ট্যাগ আর্ন্তজাতিক

  • সাফের সূচি চূড়ান্ত, বাংলাদেশের খেলা কবে

    সাফের সূচি চূড়ান্ত, বাংলাদেশের খেলা কবে

    আট বছর পর বাংলাদেশে ফিরছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। টুর্নামেন্টের সূচি অনুযায়ী, আগামী ৫ নভেম্বর ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আসর শুরু করবে স্বাগতিক বাংলাদেশ। ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে রাত ৮টায়। একই দিন বিকেল সাড়ে ৩টায় ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে মুখোমুখি হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান।

    বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচ ১১ নভেম্বর। সেদিন রাত ৮টায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলবে স্বাগতিকরা। ‘এ’ গ্রুপের অপর ম্যাচে ৮ নভেম্বর ভুটানের মুখোমুখি হবে শ্রীলঙ্কা। গ্রুপের সব ম্যাচই হবে জাতীয় স্টেডিয়ামে।

    ‘বি’ গ্রুপে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারতের সঙ্গে রয়েছে মালদ্বীপ ও পাকিস্তান। এই গ্রুপে ৮ নভেম্বর মালদ্বীপের বিপক্ষে খেলবে পাকিস্তান। ১১ নভেম্বর ভারত মুখোমুখি হবে মালদ্বীপের।

    গ্রুপ পর্ব শেষে দুই গ্রুপের শীর্ষ দুটি করে দল সেমিফাইনালে উঠবে। ১৪ নভেম্বর হবে দুটি সেমিফাইনাল। প্রথম ম্যাচটি শুরু হবে বিকেল ৩টায়, দ্বিতীয়টি রাত সাড়ে ৮টায়। ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৭ নভেম্বর রাত ৮টায়।

    তবে প্রকাশিত সূচিটি এখনো চূড়ান্ত নয়। ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে আগস্টের ড্রয়ে নেপালকে রাখা হয়নি। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলে নেপালও টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবে। সে ক্ষেত্রে নেপালকে বাংলাদেশের গ্রুপে যুক্ত করে নতুন সূচি প্রকাশ করা হবে এবং খেলা শুরু হবে ৪ নভেম্বর থেকে।

    ঘরের মাঠে সর্বশেষ ২০০৩ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ।

  • দেশের মাটিতে ৩ ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা, মেসি কি খেলবেন?

    দেশের মাটিতে ৩ ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা, মেসি কি খেলবেন?

    বিশ্বকাপের পর এবার নিজের দেশে খেলবে আর্জেন্টিনা জাতীয় দল। ফিফার সেপ্টেম্বর-অক্টোবর আন্তর্জাতিক বিরতিতে (২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর) তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে কোচ লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।

    এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না হলেও সব কিছু মোটামুটি নিশ্চিত, জানাচ্ছে ওলে। আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) মঙ্গলবার দুপুরে সব কিছু জানাবে। তবে একটাই জিনিস বাকি আছে — ফিফা নিশ্চিত করবে কিনা যে এই ম্যাচগুলো ‘ক্লাস এ’ হিসেবে গণ্য হবে কি না। ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এতে সম্মতি দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

    তিনটি প্রীতি ম্যাচের সূচি ইতিমধ্যে ঠিক হয়ে গেছে। ৩০ সেপ্টেম্বর কর্ডোবায় বলিভিয়ার বিরুদ্ধে, ৩ অক্টোবর এল মনুমেন্তালে বুরকিনা ফাসোর বিরুদ্ধে এবং ৬ অক্টোবর একই মাঠে বেনিনের বিরুদ্ধে খেলবে আর্জেন্টিনা।

    এএফএ মঙ্গলবার প্রতিপক্ষ, তারিখ ও মাঠের কথা জানাবে। তবে দলের তালিকা একই দিনে ঘোষণা হবে কিনা তা এখনও পরিষ্কার নয়। ২২ বা ২৩ সেপ্টেম্বর ইজেইজায় অনুশীলন শুরু হতে পারে। বড় দল ডাকা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্বকাপজয়ী সব খেলোয়াড়ের পাশাপাশি কিছু নতুন মুখও থাকতে পারেন।

    ম্যাচগুলো ‘ক্লাস এ’ হওয়া জরুরি কারণ এতে লিয়ান্দ্রো পারেদেস, নাহুয়েল মলিনা ও তিয়াগো আলমাদা বিশ্বকাপ ফাইনালের মারামারির ঘটনায় পাওয়া নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ কাটাতে পারবেন। এ ছাড়া ‘ক্লাস এ’ হলে ম্যাচগুলো ফিফা র‍্যাঙ্কিং ও খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানেও যোগ হবে।

    এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো কোচ লিওনেল স্কালোনির ভবিষ্যৎ। এএফএ চায় তিনি ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত দায়িত্বে থাকুন। সে কথা তাকে জানানোও হয়েছে। কিন্তু স্কালোনি এখনও সিদ্ধান্ত দেননি। বিশ্বকাপের পর ৫০ দিন ধরে এএফএর কৌশল ছিল তাকে একা থাকতে দেওয়া। কেউ ফোন করেননি, কোনো চাপ দেওয়া হয়নি। কোচিং স্টাফের বেশিরভাগ সদস্য চালিয়ে যেতে রাজি বলে জানা গেছে, যা ইতিবাচক লক্ষণ। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত স্কালোনিরই।

    তবে একটি বিষয় পরিষ্কার — কোচিং স্টাফ আর আগের মতো থাকবে না। ওয়াল্টার স্যামুয়েল জানিয়ে দিয়েছেন, ডিসেম্বরে তার চুক্তি শেষ হলে তিনি আর জাতীয় দলে থাকবেন না। কারণ তিনি নিজে কোচ হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে চান। বিশ্বকাপের আগেও ইউরোপের কিছু ক্লাব থেকে তার কাছে প্রস্তাব এসেছিল। কিন্তু চুক্তি ও সহকর্মীদের প্রতি দেওয়া কথার সম্মানে তিনি সেগুলো ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।

    স্কালোনি যদি থাকেন, তাহলে স্যামুয়েলের শূন্য আসন পূরণ করতে নতুন কাউকে আনতে হবে। স্যামুয়েল দলে বিশেষ ভূমিকা রাখতেন — সেট পিসের কৌশল তৈরির দায়িত্ব ছিল তার। রবার্তো আয়ালা, পাবলো আইমার, গোলকিপার কোচ মার্তিন তোকালি, ভিডিও বিশ্লেষক মাতিয়াস মান্না ও প্রশিক্ষক লুইস মার্তিন — এরা সবাই স্কালোনি থাকলে থাকবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    এই সব কিছুর মাঝে একটি আবেগের জায়গাও আছে। মেসিকে দেশের মাঠে শেষবার দেখার স্বপ্ন দেখছেন সমর্থকরা। মেসি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তিনি আর জাতীয় দলে খেলবেন না। কিন্তু একটা বিদায়ী মুহূর্তের জন্য সবাই অপেক্ষা করছেন। বিশ্বকাপ, ২০২৬ সালের ফাইনাল, দুটো কোপা আমেরিকা — দুই দশকেরও বেশি সময়ের অসাধারণ এক যাত্রার সমাপ্তিতে গোটা বিশ্ব এখন মেসির প্রশংসায় মুখর।

  • ইমরানের মুক্তির দাবিতে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

    ইমরানের মুক্তির দাবিতে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

    পাকিস্তানে বন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ক্রিকেট অধিনায়ক ইমরান খানের মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংয়ের কাছে চিঠি দিয়েছেন দেশটির সাত সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন অ্যালান বোর্ডার, গ্রেগ চ্যাপেল, ইয়ান চ্যাপেল, বেলিন্ডা ক্লার্ক, কিম হিউজ, মার্ক টেলর ও স্টিভ ওয়াহ।

    তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কোনো কূটনীতিক বা রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে নয়, সাবেক অধিনায়ক হিসেবে ইমরান খানের বিষয়ে কথা বলার প্রয়োজন অনুভব করেই তারা এই উদ্যোগ নিয়েছেন।

    চিঠিতে তারা আরও জানিয়েছেন, ইমরান খানের বিরুদ্ধে চলমান আইনি বা রাজনৈতিক মামলার বিষয়ে তারা কোনো অবস্থান নিচ্ছেন না। সেটি পাকিস্তানের নিজস্ব বিষয় বলেই মনে করেন তারা। তবে কারও আটক অবস্থায় তার সঙ্গে কেমন আচরণ করা হচ্ছে, সেটি নিয়ে তাদের উদ্বেগ রয়েছে। তাদের মতে, ‘রাজনৈতিক অবস্থান যা-ই হোক, আটক থাকা যেকোনো ব্যক্তির সঙ্গে মানবিক আচরণ করা মৌলিক মানবিকতার বিষয়।’

