ডেস্ক নিউজ : প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রধান বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নির্বাচনি আসন ঢাকা–১৫ এলাকার চলমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সরকারের একটি উচ্চপর্যায়ের টিম পরিদর্শন ও মতবিনিময় কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। টিমের নেতৃত্ব দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
বুধবার (১ জুলাই) দিনব্যাপী পরিদর্শনের শুরুতে পশ্চিম শেওড়াপাড়ার ৩ নম্বর গলিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।
পরে প্রতিমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা আনন্দবাজার খাল, পূর্ব মনিপুর বাইতুর রহিম জামে মসজিদ সংলগ্ন গলি, বাইশটেকী সরকার বাড়ি মোড় এবং ইব্রাহিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। প্রতিটি স্থানে তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেন এবং বিদ্যমান সমস্যাগুলো সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
স্থানীয়রা এ সময় পানির সংকট, গ্যাস সমস্যা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা, ভাঙা রাস্তা, অবৈধ দখল, ট্রাফিক জট, মাদক ও কিশোর গ্যাং সমস্যা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফি সংক্রান্ত নানা অভিযোগ তুলে ধরেন।
মতবিনিময়কালে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বিরোধী দলীয় নেতার নির্বাচনি এলাকার উন্নয়নকে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তিনি টিম লিডার হিসেবে আজ এই এলাকা পরিদর্শনে এসেছেন।
বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান জাতীয় স্বার্থে সহযোগিতার যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট সব সমস্যার সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ধাপে ধাপে স্থায়ী সমাধান করা হবে।
তিনি আরও বলেন, “স্থানীয় সরকার বিভাগের একার পক্ষে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। ওয়াসা, তিতাস, বিদ্যুৎ বিভাগসহ সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।” একই সঙ্গে তিনি নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের দুর্ভোগ লাঘবই তাদের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, “আমরা শুধু আনুষ্ঠানিকতার জন্য নয়, বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর সমাধান নিশ্চিত করতে কাজ করছি।”
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন জানান, সমস্যাগুলো ইতোমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি ধাপে ধাপে দৃশ্যমান পরিবর্তনের আশ্বাস দেন এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
সভায় উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সরকার ও বিরোধী দলের এ ধরনের সমন্বিত কার্যক্রম রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এবং ঢাকা–১৫ এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলোর সমাধানে সহায়ক হবে।
পরিদর্শন ও কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগে. জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগে. জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান, পিএসসি প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, মহাব্যবস্থাপক (পরিবহন) মোহাম্মদ শওকত ওসমান, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, তিতাস, বিদ্যুৎ বিভাগ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতিনিধিসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
রাজনীতি
-

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিরোধী দলীয় নেতার এলাকায় সরকারের টিম
-

জাসদ নেতা ইনুর ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
জুলাই বিপ্লবে সারা দেশে হত্যাকাণ্ডসহ কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। এছাড়া তাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করে। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন—বিচারক মঞ্জুরুল বাছিত ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির। রায় ঘোষণা বাংলাদেশ টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচার করবে বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন। গত ২২ জুন রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করে ট্রাইব্যুনাল।গত ১৪ মে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখে ট্রাইব্যুনাল।
এ বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ‘হাসানুল হক ইনু ১৪ দলীয় জোটের শরিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ সরকারের একজন সহযোগী পার্টনার ছিলেন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সব কর্মকাণ্ডে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন। ২০২৪ সালের ১৯ ও ৪ আগস্ট তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে কিছু বিষয় নিয়ে ফোনে কথা বলেছেন। সেই সব কথাবার্তার মধ্য দিয়ে কারফিউ জারি এবং জঙ্গি ট্যাগ দিয়ে ‘জঙ্গি কার্ড’ খেলার পরামর্শ দিয়েছেন। জুলাই আন্দোলনকে দুই ভাগে বিভক্ত করে এক ভাগকে জঙ্গি ট্যাগ দিয়ে তাদের ওপর নির্যাতন চালানো—এসব বিষয় তার কথোপকথনের মধ্যে ছিল।’
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আমরা এই মামলায় ইনুর বিরুদ্ধে ১০ জন সাক্ষী উপস্থাপন করেছি এবং কথোপকথনের ভিডিও ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেছি। সেখানে আমরা পরিষ্কারভাবেই এটি প্রমাণ করার চেষ্টা করেছি এবং আমরা তথ্য-প্রমাণ দিয়েছি যে, জনাব ইনু সাহেব একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে দেশপ্রেমিক জনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। সাধারণ মানুষকে জঙ্গি ট্যাগ দিয়ে তাদের ওপরে নিপীড়ন চালানোর জন্য নানা কৌশল বা নানা পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। যার ফলে বহু লোকের জীবনে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। আমরা আশা করছি তার সর্বোচ্চ শাস্তি হবে।’
গত ২ এপ্রিল ইনুর পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করেন তার আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী। টানা ৯ কার্য দিবস যুক্তিতর্ক তুলে ধরেন তিনি। এরপর প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে যুক্তি তুলে ধরা হয়।
গত বছরের ১ ডিসেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ১০ মার্চ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ১০ জন সাক্ষী ইনুর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে এসে জবানবন্দি দেন। গত ২ নভেম্বর ইনুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের আটটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বিচার কাজ শুরুর আদেশ দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল।
-

