জাতীয়

  • চুয়াডাঙ্গায় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান: দুই প্রতিষ্ঠানকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা

    চুয়াডাঙ্গায় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান: দুই প্রতিষ্ঠানকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা

    চুয়াডাঙ্গা(১১-০৬-২৬)

    চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ফার্মপাড়া ও বেলগাছি রেলগেট এলাকায় জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তদারকিমূলক অভিযানে দুটি বেকারি ও খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার ১১ জুন সকাল ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা মিনিট পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে বিভিন্ন বেকারি ও খাদ্যপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম তদারকি করা হয়।

    অভিযানকালে দেখা যায়, কিছু প্রতিষ্ঠান অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও সংরক্ষণ করছে। এছাড়া অনুমোদন ছাড়াই বিএসটিআইয়ের লোগো ব্যবহার করে পণ্য বাজারজাত করার অভিযোগও পাওয়া যায়।

    এ সময় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৩ ধারায় ফার্মপাড়া এলাকার মো: হারুন অর রশিদ এর প্রতিষ্ঠান মেসার্স নূর ফুড প্রোডাক্টসকে ২৫ হাজার টাকা এবং বিটু ইসলাম এর প্রতিষ্ঠান মেসার্স সাকিল চানাচুরকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে মোট ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

    একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠান দুটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে ত্রুটিগুলো সংশোধন করে স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

    অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান। এ সময় সার্বিক সহযোগিতা করেন জেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. গোলাম ফারুক এবং জেলা আনসার ব্যাটালিয়নের একটি দল।

    ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ ও জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • গাংনীতে গরু চুরির অপবাদে যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে গ্রামবাসীর সংবাদ সম্মেলন

    গাংনীতে গরু চুরির অপবাদে যুবককে নির্যাতনের অভিযোগ, মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে গ্রামবাসীর সংবাদ সম্মেলন


    মেহেরপুরের গাংনী উপজেলায় পূর্বশত্রুতার জেরে এক যুবককে গরু চুরির অপবাদ দিয়ে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়ীদের বিচার এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন পাকুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দারা।

    আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামের তিন রাস্তার মোড়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এলাকাবাসীরা অভিযোগ করেন, পাকুড়িয়া গ্রামের মোজাম্মেল হকের ছেলে মিলন হোসেনকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধরে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়। পরে তাকে গরু চুরির মামলায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে পাকুড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আনোয়ার হোসেন ও স্থানীয় বিএনপি নেতা রুস্তম আলীসহ এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, সম্প্রতি বাঁশবাড়িয়া গ্রামে বোনের বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে মিলনকে কয়েকজন ব্যক্তি আটক করে একটি বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে তাকে গরু চুরির অপবাদ দিয়ে পুলিশের কাছে দেওয়া হয়।

    তারা দাবি করেন, মামলার বাদীর গরু চুরির অভিযোগের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ঘটনার পর অন্যের গরু এনে বাড়িতে রাখার অভিযোগও করেন তারা। পাশাপাশি পুলিশ যথাযথ তদন্ত ছাড়া মিলনকে আদালতে পাঠিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন গ্রামবাসী।

    এদিকে, জামিনে মুক্ত হওয়ার পর মিলন হোসেন কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার পরিবারের দাবি, নির্যাতনের কারণে তার অবস্থা গুরুতর।

    সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখার দাবি জানান।

    এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গাংনী থানার এসআই চয়ন সেন বলেন, “পাকুড়িয়া গ্রামের মিঠুনসহ কয়েকজন মিলনকে ধরে থানায় দিয়ে গেছে। গরু চুরির চেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন, তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।”

    আহত অবস্থায় চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “চিকিৎসার কাগজপত্র রয়েছে। তাকে সুস্থ অবস্থায় আদালতে পাঠানো হয়েছিল।”

    এ বিষয়ে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাসের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

  • চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক শরীফুজ্জামান শরীফকে সংবর্ধনা

    চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক শরীফুজ্জামান শরীফকে সংবর্ধনা

