শিরোনাম

  • মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষায় ৫৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব

    মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষায় ৫৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব

    শিক্ষা ডেস্ক:

    আসন্ন অর্থবছরে (২০২৬-২৭) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের জন্য মোট ৫৭ হাজার ৩০১ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিদায়ী অর্থবছরের চেয়ে এই বাজেট প্রায় দশ হাজার কোটি টাকা বেশি। এ খাতে গতবছর বাজেট ছিলো ৪৬ হাজার ৭৩৮ কোটি টাকা।

    আজ বৃহস্পতিবার সংসদ সচিবালয়ের একটি সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    এর আগে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের জন্য মন্ত্রিসভা বৈঠকে শিক্ষার বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়।

    মন্ত্রণালয় সূত্রে আরো জানা যায়, শিক্ষায় মোট বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে এক লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা, প্রাথমিকে ৪৬ হাজার ৭৩৭ কোটি টাকা, কারিগরিতে ১৮ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা।

    জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ মোট জাতীয় বাজেট প্রস্তাব করেন প্রায় ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে শিক্ষার দুই মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ ৯৫ হাজার ৬৪৪ কোটি টাকা।

    যা মোট জাতীয় বাজেটের ১২ দশমিক এক শতাংশের মতো। বিদায়ী আওয়ামী লীগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন ৯৪ হাজার ৭১০ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। তখন জাতীয় বাজেট ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা ছিল।

    তখন জাতীয় বাজেটের প্রায় ১১ শতাংশ ৮৮ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় বাজেটের ২০ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ দেওয়ার দাবি।

  • শিক্ষায় ৫ শতাংশ বরাদ্দ যেভাবে

    শিক্ষায় ৫ শতাংশ বরাদ্দ যেভাবে

    শিক্ষা ডেস্ক:

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আমরা শিক্ষা খাতে সরকারি বিনিয়োগ পর্যায়ক্রমে ও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি করে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি।

    বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদের দীর্ঘ সময়ে ভেঙে পড়া রাষ্ট্রকাঠামোর সবচেয়ে সংকটাপন্ন খাতগুলোর একটি ছিল শিক্ষা। তারুণ্যের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আজ আমরা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে ফিরে এসেছি, সেখানে অবশ্যই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা সৎ, যোগ্য, দক্ষ এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে।

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষাক্রমকে রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ করছেন, যাতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়িত্ববোধ, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং মানবিক চরিত্রের বিকাশ ঘটে।

    মন্ত্রী বলেন, আমরা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য এমন পরিবেশ করতে চাই যাতে তারা আধুনিক শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে নিজেদের সর্বোচ্চ সম্ভাবনা বিকশিত করতে পারে। আমরা কারিকুলামে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতির বিকাশ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দময় শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাই।

  • শিক্ষায় এক লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব

    শিক্ষায় এক লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ২০২৬-২৭ অর্থ বছরে শিক্ষাখাতে টোটাল বাজেট এক লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা। যা জিডিপির ২ শতাংশ। বিদায়ী অর্থ বছরে যা ছিলো ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ। শিক্ষায় মোট বাজেট ছিলো ৮৭ হাজার ২০৫ কোটি টাকা।

    বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে এই বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

    আরো জানা যায়, এ অর্থ বছরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে বাজেট বরাদ্দ হয়েছে ৫৭ হাজার ৩০১ কোটি টাকা। প্রাথমিকে ৪৬ হাজার ৭৩৭ কোটি টাকা। কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষার জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১৮ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা।

    এর আগে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের জন্য মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

    জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ মোট জাতীয় বাজেট প্রস্তাব করেন প্রায় ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে শিক্ষার দুই মন্ত্রণালয়ের জন্য বরাদ্দ ৯৫ হাজার ৬৪৪ কোটি টাকা।

    যা মোট জাতীয় বাজেটের ১২ দশমিক এক শতাংশের মতো। বিদায়ী আওয়ামী লীগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন ৯৪ হাজার ৭১০ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। তখন জাতীয় বাজেট ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা ছিল।

    তখন জাতীয় বাজেটের প্রায় ১১ শতাংশ ৮৮ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় বাজেটের ২০ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ দেওয়ার দাবি।

  • স্বাস্থ্য খাতে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকার বরাদ্দের প্রস্তাব

    স্বাস্থ্য খাতে ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকার বরাদ্দের প্রস্তাব

    ২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আর এই বাজেট গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের চেয়ে ৩৪ হাজার কোটি বেশি, যা প্রায় দ্বিগুণ।

    বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই বাজেট প্রস্তাবনা করেন।

    অর্থমন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্য খাতে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জন্য ৬৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করছি, যা জিডিপির ১.০১ শতাংশ। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ বাবদ বরাদ্দ ছিল ৩৫ হাজার ৪৭৭ কোটি টাকা, জিডিপি’র ০.৫৮ শতাংশ।

    তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী সময়ে স্বাস্থ্য খাতে অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ ও উপকরণ ক্রয়ে যে পরিমাণ ব্যয় হয়েছে, তার একটি বড় অংশই দুর্নীতির মাধ্যমে লুটপাট করা হয়েছে। তাই স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন হয়নি। সেই কারণে আজ দেশের হাসপাতালগুলো অতিরিক্ত রোগীর চাপে হিমশিম খাচ্ছে। সাধারণ মানুষ মানসম্মত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং বিপুলসংখ্যক রোগী বিদেশমুখী হওয়ায় মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা দেশ থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে।

    আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা স্বাস্থ্য খাতে সরকারি বিনিয়োগ পর্যায়ক্রমে ও ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি করে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি। নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি মোতাবেক আমরা বাংলাদেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে এবং শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে এক বা একাধিক আধুনিক প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি এবং এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে।তিনি বলেন, সরকার একটি সমন্বিত, বিজ্ঞানভিত্তিক ও আধুনিক জাতীয় পুষ্টি কর্মসূচি প্রণয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে। দেশব্যাপী একটি টেকসই ও আধুনিক ওষুধ ও ভ্যাকসিন সরবরাহ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে, যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও সময়মতো প্রয়োজনীয় ওষুধ ও টিকা পৌঁছানো সম্ভব হয়। দীর্ঘদিনের শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে অবিলম্বে ৫ হাজার এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বাজেটে সীমিত আয়ের মানুষের পকেট থেকে চিকিৎসা ব্যয়ের বোঝা কমানো, মানসম্মত ওষুধের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা এবং সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

  • প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ছে ১ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা

    প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ছে ১ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে ৪২ হাজার ২৯১ কোটি টাকা বরাদ্ধের প্রস্তাব করা হয়েছে। বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রতিরক্ষা খাতে ৪০ হাজার ৬৯৮ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হলেও সংশোধিত বাজেট ছিল ৪০ হাজার ৫০২ কোটি টাকা। ফলে বিদায়ী অর্থবছরের তুলনায় এবার ১ হাজার ৫৯৩ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বিকালে জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর উত্থাপিত ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ প্রস্তাব করা হয়। ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করা হয়েছে এবার।

    প্রতিরক্ষা খাতে প্রতিরক্ষা সার্ভিসের পরিচালন ব্যয় বাবদ ৩৮ হাজার ৭২১ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন ব্যয়ের জন্য ১ হাজার ৬১১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য সার্ভিসের জন্য পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৯৫৯ কোটি টাকা।

    জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বিএনপি সরকার এবং অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রথম বাজেট পেশ। প্রথম বাজেট প্রস্তাবনা পেশ করা হয়। এটি দেশের ৫৫ তম বাজেট।

  • নারী ও শিশু উন্নয়নে বরাদ্দ কমে ৫ হাজার ১৯৬ কোটি টাকা

    নারী ও শিশু উন্নয়নে বরাদ্দ কমে ৫ হাজার ১৯৬ কোটি টাকা

    নারী ও শিশু উন্নয়ন খাতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জন্য ৫ হাজার ১৯৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। যা চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের ৫ হাজার ৩৭১ কোটি টাকার তুলনায় ১৭৫ কোটি টাকা কম। তবে ২০১৪ সালের ৪ হাজার ৬৩০ কোটি টাকার তুলনায় এ খাতে বরাদ্দ বেড়েছে।

    বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।

    বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, “নারীর ক্ষমতায়নই উন্নয়নের নির্দেশক।” নারী ও শিশু অধিকার রক্ষায় আইনি ও বৈজ্ঞানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ‘মাল্টিসেক্টরাল প্রোগ্রাম’-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবরেটরি এবং সাতটি বিভাগীয় ডিএনএ স্ক্রিনিং ল্যাবরেটরিতে আগামী অর্থবছরে ডিএনএ নমুনা বিশ্লেষণে নতুন সফটওয়্যার সংযোজন করা হবে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

    দেশের নতুন ও সম্ভাবনাময় নারী উদ্যোক্তাদের রাষ্ট্রীয় কাঠামোর আওতায় আনার লক্ষ্যে তাদের একটি ডাটাবেজ তৈরি করা হচ্ছে। বাজেট বক্তৃতা অনুযায়ী, এই ডাটাবেজ নারী উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, ঋণ সুবিধা ও বাজারসংযোগ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

    অর্থমন্ত্রী জানান, কর্মজীবী নারীদের জন্য প্রথম ধাপে ২০টি এবং পরবর্তী ধাপে আরও ৬০টি আধুনিক দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি বিদেশফেরত নারী শ্রমিকদের পুনর্বাসন ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, ভিজিডব্লিউবি (ভার্নারেবল উইম্যান বেনিফিট) কর্মসূচির আওতায় বর্তমানে ১০ লাখ ৪০ হাজার নারীকে মাসে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হচ্ছে।

    নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ‘কুইক রেসপন্স টিম’ আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, পথশিশু ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

    বাজেট বক্তব্যে আরও জানানো হয়, ঝুঁকিতে থাকা সুবিধা-বঞ্চিত ও বিপন্ন শিশুদের সুরক্ষায় বর্তমানে দেশের ১৭টি জেলায় ৩৩টি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে নারী ও শিশুদের সুরক্ষা, কল্যাণ ও ক্ষমতায়ন আরও জোরদার করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী।

    জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উপকূলীয় অঞ্চলের নারীদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ অভিযোজন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে উপজেলা পর্যায়ে ‘আয়-বর্ধক (আইজিএ) প্রশিক্ষণ’ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

    অসচ্ছল নারীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ভিডব্লিউবি (ভালনারেবল উইমেন বেনেফিট) কার্যক্রমের আওতায় সারা দেশের ৪৯৩টি উপজেলার ৪ হাজার ৫৮৬টি ইউনিয়নে ১০ লাখ ৪০ হাজার নারীকে মাসিক ৩০ কেজি করে চাল ও পুষ্টিচাল দেওয়া হচ্ছে বলে বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখ করা হয়।

    মাতৃগর্ভ থেকে আট বছর বয়স পর্যন্ত শিশুর যথাযথ বিকাশ, সুরক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক সামাজিক উদ্বুদ্ধকরণ এবং ‘প্যারেন্টিং’ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ‘কুইক রেসপন্স টিম’ গঠন করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে সমন্বিত সেবা কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।

    কর্মজীবী নারীদের কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ৮০টি আধুনিক দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপনের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ২০টি এবং পরবর্তী ধাপে আরও ৬০টি কেন্দ্র স্থাপন করা হবে বলে বাজেট বক্তৃতায় বলা হয়।

    বিদেশফেরত নারী শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও যথাযথ পুনর্বাসনের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রকল্প নেওয়া হয়েছে বলেও অর্থমন্ত্রী জানান। তাঁর ভাষ্য, এ উদ্যোগ শ্রম অভিবাসনের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

    পথশিশু ও ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের লক্ষ্যে বিশেষ কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত শিশুদের পরিবারে পুনরেকত্রীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোকে আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

    আইনের সংঘাতে জড়িত কন্যা-শিশুদের সংশোধন ও নিরাপদ আবাসন নিশ্চিত করতে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে প্রতিবছর গড়ে ৩৫০ জন কন্যা-শিশুকে আবাসন প্রদান করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত নারী ও শিশুদের আইনি সহায়তা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করার কথাও বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী।

    ঝুঁকিতে থাকা সুবিধা-বঞ্চিত ও বিপন্ন শিশুদের সুরক্ষায় বর্তমানে দেশের ১৭টি জেলায় ৩৩টি ‘সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র’ পরিচালিত হচ্ছে। সরকারি অনুদানে চলা এসব কেন্দ্রে ৩ হাজার ৩০০ জন ছেলে ও ৩ হাজার ৩০০ জন মেয়ে শিশুর আলাদা আবাসন ও জীবনযাত্রার ব্যবস্থা রয়েছে।

    বাক্, শ্রবণ, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক শিশুদের কল্যাণে বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলেও বাজেট বক্তৃতায় জানান অর্থমন্ত্রী।

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ শিশুর পরিবার ও আহত শিশুদের প্রণোদনা কার্যক্রম:

    জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ শিশুর পরিবার ও আহত শিশুদের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ শিশুদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং তাদের পরিবারকে সহায়তার লক্ষ্যে ৮৪টি পরিবারকে বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহে এককালীন ৫০ হাজার টাকার প্রাইজবন্ড ও সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়েছে।” আহত শিশুদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করে তাদের সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও তিনি জানান।

  • চৌদ্দগ্রামে সিএনজিচালককে ছুরিকাঘাতে হত্যা, গ্রেফতার ৩

    চৌদ্দগ্রামে সিএনজিচালককে ছুরিকাঘাতে হত্যা, গ্রেফতার ৩

    কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের ধোড়করা বাজারে চাঞ্চল্যকর সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক মো: হৃদয় (২৪) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    মোটরসাইকেলে ধাক্কা লাগায় ঘটনার সূত্রপাত হলেও পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে বেরিয়ে এসেছে ত্রিভুজ প্রেমের জেরে হৃদয়কে বুধবার (১০ জুন) রাতে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।

    নিহত হৃদয় উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের শাকতলা গ্রামের মরহুম হেদায়েত উল্লাহ প্রকাশ হেদুর ছোট ছেলে।

    এ ঘটনায় গ্রেফতাররা হলেন— চিওড়া ইউনিয়নের ঘোষতল গ্রামের নজির আহাম্মদের ছেলে নুরুল আমিন পানসি, আফতাব উদ্দিন খন্দকারের ছেলে তাহমিদ আহমেদ খন্দকার প্রান্ত ও জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের গাংরা গ্রামের মরহুম আব্দুল হালিমের ছেলে জসিম উদ্দিন (৪৯)। জসিম স্থানীয় মাদক ও চোরা কারবারিদের অন্যতম হোতা বলে জানা গেছে।

