রাজনীতি

  • ৩০০ শিশু মৃত্যুতে মন্ত্রীর পদত্যাগ কই, প্রশ্ন শফিকুল ইসলাম মাসুদের

    ৩০০ শিশু মৃত্যুতে মন্ত্রীর পদত্যাগ কই, প্রশ্ন শফিকুল ইসলাম মাসুদের

    প্রস্তাবিত বাজেটের সাফল্য কেবল সংসদ সদস্যদের টেবিল চাপড়ানোর ওপর নির্ভর করে না; বরং সাধারণ মানুষের মুখের হাসিতেই বাজেটের প্রকৃত সফলতা নির্ধারিত হয় বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তিনি অভিযোগ করেন, সংসদে বাজেট নিয়ে আলোচনা শুনলে মনে হয় সব সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে, কিন্তু বাস্তবে বাজারে গিয়ে মানুষ এর কোনো সুফল পায় না।

    বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

    ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, “আমি এলাকায় বাজেটের আগে ‘নাগরিক ভাবনা’ নামে মতবিনিময় করেছি। সেখানকার মানুষ ও সাংবাদিকরা বলেছেন, সংসদে আপনাদের আলোচনা শুনলে মনে হয় সব সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে।

    কিন্তু বাস্তবে বাজারে গেলে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। সমস্যাগুলো আপনাদের বক্তৃতায় নেই।
    বাজেটের নীতি নির্ধারণে সাধারণ মানুষ, এমনকি সংসদ সদস্যদেরও তেমন কোনো ভূমিকা রাখার সুযোগ দেওয়া হয় না।
    বাজেট উপস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির অভাবের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নত বিশ্বে বাজেট উপস্থাপনায় ইনফোগ্রাফিক, ভিজ্যুয়াল ড্যাশবোর্ড ও সহজ টেবিল ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আমাদের এখানে সেই ব্যবস্থা নেই।

    স্বাস্থ্য খাতের সমালোচনা করে তিনি বলেন, একটি মানবিক হাসপাতালে, যেখানে ৭০০ শয্যার মধ্যে ১৮০টি বিনামূল্যে, প্রতিদিন ২৩টি স্বাভাবিক প্রসব হয় এবং রোগী-স্বজনদের বিনামূল্যে খাবার দেওয়া হয়, সেখানে মাত্র ৬টি শিশু মারা যাওয়ার অজুহাতে লাইসেন্স বাতিল করা হলো। অথচ দেশে হামে ৩০০ শিশু মারা গেলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদত্যাগের কথা ভাবলেন না কেন?

    তিনি আরও বলেন, ওই হাসপাতালে অধ্যয়নরত ২৪৭ জন বিদেশি শিক্ষার্থী এখন দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। তারা স্বাস্থ্যমন্ত্রী বা সচিবের দেখা পাচ্ছেন না। এতে বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

    শিক্ষা খাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষায় অগ্রাধিকারের কথা বলা হলেও ৫১১ কোটি টাকার জায়গায় মাত্র ৮৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এমনকি এমপিওভুক্ত ২ লাখ শিক্ষক মে মাসের বেতনও এখন পর্যন্ত পাননি। পরিবার নিয়ে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ৫ শতাংশ বরাদ্দের আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি।

    মেগা প্রকল্পে দুর্নীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পাই। ১৫ হাজার কোটি টাকার পদ্মা সেতু ৪৫ হাজার কোটি টাকায় শেষ হয়। এই মেগা প্রকল্প মানেই মেগা দুর্নীতি।

    তিনি বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের কথা বলা হলেও ভাঙ্গা পর্যন্ত সড়ক সিঙ্গাপুরের মতো মনে হয়, কিন্তু এরপর পটুয়াখালী-কুয়াকাটা পর্যন্ত সড়কের অবস্থা একেবারে অজপাড়াগাঁয়ের মতো।

    বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি সংসদ সদস্যদের কুয়াকাটা ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেন, সেখানে গিয়ে সড়কের অবস্থা দেখে আসুন। মেগা প্রকল্পের অর্থ তখনই সার্থক হবে, যখন তৃণমূলের মানুষ এর সুফল পাবে।

  • বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

    বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

    বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপির সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত মি. নিকোলাস উইকস বৈঠক করেছেন।

    সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এ সময় উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি মিস ম্যাটিল্ডা সভেনসন, সেকেন্ড সেক্রেটারি এবং বাণিজ্য, রাজনীতি ও যোগাযোগ বিভাগের প্রধান ওলে লুন্দিন। সাক্ষাৎটি অত্যন্ত আন্তরিক, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও উষ্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। রোববার জাতীয় সংসদ ভবনের বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

