অর্থ ও বাণিজ্য

  • বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম

    বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম

    বিশ্ববাজারে সপ্তাহের প্রথম দিন সোমবার অপরিশোধিত তেলের দাম কিছুটা কমেছে। মূলত দুটি কারণে আজ দাম কমেছে।

    বিষয়টি হলো, ওপেক ও সহযোগী দেশগুলো আগস্ট থেকে তেল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রধান উৎপাদক দেশগুলোর রপ্তানি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

    পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে আজ তেলের দাম কমেছে।

    সোমবার সকালে এ প্রতিবেদন লেখার সময় ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৪২ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৫৮ শতাংশ কমে ৭১ দশমিক ৭০ ডলারে নেমে আসে। আগের কার্যদিবসে ব্রেন্টের দাম শূন্য দশমিক ৪৫ শতাংশ বেড়েছিল।

    একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ২৭ সেন্ট বা শূন্য দশমিক ৩৯ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৬৮ দশমিক ৪২ ডলারে নেমে আসে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাজার বন্ধ থাকায় শুক্রবার ডব্লিউটিআইয়ের আনুষ্ঠানিক নিষ্পত্তিমূল্য নির্ধারিত হয়নি।

    গত সপ্তাহজুড়ে এই দুই ধরনের তেলের দাম প্রায় অপরিবর্তিত ছিল। এর আগে কয়েক সপ্তাহ ধরে দাম নিম্নমুখী ছিল। এ সময় বিনিয়োগকারীরা হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনার অগ্রগতি এবং উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল রপ্তানি পুনরুদ্ধারের গতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন।

    রোববার ওপেক, রাশিয়াসহ মিত্রদেশগুলো আগস্ট থেকে দৈনিক উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা আরও ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগে জুন ও জুলাইয়েও একই পরিমাণ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।

    তবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের কারণে এ উৎপাদন বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন অনেকটাই বাধাগ্রস্ত হয়েছে। যুদ্ধের সময় হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী ট্যাংকার চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সৌদি আরব, কুয়েত ও ইরাকের মতো প্রধান ওপেক সদস্যদের উৎপাদন ও রপ্তানি সীমিত হয়ে পড়ে।

    বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান আইজির বিশ্লেষক টনি সাইকামোর বলেন, উৎপাদন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাজারের প্রত্যাশার সঙ্গে মোটামুটি মিলেছে। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাত ওপেক ছেড়ে যাওয়ার পর এবং যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে উৎপাদন এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়ায় নির্ধারিত কোটাও বাস্তবে পূরণ হচ্ছে না। তাই আপাতত এসব লক্ষ্যমাত্রার খুব বেশি গুরুত্ব নেই।

    সংযুক্ত আরব আমিরাত গত ১ মে থেকে ওপেক ছাড়ে। এদিকে ইরান যুদ্ধের সময় বন্ধ হয়ে যাওয়া সরবরাহ পুনরায় চালু করতে শুরু করেছে উপসাগরীয় সদস্যদেশগুলো। একই সঙ্গে তারা রপ্তানিও বাড়াচ্ছে।

    রয়টার্সের জরিপে দেখা গেছে, জুনে ওপেকের তেল উৎপাদন আগের মাসের তুলনায় দৈনিক ৩৩ লাখ ব্যারেল বেড়ে ১ কোটি ৯৪৩ লাখ ব্যারেলে পৌঁছেছে। দুই দশকের বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পুনরুদ্ধারের ঘটনা এটি।

    তথ্য অনুযায়ী, জুনে উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল রপ্তানি মে মাসের তুলনায় দৈনিক ৩০ লাখ ব্যারেলের বেশি বেড়ে ১ কোটি ব্যারেল অতিক্রম করেছে। তবে যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় এই রপ্তানি এখনো প্রায় ৪০ শতাংশ কম।