৫ আগস্ট রাজধানীতে গণমিছিল করবে জামায়াত
ডেস্ক নিউজ : জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ৫ আগস্ট রাজধানীতে গণমিছিল করবে জামায়াতে ইসলামী—এমনটিই জানিয়েছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি অভিযোগ করেন, সংবিধান সংস্কারের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন না করে সরকার জাতীয় ঐক্যে ফাটল সৃষ্টি করেছে।
সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে রাজধানীর বারিধারায় জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তর কার্যালয়ে আয়োজিত ৩৬ জুলাই (৫ আগস্ট) নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
সেলিম উদ্দিন বলেন, জুলাই কেবল একটি মাস নয়, এটি আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে হুংকার এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। তিনি বলেন, জুলাইয়ের ইতিহাস ও চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ক্ষমতাসীনরা ক্ষমতায় আসার আগে জুলাইকে ঘিরে যে কথা বলেছিলেন, ক্ষমতায় এসে তার বিপরীত অবস্থান নিয়েছেন। এ সময় জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের পক্ষ থেকে ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সেলিম উদ্দিন বলেন, কেন্দ্রীয়ভাবে ঘোষিত জুলাইভিত্তিক কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নেও জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তর সক্রিয় ও জোরালো ভূমিকা পালন করবে।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—১ থেকে ১০ জুলাই গ্রাফিতি অঙ্কন, ১১ থেকে ১৬ জুলাই শহিদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা, ১৭ থেকে ৩০ জুলাই শাহাদাতের ঘটনাস্থলভিত্তিক আলোচনা সভা ও চিত্র প্রদর্শনী, ২৪ জুলাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানকে স্মরণ করে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সমাবেশ, ৩১ জুলাই মসজিদে মসজিদে শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মাহফিল, ১ থেকে ৪ আগস্ট ওলামা, শ্রমিক ও মহিলা সমাবেশ এবং ৫ আগস্ট জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীতে ঐতিহাসিক গণমিছিল।
-

মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, শিগগিরই দেশে ফিরবেন
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে তিনি শিগগিরই দেশে ফিরবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।গতকাল রোববার এক বার্তায় শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘মির্জা আব্বাস অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠছেন। তিনি দ্রুত সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে সবার মাঝে ফিরে আসবেন। আলহামদুলিল্লাহ, তিনি দ্রুত পূর্ণ সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসুন। মহান আল্লাহর কাছে তার আশু আরোগ্য কামনা করছি।’
গত ১১ মার্চ ইফতারের সময় মির্জা আব্বাস হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় পরে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়।
পরে ১৫ মার্চ উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে নেওয়া হয় সিঙ্গাপুরে। সেখানে এক মাস চিকিৎসার পর তার অবস্থার উন্নতি হয়। এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শে মির্জা আব্বাসকে ফিজিওথেরাপি দেওয়ার জন্য মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।
-

