেছেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতার ক্ষমতা দেখাতে গিয়েই অতীতে অনেকে কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী চরিত্র অর্জন করেছেন। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকারকে সেই পথ থেকে ফিরে আসতে হবে।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে এ আহ্বান জানানো হয়। বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এসব কথা বলেন।

    ১৯ সেপ্টেম্বর সাত দফা দাবিতে ঢাকা-রংপুর লংমার্চের প্রস্তুতি ছিল বৈঠকের প্রধান আলোচ্য। পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া নিয়েও আলোচনা হয়।

    গোলাম পরওয়ার বলেন, পৃথিবীর কোনো ইতিহাসে গণভোটের রায় বাতিলের ঘটনা নেই। কিন্তু গণতন্ত্রের নামে ক্ষমতায় যাওয়া সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে ৭০ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রত্যাখ্যান করে জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে ধূলিস্যাৎ করেছে।

    তিনি বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে বলে জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যাওয়া উচিত নয়।

    তিনি অভিযোগ করে বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে কোরআন-সুন্নাহর আইন পরিবর্তন করে হেবা আইনে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। ৭০ শতাংশ মানুষের দেওয়া রায়ও পদদলিত করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দীর্ঘদিনের আইন পরিবর্তন করে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অযোগ্য করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

    গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘এখান থেকে আমরা সরকারকে ফিরে আসতে বলব।’

    তিনি জানান, বেলা ১১টায় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক হয়। লংমার্চের প্রস্তুতির অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও রাজনৈতিক সংকট নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়।

    গোলাম পরওয়ার বলেন, সাত দফা দাবি সামনে রেখে আন্দোলন আরো গতিশীল করা এবং জনগণকে সম্পৃক্ত করার বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। সরকার সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করে গণভোটকে উপেক্ষা করে সংবিধান সংশোধনের যে প্রক্রিয়া নিয়েছে, ১১ দলীয় ঐক্য তা প্রত্যাখ্যান করেছে। এ প্রক্রিয়ার বিশেষ কমিটির একতরফা কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগেরও বিরোধিতা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

    ১৯ সেপ্টেম্বর লংমার্চ

    গোলাম পরওয়ার জানান, শনিবার সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে উদ্বোধনী জনসভা হবে। এরপর গাড়িবহর রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করবে। পথে গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাসে প্রথম, টাঙ্গাইলের জালফৈ বাইপাস মোড়ে দ্বিতীয় পথসভা হবে।

    এরপর যমুনা সেতু পার হয়ে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল মোড়ে দুপুর ১২টা থেকে সাড়ে ১২টার মধ্যে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেখানে জোহরের নামাজ আদায় করা হবে। পরে বগুড়ার মাটিডালি ও সন্ধ্যায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পথসভা হবে। সবশেষে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী কর্মসূচির মধ্য দিয়ে লংমার্চ শেষ হবে। প্রকাশিত কর্মসূচির তথ্যেও গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও গাইবান্ধায় পাঁচটি পথসভা এবং রংপুরে সমাপনী সমাবেশের কথা বলা হয়েছে।

    গোলাম পরওয়ার বলেন, লংমার্চে যুক্ত হতে চাইলে গাড়িবহরের পেছনে নিজ নিজ জেলার গাড়িবহর যুক্ত হবে। সাংস্কৃতিক বিভাগের গাড়িসহ স্বেচ্ছাসেবক, নিরাপত্তা, মেডিকেল, অ্যাম্বুলেন্স, তথ্যপ্রযুক্তি ও মিডিয়া বিভাগের ৮ থেকে ৯টি গাড়ি থাকবে। অংশগ্রহণকারীদের নিজেদের গাড়িতে খাবার, পানি ও প্রয়োজনীয় জিনিস সঙ্গে নিতে বলা হয়েছে।

    শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির আশ্বাস

    লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন গোলাম পরওয়ার। কর্মসূচির কারণে কোনো সমস্যা হলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে পুলিশ প্রশাসন, সিভিল সোসাইটি, ট্রাফিক, গোয়েন্দা সংস্থা এবং পথে থাকা প্রতিটি জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সহযোগিতা কামনা করেন।

    তিনি বলেন, ১১ দলের কর্মসূচি হবে সহিংসতামুক্ত ও শান্তিপূর্ণ। কোনো অনিয়মতান্ত্রিক অস্থিতিশীলতা, বিশৃঙ্খলা বা ভাঙচুরের চিন্তা তাদের নেই।

    তবে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে বাধা দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইলে সেই চিন্তা থেকে ফিরে আসার আহ্বান জানান তিনি। গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আমরা কোনো বিশৃঙ্খলা চাই না, হতে দেব না। তাহলে অহেতুক কেন আপনি পায়ে পাড়া দিয়ে গন্ডগোল করে শান্ত দেশকে অশান্ত করে তুলবেন?’

