জামায়াত

  • ‘ষড়যন্ত্র করে নির্বাচনে হারানো হয়েছে- জামায়াত আমির

    ‘ষড়যন্ত্র করে নির্বাচনে হারানো হয়েছে- জামায়াত আমির

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ১১ দলীয় জোটকে পরাজিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারও জড়িত।

    বুধবার (৮ জুলাই) রাজধানীতে ‘গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল তারা মেনে নিয়েছেন। তবে গণভোটের রায় কোনোভাবেই উপেক্ষা করতে দেওয়া হবে না। তিনি বলেন, নতুন বা পুরোনো—কোনো ধরনের ফ্যাসিবাদ গ্রহণযোগ্য নয় এবং জনগণের অধিকার রক্ষার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না।

    জামায়াত আমির আরও বলেন, কেউ যদি শালীনতার সীমা অতিক্রম করে জুলাইকে অসম্মান করার চেষ্টা করে, তাহলে তা মেনে নেওয়া হবে না।

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেনও। তিনি বলেন, দেশে আর কোনো রক্তপাত এড়াতে হলে সরকারের উচিত গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন করা।

  • পরিবর্তনের রাজনীতিতে অংশ নিতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: এমপি মিলন

    পরিবর্তনের রাজনীতিতে অংশ নিতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: এমপি মিলন

    জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেছেন, ‘আর্তমানবতার সেবায় সমাজ ও রাষ্ট্রের যে দায়িত্ব আমাদের ওপর আসুক, তা আমরা ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে পালন করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।’ তিনি পরিবর্তনের রাজনীতিতে অংশ নিতে দল-মতনির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি মিলনায়তনে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল, হাতিরঝিল ও শেরেবাংলা নগর দক্ষিণ উন্নয়ন ফোরাম আয়োজিত সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে গরিব ও অসহায়দের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

    ঢাকা মহানগরী উত্তরের প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি আতাউর রহমান সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার নো’মান আহমেদি, জামায়াত নেতা আবু সাঈদ মণ্ডল, আবুল কালাম আজাদ, সাজ্জাদ হোসেন বিপ্লব প্রমুখ।

    সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, ‘আমরা সব কার্যক্রম ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে পরিচালনা করতে চাই। কারা এ অর্থ পাবেন, তা নিয়ে আমরা প্রাক-সমীক্ষা চালিয়েছি। সেই সমীক্ষার ভিত্তিতেই প্রকৃত হকদারদের মধ্যে অর্থের চেক বিতরণ করা হচ্ছে। এই অর্থ সংগঠনের কোনো নেতাকর্মী ভোগ করতে পারবেন না। এ ধরনের অশুভ চর্চা আমাদের মধ্যে নেই। কেউ আসতে ব্যর্থ হলে আমাদের লোকজন তাদের কাছে পৌঁছে দেবে।’ তিনি আসনের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সব স্তরের জনগণের সার্বিক সহায়তা কামনা করেন।

    তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু জাতীয় সংসদে দায়িত্ব পালনের জন্য নির্বাচিত হইনি, বরং জনগণের সুখ-দুঃখে সর্বাবস্থায় মানুষের পাশে থাকা এবং তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা আমাদের কাজ। আমরা জনগণের কাছে কৃত অঙ্গীকার যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ।’

  • প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিরোধী দলীয় নেতার এলাকায় সরকারের টিম

    প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিরোধী দলীয় নেতার এলাকায় সরকারের টিম

    ডেস্ক নিউজ : প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রধান বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নির্বাচনি আসন ঢাকা–১৫ এলাকার চলমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সরকারের একটি উচ্চপর্যায়ের টিম পরিদর্শন ও মতবিনিময় কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। টিমের নেতৃত্ব দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

    বুধবার (১ জুলাই) দিনব্যাপী পরিদর্শনের শুরুতে পশ্চিম শেওড়াপাড়ার ৩ নম্বর গলিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