    ইমরান খানের পক্ষে বিশ্ব ক্রিকেটের সাবেক তারকাদের এটাই সর্বশেষ উদ্যোগ। এর আগে গত ২৩ আগস্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২২ সাবেক আন্তর্জাতিক অধিনায়ক পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে চিঠি দিয়ে ইমরানের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তাদের দাবি ছিল, বর্তমানে ইমরানের চিকিৎসা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনার মান পূরণ করছে না।

    ওই চিঠিতে তিনটি নির্দিষ্ট দাবি জানানো হয়েছিল। প্রথমত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত চিকিৎসক বোর্ডকে ইমরানের নিজস্ব চিকিৎসকদের অন্তর্ভুক্ত করে তার স্বাস্থ্যের পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন মূল্যায়নের সুযোগ দিতে হবে। বিশেষ করে তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি হারানোর যে খবর এসেছে, সেটি গুরুত্ব দিয়ে পরীক্ষা করতে হবে। দ্বিতীয়ত, আদালতের নির্দেশে পুনর্বহাল করা সাপ্তাহিক পারিবারিক সাক্ষাৎ যেন কোনো বাধা বা প্রশাসনিক বিলম্ব ছাড়াই চালু রাখা হয়। তৃতীয়ত, চিকিৎসা পরীক্ষার ফল যা-ই হোক না কেন, চিকিৎসকদের সুপারিশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।

    এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ১৪ সাবেক আন্তর্জাতিক অধিনায়ক ইমরানের পক্ষে প্রথম চিঠি দিয়েছিলেন। এরপর পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার জাভেদ মিয়াঁদাদ, ওয়াসিম আকরাম ও মইন খানও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন। বর্তমান অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্সও ইমরানের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন।

    সর্বশেষ চিঠিতে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়করা উল্লেখ করেছেন, ইমরানের ছেলে ও বোনেরা কয়েক মাস ধরে প্রকাশ্যে তার স্বাস্থ্য ও কারাগারে তার সঙ্গে আচরণ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছেন। তাদের অভিযোগের মধ্যে রয়েছে সীমিত চিকিৎসাসেবা, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগে বাধা এবং আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ কম থাকা।

    ইমরানের বিষয়টি নিয়ে গত মাসে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতেরও অনুরোধ করেছিলেন গ্রেগ চ্যাপেল। তবে এখন পর্যন্ত তিনি কোনো জবাব পাননি।

  • দেড় বছরে হামজা চৌধুরীর প্রায় ৫ হাজার জার্সি বিক্রি

    দেড় বছরে হামজা চৌধুরীর প্রায় ৫ হাজার জার্সি বিক্রি

    কোনো তারকা খেলোয়াড়ের জনপ্রিয়তা বোঝার অন্যতম বড় সূচক তার জার্সি বিক্রির পরিমাণ। বাংলাদেশেও জাতীয় দলের জার্সি বিক্রির সাম্প্রতিক চিত্রে দেখা যাচ্ছে, হামজা চৌধুরীকে ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।

    ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপের ক্লাব শেফিল্ড ইউনাইটেডের হয়ে খেলা হামজা বাংলাদেশের জার্সিতে মাঠে নামার পর দেশের ফুটবল নিয়ে নতুন করে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। সেই প্রভাব পড়েছে জাতীয় দলের জার্সি বিক্রিতেও। বর্তমানে বাংলাদেশের ফুটবলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে হামজার নাম-নম্বর সংবলিত জার্সি।

    গত দেড় বছরে প্রায় ৫ হাজার হামজা চৌধুরীর জার্সি বিক্রি হয়েছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কিট স্পন্সর হিসেবে দৌড়ের সঙ্গে চুক্তি হয়। শুরুতে জাতীয় দলের জার্সি বিক্রিতে খুব একটা সাড়া পাওয়া না গেলেও হামজা বাংলাদেশ দলে আসার পর পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যায়।

    দৌড়ের তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে তারা প্রায় ৩৫ হাজার জাতীয় দলের জার্সি বিক্রি করেছে। এর মধ্যে ২০ শতাংশের বেশি জার্সিতে ছিল নির্দিষ্ট খেলোয়াড়ের নাম ও নম্বর। সেই তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে হামজা। ১ হাজার ৪০০ টাকা দামের অফিশিয়াল জার্সিতে হামজার নাম ও নম্বর যুক্ত করে নিয়েছেন প্রায় ৫ হাজার সমর্থক।

    বিক্রির দিক থেকে হামজার পরেই রয়েছেন জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া এবং প্রবাসী মিডফিল্ডার শমিত সোম।