    প্রেস ব্রিফিংয়ে আরো উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান ইরান প্রমুখ।

  • উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েন, জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন: ইসি

    উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েন, জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন: ইসি

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো আসন্ন উপনির্বাচনেও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

    জাতীয় নির্বাচনে ব্যবহার করা প্রযুক্তির পাশাপাশি আরও উন্নত ও অধিকতর প্রযুক্তির প্রয়োগ ঘটিয়ে একটি সুন্দর নির্বাচন সম্পন্ন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

    উপনির্বাচনে সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলেও জানান এই নির্বাচন কমিশনার।

    বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসি সানাউল্লাহ।

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন, বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বিষয়ে বিভিন্ন অংশীদারের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভায় একটি সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান এই কমিশনার। অংশগ্রহণকারী সবাই একমত হয়েছেন যে, আগামী বছরের জুনের আগেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।

    তিনি বলেন, নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু বাস্তবসম্মত চ্যালেঞ্জ উঠে এসেছে। এবারের বন্যায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা খাতে যে ব্যাঘাত ঘটেছে, তার প্রভাব এখনো রয়ে গেছে।

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এখনো সেই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। ফলে শিক্ষাসংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো কমিশনকে অনুরোধ জানিয়েছে যেন কোনোভাবেই পরীক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত না হয়।

    নির্বাচনে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে কমিশনার জানান, প্রশিক্ষণের সমন্বয় ও নির্বাচনী দায়িত্বের জন্য একজন শিক্ষককে অন্তত এক সপ্তাহের জন্য প্রয়োজন হয়। এর পাশাপাশি শিক্ষকদের খাতা মূল্যায়ন ও পরীক্ষার প্রাক-প্রস্তুতির বিষয়গুলো যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে। কমিশন এসব উদ্বেগকে অত্যন্ত যৌক্তিক বলে বিবেচনা করছে এবং তা যথাযথভাবে সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে।

    নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণার বিষয়ে ইসি সানাউল্লাহ জানান, কমিশন বাজেট পরিকল্পনা থেকে শুরু করে আরও কিছু পার্শ্ববর্তী সমন্বয় বা সাইডলাইন ওয়ার্ক দ্রুত সম্পন্ন করবে। স্টাফ লেভেল এবং সাচিবিক পর্যায়ের প্রয়োজনীয় সমন্বয় শেষ করে কমিশন বৈঠকে চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হলেই তা প্রকাশ করা হবে।

    ইউপি নির্বাচন ঠিক কবে থেকে শুরু হচ্ছে, তার সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনই ঘোষণা না করলেও সমাপ্তির সময়সীমা হিসেবে আগামী ৬ জুনের আগের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। কমিশন আপাতত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়েই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আলোচনা করছে, তবে আইন অনুযায়ী অন্যান্য নির্বাচনের সময় এলে সেগুলোও যথাসময়ে সম্পন্ন করা হবে।

    নির্বাচনের উপযুক্ত সময় খুঁজে পাওয়া প্রসঙ্গে কমিশনার বিস্তৃত সময়সূচির চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, পুরো নভেম্বর ও ডিসেম্বর জুড়েই বিভিন্ন স্তরের পরীক্ষা চলায় সময় পাওয়া অত্যন্ত দুষ্কর। জানুয়ারিতে কিছুটা ফাঁকা সময় মিললেও ৭ বা ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে পবিত্র রোজা। রোজা শেষ হওয়ার মাত্র একদিন পর থেকে শুরু হবে এসএসসি পরীক্ষা।

    অন্যদিকে এসএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়া এবং ৬ জুনে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে আবার কিছুটা সুযোগ রয়েছে। এ ধরনের অত্যন্ত আঁটসাঁট বা টাইট শিডিউলের কারণে সব প্রক্রিয়া কীভাবে সমন্বয় করা যায়, তা নিয়ে কমিশন অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

    আগের প্রারম্ভিক পরিকল্পনা থেকে নির্বাচন কমিশন পিছিয়ে আসছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানান।

    সংবাদমাধ্যমের খবরের প্রভাবের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট করেন যে, আগে যা বলা হয়েছিল তা ছিল প্রাক-প্রস্তুতিমূলক সভার আলোকে তৈরি একটি সাময়িক বা টেন্টেটিভ পরিকল্পনা। আগামী ১৭ তারিখের সমন্বয় সভার পর সকল উপাত্ত বিশ্লেষণ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল। ফলে পূর্ববর্তী অবস্থান থেকে কমিশন বিন্দুমাত্র সরে আসেনি বলে দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন তিনি। প্রাপ্ত উপাত্তসমূহ পর্যালোচনা করে কমিশন বৈঠকের মাধ্যমেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।