ট্যাগ জামায়াত

  • শহীদ মালেক ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

    শহীদ মালেক ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

    বগুড়ায় শহীদ আব্দুল মালেকের কবর জিয়ারত ও শহীদ আব্দুল মালেক ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান । পরে তিনি শহীদ আব্দুল মালেকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।

    শনিবার সকাল থেকে দিনব্যাপী সাংগঠনিক সফরের অংশ হিসেবে বগুড়ায় অবস্থান করছেন শফিকুর রহমান।

    শহীদ আব্দুল মালেকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ডা. শফিকুর রহমান তাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং শহীদের আত্মত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি শহীদ পরিবারের পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

    Malek Foundation

    সফরকালে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন—বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও বগুড়া অঞ্চল পরিচালক এ টি এম আজহারুল ইসলাম এমপি এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিনসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

    ছাত্রনেতা শহীদ আব্দুল মালেক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন পাকিস্তানে ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। তিনি ১৯৬৯ সালের ১২ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে দুই দলের মধ্যে চলা সংঘর্ষে হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন ও ১৫ আগস্ট ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তার হত্যাকাণ্ডের দিনকে স্মরণীয় করে রাখতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির প্রতি বছরের ১৫ আগস্টকে ‘ইসলামী শিক্ষা দিবস’ হিসেবে পালন করে।

  • জামায়াতের দাবি নাকচ, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে ইসির ‘না’

    জামায়াতের দাবি নাকচ, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে ইসির ‘না’

    এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা শিক্ষাঙ্গনের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশের জন্য বড় অন্তরায়—এমনটাই জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই শিক্ষকদের সরাসরি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার দাবি জানানো হলেও কমিশন এ বিষয়ে সরাসরি নেতিবাচক অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

    রোববার আগারগাঁওয়ের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার এ অবস্থানের কথা জানান।

    নির্বাচন কমিশনার জানান, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা শিক্ষার সার্বিক পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। এর ফলে শিক্ষকদের নিরপেক্ষতা চরমভাবে লঙ্ঘিত হয় উল্লেখ করে ইসি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, শিক্ষাঙ্গনের গঠনমূলক পরিবেশ বজায় রাখতে এই অবস্থান থেকে সরে আসার কোনো সুযোগ নেই।

    জামায়াতের পক্ষ থেকে ইসির ওপর সরকারি চাপের অভিযোগ তোলা হয়েছিল। এই প্রসঙ্গে কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, নির্বাচন কমিশন সরকারের চাপে আছে—এমন ভিত্তিহীন দাবি তোলা মূলত কমিশনকে উল্টো চাপে রাখার একটি রাজনৈতিক কৌশল।

    সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার আসন্ন নির্বাচনগুলোর প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা তুলে ধরে জানান, উপ-নির্বাচনগুলোতে ভোটারদের প্রক্রিয়া সহজ করতে আইটি-সাপোর্টেড পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থার বড় ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারচুপি রোধে সব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের বডি ওর্ন ক্যামেরার সংখ্যা বহুগুণ বাড়ানোর পাশাপাশি যেকোনো বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। পর্যাপ্ত সদস্য মোতায়েন এবং ভোটকেন্দ্রের অবকাঠামোগত সমস্যা দূর করার মাধ্যমে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে কমিশন বদ্ধপরিকর।

  • দাবি না মানলে সরকার পতনের আন্দোলন: শফিকুর রহমান

    দাবি না মানলে সরকার পতনের আন্দোলন: শফিকুর রহমান

    জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপি বলেছেন, `আপনারা কি ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি পান? কৃষকেরা কি সময়মতো সার পান? ব্যবসায়ীরা কি চাঁদাবাজমুক্ত পরিবেশে ব্যবসা করতে পারেন? কুমিল্লায় দুর্নীতি আছে কি না—আছে? এসব সমস্যার সমাধান চান বলেই আমরা রাস্তায় নেমেছি।’

    আজ শনিবার দুপুরে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-গ্যাস ও সারসংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দলীয়করণ বন্ধসহ ছয় দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চের অংশ হিসেবে এ পথসভার আয়োজন করা হয়।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই লংমার্চ দেশের সব বিভাগীয় শহরে যাবে। ছয় দফা দাবি আদায়ে আন্দোলন শুরু হয়েছে। সরকার এসব দাবি মেনে না নিলে সরকার পতনের আন্দোলন সফল করেই তাঁরা ঘরে ফিরবেন।

    কুমিল্লাবাসীর উদ্দেশে জামায়াতের আমির বলেন, ‘আপনারা কুমিল্লা বিভাগ চান। ১৯৯৪ সালে যখন সিলেট বিভাগ হয়, তখন একই সময়ে কুমিল্লাকে বিভাগ করার দাবিও উঠেছিল। কিন্তু ১৯৯৪ সালে কুমিল্লা বিভাগ হয়নি, সিলেট বিভাগ হয়েছে। তাহলে কুমিল্লাবাসীর অপরাধ কী?’

    তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারকে পরিষ্কারভাবে বলেছি, কুমিল্লা বিভাগ নিয়ে আর টালবাহানা করবেন না। কুমিল্লা বিভাগ করুন এবং এর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করুন। পাশের জেলা নোয়াখালীর মানুষও বিভাগ দাবি করছেন, তাঁরাও দাবিদার। তাঁদেরও বিভাগ দিন। তবে কুমিল্লা যেহেতু ১৯৯৪ সাল থেকে বিভাগ দাবি করে আসছে, তাই কুমিল্লা বিভাগ আগে বাস্তবায়ন করুন।’

    শফিকুর রহমান বলেন, ‘খন্দকার মোশতাকের বাড়ি কুমিল্লায়—এ কারণে কি আপা কুমিল্লার প্রতি বিরাগ দেখিয়েছিলেন? কুমিল্লার নাম নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেন না। কোনো জেলার নামকে কেন্দ্র করে বাড়াবাড়ি করা হলে তা ওই জেলা ও বিভাগের প্রতিটি নাগরিককে অপমান করার শামিল। বর্তমান সরকার বিভাগ দেওয়ার কথা বলেছে। তাহলে দিচ্ছে না কেন? কুমিল্লা বিভাগ দিন।’

    কুমিল্লায় বিমানবন্দর চালুর বিষয়ে তিনি বলেন, এখানে বিমানবন্দর করার বিষয়টি সামনে এসেছে। কুমিল্লায় একটি ইপিজেডও রয়েছে। বিমানবন্দরটি যাচাই-বাছাই করে চালু করার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। তবে আগে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন করুন। মানুষকে প্রশাসনিক কাজে চট্টগ্রামে যেতে অনেক দূর যেতে হয়। বিভাগ হলে কুমিল্লার মানুষ এখানেই প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সেবা পাবে।

    শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘আপনারা কি বাংলাদেশের মানুষের মুক্তি চান? সরকার নির্বাচনের আগে জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা কি রক্ষা করছে? করেনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের আইনশৃঙ্খলা ঠিক না রেখে এবং নিজের মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করে একসঙ্গে অনেক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়ে বসে আছেন।’

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘যদি নিজ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বেই থাকতে চান, তাহলে অন্য সব দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে আগে নিজের মন্ত্রণালয়ের পরিস্থিতি ঠিক করুন। আমাদের যুবসমাজকে রক্ষা করুন, দেশকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করুন।’

    কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের আমির কাজী দ্বীনের সভাপতিত্বে পথসভায় বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি সভাপতি ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আমির মামুনুল হক, জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ড. আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, এবি পাটির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মন্ঞ্জু, জাতীয় নাগরিক পার্টি মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মাসুম, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজী।

  • কুমিল্লা-নোয়াখালীকে আলাদা বিভাগ ঘোষণার দাবি জানালেন জামায়াত আমির

    কুমিল্লা-নোয়াখালীকে আলাদা বিভাগ ঘোষণার দাবি জানালেন জামায়াত আমির

    কুমিল্লা ও নোয়াখালীকে আলাদা বিভাগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারকে পরিষ্কারভাবে বলছি, কুমিল্লা বিভাগ নিয়ে আর ধানাই-পানাই করবেন না। কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন হোক। পাশের নোয়াখালী, বৃহত্তর নোয়াখালীর মানুষও বিভাগ চাচ্ছেন। তারাও একটি বিভাগ পাওয়ার দাবিদার। তাদেরও দিন। কিন্তু কুমিল্লার দাবি যেহেতু ১৯৯৪ সাল থেকে চলে আসছে, আগে কুমিল্লা বিভাগ বাস্তবায়ন করুন।’

