অর্থ ও বাণিজ্য

  • সিলেটে চা বাগানে অনিদিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু

    সিলেটে চা বাগানে অনিদিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু

    ডেক্স নিউজ : বকেয়া বেতন, রেশন, পূজার উৎসব বোনাসসহ ৭ দফা দাবীতে হবিগঞ্জের ৪টি চা বাগান অনিদিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছে চা শ্রমিকরা।

    আজ সোমবার (২৫ মে) সকাল থেকে হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের দেউন্দি, লালচান, মৃতিঙ্গা ও মাধবপুরের নোয়াপাড়া চা বাগানে কর্মবিরতি শুরু শ্রমিকরা।

    চা শ্রমিকরা জানান, কয়েক সপ্তাহ ধরে নিয়মিত তলবি (সাপ্তাহিক বেতন) পাচ্ছেন না ৪ বাগানের শ্রমিকরা। ফলে বাগানের প্রায় ৫ হাজার শ্রমিক চরম সংকটে পড়েছেন। পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন শ্রমিকরা। এতে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়ছে বাগানজুড়ে। ফলে শ্রমিকদের বেতন, ঈদ বোনাস ও অন্যান্য সুবিধা পরিশোধ নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।

    এদিকে, গত ৬ মে বিভাগীয় শ্রম দপ্তর শ্রীমঙ্গলে মালিক,শ্রমিক ও শ্রম অধিদপ্তরের ত্রিপাক্ষিক একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।এতে সিদ্ধান্ত হয় দ্রুত শ্রমিকদের সকল বকেয়া পরিশোধ করার জন্য। এছাড়াও বর্ষা শুরু আগে জরাজীর্ণ ঘর সংস্কার, শ্রম আইন অনুযায়ী চিকিৎসার ব্যবস্থা করা,বকেয়া বেতন, রেশন, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও সাপ্তাহিক তলব প্রদান করার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্ত মালিকপক্ষ সিদ্ধান্ত পূরণ না করায় দেঊন্দি কোম্পানির ৪টি বাগানের শ্রমিকরা আজ থেকে কর্মবিরতি শুরু করে। সকাল থেকে শ্রমিকরা বাগান ও ফ্যাক্টরিতে না গিয়ে নাট্য মন্দিরের অবস্থান নেন।

    এ ব্যাপারে দেউন্দি চা বাগানের পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি আপন সাঁওতাল বলেন – দেউন্দি কোম্পানির অধীনে ৪টি বাগান রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চা শ্রমিকরা অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে। মালিকপক্ষ ২০২২ সাল থেকে শুধু সব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু কার্যকর কোন পদক্ষেপ নেয়নি।

    এমনকি গত ৬ তারিখ শ্রীমঙ্গলে সভার সিদ্ধান্তও তারা বাস্তবায়ন করেনি। তাই বাধ্য হয়ে শ্রমিকরা আজ থেকে অনিদিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছে। আমাদের ৭ দফা দাবি না মানা পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে।

    এ এম

  • ১৪টি তেলবাহী জাহাজ এসেছে, আরো ৫টি আসছে

    ১৪টি তেলবাহী জাহাজ এসেছে, আরো ৫টি আসছে

    জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের উদ্যোগের অংশ হিসেবে চলতি মে মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে ১৪টি তেলবাহী জাহাজ এসেছে। এছাড়া এ মাসে আরো পাঁচটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে।

    বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) তথ্যমতে, এই ১৯টি জাহাজে জ্বালানির পরিমাণ হলো- ৩ লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল, ৬৭ হাজার টন জেট ফুয়েল, ২৬ হাজার ৫০০ টন অকটেন এবং ৭৫ হাজার টন ফার্নেস অয়েল।

    বিপিসির মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য ও অপারেশন্স) মোহাম্মদ জাহিদ হোসাইন আজ শুক্রবার বাসসকে বলেন, এখন পর্যন্ত ১৪টি তেলবাহী জাহাজ দেশে এসেছে। এ মাসের বাকি দিনগুলোতে আরো পাঁচটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করবে।

    তিনি জানান, আগামী জুন মাসের জন্য এখন পর্যন্ত পরিশোধিত (ফিনিশড) ও অপোরিশোধিত তেলবাহী (ক্রুড অয়েল) ১৬টি জাহাজ নিশ্চিত করা হয়েছে।

