বিডি গ্লোবাল ডেস্ক,
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ছাগল গোপনে ধরে জবাই করে খাওয়া এবং পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় স্কুলশিক্ষকসহ ৯ জন আহত হয়েছেন।
রোববার (১ নভেম্বর) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের বেগুনবাড়িয়া গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলায় আহতরা হলেন—তারিক, মানিক, আতিক, তরুণ, অরুণসহ ৯ জন। আহতদের মধ্যে ৫ জনকে কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে মানিকের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্বশত্রুতার জের ধরে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি একটি ছাগল হারানোকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে রোববার সকালে কবীর হোসেনের নেতৃত্বে স্থানীয় কামাল, তোফাজ্জল, লিটনসহ প্রতিপক্ষের ১৫-২০ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালালে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে উভয় পক্ষের ৯ জন আহত হন।
আহত আতিক বলেন, ‘হামলাকারীদের সাথে পূর্বশত্রুতা ছিল। সম্প্রতি আমাদের একটি ছাগল গোপনে ধরে তারা জবাই করে খেয়ে নেয়। এই ঘটনা জানাজানি হলে নতুন করে আমাদের সাথে বিরোধের সৃষ্টি হয়। রোববার সকালে কবীর হোসেনের নেতৃত্বে একদল লোক আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ,আর
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
