ট্যাগ রাজনীতি

  • ইমরানের মুক্তির দাবিতে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

    ইমরানের মুক্তির দাবিতে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

    পাকিস্তানে বন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ক্রিকেট অধিনায়ক ইমরান খানের মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংয়ের কাছে চিঠি দিয়েছেন দেশটির সাত সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন অ্যালান বোর্ডার, গ্রেগ চ্যাপেল, ইয়ান চ্যাপেল, বেলিন্ডা ক্লার্ক, কিম হিউজ, মার্ক টেলর ও স্টিভ ওয়াহ।

    তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কোনো কূটনীতিক বা রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে নয়, সাবেক অধিনায়ক হিসেবে ইমরান খানের বিষয়ে কথা বলার প্রয়োজন অনুভব করেই তারা এই উদ্যোগ নিয়েছেন।

    চিঠিতে তারা আরও জানিয়েছেন, ইমরান খানের বিরুদ্ধে চলমান আইনি বা রাজনৈতিক মামলার বিষয়ে তারা কোনো অবস্থান নিচ্ছেন না। সেটি পাকিস্তানের নিজস্ব বিষয় বলেই মনে করেন তারা। তবে কারও আটক অবস্থায় তার সঙ্গে কেমন আচরণ করা হচ্ছে, সেটি নিয়ে তাদের উদ্বেগ রয়েছে। তাদের মতে, ‘রাজনৈতিক অবস্থান যা-ই হোক, আটক থাকা যেকোনো ব্যক্তির সঙ্গে মানবিক আচরণ করা মৌলিক মানবিকতার বিষয়।’

    ইমরান খানের পক্ষে বিশ্ব ক্রিকেটের সাবেক তারকাদের এটাই সর্বশেষ উদ্যোগ। এর আগে গত ২৩ আগস্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২২ সাবেক আন্তর্জাতিক অধিনায়ক পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে চিঠি দিয়ে ইমরানের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তাদের দাবি ছিল, বর্তমানে ইমরানের চিকিৎসা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনার মান পূরণ করছে না।

    ওই চিঠিতে তিনটি নির্দিষ্ট দাবি জানানো হয়েছিল। প্রথমত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত চিকিৎসক বোর্ডকে ইমরানের নিজস্ব চিকিৎসকদের অন্তর্ভুক্ত করে তার স্বাস্থ্যের পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন মূল্যায়নের সুযোগ দিতে হবে। বিশেষ করে তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি হারানোর যে খবর এসেছে, সেটি গুরুত্ব দিয়ে পরীক্ষা করতে হবে। দ্বিতীয়ত, আদালতের নির্দেশে পুনর্বহাল করা সাপ্তাহিক পারিবারিক সাক্ষাৎ যেন কোনো বাধা বা প্রশাসনিক বিলম্ব ছাড়াই চালু রাখা হয়। তৃতীয়ত, চিকিৎসা পরীক্ষার ফল যা-ই হোক না কেন, চিকিৎসকদের সুপারিশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।

    এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ১৪ সাবেক আন্তর্জাতিক অধিনায়ক ইমরানের পক্ষে প্রথম চিঠি দিয়েছিলেন। এরপর পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার জাভেদ মিয়াঁদাদ, ওয়াসিম আকরাম ও মইন খানও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন। বর্তমান অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্সও ইমরানের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন।

    সর্বশেষ চিঠিতে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়করা উল্লেখ করেছেন, ইমরানের ছেলে ও বোনেরা কয়েক মাস ধরে প্রকাশ্যে তার স্বাস্থ্য ও কারাগারে তার সঙ্গে আচরণ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছেন। তাদের অভিযোগের মধ্যে রয়েছে সীমিত চিকিৎসাসেবা, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগে বাধা এবং আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ কম থাকা।

    ইমরানের বিষয়টি নিয়ে গত মাসে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতেরও অনুরোধ করেছিলেন গ্রেগ চ্যাপেল। তবে এখন পর্যন্ত তিনি কোনো জবাব পাননি।