    এদিকে শিল্পসংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, জুনে রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় বন্দরগুলো থেকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। জুলাইয়েও এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে। ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার কয়েকটি শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেশটি অপরিশোধিত তেল রপ্তানি বাড়াতে বাধ্য হয়েছে।

  • জুলাইয়ের প্রথম পাঁচ দিনে রেমিট্যান্স  ৩৮.১ শতাংশ বেড়েছে

    জুলাইয়ের প্রথম পাঁচ দিনে রেমিট্যান্স ৩৮.১ শতাংশ বেড়েছে

    চলতি ২০২৬ সালের জুলাই মাসের প্রথম পাঁচ দিনে বাংলাদেশে ৫৬ কোটি ৭০ লাখ (৫৬৭ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা ২০২৫ সালের জুলাই মাসের একই সময়ের ৪১ কোটি ১০ লাখ (৪১১ মিলিয়ন) মার্কিন ডলারের তুলনায় ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।

    আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

    তথ্য অনুযায়ী, শুধু ২০২৬ সালের ৫ জুলাইই প্রবাসী বাংলাদেশীরা দেশে ২১ কোটি ৯০ লাখ (২১৯ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

    ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরুতেই রেমিট্যান্স প্রবাহের এ শক্তিশালী ধারা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে রেমিট্যান্সের ধারাবাহিক ইতিবাচক প্রবণতাকেই প্রতিফলিত করছে।

  • দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৩ হাজার ২২৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

    সোমবার দুপুর ১২টায় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এই দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।

    বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৫ হাজার ১৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ৯৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এর আগে, সবশেষ গত শুক্রবার ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

    এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৮৭ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৪৩ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৪৩ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।

  • ঋণখেলাপিকে   এলসি খোলার অনুমতি দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

    ঋণখেলাপিকে এলসি খোলার অনুমতি দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

    ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের করপোরেট গ্যারান্টর হওয়া সত্ত্বেও আব্দুল মোনেম সুগার রিফাইনারি লিমিটেডকে ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিনে আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলার বিশেষ অনুমতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ সুবিধার আওতায় আগামী ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির ক্ষেত্রে ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ২৭কক(৩) ধারার বিধান কার্যকর হবে না।

    সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ১২১ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এ সুবিধার আওতায় দেওয়া ঋণের কারণে সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো ধরনের আর্থিক ক্ষতি সৃষ্টি করা যাবে না। এছাড়া ভবিষ্যতে এ ঋণ সুবিধার বিপরীতে কোনো ব্যাংক সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা দাবি করতে পারবে না।

    ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী, খেলাপি ঋণের জামিনদাররাও খেলাপি হিসেবে বিবেচিত হন। ফলে তারা নতুন ঋণ সুবিধা বা এলসি খোলার সুযোগ পান না। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনের ফলে প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ওই বিধান আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত শিথিল থাকবে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল মোনেম সুগার রিফাইনারি রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংকে আব্দুল মোনেম লিমিটেডের একটি খেলাপি ঋণের করপোরেট গ্যারান্টর। আব্দুল মোনেম লিমিটেডই আব্দুল মোনেম গ্রুপের প্রধান প্রতিষ্ঠান।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৫ সালের মার্চের তথ্য অনুযায়ী, অগ্রণী ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি), ডাচ্-বাংলা ব্যাংকসহ ২৪টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে আব্দুল মোনেম লিমিটেডের মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬৯৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে শুধু অগ্রণী ব্যাংকের পাওনাই প্রায় ৪৫৫ কোটি টাকা। গত বছরের আগস্টে প্রতিষ্ঠানটি এসব ঋণ বিশেষ শর্তে পুনর্গঠনের আবেদন করেছিল।

    এরপর গত ৭ জুন শতভাগ নগদ মার্জিনে এলসি খোলার বিশেষ সুবিধা চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে আবেদন করা হয়।