    বৈঠকে তারা বাংলাদেশে নির্বাচন-পরবর্তী বিরাজমান সার্বিক পরিস্থিতি, বাংলাদেশ ও সুইডেনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বিনিয়োগ এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কসহ স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের প্রতি সুইডেনের দৃঢ় সমর্থন থাকার কথা জানানো হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে সুইডেনের বিনিয়োগ আরও বাড়বে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    বৈঠকে জুলাই সনদ, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও আলোচিত অর্ডিন্যান্সগুলোর সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত বাজেট, কর কাঠামো সংস্কার, রোহিঙ্গা সমস্যার কার্যকর সমাধান এবং বাংলাদেশে সুইডেনের অর্থায়নে পরিচালিত বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে দুই পক্ষ পরস্পরের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

    সাক্ষাতে বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এমপি এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

  • ডিবি হেফাজতে এমপিপুত্র খায়রুল

    ডিবি হেফাজতে এমপিপুত্র খায়রুল

    নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খায়রুল ইসলাম সজীবকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে এক ক্ষুদেবার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
    ক্ষুদেবার্তায় জানানো হয়, নারায়ণগঞ্জ ডিবি পুলিশ কর্তৃক নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে খায়রুল ইসলাম সজীবকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনার পর তাকে আরও অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিএমপির ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়েছে।
    তবে কী অভিযোগের প্রেক্ষিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে হেফাজতে নেয়া হয়েছে সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানায়নি ডিবি।

  • এনসিপির এমপিদের ৬ জনই শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিল – আব্দুল্লাহ হিল বাকী

    এনসিপির এমপিদের ৬ জনই শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিল – আব্দুল্লাহ হিল বাকী

    এনসিপির এমপিদের মধ্যে ৬ জনই আগে-পরে সাংগঠনিকভাবে কিংবা কোচিং টিচার হিসেবে নানানভাবেই শিবিরের সাথে সংযুক্ত ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন আব্দুল্লাহ হিল বাকী।

    শনিবার (২০ জুন) দিবাগত রাত ১টায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

    পোস্টে তিনি বলেন, এনসিপির এমপিদের মধ্যে ৬ জনই আগে-পরে সাংগঠনিকভাবে কিংবা কোচিং টিচার হিসেবে; নানানভাবেই শিবিরের সাথে সংযুক্ত ছিলো। এখন হয়তো পথ-মত, চিন্তাধারা আলাদা হয়ে গেছে। এসব নিয়ে নাক সিঁটকানোরও এখন কিছু নাই। অতিরঞ্জনেরও কিছু নাই।

    তিনি আরও লেখেন, দুইদিন পরপর এনসিপিতে এই ক্যাঁচালটা লাগে যে, কে সাবেক শিবির আর কে শিবির না, এসব নিয়ে বাটখারা বসানো হয়। কেউ শিবির বা জামায়াতের রাজনীতিটা করবে না বলেই সে এনসিপিতে এসেছে। এটাকে সানন্দেই গ্রহণ করা উচিত।

    আবদুল্লাহিল বাকী বলেন, এনসিপি সেক্যুলার পার্টি, মধ্যপন্থি রাজনীতি করবে। এই লাইনের রাজনীতিটা ধারণ করেই পার্টি ফর্ম হয়েছে। ভবিষ্যৎ কোন দিকে যায় সেটা আসলে আগ থেকে কেউই বলতে পারবে না।

  • মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল- সেই বিএনপি নেতাকে অব্যাহতি

    মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল- সেই বিএনপি নেতাকে অব্যাহতি

    জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাইদুল ইসলামের মাদক সেবনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় দলীয় পদ থেকে তাকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

    একই সঙ্গে গোপীনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার রাতে (গত রাতে) আক্কেলপুর উপজেলা বিএনপির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে গোপীনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাইদুল ইসলামের মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি ভাইরাল হলে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হলে উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে মঙ্গলবার রাতেই তাকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

    শনিবার রাতে (গতরাতে) তদন্ত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর উপজেলা বিএনপি সাংগঠনিক ব্যবস্থা হিসেবে মাদক সেবনের ভিডিও ভাইরাল হওয়া বিএনপি নেতা সাইদুল ইসলামকে সভাপতির পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়। এছাড়া গোপীনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির কমিটিও বিলুপ্ত করে এসএম কায়কোবাদকে আহ্বায়ক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

