ঢাকা বিভাগ

  • জীবন দেব, তবু ‘চব্বিশকে’ হারিয়ে যেতে দেব না: জামায়াত আমির

    জীবন দেব, তবু ‘চব্বিশকে’ হারিয়ে যেতে দেব না: জামায়াত আমির

    বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আল্লাহর কসম, জীবন দেব কিন্তু ‘২৪’ হারিয়ে যেতে দেব না। আমরা লজ্জিত, কারণ প্রতিবার সাধারণ মানুষ, ছাত্র, তরুণ, যুবক, শ্রমিক জীবন দিয়ে অর্জন এনে দেওয়ার পর কিছু লুটেরা সেই অর্জন ছিনিয়ে নেয়। আজও ২০২৪-এর অর্জন হারিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

    বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে আইডিবির মিলনায়তনে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে শহীদ আবু সাঈদসহ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    জামায়াত আমির বলেন, আজ যে সংসদ ও সরকার গঠিত হয়েছে, সবাই স্বীকার করেন এটি ২০২৪-এর ফসল। অথচ কেউ কেউ বলতে চান, ২০২৪ তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়, আগের অংশটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা তো কখনো বলিনি আগের অংশ গুরুত্বপূর্ণ নয়। সেই সময়েই তো আমরা আমাদের ১১ জন শীর্ষ নেতাকে হারিয়েছি। শত শত সহকর্মীকে হারিয়েছি। অসংখ্য মানুষ কারাগারে গেছেন, চাকরি হারিয়েছেন, বাড়িঘরে থাকতে পারেননি। আমরা সেই ত্যাগ অস্বীকার করি না। কিন্তু এটাও সত্য, ২০২৪ না হলে আজ আমি এখানে বক্তৃতা দিতে পারতাম না, বিরোধীদলীয় নেতা হতে পারতাম না, সংসদ সদস্য হতে পারতাম না। একইভাবে তারেক রহমানও প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না।

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, সবচেয়ে বড় দাবি ছিল, ফ্যাসিবাদ যেন আর বাংলাদেশে ফিরে না আসে। এজন্য রাষ্ট্র সংস্কার প্রয়োজন ছিল। নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রয়োজন ছিল। অতীতের পচা রাজনীতিকে বিদায় দিয়ে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন ছিল। কেউ কেউ বলেছেন, গণভোট সংবিধানে নেই। আবার কেউ বলেছেন, চারটি প্রশ্ন এত জটিল ছিল যে বুঝতেই চার ঘণ্টা লাগে। তাহলে জনগণ কীভাবে ভোট দিল? আমি বলি, এই চারটি প্রশ্ন তো আগেই প্রচার করা হয়েছিল, সব গণমাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল। তাহলে কি আপনারা বলতে চান, বুদ্ধি শুধু আপনাদের আছে, দেশের ১৮ কোটি মানুষের নেই? এটা জাতিকে অপমান করার শামিল। আমি মূর্খ হতে পারি, কিন্তু আমার জাতি মূর্খ নয়।

    তিনি আরও বলেন, চারটি প্রশ্ন যদি মানুষ বুঝতে না পারে, তাহলে ৩১টি প্রশ্ন কীভাবে বুঝবে? এগুলো সব গোঁজামিল ও ভাওতাবাজি। ইতোমধ্যে একজন বলেছেন, ভোটটা হয়ে যাক, তাই সবকিছু আগে মেনে নিয়েছিলাম। আরেকজন বলেছেন, টোল মওকুফের কথা বলা হয়েছিল ভোট পাওয়ার জন্য। রাজনীতিবিদরা যদি এভাবে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেন, তাহলে দেশের মানুষ যাবে কোথায়? যারা দেশ চালাবেন, আইন করবেন, তাদের ন্যূনতম নৈতিক মানদণ্ড থাকা উচিত।

    বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, নির্বাচনের আগে সবাই গণভোটের পক্ষে ছিলেন। জনগণের প্রায় ৭০ শতাংশ হ্যাঁ বলেছেন। এখন বলা হচ্ছে, ৫১ শতাংশ ভোট পেয়ে সরকার গঠন করা হয়েছে, তাই ৭০ শতাংশ গণরায় মানা হবে না। আমি জানতে চাই, ৫১ বড়, নাকি ৭০ বড়? ভোট কীভাবে পেয়েছেন, সেই বিতর্ক ইতিহাসে থেকেই যাবে। সাড়ে তিন ঘণ্টা ব্ল্যাকআউট করে কী করা হয়েছে, জনগণ তা জানে। সময়মতো ইতিহাস সবকিছুর বিচার করবে।

    সংবিধান সংশোধন কমিটি নিয়েও প্রশ্ন তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এখন আমাদেরও বলা হচ্ছে, আপনারাও আসুন, এই অগ্রাহ্যের মিছিলে শরিক হোন। সংসদে আমাদের সংবিধান শেখানো হয়। আমি জানতে চাই, সংবিধান সংশোধন কমিটি নামে কোনো কমিটি সংবিধানের কোথাও আছে কি? যদি না থাকে, তাহলে এটি কেন? এটি জুলাইকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা, গণভোটকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা।

    তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে প্রতিবাদ জানিয়ে ওয়াকআউট করেছি। জনগণের রায়কে অপমান করতে চাইলে করুন, জনগণই তার বিচার করবে। আমরা জনগণের সঙ্গে আছি, জনগণের রায়ের পক্ষে আছি। আমরা লড়াই চালিয়ে যাব। আমাদের বিশ্বাস, ইনশাআল্লাহ ৭০ শতাংশ মানুষের গণরায় বৃথা যাবে না, তা বাস্তবায়িত হবেই।

    তিনি বলেন, চিংড়ি মাছ লাফ দিলে পেছনের দিকে যায়। সামনে রাস্তা খুঁজে পায় না। জাতি যদি সবসময় পেছনের দিকেই তাকিয়ে থাকে, তাহলে সামনে এগোবে কীভাবে? আমরা সবসময় বলেছি, আসুন সামনে তাকাই। ২০২৪ এর যে অঙ্গীকার, তা বাস্তবায়ন করি।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অনেকেই প্রতিবেশী দেশ নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। আমরাই একমাত্র দল, যাদের তারা পছন্দ করে না। তারা বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলকে ভারতের মাটিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছে, শুধু জামায়াতে ইসলামীর জন্য লাল কার্ড। কিন্তু আমরা সেই লাল কার্ডের পরোয়া করি না। ভারতের মাটিতে আশ্রয় নেওয়ার চিন্তাও আমরা করি না। এই দেশই আমাদের দেশ। আমাদের আশ্রয়ের জায়গা বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের অন্তর।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের সঞ্চালনায় আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল।

  • খালে গোসলে নেমে মাদ্রাসার চার শিশুশিক্ষার্থীর মৃত্যু

    খালে গোসলে নেমে মাদ্রাসার চার শিশুশিক্ষার্থীর মৃত্যু

    নরসিংদীর রায়পুরায় খালে গোসলে নেমে চার শিশু প্রাণ হারিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার চান্দেরকান্দি ইউনিয়নের বড়কান্দা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    প্রাণ হারানো শিশুরা হলো, বড়কান্দা গ্রামের শামীম মিয়ার মেয়ে তাবিয়া (১৩), রুবেল মিয়ার মেয়ে আয়েশা (৯) ও জান্নাত (৮) এবং বিল্লাল মিয়ার মেয়ে সুমাইয়া (১০)। তারা পড়ত বড়কান্দা এলাকার গাউসিয়া নুরে মদিনা মহিলা মাদ্রাসায়।

    এসব নিশ্চিত করেছেন রায়পুরা থানার ওসি নাজমুল হাসান।

    স্বজনরা জানান, মাদ্রাসায় ক্লাসের বিরতিতে একসঙ্গে ছয়জন পাশের একটি খালে গোসলে নামে। কিছুক্ষণ পর দুইজন পাড়ে এসে স্থানীয়দের জানায়, ডুবে গেছে অন্যরা। পরে লোকজন খালে নেমে চার শিশুকে উদ্ধার করে নেয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

    স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আশরাফুর রহমান জানান, দুপুর ১টায় তিনজনকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। আরেকজনের মরদেহ পরিবার ঘটনাস্থল থেকে নিয়ে যায়।

    ওসি নাজমুল হাসান জানালেন, মৃতদের পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • কৃষকদের সাথে মতবিনিময় সভা

    কৃষকদের সাথে মতবিনিময় সভা

    রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত কৃষক কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন এগিয়ে নিতে ছোট ভাকলা ইউনিয়নে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে দিনব্যাপী উপজেলার ছোট ভাকলা ইউনিয়নের হাউলি কেউটিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই সভার আয়োজন করা হয়।

    কৃষক কার্ড কর্মসূচির কার্যক্রম সঠিকভাবে বাস্তবায়ন, উপকারভোগী কৃষকদের যাচাই-বাছাই এবং মাঠ পর্যায়ে কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতেই এ সভার আয়োজন করা হয়।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সৈয়দ রায়হানুল হায়দার। সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শাহাদাৎ হোসেন এবং উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আনোয়ারুল ইসলাম পাইলট।

    সভায় বক্তারা বলেন, কৃষক কার্ড কর্মসূচি কৃষকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এর মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের সঠিকভাবে চিহ্নিত করে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। তারা আরও বলেন, কোনো ধরনের অনিয়ম যেন না ঘটে সেজন্য স্বচ্ছতা বজায় রেখে কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করতে হবে।

    সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগ সফল করতে হলে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কৃষকদের আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। আমরা চাই প্রকৃত কৃষকেরাই যেন এই কার্ডের সুবিধা পান।

    মতবিনিময় সভায় স্থানীয় কৃষক, জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে তাদের মতামত তুলে ধরেন এবং কর্মসূচি সফল করতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।

  • ডিএসই’র সব সূচক নিম্নমুখী, লেনদেন ১,১১৮ কোটি টাকা

    ডিএসই’র সব সূচক নিম্নমুখী, লেনদেন ১,১১৮ কোটি টাকা

    সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দরপতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন প্রধান মূল্যসূচকসহ সব সূচক কমেছে।

    ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, আজ মোট ৪৯৫টি কোম্পানির ৩৩ কোটি ৪৮ লাখ ৭৬ হাজার ৪৪৫টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এতে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১১৮ কোটি ২৪ লাখ ৭৩ হাজার ৭৬২ টাকা।

    দিন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের তুলনায় ২৫ দশমিক ৯২ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৯০০ দশমিক ৩৬ পয়েন্টে নেমে আসে। ডিএসই-৩০ সূচক ১৫ দশমিক ২৮ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ২২৭ দশমিক ৬৩ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক (ডিএসইএস) ২ দশমিক ০৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ২০৬ দশমিক ৮৬ পয়েন্টে অবস্থান করে।

    লেনদেনে অংশ নেয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১০৩টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, ২৪০টির কমেছে এবং ৫২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

    লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০টি কোম্পানি হলো— টেকনো ড্রাগ, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, মালেক স্পিনিং, ফারইস্ট নিটিং, তৌফিকা ফুড, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ, ব্র্যাক ব্যাংক, বিএসসি, সিটি ব্যাংক ও নাভানা ফার্মাসিউটিক্যালস।

    দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো— টেকনো ড্রাগ, ফার কেমিক্যাল, এআইবিবিএল ফার্স্ট ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড, অগ্নি সিস্টেমস, অ্যাম্বি ফার্মা, এমএল ডাইং, সিলকো ফার্মা, এপেক্স ট্যানারি, আমান ফিড ও মীর আখতার।

    অন্যদিকে দর পতনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো— উসমানিয়া গ্লাস শিট ফ্যাক্টরি, বিআইএফসি, জিলবাংলা সুগার, জিকিউ বলপেন, সেনা ইন্স্যুরেন্স, জেনারেশন নেক্সট, সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্স, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, বিএসআরএম লিমিটেড ও সিএনএ টেক্সটাইলস।

  • কিছু মহল সরকারকে বিব্রত করতে চায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    কিছু মহল সরকারকে বিব্রত করতে চায়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া, পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের প্রশ্নপত্রে ভুল ও প্রশ্নের মান নিয়ে ক্ষোভ জানিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও সমাবেশের প্রেক্ষাপটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন কিছু মহল সরকারকে বিব্রত করতে চায়।

    বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা দেখেছি, এই আন্দোলনে অনেক অছাত্রও এসেছিল। তাই এখন পর্যন্ত বিষয়টিকে আমরা গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছি না। সরকারকে বিব্রত করতে চায় কিছু মহল। তারা মূলত ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাইছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও এমন আন্দোলনের প্রবণতা দেখা গিয়েছিল।

    তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রীকে জানিয়েছে, সরকারকে জানিয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে যে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী যদি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে ব্যর্থ হয় তাদের আবার পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পদার্থবিজ্ঞানের দুটি প্রশ্ন ভুল হয়েছিল, সে জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত পরিচালনা করবে। দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেবে। তবে ওই দুটি প্রশ্নের নম্বর যুক্ত করা হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। যারা পরীক্ষার্থী তারা সন্তুষ্ট। এর পরেও যদি কেউ তার পরের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করে থাকে বা না করতে পারে, তাদের পরবর্তীতে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা চলার সময় সুযোগ দেওয়া হবে। এখানে তো সমস্যার সমাধান হয়ে গেল।

    এসময় তিনি বলেন, একটা মন্তব্যের কারণে অনেকে দুঃখ পেয়েছেন, আর সে জন্য শিক্ষামন্ত্রী সংসদে তার বক্তৃতায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

    যারা সরকারকে বিব্রত করতে চাচ্ছে তাদের জন্য কী বার্তা, জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এগুলো আমরা খুব একটা গুরুত্বের সঙ্গে নিচ্ছি না। আমরা দু-একটি জেলায় ও ঢাকার দু-একটি স্পটে দেখেছি, তাদের সংখ্যা বেশি না যারা এগুলো নিয়ে কথা-বার্তা বলছে। হয়তো মিডিয়াতে এসেছে, এ জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে। এগুলোতে আমরা মনোযোগ দিচ্ছি না।

  • ভুয়া পরিচয়ে আন্দোলন, থানায় অভিযোগ

    ভুয়া পরিচয়ে আন্দোলন, থানায় অভিযোগ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    মাইলস্টোনের কলেজের পরিচয়পত্র ব্যবহার করে এইচএসসি পরীক্ষা ও প্রশ্নপত্র-সংক্রান্ত আন্দোলনে সরকার বিরোধী উস্কানীমূলক বক্তব্য দেয়া এক ছাত্রীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। সেই ছাত্রী আগেই মাইলস্টোন কলেজ থেকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট নিয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাজধানীর তুরাগ থানায় এ বিষয়ে সাধারণ ডায়েরি করার জন্য আবেদন করা হয়েছে।

    জানা যায়, অভিযুক্তের নাম রুবাইয়া মেহজাবিন সুহি। তিনি মাইলস্টোন কলেজের কলেজ কোড নং-৮০৭৪, বিজ্ঞান বিভাগ (ইংরেজি মাধ্যম)-এর ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের একজন ছাত্রী ছিলেন। শৃঙ্খলাজনিত কারণে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অনুমতিক্রমে তাকে মাইলস্টোন কলেজ থেকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টি.সি.) দেয়া হয়। ফলে সে এখন আর মাইলস্টোন কলেজের শিক্ষার্থী নয় এবং প্রতিষ্ঠানের কোনো পরিচয় ব্যবহারের অধিকারও তার নেই। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত একটি ভিডিয়োতে দেখা যায় যে, ওই ছাত্রী মাইলস্টোন কলেজের পরিচয়পত্র ব্যবহার করে এইচএসসি পরীক্ষা ও প্রশ্নপত্র-সংক্রান্ত আন্দোলনে সরকার বিরোধী উস্কানীমূলক জোরালো বক্তব্য দিয়েছে। সে মাইলস্টোন কলেজের শিক্ষার্থী না থাকা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানের পরিচয় ব্যবহার করছেন, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে এবং প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে।

    মাইলস্টোন কলেজের সিকিউরিটি অফিসার মুহাম্মদ জহুরুল ইসলাম কলেজ কর্তৃপক্ষের পক্ষ হয়ে এ বিষয়টি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানান।

  • শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন ঢাকার এডিসি ফারজানা

    শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হলেন ঢাকার এডিসি ফারজানা

    জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬-এ দেশসেরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নির্বাচিত হয়েছেন সোনারগাঁ উপজেলার সাবেক ইউএনও এবং বর্তমানে ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ফারজানা রহমান

    প্রাথমিক শিক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বুধবার (১৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার হাতে এই সম্মাননা পদক তুলে দেন।

    খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় দায়িত্ব পালনকালে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার বিস্তার, স্বাস্থ্যসেবা, সহশিক্ষা কার্যক্রম জোরদার এবং বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যতিক্রমী নানা উদ্যোগ গ্রহণের জন্য তিনি এ গৌরব অর্জন করেন।

    জানা গেছে, সোনারগাঁয় দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ফারজানা রহমান প্রাথমিক শিক্ষাকে একটি সমন্বিত উন্নয়ন কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসেন। তার নেতৃত্বে উপজেলার ১১৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ ও উপস্থিতি বাড়াতে চালু করা হয় ‘মিড ডে মিল’ কর্মসূচি। এ ছাড়া বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক করতে ১৫টি বিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু এবং তথ্য-প্রযুক্তিতে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তুলতে ৪৫ জন শিক্ষার্থীকে মৌলিক কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

    প্রশিক্ষণ শেষে অনুশীলনের সুবিধার্থে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোতে ল্যাপটপও বিতরণ করেন তিনি।
    শিক্ষার্থীদের যুক্তিবোধ, নেতৃত্ব ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি উপজেলায় চালু করেন আন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা। একই সঙ্গে প্রথম শ্রেণির প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য ‘বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা কার্ড’ চালু করা হয়, যার মাধ্যমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চিকিৎসাসেবা এবং বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়।

    এ ছাড়া বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, মাদকবিরোধী সচেতনতা, ভূমিসেবা ও সামাজিক মূল্যবোধ তৈরিতে তিনি বিদ্যালয়ভিত্তিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু করেন।

    শিক্ষার্থীদের আর্থিক বৈষম্য দূর করতে শতভাগ স্কুল ইউনিফর্ম নিশ্চিতের উদ্যোগ নেন ফারজানা রহমান। অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন অনুযায়ী ইউনিফর্ম, জুতা, ব্যাগ, খাতা ও কলম বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি বিদ্যালয়গুলোতে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে ডাস্টবিন সরবরাহ, ফুলের বাগান তৈরি, ফলজ গাছ রোপণসহ মনোরম শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা হয়।

    পাশাপাশি অভিভাবকদের বসার সুবিধার্থে বিদ্যালয়ে ‘অভিভাবক ছায়াতল’ নির্মাণ, নিয়মিত ক্লাস্টারভিত্তিক বিদ্যালয় পরিদর্শন ও তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধান, মাঠ ভরাট, সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ, গাইড ওয়াল স্থাপনসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রমও তাঁর নেতৃত্বে বাস্তবায়িত হয়।

