অর্থ ও বাণিজ্য

  • রাশিয়া থেকে সরাসরি ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন

    রাশিয়া থেকে সরাসরি ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন

    রাশিয়া থেকে সরাসরি ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাবটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

    শিল্প মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রস্তাবটি বৈঠকে উপস্থাপন করে। অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ডেল্টা স্টার ট্রেডিং এফজেড-এলএলসি থেকে সরাসরি ইউরিয়া সার আমদানি করা হবে।

    সারটির প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান রাশিয়ার জেএসসি শচেকিনোআজোট।

    সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে সার আমদানির মাধ্যমে দেশের কৃষি খাতে ইউরিয়া সারের সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

  • সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ডিএসইতে লেনদেন ৬৯৯ কোটি টাকা

    সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ডিএসইতে লেনদেন ৬৯৯ কোটি টাকা

    দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ মূল্যসূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন ডিএসইতে মোট ৩৮৭টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ২০ কোটি ৪৬ লাখ ৬২ হাজার ৬০৮টি ইউনিট ও শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর বিপরীতে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৯৯ কোটি ১১ লাখ ৮৩ হাজার ৪২৮ টাকা।

    বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসই ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের চেয়ে ২৬ দশমিক ১৯ পয়েন্ট বেড়ে পাঁচ হাজার ৫৫০ দশমিক ৪৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ সূচক ১৩ দশমিক ৮৬ পয়েন্ট বেড়ে দুই হাজার ১০৮ দশমিক ৪৫ পয়েন্ট এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক (ডিএসইএস) চার দশমিক ৪৭ পয়েন্ট বেড়ে এক হাজার ১০২ দশমিক ৪৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

    লেনদেনে অংশ নেয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ১৯০টির শেয়ার দর বেড়েছে, ১৩০টির কমেছে এবং ৬৭টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।

    লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস, আইডিএলসি ফাইন্যান্স, সায়হাম টেক্সটাইল, ব্র্যাক ব্যাংক, শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ, নিটল ইন্স্যুরেন্স, ইভিন্স টেক্সটাইল এবং এনভয় টেক্সটাইলস।

    দর বৃদ্ধির শীর্ষে থাকা ১০ কোম্পানি হলো সমতা লেদার, এসকে ট্রিমস, ফিনিক্স ফাইন্যান্স ১ম মিউচ্যুয়াল ফান্ড, আইবিবিএল মুদারাবা পারপেচুয়াল বন্ড, ডেল্টা স্পিনার্স, সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স, হামিদ ফেব্রিক্স, পিপলস লিজিং, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল এবং আল-হাজ্ব টেক্সটাইল।

    অন্যদিকে, দর কমার শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে ২০ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সরকারি ট্রেজারি বন্ড, ২০ বছর মেয়াদি বিজিটিবি, ফ্যামিলিটেক্স (বিডি), মাইডাস ফাইন্যান্স, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ, ওরিয়ন ফার্মা, প্রাইম ফাইন্যান্স, আনলিমা ইয়ার্ন ডাইং, নুরানী ডাইং এবং ১৫ বছর মেয়াদি বিজিটিবি।

    আজ ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৪৭৬ কোটি ৫৯ লাখ দুই হাজার ২২৯ টাকা।

  • সেপ্টেম্বরে ২৯ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৬৪ কোটি ১০ লাখ ডলার

    সেপ্টেম্বরে ২৯ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৬৪ কোটি ১০ লাখ ডলার

    চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ২৯ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৬৪ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার।

    গত বছরের একই সময়ে ছিল ২৫৬ কোটি ২০ লাখ ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ৩ দশমিক ১০ শতাংশ।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৯ সেপ্টেম্বর একদিনেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১০ কোটি ৯০ লাখ ডলার।

    চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছে মোট ৮৪৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৭৪৬ কোটি ২০ লাখ ডলার।

    এ হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৩ দশমিক ৫০ শতাংশ।

  • ত্রৈমাসিক মুদ্রানীতিতে নীতি সুদহার ৯.৫০ শতাংশ রাখল বাংলাদেশ ব্যাংক

    ত্রৈমাসিক মুদ্রানীতিতে নীতি সুদহার ৯.৫০ শতাংশ রাখল বাংলাদেশ ব্যাংক

    মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি এখনো পুরোপুরি কাটেনি। এর সাথে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বর্তমান অবস্থা, ব্যাংক খাতের চাপ এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা বিবেচনায় নিয়ে অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকের জন্য নীতি সুদহার নয় দশমিক ৫০ শতাংশ অপরিবর্তিত রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