    দৌড়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবিদ আলম চৌধুরী জানান, হামজা বাংলাদেশে আসার পর জাতীয় দলের জার্সির চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তার ভাষায়, গত দেড় বছরে প্রায় ৫ হাজার হামজার জার্সি বিক্রি হয়েছে এবং তার আগমনে দেশের ফুটবলে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।

    এদিকে হামজার জার্সির ব্যাপক চাহিদার মধ্যেই নতুন ডিজাইনের জাতীয় দলের জার্সি উন্মোচন করেছে দৌড়। নতুন জার্সি নিয়েও সমর্থকদের আগ্রহ বেশ ইতিবাচক। ইতোমধ্যে এর জন্য এক হাজারের বেশি অর্ডার পাওয়া গেছে।

    ফলে হামজাকে ঘিরে তৈরি হওয়া উন্মাদনা শুধু তার ব্যক্তিগত জার্সির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই; জাতীয় দলের জার্সির প্রতিও সমর্থকদের আগ্রহ বাড়ছে।

    আগামী নভেম্বরে বাংলাদেশের মাটিতে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সেই টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে জার্সির চাহিদা আরও বাড়বে বলে আশা করছে দৌড়। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য, এক বছরে এক লাখ জাতীয় দলের জার্সি বিক্রি করা।

    নতুন জার্সির নকশা তৈরিতেও ছিল সমর্থকদের অংশগ্রহণ। আবিদ আলমের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা বাংলাদেশি ফুটবলপ্রেমীদের কাছ থেকে প্রায় ১ হাজার ৩০০টি ডিজাইন পাওয়া যায়। সেখান থেকে ৩৪টি উপাদান বেছে নিয়ে চূড়ান্ত জার্সির নকশা তৈরি করা হয়েছে।

    হোম জার্সির মূল ভাবনায় রাখা হয়েছে মাতৃভাষা বাংলা। বিশেষ প্রযুক্তি ও নকশায় তৈরি এই জার্সির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো ঘাম মাত্র আট মিনিটের মধ্যে শুকিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা।

    খেলোয়াড়দের জন্য তৈরি জার্সির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৬০০ টাকা। আর সমর্থকদের সংস্করণের মূল্য রাখা হয়েছে ৭০০ টাকা।

  • ক্যাটরিনার সঙ্গে গোপনে দেখা করতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন রণবীর

    ক্যাটরিনার সঙ্গে গোপনে দেখা করতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন রণবীর

    বলিউডে রণবীর কাপুর ও ক্যাটরিনা কাইফের পুরনো প্রেমের গল্প নিয়ে চর্চা এখনো যেন থামার নয়। ‘আজব প্রেম কী গজব কাহানি’র শুটিং সেট থেকে শুরু হওয়া সেই চর্চিত প্রেম একসময় ছিল বি-টাউনের সবচেয়ে বড় ‘ওপেন সিক্রেট’। তবে সম্পর্কের শুরুর দিকে নিজেদের প্রেমকে মিডিয়ার চোখ থেকে বাঁচাতে সব ধরণের চেষ্টাই করেছিলেন এ তারকা জুটি।

    সেই সময় ক্যাটরিনার সঙ্গে কাটানো গোপনীয় মুহূর্তের ভিডিও করায় এক সাংবাদিকের ক্যামেরা ও মাইক কেড়ে নিয়েছিলেন রণবীর। অতি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই চাঞ্চল্যকর ঘটনার কথা তুলে ধরেছেন তৎকালীন সাংবাদিক নিকিতা দলভি।

    বিনোদনভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘হিন্দি রাশ’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিকিতা জানিয়েছেন, সেই সময়ে রণবীর-ক্যাটরিনার প্রেমের খবর তখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ পায়নি। এক গভীর রাতে খবর আসে যে ক্যাটরিনার বাড়িতে গেছেন রণবীর এবং রাত দেড়টার দিকে বের হবেন।

    খবর পেয়েই রাত একটার মধ্যে ক্যাটরিনার বাড়ির নিচে লুকিয়ে পড়ে পাপারাজ্জির দল। রণবীর গাড়ি নিয়ে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের টের পেয়ে টুপি দিয়ে মুখ ঢেকে দ্রুত কেটে পড়েন। আর এভাবেই প্রথমবারের মতো ফাঁস হয় তাদের গোপন প্রেমের খবর।

