রাজনীতি

  • বিরোধীদের বয়কটের মধ্যেই সংবিধান সংশোধন কমিটির মতবিনিময় শুরু

    বিরোধীদের বয়কটের মধ্যেই সংবিধান সংশোধন কমিটির মতবিনিময় শুরু

    সংসদে বিরোধী দলের বয়কটের মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় শুরু করেছে সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি। আজ রোববার জাতীয় সংসদে বেলা আড়াইটা থেকে এ সভা শুরু হয়েছে।

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, গণঅধিকার পরিষদ, নাগরিক ঐক্য, এনডিএম, আমজনতার দল, ইসলামী ঐক্যজোট, ভাসানী জনশক্তি পার্টি, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম, গণফোরাম ও গণসংহতি আন্দোলনের প্রতিনিধিরা এই বৈঠকে যোগ দিয়েছেন।

    মতবিনিময় সভায় যোগ দিয়ে ওয়াকআউট করেছেন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার ভূঁইয়া।

    সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি আজ থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভা শুরু করেছে।

    তবে বিরোধী ১১ দলীয় জোট বলছে, গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন ও কার্যক্রম শুরুর পরিবর্তে সংসদীয় বিশেষ কমিটির মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে জনগণের সরাসরি দেওয়া সাংবিধানিক ম্যান্ডেটকে পাশ কাটানো হচ্ছে।

    জোটটির মতে, জনগণের ম্যান্ডেটের বিকল্প কোনো সংসদীয় বিশেষ কমিটি হতে পারে না।

  • আগামী জানুয়ারীতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ইসি মাছউদ

    আগামী জানুয়ারীতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ইসি মাছউদ

    আগামী বছর জানুয়ারিতে হতে পারে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।

    রোববার নির্বাচন কমিশনের নিজ ভবনে তিনি এসব কথা জানান।

    তিনি বলেন, নভেম্বরের ১২ তারিখে প্রাথমিক নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা করা হয়েছে, সেখান থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। নভেম্বর-ডিসেম্বরে স্কুল-কলেজের পরীক্ষা, ভোটকেন্দ্র, শিক্ষকদের দায়িত্ব পালন ইত্যাদি বিবেচনায় রেখে ভোট করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

    তিনি আরো বলেন, তফসিল ঘোষণা নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি ইসি। এছাড়া, ২৩, ২৪, ২৫ সেপ্টেম্বরে রাজনৈতিক দল সহ স্টেকহোল্ডারদের যে সংলাপ হওয়ার কথা ছিলো সেটিও বাতিল করেছে ইসি।

  • বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার জন্মদিন আজ

    বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলার জন্মদিন আজ

    বাংলার ইতিহাসে এমন কিছু নাম আছে, যেগুলো সময় পেরিয়ে গেলেও মুছে যায় না। নবাব সিরাজউদ্দৌলা তেমনই এক নাম। বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব হিসেবে পরিচিত এই শাসকের জীবন ছিল ক্ষমতা, ষড়যন্ত্র, যুদ্ধ ও বিয়োগান্ত পরিণতির এক নাটকীয় অধ্যায়। ১৯ সেপ্টেম্বর ১৭২৭ সালে সিরাজউদ্দৌলার জন্ম বলে উল্লেখ করা হয়।

    তিনি ছিলেন নবাব আলীবর্দী খানের নাতি। শৈশব থেকেই দাদার স্নেহে বেড়ে ওঠেন এবং অল্প বয়সেই রাজদরবার ও শাসনব্যবস্থার সঙ্গে পরিচিত হন। ১৭৫৬ সালে আলীবর্দী খানের মৃত্যুর পর মাত্র ২৩ বছর বয়সে বাংলার মসনদে বসেন সিরাজউদ্দৌলা। তখন বাংলা ছিল অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ একটি অঞ্চল।

