বিমানবন্দরে আগুনের ঘটনায় সদস্যের তদন্ত কমিটি; সন্দেহে নাশকতা

Six-member panel to probe Dhaka airport cargo fire; sabotage suspected

প্রতিবেদন:

·

, , ,

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে পুড়ে গেছে কোটি কোটি টাকার আমদানি পণ্য। এ সময় ১৩টি ফ্লাইট চট্টগ্রাম, সিলেট ও ভারতের কলকাতায় অবতরণ করতে বাধ্য হয়। আগুন নেভাতে মোতায়েন করা হয় ফায়ার সার্ভিসের ৩৭ ইউনিট। গতকাল শনিবার রাত ৯টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর বিমান চলাচল পুনরায় শুরু হয়। ঘটনা তদন্তে ছয় সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের এ ঘটনা দেশবিরোধী নাশকতার অংশ বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পেয়েছে নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো। সরকার বলছে, নাশকতার বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চিফ (ফ্লাইট সেফটি)। এছাড়া বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের একজন প্রতিনিধি থাকবেন সদস্য হিসেবে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, মহাব্যবস্থাপক (কর্পোরেট সেফটি অ্যান্ড কোয়ালিটি), চিফ ইঞ্জিনিয়ার (কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স), উপ-মহাব্যবস্থাপক (সিকিউরিটি), উপ-মহাব্যবস্থাপক (কার্গো-রপ্তানি) এবং উপ-ব্যবস্থাপক (ইন্স্যুরেন্স)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কমিটি অগ্নিকাণ্ডের কারণ চিহ্নিত করা, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ, দায়-দায়িত্ব নিরূপণ এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সুপারিশ তৈরি করবে।কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইওর কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। নির্দেশনাটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