    শিক্ষার্থীদের খেলাধুলাকে উৎসাহিত করতে ক্রীড়াসামগ্রী ও ফুটবল টুর্নামেন্টের জন্য জার্সিও বিতরণ করা হয় তার উদ্যোগে।

  • ইসলামী ব্যাংক গাজীপুর  শাখার গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    ইসলামী ব্যাংক গাজীপুর শাখার গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, গাজীপুর সদর শাখার উদ্যোগে গ্রাহকদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা, ব্যাংকের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করা এবং গ্রাহকদের মতামত গ্রহণের লক্ষ্যে এক গ্রাহক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার (১৫ জুলাই) গাজীপুর সদর শাখা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শাখার ব্যবস্থাপক ও শাখা প্রধান মামুনুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং শাখা অপারেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ উল্লাহর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’র ঢাকা ইস্ট জোন প্রধান ও সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ সোলাইমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা ইস্ট জোনের এফএভিপি হুমায়ূন কবীর এবং ইসলামী ব্যাংক গাজীপুর চৌরাস্তা শাখার ব্যবস্থাপক ও শাখা প্রধান মোসলেহ উদ্দিন।

    গ্রাহকদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন মো. ছাদেকুজ্জামান খান, আব্দুল খালেক সরকার, গেলমান হোসেন, আব্দুস সালাম, কণিকা দাসসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গ্রাহক।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, গ্রাহকরাই ইসলামী ব্যাংকের সবচেয়ে বড় শক্তি ও আস্থার জায়গা। তাদের বিশ্বাস, ভালোবাসা এবং সহযোগিতার কারণেই নানা প্রতিকূলতা ও ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে ইসলামী ব্যাংক আজও দেশের ব্যাংকিং খাতে একটি শক্তিশালী অবস্থান ধরে রেখেছে।

    তিনি বলেন, বিশ্বের এক হাজার শীর্ষ ব্যাংকের তালিকায় স্থান পাওয়া দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম ব্যাংক হিসেবে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা, শিল্পায়ন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং হালাল বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

    তিনি আরও বলেন, দেশের তৈরি পোশাক শিল্প, বিভিন্ন উৎপাদনমুখী খাত এবং বৈধ বিনিয়োগে ইসলামী ব্যাংকের অবদান উল্লেখযোগ্য। একই সঙ্গে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্স আহরণেও ব্যাংকটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। অতীতে কিছু সংকটের সময় অনেক প্রবাসী গ্রাহক সাময়িকভাবে রেমিট্যান্স পাঠানো কমিয়ে দিলেও বর্তমানে পরিস্থিতির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে তারা আবারও ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানো শুরু করেছেন, যা ব্যাংকের প্রতি আস্থারই বহিঃপ্রকাশ।

    ড. মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে অতীতেও নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে, তবে গ্রাহকদের অকুণ্ঠ সমর্থন ও ভালোবাসার কারণে কোনো অপচেষ্টাই সফল হয়নি। ভবিষ্যতেও গ্রাহকদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই ইসলামী ব্যাংকের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে পারবে না বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    তিনি গ্রাহকদের উদ্দেশে আরও ঘোষণা দেন, সম্প্রতি যারা বিভিন্ন কারণে তাদের আমানত উত্তোলন করেছেন, তারা যদি আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পুনরায় সেই অর্থ ইসলামী ব্যাংকে জমা রাখেন, তাহলে ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী তাদের পূর্ণ মুনাফা (প্রফিট) প্রদান করা হবে।

    অনুষ্ঠানে গ্রাহকরা ব্যাংকের বিভিন্ন সেবা, বিনিয়োগ, আমানত, ডিজিটাল ব্যাংকিং এবং গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ও মতামত তুলে ধরেন। প্রধান অতিথি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা গ্রাহকদের প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর দেন এবং ভবিষ্যতেও উন্নত, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব সেবা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    সভাপতির বক্তব্যে শাখা প্রধান মামুনুল ইসলাম বলেন, গ্রাহকদের আস্থা ও সন্তুষ্টিই ইসলামী ব্যাংকের মূল শক্তি। গ্রাহকদের প্রত্যাশা পূরণে আধুনিক, নিরাপদ ও শরিয়াহসম্মত ব্যাংকিং সেবা প্রদানে গাজীপুর সদর শাখা সর্বদা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবে।

    অনুষ্ঠান শেষে ব্যাংকের অগ্রযাত্রায় গ্রাহকদের অব্যাহত সহযোগিতা কামনা করে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানানো হয়।

  • সিটি করপোরেশনগুলো নগর সরকারে রূপান্তরের চিন্তাভাবনা চলছে: মির্জা ফখরুল

    সিটি করপোরেশনগুলো নগর সরকারে রূপান্তরের চিন্তাভাবনা চলছে: মির্জা ফখরুল

    ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে সিটি করপোরেশনগুলোক সিটি গভর্নমেন্ট বা নগর সরকারে রূপান্তর করার চিন্তাভাবনা চলছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    তিনি বলেন, ‘নগর পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সিটি করপোরেশনগুলোকে আরও কার্যকর করতে এগুলোকে নগর সরকার বা সিটি গভর্নমেন্টে রূপান্তর করার চিন্তাভাবনা করছে সরকার।’

    আজ বুধবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আয়োজনে গুলশান নগর ভবনে ‘নগরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আমার আপনার সকলের দায়িত্ব’ শীর্ষক এক সেমিনারে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘সিটি গভর্নমেন্ট করার বিষয়ে সরকারপ্রধানেরও এমন একটি উদ্যোগ বাস্তবায়নের সদিচ্ছা রয়েছে। এর ফলে নগর পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সিটি করপোরেশন আরও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারবে।’

    রাজনৈতিক মতবিরোধের ঊর্ধ্বে গিয়ে নাগরিক হিসেবে ঢাকাকে এগিয়ে নিতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি জানান, বুড়িগঙ্গা ও তুরাগ নদী দখলমুক্ত করে ঠিক করার বিষয়ে ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর আলোচনা হয়েছে। এই নদীগুলোকে না বাঁচাতে পারলে ঢাকা শহরকে বাঁচানো সম্ভব নয় বলে সতর্ক করেন তিনি।

    ঢাকাকে বাসযোগ্য করার ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, এর জন্য নাগরিকদের সচেতন হতে হবে। নদী দখলদারদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

    সেমিনারে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম, ঢাকা ওয়াসা ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিনুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

  • শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ বুধবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আয়োজিত “গণঅভ্যুত্থানের বাঁক বদলের দিন” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীনতা ও জনপ্রত্যাশিত গণতন্ত্রকে রক্ষা করার দায়িত্ব দেশের সর্বস্তরের জনগণের। ফ্যাসিবাদের যেকোনো ধরনের প্রত্যাবর্তন এবং ষড়যন্ত্র রুখতে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে গড়ে ওঠা জাতীয় ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় ও অটুট রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

    জুলাই বিপ্লবের প্রথমদিকের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘১৫ জুলাই যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘তুমি কে আমি কে? রাজাকার রাজাকার’ এবং ‘কে বলেছে কে বলেছে? স্বৈরাচার স্বৈরাচার’ স্লোগানে ইতিহাসের গতিপথ বদলে যাচ্ছিল, তখন আমি নির্বাসনে থাকলেও আমার পূর্ণ মনোযোগ ও সহযোগিতা ছিল এই আন্দোলনের সাথে।’

    দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতা অর্জন করা সহজ, কিন্তু রক্ষা করা কঠিন। স্বৈরাচারী শক্তি যেন আর কখনো এ দেশের গণতন্ত্রকে পদদলিত করতে না পারে, সেজন্য আমরা রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কার করতে চাই। এই লক্ষ্যে আমাদের প্রণীত ৩১ দফার আলোকেই নির্বাচনী ইশতেহার সাজানো হয়েছে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দেশের সকল রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধ হয়ে ‘জাতীয় জুলাই সনদ’ স্বাক্ষর করেছে। এই সনদ অনুযায়ী সংবিধান ও অন্যান্য আইন-কানুনের প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন করা আমাদের অঙ্গীকার।’

    বিগত স্বৈরাচারী সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচারের ব্যাপারে সরকারের দৃঢ় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল পার্লামেন্টেও আমি স্পষ্টভাবে বলেছি— শেখ হাসিনার আত্মসমর্পণের কোনো সুযোগ নেই। এক্সট্রাডিশন চুক্তি অনুযায়ী তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক পত্র পাঠানো হয়েছে। দেশে ফিরিয়ে এনেই তাকে গ্রেপ্তার করা হবে এবং আদালতের রায় কার্যকর করা হবে।’

    তিনি বলেন, ‘বিদেশে পলাতক ফ্যাসিবাদী সরকারের মন্ত্রী, এমপি ও কর্মকর্তাদের ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছে এবং এরই প্রেক্ষিতে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

    আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিষিদ্ধ বা বিচারের মুখোমুখি করার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কোনো প্রশাসনিক আদেশে বা এক্সিকিউটিভ অর্ডারে কোনো রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করার পক্ষে নই। আমরা চাই সম্পূর্ণ আইনানুগ ও বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের দোসর এই সংগঠনের রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারিত হোক।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) অ্যাক্ট এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হয়েছে, যার ফলে ব্যক্তি হিসেবে শেখ হাসিনার পাশাপাশি আওয়ামী লীগকে দল হিসেবেও বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো যাবে। তাছাড়া বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সংগঠন হিসেবেও বিচারের স্পষ্ট বিধান রয়েছে।’

    সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে যেভাবে হিটলারের নাৎসি বাহিনী ও গেস্টাপোকে নিষিদ্ধ ও রাজনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল, ঠিক তেমনি বাংলাদেশেও রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে আসমান থেকে গুলি করে শিশু ও গৃহিণী হত্যার মতো যে নজিরবিহীন গণহত্যা চালানো হয়েছে, তার দায় আওয়ামী লীগ এড়াতে পারে না।’

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘এত বড় ম্যাসাকার বা হত্যাকাণ্ডের পরেও আওয়ামী লীগ ও তার নেত্রীর মনে কোনো অনুশোচনা বা ক্ষমা প্রার্থনার বালাই নেই, উল্টো তারা জুলাইয়ের বীর যোদ্ধাদের ‘জঙ্গিবাদী’ আখ্যা দিয়ে পুনরায় রাজনীতিতে ফেরার ঘৃণ্য স্বপ্ন দেখছে।’

    তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ইতিহাস মানেই রক্ষীবাহিনী দিয়ে ৩০ হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা, ধর্ষণের সেঞ্চুরি, একদলীয় বাকশাল কায়েম এবং ছাত্র রাজনীতিকে কলঙ্কিত করার ইতিহাস।’

    জুলাই আন্দোলনের চেতনাকে কোনো একক দল বা গোষ্ঠীর রাজনৈতিক উদ্দেশে ব্যবহার বা ব্যবসা না করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এই জুলাই বিপ্লবের কৃতিত্ব কারো একার নয়। এ দেশের সাধারণ মানুষ বুক পেতে দিয়ে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে, কৃতিত্ব কেবলই তাদের। স্বৈরাচারের পরিণতি কেমন হয় তা ভবিষ্যৎ সরকারগুলোর শিক্ষা নেওয়ার জন্য গণভবনকে ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’-এ রূপান্তরিত করা হচ্ছে।’

    মন্ত্রী ‘৭১ ও ‘২৪-এর শহীদদের স্বপ্নের একটি নিরাপদ, গণতান্ত্রিক, স্বৈরাচারমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে তরুণ প্রজন্মসহ সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল। স্বাগত বক্তব্য দেন ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির।

    অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

  • বোরকা পরে আদালতে ববি

    বোরকা পরে আদালতে ববি

    প্রতারণার মামলায় আত্মসমর্পণের পর জামিন পেলেন চিত্রনায়িকা ইয়ামিন হক ববি। আজ বুধবার (১৫ জুলাই) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন তিনি। এ সময় ববিকে দেখা যায় বোরকা ও সানগ্লাস পরে হাজির হতে, সঙ্গে অনেকেই ছিলেন।

    শুনানি শেষে আদালত এক হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। ববির পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন ঢাকা বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোক্তার।

    এর আগে, ১২ জুলাই রাজধানীর গুলশান থানায় ইটুই সলিউশনস লিমিটেডের সিনিয়র ম্যানেজার মেহেদি আলম প্রিন্স ববিসহ চারজনের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা দায়ের করেন। মামলার অন্য আসামিরা হলেন বিটিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মির্জা আবুল বাশার, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আব্দুল আহাদ মিয়া এবং অ্যাডমিন সোহেল রানা।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ১২ নভেম্বর আবুল বাশার তার প্রতিষ্ঠানের জন্য লিথিয়াম আয়রন ব্যাটারি সরবরাহের অনুরোধ করেন। সেই অনুরোধের ভিত্তিতে ২০ নভেম্বর গুলশানে বিটিএলের কার্যালয়ে পাঁচটি ৬৪ ভোল্টের ১৭০ অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি সরবরাহ করা হয়, যার মোট মূল্য ছিল ৬ লাখ ৭২ হাজার ৯৫৪ টাকা।

    অভিযোগ অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে ব্যাটারির মূল্য পরিশোধ না করে আসামিরা নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন। পরে চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি পাওনা টাকা চাইতে গেলে মেহেদি আলম প্রিন্সকে অর্থ দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাকে হুমকি-ধামকি দিয়ে অফিস থেকে বের করে দেওয়া হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে ব্যাটারির ৬ লাখ ৭২ হাজার ৯৫৪ টাকা আত্মসাৎ করেছেন আসামিরা।

  • ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩৯১

    ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩৯১

    গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ৩৯১ জন।

    আজ বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়াদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৭০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫৩ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৬৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৪৭ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৪৯ জন, খুলনা বিভাগে ৭২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১২ জন, রংপুর বিভাগে ৬ জন এবং সিলেট বিভাগে ২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৯ হাজার ৩৭০ জন। এর মধ্যে ৬১ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৯ শতাংশ নারী রয়েছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় দুজনের মৃত্যু নিয়ে চলতি মাসে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১২ জনে। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে জুন মাসে—১৩ জন। আর জানুয়ারিতে দুই, ফ্রেবুয়ারিতে দুই ও মে মাসে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

  • সচিবালয়ে প্রবেশের চেষ্টা শিক্ষার্থীদের, পুলিশের বাধা

    সচিবালয়ে প্রবেশের চেষ্টা শিক্ষার্থীদের, পুলিশের বাধা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সচিবালয়ে প্রবেশের চেষ্টা পণ্ড করে দিয়েছে পুলিশ।

    বুধবার বিকেলে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ের অবস্থান ছেড়ে সচিবালয়ে এসে পৌঁছায় শিক্ষার্থীরা।

    এ সময় তারা সচিবালয়ে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের বাধা দেয়। এরপর তারা সেখানেই অবস্থান নেয়। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুরো এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে জলকামান।

    এদিকে একই দাবিতে রাজধানী উত্তরায় আবারও সড়ক অবরোধ করেছেন এইচএসসি শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার দুপুর দেড়টার পর ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করে। রাজধানী ছাড়াও বিভিন্ন জেলাতেও একই দাবিতে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা।এর আগে গত মঙ্গলবার সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা। পরে মঙ্গলবার রাতের মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের আল্টিমেটাম দিয়ে ‘মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয়’ কর্মসূচি ঘোষণা করে সড়ক ছাড়ে তারা। এরপর আজ আবারও বিকেলে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করে। একই দাবিতে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকাতেও অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা।

    এদিকে একই দাবিতে গত মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস এলাকায় বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে মুখোমুখি অবস্থানে চলে যান তারা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ক্যাম্পাসে বিজিবি মোতায়েন করা হয়।পরে সন্ধ্যায় সংসদ অধিবেশনে শিক্ষার্থীদের নিয়ে করা মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

    বিগত বেশ কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যা ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এ পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডের সব পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়েছে। তবে অন্য বোর্ডগুলোর পরীক্ষা যথারীতি চলছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে শিক্ষার্থীরা চলমান এইচএসসি পরীক্ষা কিছুদিন পেছানোর অনুরোধ জানিয়েছিল।

    এর মধ্যে গত সোমবার প্রবল বর্ষণে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে পরীক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। মূলত এরপরই শিক্ষামন্ত্রীর সমালোচনা শুরু হয়।

  • জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা মামলায় তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

    জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা মামলায় তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

    শিক্ষা ডেস্ক:

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসাইন হত্যা মামলায় তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ।

    অভিযোগপত্রের আসামিরা হলেন, জোবায়েদের ছাত্রী ও প্রেমিকা বার্জিস শাবনাম বর্ষা, বর্ষার প্রেমিক মাহির রহমান এবং মাহিরের বন্ধু ফারদীন আহম্মেদ আয়লান। পুলিশের ভাষ্য, মাহির ছিলেন মূল হামলাকারী, বর্ষা হত্যার পরিকল্পনাকারী এবং আয়লান সহযোগী।

    বংশাল থানার এসআই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আশরাফ হোসেন সম্প্রতি ঢাকার আদালতে এ অভিযোগপত্র জমা দেন। অভিযোগপত্রে ৫০ জন সাক্ষীর বক্তব্য, সিসিটিভি ফুটেজ, মোবাইল ফরেনসিক, ডিএনএ এবং অন্যান্য বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

    অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, গত বছরের ১৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার আরমানিটোলার ১৫ নুরবক্স লেনের রৌশান ভিলা বাসায় ছাত্রী বর্ষাকে পড়াতে গিয়ে খুন হন তিনি। সেদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ছাত্রী বর্ষার বাসার নিচতলায় জোবায়েদকে ছুরিকাঘাত করা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে তিনতলার সিঁড়িতে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

    এ ঘটনায় একদিন পর নিহত জোবায়েদের বড় ভাই এনায়েত হোসেন সৈকত বাদী হয়ে বংশাল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রায় নয় মাসের তদন্ত শেষে গত ৩০ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দেন তদন্ত কর্মকর্তা মো. আশরাফ হোসেন।

    তদন্তে উঠে আসে, এটি তাৎক্ষণিক কোনো হামলা ছিল না; বরং এক মাস ধরে পরিকল্পনা, নজরদারি, ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং সুযোগের অপেক্ষার পর হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়। এছাড়া তদন্তে বর্ষার সঙ্গে জোবায়েদ ও মাহিরের প্রেমের সম্পর্কের বিষয়ও উঠে এসেছে। জোবায়েদের সঙ্গে বর্ষার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে তাঁকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

    মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশতিয়াক হোসেন জিপু বলেন, অভিযোগপত্রটি প্রসিকিউশন বিভাগের জিআরও শাখায় জমা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ অভিযোগপত্রটি পর্যালোচনা করছেন বলে জানা গেছে। আগামীকাল (বুধবার) এটি জিআরওতে আসবে। এরপর বিচারকের কাছে উপস্থাপন করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, অভিযোগপত্রে ডিএনএ রিপোর্ট মাহিরের সঙ্গে মিলেছে। সেখানে তাঁর ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিও রয়েছে। মাহিরের বের হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এক নম্বর আসামিসহ কেউই ছাড় পাবে না।