    এ ঘটনায় নিহত হৃদয়ের ভাই মো: ফারুক থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, চিওড়া ইউনিয়নের শাকতলা গ্রামের শাহাদাত হোসেন আসিফ, আবদুল্লাহ জনি ও মো: নয়ন মোটরসাইকেলের জন্য তেল নিতে বুধবার রাত ৮টার দিকে ধোড়করা বাজারের পূর্ব পাশে জনৈক কাইয়ুমের তেলের দোকানে যায়। এ সময় ঘোষতল গ্রামের প্রান্ত, রাশেদ ও নজির আহমেদ অন্য মোটরসাইকেল নিয়ে বিপরীত থেকে এসে জনিদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়।

    এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। উপস্থিত স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষণিক ঝামেলাটি মিটিয়ে দিলেও প্রান্ত গং আসিফ গংদের প্রকাশ্যে হুমকি-ধামকি দিয়ে চলে যায়। খবর পেয়ে সিএনজিচালক মো: হৃদয় এসে ঘটনার বিস্তারিত শোনেন।

    একপর্যায়ে ঘোষতল গ্রামের চিহ্নিত মাদককারবারি ও বখাটে রাজিব, পানসি ও ডিমাতলী গ্রামের বিজয় প্রকাশ রিফাত মোটরসাইকেলযোগে ঘটনাস্থলে পৌঁছে শাহাদাত হোসেন আসিফ ও আবদুল্লাহ জনিকে এলোপাতাড়িভাবে কিল-ঘুষি, লাথি মেরে গুরুতর জখম করে।

    তখন সিএনজিচালক মো: হৃদয় হামলাকারীদের কবল থেকে আসিফ ও জনিকে রক্ষার চেষ্টা করে। এ সময় মো: রাজিব তার কোমর থেকে একটি ধারালো ছুরি বের করে হৃদয়ের বুকের ডান পাশের পাজরের নিচে ছুরিকাঘাত করেন। এতে হৃদয় চিৎকার দিয়ে রাস্তার উপর লুটিয়ে পড়ে এবং মৃত্যু যন্ত্রনায় ছটফট করতে থাকে। এ সময় তার শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে হামলাকারীরা মোটরসাইকেলযোগে পালিয়ে যায়।

    উপস্থিত লোকজন হৃদয়কে ধোড়করা বাজারে অবস্থিত রেক্স ডায়াগনস্টিক হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক হৃদয়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে দ্রুত চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পরে হৃদয়কে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    তবে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের ধোড়করা বাজার এলাকায় রিয়া নামের এক বিবাহিত নারীর সাথে আলামিন হোসেন রাকিব ও তাহমিদ আহমেদ খন্দকার প্রান্ত নামে দুই যুবকের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। রিয়ার স্বামী প্রবাসে থাকে। কিছুদিন ধরে রিয়ার সাথে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রান্তকে দায়ী করে রাকিব। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়।

    চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক তদন্তে ত্রিভুজ প্রেমের বিষয়টি সামনে এসেছে। মূল হত্যাকারী রাজিবসহ অপর আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট রিয়া নামের ওই নারীকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

    এদিকে ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ হৃদয়ের লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে।

  • চৌগাছায় প্রতিপক্ষের হামলায় স্বামী নিহত, স্ত্রী আহত

    চৌগাছায় প্রতিপক্ষের হামলায় স্বামী নিহত, স্ত্রী আহত

    চৌগাছা সংবাদদাতা

    যশোরের চৌগাছায় প্রতিপক্ষের হামলায় জুয়েল রানা (৪০) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নিহতের স্ত্রী মায়া খাতুন।

    বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নের মুক্তদাহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

    নিহত জুয়েল রানা মুক্তদাহ গ্রামের ওদুদ খন্দকারের ছেলে।

    থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, জুয়েল রানা আওয়ামী লীগের কর্মী ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক মতবিরোধ নিয়ে জুয়েল রানার সাথে একই গ্রামের নজরুল ইসলাম মেম্বার, ইউসুফ আলী, কাশেম আলী ও বাবু রহমানদের দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। ঘটনার দিন দুপুরে জুয়েল রানা চৌগাছা-কোটচাঁদপুর সড়কের মুক্তদাহ মোড় নামক স্থানে একটি চায়ের দোকানে বসে রাজনৈতিক আলাপ করছিলেন।

    এ সময় রানা তার প্রতিপক্ষদের ব্যাপারে বাজে মন্তব্য করতে থাকেন। এতে প্রতিপক্ষের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে তার ওপর হামলা চালায়। হামলায় জুয়েল রানার দুই পা হাঁটুর নিচ থেকে ভেঙে মারাত্মক আহত হন তিনি। ঘটনার সময় প্রতিপক্ষের হাত থেকে স্বামীকে উদ্ধার করতে গিয়ে তার স্ত্রী মায়া খাতুনও আহত হন।

    স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে চৌগাছা সরকারি মডেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে স্ত্রী মায়া খাতুন প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন। তবে সেখানে জুয়েল রানার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে যশোর রেফার্ড করেন ডাক্তাররা। যশোর সদর হাসপাতালে নেয়ার পর সেখানকার জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎস জুয়েল রানাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। জিজ্ঞাসাবাদরে জন্য দু’জনকে আনা হয়েছে। আসামিদের আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যহত রয়েছে।

  • গাইবান্ধায় বাসের ধাক্কায় অটোরিকশাচালক নিহত, আহত ৮

    গাইবান্ধায় বাসের ধাক্কায় অটোরিকশাচালক নিহত, আহত ৮

    গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে বাসের ধাক্কায় ফেরদাউস মিয়া (৬০) নামে এক অটোরিকশাচালক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশার কমপক্ষে আট যাত্রী আহত হয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে উপজেলার আঞ্চলিক মহাসড়কের মাঠের বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত ফেরদাউস মিয়া উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়নের বাসিন্দা।

    স্থানীয়রা জানায়, দুপুরে গাইবান্ধা শহর থেকে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে পলাশবাড়ীর দিকে যাচ্ছিল। এ সময় মাঠের বাজার এলাকায় পৌঁছালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা অরিন ট্রাভেল নামের একটি বাস অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে যাত্রীরা সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে যান এবং অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

    পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক অটোরিকশাচালক ফেরদাউসকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

    পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরোয়ার আলম বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন সরিয়ে নেয়া হয়েছে।’

  • আনোয়ারায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কলেজছাত্রের মৃত্যু

    আনোয়ারায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কলেজছাত্রের মৃত্যু

    চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় সুপারি গাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আব্দুল হান্নান শাহ (২২) নামে এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়নের উত্তর গুয়াপঞ্চক শাহ বাড়িতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত আব্দুল হান্নান শাহ ওই এলাকার আব্দুল গফ্ফার শাহ’র ছেলে। তিনি আনোয়ারা সরকারি কলেজের ডিগ্রি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষা উপলক্ষে ছুটিতে বাড়িতে ছিলেন হান্নান। বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ির পাশের একটি সুপারি গাছ কাটতে ওঠেন তিনি। একপর্যায়ে গাছটির পাশের বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে এলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    নিহতের ফুফাত ভাই মো: ইমরান হোসাইন জানান, হান্নান তার চাচাত ভাইয়ের দোকানে থাকতেন। পরীক্ষা উপলক্ষে কয়েকদিনের জন্য বাড়িতে এসেছিলেন। বৃহস্পতিবার পরীক্ষা না থাকায় সকালে সুপারি গাছ কাটতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি।

    আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘বিদ্যুৎস্পৃষ্ট অবস্থায় এক যুবককে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। পরে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • বেনাপোল বন্দরে ৬ কোটি টাকার জব্দকৃত ভারতীয় পণ্য উধাও!

    বেনাপোল বন্দরে ৬ কোটি টাকার জব্দকৃত ভারতীয় পণ্য উধাও!

    বেনাপোল স্থলবন্দরে কাস্টমস কর্তৃক জব্দ করা প্রায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস, বেবিওয়্যার ও প্রসাধনী সামগ্রী রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    অভিযোগ উঠেছে, জব্দকৃত দামি পণ্য সরিয়ে সেখানে নিম্নমানের দেশীয় পণ্য রাখা হয়েছে। এই ঘটনায় একটি ফৌজদারি মামলা করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

    কাস্টমস সূত্র জানায়, গত ১২ মার্চ যশোরের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সাফা ইমপেক্স ভারত থেকে একটি চালান আমদানি করে। আমদানি নথিতে বেকিং পাউডার ঘোষণা করা হলেও কাস্টমসের কায়িক পরীক্ষায় প্রায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস, বেবিওয়্যার ও প্রসাধনী সামগ্রী পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ২ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার ৫১৫ টাকার রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে কাস্টমস চালানটি জব্দ করে বন্দর কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রাখে।

    জব্দকৃত চালানটির ম্যানিফেস্ট নম্বর ৬০১২০২৬০০১০০১৬৩৩৩। সিএন্ডএফ অ্যাজেন্ট হিসেবে চালানটি গ্রহণ করে বেনাপোলের মেসার্স হুদা এন্টারপ্রাইজ। পরে চালানটি বেনাপোল স্থলবন্দরের ৩৭ নম্বর শেডে বন্দরের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়। আমদানি নথিতে পণ্য হিসেবে বেকিং পাউডারের ঘোষণা দেয়া হলেও কাস্টমসের কায়িক পরীক্ষায় সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র উঠে আসে। পরীক্ষাকালে ১০৮ কার্টনে ঘোষণা বহির্ভূত প্রায় ৬ কোটি টাকা মূল্যের ভারতীয় দামি শাড়ি, থ্রিপিস, বেবিওয়্যার, ফেসওয়াশ, ক্রিম, লোশনসহ বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রী পাওয়া যায়।

    কাস্টমস কর্মকর্তাদের ধারণা, স্থলবন্দরের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে বন্দরের ভেতরের কারো সহযোগিতা ছাড়া এমন দুঃসাহসিক চুরি ও জালিয়াতি সম্ভব নয়। ইতোমধ্যে বন্দর কর্তৃপক্ষকে প্রায় আড়াই কোটি টাকার রাজস্ব পরিশোধে চরমপত্র দিয়েছে কাস্টমস।

    পরবর্তীতে অভিযোগের ভিত্তিতে গত ২ জুন পুনরায় চালানটি পরীক্ষা করে দেখা যায়, জব্দকৃত ভারতীয় পণ্যের পরিবর্তে সেখানে দেশীয় নিম্নমানের পণ্য রাখা হয়েছে। কাস্টমস কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমান জানান, উদ্ধার হওয়া পণ্যের কার্টনে দেশীয় বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের নাম এবং দেশীয় সংবাদপত্র ও কুরিয়ার সার্ভিসের আলামত পাওয়া গেছে, যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে পণ্যগুলো দেশের ভেতর থেকেই সেখানে আনা হয়েছে।

    বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমান বলেন, আমদানি করা ভারতীয় দামি পণ্যের পরিবর্তে যে দেশীয় পণ্য পাওয়া গেছে, সেগুলো বাংলাদেশী বসুন্ধরা ও মেঘনা শিল্প গ্রুপের বিভিন্ন কোম্পানির নাম মুদ্রিত কার্টনে রাখা ছিল। এছাড়া দেশীয় সংবাদপত্রে মোড়ানো এবং বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিসের স্টিকারযুক্ত পিপি বস্তাও পাওয়া গেছে। এসব আলামত প্রমাণ করে পণ্যগুলো দেশের ভেতর থেকেই সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় একটি ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে।

    বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (ট্রাফিক) মো: শামীম হোসেন জানান, বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। শেড ইনচার্জকে প্রত্যাহার করে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, প্রথমে মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানির মাধ্যমে রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করা হয় এবং পরে জব্দকৃত পণ্য সরিয়ে প্রমাণ নষ্টের চেষ্টা করা হয়েছে। পুরো ঘটনায় সঙ্ঘবদ্ধ একটি চক্রের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।

  • সাড়ে তিন মাসের মাথায় কঠিন সংকটে সরকার

    সাড়ে তিন মাসের মাথায় কঠিন সংকটে সরকার

    নবগঠিত বিএনপি সরকারের বয়স মাত্র সাড়ে তিন মাস অতিক্রম করলো। এরই মধ্যে সংকটের মুখোমুখি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজের সরকারের নাজুক পরিস্থিতির কিছুটা ইঙ্গিত দিয়েছেন ইতিমধ্যে। তিনি বলেছেন- সামনে কঠিন সময়, হেসেখেলে দিন কাটালে দেশ ক্ষতিগ্রস্থ হবে। তবে তিনি যা কিছুটা আভাস দিয়েছেন প্রকৃত পরিস্থিতি কিন্তু এরচেয়েও অনেক গুরুতর। শীর্ষনিউজ ও শীর্ষকাগজের নিজস্ব অনুসন্ধানে এমন তথ্যই বেরিয়ে আসছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘সামনে কঠিন সংকট।’ কিন্তু প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, সংকট ইতিমধ্যেই এসে পড়েছে। সরকারের ভেতরে-বাইরে নানামুখী সংকট শুরু হয়ে গেছে। শেখ হাসিনা একনাগাড়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় বহাল থাকার দীর্ঘ ১৫ বছরের মাথায় যতটা সংকটে পড়েছিলেন বর্তমান বিএনপি সরকার মাত্র সাড়ে তিন মাসের মাথায় তারচেয়েও অন্ততঃ তিনগুণ বেশি সংকটে পড়েছে বা পড়ছে। হাসিনার ওই সংকটটা ছিল একমুখী- শুধুমাত্র ভূ-রাজনীতিগত। আর বর্তমান সময়ে বিএনপি সরকারের সংকট বহুমুখী। এরমধ্যে ভূ-রাজনীতির ভয়াবহ সংকটও বিদ্যমান। তাছাড়া অর্থসংকট তো রয়েছেই। পাশাপাশি অনেক ভুল পদক্ষেপ, দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড সরকারকে ভাবমূর্তি সংকটের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