    ওই অব্যাহতি পত্রে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সাইদুল ইসলামকে গোপীনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির পদ থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হলো। তার সঙ্গে দলীয় কোনো কর্মকাণ্ডে কেউ জড়িত হলে সেটি তার ব্যক্তিগত দায় হিসেবে গণ্য করা হবে।

    এ ব্যাপারে সাইদুল ইসলাম জানান, ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনাটি পরিকল্পিত। শনিবার বিকালে তদন্ত হয়েছে। আমার পক্ষে বেশির ভাগ লোকজন কথা বলেছেন। তদন্ত কমিটির সদস্যরা চলে যাওয়ার পর আমাকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে চিঠি পেয়েছি। ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি ভেঙে দেওয়ার বিষয়টিও আমি জেনেছি।

    এ বিষয়ে আক্কেলপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জামান কমল জানান, মাদক সেবনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় সাইদুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি তদন্তে ৫ সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাকে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গোপীনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির কমিটি ভেঙে দিয়ে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

  • অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি করতে করতে হেঁটে যাচ্ছেন যুবক, ভিডিও ভাইরাল

    অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি করতে করতে হেঁটে যাচ্ছেন যুবক, ভিডিও ভাইরাল

    একটি পোশাক কারখানার সামনে থেকে এগিয়ে আসছেন এক যুবক। একপর্যায়ে প্যান্টের পেছনের পকেট থেকে পিস্তল বের করেন তিনি। এরপর পোশাক কারখানার দিকে গুলি ছোড়েন। পরে এগোতে থাকেন গুলি করতে করতে।

    চট্টগ্রাম নগরের কালুরঘাট ভারী শিল্প এলাকায় একটি পোশাক কারখানার সামনে এমন ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শনিবার সকালের দিকে।

    পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দুপুরে কালুরঘাট বিসিক শিল্প এলাকার ইয়ুনেস্কো পোশাক কারখানার সামনে পাঁচজনের একটি দল অবস্থান নেয়। তাঁদের একজনের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল।

    ছড়িয়ে পড়া ৩৭ সেকেন্ডের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কারখানাটির সামনে থেকে গোলাপি টি–শার্ট পরা এক যুবক সড়কের দিকে এগিয়ে আসছেন। এ সময় তাঁর পাশ দিয়ে কয়েকজন পথচারী হেঁটে যাচ্ছেন। এরপর সড়কে দাঁড়িয়ে কারখানার দিকে তাক করে ফাঁকা গুলি ছোড়েন টি–শার্ট পরা যুবক। পরে সড়ক ধরে এগিয়ে যাওয়ার সময় পিস্তল উঁচিয়ে আবার গুলি করতে দেখা যায় তাঁকে।

    স্থানীয় লোকজনের দাবি, একটি পক্ষ বিসিক শিল্প এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি ও কারখানা নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে সক্রিয় রয়েছে। গতকাল গুলির ঘটনার পর স্থানীয় এক যুবদল নেতাকে হুমকিও দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় বক্তব্য জানতে যুবদল নেতাকে ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। পুলিশও তদন্ত স্বার্থে কারও নাম প্রকাশ করতে চায়নি।

    চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন বলেন, বিসিক এলাকায় গুলির ঘটনার তথ্য পেয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। থানায় এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত স্বার্থে এখনই বিস্তারিত কিছু বলা যাচ্ছে না।

  • সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলম প্রত্যাহার

    সিলেটের ডিসি সারওয়ার আলম প্রত্যাহার

    সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। আজ রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊনি-২ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পদে পদায়ন করা হলো। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

    তবে প্রত্যাহারের সুনির্দিষ্ট কারণ বা সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে, তা সংশ্লিষ্ট আদেশে উল্লেখ নেই।

    উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৮ অগাস্ট জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদে পদায়ন করা হয়। এ ছাড়া ২৭তম বিসিএসের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা সারওয়ার আলম র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আলোচিত ছিলেন। সিনিয়র সহকারী সচিব পদে থাকাকালীন র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে তিন শতাধিক ভেজালবিরোধী অভিযান চালিয়ে ব্যাপক প্রশংসিত ছিলেন সারওয়ার আলম। ভেজাল, অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আলোচিত এবং মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

  • মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

    মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

    মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার দুপুর ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট বিকেলে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে রওনা হয়।

    মালয়েশিয়া সফর শেষে তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং-এর আমন্ত্রণে সরাসরি চীন সফর করবেন। আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং-এর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করবেন। সরকারি সফরের অংশ হিসেবে তিনি ২৬ জুন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।

