ব্যাংক একাউন্টে অস্বাভাবিক লেনদেন নিয়ে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের সাবেক এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেন আবারও আলোচনায়।
তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ ওঠে চলতি বছরের শুরুর দিকে।
ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের সাবেক এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেনের ব্যাংক হিসাবে অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়ার পর দুদক যে তদন্ত শুরু করে তা নানা কারণে স্থবির হয়ে আছে। বছরের শুরুতে তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, বদলি–পদোন্নতিতে প্রভাব খাটানো, মন্ত্রণালয়ের ক্রয়ে কমিশন গ্রহণ এবং ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
দুদক তার ব্যাংক হিসাব সংগ্রহ করে উল্লেখযোগ্য অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পায়। এ কারণে তাকে তলব করা হলে তিনি জিজ্ঞাসাবাদে উপস্থিত হন; তবে তার ব্যাখায় দুদক সন্তুষ্ট হতে পারেনি।
দুদক সূত্র জানায়, তদন্ত কর্মকর্তাদের গড়িমসি, নথিপত্র সংগ্রহে বাধা, অভিযুক্তের অসঙ্গত তথ্য এবং রাজনৈতিক চাপের কারণে অনুসন্ধান অগ্রসর হচ্ছে না। তদন্তে কোনো অগ্রগতি না থাকায় দুদক ইতোমধ্যে তিনবার তদন্ত কর্মকর্তা বদল করেছে। প্রয়োজনে আবারও বদলের কথা বিবেচনায় আছে; প্রয়োজনে বিশেষ কমিটি গঠন করা হতে পারে।
এনসিপির কিছু নেতা প্রায়ই দুদকে গিয়ে অভিযুক্তদের পক্ষে সুপারিশ করছেন বলেও জানা গেছে, যা তদন্তকে আরও জটিল করছে।
দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) আক্তার হোসেন বলেন, অনুসন্ধান শেষে প্রতিবেদন দেওয়া হবে; তবে সময় নির্দিষ্ট নয়।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