    এবারই ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে মুদ্রানীতি ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর ফলে আগের ছয় মাস পরপর মুদ্রানীতি ঘোষণার ব্যবস্থা থেকে সরে এসে অর্থনীতির পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে দ্রুত সমন্বয় করার সুযোগ তৈরি হলো।

    বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম ত্রৈমাসিক মুদ্রানীতি বিবৃতি (এমপিএস) উপস্থাপন করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো: হাবিবুর রহমান। এ সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    মুদ্রানীতি ঘোষণাকালে ড. হাবিবুর রহমান বলেন, মূল্যস্ফীতির চাপ এবং দেশী-বিদেশী ঝুঁকি এখনো রয়েছে। এ কারণে অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে নীতি সুদহার নয় দশমিক ৫০ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে মূল্যস্ফীতি কমলেও তা স্থায়ীভাবে মূল্য স্থিতিশীলতার পর্যায়ে ফিরে আসার যথেষ্ট প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। তাই সতর্ক মুদ্রানীতি অবস্থান অব্যাহত রাখা হয়েছে।

    ডেপুটি গভর্নর জানান, গত ২৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতি কমিটির (এমপিসি) ১৪তম সভায় নীতি সুদহার নয় দশমিক ৫০ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়। একইসাথে স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটির (এসএলএফ) সুদহার ১১ শতাংশ এবং স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটির (এসডিএফ) সুদহার সাত দশমিক ৫০ শতাংশে অপরিবর্তিত রয়েছে।

    এর আগে, গত ২ আগস্ট থেকে নীতি সুদহার ৫০ ভিত্তি পয়েন্ট কমিয়ে নয় দশমিক ৫০ শতাংশ করা হয়েছিল।

    ড. হাবিবুর রহমান বলেন, মূল্যস্ফীতির ভবিষ্যৎ গতিপথের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে—এমন কয়েকটি ঝুঁকি বাংলাদেশ ব্যাংক নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এর মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি ও সারের দামের অস্থিরতা, হরমুজ প্রণালি দিয়ে সমুদ্রপথে বাণিজ্যে সম্ভাব্য বিঘ্ন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে জ্বালানির দাম বাড়ার প্রভাব এবং জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়নের ফলে সরকারি ব্যয় বাড়ার সম্ভাবনা।

    তিনি জানান, জুনে নয় দশমিক ১৬ শতাংশ থেকে আগস্টে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে আট দশমিক ২৬ শতাংশে নেমেছে। এটি ১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। মূলত খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমার কারণেই সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমেছে।

    আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে সাত দশমিক ০২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি নয় দশমিক ৩২ শতাংশে রয়ে গেছে।

    ড. হাবিবুর রহমান বলেন, খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি এখনো বড় উদ্বেগের বিষয়। দেশের জ্বালানির দাম বাড়ায় পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বাড়তে পারে। এর ফলে অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে ব্যয়জনিত মূল্যস্ফীতির চাপ আরো বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রকৃত মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি চার দশমিক ১৪ শতাংশ হতে পারে বলে প্রাথমিক হিসাব পাওয়া গেছে। অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি আরো কমে দুই দশমিক দুই শতাংশে নেমেছে।

    এই সময়ে শিল্প উৎপাদন দশমিক ২৮ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে। শিল্প উৎপাদন, বিদ্যুৎ উৎপাদন, জ্বালানি সরবরাহ এবং বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহসহ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন তাৎক্ষণিক সূচকেও শ্লথগতির চিত্র পাওয়া গেছে।

    ডেপুটি গভর্নর বলেন, ঋণের উচ্চ ব্যয়, জ্বালানি সঙ্কট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং দেশী-বিদেশী চাহিদা নিয়ে অনিশ্চয়তা অর্থনীতির পুনরুদ্ধারকে এখনো বাধাগ্রস্ত করছে।

