জাতীয়

  • ১২ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি, একজন সংযুক্ত

    ১২ পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি, একজন সংযুক্ত

    বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১৩ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জনকে বদলি করা হয়েছে এবং একজনকে নতুন কর্মস্থলে সংযুক্ত করা হয়েছে।

    বুধবার (১৯ আগস্ট) বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরের সই করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ বদলি ও পদায়নের আদেশ দেওয়া হয়।

    প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমান ও এসবির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আশিকুর রহমান খানকে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। তারা দুজনই টিআর পদে দায়িত্ব পালন করবেন।

    এ ছাড়া অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাদিয়া ফারজানাকে র‍্যাবে, পুলিশ স্টাফ কলেজের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফা আশরাফ পিংকিকে ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার হিসেবে এবং রাজবাড়ীর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহিদুল ইসলামকে বান্দরবানের সদর সার্কেলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তালেবকে পটুয়াখালীর কলাপাড়া সার্কেলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

    একই প্রজ্ঞাপনে র‍্যাবের সহকারী পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুর রহমানকে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি সার্কেলে সহকারী পুলিশ সুপার এবং র‍্যাবের সহকারী পুলিশ সুপার এইচ এম গোলাম রাব্বিকে ঝিনাইদহের শৈলকুপা সার্কেলে পদায়ন করা হয়েছে।

    র‍্যাবের আরও দুই সহকারী পুলিশ সুপার এ আর এম মোজাফফর হোসেন ও মো. মশিহুর রহমান সোহেলকে যথাক্রমে চট্টগ্রামের মীরসরাই সার্কেল ও বাগেরহাটের ফকিরহাট সার্কেলে পদায়ন করা হয়েছে।

    এ ছাড়া ফকিরহাট সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. রাশেদুল ইসলাম রানাকে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ সার্কেলে এবং ঝিনাইদহের শৈলকুপা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আখতারুজ্জামানকে সাতক্ষীরার তালা সার্কেলে বদলি করা হয়েছে।

    অন্যদিকে পৃথক আরেকটি প্রজ্ঞাপনে নোয়াখালীর পিটিসির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার রবিউল আরাফাতকে রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়া পুলিশ স্পেশাল ট্রেনিং স্কুলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বদলিকৃত কর্মকর্তাদের আগামী ২৯ আগস্টের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার অর্পণ করে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে। অন্যথায় ৩০ আগস্ট থেকে তাদের তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) হিসেবে গণ্য করা হবে। তবে সংযুক্ত করা কর্মকর্তা খন্দকার রবিউল আরাফাতকে আগামী ২২ আগস্টের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার অর্পণ করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় ২৩ আগস্ট থেকে তাকে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।

  • নির্বাচনের পর দিনই নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ

    নির্বাচনের পর দিনই নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ

    আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে যিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন, তিনি পরের দিন শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনে শপথ নেবেন। আজ বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির সংসদীয় দলের সভা শেষে করা ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।

    তিনি বলেন, ‘৩৫ বছর পর আমরা বৃহস্পতিবার দুপুরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেব ইনশাল্লাহ। ২টা থেকে ভোট শুরু হবে, চলবে ৫টা পর্যন্ত। আমরা নির্বাচন কমিশন ও সংসদ সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, নির্বাচন শুরু হওয়ার ৫ মিনিট আগে ভোটের লাইভ টেলিকাস্ট হবে। রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী এবং বিরোধীদলীয় নেতা এবং আমাদের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম সাহেব আছেন, তারা ভোট দেবেন, সেটা লাইভ দেখানো হবে।’

    নুরুল ইসলাম মনি বলেন, ‘তারপর সব রেকর্ড করা হবে। আবার নির্বাচন শেষ হবার পাঁচ মিনিট আগে আমরা লাইভ টেলিকাস্ট শুরু করব। এরপর ফল ঘোষণাটিও আমরা লাইভ দেখাব। আপনারা দেখবেন, আগামীকালকে একটা ইতিহাসের মাহেন্দ্রক্ষণ তৈরি হবে, ইতিহাসের গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা শুরু হবে। আগামী শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ নেবেন।’

    দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন যাত্রা শুরু হবে জানিয়ে চিফ হুইপ বলেন, ‘আমরা মনে করি যে তারেক রহমান আমাদের নেতা। তার নেতৃত্বে দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন করেছি, সংগ্রাম করেছি। সংগ্রাম করার পরে যে কাজটা হয়েছে তা হলো এই যে, আমরা নির্বাচিত হয়ে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হয়ে সরকার এসছি। আমরা গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চাই। সরকার এবং বিরোধীদল ইনক্লুসিভ হয়ে দেশকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই এবং দেশের অগ্রগতিকে অব্যাহত রাখতে চাই। সেই কারণে দেখবেন, রাষ্ট্রপতির প্রার্থী ড. অলি আহমদ, আরেকজন হলো আমাদের মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব। ভোট হবে। এদেশের মানুষ ভোট কীভাবে ভোট দেয় সেটা আবার প্রত্যক্ষ করবে দেশের মানুষ। ইনশাল্লাহ আমরা নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে পারব।’

    ব্রিফিংয়ে সংসদের হুইপ রুহুল কুদ্দস তালুকদার দুলু, মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু, এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান, জি কে গউস, সংসদ সদস্য আমিরুল ইসলাম আলিম, খন্দকার আবু আশফাক, প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে আজ বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের নবম তলায় সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানেরর সভাপতিত্বে বিএনপির সংসদীয় দলের সভার কার্যক্রম শুরু হয়। শেষ হয় ৪টা ৪০ মিনিটে। সংসদীয় দলের এই বৈঠকে রাষ্ট্রপতি পদ প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও উপস্থিত রয়েছেন।

    দীর্ঘ ৩৫ বছর পর এই প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একাধিক প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মোট ভোটারের সংখ্যা ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য।

    সর্বশেষ ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর সংসদ সভা কক্ষে রাষ্ট্রপতি পদে ভোট গ্রহন হয়েছিলো। ওই সময়ে বিএনপির প্রার্থী হয়েছিলেন আব্দুর রহমান বিশ্বাস, আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন বদরুল হায়দার চৌধুরী। ১১তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বদরুল হায়দার চৌধুরীকে ( ৯২ ভোট) পরাজিত করে ১১তম রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন আব্দুর রহমান বিশ্বাস (১৭২ ভোট)।

  • ভালোবাসার গল্পে ইয়াশ-নীহা

    ভালোবাসার গল্পে ইয়াশ-নীহা

    ‘নিয়তি’, ‘উইশ কার্ড’, ‘জনম জনম’ ও ‘অবুঝ পাখি’ নাটকে জুটি বেঁধে দর্শকের নজর কেড়েছেন ইয়াশ রোহান ও নাজনীন নীহা। এরই ধারাবাহিকতায় ভালোবাসার গল্প ‘মনের মতো মন’ নাটকে আবারও একসঙ্গে দেখা যাবে জনপ্রিয় এই জুটিকে। নাটকটি নির্মাণ করছেন ইমরাউল রাফাত। কাহিনির পাশাপাশি চিত্রনাট্যও লিখেছেন তিনি।

    নাটক প্রসঙ্গে নাজনীন নীহা বলেন, ‘কিছু গল্প দর্শকের মনে গভীরভাবে দাগ কাটে। এমন গল্পের শুরু থেকেই দর্শকের মনে শেষ পরিণতি জানার আগ্রহ তৈরি হয়। “মনের মতো মন” তেমনই একটি ভালোবাসার গল্প, যা দর্শকের প্রত্যাশা পূরণ করবে বলে আশাবাদী।’

    ইয়াশ-নীহা জুটির পাশাপাশি নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সানজিদা হিমু, আজিজুল হাকিম, চিত্রলেখা গুহ, সাবেরী আলম, মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, কচি খন্দকার, নওশীন দিশা, গোলাম দস্তগীর সান, জয় শাহরিয়ার বাপ্পি প্রমুখ।

    খুব শিগগির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিএমভির ইউটিউব চ্যানেলে মুক্তি পাবে নাটকটি।

  • কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হবে: শামা ওবায়েদ

    কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হবে: শামা ওবায়েদ

    কলকাতার নিউমার্কেট এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হবে বলে জা‌নিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

    বুধবার (১৯ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ে আলাপকালে তিনি এ কথা ব‌লেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, পরিবার চাইলে নিহত‌দের মরদেহ আনার খরচ সরকার বহন করবে।

    পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব‌লেন, কলকাতার হোটেল অগ্নিকাণ্ডে ৫ বাংলাদেশি নাগ‌রিকের মরদেহ শনাক্ত করা গেছে। এদের ম‌ধ্যে ৪ জন একই প‌রিবারের সদস্য। অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।

