জাতীয়

  • আইপিএলের এক মৌসুমেই যত রেকর্ড ভাঙ্গলেন সূর্যবংশী

    আইপিএলের এক মৌসুমেই যত রেকর্ড ভাঙ্গলেন সূর্যবংশী

    বৈভব সূর্যবংশী ২০২৬ সালের সদ্য শেষ হওয়া ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) মৌসুমে এমন এক পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন, যা ক্রিকেটবিশ্বে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মাত্র ১৫ বছর বয়সে নিজের প্রথম পূর্ণাঙ্গ আইপিএল মৌসুম খেলেই তিনি একের পর এক রেকর্ড গড়ে নজর কেড়েছেন।

    রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে ১৬ ম্যাচে ৭৭৬ রান সংগ্রহ করে তিনি জিতেছেন অরেঞ্জ ক্যাপ। তার ব্যাটিং গড় ছিল ৪৮.৫০ এবং স্ট্রাইক রেট ছিল ২৩৭.৩১। পুরো আসরে তিনি ৭২টি ছক্কা হাঁকিয়ে প্রতিপক্ষ বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করেন।

    অরেঞ্জ ক্যাপের পাশাপাশি তিনি এমভিপি, সুপার স্ট্রাইকার, ইমার্জিং প্লেয়ার এবং সর্বোচ্চ ছক্কার পুরস্কারও নিজের করে নেন। ২০২৫ সালে সংক্ষিপ্ত উপস্থিতির পর ২০২৬ মৌসুম শেষে তার আইপিএল ক্যারিয়ারের পরিসংখ্যান দাঁড়িয়েছে ২৩ ম্যাচে ১,০২৮ রান। সেখানে তার গড় ৪৪.৬৯ এবং স্ট্রাইক রেট ২২৮.৯৫। এছাড়া রয়েছে দুটি সেঞ্চুরি ও ছয়টি অর্ধশতক।

    এমন পারফরম্যান্সের পর স্বাভাবিকভাবেই আইপিএলের কিংবদন্তি ব্যাটারদের সঙ্গে তার তুলনা শুরু হয়েছে। পরিসংখ্যানের বিচারে অনেক ক্ষেত্রেই তিনি এগিয়ে আছেন। ক্রিস গেইল প্রথম পূর্ণাঙ্গ আইপিএল পর্যায়ে ২৮ ম্যাচে ১,০৭১ রান করেছিলেন। যদিও মোট রানে গেইল সামান্য এগিয়ে, বৈভব পাঁচ ম্যাচ কম খেলে প্রায় সমান রান করেছেন এবং তার স্ট্রাইক রেট গেইলের তুলনায় অনেক বেশি।

    অন্যদিকে এবি ডি ভিলিয়ার্স, ডেভিড ওয়ার্নার, সুরেশ রায়না, মহেন্দ্র সিং ধোনি এবং রোহিত শর্মার প্রথম দিকের আইপিএল পরিসংখ্যানও বৈভবের বর্তমান অর্জনের তুলনায় অনেক পিছিয়ে। এমনকি বিরাট কোহলির শুরুর পরিসংখ্যানও ছিল তুলনামূলকভাবে অনেক সাধারণ।

    ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, বৈভবের সাফল্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক শুধু রান সংগ্রহ নয়; তিনি ম্যাচের গতিপথ বদলে দেওয়ার ক্ষমতাও দেখিয়েছেন। পাওয়ারপ্লে থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে তিনি বারবার দলকে শক্ত ভিত গড়ে দিয়েছেন।

    তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, তাকে এখনই আইপিএলের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়দের তালিকায় রাখা ঠিক হবে না। দীর্ঘ সময় ধরে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নিজেকে প্রমাণ করা এবং সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার মতো চ্যালেঞ্জ এখনো সামনে রয়েছে।

    তারপরও একটি বিষয়ে প্রায় সবাই একমত—প্রথম পূর্ণাঙ্গ আইপিএল মৌসুমের বিচারে বৈভব সূর্যবংশীর মতো এত দ্রুত, ধারাবাহিক এবং বিস্ফোরক সূচনা আইপিএলের ইতিহাসে আগে দেখা যায়নি।

