জাতীয়

  • ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, ১৫২১ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

    ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, ১৫২১ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

    ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এতে মোট ১ হাজার ৫২১ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে ক্যাডার পদে ১ হাজার ৩২০ ও নন-ক্যাডার পদে ২০১ জন।

    আজ রোববার বিকেলে পিএসসির জনসংযোগ শাখা থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

  • জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড একক কেউ নন, ১৮ কোটি মানুষ

    জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড একক কেউ নন, ১৮ কোটি মানুষ

    জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড একক কেউ নন, বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ।’ তিনি বলেন, ‘একক কোনও মাস্টারমাইন্ড আমরা মানি না।’
    রোববার জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৭তম দিন জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বাজেটের সাধারণ আলোচনা সময় পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    এর আগে জামালপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বিরোধীদলীয় নেতার বরাত দিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতা এই আন্দোলনের সম্পর্কে আমাদের সঙ্গে বলেছিলেন, আন্দোলনের প্রধান নায়ক তারেক রহমান। কাজেই আজকে যে এই বড় ধরনের বাজেট নিয়ে আপনারা চিন্তিত রয়েছেন আমাদের বিরোধীদলীয় নেতৃবৃন্দ। আপনাদের এই চিন্তার কোনো কারণ নাই। এই ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার যে বাজেট, এই বাজেট সম্পূর্ণ পূরণ হবে।’

    পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘মিল্লাত সাহেব উনি আমার একটা বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়েছেন। হ্যাঁ আমি বক্তব্য রেখেছি, কিন্তু সময়টা আপনি সঠিকভাবে বলেননি। এই সময়টা ছিল ২৪ সালের এপ্রিল মাস। আর পরিবর্তনটা হয়েছে ২৪ এর আগস্টে। আগস্টের ৫ তারিখের পরে আমার এই বক্তব্য। ওই সময় যাদের নেতৃত্বে এই অভ্যুত্থান সফল হয়েছে। আমার মনে হয়, আমরা সবাই অন্তর থেকে তাদেরকে সম্মান করি, ভালোবাসি। তাদের এই জায়গাটা ঠিক রাখতে হবে। এমনকি ড. ইউনূস আমেরিকায় গিয়ে একজনকে তিনি মাস্টারমাইন্ড বলেছিলেন। আমিই সেই ব্যক্তি যে, প্রথমে প্রতিবাদ করে বলেছি, এই আন্দোলনের একক কোনও মাস্টারমাইন্ড আমরা মানি না। আমাদের যুব সমাজকে কৃতিত্ব দিতে চাই। আর মাস্টারমাইন্ড হচ্ছে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ।’

  • নড়াইলে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    নড়াইলে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

    নড়াইল প্রতিনিধি

    নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার নলদী ইউনিয়নের হলদা গ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে সাড়ে তিন বছরের শিশু নুসরাতের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৮ জুন) সকাল ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নুসরাত হলদা গ্রামের স্কুলশিক্ষক শহিদুল্লার মেয়ে।

    নুসরাতের বাবা শহিদুল্লাহ জানান, তার মেয়ে নুসরাত সকালে বাড়িতে খেলা করছিল। পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে নতুন দালাল ঘর নির্মাণ কাজে সহযোগিতা করছিলেন। খেলার ফাঁকে শিশুটি বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায়। উঠানে নুসরাতকে দেখতে না পেয়ে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুজির শুরু করেন। এক পর্যায়ে পুকুর থেকে নুসরাতকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    লোহাগড়া উপজেলার নলদী ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবু তালেব মোল্যা বলেন, শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবারসহ এলাকায় শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে।

  • চুয়াডাঙ্গায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

    চুয়াডাঙ্গায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

    চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

    চুয়াডাঙ্গায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে রবিবার (২৮ জুন) বেলা সাড়ে ১০টায় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে স্বাস্থ্য বিভাগের সহকারী পরিচালক আবু হেনা মোহাম্মদ জামাল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন।

    চুয়াডাঙ্গার সিভিল সার্জন ডা.হাদী জিয়া উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সিভিল সার্জন কাার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা.শামিমা ইয়াসমিন ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা.খন্দকার ইমরান হাসিব এবং ইপিআই সুপারভাইজার রেহেনা খাতুনসহ স্বাস্থ্য বিভাগীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    চুয়াডাঙ্গা এবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী এবং ১ থেকে ৫ বছর বয়সী মোট ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮৪৫ শিশুকে নীল ও লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবো। এরমধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী ১৭ হাজার ৫৪১ শিশুকে নীল রঙের ক্যাপসুল এবং ১-৫ বছর বয়সী ১ লাখ ২৮ হাজার ৮৪৫ মিশুকে লাল রঙের ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে।