    পরে প্রতিমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা আনন্দবাজার খাল, পূর্ব মনিপুর বাইতুর রহিম জামে মসজিদ সংলগ্ন গলি, বাইশটেকী সরকার বাড়ি মোড় এবং ইব্রাহিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। প্রতিটি স্থানে তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে আলাদাভাবে কথা বলেন এবং বিদ্যমান সমস্যাগুলো সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

    স্থানীয়রা এ সময় পানির সংকট, গ্যাস সমস্যা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতা, ভাঙা রাস্তা, অবৈধ দখল, ট্রাফিক জট, মাদক ও কিশোর গ্যাং সমস্যা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফি সংক্রান্ত নানা অভিযোগ তুলে ধরেন।

    মতবিনিময়কালে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, বিরোধী দলীয় নেতার নির্বাচনি এলাকার উন্নয়নকে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তিনি টিম লিডার হিসেবে আজ এই এলাকা পরিদর্শনে এসেছেন।

    বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান জাতীয় স্বার্থে সহযোগিতার যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট সব সমস্যার সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ধাপে ধাপে স্থায়ী সমাধান করা হবে।

    তিনি আরও বলেন, “স্থানীয় সরকার বিভাগের একার পক্ষে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। ওয়াসা, তিতাস, বিদ্যুৎ বিভাগসহ সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।” একই সঙ্গে তিনি নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

    প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের দুর্ভোগ লাঘবই তাদের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, “আমরা শুধু আনুষ্ঠানিকতার জন্য নয়, বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর সমাধান নিশ্চিত করতে কাজ করছি।”

    ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন জানান, সমস্যাগুলো ইতোমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি ধাপে ধাপে দৃশ্যমান পরিবর্তনের আশ্বাস দেন এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

    সভায় উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দারা এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, সরকার ও বিরোধী দলের এ ধরনের সমন্বিত কার্যক্রম রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এবং ঢাকা–১৫ এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলোর সমাধানে সহায়ক হবে।

    পরিদর্শন ও কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগে. জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগে. জেনারেল সৈয়দ রাকিবুল হাসান, পিএসসি প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, মহাব্যবস্থাপক (পরিবহন) মোহাম্মদ শওকত ওসমান, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী এবং স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, তিতাস, বিদ্যুৎ বিভাগ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতিনিধিসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

  • খামেনির জানাজায় যোগ দিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের সংসদীয় প্রতিনিধি দল

    খামেনির জানাজায় যোগ দিতে ইরান যাচ্ছে জামায়াতের সংসদীয় প্রতিনিধি দল

    ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শহীদ আয়াতুল্লাহিল সাইয়্যিদ আলী হুসাইনি খামেনির বিদায়, জানাজা ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ইরান যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উচ্চপর্যায়ের সংসদীয় প্রতিনিধিদল ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান সরকারের আমন্ত্রণে প্রতিনিধি দলটি আগামী ৩ জুলাই ঢাকা ত্যাগ করবেন। তারা আগামী ৯ জুলাই পর্যন্ত ইরান সফর করবেন।বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপির নেতৃত্বে এ প্রতিনিধিদলের অপর সদস্যরা হলেন মো. নুরুল আমীন এমপি, ড. মো. কেরামত আলী এমপি এবং ডা. এসএম খালিদুজ্জামান।

    দলীয় সূত্র জানায়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দলটি ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর শোক, সমবেদনা ও সংহতি প্রকাশ করার উদ্দেশ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শহীদ আয়াতুল্লাহিল সাইয়্যিদ আলী হুসাইনি খামেনেয়ীর জানাজা ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবে।

    ইরান সফরকালে সরকারি কর্মসূচি অনুযায়ী প্রতিনিধিদল দেশটির শীর্ষ নেতৃত্ব এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ইরানের জনগণের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা যায়।