  • ‘আমি খুবই সৌভাগ্যবান’

    ‘আমি খুবই সৌভাগ্যবান’

    বর্তমানে সময়ে জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের একজন সাবিলা নূর। টানা তিন ঈদে মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত তিনটি সিনেমা। এবার ঈদে প্রেক্ষাগৃহে চলছে সাবিলা অভিনীত ‘রকস্টার’ সিনেমাটি। আজমান রুশোর পরিচালনায় এতে দ্বিতীয়বারের মতো শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন তিনি।

    আজ বুধবার (৩ জুন) এক সাক্ষাৎকারে ‘রকস্টার’ সিনেমাসহ অভিনয় ও ক্যারিয়ারের নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন সাবিলা নূর। তার ভাষ্য, ‘শাকিব খান তো প্রতিটি সিনেমাতেই ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে ও স্টাইলে হাজির হন। এই সিনেমায় তার ট্রান্সফরমেশনটা আরও বেশি পরিমাণ হয়েছে। এখানে শাকিব ভাই নিজেকে যেভাবে প্রেজেন্ট করেছেন, আগে তিনি যা করেছেন, সেটার চেয়ে অনেক অনেক গুণে বেশি। এটার পেছনে অবশ্য সিনেমার গল্পই মুখ্য। কারণ সিনেমার জনরাও অন্যরকম। এটা মিউজিক্যাল রোমান্টিক সিনেমা। এখানে আমার আর শাকিব ভাইয়ের রসায়নটাও ভিন্ন টাইপ। এ ছাড়া এখানে আলাদা কিছু বিষয় আছে, যা এর আগে দর্শক কখনও দেখেনি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি অবশ্যই আমার জন্য আনন্দের। “তাণ্ডব” দিয়ে সিনেমায় আমার অভিষেক হয়। এরপর দুই ঈদেই সিনেমাতে অভিনয় করার সৌভাগ্য হলো। এটা নিঃসন্দেহে ভালো লাগার। এরমধ্যে দুই ঈদে মেগাস্টার শাকিব খানের বিপরীতে আর এক ঈদ শরিফুল রাজের সঙ্গে। সিনেমাগুলো দর্শকরা দারুণভাবে গ্রহণও করেছেন। আমার চরিত্রগুলোও দর্শকদের কাছে প্রশংসিত হলো। এটা আমার কাছে বড় প্রাপ্তিরও।’

    সাবিলা বলেন, ‘আমি খুবই সৌভাগ্যবান। কারণ, শাকিব ভাইয়ের সঙ্গে দ্বিতীয় প্রকল্পেই আমি মীরা চরিত্রটি করার সুযোগ পেয়েছি। যেখানে অভিনয় করার সুযোগ ছিল। সেখানে মীরার সঙ্গে আগুন চরিত্রের একটা দারুণ কেমিস্ট্রি! সিনেমাটি যারা দেখছেন, তারা ভালো লাগার কথা জানাচ্ছেন। রকস্টার মিউজিক্যাল ফিল্ম হলেও এটা নিটোল একটা প্রেমের ছবিও। সেই ছবির মীরা আমি হতে পেরেছি।’

    ‘আমি নাটক থেকে উঠে এসেছি। এটাই আমার শেকড়। এরপর ওটিটিতে বেশকিছু কাজ করেছি। সেগুলো দর্শক ভালোভাবে নিয়েছে। তারপর সিনেমায় এসেছি। এখানেও দর্শক আমাকে দারুণভাবে গ্রহণ করেছে। নাটক, ওটিটি ও সিনেমা- এই তিনটি প্ল্যাটফর্মের প্রস্তুতি তিন রকম। সিনেমার প্রস্তুতি দীর্ঘদিন ধরে নিতে হয়। তাই নাটক, ওটিটিতে কাজ করা সম্ভব হয় না। তার মানে এই না যে, আমি একেবারে নাটক ছেড়ে দিয়েছি। মূলকথা হলো অভিনয়। এটাই করে যেতে চাই।’ বললেন সাবিলা।