    তবে আসল নাটক ঘটেছিল অন্য একদিন। নিকিতা স্মরণ করেন, এক পরিচিতের শেষকৃত্যানুষ্ঠান শেষে বান্দ্রায় ক্যাটরিনার ম্যানেজারের এক ফাঁকা ফ্ল্যাটে গোপনে দেখা করতে গিয়েছিলেন এই জুটি। খবর পেয়ে আগেই সেখানে হাজির ছিল মিডিয়া টিম। ক্যাটরিনা গাড়ি থেকে নামতেই ক্যামেরা অন করা হয়। রণবীর গাড়ির কাচ নামিয়ে সাংবাদিকদের দেখতে পেয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেন যে তিনি শুধু ক্যাটরিনাকে ড্রপ করতে এসেছেন।

    কিন্তু আসল ঘটনা ঘটেছিল ১০ মিনিট পর। রণবীর চলে যাওয়ার ভান করে একটু দূরে গিয়ে আবার হঠাৎ ফিরে আসেন এবং সাংবাদিকদের তাড়া করেন। শুধু তা-ই নয়, রেগে গিয়ে তিনি প্রেসের গাড়ির দরজা খুলে সাংবাদিকদের ক্যামেরা ব্যাগ এবং বুম মাইক্রোফোন নিজের কাছে নিয়ে নেন।

    নিকিতা জানান, রণবীর শর্ত দিয়েছিলেন যে তাদের আর পিছু নেওয়া যাবে না—তবেই জিনিসপত্র ফেরত দেবেন। কিন্তু সাংবাদিক নিকিতাও দমে যাওয়ার পাত্র ছিলেন না। স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তারকাদের পিছু নেওয়া তাদের পেশার অংশ, তাই কোনো চুক্তি সম্ভব নয়। শেষমেশ সাংবাদিকের একগুঁয়েমি দেখে এবং কৌশল খাটবে না বুঝে নিজের রাগ সামলে জিনিসপত্র ফেরত দিতে বাধ্য হন রণবীর।

    উল্লেখ্য, বহু বছর চুটিয়ে প্রেম করার পর ভেঙে যায় রণবীর-ক্যাটরিনার সেই বহুল চর্চিত সম্পর্ক। পরবর্তীতে দুজনেই যার যার জীবনে এগিয়ে গেছেন। ২০২২ সালে আলিয়া ভাটকে বিয়ে করে সংসারী হন রণবীর, তাদের ঘরে আসে কন্যা সন্তান রাহা।

    অন্যদিকে ২০২১ সালে ভিকি কৌশলকে ভালোবেসে বিয়ে করেন ক্যাটরিনা কাইফ এবং ২০২৫ সালের শেষভাগে পুত্র সন্তান বিহানের মা হন তিনি।

  • এমবাপ্পেকে ইয়ামালের চ্যালেঞ্জ

    এমবাপ্পেকে ইয়ামালের চ্যালেঞ্জ

    ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে কিলিয়ান এমবাপ্পেকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানালেন বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। ফরাসি ফরোয়ার্ডের আত্মবিশ্বাসী মন্তব্যের জবাবে ইয়ামাল বলেছেন, গত মৌসুমের সাফল্য বিবেচনায় এই পুরস্কার তারই প্রাপ্য।

    মুভিস্টার প্লাসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইয়ামাল বলেন, ‘আমার মতে, এমবাপ্পে আর আমিই এখন বিশ্বের সেরা দুই খেলোয়াড়। সত্যিই বিশ্বাস করি, বিশ্বের সেরা ফুটবলার হিসেবে আমরা দুজনই আছি। তবে এ বছর আমি যে শিরোপাগুলো জিতেছি, সেই বিচারে ব্যালন ডি’অরটা আমারই প্রাপ্য।’

    গত মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে ৪৫ ম্যাচে ২৪ গোল ও ১৭ অ্যাসিস্ট করেন ইয়ামাল। তার পারফরম্যান্সে লা লিগা ও স্প্যানিশ সুপার কাপ জেতে কাতালান ক্লাবটি। স্পেনের হয়ে ১২ ম্যাচে এক গোল ও তিন অ্যাসিস্টের পাশাপাশি বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্যও ছিলেন তিনি।

    তবে এবারের ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে এগিয়ে রাখা হচ্ছে বায়ার্ন মিউনিখের ইংলিশ স্ট্রাইকার হ্যারি কেইনকে। ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে গত মৌসুমে ৬৫ ম্যাচে ৭৩ গোল ও আট অ্যাসিস্ট করেন তিনি। বায়ার্নের হয়ে বুন্দেসলিগা ও জার্মান কাপ জয়ের পাশাপাশি ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন কেইন।