    তিনি বলেন, মুদ্রানীতির কার্যকারিতা বা নীতিগত সুদহারের পরিবর্তন বাজারে ঋণের সুদ ও ঋণপ্রবাহে কতটা প্রভাব ফেলছে, সেই সঞ্চালন প্রক্রিয়ায় ব্যাংক খাতের দুর্বলতা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে আছে।

    জুনে দেশের খেলাপি ঋণের অনুপাত বেড়ে ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে আগস্টে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র চার দশমিক ৭৫ শতাংশ। এতে বোঝা যায়, এর আগে নীতি সুদহার কমানো হলেও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে তার উল্লেখযোগ্য প্রভাব এখনো পড়েনি।

    ড. হাবিবুর রহমান বলেন, ব্যাংকিং খাতে তারল্য পরিস্থিতি ও অর্থবাজারের সুদহারে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে ঋণঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকগুলো তুলনামূলক নিরাপদ সরকারি সিকিউরিটিজে বিনিয়োগের দিকে বেশি ঝুঁকছে।

    উৎপাদনশীল বিনিয়োগ বাড়াতে শুধু মুদ্রানীতির পদক্ষেপ যথেষ্ট নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ব্যাংক খাতে কাঠামোগত সংস্কারও প্রয়োজন।

    তিনি বলেন, ব্যাংক খাতের পুনর্গঠন, মূলধন পুনর্গঠন, সুশাসন জোরদার এবং ঋণ প্রদানে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা মুদ্রানীতির কার্যকর সঞ্চালন নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য।

    উৎপাদনশীল খাতকে সহায়তা দিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন লক্ষ্যভিত্তিক পদক্ষেপের কথাও তুলে ধরেন ডেপুটি গভর্নর।

    তিনি জানান, অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মধ্যে বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানা পুনরায় চালুর জন্য নির্দিষ্টভাবে ২০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    এছাড়া কৃষি, কুটির, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) এবং রফতানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনার জন্য পুনঃঅর্থায়ন সুবিধাও জোরদার করা হয়েছে।

    বৈদেশিক খাতের পরিস্থিতি তুলে ধরে ড. হাবিবুর রহমান বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের সামগ্রিক লেনদেনের ভারসাম্যে (ব্যালান্স অব পেমেন্টস) ছয় দশমিক ছয় বিলিয়ন ডলারের উদ্বৃত্ত ছিল। তবে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে আর্থিক হিসাবে নিট অর্থপ্রবাহের কারণে সামগ্রিক লেনদেন ভারসাম্য ঘাটতিতে পড়েছে।

    তিনি বলেন, বৈদেশিক খাতে এখনো রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১৮ দশমিক ৯০ শতাংশ।

    রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে তুলনামূলক স্থিতিশীলতা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত শক্তিশালী করতে এবং আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে সহায়তা করেছে বলে জানান তিনি।

    ডেপুটি গভর্নর বলেন, অর্থনীতির তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রানীতি পরিচালনা করবে। একইসাথে মূল্যস্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি টেকসই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সহায়তা করার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা হবে।

    তিনি বলেন, দেশী ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

    এদিকে বিশ্বব্যাংক চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি চার দশমিক ছয় শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) তাদের পূর্বাভাস চার দশমিক তিন শতাংশ থেকে কমিয়ে তিন দশমিক পাঁচ শতাংশ করেছে।

  • বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ ১৬৬০১ কোটি টাকা

    বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ ১৬৬০১ কোটি টাকা

    সরকার প্রত্যাশা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় করতে পারছে না। তাই পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় মেটাতে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া বাড়িয়েছে । চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) ১৬ হাজার ৬০১ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার। গত অর্থবছরের একই সময়ে ঋণের পরিমাণ ছিল মাত্র ৩,২৫৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ, দুই মাসে সরকারের ঋণ নেওয়া বেড়েছে ৪১০ শতাংশ।