    জাহিদ হোসাইন বলেন, দেশের চাহিদা মেটাতে সরকার নিয়মিতভাবে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল আমদানি করছে। আজও একটি তেলবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করার কথা রয়েছে।

    বিপিসি জানায়, চলতি মাসে ডিজেল, জেট ফুয়েল, অকটেন ও অপরিশোধিত তেলবাহী বিভিন্ন জাহাজ চট্টগ্রামে এসেছে। জ্বালানি তেল আমদানি সরকার ও বিপিসির একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। আগামী জুন মাসের জন্যও ১৬টি জাহাজ নিশ্চিত করা হয়েছে। ফলে দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে।

    এছাড়া ‘এমটি ফসিল’ নামে একটি জাহাজ ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে গত সোমবার চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করেছে।

    বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক বলেন, সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চললে অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজটি ২৩ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে।

    এর আগে, গত ৬ মে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ১ লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ কুতুবদিয়া চ্যানেলে পৌঁছায়। বাসস

  • একক গ্রাহক ঋণসীমার শর্ত শিথিল করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    একক গ্রাহক ঋণসীমার শর্ত শিথিল করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

    অর্থ ও বাণিজ্য সবাদঃ

    ব্যাংকের একক গ্রাহকের ঋণসীমার শর্ত শিথিল করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন থেকে একটি ব্যাংক একজন গ্রাহককে মোট মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ ফান্ডেড ঋণ দিতে পারবে। আগে যা ছিল ১৫ শতাংশ। তবে কোনো অবস্থাতে ফান্ডেড ও নন-ফান্ডেড দু’টো মিলে ২৫ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। পাশাপাশি ব্যাংকের বৃহৎ ঋণের পরিমাণও আগের চেয়ে বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৩০ জুন ২০২৮ সাল পর্যন্ত এ নির্দেশনা কার্যকর থাকবে।

    বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

    নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নন-ফান্ডেড এক্সপোজারের ক্ষেত্রে কনভার্সন ফ্যাক্টর ৫০ শতাংশের পরিবর্তে ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ, ব্যাংকগুলো মোট নন-ফান্ডেড ঋণের ২৫ শতাংশ হিসাব করে তাদের বৃহৎ ঋণ সীমা নির্ধারণ করতে পারবে। এই সুবিধা ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

    এরপর ধাপে ধাপে কনভার্সন ফ্যাক্টর বাড়ানো হয়েছে। ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এটি ৩০ শতাংশ, ২০২৮ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ৪০ শতাংশ এবং ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ৫০ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আগের বিধান পুরোপুরি কার্যকর হবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, একজন গ্রাহক একটি ব্যাংকের মূলধনের ফান্ডেড ও নন-ফান্ডেড মিলিয়ে ২৫ শতাংশ ঋণ নিতে পারবে। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ ফান্ডেড ও ১০ শতাংশ নন-ফান্ডেড। আগে কেউ ১৫ শতাংশের বেশি ফান্ডেড ঋণ দিতে পারতো না। এখন কেউ চাইলে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত দিতে পারবে। তবে সেক্ষেত্রে নন-ফান্ডেড কোনো ঋণ দিতে পারবে না। যদি কেউ ২০ শতাংশ ফান্ডেড নেয় তখন ৫ শতাংশ নন-ফান্ডেড দেওয়া যাবে।

    উদহারণ তিনি আরও বলেন, আগে নন-ফান্ডেড ১০০ টাকার এলসি ৫০ টাকা ধরে ফান্ডেড ঋণে কনভার্ট করা যেতো। এখন তা ২৫ টাকা ধরে করতে পারবে। এটার বিভিন্ন ধাপ দেওয়া হয়েছে।

    বৃহৎ ঋণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক শ্রেণীকৃত ঋণের পরিমাণের সঙ্গে ব্যাংকের মোট ঋণ ও অগ্রিমের কত শতাংশ পর্যন্ত বড় আকারের ঋণ দেয়া যাবে সেটি পুনর্নির্ধারণ করে দিয়েছে।