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বান্দরবানের ‘তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়’ জাতীয়করণের ঘোষণা
বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম এলাকায় অবস্থিত ‘তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়’ জাতীয়করণের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এর আগে এ বিষয়ে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বাজেট আলোচনায় শিক্ষামন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান বলেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেন যে, এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেন তার সহকর্মীদের বেতন জোগাতে নৌকা চালান। শুধু মার্চ-এপ্রিল মাসে নৌকা চালিয়ে আয় করেছেন ৪৯ হাজার টাকা। যার মধ্যে ৩০ হাজার টাকা দিয়েছেন সহকর্মীদের বেতন বাবদ। যেখানে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে একটি স্কুল টিকিয়ে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ সেখানে প্রধান শিক্ষক অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার গল্প। বিষয়টি নজরে আসার পর রাতেই প্রধানমন্ত্রী স্কুলটি জাতীয়করণের জন্য শিক্ষামন্ত্রীকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলেন।
বাজেট বক্তব্যের এক পর্যায়ে শিক্ষা মন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একটি নির্দেশ পাঠিয়েছেন, সেই থানচির তিন্দু এলাকার সেই স্কুলটিকে যেন জাতীয়করণ করা হয়। আজকে মহান সংসদে এ স্লিপটি পাঠিয়েছেন। আমি জানাতে চাই, স্কুলটি জাতীয়করণ করা হবে শিগগিরই।২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বর্তমানে ৫৬ জন শিক্ষার্থী পড়লেও অধিকাংশ পরিবার দরিদ্র হওয়ায় নিয়মিত বেতন দিতে পারেন না। ফলে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন চালানো হয়ে পড়ে কঠিন। এই সংকট মোকাবিলায় ছুটির দিনগুলোতে প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেন নিজেই ইঞ্জিনচালিত নৌকা চালান থানচি-তিন্দু–-রেমাক্রী নদীপথে। পর্যটক ও যাত্রী পরিবহন করে যা আয় হয়, তার বড় অংশই চলে যায় শিক্ষকদের বেতনে।
-

জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড একক কেউ নন, ১৮ কোটি মানুষ
জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড একক কেউ নন, বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ।’ তিনি বলেন, ‘একক কোনও মাস্টারমাইন্ড আমরা মানি না।’
রোববার জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৭তম দিন জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বাজেটের সাধারণ আলোচনা সময় পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এসব কথা বলেন।এর আগে জামালপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বিরোধীদলীয় নেতার বরাত দিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতা এই আন্দোলনের সম্পর্কে আমাদের সঙ্গে বলেছিলেন, আন্দোলনের প্রধান নায়ক তারেক রহমান। কাজেই আজকে যে এই বড় ধরনের বাজেট নিয়ে আপনারা চিন্তিত রয়েছেন আমাদের বিরোধীদলীয় নেতৃবৃন্দ। আপনাদের এই চিন্তার কোনো কারণ নাই। এই ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার যে বাজেট, এই বাজেট সম্পূর্ণ পূরণ হবে।’
পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘মিল্লাত সাহেব উনি আমার একটা বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়েছেন। হ্যাঁ আমি বক্তব্য রেখেছি, কিন্তু সময়টা আপনি সঠিকভাবে বলেননি। এই সময়টা ছিল ২৪ সালের এপ্রিল মাস। আর পরিবর্তনটা হয়েছে ২৪ এর আগস্টে। আগস্টের ৫ তারিখের পরে আমার এই বক্তব্য। ওই সময় যাদের নেতৃত্বে এই অভ্যুত্থান সফল হয়েছে। আমার মনে হয়, আমরা সবাই অন্তর থেকে তাদেরকে সম্মান করি, ভালোবাসি। তাদের এই জায়গাটা ঠিক রাখতে হবে। এমনকি ড. ইউনূস আমেরিকায় গিয়ে একজনকে তিনি মাস্টারমাইন্ড বলেছিলেন। আমিই সেই ব্যক্তি যে, প্রথমে প্রতিবাদ করে বলেছি, এই আন্দোলনের একক কোনও মাস্টারমাইন্ড আমরা মানি না। আমাদের যুব সমাজকে কৃতিত্ব দিতে চাই। আর মাস্টারমাইন্ড হচ্ছে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ।’
-