    ইউরোপীয় বণিকদের পাশাপাশি ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিও বাংলায় তাদের বাণিজ্যিক প্রভাব বাড়াচ্ছিল। নবাব হিসেবে সিরাজ কোম্পানির বাড়তে থাকা সামরিক শক্তি ও দুর্গ নির্মাণের বিরোধিতা করেন। এতে নবাবের সঙ্গে ইংরেজদের সংঘাত আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

    ১৭৫৬ সালে সিরাজউদ্দৌলা কলকাতা দখল করেন।

    পরে ইংরেজরা রবার্ট ক্লাইভের নেতৃত্বে পাল্টা অভিযান চালিয়ে কলকাতা পুনর্দখল করে। এরপর পরিস্থিতি ক্রমেই বড় সংঘাতের দিকে এগিয়ে যায়। ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন সংঘটিত হয় ঐতিহাসিক পলাশীর যুদ্ধ। নবাবের বাহিনী সংখ্যায় বড় হলেও সেনাপতি মীর জাফরসহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির বিশ্বাসঘাতকতার কারণে যুদ্ধের গতিপথ বদলে যায়। শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সিরাজউদ্দৌলা।

    পলাশীর যুদ্ধের পর তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু ধরা পড়ার পর ১৭৫৭ সালের ২ জুলাই মীর জাফরের পুত্র মীরনের নির্দেশে তাকে হত্যা করা হয়। মাত্র এক বছরের কিছু বেশি সময় নবাবের দায়িত্বে থাকা সিরাজউদ্দৌলার পরিণতি ছিল অত্যন্ত করুণ। পলাশীর যুদ্ধ শুধু একজন নবাবের পতন নয়; এর মধ্য দিয়ে বাংলার রাজনৈতিক ক্ষমতার ভারসাম্যও বদলে যায় এবং বাংলায় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রভাব বিস্তারের পথ আরও প্রশস্ত হয়।

    ইতিহাসে সিরাজউদ্দৌলা তাই শুধু একজন পরাজিত শাসক নন তিনি বাংলার স্বাধীনতার অবসান ও ঔপনিবেশিক শাসনের সূচনাপর্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক চরিত্র।

  • এই লংমার্চ সরকার পতনের আন্দোলন নয়, জনগণের সমস্যা সমাধানের আন্দোলন

    এই লংমার্চ সরকার পতনের আন্দোলন নয়, জনগণের সমস্যা সমাধানের আন্দোলন

    আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে লংমার্চ সফল করতে প্রস্তুতি সভা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর। বৃহস্পতিবার রাজধানীর মগবাজারে হাতিরঝিল অঞ্চল কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ বাস্তবায়নে সাংগঠনিক প্রস্তুতি, অংশগ্রহণ এবং কর্মসূচির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

    সভায় সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, “ডাক্তার শফিকুর রহমান ও ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নেতৃত্বে এই লংমার্চ রংপুর পর্যন্ত যাবে, ইনশাআল্লাহ।”

    তিনি বলেন, “এই সরকার আজ দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের মাধ্যমে গোটা দেশকে আবার বিগত দিনের সেই ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এর কবল থেকে জাতিকে মুক্ত করতে আমাদের এই আন্দোলন। আমাদের এই আন্দোলন সরকার পতনের কোনো আন্দোলন নয়। জনগণের সমস্যা সরকার যেন সমাধান করে, সেই জন্যই আমাদের এই লংমার্চ।”

    ড. রেজাউল করিম আরও বলেন, “দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, এই সরকার জনগণের গণরায়কে শুধু প্রত্যাখ্যানই করছে না, বরং একের পর এক জনবিরোধী কর্মসূচি গ্রহণ করছে।”

    সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “আমরা লক্ষ্য করছি, সরকার যখন দ্রব্যমূল্যসহ নিত্যদিনের জনগণের সমস্যাগুলো সমাধানের দিকে না গিয়ে বিভিন্ন ইস্যু তৈরি করে জনগণের মনোযোগ অন্যদিকে সরিয়ে নিতে চাচ্ছে।”