  • ডাকসুর মেয়াদ বাড়ছে আরও ৩ মাস

    ডাকসুর মেয়াদ বাড়ছে আরও ৩ মাস

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) বর্তমান কমিটির এক বছরের মেয়াদ শেষ হলেও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আরও ৯০ দিন বা তিন মাস দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাচ্ছেন নির্বাচিত নেতারা। ফলে নতুন নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আপাতত দায়িত্বে থাকছে সহসভাপতি (ভিপি) আবু সাদিক কায়েম ও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এসএম ফরহাদের নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিটি।

    গতকাল রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) ডাকসুর বর্তমান কমিটির এক বছরের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনো নতুন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেনি।

    এ কারণে গঠনতন্ত্রের বিধান অনুযায়ী অতিরিক্ত ৯০ দিন রুটিন দায়িত্ব পালন করবে বর্তমান কমিটি।

    ডাকসুর গঠনতন্ত্রের ৬ নম্বর অনুচ্ছেদের (গ) উপধারা অনুযায়ী, নির্বাচিত কমিটির মেয়াদ ৩৬৫ দিন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হলে আরও ৯০ দিন দায়িত্ব পালন করতে পারবেন নির্বাচিত নেতারা।

    তবে এই সময়ের দায়িত্ব মূলত রুটিন কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর দায়িত্ব পালন করলেও বর্তমান কমিটি কোনো গুরুত্বপূর্ণ বা নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না।

    সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এর মধ্যে নতুন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলে বর্তমান কমিটির কার্যকারিতা শেষ হয়ে যাবে। তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই যে কোনো সময় দায়িত্ব ছাড়বেন বলে জানিয়েছেন বর্তমান কমিটির একাধিক নেতা।

    এদিকে, নতুন নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত ছাত্রত্ব থাকা সাপেক্ষে ডাকসু থেকে নির্বাচিত বর্তমান নেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

    উল্লেখ্য, দীর্ঘ ২৮ বছর পর ২০১৯ সালে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জয়ী হয়ে ১৪ সেপ্টেম্বর শিবির-সমর্থিত প্যানেলের নির্বাচিত নেতারা ডাকসুর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এক বছর পর গত ১৪ সেপ্টেম্বর তাদের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে নতুন নির্বাচন না হওয়ায় গঠনতন্ত্রের বিধান অনুযায়ী আরও তিন মাস রুটিন দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাচ্ছেন তারা।

  • স্থানীয় নির্বাচন : ২৬ মন্ত্রণালয়-বিভাগের সঙ্গে বৃহস্পতিবার ইসির বৈঠক

    স্থানীয় নির্বাচন : ২৬ মন্ত্রণালয়-বিভাগের সঙ্গে বৃহস্পতিবার ইসির বৈঠক

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে রেখে ২৬ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে আগামী বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    সোমবার ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এ সংক্রান্ত চিঠি থেকে বিষয়টি জানা গেছে। ইতোমধ্যে চিঠিটি সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে।

    এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ নির্বাচনী এলাকার শূন্য আসনের নির্বাচন এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের নির্বাচন উপলক্ষে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রস্তুতিমূলক সভা আগামী বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে সভায় নির্বাচন কমিশনাররা উপস্থিত থাকবেন।

    যে ২৬ মন্ত্রণালয়, সংস্থা বা বিভাগের সঙ্গে সভা

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, (ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর পরিচালক বা উপযুক্ত কর্মকর্তাকে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হলো), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মহাপুলিশ পরিদর্শক, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

    এ ছাড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন, মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ/কোস্টগার্ড/আনসার ও ভিডিপি/ডিজিএফআই/এনএসআই/এনটিমসি, বাংলাদেশ ডাক বিভাগ, হেড অব বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট, বাংলাদেশ ব্যাংককেও বৈঠকে থাকতে বলা হয়েছে।

    ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, নভেম্বরের মাঝামাঝি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পরে অন্য নির্বাচন করবে ইসি। এ ছাড়া ঠাকারগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচন হবে ২৯ অক্টোবর।

  • ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানায়নি ভারত: স্পিকার

    ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানায়নি ভারত: স্পিকার

    ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ সুসম্পর্ক চায়, তবে এখন পর্যন্ত ভারতও একই ধরনের সম্পর্ক চায় এমন কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

    তিনি বলেছেন, ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে যথাযথ মর্যাদা দিয়ে এখনো আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। একই সঙ্গে ভারত বাংলাদেশের সম্পর্ক সমমর্যাদা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে হওয়া উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্পিকার।

    হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদা দিয়ে একজন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তো তারা এখনো ইনভাইট করেনি।”

    ভারতে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে আশ্রয় দেওয়া এবং সেখান থেকে রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়ার বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তার মতে, এটি সৎ প্রতিবেশীসুলভ আচরণ নয়।

    স্পিকার বলেন, “ভারতের সাথে আমাদের সুসম্পর্ক রাখা দরকার। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারাও যে সুসম্পর্ক চায় তেমন কিছু দেখা যাচ্ছে না। কেবলমাত্র দুই দেশের কূটনৈতিক পর্যায়ে কথাবার্তা চালাচালি হচ্ছে।”

    বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে সৎ প্রতিবেশীসুলভ ও সমমর্যাদার সম্পর্ক চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক হতে হবে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে।

    অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বাংলাদেশ ভারতের সম্পর্ককে ‘স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছিল উল্লেখ করে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “আমরা সেই স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক চাই না। সমমর্যাদার ভিত্তিতে একটা সার্বভৌম দুটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের মধ্যে মর্যাদার ভিত্তিতে যে সম্পর্ক থাকা উচিত, আমরা সেই ধরনের সম্পর্কই চাই।”

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ সব রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়।

    এদিকে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও সংস্কার কার্যক্রমের প্রশংসা করেন স্পিকার। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছেন। সরকারের বয়স মাত্র সাত মাস হলেও গত ১৭ বছরের বিভিন্ন সংকট থেকে দেশকে ঘুরে দাঁড় করাতে সময় লাগবে।

    সংস্কার কার্যক্রমের বিষয়ে তিনি বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার ও বিরোধী দল উভয়ই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে সংসদে ঐকমত্য হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইন ও সংবিধান সংশোধন করা সম্ভব হবে।

  • ঢাকা দক্ষিণে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী সাদিক কায়েম, উত্তরে সেলিম উদ্দিন

    ঢাকা দক্ষিণে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী সাদিক কায়েম, উত্তরে সেলিম উদ্দিন

    ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মেয়র প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

    সোমবার দলটির পক্ষ থেকে ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

    ঘোষণায় দলটি জানায়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনের জামায়াতের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির।

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী হবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি আবু সাদিক কায়েম।

  • শিল্পে গ্যাস সরবরাহ কাল থেকে আগের অবস্থায় ফিরবে: প্রধানমন্ত্রী

    শিল্পে গ্যাস সরবরাহ কাল থেকে আগের অবস্থায় ফিরবে: প্রধানমন্ত্রী

    শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ আগামীকাল থেকে দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়েছেন।

    প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সবাইকে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি থেকে বিরত থেকে সরকারের মেয়াদে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ করে দেওয়ার আহ্বান জানান।

    আজ সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ব্যবসায়ী নেতা ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। তিন ঘণ্টার এই আলোচনায় তাঁরা বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ কথা জানান। তিনি আরও জানান, সভায় ‘বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পথরেখা’ শীর্ষক একটি উপস্থাপনা করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

    প্রধানমন্ত্রী দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান সংকটকে ‘উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সমস্যা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এই সংকট ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে সরকার সমস্যা চিহ্নিত করে পরিকল্পনা তৈরি করেছে এবং এখন সেগুলো বাস্তবায়নের পর্যায়ে রয়েছে।

    তারেক রহমান বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সরকার একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ধরে কাজ করছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতিও উপকৃত হবে।