    রাজনৈতিক বিরোধীপক্ষ এমনকি সাধারণ সমালোচনার মানুষের কথা বাদ দিলেও, সরকারের নিজস্ব লোকজনের মুখেই অভ্যন্তরীণ চরম সমালোচনা, ক্ষোভ-অসন্তোষ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে বিগত সময়ে দীর্ঘ ফ্যাসিস্ট আমলে যারা জেল-জুলুম, চরম নির্যাতন-নিপীড়নের মুখেও মাটি কামড়ে পড়েছিলেন ভালো কিছু দেখার আশায়- এইসব ত্যাগী নেতা-কর্মী এবং সমর্থকরাই এ মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ-অসন্তুষ্ট হয়ে উঠছেন। দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের নানারকমের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড এবং সরকারের একের পর এক ‘ভুল’ পদক্ষেপ এইসব নেতা-কর্মী, সমর্থককে ক্ষুব্ধ করে তুলছে। ‘ভুল’ পদক্ষেপগুলোকে ‘ভয়াবহ আত্মঘাতী’ বলেও অনেকে উল্লেখ করছেন। এসবের বিবরণ পরবর্তীতে আলাদা প্রতিবেদনে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে। সংকটের ‘ধরন’ এবং ‘মাত্রা’ এ প্রতিবেদনে আলোকপাত করা হচ্ছে।

    ভূ-রাজনীতির সংকট

    বিএনপি সরকারের সামনে এ মুহূর্তে সবচেয়ে বড় সংকটটা ভূ-রাজনীতি নিয়ে। যা তিন মাসের সরকারের সময়ে মোটেই আশা করা হয়নি। আদতে বর্তমান বিএনপি ক্ষমতায় এসেছেই কঠিন এক সংকটকে বোঝা হিসেবে নিয়ে। আওয়ামী লীগকে ১৫ বছরেও যা ভুগতে হয়নি। আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় তিন টার্ম পূর্ণ করেছে কোনো রকমের ভূ-রাজনীতিগত সংকট ছাড়াই। বাংলাদেশে ভূ-রাজনীতির প্রভাব রয়েছে ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্র উভয়েরই। চীনের প্রভাব তেমন একটা নেই। শুধুমাত্র অর্থনীতির ক্ষেত্রেই তারা সীমাবদ্ধ। আওয়ামী লীগের তিন টার্মের প্রায় পুরোটা সময় ভারতের ইচ্ছেকেই প্রাধান্য দিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ কারণে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিরোধীপক্ষের দফায় দফায় কঠোর আন্দোলনেও হাসিনা সরকারের কিছুই হয়নি, যদিও হাসিনার জনপ্রিয়তায় ধস নেমেছিল অনেক আগেই।

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলে সামরিক আধিপত্য চায়, এটা সবারই জানা কথা। এক সময় তাদের চাহিদা ছিল সেন্ট মার্টিন দ্বীপ। পরবর্তীতে ক্রমান্বয়ে তা পরিবর্তিত হয় সামরিক চুক্তি- অকাস এবং জিসোমিয়া-য়। এই দু’টি সামরিক চুক্তির খসড়াও শেখ হাসিনার আমলে শেষের দিকে আদান-প্রদান হয়েছিল। কিন্তু ভারত কোনো ক্রমেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ ধরনের চুক্তি করতে দেবে না, তাই শেখ হাসিনা পারেননি চুক্তি চূড়ান্ত করতে।

    ভারত জানে, আমেরিকার পরিকল্পনায় যা আছে সেটি ভারতের জন্য মহাবিপর্যয়কর। যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলে ঢুকতে পারলে ভারতের অখন্ডতাকে তছনছ করে দেবে। আর জানে বলেই নানা কৌশলে এতদিন যুক্তরাষ্ট্রের এ অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি ঠেকিয়ে রেখেছে। বার্মা অ্যাক্ট করেছিল যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলে সামরিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্যই। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, ড. মুহাম্মদ ইউনূস সরকারের সঙ্গে শুরু থেকেই ভারতের সম্পর্ক ‘সাপে নেউলে’ ছিল। এর কারণ, ড. ইউনূস আমেরিকার লোক। ভারত চাচ্ছিল, বাংলাদেশে বিকল্প অন্য কোনো সরকার আসুক। তাই বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং বিএনপির ক্ষমতায় আসাকে সমর্থন দিয়েছে তারা।

    শুরুতে এটা ধরে নেওয়া হয়েছিল যে, আওয়ামী লীগের মতোই বিএনপিও পুরোপুরি ভারত প্রভাবিত সরকার হিসেবে চলবে। প্রথম আড়াই মাস অনেকটা সেভাবেই চলছিল। কিন্তু তারপর থেকেই ভিন্ন পথে চলতে শুরু করে বিএনপি সরকার। গত ৭ এপ্রিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডক্টর খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির দিল্লী সফরে যান। সফরের শুরুটা আন্তরিকতাপূর্ণ হলেও শেষটা ভালো হয়নি। যে কোনো কারণেই হোক সফরটা তিক্ততার মধ্য দিয়ে শেষ হয়। হয়তো এমনটা হবে, আগে থেকেই জানা ছিল বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান যে একান্তভাবেই আমেরিকার লোক, এটা কারো অজানা নয়। ভারত সফরের পর পরই ভিন্ন দিকে হাঁটতে শুরু করে সরকার। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের কাজ শুরু হয়। এটা আসলে যুক্তরাষ্ট্রেরই কেরামতি! চীন ইতিপূর্বে বরাবরই এ অঞ্চলে মার্কিন আধিপত্যবিরোধী ছিল। কিন্তু এ মুহূর্তে চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন বিশেষ সমঝোতা গড়ে উঠেছে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো দাবি করছে।
    পাকিস্তানের সঙ্গে বর্তমান বিএনপি সরকারের সম্প্রতি চোরাচালান, মাদক এবং কৌশলগত তথ্য বিনিময়ের একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে। যদিও পাকিস্তানের সঙ্গে বিএনপি সরকারের কোনো রকমের চুক্তি ভারতের জন্য একেবারেই অপ্রত্যাশিত ছিল। অন্যদিকে একই সময়ে বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে একের পর এক প্রতিনিধিদল চীন সফরে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও চীন সফরে যাচ্ছেন খুব শিগগিরই। তারিখ এখনো সরকারিভাবে ঘোষণা হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এখনই আগাম চীন যাওয়ার কথা রয়েছে। ২১ ও ২২ জুন মালয়েশিয়া সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এরপর ২৩ জুন কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার। এমন পরিকল্পনা নিয়ে ঢাকায় প্রস্তুতি চলছে। এদিকে পদ্মা ব্যারেজ এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথেও অত্যন্ত দ্রুতগতিতে আগাচ্ছে বিএনপি সরকার। এমনকি মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বহুল আলোচিত ‘অকাস’ এবং ‘জিসোমিয়া’ চুক্তিও একই সঙ্গে ইতিবাচক দিকে যাচ্ছে বলে চাউর হয়েছে। এই ইস্যুগুলোর প্রত্যেকটিই ভারতের জন্য ‘স্পর্শকাতর’ এবং মহাচিন্তার বিষয়। এসব ঘটনার মধ্য দিয়ে বিএনপি সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের দ্রুত অবনতি ঘটছে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

    সরকারের অভ্যন্তরীণ সংকট এবং এর ভবিষ্যৎ

    গত সপ্তায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি হয়েছে। ঘটনাটি ছোট হলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। তাই গণমাধ্যম এবং সরকারের তরফ থেকেও এটিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়েছে। এটিকে ষড়যন্ত্রের ‘সংকেত’ হিসেবে মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সরকার যতটা জনপ্রিয়তা বা জনসমর্থন ধরে রাখতে পারবে ষড়যন্ত্র সফল হওয়ার সম্ভাবনা ততই কম থাকবে। কিন্তু আদতে জনপ্রিয়তা ক্ষুণ্ন হচ্ছে কিনা, এ ব্যাপারে সরকার কী তেমন একটা সতর্ক?

    সরকারের লোকজন নিজেদের মধ্যে পাওয়া-না পাওয়া এবং পারস্পরিক বৈষম্যের অভিযোগ তুলছেন ব্যাপকভাবে। যার যেটা পাওয়ার কথা নয়, তিনি তারচেয়ে বেশি কিছু পাচ্ছেন। আবার অন্যরা ক্রমাগত বঞ্চিত হচ্ছেন। এ নিয়ে সরকারের ভেতরকার লোকজনের রেষারেষি বাড়ছে প্রবলভাবে। সরকারের অনেক কর্মকাণ্ডের ব্যাপারেই ‘কেন’ প্রশ্নের জবাব নেই। দীর্ঘ দুই দশক পর বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ফিরে পেয়েছে। জিয়াউর রহমানের আমলের কথা বাদ দিলেও বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এই বিএনপি দুই দফায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ছিল। তারেক রহমান বিদেশে থাকলেও বিএনপির রাজনীতি, দেশের সরকার পরিস্থিতি এমনকি সরকারের প্রতিটি খাত নিয়েও কাজ করেছেন বলে দেখা গেছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই মানুষ আশা করেছিল আরও দক্ষ ও সুশৃঙ্খলভাবে সরকারের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এখন যেভাবে সরকার চলছে এতটা অগোছালো কেউই মেনে নিতে পারছেন না। কোনো কিছুর ওপরই সরকারের নিয়ন্ত্রণ আছে বলে মনে করছেন না রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতারও অনেক অভাব আছে বলে অভিযোগ উঠছে, যদিও এটিই বেশি মাত্রায় চাইছে মানুষ। প্রকাশ্য ঘুষ-দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠার পরও সরকারের তরফ থেকে এ ব্যাপারে কোনোই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। আর এসব কারণে সমালোচনার মাত্রা ক্রমেই বাড়ছে।

    অভিযোগ উঠেছে, অনেক বিষয়েই উল্টো পথে হাঁটছে সরকার। ভোটের কালি মোছার আগে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের কথা বলা হচ্ছে বার বার। এ ব্যাপারে খাল খনন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড প্রভৃতি কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু মানুষের চাহিদা কি, মানুষ কোনটি কীভাবে দেখতে চাইছে, কোন কাজটি আগে চাইছে- সেদিকে নজর না দিয়ে নিজের মতো করে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এমন অবস্থা চলতে থাকলে অতি দ্রুত জনপ্রিয়তা হারাবে বিএনপি সরকার। তাতে এক পর্যায়ে অস্তিত্ব সংকটও দেখা দিতে পারে। বিপ্লব পরবর্তী সময়ে একটি জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছে। বিপ্লবের যে স্পিরিট তা এখনো রয়ে গেছে, এটা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। বিপ্লবের পর ‘প্রতিবিপ্লব’ একটা প্রচলিত শব্দ। এবং এটা সবারই জানা কথা। একদিকে সাধারণ মানুষের অসন্তুষ্টি, অন্যদিকে দলের অভ্যন্তরের ক্ষুব্ধতা- এগুলো সরকারের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। সাধারণ মানুষের অসন্তোষ ও সমালোচনার মাত্রা বাড়তে থাকলে ‘প্রতিবিপ্লবের ষড়যন্ত্র’ গাঢ় হয়ে উঠবে নিঃসন্দেহেই। দলের ভেতরের অসন্তোষ-ক্ষুব্ধতা সেই ষড়যন্ত্রকে ঠেকাবে না, বরং জায়গা করে দেবে। তাই সময় থাকতে এখনই এসব ব্যাপারে সতর্ক হওয়া উচিত, বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

    সূত্র: শীর্ষনিউজ

  • চাঁদপুরে যৌতুক না দেয়ায় গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ,স্বামী-শাশুড়ি আটক

    চাঁদপুরে যৌতুক না দেয়ায় গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ,স্বামী-শাশুড়ি আটক

    চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলায় যৌতুকের দাবি পূরণ না করায় নির্যাতনের পর নূর নাহার (১৮) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী নীরব হোসেন রনি ভূঁইয়া ও শাশুড়িকে আটক করেছে পুলিশ।

    বুধবার (১০ জুন) সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে পুলিশ অভিযানে নেমে তাদের আটক করে। নিহত নূর নাহার নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বাসিন্দা এবং তিনি সাত মাস বয়সী এক কন্যাশিশুর জননী ছিলেন।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাইমচর উপজেলার উত্তর আলগী ইউনিয়নের বাসিন্দা অটোরিকশাচালক নীরব হোসেন রনি ভূঁইয়ার সাথে প্রায় এক বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে নূর নাহারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সময় যৌতুকের দাবিতে তাকে নির্যাতন করা হতো বলে অভিযোগ পরিবারের।

    নিহতের মা জানান, মঙ্গলবার গভীর রাতে মেয়ের মৃত্যুর খবর পান তারা। সকালে হাইমচরে এসে জানতে পারেন, স্বামীর পরিবার ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করছে। তবে তাদের অভিযোগ, নূর নাহারকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।

    তিনি আরো অভিযোগ করেন, রনি ভূঁইয়া মাদকাসক্ত ছিলেন এবং নিয়মিত মাদকের টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও বিভিন্ন আসবাবপত্রের জন্য চাপ দিতেন। এসব দাবি পূরণ না করায় মেয়ের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো। গত মাসে মেয়ের সংসার টিকিয়ে রাখতে গোপনে ৩৭ হাজার টাকা দেয়া হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

    নূর নাহারের স্বজনদের দাবি, বিদেশে যাওয়ার জন্য প্রায় চার লাখ টাকা দাবি করেছিলেন রনি ভূঁইয়া। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল এবং একাধিকবার মারধরের ঘটনাও ঘটেছে।

    অন্যদিকে স্বামীর পরিবারের দাবি, মঙ্গলবার রাতে নূর নাহার নিজ ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে রাত ১২টার দিকে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    ঘটনার পর পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে লাশ চাঁদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    হাইমচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হাসান বলেন, নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় স্বামী নীরব হোসেন রনি ভূঁইয়া ও তার মাকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

    তিনি আরো জানান, ঘটনার সাথে জড়িত অন্য কেউ থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • রামগড়ে মাদক মামলায় গ্রেফতার ৯

    রামগড়ে মাদক মামলায় গ্রেফতার ৯

    খাগড়াছড়ির রামগড়ে পৃথক অভিযানে মাদক সেবন ও অসংলগ্ন আচরণের অভিযোগে নয়জনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে রামগড় থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দয়েরের পর গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    বুধবার (১০ জুন) সকালে গ্রেফতার আসামিদেরকে আদালতে পাঠানো হয়।

    এর আগে, মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার উত্তর গর্জনতলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদক সেবন ও অসংলগ্ন আচরণের অভিযোগে আলা উদ্দিন (২৯), আবুল কাশেম (২৪) ও মিঠুন নন্দিকে (২৫) আটক করে পুলিশ।