    তিনি আরও বলেন, “যারা বলেছিল মদিনা সনদের আলোকে রাষ্ট্র পরিচালনা করবে, তারা ছয় মাসের মধ্যেই কুরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন করে ফেলেছে।”

    আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচিতে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ড. রেজাউল করিম বলেন, “আসুন, আগামী ১৯ তারিখ মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে রংপুরের শান্তিপূর্ণ এই লংমার্চে সবাই অংশগ্রহণ করি। আমরা আশা করি, সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আমাদের সহযোগিতা করবে।”

    প্রস্তুতি সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি নাজিম উদ্দীন মোল্লা, ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, ইয়াসিন আরাফাত, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য জামাল উদ্দিন, আতাউর রহমান সরকারসহ মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

    সভায় নেতারা আগামী ১৯ সেপ্টেম্বরের লংমার্চ শান্তিপূর্ণভাবে সফল করার লক্ষ্যে নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

  • সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে না যেতে সরকারের প্রতি ১১ দলের আহবান

    সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে না যেতে সরকারের প্রতি ১১ দলের আহবান

    সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে না যেতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য। জোটটির নেতারা বলেছেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতার ক্ষমতা দেখাতে গিয়েই অতীতে অনেকে কর্তৃত্ববাদী ও ফ্যাসিবাদী চরিত্র অর্জন করেছেন। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে সরকারকে সেই পথ থেকে ফিরে আসতে হবে।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে এ আহ্বান জানানো হয়। বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এসব কথা বলেন।

    ১৯ সেপ্টেম্বর সাত দফা দাবিতে ঢাকা-রংপুর লংমার্চের প্রস্তুতি ছিল বৈঠকের প্রধান আলোচ্য। পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া নিয়েও আলোচনা হয়।

    গোলাম পরওয়ার বলেন, পৃথিবীর কোনো ইতিহাসে গণভোটের রায় বাতিলের ঘটনা নেই। কিন্তু গণতন্ত্রের নামে ক্ষমতায় যাওয়া সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে ৭০ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রত্যাখ্যান করে জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে ধূলিস্যাৎ করেছে।

    তিনি বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে বলে জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে যাওয়া উচিত নয়।

    তিনি অভিযোগ করে বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে কোরআন-সুন্নাহর আইন পরিবর্তন করে হেবা আইনে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। ৭০ শতাংশ মানুষের দেওয়া রায়ও পদদলিত করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দীর্ঘদিনের আইন পরিবর্তন করে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অযোগ্য করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

    গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘এখান থেকে আমরা সরকারকে ফিরে আসতে বলব।’

    তিনি জানান, বেলা ১১টায় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক হয়। লংমার্চের প্রস্তুতির অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও রাজনৈতিক সংকট নিয়ে সেখানে আলোচনা হয়।

    গোলাম পরওয়ার বলেন, সাত দফা দাবি সামনে রেখে আন্দোলন আরো গতিশীল করা এবং জনগণকে সম্পৃক্ত করার বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। সরকার সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন না করে গণভোটকে উপেক্ষা করে সংবিধান সংশোধনের যে প্রক্রিয়া নিয়েছে, ১১ দলীয় ঐক্য তা প্রত্যাখ্যান করেছে। এ প্রক্রিয়ার বিশেষ কমিটির একতরফা কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগেরও বিরোধিতা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

    ১৯ সেপ্টেম্বর লংমার্চ

    গোলাম পরওয়ার জানান, শনিবার সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে উদ্বোধনী জনসভা হবে। এরপর গাড়িবহর রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করবে। পথে গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাসে প্রথম, টাঙ্গাইলের জালফৈ বাইপাস মোড়ে দ্বিতীয় পথসভা হবে।