    খাতসংশ্লিষ্টরা বলেছেন, আগে থেকেই দেশের বেসরকারি খাত চাপে রয়েছে। এর সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট। ইতোমধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। যেগুলো চালু রয়েছে, সেগুলোও ধুঁকছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারের চাহিদা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় হচ্ছে না। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে রাজস্ব আদায় ২০ শতাংশ কমেছে। ফলে সরকারের পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় মেটাতে ব্যাংক থেকেই ঋণ নিতে হচ্ছে। কারণ, এ মুহূর্তে সরকারের সামনে বিকল্প অর্থায়নের পথও সীমিত।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সরকার বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১৬ হাজার ৬০১ কোটি টাকা ঋণ নিলেও এ সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ৩,৭২৮ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। ফলে এ দুই মাসে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের নিট ঋণ দাঁড়িয়েছে ১২ হাজার ৮৭২ কোটি টাকা। গত অর্থবছরের একই সময় নিট ঋণ ৭,৪৮৬ কোটি টাকা ঋণাত্মক ছিল।

    চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকার ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে মোট এক লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। সে হিসাবে অর্থবছরের প্রথম দুই মাসেই পুরো অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার ১১.৪৯ শতাংশ ঋণ নিয়েছে সরকার।

    বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জন্য প্রায় সাত লাখ কোটি টাকার যে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা বাস্তবসম্মত নয়। অতীতের কোনো সময়ই এনবিআর এ ধরনের লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি যেতে পারেনি। বর্তমানে অর্থনৈতিক সংকট বা বিশৃঙ্খলা না থাকলেও অতীতের রেকর্ড অনুযায়ী এত বড় অঙ্কের রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হয়নি। মূলত সরকারের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবেই এ বাস্তবতাহীন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    জাহিদ হোসেন আরো বলেন, আগামীতে সরকারের ঋণের বোঝা ও আর্থিক চাপ আরো বাড়বে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর ফলে আগামী দুবছরের মধ্যে সরকারের পরিচালন ব্যয়ে ন্যূনতম এক লাখ ছয় হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত যোগ হবে। এর পরোক্ষ প্রভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বেতন-ভাতার ব্যয়ও বাড়বে। এ ছাড়া বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্পে আন্তর্জাতিক সহায়তা থাকলেও এসব প্রকল্পে সরকারের নিজস্ব অর্থেরও বড় অংশগ্রহণ রয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক সুরক্ষা খাতে নতুন কর্মসূচি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ার কারণে ভর্তুকির ব্যয়ও বেড়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়িয়ে ভর্তুকির চাপ কিছুটা কমানো গেলেও তা পুরোপুরি কমানো সম্ভব হবে না।

    তিনি বলেন, বিভিন্ন কারণে সরকারের ব্যয়ের বোঝা ক্রমেই বাড়ছে। অন্যদিকে অদূর ভবিষ্যতে রাজস্ব আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ার সম্ভাবনা নেই। এমনকি আগের রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ ধরে রাখাটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। ফলে আয় না বাড়িয়ে ব্যয়ের চাপ বাড়তে থাকলে বাজেট ঘাটতি আরো বাড়বে। আর বাজেট ঘাটতি বাড়লে ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ঋণ নেওয়ার চাহিদাও ধীরে ধীরে আরো বাড়বে।

    তথ্য অনুযায়ী ৩০ আগস্ট শেষে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ছয় লাখ ৮,০২৫ কোটি টাকা। গত জুন শেষে এর পরিমাণ ছিল পাঁচ লাখ ৯১ হাজার ৪২৪ কোটি টাকা। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সরকারের নেওয়া ঋণের স্থিতি কমে দাঁড়িয়েছে ৯০ হাজার ৩২২ কোটি টাকা। গত জুনে এর পরিমাণ ছিল ৯৪ হাজার ৫১ কোটি টাকা।

  • যাচাই-বাছাই ছাড়া ভোজ্যতেলের দাম বাড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

    যাচাই-বাছাই ছাড়া ভোজ্যতেলের দাম বাড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

    যাচাই-বাছাই ছাড়া ভোজ্যতেলের দাম বাড়বে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

    বুধবার সকালে সুরমা নদীর ডানতীরের কানিশাইলে নদী তীর প্রতিরক্ষা কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

    বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা ভোজ্যতেলের দাম বৃদ্ধির দাবি জানালেও সরকার বুঝে শুনে সিদ্ধান্ত নেবে।’

    এ ছাড়া দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হবে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের যে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিরাজ করছে তাতে দেশি বা বিদেশি বিনিয়োগে কোনো প্রভাব যাতে না পড়ে সেদিকে সরকারের নজর রয়েছে।’