    এবারের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠান হবে ২৬ অক্টোবর লন্ডনে। ২০১৯ সালের পর থেকে নিয়মিত প্যারিসের থিয়েটার দ্যু শাতলেতে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল অনুষ্ঠানটি।

  • নারীর পোশাক নিয়ে এত আলোচনা কেন, প্রশ্ন ঐশ্বরিয়ার

    নারীর পোশাক নিয়ে এত আলোচনা কেন, প্রশ্ন ঐশ্বরিয়ার

    অনিন্দ্য অভিনয় দিয়ে দর্শক হৃদয় জয় করতে খুব একটা সময় লাগেনি দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মীর। তারপরও অন্যান্য তারকাদের মতো ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ট্রলের শিকার হতে হয়েছে। কিছুদিন আগে একটি জুয়েলারি প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মী। কিন্তু স্বপ্নেও ভাবেননি সেই জুয়েলারি প্রদর্শনীতে পরিহিত তাঁর পোশাক নিয়ে নেটিজেনরা ট্রলে মেতে উঠবে। নেট দুনিয়ার বাসিন্দাদের এমন অচরণ সহজভাবে নিতে পারেননি অভিনেত্রী। তাই প্রশ্ন তুলেছেন ভারতীয় সংস্কৃতি নিয়ে।

    আজকাল, দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসসহ ভারতের একাধিক সংবাদ মাধ্যম থেকে জানা গেছে, তারকারা কোথায় কী করবেন, কী পোশাক পরবেন, কী খাবেন, কার সঙ্গে মিশবেন– এসব বিষয় সাধারণ দর্শক নির্ধারণ করে দেবেন বলে মনে করেন না ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মী।

    তাঁর কথায়, অভিনীত কাজের বাইরে অন্য কোনো বিষয় নিয়ে অহেতুক ট্রল করা হীন মানসিকতার পরিচয় তুলে ধরে। যারা এ কাজটি করেন, তারা বোঝার চেষ্টা করেন না, পর্দার বাইরেও শিল্পীদের আলাদা একটা জীবন আছে। তাই সাধারণ বিষয় নিয়ে ট্রল বন্ধ করার অনুরোধ জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

    ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মী। ছবি: ফেসবুক

    ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মী। ছবি: ফেসবুক

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ঐশ্বরিয়া জুয়েলারি প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে এনে বলেন, ওই অনুষ্ঠানে তাঁর অস্বস্তির পোশাকটি নয়; বরং সেখানে উপস্থিত কিছু ফটোগ্রাফারদের আচরণ তাঁকে বিব্রত করেছিল। তাঁর কথায়, ক্যামেরার ফোকাস তাঁর মুখের পরিবর্তে তাঁর শরীরের দিকে ছিল, যা তাঁর ব্যক্তিগত সীমানার লঙ্ঘন ঘটিয়েছিল। নেটিজেনরা তাঁর অস্বস্তি লক্ষ্য করলেও আসল কারণ বুঝতে পারেননি বলে আক্ষেপ করেন তিনি।

    ট্রলিংয়ের জবাব দিয়ে অভিনেত্রী সরাসরি প্রশ্ন তোলেন, ‘সংস্কৃতি কি কেবল কোনো নারীর শরীর বা পোশাকের দৈর্ঘ্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ?’

    তাঁর মতে, শালীনতা কেবল পোশাকে থাকে না, মানুষের আচরণেও তার প্রকাশ ঘটে। তিনি আরও যোগ করেন, দেশের জিডিপি কিংবা বয়স্ক বাবা-মাকে ফেলে দেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বাদ দিয়ে কেন নারীর পোশাক নিয়ে এত দীর্ঘ আলোচনা হবে– তা সত্যিই ভাবনার বিষয়।

    ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মীর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর বিনোদন জগতে মহিলাদের পোশাক ও নৈতিকতা নিয়ে সমাজের দ্বিমুখী নীতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। বহু মানুষ অভিনেত্রীর এই সাহসী মনোভাবকে সমর্থনও জানিয়েছেন।

    ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মী। ছবি: ফেসবুক

    ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মী। ছবি: ফেসবুক

    জুয়েলারি প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার ঘটনা ছাড়াও অভিনয়ে ক্যারিয়ার ট্রলে প্রভাব নিয়ে কথা বলেছেন ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মী। তাঁর কথায়, ‘কুরুপ’-এর সাফল্যের পর দুই বছর বিরতি দিয়ে মুক্তি পেয়েছিল তাঁর ‘কিং অব কোঠা’ সিনেমাটি। সমালোচক ও ব্যবসায়িক উভয় দিক থেকেই এটি ব্যর্থ হয়। কেবল সিনেমা ফ্লপই হয়নি, এর কলাকুশলী বিশেষ করে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করা দুলকার সালমান ও তিনি ট্রলিংয়ের শিকার হয়েছিলেন। এই ট্রলিং একটাই প্রভাব ফেলেছিল যে, মালয়ালম সিনেমায় তাঁর কাজের সুযোগ কমে গিয়েছিল।

    তিনি জানান, ওই ঘটনার পর নির্মাতারা তাঁকে অভিনয়ে নেওয়ার বিষয়ে সন্দিহান হয়ে পড়েন এবং ট্রলিংয়ের মাত্রা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে, দুলকারের সঙ্গে পুনরায় কাজ করার বিষয়েও তাঁর আত্মবিশ্বাস কমে গিয়েছিল। যে কারণে পরবর্তী সময়ে দুলকার সালমানের সঙ্গে একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করার প্রস্তাব পেয়েও তা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।

    আশঙ্কা ছিল, তাদের জুটিকে নিয়ে মানুষ যদি আবারও ট্রল বা উপহাস শুরু করে, তবে সংশ্লিষ্ট ব্র্যান্ডটির ক্ষতি হতে পারে। তাই ঐশ্বরিয়া লক্ষ্মী মনে করেন, যে কোনো বিষয়ে সমালোচনা করতে হলে, তার পেছনে সঠিক যুক্তি থাকা উচিত।

  • মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ৪৭২ আটক

    মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ৪৭২ আটক

    মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরের লেবুহ পুদু এলাকায় ব্যাপক অভিযান চালিয়ে ৪৭২ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে অভিবাসন বিভাগ। অভিযানে প্রায় ২ হাজার ৫০০ বিদেশিকে যাচাই করা হয়। তারা বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, নেপাল, চীন, পাকিস্তান ও জিম্বাবুয়ের নাগরিক।

    আটকদের মধ্যে ৪৩৯ জন পুরুষ ও ৩৩ জন নারী। দেশটির কর্মকর্তারা জানান, বৈধ পরিচয়পত্র না থাকা এবং ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করাসহ বিভিন্ন অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছে। অভিযানে একটি সন্দেহভাজন পতিতালয় ও ভুয়া চিকিৎসকের আস্তানারও সন্ধান পাওয়া যায়।

    অভিযানের সময় কয়েকজন বিদেশি পালানোর চেষ্টা এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করেন। আটক সবাইকে বুকিত জলিল ইমিগ্রেশন ডিপোতে নেওয়া হয়েছে।

  • ব্রিকসের নৈশভোজে কিশোর কুমারের গান গেয়ে মুগ্ধতা ছড়ালেন আনোয়ার ইব্রাহিম

    ব্রিকসের নৈশভোজে কিশোর কুমারের গান গেয়ে মুগ্ধতা ছড়ালেন আনোয়ার ইব্রাহিম

    রাজনৈতিক সম্মেলনে সাধারণত থাকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য আর গুরুগম্ভীর আলোচনা। তবে ভারতের নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনের নৈশভোজে সেই পরিবেশে ভিন্ন মাত্রা যোগ করলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। কিশোর কুমারের জনপ্রিয় হিন্দি গান গেয়ে উপস্থিত অতিথিদের মুগ্ধ করেছেন তিনি। তার সেই পরিবেশনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে আয়োজিত নৈশভোজে আনোয়ার ইব্রাহিম ১৯৬৫ সালের জনপ্রিয় গান ‘খোয়াব হো তুম ইয়া কোই হাকিকত’ গানটি পরিবেশন করেন। ‘তিন দেবিয়াঁ’ সিনেমার এই গানটির সংগীত পরিচালনা করেছিলেন এস ডি বর্মণ। গানের কথা লিখেছিলেন মজরুহ সুলতানপুরী। একজন পিয়ানোবাদকের সঙ্গে আনোয়ার ইব্রাহিম গানটিতে কণ্ঠ দেন। কূটনীতি ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির আলোচনায় ব্যস্ত একটি সম্মেলনের নৈশভোজে তার এই পরিবেশনা উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলে।

    পরে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গান গাওয়ার একটি ভিডিও শেয়ার করেন আনোয়ার ইব্রাহিম। ভিডিওটির সঙ্গে তিনি লেখেন, ‘গুরু, একটু গান গাইতে পারি?’ তার এই পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মন্তব্য আসতে থাকে।