  • স্বাস্থ্য খাতের এই নৈরাজ্যের অবসান হউক

    স্বাস্থ্য খাতের এই নৈরাজ্যের অবসান হউক

    সম্পাদকীয়

    আমদানিকৃত কোটি কোটি টাকার চিকিৎসা যন্ত্রপাতি শেষ পর্যন্ত ভাঙারির দোকানে কেজি দরে বিক্রয় হইতেছে—ইহার চাইতে হতাশাজনক খবর আর কী হইতে পারে? ইহা কেবল অদূরদর্শিতা নহে, বরং দেশের স্বাস্থ্য খাতের চরম অব্যবস্থাপনা, সীমাহীন দুর্নীতি ও রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয়ের এক জীবন্ত দলিল। সংসদে খোদ স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানাইয়াছেন যে, বিগত রাজনৈতিক সরকারের আমলে আমদানিকৃত এই সকল যন্ত্রপাতির সুরক্ষার কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা ছিল না।

    আসলে তাহা অপরিকল্পিত উপায়ে কেবল কমিশনভোগীদের পকেট ভারী করিবার হীন উদ্দেশ্যে ক্রয় করা হয়। খুলনা ও ফরিদপুরের সরকারি হাসপাতালে দীর্ঘকাল পড়িয়া থাকা ১৮ কোটি টাকা মূল্যের দুইটি রেডিওথেরাপি মেশিনের করুণ পরিণতি তাহারই প্রকৃষ্ট প্রমাণ। ইহা ছাড়া দেশের অসংখ্য হাসপাতালে এক্সরে মেশিন আছে অথচ তাহা চালাইবার মতো কোনো টেকনিশিয়ান নাই।

    কোটি টাকা মূল্যের ল্যাবরেটরি মেশিন ধুলার আস্তরণে ঢাকা পড়িয়া আছে অথচ তাহা পরিচালনার জন্য ল্যাব টেকনিশিয়ান নিয়োগ দেওয়া হয় নাই। বৎসরের পর বৎসর এই মূল্যবান যন্ত্রপাতিসমূহ কাঠের বাক্সে বন্ধ অবস্থায় পড়িয়া থাকিয়া একসময় তাহা ব্যবহারের অনুপযোগী ও অকেজো হইয়া যায়।মূলত সরকারি হাসপাতালে টেকনিশিয়ানের কৃত্রিম সংকট ও অচল যন্ত্রের পরিস্থিতি এই জন্য তৈরি করা হয়, যাহাতে বেসরকারি হাসপাতালগুলো তাহা হইতে সুবিধা পাইতে পারে। কেননা সরকারি হাসপাতালের একশ্রেণির ডাক্তার-নার্স-টেকনিশিয়ান ঐসব বেসরকারি হাসপাতালে প্রাইভেট প্র্যাকটিস করিয়া থাকেন। তাহারা যোগসাজশ করিয়া এইখানে জনগণকে উচ্চমূল্যে পরীক্ষানিরীক্ষা করাইতে বাধ্য করেন। এই অনৈতিক বাণিজ্য বন্ধ হইতে পারে, যদি সরকারি হাসপাতালেরডাক্তার-নার্স-টেকনিশিয়ানদের বেসরকারি হাসপাতালে প্রাইভেট প্র্যাকটিস নিষিদ্ধ করা হয়। প্রয়োজনে তাহারা বিকালে সরকারি হাসপাতালেই যৌক্তিক হারে অর্থবিনিময়ের মাধ্যমে বাড়তি দায়িত্ব পালন করিবেন; কিন্তু তাহাদের প্রাইভেট হাসপাতাল-ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারে দায়িত্ব পালন করিতে দেওয়া যাইবে না। নিয়ম অনুযায়ী তাহারা পারে না। কেননা সরকারি চাকুরিতে প্রবেশে বেসরকারি এমনকি সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করিতে হয়। আর প্রাইভেট এই সকল স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে পার্টটাইম নহে, বরং নিজস্ব ফুলটাইম ও স্থায়ী জনবলনিয়োগ দিতে হইবে, নতুবা তাহাদের লাইসেন্স বাতিল করিতে হইবে। সরকারি হাসপাতালে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয়ে আলট্রাসনোগ্রাফি, ইসিজি, অ্যানেসথেশিয়া ও ভেন্টিলেটর মেশিন ইত্যাদি আনা হয়; কিন্তু তাহা বৎসরের পর বৎসর ধরিয়া সিন্দুকবন্দি রাখা অতীব দুঃখজনক। ইহার পাশাপাশি আমাদের পরিকল্পনাহীন কেনাকাটা বন্ধ করিতে হইবে। যে হাসপাতালে বিদ্যুৎ-সংযোগের পর্যাপ্ত ভোল্টেজ বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নাই, সেইখানে উচ্চ প্রযুক্তির আইসিইউ ও স্ক্যানার মেশিন পাঠাইয়া দেওয়া হয়, যাহা অব্যবহৃত অবস্থায় নষ্ট হইতে বাধ্য। কোনো কোনো গ্রামীণ হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের কোনো সার্জন নাই, অথচ সেইখানে বহু দিন ধরিয়া আধুনিক অপারেশন থিয়েটারের দামি সরঞ্জামাদি বাক্সবন্দি পড়িয়া আছে। চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রকৃত চাহিদার চাইতেও আমদানিকারক, আমলা ও মধ্যস্বত্বভোগী সিন্ডিকেটের অর্থনৈতিক ফায়দা ও বিপুল পরিমাণ আর্থিক কমিশনের লোভও ইহার জন্য দায়ী। তাহা ছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিকল্পনা শাখা ও মাঠপর্যায়ের হাসপাতালগুলির মধ্যে কোনো বাস্তবসম্মত সমন্বয় নাই। জনবল না থাকিলেও কেবল বাজেট বরাদ্দের টাকা আত্মসাৎ ও অপচয় করিবার জন্য যন্ত্র ক্রয় করা হয় বলিয়া অভিযোগ রহিয়াছে।এই দিকে কোটি কোটি টাকার যন্ত্র অবহেলায় বিনষ্ট করিবার অপরাধে এযাবৎ কোনো আমলা, ঠিকাদার বা পরিচালকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয় নাই। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতিই দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়াছে। এই জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিশেষজ্ঞ অডিট কমিটি গঠন করিতে হইবে। হাসপাতালের ভৌত অবকাঠামো ও দক্ষ জনবলের সঠিক পরিসংখ্যান ব্যতিরেকে কোনো নতুন যন্ত্রপাতি ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া যাইবে না। ইহা ছাড়া দেশের প্রতিটি সরকারি হাসপাতালের যন্ত্রপাতির কার্যকারিতা তদারকির জন্য একটি কেন্দ্রীয় অনলাইন ডেটাবেজ তৈরি করিতে হইবে, যাহাতে কোন যন্ত্র সচল আর কোনটি অচল—তাহা জনগণের সম্মুখে দৃশ্যমান থাকে। মোট কথা, জনগণের করের টাকায় ক্রয়কৃত সামগ্রী ভাঙারির দোকানে নিঃশেষ হইতে দেওয়া যায় না।

  • বাংলাদেশকে আরও আনন্দ দিতে চান স্কালোনি

    বাংলাদেশকে আরও আনন্দ দিতে চান স্কালোনি

    ক্রীড়া ডেস্ক:

    বিশ্বকাপে বাংলাদেশ নেই দল হিসেবে, কিন্তু আলোচনায় ঠিকই আছে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনির কণ্ঠে ঝরল বাংলাদেশের সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা।

    স্কালোনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষদের ধন্যবাদ জানাই। তারা সবসময় আমাদের অবাক করে। এত দূরে থেকেও আর্জেন্টিনার সমর্থক হওয়াটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। জার্সি গায়ে এত দূরের মানুষদের দেখতে সবসময়ই ভালো লাগে। তাদের আরওএকটা আনন্দ দিতে পারলে আমরা খুশি হব।’

    বিশ্বকাপ জুড়েই বাংলাদেশিদের উন্মাদনা বিশ্বমিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। আর্জেন্টিনার প্রতিটি জয়ের পর ঢাকার রাস্তায় মিছিল, আতশবাজি আর আলবিসেলেস্তের জার্সিতে ভরে গেছে পুরো শহর।

    এই দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমেও বারবার উঠে এসেছে। সেসব স্কালোনিরও চোখে পড়েছে বেশ করে। আর সেসব দৃশ্য হাজার হাজার কিলোমিটার দূরে নাড়িয়ে দিয়েছে স্কালোনিকে।

    এদিকে আটলান্টার মার্সিডিজ-বেনজ স্টেডিয়ামে আগামীকাল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। ফাইনালে ইতোমধ্যে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়েছে দলটি।

    এবার সেই ফাইনালে আর্জেন্টিনার জায়গা করে নিতে চায়। হারাতে চায় ইংল্যান্ডকে।

  • ঢাবিতে আন্দোলন ঘিরে উত্তেজনা, ক্যাম্পাসে বিজিবি মোতায়েন

    ঢাবিতে আন্দোলন ঘিরে উত্তেজনা, ক্যাম্পাসে বিজিবি মোতায়েন

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা টিএসসিতে অবস্থান নিয়েছে। পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি অবস্থানকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্পাসে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

    আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি মোতায়েন করা হয়।

    এর আগে, টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার মধ্যেও গত সোমবার এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার প্রতিবাদে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড়ে প্রায় এক ঘণ্টা অবরোধ করেন বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা।

    পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে তারা নীলক্ষেত মোড় হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। বেলা সোয়া ১টার দিকে ভিসি চত্বরের সামনে পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দিলে শিক্ষার্থীরা নীলক্ষেত থেকে টিএসসিগামী সড়কে অবস্থান নেন। এরপরই সেখানে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে মুখোমুখি পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

  • শেয়ারবাজারে সূচক ঊর্ধ্বমুখী, লেনদেন ১ হাজার ৬৫১ কোটি টাকা

    শেয়ারবাজারে সূচক ঊর্ধ্বমুখী, লেনদেন ১ হাজার ৬৫১ কোটি টাকা

    দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ সবকটি মূল্যসূচক ঊর্ধ্বমুখী অবস্থায় লেনদেন শেষ হয়েছে।

    মঙ্গলবার ডিএসইতে ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৬৭টি ট্রেডের মাধ্যমে ৩৯৩টি কোম্পানির মোট ৪৬ কোটি ৫০ লাখ ১৬ হাজার ২৭৬টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের হাতবদল হয়। এতে ডিএসইতে এদিন মোট লেনেদেনের পরিমাণ দাাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৫১ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৯১৩ টাকা। লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৯৯টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, ১৩৭টির কমেছে এবং ৫৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

    দিন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৪৪ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৯১১ দশমিক ২৪ পয়েন্টে অবস্থান করে। ডিএস-৩০ সূচক ২৪ দশমিক ০১ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ২২৭ দশমিক ১০ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক (ডিএসইএস) ১০ দশমিক ২৪ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ২০৭ দশমিক ০৪ পয়েন্টে দাঁড়ায়।

    লেনদেনের পরিমাণের ভিত্তিতে ডিএসইতে আজ শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে ছিল তৌফিকা ফুড, বিএসসিসি, মালেক স্পিনিং, লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ, আইপিডিসি ফাইন্যান্স, ব্র্যাক ব্যাংক, এশিয়াটিক ল্যাবরেটরিজ, বিএসআরএম স্টিলস, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট এবং ইস্টার্ন হাউজিং।

    দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে আমান ফিড, এপেক্স ট্যানারি, ফার কেমিক্যাল, জিকিউ বলপেন, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ, আল-হাজ টেক্সটাইলস, বিএসআরএম স্টিলস, ফু-ওয়াং সিরামিক, সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস এবং দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স।

    অন্যদিকে দর পতনের শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ছিল ইন্ট্রাকো লিজিং, পিপলস লিজিং, মেঘনা ইন্স্যুরেন্স, প্রিমিয়ার লিজিং, ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, এনসিসি ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড-১, সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স, সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স, নাহি অ্যালুমিনিয়াম কম্পোজিট প্যানেলস এবং কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স।

    ক্যাটাগরি ভিত্তিতে বাজারের বিভিন্ন ক্যাটাগরির মধ্যে ‘এ’ ক্যাটাগরির ১৯৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯১টির দাম বেড়েছে, ৮৪টির কমেছে এবং ২৩টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। ‘বি’ ক্যাটাগরির ৭৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৬টির দর বেড়েছে, ২১টির কমেছে এবং সাতটির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

    ‘জেড’ ক্যাটাগরির ১২১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬২টির শেয়ারদর বেড়েছে, ৩২টির কমেছে এবং ২৭টির দর অপরিবর্তিত ছিল। এদিন ‘এন’ ক্যাটাগরির কোনো প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়নি।

    এদিকে, মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ৩৪টি ইউনিটের মধ্যে চারটির দর বেড়েছে, ১৬টির কমেছে এবং ১৪টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

    করপোরেট বন্ডের দু’টি ইস্যুর উভয়ের দর কমেছে। এছাড়া, লেনদেন হওয়া পাঁচটি সরকারি সিকিউরিটিজ (জি-সেক)-এর সবগুলোরই দর কমেছে।

  • শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে রাজধানীতে সড়ক অবরোধ

    শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে রাজধানীতে সড়ক অবরোধ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানীর একাধিক জায়গায় বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা।

    মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর উত্তরার বিএনএস সেন্টার এবং সায়েন্সল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন পরীক্ষার্থীরা। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী তারা এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন।

    ঢাকা সিটি কলেজ, ঢাকা আইডিয়াল কলেজ, সরকারি বাংলা কলেজ, সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ, লালমাটিয়া স্কুল এন্ড কলেজ, রাজারবাগ পুলিশ লাইন স্কুল এন্ড কলেজ, বিএফ শাহীন কলেজসহ ১২ থেকে ১৫ টি কলেজের শিক্ষার্থীরা এই অবরোধে অংশ নেন।

    বিক্ষোভের কারণে সায়েন্সল্যাব, নিউমার্কেট, ধানমন্ডি ও আশপাশের সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা।

    বিক্ষোভকারীরা এসময় ‘দফা এক দাবি এক, মিলনের পদত্যাগ’, ‘এক দুই তিন চার, মিলন তুই গদি ছাড়’, ‘আমি কে তুমি কে, ফার্মের মুরগি ফার্মের মুরগি’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে শোনা যায়।

    অবরোধকারী শিক্ষার্থীরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন। দাবি আদায় না হলে আরো কঠোর কর্মসূচি দেওয়ারও ঘোষণা দেন তারা।

  • হাম ও উপসর্গে আরো ৭ জনের মৃত্যু

    হাম ও উপসর্গে আরো ৭ জনের মৃত্যু

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামে ঢাকায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। এসময় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে আরো ছয়জন। এর মধ্যে ঢাকায় চারজন ও সিলেটে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

    এ নিয়ে চলতি বছর হাম ও উপসর্গে ৭৬৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ৯৫ জন ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৬৭১ জন মারা গেছে।

    মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত ১২২ রোগী শনাক্ত হয়েছে। মোট শনাক্ত রোগী ১৩ হাজার ৭৩৫ জন।

    একই সময়ে নতুন করে ৮৬৮ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে মোট সন্দেহভাজন রোগী সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ২৪৪ জন।

  • ভুল প্রশ্ন, জলাবদ্ধতা—সব বিতর্কের জবাব দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

    ভুল প্রশ্ন, জলাবদ্ধতা—সব বিতর্কের জবাব দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষা ডেস্ক:

    সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে কথা বলে এইচএসসি পরীক্ষা বহাল রাখা হয়েছে দাবি করে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বিকেল ৫টা পর্যন্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সবাই বলেছেন- আবহাওয়া ভালো থাকবে, সে কারণেই আমরা পরীক্ষা বহাল রেখেছি।

    মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হলে প্রথমে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়।

    সম্পূরক প্রশ্নে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেন, এইচএসসি পরীক্ষা চলছে। গত তিন-চারদিন ধরে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ বড় বড় শহরগুলো পানির নিচে তলিয়ে গিয়েছিল। শিক্ষার্থীরা অনুরোধ করেছিল পরীক্ষা পেছানোর জন্য। কিন্তু এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। যে কারণে আজকে (মঙ্গলবার) আন্দোলন হচ্ছে, ঢাকায় আন্দোলন হচ্ছে। মন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রাখছি—এইচএসসির মতো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা, যার ওপর নির্ভর করে ছেলে বা মেয়ের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাবে, সেরকম একটি পরীক্ষায়, ফিজিক্সের মতো বিষয়ে.. মাননীয় মন্ত্রী কি দয়া করে বলবেন, কী সমস্যা ছিল পরীক্ষাটি একদিন বা দুদিনের জন্য পিছিয়ে দেওয়ার?

    জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ নম এহছানুল হক মিলন বলেন, সারা বাংলাদেশে পরীক্ষা আমরা একযোগে নিয়ে থাকি। এইচএসসি পরীক্ষার প্রায় ২,৭০০টি কেন্দ্র রয়েছে এবং ৬৪টি জেলায় একই সময়ে পরীক্ষা শুরু হয়। ইতোমধ্যে আপনারা শুনেছেন, চট্টগ্রামে যখন বন্যা হলো, তখন আমরা পর্যায়ক্রমে প্রথমে রাঙামাটি, তারপর বান্দরবান, পরে খাগড়াছড়ি এবং এরপর পুরো চট্টগ্রাম বোর্ডের পরীক্ষা স্থগিত করেছি।

    তিনি বলেন

    , আমরা লক্ষ্য করছিলাম যে- বৃষ্টি হচ্ছিল এবং আমরা পরিস্থিতি নিয়মিত মনিটরিং করছিলাম। সেই সময় ৬৪ জেলার এসপি, আটটি বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার এবং প্রত্যেকটি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। পাশাপাশি আবহাওয়া অধিদপ্তরের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছি। তারা জানিয়েছিল যে আর বৃষ্টি হবে না। বিকেল ৫টা পর্যন্ত আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সংশ্লিষ্ট সবাই বলেছেন যে আবহাওয়া ভালো থাকবে, সে কারণেই আমরা পরীক্ষা বহাল রেখেছি।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কিন্তু সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের মাঠ পানিতে ভরে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে আমরা মেয়র, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ এবং জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দিই পরীক্ষাকেন্দ্র স্থানান্তরের ব্যবস্থা করতে। পরে পরীক্ষার্থীদের নৌকায় করে ওই স্কুলের পাঁচতলা ভবনে নিয়ে গিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। আমরা পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেছি।

    তিনি বলেন, এ ছাড়া সারা বাংলাদেশের জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। তারা জানিয়েছেন, কোথাও পরীক্ষা গ্রহণে কোনো ধরনের দুর্যোগজনিত সমস্যা হয়নি। শুধু কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে এ ঘটনা ঘটেছে।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা নির্দেশ দিয়েছিলাম, সেখানে বিলম্বে পরীক্ষা শুরু করা হবে। যে মেয়েটির কাপড় ভিজে গিয়েছিল, তার বাড়ি থেকে কাপড় এনে দেওয়া হয়েছে। তাকে এক ঘণ্টা পরে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে এবং পরীক্ষার সময়ও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। জাতিকে জানাতে চাই, আমাদের পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় প্রশাসন—জেলা প্রশাসক, ইউএনও, পুলিশ প্রশাসন—তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন যে কোনো কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব কি না। প্রয়োজনে তারা পরীক্ষা স্থগিতও করতে পারেন।

    তিনি বলেন, আ

    মরা বারবার তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছেন, “না স্যার, আমরা ঠিকমতো পরীক্ষা নিচ্ছি।” আপনারাও দেখেছেন কোথায় কোথায় বৃষ্টির পানি ছিল। সেগুলো আমরা সবাই লক্ষ্য করেছি। কোমলমতি সন্তানদের জন্য আমাদেরও মায়া রয়েছে। সে কারণেই আমরা সবসময় পরিস্থিতি মনিটরিং করি।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একই সঙ্গে পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল ছিল। আমরা দায়িত্ব পেয়েছি মাত্র চার মাস আগে। প্রশ্ন মডারেশন আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। আপনারা জানেন, প্রশ্ন মডারেশনের প্রক্রিয়া দুই বছর আগে থেকে শুরু করতে হয়। আমরা এসে নতুন করে কোনো প্রশ্ন প্রস্তুত করতে পারিনি। বিগত সরকারের সময় যারা মডারেটর ছিলেন, তারাই এই প্রশ্নপত্র প্রস্তুত করেছেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তবুও আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘোষণা দিয়েছি যে ফিজিক্সের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল হয়েছে এবং ওই দুটি প্রশ্নের জন্য শিক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে।

    তিনি বলেন, পরীক্ষা যাতে যথাযথভাবে অনুষ্ঠিত হয়, সে জন্য আমরা সব ধরনের সহায়তা নিশ্চিত করেছি। আজও সারাদিন আমরা সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলেছি। আমাদের সব স্টেকহোল্ডার জানিয়েছেন যে পরীক্ষা সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে হয়েছে। শুধু কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে এই ঘটনাটি ঘটেছে এবং সেখানেও শেষ পর্যন্ত সুন্দরভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

  • ডেঙ্গুতে আরও দুইজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩২৭

    ডেঙ্গুতে আরও দুইজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৩২৭

    ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ২৭ জনের মৃত্যু হলো। এ সময় নতুন করে উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩২৭ জন।

    মৃতদের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় একজন এবং অন্যজন চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে)। এদের মধ্যে একজন ২৬ থেকে ৩০ বছর এবং অন্যজনের ৩১ থেকে ৩৫ বছর। তারা উভয়ই নারী।

    সোমবার (১৩ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগীদের মধ্যে ২৯৭ জন সরকারি হাসপাতালে এবং ৩০ জন বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি হয়েছে।

    চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট আট হাজার ৬৫০ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭ হাজার ৮০০ জন রোগী।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ৮২৩ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে।

  • নৃত্যানুষ্ঠান: নাচের ছন্দে ও তালে হবে বর্ষা উদ্‌যাপন

    নৃত্যানুষ্ঠান: নাচের ছন্দে ও তালে হবে বর্ষা উদ্‌যাপন

    নাচের ছন্দে ও তালে বর্ষা উদ্‌যাপন করবে অর্থী আহমেদ ড্যান্স একাডেমি। ১৭ জুলাই ঢাকার চারুকলার বকুলতলায় আয়োজন করা হবে বর্ষার নৃত্য উৎসব ‘ঘনঘটা ২’। অর্থী আহমেদ ড্যান্স একাডেমির সঙ্গে অনুষ্ঠানটির যৌথ আয়োজনে থাকছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। নির্দেশনা দিচ্ছেন নৃত্যশিল্পী অর্থী আহমেদ। এ বছর একুশে পদক পাওয়ার পর এটি হতে যাচ্ছে অর্থী আহমেদ নির্দেশিত প্রথম প্রযোজনা।

    গত বছর একই স্থানে ‘ঘনঘটা’ আয়োজন করেছিল অর্থী আহমেদ ড্যান্স একাডেমি। অর্থী আহমেদের নির্দেশনায় অংশ নিয়েছিলেন ১৮ থেকে ৭০ বছর বয়সী ১১০ শিল্পী। বছর ঘুরে এবারও একই স্থানে আয়োজন করা হচ্ছে বর্ষার নৃত্য উৎসব ‘ঘনঘটা ২’।

    ১৭ জুলাই বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে শুরু হবে আয়োজন। খোলা আকাশের নিচে আয়োজিত এই পরিবেশনায় অংশ নেবেন ৩ থেকে ৭০ বছর বয়সী ৩০০ জনের বেশি শিল্পী। তাঁদের মধ্যে আছেন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বিজ্ঞানী, গবেষক, সাংবাদিক, শিক্ষক, সমাজকর্মী, গৃহিণী ও শিক্ষার্থীসহ নানা পেশার, নানা শ্রেণির মানুষ।

    আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঘনঘটা শুধু একটি নৃত্য প্রযোজনা নয়, বরং এটি নতুন করে শুরু করার উৎসব; যেখানে বয়স কোনো বাধা নয়, আর মনের ভেতরে চেপে রাখা স্বপ্নকে ডানা মেলতে দেওয়া হয়। বর্ষার দিনটিকে বরণ করে নিতে আমাদের সঙ্গে যোগ দিন। ছাতাটি ঘরে রেখেই আসুন, তার বদলে সিক্ত হোন বৃষ্টির গান, নাচ ও কবিতায়।

    আয়োজকেরা আরও জানিয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক সময়ের বন্যা পরিস্থিতি মাথায় রেখে অনুষ্ঠানস্থলে থাকবে জাগো ফাউন্ডেশনের ডোনেশন বুথ। যেখানে আগত অতিথিরা বন্যার্তদের সহায়তায় সরাসরি ডোনেশন দিতে পারবেন।

    অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে অনুষ্ঠান উপভোগ করতে দর্শকদের সাদা, নীল বা সবুজ রঙের শাড়ি-পাঞ্জাবি পরে আসার অনুরোধ জানিয়েছে আয়োজকেরা।

  • জুনে সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরেছে ৪৬২ প্রাণ, আহত ৭৫০

    জুনে সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরেছে ৪৬২ প্রাণ, আহত ৭৫০

    চলতি বছরের জুন মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫৩০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৬২ জন নিহত হয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৭৫০ জন। বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)-এর সড়ক দুর্ঘটনা-সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

    বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমানের স্বাক্ষর করা প্রতিবেদনটি গত ১২ জুলাই অনুমোদন করা হয় এবং ১৩ জুলাই অনলাইনে প্রকাশ করা হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, সারাদেশের বিভাগীয় কার্যালয়ের মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুন মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রাম বিভাগে। এ বিভাগে ১৭১টি দুর্ঘটনায় ১৪৩ জন নিহত এবং ২৬৪ জন আহত হয়েছেন।

    ঢাকা বিভাগে ১১৫টি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১০৩ জন, আহত হয়েছেন ১৭৬ জন। রাজশাহী বিভাগে ৬৫টি দুর্ঘটনায় ৬৭ জন নিহত ও ৬৬ জন আহত হয়েছেন।

    এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ৪৮টি দুর্ঘটনায় ৪০ জন নিহত ও ৮৮ জন আহত হয়েছেন। বরিশালে ৩৫টি দুর্ঘটনায় ২০ জন নিহত এবং ৭৯ জন আহত হয়েছেন। সিলেটে ২১টি দুর্ঘটনায় ২০ জন নিহত ও ২৬ জন আহত হয়েছেন। রংপুরে ৪৭টি দুর্ঘটনায় ৪৭ জন নিহত এবং ২৩ জন আহত হয়েছেন। ময়মনসিংহে ২৮টি দুর্ঘটনায় ২২ জন নিহত ও ২৮ জন আহত হয়েছেন।বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসের সড়ক দুর্ঘটনায় মোট ৮২৭টি যানবাহন জড়িত ছিল। এর মধ্যে মোটরসাইকেল, বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ, অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশাসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন রয়েছে।

    যানবাহনভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়। শুধু মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১২১ জন নিহত হয়েছেন।

    এ ছাড়া ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান দুর্ঘটনায় ৭১ জন, অন্যান্য যানবাহনের দুর্ঘটনায় ৯৪ জন, বাস ও মিনিবাস দুর্ঘটনায় ৪৫ জন, অটোরিকশা দুর্ঘটনায় ৪১ জন, পিকআপ দুর্ঘটনায় ২৬ জন এবং ব্যাটারিচালিত রিকশা দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত হয়েছেন।
    বিআরটিএর প্রতিবেদনে বলা হয়, জুন মাসে মোটরকার বা জিপ দুর্ঘটনায় ১২ জন, মাইক্রোবাসে ৬ জন, অ্যাম্বুলেন্সে ৪ জন, ভ্যান দুর্ঘটনায় ১১ জন, ট্রাক্টরে ২ জন এবং ইজিবাইক দুর্ঘটনায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

  • ৮টি নার্সারি উচ্ছেদ

    ৮টি নার্সারি উচ্ছেদ

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন এলাকার সৌন্দর্য বর্ধন, উন্মুক্ত স্থান দখলমুক্তকরণ এবং জনসাধারণের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে একটি বিশেষ মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

    রোববার (৫ জুলাই) ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সম্পত্তি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাছিবা খানের নেতৃত্বে করপোরেশন ১৯নং ওয়ার্ডস্থিত সবজি বাগান এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

    অভিযানকালে সবজি বাগান এলাকার সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা সকল প্রকার অবৈধ অস্থায়ী দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করে এলাকাটি সম্পূর্ণরূপে খালি ও পরিষ্কার করা হয়। এছাড়া সরকারি জায়গা অবৈধভাবে দখল করে নার্সারি স্থাপন করায় ৮টি নার্সারির মালিককে ৮টি মামলার মাধ্যমে আট হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সাথে রোববার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট নার্সারিগুলো থেকে সকল গাছ সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে ফেলার কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নগরীর পরিবেশ রক্ষা এবং জনসাধারণের চলাচলের পথ সুগম রাখতে অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে এই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

  • ড. ইউনূসসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

    ড. ইউনূসসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

    হামে অবহেলাজনিত কারণে মেয়ের মৃত্যুর অভিযোগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস,সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূর জাহান বেগমসহ চার জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করেছেন এক বাবা। রোববার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এই খারিজ আদেশ প্রদান করেন।

    গত ৫ জুলাই মারা যাওয়া ৯ মাস বয়সী সাউদা মুসকানের বাবা সিরাজুল ইসলাম এই মামলার আবেদন করেন। সেদিন আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশ অপেক্ষমাণ রেখেন। পরে জানানো হয় ১২ জুলাই আদেশ দেয়া হবে। বাদীপক্ষের আইনজীবী তাছলিমা জাহান পপি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মামলার অপর দুই আসামি হলেন— ড. ইউনূসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং স্বাস্থ্য অধিপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ডা. মো. আবু জাফর।

    মামলায় অভিযোগ করা হয়— গেল ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে এবং মার্চের শুরুর মধ্যবর্তী সময়ে মুসকান হঠাৎ প্রচন্ড জ্বরে আক্রান্ত হয়। তৎক্ষনাত স্থানীয় ফার্মেসী থেকে ওষুধ খাওয়ানো হয় কিন্তু জ্বর নিরাময় হয় না। তাকে মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে মুসকানের শারীরিক অবস্থার ক্রমশ অবনতির প্রেক্ষিতে বাবা সিরাজুল তাকে ২২ মার্চ ভর্তি করেন। সেখানে ভর্তির পর থেকে মুসকানের অবস্থা মারাত্মক অবনতিকালীন সময় সিরাজুলে পরিলক্ষিত হয়, ডাক্তার ও নার্সদের অসহযোগিতা ও অবহেলা। ২৬ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় মুসকান।সিরাজুল অভিযোগ করেন, দেশে শিশুদের যথাযথ টিকার প্রকৃত যোগান সময়মত না থাকা ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যথাযথ ব্যবস্থা না নেয়া এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মারাত্মক খামখেয়ালীপনা করে।

    যথাসময়ে হামের প্রতিরোধক টিকা আমদানী না করার ফলে দুই বছরের নিচের বয়সী শিশুদের যথা সময়ে হামের প্রতিরোধক টিকা না দেয়ার ফলে অর্থাৎ ২০২৪ সালের ৫ই অগাস্ট ২০২৪ পরবর্তী ইউনুস সরকার ও তার ‘রাষ্ট্র যন্ত্রের মারাত্মক অবহেলা ও ভুল সিদ্ধান্তের ফলশ্রুতিতে প্রানঘাতী হামের টিকার প্রয়োজনীয় বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বারবার তাগদা দেওয়া সত্ত্বেও ইউনুস সরকার টিকা ক্রয় না করা এবং মারাত্মক অবহেলা জনিত কারনে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ে ছয় শতাধিকের অধিক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। যার মধ্যে সাউদা মুসকান অন্যতম এবং দেশব্যাপী এহেন শিশুর রাষ্ট্রযন্ত্রের অবহেলার জনিত মৃত্যুর কারনের দায়ভার আসামিদের ওপর বর্তায়। রাষ্ট্র যন্ত্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকা সত্বেও তারা কোন হাম জনিত শিশু মৃত্যুর প্রতিরোধ কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেন নি এবং অবহেলা জনিত দ্বায়ভারের জন্য একইভাবে দ্বায়ী ও প্রচলিত আইনে শান্তিপাওয়ার যোগ্য।এরআগে গত ৮ জুন একই অভিযোগ এনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূর জাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলার আবেদন করেন কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। তবে আদালত আবেদন খারিজ করে দেয়।

  • দুর্নীতির মামলায় কাস্টমসের ১১ কর্মকর্তা কারাগারে

    দুর্নীতির মামলায় কাস্টমসের ১১ কর্মকর্তা কারাগারে

    সাড়ে ১৮ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং ও প্রণোদনার ৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় ১১ কাস্টমস কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।আসামিরা স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে আজ রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দিয়েছেন।

    কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন— এনবিআরের কাস্টমস বিভাগের সহকারী কমিশনার জাহাঙ্গীর কবির ও মবিন উল ইসলাম, সাবেক সহকারী কমিশনার মো. জয়নাল আবেদীন, রাজস্ব কর্মকর্তা জমির হোসেন, রাজস্ব কর্মকর্তা এ এইচ এম নজরুল ইসলাম, আমির হোসেন সরকার, গৌরাঙ্গ চন্দ্র চৌধুরী, ফরিদ উদ্দিন সরকার ও মো. মঞ্জুরুল হক, সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা মো. আব্দুস সাত্তার ও বাসুদেব পালক।

    এ বিষয়ে দুদকের প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমির বলেন, ‘এই ১১ আসামি উচ্চ আদালত থেকে অন্তবর্তীকালীন জামিন পেয়ে গত ১৬ এপ্রিল তারা আত্মসমর্পণ করেন। ওইদিন আদালত তাদের ১২ জুলাই পর্যন্ত জামিন দেন। সে অনুযায়ী রোববার তারা স্থায়ী জামিন চেয়ে আবেদন করে। দুদকের পক্ষে আমরা বিরোধিতা করি। শুনানি শেষে আদালত জামিন বাতিল করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

    পাঁচ দেশে রপ্তানির নামে সাড়ে ১৮ কোটি টাকার মানিলন্ডারিং ও প্রণোদনার ৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১১ কাস্টমস কর্মকর্তাসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর এই মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. আহসান উদ্দিন।

    মামলার বিবরণে বলা হয়— আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে আরব আমিরাত, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা, কানাডা ও সিঙ্গাপুরে পণ্য রফতানি দেখিয়ে দো এম্পেক্স লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠানটির অনুকূলে প্রায় ১৮ কোটি টাকা ব্যাংক জমা হয়। শুধু তাই নয় ৩৪টি রফতানি চালানের মূল্যবাবদ প্রণোদনা হিসাবে প্রায় ৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা উত্তোলন ও আত্মসাৎ হয়েছে। অথচ বাস্তবে কোনো রফতানি হয়নি। ২০১৮ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে দো এম্পেক্স লিমিটেডের মোট ৪১টি বিল অব এক্সপোর্ট দাখিল করে সরকারের প্রণোদনা গ্রহণ করে।

    যার মধ্যে ৭ বিল অব এক্সপোর্টের বিপরীতে কৃষি জাতীয় পণ্য রপ্তানির সত্যতা পাওয়া গেলেও ৩৪টি বিল অব এক্সপোর্টের বিপরীতে কোনো পণ্যই বিদেশে রফতানি হয়নি। অথচ পণ্য রফতানির বিপরীতে অগ্রিম হিসাবে পুরো অর্থ ২২ লাখ ১৮ হাজার ১৭.৪৪ মার্কিন ডলার অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে দেশে প্রত্যাবাসন হয়েছে। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ ১৮ কোটি ৬০ লাখ ৯১ হাজার ৪০৪ টাকা। রপ্তানি দেখিয়ে প্রতিষ্ঠানটি ৩ কোটি ৭১ লাখ ৮১ হাজার টাকা নগদ প্রণোদনা উত্তোলন ও আত্মসাৎ করেছেন আসামিরা।

  • সাঁকোই ভরসা ১০ গ্রামের মানুষের

    সাঁকোই ভরসা ১০ গ্রামের মানুষের

    সোনারগাঁ উপজেলার সনমান্দী ও সাদীপুর ইউনিয়নের মানুষের ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর একটি সেতুর অভাবে দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে প্রায় ১০ গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো পার হয়ে স্কুল-কলেজ, হাটবাজার ও কর্মস্থলে যাতায়াত করতে হয় গ্রামবাসীকে। বর্ষা মৌসুমে সাঁকোটি পানিতে তলিয়ে গেলে নৌকাই ওই এলাকার মানুষের একমাত্র ভরসা।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সাদীপুর ইউনিয়নের গুলনগর ও সনমান্দী ইউনিয়নের কুমারচর গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া ব্রহ্মপুত্র নদ। পঞ্চমীঘাট বাজারসংলগ্ন এ নদে কোনো সেতু না থাকায় কুমারচর, জোয়ার, দৌলরদী, ফতেপুর, কুলকান্দি, দড়িকান্দি, সাজালেরকান্দিসহ আশপাশের প্রায় ১০ গ্রামের মানুষ বাঁশের তৈরি অস্থায়ী সাঁকো দিয়ে নদ পারাপার হয়ে থাকে। প্রতিবছর খরা মৌসুমে এলাকাবাসীর উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হলেও বর্ষা মৌসুমে সাঁকোটি পানির নিচে তলিয়ে গেলে স্থানীয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, অসুস্থ রোগী ও অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ সবাইকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় পারাপার হতে হয়। কুমারচর গ্রামের বাসিন্দা আবদুল হক জানান, বাজারের মালামাল ও কৃষিপণ্য পরিবহনে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনত সাংবাদিকদের জানান, নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্যের নির্দেশনায় ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর একটি সেতু নির্মাণের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবটি অনুমোদন পেলে দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

  • শাহবাগে ফুটপাত থেকে তিন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

    শাহবাগে ফুটপাত থেকে তিন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

    রাজধানীর শাহবাগ থানা এলাকার তিনটি ফুটপাত থেকে তিন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার আনন্দবাজার, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হলের সামনের সড়কের ফুটপাত থেকে মরদেহ তিনটি উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশ জানায়, পৃথক তিন স্থানে তিন ব্যক্তিকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পথচারীরা থানায় খবর দেন। বেলা ১১টার দিকে দুজনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন। তাঁদের মধ্যে একজনের বয়স আনুমানিক ৬০ বছর ও অপরজনের বয়স ৫৫ বছর।

    এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পাশ থেকে আরও এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ধারণা করা হচ্ছে এই তিনজনই ভবঘুরে। তাঁদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তাঁদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক বলেন, প্রাথমিকভাবে অসুস্থতাজনিত কারণে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • বৃষ্টির জমে থাকা পানিতে পায়ে সংক্রমণ হলে কী করবেন? 