    জেলার ৮৯৬টি আইটরিচ কেন্দ্রে শিশুদের একযোগে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ালে শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমায়।

  • নড়াইলে ঘুড়ি উড়াতে গিয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু! এলাকায় চাঞ্চল্য

    নড়াইলে ঘুড়ি উড়াতে গিয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু! এলাকায় চাঞ্চল্য

    নড়াইল প্রতিনিধি

    সুতাকাটা ঘুড়ি খুঁজতে গিয়ে প্রাণ গেলো স্কুলছাত্র হুসাইনের। ঘটনাটি ঘটেছে, নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নোয়াগ্রাম দক্ষিণপাড়ার বিলে। হুসাইন ওই গ্রামের সাবু শেখের ছেলে এবং স্থানীয় শাহবাগ ইউনাইটেড একাডেমির সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। এদিকে, ছেলের মৃত্যুর খবরে প্রবাস থেকে ছুটে এসেছেন তার বাবা।

    পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা জানান, শনিবার বিকেলে হুসাইনসহ সমবয়সী চারজন মিলে বাড়ির পাশে ফুটবল খেলছিল। এর মধ্যে হুসাইন স্থানীয় দোকান থেকে চকলেট ও কেক নিয়ে বিলের দিকে ঘুড়ি ওড়াতে যায়। হঠাৎ করে সুতা কেটে গেলে ঘুড়ির পেছনে ছুটতে থাকে হুসাইন। এদিকে, ফুটবল খেলা শেষে হুসাইনের সমবয়সী তিনজন বিলের দিকে শাপলা তুলতে যায়। এ সময় তারা দেখতে পায়, বিলের নরম মাটিতে হুসাইন মাথা উপুড় হয়ে পড়ে আছে। এ দৃশ্য দেখে ভয় ও আতঙ্কে তারা চিৎকার করে আশেপাশের লোকজনকে ডাকার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হুসাইনের মরদেহ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে।

    কালিয়া থানার এসআই দিবাকর সরকার জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। হুসাইনের গলায় ঘুড়ির সুতা পেচানো ছিল। এছাড়া শরীরে আঘাতের তেমন কোনো চিহ্ন দেখা যায়নি। হুসাইনের মৃত্যুর খবর শুনে তার মালয়েশিয়া প্রবাসী বাবা বাড়িতে এসেছেন। আজ রোববার বিকেলে হুসাইনের দাফন হওয়ার কথা রয়েছে।

    এদিকে গ্রামবাসীদের অনেকের মন্তব্য, বিকেলবেলা ফাঁকা বিলের মধ্যে ঘুড়ি খুঁজতে যাওয়ার পর হুসাইনকে জি¦নে মেরে ফেলেছে। মাথা মাটির দিকে দিয়ে হুসাইনকে জি¦নে মেরেছে। এ ধরণের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়। এ মৃত্যুর ঘটনায় হুসাইনের পরিবার, সহপাঠীসহ গ্রামবাসীর মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    এ ব্যাপারে কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইদ্রিস আলী জানান, হুসাইনের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার থেকে কোনো ধরণের অভিযোগ করা হয়নি।

  • এইচএসসি পরীক্ষার প্রতিটি কক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

    এইচএসসি পরীক্ষার প্রতিটি কক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

    আসন্ন উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুশৃঙ্খল ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে প্রতিটি পরীক্ষার কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    আজ শনিবার রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোর সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে শিক্ষামন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন। রাজশাহী কারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মিলনায়তনে এই সভার আয়োজন করা হয়।

    সভায় শিক্ষামন্ত্রী আগামী ২ জুলাই শুরু হতে যাওয়া উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনে কেন্দ্রসচিবদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে প্রতিটি পরীক্ষার কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। একই সঙ্গে নকলমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শামীম আরা চৌধুরী। সভায় বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রের সচিবেরাও অংশ নেন।

    সভায় রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শামীম আরা চৌধুরী জানান, এবার রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৮ জেলায় ২০৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষায় অংশ নেবেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন শিক্ষার্থী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতায় সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

  • হাবিবুরসহ ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে রায় রোববার, সরাসরি দেখাবে বিটিভি