    সার্কুলারে বলা হয়েছে, বর্তমানে শ্রেণীকৃত ঋণের পরিমাণ ৩ শতাংশ পর্যন্ত একটি ব্যাংক তার মোট ঋণ ও অগ্রিমের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বড় আকারের ঋণ দিতে পারে। নতুন নিয়মে ১০ শতাংশ পর্যন্ত শ্রেণীকৃত ঋণ থাকলে বড় আকারের ঋণ দেয়া যাবে মোট ঋণ ও অগ্রিমের ৫০ শতাংশ। একইভাবে বর্তমানে ৩ শতাংশের বেশি কিন্তু ৫ শতাংশ পর্যন্ত শ্রেণীকৃত ঋণের ক্ষেত্রে ব্যাংকের মোট ঋণ ও অগ্রিমের ৪৬ শতাংশ বৃহৎ ঋণ দেয়া যায়। নতুন নিয়মে ১০ শতাংশের বেশি কিন্তু ১৫ শতাংশের কম বা সমপরিমাণ শ্রেণীকৃত ঋণ থাকলে সেক্ষেত্রে বৃহৎ ঋণের পরিমাণ হবে ব্যাংকের মোট ঋণ ও অগ্রিমের ৪৬ শতাংশ।

    বর্তমানে ৫ শতাংশের বেশি কিন্তু ১০ শতাংশ পর্যন্ত শ্রেণীকৃত ঋণ থাকলে ব্যাংকের মোট ঋণ ও অগ্রিমের ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বৃহৎ ঋণ দেয়া যায়। পুনর্নির্ধারিত নিয়মানুসারে ১৫ শতাংশের বেশি কিন্তু ২০ শতাংশের কম বা সমান শ্রেণীকৃত ঋণ থাকলে ব্যাংকের মোট ঋণ ও অগ্রিমের ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বড় আকারের ঋণ দেয়া যাবে। এছাড়া বিদ্যমান সার্কুলার অনুসারে ১০ শতাংশের বেশি কিন্তু ১৫ শতাংশ পর্যন্ত শ্রেণীকৃত ঋণ থাকলে সেক্ষেত্রে ব্যাংকের মোট ঋণ ও অগ্রিমের ৩৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃহৎ ঋণ দেয়ার বিধান ছিল। নতুন নিয়মে ২০ শতাংশের বেশি কিন্তু ২৫ শতাংশের কম বা সমপরিমাণ শ্রেণীকৃত ঋণ থাকলে বৃহৎ ঋণের পরিমাণ হবে ব্যাংকের মোট ঋণ ও অগ্রিমের ৩৮ শতাংশ।

    বর্তমানে ১৫ শতাংশের বেশি কিন্তু ২০ শতাংশের কম শ্রেণীকৃত ঋণ থাকলে একটি ব্যাংক তার মোট ঋণ ও অগ্রিমের ৩৪ শতাংশ পর্যন্ত বড় আকারের ঋণ দিতে পারে। আর নতুন নিয়মানুসারে ২৫ শতাংশের বেশি কিন্তু ৩০ শতাংশের কম বা সমপরিমাণ শ্রেণীকৃত ঋণের ক্ষেত্রে ব্যাংকের বৃহৎ ঋণের পরিমাণ হবে তার মোট ঋণ ও অগ্রিমের ৩৪ শতাংশ। আর শ্রেণীকৃত ঋণ ৩০ শতাংশের বেশি থাকলে সেক্ষেত্রে বড় আকারের ঋণ দেয়া যাবে ব্যাংকের মোট ঋণ ও অগ্রিমের ৩০ শতাংশ পর্যন্ত। তবে যা-ই হোক মোট বৃহৎ ঋণের পরিমাণ যেকোনো সময়ে ব্যাংকের মূলধনের ৬০০ শতাংশের বেশি হবে না। আগে যা ছিল ৪০০ শতাংশ।

  • প্রযুক্তিনির্ভর টেক্সটাইল শিল্পে  অংশীদারত্ব জোরদারের আহ্বান – বাণিজ্যমন্ত্রীর

    প্রযুক্তিনির্ভর টেক্সটাইল শিল্পে অংশীদারত্ব জোরদারের আহ্বান – বাণিজ্যমন্ত্রীর

    বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাংলাদেশের টেক্সটাইল ও পোশাক শিল্পকে আরো টেকসই, পরিবেশবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে চীনের বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘দ্বিতীয় বাংলাদেশ-চীন গ্রিন টেক্সটাইল এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    মন্ত্রী বলেন, চীনের শিল্পায়ন, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। তিনি চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে অর্থবহ বিনিয়োগের আহ্বান জানান, যাতে উভয় দেশের জন্য ‘উভয়ের লাভজনক’ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