    বর্তমান গ্যাস-সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একটিতে দুর্ঘটনার কারণে সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে শিল্পকারখানাসহ বিভিন্ন খাতে। তবে দুর্ঘটনাজনিত সমস্যাটি এরই মধ্যে সমাধান করা হয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা আশা করছি, আগামীকাল সন্ধ্যা থেকে গ্যাসের সরবরাহ এক থেকে দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে।’ ঘাটতি মোকাবিলায় তৃতীয় একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগের কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জিটুজি ভিত্তিতে গত এক মাসে আরেকটি টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তুতি মোটামুটি সম্পন্ন হয়েছে। দ্রুতই কাজ শুরু হবে।

    সরকার আগামী ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তারেক রহমান। বিদ্যুৎ খাতের সমস্যাও দীর্ঘদিনের বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সমস্যাগুলো পর্যালোচনা করেছে, সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বসেছে এবং সেগুলো সমাধানে পরিকল্পনা তৈরি করেছে। এখন তা বাস্তবায়নের কাজ চলছে।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যেকোনো কিছু পরিকল্পনা এবং সেটি বাস্তবায়ন করতে সময় লাগে। জ্বালানি ও বিদ্যুতের এই সমস্যা উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া। চাইলেই ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে এর সমাধান করা সম্ভব নয়।

    সরকার কোন কাজ কখন শেষ করতে চায়, তার একটি সম্ভাব্য সময়সীমাও সভায় ব্যবসায়ী নেতাদের সামনে তুলে ধরা হয়। বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সময় কিছুটা এদিক-সেদিক হতে পারে। তবে সরকারের সামনে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সময়সীমা রয়েছে।

    ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যবসা ও শিল্প খাত ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার সামগ্রিক প্রভাব দেশের অর্থনীতির ওপর পড়ে। ফলে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান শুধু ব্যবসায়ীদের স্বার্থের বিষয় নয়; এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির সঙ্গে সম্পর্কিত।

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছানোর যে লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে, তা অর্জন করতে হলে নিরবচ্ছিন্ন ও পর্যাপ্ত জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে।

    হতাশ হওয়ার কারণ নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সমস্যার ব্যাপ্তি ও জটিলতা সম্পর্কে ব্যবসায়ী সম্প্রদায় আগে থেকেই অবগত। সরকার সমস্যাগুলো আড়াল না করে খোলামেলাভাবে তুলে ধরেছে। একই সঙ্গে কীভাবে সেগুলোর সমাধান করতে চায়, সেটিও জানিয়েছে। তিনি বলেন, আপনাদের জানাতে চাই যে, আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি। সে জন্য হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই।

    সরকারের পরিকল্পনা যৌক্তিক মনে হলে তা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এগুলো বাস্তবায়ন হলে শুধু ব্যবসায়ী সম্প্রদায় নয়, পুরো দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।

    দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও আশঙ্কার প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জনগণই সময়মতো ঠিক করবে কাকে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব দেবে। তবে যে সময় যে সরকার দায়িত্বে থাকে, তাকে তার পরিকল্পিত কাজগুলো সম্পন্ন করার সুযোগ দেওয়া উচিত।

    আলোচনায় গণমাধ্যমকর্মী ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের আমন্ত্রণ জানানোর কারণ ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা গণমাধ্যমের কাছে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন। তা না হলে বিচ্ছিন্ন তথ্য থেকে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। গণমাধ্যম সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেলে তা দেশবাসীর কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারবে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, বড় কোনো কাজ সফলভাবে করতে একটি কার্যকর দল প্রয়োজন। সরকারের সংশ্লিষ্ট সবাই একসঙ্গে কাজ করছেন, যাতে পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা যায়। ব্যবসায়ী ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সহযোগিতা করবেন, যাতে আমরা আপনাদের জন্য আরও ভালো কিছু করতে পারি।’

    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, শিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা মাহদী আমিন, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান, বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ এবং জ্বালানি সচিব মো. জিয়াউল হক।

    ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ফজলুল হক, বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ, বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কামাল, চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আমিরুল হক, বাংলাদেশ এগ্রো প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুব আনাম প্রমুখ।