    এরপর যমুনা সেতু পার হয়ে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল মোড়ে দুপুর ১২টা থেকে সাড়ে ১২টার মধ্যে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেখানে জোহরের নামাজ আদায় করা হবে। পরে বগুড়ার মাটিডালি ও সন্ধ্যায় গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পথসভা হবে। সবশেষে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী কর্মসূচির মধ্য দিয়ে লংমার্চ শেষ হবে। প্রকাশিত কর্মসূচির তথ্যেও গাজীপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও গাইবান্ধায় পাঁচটি পথসভা এবং রংপুরে সমাপনী সমাবেশের কথা বলা হয়েছে।

    গোলাম পরওয়ার বলেন, লংমার্চে যুক্ত হতে চাইলে গাড়িবহরের পেছনে নিজ নিজ জেলার গাড়িবহর যুক্ত হবে। সাংস্কৃতিক বিভাগের গাড়িসহ স্বেচ্ছাসেবক, নিরাপত্তা, মেডিকেল, অ্যাম্বুলেন্স, তথ্যপ্রযুক্তি ও মিডিয়া বিভাগের ৮ থেকে ৯টি গাড়ি থাকবে। অংশগ্রহণকারীদের নিজেদের গাড়িতে খাবার, পানি ও প্রয়োজনীয় জিনিস সঙ্গে নিতে বলা হয়েছে।

    শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির আশ্বাস

    লংমার্চ সফল করতে দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন গোলাম পরওয়ার। কর্মসূচির কারণে কোনো সমস্যা হলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে পুলিশ প্রশাসন, সিভিল সোসাইটি, ট্রাফিক, গোয়েন্দা সংস্থা এবং পথে থাকা প্রতিটি জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সহযোগিতা কামনা করেন।

    তিনি বলেন, ১১ দলের কর্মসূচি হবে সহিংসতামুক্ত ও শান্তিপূর্ণ। কোনো অনিয়মতান্ত্রিক অস্থিতিশীলতা, বিশৃঙ্খলা বা ভাঙচুরের চিন্তা তাদের নেই।

    তবে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে বাধা দিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইলে সেই চিন্তা থেকে ফিরে আসার আহ্বান জানান তিনি। গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আমরা কোনো বিশৃঙ্খলা চাই না, হতে দেব না। তাহলে অহেতুক কেন আপনি পায়ে পাড়া দিয়ে গন্ডগোল করে শান্ত দেশকে অশান্ত করে তুলবেন?’

    প্রেস ব্রিফিংয়ে আরো উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমদ, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান ইরান প্রমুখ।

  • উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েন, জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন: ইসি

    উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েন, জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন: ইসি

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো আসন্ন উপনির্বাচনেও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

    জাতীয় নির্বাচনে ব্যবহার করা প্রযুক্তির পাশাপাশি আরও উন্নত ও অধিকতর প্রযুক্তির প্রয়োগ ঘটিয়ে একটি সুন্দর নির্বাচন সম্পন্ন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

    উপনির্বাচনে সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলেও জানান এই নির্বাচন কমিশনার।

    বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসি সানাউল্লাহ।

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন, বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বিষয়ে বিভিন্ন অংশীদারের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভায় একটি সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান এই কমিশনার। অংশগ্রহণকারী সবাই একমত হয়েছেন যে, আগামী বছরের জুনের আগেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে।

    তিনি বলেন, নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু বাস্তবসম্মত চ্যালেঞ্জ উঠে এসেছে। এবারের বন্যায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা খাতে যে ব্যাঘাত ঘটেছে, তার প্রভাব এখনো রয়ে গেছে।

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো এখনো সেই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। ফলে শিক্ষাসংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো কমিশনকে অনুরোধ জানিয়েছে যেন কোনোভাবেই পরীক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত না হয়।