    বৃষ্টির জমে থাকা পানিতে পায়ে সংক্রমণ হলে কী করবেন? 

    দিনভর বৃষ্টিতে রাজধানীতে দুর্ভোগ বেড়েছে। ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। জমে থাকা পানিতে হাঁটলে পায়ের সংক্রমণ বাড়তে পারে। দীর্ঘক্ষণ ভেজা জুতা-মোজা পরে থাকলেও ছত্রাকের সংক্রমণ বাড়ে। পায়ে লালচে র‌্যাশ বের হয়। তাতে আঙুলের ভাঁজে ভাঁজে চুলকানি বা ঘা হতে পারে। তাই বাইরে থেকে ফিরে সঠিক উপায়ে পায়ের যত্ন নিতে হবে।

    কীভাবে পায়ের যত্ন নেবেন?

    জীবাণু ধ্বংস করার অনুঘটক হিসেবে কাজ করে লবণ। তাই বাড়ি ফিরেই গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে তাতে মিনিট দশেক পা ডুবিয়ে রাখুন। এরপর পা ঘষে মৃতকোষগুলো দূর করুন। হয়ে গেলে পা ধুয়ে নিন। তোয়ালে দিয়ে শুকনো করে পা মুছে নিন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পায়ের তলায় নারকেল তেল বা অলিভ অয়েল দিয়ে ম্যাসাজ করুন। এতে শুষ্ক ত্বক মোলায়েম হবে।

    পায়ের মাস্ক
    বর্ষায় পায়ের খেয়াল রাখতে মাস্ক ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’র একটি প্রতিবেদনে। সেখানে বলা হয়েছে পায়ের সংক্রমণ এড়াতে চারকোল মাস্ক বেশ ভালো কাজ করে। চারকোল ত্বকের রন্ধ্রে রন্ধ্রে জমে থাকা ময়লা দূর করে। এ ছাড়া ভিটামিন সি মাস্কও পায়ের ত্বকে ব্যবহারের জন্য কার্যকরী। কফি মাস্কও পায়ের জন্য সমান উপকারী।

    বর্ষাকালে পা থেকে বেশি দুর্গন্ধ বের হয়। সেই সমস্যা কমাবে কর্পূর ও ট্যালকম পাউডার। মোজা পরার আগে পায়ে ভালো করে ট্যালকম পাউডার মেখে নিন। পাউডারের সঙ্গে সামান্য কর্পূর মিশিয়ে নিতে পারেন। গন্ধ দূর হবে। টি ট্রি অয়েলের সঙ্গে ১ চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে পায়ে মালিশ করলেও সংক্রমণ দূর হবে।

    বর্ষায় পায়ের র‌্যাশ কমাবে নিম ও হলুদের প্যাক। এক মুঠো নিম পাতা এবং এক টুকরো কাঁচা হলুদ একসঙ্গে বেটে ঘন পেস্ট তৈরি করে নিন। এই প্যাকটি পায়ে এবং বিশেষ করে আঙুলের ফাঁকে ভালো করে লাগিয়ে রাখুন। ২০-৩০ মিনিট পর ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

  • ঢাকায় আন্তর্জাতিক পর্যটন প্রদর্শনী শুরু ৩ সেপ্টেম্বর

    ঢাকায় আন্তর্জাতিক পর্যটন প্রদর্শনী শুরু ৩ সেপ্টেম্বর

    দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক ট্রাভেল ট্রেড মার্কেটপ্লেস বাংলাদেশ ট্রাভেল মার্টের (বিটিএম) আয়োজন হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ আউটবাউন্ড ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশনের (বোটোয়া) উদ্যোগে ৩ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় এই ট্রাভেল মার্ট অনুষ্ঠিত হবে।

    এতে বাংলাদেশসহ ২০টি দেশের ১৩০টির বেশি প্রদর্শক, শতাধিক পর্যটন-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং প্রায় ১৫ হাজার দর্শনার্থীর অংশগ্রহণের আশা করছেন আয়োজকরা।

    শনিবার (১১ জুলাই) হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বোটোয়ার সভাপতি সৈয়দ গোলাম মোহাম্মদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের পর্যটন শিল্প বর্তমানে সম্ভাবনার নতুন দিগন্তে প্রবেশ করেছে। সরকারের নীতিগত সহায়তা, বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও আন্তর্জাতিক সংযোগ বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সম্ভাবনাময় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।

    সৈয়দ গোলাম মোহাম্মদ জানান, দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সমৃদ্ধ ইতিহাস, বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি, প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য ও আন্তরিক আতিথেয়তা আন্তর্জাতিক পর্যটকদের কাছে বাংলাদেশকে ক্রমেই আরো আকর্ষণীয় করে তুলছে। এই সম্ভাবনাকে বৈশ্বিক পর্যায়ে আরো সুসংগঠিতভাবে উপস্থাপন এবং আন্তর্জাতিক পর্যটন শিল্পের সঙ্গে বাংলাদেশের সংযোগ জোরদার করার লক্ষ্যে বোটোয়া প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ট্রাভেল মার্ট আয়োজন করছে। ৩ থেকে ৫ সেপ্টেম্বরের এ আয়োজন দেশের পর্যটন, ভ্রমণ ও এভিয়েশন শিল্পের বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।

    বোটোয়ার সাধারণ সম্পাদক মো. শরিফুল ইসলাম শরিফ বলেন, সংগঠনটি মূলত দেশের আউটবাউন্ড পর্যটন শিল্পের প্রতিনিধিত্ব করলেও একই সঙ্গে ইনবাউন্ড পর্যটনের সম্প্রসারণ, আন্তর্জাতিক পর্যটক আকর্ষণ, পর্যটন খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও বৈশ্বিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ইতিবাচক ব্র্যান্ডিংয়ে কাজ করছে।

    ট্রাভেল মার্টের চিফ কো-অর্ডিনেটর মহসিন ইকবাল জানান, বাংলাদেশ ট্রাভেল মার্ট-২০২৬ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পর্যটন বোর্ড, এয়ারলাইন্স, হোটেল, ডেস্টিনেশন ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি (ডিএমসি), ট্যুর অপারেটর, ট্রাভেল এজেন্সি এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতা-বিক্রেতাদের এক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসবে, যা বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে আরো কার্যকরভাবে যুক্ত করবে।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বাংলাদেশ ট্রাভেল মার্টে প্রথমবারের মতো বিজনেস-টু-বিজনেস (বিটুবি) এবং বিজনেস-টু-কনজ্যুমার (বিটুসি) কার্যক্রম পৃথক দুটি প্রদর্শনী হলে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া দেশের ট্রাভেল ফেয়ারের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক হোস্টেড বায়ার প্রোগ্রাম আয়োজন করা হবে, যার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও প্রদর্শকদের মধ্যে নির্ধারিত ব্যবসায়িক বৈঠকের ব্যবস্থা থাকবে।

    আয়োজকদের মতে, বিটুবি কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক বায়ার-সেলার মিটিং, বিজনেস নেটওয়ার্কিং ও অংশীদারত্ব নিয়ে আলোচনা হবে। এর মাধ্যমে পর্যটন, হসপিটালিটি ও এভিয়েশন খাতে নতুন বিনিয়োগ, বাজার সম্প্রসারণ, সীমান্ত-অতিক্রমী পর্যটন সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক সুযোগ সৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হবে।

    অন্যদিকে, বিটুসি প্ল্যাটফর্মে দর্শনার্থীরা দেশি-বিদেশি ভ্রমণ প্যাকেজ, বিমান টিকিট, হোটেল বুকিং, ভিসা সেবা, বিভিন্ন গন্তব্য-সংক্রান্ত তথ্য ও অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের বিশেষ ভ্রমণ অফার সম্পর্কে সরাসরি জানতে ও সেবা নিতে পারবেন।

    সংবাদ সম্মেলনে বোটোয়ার সিনিয়র সহসভাপতি মো. মহসিন ইকবাল, সহসভাপতি এ কে এম কামরুজ্জামানসহ সংগঠনের পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • পলাতক হাসিনা কেরানীগঞ্জে গ্রেফতার

    পলাতক হাসিনা কেরানীগঞ্জে গ্রেফতার

    মাদারীপুর সদর মডেল থানার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যাওয়া নারী আসামি হাসিনা বেগমকে ২৪ ঘণ্টা মধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    শনিবার ভোরে রাজধানী ঢাকার কেরানীগঞ্জের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতার নাম হাসিনা বেগম (৩৫) মাদারীপুর পৌরসভাধীন থানতলী এলাকার হবি হাওলাদারের মেয়ে ও সদর উপজেলার ঝাউদি ইউনিয়নের কালাইমারা এলাকার আল আমিনের স্ত্রী।

    জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে অসামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ হাসিনা বেগমকে আটক করে সদর মডেল থানাধীন ইটেরপুল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মোকসেদুর রহমান। পরে তাকে সদর মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মূল ভবনটি নির্মাণাধীন থাকায় অস্থায়ীভাবে ওসির বাসভবনের নিচতলায় থানার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সেখানে আসামিদের জন্য কোন হাজতখানা না থাকায় বারান্দার একটি কক্ষে পুলিশি হেফাজতে হাসিনাকে রাখা হয়। রাত দেড়টার দিকে সুযোগ বুঝে হাসিনা ওই কক্ষের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যায়। পুলিশ হেফাজত থেকে আসামি পালানোর ঘটনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ডিউটি অফিসার) রমজান আলী সজল ও এক কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়।

    এদিকে আসামি পালানোর ঘটনায় শুক্রবার দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সর্কেল) ফারিহা রফিক ভাবনাকে প্রধান করে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে এ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার ২৪ ঘন্টার মধ্যে পালিয়ে যাওয়া আসামি হাসিনা বেগমকে শনিবার ভোরে রাজধানী ঢাকার কেরানীগঞ্জের একটি বাসা থেকে গ্রেফতার করে সদর মডেল থানা পুলিশ।

    মাদারীপুরের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, ‘পালিয়ে যাওয়া আসামিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে। আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। দায়িত্ব অবহেলার কোন ঘটনা থাকলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। এরইমধ্যে ডিউটি অফিসার ও সেন্টিকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।’

  • ডেঙ্গু প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান সড়ক প্রতিমন্ত্রীর

    ডেঙ্গু প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান সড়ক প্রতিমন্ত্রীর

    রাজধানীতে ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করতে শুরু হয়েছে মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান।

    শনিবার (১১ জুলাই) সকালে রাজধানীর খিলগাঁও দক্ষিণ গোড়ান খেলার মাঠে এ অভিযানের উদ্বোধন করেছেন ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য এবং সড়ক পরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।

    তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেবল সরকারি বা সিটি করপোরেশনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, এর জন্য প্রয়োজন সামাজিক আন্দোলন। প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ বাড়ি এবং আঙ্গিনা পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান তিনি।

    কর্মসূচি উদ্বোধন শেষে প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জনসচেতনতামূলক একটি র‍্যালি খিলগাঁও, দক্ষিণ গোড়ান ও আশপাশের এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালিতে স্থানীয় নেতা, সেচ্ছাসেবক ও সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

  • গত চার মাসে হাম ও উপসর্গে  মৃতের সংখ্যা ৭৫০

    গত চার মাসে হাম ও উপসর্গে  মৃতের সংখ্যা ৭৫০

    দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। শুক্রবার মৃত্যু হয়েছে আরও তিনজনের। এ নিয়ে গত প্রায় চার মাসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৫০ জনে। একই সময়ে নতুন করে ১২৮ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে এবং ৯০১ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে।

    শুক্রবার (১০ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ মারা যাওয়া তিনজন ঢাকা, সিলেট ও বরিশালের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

    সরকারি হিসাব বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯৩ জন। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৫০ জনে।

    বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, হামের উপসর্গে সবচেয়ে বেশি ২৮৫ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপর রাজশাহী বিভাগে ৮৯, সিলেটে ৮৮, ময়মনসিংহে ৬২, চট্টগ্রামে ৫৩, বরিশালে ৪২, খুলনায় ২৯ এবং রংপুর বিভাগে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯০১ জন। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩১১, চট্টগ্রামে ১৯০, বরিশালে ১১০, সিলেটে ৬৫, ময়মনসিংহে ৫২, খুলনায় ৪৬, রাজশাহীতে ১৭ এবং রংপুর বিভাগে ৯ জন ভর্তি হন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন হাসপাতালে হামের রোগী ভর্তি হয়েছে ৯২ হাজার ৮৩১ জন। এর মধ্যে ৮৯ হাজার ২৩৪ জন চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন। বর্তমানে হামের উপসর্গ শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৯ হাজার ৮৯৯ এবং নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৩২৬।

    এদিকে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

    জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন, হাম মোকাবিলায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। অ্যাম্বুলেন্স নেটওয়ার্ক, ফিল্ড হাসপাতাল এবং জরুরি আইসিইউ সুবিধা সম্প্রসারণের মতো পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়ন করা উচিত।

    তিনি আরও বলেন, দেশে বর্তমানে নতুন কোনো হামের জেনোটাইপ ছড়িয়ে পড়ছে কি না, তা জানতে জরুরি ভিত্তিতে জেনোটাইপ শনাক্তকরণ পরীক্ষা চালানো প্রয়োজন।

    অন্যদিকে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. মুশতাক হোসেন শিশুদের চিকিৎসায় সরকারি হাসপাতালের আইসিইউর একটি অংশ সংরক্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি গুরুতর রোগীদের জন্য হাই-ফ্লো অক্সিজেন সেবার ব্যবস্থা বাড়ানোরও পরামর্শ দেন।

    তার মতে, কোভিড-১৯ মহামারির সময় হাই-ফ্লো অক্সিজেন ব্যবস্থার মাধ্যমে বহু রোগীর জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতেও শিশুদের চিকিৎসায় একই ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। প্রয়োজনে বেসরকারি হাসপাতালের এনআইসিইউ ও শিশু হাসপাতালের সক্ষমতাও কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন তিনি।

  • আস্থা ফেরাতে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে; প্রধানমন্ত্রী

    আস্থা ফেরাতে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে; প্রধানমন্ত্রী

    চিকিৎসকদের প্রতি দেশের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস আরও শক্তিশালী করতে আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার এবং তা দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াই সরকারের লক্ষ্য।

    শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসকদের এমনভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে, যাতে রোগীরা চিকিৎসাসেবার প্রতি আস্থা ফিরে পান। একই সঙ্গে হাসপাতালগুলোতে সেবার মান উন্নয়ন এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

    তিনি বলেন, শুধু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ওপর পরিচ্ছন্নতার দায়িত্ব ছেড়ে দিলে হবে না। হাসপাতাল পরিচ্ছন্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

    দেশের স্বাস্থ্য খাতকে আরও শক্তিশালী করতে প্রধানমন্ত্রী সরকারি পর্যায়ে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ (ধাত্রী) নিয়োগের ঘোষণা দেন। পাশাপাশি সারাদেশে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আরও এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে বলেও জানান। এ নিয়োগে নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    এর আগে সকালে ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ঢামেক হাসপাতাল ক্যাম্পাসে পৌঁছান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।

    সফরকালে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

    প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকা থেকে ঢামেক পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে অবস্থান নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, তিতুমীর কলেজ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। তারা বিভিন্ন স্লোগান ও শুভেচ্ছার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান।

    অনুষ্ঠানে ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, হাসপাতালের পরিচালক, জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক এবং বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বৃষ্টির প্রভাব সবজির বাজারে, কাঁচা মরিচের কেজি ১৬০ টাকা

    বৃষ্টির প্রভাব সবজির বাজারে, কাঁচা মরিচের কেজি ১৬০ টাকা

    সরবরাহ কমে যাওয়ায় সপ্তাহ ব্যবধানে প্রায় সব সবজির দাম বেড়েছে। বিশেষ করে কাঁচামরিচের দাম একলাফে ৪০ টাকা বেড়েছে। এ ছাড়া ডিমের দামেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। তবে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে মুরগি।

    বিক্রেতারা বলছেন, দেশজুড়ে টানা বৃষ্টির ফলে ক্ষেত নষ্ট হয়েছে। সেই সঙ্গে যাতায়াত ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটায় ঢাকায় সবজি সরবরাহ কমেছে। ফলে বাজার কিছুটা অস্থির। ক্রেতাদের বলছেন, বৃষ্টির অজুহাতে সরবরাহ কমার কথা বলা হলেও বাজারে কোনো সবজির ঘাটতি নেই।

    সব দোকানেই ভরপুর সবজি তবু বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে।

    শুক্রবার (১০ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

    বাজার ঘুরে দেখা গেছে, করলা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পটল প্রকারভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, কচুরমুখী ৮০ থেকে ১০০ টাকা, বরবটি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, বেগুন প্রকারান্তরে কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৮০ থেকে ১২০ টাকা, কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, সজনে ১৬০ থেকে ২০০ টাকা এবং ধুন্দল হাইব্রিড ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

    টমেটো প্রকারভেদে ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, মুলা ৭০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিস ৬০ থেকে ৭০ টাকা, বাঁধাকপি ৬০ টাকা এবং লাউ ৬০ থেকে ৮০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে কাঁচামরিচ কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে ১৪০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    এ ছাড়া পেঁপে ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, দেশি শসা ১০০ টাকা এবং হাইব্রিড ৬০ টাকা, আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৪০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

    এক হালি লেবু ১৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি ধনে পাতা ২৫০ টাকা এবং হাইব্রিড ধনেপাতা ১৮০ কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়, চাল কুমড়া ৬০ টাকা পিস এবং ক্যাপসিকাম ৩৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল শাকের আঁটি প্রতি ১৫ টাকা, লাউ শাক ৪০ টাকা, কলমি শাক দুই আঁটি ২০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা এবং ডাটা শাক দুই আঁটি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