    শনিবার (৫ আগস্ট) কুমিল্লার পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    খন্দকার মোশতাক আহমেদের বাড়ি কুমিল্লায় উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘এই কারণে গোঁসা করে কুমিল্লার নামে বিভাগ দেওয়া হবে না, আগে এ নিয়ে ধানাই-পানাই করা হয়েছে। আমরা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, কোনো জেলার নাম নিয়ে যদি বাড়াবাড়ি করা হয়, তাহলে সেটা ওই জেলা এবং সেখানে বসবাসকারী প্রত্যেকটি মানুষকে অপমান করার শামিল।’

    শফিকুর রহমান বলেন, ‘বর্তমান সরকারও বলেছে, কুমিল্লা বিভাগ দেওয়া হবে। তাহলে দিচ্ছেন না কেন? এটা দ্রুত বাস্তবায়ন করুন। বিভাগের প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করার যাবতীয় ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণ করুন।’

    কুমিল্লায় বিমানবন্দর চালুর বিষয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এখানে বিমানবন্দর হওয়ার যে বিষয়টি আছে, সেটিও দেখতে হবে। এখানে একটি ইপিজেড আছে, একটি বিমানবন্দরও আছে। সেই বিমানবন্দরটি সম্ভাব্যতা যাচাই করে যদি সবদিক থেকে উত্তম হয়, তাহলে জনগণের জন্য সেটিও চালু করা হোক। তবে বিভাগটা আগে দেন। বিভাগের দাবিটা আগে পূরণ করুন।’

    তিনি আরও বলেন, ‘কুমিল্লার মানুষকে এখন প্রশাসনিক কাজের জন্য চট্টগ্রামে দৌড়াতে হয়। এখানে বিভাগ হলে তাদের প্রশাসনিক কাজগুলো এখানেই হবে।’

    লংমার্চ প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, ‘আজকের কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু হলো। প্রত্যেকটি বিভাগীয় শহরে ইনশাআল্লাহ আমাদের লংমার্চ যাবে। এরপর ঢাকায় মহাসমাবেশ হবে। সেই মহাসমাবেশ কি শুধু চিড়ামুড়ি খাওয়ার জন্য হবে, নাকি আমাদের দাবি আদায়ের জন্য হবে? কুমিল্লার মানুষ, আপনারা যাবেন। প্রয়োজনে চিড়ামুড়ি হাতে নিয়েই যাবেন। দাবি আদায় করে ইনশাআল্লাহ ঘরে ফিরবেন। আপনারা প্রস্তুতি নেন। আমরা আশাবাদী, জনতার বিজয় হবে, ইনশাআল্লাহ।’

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী করেন? তিনি তো সংসদের সব মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন, কিন্তু নিজের মন্ত্রণালয়েরই কোনো খবর নেই।’

    উল্লেখ্য, জুলাই গণহত্যার বিচার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ এবং সারের সংকট সমাধানসহ ছয় দফা দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করছে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্য। আজ সকাল ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে লংমার্চের কর্মসূচি শুরু হয়। চট্টগ্রামের লালদিঘীর মাঠে সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হবে।

  • লংমার্চে বাধা দিলে জনরোষের মুখে পড়তে পারে সরকার: মিয়া গোলাম পরওয়ার

    লংমার্চে বাধা দিলে জনরোষের মুখে পড়তে পারে সরকার: মিয়া গোলাম পরওয়ার

    জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সরকারি দল, তাদের সহযোগী সংগঠন কিংবা প্রশাসনের কোনো অংশ বিরোধী দলের লংমার্চে প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি করলে সরকার জনআস্থা আরও হারাবে। জনরোষের মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হবে।

    তবে সরকারি দল সে পথে হাঁটবে না বলে আশা প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর এই নেতা।

    আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি ১১-দলীয় ঐক্যের লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক।

    আগামীকাল শনিবার ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ১১-দলীয় ঐক্যের লংমার্চ। কর্মসূচির সর্বশেষ প্রস্তুতি জানাতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

    সংবাদ সম্মেলনে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিরোধী দল সংসদের ভেতরে ও বাইরে নিয়মতান্ত্রিক ও গঠনমূলক আন্দোলন করছে। লংমার্চও হবে শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক কর্মসূচি। সরকার উৎখাতের কোনো আন্দোলন বিরোধী দল করছে না।

    সরকারের উদ্দেশে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, কর্মসূচি সফল করতে প্রশাসনিক সহযোগিতা দিয়ে জনগণের আস্থা বজায় রাখা উচিত।