    নির্বাচনে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে কমিশনার জানান, প্রশিক্ষণের সমন্বয় ও নির্বাচনী দায়িত্বের জন্য একজন শিক্ষককে অন্তত এক সপ্তাহের জন্য প্রয়োজন হয়। এর পাশাপাশি শিক্ষকদের খাতা মূল্যায়ন ও পরীক্ষার প্রাক-প্রস্তুতির বিষয়গুলো যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে। কমিশন এসব উদ্বেগকে অত্যন্ত যৌক্তিক বলে বিবেচনা করছে এবং তা যথাযথভাবে সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে।

    নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণার বিষয়ে ইসি সানাউল্লাহ জানান, কমিশন বাজেট পরিকল্পনা থেকে শুরু করে আরও কিছু পার্শ্ববর্তী সমন্বয় বা সাইডলাইন ওয়ার্ক দ্রুত সম্পন্ন করবে। স্টাফ লেভেল এবং সাচিবিক পর্যায়ের প্রয়োজনীয় সমন্বয় শেষ করে কমিশন বৈঠকে চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হলেই তা প্রকাশ করা হবে।

    ইউপি নির্বাচন ঠিক কবে থেকে শুরু হচ্ছে, তার সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনই ঘোষণা না করলেও সমাপ্তির সময়সীমা হিসেবে আগামী ৬ জুনের আগের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। কমিশন আপাতত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়েই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আলোচনা করছে, তবে আইন অনুযায়ী অন্যান্য নির্বাচনের সময় এলে সেগুলোও যথাসময়ে সম্পন্ন করা হবে।

    নির্বাচনের উপযুক্ত সময় খুঁজে পাওয়া প্রসঙ্গে কমিশনার বিস্তৃত সময়সূচির চিত্র তুলে ধরেন। তিনি জানান, পুরো নভেম্বর ও ডিসেম্বর জুড়েই বিভিন্ন স্তরের পরীক্ষা চলায় সময় পাওয়া অত্যন্ত দুষ্কর। জানুয়ারিতে কিছুটা ফাঁকা সময় মিললেও ৭ বা ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে পবিত্র রোজা। রোজা শেষ হওয়ার মাত্র একদিন পর থেকে শুরু হবে এসএসসি পরীক্ষা।

    অন্যদিকে এসএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়া এবং ৬ জুনে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে আবার কিছুটা সুযোগ রয়েছে। এ ধরনের অত্যন্ত আঁটসাঁট বা টাইট শিডিউলের কারণে সব প্রক্রিয়া কীভাবে সমন্বয় করা যায়, তা নিয়ে কমিশন অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

    আগের প্রারম্ভিক পরিকল্পনা থেকে নির্বাচন কমিশন পিছিয়ে আসছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ সম্পূর্ণ অস্বীকৃতি জানান।

    সংবাদমাধ্যমের খবরের প্রভাবের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি স্পষ্ট করেন যে, আগে যা বলা হয়েছিল তা ছিল প্রাক-প্রস্তুতিমূলক সভার আলোকে তৈরি একটি সাময়িক বা টেন্টেটিভ পরিকল্পনা। আগামী ১৭ তারিখের সমন্বয় সভার পর সকল উপাত্ত বিশ্লেষণ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল। ফলে পূর্ববর্তী অবস্থান থেকে কমিশন বিন্দুমাত্র সরে আসেনি বলে দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন তিনি। প্রাপ্ত উপাত্তসমূহ পর্যালোচনা করে কমিশন বৈঠকের মাধ্যমেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

  • আগামী বছর ৬ জুনের আগে শেষ করতে হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি সানাউল্লাহ

    আগামী বছর ৬ জুনের আগে শেষ করতে হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি সানাউল্লাহ

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন আগামী বছর ৬ জুনের আগে শেষ করতে হবে। এজন্য যত দ্রুত সম্ভব ইউপি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

    বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রস্তুতি সভা শেষে এমনটা জানিয়েছেন তিনি।