    এসব বাজারে এক ডজন মুরগির লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়, হাঁসের ডিম এক ডজন ১৮০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা এবং সোনালি কক মুরগির ডিমের হালি ৭০ টাকা।

    মুরগির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের মতোই সোনালি কক মুরগি ৩৩০ টাকা এবং সোনালি হাইব্রিড মুরগি ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার ৩৪০ টাকা, ব্রয়লার ১৬৫ টাকা এবং দেশি মুরগি ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে এবং খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১৩০০ টাকা কেজি দরে।

    মাছের বাজারে ইলিশ ৩০০ গ্রাম ওজনের এক কেজি মাছ ১১০০ টাকা থেকে ১২০০ এবং ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রামের ইলিশের কেজি ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা। এক কেজি শিং মাছ চাষ (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৬০০ টাকায়, দেশি শিং ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, দেশি মাগুর মাছ ৯০০ থেকে ১২০০ টাকায়, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকায়, চাষের পাঙ্গাস ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকায়, বোয়াল মাছ প্রতি কেজি ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায়, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২০০ টাকায়, কৈ মাছ ২০০ থেকে ২২০ টাকায়, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৪০০ টাকায়, টেংরা মাছ ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি মাছ ৪০০ টাকায় এবং পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

  • বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রীয় সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর দাবি মান্নার

    বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও রাষ্ট্রীয় সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর দাবি মান্নার

    বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতসহ রাষ্ট্রের সামগ্রিক সেবা জনগণের নাগালে করার দাবি জানিয়েছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা রিপোর্টারস ইউনিটিতে আলোচনা সভায় এ দাবি জানান তিনি।

    আমার বাংলাদেশ পার্টির আয়োজনে আলোচনায় অংশ নিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও রাষ্ট্রের মৌলিক সংস্কারে সরকারের গড়িমসির সমালোচনা করেন অতিথিরা।

    জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, রাষ্ট্র কাঠামো দুর্বল রেখে গণতন্ত্র শক্তিশালী করা যায় না। আর গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন।

    এ সময় জুলাইয়ে ৭ বছরের সন্তান জাবিরের আত্মত্যাগের স্মৃতিচারণ করে আবেগআপ্লুত হয়ে পড়েন রোকেয়া বেগম।

  • দুই বছরে মাত্র সাতটি মামলার বিচার কেন, প্রশ্ন জুলাই শহীদের মার

    দুই বছরে মাত্র সাতটি মামলার বিচার কেন, প্রশ্ন জুলাই শহীদের মার

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ জাবির ইব্রাহীমের মা এবং জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের সদস্য রোকেয়া বেগম জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়ার ধীরগতির সমালোচনা করে বলেছেন, ‘দুই বছর পেরিয়ে গেলেও মাত্র সাতটি মামলার বিচার সম্পন্ন হয়েছে।’ বাকি মামলাগুলোর বিচার শেষ করতে এত দেরি হচ্ছে কেন, সেই প্রশ্ন তুলে তিনি দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে শহীদ পরিবার ও আহতদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘আত্মোপলব্ধি ও আত্মপর্যালোচনায় অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনের দীপ্ত শপথ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    রোকেয়া বেগম বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শহীদরা দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করেছেন। সেই বাংলাদেশে যেন আর কোনো নতুন ফ্যাসিস্ট শক্তির উত্থান না ঘটে, সেজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে হবে।’

    নিজের ছেলে শহীদ জাবির ইব্রাহীমকে স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের সময় মাত্র ছয় বছরের জাবির সেনা কর্মকর্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখত। লং মার্চে যাওয়ার আগে তার শেষ কথাগুলো এখনো আমাদের মনে গেঁথে আছে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘হয়তো শহীদ হওয়ার অনুভূতি থেকেই শিশুটি এমন কথাগুলো বলেছিল।’

    রোকেয়া বেগম বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে নিয়ে কেউ কেউ কটাক্ষ ও অবমাননার চেষ্টা করছে। তবে এসব অপচেষ্টা সফল হবে না। শহীদরা কোনো অপমান সহ্য করার জন্য জীবন দেননি। তারা একটি সুন্দর, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে জীবন উৎসর্গ করেছেন।

    তিনি আরো বলেন, ‘গত দুই বছরে মাত্র সাতটি মামলার বিচার সম্পন্ন হয়েছে। বাকি মামলাগুলোর বিচার সম্পন্ন করতে এত দেরি হচ্ছে কেন? অবিলম্বে হত্যাকারীদের বিচার শেষ করে শহীদ পরিবার ও আহতদের কিছুটা হলেও সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই।’

  • ইন্দোনেশিয়ায় ডি-৮ হালাল এক্সপোতে বাংলাদেশের ২২ প্রতিষ্ঠান

    ইন্দোনেশিয়ায় ডি-৮ হালাল এক্সপোতে বাংলাদেশের ২২ প্রতিষ্ঠান

    ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত ডি-৮ হালাল এক্সপো ২০২৬-এ বাংলাদেশ থেকে ২২টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। এ উপলক্ষে প্রায় ৪০ সদস্যের একটি ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদলও এক্সপোতে অংশগ্রহণ করছে।

    এর মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়া ও ডি-৮ভুক্ত অন্যান্য দেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের আগ্রহের প্রতিফলন ঘটেছে।

    আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় ইন্দোনেশিয়া দূতাবাস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকায় ইন্দোনেশিয়া দূতাবাস এবং ইন্দোনেশিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (আইবিসিসিআই) যৌথভাবে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের এ এক্সপোতে অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করে। বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ২২টি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান এবং প্রায় ৪০ জন ব্যবসায়িক প্রতিনিধির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়।

    এবারের এক্সপোতে আইবিসিসিআই বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন স্থাপনে সহায়তা করে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-এর সহযোগিতায় সেখানে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শন করা হয়। এই প্যাভিলিয়ন বাংলাদেশের রপ্তানি সম্ভাবনা তুলে ধরা এবং ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।

    বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিসতিওয়াতি এবং আইবিসিসিআইর সভাপতি মোহাম্মদ রিয়াদ আলী।

    এক্সপো চলাকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশি প্রদর্শক ও ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়াতে বিজনেস ম্যাচমেকিং কার্যক্রমে সহায়তা করেন।

    এ সময় আইবিসিসিআইর স্টল পরিদর্শন করেন ইন্দোনেশিয়ার অর্থমন্ত্রী পুরবায়া ইউধি সাদেওয়া এবং দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মুহাম্মদ আনিস মাত্তা।

    এক্সপোতে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান প্রদর্শক হিসেবে অংশ নেয়। এর মধ্যে রয়েছে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজেস এবং ইলিয়েন। এসব প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের মাধ্যমে হালাল শিল্প, খাদ্য ও পানীয়, ফ্যাশন, উৎপাদন ও ভোক্তাপণ্য খাতে আঞ্চলিক ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব সম্প্রসারণে বাংলাদেশের আগ্রহ তুলে ধরা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ইন্দোনেশিয়া বর্তমানে ডি-৮ অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থার (ডি-৮) চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছে এবং বাংলাদেশ এ জোটের সদস্য। ইন্দোনেশিয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত অন্যতম প্রধান কর্মসূচি হিসেবে ডি-৮ হালাল এক্সপো ২০২৬ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর লক্ষ্য সদস্য দেশগুলোর মধ্যে হালাল শিল্পের প্রসার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা।

    ইন্দোনেশিয়া দূতাবাস জানায়, ভবিষ্যতেও দুই দেশের সরকার, ব্যবসায়িক সংগঠন ও বেসরকারি খাতের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রেখে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব সম্প্রসারণে কাজ করবে তারা। বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের এ অংশগ্রহণ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি, নতুন ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা এবং বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়ার টেকসই অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

  • উচ্চশিক্ষায় ভেরিফিকেশন ফি কমাল ঢাবি

    উচ্চশিক্ষায় ভেরিফিকেশন ফি কমাল ঢাবি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ই-মেইল ভেরিফিকেশন ফি ১০ ইউএস ডলার কমানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে এ সেবার জন্য শিক্ষার্থীদের জনপ্রতি ৪০ ইউএস ডলার পরিশোধ করতে হবে।

    বুধবার (৮ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে ই-মেইল ভেরিফিকেশন ফি জনপ্রতি ৫০ ইউএস ডলার ছিল। গত মার্চে পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের স্নাতক শেষ করা ছাত্রী জিনিয়া তাসনিমের একাডেমিক কাগজপত্র যাচাইয়ের (ভেরিফিকেশন) জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সুইডেনের কেন্দ্রীয় ভর্তি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অর্থ দাবি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন। পরবর্তীতে যা সুইডেনের কেন্দ্রীয় ভর্তি কর্তৃপক্ষ দিতে অস্বীকার করে। ফলে সুইডেনের বিশ্ববিদ্যালয়ে তার আবেদনটি অসম্পূর্ণ থেকে গিয়েছিল। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে সমালোচনার মুখে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তখনই শিক্ষার্থীরা ই-মেইল ভেরিফিকেশন ফি সম্পূর্ণ ফ্রি করার দাবি করেছিলেন। তবে সম্পূর্ণ ফ্রি না করে ১০ ডলার কমানোর সিদ্ধান্ত নিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

  • ডিএসইতে সূচকের উত্থান, লেনদেন ১ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা

    ডিএসইতে সূচকের উত্থান, লেনদেন ১ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা

    সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস আজ (বৃহস্পতিবার) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সবকটিতে মূল্যসূচক বেড়েছে। একইসাথে বেড়েছে বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারদরও।

    ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, আজ বাজারে ৩৯২টি কোম্পানির মোট ৪২ কোটি ৮৩ লাখ ৪২ হাজার ৪৬০টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এতে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪২৮ কোটি ৪৬ লাখ ৮৩ হাজার ৮৩১ টাকা। লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২১৪টির শেয়ারদর বেড়েছে, ১১৬টির কমেছে এবং ৬২টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

    দিন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৩৩ দশমিক ৭৯ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৮০৪ দশমিক ৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই-৩০ সূচক ৮ দশমিক ৫২ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৭৭ দশমিক ৭৬ পয়েন্টে এবং শরিয়াহভিত্তিক ডিএসইএস সূচক ২ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৮৯ দশমিক ১১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

    টাকার অঙ্কে লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০টি কোম্পানি হলো ইস্টার্ন হাউজিং, মালেক স্পিনিং, বিএসসিসি, জেনেক্স ইনফোসিস, কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স, ফারইস্ট নিটিং, আইটিসি, মেঘনা ইন্স্যুরেন্স, বেক্সিমকো এবং সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স।

    অন্যদিকে দর বৃদ্ধির শীর্ষে থাকা ১০টি কোম্পানি হলো দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, মেঘনা ইন্স্যুরেন্স, ইস্টার্ন কেবলস, সোনালী পেপার, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, সিএপিএম আইবিবিএল ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড, ফারইস্ট নিটিং, রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স, ফার কেমিক্যাল এবং ন্যাশনাল টিউবস।

    দরপতনের শীর্ষে থাকা ১০টি কোম্পানি হলো এফএএস ফাইন্যান্স, ইনটেক লিমিটেড, বিআইএফসি, সিঙ্গার বিডি, এনসিসি ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড-১, জেনারেশন নেক্সট, সাফকো স্পিনিং, প্রাইম ফাইন্যান্স, আইসিবি এমপ্লয়িজ মিউচুয়াল ফান্ড-১ এবং এমএল ডাইং।

  • সংসদে জামায়াত এমপি সাবিকুন্নাহার

    সংসদে জামায়াত এমপি সাবিকুন্নাহার

    ‘মাদকে ভেজাল নেই, খাদ্যে ভেজাল—এটা আশ্চর্যজনক’

    বিডি টাইমস ডেস্ক,

    বাজারে মাদকে ভেজাল না থাকলেও মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যে ভেজালের ছড়াছড়ি নিয়ে জাতীয় সংসদে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য সাবিকুন্নাহার। সংরক্ষিত নারী আসনের এই এমপি বলেন, ফলের মৌসুমে মানুষ বুঝতে পারে না কোন ফল নিরাপদ আর কোনটি ফরমালিনমুক্ত। ‘মাদকে ভেজাল নেই, অথচ খাদ্যে ভেজাল—এটা সত্যিই আশ্চর্যজনক।’

    এর জবাবে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী জানিয়েছেন, খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকার বিশেষ কমিটি গঠনসহ নজরদারি, মোবাইল কোর্ট ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করেছে।

    গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে সম্পূরক প্রশ্নোত্তর এবং লিখিত প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য উঠে আসে।

    সম্পূরক প্রশ্নে সাবিকুন্নাহার বলেন, ফলের মৌসুমে বাজারে প্রচুর ফল থাকলেও সাধারণ মানুষ দ্বিধায় থাকেন কোন ফলটি কিনবেন। কোনটি ফরমালিনমুক্ত, কোনটি নিরাপদ—তা বোঝা কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, ভেজালের এই চাদরে ঢাকা বাস্তবতায় মাদকে ভেজাল না থাকাটা বিস্ময়কর। জনগণকে ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকার কী পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা জানতে চান তিনি।

    জবাবে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্যে ভেজাল অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি বিষয়। ভেজাল খাদ্যের কারণে দেশে ক্যান্সার, কিডনি রোগসহ নানা জটিল রোগ বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও বিষয়টি নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।

    তিনি জানান, সম্প্রতি মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেট ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। পাশাপাশি জনপ্রশাসন উপদেষ্টার নেতৃত্বে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা খাদ্যদ্রব্য ভেজালমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ ও কার্যক্রম তদারকি করবে। কমিটির প্রথম বৈঠক ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

    মন্ত্রী বলেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) যৌথভাবে মাঠপর্যায়ে অভিযান পরিচালনা করবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী খাদ্যে ভেজাল নির্মূলে সরকার সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

    লিখিত প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী জানান, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ অনুযায়ী নিয়মিত বাজার তদারকি, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, খাদ্যের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষাসহ নানা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।

    তিনি বলেন, আম, শুঁটকি মাছ, খেজুরের গুড়সহ গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যপণ্যের উৎপাদন, বিক্রয় ও বিপণনের সাথে সংশ্লিষ্ট ৩ হাজার ৩৪০ জন খাদ্যকর্মীকে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এছাড়া ১৫টি সেমিনার, কর্মশালা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি এবং ৯৪টি সাধারণ ও মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে, যেখানে অংশ নিয়েছে ৯ হাজার ৪০০ শিক্ষার্থী।

    মন্ত্রী জানান, বিএফএসএর কর্মকর্তারা ৬ হাজার ৪৪৪টি খাদ্য প্রতিষ্ঠান ও বাজার তদারকি করেছেন। সরকার স্বীকৃত পরীক্ষাগারে ৬৭০টি খাদ্য নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এছাড়া মোবাইল ল্যাবে ৩ হাজার ৫৭৪টি এবং মিনি ল্যাবে ৪ হাজার ৯৩৮টি খাদ্য নমুনার তাৎক্ষণিক পরীক্ষা করা হয়েছে।

    তিনি আরো জানান, নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ এর আওতায় ১৭১টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। পাশাপাশি ২ হাজার ৩৯০ জন গৃহিণীর অংশগ্রহণে ৫১টি উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

  • কিশোরগঞ্জে থানা হাজতে আসামির আত্মহত্যা

    কিশোরগঞ্জে থানা হাজতে আসামির আত্মহত্যা

    কিশোরগঞ্জের নিকলী থানা হাজতে এক মাদকের আসামি ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি নিকলী উপজেলার কারপাশা ইউনিয়নের শহরমূল গ্রামের রাজা হাওলাদারের ছেলে রুবেল মিয়া (২২)।

    নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওমি) মো. মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, রুবেল মাদকাসক্ত ছিলেন। তার বাবার দায়ের করা মামলায় আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে থানা হাজতে রাখা হয়েছিল। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে কোনো এক সময় গায়ের শার্ট খুলে হাজতের কার্নিশের সঙ্গে গলায় ফাঁসি নিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। রুবেল এর আগেও মাদকের মামলায় প্রায় তিন মাস কারাবাস করেছেন বলে ওসি জানান।

    তিনি জানান, একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার পর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, মরদেহের ময়নাতদন্ত করানো হবে কি না।

    বাবা রাজা হাওলাদার জানান, রুবেল বাড়িতে সবাইকে খুব অত্যাচার করতেন। বাড়িঘরে কুপিয়েছেন। অতিষ্ঠ হয়ে সম্প্রতি থানায় মামলা করেছিলেন। রুবেলকে আজ থানায় আনার পর বাবা এসে তাকে নাস্তা খাইয়ে বাড়ি যাচ্ছিলেন। এমন সময় ওসি মাহবুবুর রহমান তাকে ফোন করে আত্মহত্যার খবর জানান।

  • কিশোরগঞ্জে ব্রীজের সড়কে ধস,    যান চলাচল বন্ধ

    কিশোরগঞ্জে ব্রীজের সড়কে ধস, যান চলাচল বন্ধ

    কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিপাতের কারণে ও উজানের ঢলে ক্রমাগত পানির চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের নিতাই ইউনিয়ন পরিষদ যাওয়ার একমাত্র সড়কের ওপর নির্মিত বেলতলী ব্রীজের সংযোগ সড়কটি ধসে গিয়েছে। এতে ওই সড়কে ভারী যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

    উপজেলা প্রকৌশল দফতর সূত্রে জানা গেছে, নিতাই ইউনিয়নের মুশরুত পানিয়াল পুকুর বেলতলী ঘাঁটে চাঁড়ালকাঁটা নদীর উপর ২০১৪ সালে প্রায় কয়েক কোটি টাকা ব্যায়ে ১৪০ মিটার দীর্ঘ ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়। ব্রীজটি নির্মানের পর গত কয়েক বছর প্রতি বর্ষার সময় অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে ব্রীজের দক্ষিণে দিকে ধসে যায়।

    নিতাই ইউনিয়নের মুশরুত পানিয়াল পুকুর গ্রামের বাসিন্দা আবু তালেব ও সহিদার রহমান জানান, ব্রীজটি নির্মানের পর প্রায় প্রতি বছর একই জায়গায় ধসে যাওয়ার কারণে জনগণ দুর্ভোগের স্বীকার হয়। উপজেলা প্রকৌশল দফতর ও প্রশাশনের লোকজন পরিদর্শনে এসে নামমাত্র কাজ করে সড়ক চলাচলের উপযোগী করে চলে যায়।

    নিতাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোত্তাকিনুর রহমান আবু জানান, ব্রীজটির দক্ষিণ দিকের সংযোগ সড়কটি প্রতি বছর ভাঙে, প্রতি বছর সংস্কার হয়। প্রকৌশল দফতরের উচিত সংযোগ সড়কটির ভাঙন রোধে বড় ধরনের বরাদ্দ নিয়ে স্থায়ীভাবে সমস্যা সমাধান করা। তা না করে প্রতিবছর দায়সারা কাজ করার কারণে বারবার সড়কটির একই জায়গায় ধসে পরে জনগণের চলাচলে ভোগান্তি হয়।

