ক্যাটাগরি মাগুরা

Magura district

  • শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় হাইকোর্টে হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল

    শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় হাইকোর্টে হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    মাগুরায় আট বছরের শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে বলে জানা গেছে।

    সোমবার (২৪ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে রায়ের জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করেছেন। আদালতে আসামিপক্ষে রয়েছেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে রয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক।

    গত বছরের ৫ মার্চ রাতে মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় শিশুটি। বোনের শ্বশুর হিটু শেখ মেয়েটিকে শুধু ধর্ষণই করেননি, হত্যারও চেষ্টা চালান।

    পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যু হয় আট বছর বয়সী শিশুটির। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

    ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল আলোচিত এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ২৭ এপ্রিল।

    গত বছরের ৭ মে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মাত্র ১৩ কার্যদিবসে শেষ হয় আলোচিত এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম। এক বছর আগে ১৩ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসানের আদালতে মামলার শেষ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে একই বছরের ১৭ মে রায় ঘোষণা করা হয়।

  • শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টে মৃত্যুদণ্ড বহাল

    শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টে মৃত্যুদণ্ড বহাল

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    মাগুরায় আট বছরের শিশু আছিয়া আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

    সোমবার (৩১ আগস্ট) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর নেতৃত্বে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

    আলোচিত এ মামলায় গত ২৪ আগস্ট শুনানি শেষে ২৫ আগস্ট রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেছিলেন হাইকোর্ট। তবে নির্ধারিত দিনে রাষ্ট্রপক্ষ আদালতকে জানায়, মামলাটিতে অ্যাটর্নি জেনারেল শুনানি করবেন। রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত রায় ঘোষণার দিন পিছিয়ে ৩১ আগস্ট নির্ধারণ করেন।

    সোমবার নির্ধারিত দিনে আদালত হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের বিষয়ে রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আদালতে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক উপস্থিত ছিলেন।

    ২০২৫ সালের ৫ মার্চ রমজানের ছুটিতে মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে যায় শিশু আছিয়া। ওই রাতে শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়। নিহত শিশুর বোনের শ্বশুর হিটু শেখ ধর্ষণের পাশাপাশি তাকে হত্যারও চেষ্টা করেন বলে মামলার অভিযোগে বলা হয়।

    গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়। পরে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আট বছর বয়সী আছিয়ার মৃত্যু হয়।

    এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে পুলিশ মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করে।

    ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল এ মামলায় অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। এরপর ২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। ২৭ এপ্রিল শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৯ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।

    গত বছরের ৭ মে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। মাত্র ১৩ কার্যদিবসে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম শেষ করা হয়।

    একই বছরের ১৩ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসানের আদালতে মামলার শেষ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। যুক্তিতর্ক শেষে ১৭ মে রায় ঘোষণা করা হয়।

    শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখকে (৪৭) মৃত্যুদণ্ড দেন মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

    তবে মামলার অপর তিন আসামিকে খালাস দেন আদালত। তারা হলেন নিহত শিশুর বোনের স্বামী সজীব শেখ (১৯), সজীব শেখের ছোট ভাই (১৭) এবং সজীবের মা জাহেদা বেগম (৪০)।

    ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, কোনো বিচারিক আদালত মৃত্যুদণ্ড দিলে তা অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় নথি উচ্চ আদালতে পাঠাতে হয়। সে অনুযায়ী এ মামলার নথি ২০২৫ সালের ২১ মে হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

    পরে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে মামলার পেপারবুক তৈরির জন্য বিজি প্রেসে পাঠানো হয়। পেপারবুক প্রস্তুত হওয়ার পর গত বছরের ৮ জুন তা হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

    এরপর মামলাটি শুনানির জন্য হাইকোর্টের বিশেষায়িত বেঞ্চের কার্যতালিকায় আসে। শুনানি শেষে আজ প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখলেন হাইকোর্ট।

  • মাগুরায় সিআইডি পুলিশ পরিচয়ে অপহরণের চেষ্টা, আটক ৭

    মাগুরায় সিআইডি পুলিশ পরিচয়ে অপহরণের চেষ্টা, আটক ৭

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    মাগুরায় সিআইডি পুলিশ পরিচয়ে এক নারীকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে সঙ্ঘবদ্ধ চক্রের সাত সদস্যকে আটক করেছে শ্রীপুর থানা পুলিশ।

    মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দিবাগত গভীর রাতে শ্রীপুর উপজেলার নাকোল পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

    আটক সাতজন হলেন— ঝিনাইদহ জেলার পাগলাখানা গ্রামের মোসা: আছমা খাতুন (৩১), পবহাটি এলাকার হাসানুজ্জামান (২৮), পাগলাখানার ওসমান গনি (২৫), আরবপুর এলাকার সালমান শাহ (২৫), নলডাঙ্গা এলাকার সাকিব (২৩), কুড়িগ্রাম জেলার কালিঘাট এলাকার ছাব্বির হোসেন (২২) ও মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার দেবিলা গ্রামের আল-আমিন হোসেন (২২)।

    বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের প্রেস কনফারেন্স রুমে পুলিশ সুপার (এসপি) মোল্যা আজাদ হোসেন জানান, একটি মাইক্রোবাসযোগে শ্রাবনী নামে এক নারীকে অপহরণের চেষ্টা করছিল চক্রটি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাকোল ক্যাম্পের পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা পালানোর চেষ্টা করে। মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) খায়রুল হাসানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ।

    এ সময় তল্লাশি চালিয়ে আটকদের কাছ থেকে সিআইডি লেখা চারটি এপ্রোন, একটি খেলনা পিস্তল ও আটটি মোবাইলফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ তাদের ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটিও জব্দ করেছে।

    তিনি আরো জানান, এই অপহরণ চক্রের মূল পরিকল্পনাকারী ভুক্তভোগী শ্রাবনীর দ্বিতীয় স্বামী শিমুলকে আটকের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটকদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হবে।

  • মাগুরায় আলমসাধু উল্টে চালক নিহত

    মাগুরায় আলমসাধু উল্টে চালক নিহত

    বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,

    মাগুরায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আলমসাধু উল্টে মহি (৫০) নামে এক চালক নিহত হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ভোররাতে ঝিনাইদহ-মাগুরা মহাসড়কের মাগুরা শহরের পুলিশ লাইন এলাকার বাঁশতলা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত মহি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার উত্তর নারায়ণপুর গ্রামের আব্দুল খালেক মিয়ার ছেলে।

    নিহতের শালা মোহাম্মদ মোজাম্মেল জানান, বুধবার রাত ৮টার দিকে ঝিনাইদহের ডাকবাংলা থেকে চুয়াডাঙ্গার কাঁচামাল নিয়ে মহম্মদপুরের উদ্দেশে রওনা দেন মহি। রাত ১টার দিকে মহম্মদপুর পৌঁছে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। ভোরে পুলিশের ফোনের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা দুর্ঘটনার খবর জানতে পারেন।

    রামনগর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, মহি চুয়াডাঙ্গা থেকে কাঁচামাল নিয়ে মাগুরার মহম্মদপুরে যান। সেখানে সবজি দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে পুলিশ লাইন এলাকার বাঁশতলায় পৌঁছালে আলমসাধুটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে উল্টে যায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের লাশ মাগুরা

  • মাগুরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু

    মাগুরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু

    বিডি গ্লোবাল টাইমস,

    মাগুরা শহরের স্টেডিয়াম পাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো: ইব্রাহিম (২৫) নামে এক মুয়াজ্জিনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত মুয়াজ্জিন ইব্রাহিম মাগুরা সদর উপজেলার বড়শলই গ্রামের শুকুর বিশ্বাসের ছেলে। তিনি নান্দুয়ালী মধ্যপাড়া কাজীবাড়ি মসজিদের মোয়াজ্জেম হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

    নিহত ইব্রাহিমের খালাতো ভাই সোহান জানান, তিন দিনের সময় লাগাতে তাবলিগ জামাতের সাথে শহরের স্টেডিয়াম গেট মসজিদে ছিলেন ইব্রাহিম। লোডশেডিংয়ের কারণে বিদ্যুৎ না থাকায় গরম থেকে স্বস্তির জন্য মসজিদের ছাদে যান তিনি। এ সময় অসাবধানতাবশত মসজিদের ছাদের উপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের মেইন লাইনের তারের সংস্পর্শে এলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হয়। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    মাগুরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আব্দুলাহ আল মামুন বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় মাগুরা সদর থানায় অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে।

  • মাগুরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু

    মাগুরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু

    মাগুরা শহরের স্টেডিয়াম পাড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মো: ইব্রাহিম (২৫) নামে এক মুয়াজ্জিনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত মুয়াজ্জিন ইব্রাহিম মাগুরা সদর উপজেলার বড়শলই গ্রামের শুকুর বিশ্বাসের ছেলে। তিনি নান্দুয়ালী মধ্যপাড়া কাজীবাড়ি মসজিদের মোয়াজ্জেম হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

    নিহত ইব্রাহিমের খালাতো ভাই সোহান জানান, তিন দিনের সময় লাগাতে তাবলিগ জামাতের সাথে শহরের স্টেডিয়াম গেট মসজিদে ছিলেন ইব্রাহিম। লোডশেডিংয়ের কারণে বিদ্যুৎ না থাকায় গরম থেকে স্বস্তির জন্য মসজিদের ছাদে যান তিনি। এ সময় অসাবধানতাবশত মসজিদের ছাদের উপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের মেইন লাইনের তারের সংস্পর্শে এলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত হয়। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    মাগুরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আব্দুলাহ আল মামুন বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় মাগুরা সদর থানায় অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে।

  • মাগুরায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান

    মাগুরায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান

    সারাদেশে গ্যাস সঙ্কট, ঘন ঘন লোডশেডিং, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামী মাগুরা জেলা শাখা বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে।

    বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে শহরের নোমানী ময়দান থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে কলেজ রোড হয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় মাগুরা জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

    সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত জেলা আমির অধ্যক্ষ মশিউর রহমান, সহ-সেক্রেটারি মারুফ কারখি, পৌর আমির আশরাফুল আলম, অ্যাডভোকেট আজমত হোসাইন প্রমুখ।