ফতোয়ার জন্য মাদ্রাসায় যেতে হবে না, সংসদেই দেওয়া হয়: শাহজাহান চৌধুরী
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় সংসদে বাগযুদ্ধে জড়িয়েছেন সরকারি ও বিরোধীদলীয় দলের সংসদ সদস্যরা।
জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের একটি বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তাকে ‘হাল জামানার মুফতি’ বলে কটাক্ষ করেছেন।
শনিবার (২৭ জুন) বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামে এখন বলা হচ্ছে ফতোয়ার জন্য আর মাদ্রাসায় যেতে হবে না, ফতোয়া এখন পার্লামেন্টেই দেওয়া হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীকে যারা ইসলামী দল নয় বলে ফতোয়া দিচ্ছেন, তাদের জামায়াত সম্পর্কে জানতে হলে ১০০ বছরের ইতিহাস জানতে হবে।
শাহজাহান চৌধুরী বলেন, আমাদের চট্টগ্রামের আরেক কৃতি সন্তান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আজকে আমাদের চট্টগ্রামে একটা কথা এসেছে, কয় যে ফতোয়ার জন্য আর মাদ্রাসায় যেতে হবে না। আমি জিজ্ঞাস করলাম কেন? কয় যে, ফতোয়াতো আপনারদের এই পার্লামেন্টে দেওয়া হয়। ফতোয়া কী রকম, ফখরুল ইসলাম মাননীয় মন্ত্রী, উনি যেমন ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়। জামায়াতে ইসলামী কে জানতে হলে একশ বছরের ইতিহাস জানতে হবে। জামায়াতে ইসলামী কি ইসলামী দল না অন্য কিছু সেটা আর ফতোয়া দেওয়ার দরকার নাই।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ‘আলিফ বা তা’ না জানা লোক হিসেবে অভিহিত করে তিনি ব্যঙ্গাত্মক সুরে বলেন, ফতোয়ার জন্য তারা আর হাটহাজারী, পটিয়া বা লালবাগে যাবেন না, বরং এই মহান পার্লামেন্টেই যার কাছ থেকে ফতোয়া পাওয়া যাচ্ছে, তার কাছ থেকেই নেবেন।
শাহজাহান চৌধুরীর এই বক্তব্যের পরপরই বাজেট আলোচনায় অংশ নেন বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক। তিনি জামায়াত নেতার বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে সংসদকে উত্তপ্ত না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, নিজেদের কথা নিজেরাই বিচার করা উচিত।
তিনি ১৯৭১ সালে জামায়াতের ভূমিকা এবং মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের দিকে তাকানোর আহ্বান জানান। স্বাধীনতার ঠিক একদিন আগে কারা বাংলাদেশকে বুদ্ধিজীবীশূন্য করার জন্য হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করেছিল, তা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আমরা অবশ্যই স্মরণ করব, কিন্তু ১৯৭১ সালকে কোনোভাবেই ভুলে যাওয়া যাবে না। পাশাপাশি তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়ানোর দাবিও জানান।
-

ইসলামী আন্দোলনের নতুন মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (আইএবি) নতুন মহাসচিব হলেন গাজী মাওলানা আতাউর রহমান। আর সদ্য বিদায় নেওয়া মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদকে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য করা হয়েছে।
শনিবার (২৭ জুন) রাজধানীর বিজয়নগরের ফার্স হোটেল এন্ড রিসোর্টে আইএবির মজলিসে শুরার বিশেষ অধিবেশনে গাজী আতাউরকে মহাসচিব পদে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। অধিবেশনে পূর্বের কমিটি মেয়াদের আগেই ভেঙে দিয়ে শীর্ষস্থানীয় পদগুলোতে কিছু রদবদল আনা হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়তুল্লাহ বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, দলের বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা আগামী ডিসেম্বরে। তবে জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী মূল্যায়নে এককভাবে নির্বাচন করা, প্রার্থী বাছাই, স্থানীয় পর্যায়ে কর্মীদের নিষ্ক্রিয়তাসহ কয়েকটি সাংগঠনিক দুর্বলতা উঠে আসে। এ প্রেক্ষাপটে স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে দলটির নেতৃত্বে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।
গাজী আতাউর এর আগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আর অধ্যক্ষ ইউনুছ ২০০৮ সাল থেকে টানা মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
-

সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না: সংসদ সদস্যদের স্পিকার
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের সাধারণ আলোচনা শুরুর আগে সংসদ সদস্যদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বক্তব্য শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
বাড়তি সময় চেয়ে তাঁকে বিব্রত না করার আহ্বান জানিয়ে স্পিকার বলেছেন, ‘মুদিদোকানে লেখা থাকে না, বাকি চাহিয়া লজ্জা দিবেন না। সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।’
আজ শনিবার জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনা শুরুর আগে স্পিকার বলেন, ‘হাতে সময় কম থাকায় আজ ও আগামীকাল—এই দুই দিন বাজেটের সাধারণ আলোচনা হবে। এরপর সংসদের অন্যান্য কার্যক্রম নেওয়া হবে।’
সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে স্পিকার বলেন, সরকারি দল ও বিরোধী দলের হুইপরা যে সময় নির্ধারণ করেছেন, সেই সময় তিনি সদস্যদের জানিয়ে দেবেন। এরপর আর সময় বাড়ানো হবে না।
অসমাপ্ত বক্তব্য এড়াতে সংসদ সদস্যদের ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বক্তব্য দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে স্পিকার বলেন, ‘আপনারা ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বক্তব্য রাখবেন এবং এমনভাবে কনক্লুড (শেষ) করবেন, যাতে অসমাপ্ত বক্তৃতা দিয়ে আপনাকে বসে যেতে না হয়।’
স্পিকার আরও বলেন, ‘বাজেট অধিবেশনের সাফল্যজনক সমাপ্তির জন্য বাধ্য হয়ে আপনাদের সময় স্টিক করতে হচ্ছে। সুতরাং আবারও বলছি, আপনারা অনুরোধ করে বিব্রত করবেন না। যে সময় দেওয়া হবে, ওই সময়ের মধ্যে দয়া করে বক্তব্য শেষ করবেন।’
এর আগে অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফর নিয়ে আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনাতেও সময়সীমা নির্ধারণ করে দেন স্পিকার। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বক্তব্য দিতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পাঁচ মিনিটের মধ্যে বক্তব্য শেষ করলে দ্রুত বাজেট আলোচনায় ফেরা সম্ভব হবে।’
ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর বাজেটের সাধারণ আলোচনা শুরু হয়। প্রথম বক্তা ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমানকে ছয় মিনিট সময় দিয়ে স্পিকার বলেন, ‘আপনার সময় ছয় মিনিট। ছয় মিনিটে দয়া করে শেষ করবেন।’
নির্ধারিত সময় শেষ হলে বক্তব্য থামিয়ে দিয়ে পরবর্তী বক্তাকে আহ্বান জানান স্পিকার।
এরপর গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলনকে ১০ মিনিট সময় দেওয়া হয়। বক্তব্যের শেষ দিকে তিনি অতিরিক্ত দুই মিনিট সময় চাইলে স্পিকার বলেন, ‘সময় নাই।’
পরে ফজলুল হক আবার সময়ের আবেদন করলে স্পিকার বলেন, ‘আমি তো বক্তব্যের প্রারম্ভে বলেছি, মুদিদোকানে লেখা থাকে না, বাকি চাহিয়া লজ্জা দিবেন না। সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।’
পরে শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শফিকুর রহমান কিরণকে ছয় মিনিট সময় দিয়ে স্পিকার আগেই সতর্ক করেন। তিনি বলেন, ‘ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বক্তব্য রাখবেন এবং এক মিনিট বাকি থাকতে সমাপ্ত করবেন, যাতে বক্তব্য সমাপ্ত করতে পারেন।’
চট্টগ্রামের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীও বক্তব্যের সময় বাড়ানোর অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, ‘সাত মিনিট সময় পেয়েছেন, তবে স্পিকারের কাছ থেকে কিছুটা “ম্যাগনানিমিটি” আশা করেছিলেন।’
জবাবে স্পিকার বলেন, ‘সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।’ গিয়াস উদ্দিন কাদের আবার সময়ের প্রসঙ্গ তুললে স্পিকার বলেন, ‘সময় আপনাদের হুইপরা দেন, আমি দিই না। সাত মিনিটে শেষ করুন, প্লিজ।’
-

জুলাই স্মরণে ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের
চলমান আন্দোলন জোরদার করতে আগামী ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত টানা ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জোটের পক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মরণে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে জনমত গঠন এবং বিগত সরকারের আমলে সংঘটিত গুম-খুনের বিচার নিশ্চিত করার দাবিকে জোরালো করা।
ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ১ থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত দেশের সব জেলা ও মহানগরে সেমিনার আয়োজন। এছাড়া ২৩, ২৪ ও ২৫ জুলাই চিত্র প্রদর্শনী ও গ্রাফিতি অঙ্কনের আয়োজন করা হবে।
এছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে স্মৃতিচারণমূলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচির শেষ দিনে, অর্থাৎ ৫ আগস্ট সারাদেশের জেলা, উপজেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে ১১-দলীয় জোট।