    ‘তাণ্ডব’, ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ ও ‘রকস্টার’- কোন সিনেমাটাকে এগিয়ে রাখবেন জানতে চাইলে সাবিলা বলেন, ‘তিনটিই আলাদা ধরনের সিনেমা। যেমন “তাণ্ডব” বাণিজ্যিক ধারার সিনেমা, সেখানে “লিচুর বাগানে” ধরনের গান ছিল, অ্যাকশন ছিল থ্রিলারও ছিল। আবার “বনলতা এক্সপ্রেস” পুরোপুরি ভিন্ন টাইপ। তাণ্ডবের সঙ্গে এর কোনো দিক থেকেই মেলানো যাবে না। “বনলতা এক্সপ্রেস”র চিত্রার চেয়ে “রকস্টার”র মীরা একেবারেই আলাদা। কাজেই একটির সঙ্গে আরেকটির তুলনা চলে না। আর তিনটি ছবিই তো আমার। সিনেমাগুলোর গল্পও অসাধারণ! টেকনিক্যাল বিষয়টিও উন্নত। সবগুলোকেই আমি এগিয়ে রাখব।’

  • যশোরে পাটওয়ারীর দিকে ডিম নিক্ষেপ ও গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ এনসিপির

    যশোরে পাটওয়ারীর দিকে ডিম নিক্ষেপ ও গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ এনসিপির

    যশোরের বেনাপোলের সাদিপুর এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর দিকে ডিম নিক্ষেপ ও গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ করেছে দলটি। তবে পুলিশ বলছে, এ ধরনের কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি।

    এনসিপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আজ বুধবার বেলা সোয়া একটার দিকে সাদিপুর সীমান্ত পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে। হামলায় ছাত্রশক্তির নেতা খান মিফতাহুল মোস্তাফিজ ও তাসকিন আহমেদ, যুবশক্তির নেতা রুপম আহসান আহত হয়েছেন। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দলের অন্য নেতারা ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।

    এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খালিদ সাইফুল্লাহ জুয়েল প্রথম আলোকে বলেন, পুশ ইনের চেষ্টার প্রতিবাদে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নেতৃত্বে এনসিপির নেতা–কর্মীরা আজ সাদিপুর সীমান্ত পরিদর্শন করেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সাদিপুর এলাকায় স্থানীয় মানুষের সঙ্গে তাঁরা মতবিনিময় ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। সাদিপুর থেকে ফেরার সময় প্রথমে গাড়ি লক্ষ্য করে কয়েকজন যুবক ডিম নিক্ষেপের পর পালিয়ে যান। তাঁরা গাড়ির ভেতরে থাকায় কারও গায়ে ডিম লাগেনি। এরপর বেনাপোল স্থলবন্দর বাজারে পৌঁছালে সেখানে ছাত্রদলের নেতৃত্বে আবার হামলা চালানো হয়।

    এ বিষয়ে বেনাপোল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন বলেন, ‘এ ধরনের কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। কেউ কোনো অভিযোগও করেননি। এনসিপি নেতারা কীভাবে বলছেন, আমরা বুঝতে পারছি না।’

    এদিকে একটি গাড়ির জানালার কাচ ভাঙার ছবি দিয়ে নিজের ফেসবুক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী লিখেছেন, ‘ফেরার পথে আমাদের গাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।’

  • দাম বাড়ল বিদ্যুতের

    দাম বাড়ল বিদ্যুতের

    পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। আজ বুধবার রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনে নিজেদের কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর এ ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

    ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বেড়েছে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ। আর গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ দাম বেড়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর গ্রাহক পর্যায়ের ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

    সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।

  • ৪১ জেলায় গরমে অস্থির জনজীবন

    ৪১ জেলায় গরমে অস্থির জনজীবন

    দেশের ৪১ জেলা তীব্র গরম অনুভূত হচ্ছে। এমন অবস্থায় কোথায় স্বস্তি নেই।

    গরমে হাঁসফাঁস জীবন—এমন পরিস্থিতিতে গরম নিয়ে দুঃসংবাদ দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলছে, যেসব জেলায় তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, সেসব জেলায় তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে।

    বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, ময়মনসিংহ, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষ্মীপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী ও ভোলা জেলাসহ রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

    এ ছাড়া সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    এদিকে দেশের চার জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দগুলোকে সতর্কবার্তা দিয়েছে সংস্থাটি।

    বুধবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, রংপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

  • হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

    হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

    গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাম ও উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৬০১ জনে।

    তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

    এ সময়ের মধ্যে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২১০ জন। বুধবার (৩ জুন) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১২১০ শিশু সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছে।

    গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৪ হাজার ৫৭২ জনে।

    এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ৫৫ জন। এখন পর্যন্ত মোট নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৯ হাজার ১৯১ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ১৫ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬০ হাজার ১৫৮ জন।

    একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৫৫ হাজার ১৪২ জন।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট মৃত্যু হয়েছে ৫১১ জনের। এ ছাড়া নিশ্চিত হামে এ পর্যন্ত মারা গেছে ৯০ জন।

  • ‘জেলা বিএনপির সবাই গুপ্ত জামায়াত’—হারুনুর রশিদের বক্তব্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিএনপিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া

    ‘জেলা বিএনপির সবাই গুপ্ত জামায়াত’—হারুনুর রশিদের বক্তব্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিএনপিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুনুর রশিদের এক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির নেতাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। জেলা বিএনপির বর্তমান নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে দেওয়া তাঁর মন্তব্যকে দলটির নেতারা ‘ভিত্তিহীন, অযৌক্তিক ও কুরুচিপূর্ণ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

    শনিবার (৩০ মে) চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের শহীদ সাটুহল মিলনায়তনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা ছাত্রদল আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন হারুনুর রশিদ।

    বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপিতে বর্তমানে দায়িত্বে থাকা নেতাদের সবাই ‘গুপ্ত জামায়াত’। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলা বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের কেউই বিএনপির পক্ষে কাজ করেননি।

    হারুনুর রশিদ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিষয়টি তদন্তের আহ্বান জানান। তিনি আরও অভিযোগ করেন, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কিছু নেতা-কর্মী বিভিন্ন সময়ে শিবগঞ্জে সড়ক অবরোধ ও মশাল মিছিলে অংশ নিয়েছেন। পাশাপাশি নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট আসনের প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে রেলপথ অবরোধ ও মশাল মিছিলের ঘটনাও উল্লেখ করেন।

    একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি, চাঁপাইনবাবগঞ্জে দায়িত্বে যারা ছিল, একজনও বিএনপির পক্ষে ভোট করেনি।’ এ সময় সভাস্থলে উপস্থিত কিছু নেতা-কর্মী ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দেন বলে জানা যায়।

    অন্যদিকে হারুনুর রশিদের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন জেলা বিএনপির নেতারা।

    জেলা বিএনপির সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘জেলা বিএনপির বর্তমান কমিটি তারেক রহমানের নির্দেশনায় গঠিত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রামে আমরা সক্রিয় ছিলাম। অথচ হারুনুর রশিদ অতীতে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করেছেন।’

    তিনি আরও দাবি করেন, ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হারুনুর রশিদ পুনরায় রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ তাঁকে গ্রহণ করেননি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়াও হারুনুর রশিদের বক্তব্যের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘হারুনুর রশিদ অতীতে নিজেই বলেছিলেন, জেলা কমিটি বলে কিছু নেই। এখন সেই কমিটিকেই লক্ষ্য করে বিভ্রান্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিচ্ছেন।’

    গোলাম জাকারিয়া আরও অভিযোগ করেন, ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে হারুনুর রশিদ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, নির্বাচনে পরাজয়ের পর রাজনৈতিক হতাশা থেকেই এমন বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে।

