মাদারগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট, ৫ দিন পর যুবকের মৃত্যু

প্রতিবেদন:

·

, , , , ,

বিডি গ্লো্বাল ডেস্ক,

জামালপুরের মাদারগঞ্জে গাছে উঠে চালতা পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর দগ্ধ তাওহীদ (১৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

পাঁচ দিন মৃত্যুর সাথে লড়াই করে রোববার (২৫ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত তাওহীদ উপজেলার কড়ইচড়া ইউনিয়নের মিলন বাজার এলাকার নুরনবীর ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে আচার তৈরির জন্য চালতা সংগ্রহ করতে কড়ইচড়া ইউনিয়নের ছালাবান্দা এলাকায় যান তাওহীদ। সেখানে একটি গাছে উঠে চালতা পাড়ার সময় অসাবধানতাবশত বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তার শরীরের প্রায় ৭০ শতাংশ পুড়ে যায় বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ রোববার ভোরে তার মৃত্যু হয়।

নিহতের আত্মীয় শফিকুল ইসলাম ছিবল ও সালাউদ্দিন জানান, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার পর তাওহীদের শরীরের অধিকাংশ পুড়ে যায়। তাকে প্রথমে মাদারগঞ্জ, পরে জামালপুর হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

রোববার বিকেলে ঢাকা থেকে তার লাশ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। পরে দাফনের প্রস্তুতি নেয়া হয়।

একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েন তাওহীদের বাবা নুরনবী। তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে চালতা পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হয়েছিল। ছেলেকে বাঁচানোর জন্য আমরা প্রথমে মাদারগঞ্জ, পরে জামালপুর হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই। পাঁচ দিন ধরে চিকিৎসা করিয়েও তাকে বাঁচাতে পারলাম না। আমার ছেলেকে হারিয়ে আমি নিঃস্ব হয়ে গেলাম। যারা আমার ছেলেকে ভালো হতে দেখার আশা করেছিলেন, তাদের সবার কাছে দোয়া চাই।’

মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্নেহাশীস রায় বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ নেয়ার আবেদন করা হয়। পরে পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে। এ,আর

Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