    একইসঙ্গে, এ গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানানোর পাশাপাশি প্রতিনিধিদলের সফর সফল করতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইরান সরকারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।

  • ৫ আগস্ট রাজধানীতে গণমিছিল করবে জামায়াত

    ৫ আগস্ট রাজধানীতে গণমিছিল করবে জামায়াত

    ডেস্ক নিউজ : জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে আগামী ৫ আগস্ট রাজধানীতে গণমিছিল করবে জামায়াতে ইসলামী—এমনটিই জানিয়েছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি অভিযোগ করেন, সংবিধান সংস্কারের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন না করে সরকার জাতীয় ঐক্যে ফাটল সৃষ্টি করেছে।

    সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে রাজধানীর বারিধারায় জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তর কার্যালয়ে আয়োজিত ৩৬ জুলাই (৫ আগস্ট) নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    সেলিম উদ্দিন বলেন, জুলাই কেবল একটি মাস নয়, এটি আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে হুংকার এবং স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। তিনি বলেন, জুলাইয়ের ইতিহাস ও চেতনাকে নতুন প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, ক্ষমতাসীনরা ক্ষমতায় আসার আগে জুলাইকে ঘিরে যে কথা বলেছিলেন, ক্ষমতায় এসে তার বিপরীত অবস্থান নিয়েছেন। এ সময় জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তরের পক্ষ থেকে ৩৬ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সেলিম উদ্দিন বলেন, কেন্দ্রীয়ভাবে ঘোষিত জুলাইভিত্তিক কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নেও জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তর সক্রিয় ও জোরালো ভূমিকা পালন করবে।

    কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—১ থেকে ১০ জুলাই গ্রাফিতি অঙ্কন, ১১ থেকে ১৬ জুলাই শহিদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা, ১৭ থেকে ৩০ জুলাই শাহাদাতের ঘটনাস্থলভিত্তিক আলোচনা সভা ও চিত্র প্রদর্শনী, ২৪ জুলাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানকে স্মরণ করে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সমাবেশ, ৩১ জুলাই মসজিদে মসজিদে শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মাহফিল, ১ থেকে ৪ আগস্ট ওলামা, শ্রমিক ও মহিলা সমাবেশ এবং ৫ আগস্ট জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীতে ঐতিহাসিক গণমিছিল।

  • নড়াইলের উত্তর সিঙ্গিয়া বাজার কমিটির নির্বাচনেসভাপতি শোভন ও সাধারণ সম্পাদক ইবাদত

    নড়াইলের উত্তর সিঙ্গিয়া বাজার কমিটির নির্বাচনেসভাপতি শোভন ও সাধারণ সম্পাদক ইবাদত

    নড়াইল প্রতিনিধি

    ২০০ বছরের ঐহিত্যবাহী নড়াইল সদরের উত্তর সিঙ্গিয়া বাজার কমিটির ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনে বিএনপিপন্থী প্যানেলের বিজয় হয়েছে। নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন-বিএনপিপন্থী প্যানেলের শোভন আহমেদ বাকী বিল্লাহ (১৫৫ ভোট)। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত প্রার্থী হাবিবুর রহমান মুরাদ পেয়েছেন ৭৭ ভোট।

    সাধারণ সম্পাদক পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ইবাদত শেখ বিজয়ী হয়েছেন (১৪৪ ভোট)। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী কিবির হোসেন পেয়েছেন ৭৯ ভোট।

    ১১টি পদের মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ নয়টিতে বিএনপিপন্থীরা বিজয় লাভ করেন। গত শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফলাফল ঘোষণা করেন-নির্বাচন কমিশনার হলি চাইল্ড কেয়ার হোম প্রি-ক্যাডেট স্কুলের অধ্যক্ষ আসলাম খান। নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসার ছিলেন-বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) সদর উপজেলা কর্মকর্তা সুজন কুমার চন্দ্র।