    জামায়াতের এই নেতা বলেন, আগামীকাল (শনিবার) সকাল সাতটা থেকে আটটার মধ্যে শাপলা চত্বরে প্রথম সমাবেশ হবে। এরপর নারায়ণগঞ্জের চিটাগাং রোড, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার ও চৌদ্দগ্রাম, ফেনীর মহিপাল এবং চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে সভা হবে। সর্বশেষ সমাবেশ হবে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে।

    যানজট বা অন্য কোনো সমস্যা না হলে সন্ধ্যা সাতটার দিকে লংমার্চের বহর লালদীঘি ময়দানে পৌঁছানোর কথা। তবে এ ধরনের কর্মসূচির সময়সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে, তাই সে প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    পথে মানুষের ভোগান্তি কমানো এবং পথসভার সময় সংক্ষিপ্ত রাখতে সব সভায় ১১ দলের সব নেতা বক্তব্য দেবেন না বলে জানান গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, পথসভার আয়োজন করবে স্থানীয় শাখাগুলো এবং স্থানীয় নেতা-কর্মীরা সেখানে উপস্থিত থাকবেন। তবে গাড়িবহরে থাকা নেতা-কর্মীরা পথসভায় নামবেন না। শুধু যাঁদের বক্তব্য দেওয়ার কথা, তাঁরাই নামবেন।

    পথে পথে আরও গাড়ি বহরে যুক্ত হতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, নতুন যুক্ত হওয়া গাড়িগুলো বহরের শেষ দিকে থাকবে।

    লংমার্চ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক বলেন, লংমার্চে অংশগ্রহণকারীদের ডেলিগেট কার্ড দেওয়া হবে। বাসগুলোতে থাকবে স্টিকার। নিরাপত্তা, অ্যাম্বুলেন্স, দলের সাংস্কৃতিক ও আইটি বিভাগ এবং মেডিক্যাল টিমের গাড়ি কীভাবে চলবে, সে বিষয়েও পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সব সমস্যার সমাধানে ছয় মাস যথেষ্ট সময় নয়। কিন্তু গণভোটের রায় বাস্তবায়নের সময়সীমার যে ‘ট্রেন’, সেটি স্টেশন ছেড়ে চলে গেছে।

    মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সংসদের প্রথম অধিবেশনের ৩০ দিনের মধ্যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেওয়া এবং ১৮০ দিনের মধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কথা ছিল। সরকার তা করেনি। এসব বাস্তবায়নে কত সময় লাগবে, সরকার তা সংসদেই বলুক।

    দেশে অপরাধ পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, তবে নৃশংসতা, বর্বরতা, লুটপাট ও দলীয়করণ আগের সরকারের তুলনায় কমিয়ে আনা যেত। কিন্তু সরকার তা না করে একই পথে হাঁটছে।

    মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘ফ্যাসিবাদীরা’ এখন যে আস্ফালন করছে এবং আধিপত্যবাদী শক্তির প্রশ্রয়ে বিভিন্ন ডিভাইস ব্যবহার করে উসকানি দিচ্ছে, তা ছয় মাসের মধ্যে হওয়ার কথা ছিল না।

    সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, এখন পর্যন্ত লংমার্চ ঘিরে নাশকতা বা বিশৃঙ্খলার কোনো আশঙ্কা তাঁরা করছেন না। ১১ দল ঐক্যবদ্ধ আছে। সবাই একসঙ্গে লংমার্চে গেলে দুষ্কৃতিকারীরাও ভয় পাবে।

    তবে ন্যূনতম কোনো বিশৃঙ্খলা বা হামলা হলে এর দায় সরকারি দলকে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এমন ঘটনার ‘শক্ত জবাব’ দেওয়া হবে।

    পাটওয়ারী আরও বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ‘ফ্যামিলি ব্যবসা’ শুরু করেছেন। এই ব্যবসা আগে গোপালগঞ্জে ছিল, এখন বগুড়ায় শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ছেলের দুর্নীতির খবর পত্রিকায় প্রকাশিত হতে দেওয়া হয় না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    এর আগে বেলা ১১টার দিকে লংমার্চের প্রস্তুতি নিয়ে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

    বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১-দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম, নির্বাহী পরিষদের সদস্য মতিউর রহমান আকন্দ ও মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসাইন মিয়াজী, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মাওলানা আবদুল মাজেদ আতহারী, এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান (ইরান), জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা ফখরুল ইসলাম প্রমুখ।