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    চুয়াডাঙ্গা জেলাকে সি গ্রেড থেকে বি গ্রেডে নেওয়া ও সকল বাঁধা মোকাবেলা করে পরিষদের বেদখল সম্পদ পূণ উদ্ধার করে জনকল্যাণে ব্যবহার করা হবে।

    চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক শরীফুজ্জামান শরীফ।

    বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ১১টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সদস্য, দৈনিক সময়ের সমীকরণ-এর প্রকাশক ও সম্পাদক এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফকে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা প্রদান করে চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক সমিতি।

    অনুষ্ঠানে জেলার সাংবাদিক, পেশাজীবী, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় নবনিযুক্ত জেলা পরিষদ প্রশাসক শরীফুজ্জামান শরীফকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

    সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আগে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা শরীফুজ্জামান শরীফের দীর্ঘ কর্মজীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। পাশাপাশি জেলার সার্বিক উন্নয়ন, জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড এবং প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে তাঁর অগ্রণী ভূমিকা প্রত্যাশা করে নানা আশাবাদের কথা ব্যক্ত করেন।

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট সেলিম উদ্দিন খান, শাহজাহান মুকুল, অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সরদার আল আমিন, রাজীব হাসান কচি, সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হুসাইন মালিকসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    বক্তারা বলেন, সাংবাদিকতা, সামাজিক কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শরীফুজ্জামান শরীফের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। বক্তাগন তাঁর সফলতা ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন।ঐ

    সংবর্ধনার জবাবে শরীফুজ্জামান শরীফ উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং জেলার উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

  • নড়াইলে সাংবাদিক পত্নী বিপাশা ট্রাকচাপায় নিহত

    নড়াইলে সাংবাদিক পত্নী বিপাশা ট্রাকচাপায় নিহত

    নড়াইল প্রতিনিধি

    কর্মস্থলে যাওয়ার পথে ট্রাকচাপায় নিহত হয়েছেন নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ইতনা ইউনিয়নের পাংখারচর কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি (কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার) আমেনা হাসান বিপাশা (৩২)।

    বুধবার (১০ জুন) বিকেলে যশোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। এর আগে ওইদিন (বুধবার) সকালে ভ্যানযোগে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে নড়াইল-ঢাকা জাতীয় মহাসড়কে কালনাঘাট এলাকায় মধুমতি ইটভাটার সামনে বিপাশাকে ট্রাকচাপা দেয়।

    বিপাশা নড়াইলের সাংবাদিক তানভীর আহমেদ রুবেলের স্ত্রী। তারা লোহাগড়া উপজেলা সদরের লক্ষীপাশায় বসবাস করতেন।

    নিহত বিপাশার পরিবার ও স্বজনেরা জানান, প্রতিদিনের মতো বুধবারও লক্ষীপাশার বাসা থেকে ভ্যানযোগে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন তিনি। পথিমধ্যে নড়াইল-ঢাকা জাতীয় মহাসড়কের কালনাঘাট এলাকায় মধুমতি ইটভাটার সামনে পৌঁছালে ভ্যানটিকে চাপা দিয়ে ট্রাকটি পালিয়ে যায়।

    গুরুতর আহত বিপাশাকে প্রথমে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোরে নেয়া হলে সেখানে তিনি মারা যান।

    নড়াইলের তুলরামপুর হাইওয়ে থানার ওসি হাবিল হোসেন জানান, ট্রাকচাপায় আমেনা হাসান বিপাশা নিহত হয়েছেন। তবে, ট্রাকটিকে জব্দ করা যায়নি। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

    এদিকে, দীপ্ত টিভি ও আজকের পত্রিকার সাবেক নড়াইল জেলা প্রতিনিধি তানভীর আহমেদ রুবেলের স্ত্রী আমেনা হাসান বিপাশা নিহতের ঘটনায় সাংবাদিকদের মাঝে শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে। রুবেল-বিপাশা দম্পতির দু’টি ছেলে সন্তান রয়েছে। তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন নড়াইলে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