    এদিকে, সহসভাপতি পদে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী আল আমিন মোল্যা ও সহসাধারণ সম্পাদক জালাল শেখ বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া বিএনপি সমর্থিত সাংগঠনিক সম্পাদক প্রার্থী আলামিন মোল্যা, কোষাধ্যক্ষ মোস্তাক আহমেদ খান মিন্টু, দপ্তর সম্পাদক শামীম শেখ, সদস্য সবুর বিশ্বাস, মাসুদ মোল্যা, বখতিয়ার সরদার ও নবীর মোল্যা বিজয়ী হয়েছেন।

    নির্বাচনে ২৪৯ ভোটারের মধ্যে ২৪৭ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত প্যানেলে প্রতিটি পদে দুইজন করে ২২জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। উৎসবমুখর পরিবেশে ওইদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর উপস্থিতিতে সুষ্ঠু-সুন্দর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশনার আসলাম খান ও প্রিজাইডিং অফিসার সুজন কুমার চন্দ্র।

  • জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড একক কেউ নন, ১৮ কোটি মানুষ

    জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড একক কেউ নন, ১৮ কোটি মানুষ

    জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড একক কেউ নন, বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ।’ তিনি বলেন, ‘একক কোনও মাস্টারমাইন্ড আমরা মানি না।’
    রোববার জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৭তম দিন জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বাজেটের সাধারণ আলোচনা সময় পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    এর আগে জামালপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বিরোধীদলীয় নেতার বরাত দিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতা এই আন্দোলনের সম্পর্কে আমাদের সঙ্গে বলেছিলেন, আন্দোলনের প্রধান নায়ক তারেক রহমান। কাজেই আজকে যে এই বড় ধরনের বাজেট নিয়ে আপনারা চিন্তিত রয়েছেন আমাদের বিরোধীদলীয় নেতৃবৃন্দ। আপনাদের এই চিন্তার কোনো কারণ নাই। এই ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার যে বাজেট, এই বাজেট সম্পূর্ণ পূরণ হবে।’

    পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘মিল্লাত সাহেব উনি আমার একটা বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়েছেন। হ্যাঁ আমি বক্তব্য রেখেছি, কিন্তু সময়টা আপনি সঠিকভাবে বলেননি। এই সময়টা ছিল ২৪ সালের এপ্রিল মাস। আর পরিবর্তনটা হয়েছে ২৪ এর আগস্টে। আগস্টের ৫ তারিখের পরে আমার এই বক্তব্য। ওই সময় যাদের নেতৃত্বে এই অভ্যুত্থান সফল হয়েছে। আমার মনে হয়, আমরা সবাই অন্তর থেকে তাদেরকে সম্মান করি, ভালোবাসি। তাদের এই জায়গাটা ঠিক রাখতে হবে। এমনকি ড. ইউনূস আমেরিকায় গিয়ে একজনকে তিনি মাস্টারমাইন্ড বলেছিলেন। আমিই সেই ব্যক্তি যে, প্রথমে প্রতিবাদ করে বলেছি, এই আন্দোলনের একক কোনও মাস্টারমাইন্ড আমরা মানি না। আমাদের যুব সমাজকে কৃতিত্ব দিতে চাই। আর মাস্টারমাইন্ড হচ্ছে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ।’

  • ফতোয়ার জন্য মাদ্রাসায় যেতে হবে না, সংসদেই দেওয়া হয়: শাহজাহান চৌধুরী

    ফতোয়ার জন্য মাদ্রাসায় যেতে হবে না, সংসদেই দেওয়া হয়: শাহজাহান চৌধুরী

    ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে জাতীয় সংসদে বাগযুদ্ধে জড়িয়েছেন সরকারি ও বিরোধীদলীয় দলের সংসদ সদস্যরা।

    জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের একটি বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তাকে ‘হাল জামানার মুফতি’ বলে কটাক্ষ করেছেন।