  • সিলেট সিটিতে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী ড. বাবুল

    সিলেট সিটিতে জামায়াতের মেয়র প্রার্থী ড. বাবুল

    আসন্ন সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মেয়র পদে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। আলোচনার বাইরে থাকা দলটির সিলেট মহানগর নায়েবে আমির ড. নুরুল ইসলাম বাবুলকে একক প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছে কেন্দ্র।

    শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সিলেট মহানগর জামায়াত আয়োজিত দায়িত্বশীল সমাবেশে দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম।

    দলীয় সূত্রে জানা যায়, দিনব্যাপী সিলেট মহানগরীর থানা মজলিসে শুরা ও কর্মপরিষদ সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত ‘শিক্ষা শিবির’ অনুষ্ঠানে ড. নুরুল ইসলাম বাবুলের নাম ঘোষণা করা হয়।

    একই সঙ্গে জামায়াতের দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে নগরীর সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনি মাঠে নামার দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। পরে দলের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, নগরবাসীর নাগরিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং সিলেট সিটিকে একটি ইনসাফভিত্তিক, আধুনিক ও বাসযোগ্য মডেল নগর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই কেন্দ্র থেকে ড. নুরুল ইসলাম বাবুলকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

    সততা ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতির প্রতীক হিসেবে প্রার্থীর বার্তা প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে তিনি নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।

    প্রার্থীর নাম ঘোষণার পর উপস্থিত নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। সমাবেশ থেকেই অতিসত্বর সিসিকের প্রতিটি ওয়ার্ড ও পাড়া-মহল্লায় সাংগঠনিক গণসংযোগ জোরদার করার প্রাথমিক নির্দেশনা দেওয়া হয়।

  • বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে দেখা করলেন মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার, জামায়াতের ভূমিকার প্রশংসা

    বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে দেখা করলেন মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার, জামায়াতের ভূমিকার প্রশংসা

    বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ সুহাদা ওসমান। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এই সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন তারা। এ সময় হাইকমিশনারের সঙ্গে দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি ফায়েয বিন মোহাম্মদ মোখতার এবং হাজওয়ান বিন হাসনল উপস্থিত ছিলেন।

    দলীয় সূত্র জানায়, সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আন্তরিক ও খোলামেলা মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

    এ সময় দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বৈঠকে হাইকমিশনার জাতীয় সংসদে বিরোধী দল হিসেবে জামায়াতের ইতিবাচক ভূমিকার প্রশংসা করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের বিদ্যমান জ্বালানি সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার সম্ভাব্য ভূমিকা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

    মতবিনিময়কালে উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থ, উন্নয়ন ও অগ্রগতির বিষয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে বিদ্যমান সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও জোরদার এবং সব ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অগ্রগতির ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    সাক্ষাৎকালে বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান এমপি এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন।

  • গণভোট ও জনদুর্ভোগ নিয়ে সরকারের অনীহার কথা জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের জানালেন জামায়াত আমির

    গণভোট ও জনদুর্ভোগ নিয়ে সরকারের অনীহার কথা জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের জানালেন জামায়াত আমির

    টেলিভিশন চ্যানেলের প্রধান নির্বাহী এবং জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

    বুধবার সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিরোধীদলীয় নেতার সভাপতিত্বে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের শীর্ষ কর্তাব্যক্তি ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা এতে অংশ নেন।

    পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী সাড়ে ১১টায় শুরু হওয়া এই বৈঠকে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে গণমাধ্যমের প্রত্যাশা ও দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা হয়।

    বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি জানান, বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিভিন্ন জনসমস্যা তুলে ধরেছেন জামায়াত আমির।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হওয়ায় রাজনীতিতে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তা জামায়াতের আমির বৈঠকে তুলে ধরেন। পার্লামেন্টের ভেতরে ও বাইরে জামায়াতের আন্তরিক ভূমিকার কথাও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

    জুলাই চার্টার অনুযায়ী অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় সরকারি ও বিরোধীদলের মেনে চলার পক্ষে মত দিয়েছেন কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক। ভিন্নমত ছাড়াই এই রায় মেনে নেওয়ার জন্য দলগুলোকে পরিষ্কার বার্তা দেওয়ার তাগিদ দেন তারা।

    বৈঠকে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, সন্ত্রাস এবং দলীয়করণের নানা চিত্র তুলে ধরেন জামায়াত আমির।

