জামায়াত

  • ফ্যাসিস্ট যা করেছে, আপনাদের কর্মকাণ্ড হুবহু এর ফটোকপি, বললেন জামায়াত আমির

    ফ্যাসিস্ট যা করেছে, আপনাদের কর্মকাণ্ড হুবহু এর ফটোকপি, বললেন জামায়াত আমির

    বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘১৭ বছরের নির্যাতনের কথা যেন সরকার ভুলে না যায়।’

    তিনি বলেছেন, ‘আমরা তো নতুন কিছুই দেখছি না। আগের ফ্যাসিস্ট যা করে গেছে, এখন হুবহু ফটোকপি আপনারা করছেন। বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়ন আপনারাও আগের মতোই করছেন।রোববার প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    জামায়াত আমির বলেন, ‘৭০ শতাংশ মানুষের রায়কে কেন অগ্রাহ্য করছেন? ’৭০-এর নির্বাচন অগ্রাহ্য করার জন্যই তো ৭১ সংঘটিত হয়েছিল।’

    তিনি বলেন, ‘৯৬-এর নির্বাচন নিয়ে মাঝেমধ্যে বিএনপি আমাদের খোঁচা দেয়। অথচ ’৯১-এ নিঃস্বার্থ সমর্থনের কারণেই বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হয়েছিল।’

    নির্বাচন কমিশনের মতো নিরপেক্ষ জায়গায় দলীয় লোক বসানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

  • সত্য যদি আমার বিরুদ্ধেও যায়, অকপটে প্রকাশ করুন: জামায়াত আমির

    সত্য যদি আমার বিরুদ্ধেও যায়, অকপটে প্রকাশ করুন: জামায়াত আমির

    বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, গণমাধ্যম সমাজের চতুর্থ স্তম্ভ। একটি স্বাধীন, বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যমই সমাজকে সজাগ রাখে এবং মানুষের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনে। তিনি বলেন, ‘মিডিয়াকে সমাজের আয়না বলা হয়। আয়নার সামনে দাঁড়ালে যেমন কোনো কিছু আড়াল থাকে না, তেমনি একজন প্রকৃত সাংবাদিকও কোনো তথ্য বিকৃত বা পরিবর্তন না করে মানুষের সামনে সত্য তুলে ধরেন। এ কারণেই সাংবাদিকদের সমাজের বিবেক বলা হয়। মিডিয়া যতদিন জাগ্রত থাকে, একটি সমাজও ততদিন জাগ্রত থাকে। আর বিবেকের মৃত্যু হলে সমাজেরও মৃত্যু ঘটে।’

    শনিবার সিলেটের বন্দরবাজারস্থ কুদরত উল্লাহ মসজিদ কমপ্লেক্সে দৈনিক জালালাবাদ পত্রিকার ৩৪ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জালালাবাদ পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে আমি এই পত্রিকার প্রতি একটি অনুরোধ রাখব। আমাদের অঙ্গীকার ছিল— জালালাবাদ কোনো রাজনৈতিক দলের মুখপাত্র হবে না; এটি হবে জনগণের মুখপাত্র। কোন দল কখন রাষ্ট্রক্ষমতায় আসবে, সেটি আল্লাহ তাআলার ফয়সালা। কিন্তু জালালাবাদকে অবশ্যই নিরপেক্ষ অবস্থান ধরে রাখতে হবে।’

    তিনি বলেন, ‘এই নীতিগত অবস্থান বজায় রাখতে গিয়ে যদি কোনো রাজনৈতিক দলের রোষানলে পড়তে হয়, তাতেও আপত্তি নেই। এমনকি এ পথে চলতে গিয়ে যদি পত্রিকাটি বন্ধও হয়ে যায়, তবুও নীতির প্রশ্নে যেন কখনো আপস না করা হয়। পত্রিকার পৃষ্ঠাসংখ্যা ছোট হতে পারে, কিন্তু তার সংবাদ অবশ্যই বস্তুনিষ্ঠ হতে হবে এবং জনগণের কথা বলতে হবে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘সত্য প্রকাশ করতে গিয়ে যদি কোনো সংবাদ আমার বিরুদ্ধে যায় কিংবা আমার দলের বিরুদ্ধেও যায়, তবুও জালালাবাদ যেন সত্য প্রকাশে পিছপা না হয়। একটি গণমাধ্যম যখন নির্ভয়ে সত্য তুলে ধরে, তখন মানুষের আস্থা স্বাভাবিকভাবেই তার প্রতি বৃদ্ধি পায়।’