  • চুয়াডাঙ্গায় বিএনপি নেতার ওএমএসের ডিলার পয়েন্ট থেকে পাচারকালে  ২8০ কেজি চাল-আটা জব্দ

    চুয়াডাঙ্গায় বিএনপি নেতার ওএমএসের ডিলার পয়েন্ট থেকে পাচারকালে  ২8০ কেজি চাল-আটা জব্দ

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    চুয়াডাঙ্গা শহরের ঝিনাইদহ বাসস্ট্যান্ডপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে সরকারি ওএমএসের ২১০ কেজি চাল ও ৭০ কেজি আটা জব্দ করেছে জেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় ওএমএস ডিলার ও পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল মালিক সুজনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    বুধবার (১০ জুন) বিকেল ৪টার দিকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পরিচালিত অভিযানে ঝিনাইদহ বাসস্ট্যান্ডপাড়া এলাকা থেকে একটি আলমসাধু (ভ্যানগাড়ি) ভর্তি সরকারি চাল ও আটা উদ্ধার করা হয়। পরে তদন্তে উদ্ধারকৃত খাদ্যসামগ্রী সরকারি ওএমএস কর্মসূচির পণ্য বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।

    জানা যায়, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ওএমএস ডিলার এবং পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল মালিক সুজন৪৭) তার ওএমএস এর গুদাম চুয়াডাঙ্গা শহরের পুরাতন স্টেডিয়াম এলাকায় হলেও তিনি আলমসাধুতে করে সাতগাড়ীর দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন , এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নেজারত ডেপুটি কালেক্টর আলাউদ্দিন আল আজাদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে আলমসাধু থেকে সরকারি ওএমএসের ৭ বস্তা চাল ও ২ বস্তা আটা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে ছিল ২১০ কেজি চাল ও ৭০ কেজি আটা।

    এ ঘটনায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৫ ধারায় ঝিনাইদহ বাসস্ট্যান্ডপাড়া এলাকার বাসিন্দা শামসুল হক মালিক এর ছেলে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ওএমএস ডিলার এবং পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আহমেদ মালিক সুজনকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

    অভিযান চলাকালে ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। চাল জব্দ করায় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানানো সহ ডিলারের শাস্তি দাবি করেন , সরকারি খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির চাল ও আটা অধিক মুনাফার আশায় অবৈধভাবে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

    অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, “সরকারি খাদ্য সহায়তা কর্মসূচির চাল ও আটা কোনোভাবেই অবৈধভাবে বিক্রি বা পাচার করা যাবে না। এ ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।”

    অভিযানকালে আরো উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তিথি মিত্র ও জেলা পুলিশের একটি টিম।

  • চুয়াডাঙ্গায় ভেজাল খাদ্য উৎপাদনের অভিযোগে অভি ফুড প্রোডাক্টসকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

    চুয়াডাঙ্গায় ভেজাল খাদ্য উৎপাদনের অভিযোগে অভি ফুড প্রোডাক্টসকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল লবণ ও টেক্সটাইল কালার ব্যবহারের অভিযোগে চুয়াডাঙ্গার অভি ফুড প্রোডাক্টস নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়।

    বুধবার (১০ জুন) দুপুর ২টার দিকে চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করে এ জরিমানা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা শহিদুল ইসলাম।

    অভিযান সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, খাদ্যপণ্যে ইন্ডাস্ট্রিয়াল লবণ ও টেক্সটাইল কালার ব্যবহারসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় নমুনা সংগ্রহ করে তাৎক্ষণিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।

    পরে এসব অপরাধে অভি ফুড প্রোডাক্টসের মালিক অভিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ অনাদায়ে তাকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

    সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা শহিদুল ইসলাম বলেন, অভিযানকালে বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় আইনানুগ ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করা হয়েছে।

    অভিযানে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সাধন সরকার, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর নার্গিস জাহান এবং চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পুলিশের একটি টিম অংশ নেয়।

  • ‘থানা পুড়িয়ে দিয়েছি’ হুমকি দেওয়া সেই বৈষম্যবিরোধী নেতাকে ছাত্রদলের ‘ধাওয়া’!,থানায় আশ্রয়