    হারুনুর রশিদের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির অভ্যন্তরে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দলীয় পর্যায়ে আরও প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

  • এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনা

    এক্সপ্রেসওয়েতে দুর্ঘটনা

    স্ত্রী ও তিন সন্তান হারিয়ে বাকরুদ্ধ শহিদুল, শোকে স্তব্ধ ঝিকরগাছা

    মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ১১ বছর পর দেশে ফিরছিলেন ছেলে। তাঁকে আনতে ঢাকা বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন মা, ভাই-বোন ও স্বজনরা। কিন্তু বাড়ি ফেরা আর হলো না তাঁদের। সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন পরিবারের চার সদস্য। আর বাড়িতে থাকার কারণে বেঁচে গেছেন শুধু বাবা শহিদুল ইসলাম। স্ত্রী ও তিন সন্তানকে হারিয়ে এখন তিনি পাগলপ্রায়। এক পরিবারের চারজনের মৃত্যুর খবরে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

    আজ মঙ্গলবার ভোরে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের মালিগ্রাম এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় নিহত হন যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের নুরজাহান বেগম, তাঁর ছেলে আরিফুল ইসলাম ও রাকিবুল ইসলাম এবং মেয়ে আয়েশা বেগম। দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান গাড়িচালকও। এ ঘটনায় অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছে আরিফুলের বোনের তিন বছর বয়সী মেয়ে ও ছয় বছরের ছেলে।

    দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের বাড়িতে আসতে শুরু করেন আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা। তাঁদের আহাজারিতে সেখানকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে।

    স্থানীয়রা জানান, পরিবারটির সুখের দিন ফিরেছিল অনেক কষ্টের পর। বড় ছেলে আরিফুল ইসলাম ১১ বছর আগে অভাবের সংসারের হাল ধরতে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান। দীর্ঘ প্রবাসজীবনে উপার্জিত অর্থে জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করেন তিনি। পরিবারে স্বচ্ছলতা ফেরে। তাঁর দেশে ফেরাকে ঘিরে বাড়িতে ছিল উৎসবের আমেজ। আগামীকালই তাঁর পাত্রী দেখতে যাওয়ার কথা ছিল।

    কিন্তু সেই আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হয় শোকে। দুর্ঘটনায় স্ত্রী ও তিন সন্তানকে হারিয়ে একেবারে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন শহিদুল ইসলাম। পরিবারের ৫ সদস্যের মধ্যে শুধু বাড়িতে থাকার কারণে বেঁচে গেছেন তিনি। স্বজনদের হারিয়ে পাগলপ্রায় শহিদুল ইসলাম।

    আরিফুলের মামা নজরুল ইসলাম বলেন, আরিফ ১১ বছর বিদেশ ছিল। সোমবার দিবাগত রাতে বিমানবন্দরে নেমেছিল। সন্তানকে আনতে গিয়েছিলেন মা নূরজাহান বেগম ও তাঁর দুই সন্তান, নাতি–নাতনি। ফেরার পথে একই পরিবারের চারজন মারা গেছেন। বাবা শহিদুল ইসলাম ছাড়া এখন পরিবারের আর কেউ থাকল না।

    আরেক মামা আবদুল কাদের বলেন, ১৮ বছর বয়সে বিদেশ গিয়েছিল আরিফুল। অভাবের সংসার ছিল। এখন তাদের সুখের সংসার। যখন সুখ ভোগ করবে তখন পরিবারের চারজন চলে গেল।

    মামাতো ভাই মিন্টু রহমান বলেন, ফরিদপুরে তাঁদের মরদেহ আনতে গেছেন স্বজনেরা। রাতে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

    বাঁকড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনিস-উর রহমান বলেন, আরিফুলের মা নুরজাহান বেগম সংরক্ষিত ইউপি সদস্য পদে নির্বাচন করায় এলাকায় বেশ পরিচিত ছিলেন। সড়ক দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে খোশালনগর-বালিয়াডাঙ্গা গ্রাম শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে।