    বর্তমান সমাজে পারস্পরিক বিশ্বাসের সংকটের কথা উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘আজ আমাদের সমাজের সবচেয়ে বড় সংকটগুলোর একটি হলো আস্থার সংকট। মানুষ মানুষকে বিশ্বাস করতে চায় না। আমি প্রত্যাশা করি, দৈনিক জালালাবাদ তার বস্তুনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে এই আস্থার সংকট কাটিয়ে উঠতে সমাজকে সহায়তা করবে।’

    বক্তব্যের শেষে তিনি দৈনিক জালালাবাদ পরিবারের উত্তরোত্তর সাফল্য, সমৃদ্ধি ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মহান আল্লাহর নিকট দোয়া করেন এবং দেশের গণমাধ্যমে সত্য, ন্যায় ও জনস্বার্থভিত্তিক সাংবাদিকতার ধারা আরও শক্তিশালী হোক— সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

    সুধী সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, দৈনিক জালালাবাদ পত্রিকার বর্তমান সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা মুকতাবিস উন নূর, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রব, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী এবং ফিলিপাইন ক্রিশ্চিয়ান ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ারুল ওয়াদুদ টিপুসহ সিলেটের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সিনিয়র সাংবাদিকবৃন্দ।

  • জুলাই পদযাত্রায় চোখ হারানো কিশোর আলিফকে দেখতে গেলেন জামায়াত আমির

    জুলাই পদযাত্রায় চোখ হারানো কিশোর আলিফকে দেখতে গেলেন জামায়াত আমির

    হবিগঞ্জে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে হামলার ঘটনায় গুরুতর আহত ও একটি চোখ হারানো কিশোর আলিফকে দেখতে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে গেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে তিনি হাসপাতালে গিয়ে আলিফের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।

    এর আগে, হবিগঞ্জে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’য় হামলার ঘটনায় কিশোর আলিফ গুরুতর আহত হন। চোখে গুরুতর আঘাত পাওয়ার পর তাকে প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হলেও অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকেরা তার একটি চোখ রক্ষা করতে পারেননি।

  • সরকার নিজেই দাবি করছে দুর্নীতি বেড়েছে: জামায়াত আমির

    সরকার নিজেই দাবি করছে দুর্নীতি বেড়েছে: জামায়াত আমির

    দেশে দুর্নীতি বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি বর্তমান বিএনপি সরকার নিজেই দাবি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ত্রি-বার্ষিক জাতীয় সম্মলনে যোগ দিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি।

    জামায়াত আমির বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকার জামায়াতকে নিষিদ্ধ করেছিল ১ আগস্ট। আর তাদের দেশ ছাড়তে হয়েছে ৫ আগস্ট।’

    চব্বিশের জুলাই আন্দোলনে শ্রমিক সমাজ সবচেয়ে বেশি আত্মত্যাগ করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বেশি প্রাণ এই সমাজই হারিয়েছে। এরা কোটার বিরুদ্ধে নয় বরং বৈষম্যবিরোধী বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আন্দোলনে নেমেছিল।’

    বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার চেষ্টা করছে সবাইকে চাকরি দিতে। চাকরি তিনি দিয়েছেন ঠিকই, তবে টেম্পু স্টেশনে৷ এই চাকরি বাংলাদেশ প্রত্যাখ্যান করে।’

    দুর্নীতি ইস্যুতে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘নব নির্বাচিত সরকার নিজেই দাবি করছে দুর্নীতি বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা দেখি তারেক রহমানের ইশারায় সব চলে, তাহলে তার ইশারায় দুর্নীতি বন্ধ হয় না কেন?’