    জামায়াত আমির বৈঠকে বলেন, ইলেকট্রনিক মিডিয়া কেবল সংবাদ পরিবেশনেই সীমাবদ্ধ না থেকে জাতীয় সচেতনতা ও ঐক্য সৃষ্টিতে আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে পারে। এছাড়া, জামায়াতে ইসলামীর ত্রুটি-বিচ্যুতিগুলোও খোলামেলাভাবে তুলে ধরে গঠনমূলক সমালোচনা করার জন্য উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান ডা. শফিকুর রহমান।

  • সবেক বিচারপতি ও সেনা কর্মকর্তাসহ ৬৫০ জনের জামায়াতে যোগদান

    সবেক বিচারপতি ও সেনা কর্মকর্তাসহ ৬৫০ জনের জামায়াতে যোগদান

    সাবেক বিচারপতি, বুদ্ধিজীবী, আইনজীবী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, কওমি আলেম এবং বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ ৬৫০ জন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন।

    দলটির মাসব্যাপী গণসংযোগ কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের উদ্যোগে দাওয়াতি সমাবেশে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগ দেন। এ সময় নতুন যোগদানকারীদের ফুল ও ইসলামিক বই উপহার দিয়ে বরণ করে নেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সের মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি।

    জামায়াতে যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমান, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ড. এএসএম খালেকুজ্জামান, সাবেক সেনাকর্মকর্তা কর্নেল ফারুক হোসাইন, বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক এসপি ওবায়দুল হক এবং জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার ও জাতিসংঘের সাবেক কর্মকর্তা সেলিম আহমেদ।

    এ ছাড়া বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবুল আয়েশ খান, মো. ফিরোজ আলম খান, সিনহা এ খালিদ, হাজী শাহ আলম, আবদুর রাজ্জাক সোহাগ ও ডা. হুমায়ন কবিরও এদিন জামায়াতে যোগ দেন।

    বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে বংশাল থানার ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াকুব সরকার, ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল নেতা মুশফিকুর রহমান বাবু, ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি নেতা হাজী আলতাব হোসেন, ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. জাবেদ ওমর এবং ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের সমাজসেবক মোছলেহ উদ্দিন আহমেদ রয়েছেন।

    এ ছাড়া গেন্ডারিয়া লাল খাঁ সিটি মসজিদের সেক্রেটারি নেয়ামত উল্লাহ কোল্লল এবং বাংলাদেশ নূরানী শিক্ষা বোর্ডের মহাসচিব মাওলানা মুহাম্মদ জসিম উদ্দিনও জামায়াতে যোগ দিয়েছেন।

    কওমি আলেমদের মধ্যে রয়েছেন মুফতি আবুল কালাম আজাদ মাদানী, মাওলানা এনামুল হক আজাদী, মাওলানা আব্দুর রহমান আল হাবিবী, মাওলানা মো. জসিম উদ্দিন (রসুলপুরী) ও মাওলানা হাসান জামিল প্রমুখ।

    ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি ও সহকারী সেক্রেটারি দেলাওয়ার হোসেনের যৌথ সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট ড. এএসএম খালেকুজ্জামান, সাবেক বিচারপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ শাহিদুর রহমান, মুফতি আবুল কালাম আজাদ মাদানী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবুল আয়েশ খান এবং বংশাল থানার ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াকুব সরকার।

    এ ছাড়া বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির আব্দুস সবুর ফকির ও অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি ড. আব্দুল মান্নান এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এমপি।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেন এমপিসহ সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

  • স্থানীয় নির্বাচনে এমপিও শিক্ষকদের প্রার্থীতার সুযোগ চায় জামায়াত

    স্থানীয় নির্বাচনে এমপিও শিক্ষকদের প্রার্থীতার সুযোগ চায় জামায়াত

    বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকদের (এমপিও) নির্বাচনে অযোগ্য করার ইসির প্রণীত বিধান বাতিলের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক গোলাম পাওয়ার।

    মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাচন ভবনে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এই দাবি জানান তিনি। ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন গোলাম পারওয়ার।

    তিনি বলেন, এটা সংবিধানের ২৭ ও ২৮ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন। এটা বাতিল না হলে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারেন। প্রায় ৩০ হাজার এমপিও শিক্ষক চাকরি করছেন ।

    এছাড়া ইসির অতিরিক্ত সচিব পদে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যকে পদায়ন করায় তাকে অপসারণের জন্য সরকারকে অবহিত করার অনুরোধ জানান।