  • ইমরানের মুক্তির দাবিতে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

    ইমরানের মুক্তির দাবিতে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

    পাকিস্তানে বন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ক্রিকেট অধিনায়ক ইমরান খানের মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংয়ের কাছে চিঠি দিয়েছেন দেশটির সাত সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন অ্যালান বোর্ডার, গ্রেগ চ্যাপেল, ইয়ান চ্যাপেল, বেলিন্ডা ক্লার্ক, কিম হিউজ, মার্ক টেলর ও স্টিভ ওয়াহ।

    তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কোনো কূটনীতিক বা রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে নয়, সাবেক অধিনায়ক হিসেবে ইমরান খানের বিষয়ে কথা বলার প্রয়োজন অনুভব করেই তারা এই উদ্যোগ নিয়েছেন।

    চিঠিতে তারা আরও জানিয়েছেন, ইমরান খানের বিরুদ্ধে চলমান আইনি বা রাজনৈতিক মামলার বিষয়ে তারা কোনো অবস্থান নিচ্ছেন না। সেটি পাকিস্তানের নিজস্ব বিষয় বলেই মনে করেন তারা। তবে কারও আটক অবস্থায় তার সঙ্গে কেমন আচরণ করা হচ্ছে, সেটি নিয়ে তাদের উদ্বেগ রয়েছে। তাদের মতে, ‘রাজনৈতিক অবস্থান যা-ই হোক, আটক থাকা যেকোনো ব্যক্তির সঙ্গে মানবিক আচরণ করা মৌলিক মানবিকতার বিষয়।’

    ইমরান খানের পক্ষে বিশ্ব ক্রিকেটের সাবেক তারকাদের এটাই সর্বশেষ উদ্যোগ। এর আগে গত ২৩ আগস্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২২ সাবেক আন্তর্জাতিক অধিনায়ক পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে চিঠি দিয়ে ইমরানের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তাদের দাবি ছিল, বর্তমানে ইমরানের চিকিৎসা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনার মান পূরণ করছে না।

    ওই চিঠিতে তিনটি নির্দিষ্ট দাবি জানানো হয়েছিল। প্রথমত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত চিকিৎসক বোর্ডকে ইমরানের নিজস্ব চিকিৎসকদের অন্তর্ভুক্ত করে তার স্বাস্থ্যের পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন মূল্যায়নের সুযোগ দিতে হবে। বিশেষ করে তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি হারানোর যে খবর এসেছে, সেটি গুরুত্ব দিয়ে পরীক্ষা করতে হবে। দ্বিতীয়ত, আদালতের নির্দেশে পুনর্বহাল করা সাপ্তাহিক পারিবারিক সাক্ষাৎ যেন কোনো বাধা বা প্রশাসনিক বিলম্ব ছাড়াই চালু রাখা হয়। তৃতীয়ত, চিকিৎসা পরীক্ষার ফল যা-ই হোক না কেন, চিকিৎসকদের সুপারিশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।

    এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ১৪ সাবেক আন্তর্জাতিক অধিনায়ক ইমরানের পক্ষে প্রথম চিঠি দিয়েছিলেন। এরপর পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার জাভেদ মিয়াঁদাদ, ওয়াসিম আকরাম ও মইন খানও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন। বর্তমান অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্সও ইমরানের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন।

    সর্বশেষ চিঠিতে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়করা উল্লেখ করেছেন, ইমরানের ছেলে ও বোনেরা কয়েক মাস ধরে প্রকাশ্যে তার স্বাস্থ্য ও কারাগারে তার সঙ্গে আচরণ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছেন। তাদের অভিযোগের মধ্যে রয়েছে সীমিত চিকিৎসাসেবা, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগে বাধা এবং আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ কম থাকা।

    ইমরানের বিষয়টি নিয়ে গত মাসে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতেরও অনুরোধ করেছিলেন গ্রেগ চ্যাপেল। তবে এখন পর্যন্ত তিনি কোনো জবাব পাননি।