    পরে, রাত ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে মাদক সেবনকালে রামগড় পৌরসভার মাস্টার পাড়া এলাকার গ্রামীণ ব্যাংক ভবনের ছাদ থেকে নুর মোহাম্মদ (৩২), চন্দন দেবনাথ (৩২), কৃষ্ণ চন্দ্র নাথ (৩৪), আকাশ দেবনাথ (২৭), মুন্না চন্দ্র নাথ (২৮) ও ছোটন বিশ্বাসকে (৩৫) আটক করা হয়।

    রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজির আলম বলেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৃথক দুটি স্থানে অভিযান চালিয়ে মাদক সেবন ও অসংলগ্ন আচরণের অভিযোগে নয়জনকে আটক করা হয়। আটকদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে থানায় মামলা দয়ের করা হয়েছে। পরে সেই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

    তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • প্রাথমিক শিক্ষায় যুক্ত হচ্ছে সংগীত ও নাট্যকলা

    প্রাথমিক শিক্ষায় যুক্ত হচ্ছে সংগীত ও নাট্যকলা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা এবং চারু ও কারুকলাকে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ২০২৮ খ্রিষ্টাব্দে নতুন কারিকুলামের আওতায় বিষয়গুলো পূর্ণাঙ্গভাবে প্রাথমিক শিক্ষায় যুক্ত করা হবে। ২০২৭ খ্রিষ্টাব্দে থেকে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ‘শিল্প ও সংস্কৃতি’ পাঠ্যবই চালু করা হবে।

    আজ বুধবার (১০ জুন) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সভায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত, নৃত্যকলা, নাট্যকলা ও চারুকলা বিভাগের শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।

    শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের শিক্ষা-দর্শন অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তোলা হবে, যাতে তারা একদিকে বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে বিকশিত হতে পারে, অন্যদিকে ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতাও অর্জন করে।

    শিল্প, সংস্কৃতি ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষা শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি জানান।

    ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত, নৃত্যকলা ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষা সম্প্রসারণের ফলে বিপুলসংখ্যক বিশেষায়িত শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের প্রয়োজন হবে। এতে সংগীত, নৃত্যকলা, চারুকলা, নাট্যকলা ও ক্রীড়া বিষয়ে শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

    আগামী পাঁচ বছরে এ খাতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

  • এমপিওভুক্তির দাবিতে  শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে পদযাত্রা

    এমপিওভুক্তির দাবিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে পদযাত্রা

    শিক্ষা ডেস্ক:

    এমপিওভুক্তির দাবিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সাড়ে ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে পদযাত্রা করবেন শিক্ষকরা। তারা বলছেন, আজকের মধ্যে এমপিও আবেদনের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হলে পদযাত্রা করা হবে।

    আজ বুধবার (১০ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ননএমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি থেকে এ ঘোষণা দেয়া হয়। সম্মিলিত ননএমপিও ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করে আসছেন তারা। আজ লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির চতুর্থ দিন চলছে। পরে সংগঠনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ বুধবার বেলা ১০টায় যথারীতি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সব নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়। এতে অধ্যক্ষ সেলিম মিয়া সভাপতিত্ব করেন। বক্তারা বলেন অবিলম্বে সব নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে হবে। আমাদের বরাদ্দের টাকা অন্য খাতে খরচ হবে এটা অন্যায়। তিনি বলেন আজকের মাধ্যে কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের এমপিও আবেদনের গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না হলে আগামীকাল ১১ জুন বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে পদযাত্রা কর্মসূচি করা হবে।

    প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমটির অন্যতম সদস্য অ্যাডভোকেট রফিক শিকদার। তিনি বলেন শিক্ষকদের প্রতি জনগণের প্রত্যাশাও বেশি। তিনি সরকারের নিকট অবিলম্বে দেশের সব নন এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আহ্বান জানান।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ নাগরিক অধিকার ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহনাজ আকতার রানু বলেন, বেতনহীন নন এমপিও শিক্ষকরা ফুটপাতে বসে থাকবে এটা বিরাট রাষ্ট্রীয় লজ্জা।

    বিশেষ অতিথীর কারিগরি শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের সভাপতি অধ্যক্ষ জাকির হোসেন আকন্দ বলেন আমরা নন এমপিও শিক্ষকদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করছি।

    কারিগরি শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের মহাসচিব অধ্যাপক গাজি হারুন অর রশিদ দ্রুত সব নন এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্তির দাবি জানান।

    নন-এমপিও সংগঠনের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মো. নাজমুস সাহাদাত আজাদী বলেন আমরা ২০-২৫ বছর যাবত নন এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বৈষম্যের শিকার হয়েছি। বর্তমান সরকারের কাছে আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি এই বৈষম্য দূর করে দ্রুত সময়ে এমপিওভুক্ত করা হোক।

    সমন্বয়ক অধ্যক্ষ আব্দস সালামের সঞ্চালনায় লাগাতার অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সমন্বয়ক অধ্যক্ষ আবতাবুল আলম, সমন্বয়ক সুপার ফরহাদ হোসেন বাবুল, সমন্বয়ক প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান বাবুল, অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান ভূঁইয়া, অধ্যক্ষ মিজানুল হক মামুন, সমন্বয়ক প্রভাষক হাবিবুল্লাহসহ সারাদেশ থেকে আসা জেলা ও উপজেলার নেতারা।

  • ইরান যুদ্ধের প্রভাব: তীব্র ক্ষুধার ঝুঁকিতে লাখ লাখ মানুষ

    ইরান যুদ্ধের প্রভাব: তীব্র ক্ষুধার ঝুঁকিতে লাখ লাখ মানুষ

    ইরানের যুদ্ধের প্রভাবে তীব্র ক্ষুধার ঝুঁকিতে পড়েছে লাখ লাখ মানুষ। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক কার্ল স্কো সিএনএনকে এ কথা বলেন। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানির দাম বহুগুণে বেড়ে গেছে, যা জাতিসংঘের এই সংস্থার কার্যক্রমকে অনেক বেশি ব্যয়বহুল করে তুলেছে। জ্বালানির এই ক্রমবর্ধমান দাম বিশ্বজুড়ে খাদ্যের দামও বাড়িয়ে দিয়েছে।

    এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে অস্থিরতার কারণে সুদানের মতো জায়গায় ফসল লাগানোর জন্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সারের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।

    ডব্লিউএফপি বিভিন্ন সরকারের অনুদানের ওপর নির্ভরশীল। এর শীর্ষ দাতা যুক্তরাষ্ট্রসহ সব ক্ষেত্রেই তহবিলে ব্যাপক ঘাটতি দেখা গেছে। সোমবার পর্যন্ত ২০২৬ সালের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অনুদান ছিল প্রায় ৭৩১ মিলিয়ন ডলার। ২০২৪ সালে এর পরিমাণ ছিল ৪ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।

    স্কো বলেন, বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলোতে যখন খাদ্যের দাম ২০-৩০ শতাংশ বেড়ে যায়, তখন তারা ২০-৩০ শতাংশ কম খাবার খায়।

    মার্চ মাসে ডব্লিউএফপি সতর্ক করে বলেছিল, যদি তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারের ওপরে থাকে, তাহলে জুলাই মাসের মধ্যে আরো ৪৫ মিলিয়ন মানুষ তীব্র ক্ষুধার সম্মুখীন হবে। স্কো বলেন, যদি আগামীকালই হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হয়, তার পরও দীর্ঘদিন এর প্রভাব থাকবে।

  • সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকের শূন্যপদ ৯,৪০৭

    সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকের শূন্যপদ ৯,৪০৭

    স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বর্তমানে দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসকের অনুমোদিত ৪১টি হাজার ৮০৬টি পদের মধ্যে শূন্য নয় হাজার ৪০৭টি। নার্সের অনুমোদিত ৪৯ হাজার ৫০১ টি পদের মধ্যে ৫ হাজার ৩২টি এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অনুমোদিত ২৬ হাজার ৫৪৪টি পদের মধ্যে ৮ হাজার ৭৮৪টি পদ শূন্য রয়েছে।

    বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে নরসিংদী-১ আসনের খায়রুল কবির খোকনের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বুধবার সংসদের বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়।

    যশোর-৪ আসনের গোলাম রসুলের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সারা দেশে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে চিকিৎসকের ১৩ হাজার ২১১টি পদের বিপরীতে কর্মরত আছে সাত হাজার ৪২৯ জন। পদ শূন্য রয়েছে ৫ হাজার ৭৮২টি। নার্সের ১৩ হাজার ৮০৯টি পদের মধ্যে ১২ হাজার ১৪৬ জন কর্মরত আছে। নার্সের শূন্য পদ এক হাজার ৬৬৩টি। অন্যান্য কর্মচারীদের তিন হাজার ১৮৬টি পদের বিপরীতে কর্মরত দুই হাজার ১২০জন কর্মরত। শূন্যপদ এক হাজার ৬৬টি।

    মন্ত্রী জানান, সারা দেশের ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসকের এক হাজার ১৩৪টি পদের মধ্যে ৬৪৪ জন কর্মরত ও ৬৭০টি পদ শূন্য রয়েছে। মিডওয়াইফের এক হাজার ৩১২টি পদের মধ্যে কর্মরত ৭৪৬ জন এবং শূন্যপদ ৪৬৬টি। অন্যান্য কর্মচারীদের দুই হাজার ৬২৭টি পদের মধ্যে কর্মরত এক হাজার ৬৮২ জন কর্মরত এবং শূন্যপদ ৯১৫টি। সারা দেশের ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসকের তিন হাজার ১৬৭টি পদের মধ্যে কর্মরত এক হাজার ৪৬০ জন, শূণ্যপদ এক হাজার ৭০৭টি। স্যাকমো তিন হাজার ১৬৫টি পদের মধ্যে কর্মরত এক হাজার ৬৪৫ জন কর্মরত এবং শূণ্যপদ এক হাজার ৫২০টি।

    সংরক্ষিত আসনের নিলোফার চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে সারা দেশে ১৪ হাজার ৪৬০টি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু আছে। প্রতিটি কমিউনিটি ক্লিনিকে বছরে দুই লাখ ৪৭ হাজার ৯০০ টাকার ওষধ সরবরাহ করা হয়।

    নিলোফার চৌধুরী মনির অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ট্যানারির বিষাক্ত বর্জ্য ব্যবহার করে তৈরি পোল্ট্রি ও মাছের খাদ্য মানুষের শরীরে ক্যান্সার, লিভার সিরোসিস, আলসার ও কিডনি রোগের মতো জটিল স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

    নিলোফার চৌধুরী মনি জানতে চান, ট্যানারির বিষাক্ত বর্জ্য দিয়ে তৈরি পোল্ট্রি ও ফিশ ফিড ক্যান্সারসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে কি না এবং এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে বা নেবে কি না।

    জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিষয়টি সম্পূর্ণ সত্য উল্লেখ করে বলেন, বিভিন্ন গবেষণা ও প্রতিবেদন থেকে এর প্রমাণ পাওয়া যায়। তিনি বলেন, চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় ‘ক্রোমিয়াম’সহ বিভিন্ন ভারী ধাতু ব্যবহার করা হয়। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এসব বিষাক্ত চামড়ার বর্জ্য ব্যবহার করে কম খরচে পোল্ট্রি ও মাছের খাদ্য তৈরি করে থাকে।

    মন্ত্রী জানান, এ ধরনের খাদ্য খাওয়ানো মুরগির মাংস ও ডিমে বিষাক্ত ‘হেক্সাভ্যালেন্ট ক্রোমিয়াম’ (Cr-VI) জমা হয়, যা রান্নার তাপেও নষ্ট হয় না। এই মুরগি বা মাছ মানবদেহে প্রবেশ করলে তা থেকে ক্যান্সার, লিভার সিরোসিস, আলসার এবং কিডনি নষ্ট হওয়ার মতো মারাত্মক জটিল রোগের ঝুঁকি তৈরি হয়। এ স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে।

    তিনি জানান, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষার স্বার্থে ঢাকার হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি শিল্প সাভারের হেমায়েতপুরে অবস্থিত চামড়া শিল্পনগরীতে স্থানান্তর করা হয়েছে। ২০১৭ সালে হাই কোর্টের নির্দেশের পর হাজারীবাগের ট্যানারিগুলোর গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে স্থানান্তর কার্যকর করা হয়।

    চট্টগ্রাম-১৫ আসনের শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ ও কন্টেইনার হ্যান্ডেলিংয়ের জন্য আধুনিক ইক্যুইপমেন্ট সংযোজন ও বন্দর ব্যবস্থাপনা গতিশীল করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে জাহাজের গড় টার্নআরাউন্ড সময় ইতোমধ্যে হ্রাস পেয়েছে। ভবিষ্যতে আরো হ্রাস পাবে বলে আশা করা যায়। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে বে-টার্মিনাল চালু হবে বলে মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

    চাপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের নুরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ঐতিহ্যবাহী ‘গম্ভীরা’ পরিবেশনা নিয়ে ভবিষ্যতে ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে নমিনেশন ফাইল তৈরির বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে জাতীয় বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐহিত্যের ইনভেন্টরিতে তালিকাভূক্ত করা হয়েছে।

    সংরক্ষিত আসনের নিলোফার চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, দেশে গেজেটভুক্ত ৫০টি নৃ-গোষ্ঠী এবং অন্যান্য নৃ-গোষ্ঠীসহ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মোট জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯ জন। যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক শতাংশ।

  • সিংড়ায় বৃদ্ধার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধারের রহস্য উন্মোচন, ছেলে ও নাতি গ্রেফতার

    সিংড়ায় বৃদ্ধার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধারের রহস্য উন্মোচন, ছেলে ও নাতি গ্রেফতার