    স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দি‌য়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জা‌নায়, এ যাবৎ এ অগ্নিকাণ্ডে মোট নয় জন মারা গিয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচ জন বাংলাদেশি বলে স্থানীয় পুলিশ তাদের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। এরা হলো, সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন এবং তাদের ছেলে শর্ণশিষ দত্ত নিহত হয়েছেন। এছাড়া দেবাশীষের শ্বশুর আকরাম আলীও ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। নিহত অপর বাংলাদেশির নাম আহমেদ বাবু। তার বাড়ি সাভারের আমিনবাজার বেগুনবাড়িতে।

    এদিকে দুর্ঘটনার পর উপ-হাইকমিশন থেকে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় আহত ছয় জন বাংলাদেশি নাগরিককে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

  • সময়ের সঙ্গে অনেক কিছু পরিবর্তন হয়: অপু বিশ্বাস

    সময়ের সঙ্গে অনেক কিছু পরিবর্তন হয়: অপু বিশ্বাস

    ঢালিউডে বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। চলচ্চিত্রে যুক্ত হচ্ছে নতুন প্রযুক্তি ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের সিনেমায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে বলে মনে করেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। তার মতে, বর্তমান সময়ে চলচ্চিত্রের মান ধরে রাখতে হলে কাজের প্রতি পূর্ণ মনোযোগ, দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নতুন চলচ্চিত্র ও কাজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে দেশীয় সিনেমার বর্তমান প্রেক্ষাপট ও কারিগরি টিমের কাজের প্রশংসা করেন এই অভিনেত্রী।

    অপু বিশ্বাস বলেন, ‘বাংলাদেশে যারা টেকনিশিয়ান বা কারিগরি পারসন আছেন, তারা অত্যন্ত মেধাবী। নাহলে আমরা বা আমাদের আগের-পরের শিল্পীরা আজকের এই অবস্থানে আসতে পারতেন না। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তো অনেক কিছু পরিবর্তন হয়। তাই সময়ের চাহিদা মেনে নিজেদের গড়ে তোলা ও আপডেট হওয়াটাও খুব জরুরি।’

    কাজের পেশাদারিত্ব ও নিখুঁত পরিকল্পনার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে অভিনেত্রী বলেন, ‘বর্তমানে যেসব টিম কাজ করছে, তারা কাজের ক্ষেত্রে অনেক বেশি প্রফেশনাল। প্রফেশনালিজম বলতে আমি এটাই বোঝাতে চাই যে কাজটাই করা হোক না কেন, সেখানে ডেডিকেশন থাকবে ১০০ পারসেন্ট, কোনো ছাড় থাকবে না।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আগে অনেক সময় দেখা যেত বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে লোকেশন বা অন্যান্য বিষয়ে কম্প্রোমাইজ করতে হতো। কিন্তু এখনকার নতুন টিমগুলো গল্পের প্রয়োজনে কোনো আপস করে না। তাদের এই অদম্য মনোযোগই প্রমাণ করে তারা কতটা পেশাদার। সিনেমাকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যেতে এই মানসিকতাই সবচেয়ে বেশি দরকার।’

    তার কথায়, ‘স্বদেশি টিমের সঙ্গে কাজ করার অনুভূতি সবসময়ই স্পেশাল। এখানে কাজের পাশাপাশি একটা আন্তরিকতা থাকে। আর একজন প্রফেশনাল আর্টিস্ট হিসেবে কাজের ভালো-মন্দ কিছুটা মূল্যায়ন করার জাজমেন্ট করার ক্ষমতা আমার তৈরি হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার জায়গা থেকেই বলছি, আমাদের চলচ্চিত্রে পরিবর্তনের এই নতুন ধারাটা সত্যিই প্রশংসনীয়।’

  • জামিনে মুক্তি পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক

    জামিনে মুক্তি পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক

    দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেল সোয়া চারটার দিকে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু।

    খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন।

    গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদল কর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মূলত এরপর থেকে বিভিন্ন মামলায় তিনি কারাগারে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে নয়টি মামলা রয়েছে। সব মামলায় তিনি জামিন পেয়েছেন।

