ডেঙ্গু

  • ডেঙ্গুতে আরো ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৮২

    ডেঙ্গুতে আরো ৯ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৮২

    ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় নয়জন মারা গেছেন। এ সময় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৯৮২ জন ভর্তি হয়েছেন।

    বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এনিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট ৪০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে অক্টোবরেই মারা গেছেন ১৬৪ জন। এছাড়া সেপ্টেম্বরে ১৪৮ জন, আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে একজন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৯৭১ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার ২১৯ জনে। এ পর্যন্ত মোট ১ লাখ ২৩ হাজার ৬০৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে ৮১৬ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ৩১৩ জন, খুলনায় ২১৪ জন, বরিশালে ১৯৪ জন, রাজশাহীতে ২১৭ জন, ময়মনসিংহে ৮৪ জন এবং রংপুরে ১১৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

  • ডেঙ্গুতে ১০ মাসে ৪০০প্রাণহানি

    ডেঙ্গুতে ১০ মাসে ৪০০প্রাণহানি

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরো ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা চলতি বছরে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। এর আগে একদিনে সবচেয়ে বেশি ১০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। একই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২,০৭১ জন।

    মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮ টা পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দুই সিটি করপোরেশনসহ ঢাকা বিভাগে ৮৯৯ জন, বরিশাল বিভাগে ২১৭ জন, চট্টগ্রামে ২৪১ জন, খুলনায় ২৫০ জন, ময়মনসিংহে ৯৭ জন, রাজশাহীতে ২২৯ জন, রংপুরে ১১২ জন এবং সিলেটে ২৬ জন ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া বর্তমানে হাসপাতাল অসুস্থ হয়ে ভর্তি রয়েছে ৬,৪১৫ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ২৮ হাজার ২৩৭ জনে। আর এ বছরে মোট মৃত্যু হয়েছে ৪০০ জনের। মৃতদের মধ্যে জানুয়ারিতে ২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২ জন, মে মাসে একজন, জুনে ১৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, আগস্টে ৪৩ জন এবং সেপ্টেম্বরে ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর এখন পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে মোট ছাড়পত্র পেয়েছে ১ লাখ ২১ হাজার ৪২২ জন।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, নতুন  ভর্তি ২২১৮

    ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ২২১৮

    সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়– রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৮৯ জনে।

    স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২৩২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৪০ জন, ঢাকা বিভাগে ৯৪২ জন, খুলনা বিভাগে ২৮৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১২১ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৪৬ জন, রংপুর বিভাগে ১১৩ জন এবং সিলেট বিভাগে ৪০ জন রয়েছেন।

    এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৬ হাজার ১৬৬ জনে। এদের মধ্যে ১ লাখ ১৯ হাজার ৩৯৩ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ২২৪৯

    ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ২২৪৯

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরো সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২২৪৯ জন।

    রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়— গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২১১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১৭ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ৬০৫ জন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ২২৭ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ২০১ জন, খুলনা বিভাগে ২৯৭ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৫৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ২২৪ জন, রংপুর বিভাগে ৮২ এবং সিলেট বিভাগে ৩০ জন রয়েছেন।

    এ নিয়ে চলতি বছরে ৩৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪৮ জন।

  • ডেঙ্গু-পরবর্তী শিশুর ফলোআপ

    ডেঙ্গু-পরবর্তী শিশুর ফলোআপ

    হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র (Discharge) পাওয়ার পর ডেঙ্গু আক্রান্ত শিশুর ফলোআপের সময়সূচি সাধারণত শিশুর শারীরিক অবস্থা, ডেঙ্গুর তীব্রতা এবং চিকিৎসকের পরামর্শের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়। সবার জন্য একই সময়সূচি প্রযোজ্য নয়। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়ার সময় চিকিৎসক যে নির্দেশনা দেন, তা অনুসরণ করা জরুরি।

    প্রথম ফলোআপ

    ছাড়পত্র পাওয়ার পর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ফলোআপ করাতে হবে। বাড়ি ফেরার পর শিশুর শারীরিক অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা জরুরি। রক্তে প্লেটলেটের মাত্রা, হেমাটোক্রিট এবং সার্বিক দুর্বলতা বা পানিশূন্যতার কোনো লক্ষণ আছে কি না—তা মূল্যায়ন করা প্রয়োজন হতে পারে। শিশুর অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসক রক্তের পরীক্ষা বা অন্যান্য পরীক্ষার পরামর্শ দিতে পারেন।

    দ্বিতীয় ফলোআপ

    জ্বর পুরোপুরি কমে যাওয়ার পর এবং বাড়ি ফেরার এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে প্রয়োজন অনুযায়ী আরেকটি ফলোআপ করা যেতে পারে। এ সময় শিশু স্বাভাবিক খাবারে ফিরছে কি না—অতিরিক্ত দুর্বলতা বা চুল পড়ার মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে কি না এবং রক্তের উপাদানগুলোর মাত্রা স্বাভাবিক হয়েছে কি না, তা মূল্যায়ন করা হয়। প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূর্ণ রক্ত গণনা (সিবিসি) বা অন্যান্য পরীক্ষা করানো হতে পারে।

    বিশেষ ক্ষেত্রে করণীয়

    শিশু অত্যন্ত দুর্বল থাকলে, রক্তে প্লেটলেট বা হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কম থাকলে কিংবা লিভার বা অন্য কোনো অঙ্গে জটিলতা দেখা দিলে চিকিৎসক ঘন ঘন ফলোআপের পরামর্শ দিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে প্রতি দুই থেকে তিন দিন পরপর বা পরিস্থিতি অনুযায়ী আরো দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যেতে হতে পারে। ফলোআপের নির্দিষ্ট তারিখ ও নির্দেশনা হাসপাতালের ছাড়পত্রে (Discharge Certificate) উল্লেখ থাকলে তা অনুসরণ করতে হবে।

    শারীরিক ও মানসিক জটিলতা

    ডেঙ্গু থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার পরও কিছু শিশুর শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। ডেঙ্গু-পরবর্তী সময়ে ক্লান্তি, দুর্বলতা, ক্ষুধামান্দ্য ও মনোযোগের ঘাটতির মতো সমস্যা থাকতে পারে। এসব সমস্যা সব শিশুর ক্ষেত্রে দেখা যায় না। লক্ষণ দীর্ঘস্থায়ী হলে বা শিশুর স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটালে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

    ১. চরম ক্লান্তি ও দুর্বলতা

    ডেঙ্গু-পরবর্তী সময়ে শিশুদের মধ্যে ক্লান্তি ও অবসাদ দেখা দিতে পারে। সামান্য হাঁটাচলা বা খেলাধুলা করলেও তারা ক্লান্ত হয়ে পড়তে পারে এবং আগের মতো শক্তি ফিরে পেতে সময় লাগতে পারে।

    দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক দুর্বলতা ও ক্লান্তি (Chronic Fatigue) কিছু রোগীর ক্ষেত্রে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে। তবে ডেঙ্গু থেকে সেরে ওঠা ৬০-৭০ শতাংশ শিশুর মধ্যে এ সমস্যা দেখা যায়—এমন নির্দিষ্ট পরিসংখ্যানের নির্ভরযোগ্য সূত্র ছাড়া তা নিশ্চিতভাবে উল্লেখ করা উচিত নয়। ক্লান্তির কারণ নির্ধারণে শিশুর শারীরিক অবস্থা ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার ফল মূল্যায়ন করা জরুরি।

    ২. লিভারের সমস্যা

    ডেঙ্গুর কারণে লিভারের এনজাইম—এসজিপিটি ও এসজিওটি বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে জ্বর কমার পরও কিছু শিশুর ক্ষুধামান্দ্য, পেটের ওপরের ডান দিকে অস্বস্তি বা ব্যথা এবং হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এসব লক্ষণ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজন অনুযায়ী লিভারের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হতে পারে।

    ৩. চুল পড়া

    জ্বর কমার কিছুদিন পর কোনো কোনো শিশুর চুল পড়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। এটি অসুস্থতা ও শারীরিক ধকলের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। সাধারণত এ ধরনের চুল পড়া সাময়িক হয় এবং কয়েক মাসের মধ্যে ধীরে ধীরে কমে আসতে পারে। তবে চুল পড়া অতিরিক্ত হলে বা দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

    ৪. ক্ষুধামান্দ্য ও রুচি কমে যাওয়া

    ডেঙ্গু থেকে সেরে ওঠার পর কিছু শিশুর ক্ষুধা ও খাবারের প্রতি আগ্রহ কমে যেতে পারে। অসুস্থতার কারণে শরীর দুর্বল থাকলে স্বাভাবিক খাবারে ফিরতে সময় লাগতে পারে। পর্যাপ্ত পুষ্টি না পেলে দুর্বলতা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। তাই শিশুকে অল্প অল্প করে বারবার পুষ্টিকর খাবার দেওয়া এবং পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

    ৬. পেশি ও গিঁটেব্যথা

    ডেঙ্গুর তীব্র জ্বর কমে যাওয়ার পরও কিছু শিশুর হাত-পা, মাংসপেশি ও গিঁটে হালকা ব্যথা বা আড়ষ্টতা কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে। ব্যথা তীব্র হলে, বাড়তে থাকলে বা শিশুর চলাফেরায় সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    ৭. রক্তস্বল্পতা ও প্লেটলেটের মাত্রা কমে যাওয়া

    ডেঙ্গুর সময় রক্তের বিভিন্ন উপাদানের মাত্রায় পরিবর্তন হতে পারে। কোনো কোনো শিশুর হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে গেলে ফ্যাকাশে ভাব, দুর্বলতা বা ক্লান্তি দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে, ডেঙ্গু থেকে সেরে ওঠার সময় সাধারণত প্লেটলেটের মাত্রা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসে। তবে রক্তের পরীক্ষার ফল ও শিশুর শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন। শুধু প্লেটলেটের সংখ্যা নয়, শিশুর সামগ্রিক অবস্থাও বিবেচনা করা জরুরি।

    ৮. রোগ প্রতিরোধক্ষমতা

    ডেঙ্গু থেকে সেরে ওঠার পর সব শিশুর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যায়—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ নেই। তবে অসুস্থতার পর কিছুদিন দুর্বলতা ও ক্লান্তি থাকতে পারে। এ সময়ে শিশুর পর্যাপ্ত বিশ্রাম, সুষম খাবার এবং প্রয়োজনীয় তরল গ্রহণ নিশ্চিত করা উচিত। নতুন কোনো সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

    পরামর্শ

    শিশুকে পর্যাপ্ত তরল ও সুষম খাবার দিতে হবে। বয়স ও শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী পানি, খাবার স্যালাইন, স্যুপ এবং অন্যান্য উপযুক্ত তরল দেওয়া যেতে পারে। ফল, শাকসবজি, ডিম, মাছ ও খিচুড়ির মতো পুষ্টিকর খাবার শিশুর সহনশীলতা অনুযায়ী দেওয়া যেতে পারে। শিশুকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে দিতে হবে এবং সুস্থ হয়ে ওঠার আগপর্যন্ত জোর করে পড়াশোনা, খেলাধুলা বা ভারী কোনো কাজে ব্যস্ত রাখা উচিত নয়।