    উপজেলা প্রকৌশলী মাহামুদুল হাসান বলেন, ‘ব্রীজের দক্ষিণ দিকে সংযোগ সড়কটি ধসে গিয়ে যান চলাচল বন্ধের খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ (ইউএনও) পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। বর্তমানে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে, দ্রুত ধসে যাওয়া অংশটি মেরামত করে যান চলাচল স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া করছি। পরে মোটা অঙ্কের বরাদ্দ এনে স্থায়ীভাবে সমাধান করা হবে।’

  • নগরকান্দা থেকে অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

    নগরকান্দা থেকে অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার

    ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার দক্ষিণ কান্দী গ্রামের ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের বিশ্বরোড সংলগ্ন এলাকা থেকে একটি অর্ধগলিত অজ্ঞাত পরিচয় লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে দুর্গন্ধ পেয়ে স্থানীয় পথচারীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে রাস্তার পাশে লাশটি দেখতে পান। পরে তারা নগরকান্দা থানায় খবর দিলে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।

    লাশ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে শত শত উৎসুক মানুষ ভিড় করেন। স্থানীয়দের প্রাথমিক ধারণা, লাশটি একজন পুরুষের হতে পারে। তবে পরিচয় ও মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার আগে কোনো মন্তব্য করতে রাজি নয় পুলিশ।

    নগরকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে।

    ওসি রাসুল সামদানী আজাদ বলেন, লাশটির পরিচয় এখনো শনাক্ত করা যায়নি। পরিচয় নিশ্চিত করতে সিআইডির ফরেনসিক টিম কাজ করছে। পরিচয় শনাক্ত হলে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

  • ইসলামের বিধান নিয়ে বিদ্রুপ ঈমান নষ্টের কারণ, কোরআন ও হাদিসে কঠোর সতর্কতা

    ইসলামের বিধান নিয়ে বিদ্রুপ ঈমান নষ্টের কারণ, কোরআন ও হাদিসে কঠোর সতর্কতা

    মহান আল্লাহ মানুষের কল্যাণে যুগে যুগে দ্বিন ও শরিয়তের বিধান দিয়েছেন। একজন মুমিনের দায়িত্ব হলো শরিয়তের বিধানগুলোকে মান্য করা এবং তাকে সম্মান করা।

    এটা তার ঈমানের দাবি ও নিদর্শন। পক্ষান্তরে ইসলামের কোনো বিধান, নিদর্শন বা শরিয়তের কোনো অংশ নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ, যা মানুষের ঈমান পর্যন্ত বিনষ্ট করে দিতে পারে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তুমি তাদেরকে প্রশ্ন করলে তারা নিশ্চয়ই বলবে, আমরা তো আলাপ-আলোচনা ও ক্রীড়া-কৌতুক করছিলাম। বোলো, তোমরা কি আল্লাহ, তাঁর নিদর্শন ও তাঁর রাসুলকে বিদ্রুপ করছিলে? ঈমান আনার পর তোমরা দোষ ঢাকার চেষ্টা কোরো না।

    ’ (সুরা : তাওবা, আয়াত : ৬৫-৬৬)
    তাফসিরবিদরা বলেন, তাবুক অভিযানের সময় কিছু লোক সাহাবায়ে কেরাম ও দ্বিনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করেছিল, তখন এই আয়াত নাজিল হয়। আয়াতে আল্লাহ তাআলা স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন যে দ্বিনকে নিয়ে উপহাস করা কুফরির নামান্তর।

    কোরআনের অন্যত্র আল্লাহ বলেন, ‘এটাই বিধান; আর যে ব্যক্তি আল্লাহর নিদর্শনগুলোর সম্মান রক্ষা করে, তা অন্তরের তাকওয়ার পরিচায়ক।’ (সুরা : হজ, আয়াত : ৩২)

    এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, শরিয়তের বিধি-বিধান ও দ্বিনের প্রতীক বিষয়গুলোকে সম্মান করা আল্লাহভীতির লক্ষণ, বিপরীতে তা নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ ও বাঁকা মন্তব্য করা তাকওয়া পরহেজগারির পরিপন্থী কাজ।

    মহানবী (সা.)-ও এ বিষয়ে উম্মতকে সতর্ক করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘বান্দা কখনো এমন একটি কথা বলে, যা আল্লাহর অসন্তুষ্টির কারণ হয়। কিন্তু সে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয় না, অথচ এর কারণে সে জাহান্নামে পতিত হয়।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৬৪৭৭)

    বর্তমান যুগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, পারস্পরিক কথাবার্তা, আলাপ-আলোচনা ও বিতর্কে অনেকেই ইসলামের বিধান, দাড়ি, হিজাব, নামাজ, কোরবানি কিংবা অন্য কোনো বিধান নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করে থাকে। অনেকের দৃষ্টিতে এটাকে বাকস্বাধীনতার অংশ বা তুচ্ছ বিষয় মনে হলেও শরিয়তে এটি অত্যন্ত ভয়াবহ অপরাধ।

    কারণ এতে দ্বিনের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয় এবং মানুষের অন্তরে দ্বিনের প্রতি অবজ্ঞা সৃষ্টি হয়।
    ফিকহের কিতাবগুলোতে শরিয়তের বিধি-বিধান নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করাকে কুফরির কারণ বলা হয়েছে। ফাতাওয়ায়ে আলমগিরিতে বলা হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি শরিয়তের কোনো বিষয় নিয়ে বিদ্রুপ করে, সে কাফির হয়ে যায়।’ (ফাতাওয়ায়ে আলমগিরি : ২/২৫৯)

    ইমাম ইবনু নুজাইম (রহ.) বলেছেন, ‘দ্বিন বা দ্বিনের কোনো বিধান নিয়ে উপহাস করা কুফরি।’ (আল বাহরুর রায়িক : ৫/১৩৪)

    তবে মনে রাখতে হবে, শরিয়তের কোনো বিধানের দলিল, প্রয়োগ পদ্ধতি বা ফিকহি ব্যাখ্যা নিয়ে জ্ঞানার্জনের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করা আর বিদ্রুপ করা এক বিষয় নয়। ইসলাম চিন্তা, গবেষণা ও প্রশ্নকে উৎসাহিত করে; কিন্তু উপহাস ও অবজ্ঞাকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছে। একজন মুমিনের কর্তব্য হলো আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.)-এর নির্দেশনার প্রতি বিনয় ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা। কোনো বিধানের হিকমত বা প্রজ্ঞা তার বোধগম্য না হলেও এই বিশ্বাস অন্তরে ধারণ করা যে আল্লাহর প্রতিটি বিধানই কল্যাণকর। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আল্লাহ ও তাঁর রাসুল কোনো বিষয়ে ফয়সালা করে দিলে কোনো মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীর সেই বিষয়ে ভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার থাকে না।’ (সুরা : আহজাব, আয়াত : ৩৬)

    পরিশেষে বলতে চাই, ইসলামের বিধি-বিধান নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করা শুধু একটি নৈতিক অপরাধ নয়; বরং তা ঈমানের জন্যও মারাত্মক হুমকি। দেশের প্রচলিত আইনও তা অনুমোদন করে না। একজন মুসলমানের উচিত দ্বিনের প্রতিটি বিধানকে সম্মান করা, অন্যদেরও এর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে উৎসাহিত করা এবং কথাবার্তা ও আচরণে এমন সব বিষয় থেকে দূরে থাকা, যা আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.)-এর অসন্তুষ্টির কারণ হতে পারে। আল্লাহ সবাইকে দ্বিনের সঠিক জ্ঞান ও বুঝ দান করুন। আমিন।

  • সেপ্টেম্বরে শুটিংয়ে ফিরছেন বুবলী

    সেপ্টেম্বরে শুটিংয়ে ফিরছেন বুবলী

    দ্বিতীয়বারের মতো মাতৃত্বকালীন বিরতিতে আছেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। গত ১১ মে কন্যাসন্তানের মা হয়েছেন তিনি। লোকচক্ষুর আড়ালে আছেন তারও কয়েক মাস আগে থেকে। রোজার ঈদে বুবলী অভিনীত ‘প্রেশার কুকার’ মুক্তির সময়ও পাওয়া যায়নি তাঁর দেখা। অবশেষে বুবলীর কাজে ফেরার খবর পাওয়া গেল। আগামী সেপ্টেম্বরে জাহিদ হোসেনের ‘ঢাকাইয়া দেবদাস’ সিনেমা দিয়ে আবার লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশনে ফিরছেন তিনি।

    বিরতি কাটিয়ে বুবলীর কাজে ফেরার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকাইয়া দেবদাস সিনেমার পরিচালক জাহিদ হোসেন। আজকের পত্রিকাকে নির্মাতা জানান, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী সেপ্টেম্বরে ঢাকাইয়া দেবদাসের শুটিংয়ে অংশ নেবেন বুবলী।

    জাহিদ হোসেন বলেন, ‘বুবলীর সঙ্গে শুটিং নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সে এখন নিজের ফিটনেস নিয়ে কাজ করছে। আশা করছি সেপ্টেম্বরে ঢাকাইয়া দেবদাস সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নেবে।’

    পুরান ঢাকার মানুষ, সমাজ ও সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে নির্মিত হচ্ছে ঢাকাইয়া দেবদাস। গত জানুয়ারিতে সাকরাইন উৎসবের সময় শুরু হয় সিনেমার শুটিং। বুবলীর বিরতিতে শুটিংয়ে কোনো প্রভাব পড়েছিল কি না জানতে চাইলে নির্মাতা জাহিদ হোসেন বলেন, ‘ঢাকাইয়া দেবদাস একটি ঢাকাইয়া শিল্প-সংস্কৃতির চলচ্চিত্র। পুরান ঢাকার ঐতিহ্য সঠিকভাবে তুলে ধরার জন্য উৎসবের সময়ে রিয়েল লোকেশনে শুটিং করছি আমরা। তাই প্রথম থেকেই পরিকল্পনা ছিল সময় নিয়ে চলবে শুটিং। বছরব্যাপী ঢাকাইয়াদের যেসব রিচুয়াল কালচার রয়েছে, তা তুলে ধরা হবে। সেপ্টেম্বরে বুবলী শুটিং করবেন, এটা আগে থেকে ঠিক করা ছিল। মাঝে বুবলী না থাকলেও পরিকল্পনা অনুযায়ী কিছু অংশের শুটিং হয়েছে। সবশেষ আশুরার সময়েও রিয়েল লোকেশনে আমরা দৃশ্যধারণের কাজ করেছি। আশা করছি সেপ্টেম্বর থেকে আবার ক্যামেরা ওপেন হবে।’

    ঢাকাইয়া দেবদাস সিনেমায় বুবলীর বিপরীতে আছেন আদর আজাদ। নির্মাতা জানান, ঢাকাইয়া দেবদাস মূলত প্রেমের গল্পের সিনেমা। দুজন মানুষের গল্পের মধ্যেই তুলে ধরা হবে পুরান ঢাকার ঐতিহ্য। এতে আরও অভিনয় করছেন তারিক আনাম খান, শহীদুজ্জামান সেলিম, রাশেদ মামুন অপু, রোজী সিদ্দিকী প্রমুখ।

    নির্মাতা আরও জানান, আগামী বছর রোজার ঈদের মিছিলের দৃশ্যধারণের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ঢাকাইয়া দেবদাস সিনেমার শুটিং। এরপর পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ শেষে কোরবানির ঈদের পর মুক্তি পাবে দেশের প্রেক্ষাগৃহে। সিনেমাটির প্রযোজনা ও পরিবেশনায় রয়েছে এক্সেল ফিল্মস ও রেভল্যুশন মুভিজ ইন্টারন্যাশনাল।

  • সাটুরিয়ায় নারীর লাশ উদ্ধার : হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক

    সাটুরিয়ায় নারীর লাশ উদ্ধার : হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক

    মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার হরগজ ইউনিয়নে সুফিয়া খাতুন (৫০) নামে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

    এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামীকে হত্যার অভিযোগে আটক করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৭ জুলাই) হরগজ বেপারী পাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এদিন সকালে মৃত্যুর খবর ছড়ালে সাটুরিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।

    নিহত সুফিয়া খাতুন ওই গ্রামের মো: ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী।

    সুফিয়া খাতুনের সুরতহালে আঘাতের চিহ্ন পাওয়ায় তার স্বামী ইসমাইল হোসেনকে (৫৫) আটক করেছে পুলিশ।

    এই মৃত্যুকে ‘পরিকল্পিত হত্যা’ বলে দাবি করছেন নিহতের ভাই রমজান আলী। তার অভিযোগ, সুফিয়াকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

    অন্যদিকে, নিহতের ছেলে ইসরাফিল দাবি করেছেন, তার মা মানসিক রোগী ছিলেন এবং তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

    সাটুরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন জানান, লাশের হাত ও পেটে আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। প্রকৃত কারণ উদঘাটনে লাশ মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্টের পরই মূল রহস্য উন্মোচিত হবে এবং আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু

    ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তিনজনই ঢাকা বিভাগে মারা গেছে।

    বুধবার (৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যু বেড়ে হয়েছে ৭৪৫। এরমধ্যে নিশ্চিত হামে ৯৩ জন ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৬৫২ জন মারা গেছে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত ১০৬ রোগী শনাক্ত হয়েছে। মোট শনাক্ত রোগী ১৩ হাজার ৭০ জন।

    অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৭৯৬ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে মোট সন্দেহভাজন রোগী সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ১৮০ জন।

  • ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৫১

    ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২৫১

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত অন্তত ৩ জন মারা গেছেন। একইসময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ২৫১ জন।

    বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

    এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে বরিশাল ও খুলনা বিভাগ এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজন করে মারা গেছে।

    এ নিয়ে চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২২ জন মারা গেছেন। এছাড়া, ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে ৭ হাজার ৫৫৭ জনের। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৬৬০ ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন।

  • প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকার বাইরে রাত্রিযাপন না করার পরামর্শ : কর্নেল অলি

    প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকার বাইরে রাত্রিযাপন না করার পরামর্শ : কর্নেল অলি

    ঢাকার বাইরে রাত্রিযাপন না করতে প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ দিয়েছেন এলডিপি চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ১১ দলের সেমিনারে তিনি এ পরামর্শ দেন।

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশে অলি আহমেদ বলেন, আপনার কাজ হচ্ছে বাংলাদেশে যারা বিদেশি গুপ্তচর তাদেরকে বের করা। তাদের দ্বারা আপনি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়ার সন্তান হিসেবে সংস্কারের বিষয়ে আপনার উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।

    তিনি বলেন, চতুর্দিকে শত্রু রেখে আপনি দেশ পরিচালনা করতে পারবেন না। আমরা হলাম আপনার প্রকাশ্য শত্রু। যারা আপনার পাশে আছেন, তারা হচ্ছেন আপনার আসল শত্রু।

    অলি আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শত্রু দ্বারা আবর্তিত। বিদেশি গুপ্তচররা সরকারে ও দলের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় রয়েছে। বিদেশি গুপ্তচর যেকোনো সময় তারেক রহমানের বড় ক্ষতি করতে পারে। তাদেরকে দল থেকে বের করে দেয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

    তিনি বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো নয়, বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি হচ্ছে। অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো নয়। নতুন বিনিয়োগ পাওয়া যাচ্ছে না। আপনি (তারেক রহমান) ভালো অবস্থানে নেই।

    অলি আহমেদ বলেন, ১১ দল আপনার শত্রু নয়, আপনার বন্ধু। যার কারণে আপনাকে প্রকাশ্যে পরামর্শ দিচ্ছে। আপনি ইতিহাসে একজন নেতা হয়ে থাকেন।

  • মধুখালীতে গরুর পঁচা মাংস বিক্রির অভিযোগ

    মধুখালীতে গরুর পঁচা মাংস বিক্রির অভিযোগ

    ফরিদপুরের মধুখালীতে গরুর পঁচা মাংস বিক্রির অভিযোগে মাংস ব্যবসায়ী জাকির হোসেনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় দোকান থেকে জব্দ করা প্রায় দুই মণ খাবার অনুপোযোগি মাংস মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়।

    মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুর জেলার মধুখালী উপজেলার বাগাট বাজারে জাকির হোসেনের মাংসের দোকানে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রওশনা জাহান। অভিযানকালে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. কে. এম. তানজির নাঈম সহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রওশনা জাহান জানান, প্রায় দুই মন গরুর পঁচা মাংস জব্দের পর ধংস করে ওই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড না করার জন্য তাকে সতর্ক করা হয়েছে।

  • পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের নাম পরিবর্তন

    পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের নাম পরিবর্তন

    বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত সন্ত্রাসবিরোধী সংস্থা অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট’ (এসএসইউ) এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট-ডিএমপি’ (এসএসইউ-ডিএমপি) রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    এর আগে দুই ইউনিটের নাম পরিবর্তনের পাশাপাশি তাদের দায়িত্বের পরিধি বাড়ানোর প্রস্তাব দেয় পুলিশ সদর দপ্তর। গত ৭ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক প্রস্তাবে এটিইউর নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট’ করার অনুমোদন চাওয়া হয়। পরদিন ৮ জুন ডিএমপি কমিশনারের কাছে পাঠানো পৃথক চিঠিতে সিটিটিসির নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট-ডিএমপি’ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।

    পুলিশ সদর দপ্তরের ভাষ্য, দেশে ও বিশ্বে নিরাপত্তা হুমকির ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। সহিংস উগ্রবাদের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তার এবং ডিজিটাল মাধ্যমে উদ্ভূত নতুন ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় আরও বিস্তৃত ও আধুনিক কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা থেকেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    পুলিশ সদর দপ্তরের প্রস্তাবে বলা হয়, নতুন নামে পরিচালিত হলে ইউনিটগুলোর কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে এবং অতীতের বিতর্কিত বা প্রশ্নবিদ্ধ অভিযানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অভিযোগের বাইরে এসে জনআস্থা পুনর্গঠনে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে তাদের মূল নিরাপত্তাসংক্রান্ত দায়িত্বও বহাল থাকবে।

    প্রস্তাব অনুযায়ী, নতুন কাঠামোয় এসএসইউ শুধু জঙ্গিবাদ দমনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা, জাতীয় স্থিতিশীলতা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও বিস্তৃত ভূমিকা পালন করবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ‘স্পেশাল সিকিউরিটি ইউনিট’ নাম ব্যবহারের ফলে বিদেশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতা এবং দেশীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও সহজ হবে বলে মনে করছে পুলিশ সদর দপ্তর।

    উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে রাজধানীর হোলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার পরিপ্রেক্ষিতে এটিইউ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১৭ সালের ৭ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করা ইউনিটটি বর্তমানে সারা দেশে বিশেষায়িত সন্ত্রাসবিরোধী বাহিনী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে।