    নাটোরের সিংড়ায় নিখোঁজের ১৫ দিন পর মারিয়া বেগম শরিফা (৭৫) নামে বৃদ্ধার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধারের সহস্য উন্মোচনের দাবি করেছে পুলিশ। ওই বৃদ্ধাকে হত্যা করে লাশ গুমের অভিযোগে মামলা করেছেন তার মেয়ে মর্জিনা বেগম। এ মামলায় নিহতের মেজ ছেলে জনাব আলী (৫৫) ও নাতি আল আমিনকে (২৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    বুধবার (১০ জুন) দুপুরে সিংড়া থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নাটোর জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ শরিফুল হক এসব তথ্য জানান।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে সিংড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূর মোহাম্মদ আলী, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম ও পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    নিহত বৃদ্ধা শরিফা উপজেলার শেরকোল ইউনিয়নের আগপাড়া শেরকোল গ্রামের মরহুম মোজাহার আলির স্ত্রী।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ মে বাড়ির সীমানায় টয়লেটের একটি গর্ত করা নিয়ে নিহত বৃদ্ধার বড় ছেলে শহিদুল ইসলামের সাথে মেজ ছেলে জনাব আলির কথা কাটাকাটি হয়। সেই সময় মা মারিয়া বেগম শরিফা বড় ছেলে শহিদুলের পক্ষ নেন। এতে মায়ের ওপর ক্ষিপ্ত হয় মেজ ছেলে জনাব আলি। এ ক্ষোভ থেকে ২৫ মে রাত ৯টার দিকে জনাব আলী তার মাকে গলা টিপে হত্যা করে টয়লেটের সেই গর্তেই মায়ের লাশ ফেলে স্লাব দিয়ে ঢেকে দেয়।

    হত্যার ১০ দিন পর ৪ জুন লাশ থেকে দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করলে গভীর রাতে গর্ত থেকে মায়ের লাশ তুলে বস্তাবন্দি করে বাড়ির পাশের একটি কচুরিপানার ডোবায় ফেলে দেয়। লাশ গুমের এ কাজে জনাব আলিকে সহযোগিতা করেন তার ছেলে আল আমিন।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) বাড়ির পাশের ডোবা থেকে ওই বৃদ্ধার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে নিহতের চার ছেলে ও স্বজনদের থানায় এনে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে গ্রেফতার দুই আসামি হত্যাকাণ্ড ও লাশ গুমের কথা স্বীকার করে।

    সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের মেয়ে মর্জিনা বেগম থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে নিহত বৃদ্ধা মেজ ছেলে জনাব আলি ও নাতি আল আমিনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

  • হাম ও উপসর্গে প্রাণ গেল আরো ৮ শিশুর

    হাম ও উপসর্গে প্রাণ গেল আরো ৮ শিশুর

    দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নতুন করে হাম শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৯ জনের।

    বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ সময় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৯৪৫ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৮২ হাজার ২৯ জন। আর নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৯৪ জন, গত ১৫ মার্চ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা নয় হাজার ৯২৭ জন।

    গত ১৫ মার্চ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৬ হাজার ৯৯৯ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৬৩ হাজার ১৪৫ জন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আট জনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ১০ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৫৪৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

  • দক্ষিণ আফ্রিকায় ভয়াবহ বন্দুক হামলা, নিহত ১২

    দক্ষিণ আফ্রিকায় ভয়াবহ বন্দুক হামলা, নিহত ১২

    দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের একটি অনানুষ্ঠানিক বসতিতে বন্দুকধারীদের অতর্কিত গণগুলিবর্ষণে অন্তত ১২ জন নিহত এবং আরও ৯ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১০ জুন) গভীর রাতে ক্লিভল্যান্ড শহরতলির ‘জাম্পার্স ইনফরমাল সেটেলমেন্ট’-এ এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে।

    ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকা জুড়ে ব্যাপক তল্লাশি ও খুনিদের ধরতে বড় ধরনের অভিযান শুরু করেছে দক্ষিণ আফ্রিকার পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় জড়িত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।

    পুলিশের জানায়, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ১০ মিনিটের দিকে ভারী রাইফেলে সজ্জিত অন্তত ১০ জন সশস্ত্র অপরাধী একটি সাদা রঙের টয়োটা কোয়ান্টাম গাড়িতে করে ক্লিভল্যান্ডের একটি পেট্রোল পাম্পের সামনে এসে নামে। এরপর তারা দুই দিক থেকে ওই অনানুষ্ঠানিক বসতিটিতে প্রবেশ করে বিভিন্ন স্থানে সাধারণ মানুষের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে।

    হামলা শেষে তারা একই গাড়িতে করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। গুলিবর্ষণের ঘটনায় ৮ জন পুরুষ ও ৩ জন নারী ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং পরবর্তীতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। এছাড়া গুলিবিদ্ধ আরও ৯ জনকে চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    পুলিশ এই ঘটনাকে ‘হৃদয়হীন’ এবং ‘বর্বর’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। হামলার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া না গেলেও স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, ওই এলাকায় বসবাসকারী অবৈধ খনি শ্রমিকদের দলগত কোন্দল বা আধিপত্য বিস্তারের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।

    জোহানেসবার্গের প্রাদেশিক পুলিশ কমিশনার লেফটেন্যান্ট জেনারেল টমি মথোমবেনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের জানান, হামলার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে। তবে এই বসতিটি একটি অবৈধ খনি অঞ্চলের পাশে অবস্থিত হওয়ায় অবৈধ খনির সঙ্গে এর সংযোগ থাকার বিষয়টি তদন্তকারীরা উড়িয়ে দিচ্ছেন না।

    পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলতি বছরের শুরুর দিকে দেশটির প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা কিছু এলাকায় অবৈধ খনির কার্যক্রম বন্ধ করতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছিলেন। বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ হত্যাকাণ্ডের হারের দেশ দক্ষিণ আফ্রিকায় বৈধ অস্ত্রের পাশাপাশি লাখ লাখ অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের ছড়িয়ে পড়া এই ধরনের সহিংসতাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।

  • চুয়াডাঙ্গায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলার এজাহারভুক্ত আসামিসহ গ্রেফতার ৪

    চুয়াডাঙ্গায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলার এজাহারভুক্ত আসামিসহ গ্রেফতার ৪

    বিডি টািইমস ডেস্ক,

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত মামলার এক আসামিসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    বুধবার (১০ জুন) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করা হয়।

    গ্রেফতারদের মধ্যে রয়েছেন আন্দুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম।

    পুলিশ জানিয়েছে, তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

    এদিকে পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে আরো তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন আলমগীর মণ্ডল (৩০), মো: আকরাম হোসেন (২৯) ও মো: আখের আলী (৫৫)। তাদের বিরুদ্ধে জীবননগর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

  • এপস্টেইনের কাছে তরুণীদের পাঠাতেন মডেলিং এজেন্ট

    এপস্টেইনের কাছে তরুণীদের পাঠাতেন মডেলিং এজেন্ট

    আর্ন্তেজাতিক ডেস্ক:

    কুখ্যাত মার্কিন যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের চক্রের কাছে তরুণী ও মডেলদের পাঠানোর পেছনে ফরাসি মডেলিং এজেন্ট জঁ-লুক ব্রুনেলের ভূমিকা নিয়ে এক নতুন অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।

    এক সময়ের নামকরা মডেলিং এজেন্সি ‘এমসি২ মডেলস’-এর প্রতিষ্ঠাতা ব্রুনেল কেন এবং কীভাবে উঠতি মডেল ও অল্পবয়সি তরুণীদের এপস্টিনের মতো একজন অপরাধীর ব্যক্তিগত লালসার শিকার হতে পাঠাতেন, তা নিয়ে দীর্ঘ অনুসন্ধান চালিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

    দীর্ঘদিন আইনি লড়াই ও জনসম্মুখের আড়ালে থাকার পর এখন ব্রুনেল এবং তার সহযোগীরা সেই অন্ধকার অধ্যায়ের ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করছেন, যা এই প্রতিবেদনে বিশদভাবে উঠে এসেছে।

    দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের অনুসন্ধানে জানা যায়, মডেলিং শিল্পে নিজের প্রভাব খাটিয়ে ব্রুনেল মূলত ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন দেখা তরুণীদের প্রলোভন দেখাতেন। আন্তর্জাতিক ফ্যাশন জগতে প্রতিষ্ঠিত করার টোপ দিয়ে তিনি এই মেয়েদের জেফরি এপস্টেইনের ব্যক্তিগত বিমান, বিলাসবহুল দ্বীপ এবং ম্যানহাটনের ম্যানশনে পাঠাতেন। এপস্টেইন এই মডেলিং এজেন্সিতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছিলেন, যার সুবাদে ব্রুনেল তার ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য টিকিয়ে রাখতে তরুণীদের এক প্রকার পণ্য হিসেবে এপস্টেইনের কাছে সরবরাহ করতেন বলে তদন্তে প্রকাশ পেয়েছে। ভুক্তভোগী বেশ কয়েকজন মডেল জানিয়েছেন, তারা ভাবতেও পারেননি যে একটি নামী এজেন্সির মাধ্যমে এসে তারা এমন ভয়াবহ যৌন নিপীড়নের ফাঁদে পড়বেন।

    দীর্ঘদিন ধরে এসব অভিযোগ অস্বীকার করার পর, বর্তমান আইনি চাপ ও নতুন প্রমাণের মুখে ব্রুনেল ও তার আইনজীবীরা এই কাজের পক্ষে নতুন যুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তাদের দাবি, এপস্টেইনের আসল অপরাধমূলক নেটওয়ার্ক বা তার অন্ধকার জগত সম্পর্কে ব্রুনেল সম্পূর্ণ অন্ধকারেই ছিলেন। তিনি কেবল একজন ধনী বিনিয়োগকারীকে খুশি রাখতে এবং মডেলদের স্পনসরশিপের ব্যবস্থা করতেই তাদের এপস্টিনের সাথে দেখা করতে পাঠিয়েছিলেন।

    তবে ওয়াশিংটন পোস্টের হাতে আসা বিভিন্ন গোপন নথি, চিঠি এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দি ব্রুনেলের এই নির্দোষ সাজার দাবিকে নাকচ করে দিচ্ছে। নথিপত্রে দেখা গেছে, তরুণীদের ওপর এপস্টেইনের আচরণের ধরন সম্পর্কে ব্রুনেল শুধু অবগতই ছিলেন না, বরং অনেক ক্ষেত্রে তিনি নিজেই এই প্রক্রিয়ার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন।

    জেফরি এপস্টেইনের মৃত্যুর পরও তার তৈরি সেই আন্তর্জাতিক যৌন পাচার ও শোষণ চক্রের পেছনে কারা মূল মদদদাতা হিসেবে কাজ করেছিল, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে তদন্ত চলছে। দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এই প্রতিবেদনটি প্রমাণ করে যে ফ্যাশন ও মডেলিং জগতের ভেতরের কিছু প্রভাবশালী মানুষ কীভাবে ক্ষমতা ও অর্থের লোভে তরুণীদের জীবন ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছিল।

    এই চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁসের পর মডেলিং এজেন্সির আড়ালে চলা এই অনৈতিক চক্রের সাথে জড়িত অন্যান্য অপরাধীদেরও বিচারের আওতায় আনার দাবি আরও জোরালো হচ্ছে।

  • চৌগাছায় পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস

    চৌগাছায় পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস

    চৌগাছা (যশোর)সংবাদদাতা

    যশোরের চৌগাছায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে এক দিনের পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) দিনব্যাপী কৃষি অধিদপ্তরের চৌগাছা উপজেলা অফিসের প্রশিক্ষণ কক্ষে এ ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রকল্পের আওতায় এ পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোশাব্বির হুসাইন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম। প্রধান আলোচক ছিলেন কৃষি অধিদপ্তরের যশোর অঞ্চলের উপ-পরিচালক মোশারফ হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন কৃষি অধিদপ্তরের যশোর অঞ্চলের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার সাজ্জাদ হুসাইন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জি এম এ মুনীব, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা এ জেড এম ওবাইদুল্লাহ, উপজেলা প্রাণী স¤পদ কর্মকর্তা আনোয়ারুল করিম, চৌগাছা থানার ওসি মামুনুর রশিদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এএসএম বজলুর রশিদ, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান, সমাজসেবা অফিসার মেজবাহ উদ্দিন প্রমুখ।

    কংগ্রেসে কৃষি অধিদপ্তরের বিভিন্ন স্কুল থেকে ৭০ জন কৃষক কৃষাণী অংশ গ্রহণ করেন।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোশাব্বির হুসাইন বলেন, এ উপজেলায় ৮২ টি কংগ্রেসে কৃষি অধিদপ্তরের পার্টনার ফিল্ড স্কুল করা হবে। ইতি মধ্যে ৪২ টি কংগ্রেসে কৃষি পার্টনার ফিল্ড স্কুলের কাজ শেষ হয়েছে।

  • চুয়াডাঙ্গায় অনুপ্রবেশ ঠেকাতে রাতেও স্থানীয়দের নিয়ে সতর্ক বিজিবি

    চুয়াডাঙ্গায় অনুপ্রবেশ ঠেকাতে রাতেও স্থানীয়দের নিয়ে সতর্ক বিজিবি

    অবৈধভাবে কোনো যাচাই বাছাই ছাড়াই নির্বিচারে বাংলা ভাষাভাষীদের বাংলাদেশী আখ্যা দিয়ে অমানবিক আচরণকরে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) রাতের আঁধারে তাদের এদেশে ঠেলে দিচ্ছে। এতে নিদারুণ কষ্ট পোহাচ্ছে ওই মানুষগুলো।

    বিজিবি’র সাথে স্থানীয় বাসিন্দারা রাত জেগে সীমান্ত পাহারা দিচ্ছে। বিজিবি হ্যান্ড মাইক যোগে অবৈধ অনুপ্রবেশের বিষয়ে প্রচার চালাচ্ছে।

    সীমান্তের ১৫০ গজের ভেতর কেউ যেনো অবস্থান না নেয়, সে ব্যাপারে সতর্ক করা হচ্ছে।

    চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক ও অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান জানান, সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পারাপার প্রতিরোধে বিজিবি টহল অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বিজিবি’র কাজে সহযোগীতা করছে।

    মহেশপুর-৫৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক ও অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল আলম জানান, বিজিবি রাতদিন সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে কাজ করছে। এ কাজে স্থানীয় বাসিন্দারা যথেষ্ট কাজ করছে।

  • পাকিস্থানের হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ২৬

    পাকিস্থানের হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ২৬

    আন্তজাতিক ডেস্ক:

    আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে বুধবার (১০ জুন) অতর্কিত বিমান হামলা চালানোর তথ্য নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান। দেশটি দাবি করেছে, হামলায় ২৬ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তবে এর আগে আফগানিস্তানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের হামলায় ১৩ জন বেসামরিক নিহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। খবর খামা প্রেস নিউজ এজেন্সির।

    পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আফগানিস্তানে চালানো বিমান হামলায় নিষিদ্ধঘোষিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) ২৬ জন সদস্য নিহত হয়েছে। দেশটি দাবি করেছে, জঙ্গিদের স্থাপনা লক্ষ্য করে সীমান্তের কাছে গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযান চালানো হয়েছে।

    পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আত্তাউল্লাহ তারার বলেছেন, ইসলামাবাদের ভিতরে সিরিজ হামলার জবাবে আফগানিস্তানে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি বলেছেন, এই অভিযানে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, গোপন আস্তানা, গোলাবারুদের ডিপো এবং টিটিপির দুই কমান্ডারের সঙ্গে সম্পৃক্ত স্থাপনাসহ চারটি স্থানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

    এর আগে তালেবানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে কুনার, খোস্ত এবং পাকতিকা প্রদেশে বোমা হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানি বাহিনী। তালেবানের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেন, পাকিস্তানের এসব হামলায় ১৩ জন বেসামরিক নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জনই শিশু, একজন নারী এবং আরেকজন বৃদ্ধ। এ ছাড়া হামলায় আরও ১৪ জন আহত হয়েছে।

    আফগানিস্তানে হামলার তথ্য নিশ্চিত করলেও বেসামরিক হতাহতের তথ্য সম্পর্কে তালেবানের দাবি নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি পাকিস্তান।তালেবান কর্মকর্তারা এই হামলাকে আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে নিন্দা করেছেন এবং আবাসিক এলাকা লক্ষ্য করে হামলা চালানোর জন্য পাকিস্তানকে অভিযুক্ত করেছেন।

    সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। এতে দেশ দুইটির সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সর্বশেষ এই হামলার ঘটনায় ইসলামাবাদ ও কাবুল প্রশাসনের মধ্যে উত্তেজনা ফের চরমে পৌঁছেছে।

  • পাকিস্তানে সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সকল আরোহী নিহত

    পাকিস্তানে সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সকল আরোহী নিহত

    পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এভিয়েশন শাখার একটি এমআই-১৭ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে ওই হেলিকপ্টারে থাকা সকল আরোহী নিহত হয়েছেন। দেশটির আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ অধিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর ডনের।
    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বুধবার উড্ডয়নের সময় কারিগরি ত্রুটির কারণে মুজাফফরাবাদের কাছে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। এরপর ঘটনাস্থলে দ্রুত উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছান। হেলিকপ্টারে থাকা সকল আরোহী নিহত হয়েছেন।

    তবে হেলিকপ্টারে মোট কতজন আরোহী ছিলেন এবং তারা কারা ছিলেন- সেই সম্পর্কে কোনো তথ্য দেয়নি আইএসপিআর।

    আইএসপিআর জানায়, এই দুর্ঘটনাটির সঠিক কারণ জানতে তদন্ত বোর্ড গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান (সিডিএফ) ও সেনাবাহিনী প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং সেনাবাহিনীর সকল পদমর্যাদার সদস্য এই মর্মান্তিক প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। সেই সঙ্গে তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন

  • নিঃসঙ্গ মমতা ছুটলেন সোনিয়ার কাছে

    নিঃসঙ্গ মমতা ছুটলেন সোনিয়ার কাছে

    পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পর বিধানসভা এবং সংসদে ব্যাপক বিদ্রোহের মুখে পড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের একচ্ছত্র নেত্রী এবং পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিঙয় মমতা কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর কাছে গিয়েছেন। তবে মঙ্গলবার সংবাদ বৈঠকে বিদ্রোহীদের আক্রমণ করে মুখ খুলেছেন মমতা অনুগত সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন সাংসদ কীর্তি আজাদ।

    দলের মধ্যে বিদ্রোহ প্রসঙ্গে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় মঙ্গলবার বলেন, “ওরা (বিদ্রোহী সাংসদরা) ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে গিয়েছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও সেখানে গিয়েছিলেন, এর মানে হলো ওরা বিজেপিতে যোগ দিয়েছে। ওরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাদ দিয়ে নরেন্দ্র মোদিকে নেতা বানিয়েছে।” কল্যাণের আক্রমণের জবাব দিয়েছেন বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম ‘মুখ’ কাকলি ঘোষ দস্তিদারও।

    বিদ্রোহী নেতাদের এনডিএ-তে যোগ দেয়ার পদক্ষেপে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ভারতীয় জনতা পার্টিকে কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেন, “আপনাদের (বিজেপি) কাছে মুখ্যমন্ত্রী, ইডি, সিবিআই এবং অন্যান্য ক্ষমতা আছে, কিন্তু আমার আছে ‘মা, মাটি, মানুষ’, আমার দল, আমার দলের কর্মীরা এবং পশ্চিমবঙ্গের মানুষ।” বিদ্রোহী হওয়া তারকা সাংসদদেরও নিশানা করে তিনি বলেন, “ফিল্মস্টাররা সব ভিনদেশি তারা। এদের ধারণা হলো, যেহেতু পাবলিক আমাদের দেখে দৌড়ে আসে, সংসদে সবাই আমাদের পেছন পেছন দৌড়ে যাবে।

    এদিকে বিদ্রোহী তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের দাবি- দুর্নীতি থেকে শুরু করে দলনেত্রীর নাগাল না পাওয়া পর্যন্ত, বছরের পর বছর ধরে অসংখ্য সমস্যা জমে উঠেছিল এবং এমন এক অসন্তোষ তৈরি করেছিল যা এখন মমতার নেতৃত্বাধীন দলটিকে তাড়া করে ফিরছে।

    চারবারের সাংসদ ও বিদ্রোহীদের অন্যতম মুখ শতাব্দী রায়, যিনি ২০০৯ সাল থেকে মমতার পাশে রয়েছেন, দাবি করেছেন, সাবেক মুখ্যমন্ত্রী- যিনি ‘দিদি’ নামে জনপ্রিয়-সমপ্রতি “বদলে গেছেন”, এই পরিবর্তনটি তিনি ভালোভাবে নেননি। রায় আরও বলেন যে, মানুষ প্রায়ই জিজ্ঞাসা করে কেন তারা আগে এই বিষয়গুলোতে চুপ ছিলেন এবং কেবল যখন দল সবচেয়ে দুর্বল অবস্থায় আছে, তখনই কেন বিষয়টি উত্থাপন করছেন। তিনি বলেন, “এর কারণ হলো, এখন সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। তৃণমূল ক্ষমতায় থাকাকালীন কী হয়েছিল তা আমরা দেখেছি। আমি এখনকার পরিস্থিতি বুঝতে পারছি, কিন্তু আমাকে এটা আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষের জন্য করতে হবে।”

    এ.জেড

  • ইরানকে এখন চরম মূল্য দিতে হবে-ট্রাম্প

    ইরানকে এখন চরম মূল্য দিতে হবে-ট্রাম্প

    ইরানকে নিয়ে নতুন করে কড়া হুঁশিয়ার বার্তা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরানের জন্য দারুণ হতে পারতো এমন একটি চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে তারা অনেক বেশি সময় নিয়েছে, এখন তাদের মূল্য দিতে হবে।

    তবে কী মূল্য দিতে হবে- তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
    তিনি দাবি করেছেন যে, ইরানের সামরিক বাহিনী পুরোপুরি বিশৃঙ্খল অবস্থায় এবং দেশটির নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর মতো এই বাহিনীর এখন আর কোনো অস্তিত্ব নেই।

    বুধবার নিজের মালিকাধীন ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প এসব বার্তা লিখেছেন। তিনি আরও বলেন, তারা পুরোপুরি পরাজিত হয়েছে। ইরান শুধু কথার বুলি ছাড়ে, কাজ করে না। মধ্যপ্রাচ্যে তাদের গুণ্ডামি শেষ।#

  • আপনি গুলি করলে আমি বসে থাকবো? বিএসএফকে বিজিবি

    আপনি গুলি করলে আমি বসে থাকবো? বিএসএফকে বিজিবি

    জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তে এক বৃদ্ধকে পুশইনের চেষ্টা করাকে কেন্দ্র করে সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বিএসএফের গুলির নির্দেশে বিজিবির পাল্টা হুঁশিয়ারি ‘আমাদেরও গুলি আছে, আমরা বসে থাকবো নাকি।’

    বুধবার সকাল ৫টার দিকে জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তে এক বৃদ্ধকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালায় ভারতের নন্দীরচর বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা।

    বিষয়টি টের পেয়ে জামালপুর ৩৫ বিজিবির সদস্য ও স্থানীয়রা প্রতিরোধ করে। বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান নেয় ৬০ বছর বয়সি ওই ব্যক্তি।

    এরপর ৩০মিনিট বিজিবি ও বিএসএফের মধ্য পতাকা বৈঠক করেও নাগরিকত্বহীন ওই ব্যক্তিকে ফিরিয়ে না নেওয়ায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্য শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। এক পর্যায়ে ওই বৃদ্ধকে বিএসএফ ধাক্কা দিয়ে বাংলাদেশর দিকে দিলে বিজিবি পাল্টা ধাক্কা দিয়ে ভারত সীমান্তে পাঠিয়ে দেয়। এসময় বিএসএফের সুবেদার গুলি করতে বললে বিজিবি সদস্যরা পাল্টা গুলি করার হুশিয়ারি দেয় যে ‘আমাদেরও গুলি আছে আমরা বসে থাকবনা, গুলি করবেন মানে? গুলি করতে বললেন কেন? একই সময়ে বিজিবির সাথে স্থানীয় এলাকাবাসীও চিৎকার দিয়ে লাঠি নিয়ে হুঁশিয়ারি দেয় বিএসএফকে। বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পেরে নো ম্যান্স ল্যান্ডে এখনো অবস্থান করছে ওই ব্যক্তি। এনিয়ে সীমান্তে বিএসএফ ও বিজিবির মধ্যে উত্তেজনা চলমান রয়েছে।

    জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল হাসানুর রহমান জানান, সকালে এক ব্যক্তিকে ভারত থেকে শুন্য রেখায় ঠেলে পাঠায় বিএসএফ। কিন্তু বিজিবি এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে তা প্রতিরোধ করে। বিষয়টি সমাধানে বৈঠকের মাধ্যমে চেষ্টা করা হলেও এখনো সমাধান হয়নি। তবে পুশইন ঠেকাতে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে।

  • মানহীন খাবার সরবরাহের দায়ে গ্রেফতার দুই

    মানহীন খাবার সরবরাহের দায়ে গ্রেফতার দুই

    শিক্ষা ডেস্ক:

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্কুল ফিডিং (মিড ডে মিল) প্রকল্পে অনিয়ম ও মানহীন পচা খাবার সরবরাহের জড়িত থাকার দায়ে এএফএম আহসানুল হাবিব (৫১) ও মো. নুরুজ্জামান (৪৩) নামে দু’জন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (৮ জুন) মাদারীপুর পৌরসভার চাঁদমারি এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সত্যতা পাওয়ায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এএফএম আহসানুল হাবিবের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলায় ও মো. নুরুজ্জামানের বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায়। অনিয়মে জড়িত প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রেক্ষিতে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।

    গ্রেফতারকৃতরা সমতা ট্রেডার্স নামক প্রতিষ্ঠান দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে স্কুল ফিডিং প্রকল্পের আওতায় শিক্ষার্থীদের জন্য খাদ্য সরবরাহ কার্যক্রমের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নষ্ট ও খাবার অযোগ্য খাদ্যসামগ্রী সরবরাহের ঘটনায় তাদের ভূমিকা ও দায়-দায়িত্বের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ তাদেরকে গ্রেফতার করে।

    উল্লেখ্য, মাদারীপুর সদর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার কয়েকটি স্কুলে মিড ডে মিলের খাবার খেয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিষয়টি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত হয়। এরপর সরকার এ বিষয়ে দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ বিষয়ে সিভিল সার্জনকে অন্তর্ভুক্ত করে কমিটি গঠনের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও মাদারীপুরের জেলা প্রশাসককে অনুরোধ করেন। তিনি অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণেরও অনুরোধ জানান।

  • কী থাকবে যুক্ত হওয়া চার নতুন বইয়ে

    কী থাকবে যুক্ত হওয়া চার নতুন বইয়ে

    শিক্ষা ডেস্ক:

    ২০২৮ খ্রিষ্টাব্দ থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে নতুন শিক্ষাক্রম চালুর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার। সেখানে নতুন আরও চারটি বিষয় যুক্ত করা হবে।সেগুলো হলো– আনন্দময় শিক্ষা, খেলাধুলা, সংস্কৃতি এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা।

    শিক্ষার্থীদেরকে ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয় দু’টি চতুর্থ শ্রেণি থেকেই বাধ্যতামূলকভাবে পড়তে হবে। আর মাধ্যমিক স্তরে পা রাখার পর, অর্থাৎ ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে তাদেরকে ‘কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা’ এবং ‘আনন্দময় শিক্ষা’ বা ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ পড়তে হবে।

    এক প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ খেলাধুলা ও সংস্কৃতি বিষয় দু’টো নিয়ে সরকারের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বলেন, স্কুলে স্কুলে বিভিন্ন খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চা চালু থাকলেও এগুলোর কোনোটিই বর্তমান শিক্ষাক্রমের অংশ না এবং আগেও কখনও ছিল না। কিন্তু ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সবসময় শিক্ষাক্রমে থাকা উচিৎ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেজন্যই সরকার যত শিগগির সম্ভব এই বিষয় দু’টোকে শিক্ষাক্রমে যুক্ত করবে।

    তবে নানাবিধ সীমাবদ্ধতার কারণে সবগুলো বিষয় প্রথম দিন থেকেই কার্যকর করতে পারবে না সরকার। যেমন, আমরা প্রাথমিকে আটটি খেলা যুক্ত করতে চাই। কিন্তু একবারে এটি সম্ভব না। তাই, আমরা চেষ্টা করবো অন্তর দুই-তিনটি খেলাকে যোগ করতে, বলেন তিনি।

    অর্থাৎ, আপাতত ফুটবল, দাবাকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। বাকিগুলো পরে যোগ করা হবে।

    অবশ্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন জানিয়েছেন, ক্রিকেটকেও এখন থেকেই যুক্ত করা যেতে পারে। সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও তাই। গান, আবৃত্তি, বিতর্ক, উপস্থিত বক্তৃতা্র মতো বিষয়গুলো থাকবে।

    তবে সংস্কৃতি বিষয়টিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এক. পারফরমেটিভ। দুই. এক্সপ্রেসিভ।

    গান, নাচ, বক্তৃতা, পেইন্টিং, সাহিত্য ইত্যাদি থেকে শিক্ষার্থীরা বাছাই করতে পারবে যে সে কোনটি নিবে। পাইলটের পরে এগুলো পরিবর্তন হবে, বলেন ববি হাজ্জাজ।