    এ সময় শিশুর মানসিক ও শারীরিক যত্ন অত্যন্ত জরুরি।

  • ডেঙ্গুতে আরো ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৯৮

    ডেঙ্গুতে আরো ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৯৮

    সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৮৯৮ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ৩৭৬ জনে। অন্যদিকে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়ে গেল ১ লাখ ২১ হাজার ৬৯৯ জন।

    শনিবার স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এর আগে গত বছর সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন। মারা যান ৪১৩ জন। ২০২৪ সালে আক্রান্ত হন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মারা যান ৫৭৫ জন।

  • ২৪ ঘণ্টায় হাম ও ডেঙ্গুতে ১০ জনের মৃত্যু

    ২৪ ঘণ্টায় হাম ও ডেঙ্গুতে ১০ জনের মৃত্যু

    সারা দেশে হাম ও ডেঙ্গুর প্রকোপে বাড়ছে প্রাণহানি। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে সাতজন এবং ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দুই রোগে আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৪৩৪ জন। এর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ১ হাজার ১৩৫ জনের শরীরে, আর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ২৯৯ জন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম ও ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি তিনজনের মৃত্যু হয়েছে সিলেট বিভাগে। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগে দুজন এবং চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে মারা গেছেন।

    এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট ১ হাজার ২১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০৪ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১১০ জন মারা গেছেন।

    গত একদিনে নতুন করে ২৫ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে ১ হাজার ১১০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। সব মিলিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ২৩ হাজার ২৭৩ জনের। আর সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮৭০ জনে।

    অন্যদিকে, ডেঙ্গুতেও বাড়ছে মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় এ রোগে আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগের সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরের দুজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগের সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরের একজন রয়েছেন।

    এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৩৭১ জনে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ২৯৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৫১২

    ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৫১২

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরো ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১,৫১২ জন। এই নিয়ে চলতি মাসের ২২ দিনে মৃত্যু হয়েছে ১২৩ জনের এবং মোট আক্রান্ত হয়েছে ৩৮ হাজার ৮৮২ জন।

    বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে সকাল ৮ টা বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিভাগে ২৩১ জন, চট্টগ্রামে ২৯৪ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২৫০ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১১১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৪৬ জন, খুলনায় ২০৬ জন, ময়মনসিংহে ৬০ জন, রাজশাহীতে ১৬২ জন, রংপুরে ৪৪ জন এবং সিলেটে ৮ জন ভর্তি হয়েছেন। এই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছে ১,৪৫৫ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ১৮ হাজার ৫০২ জনে। আর এ বছরে মোট মৃত্যু হয়েছে ৩৬৮ জনের। মৃতদের মধ্যে জানুয়ারিতে ২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২ জন, মে মাসে একজন, জুনে ১৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, আগস্টে ৪৩ জন এবং সেপ্টেম্বরে ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু মোট আক্রান্তদের মধ্যে ৬২.১ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭.৯ শতাংশ নারী ।

  • ডেঙ্গুতে আরএ ৭ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩৭৩

    ডেঙ্গুতে আরএ ৭ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩৭৩

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৭ জন মারা গেছেন। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৩৭৩ জন।

    বুধবার (২১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৭ জন মারা গেছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৩৬৪ জন মারা গেছেন।এছাড়া, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ১৬ হাজার ৯৯০ জন।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৫ মৃত্যু, হামের উপসর্গে প্রাণ গেল ৩ শিশুর

    ডেঙ্গুতে আরও ৫ মৃত্যু, হামের উপসর্গে প্রাণ গেল ৩ শিশুর

    দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণের পাশাপাশি বাড়ছে হাম ও এর উপসর্গের প্রকোপ। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৩৬৬ জন। একই সময়ে হাম ও এর উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৫৯ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫১৫ জন ঢাকা বিভাগের (সিটি করপোরেশনের বাইরে) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া বরিশালে ১৯১, খুলনায় ১৪১, রাজশাহীতে ১২৮, ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ১১৩, চট্টগ্রামে ১০৫, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১১০, ময়মনসিংহে ৮০, রংপুরে ৭২ এবং সিলেটে ১১ জন ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ হাজার ৪১৫ জন।

    চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৬১৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩৫৭ জনের। এর মধ্যে অক্টোবরের প্রথম ২০ দিনে মারা গেছেন ১১২ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৯৭ জন। আক্রান্তদের ৬২ দশমিক ১ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭ দশমিক ৯ শতাংশ নারী।

    অন্যদিকে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ২১৭ শিশু আক্রান্ত হয়েছে। নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে আরও ৪২ জনের। এ সময়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগের তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    গত ১৫ মার্চ থেকে ২০ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে দেশে মোট ১ হাজার ২০৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০৪ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১০০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

    এ সময়ে হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৯৬৭। এর মধ্যে সন্দেহজনক রোগী ২ লাখ ১৫ হাজার ৭৬৮ জন এবং নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ২৩ হাজার ১৯৯ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৪৯৯ জনের হামের উপসর্গ দেখা গেছে এবং নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ৩৪ জনের। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ১৬৮ শিশু।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু; মোট মৃত্যু ৩৫২

    ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু; মোট মৃত্যু ৩৫২

    এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৮৫১ জন। এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৩৫২ জনের মৃত্যু হলো।

    সোমবার (১৯ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গু সংক্রান্ত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এই ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে নতুন করে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৫১ জন। এর ফলে চলতি বছরে হাসপাতালে ভর্তি মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ১৪ হাজার ২৫১ জন। তাদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এক লাখ সাত হাজার ৮৬৫ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৯২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২২০, ঢাকা বিভাগে সিটি করপোরেশনের বাইরে ৩৬৩, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৪৮, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২৩১, খুলনা বিভাগে ২৫৩, ময়মনসিংহ বিভাগে ৯২, রাজশাহী বিভাগে ২৩৩, রংপুর বিভাগে ৯৩ এবং সিলেট বিভাগে ২৬ জন রয়েছেন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে একজন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে দুইজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে সিটি করপোরেশনের বাইরে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন  আক্রান্ত ২ হাজার ৮৮

    ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ২ হাজার ৮৮

    গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরো ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৮৮ জন।

    রোববার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়— গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৯৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬১ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ৫৯৫ জন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ২৩২ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ২৩১ জন, খুলনা বিভাগে ২৯০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ২০০ জন, রংপুর বিভাগে ৭২ জন এবং সিলেট বিভাগে রয়েছেন ১৫ জন।

    এ নিয়ে চলতি বছরে ৩৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৪০০ জন।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৮৭২

    ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৮৭২

    সারাদেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৭২ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

  • ডেঙ্গুতে আরো ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৮১

    ডেঙ্গুতে আরো ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৮১

    দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত এ রোগে আক্রান্ত হয়ে আরো চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩৫ জনে।

    একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন নতুন করে ১ হাজার ১৮১ জন। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ৪৪০ জনে। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ২ হাজার ২১০ জন।

    শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তি ও মৃত্যুর এই তথ্য পাওয়া গেছে।

  • ডেঙ্গুতে আরও ১০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার

    ডেঙ্গুতে আরও ১০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার

    দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ ও মৃত্যুর ধারা অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯৪৩ জন।

    বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩১ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে অক্টোবরের প্রথম ১৪ দিনেই মারা গেছেন ৮৬ জন। এর আগে সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুতে ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়, যা চলতি বছরের কোনো এক মাসে সর্বোচ্চ মৃত্যুর ঘটনা। এছাড়া আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে একজন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে মারা যান।

    বুলেটিনে বলা হয়েছে, বুধবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ১ হাজার ৯৪৩ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ২৫৯ জনে।

    বিভাগভিত্তিক হিসাবে, চট্টগ্রামে ২৫৬ জন, খুলনায় ২৩৪ জন, রাজশাহীতে ২৩০ জন, বরিশালে ১৯৫ জন, ময়মনসিংহে ১০০ জন, রংপুরে ৭০ জন এবং সিলেটে ১১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় চারজন এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় তিনজন রয়েছেন। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে দুজন ও ঢাকা বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

    অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ হাজার ৮৩০ জন। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন মোট ১ লাখ ১ হাজার ৩১ জন।

  • ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ভর্তি লাখ ছাড়াল, মৃত্যু ৩০৭

    ডেঙ্গুতে হাসপাতালে ভর্তি লাখ ছাড়াল, মৃত্যু ৩০৭

    দেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত মোট ৩০৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    সোমবার (১২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ডেঙ্গু-সংক্রান্ত ড্যাশবোর্ড থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

    একই সময়ে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন দুই হাজার ১৬৭ জন। এর ফলে এবার মোট ভর্তি হলেন এক লাখ এক হাজার ৪৪২ জন।

    মোট মারা যাওয়া ব্যক্তিদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ৩০৭ জনের মধ্যে নারী ৫১ দশমিক ৩ শতাংশ এবং পুরুষ ৪৮ দশমিক ৭ শতাংশ।

    মাসের হিসাব অনুযায়ী, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে, মার্চ ও এপ্রিলে শূন্য, মে মাসে এক ও জুনে ১৩ জন প্রাণ হারান। এরপর পরিস্থিতির অবনতি হতে থাকে। জুলাইয়ে ৩৬ এবং আগস্টে ৪৩ জন মারা যান।

    সেই তুলনায় সেপ্টেম্বরে অবস্থার আরও অবনতি ঘটে। প্রাণহানি হয় ১৪৮ জনের। আর চলতি অক্টোবরে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৬২ জনের। এর মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ ১০ জন মারা যান ৬ অক্টোবর।

    রোগীর মাসভিত্তিক হিসাবমতে, অক্টোবরে এখন পর্যন্ত ২১ হাজার ৮২২ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আগের মাস সেপ্টেম্বরে এই সংখ্যা ছিল ৪৩ হাজার ৭৭৪ জন।

    এর আগে জানুয়ারিতে এক হাজার ৮১, ফেব্রুয়ারিতে ৪০৯, মার্চে ৩৫৩, এপ্রিলে ৬৪০, মে মাসে ৭১৪, জুনে দুই হাজার ৯০৭, জুলাইয়ে নয় হাজার ২০৬ ও আগস্টে ২০ হাজার ৫৩৬ জন হাসপাতালে আসেন। তাদের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৩৩১ জন।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু

    ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চার জনের মৃত্যু হয়েছে।

    সোমবার (১২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত ডেঙ্গু সংক্রান্ত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।

    স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ১৬৭ জন। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ এক হাজার ৪৪২ জন। এছাড়া চলতি বছরে ডেঙ্গুতে সারাদেশে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৩০৭ জন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৮৪ জন মারা গেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায়। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা বিভাগে।

  • ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছেই, মৃত্যু ৩০০ ছাড়াল

    ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছেই, মৃত্যু ৩০০ ছাড়াল

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও চারজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে চলতি বছরের সর্বোচ্চ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ১৯৩ জন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট ৩০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    রোববার (১১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরের প্রথম ১০ দিনে মারা গেছে ৫৮ জন। এছাড়া সেপ্টেম্বরে সর্বোচ্চ ১৪৮ জন, আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে একজন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