    শোধনাগার কর্তৃপক্ষ আবেদনে উল্লেখ করে, অপরিশোধিত চিনি আমদানির জন্য একাধিক আন্তর্জাতিক চুক্তি কার্যকর রয়েছে। সময়মতো এলসি খুলতে না পারলে প্রতিদিন প্রায় ২৩ হাজার মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ গুনতে হতে পারে। পাশাপাশি দেশে বর্তমানে হাতে গোনা কয়েকটি চিনি শোধনাগার পূর্ণ সক্ষমতায় চালু থাকায় আমদানি ব্যাহত হলে বাজারে চিনির সরবরাহেও ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

    বর্তমানে বিক্রয়চুক্তির আওতায় শোধনাগারটি আবুল খায়ের লিমিটেড পরিচালনা করছে। প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত চিনি ‘স্টারশিপ সুগার’ ব্র্যান্ড নামে বাজারজাত করা হচ্ছে। তবে মালিকানা হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া এখনো সম্পন্ন হয়নি।

  • ইনক্রিমেন্টের নিয়ম বদলে যাচ্ছে নতুন পে স্কেলে, গ্রেডভেদে বেতন বাড়বে যে হারে

    ইনক্রিমেন্টের নিয়ম বদলে যাচ্ছে নতুন পে স্কেলে, গ্রেডভেদে বেতন বাড়বে যে হারে

    সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় পে স্কেল কার্যকরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে গত ১ জুলাই থেকে। যদিও এ সংক্রান্ত গেজেট এখনো প্রকাশ হয়নি। এরই মধ্যে নতুন পে স্কেলের প্রাথমিক খসড়ায় বার্ষিক ইনক্রিমেন্টের ক্ষেত্রে বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব এসেছে। বর্তমানের মতো সব গ্রেডে সমান হারে ইনক্রিমেন্ট না দিয়ে এবার গ্রেডভেদে ভিন্ন হারে বেতন বৃদ্ধির পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশে আরও সময় লাগতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধারণা, গেজেট জারি হতে আরও দুই থেকে তিন মাস সময় লাগতে পারে।

    প্রাথমিক খসড়া অনুযায়ী, ষষ্ঠ থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট মূল বেতনের ৫ শতাংশ রাখা হয়েছে। পঞ্চম গ্রেডে ৪ শতাংশ, তৃতীয় ও চতুর্থ গ্রেডে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ এবং দ্বিতীয় গ্রেডে ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ ইনক্রিমেন্টের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রথম গ্রেডের বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হবে। বর্তমানে সব গ্রেডেই গড়ে ৫ শতাংশ হারে ইনক্রিমেন্ট কার্যকর রয়েছে।

    সরকারি সূত্র জানিয়েছে, নতুন ইনক্রিমেন্ট কাঠামো নির্ধারণের আগে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫০০ সরকারি চাকরিজীবী, ৬১ হাজার ৫০০ সাধারণ নাগরিক এবং ৩ হাজার ৫১৩টি প্রতিষ্ঠানের প্রধানের মতামত নেওয়া হয়। জরিপে মাত্র ৫ দশমিক ৬ শতাংশ উত্তরদাতা বিদ্যমান ইনক্রিমেন্ট পদ্ধতির পক্ষে মত দেন।

    অন্যদিকে ৫০ দশমিক ৪৩ শতাংশ উত্তরদাতা মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করে বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট নির্ধারণের পক্ষে মত দেন। এছাড়া ৩১ দশমিক ৫৪ শতাংশের মতে, জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ইনক্রিমেন্ট নির্ধারণ করা উচিত। একইসঙ্গে ৭৯ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির হার তুলনামূলক বেশি হওয়া প্রয়োজন।

    এদিকে জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশে চিকিৎসা ভাতা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব থাকলেও তা কমিয়ে ৩ হাজার টাকা করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সন্তানদের শিক্ষা ভাতাও কমিশনের প্রস্তাবিত ২ হাজার টাকার পরিবর্তে ১ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    অর্থ বিভাগের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমে জানিয়েছেন, মূল বেতন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়লেও কমিশনের সুপারিশের তুলনায় কয়েকটি ভাতার হার কিছুটা কমানো হচ্ছে। তবে বর্তমানের তুলনায় সব ভাতাই বাড়বে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে শুধু নতুন মূল বেতন কার্যকর হবে। বিভিন্ন ভাতা ২০২৭-২৮ অর্থবছর থেকে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।