    হাবিবুরসহ ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে রায় রোববার, সরাসরি দেখাবে বিটিভি

    জুলাই আন্দোলনে রাজধানীর রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা এক তরুণকে গুলি করাসহ দুইজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের পাঁচজনের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা হবে আগামীকাল রোববার। রায়ের এ কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

    আজ শনিবার দুপুরে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। তিনি বলেন, ‘পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পঞ্চম রায় ঘোষণা হবে ২৮ জুন। পাঁচজনের বিরুদ্ধে এ রায় দেবেন ট্রাইব্যুনাল-১। রায়ের পুরো কার্যক্রম বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট সাক্ষ্য দিয়েছেন ১৩ জন।’

    এ মামলায় অভিযুক্ত মোট পাঁচ আসামির মধ্যে শুধুমাত্র রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার গ্রেপ্তার রয়েছেন। বাকি চারজন হলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান ও রামপুরা থানার সাবেক উপ-পরিদর্শক (এসআই) তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।

    এর আগে, গত ১৫ জুন প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের দ্বিতীয় দফায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হয়। ওই দিন প্রথমেই রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন আইনজীবী সারওয়ার জাহান নিপ্পন। এ ঘটনার সঙ্গে তার মক্কেলের সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেন তিনি। তবে মামলার পাঁচ আসামিরই সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছিলেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার জন্য ২৮ জুন দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল।

    গত ১০ জুন পুনরায় সাফাই সাক্ষ্য দেন রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার। জবানবন্দিতে এক প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে অভিযোগও আনেন তিনি। চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি প্রথম ধাপে সাক্ষ্য দেন এই আসামি। এ মামলায় চঞ্চল ছাড়া অন্যরা পলাতক রয়েছেন।

    গত ৪ মার্চ এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু নতুন করে ডিজিটাল অ্যাভিডেন্স জমা দেওয়ার আবেদন করে প্রসিকিউশন। এরপর প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়া আমির হোসেনকে পুনরায় সাক্ষ্য দিতে হয়।

    গত বছরের ৭ অগাস্ট প্রসিকিউশন এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে। ১৮ সেপ্টেম্বর পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১।

  • বিয়ে-জন্মদিনে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে গুনতে হবে জনপ্রতি ২৫ টাকা

    বিয়ে-জন্মদিনে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে গুনতে হবে জনপ্রতি ২৫ টাকা

    দেশে এমন অনেক আইন ও আদেশ আছে, বাস্তবে যার প্রয়োগ নেই। ১৯৮৪ সালে জারি করা ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আদেশ’ এমনই একটি। সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত অপচয় রোধ এবং অতিথির সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করার আদেশটি আবার নতুন করে আলোচনায় এনেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম।

    ১৯৮৪ সালে জারি করা ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আদেশ’–এ ২০০৩ সালে সংশোধনী আনা হয়কোলাজ: প্রথম আলো

    দেশে বিভিন্ন সামাজিক ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত অপচয় রোধ এবং অতিথির সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ১৯৮৪ সালে ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আদেশ, ১৯৮৪’ (দ্য গেস্ট কন্ট্রোল অর্ডার, ১৯৮৪) জারি করা হয়। দেশের সামগ্রিক খাদ্য পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের অপচয় রুখতে এই আদেশটি জারি করা হয়েছিল। ব্রিটিশ আমলের ধারাবাহিকতায় এবং ১৯৫৬ সালের ‘দ্য কন্ট্রোল অব এসেনশিয়াল কমোডিটিজ অ্যাক্ট’-এর ৩ (১) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ১৯৮৪ সালের ৩ জুলাই বিশেষ এই আদেশটি জারি করে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

    আদেশটি আবার নতুন করে আলোচনায় এনেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম। ২২ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বিয়ে ও গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জাঁকজমক ও অপচয় রোধে অতীতে ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আইন’ কার্যকর করার আহ্বান জানান।

    ‘অতিথি নিয়ন্ত্রণ আদেশ’-এ আসলে কি আছে?