    বুলেটিনে বলা হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২ হাজার ১৯৩ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৯ হাজার ২৭৫ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ হাজার ৭৯৬ জন। এ পর্যন্ত মোট ৯২ হাজার ৪০৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে, ১ হাজার ৩০ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ২৯৩ জন, খুলনায় ৩০৪ জন, বরিশালে ২৩৬ জন, রাজশাহীতে ১৬০ জন, ময়মনসিংহে ৭০ জন এবং রংপুরে ৮৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

  • ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও একজনের, আক্রান্ত ১,৩০০

    ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও একজনের, আক্রান্ত ১,৩০০

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। আর একই সময়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১,৩০০ জন। এই নিয়ে চলতি মাসের ৯ দিনে মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের এবং মোট আক্রান্ত হয়েছে ১৫ হাজার ৮৩১ জন।

    শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮ টা পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিভাগে ১৪১ জন, চট্টগ্রামে ৩১৮ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৪৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৩৫ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৩৬ জন, খুলনায় ২৭৪ জন, ময়মনসিংহে ৬৯ জন, রংপুরে ৮০ জন এবং সিলেটে ৪ জন ভর্তি হয়েছেন। এই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছে ১,১৭২ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৫ হাজার ৪৫১ জনে। আর এ বছরে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৯৫ জনের।

    মৃতদের মধ্যে জানুয়ারিতে ২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২ জন, মে মাসে একজন, জুনে ১৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, আগস্টে ৪৩ জন এবং সেপ্টেম্বরে ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু মোট আক্রান্তদের মধ্যে ৬২.৩ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭.৭ শতাংশ নারী ।

  • ডেঙ্গু প্রতিরোধে জিয়া উদ্যানে সচেতনতা ক্যাম্প

    ডেঙ্গু প্রতিরোধে জিয়া উদ্যানে সচেতনতা ক্যাম্প

    রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে চন্দ্রিমা উদ্যানে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ডেঙ্গু সচেতনতা ক্যাম্প ২০২৬’। নগর উন্নয়ন ফোরাম ঢাকার উদ্যোগে এই ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) জামায়াতে ইসলামীর মেয়র পদপ্রার্থী ও নগর উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি এই ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘ডেঙ্গু আমাদের জন্য এখন এক বড় উদ্বেগের বিষয়। সরকার ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে। আমরা চাই, এসব উদ্যোগ যথাযথভাবে তদারকি করা হোক।’

    তিনি বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, হাসপাতালগুলোতে বেডের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে, চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এবং ডেঙ্গু কর্নার খোলা হয়েছে। আমরা চাই, বাস্তবে এসব উদ্যোগের সক্ষমতা কতটুকু বেড়েছে, তা যথাযথভাবে তদারকি করা হোক। মানুষ যেন সঠিকভাবে চিকিৎসা পায়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।’

    সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘ডেঙ্গু আমাদের আশপাশেই রয়েছে। সুতরাং শুধু সরকার একা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না। আমাদেরও দায়িত্ব নিতে হবে। আমাদের আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে, যেন কোনোভাবেই পানি জমে থাকতে না পারে। এই কাজ শুরু করতে হবে আমাদের নিজ নিজ ঘর থেকেই।’

    বাংলাদেশের চিকিৎসাব্যবস্থার উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে সেলিম উদ্দিন বলেন, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের চিকিৎসাব্যবস্থা অনেক উন্নত। তুরস্ক সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, সেখানকার হাসপাতালগুলোর চিকিৎসাব্যবস্থা দেখে তিনি মুগ্ধ হয়েছেন। বাংলাদেশের চিকিৎসাব্যবস্থাও ভবিষ্যতে এমন উন্নত ও জনবান্ধব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    তিনি বলেন, ‘আমাদের নেতৃত্ব এমনভাবে ঠিক করতে হবে, যারা আগামী দিনে আমাদের জন্য সুন্দর একটি দেশ গঠনে ভূমিকা রাখতে পারেন।’

    থানা আমির আবু সাঈদ মণ্ডলের সভাপতিত্বে এবং থানা সেক্রেটারি তারিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য হেমায়েত হোসেন ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ।

    এদিকে দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ সপ্তাহের অংশ হিসেবে রাজধানীর মিরপুরে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে মশক নিধন ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

  • ডেঙ্গু রোগীদের করণীয়

    ডেঙ্গু রোগীদের করণীয়

    ডেঙ্গুর সাধারণ লক্ষণ

    • হঠাৎ তীব্র জ্বর (১০১ থেকে ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে) অথবা মৃদু জ্বর ১০০-১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইট হতে পারে।

    • তীব্র মাথাব্যথা ও চোখের পেছনের অংশে ব্যথা।

    • শরীর, হাড় ও মাংসপেশিতে প্রচণ্ড ব্যথা।

    • ত্বকে লালচে র‍্যাশ (Rash) বা দানা ওঠা।

    • বমি বমি ভাব, বমি হওয়া বা রুচি কমে যাওয়া।

    জ্বর কমার পরও যদি তীব্র পেটব্যথা, একটানা বমি, মাড়ি বা নাক দিয়ে রক্তপাত, শ্বাসকষ্ট কিংবা প্রচণ্ড দুর্বলতা দেখা দেয়—তবে কালবিলম্ব না করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে।

    আক্রান্ত হলে করণীয়

    পর্যাপ্ত বিশ্রাম : রোগীকে পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে।

    তরল খাবার : প্রচুর পরিমাণে পানি, ডাবের পানি, ওআরএস (খাবার স্যালাইন), লেবুর শরবত ও স্যুপজাতীয় তরল খাবার খাওয়াতে হবে।

    জ্বর নিয়ন্ত্রণ : জ্বর কমাতে শুধু প্যারাসিটামলজাতীয় ওষুধ সেবন করা যাবে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অন্য কোনো ওষুধ খাওয়া যাবে না।

    বর্জনীয় ওষুধ : কোনোভাবেই ব্যথানাশক ওষুধ (NSAIDs), যেমন—আইবুপ্রোফেন, নাপ্রোক্সেন বা ডাইক্লোফেনাক খাওয়া যাবে না। এতে শরীরের ভেতরে রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ে।

    অ্যান্টিবায়োটিক নয় : ডেঙ্গু একটি ভাইরাসজনিত রোগ, তাই এতে অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো ভূমিকা নেই।

    ঘরোয়া পদক্ষেপ

    • টব, ডাবের খোসা, প্লাস্টিকের পাত্র, এসি বা ফ্রিজের নিচে তিন দিনের বেশি পানি জমতে দেবেন না।

    • দিনে কিংবা রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করুন।

    • যথাসম্ভব ফুলহাতা জামা ও লম্বা প্যান্ট পরিধান করুন।

    • উন্মুক্ত স্থানে যাওয়ার সময় অ্যারোসল, মসকিউটো রিপেলেন্ট ক্রিম বা কয়েল ব্যবহার করতে পারেন।

    পরামর্শ : ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে শুরুতেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে রক্তের এনএস১ (NS1) বা সিবিসি (CBC) পরীক্ষা করিয়ে নিন এবং আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকুন।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৮৬০

    ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৮৬০

    দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব আরও আশঙ্কাজনক রূপ নিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৬০ জন রোগী। বুধবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু

    ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের মৃত্যু

    সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৯ জন মারা গেছেন। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯০২ জন। সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মারা যাওয়া ৯ জনের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ ও চারজন নারী। তাঁদের তিনজন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার, দুজন বরিশাল বিভাগের এবং একজন করে চট্টগ্রাম, খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের।

    রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২০৬ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২২৩ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪০১ জন, বরিশাল বিভাগে ২১৬ জন, চট্টগ্রামে ২৭২ জন, খুলনায় ৩০৬ জন, ময়মনসিংহে ৯৮ জন, রাজশাহীতে ১০৫ জন, রংপুরে ৬৬ জন এবং সিলেটে ৯ জন রয়েছেন। এই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ হাজার ৯৮৮ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৬০ জন এবং মারা গেছেন ২৭১ জন। এর মধ্যে চলতি অক্টোবরের পাঁচ দিনে ভর্তি হয়েছেন ৮ হাজার ৭৪০ জন, মৃত্যু হয়েছে ২৬ জনের।

  • গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গুতে আরও ছয় জনের মৃত্যু

    গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গুতে আরও ছয় জনের মৃত্যু

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরো ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর একই সময়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২,০৮৯ জন। এই নিয়ে চলতি মাসের ৪ দিনে মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের এবং মোট আক্রান্ত হয়েছে ৬ হাজার ৮৩৮ জন।

    রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮ টা পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিভাগে ২০৩ জন, চট্টগ্রামে ৩২৪ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৫১৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১০৬ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৯৬ জন, খুলনায় ৩৩০ জন, ময়মনসিংহে ৯৯ জন, রাজশাহীতে ২২৮ জন, রংপুরে ৮৩ জন এবং সিলেটে ১০ জন ভর্তি হয়েছেন। এই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছে ১,৮৬৫ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৬ হাজার ৪৫৮ জনে। আর এ বছরে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৬২ জনের। মৃতদের মধ্যে জানুয়ারিতে ২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২ জন, মে মাসে একজন, জুনে ১৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন এবং আগস্টে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    এছাড়াও এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু মোট আক্রান্তদের মধ্যে ৬২.৩ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭.৭ শতাংশ নারী ।

  • ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৬০৮

    ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১,৬০৮

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরো ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর একই সময়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১,৬০৮ জন। সব মিলিয়ে চলতি মাসের তিন দিনে মোট ১১ জনের মৃত্যু এবং মোট আক্রান্ত হয়েছে ৪ হাজার ৭৪৯ জন।

    শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮ টা পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিভাগে ২১৫ জন, চট্টগ্রামে ৩১৯ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৩১ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২২৩ জন, খুলনায় ২৭৬ জন, ময়মনসিংহে ৭৯ জন, রাজশাহীতে ১৩২ জন এবং রংপুরে ৬২ জন ভর্তি হয়েছেন। এই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছে ১,৬২১জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৪ হাজার ৩৬৯ জনে। আর এ বছরে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৫৬ জনের। মৃতদের মধ্যে জানুয়ারিতে ২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২ জন, মে মাসে একজন, জুনে ১৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন আগস্টে ৪৩ জন এবং সেপ্টেম্বরে ১৪৮ মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু মোট আক্রান্তদের মধ্যে ৬২.৪ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭.৬ শতাংশ নারী ।

  • ডেঙ্গু পরীক্ষায় ৫ লাখ কিট দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

    ডেঙ্গু পরীক্ষায় ৫ লাখ কিট দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