    সরকারের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বর্তমানে ২০তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা। বিভিন্ন ভাতাসহ মোট প্রাপ্তি প্রায় ১৬ হাজার ৯৫০ টাকা। নতুন পে স্কেলে ওই গ্রেডের মূল বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হলে ভাতাসহ মোট প্রাপ্তি বেড়ে প্রায় ৪১ হাজার ৯০৮ টাকায় পৌঁছাতে পারে।

    একইভাবে ১৯তম থেকে প্রথম গ্রেড পর্যন্ত সব স্তরেই বেতন ও ভাতা বাড়বে। তবে সমতা বজায় রাখতে উচ্চ গ্রেডের ভাতা বৃদ্ধির হার তুলনামূলক কম রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। কারণ যাতায়াত, টিফিন, ধোলাই ও ঝুঁকিভাতাসহ কয়েকটি ভাতা বর্তমানে মূলত ১০ম বা ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরাই পান। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই নতুন ভাতা কাঠামো চূড়ান্ত করা হবে।

  • ৯৬ বার পেছাল রিজার্ভ চুরি মামলার তদন্ত  দাখিলের সময়

    ৯৬ বার পেছাল রিজার্ভ চুরি মামলার তদন্ত দাখিলের সময়

    বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৯ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে ৯৬ বার পেছাল প্রতিবেদন দাখিলের দিন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রোকুনুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    এদিন মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় নতুন ওই দিন ধার্য করে আদালত।

    ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে সুইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করা হয়। পরে ওই টাকা ফিলিপাইনে পাঠানো হয়। দেশের অভ্যন্তরের কোনো একটি চক্রের সহায়তায় হ্যাকার গ্রুপ রিজার্ভের অর্থ পাচার করে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    ওই ঘটনায় একই বছরের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে অজ্ঞাতানামাদের আসামি করে মতিঝিল থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধনী ২০১৫) সহ তথ্য ও প্রযুক্তি আইন, ২০০৬-এর ৫৪ ও ৩৭৯ ধারায় একটি মামলা করেন। বর্তমানে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মামলাটি তদন্ত করছে।

  • ইসলামী ব্যাংকের ‘গ্রাহকসেবা মাস’ শুরু

    ইসলামী ব্যাংকের ‘গ্রাহকসেবা মাস’ শুরু

    ‘কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ের অগ্রযাত্রায় গড়ি আগামীর বাংলাদেশ’ স্লোগান সামনে রেখে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ‘গ্রাহকসেবা মাস’ শুরু করেছে। ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. আলতাফ হুসাইন ১ জুলাই ২০২৬, বুধবার ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে প্রধান অতিথি হিসেবে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন।

    অনুষ্ঠানে অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মজুমদার বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর ড. এম কামাল উদ্দীন জসিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মজনুজ্জামান।

    অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. মাহবুব আলম, মাহমুদুর রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম, মুহাম্মদ সাঈদ উল্লাহ ও মো. মাকসুদুর রহমানসহ প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ব্যাংকের সব জোনপ্রধান, শাখাপ্রধান ও উপশাখা ইনচার্জ ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. আলতাফ হুসাইন বলেন, বর্তমানে ইসলামী ব্যাংকের সব শাখা, উপশাখা, এজেন্ট আউটলেট এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। রেমিট্যান্স গ্রাহকেরাও নির্বিঘ্নে সেবা গ্রহণ করছেন। যেসব গ্রাহক হিসাব বন্ধ করে অর্থ উত্তোলন করেছিলেন, তাদের অধিকাংশই ইতোমধ্যে ব্যাংকের ওপর আস্থা রেখে ফিরে এসেছেন। এই স্বতঃস্ফূর্ত প্রত্যাবর্তন আমাদের প্রতি তাদের দীর্ঘদিনের বিশ্বাসেরই সুস্পষ্ট প্রতিফলন।

    তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংক একটি শক্তিশালী, স্থিতিশীল ও সুদৃঢ় আর্থিক প্রতিষ্ঠান। স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, সুশাসন ও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখে নিরলসভাবে কাজ করার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।

  • বিএসইসি’র সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালো ডিএসই

    বিএসইসি’র সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালো ডিএসই

    দেশের স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে স্বাধীনভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণের মানদণ্ড নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের ক্ষমতা প্রদানের বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (ডিএসই)।

    বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) এ সংক্রান্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএসইসি’র এই পদক্ষেপকে দেশের পুঁজিবাজারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করে এটি বাজারের দক্ষতা বৃদ্ধি করবে ও বাংলাদেশের শেয়ারবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে সাহায্য করবে বলে জানিয়েছে ডিএসই।

    এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) গত ১ জুলাই সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬৯-এর ধারা ২০ক-এর অধীনে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ যুগান্তকারী আদেশ জারি করেছে।

    এ আদেশের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের যথাযথ সুরক্ষা, বাজারে সুষ্ঠু, কার্যকর ও স্বচ্ছ লেনদেন নিশ্চিতকরণ, সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখা এবং দেশের পুঁজিবাজারের সার্বিক উন্নয়ন সহজতর করার লক্ষ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি. (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি. (সিএসই)-কে নিজস্ব প্রবিধান ও নীতিমালা অনুযায়ী বাজার নিয়ন্ত্রণ প্যারামিটারসমূহ স্বাধীনভাবে নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

    নতুন আদেশ অনুযায়ী, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) প্রাসঙ্গিক প্রবিধান, নীতিমালা এবং পরিচালনগত প্রয়োজনীয়তার আলোকে বাজার পরিচালনার বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণ প্যারামিটার নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের ক্ষমতা পাবে। তবে, এসব প্যারামিটারে কোনো পরিবর্তন আনা হলে সংশ্লিষ্ট স্টক এক্সচেঞ্জকে তা অবিলম্বে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-কে অবহিত করতে হবে এবং বাজারের সব অংশগ্রহণকারীর কাছে পরিবর্তনের বিষয়ে যথাযথভাবে প্রচার ও অবহিতকরণ নিশ্চিত করতে হবে।

    বিএসইসি বলেছে, এই সিদ্ধান্তের লক্ষ্য হলো বিনিয়োগকারী সুরক্ষা জোরদার করা, একটি সুশৃঙ্খল লেনদেন পরিবেশ বজায় রাখা এবং দেশের পুঁজিবাজারের টেকসই উন্নয়নে সহায়তা করার জন্য ন্যায্য, দক্ষ ও স্বচ্ছ লেনদেনকে উৎসাহিত করা।

  • ৪ আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে আমানত পরিশোধের শেষ সুযোগ, ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা

    ৪ আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে আমানত পরিশোধের শেষ সুযোগ, ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা

    ব্যাংক রেজুলেশন আইন, ২০২৫-এর ধারা ১৫ অনুযায়ী চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পুনর্গঠন এবং আমানতকারীদের অর্থ পরিশোধ নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ তিন মাসের বিশেষ সময় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অকার্যকর অবস্থা থেকে প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় কার্যকর (ভায়েবল) অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পরিচালনা পর্ষদের অঙ্গীকারের ভিত্তিতে এ সময়সীমা দেয়া হয়েছে।

    নির্ধারিত এই তিন মাসের মধ্যে শর্তগুলোর যেকোনো একটি বা একাধিক পূরণে ব্যর্থ হলে ব্যাংক রেজুলেশন আইন, ২০২৫-এর বিধান অনুযায়ী ব্যাংক রেজুলেশন বিভাগ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় রেজুলেশন কার্যক্রম শুরু করবে।