    ৯টির মধ্যে বনানী থানার মামলায় ১০ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে জামিন পান খায়রুল হক। এই জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। এ আবেদনের শুনানি নিয়ে ১৭ আগস্ট আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত ‘নো অর্ডার’ দেন। ফলে এই মামলায়ও তার জামিন বহাল থাকে। এর মধ্য দিয়ে তার মুক্তির পথ খোলে।

    আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু জানিয়েছেন, বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক কারাগার থেকে ধানমন্ডির বাসায় যাবেন।

    খায়রুল হকের আইনজীবীর তথ্য মতে, পৃথক ছয় মামলায় জামিনের পর আবার নতুন করে অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়া নিয়ে গত ১৩ মে হাইকোর্টে রিট করা হয়। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ১৭ মে হাইকোর্ট রুল দিয়ে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া খায়রুল হককে গ্রেপ্তার না দেখাতে ও হয়রানি না করতে নির্দেশ দেন। এই আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন ও লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি) করে। লিভ টু আপিল নিষ্পত্তি করে আপিল বিভাগ ৯ আগস্ট আদেশ দেন।

    আপিল বিভাগের আদেশে এ সংক্রান্ত রুল দ্রুত হাইকোর্টে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে বলা হয়। সংশ্লিষ্ট আদালতের অনুমতি ছাড়া খায়রুল হক দেশ ত্যাগ করতে পারবেন না বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়। লিভ টু আপিল নিষ্পত্তি হওয়ায় সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া খায়রুল হককে গ্রেপ্তার না দেখাতে ও হয়রানি না করতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ তার ক্ষেত্রে বহাল রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

  • ৮ বছর আগেই ভেঙেছে মীমের সংসার

    ৮ বছর আগেই ভেঙেছে মীমের সংসার

    নব্বই দশকে শিশুশিল্পী হিসেবে শোবিজে পা রাখেন সাবরিন সাকা মীম। পরবর্তীতে প্রতিভা দিয়ে জায়গা করেন নাট্যাঙ্গনেও। ব্যক্তিজীবনে প্রায় ১৪ বছর আগে ডা. শাহরিয়ার আহমেদ সজিবের সঙ্গে ঘর বাঁধেন মীম। কিন্তু সেই সংসার ভেঙে গেছে বলে জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। সংসার ভাঙার ৮ বছর পর বিবাহবিচ্ছেদের আদ্যোপান্ত জানালেন তিনি।

    সংগীতশিল্পী পুতুলের পডকাস্টে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে মীম বলেন, ‘একটা বয়সের পর মেয়েদের মনে হয়, বিয়ে যেহেতু করতেই হবে, তাহলে এভাবে বিয়ে করব, এরকম অনুষ্ঠান করব, এভাবে সাজব। আমার মনে হয়, যারা বিয়ে নিয়ে একবার হলেও ভেবেছেন, তাদের মনেই এমন ছোট ছোট স্বপ্ন বাসা বেঁধেছে। আমিও আমার বোনকে বিয়ে নিয়ে স্বপ্নের কথা বলতাম। পরে বিয়ের সময়ে আমার আম্মুকে দিয়ে আমার বোন সব আয়োজন করিয়েছিলেন।’

    বলা দরকার, ২০১২ সালের ৭ ডিসেম্বর দুই পরিবারের সম্মতিতে বেশ ধুমধাম করে বিয়ে করেন মীম। বিয়ের পর অভিনয় থেকে পুরোপুরি নিজেকে গুটিয়ে নেন। কারণ মীমের শ্বশুরবাড়ির লোকজন চাইতো না তিনি শোবিজের সঙ্গে যুক্ত থাকুক।

    সংসার ভাঙার পেছনে কী এটাই কারণ? এ প্রশ্নের জবাবে মীম বলেন, ‘আপনি হয়তো গান পছন্দ করেন, আরেকজনের গান নাই পছন্দ হতে পারে। আমি অভিনয় পছন্দ করি, একটা মানুষের অভিনয় নাও ভালো লাগতে পারে। এসব কোনো বিষয় না। এছাড়াও আরও অনেক ইস্যু ছিল, দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো আরো খারাপের দিকে যাচ্ছিল।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমি কাউকে দোষ দেব না। হয়তো আমিও দোষী, হয়তো সেও (বর) দোষী, যার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়েছিল। আমিও যখন বুঝতে পারলাম- না, এটা আসলে হচ্ছে না। আমি সাড়ে ৫ বছর অপেক্ষা করেছি। কারণ, কখনো যেন মনে না হয় সংসারটি টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করিনি। ২০১৮ সালের ৭ জুন, বিচ্ছেদের পেপারে সাইন করি।’