    নৈতিক দিক থেকে সরকার দেশ চালাতে ব্যার্থ হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘চাঁদাবাজদের কাছে বিভিন্নভাবে পরিবহন শ্রমিকরা হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন। সরকারি দল থেকে এগুলো করা হচ্ছে।

    জুলাই যোদ্ধাদের প্রাপ্য সম্মান দেয়ার দাবি জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘৭০ শতাংশ মানুষ গনভোটের পক্ষে রায় দিয়েছে। সরকার যদি গণতান্ত্রিক হয় তবে তাদের এই রায় মানতে হবে।’

  • যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্যের মেয়ে মানসিক রোগে আক্রান্ত

    যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্যের মেয়ে মানসিক রোগে আক্রান্ত

    যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম রসুলের মেয়ে মেহজাবিন জান্নাত অনন্যা সিজোফ্রেনিয়া নামক মানসিক রোগে আক্রান্ত। তিনি ভারতের হায়দরাবাদসহ বাংলাদেশে বিভিন্ন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিয়েছেন।

    মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর উত্তরের কেন্দ্রীয় মজলিসের শুরা সদস্য ও প্রচার মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকার এ তথ্য জানান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে জামায়াত মিডিয়া উইংয়েও দেওয়া হয় একটি পোস্ট।

    জামায়াত মিডিয়া উইং থেকে দেওয়া স্ট্যাটাসে আরো বলা হয়, একজন মানসিক রোগে আক্রান্ত নারীর বিরুদ্ধে মব উসকে দেওয়া হচ্ছে এবং তার বাসায় হামলা চালানো হচ্ছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের ইন্ধনে। পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াজুড়ে চলছে টার্গেটেড অপপ্রচার।

    মেহজাবিন জান্নাত অনন্যার চিকিৎসা সংক্রান্ত কিছু নথি এই পোস্টের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়

  • ঢাকার দুই সিটি দিয়ে স্থানীয় নির্বাচন শুরু করতে বলল জামায়াত

    ঢাকার দুই সিটি দিয়ে স্থানীয় নির্বাচন শুরু করতে বলল জামায়াত

    ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির ও ডিএনসিসি মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

    তিনি বলেন, ঢাকায় সুন্দর নির্বাচন হলে সারাদেশে তার প্রভাব পড়বে। এজন্য ঢাকা ও চট্টগ্রাম সহ যেসব সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হয়েছে, সেগুলোর নির্বাচন আগে করতে হবে। পর্যায়ক্রমে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করতে হবে। তা না হলে বুঝতে হবে সরকার জনগণের রায়ের মুখোমুখি হতে ভয় পাচ্ছে।

    রোববার রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় মহানগর উত্তর জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    সেলিম উদ্দিন বলেন, জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও কারচুপির চেষ্টা করা হলে তা প্রতিহত করা হবে। এ ধরণের কোনো চিন্তা যেন কেউ না করে।

    রাজধানী ঢাকায় চরম নাগরিক দুর্ভোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানে ময়লা-আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে, যা নগর ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার প্রমাণ। তিনি বলেন, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক, সন্ত্রাসে মানুষ অতিষ্ঠ। সরকারের নিয়োগ দেয়া প্রশাসকরা এসব সমস্যার সমাধানে ব্যর্থ। তারা নাগরিক সেবাবে পুরানো ধাচেই চালাচ্ছে। অথচ আমাদেরকে তিন মাস সময় দিলেই ঢাকার চিত্র পাল্টে যেতে পারে।

    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় নাগরিক সেবামূলক নানা কার্যক্রমের কথা তুলে ধরে সেলিম উদ্দিন বলেন, আমরা নাগরিক সেবা, স্বাস্থ্য-শিক্ষা সহায়তা, কর্মসংস্থান, পরিচ্ছন্নতা, দরিদ্রদের সহায়তা, মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন সহ বহু কর্মসূচি পরিচালনা করছি। যদিও সেগুলোর তেমন কোন প্রচার নেই।