    প্রধানমন্ত্রী আগামী শুক্রবার রাতে দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

  • জেলা বিএনপি সভাপতির নাম ভাঙিয়ে জমি দখল; সংবাদ সম্মেলন

    জেলা বিএনপি সভাপতির নাম ভাঙিয়ে জমি দখল; সংবাদ সম্মেলন

    মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার গাড়াবাড়িয়া গ্রামে জেলা বিএনপির সভাপতির নাম ভাঙিয়ে জমি দখল, চাঁদাবাজি, বাড়িঘর ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে সাজ্জাদ হোসেন পলাশের বিরুদ্ধে। পলাশ এর আগেও সড়কে মাইক্রোবাস চাপায় তিনজন নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি এবং এলাকায় অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

    শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে গাংনী উপজেলার গাড়াবাড়িয়া গ্রামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন স্থানীয় বিএনপি কর্মী মজিদুল ইসলাম ও তার ভাই মহিরুল ইসলাম।

    লিখিত বক্তব্যে তারা অভিযোগ করেন, মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টনের নাম ব্যবহার করে সাজ্জাদ হোসেন পলাশ এলাকায় প্রভাব বিস্তার করছেন। তার বিরুদ্ধে ভয়ভীতি দেখিয়ে জমি দখল, চাঁদা দাবি, হামলা-মামলার হুমকি এবং সালিশের নামে অর্থ আদায়ের মতো বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগ করেন তারা। তাদের দাবি, এসব কর্মকাণ্ডে এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।

    ভুক্তভোগীরা আরও জানান, প্রায় পাঁচ বছর আগে জেলা জামায়াতের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সিদ্দিকুর রহমানের কাছ থেকে সাড়ে ১৬ শতক জমি ক্রয় করে সেখানে বসতঘর নির্মাণ এবং বিভিন্ন গাছপালা রোপণ করেন তারা। জমির বৈধ কাগজপত্র ও রেকর্ড থাকার পরও সাজ্জাদ হোসেন পলাশ তাদের কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন তারা। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রতিপক্ষ মকলেছুর রহমান, আবুল কালাম ও তাদের সহযোগীদের নিয়ে ওই জমিতে হামলা চালিয়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুর, মালামাল লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে জোরপূর্বক দখল করে নেওয়া হয় বলে দাবি করেন তারা। এতে তাদের প্রায় পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান।

    এ ঘটনায় মেহেরপুর আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা করার পর তা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। বর্তমানে তারা ও তাদের পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলে দাবি করে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

    তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সাজ্জাদ হোসেন পলাশ বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জেলা বিএনপির সভাপতির নাম ভাঙিয়ে কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও সত্য নয় বলে তিনি দাবি করেন।

    এ বিষয়ে মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টন বলেন, “কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। কোনো ব্যক্তি ব্যক্তিগতভাবে কোনো অন্যায় কাজ করলে তার দায় দল নেবে না; দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই বহন করতে হবে।”

    এদিকে বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ভাংচুর লুটপাটের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে গাংনী থানা পুলিশ। মামলার শীর্ষ আসামি ওই গ্রামের আবু তালেবের ছেলে মকলেছুর রহমান ও একই গ্রামের ছ্যান ভিশ্বাসের ছেলে আবুল কালাম। তারা দুজনেই জেল হাজতে রয়েছে।
    গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)
    মুহাদ্দিদ মোর্শেদ বলেন, এই ঘটনায় মামলা হয়েছে। দুজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে উভয় পক্ষকে আইন মেনে চলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

  • ইরান যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ

    ইরান যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ

    মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি আবারো এক গভীর পরিবর্তনের মুখে দাঁড়িয়ে। সাম্প্রতিক ইরান–যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধ কেবল সামরিক সংঘাতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; বরং এটি দীর্ঘদিন ধরে টিকে থাকা আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোকে নাড়িয়ে দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধ ১৯৯০ সালের ইরাকের কুয়েত আক্রমণ এবং ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধ–এর মতোই মধ্যপ্রাচ্যের শক্তি ভারসাম্য পুনর্গঠনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

    দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক ঘাঁটি, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও আগাম সতর্কীকরণ প্রযুক্তির মাধ্যমে নিজেকে নিরাপত্তার প্রধান গ্যারান্টর হিসেবে উপস্থাপন করে আসছে। তবে সাম্প্রতিক সংঘাত দেখিয়েছে, এই নিরাপত্তা ছাতা সত্ত্বেও আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রভাব থেকে উপসাগরীয় দেশগুলো পুরোপুরি সুরক্ষিত নয়।