    বিশেষ সময় পাওয়া চারটি প্রতিষ্ঠান হলো : প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি লিমিটেড (বিআইএফসি) এবং প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব পরিচালনা পর্ষদ ও স্পন্সর শেয়ারহোল্ডারদের মাধ্যমে নতুন মূলধন সংযোজন এবং প্রয়োজনীয় তারল্য নিশ্চিত করতে হবে। একইসাথে নিজস্ব সম্পদ ও সম্পত্তি বিক্রি, বকেয়া ঋণ আদায় এবং খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল বা নিষ্পত্তির মাধ্যমে শ্রেণিকৃত ঋণের হার কমিয়ে এনে সাধারণ ও ব্যক্তিগত আমানতকারীদের আমানত পরিশোধ নিশ্চিত করতে হবে।

  • ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে দাম কমল ৩৫৭ টাকা

    ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে দাম কমল ৩৫৭ টাকা

    ভোক্তা পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডারের বিদ্যমান দাম থেকে ৩৫৭ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী, ১২ কেজির একটি সিলিন্ডারের দাম এক হাজার ৮৮৫ টাকা থেকে কমিয়ে এক হাজার ৫২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে।

    বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রমনায় কমিশনের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ নতুন এ দাম ঘোষণা করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের সদস্য মো: মিজানুর রহমান, মো: আব্দুর রাজ্জাক, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) শাহিদ সারওয়ার উপস্থিত ছিলেন।

    এ সময় চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, আরামকোর জুলাই মাসের সৌদি সিপির ভিত্তিতে এলপিজির দাম কমানো হয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী, অটো গ্যাসের দাম ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা থেকে ১৬ টাকা ৫৩ পয়সা কমিয়ে প্রতি লিটার ৭০ টাকা ৪০ পয়সা করেছে বিইআরসি। তবে সরকারি এলপিজির দাম ৭৭৬ টাকা ৯৩ পয়সা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

    তিনি জানান, এলপিজি ৫.৫ কেজি, ১২.৫ কেজি, ১৫ কেজি, ১৬ কেজি, ১৮ কেজি, ২০ কেজি, ২২ কেজি, ২৫ কেজি, ৩০ কেজি, ৩৩ কেজি, ৩৫ কেজি ও ৪৫ কেজি ধারণক্ষমতার সিলিন্ডারে বাজারজাত করা হয়। এখন থেকে বিইআরসি’র গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডারের দাম হবে যথাক্রমে ৭০০ টাকা, এক হাজার ৫৯১ টাকা, এক হাজার ৯১০ টাকা, দুই হাজার ৩৭ টাকা, দুই হাজার ২৯১ টাকা, দুই হাজার ৫৪৬ টাকা, দুই হাজার ৮০১ টাকা, তিন হাজার ১৮৩ টাকা, তিন হাজার ৮১৯ টাকা, চার হাজার ২০১ টাকা, চার হাজার ৪৫৬ টাকা এবং পাঁচ হাজার ৭২৯ টাকা।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ২ জুন থেকে কার্যকর হওয়া এলপিজি’র দাম ছিল যথাক্রমে ৮৬৪ টাকা, এক হাজার ৯৬৩ টাকা, দুই হাজার ৩৫৬ টাকা, দুই হাজার ৫১৩ টাকা, দুই হাজার ৮২৭ টাকা, তিন হাজার ১৪১ টাকা, তিন হাজার ৪৫৫ টাকা, তিন হাজার ৯২৭ টাকা, চার হাজার ৭১২ টাকা, পাঁচ হাজার ১৮৩ টাকা, পাঁচ হাজার ৪৯৭ টাকা এবং সাত হাজার ৬৮ টাকা।

    এদিকে প্রতি টন প্রোপেন ৫৮০ মার্কিন ডলার এবং বিউটেন ৬০০ মার্কিন ডলারে বিক্রির নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।