    শনিবার (২৭ জুন) বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রামে এখন বলা হচ্ছে ফতোয়ার জন্য আর মাদ্রাসায় যেতে হবে না, ফতোয়া এখন পার্লামেন্টেই দেওয়া হয়।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীকে যারা ইসলামী দল নয় বলে ফতোয়া দিচ্ছেন, তাদের জামায়াত সম্পর্কে জানতে হলে ১০০ বছরের ইতিহাস জানতে হবে।

    শাহজাহান চৌধুরী বলেন, আমাদের চট্টগ্রামের আরেক কৃতি সন্তান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আজকে আমাদের চট্টগ্রামে একটা কথা এসেছে, কয় যে ফতোয়ার জন্য আর মাদ্রাসায় যেতে হবে না। আমি জিজ্ঞাস করলাম কেন? কয় যে, ফতোয়াতো আপনারদের এই পার্লামেন্টে দেওয়া হয়। ফতোয়া কী রকম, ফখরুল ইসলাম মাননীয় মন্ত্রী, উনি যেমন ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয়। জামায়াতে ইসলামী কে জানতে হলে একশ বছরের ইতিহাস জানতে হবে। জামায়াতে ইসলামী কি ইসলামী দল না অন্য কিছু সেটা আর ফতোয়া দেওয়ার দরকার নাই।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ‘আলিফ বা তা’ না জানা লোক হিসেবে অভিহিত করে তিনি ব্যঙ্গাত্মক সুরে বলেন, ফতোয়ার জন্য তারা আর হাটহাজারী, পটিয়া বা লালবাগে যাবেন না, বরং এই মহান পার্লামেন্টেই যার কাছ থেকে ফতোয়া পাওয়া যাচ্ছে, তার কাছ থেকেই নেবেন।

    শাহজাহান চৌধুরীর এই বক্তব্যের পরপরই বাজেট আলোচনায় অংশ নেন বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক। তিনি জামায়াত নেতার বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে সংসদকে উত্তপ্ত না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, নিজেদের কথা নিজেরাই বিচার করা উচিত।

    তিনি ১৯৭১ সালে জামায়াতের ভূমিকা এবং মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের দিকে তাকানোর আহ্বান জানান। স্বাধীনতার ঠিক একদিন আগে কারা বাংলাদেশকে বুদ্ধিজীবীশূন্য করার জন্য হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করেছিল, তা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আমরা অবশ্যই স্মরণ করব, কিন্তু ১৯৭১ সালকে কোনোভাবেই ভুলে যাওয়া যাবে না। পাশাপাশি তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়ানোর দাবিও জানান।

  • জুলাই স্মরণে ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের

    জুলাই স্মরণে ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের

    চলমান আন্দোলন জোরদার করতে আগামী ১ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত টানা ৩৬ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট।

    বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জোটের পক্ষে কর্মসূচি ঘোষণা করেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।

    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মরণে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো জুলাই গণ-অভ্যুত্থান সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে জনমত গঠন এবং বিগত সরকারের আমলে সংঘটিত গুম-খুনের বিচার নিশ্চিত করার দাবিকে জোরালো করা।

    ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ১ থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত দেশের সব জেলা ও মহানগরে সেমিনার আয়োজন। এছাড়া ২৩, ২৪ ও ২৫ জুলাই চিত্র প্রদর্শনী ও গ্রাফিতি অঙ্কনের আয়োজন করা হবে।

    এছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে স্মৃতিচারণমূলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচির শেষ দিনে, অর্থাৎ ৫ আগস্ট সারাদেশের জেলা, উপজেলা ও মহানগরে বিক্ষোভ সমাবেশ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে ১১-দলীয় জোট।