    ‘থানা পুড়িয়ে দিয়েছি’ হুমকি দেওয়া সেই বৈষম্যবিরোধী নেতাকে ছাত্রদলের ‘ধাওয়া’!,থানায় আশ্রয়

    হবিগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা শাখার সদস্যসচিব মাহাদী হাসান অভিযোগ করেছেন, ফেসবুকে তাঁর দেওয়া একটি স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের কর্মীরা তাঁকে ধাওয়া দিয়েছেন। পরিস্থিতি ‘বেগতিক’ দেখে তিনি হবিগঞ্জ সদর থানায় গিয়ে আশ্রয় নেন।

    আজ বুধবার দুপুরে শহরের বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

    তবে ছাত্রদলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এমন কোনো ঘটনায় ঘটেনি। মাহাদী হাসান ‘নিজের গুরুত্ব বাড়ানোর জন্য’ মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন। পুলিশও বলেছে, এ ঘটনার কোনো সত্যতা খুঁজে পায়নি তারা।

    এ বছরের ২ জানুয়ারি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন এই ছাত্রনেতা জেলার শায়েস্তাগঞ্জ থানায় গিয়ে ওসিকে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, ‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম।’ এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি আলোচনায় আসেন।

    মাহাদী হাসান আজ বিকেল পাঁচটার দিকে মুঠোফোনে প্রথম আলোক বলেন, সম্প্রতি নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া একটি রাজনৈতিক স্ট্যাটাস নিয়ে তাঁকে লক্ষ্য করে এ ঘটনা ঘটে। ওই স্ট্যাটাসে তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে সমালোচনা করেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ এনে তাঁর প্রশংসা করেন। বিষয়টি জেলা ছাত্রদলের কিছু নেতা-কর্মী সহজভাবে নেননি বলে তাঁর দাবি।

    আটক ব্যক্তিকে ছাড়িয়ে নিতে গত ২ জানুয়ারি হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানায় এসে ওসিকে হুমকি দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা মাহদী হাসানছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

    আজ দুপুরে মাহাদী হাসান ফেসবুক লাইভে এসে উত্তেজিত কণ্ঠে বলেন, ড্রাইভিং লাইসেন্সের পরীক্ষা দিতে তিনি বিআরটিএর কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তিনি একটি ইজিবাইকে করে বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় ছাত্রদলের কর্মীরা তাঁকে ধাওয়া করেন। ভিডিওতে মাহাদীর সঙ্গে ইজিবাইকে আরেকজনকে দেখা যায়। তাঁরা হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় গিয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন।

    থানা সূত্রে জানা গেছে, মাহাদী যখন থানায় যান, তখন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) থানায় উপস্থিত ছিলেন না। মাহাদী ডিউটি অফিসারকে জানান তাঁকে ধাওয়া করার বিষয়টি। তখন ডিউটি অফিসার একজন এসআইকে সঙ্গে নিয়ে থানার ফটক পর্যন্ত এসে কাউকে দেখতে পাননি। মাহাদী বেলা দুইটা থেকে বেলা তিনটা পর্যন্ত থানায় অবস্থান করেন। খবর পেয়ে বেলা আড়াই দিকে ওসি থানায় এলে তাঁকে এ বিষয়ে বলেন মাহাদী।

    মাহাদীর এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে জেলা ছাত্রদল। সংগঠনটির জেলা সভাপতি রাজীব আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, মাহাদী হাসানের সঙ্গে ছাত্রদলের কোনো নেতা-কর্মীর ধাওয়ার ঘটনা ঘটেনি। তিনি নিজের গুরুত্ব বাড়ানোর জন্য মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, ‘সে ভিডিও লাইভ করলেও কারা তাকে দৌড়াচ্ছে, সেই দৃশ্য কেন সে ধারণ করেনি? এতে প্রমাণিত হয় সে পুরো ঘটনাটি সাজিয়েছে। তাকে কেউ ধাওয়া করেনি। এটা তার সাজানো নাটক।’

    হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি জাহিদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, মাহাদী হাসানের তথ্য অনুযায়ী পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করেছে। ঘটনাস্থল এবং আশপাশের ভিডিও ক্যামেরা যাচাই-বাছাই করেছে। কিন্তু অভিযোগের কোনো সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাঁরা ঘটনাস্থলের আশপাশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁরাও এ ধরনের দৃশ্য দেখেছেন বলে কেউ জানাননি। তবে ওই ছাত্রনেতা লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ আরও তদন্ত করে দেখবে বলে জানান ওসি।

  • বিরোধীদের আসনের তদারকিতে বিএনপির নারী এমপি কেন, ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    বিরোধীদের আসনের তদারকিতে বিএনপির নারী এমপি কেন, ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তদারকির দায়িত্ব কেন সংরক্ষিত আসনের সরকারদলীয় নারী এমপিদের দেওয়া হয়েছে, এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় সংসদে তা ব্যাখ্যা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সরকারের যে নিয়ম আছে, সে নিয়ম অনুযায়ীই এগোচ্ছেন।

    বুধবার সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেমের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ বিষয়ে ব্যাখ্যা তুলে ধরেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকে বিরোধী দলের সদস্য মীর আহমদ প্রশ্নে বলেন, ‘বহুল প্রচারিত পত্রিকায় জানতে পেরেছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সরকারদলীয় মহিলা এমপিদের বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের এলাকায় উন্নয়ন তদারকি করার দায়িত্ব দিয়েছেন। আরও বলা হয়েছে, এসব উন্নয়নে ডিও লেটার ইস্যু করতে পারবেন সরকারদলীয় মহিলা এমপিগণ।’

    গত ৭ জুন সমকালে এ-সংক্রান্ত খবর প্রকাশ হয়েছিল। এতে বলা হয়, এর আগের দিন বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় সংরক্ষিত আসনের দলীয় ৩৬ নারী এমপিকে বিরোধী দলের জেতা ৭৯ আসনের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

    ব্যারিস্টার আরমান নামে পরিচিত মীর আরমান বলেন, ‘এ তথ্য থেকে আমাদের মধ্যে এই বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে যে, এ কাজ কি তাঁদের এ জন্য দেওয়া হচ্ছে যাতে আমরা যারা বিরোধীদলীয় এমপি আছি, আমাদের এলাকায় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে আমাদের কোনো হক থাকবে না? এটা নিশ্চিত করার জন্যই কি এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে? দয়া করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের সামনে পরিষ্কার করবেন।’

    জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারি এবং বিরোধী দল থেকে যে সকল নারীকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে, সংবিধানে বা আইনে নির্দিষ্টভাবে তাঁদের কোনো আসন নেই। আপনার বা আমার যে কোনো নির্দিষ্ট আসন আছে, সেরকম নির্দিষ্ট কোনো আসন তাঁদের নেই। খুব স্বাভাবিকভাবেই আমরা আমাদের রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক যে কাঠামো, তার ভিত্তিতে দলীয় অবস্থান থেকে কিছু জায়গা তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট করেছি, যেখানে তাঁরা কাজ করবেন।

    ব্যারিস্টার আরমানের উদ্দেশে সরকারপ্রধান বলেন, আপনার নির্বাচনী এলাকায় একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে আপনার সম্পূর্ণ হক আছে যে, আপনি আপনার এলাকার উন্নয়নের ব্যাপারে ভূমিকা রাখতে চান। যেহেতু এই সংসদ নারী সদস্যদের নির্বাচিত করেছেন, খুব স্বাভাবিকভাবেই তাঁদেরও একই রকমভাবে হক আছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই আমরা সরকারের যে নিয়ম আছে, সেই নিয়ম অনুযায়ী এগোচ্ছি। আপনার এলাকার যদি কোনো উন্নয়নের বিষয়ে আমার সহযোগিতা করার কিছু থাকে, জানাবেন।

  • বাংলাদেশ ও এআইআইবির মধ্যে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের বাজেট সহায়তা ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত

    বাংলাদেশ ও এআইআইবির মধ্যে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের বাজেট সহায়তা ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত

    বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অতিরিক্ত সচিব মো: আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকী এবং এআইআইবির পক্ষে পাবলিক সেক্টর ক্লায়েন্টস ডিপার্টমেন্ট রিজিয়ন-১-এর মহাপরিচালক রজত মিশ্র চুক্তিতে সাক্ষর করেন।

    বাংলাদেশ সরকার ও এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের (এআইআইবি) মধ্যে স্ট্রেনদেনিং ইকোনমিক ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড গভর্ন্যান্স প্রোগ্রাম (এসইএমজিপি)-সাবপ্রোগ্রাম ২-এর আওতায় ২৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাজেট সহায়তা ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

    গতকাল এ ঋণচুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অতিরিক্ত সচিব মো: আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকী এবং এআইআইবির পক্ষে পাবলিক সেক্টর ক্লায়েন্টস ডিপার্টমেন্ট রিজিয়ন-১-এর মহাপরিচালক রজত মিশ্র চুক্তিতে সাক্ষর করেন।

    বুধবার (১০ জুন) ইআরডি’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ অর্থায়ন এআইআইবির ইমার্জেন্সি রেসপন্স সাপোর্ট ফেসিলিটির আওতায় বিবেচিত ৭৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পলিসি-বেজড লেনডিং (পিবিএল) প্যাকেজের একটি অংশ। ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিকূলতা, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সঙ্ঘাতের কারণে সৃষ্ট বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা এবং জরুরি সরকারি ব্যয় ও বৈদেশিক অর্থায়নের চাহিদা পূরণে এ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

    ইআরডি জানায়, এআইআইবির এ অর্থায়ন সহায়তা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে। এর মধ্যে রয়েছে সামাজিক খাতে স্থিতিশীলতা ও ব্যয় বজায় রাখতে সহায়তা, চলমান অর্থনৈতিক সংস্কার ও রাজস্ব সংগ্রহের প্রচেষ্টা এগিয়ে নেয়া, জনগণের জীবনমান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সামাজিক ও অবকাঠামোগত ব্যয় নিশ্চিত করা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে উদ্ভূত বাহ্যিক অভিঘাত মোকাবেলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, দেশের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও প্রয়োজনীয় নীতি সংস্কার বাস্তবায়নে সরকারের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে স্ট্রেনদেনিং ইকোনমিক ম্যানেজমন্টে অ্যান্ড গভর্ন্যান্স প্রোগ্রাম (এসইএমজিপি)-সাবপ্রোগ্রাম ২-এর আওতায় এ অর্থায়ন প্রদান করা হয়েছে।

    এ কর্মসূচিতে এআইআইবির পাশাপাশি এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) যৌথ অর্থায়ন করছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

  • ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার

    ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার

    ‘প্রতি কেজি ৮২ টাকা ৫৪ পয়সা দরে মসুর ডাল কেনা হবে। সংরক্ষণ ও বিতরণ সুবিধার্থে ৫০ কেজির বস্তায় এ ডাল সরবরাহ করা হবে।’

    বাজার দর স্থিতিশীল রাখতে এবং সারাদেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে মোট ৮২ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল সংগ্রহের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

    বুধবার (১০ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ২৬তম বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।

    কর্মকর্তারা জানান, প্রতি কেজি ৮২ টাকা ৫৪ পয়সা দরে মসুর ডাল কেনা হবে। সংরক্ষণ ও বিতরণ সুবিধার্থে ৫০ কেজির বস্তায় এ ডাল সরবরাহ করা হবে।

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রস্তাবটি উত্থাপন করে। একটি উন্মুক্ত দরপত্র প্রক্রিয়া শেষে রাজশাহীর পবা উপজেলার দাউকান্দির ভেড়াপোড়া বাজারে নাবিল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে অবস্থিত নাবিল নাবা ফুডস লিমিটেডকে এ কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে।

    কর্মকর্তারা আরো বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত বজায় রাখা, অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ এবং ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষার লক্ষ্যে সরকারের চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এ ডাল সংগ্রহ করা হচ্ছে।