    খন্দকার মুক্তাদির বলেন, চীন বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার। দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চীনা প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন। তিনি বন্ধ রাষ্ট্রীয় মিল-কারখানা পুনরুজ্জীবন, পাটখাতের আধুনিকায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং সবুজ শিল্পায়নে চীনা বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের সর্বাধিক সংখ্যক সবুজ সনদপ্রাপ্ত পোশাক কারখানা রয়েছে, যা দেশের উদ্যোক্তাদের পরিবেশ সচেতনতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। পানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করে টেক্সটাইল শিল্পকে আরো প্রতিযোগিতামূলক ও টেকসই করতে হবে।

    মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ-চীন যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ ধরনের প্রদর্শনী প্রযুক্তি বিনিময়, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং টেকসই শিল্পায়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

    এছাড়া বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) পরিচালক শাহ রায়ীদ চৌধুরী, বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) সভাপতি মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, বাংলাদেশ গার্মেন্ট বাইং হাউস অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিবিএ) সভাপতি আব্দুল হামিদ পিন্টু, সেভর ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: ফয়েজুল আলম, চাইনিজ এন্টারপ্রাইজ ইন বাংলাদেশের সভাপতি হান কুন এবং ওভারসিজ চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশের সহসভাপতি লিসা লু বক্তব্য দেন।

    পরে বাণিজ্যমন্ত্রী এক্সপোর বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।

    আয়োজকরা জানান, সবুজ টেক্সটাইল শিল্পের বিশেষায়িত এ আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ ও চীনের খ্যাতনামা টেক্সটাইল ও গার্মেন্টস কোম্পানি, বিনিয়োগকারী, প্রযুক্তিবিদ ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।

    প্রদর্শনীতে পরিবেশবান্ধব ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য টেক্সটাইল প্রযুক্তির প্রদর্শনের পাশাপাশি সেমিনার ও প্যানেল আলোচনায় দুই দেশের শীর্ষ উদ্যোক্তারা অংশ নিচ্ছেন। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রদর্শনী সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী আগামী ১৬ মে শেষ হবে। ইউএনবি

  • মে মাসের ১৩ দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহে ৩৭.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

    মে মাসের ১৩ দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহে ৩৭.৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

    চলতি মে মাসের প্রথম ১৩ দিনে দেশে ১৭৪ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৭.৫ শতাংশ বেশি। গত বছরের এই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল ১২৬ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার।

    বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে জানা গেছে, বুধবার (১৩ মে) এক দিনেই ১৩ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

    এদিকে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ১৩ মে পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স প্রবাহ দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ১০৭ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৫৮০ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার। এ হিসেবে চলতি অর্থবছরে এখন পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহে ২০.৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। বাসস

  • ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা পেয়েছি: তথ্যমন্ত্রী

    ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা পেয়েছি: তথ্যমন্ত্রী

    তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা আমরা বহন করছি। আওয়ামী লীগ সরকারের ভঙ্গুর অর্থনীতির ভার বর্তমান সরকারকে বহন করতে হচ্ছে।

    বুধবার (১৩ মে) উত্তরায় মাসব্যাপী ইসলামী প্রতিযোগিতা ‘আলোকিত মাহে রমাদান’-এর চূড়ান্ত বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এমন একসময় দেশের দায়িত্ব নিয়েছি, যখন বিগত সরকারের লুট করে যাওয়া অর্থনীতির কারণে ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। প্রতিবছর আমাদের ৫ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ শোধ করতে হবে। আমাদের রপ্তানি আয় বছরে মাত্র ৪০ বিলিয়ন ডলারের মতো। রেমিট্যান্স থেকে আমাদের আয় ২০ থেকে ২২ বিলিয়ন ডলার। আমাদের অর্থনীতি আমদানিনির্ভর, আমাদের ৬০-৭০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করতে হয়। ফলে আমাদের ঘাটতি অর্থনীতি ও ঘাটতি বাজেট নিয়ে চলতে হয়।