    বাংলাদেশে চলমান ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলায় রোগী শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় সহায়তা হিসেবে পাঁচ লাখ ডেঙ্গু এনএস১ র‍্যাপিড ডায়াগনস্টিক টেস্ট কিট দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত স্ট্রাইডস কার্যক্রমের মাধ্যমে এসব কিট দেওয়া হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার রাজধানীর কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের কাছে কিটগুলো হস্তান্তর করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) তৃষিতা মওলা।এ সময় ডেঙ্গু পরীক্ষার কিটগুলো দ্রুত সারা দেশে বিতরণের নির্দেশ দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যানজট ও যাতায়াতের সুবিধার কথা বিবেচনা করে হস্তান্তর অনুষ্ঠানটি কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতালে আয়োজন করা হয়েছে। তবে হস্তান্তর করা সব কিট সরাসরি কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে (সিএমএসডি) জমা হবে। পরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে চাহিদা অনুযায়ী দেশের সব জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে এসব কিট পৌঁছে দেওয়া হবে।

    সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নতুন পাওয়া কিটের পাশাপাশি সরকারি খাতেও বর্তমানে পর্যাপ্ত ডেঙ্গু অ্যান্টিজেন কিট ও আইভি স্যালাইন মজুদ রয়েছে। ফলে দেশের যেকোনো অঞ্চলে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য বিভাগ প্রস্তুত রয়েছে।

    বাংলাদেশে ডেঙ্গু ভ্যাকসিন চালুর বিষয়ে সরকারের চিন্তাভাবনা রয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভ্যাকসিনটির ব্যয় বেশি হওয়ায় এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি। এ বিষয়ে ডব্লিউএইচও, ইউনিসেফ ও গ্যাভির সঙ্গে আলোচনা চলছে। আন্তর্জাতিক নির্দেশিকা অনুসরণ করে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান, কুর্মিটোলা মাল্টিকেয়ার স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাইদুর রহমান, মার্কিন দূতাবাস ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    পরে তারা হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ড ও রোগনির্ণয় পরীক্ষাগার ঘুরে দেখেন।

  • ডেঙ্গুতে আরো ৪ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৯৭৮

    ডেঙ্গুতে আরো ৪ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৯৭৮

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরো ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর একই সময়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১,৯৭৮ জন। সব মিলিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৪৯ জনের এবং মোট আক্রান্ত হয়েছে ৮১ হাজার ৫৯৮ জন।

    বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টা পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিভাগে ২৬০ জন, চট্টগ্রামে ৩৫৮ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩২৮ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৮০ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৭৬ জন, খুলনায় ২৫৬ জন, ময়মনসিংহে ৯৪ জন, রাজশাহীতে ২০৯ জন, রংপুরে ১০১ জন এবং সিলেটে ১৬ জন ভর্তি হয়েছেন। এই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছে ১,৮০৯ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছরে মৃতদের মধ্যে জানুয়ারিতে ২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২ জন, মে মাসে একজন, জুনে ১৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, আগস্টে ৪৩ এবং সেপ্টেম্বরে ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু মোট আক্রান্তদের মধ্যে ৬২.৫ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭.৫ শতাংশ নারী ।

  • ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ জনের মৃত্যু

    ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ জনের মৃত্যু

    দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ পরিস্থিতি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯৪৮ জন। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪৫ জনে।

    আর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৭৯ হাজার।

    বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯৪৮ জন। এ নিয়ে চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ৭৯ হাজার ৬২০ জন।

    একই সময়ে ডেঙ্গুতে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে চলতি বছরে এ রোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৪৫ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্ষা মৌসুমে সাধারণত ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে দেখা যায়। এ সময় এডিস মশার বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বাড়ে।

    ফলে জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা, বমি বা দুর্বলতার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পরামর্শ দেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

    ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের পাশাপাশি বাড়ি ও আশপাশের জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, নির্মাণাধীন ভবনের বিভিন্ন স্থানসহ যেখানে পানি জমে থাকতে পারে, সেসব জায়গা পরিষ্কার রাখার পরামর্শ রয়েছে।

    এদিকে, হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা প্রতিদিন বাড়তে থাকায় ডেঙ্গু মোকাবিলায় চিকিৎসাব্যবস্থা ও মশকনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • ডেঙ্গুতে ২৯ দিনে ১৪২ জনের মৃত্যু

    ডেঙ্গুতে ২৯ দিনে ১৪২ জনের মৃত্যু

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরো ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১,৯৪২ জন। সব মিলিয়ে চলতি মাসের ২৯ দিনে মৃত্যু হয়েছে ১৪২ জনের এবং মোট আক্রান্ত হয়েছে ৪১ হাজার ৮২৬ জন।

    মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিভাগে ২১৩ জন, চট্টগ্রামে ৩০১ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৭৮ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭৮ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২২৯ জন, খুলনায় ২৬৪ জন, ময়মনসিংহে ১২০ জন, রাজশাহীতে ১৯৭ জন, রংপুরে ৫৬ জন এবং সিলেটে ৬ জন ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছে ১,৭৫১ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৭ হাজার ৬৭২ জনে। আর এ বছরে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৩৯ জনের। মৃতদের মধ্যে জানুয়ারিতে ২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২ জন, মে মাসে একজন, জুনে ১৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন এবং আগস্টে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু মোট আক্রান্তদের মধ্যে ৬২.৩ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭.৭ শতাংশ নারী ।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৯৪২

    ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৯৪২

    ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ছয় জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও এক হাজার নয়শত ৪২ জন রোগী।

    আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে।

  • ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসকের মৃত্যু, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর শোক

    ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসকের মৃত্যু, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর শোক

    ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৪২তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা ও মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সহকারী রেজিস্ট্রার (নিউরোলজি) ডা. আঁচল রায় মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৩০ বছর ৷ চিকিৎসকের এ অকালমৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল।

    রোববার রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ডা. আঁচল রায়ের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তার মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। স্বাস্থ্য পরিবার একজন নিবেদিতপ্রাণ চিকিৎসককে হারাল। মন্ত্রী প্রয়াতের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, স্বজন ও সহকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

    জানা গেছে, ডা. আঁচল রায় মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি তাকে রেসপিরেটরি মেডিসিন বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছিল। চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় তিনি মাঝে মাঝে ডেঙ্গু রোগীদেরও চিকিৎসা দিয়েছেন। চিকিৎসক আঁচল তৎকালীন আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজে (বর্তমানে নোয়াখালী মেডিকেল কলেজ) পড়াশোনা করেছেন। তিনি সম্প্রতি ইন্টারনাল মেডিসিনে এফসিপিএসের মিড-টার্ম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এর আগে যুক্তরাজ্যের এমআরসিপি পরীক্ষার পার্ট-ওয়ানও পাস করেন তিনি।

    আঁচলের স্বামী বিপ্লব চন্দ্র দাস বলেন, চার দিন ধরে বাসায় চিকিৎসা নেওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। পঞ্চম দিনে রক্তে প্লাটিলেটের মাত্রা দ্রুত কমে গেলে তাকে স্কয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। প্রথমে তাকে হাসপাতালের হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয় এবং রোববার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

  • বেড খালি নেই চট্টগ্রামের হাসপাতালে, ক্রাশ প্রোগ্রামেও মরছে না মশা

    বেড খালি নেই চট্টগ্রামের হাসপাতালে, ক্রাশ প্রোগ্রামেও মরছে না মশা

    ডেঙ্গু জ্বরে কাঁপছে চট্টগ্রাম নগরী। সরকারি-বেসরকারি কোনো হাসপাতালে রোগীর জন্য বেড খালি নেই। শত চেষ্টা করেও হাসপাতালের বারান্দা কিংবা ভেতরে বেড মিলছে না। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে ঘরেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। আর অনেকে জ্বরের যন্ত্রণায় আইসিইউতে কাতরাচ্ছেন। কয়েক দিনের যুদ্ধ শেষে জীবনের কাছে হার মানতে হচ্ছে জ্বরে আক্রান্তদের। মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়লেও মশার উপদ্রব কমাতে ব্যর্থ হচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও জেলার উপজেলা প্রশাসন, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদগুলো।

    বর্তমানে আক্রান্তের দিক থেকে শহর এলাকা গ্রামকে ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিদিনই মৃত্যুর মিছিলে যোগ হচ্ছে শিশু, যুবক থেকে শুরু করে বৃদ্ধদের নামও। এ অবস্থায় ডেঙ্গু নিধনে চসিক ও স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের ওপর আস্থা তলানিতে ঠেকেছে। চসিকের দেওয়া ওষুধের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

    নগরবাসীর অভিযোগ, চসিক ক্রাশ প্রোগ্রাম চললেও ৪১টি ওয়ার্ডে নিয়মিত ফগিং ও স্প্রে করা হচ্ছে না। তা ছাড়া ওষুধ প্রয়োগের চেয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় জোর দেওয়া উচিত। অথচ চসিক তা করছে না। সংস্থাটির ব্যবহৃত বিটিআই ওষুধ মশা নিধনে আদৌ কাজে আসছে কি না, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন বাসিন্দারা।

    সরেজমিনে নগরীর বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, ডেঙ্গু ওয়ার্ডগুলোয় কোনো বেড খালি নেই। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০৪ জনসহ বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলিয়ে ২৩১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন। নতুন করে রোগী ভর্তি করতে নারাজ সব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। আক্রান্ত রোগীদের বেশির ভাগ বাসাবাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বিভিন্ন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ডেঙ্গু পরীক্ষার কেন্দ্রে প্রতিদিন ভিড় বাড়ছে।

    চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ইশতিয়াক আহমেদ মেহেরাজ বলেন, বহু কষ্টে সন্তানের জন্য একটি বেড পেয়েছি। ২০ দিন ধরে আমার চার বছর বয়সি সন্তানের গায়ে জ্বর কমছেই না। অথচ কোনো ভাইরাসই ধরা পড়ছে না। উদ্বেগের মধ্যে আছি। তিনি বলেন, নগরীর হালিশহর ডেঙ্গুর হটস্পট। অথচ সেখানে তেমন কোনো ওষুধ ছিটানো হচ্ছে না। চসিকের কর্মীদের অবহেলা অথবা ওষুধ প্রয়োগে অদক্ষতার কারণে মশা মরছে না বলে মনে করেন তিনি।

    আকবরশাহ এলাকার বাসিন্দা হোসনে আরা বেগম বলেন, আমার পুত্রবধূ আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে দুবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। হাসপাতালে কোনো বেড পেলেও সেখানে চিকিৎসা নেই বললেই চলে। চসিকের কোনো লোকজনকে মশার ওষুধ দিতে দেখিনি। তিন মাস আগে একবার এলেও তাদের মতো করে ফগিং করে চলে যান। এতে মশার আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে না।

    দুই নম্বর গেটের বাসিন্দা রেজাউল রাজু বলেন, সন্ধ্যা হলেই মশার উপদ্রব বাড়ে। কাজ থেকে ফিরে মশা মারতে নানা আয়োজন করতে হয় স্বামী-স্ত্রীকে। অথচ সিটি করপোরেশনের তেমন কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ে না। তার অভিযোগ, ক্রাশ প্রোগ্রামের নামে লোকদেখানো প্রচার চলছে। ওষুধ কাজ করে কি না, তা নিয়ে আমার সন্দেহ।