  • ডাকসুর মেয়াদ বাড়ছে আরও ৩ মাস

    ডাকসুর মেয়াদ বাড়ছে আরও ৩ মাস

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) বর্তমান কমিটির এক বছরের মেয়াদ শেষ হলেও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আরও ৯০ দিন বা তিন মাস দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাচ্ছেন নির্বাচিত নেতারা। ফলে নতুন নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আপাতত দায়িত্বে থাকছে সহসভাপতি (ভিপি) আবু সাদিক কায়েম ও সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এসএম ফরহাদের নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিটি।

    গতকাল রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) ডাকসুর বর্তমান কমিটির এক বছরের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনো নতুন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেনি।

    এ কারণে গঠনতন্ত্রের বিধান অনুযায়ী অতিরিক্ত ৯০ দিন রুটিন দায়িত্ব পালন করবে বর্তমান কমিটি।

    ডাকসুর গঠনতন্ত্রের ৬ নম্বর অনুচ্ছেদের (গ) উপধারা অনুযায়ী, নির্বাচিত কমিটির মেয়াদ ৩৬৫ দিন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হলে আরও ৯০ দিন দায়িত্ব পালন করতে পারবেন নির্বাচিত নেতারা।

    তবে এই সময়ের দায়িত্ব মূলত রুটিন কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর দায়িত্ব পালন করলেও বর্তমান কমিটি কোনো গুরুত্বপূর্ণ বা নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না।

    সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এর মধ্যে নতুন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হলে বর্তমান কমিটির কার্যকারিতা শেষ হয়ে যাবে। তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই যে কোনো সময় দায়িত্ব ছাড়বেন বলে জানিয়েছেন বর্তমান কমিটির একাধিক নেতা।

    এদিকে, নতুন নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত ছাত্রত্ব থাকা সাপেক্ষে ডাকসু থেকে নির্বাচিত বর্তমান নেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

    উল্লেখ্য, দীর্ঘ ২৮ বছর পর ২০১৯ সালে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জয়ী হয়ে ১৪ সেপ্টেম্বর শিবির-সমর্থিত প্যানেলের নির্বাচিত নেতারা ডাকসুর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এক বছর পর গত ১৪ সেপ্টেম্বর তাদের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে নতুন নির্বাচন না হওয়ায় গঠনতন্ত্রের বিধান অনুযায়ী আরও তিন মাস রুটিন দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাচ্ছেন তারা।

  • স্থানীয় নির্বাচন : ২৬ মন্ত্রণালয়-বিভাগের সঙ্গে বৃহস্পতিবার ইসির বৈঠক

    স্থানীয় নির্বাচন : ২৬ মন্ত্রণালয়-বিভাগের সঙ্গে বৃহস্পতিবার ইসির বৈঠক

    স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে রেখে ২৬ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে আগামী বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

    সোমবার ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এ সংক্রান্ত চিঠি থেকে বিষয়টি জানা গেছে। ইতোমধ্যে চিঠিটি সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে।

    এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ নির্বাচনী এলাকার শূন্য আসনের নির্বাচন এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের নির্বাচন উপলক্ষে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রস্তুতিমূলক সভা আগামী বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে।

    প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে সভায় নির্বাচন কমিশনাররা উপস্থিত থাকবেন।

    যে ২৬ মন্ত্রণালয়, সংস্থা বা বিভাগের সঙ্গে সভা

    মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, (ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর পরিচালক বা উপযুক্ত কর্মকর্তাকে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হলো), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মহাপুলিশ পরিদর্শক, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয়, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

    এ ছাড়া প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন, মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ/কোস্টগার্ড/আনসার ও ভিডিপি/ডিজিএফআই/এনএসআই/এনটিমসি, বাংলাদেশ ডাক বিভাগ, হেড অব বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট, বাংলাদেশ ব্যাংককেও বৈঠকে থাকতে বলা হয়েছে।

    ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, নভেম্বরের মাঝামাঝি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পরে অন্য নির্বাচন করবে ইসি। এ ছাড়া ঠাকারগাঁও-১ আসনের উপ-নির্বাচন হবে ২৯ অক্টোবর।