    পারফরমেটিভ বলতে বোঝানো হচ্ছে যে শিক্ষার্থীরা কোনো শিল্প বা সাংস্কৃতিক কাজ সরাসরি পরিবেশন করবে। অর্থাৎ, শিক্ষার্থীকে অন্যদের সামনে নিজের দক্ষতা প্রদর্শন করতে হয়। আর এক্সপ্রেসিভে মঞ্চে পরিবেশনের চেয়ে নিজের ভাবনা বা অনুভূতি প্রকাশের বিষয়টি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে মূল বিষয় হলো সৃজনশীলভাবে নিজেকে প্রকাশ করা।

    ‘কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা’ কী? জানতে চাইলে মাহ্দী আমিন বলেন, কারিগরি শিক্ষাকে সমাজের চোখে ভিন্ন চোখে দেখা হয়। এই ধারণা ভেঙ্গে আমরা এটিকে মূলধারার শিক্ষায় আনতে চাই। আমরা চাই, বাংলাদেশের সব স্কুলে যেন একটি করে কারিগরি ল্যাব থাকে।

    এতে করে পুঁথিগত বিদ্যার পাশাপাশি ব্যবহারিক শিক্ষাটা সুনিশ্চিত করা যাবে বলে মত তার।

    এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সব শিক্ষার্থীর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া একমাত্র পথ নয়। অনেক শিক্ষার্থী যদি স্কুল পর্যায় থেকেই কারিগরি ও বৃত্তিমূলক দক্ষতা অর্জন করে, তাহলে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে না গিয়েও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে এবং স্বাবলম্বী হতে পারবে।

  • আমরা কেন ফল খাব

    আমরা কেন ফল খাব

    সৃষ্টির পর থেকেই ফল মানুষের খাদ্যতালিকায় অতি প্রয়োজনীয় পদার্থ হিসেবে স্বীকৃত হয়ে আসছে। বর্তমান সময়ে যখন অস্বাস্থ্যকর খাবার নানা রোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তখন ফলের গুরুত্ব আরো বেড়েছে। তাই আজ থেকেই আমরা ফল খাওয়ার উপকারিতা জানার মাধ্যমে আমাদের জীবনকে আরো সুখময় এবং স্বাস্থ্যকর করে তুলব।

    ফল খাওয়ার উপকারিতা : প্রতিটি ফলেই ভিন্ন ভিন্ন পুষ্টি উপাদান থাকে, যা বিভিন্ন উপায়ে আমাদের শরীরের উপকার করে। ফল হলো প্রাকৃতিক ভিটামিন, মিনারেল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উৎকৃষ্ট উৎস। যেমন : কমলালেবু ও আমলায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে সহায়ক হিসেবে কাজ করে। কলা এবং আঙুরে প্রচুর পটাসিয়াম থাকে, যা হৃৎপিণ্ডের সবলতা বজায় রাখে। আপেল, পেয়ারা এবং বেরিজাতীয় ফলে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা হজম প্রক্রিয়ায় সহায়ক এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে।

    হৃদরোগ প্রতিরোধে : ফল খাওয়ার মাধ্যমে হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো যায়। ব্লুবেরি ও স্ট্রবেরি এবং আঙুরে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া, পেয়ারায় থাকা লাইকোপিন হৃদরোগ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

    ওজন নিয়ন্ত্রণে : ফল সাধারণত কম ক্যালোরিযুক্ত এবং প্রচুর পরিমাণে পানি ও ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায়, এটি ক্ষুধা নিবারণ করতে সাহায্য করে। ফল খাওয়ার মাধ্যমে অতিরিক্ত ক্যালোরি গ্রহণের ঝুঁকি কমে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। যেমন : তরমুজ ও স্ট্রবেরির মতো ফলগুলোয় ক্যালোরি কম এবং পানির পরিমাণ বেশি থাকায় এটি শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হয়।

    রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে: ফলে থাকা ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, এবং অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। বিশেষ করে, কমলালেবু, পেয়ারা এবং কিউই ফলে ভিটামিন সি প্রচুর পরিমাণে থাকে, যা শরীরকে ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষা করে এবং ঠান্ডা-কাশি থেকে বাঁচাতে সহায়ক।

    হজমে সহায়ক : ফল খাওয়ার ফলে হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয়। আপেল, পেয়ারা, পেঁপে এবং আমলকীর মতো ফলগুলোয় থাকা ফাইবার হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে। পেঁপে এবং আমলকীর মধ্যে থাকা এনজাইম হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে এবং পেটের সমস্যা কমায়।

    ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় রাখা : ফল ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষা এবং উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। তরমুজ, কমলালেবু এবং পেঁপেতে থাকা ভিটামিন এ এবং সি ত্বককে উজ্জ্বল ও মসৃণ রাখতে সহায়ক। এছাড়া, বেরি-জাতীয় ফলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বকের বলিরেখা প্রতিরোধ করে।

    দেহের পানিশূন্যতা দূর করা : ফল শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে। তরমুজ, শসা, এবং তালের মতো ফলে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে, যা শরীরকে আর্দ্র রাখে এবং গরমের দিনে পানির অভাব পূরণ করে।

    সার্বিকভাবে ফল আমাদের শরীরের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে, যা আমাদের সুস্থতা এবং দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সহায়ক। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ফল যুক্ত করলে শরীরের পুষ্টি চাহিদা পূরণ হয় এবং বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

  • ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভুল তথ্য

    ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভুল তথ্য

    অর্থনীতি ডেস্ক:

    জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংকের পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প (আরডিএস) নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদনের বড় গরমিল পাওয়া গেছে। সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেছেন, এই প্রকল্পের আওতায় ২২ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে এবং এর মধ্যে একটি বড় অংশের কোনো হদিস নেই। তবে ব্যাংকের সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, আরডিএস প্রকল্পের মোট ঋণ স্থিতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবির তিন ভাগের এক ভাগেরও কম।

    মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প (আরডিএস) ইসলামী ব্যাংকের একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প আছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ২২ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। আগে ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। ৫ আগস্টের পর নির্বাচনী বৈতরণি পার হওয়ার জন্য আরও ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, যেসব টাকার কোনো হদিস নেই।

    তবে ইসলামী ব্যাংকের ২০২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই দাবির সঙ্গে বাস্তব চিত্রের কোনো মিল নেই। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সাল শেষে আরডিএস প্রকল্পের মোট ঋণ স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৭৮৯ কোটি টাকা। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২৪ সালে এই ঋণ স্থিতি ছিল ৬ হাজার ৭১২ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক বছরে এই খাতে ঋণ বেড়েছে মাত্র ৭৭ কোটি টাকা বা ১ দশমিক ১৪ শতাংশ।

    প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, বিতরণকৃত এই ঋণের সিংহভাগই আদায় হচ্ছে এবং খেলাপি ঋণের পরিমাণ অত্যন্ত সামান্য। মোট ঋণের মধ্যে খেলাপি হয়ে পড়েছে মাত্র ২৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা। গত বছর শেষে এই খাতের ঋণ আদায়ের হার ছিল ৯৭ দশমিক ৫০ শতাংশ, যা ২০২৪ সাল শেষে ছিল ৯৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, আরডিএস প্রকল্প শুরুর পর থেকে গত বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের ৩৫ হাজার ৩৫২টি গ্রামের ১৭ লাখ ৭৫ হাজার পরিবারকে এই প্রকল্পের আওতায় ঋণ দেওয়া হয়েছে।

  • কক্সবাজারে ডাকাতির পর মা-মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণ

    কক্সবাজারে ডাকাতির পর মা-মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণ

    ডেস্ক নি উজ:

    কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলায় ডাকাতির পর এক গৃহবধূ ও তার স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- রেজাউল, মেহেদী, বাবু, কেফায়েত ও তানজিদ, মোহাম্মদ তারেক। তারা একই উপজেলার বাসিন্দা।

    স্থানীয়রা জানায়, ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশস্ত্র দল ব্যবসায়ীর বাড়ির জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। ব্যবসায়ীর অনুপস্থিতিতে বাড়িতে থাকা তার স্ত্রী ও দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়েকে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে তারা।

    পরে গুরুতর আহত মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    ওই গৃহবধূর ছোট ভাই বলেন, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার ভাগ্নিকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তার শারীরিক অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক।

    ঘটনার খবর পেয়ে চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাশের নেতৃত্বে একাধিক পুলিশ দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করে। মঙ্গলবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে চারজনের বিরুদ্ধে সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।’

  • বাজেটে দাম কমতে পারে যেসব পণ্যের

    বাজেটে দাম কমতে পারে যেসব পণ্যের

    অর্থনীতি ডেস্ক:

    আগামী বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকাল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট উত্থাপন করা হবে। জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেট পেশ করবেন। এ বাজেট পাস হলে এটি হবে দেশের ৫৫তম এবং বর্তমান সরকারের চলতি মেয়াদের ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর প্রথম বাজেট।আসন্ন বাজেটে এবার স্বস্তি মিলতে পারে গৃহিনীর জন্য। এবার বেশ কিছু কিচেন পণ্যের দাম কমতে পারে বাজেটে।

    কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম

    দাম কমতে পারে ব্লেন্ডার, জুসার, মিক্সার, গ্রাইন্ডার, ইলেক্ট্রিক কেটলি, আয়রন, রাইস কুকার, মাল্টি কুকার, প্রেসার কুকারের পাশপাশি সমজাতীয় পণ্য ইলেক্ট্রিক কুকার, ইন্ডাকশন কুকার, ইনফ্রারেড কুকার, ওয়াটার পিউরিফায়ার ও ওয়াটার হিটার/গিজারসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্য।

    বাজেটে কম্পিউটার ব্যবহাকারীরাও পাবেন সুখবর। আসন্ন বাজেটে দাম কমতে পারে কম্পিউটার, প্রিন্টার, মনিটরের। এছাড়া দাম কমতে পারে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তির প্রয়োজনীয় ১৫ পণ্যের।

    চিকিৎসা পণ্যেও দাম কমতে পারে বাজেটে। এই তালিকায় রয়েছে কিডনি ডায়লাইসিস ফিল্টার।

    এর বাইরে দাম কমতে পারে স্বর্ণালঙ্কারেও। আসন্ন বাজেটে স্বর্ণালঙ্কার বিক্রিতে ৫ শতাংশ উৎসে কর কমে হবে দশমিক ৫ শতাংশ।

  • ইসরাইলি কারাগারে ফিলিস্তিনিদের ভয়াবহ নির্যাতন

    ইসরাইলি কারাগারে ফিলিস্তিনিদের ভয়াবহ নির্যাতন

    আর্ন্তজাতকি ডেস্ক:

    ইসরাইলের বিভিন্ন কারাগারে আটক ফিলিস্তিনিদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরার অনুসন্ধানে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

    ইসরাইলি কারাগারে এমন নির্যাতনের শিকার হওয়া মুহাম্মদ আল-বাকরি তেমনি একজন। তাকে যে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়েছিল সেই দিনটির কথা তিনি কোনোভাবেই ভুলতে পারছেন না। দিনটি ছিল ২০২৪ সালের ১০ এপ্রিল, রমজান মাসের শেষে ঈদুল ফিতরের ছুটির সময়।

    বাকরি জানান, এই ঘটনার এক মাস আগে ইসরায়েলি সেনাদের হাতে তিনি গ্রেপ্তার হন। এরপর থেকে গাজার এই সরকারি কর্মকর্তাকে মারধর, নির্যাতন, হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছিল।

    আল-বাকরি বলেন, তাকে আরও সাতজন বন্দির সঙ্গে রাখা হয়েছিল। তাদের সবাইকে বিবস্ত্র করে, চোখে পট্টি বেঁধে ও হাতে হাতকড়া পরানো হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, আমাদের কাপড় খুলে ফেলার পর ধর্ষণ করা হয়েছিল। আমরা আল্লাহ বলে চিৎকার করছিলাম, কিন্তু তারা শুধু হাসছিল আর আমাদের ভিডিও করছিল।

    গাজার এই সরকারি কর্মকর্তা বলেন, বন্দিদের যৌন নির্যাতনের সময় ইসরাইলি রক্ষীরা কুকুরও ব্যবহার করত। তিনি বলেন, কুকুরগুলো কর্মকর্তাদের নির্দেশেই আমাদের আক্রমণ করছিল।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আল-বাকরি তাদের মধ্যে একজন, যারা আল জাজিরার অনুসন্ধানী প্রামাণ্যচিত্র ‘বডিস অব এভিডেন্স: ইসরাইল’স ডার্কেস্ট ওয়েপন’ এর জন্য নিজেদের বন্দিজীবনের অভিজ্ঞতা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছেন।
    এই প্রামাণ্যচিত্রে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর দ্বারা সংঘটিত বলে অভিযোগ ওঠা ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের ঘটনাগুলো তদন্ত করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) বিচারকদের পর্যবেক্ষণ, জাতিসংঘের বিভিন্ন অনুসন্ধান এবং অধিকৃত ফিলিস্তিনের জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদক ফ্রান্সেস্কা আলবানেজের মূল্যায়ন অনুযায়ী, ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলি বাহিনীর যৌন সহিংসতা ও যৌন নির্যাতন ব্যাপক ও পদ্ধতিগত আকার ধারণ করেছে বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

    মানবাধিকার সংস্থা প্যালেস্টিনিয়ান সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস এবং ইউরো-মেড হিউম্যান রাইটস মনিটরসহ বিভিন্ন সংস্থা ফিলিস্তিনি বন্দিদের সাক্ষ্য নথিভুক্ত করেছে, যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে যে ইসরাইলি সেনারা কুকুর ব্যবহার করে যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো সহিংসতা চালিয়েছে।

    ইসরাইলি কারাগারে ফিলিস্তিনিদের যৌন নির্যাতনের অভিযোগ নতুন নয়- এগুলো কয়েক দশক পুরোনো। তবে ২০২৩ সালের অক্টোবরে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের হামলার পর গাজায় গণহত্যা যুদ্ধ শুরু করে ইসরাইল যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে ধর্ষণের ব্যবহার বাড়িয়ে দিয়েছে।

    ২০২৫ সালের মার্চে প্রকাশিত জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে ইসরাইল কর্তৃক যৌন সহিংসতা, প্রজনন-সংক্রান্ত সহিংসতা এবং অন্যান্য লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার ‘পদ্ধতিগত’ ব্যবহার সম্পর্কে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