  • ইথানলের ক্রেতা সংকট, বিপাকে ভারত

    ইথানলের ক্রেতা সংকট, বিপাকে ভারত

    ভারতে ইথানলের উৎপাদন সক্ষমতা দ্রুত বাড়লেও সে অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ চাহিদা তৈরি হয়নি। ফলে দেশটির প্রায় ৭ বিলিয়ন লিটার ইথানলের কোনো নির্দিষ্ট বাজার না থাকায় উৎপাদকরা নতুন ক্রেতা এবং বিকল্প ব্যবহারের পথ খুঁজতে বাধ্য হচ্ছেন। খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইকোনমিক টাইমসের।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে বর্তমানে বার্ষিক ইথানল উৎপাদন সক্ষমতা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০ বিলিয়ন লিটারে। চলতি বছর এর সঙ্গে আরো ৪ বিলিয়ন লিটার যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে ই–২০ জ্বালানি মিশ্রণ কর্মসূচির জন্য বছরে প্রায় ১১ বিলিয়ন লিটার ইথানল প্রয়োজন। পাশাপাশি মদ, ওষুধ ও রাসায়নিকের মতো জ্বালানি বহির্ভূত শিল্প খাতগুলোয় আরো ৩ থেকে সাড়ে ৩ বিলিয়ন লিটার ইথানল ব্যবহৃত হয়। ফলে প্রায় ৭ বিলিয়ন লিটার ইথানলের জন্য কোনো নির্দিষ্ট বাজার নেই।

    শিল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত সক্ষমতার কারণে ভারতীয় ইথানল কারখানাগুলো বর্তমানে গড়ে মাত্র ৬০ শতাংশ সক্ষমতায় পরিচালিত হচ্ছে। আগামী তিন বছর এ সক্ষমতা ব্যবহার ৬৫ থেকে ৭৫ শতাংশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। শুধু মহারাষ্ট্র রাজ্যেই উদ্বৃত্ত ইথানলের পরিমাণ প্রায় ২.৭৭ বিলিয়ন লিটার।

    ২০২৫-২৬ সরবরাহ বর্ষে তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর সঙ্গে ১০ বিলিয়ন লিটারের চুক্তি থাকলেও গত আগস্ট পর্যন্ত সরবরাহ করা হয়েছে ৮.৯৫ বিলিয়ন লিটার।

    এদিকে, উদ্বৃত্ত পরিস্থিতি সামাল দিতে উৎপাদকরা নতুন উপায় খুঁজলেও সরকার আপাতত পেট্রোলে ইথানলের মিশ্রণ ই-২০-এর চেয়ে বাড়ানো (যেমন ই-২৫ বা ই-৩০) বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা স্থগিত রেখেছে। গাড়ির ইঞ্জিনে ই-২০ ব্যবহারের প্রভাব নিয়ে সাধারণ ভোক্তাদের উদ্বেগের কারণে বর্তমান রোডম্যাপটি ২০২৬ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ই-২০-তেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক বাজারে ইথানল রপ্তানির সুযোগও ভারতে এখনো বেশ সীমিত। প্রথম প্রজন্মের ইথানল রপ্তানিতে বিধিনিষেধ থাকলেও ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে দ্বিতীয় প্রজন্মের ইথানল রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে দেশটি। বর্তমানে তানজানিয়া, অ্যাঙ্গোলা এবং কেনিয়ার মতো বাজারে সামান্য পরিমাণ অ-জ্বালানি ইথানল রপ্তানি হচ্ছে। এছাড়া গ্রেইন ইথানল প্রস্তুতকারক সংস্থা (জিইএমএ) নেপালে ইথানল সরবরাহের আলোচনা চালাচ্ছে। কারণ দেশটি পেট্রোলে ১০ শতাংশ ইথানল মেশানোর পরিকল্পনা করলেও তাদের নিজস্ব প্রক্রিয়াজাতকরণ সক্ষমতা নেই।

    অবশ্য পেট্রোল ছাড়াও ডিজেলের সঙ্গে ইথানল থেকে তৈরি উপাদান মেশানোর নতুন ক্ষেত্র নিয়ে কাজ করছে দেশটির সরকার ও উৎপাদকরা।