    এ সময় বক্তারা অবিলম্বে সরকারের কাছে গ্যাস সঙ্কট নিরসন, বিদ্যুতের দাম কমানো এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম কমানোসহ সকল দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান জানান।

  • খুলনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক নিহত

    খুলনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক নিহত

    খুলনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে ইসমাইল (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে নগরীর দক্ষিণ টুটপাড়া বড়খাল পাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    ইসমাইল বড়খাল পাড় এলাকার শাজাহানের ছেলে।

    পুলিশ জানায়, রাতে ইসমাইল দক্ষিণ টুটপাড়া বড়খাল পাড় এলাকায় অবস্থানকালে দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে দুর্বৃত্তরা তাকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি কুপিয়ে পালিয়ে যান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এ ব্যাপারে খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এই হত্যার ঘটনা ঘটেছে। নিহত ইসমাইলের বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।’

  • বিয়ের আশ্বাসে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ: মাগুরার সাবেক এসপি জহিরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

    বিয়ের আশ্বাসে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ: মাগুরার সাবেক এসপি জহিরুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

    বিয়ের আশ্বাস দিয়ে শারীরিক সম্পর্কের (যৌনকর্ম) অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অতিরিক্ত ডিআইজি এবং মাগুরার সাবেক এসপি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ট্রাইব্যুনাল। জহিরুল বর্তমানে ঢাকায় অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে ওএসডি হয়ে আছেন।

    আজ সোমবার দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার নারী ও শিশু দমন আইন ট্রাইব্যুনাল-১–এর বিচারক মুনতাসির আহমেদ এই আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. আজমত হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    গত ২০ মে ঢাকার নারী ও শিশু দমন আইন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি করেন এক নারী। এ সময় ট্রাইব্যুনাল মামলাটি আমলে নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

    মামলা সূত্রে জানা গেছে, ১৪ জুলাই আসামির বিরুদ্ধে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন মর্মে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। আজকে আসামির উপস্থিতিতে তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ বিষয়ে শুনানির জন্য দিন নির্ধারণ ছিল। তবে শুনানির সময় আসামি অনুপস্থিত থাকায় ওই প্রতিবেদন আমলে নিয়ে ট্রাইব্যুনাল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে আসামি মাগুরার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ওই নারীর (বাদী) সঙ্গে পরিচয় হয়। আসামি বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ওই নারীকে তাঁর অফিসে ডেকে ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে সাবেক স্ত্রীকে তালাক দিয়ে তাঁকে বিয়ে করার আশ্বাস ও প্রতিশ্রুতি দেন।

    মামলায় আরও বলা হয়, ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মাগুরায় সরকারি বাংলোয় ওই নারীকে নাকফুল পরিয়ে সম্পর্কের আনুষ্ঠানিকতা প্রকাশ করেন। পরে একই বছরের ৮ মার্চ ওই নারী অসুস্থ হয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি হলে আসামি নিজেকে তাঁর স্বামী পরিচয় দিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ওই সময় এবং পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মাগুরার সরকারি বাংলো, অফিস রেস্টরুম এবং ঢাকায় ওই নারীর বাসায় একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। পরে আসামি ঢাকা পুলিশ সদর দপ্তরে বদলি হওয়ার পরও স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর এই নারীকে বিয়ে করবেন বলে আশ্বাস দিয়ে সম্পর্ক চালিয়ে যান।

    ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই ওই নারী বিয়ের বিষয়ে চাপ দিলে আসামি বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান এবং বিষয়টি নিয়ে আইনগত পদক্ষেপ নিলে ক্ষতির হুমকি দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

    ওই ঘটনায় পর গত বছরের ১৩ জুলাই ওই নারী পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) কাছেও লিখিত অভিযোগ দেন এবং ১৫ জুলাই ওই নারী ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা ব্যর্থ হলে চলতি বছরের ১৫ মার্চ ঢাকার জজ আদালতের সামনে আসামি ফের বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

  • মাগুরায় পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু

    মাগুরায় পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু

    পানিতে ডুবে পৃথক ঘটনায় মাগুরার মৌশা এবং কালিনগর গ্রামে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে মহম্মদপুর উপজেলার মৌশা গ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে দুই বছরের শিশু রাফিয়া (২) ও রাইশা নামে তিন বছর বয়সি আরেকটি শিশুকন্যা মারা যায। তারা আপন চাচাতো বোন।


    অন্যদিকে, মাগুরা সদর উপজেলার কালিনগর গ্রামে চাচার সঙ্গে মধুমতি নদীর পাড়ে পাট জাগ দেওয়ার কাজে সাহায্য করতে গিয়ে পা পিছলে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয় ইয়াসিন মোল্লা। সে কালিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং কালিনগর গ্রামের শহর আলী মোল্লার ছেলে। অনেক খোঁজাখুঁজির পর মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলার বাগবাড়িয়া এলাকায় মধুমতি নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে নিখোঁজ ইয়াসিনের মরদেহ উদ্ধার করে।