    উদাহরণ হিসেবে বলা হচ্ছে, ইরানি হামলায় কাতারের তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানি সক্ষমতার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে স্পষ্ট হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি সবসময় অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত ঝুঁকি থেকে রক্ষা দিতে সক্ষম নয়।

    এই বাস্তবতা উপসাগরীয় দেশগুলোকে বিকল্প নিরাপত্তা কাঠামোর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিশেষ করে সৌদি আরব, তুরস্ক, মিশর এবং পাকিস্তানের মধ্যে সমন্বয়ের প্রবণতা বাড়ছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই দেশগুলোর সক্ষমতা একে অপরকে পরিপূরক করে সৌদি আরবের অর্থনৈতিক শক্তি, তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্প, মিশরের ভৌগোলিক ও সামরিক অবস্থান এবং পাকিস্তানের সামরিক ও কৌশলগত সক্ষমতা মিলিয়ে একটি সম্ভাব্য নিরাপত্তা কাঠামোর ভিত্তি তৈরি হতে পারে।

    তবে এটিকে এখনই পূর্ণাঙ্গ জোট বলা যাচ্ছে না। ঐতিহাসিক বিরোধ ও আস্থার ঘাটতি এই দেশগুলোর সম্পর্ককে এখনো জটিল করে রেখেছে।

    অন্যদিকে ইসরাইল তার কৌশলগত অবস্থান পুনর্গঠনে নতুন ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে, যা বিশ শতকের মধ্যভাগে অনুসৃত ‘পেরিফেরি ডক্ট্রিনে’-এর আধুনিক সংস্করণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই কৌশলে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আরব বিশ্বের বাইরে একটি নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হচ্ছে।

    এই নেটওয়ার্কের অন্যতম কেন্দ্রীয় শক্তি হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত। ২০২০ সালের আব্রাহাম চুক্তির পর থেকে আবুধাবি ও তেলআবিবের মধ্যে সামুদ্রিক নিরাপত্তা, প্রযুক্তি ও অবকাঠামো ক্ষেত্রে সহযোগিতা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।

    এই নতুন কাঠামোয় ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ভারত–ইসরাইল–ইউএই–যুক্তরাষ্ট্র সমন্বিত আইটুইউটু গ্রুপিং এবং প্রস্তাবিত ভারত–মধ্যপ্রাচ্য–ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডর এই কৌশলগত সংযোগকে আরও শক্তিশালী করছে।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২০–২০২৪ সময়ে ভারত ছিল ইসরাইলের অস্ত্র রপ্তানির সবচেয়ে বড় ক্রেতা, যা মোট রপ্তানির প্রায় ৩৪ শতাংশ এ তথ্য দিয়েছে স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট।

    ইউরোপীয় প্রান্তে গ্রিস ও সাইপ্রাস ইসরাইলের সঙ্গে জ্বালানি ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করেছে, যা তুরস্কের প্রভাব ভারসাম্য রক্ষার কৌশল হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

    দক্ষিণাঞ্চলে ইথিওপিয়া এবং সোমালিল্যান্ড নতুন ভূরাজনৈতিক সমীকরণের অংশ হয়ে উঠছে। লোহিত সাগর ও হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলে হুথি হামলার পর ইসরাইল নৌপথ নিরাপত্তা ও বাণিজ্য রুট সুরক্ষায় গুরুত্ব বাড়িয়েছে।

    এই অঞ্চলে ইসরাইল, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইথিওপিয়ার স্বার্থের মিল দেখা যাচ্ছে, যা একই সঙ্গে মিশর, সৌদি আরব ও তুরস্কের জন্য নতুন কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য এখন কঠোর দুটি ব্লকে বিভক্ত হচ্ছে না। বরং অঞ্চলটি প্রবেশ করছে ‘ফ্লেক্সিবল ওভারল্যাপিং পার্টনারশিপ’-এর যুগে, যেখানে দেশগুলো এক ক্ষেত্রে সহযোগিতা করলেও অন্য ক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে অবস্থান করছে।

    অর্থনৈতিক নির্ভরতা ও বাস্তববাদী কূটনীতি এই সম্পর্কগুলোকে আরও জটিল করে তুলছে। উদাহরণ হিসেবে, মিশর একদিকে উপসাগরীয় বিনিয়োগের ওপর নির্ভরশীল, অন্যদিকে ইসরাইলের সঙ্গে শান্তি বজায় রাখছে।