  • আর্জেন্টিনার সমর্থক হয়েও মিশরের জয় চান বর্ষা

    আর্জেন্টিনার সমর্থক হয়েও মিশরের জয় চান বর্ষা

    ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের শেষ ষোলোর ম্যাচে আজ মঙ্গলবার (৭ জুলাই) মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও মিশর। ম্যাচটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে ব্যাপক আলোচনা। সমর্থকদের পাশাপাশি এ আলোচনায় অংশ নিয়েছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা বর্ষাও।

    দীর্ঘদিন ধরে আর্জেন্টিনা ও তারকা ফুটবলার লিওনেল মেসির সমর্থক হিসেবে পরিচিত বর্ষা। তবে এবারের ম্যাচকে সামনে রেখে তিনি প্রতিপক্ষ মিশরের জয় কামনা করেছেন।

    আজ মঙ্গলবার দুপুরে ফেসবুকে আর্জেন্টিনার জার্সি পরা একটি ছবি প্রকাশ করেন ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আজ আমার প্রিয় দল আর্জেন্টিনা হারলেও কষ্ট পাব না। কারণ, মন থেকে চাই দুনিয়ার বুকে মুসলিমদের জয় হোক। আমিন।’

    বর্ষার এই পোস্ট প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা ও সমালোচনা। অনেকেই এটিকে তার ব্যক্তিগত মতামত হিসেবে সম্মান জানিয়ে সমর্থন প্রকাশ করেছেন। আবার কেউ কেউ মনে করেন, খেলাধুলাকে ধর্মের সঙ্গে না জড়ানোই উচিত। তবে এসব ব্যাপারে কোনো ব্যাখ্যা বা মন্তব্য করতে দেখা যায়নি অভিনেত্রী বর্ষাকে।

  • বংশালে রহস্যজনক মৃত্যু, পুলিশ হেফাজতে স্ত্রী

    বংশালে রহস্যজনক মৃত্যু, পুলিশ হেফাজতে স্ত্রী

    রাজধানীর বংশালের নাজিমুদ্দিন রোডের একটি বাসায় মোহাম্মদ সুমন (৪২) নামে ঢাকা মেডিক্যাল বার্ন ইউনিটের এক কর্মচারীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

    মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    এর আগে, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    সুমন হবিগঞ্জ জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ডালুগাছ বাজার এলাকার নবী মিয়ার ছেলে। বর্তমানে তিনি বংশালের নাজিমুদ্দিন রোডের জমিদার গলিতে আনারস মসজিদ সংলগ্ন একটি চারতলা ভবনের চতুর্থ তলায় ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ডেইলি বেসিস কর্মচারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

    হাসপাতালে সুমনকে নিয়ে আসা তার স্ত্রী নাসিমা বেগম জানান, তার স্বামী ইয়াবাসেবী ছিলেন। আগের রাতে তিনি তার কাছ থেকে ১৫০০ টাকা নিয়ে ইয়াবা কিনে আনেন এবং রাতে বাথরুমে বসে তা সেবন করেন।

    তার দাবি, মঙ্গলবার সকালে ইয়াবা সেবনকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে সুমনের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তিনি নাসিমার হাতে আঘাত করেন। পরে একই অস্ত্রের আঘাতে সুমনের বুকের বাম পাশে গুরুতর জখম হয়। এরপর তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    এদিকে ঢাকা মেডিক্যালে এসে সুমনের প্রথম স্ত্রী ডলি আক্তার অভিযোগ করেন, সুমন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। তার অভিযোগ, এ ঘটনায় সুমনকে হত্যা করা হয়েছে।

    ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক জানান, চিকিৎসকের বরাত দিয়ে তিনি সুমনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।

    তিনি আরো জানান, ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্ত্রী নাসিমা বেগমকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

  • ডিএসইতে সূচক নিম্নমুখী, লেনদেন ১ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা

    ডিএসইতে সূচক নিম্নমুখী, লেনদেন ১ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা

    সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। তবে বাজারে লেনদেনের পরিমাণ ছিল এক হাজার ৩৮৮ কোটি টাকার বেশি।

    ডিএসইর বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, এদিন মোট ৩৯০টি কোম্পানির ৪৫ কোটি ২২ লাখ ৯৬ হাজার ১০৭টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। দিনশেষে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় এক হাজার ৩৮৮ কোটি তিন লাখ ৬৩ হাজার ৩৯৯ টাকা।

    দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৮ দশমিক ২৪ পয়েন্ট কমে পাঁচ হাজার ৭৮১ দশমিক ২৭ পয়েন্টে নেমে আসে। ডিএসই-৩০ সূচক ১০ দশমিক ৬৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় দুই হাজার ১৮১ দশমিক ৮৫ পয়েন্টে। তবে ডিএসইএস বা শরিয়াহভিত্তিক সূচক এক দশমিক ৮৭ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ১৮৪ দশমিক ৮৮ পয়েন্টে উন্নীত হয়।

    লেনদেনে অংশ নেয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৬০টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, ১৮০টির কমেছে এবং ৫০টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

    লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০ কোম্পানি ছিল বেক্সিমকো ফার্মা, মালেক স্পিনিং, ব্র্যাক ব্যাংক, এপেক্স স্পিনিং, আইটিসি, সিমটেক্স, ড্রাগন সোয়েটার, বেক্সিমকো লিমিটেড, আইপিডিসি এবং সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট।

    দর বৃদ্ধির শীর্ষে থাকা ১০ কোম্পানি হলো এমবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজ, পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, এবিবি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, এআইবিএল ফার্স্ট ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড, এনসিসি ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড, আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, গ্রিন ডেল্টা মিউচুয়াল ফান্ড, আইএফআইএল ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড-১ এবং সার্প ইন্ডাস্ট্রিজ।

    অন্যদিকে দরপতনের শীর্ষে ছিল ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, ফনিক্স ফাইন্যান্স, এফএএস ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং, মাইডাস ফাইন্যান্স, প্রিমিয়ার লিজিং, জেনেক্স ইনফোসিস, জেনারেশন নেক্সট, তুংহাই নিটিং এবং এমএল ডাইং।

  • মাদারীপুরে সাপের কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু

    মাদারীপুরে সাপের কামড়ে গৃহবধূর মৃত্যু

    মাদারীপুরের কালকিনিতে বিষধর সাপের কামড়ে খাদিজা আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে কালকিনি উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের উত্তর কোলচরি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত খাদিজা আক্তার একই এলাকার আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদারের মেয়ে ও জাকির বেপারীর স্ত্রী।

    স্থানীয়রা জানায়, সকাল ৭টার দিকে কাঠের লাকড়ি আনতে রান্নাঘর যান গৃহবধূ খাদিজা। এ সময় লাকড়ির ভেতর থাকা একটি বিষধর সাপ খাদিজার হাতে কামড় দেয়। সাপের কামড়ে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে খাদিজা ব্যথায় চিৎকার শুরু করলে তার স্বামীসহ প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন।

    পরে মারাত্মক আহত অবস্থায় খাদিজাকে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্বজনরা। পরীক্ষানিরীক্ষা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার অখিল সরকার বলেন, বিষধর সাপের কামড়ে খাদিজা আক্তার নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে আসার অনেক আগেই তিনি মারা যান।

  • সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

    সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করেছেন। দেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকায় সশরীরে উপস্থিত হয়ে মাঠ পর্যায়ের সেনাসদস্যদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটালেন।

    মঙ্গলবার সকাল ৯টা ২০ মিনিটে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৯ পদাতিক ডিভিশনের অধীনে ৮ বীরের গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ এলাকায় আকস্মিকভাবে উপস্থিত হয়ে বিস্তীর্ণ অংশ পায়ে হেঁটে পরিদর্শন করেন তিনি।

    মহড়া চলাকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘ফার্ম বেস’-এর বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও ইউনিটের কমান্ডিং অফিসারের (সিও) কাছ থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পর্কে অবহিত হন। তিনি একজন কমান্ডারের মৌখিক অপারেশনাল নির্দেশনা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং সেনাসদস্যদের পরিচালিত একটি ‘রেইড’ মহড়া প্রত্যক্ষ করেন।

    এ ছাড়া যুদ্ধক্ষেত্রে সেনাসদস্যদের অবস্থান গ্রহণ, রণকৌশল, সমরাস্ত্রের ব্যবহার এবং বাস্তবধর্মী প্রশিক্ষণের বিভিন্ন দিক ঘুরে ঘুরে পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেনা বাঙ্কারে নেমে মহড়ায় অংশগ্রহণকারী অফিসার ও সেনাসদস্যদের সঙ্গে রণকৌশল নিয়ে মতবিনিময় করেন। এমনকি গাছের পাতার আড়ালে ছদ্মবেশে অবস্থানরত সেনাসদস্যদের কাছে গিয়েও তাদের খোঁজখবর নেন এবং দায়িত্ব পালনে উৎসাহ প্রদান করেন।

    একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সেনাসদস্যদের জন্য প্রস্তুত করা তাৎক্ষণিক রান্না করা খাবার খান এবং তাদের সঙ্গে চা পান করেন। মাঠপর্যায়ে সেনাসদস্যদের সঙ্গে সরকারপ্রধান দীর্ঘ সময় কাটানোয় উপস্থিত সেনাসদস্যরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

    পরে সেনাসদস্যদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের জনগণ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ওপর গভীর আস্থা রাখছে। জাতীয় সংকট ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর গৌরবময় ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি পেশাদার প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন— প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।▫️

  • এনসিপির সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা

    এনসিপির সমাবেশে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা

    রাজনীতি ডেস্ক:

    সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’ পরবর্তী সমাবেশে হাতবোমা (ককটেল) বিস্ফোরণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    সোমবার (৬ জুলাই) রাতে এনসিপির ঢাকা উত্তরের সদস্য সচিব সালামত উল্লাহ রনি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।

    মামলার বাদী জানান, সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে সাভারের তারাপুর ঈদগাহ মাঠে সমাবেশ চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটায় দুর্বৃত্তরা। এতে দলের ৬ নেতাকর্মী আহত হন।

    মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।

    বিস্ফোরণের সময় মঞ্চে এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব ও সংসদ-সদস্য আখতার হোসেন এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সার্জিস আলম উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ঢাকা জেলা এনসিপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ বক্তব্য দিচ্ছিলেন।

    এটি একটি পরিকল্পিত হামলা দাবি করে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ইয়াসির আরাফাত যুগান্তরকে বলেন, হামলার কিছুক্ষণ আগে সমাবেশস্থলের বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এরপর হঠাৎ বেশ কয়েকটি হাতবোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এটি একটি পরিকল্পিত হামলা।

    এ ঘটনায় জুলাই শহীদ শ্রাবণ গাজীর বাবা মান্নান গাজী ও দুজন সাংবাদিকসহ ছয়জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা- হলেন মান্নান গাজী, শাহীন খন্দকার, জসীম উদ্দিন, মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, ডিবিসি নিউজের ক্যামেরা পারসন মো. মজনু এবং এনপিবি নিউজের মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মো. সাঈদুল ইসলাম।

    এনসিপি নেতাকর্মীরা জানান, গাজীপুরের কালীগঞ্জে কর্মসূচি শেষ করে নাহিদ ইসলামসহ কেন্দ্রীয় নেতারা রাত ৯টার দিকে সাভারে পৌঁছান। পরে নেতাকর্মীদের নিয়ে পদযাত্রা করে সমাবেশস্থলে আসেন। তারা পৌঁছানোর পরপরই বিদ্যুৎ চলে যায়। এর মধ্যেই কেন্দ্রীয় নেতারা মঞ্চে উঠেন এবং অনুষ্ঠান শুরু হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, মঞ্চের সামনে সাংবাদিকদের অবস্থান ছিল। তাদের পেছনে বাঁশ দিয়ে ঘেরা স্থানে সাধারণ মানুষের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। নাবিলা তাসনিমের বক্তব্য চলাকালে ওই স্থানেই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে এবং সমাবেশে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। কিছুক্ষণ পর বিদ্যুৎ ফিরে আসে।

    বোমা হামলায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে নাহিদ ইসলামসহ নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। পরে তারা সাভার মডেল থানার সামনে গিয়ে জড়ো হন। সেখান থেকে এনসিপির নেতারা হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজখবর নেন।

    সমাবেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে নাহিদ ইসলাম বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সমালোচনা করেন এবং হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিচারের দাবি জানান।

    সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ যুগান্তরকে বলেন, এ ঘটনায় অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারীদের আসামি করে মামলা হয়েছে। তদন্ত চলছে।

  • জাল-ই- ভিসা শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে উধাও ৭১ যাত্রী

    জাল-ই- ভিসা শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে উধাও ৭১ যাত্রী

    হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়াগামী একটি ফ্লাইট ঘিরে রহস্যজনক ঘটনা ঘটেছে। বোর্ডিং পাস সংগ্রহ এবং ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার পরও শেষ মুহূর্তে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ওঠেননি ৭১ যাত্রী। এর আগে বোর্ডিং গেটে পাঁচজন যাত্রীর ভিসা জাল বলে শনাক্ত হওয়ার পর ঘটনাটি সামনে আসে। গত শনিবার রাতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-মালয়েশিয়া রুটের বিজি-৩৮৬ ফ্লাইটটি শেষ পর্যন্ত ওই ৭৬ জন যাত্রী ছাড়াই ঢাকা ছেড়ে যায়।

    বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, বোর্ডিং গেটে পাঁচজন যাত্রীর ই-ভিসা জাল বলে শনাক্ত হয়। এরপর বোর্ডিং লাইনে থাকা আরো অনেক যাত্রী হঠাৎ করে সরে যান। পরে তাদের অনেকেই ইমিগ্রেশনের প্রস্থান সিল বাতিল করে আবার দেশে প্রবেশ করেন।

    সূত্র আরো জানায়, ওই ৭৬ জনের ভিসা যথাযথভাবে যাচাই ছাড়াই চেক-ইন কাউন্টার থেকে ‘ভেরিফায়েড’হিসেবে গ্রহণ করে বোর্ডিং পাস ইস্যু করা হয়েছিল। পরে ইমিগ্রেশনও তাদের বিদেশযাত্রার অনুমতি দেয়। কিন্তু বোর্ডিং গেটে গিয়ে পাঁচজনের জাল ই-ভিসা ধরা পড়ে।

    বিমানবন্দর-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, বিমানে না ওঠা ৭৬ জনই ট্যুরিস্ট ভিসায় মালয়েশিয়া যাচ্ছিলেন। তবে একটি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে দেশটিতে গিয়ে থেকে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

    এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, বোর্ডিং চলাকালে কয়েকজন যাত্রীকে আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়। পরে তাদের ভিসায় অসঙ্গতি ধরা পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে লাইনে থাকা আরো কয়েকজন যাত্রী সেখান থেকে সরে যান। কিছুক্ষণ পর কয়েকজনকে আনুষ্ঠানিকভাবে অফলোড করা হলে বোর্ডিং গেট এলাকায় উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়।

    বিমান বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ বলছে, ওই ফ্লাইটের ১০ জন যাত্রীকে উড়োজাহাজে ওঠার পর আটকে দেয় ইমিগ্রেশন বিভাগ। এরপর আরো পাঁচ যাত্রীকে বিমানবন্দরের বোর্ডিং গেটে আটকে দেওয়ার পর ওই ফ্লাইটের আরো ৬১ জন যাত্রী আর বোর্ডিং গেটেই আসেননি। এর মধ্যে বোর্ডিং গেটে পাঁচজন যাত্রীর ভিসার সঙ্গে পাসপোর্টের তথ্যের অসঙ্গতি ধরা পড়ায় তাদের অফলোড করা হয়।

    বিমানের মহাব্যবস্থাপক জনসংযোগ বোসরা ইসলাম বলেন, মালয়েশিয়াগামী বিমানের ওই ফ্লাইটে ২৮৮ জন যাত্রী টিকিট কেটেছিলেন। তাদের মধ্যে দশজন যাত্রীকে অফলোড করেছে ইমিগ্রেশন বিভাগ। পাঁচজনকে পাসপোর্ট চেকিংয়ের সময় ভিসা সমস্যায় আটকে দেওয়া হয়েছে। ১০ জনকে ইমিগ্রেশনে আটকায়। ফ্লাইটে ৬১ জন যাত্রীকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এরপর আরো ৬১ জন যাত্রী যারা বোর্ডিং পাস নিয়েছিলেন, কিন্তু বোর্ডিংয়ের জন্য আর গেটেই আসেননি। শেষ পর্যন্ত ১৯২ জন যাত্রী নিয়ে সাড়ে ৮টার দিকে ছেড়ে যায় ফ্লাইটটি।

    বিমানবন্দর সূত্র জানায়, এই ফ্লাইটের ৭৬ জন যাত্রী প্লেনে চড়েননি। তাদের রেখেই চলে যায় ফ্লাইট। ৭৬ জনের মধ্যে বোর্ডিং গেটে পাঁচজন যাত্রীর ভিসার সঙ্গে পাসপোর্টের মিল না থাকায় তাদের অফলোড করা হয়। এছাড়া ইমিগ্রেশন থেকে ১০ জন অফলোড করা হয়েছে।

    বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক এস এম রাগিব সামাদ বলেন, ঘটনাটি তারা খতিয়ে দেখছেন। বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    পুলিশের বিশেষ ব্রাঞ্চের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে মালয়েশিয়ায় শ্রমবাজার চালু হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। কিছু যাত্রী টুরিস্ট ভিসা নামে মালয়েশিয়ায় কাজ করার জন্য ঢাকা ত্যাগ করছিল। ইমিগ্রেশন পুলিশের বিষয়টি নজরে এলে তারা অফলোড করে।

    অবৈধভাবে বিদেশ যেতে কাগজপত্রে ত্রুটি রেখেই বিনা বাধায় ইমিগ্রেশন পার করিয়ে দেয় একটি অসাধু চক্র। যা ‘বডি কন্ট্রাক্ট’ নামে পরিচিত। এর সঙ্গে বিমানবন্দর এবং এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তারা জড়িত থাকতে পারে বলে গোয়েন্দা সংস্থার ধারণা।

    যেসব যাত্রীকে অফলোড করা হয়েছে, তাদের বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশের বিশেষ শাখার এ কর্মকর্তা বলেন, আমার কাছে তাদের জাল ভিসা সংক্রান্ত কোনো তথ্য নেই। তবে এসব ক্ষেত্রে দেখা যায় একজন যাত্রী ট্যুরিস্ট ভিসায় যাচ্ছেন, কিন্তু তার আর্থ-সামাজিক অবস্থার সঙ্গে বিদেশে ভ্রমণের বিষয়টি মেলে না। বা আরো কতগুলো বিষয় মিলিয়ে সন্দেহের কারণ থাকে।

    বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, বিমানে না ওঠা ৭৬ জনই ট্যুরিস্ট ভিসায় মালয়েশিয়া যাচ্ছিলেন। তবে একই ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে তাদের মালয়েশিয়ায় থেকে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।