    অতীতের সরকারের লুটের দায়দায়িত্ব জনগণকে বহন করতে হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই ভাঙা ও ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি থেকে দেশকে আবার স্বাবলম্বী করতে এই সরকারের কমপক্ষে দুই বছর সময় লাগবে। সেই কারণে আমাদের সব ভোটারকে সজাগ করতে হবে, যাতে অর্থনৈতিক সংকট পুনরুদ্ধারের এই জটিল সময়ে কেউ আমাদের রাজনৈতিকভাবে বিভাজিত করতে না পারে।

    জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘হাজার বছর ধরে এই দেশে নানা ধর্ম ও নানা বর্ণের মানুষ আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বাস করি। এর মধ্যে কোনো সংঘাত ও বিরোধ তৈরি হওয়ার সুযোগ ছিল না। কিন্তু যারা ভোটারবিহীন ও গণবিচ্ছিন্নভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছিল এবং দখল করে থাকতে চেয়েছিল, তারা জনগণের মধ্যে বিভিন্ন কারণে বিভেদ তৈরি করত। এর মধ্যে একটা বড় বিরোধ হচ্ছে ধর্মীয় বিভাজন তৈরি করা।

    তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় সংসদে আমরা অন্যান্য বিরোধী দলের সঙ্গে গঠনমূলক তর্কবিতর্ক করছি এবং তর্কবিতর্ক আমরা আরও করব। কারণ, গঠনমূলক তর্কবিতর্কের মাধ্যমে দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নেওয়া যায়। কিন্তু কোনোভাবেই আমাদের সংসদের গঠনমূলক সমালোচনা যেন কেউ রাজপথে নিয়ে আসতে না পারে এবং সেই অজুহাতে যাতে আবার রাজনৈতিক ও সামাজিক বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে না পারে সে ব্যাপারে আপনাদের সজাগ থাকতে হবে।’

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত আলেম-ওলামাদেরও এ ব্যাপারে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আগামী দুই বছর আমরা যদি একটি শান্তিপূর্ণ সামাজিক পরিবেশ বজায় রাখতে না পারি, তাহলে ভাঙা অর্থনীতিকে আমরা পুনরুদ্ধার করতে পারব না। আমাদের দৈনন্দিন অর্থনৈতিক এবং শান্তিপূর্ণ সামাজিক-ধর্মীয় জীবন অব্যাহত রাখতে পারব না।

    তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আগামী দিনের রাজনীতিতে সামাজিক স্থিতিশীলতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেই ক্ষেত্রে আপনারা যারা ধর্মীয় মূল্যবোধ চর্চা করেন, তারা হতে পারেন আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী।

  • ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন

    ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন

    দেশের পাঁচটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) বন্ধ বা অবসায়নের জন্য প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। আগামী জুলাই থেকে এসব প্রতিষ্ঠানের বন্ধ বা অবসায়ন প্রক্রিয়া শুরু হবে।

    মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    বন্ধ বা অবসায়নের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- এফএএস ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, আভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং।

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের হার ৯৩ শতাংশ থেকে প্রায় ১০০ শতাংশে পৌঁছেছে। দীর্ঘদিন ধরে তারা ঋণের অর্থ আদায় করতে ব্যর্থ হওয়ায় আমানতকারীদের টাকাও ফেরত দিতে পারেনি।অমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ব্যাংক রেজুলেশন আইনের আওতায় প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ বা অবসায়নের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

  • দাম বাড়লো কোরবানির পশুর চামড়ার

    দাম বাড়লো কোরবানির পশুর চামড়ার

    আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর চামড়ার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে সরকার। এবারের সিদ্ধান্তে লবণযুক্ত গরুর চামড়ায় প্রতি বর্গফুটে ২ টাকা এবং খাসির চামড়ায় ৩ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) বিকেলে সচিবালয়ে কোরবানি সম্পর্কিত বিষয়াদির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ সভা শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই নতুন মূল্য তালিকা ঘোষণা করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির

    বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, এ বছর ঢাকা মহানগরের ভেতরে লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৬২ থেকে ৬৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে ঢাকার বাইরে এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি বর্গফুট ৫৭ থেকে ৬২ টাকা। গত বছর গরুর চামড়ার দাম ঢাকায় প্রতি বর্গফুট ৬০ থেকে ৬৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা ছিল। সেই হিসেবে এ বছর প্রতি বর্গফুটে দাম ২ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া সারা দেশে খাসির চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং বকরির চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ২২ থেকে ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ব্রিফিংয়ে জানান, কোরবানির পশুর চামড়া যেন অযত্নে নষ্ট না হয়, সে লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ে সরকারি ব্যবস্থাপনায় লবণ পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চামড়া সঠিক উপায়ে সংরক্ষণের জন্য ইতিমধ্যেই মাংস ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন মাদ্রাসার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং সারাদেশে লবণ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন।

    দেশের চামড়া শিল্পকে রক্ষা এবং অবৈধ পাচার রোধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, চামড়া পাচার রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকার চায় একটি সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে দেশীয় চামড়া শিল্পকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে। এ সময় তিনি মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন যেন কোরবানির চামড়া সংগ্রহ ও সংরক্ষণে কোনো ধরনের অব্যবস্থাপনা তৈরি না হয়।

  • একনেকে ৩৬ হাজার ৬৯৬ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন

    একনেকে ৩৬ হাজার ৬৯৬ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন

    জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রায় ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে নয়টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছে।

    আজ বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এই প্রকল্পগুলো অনুমোদন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান।

    অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে তিনটি নতুন প্রকল্প, পাঁচটি সংশোধিত প্রকল্প এবং একটি প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

    মোট প্রকল্প ব্যয়ের মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ৩৬ হাজার ৪৯০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ২০৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা যোগান দেয়া হবে।

    সভায় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, পরিকল্পনা কমিশনের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগ বাড়াতে জোর দিচ্ছে বিডা

    বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগ বাড়াতে জোর দিচ্ছে বিডা

    বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ক্রমেই বাড়ছে। এরই মধ্যে অনেক তুরস্কের বিনিয়োগকারী বাংলাদেশে এসে বিনিয়োগ সম্ভাবনা যাচাই করছেন এবং স্থানীয় বাজার সম্পর্কে ধারণা নিচ্ছেন।

    রোববার বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সকালে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস সেন বাংলাদেশে তুর্কি বিনিয়োগকারীদের বাড়তি আগ্রহের বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরেন।বৈঠকে দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং বাংলাদেশে তুর্কি প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ কীভাবে বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি চলমান বিনিয়োগ আগ্রহকে আরও কার্যকর সম্পৃক্ততার মাধ্যমে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়।

    রাষ্ট্রদূত রামিস সেন বলেন, দুই দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সরকারি ও বেসরকারি খাতের পারস্পরিক সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
    তিনি তুরস্কের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল গাজিয়ানতেপ, দেনিজলি এবং কোকায়েলি-ইজমিতের কথা উল্লেখ করে বলেন, টেক্সটাইলসহ বিভিন্ন খাতে সম্ভাব্য সহযোগিতার সুযোগ বুঝতে এসব অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

    বৈঠকে বাংলাদেশে তুর্কি বিনিয়োগের বিদ্যমান আইনি কাঠামো নিয়েও আলোচনা হয়। একই সঙ্গে তুরস্কের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠী কোচ গ্রুপের আইগ্যাস এবং আর্চেলিকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সিঙ্গার বাংলাদেশ লিমিটেডের সফল বিনিয়োগের উদাহরণ তুলে ধরা হয়। এছাড়া বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্ভাবনা যাচাই করছে এমন আরও কয়েকটি বড় তুর্কি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও বিডা কাজ করছে বলে জানানো হয়।

    বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, বাণিজ্য ও সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ— উভয় ক্ষেত্রেই তুরস্ক বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্ভাবনা ও পারস্পরিক মিল বিবেচনায় বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের পরিমাণ আরও বাড়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও বলেন, অগ্রাধিকার খাত চিহ্নিত করে লক্ষ্যভিত্তিক ব্যবসায়িক আউটরিচ কার্যক্রম পরিচালনায় বিডার তুরস্ক ডেস্ক, বাংলাদেশে তুরস্ক দূতাবাস এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা সমন্বিতভাবে কাজ চালিয়ে যাবে।