‘গত ১৫ বছরে বিদ্যুৎকেন্দ্রে অতিরিক্ত বিনিয়োগ হওয়ায় আর্থিক চাপে সরকার’

বিগত সরকার প্রয়োজনের অতিরিক্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিনিয়োগ করায় বর্তমান সরকারের ওপর আর্থিক চাপ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর এফডিসিতে ‘জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্কে এ কথা বলেন তিনি। ‘ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’ এ বিতর্কের আয়োজন করে।

বিইআরসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘১৯৯৬ সালের পর নতুন করে কার্যকর জ্বালানি নীতি প্রণয়ন করা সম্ভব হয়নি। গত ১৫ থেকে ১৬ বছরে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানেও পর্যাপ্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। বরং আমদানিনির্ভরতার দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়া হয়েছে।’

জালাল আহমেদ বলেন, ‘চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা তৈরি করায় বাড়তি বিনিয়োগের পাশাপাশি সরকারকে বাড়তি খরচও বহন করতে হচ্ছে। ভুল নীতি ও অনিয়মের কারণেও দীর্ঘদিনে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।’

তবে সংকট দ্রুত কাটিয়ে ওঠা সম্ভব না হলেও সৌরবিদ্যুতে বাংলাদেশের ভালো সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান বিইআরসি চেয়ারম্যান। বায়ুশক্তি নিয়ে আলোচনা হলেও দেশে এর সম্ভাবনা তুলনামূলক কম বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, সুষম জ্বালানি নীতি প্রণয়ন করে অতীতের ভুল, অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগ থেকে বেরিয়ে সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজাতে হবে। এতে শিল্পকারখানা সচল করার পাশাপাশি রপ্তানি ও জিডিপির প্রবৃদ্ধি বাড়ানো সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্যে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।

Comments

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।