    এদিকে চট্টগ্রামে ডেঙ্গু কেড়ে নিচ্ছে অনেক প্রাণ। চলতি মাসে চট্টগ্রামে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত শনিবার নগরীর বেসরকারি সাজিনাস হাসপাতাল থেকে মুচলেকা দিয়ে ছাড়পত্র নিয়ে নেন মনি আক্তার নামে এক নারী। ফেরার পথেই তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে তার আট বছর বয়সি ছেলে আবু জাহেদও হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন ডেঙ্গু জ্বরে।

    আবু জাহেদের বাবা আল আমিন জানান, স্ত্রী হারানোর আগেই ছেলে জ্বরে আক্রান্ত হন। সাজিনাস হাসপাতালে স্ত্রীকে চিকিৎসার বিল দাঁড়ায় ১ লাখ ২১ হাজার টাকা। ৩০ হাজার টাকা নগদ দিয়ে অবশিষ্ট টাকা বকেয়া রেখে তিনি চলে যান। সেদিনই তার স্ত্রীর মৃত্যু হয়। সেই শোক এখনো কাটেনি। এখন ছেলেকে নিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) উদ্বেগে রয়েছেন।

    এদিকে জেলার ১৫টি উপজেলার ডেঙ্গুর পরিস্থিতিও নাজুক। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত সীতাকুণ্ডে। ওই উপজেলায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর ডেঙ্গুতে সিরাজুল মুনিরা (৫) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। ২২ সেপ্টেম্বর কোরবান আলী রিফাত নামে ১৬ বছরের কিশোরের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে গত ১০ দিনে সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গুতে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। উপদ্রব কমাতে সেই উপজেলায় তেমন কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা। অন্য উপজেলায় আক্রান্ত লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে।

    বাসিন্দারা বলছেন, বর্তমানে পৌরসভা-ইউনিয়ন পরিষদগুলোয় কোনো কাউন্সিলর-মেম্বার ও মেয়র-চেয়ারম্যান নেই। সরকারি কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন। তারা অন্য কাজে ব্যস্ত থাকেন। অভিযোগ দেওয়ার স্থানও তারা পাচ্ছেন না। মশার উপদ্রব বেড়েই চলছে।

    জেলা সিভিল সার্জন সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম জেলায় গত বছরের জানুয়ারি-সেপ্টেম্বরের তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৫৫.৯৫ শতাংশ বেড়েছে। ২০২৫ সালের প্রথম ৯ মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল ২,৫১৫ জন। বিপরীতে ২০২৬ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৩,৯২২ জন। এর মধ্যে জেলার ১৫ উপজেলায় ১,৭১১ জন। আর চসিক এলাকায় ১,৭৭০ জন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে আক্রান্ত বেড়েছে ১,৪০৭ জন।

    তবে শুধু সেপ্টেম্বর মাসের হিসাব ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল ৯৩৫ জন। আর মৃত্যু হয়েছিল চারজনের। চলতি সেপ্টেম্বরের ২৪ দিনে আক্রান্ত ১,৭৮৬ জন এবং মারা গেছেন ১৩ জন। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আক্রান্ত ৯১.০২ শতাংশ এবং মৃত্যু ২২৫ শতাংশ বেড়েছে।

    চসিকের মশক নিধন কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহী জানান, ১৫৮টি স্প্রে মেশিন ও ৮৬টি ফগার মেশিন দিয়ে কাজ চলছে। ৬০ জনের একটি বিশেষায়িত টিমও মাঠে রয়েছে। স্প্রে ও ফগিংÑএই দুভাবে মশা নিধন করা হচ্ছে। বিটিআই ওষুধটি একটি ব্যাকটেরিয়া। সরাসরি মশার পাকস্থলীতে আক্রমণ করে। ডিসেম্বর পর্যন্ত ওষুধটি ব্যবহার করা হবে।

    এ বিষয়ে সদ্য বদলি হওয়া চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা কমান্ডার ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, আমরা নিয়মিত ক্রাশ প্রোগ্রাম চালাচ্ছি। পাঁচটি হটস্পটকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ৪১টি ওয়ার্ডে কাজ করতে গেলে কিছুটা গ্যাপ থেকে যায়। আমরা চেষ্টা করছি। তিনি বলেন, বিটিআই আগের চেয়ে ভালো করছে বলেই আমরা এটি ব্যবহার করছি।

    চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. ফজলে রাব্বি বলেন, চসিকের সঙ্গে আমরা ওষুধ নিয়ে কথা বলব। নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু সিজন থাকবে। আমরা মানুষকে সচেতন করে যাচ্ছি। পাশাপাশি যৌথভাবে কাজ করছি।

    বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল ইনফেকশাস ডিজিজেসের ক্লিনিক্যাল ট্রপিক্যাল মেডিসিনের প্রধান অধ্যাপক মামুনুর রশীদ বলেন, তিন কারণে ডেঙ্গু বাড়ছে। থেমে থেমে বৃষ্টি, বিদ্যমান তাপমাত্রা ও বাতাসে ৮০ শতাংশের ওপরে আর্দ্রতা। এটি এডিস বৃদ্ধি ও বিস্তারের জন্য সহায়ক। এতে বৃষ্টির সংস্পর্শে এডিস মশার পেড়ে রাখা ডিম তিন দিনের মধ্যে অ্যাডাল্ট হয়ে যাচ্ছে। আমাদের ধারণা নভেম্বর পর্যন্ত এটি চলবে। আর থেমে থেমে বৃষ্টি কমে গেলে আরো আগে কমে যেতে পারে।

    তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে চার ধরনের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছেন রোগীরা। বর্তমানে চট্টগ্রামের ডেঙ্গুর ধরন জানতে নমুনা দেশের বাইরে পাঠানো হয়েছে।

  • ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৪৩২

    ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৪৩২

    গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৪৩২ জন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২০৪ জন, চট্রগ্রাম বিভাগে ২০৯ জন, ঢাকা বিভাগে সিটি কর্পোরেশনের বাইরে ২৮০ জন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ১০৬ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ১৭০ জন, খুলনা বিভাগে ২৪১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১১২ জন, রাজশাহী বিভাগে ৫৭ জন এবং রংপুর বিভাগে বিভাগে ৫৩ জন রয়েছেন। চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭১ হাজার ৫৩৬ জন।

    চলতি বছরে এ যাবত মোট ৬৬ হাজার ২৫৬ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

  • ডেঙ্গুর হটস্পট সীতাকুণ্ড, ১৬ দিনে দুই শিশুসহ মৃত্যু ৫

    ডেঙ্গুর হটস্পট সীতাকুণ্ড, ১৬ দিনে দুই শিশুসহ মৃত্যু ৫

    চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়ছে। গত ১৬ দিনে উপজেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দুই শিশুসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৫০৮ জন। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার চার বছরের শিশু লামিয়া আক্তার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সীতাকুণ্ডকে ডেঙ্গুর হটস্পট বিবেচনায় নিয়ে এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত ও ধ্বংসে সমন্বিত মাঠপর্যায়ের অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    লামিয়া সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বড় আউলিয়া এলাকার ভূঁইয়া বাড়ির বাসিন্দা। তার বাবা মৃত ইমাম হোসেন। পরিবারের সদস্যরা জানান, চার দিন জ্বরে ভোগার পর স্থানীয় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করালে লামিয়ার ডেঙ্গু শনাক্ত হয়। পরে তাকে ফৌজদারহাটের বক্ষব্যাধি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার তার মৃত্যু হয়।

    সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শিব্বীর আহমেদ প্রিন্স বলেন, লামিয়া চার দিন জ্বরে ভোগার পর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। পরে তাকে চমেকে রেফার করা হলেও পরিবারের সদস্যরা নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

    ডা. শিব্বীর আহমেদ প্রিন্স বলেন, ‘সীতাকুণ্ড এখন ডেঙ্গুর হটস্পটে পরিণত হয়েছে। এ পর্যন্ত উপজেলায় ৫০৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন দুই শিশুসহ পাঁচজন।’ জ্বরকে সাধারণ অসুস্থতা মনে করে অবহেলা না করে দ্রুত পরীক্ষা ও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার জন্য পুরুষ, নারী ও শিশু ওয়ার্ডে মোট ১০টি শয্যা নির্ধারণ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট ও স্যালাইনের ঘাটতি নেই। জটিল রোগীদের প্রয়োজন অনুযায়ী চট্টগ্রাম নগরের উচ্চতর চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানো হচ্ছে।

    স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, রোগীর চিকিৎসার পাশাপাশি সংক্রমণের উৎস নিয়ন্ত্রণে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা জরুরি। সীতাকুণ্ডের শিল্পাঞ্চল, জাহাজভাঙা ইয়ার্ড, অভ্যন্তরীণ কনটেইনার ডিপোসহ বিভিন্ন এলাকায় জমে থাকা পানি এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল হতে পারে। পরিত্যক্ত যন্ত্রপাতি, পুরোনো টায়ার, ক্যান, ড্রাম ও বিভিন্ন পাত্রে জমে থাকা পানিও এ ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ।

    সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এসব স্থানে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও নজরদারি না থাকলে এডিস মশার বিস্তার এবং ডেঙ্গু সংক্রমণের ঝুঁকি থেকে যেতে পারে।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন, পৌর প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের সমন্বয়ে মাঠপর্যায়ে অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান, শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক সীতাকুণ্ড পৌর কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এরপর সম্ভাব্য প্রজননস্থল চিহ্নিত করে লার্ভা ধ্বংসে প্রশিক্ষিত জনবল ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নিয়ে অভিযান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

    স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, এককালীন অভিযান চালানোর পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে নিয়মিত নজরদারি, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং প্রজননস্থল ধ্বংসের ব্যবস্থা চালু রাখা প্রয়োজন। পাঁচজনের মৃত্যুর পর সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে এসব কার্যক্রম কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

  • ডেঙ্গুতে এ বছরে মৃত্যু ২১১, আক্রান্ত ৭০ হাজার ১০৪

    ডেঙ্গুতে এ বছরে মৃত্যু ২১১, আক্রান্ত ৭০ হাজার ১০৪

    দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৫৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়িয়েছে। এ বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ২১১ জন।

    শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম ২৫ দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১১৪ জন। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৪ হাজার ২৫৮ জন।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে ৪৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৪৬ জন, ঢাকা বিভাগে (ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন ছাড়া) ২৪১ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৭৬ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৩০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩৭ জন, রংপুর বিভাগে ৪৪ জন এবং সিলেট বিভাগে ৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯৫৩ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতদের মধ্যে জানুয়ারিতে দুজন, ফেব্রুয়ারিতে দুজন, মে মাসে একজন, জুনে ১৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন এবং আগস্টে ৪৩ জন মারা গেছেন। সেপ্টেম্বর মাসে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১১৪ জনের।

    এ বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ৬২ দশমিক ৪ শতাংশ এবং নারী ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৭০ হাজার ১০৪ জন। একই সময়ে মারা গেছেন ২১১ জন।

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ডেঙ্গু মশা নিধন কর্মসূচি বাস্তবায়নের তথ্য আহ্বান

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ডেঙ্গু মশা নিধন কর্মসূচি বাস্তবায়নের তথ্য আহ্বান

    কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ডেঙ্গু মশা নিধন কর্মসূচি বাস্তবায়নের তথ্য আহ্বান করা হয়েছে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন কার্যক্রমের ছবি, সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদনসহ প্রয়োজনীয় তথ্য নির্ধারিত মেইলে পাঠাতে হবে।

    গতকাল কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। চিঠিটি অধিদপ্তরের আওতাধীন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানদের পাঠানো হয়েছে।

    এতে জানা যায়, ডেঙ্গু মশা নিধন কর্মসূচি বাস্তবায়ন কার্যক্রমের ছবি, সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদনসহ প্রয়োজনীয় তথ্য প্রমানক এ দপ্তরের ই-মেইল: ad2dte@techedu.gov.bd এ অবগতি ও পরবর্তী প্রয়োজনীয় কার্যার্থে সাপ্তাহিকভাবে পাঠানো জন্য নির্দেশ করা হলো।

    কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ‘ডেঙ্গু মশা নিধন কর্মসূচি’ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত চিঠিতে জানা যায়, সব সরকারি-বেসরকারি দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বাজার কমিটি, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসাসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠনসমূহ প্রতি শনিবার ডেঙ্গু মশক নিধনের লক্ষ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করবে; স্কাউটস, বিএনসিসি, শিক্ষার্থী, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্র, বাসস্থান, জনসমাগমস্থল ও সংলগ্ন এলাকায় সম্ভাব্য এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে জমে থাকা পানি অপসারণ এবং নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে; দপ্তর প্রধানরা প্রতি শনিবার নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় তার দপ্তর ও দপ্তরসংলগ্ন স্থানে ডেঙ্গুমশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করবে; ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে র্যালি, মাইকিং, প্রচার-প্রচারণা, সভা, সেমিনার, আলোচনা ও উদ্বুদ্ধকরণ সভাসহ স্থানীয়ভাবে উপযোগী কার্যক্রম নিতে হবে; প্রতি শনিবার পরিচালিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রমের ছবি, সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদনসহ প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণক সংরক্ষণ করতে হবে।

  • ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আট জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৭৮২

    ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আট জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৭৮২

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৭৮২ জন। এনিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে ২০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের ডেঙ্গুবিষয়ক ড্যাশবোর্ড থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিভাগে ১৬৪ জন, চট্টগ্রামে ২৮৮ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৭১ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৫১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৯৪ জন, খুলনায় ২৮৬ জন, ময়মনসিংহে ১০৮ জন, রাজশাহীতে ১৩০ জন, রংপুরে ৭৩ জন এবং সিলেটে ১৭ জন ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছে ১,৭ ৫৭জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৯ হাজার ১৪৯ জনে। আর এ বছরে মোট মৃত্যু হয়েছে ২০৯ জনের। মৃতদের মধ্যে জানুয়ারিতে ২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২ জন, মে মাসে একজন, জুনে ১৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন এবং আগস্টে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু মোট আক্রান্তদের মধ্যে ৬২.৫ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭. ৫ শতাংশ নারী ।

  • ডেঙ্গুর ভয়ংকর রূপ, প্রাথমিক লক্ষণে WHO’র সতর্কতা

    ডেঙ্গুর ভয়ংকর রূপ, প্রাথমিক লক্ষণে WHO’র সতর্কতা

    ক্রমশ ভয়ংকর হয়ে উঠছে বাংলাদেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এডিস মশাবাহিত এই রোগটিতে আক্রান্তের পাশাপাশি মৃত্যুও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে ডেঙ্গুতে মৃত্যুহীন দিনের দেখা খুব কমই মিলছে। এ অবস্থায় ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে প্রয়োজন টেকসই ব্যবস্থা। ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ডেঙ্গুর প্রাথমিক লক্ষণগুলো উল্লেখ করে সতর্কবার্তা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

    বার্তায় বলা হয়েছে, যদি কেউ ডেঙ্গুর প্রাথমিক লক্ষণগুলোর কোনোটির মুখোমুখি হন, তবে অবিলম্বে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে।

    ডব্লিউএইচও’র উল্লেখিত ডেঙ্গুর প্রাথমিক লক্ষণগুলো হলো তীব্র মাথা ব্যথা; চোখের পেছনের দিকে ব্যথা; হাড়ের জোড়া এবং মাংসের পেশিতে ব্যথা; বমি বমি ভাব; বমি করা এবং চামড়ায় লালচে ছোট ছোট ফুসকুড়ি ওঠা।

    এসব লক্ষণের যেকোনোটি দেখা দিলে সময়মতো চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এদিকে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চলতি বছরে প্রাণহানির সংখ্যা ইতোমধ্যে ২০০ ছাড়িয়ে গেছে। শুধু চলতি সেপ্টেম্বরের ২২ দিনেই মৃত্যু হয়েছে ১০৪ ডেঙ্গু রোগীর। সবশেষ বুধবারের (২৩ সেপ্টেম্বর) আপডেট অনুযায়ী, ৬ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে এডিস মশাবাহিত রোগটি। একইদিন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৬৮ জন। এদিকের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডাটা বলছে, গত ৮ বছরে ভয়ংকর রূপ নিয়েছে ডেঙ্গু। ২০০০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ডেঙ্গুতে যেখানে ২৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, সেখানে পরবর্তী ৭ বছর ৯ মাসে মশাবাহিত রোগটিতে ৩ হাজার ৪৬৬ জন মারা গেছে দেশে। সরকারি হিসাবে এই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে ৭ লাখ ৮৬ হাজার ৯১ জন; আগের দেড় যুগে যা ছিল ৫০ হাজার ২০৮।

    অর্থাৎ, সবশেষ ৭ বছর ৯ মাসে আগের দেড় যুগের তুলনায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়েছে ১১ দশমিক ৭১ গুণ এবং আক্রান্ত বেড়েছে ১৫ দশমিক ৬৬ গুণ।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এডিস মশার প্রজনন নিয়ন্ত্রণে দুর্বলতা, আক্রান্তের সংখ্যা কম নথিভুক্ত হওয়া, হাসপাতালে ভর্তিতে দেরি করা এবং একই ব্যক্তি বারবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়া এই ভয়ংকর পরিস্থিতির জন্য দায়ী।তাদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের পরিবর্তিত পরিবেশের সঙ্গে বেশ ভালোভাবে খাপ খাইয়ে নিয়েছে এডিস মশা । তাই ডেঙ্গুকে এখন আর শুধুমাত্র মৌসুমি রোগ হিসেবে বিবেচনার সুযোগ নেই। অল্প পরিমাণ জমে থাকা পানিতেও এই মশা বংশবিস্তার করতে পারে। এমনকি ফেলে দেওয়া ছোট পাত্রের ভেতরেও এডিস মশার প্রজনন হতে পারে। এর বিস্তার এখন আর কেবল শহরাঞ্চলে সীমাবদ্ধ নেই, এটি ক্রমেই গ্রামাঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ছে। জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং বারবার সংক্রমণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। একজন ব্যক্তি একাধিকবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হতে পারেন। যেসব জনগোষ্ঠীর ভেতরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা কম বা শূন্যের কোটায় ছিল, তারাও এখন এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

    ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তুলতে স্বল্পমেয়াদি অভিযানের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি, সমন্বিত ও জনকেন্দ্রিক জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি প্রয়োজন বলে অভিমত বিশেষজ্ঞদের।

  • ডেঙ্গুতে চলতি বছর মৃত্যু ২০০ ছাড়াল

    ডেঙ্গুতে চলতি বছর মৃত্যু ২০০ ছাড়াল

    গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট ২০১ জনের মৃত্যু হল।

    এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৮৬৪ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৬৭ হাজার ৩৬৭ জন।

    বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৭৮ জন, চট্রগ্রাম বিভাগে ৩১৭ জন, ঢাকা বিভাগে সিটি কর্পোরেশনের বাইরে ৪০৫ জন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ১৭৩ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ১৭৯ জন, খুলনা বিভাগে ২৮০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১১৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৫৬ জন, রংপুর বিভাগে ৫৯ জন এবং সিলেট বিভাগে আটজন রয়েছেন।

    চলতি বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৭ হাজার ৩৬৭ জন।

    চলতি বছরে এ যাবত মোট ৬২ হাজার ১১৭ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে এক হাজার ৫৫৭ জন চিকিৎসাধীন আছেন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট ২০১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ দুই হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।

    ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।

    ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়, পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু

    ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৬৮ জন। এ নিয়ে চলতি বছরে ২০১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় এ তথ্য।

  • ডেঙ্গু আক্রান্তদের করণীয়

    ডেঙ্গু আক্রান্তদের করণীয়

    দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। ভাইরাসের নতুন রূপ বা ধরনের কারণে আক্রান্তদের দ্রুত শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে দেখা যাচ্ছে। তবে সঠিক সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসা নিলে ডেঙ্গুতে মৃত্যুঝুঁকি অনেকাংশে এড়ানো সম্ভব।

    বাসায় চিকিৎসা ও সাবধানতা

    ডেঙ্গু পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এলে আতঙ্কিত না হয়ে পূর্ণ বিশ্রামে থাকুন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনোভাবেই প্যারাসিটামল ছাড়া অন্য কোনো ব্যথানাশক ওষুধ (যেমন : আইবুপ্রোফেন, নেপ্রোক্সেন ও ডাইক্লোফেনাক) খাওয়া যাবে না; এতে রক্তপাতের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। অতিরিক্ত পানি, ডাবের পানি, ওরস্যালাইন, লেবুর শরবত ও সুপজাতীয় তরল খাবার প্রচুর পরিমাণে গ্রহণ করুন। ডেঙ্গু যেন অন্য সদস্যদের মধ্যে না ছড়ায়, সে জন্য রোগীকে সার্বক্ষণিক মশারি টানিয়ে রাখুন।

    বিপজ্জনক লক্ষণ

    ডেঙ্গু জরের তিন থেকে সাত দিনের মধ্যে যখন জ্বর কমতে শুরু করে, তখনই মূলত জটিলতা বা ‘ক্রিটিক্যাল ফেজ’ শুরু হয়। এ সময় নিচের যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে সেটিকে বিপদচিহ্ন হিসেবে বিবেচনা করতে হবে—

    * ক্রমাগত বমি হওয়া বা মুখে কোনো কিছু না রাখা।

    * তীব্র পেটব্যথা।

    * মাড়ি, নাক বা বমির সঙ্গে রক্তপাত এবং কালো পায়খানা হওয়া।

    * চরম ক্লান্তি, অলসতা বা মানসিক অস্থিরতা।

    * প্রস্রাবের পরিমাণ মারাত্মকভাবে কমে যাওয়া।

    * হঠাৎ প্রেশার কমে যাওয়া বা শরীর অতিরিক্ত ঠান্ডা হয়ে যাওয়া।

    কখন দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি হবেন

    উপরে উল্লিখিত যেকোনো একটি বিপজ্জনক লক্ষণ দেখা দেওয়া মাত্রই রোগীকে অবিলম্বে নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী, শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং ডায়াবেটিস বা হৃদরোগের মতো জটিল রোগে আক্রান্তদের ডেঙ্গু হলে শুরু থেকেই বাড়তি সতর্কতায় চিকিৎসকের পর্যবেক্ষণে রাখা প্রয়োজন। মনে রাখবেন, ডেঙ্গু চিকিৎসায় সচেতনতা ও দ্রুত সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণই জীবন রক্ষার প্রধান উপায়। লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

  • ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৮৭২ নতুন রোগী

    ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৮৭২ নতুন রোগী

    গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ডেঙ্গুতে ৫ জন মারা গেছেন। একই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৮৭২ জন।

    মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে এ পর্যন্ত মোট ১৯৫ জন মারা গেছেন। আর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৫ হাজার ৪৯৯ জন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী বিভাগে দুজন এবং ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকা ও বরিশাল বিভাগে একজন করে ডেঙ্গুতে মারা গেছেন। তাদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও দুজন নারী।

    এর আগে, গত ১৬ সেপ্টেম্বর এক হাজার ৭৫৩ জন, ১৫ সেপ্টেম্বর এক হাজার ৫৯৩ জন ও ৮ সেপ্টেম্বর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন এক হাজার ৫৭১ জন।

  • ডেঙ্গুর ভুল ব্যবস্থাপনা রুখতে ১৬০০ চিকিৎসককে প্রশিক্ষণ

    ডেঙ্গুর ভুল ব্যবস্থাপনা রুখতে ১৬০০ চিকিৎসককে প্রশিক্ষণ

    ডেঙ্গুর চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনায় ভুল ঠেকাতে দেশের ৪০টি জেলায় ১ হাজার ৬০০ চিকিৎসককে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ও চিকিৎসকদের পরিচালনায় দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

    মঙ্গলবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ‘ট্রেনিং অব ডক্টরস অন ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট অব ডেঙ্গু’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

    অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, সিভিল সার্জন এবং তৃণমূল থেকে বিশেষায়িত হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতিনিধিরা সরাসরি ও ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

    ড. এম এ মুহিত বলেন, ডেঙ্গুর চিকিৎসায় বিজ্ঞানভিত্তিক পদ্ধতি অনুসরণ করতেই এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী চিকিৎসকদের দক্ষ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে চিকিৎসার ভুলে মৃত্যু ঠেকানো এবং মৃত্যুর হার কমানো সম্ভব হবে।

    স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবারের ডেঙ্গু মৌসুমে এখন পর্যন্ত ৬৩ হাজার ৬২৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫৯ হাজার ৮৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে প্রায় ৪ হাজার ৩০০ জন চিকিৎসাধীন। সীমিত সুযোগ-সুবিধা ও রোগীর চাপের মধ্যেও চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সেবায় আক্রান্তদের প্রায় ৯৯ শতাংশ সুস্থ হয়ে উঠেছে।

    ড. মুহিত বলেন, শুধু আবেগ বা অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা যায় না। তাই রোগতাত্ত্বিক তথ্য সংগ্রহ ও বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে সমন্বিতভাবে সংকট মোকাবিলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    চিকিৎসকদের পেশাগত মর্যাদা ও সামাজিক সুরক্ষার ওপরও গুরুত্ব দেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যকর্মীদের বিরুদ্ধে কোনো ঢালাও মিডিয়া ট্রায়াল গ্রহণযোগ্য নয়। সেবাদাতা ও জনগণের মধ্যে দূরত্ব থাকা উচিত নয়। চিকিৎসকদের যথাযথ সম্মান দিয়েই স্বাস্থ্যব্যবস্থার সংস্কার এগিয়ে নিতে হবে।

    অনুষ্ঠানে জানানো হয়, মূল প্রশিক্ষণের আগে বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের উদ্যোগে প্রায় সাড়ে ৩৫০ জন সিনিয়র চিকিৎসককে ‘ট্রেইনার্স ট্রেনিং’ দেওয়া হয়। তাদের মাধ্যমে দেশের ৪০টি জেলায় একযোগে ১ হাজার ৬০০ চিকিৎসককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

  • ডেঙ্গুর ছোবল অব্যাহত, আরও ৬ মৃত্যু

    ডেঙ্গুর ছোবল অব্যাহত, আরও ৬ মৃত্যু

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৬৫৫ জন। এ নিয়ে চলতি বছরে ১৯০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় এ তথ্য।

  • ডেঙ্গুতে আরো ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৯৩

    ডেঙ্গুতে আরো ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৯৩

    গত একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৯৩ জন।

    রোববার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় এ তথ্য।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতে বলা হয়— গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৫৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬৫ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ৩৮৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ১৭১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ১৩২ জন, খুলনা বিভাগে ২৯০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৮২ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৩৭ জন, রংপুর বিভাগে ৬৫ জন এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন রয়েছেন।

    এ নিয়ে চলতি বছরে ১৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬১ হাজার ৯৭২ জন।

  • ডেঙ্গুতে একদিনে ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ২৩২

    ডেঙ্গুতে একদিনে ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ২৩২

    সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ২৩২ জন।

    শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

  • ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ৭৪৭ জন, মৃত্যু নেই

    ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ৭৪৭ জন, মৃত্যু নেই

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৪৭ জন। এই সময়ে কারো মৃত্যু হয়নি। সব মিলিয়ে চলতি মাসের ১৭ দিনে মৃত্যু হয়েছে ৭৯ জনের এবং মোট আক্রান্ত হয়েছে ২৩ হাজার ৩০১ জন।

    শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮ টা পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিভাগে ২৫ জন, চট্টগ্রামে ১৮০ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২১৬ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৬১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৪০ জন, খুলনায় ৮১ জন, ময়মনসিংহে ৯২ জন এবং রংপুর বিভাগে ৫২ জন ভর্তি হয়েছেন। এই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছে ৭৪৬জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৯ হাজার ১৪৭ জনে। আর এ বছরে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৭৬ জনের। মৃতদের মধ্যে জানুয়ারিতে ২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২ জন, মে মাসে একজন, জুনে ১৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন এবং আগস্টে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু মোট আক্রান্তদের মধ্যে ৬২ দশমিক ৬ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭ দশমিক ৪ শতাংশ নারী ।

  • ডেঙ্গু কেড়ে নিল আরও ৫ প্রাণ

    ডেঙ্গু কেড়ে নিল আরও ৫ প্রাণ

    গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৪৮৪ জন।

    বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    তে বলা হয়— গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২১১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯২ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৯০ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২০৭ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২২৭ জন, খুলনা বিভাগে ২৫২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৬৪ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০২ জন, রংপুর বিভাগে ৩৫ জন এবং সিলেট বিভাগে চারজন রয়েছেন।

    এ নিয়ে চলতি বছরে ১৭৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

  • হামে আক্রান্তদের ৮৫.২ শতাংশই টিকাবিহীন

    হামে আক্রান্তদের ৮৫.২ শতাংশই টিকাবিহীন

    চট্টগ্রাম বিভাগে ৩০০ জন শিশুকে নিয়ে যৌথ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, এসপেরিয়া হেলথ রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের পেডিয়াট্রিক রিসার্চ গ্রুপ। গবেষণায় দেখা গেছে, হামে আক্রান্ত ৩০০ জন শিশুর মধ্যে ৮৫.২ শতাংশই ছিল টিকাবিহীন। তাছাড়া শিশুদের শারীরিক জটিলতা ও হামে আক্রান্ত হওয়ার পেছনের কারণ হিসেবে অপুষ্টির বিষয়টি উঠে এসেছে। এসব শিশুর দেহে শতভাগ ক্ষেত্রে ‘বি৩ জেনোটাইপ’ ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।

    বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য উন্মোচন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. তসলিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. মো. জসিম উদ্দিনসহ বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ও গবেষকেরা।

    গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, চট্টগ্রাম বিভাগের ৩০০ জন হাম আক্রান্ত শিশুর ওপর গবেষণাটি পরিচালনা করা হয়েছে। তাদের বয়স ২ মাস থেকে ১১ বছর পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। গবেষণায় আর্থিক ও সার্বিক সহায়তা করেছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড।

    গবেষণায় দেখা যায়, আক্রান্ত শিশুদের এক-তৃতীয়াংশই তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছিল। অপুষ্টিই শিশুদের হামের মারাত্মক জটিলতায় পড়ার সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। গবেষণার আওতায় আসা ৩০০ জন শিশুর মধ্যে ৩১ শতাংশ তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছিল। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে ১১ শতাংশের বয়স ৬ মাসের নিচে, ২৩.৫ শতাংশ শিশুর বয়স ১-৫ বছর। আর ৪৬ শতাংশ শিশুর বয়স ছিল ৯ মাসের কম। অর্থাৎ নিয়মিত টিকাদানের নির্ধারিত বয়সে পৌঁছানোর আগেই তারা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুদের ৮৫.২ শতাংশই ছিল টিকাবিহীন। টিকাবিহীন শিশুদের মধ্যে ৫২ শতাংশের ক্ষেত্রে অভিভাবকদের অসচেতনতা বা টিকার তারিখ ভুলে যাওয়া মূল কারণ ছিল। এছাড়া গত ছয় মাসে মাত্র ৩২.১ শতাংশ শিশু ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল পেয়েছিল। যেসব শিশু ভিটামিন ‘এ’ পায়নি, তাদের ৫৯ শতাংশই গুরুতর জটিলতায় ভুগেছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৭৫.৫ শতাংশ শিশু ছিল গ্রামীণ এলাকার এবং ৬৪.৮ শতাংশ ছিল নিম্ন আর্থ-সামাজিক পরিবারের।

    সংক্রমণের উৎস বিশ্লেষণে দেখা যায়, গবেষণায় থাকা আক্রান্ত শিশুদের প্রায় ৫৯.৪ শতাংশই কোনো না কোনো স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র বা হাসপাতাল থেকে হামের ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে, যা হাসপাতালগুলোর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার দুর্বলতাকে নির্দেশ করে। আর ১৬.৩ শতাংশ শিশু পূর্বে হামে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে এসেছে বলে তথ্য মিলেছে। এছাড়া ১৮.৯ শতাংশ শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানো হয়নি। এসব শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা খুবই দুর্বল।

    গবেষণার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক দিক ছিল ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং পরীক্ষায় শতভাগ নমুনায় ‘বি৩ জেনোটাইপ’ শনাক্ত হওয়া। যা আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ে পূর্বে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।

    চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, হাম একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ, এতে কোনো শিশুর মৃত্যু গ্রহণযোগ্য নয়। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক শিশু টিকার বয়স হওয়ার আগেই আক্রান্ত হচ্ছে। তাই সময়মতো সঠিক নিয়মে টিকাদান নিশ্চিত করতে হবে। তিনি টিকার কভারেজ ৯৫ শতাংশে উন্নীত করা, অপুষ্টি দূর করা এবং প্রয়োজনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা ও হাসপাতালগুলোর সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করার নির্দেশ দেন।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এসপেরিয়া হেলথ কেয়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান গোলাম বাকি মাসুদ। তিনি বলেন, গবেষণাকে কেবল বৈজ্ঞানিক প্রতিবেদনে সীমাবদ্ধ না রেখে এর উপাত্তগুলোকে বাস্তবভিত্তিক জনস্বাস্থ্য উদ্যোগে রূপান্তর করতে হবে। গবেষণার মূল উদ্দেশ্য তথ্য তৈরি করা নয়, বরং জীবন বাঁচানো।