    আদেশটি আবার নতুন করে আলোচনায় এনেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিমছবি: ভিডিও থেকে

    প্রধান ধারা ও নিয়মাবলি

    ১০০ জনের বেশি অতিথি নিষিদ্ধ: এই আদেশের মূল শর্ত ছিল, কোনো ব্যক্তি বা আয়োজক বিয়ে, জন্মদিন, আকিকা বা যেকোনো সামাজিক, ধর্মীয় ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি অতিথিকে (আয়োজক পরিবার বাদে) চাল বা গমের তৈরি কোনো খাবার পরিবেশন করতে পারবেন না।

    বিশেষ অনুমতি ও রাজস্ব: বিশেষ কারণে যদি কোনো অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি অতিথিকে খাওয়াতেই হয়, তবে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছ থেকে ‘ফরম-এ’-র মাধ্যমে পূর্ব অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। শুধু তা–ই নয়, ১০০ জনের অতিরিক্ত প্রতি অতিথির জন্য সরকারি কোষাগারে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জনপ্রতি ২৫ (শুরুতে ছিল ১০) টাকা ফি জমা দিতে হবে।

    তদারকি ও তল্লাশির ক্ষমতা: নিয়ম ঠিকমতো মানা হচ্ছে কি না, তদারকি করার জন্য খাদ্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক, পুলিশের গেজেটেড কর্মকর্তা কিংবা জেলা প্রশাসক বা ইউএনও মনোনীত যেকোনো সরকারি কর্মকর্তাকে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ ও তল্লাশি করার আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

    শাস্তি

    ১৯৫৬ সালের মূল আইনের আওতায় এই আদেশ অমান্য করা দণ্ডনীয় অপরাধ। নিয়ম ভাঙলে অনুষ্ঠানের আয়োজক এবং যে স্থানে অনুষ্ঠানটি হচ্ছে (যেমন কমিউনিটি সেন্টার বা কনভেনশন হল) তার মালিকের জরিমানা এবং ক্ষেত্রবিশেষে কারাদণ্ডের বিধান ছিল।

    সংশোধনী

    ২০০৩ সালে এই আদেশে একটি সংশোধনী আনা হয়। মিলাদ মাহফিল, ইফতার পার্টি, কুলখানি, চেহলাম, ওরস বা শ্রাদ্ধের মতো বিশুদ্ধ ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোকে অতিথির বাধ্যবাধকতা বা অতিরিক্ত ফির আওতামুক্ত করা হয়।

    বর্তমান পরিস্থিতি

    আদেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা না হলেও যথাযথ প্রয়োগ এবং নজরদারির অভাবে বর্তমানে এটি প্রায় নিষ্ক্রিয়। রেস্তোরাঁ, কমিউনিটি সেন্টার বা কনভেনশন সেন্টারে হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান হলেও অনুমতি নেওয়া বা ফি দেওয়ার নিয়মটি এখন আর চর্চা করা হয় না।
    দেশে এমন অনেক আইন ও আদেশ আছে, বাস্তবে যার প্রয়োগ নেই।

  • জুলাই থেকে কি মুঠোফোনের দাম আবার বাড়বে?

    জুলাই থেকে কি মুঠোফোনের দাম আবার বাড়বে?

    নতুন একটি স্মার্টফোন কেনার পরিকল্পনা থাকলে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই। কারণ, ১ জুলাই থেকে একই ফোন কিনতে কয়েক হাজার টাকা বেশি গুনতে হতে পারে।

    চলতি বছরের জানুয়ারিতে মুঠোফোন আমদানিতে ১৫ শতাংশ শুল্কছাড় দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। সাময়িক এই সুবিধার মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩০ জুন। নতুন করে কোনো সিদ্ধান্ত না এলে জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকে করভার বেড়ে যাবে। যার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে মুঠোফোনের খুচরা বাজারে।

    মুঠোফোনের প্রতীকী ছবিছবি: রয়টার্স

    এ নিয়ে মুঠোফোন আমদানিকারকদের সংগঠন মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমআইওবি) ১৮ জুন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি) একটি চিঠি দিয়েছে। চিঠিতে সংগঠনটি বলেছে, শুল্ক-সুবিধার মেয়াদ না বাড়ানো হলে আমদানি করা মুঠোফোনের ওপর মোট করভার বেড়ে ৬৪ দশমিক ২৫ শতাংশে পৌঁছাবে।

    এমআইওবি সূত্র বলছে, করভার বেড়ে গেলে আমদানীকৃত মুঠোফোনের দাম ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। জানতে চাইলে সংগঠনটির সভাপতি জাকারিয়া শাহিদ প্রথম আলোকে বলেন, বিশ্ববাজারে মেমোরি চিপ, মাদারবোর্ড, সিপিইউ, ব্যাটারিসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশের দাম বাড়ছে। ফলে মুঠোফোনের দাম কমানো সম্ভব হচ্ছে না। এর মধ্যে আমদানি কর বেড়ে গেলে মুঠোফোনের দাম আরও বাড়বে। অনেক ক্রেতা কম দামে ফোন কিনতে আবারও ‘গ্রে মার্কেটের’ দিকে ঝুঁকতে পারেন।

    আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিদেশ থেকে আনা সম্পূর্ণ তৈরি মুঠোফোনের জন্য এই শুল্ক-সুবিধা বহাল রাখার কোনো ঘোষণাও দেওয়া হয়নি। ফলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সরকারের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে আছে বাজার।

    চলতি বছরের জানুয়ারিতে সরকার আমদানীকৃত মুঠোফোনের ওপর কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করেছিল। এর ফলে ভ্যাট, অগ্রিম আয়কর ও অন্যান্য কর মিলিয়ে আমদানি করা মুঠোফোনের ওপর মোট করভার নেমে আসে ৪৩ দশমিক ৪৩ শতাংশে। যার মেয়াদ ছিল ৩০ জুন পর্যন্ত।

    এদিকে আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিদেশ থেকে আনা সম্পূর্ণ তৈরি মুঠোফোনের জন্য এই শুল্ক-সুবিধা বহাল রাখার কোনো ঘোষণাও দেওয়া হয়নি। ফলে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সরকারের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে আছে বাজার।

    বিষয়টি নিয়ে বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারীর কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

    ‘আনঅফিশিয়াল’ ফোন বিক্রি কমেনি

    গত এক দশকে দেশে মোবাইল ফোন সংযোজন ও উৎপাদনশিল্প গড়ে উঠেছে। স্থানীয় কারখানাগুলো মূলত নিম্ন ও মধ্যম দামের ফোন সংযোজন করে থাকে। তবে খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, অ্যাপল, গুগল, হুয়াওয়ে, মটোরোলা, স্যামসাং ও শাওমির অনেক প্রিমিয়াম মডেল স্থানীয়ভাবে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা সম্ভব নয়। জটিল সরবরাহব্যবস্থা, বিশেষায়িত যন্ত্রাংশ এবং সীমিত বাজার চাহিদা এর অন্যতম কারণ।

    দেশে ‘অফিশিয়াল’ ও ‘আনঅফিশিয়াল’—এই দুই ধরনের মুঠোফোন বিক্রি হয়। তুলনামূলক কম দামের কারণে অনানুষ্ঠানিকভাবে দেশে আসা ফোনের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহও বেশি। তবে এতে বছর বছর রাজস্ব হারায় সরকার। এই প্রবণতা কমাতে চলতি বছরের শুরুতে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালুর ঘোষণা দেয় বিটিআরসি। এর উদ্দেশ্য ছিল অনানুষ্ঠানিক বা গ্রে মার্কেটের ফোন নিয়ন্ত্রণে আনা।

    তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোক্তা ফাহিম মাশরুরের মতে, স্মার্টফোন এখন আর বিলাসপণ্য নয়; এটি শিক্ষা, আয়-উপার্জন এবং বিভিন্ন ডিজিটাল সেবার প্রধান মাধ্যম। ফলে এর দাম বাড়ার চাপ শেষ পর্যন্ত সাধারণ ভোক্তাদেরই বহন করতে হবে।

    একই সময়ে বৈধভাবে আমদানি করা মুঠোফোনের দাম কমাতে সরকার শুল্কহ্রাসেরও সিদ্ধান্ত নেয়। সরকারের যুক্তি ছিল, বৈধ ও অবৈধ ফোনের দামের ব্যবধান কমে এলে ক্রেতারা বৈধ পথে আমদানি করা ফোন কিনতে উৎসাহিত হবেন।

    তবে বাজারে প্রত্যাশিত প্রভাব দেখা যায়নি। শুল্ক কমানোর আগেই বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মুঠোফোনের দাম ৫০০ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। ব্যবসায়ীরা তখন এর কারণ হিসেবে বৈশ্বিক বাজারে মেমোরি চিপের মূল্যবৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেছিলেন। অন্যদিকে বন্ধ করা যায়নি আনঅফিশিয়াল মুঠোফোনের বাজারও। রাজধানীর বিভিন্ন শপিং মলে নিয়মিত আনঅফিশিয়াল ফোন বিক্রি হচ্ছে।