    জলাবদ্ধতা ও ময়লা সমস্যার সমাধানে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে মাঠে নেমে আন্দোলনের ঘোষণা দেন সেলিম উদ্দিন। পাশাপাশি নাগরিক সেবা উন্নত করা এবং দালালচক্র নির্মূলেরও দাবি জানান তিনি।

    জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়ে সেলিম উদ্দিন বলেন, সরকার জুলাই বিপ্লবের প্রধান স্টেকহোল্ডার না হয়েও তারা প্রধান বেনিফিশিয়ারি। অথচ তারা এখন জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে তালবাহানা করছে। তিনি বলেন, জুলাইয়ের চেতনায় একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এবং ন্যায়-বিচারের চেতনাও আছে। তাই জুলাইকে বাদ দিয়ে সরকারে থাকা বা রাজনীতি করার কোনো সুযোগ নেই। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে বিএনপিকে চরম মূল্য দিতে হবে।

    তিনি সদ্য পদত্যাগকারী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পুর ব্যাংকের শেয়ার জালিয়ারির প্রসঙ্গ তুলে বলেন, আমরা ফ্যাসিবাদের এই দোসরের আগেই সরাতে বলেছিলাম। কিন্তু সরকার তাকে সরায়নি। এখন যেভাবেই হোক তার পদ্যাগের মধ্য দিয়ে আমাদের সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। তবে আমাদের দাবি হলো-তার বিচার না হওয়া পর্যন্ত যেন বাইরে যাওয়ার সুযোগ না দেয়া হয়। প্রয়োজনে সব হাসপাতাল মিলে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক।

    ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের প্রচার-মিডিয়া সম্পাদক আতাউর রহমান সরকারের সঞ্চালনায় মতবিনিময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন, উত্তরের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মূসা, সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান, নাজিম উদ্দীন মোল্লা, ডা.ফখরুদ্দিন মানিক, ইয়াসিন আরাফাত, কর্মপরিষদ সদস্য হেমায়েত হোসেন ও জামাল হোসেন প্রমুখ।

  • ‘হ্যাঁ’ ভোট বাস্তবায়নে ধানাইপানাই চাই না-জামায়াত আমির

    ‘হ্যাঁ’ ভোট বাস্তবায়নে ধানাইপানাই চাই না-জামায়াত আমির

    ‘‘নির্বাচনের সময় সবাই জনগণের কাছে ভোট চাইতে গেছে। জনগণ ‘হ্যাঁ’ ভোটে সমর্থন দিয়েছে। তাই এখন সেই ‘হ্যাঁ’ ভোটের বাস্তবায়ন দেখতে চাই। কোনো ধানাইপানাই চাই না।’’ আজ শনিবার নগরীর সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বললেন এমনই।

    তিনি জানাচ্ছিলেন, ‘বাংলাদেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদ চাই না। যদি আবার ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে যান, তাহলে শেখ হাসিনার মতো পরিণতি হবে। আমরা জুলাইয়ের সঙ্গে বেইমানি করব না। দেশ থেকে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আমরা থামব না। জনগণের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম চলবে। জনগণের পাশে থেকে আমরা আমাদের আন্দোলন ও সংগ্রাম অব্যাহত রাখব।’

    গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, সংবিধান সংস্কার এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিচারের দাবিতে সিলেটে বিভাগীয় সমাবেশ করে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোট।

    এ সময় সিলেটের রাস্তাঘাট নিয়ে জামায়াত আমির মন্তব্য করেন, ‘সিলেটের রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে নড়াচড়া হচ্ছে, কিন্তু কোনো কিনারা লাগছে না। সমুদ্রের ঢেউ দেখতে সমুদ্রে যেতে হবে না, সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে গেলেই তা দেখা যাবে।’

    সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম। তিনি বলেছেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনায় রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।

    বিশেষ অতিথি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোর দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

    বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক তার বক্তব্যে সংবিধান সংস্কার, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    এ ছাড়া বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির আব্দুল কাইয়ুম সুবহানী, খেলাফত আন্দোলনের আমির হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপা মুখপাত্র রাশেদ প্রধান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এ কে এম আমজাদুল ইসলাম চান।

    এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরে সিলেট জুড়ে ব্যাপক প্রচারণা চালায় জামায়াতে ইসলামী ও জোটভুক্ত দলগুলো। সমাবেশে বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা অংশ নেন। আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ এবং আশপাশের এলাকায় সকাল থেকেই নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে জনসমাগম দেখা যায়।

    এর আগে শুক্রবার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ১১-দলীয় ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বললেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তাদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার ব্যর্থ হয়েছে এবং সংবিধান সংস্কারের প্রশ্নে প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসেছে।

  • জামায়াত ফেরেশতার দল নয়, ভুলত্রুটি হতে পারে

    জামায়াত ফেরেশতার দল নয়, ভুলত্রুটি হতে পারে

    দলের বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী মো. নজরুল ইসলামের ভিডিওকাণ্ড নিয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও ইঙ্গিতে নেতাকর্মীদের সতর্ক করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, জামায়াত ফেরেশতাদের দল নয়, মানুষের সংগঠন। তাই ভুলত্রুটি হতে পারে, তবে নৈতিকতার প্রশ্নে আপস করা হবে না। কেউ ভুল করলে তাঁকে অবশ্যই সংশোধনের আওতায় আসতে হবে।

    শুক্রবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে ঢাকা জেলা জামায়াতের ষাণ্মাসিক সদস্য (রুকন) সম্মেলনে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। জামায়াতের সমালোচনাকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, যারা দেশকে ভালোবাসেন, জাতিকে ভালোবাসেন, অন্যায় অপরাধ দেখলে আমাদের ধরিয়ে দিন। কথা দিচ্ছি আমরা সংশোধন করব।

    নেতাদের সাবধান করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, গায়ে যদি আপনার সাদা কাপড় থাকে, আপনাকে যত্নশীল হতে হবে। সাদা কাপড়ে দাগ ভাসে বেশি। সাবধান, নৈতিকতার প্রশ্নে জামায়াতে কোনো ছাড় নেই।
    প্রতিবেশী দেশের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ কারও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে চায় না। অন্যদেরও বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। বাংলাদেশ শান্তিতে থাকতে চায়। তবে সীমান্তে অশান্তি সৃষ্টি করা হলে তার প্রভাব উভয় দেশকেই বহন করতে হবে।

    সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে গুরুত্ব দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, নেতা ও নীতির সংশোধনের মাধ্যমেই সমাজে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব।

    সংবিধান ও গণভোটের ফল বাস্তবায়ন প্রশ্নে সরকারের অবস্থানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বেশি সংবিধান কচলাবেন না। না হলে নিজেদের অস্তিত্ব আর খুঁজে পাবেন না।

    ঢাকা জেলা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বক্তৃতা করেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এমপি, নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এমপি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি প্রমুখ।

  • জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে হবে: মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন

    জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে হবে: মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন

    জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিয়ে কঠোর হুশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। রাজধানীতে আয়োজিত এক আর্ট প্রতিযোগিতায় তিনি বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে হবে—অন্যথায় সরকারকে এর চড়া মূল্য দিতে হবে।

    শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টায় রাজধানীর উত্তরার আইইএস স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে জুলাই গণঅভ্যুত্থান উদযাপন কমিটি, উত্তরা আয়োজিত জুলাই শহীদদের স্মরণে ‘তুলিতে জুলাই’ শীর্ষক আর্ট প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    জুলাই শহীদ জাবির ইব্রাহিমের মা ও জুলাই উদযাপন কমিটি, উত্তরার আহ্বায়ক রোকেয়া বেগম এমপির সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব কামরুল হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ আশরাফুল হক, জামাল উদ্দিন, ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ, ইব্রাহিম খলিল, মাজহারুল ইসলাম, আবু বকর সিদ্দিক, গাজী মনির হোসাইন, ইসরাফিল হোসেন, সুরুজ্জামান, জাকির হোসাইন, তাহমিদ হুজাইফা, তালহা জোবায়ের সজিব ও ইমরান হোসাইনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

    মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, জুলাই বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক গণআন্দোলনের প্রতীক। তার ভাষ্য অনুযায়ী, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে একটি নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছিল। তবে রাজনৈতিক ব্যর্থতা, সদিচ্ছার অভাব এবং ক্ষমতার প্রতি অতিরিক্ত আকর্ষণের কারণে সেই অর্জন আজ ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    তিনি আরও বলেন, জুলাইকে কোনোভাবেই ভূলুণ্ঠিত হতে দেওয়া যাবে না। এটি ব্যর্থ হলে দেশ ও জাতিসত্তার অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়তে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, দেশপ্রেমিক ছাত্র-জনতা যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে প্রস্তুত রয়েছে।

    সরকারের উদ্দেশে সেলিম উদ্দিন বলেন, নেতিবাচক রাজনীতি পরিহার করে ইতিবাচক রাজনৈতিক চর্চায় ফিরে আসা প্রয়োজন। অন্যথায় ইতিহাস সরকারকে ক্ষমা করবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

    জুলাই সনদ প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, সরকার সংবিধানের ব্যাখ্যা দিয়ে সনদ বাস্তবায়ন এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে এবং এ নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। তার দাবি, এ ধরনের অবস্থান পরিহার করে অবিলম্বে জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা উচিত।

  • জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ছাড়ল খেলাফত মজলিস

    জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ছাড়ল খেলাফত মজলিস

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছাড়ল খেলাফত মজলিস।

    শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার বৈঠক থেকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। রাজধানীর পুরানা পল্টনে মজলিস কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের যাবতীয় কর্মসূচি থেকে খেলাফত মজলিস বিরত থাকবে। তবে ভবিষ্যতে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার প্রয়োজন হলে বিষয়টি তারা বিবেচনা করবে।

    বৈঠক শেষে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুল হাফিজ খসরু স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

    বিবৃতিতে বলা হয়, ‘১১ দলীয় ঐক্য ছিলো মূলত নির্বাচনী সমঝোতা। নির্বাচন শেষ হয়ে যাওয়ায় এ ঐক্যের কার্যকারিতা বস্তুত শেষ হয়ে যায়। তবুও নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ১১ দলীয় কিছু কর্মসূচিতে খেলাফত মজলিস অংশ নেয়। এখন থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের যাবতীয় কর্মসূচি থেকে খেলাফত মজলিস বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভবিষ্যতে দেশ, জাতি ও ইসলামের জন্য প্রয়োজন হলে বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার প্রয়াস-প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

    এর আগে, গত ১৩ জুন চট্টগ্রামে ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশের পর খেলাফত মজলিস আনুষ্ঠানিকভাবে জোটকে জানিয়ে দেয়, ভবিষ্যতে কোনো সমাবেশের ব্যানার বা প্রচারণায় যেন দলের নাম কিংবা নেতাদের নাম ব্যবহার না করা হয়। পরে রংপুরের একটি সমাবেশে নাম ব্যবহার করা হলে আপত্তির মুখে তা প্রত্যাহার করা হয়। এরপর থেকে জোটের কোনো কর্মসূচিতে খেলাফত মজলিসের নাম ব্যবহার করা হয়নি বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

    সম্প্রতি কওমি ঘরানার ইসলামি দলগুলোর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর উদ্যোগে কওমি ধারার কয়েকটি ইসলামি দলের নেতাদের বৈঠকের পর থেকেই ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে খেলাফত আন্দোলন ঘোষণা দিয়ে ১১ দলীয় ঐক্য ত্যাগ করেছে। এবার খেলাফত মজলিসও সে পথেই হাঁটল। তবে মাওলানা মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এখনো জামায়াত নেতৃত্বাধীন এই ঐক্যে বহাল আছে।