    একজন মন্তব্য করেন, আনোয়ার ইব্রাহিমের কণ্ঠ ‘সুরেলা’। আরেকজন তাকে উদ্দেশ করে লেখেন, ‘আপনি খুব ভালো গেয়েছেন। আশা করি ভারতে আপনার সময়টা দারুণ কাটছে।’

    আরেক ভারতীয় প্রবাসী মন্তব্য করেন, তিনি জানতেন না যে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী এত ভালো গান করেন। তার পরিবেশনাটি ভালো লেগেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    তবে ভারতীয় গান ও সিনেমার প্রতি আনোয়ার ইব্রাহিমের অনুরাগ এবারই প্রথম প্রকাশ পেল না। এর আগেও তিনি ভারতের সিনেমা ও সংগীতের প্রতি তার ভালোবাসার কথা বলেছেন। এর আগে ভারত সফরের সময়ও তিনি কিশোর কুমারের এই গানটি গেয়েছিলেন। ২০২৪ সালে দিল্লিতে একটি অনুষ্ঠানে তিনি মুকেশের জনপ্রিয় গান ‘দোস্ত দোস্ত না রাহা’ও পরিবেশন করেছিলেন।

    ভারতের দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার প্রতিও আনোয়ার ইব্রাহিমের আগ্রহ রয়েছে। দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এর আগে ভারতীয় চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা এম জি রামচন্দ্রন (এমজিআর) এবং পুরোনো তামিল গানের প্রতি আনোয়ারের আগ্রহের কথা উল্লেখ করেছিলেন।

    মালয়েশিয়া এবার ব্রিকসের অংশীদার দেশ হিসেবে সম্মেলনে অংশ নিয়েছে। সম্মেলনে বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যু, অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভারতের সঙ্গে মালয়েশিয়ার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও পর্যটনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।

  • দল থেকে বাদ পড়ে ট্রিপল সেঞ্চুরি সালমান আগার

    দল থেকে বাদ পড়ে ট্রিপল সেঞ্চুরি সালমান আগার

    জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার ক্ষোভ আর হতাশাকে শক্তিতে রূপ দিয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছেন পাকিস্তানের মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান সালমান আলী আগা। টেস্ট স্কোয়াড থেকে বাদ পড়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে ফিরেই ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলেছেন সালমান।

    সম্প্রতি ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তান দলের সঙ্গেই ছিলেন সালমান আলী আগা। হেডিংলিতে সিরিজের প্রথম টেস্টে বাবর আজমের অনুপস্থিতিতে দলকে নেতৃত্বও দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দল বড় ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ায় লর্ডস টেস্টের একাদশ থেকে বাদ পড়েন সালমান।

    প্রেসিডেন্টস ট্রফি গ্রেড-ওয়ানের উদ্বোধনী রাউন্ডে মার্কোর আইটি সলিউশন্সের বিপক্ষে কিংসমেন একাডেমির হয়ে ব্যাট করতে নেমেছিলেন তিনি। দলের বিপর্যয়ের মুখে (৭২ রানে ৩ উইকেট পতনের পর) উইকেটে নেমে প্রথম দিনে সেঞ্চুরি তুলে নেন সালমান।

    তবে সেখানেই থেমে থাকেননি তিনি। শতকটিকে ডাবল সেঞ্চুরি পরবর্তীতে দুর্দান্ত এক ট্রিপল সেঞ্চুরিতে রূপ দেন এই ব্যাটার। এর আগে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ছিল ১৬৯ রান। ফলে এই একটিমাত্র ইনিংসেই ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল ও ট্রিপল সেঞ্চুরি—উভয় মাইলফলক একসঙ্গে স্পর্শ করলেন তিনি।

    জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার পর সালমানের এমন রাজকীয় প্রত্যাবর্তনের পর তার স্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একটি অর্থবহ বার্তায় লিখেছেন, ‘বেসিক বা মৌলিক জায়গায় ফিরে যাওয়ার মধ্যে কোনো ভুল নেই। মাঝে মাঝে এটি জরুরি; কখনো অহংকার করতে নেই। শুরুটা বিনয়ী ছিল, শেষটাও সেভাবেই হবে।’

    সালমান আগা পাকিস্তানের ২৩তম ব্যাটসম্যান যিনি ফার্স্ট ক্লাসে ট্রিপল সেঞ্চুরির কীর্তি গড়লেন।