    এ ছাড়াও দৈনিক মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ড. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, ইংরেজি দৈনিক ওয়াদার সম্পাদক শফিকুল আলম, সাংবাদিক আশরাফ কায়সার, মোস্তাফা ফিরোজ, আব্দুন নূর তুষার, আকবর হোসেন, শাহেদ আলম, রেজাউল করিম রনি, আজিজুর রহমান রিপন, তরিকুল ইসলাম সৌরভ এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহরিন ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

  • আধুনিক ও সমৃদ্ধ রূপে উন্মোচিত হলো ডাকসু সংগ্রহশালা

    আধুনিক ও সমৃদ্ধ রূপে উন্মোচিত হলো ডাকসু সংগ্রহশালা

    দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং গৌরবময় কর্মকাণ্ড—বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে সংস্কার কাজ শেষে ডাকসু সংগ্রহশালা আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে। এই সংস্কার কার্যক্রমের মাধ্যমে সংগ্রহশালাটিকে আরও আধুনিক, নান্দনিক ও সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলা হয়েছে।

    রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টায় ফিতা কেটে এই সংগ্রহশালার সংস্কার কাজের শুভ উদ্বোধন করেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। সংগ্রহশালাটির সামগ্রিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এইচ. এম. মোশারফ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস. এম. ফরহাদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শরিফুল ইসলাম, ডাকসুর ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, ক্যারিয়ার উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের, ডাকসুর সাবেক ভিপি মরহুম বদরুল আলমের কন্যা ফারজানা আলম ও তাঁর পরিবারের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন হল সংসদের নেতৃবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

    উদ্বোধনী বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনবিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসমাজের হাজারো সংগ্রামের ইতিহাসের সঙ্গে ডাকসুর ইতিহাস ও ওতপ্রোতভাবে জড়িত। প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে ডাকসু অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এসব গৌরবের বহু স্মৃতি ও নিদর্শন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকলেও তা যথাযথভাবে সংরক্ষণের সংগ্রহশালাটি এতদিন জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি আধুনিকায়ন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করি, যার সফল বাস্তবায়ন আজ সম্পন্ন হলো।’

    তিনি আরও জানান, সংগ্রহশালাটিকে আরও সমৃদ্ধ করতে আগামী এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ঐতিহাসিক দলিল ও তথ্য সংযোজন করা হবে। শুধু ঢাবি নয়, বরং এতে সমগ্র দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য স্থান পেয়েছে। পর্যায়ক্রমে সাবেক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং গবেষকদের সংগ্রহে থাকা পুরোনো ছবি, নথি, প্রকাশনা, পোস্টার ও স্মারক সংগ্রহ করে এটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ ঐতিহাসিক আর্কাইভে রূপান্তর করা হবে।

    ডাকসুর সাবেক ভিপি বদরুল আলমের (১৯৫৭-৫৮ সেশন) কন্যা ফারজানা আলম বলেন, ‘কোনো ধরনের রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রভাব বা পক্ষপাতিত্ব ছাড়াই ১৯৫৭ সাল থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত ইতিহাস অত্যন্ত নিরপেক্ষভাবে এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এর মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের পূর্বসূরিদের ডাকসুর সঙ্গে সম্পৃক্ততা, কাজ ও সাফল্য সম্পর্কে জানতে পারবে। সত্য ইতিহাস তুলে ধরার এই সুন্দর উদ্যোগের জন্য আমি ডাকসুকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।’

    ডাকসুর জিএস এস. এম. ফরহাদ বলেন, ‘১৯৯০ সালের পর দীর্ঘ অবহেলা ও একরকম ময়লার স্তূপে পরিণত হওয়া ডাকসু সংগ্রহশালাটিকে আমরা নতুন রূপ দিয়েছি। এতে প্রাচীন ইতিহাস, ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ, ৯০-এর গণঅভ্যুত্থান থেকে শুরু করে ২৪-এর জুলাই বিপ্লব এবং ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ক্রোনোলজিক্যাল (কালানুক্রমিক) আকারে তুলে ধরা হয়েছে। কিছু ভিপির ছবিসহ এখনও কিছু ঘাটতি রয়েছে, তাই আগামী এক সপ্তাহ সংশোধনের সময় হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে কারও কাছে কোনো তথ্য বা পরামর্শ থাকলে তা জানানোর আহ্বান জানাচ্ছি।’

    ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, ‘দীর্ঘকাল অবহেলা ও ফ্যাসিবাদের দখলে অকার্যকর থাকা ডাকসু সংগ্রহশালাটিকে সংস্কার করে ১৯০৫ সাল থেকে ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রকৃত ইতিহাস ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এখানে ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, ফ্যাসিবাদ আমলের বিভিন্ন গণহত্যা এবং জুলাই বিপ্লবের দুর্লভ দলিল, চিত্র ও শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ১৯২১ সাল থেকে শুরু হওয়া ৩৯টি ডাকসুর ইতিহাস এবং সাবেক ভিপি-জিএসদের নামসংবলিত অনার বোর্ড এখানে যুক্ত করা হয়েছে।’ সংগ্রহশালাটি আরও সমৃদ্ধ করতে দেশবাসী ও গবেষকদের কাছে ঐতিহাসিক দলিলপত্র এবং জুলাই বিপ্লবের দুর্লভ চিত্র জমা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

  • ফ্যাসিবাদের আমলে আমাদের ৭০০ ভাইকে গুম করা হয়েছিল: শিবির সভাপতি

    ফ্যাসিবাদের আমলে আমাদের ৭০০ ভাইকে গুম করা হয়েছিল: শিবির সভাপতি

    বিগত ১৭ বছরে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর অন্যায়ভাবে জুলুম-নির্যাচার চালানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। তিনি বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদের আমলে প্রায় সাতশ ভাইকে গুম করা হয়েছিল, ১০৮ জনকে স্থায়ীভাবে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে এবং এক হাজারের অধিক ভাইকে জখম করা হয়েছে। এ ছাড়া ৭৫ হাজার মিথ্যা মামলা দিয়ে নেতাকর্মীদের হয়রানি করা হয়েছে। এত নির্যাতন সত্ত্বেও ছাত্রশিবিরের কার্যক্রম থেমে থাকেনি, বরং এ সময়ে সংগঠনের কলেবর তিন থেকে চার গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    সোমবার দুপুরে রংপুর কারমাইকেল কলেজ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ ইসলামী ছাত্রশিবির কারমাইকেল কলেজ শাখার উদ্যোগে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

    নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, গুমের যে ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশে একক ছাত্র সংগঠন হিসেবে ৩১ শতাংশ গুমের ঘটনা শুধু ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাথে ঘটেছে। সরকারের কাছে আমরা এই অভিযোগ দায়ের করতে পেরেছি। আমাদের যে সকল ভাইয়েরা দেশে আসতে পারে নাই, বিদেশে অবস্থান করছে এখনো পর্যন্ত, যারা এই গুমের ঘটনার শিকার হয়েছিলেন কিন্তু অভিযোগ দায়ের করতে পারে নাই। সেই সংখ্যাটা অনেক।

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদসহ নিহতদের স্মরণ করেন তিনি বলেন, শহীদ আবু সাঈদের কথা স্মরণ করছি, যার বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা টোটাল বাংলাদেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। বিশ্বকাপন এই বিপ্লবের কথা দুনিয়ার বিভিন্ন দেশ স্মরণ করছে। আমরা যখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সফরে যাই, আমাদের কাছে ওই দেশের ওই ভাষাভাষী মানুষগুলো বাংলাদেশের এই অভ্যুত্থানের কথা জানতে চায়। এই গল্পের কথা তারা জানতে চায়। কারণ একটা মনস্টার, একটা দৈত্য দানব আমাদের ঘাড় থেকে বিতাড়িত হয়েছে। নতুন একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন আমরা দেখেছিলাম, যে বাংলাদেশ ইনসাফ আর ন্যায়ের ভিত্তিতে গঠিত হবে। কিন্তু সেই বাংলাদেশ আমরা গঠন করতে ব্যর্থ হয়েছে। শুধু একটা ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে। কিন্তু রাষ্ট্রের কোনো পরিবর্তন আমাদের দেশে এখনো ঘটে নাই। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করা হয়নি।

    বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গেই তারা বলেছিল যে আপনারা গণভোটে হ্যাঁ এর পক্ষে রায় দিন, দয়া করে। এমন ভিক্ষা তারা চেয়েছিল। এই ভিক্ষুকের জাতি ক্ষমতায় আসার পরে নিজেদেরকে এখন মুনিব মনে করা শুরু করেছে। এখন তারা বলে যে আমাদের সাথে প্রতারণা করা হয়েছিল। হ্যাঁ ভোট যদি না মানতাম তাহলে ভোটই দিত না। এই ভয়ে আমরা হ্যাঁ ভোট মেনে নিছি। ক্ষমতায় যাওয়া তাদের একমাত্র দরকার ছিল।

    গণভোটে দেওয়া ‘হ্যাঁ’ ভোটের রায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের গঠনমূলক সংস্কার হলে কোনো পক্ষের পক্ষে স্থায়ীভাবে ক্ষমতার বন্দোবস্ত করা সম্ভব হবে না। এ কারণেই সংবিধানের মৌলিক সংস্কারে অনীহা দেখানো হচ্ছে। গণভোটে ৩০টি বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য হয়েছিল। নির্বাচিত হওয়ার পর এসব বিষয়ে বাস্তবায়নের অঙ্গীকারও করা হয়েছিল। কিন্তু এখনো সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেওয়া হয়নি।

    পিএসসি সংস্কারের দাবি তুলে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি বলেন, সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ভাইভার নম্বর কমানো প্রয়োজন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তাঁরা এ বিষয়ে স্মারকলিপি দিয়েছিলেন বলেও জানান তিনি।

    নুরুল ইসলাম সাদ্দামের অভিযোগ, ভাইভায় স্বজন ও পরিচিতজনের সুপারিশের সুযোগ থাকায় মেধাবীরা বৈষম্যের শিকার হন। তিনি বলেন, ভাই, চাচা, মামা-খালুর রেফারেন্স দেওয়া হয়। সেই রেফারেন্সের মাধ্যমে কাউকে ২০০ নম্বরের মধ্যে ১৯০ নম্বর দেওয়া হয়। আবার অনেকে ভালো করলেও তাকে ৪০ নম্বর না দিয়ে নন-ক্যাডার করা হয় অথবা ফেল দেখিয়ে দেওয়া হয়। ভাইভার নম্বর ২০০ থেকে কমিয়ে ৫০ করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করতে পিএসসিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা জরুরি।

    কারমাইকেল কলেজ শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মাহমুদুল হক মাসুমের সভাপতিত্বে দেন রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল, মহানগর জামায়াতের আমীর এটিএম আজম খান, কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল, মহানগর ছাত্রশিবির সভাপতি আনিসুর রহমানসহ নেতৃবৃন্দ। নবীর ২ হাজার ৫শত শিক্ষার্থী ও কৃতি ২শত শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেন তারা।

  • সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারের পথে যাবে না সরকার

    সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারের পথে যাবে না সরকার

    বর্তমান সরকার সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারের পথে যাবে না বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

    সোমবার বেলা ১১টায় খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত প্রশাসনিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা জানান তিনি।

    আইনমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস দমনে ক্রসফায়ারের পথে যাবে না সরকার। প্রয়োজনে প্রচলিত আইনকে আরও শক্তিশালী করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে পরিকল্পিতভাবে মাদক চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। বর্ডারের ওপারে বসে ইয়াবা চোরা কারবারিরা পরিকল্পনা করছে। ড্রোনের মাধ্যমে বিভিন্ন জায়গায় মাদক পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। মাদক এখন আর শুধু খুলনার সমস্যা নয়। সে কারণে সারা দেশে ডোপ টেস্টের ওপর বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে।