    মীম বলেন, ‘আসলে মানুষের জীবন তো মানুষের হাতে লেখা না, এটা আমি বিশ্বাস করি। আমি বিয়ে করেছি, অন্যান্য মেয়ে যেমন চিন্তা করে বিয়ে করেন, আমিও তাই করেছি। সবকিছু সুন্দর মতো চলবে, সেই চেষ্টাও ছিল। নিশ্চয়ই আমার পার্টনারেরও সেই চেষ্টা ছিল। কিন্তু যেকোনোভাবেই সংসারটা টিকল না।’

    সম্পর্কে আস্থা হারিয়েছেন এই অভিনেত্রী। গত ৯ বছরে নতুন করে ঘর বাঁধার সাহস করেননি মীম।

    উল্লেখ্য, শৈশবে গানের অনুষ্ঠান দিয়ে শোবিজ অঙ্গনে পা রাখলেও ১৯৯২ সালে বিটিভির নাটকে অভিনয় শুরু করেন। পরিণত বয়সে নাটকের প্রধান নারী চরিত্রে দেখা যায় তাকে। প্রায় ১৮ বছর মিডিয়ায় কাজ করার পর নিজেকে গুটিয়ে নেন মীম। ২০১২ সালে সর্বশেষ তাকে নাটকে দেখা যায়। পরে সংবাদ পাঠিকা হিসেবে কাজ করলেও অভিনয়ে আর ফেরেননি এই অভিনেত্রী।

  • মোবাইল অপারেটরদের বিরুদ্ধে ৫ বছরে ৬৬ হাজার অভিযোগ, সবচেয়ে বেশি সেবার মান নিয়ে

    মোবাইল অপারেটরদের বিরুদ্ধে ৫ বছরে ৬৬ হাজার অভিযোগ, সবচেয়ে বেশি সেবার মান নিয়ে

    • নিষ্পত্তি করা হয়েছে ৬৫ হাজার অভিযোগ।
    • অভিযোগ করার প্রক্রিয়া সবার জানা থাকলে অভিযোগের সংখ্যা কয়েক কোটি ছাড়াত: মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি
    • কিছু অভিযোগ রাতারাতি নিষ্পন্ন করা সম্ভব হয় না: বিটিআরসি চেয়ারম্যান

    মোবাইল অপারেটরদের বিরুদ্ধে গ্রাহকের অভিযোগের তালিকা দিনে দিনে দীর্ঘ হচ্ছে। সেবার মান, ইন্টারনেটের গতি (ডেটা স্পিড), মূল্য সংযোজন পরিষেবা (ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিস-ভ্যাস), রিচার্জ/বিলিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে গত সাড়ে পাঁচ বছরে দেশের চার মোবাইল অপারেটরের বিরুদ্ধে বিটিআরসিতে (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন) জমা পড়েছে ৬৬ হাজারের বেশি অভিযোগ। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এসেছে সেবার মান নিয়ে। অভিযোগের সংখ্যায় শীর্ষে রয়েছে রবি। এরপর যথাক্রমে গ্রামীণফোন, টেলিটক ও বাংলালিংক।

    বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী আজকের পত্রিকাকে বলেন, কমিশনে আসা অভিযোগগুলো মূলত দ্বিতীয় পর্যায়ের অভিযোগ। কোনো সেবা নিয়ে সমস্যা হলে প্রথমে সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে অভিযোগ জানাতে হয়। অপারেটরের কাছ থেকে সমাধান না পেলে গ্রাহক বিটিআরসির দ্বারস্থ হন।

    কোন অপারেটরের বিরুদ্ধে কত অভিযোগ

    বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত তারা মোট ৬৬ হাজার ৭০৫টি অভিযোগ পেয়েছে। এর মধ্যে ৬৫ হাজার ৮৫৬টি অভিযোগ নিষ্পত্তি করেছে বিটিআরসি। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এসেছে রবির বিরুদ্ধে- ২৪ হাজার ৮৭৪টি। এর মধ্যে ২৪ হাজার ৮৩৯টি অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়েছে। অর্থাৎ নিষ্পত্তির বাইরে রয়েছে ৩৫টি অভিযোগ।