    এ ব্যাপারে ভাঙ্গা ফায়ার স্টেশন ম্যানেজার আবু জাফর বলেন, ‘ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সংবাদ পেয়ে আমরা দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাইভেট কারের চালক ও যাত্রীদের উদ্ধার করি। এ সময় প্রাইভেট কারের চালক প্রাইভেট কারসহ ট্রাকের পেছনে আটকে ছিল। পরবর্তীতে প্রাইভেট কারটি কিছু অংশ কেটে চালকের লাশ উদ্ধার করা হয়।’ তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

  • গাংনীতে গণপিটুনি চোর নিহত

    গাংনীতে গণপিটুনি চোর নিহত


    মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বামুন্দীতে টায়ার চুরি করতে এসে গণপিটুনিতে অজ্ঞাত এক চোর নিহত হয়েছেন।


    আজ মঙ্গলবার (২জুন) ভোররাতের দিকে বামন্দী বাসস্ট্যান্ডের খোকন এন্টার প্রাইজ নামের ওই টায়ার হাউজে চুরি করতে এসে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে।

    খবর পেয়ে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাসের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌছেছেন।


    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে খোকন এন্টারপ্রাইজে ভোর পাঁচটার দিকে পাঁচ সদস্যের একটি চোরচক্র টায়ার চুরি করতে আসে। ওই দোকানের তালা ভেঙ্গে সেখান থেকে তিন জোড়া ট্রাকের টায়ার তাদের পিক-আপে তুলে নেই। এসময় দোকান মালিক ও স্থানীয়রা তাদের ধাওয়া দিলে চারজন পালিয়ে গেলেও নিহত চোর স্থানীয় জনতার হাতে ধরা পড়ে। পরে তাকে গণপিটুনি দিলে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

    গাংনী থানার ওসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং অজ্ঞাত ব্যক্তির পরিচয় সনাক্তে কাজ করছে বলে জানান।

  • গাংনীতে এনসিপির যোগদান অনুষ্ঠান, বিভিন্ন গ্রাম থেকে ৫০ জনের যোগদান

    গাংনীতে এনসিপির যোগদান অনুষ্ঠান, বিভিন্ন গ্রাম থেকে ৫০ জনের যোগদান


    মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর উদ্যোগে এক যোগদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (১জুন) বাদ আসর গাংনী উপজেলা এনসিপির নিজ কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে আগত ৫০ জন নতুন সদস্য আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে যোগদান করেন।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও মেহেরপুর জেলা প্রধান সমন্বয়কারী, (এনসিপি)অ্যাডভোকেট সাকিল আহমেদ।

    গাংনী উপজেলা শাখার প্রধান সমন্বয়কারী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা সঞ্চালনা করেন উপজেলা শাখার যুগ্ম সমন্বয়কারী মোঃ সবুজ রানা।

    অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মেহেরপুর জেলা শাখার যুগ্ম সমন্বয়কারী মোঃ আরিফ খান।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় যুব শক্তির সংগঠক মোঃ মুজাহিদুল ইসলাম, মোঃ সাজেদুর রহমান, এনসিপি মেহেরপুর জেলা শাখার সদস্য শামীম আহমেদ আজম এবং আমীর হামজা।

    এছাড়াও কাজীপুর ইউনিয়নের প্রধান হাসানুজ্জামান, ষোলটাকা ইউনিয়নের প্রধান সাহারুল ইসলাম, মঠমুড়া ইউনিয়নের প্রধান মনিরুল ইসলামসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট সাকিল আহমেদ বলেন, দেশের পরিবর্তন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তরুণদের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি নবযোগদানকারীদের সংগঠনের আদর্শ ও নীতির প্রতি আস্থা রেখে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

    সভায় বক্তারা সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানের শেষে নতুন ৫০ জন সদস্যকে ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে বরণ করে নেওয়া হয়।