    মতবিনিময় সভায় জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনার বিভিন্ন আসনের সংসদ সদস্য, বিভাগীয় কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, পুলিশ সুপার, কেসিসি ও জেলা পরিষদ প্রশাসকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • ভারতের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক চাই না: স্পিকার

    ভারতের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক চাই না: স্পিকার

    ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক স্বামী-স্ত্রীর মতো নয়, বরং সমমর্যাদার ভিত্তিতে হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রতিবেশীসুলভ সমমর্যাদার ভিত্তিতে আমাদের সম্পর্ক চাই। অতীতে আওয়ামী লীগ আমলে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক বলেছিলেন। আমরা সেই স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক চাই না।’

    সোমবার সকালে ভোলা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে স্পিকার বলেন, ব্রিকসের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের কাছে ভারত এখন পর্যন্ত খোলাখুলিভাবে কোনো নীতি জানায়নি। এ ক্ষেত্রে অপর পক্ষের উৎসাহও দেখা যাচ্ছে না। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সঠিক মর্যাদা দিয়ে ভারত আমন্ত্রণ জানায়নি। বিশেষ করে পতিত সরকারের প্রধানমন্ত্রীকে তারা আশ্রয় দিয়েছে এবং সেখানে বসে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছে। এটিকে প্রতিবেশীসুলভ আচরণ মনে করে না বাংলাদেশ।

    তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে আমরা আশা করব ভারতের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক রাখা দরকার। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারাও যে সুসম্পর্ক চায়, তেমন কিছু দেখা যাচ্ছে না। সার্বভৌম একটি রাষ্ট্রের সঙ্গে আরেকটি রাষ্ট্রের যে ধরনের সম্পর্ক থাকা উচিত, আমরা সেই ধরনের সম্পর্ক চাই।’

    আওয়ামী লীগ সরকারের প্রসঙ্গে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, গত ১৭ বছর, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে দেশের প্রতিটি স্তর ও বিভাগে ধস নেমেছে। হত্যা, গুম, খুন, মানি লন্ডারিং ও দুর্নীতি অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে। বিগত সরকারের অবৈধ কর্মকাণ্ড দেশকে প্রায় ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে অনেক সময় লাগবে।

    জুলাই সনদ ও সংস্কার প্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, সংস্কার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। আইন-কানুনে অনেক সংস্কার আনতে হবে। এ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনা চলছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে দলগুলোর মধ্যে কিছু বিষয়ে মতৈক্য না হওয়ায় অসুবিধা দেখা দিয়েছে।

    নিজেকে নিরপেক্ষ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি নিরপেক্ষভাবে সংসদ পরিচালনার চেষ্টা করছি। আশা করি, বিএনপি ও বিরোধী দল মিলে যদি একটা সমঝোতায় আসে, তাহলে দীর্ঘ ১৬-১৭ বছরের দুঃশাসন থেকে জনগণ মুক্তি পেতে পারে।’

    স্পিকার বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার ও বিরোধী দল উভয়ই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংসদের আগামী অধিবেশনে সংস্কার প্রস্তাব নিয়ে বিরোধী দল একমত হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইন পরিবর্তন করা সম্ভব হবে। সংবিধান সংস্কারের কাজ শেষ হলে এর প্রকৃত ফল পাওয়া যাবে এবং জনগণ দীর্ঘদিনের দুঃশাসন থেকে মুক্তি পাবে।

    এ সময় জনগণের বাক্‌স্বাধীনতা ফিরে পাওয়া, গুম-খুন-হত্যা এবং ভোলা-বরিশাল সেতু নিয়েও কথা বলেন স্পিকার।

    পরে ‘আমরা ভোলাবাসী’র নেতৃবৃন্দ ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের দাবিতে স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি দেন। এ বিষয়ে স্পিকার বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতুর সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছে। নতুন মহাসড়কেরও সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে। এর মধ্যে যেটি ভালো হবে, সরকার সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবে।

    এ সময় ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, জেলা পরিষদ প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর, পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছারসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।