    অভিযোগের সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে গ্রামীণফোন। অপারেটরটির বিরুদ্ধে ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ২১ হাজার ৫২৬টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে ২০ হাজার ৮৯৫টি অভিযোগ। নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে ৬৩১টি অভিযোগ।

    টেলিটকের বিরুদ্ধে গত সাড়ে ৫ বছরে অভিযোগ এসেছে মোট ১১ হাজার ৫৯৪টি। এর মধ্যে ১১ হাজার ৪৪৭টি অভিযোগ নিষ্পত্তি হয়েছে। ১৪৭টি অভিযোগ অনিষ্পন্ন রয়েছে। আর বাংলালিংকের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে ৮ হাজার ৭১১টি। এর মধ্যে ৮ হাজার ৬৭৫টি নিষ্পত্তি হয়েছে, অনিষ্পন্ন রয়েছে ৩৬টি।

    মোট অভিযোগের সংখ্যায় রবি শীর্ষে থাকলেও গ্রাহকসংখ্যার অনুপাতে টেলিটকের অভিযোগের হার সবচেয়ে বেশি। টেলিটকের মোট গ্রাহকসংখ্যার বিপরীতে প্রায় শূন্য দশমিক ১৭ শতাংশ অভিযোগ এসেছে। রবির ক্ষেত্রে এ হার শূন্য দশমিক শূন্য ৪২ শতাংশ, গ্রামীণফোনের শূন্য দশমিক শূন্য ২৫ এবং বাংলালিংকের শূন্য দশমিক শূন্য ২৩ শতাংশ।

    সেবার মান নিয়ে অভিযোগ সবচেয়ে বেশি

    বিটিআরসি বলছে, গ্রাহকেরা সেবার মান (কিউওএস) নিয়ে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ করে থাকেন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিটিআরসির প্রতিবেদনে এই প্রবণতা দেখা গেছে। ওই অর্থবছরে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মোট ১১ হাজার ৪২৭টি অভিযোগ নথিভুক্ত হয়। এর মধ্যে সেবার মান-সংক্রান্ত অভিযোগ ছিল সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫২৯টি। ডেটা স্পিড নিয়ে ৯২৬টি, বিবিধ বিষয়ে ১ হাজার ৩৩১টি, ভ্যাস নিয়ে ৮১১টি, লাইসেন্স-সংক্রান্ত ৭৯৮টি, রিচার্জ/বিলিং নিয়ে ৪৬৭টি, প্যাকেজ মাইগ্রেশন নিয়ে ৬৪৭টি এবং ডেটা ভলিউম-সংক্রান্ত ৪৮১টি অভিযোগ ছিল। এ ছাড়া এমএনপি (মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি), কল-এসএমএস, সিম নিবন্ধন ও মালিকানা, ট্যারিফসহ আরও বিভিন্ন বিষয়ে অভিযোগ এসেছে।

    বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন বলছে, মোবাইল অপারেটরদের বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকায় থাকা ‘সেবার মান’, ‘ডেটা স্পিড’, ‘ডেটা ভলিউম’ বা ‘কল ও এসএমএস-সংক্রান্ত’ বিষয়গুলো মূলত গ্রাহকের দৈনন্দিন ভোগান্তির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। নেটওয়ার্ক না পাওয়া, কথা বলার সময় কল কেটে যাওয়া, ইন্টারনেটের গতি কমে যাওয়া, প্যাকেজের ডেটা দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়া কিংবা অনাকাঙ্ক্ষিত সেবা চালু হয়ে টাকা কেটে নেওয়ার মতো বিষয় নিয়ে নিয়মিত অভিযোগ করেন গ্রাহকেরা।

    মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী মোহাম্মদপুরের বাসিন্দা মাশরিক আহমেদ বলেন, ‘বাসায় মোবাইলে কথা বলতে গেলে শুধু এক রুম থেকে আরেক রুমে ছুটতে হয়। কোনো রুমে একেবারেই নেটওয়ার্ক থাকে না। কোনো রুমে কিছুটা পাওয়া যায়। ঢাকা শহরেই যদি নেটওয়ার্কের এই অবস্থা হয়, তাহলে দেশের অন্যান্য এলাকার অবস্থা তো আরও খারাপ।’

    অপারেটরদের বক্তব্য

    গ্রাহকদের অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় বলে দাবি করেছে মোবাইল অপারেটরগুলো। গ্রামীণফোনের হেড অব কমিউনিকেশনস শারফুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের সকল প্রচেষ্টার কেন্দ্রে রয়েছেন আমাদের গ্রাহক। আমরা গ্রাহকদের প্রতিটি অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে তা সমাধানের চেষ্টা করি।’

    শারফুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী জানান, টাওয়ার বা নেটওয়ার্ক-সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান করা সম্ভব না হলে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় তথ্য ও পরবর্তী করণীয় জানানো হয়। গ্রাহকসেবার মান উন্নয়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া। দেশের সবচেয়ে বেশি মানুষের আস্থাভাজন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সর্বোচ্চ মানের সেবা দিতে নানা উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

    রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম বলেন, বিটিআরসি থেকে প্রাপ্ত অভিযোগগুলোর প্রায় ৯৫ শতাংশ ইতিমধ্যে সমাধান করা হয়েছে। গ্রাহকসেবার মানোন্নয়ন এবং অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তিকে রবি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। পাশাপাশি সেবার মান, ডেটা স্পিড ও ভ্যাসসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গ্রাহকদের অভিজ্ঞতা উন্নত করতে নিয়মিত নেটওয়ার্ক ও সেবা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। বিটিআরসিতে রবির বিষয়ে উত্থাপিত বিষয়গুলোর ৪০ শতাংশের বেশি অনুসন্ধানমূলক বা ইনকোয়ারি বলে দাবি করেন সাহেদ আলম।

    তবে বিটিআরসি বলছে ভিন্ন কথা। বিটিআরসির পরিচালক (সেবা) লে. কর্নেল মো. কামরুল হাসান মামুন বলেন, যেসব গ্রাহক অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার বা গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে গিয়ে প্রতিকার পান না, সাধারণত বিটিআরসিতে কেবল তাঁরাই অভিযোগ করতে পারেন। যদি শুধুমাত্র অনুসন্ধানমূলক বিষয় বা ইনকোয়ারি হয়ে থাকে, সেটা বিটিআরসিতে আসার কথা নয়। সেটা গ্রাহকসেবা কেন্দ্রেই সমাধান হয়ে যায়।

    বিটিআরসিতে অভিযোগ জানাবার প্রক্রিয়া

    নির্ধারিত অভিযোগ গ্রহণ ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রাহকেরা বিটিআরসিতে অভিযোগ জানাতে পারেন। এর মধ্যে ‘১০০’ শর্টকোডে কল, ওয়েববক্স বা ই-মেইলের মাধ্যমে অভিযোগ নথিভুক্ত করানো যায়। অভিযোগ পাওয়ার পর তা সংশ্লিষ্ট অপারেটরের কাছে পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা ও ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিটিআরসি।

    বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আগে মাসে রাফলি ৪৫ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত অভিযোগ আমরা নিষ্পত্তি করতে পারতাম। গত মাসে এটা ৬৯ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে পেরেছি।’ তবে সব অভিযোগ রাতারাতি নিষ্পত্তি করা সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি। বিশেষ করে নেটওয়ার্ক কাভারেজ বা অবকাঠামো সংক্রান্ত অভিযোগ সমাধানে সময় লাগে। তিনি বলেন, ‘অনেক অভিযোগ আছে, যেগুলো মাস কেন, বছর দিয়েও করা যায় না। যেমন, একজন বলছেন তাঁর এলাকায় কাভারেজ ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না। এই অভিযোগ ওভারনাইট কোনোভাবেই সমাধান করা সম্ভব নয়।’

    এদিকে মোবাইল অপারেটরদের বিরুদ্ধে বিটিআরসিতে আসা অভিযোগের সংখ্যা গ্রাহকদের অভিযোগের প্রকৃত চিত্র নয় বলে মনে করে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন। অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, দেশে বিপুলসংখ্যক গ্রাহক অভিযোগ করার পদ্ধতিই জানেন না। জেলা পর্যায়ে বিটিআরসির অভিযোগ গ্রহণের ব্যবস্থা না থাকায় সাধারণ গ্রাহকদের বড় অংশ অভিযোগ করতে পারেন না। যদি সক্রিয়ভাবে অভিযোগ করতে পারতেন, তাহলে এই অভিযোগ নিশ্চয়ই ৬৬ হাজার হতো না, কয়েক কোটি ছাড়িয়ে যেত।