  • ৩০০ শিশু মৃত্যুতে মন্ত্রীর পদত্যাগ কই, প্রশ্ন শফিকুল ইসলাম মাসুদের

    ৩০০ শিশু মৃত্যুতে মন্ত্রীর পদত্যাগ কই, প্রশ্ন শফিকুল ইসলাম মাসুদের

    প্রস্তাবিত বাজেটের সাফল্য কেবল সংসদ সদস্যদের টেবিল চাপড়ানোর ওপর নির্ভর করে না; বরং সাধারণ মানুষের মুখের হাসিতেই বাজেটের প্রকৃত সফলতা নির্ধারিত হয় বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তিনি অভিযোগ করেন, সংসদে বাজেট নিয়ে আলোচনা শুনলে মনে হয় সব সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে, কিন্তু বাস্তবে বাজারে গিয়ে মানুষ এর কোনো সুফল পায় না।

    বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

    ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, “আমি এলাকায় বাজেটের আগে ‘নাগরিক ভাবনা’ নামে মতবিনিময় করেছি। সেখানকার মানুষ ও সাংবাদিকরা বলেছেন, সংসদে আপনাদের আলোচনা শুনলে মনে হয় সব সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে।

    কিন্তু বাস্তবে বাজারে গেলে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। সমস্যাগুলো আপনাদের বক্তৃতায় নেই।
    বাজেটের নীতি নির্ধারণে সাধারণ মানুষ, এমনকি সংসদ সদস্যদেরও তেমন কোনো ভূমিকা রাখার সুযোগ দেওয়া হয় না।
    বাজেট উপস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তির অভাবের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নত বিশ্বে বাজেট উপস্থাপনায় ইনফোগ্রাফিক, ভিজ্যুয়াল ড্যাশবোর্ড ও সহজ টেবিল ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আমাদের এখানে সেই ব্যবস্থা নেই।

    স্বাস্থ্য খাতের সমালোচনা করে তিনি বলেন, একটি মানবিক হাসপাতালে, যেখানে ৭০০ শয্যার মধ্যে ১৮০টি বিনামূল্যে, প্রতিদিন ২৩টি স্বাভাবিক প্রসব হয় এবং রোগী-স্বজনদের বিনামূল্যে খাবার দেওয়া হয়, সেখানে মাত্র ৬টি শিশু মারা যাওয়ার অজুহাতে লাইসেন্স বাতিল করা হলো। অথচ দেশে হামে ৩০০ শিশু মারা গেলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদত্যাগের কথা ভাবলেন না কেন?

    তিনি আরও বলেন, ওই হাসপাতালে অধ্যয়নরত ২৪৭ জন বিদেশি শিক্ষার্থী এখন দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। তারা স্বাস্থ্যমন্ত্রী বা সচিবের দেখা পাচ্ছেন না। এতে বহির্বিশ্বে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।

    শিক্ষা খাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষায় অগ্রাধিকারের কথা বলা হলেও ৫১১ কোটি টাকার জায়গায় মাত্র ৮৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এমনকি এমপিওভুক্ত ২ লাখ শিক্ষক মে মাসের বেতনও এখন পর্যন্ত পাননি। পরিবার নিয়ে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ৫ শতাংশ বরাদ্দের আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি।

    মেগা প্রকল্পে দুর্নীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমরা সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় পাই। ১৫ হাজার কোটি টাকার পদ্মা সেতু ৪৫ হাজার কোটি টাকায় শেষ হয়। এই মেগা প্রকল্প মানেই মেগা দুর্নীতি।

    তিনি বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের কথা বলা হলেও ভাঙ্গা পর্যন্ত সড়ক সিঙ্গাপুরের মতো মনে হয়, কিন্তু এরপর পটুয়াখালী-কুয়াকাটা পর্যন্ত সড়কের অবস্থা একেবারে অজপাড়াগাঁয়ের মতো।

    বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি সংসদ সদস্যদের কুয়াকাটা ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেন, সেখানে গিয়ে সড়কের অবস্থা দেখে আসুন। মেগা প্রকল্পের অর্থ তখনই সার্থক হবে, যখন তৃণমূলের মানুষ এর সুফল পাবে।