  • ডেঙ্গুর উপসর্গে ভিন্নতা

    ডেঙ্গুর উপসর্গে ভিন্নতা

    ডেঙ্গুর পরিচিত লক্ষণ হলো তীব্র জ্বর, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, শরীর ও মাংসপেশিতে ব্যথা, বমি বমি ভাব এবং দুর্বলতা। তবে চলতি মৌসুমে পর্যবেক্ষণে দেখা যাচ্ছে, অনেক রোগীর ক্ষেত্রে জ্বর তুলনামূলক কম থাকছে বা উপসর্গ খুব স্পষ্টভাবে প্রকাশ পাচ্ছে না। কেউ কেউ শারীরিক দুর্বলতা, হালকা ব্যথা অনুভব করেন। ফলে অনেকে সাধারণ ভাইরাল জ্বর ভেবে চিকিৎসা নিতে দেরি করছেন। বিপদের দিক হলো, জ্বর কমে যাওয়ার পরও কোনো কোনো রোগীর দ্রুত অবনতি হচ্ছে। এ সময় প্লাটিলেট দ্রুত কমে যাওয়া, রক্তপাত, পেটের তীব্র ব্যথা, বারবার বমি, শ্বাসকষ্ট, রক্তচাপ কমে যাওয়া এবং কিডনি বা লিভারের জটিলতা দেখা দিতে পারে।

    তাই শুধু জ্বরের মাত্রা বা প্লাটিলেটের সংখ্যা দেখে ডেঙ্গুর ঝুঁকি বিচার করা উচিত নয়। জ্বর হলে চিকিৎসকের পরামর্শে যথাসময়ে ডেঙ্গু পরীক্ষা করুন এবং পর্যাপ্ত তরল পান করুন। জ্বর কমে গেলেও পরবর্তী ২৪-৪৮ ঘণ্টা বিশেষভাবে সতর্ক থাকুন। তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি, রক্তপাত, অতিরিক্ত দুর্বলতা, অস্থিরতা, শ্বাসকষ্ট বা প্রস্রাব কমে গেলে দ্রুত হাসপাতালে যান। ডেঙ্গুতে নিজের মতো করে ব্যথার ওষুধ, বিশেষ করে অ্যাসপিরিন বা আইবুপ্রফেন, না খাওয়াই নিরাপদ।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৫৩

    ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৫৩

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৭৫৩ জন।

    এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭১। আর এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট ৫৬ হাজার ৯১৬ জন।

    বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৮৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৭৭ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৯৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭৫ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৭৪ জন, খুলনা বিভাগে ৩৪৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৩ জন, রংপুর বিভাগে ৫৩ জন এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন রয়েছেন।

  • একদিনে ডেঙ্গুতে ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৯৩

    একদিনে ডেঙ্গুতে ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৯৩

    গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৯৩ জন।মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয় ।

  • ডেঙ্গুতে আরো ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭৩৩

    ডেঙ্গুতে আরো ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৭৩৩

    গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৭৩৩ জন।

    সোমবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় এ তথ্য।

    এতে বলা হয়— গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৯১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯১ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ৩৮৮ জন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ১৭০ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ১৪৩ জন, খুলনা বিভাগে ৩০২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১১০ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৪৫ জন, রংপুর বিভাগে ৮৬ জন এবং সিলেট বিভাগে ৭ জন রয়েছেন।

    এ নিয়ে চলতি বছরে ১৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৩ হাজার ৫৭০ জন।

  • ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছেই, সেপ্টেম্বরে মৃত্যু ৫২

    ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছেই, সেপ্টেম্বরে মৃত্যু ৫২

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে এক হাজার ৫৬১ জন ডেঙ্গুরোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে এখন পর্যন্ত ১৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।এর মধ্যে জানুয়ারিতে দুই, ফেব্রুয়ারিতে দুই, মে মাসে এক, জুনে ১৩ ও জুলাইয়ে ৩৬ ও আগস্টে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। সেপ্টেম্বরে এখন পর্যন্ত মারা গেছে ৫২ জন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ১৭৬, দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ১৪৪ ও ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বাইরে ৩০৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে।

    এ ছাড়া অন্যান্য বিভাগের মধ্যে বরিশালে ২০২, চট্টগ্রামে ১৮১, খুলনায় ২৭৫, ময়মনসিংহে ৯৩, রাজশাহীতে ১০৪ ও রংপুরে ৭৩ ও সিলেটে ছয়জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু নিয়ে ৫১ হাজার ৮৩৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪৮ হাজার ৯৩ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৩ হাজার ৫৯৫ জন ভর্তি আছে।

  • ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু

    ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু

    গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৬ জন।

    শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় এ তথ্য।

    এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৪৪ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০৩ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ২৫১ জন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ১০৮ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ৭৬ জন, খুলনা বিভাগে ১৯৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ৭৩ জন, রংপুর বিভাগে ৪৭ জন এবং সিলেট বিভাগে ৭ জন রয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে ১৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫০ হাজার ২৭৬ জন।

  • ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু;  হাসপাতালে ভর্তি ৭৯০

    ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু; হাসপাতালে ভর্তি ৭৯০

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নতুন করে আরও ৭৯০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চট্টগ্রাম বিভাগ (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় ১ জন করে মোট ২ জন মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে ১ জন পুরুষ এবং ১ জন নারী রয়েছেন। একই সময়ে সারা দেশে নতুন ৭৯০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বিভাগভিত্তিক হিসাবে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি ২৪৯ জন ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশন বহির্ভূত)।

    এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯৬ জন, ময়মনসিংহে ৭৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ৬২ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ৬১ জন, খুলনা বিভাগে ৬০ জন, রংপুরে ৩৮ জন, রাজশাহীতে ৩৩ জন এবং বরিশাল বিভাগে ১৮ জন নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হওয়া আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষের হার ৬৫ দশমিক ৭ শতাংশ এবং নারী ৩৪ দশমিক ৩ শতাংশ। অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯,২২০ জনে। এর মধ্যে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৪১ জনের এবং ছাড়পত্র পেয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৫,৬৪৫ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৩,৪৩৪ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    মোট শনাক্ত আক্রান্তদের মধ্যে ৬২ দশমিক ৪ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ নারী হলেও মোট মৃত্যুর ক্ষেত্রে নারীদের হার বেশি, যা ৫২ দশমিক ১ শতাংশ।

  • ডেঙ্গু ঝুঁকি মোকাবিলায় সতর্ক থাকার আহ্বান; প্রধানমন্ত্রীর

    ডেঙ্গু ঝুঁকি মোকাবিলায় সতর্ক থাকার আহ্বান; প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের বিশেষ অভিযান উদ্বোধন করবেন। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসব্যাপী এ বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি।

    ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলায় আগামী তিন মাসকে ঝুঁকিপূর্ণ সময় বিবেচনায় নিয়ে এ কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

    মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে আয়োজিত এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে নির্দেশনা দেন।

    প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ তথ্য জানান।

    তিনি জানান, সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে শুধু মশকনিধন কার্যক্রমের ওপর নির্ভর না করে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। এজন্য স্থানীয় প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে সমন্বিতভাবে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

    কর্মসূচির আওতায় মহানগর এলাকায় সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশন এবং জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকরা কার্যক্রম সমন্বয় করবেন। উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও) স্থানীয় পর্যায়ের কার্যক্রম সমন্বয়ের দায়িত্বে থাকবেন।

    উপ-প্রেস সচিব জানান, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক এ অভিযানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি স্কাউট, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি), গার্ল গাইডস, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবক এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা হবে।

    প্রতি শনিবার স্বেচ্ছাসেবক ও শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বাসাবাড়ি ও স্থাপনায় গিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেবেন। একই সঙ্গে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার প্রজননস্থল তৈরি হতে পারে— এমন জায়গা চিহ্নিত করা এবং মানুষকে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে সচেতন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

    হাসান শিপলু জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাঠপর্যায়ের পরিচ্ছন্নতা অভিযানের পাশাপাশি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। বিশেষ করে টেলিভিশনে জনসচেতনতামূলক প্রচার এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধের বার্তা নিয়মিতভাবে তুলে ধরতে সংশ্লিষ্টদের বলেছেন।

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী তিন মাস ডেঙ্গু পরিস্থিতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ সময়ে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা ও আশপাশের এলাকা নিয়মিত পরিষ্কার রাখার বিষয়ে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।সভায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. শাকিরুল ইসলাম খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, তথ্য সচিব মাহবুবা ফারজানাসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ডেঙ্গুতে আরো ৪ জনের মৃত্যু

    ডেঙ্গুতে আরো ৪ জনের মৃত্যু

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরো ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১,৩১৪ জন। এনিয়ে চলতি মাসের সাত দিনে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৪ জনের এবং মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮,০৫৮ জন।

    সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮ টা পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিভাগে ১৫৩ জন, চট্টগ্রামে ১৯৮ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ২২৫ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৩৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৪৩ জন, খুলনায় ২৩৫ জন, ময়মনসিংহে ৮১ জন,রাজশাহীতে ৯৯ জন, রংপুরে ৩৬ জন এবং সিলেট বিভাগে ৫ জন ভর্তি হয়েছেন। এই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছে ১,৩০০ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, সব মিলিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যু হয়েছে ১২১ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছে ৪৩ হাজার ৯০৪ জন। মৃতদের মধ্যে জানুয়ারিতে ২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২ জন, মে মাসে একজন, জুনে ১৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন এবং আগস্টে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু মোট আক্রান্তদের মধ্যে ৬২.২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭.৮ শতাংশ নারী।

  • ডেঙ্গুতে আরো ৫ জনের মৃত্যু

    ডেঙ্গুতে আরো ৫ জনের মৃত্যু

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরো ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ১১০ জন। সব মিলিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যু হয়েছে ১০৭ জনের এবং আক্রান্ত হয়েছে ৩৮ হাজার ২৮০ জন।

    বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮ টা পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিভাগে ১১০ জন, চট্টগ্রামে ১৭৫ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৭১ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৩৫ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩৪ জন, খুলনায় ১৯০ জন, ময়মনসিংহে ৬৫ জন, রাজশাহী ৯১ জন, রংপুরে ৩২ জন এবং সিলেট বিভাগে ৭ জন ভর্তি হয়েছেন। এ সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছে এক হাজার ৪৮ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, চলতি বছরে জানুয়ারিতে ২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২ জন, মে মাসে একজন, জুনে ১৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন এবং আগস্টে ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু মোট আক্রান্তদের মধ্যে ৬২ দশমিক এক শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭ দশমিক ৯ শতাংশ নারী।

  • ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৩ জনের মৃত্যু

    ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ৩ জনের মৃত্যু

    দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৯৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৩ জনে। এর মধ্যে শুধু আগস্ট মাসেই মারা গেছেন ৩৯ জন।