মনিরুজ্জামান মহেশপুর (ঝিনাইদহ)
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন ঝটিকা সফর করেছেন। ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন এবং হাসপাতালের জনবল সংকট,তাৎক্ষণিক ভাবে সমাধানের নির্দেশ প্রদান দান করেন।
রবিবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন হঠাৎ ঝটিকা পরিদর্শনে আসেন। এ সময় তিনি রোগীদের ওয়ার্ডে যান এবং রোগীদের সাথে কথা বলেন। পরে ঔষধের স্টোর,স্টোক রেজিষ্টার, অপারেশন থিয়েটার এবং অফিসের বিভিন্ন রুম ঘুরে ঘুরে দেখেন । স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বর্তমান ম্যানেজম্যান্ট ও পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। হাসপাতালের অফিস রুমে ডাক্তার ও কর্মচারিদের সাথে মতবিনিময় করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নেলেনা আক্তার নিপা স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জানান হাসপাতালে ডাক্তার,নার্স ও পরিচ্ছন্ন কর্মী সংকট। তিনি তাৎক্ষণিক ভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমডিকে ফোন করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে আউটসোর্সিংয়ে কর্মরত লোকজনের কাছে জনৈক ঠিকাদার ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করায় তাৎক্ষণিক টাকা না দেওয়ার নির্দেশ দেন ও ঠিকাদার মনিরুলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া আশ্বাস দেন।
এছাড়া সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে আউটসোর্সিংয়ে যারা এখনো বেতন পায়নি তাদের বেতন দেওয়ার ব্যবস্থা ও হাসপাতালের সমস্যা গুলো দ্রুত সমাধান করা হবে বলে আশ্বাস দেন। মহেশপুরের ভৈরবা হাসপাতালটি বন্ধ থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারের নানা প্রকার পরিকল্পনা রয়েছে। তাতে প্রতিটা ইউনিয়নের একটি করে হেলথ সেন্টার চালু করা হবে।
এছাড়া তিনি আরো বলেন সারাদেশে ২ থেকে আড়াই হাজার বেডের ১০/১২ টি বিশেষায়িত হাসপাতাল করা হবে। যার মধ্যে ২ টি থাকবে মহিলাদের জন্য। আকস্মিক পরিদর্শন কেনা করা হচ্ছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, অনেক হাসপাতালে ডাক্তার অনুপস্থিত থাকেন, সরকারি ঔষধ থাকা সত্ত্বেও রোগীদের বাইরে থেকে ঔষধ কিনতে হয়। হাসপাতালের পরিবেশ নোংরা থাকে। এসকল রোধ করার জনই এই আকস্মিক পরিদর্শন করা হচ্ছে।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