    বর্তমানে ভারতে মদ ও ওষুধ শিল্পসহ অ-জ্বালানি খাতে মোট চাহিদার ১৮.৭ শতাংশ ইথানল ব্যবহৃত হচ্ছে এবং এক্সট্রা নিউট্রাল অ্যালকোহলের (ইএনএ) বাজার ২০২৫ সালে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩.৮০ বিলিয়ন লিটারে, যা বছরে ৫ শতাংশ হারে বাড়ছে। কারণ পানকারীরা দেশি মদ থেকে ভারতে তৈরি বিদেশি ব্র্যান্ডের মদের দিকে ঝুঁকছেন।

  • ১২ শতাংশের বেশি বাড়ল ফার্নেস অয়েলের দাম, কার্যকর মধ্যরাত থেকে

    ১২ শতাংশের বেশি বাড়ল ফার্নেস অয়েলের দাম, কার্যকর মধ্যরাত থেকে

    বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ভারী শিল্পে ব্যবহৃত জ্বালানি ফার্নেস অয়েলের দাম একলাফে প্রায় ১২ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। লিটারে ১১ টাকা ৯২ পয়সা বাড়িয়ে ফার্নেস অয়েলের লিটারপ্রতি নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১০৮ টাকা ৭৮ পয়সা। এতে ফার্নেস অয়েলের দাম ১২ দশমিক ৩১ শতাংশ বেড়েছে।

    বুধবার বিকেলে এক বিজ্ঞপ্তিতে ফার্নেস অয়েলের দাম বাড়ানোর বিষয়টি জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন দাম বুধবার রাত ১২টা থেকেই কার্যকর হবে।

    এর আগে প্রতি লিটার ফার্নেস অয়েলের দাম ৯৬ টাকা ৮৬ পয়সা নির্ধারিত ছিল।

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ১৫ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ফার্নেস অয়েল এবং জেট এ-১ এর দাম নির্ধারণের এখতিয়ার বিইআরসির ওপর ন্যস্ত করে। জানুয়ারিতে গণশুনানির পর ২২ ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো ফার্নেস অয়েলের দাম নির্ধারণ করে বিইআরসি। তারপর থেকে প্রতি মাসে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে দাম নির্ধারণ অব্যাহত রেখেছে বিইআরসি।

  • ১০টি এয়ারবাস কিনবে বাংলাদেশ: বিমানমন্ত্রী

    ১০টি এয়ারবাস কিনবে বাংলাদেশ: বিমানমন্ত্রী

    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, ১০টি এয়ারবাস কিনবে বাংলাদেশ, অক্টোবর মাসে চুক্তি হবে।
    মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

    তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে এ পর্যন্ত ২৫টি বোয়িং কেনার চুক্তি হয়েছে। প্রথম বোয়িং আসবে ২০৩১ সালে।

    বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সূত্র বলছে, বর্তমানে বিমানের বহরে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে। গত এপ্রিলে বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করা হয়। নতুন করে বোয়িংয়ের ১১টি ও এয়ারবাস থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কিনলে কয়েক বছরে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থাটির বহরে উড়োজাহাজ হবে ৫৪টি।

    গত এপ্রিল মাসে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি টাকায় ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স

    চুক্তি অনুযায়ী, আটটি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স উড়োজাহাজ রয়েছে।

  • বাংলাদেশ চীনের অত্যন্ত বিশ্বস্ত বন্ধু

    বাংলাদেশ চীনের অত্যন্ত বিশ্বস্ত বন্ধু

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

    মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়।

    আইএসপিআর জানায়, বিদায়ী সাক্ষাতকালে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক ও প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য চীনা রাষ্ট্রদূতের গঠনমূলক ভূমিকা ও অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পেশাগত উন্নয়নে চীনের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

    একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে দুদেশের মধ্যকার প্রতিরক্ষা, সামরিক প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত যৌথ উদ্যোগের পরিধি আরও বেগবান ও সুদৃঢ় হবে।

    বিদায়ী চীনের রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ চীনের অত্যন্ত বিশ্বস্ত বন্ধু এবং অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও কৌশলগত অংশীদার। তিনি বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ও সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রাপ্ত সর্বাত্মক সহযোগিতার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। ভবিষ্যতে দুই দেশের পারস্পরিক বিশ্বাস, ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।