    মহিউদ্দিন আহমেদের মতে, অভিযোগ গ্রহণের সুযোগ আরও সহজ করা এবং জেলা পর্যায়ে অভিযোগ গ্রহণের ব্যবস্থা ব্যবস্থা চালু করার পাশাপাশি অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য বিটিআরসির কারিগরি সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। একটি নম্বরে কল করে যে অভিযোগ জানানো যায়, এটা নিয়ে আরও প্রচারণা চালানো উচিত বলে মনে করেন তিনি।

  • নতুন পরিচয়ে সামিরা খান মাহি

    নতুন পরিচয়ে সামিরা খান মাহি

    অভিনয়ের পাশাপাশি অনেক শিল্পী ব্যবসায় যুক্ত। রেস্তোরাঁ, বিউটি পারলার এমনকি ফ্যাশন ব্র্যান্ডের সঙ্গেও যুক্তর অনেকে। এবার ব্যবসায়ীর খাতায় নাম লেখালেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি।

    ‘স্পিডটাচ অটোস’ নামে একটি গাড়ি বিক্রির প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

    নতুন এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে সামিরা খান মাহি বলেন, ‘আমার ভিশন, এনার্জি ও আইডিয়া দিয়ে এই কোম্পানির জার্নিতে অবদান রাখতে চাই। স্পিডটাচ অটোসের মাধ্যমে ব্র্যান্ড নিউ, রিকন্ডিশন্ড ও প্রি-ওউনড গাড়ির ক্ষেত্রে গ্রাহকদের জন্য আরও ভালো মান, সঠিক মূল্য ও প্রতিযোগিতামূলক সুযোগ তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য।’

    ব্যবসায় যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা অবশ্য বেশ কিছুদিন ধরেই ছিল মাহির। অভিনয়ের পাশাপাশি আরও দুটি ব্যবসা নিয়ে পরিকল্পনা করছেন তিনি। এর মধ্যে প্রথম উদ্যোগ হিসেবে গাড়ি ব্যবসার সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হলেন এই অভিনেত্রী।

    মাহি বলেন, ‘অনেক দিন ধরেই অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যবসা নিয়ে পরিকল্পনা করছিলাম। মূলত দুটি ভিন্ন ব্যবসার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছি। প্রথমে আনুষ্ঠানিকভাবে গাড়ি ব্যবসার কথা সবাইকে জানালাম। আশা করছি, শিগগির অন্যটির খবরও জানাতে পারব।’

    তিনি আরও বলেন, ‘দুই বছর ধরে কাজের সংখ্যা কমিয়ে দিয়েছি। তখন মনে হয়েছিল অভিনয়ের পাশাপাশি কিছু করা উচিত। অভিনয় তো আমার আর্নিং সোর্সের জায়গা। সেখানে আমাকে বেছে বেছে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কারণ, আমি সব কাজ করব না, গল্প ভালো লাগলেই করব। তাই রোজগারের জন্য আমাকে ভিন্ন কিছু ভাবতেই হবে। ভিন্ন আয়ের পথ থাকতে হবে। সে কারণেই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হওয়া।’

  • রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সামনে রেখে বৈঠকে সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সামনে রেখে বৈঠকে সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সামনে রেখে বৈঠকে বসেছেন সরকারি দল বিএনপির সংসদ সদস্যরা। বুধবার (১৯ আগস্ট) বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের নবম তলায় সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বিএনপির সংসদীয় দলের সভা শুরু হয়।

    প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানিয়েছেন। সংসদীয় দলের এ বৈঠকে রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও উপস্থিত রয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সংসদ সভা কক্ষে ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দুপুর ২টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হবে। ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

    দীর্ঘ ৩৫ বছর পর এবারই প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একাধিক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

    এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি ও সমমনা দলের মনোনীত প্রার্থী হয়েছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

    অপর প্রার্থী হয়েছেন জামায়াতসহ ১১ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমেদ।

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মোট ভোটারের সংখ্যা ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য।

    সর্বশেষ ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর সংসদ সভা কক্ষে রাষ্ট্রপতি পদে ভোটগ্রহণ হয়েছিল। ওই সময়ে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন আব্দুর রহমান বিশ্বাস এবং আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) প্রার্থী ছিলেন বদরুল হায়দার চৌধুরী।

    ১১তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বদরুল হায়দার চৌধুরীকে ৯২ ভোটে পরাজিত করে ১১তম রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন আব্দুর রহমান বিশ্বাস। তিনি পেয়েছিলেন ১৭২ ভোট।