    সরকারের দেওয়া সাময়িক শুল্ক-সুবিধা প্রত্যাহার হলে আমদানি পর্যায়ে করের চাপ আবারও বাড়বে। বাজারে তার প্রভাব সরাসরি গিয়ে পড়বে খুচরা দামে। ফলে দিন শেষে বাড়তি ব্যয়ের সেই বোঝা টানতে হবে গ্রাহককেই। ইতিমধ্যে বেড়ে যাওয়া দামের সঙ্গে নতুন কর যুক্ত হয়ে একটি স্মার্টফোন কিনতে ক্রেতার খরচ আরও বাড়বে।

    এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোক্তা ফাহিম মাশরুর। তাঁর মতে, স্মার্টফোন এখন আর বিলাসপণ্য নয়; এটি শিক্ষা, আয়-উপার্জন এবং বিভিন্ন ডিজিটাল সেবার প্রধান মাধ্যম। ফলে এর দাম বাড়ার চাপ শেষ পর্যন্ত সাধারণ ভোক্তাদেরই বহন করতে হবে।

    ফাহিম মাশরুর প্রথম আলোকে বলেন, স্মার্টফোনের দাম বাড়ানো মানে ডিজিটাল সেবার প্রবেশাধিকার আরও ব্যয়বহুল করে তোলা। স্মার্টফোনকে ডিজিটাল অবকাঠামোর অংশ হিসেবে বিবেচনা করে এর ওপর করের চাপ কমানো প্রয়োজন।

  • ফতোয়ার জন্য মাদ্রাসায় যেতে হবে না, সংসদেই দেওয়া হয়: শাহজাহান চৌধুরী

    ফতোয়ার জন্য মাদ্রাসায় যেতে হবে না, সংসদেই দেওয়া হয়: শাহজাহান চৌধুরী

    ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় সংসদে বাগযুদ্ধে জড়িয়েছেন সরকারি ও বিরোধীদলীয় দলের সংসদ সদস্যরা।

    জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের একটি বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তাকে ‘হাল জামানার মুফতি’ বলে কটাক্ষ করেছেন।

    শনিবার (২৭ জুন) বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামে এখন বলা হচ্ছে ফতোয়ার জন্য আর মাদ্রাসায় যেতে হবে না, ফতোয়া এখন পার্লামেন্টেই দেওয়া হয়।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীকে যারা ইসলামী দল নয় বলে ফতোয়া দিচ্ছেন, তাদের জামায়াত সম্পর্কে জানতে হলে ১০০ বছরের ইতিহাস জানতে হবে।

    শাহজাহান চৌধুরী বলেন, আমাদের চট্টগ্রামের আরেক কৃতি সন্তান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আজকে আমাদের চট্টগ্রামে একটা কথা এসেছে, কয় যে ফতোয়ার জন্য আর মাদ্রাসায় যেতে হবে না। আমি জিজ্ঞাস করলাম কেন? কয় যে, ফতোয়াতো আপনারদের এই পার্লামেন্টে দেওয়া হয়। ফতোয়া কী রকম, ফখরুল ইসলাম মাননীয় মন্ত্রী, উনি যেমন ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়। জামায়াতে ইসলামী কে জানতে হলে একশ বছরের ইতিহাস জানতে হবে। জামায়াতে ইসলামী কি ইসলামী দল না অন্য কিছু সেটা আর ফতোয়া দেওয়ার দরকার নাই।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ‘আলিফ বা তা’ না জানা লোক হিসেবে অভিহিত করে তিনি ব্যঙ্গাত্মক সুরে বলেন, ফতোয়ার জন্য তারা আর হাটহাজারী, পটিয়া বা লালবাগে যাবেন না, বরং এই মহান পার্লামেন্টেই যার কাছ থেকে ফতোয়া পাওয়া যাচ্ছে, তার কাছ থেকেই নেবেন।

    শাহজাহান চৌধুরীর এই বক্তব্যের পরপরই বাজেট আলোচনায় অংশ নেন বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক। তিনি জামায়াত নেতার বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে সংসদকে উত্তপ্ত না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, নিজেদের কথা নিজেরাই বিচার করা উচিত।

    তিনি ১৯৭১ সালে জামায়াতের ভূমিকা এবং মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের দিকে তাকানোর আহ্বান জানান। স্বাধীনতার ঠিক একদিন আগে কারা বাংলাদেশকে বুদ্ধিজীবীশূন্য করার জন্য হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করেছিল, তা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আমরা অবশ্যই স্মরণ করব, কিন্তু ১৯৭১ সালকে কোনোভাবেই ভুলে যাওয়া যাবে না। পাশাপাশি তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়ানোর দাবিও জানান।