  • বাড়ছে না বিড়ির দাম

    বাড়ছে না বিড়ির দাম

    অর্থনীতি ডেস্ক:

    আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বিড়ির মূল্য এবং এর ওপর প্রযোজ্য করহার অপরিবর্তিত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান।

    জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরার এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন। সংসদ সদস্য তার প্রশ্নে বিড়ির ওপর সুনির্দিষ্ট হারে কর বৃদ্ধি, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জের হার পুনর্মূল্যায়ন এবং বিড়ির খুচরা মূল্য আরও বাড়ানোর প্রস্তাব করেছিলেন।

    জবাবে অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সরকার আসন্ন বাজেটে বিড়ির ক্ষেত্রে বিদ্যমান মূল্য এবং কর কাঠামোতে কোনো পরিবর্তন না আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফলে গত বছরের ন্যায় আগামী অর্থবছরেও বিড়ির বর্তমান দাম ও করহার বহাল থাকছে।

  • প্রথমবার ১২ পারমাণবিক ওয়ারহেড মোতায়েন করল ভারত

    প্রথমবার ১২ পারমাণবিক ওয়ারহেড মোতায়েন করল ভারত

    ভারতের পারমাণবিক অস্ত্র নীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে বিশ্বের শীর্ষ অস্ত্র পর্যবেক্ষণ সংস্থা স্টকহোম আন্তর্জাতিক শান্তি গবেষণা ইনস্টিটিউট। সংস্থাটির সর্বশেষ প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ভারত প্রথমবারের মতো ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড ‘মোতায়েন’ করেছে। এ সূত্র ধরে মঙ্গলবার সংবাদ প্রকাশ করেছে এনডিটিভি।

    ইনস্টিটিউটটির মতে, এত দিন ভারত তার পারমাণবিক ওয়ারহেড এবং সেগুলো বহনে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র বা অন্যান্য ডেলিভারি সিস্টেম আলাদা স্থানে সংরক্ষণ করত। কিন্তু এবার প্রথমবারের মতো ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারকে শুধু মজুত নয়, বরং ‘অপারেশনালি ডিপ্লয়েড’ বা কার্যকরভাবে মোতায়েন অবস্থায় শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের এই ১২টি নতুন মোতায়েনকৃত ওয়ারহেড সম্ভবত সংশ্লিষ্ট ডেলিভারি সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে অথবা এমন সামরিক ঘাঁটিতে রাখা হয়েছে, যেখানে সেগুলো প্রয়োজনে দ্রুত ব্যবহার করা সম্ভব। এছাড়া ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো এবং নতুন পারমাণবিক সাবমেরিনে প্রস্তুত অবস্থায় অস্ত্র মোতায়েন করা ভারতের পারমাণবিক প্রস্তুতি বৃদ্ধির ইঙ্গিত বহন করে।

    ইনস্টিটিউটটি আরও জানিয়েছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রের মজুত প্রায় ১৯০টিতে পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় সামান্য বেশি। এসব অস্ত্র বিমান, স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী পারমাণবিক সাবমেরিন নিয়ে গঠিত ভারতের ক্রমবিকাশমান ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’-এর অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ভারত একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী পারমাণবিক সাবমেরিনে সীমিত সংখ্যক ওয়ারহেড মোতায়েন করেছে এবং পারমাণবিক প্রতিরোধ সক্ষমতা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে টহল কার্যক্রমও পরিচালনা করেছে

  • আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফনের সময় জানাল ইরান

    আয়াতুল্লাহ খামেনির দাফনের সময় জানাল ইরান

    যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের সময় জানিয়েছে ইরান। খামেনির স্বরণসভায় গঠিত কমিটি জানিয়েছে, মহররমের প্রথম দশ দিন পার হলে জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

    ইরানের আধাসরকারি সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজ বলেছে, কমিটির সদর দপ্তর মঙ্গলবার (০৯ জুন) খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের জানাজা এবং স্মরণসভা নিয়ে দ্বিতীয় বিবৃতি দিয়েছে।

    এতে বলা হয়েছে, সাবেক সর্বোচ্চ নেতার স্বরণ, জানাজা এবং দাফন অনুষ্ঠান মর্যাদাপূর্ণভাবে আয়োজনের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। বিবৃতিতে দেশি ও বিদেশি গণমাধ্যমে এই আয়োজনের সময় ও বিবরণ নিয়ে জল্পনা এবং যাচাইবিহীন প্রতিবেদন প্রচারের বিরুদ্ধে সতর্ক করা হয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইমাম হুসাইনের শোকানুষ্ঠান পালনের বিষয়ে শহীদ নেতার দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে, আশুরার পর মহররম মাসের প্রথম দশ দিন শেষে জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

    কমিটি বলছে, শোকাহতদের যথাযথ পরিষেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও জনপ্রিয় সংগঠনগুলো চূড়ান্ত সময়সূচি ও লজিস্টিক ব্যবস্থাপনার সমন্বয় করছে। অনুষ্ঠান সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সদর দপ্তর থেকে পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে।

    আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি নিহত হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি টানা ৩৬ বছর ছয় মাস এ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

    এ.জেড

  • রাশিয়ার শ্রমবাজারে ১ লাখ কর্মী পাঠাতে চায় বাংলাদেশ

    রাশিয়ার শ্রমবাজারে ১ লাখ কর্মী পাঠাতে চায় বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ ও রাশিয়া জনশক্তিখাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে ব্যাপকভাবে কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে রাশিয়ায় বর্তমানে কর্মরত প্রায় ১০ হাজার বাংলাদেশী কর্মীর সংখ্যা আগামী এক বছরের মধ্যে এক লাখে উন্নীত করার প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা।

    আজ মঙ্গলবার সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাশিয়ায় চলমান তিন দিনের সরকারি সফরে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এই প্রস্তাব দেন।

    বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, রুশ কর্তৃপক্ষ এই প্রস্তাবের ওপর দ্রুততার সাথে কাজ করতে সম্মত হয়েছে এবং উভয়পক্ষই শিগগিরই প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। দুই দেশের আলোচনায় বাংলাদেশ থেকে রাশিয়ায় জনশক্তি রফতানি দশগুণ বাড়ানোর বিষয়টি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উঠে এসেছে।

    জনশক্তি খাতে সহযোগিতার পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য নিয়েও আলোচনা হয়। বাংলাদেশ ও রাশিয়া একমত হয়েছে যে বর্তমান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ সম্ভাবনার তুলনায় অনেক কম এবং তা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো উচিত।

    রাশিয়ায় বাংলাদেশের রফতানিপণ্য বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও ওষুধ সামগ্রীর বাজার বাড়ানোর সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন ড. খলিলুর রহমান। বাণিজ্যের নতুন সুযোগ সন্ধান ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে একটি বাংলাদেশী ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল রাশিয়ায় পাঠানোর প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে রুশ পক্ষ।

    এছাড়া দুই দেশের আলোচনায় প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সংক্রান্ত সহযোগিতা বেশ গুরুত্ব পেয়েছে।

    কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য একটি রুশ প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের প্রস্তাব দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এই প্রস্তাবেও তাৎক্ষণিকভাবে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে রাশিয়া।

    পাশাপাশি বাংলাদেশের জাতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নীতিমালা প্রণয়ন এবং এই খাতে ‘সেন্টার অব এক্সেলেন্স’ বা উৎকর্ষ কেন্দ্র স্থাপনে সহায়তা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে মস্কো।

    ড. খলিলুর রহমান ৭ জুন থেকে রাশিয়া সফরে রয়েছেন। এই সফরে তার সাথে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

  • একনেক সভায় মাদরাসা শিক্ষকদের ইএফটি বেতন প্রসঙ্গ

    একনেক সভায় মাদরাসা শিক্ষকদের ইএফটি বেতন প্রসঙ্গ

    শিক্ষা ডেস্ক:

    শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আজকের একনেক সভায় আমাদের মাদরাসা শিক্ষকদের যে প্রকল্পটি রয়েছে, ইএফটিতে বেতন- সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমাদের প্রিভিয়াস বিল আটকে পড়েছিলো সেটা নিয়ে, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের বিল নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে দৈনিক শিক্ষাডটকমের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

    বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সমস্যা আমি কিছু দেখছি না। আমরা সবকিছু দেখেই করছি। স্পেসিফিক কিছু একটা বলেন আমরা সেটা দেখবো।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বাংলা আমাদের মাতৃভাষা সেটা বাদ দেয়া যেতে পারে? এমন কোনো আলোচনা হয়নি এবং আমার জ্ঞাতসারে হয়নি। আমি জানি না এই খবর কোথা থেকে আসলো।

    আমরা কারিগরিকে ইমপোর্ট্যান্ট দিচ্ছি। আমরা মোর সাবজেক্ট যেগুলো মাকের্ট ডিমান্ড রয়েছে সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু বাংলা, দর্শন, ইতিহাস বাদ পড়বে এই আলোচনা আমরা কোথাও শুনিনি। আমরাও কোথাও করিনি। মাকের্ট ডিমান্ড অনুযায়ী তো রেগুলার কোর্স আমরা ইন্ট্রোডিউস করছি। প্রতিটা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা ইন্ট্রোডিউস করছি। বাট বাংলাকে বাদ দিয়ে, ইতিহাসকে বাদ দিয়ে এমন কথা তো কোথাও বলা হয়নি।

  • খাল নেই, তবুও সেতু—সংযোগ সড়কেই বিপাকে কয়েকটি পরিবার

    খাল নেই, তবুও সেতু—সংযোগ সড়কেই বিপাকে কয়েকটি পরিবার

    দুই পাশে কোনো খালের অস্তিত্ব নেই, তবুও নির্মাণ করা হয়েছে একটি সেতু। এর সাথে নতুন করে যুক্ত হয়েছে আরেকটি জটিলতা, সেতুর দুই পাশেই রয়েছে বসতবাড়ি। ফলে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে গেলে বন্ধ হয়ে যেতে পারে কয়েকটি পরিবারের চলাচলের পথ।

    এলজিইডি ঝালকাঠির নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মানপাশা জিসি–তালতলা–ভবানীপুর হয়ে নাচনমহল ইউনিয়ন সড়কে ফুলতলা আরএইচডি সড়কের ওপর সুবিদপুর ইউনিয়নের গোডন্দা এলাকায় বিডিআইআরডবলুএসপি প্রকল্পের আওতায় ১০ মিটার দীর্ঘ আরসিসি স্ল্যাব সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এ নির্মাণকাজে তিন কোটি ৭৯ লাখ ৫৪ হাজার ৩১৩ টাকা ৯৬ পয়সা বরাদ্দ দেয়া হয়। কাজটি বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমএস ইসলাম ব্রাদার্স । ২০২৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি কাজ শুরু হয়ে ২০২৫ সালের ১৮ নভেম্বর শেষ হওয়ার কথা ছিল। ইতোমধ্যে ঠিকাদারকে ৭৪ লাখ ১৬ হাজার ১৭৯ টাকা বিল পরিশোধ করা হয়েছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সেতুটি এমন একটি স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে যেখানে পূর্বে একটি ছোট খালের ওপর বক্স কালভার্ট ছিল। বর্তমানে সেখানে স্ল্যাব সেতু নির্মাণ করায় খালটি কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। সেতুটি কার্যকর করতে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হলে পাশের কয়েকটি পরিবারের চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

    এলাকাবাসীর অভিযোগ, যথাযথ পরিকল্পনা ছাড়াই সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। এখন সংযোগ সড়ক করতে গেলে কয়েকটি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    ভুক্তভোগী আব্বাস হাওলাদার,মোর্শেদা বেগম, জামাল, সবুজ বলেন, এই সেতু চালু করতে গেলে আমাদের বাড়ির সামনে দিয়ে রাস্তা নিতে হবে। এতে আমাদের চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। আমরা এর সমাধান চাই।

    এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (এসও) উপসহকারী প্রকৌশলী মঈনুল আযম ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম তালুকদারের সাথে যোগসাজশে অনিয়ম করেছেন।

    তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে উপসহকারী প্রকৌশলী মঈনুল আযম বলেন, ‘আমি কোনো অনিয়ম করিনি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য বিকল্প চলাচলের ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।’

    এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী আজিজুল হক বলেন, ‘সেতুটি পূর্বের একটি কালভার্টের স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে ঠিকই, তবে আমরা ইতোমধ্যে বিষয়টি পর্যালোচনা করছি। স্থানীয়দের ক্ষতি না করে কীভাবে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

  • এক হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হবে

    এক হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হবে

    শিক্ষা ডেস্ক:

    দেশের এক হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। ডিপিপি অনুমোদিত হইলে আগামী অর্থ-বছর আপনার সংসদীয় আসনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করা হবে বলেও জানান তিনি।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে তৃতীয় দিনের প্রশ্নোত্তরে তিনি এসব কথা বলেন। সংসদ স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম সভাপতিত্ব করেন।

    নোয়াখালী-৬ আসনের আবদুল হান্নান মাসউদ প্রশ্ন রেখে বলেন, উপকূলীয় দ্বীপ হাতিয়া এই অঞ্চলের পিছাইয়া পড়া শিক্ষার্থীদের মাঝে আধুনিক ও প্রযুক্তিগত শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলিতে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের ব্যাপারে আপনার পরিকল্পনা কী?

    জবাবে মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন প্রকল্প (২য় পর্যায়)’-এর আওতায় বর্তমানে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলায় মোট ১৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে।

    এছাড়া উক্ত প্রকল্পের আওতায় সারাদেশে আরো ১,০০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করার জন্য ডিপিপি সংশোধনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

  • কিউবায় দেড়শ বছরের মধ্যে শক্তিশালী ভূমিকম্প

    কিউবায় দেড়শ বছরের মধ্যে শক্তিশালী ভূমিকম্প

    কিউবার উত্তর-পশ্চিম উপকূলের কাছে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় সোমবারের কম্পন দেশটির পাশাপাশি মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কিছু অংশেও অনুভূত হয়েছে। সাধারণত ভূমিকম্পপ্রবণ নয় এমন এলাকাগুলোতে কম্পন অনুভূত হওয়ায় ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

    যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬.১ এবং এর গভীরতা ছিল প্রায় ২৬ কিলোমিটার (১৬ মাইল)। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল কিউবার মান্টুয়া শহরের পশ্চিম-উত্তর-পশ্চিমে প্রায় ১০৪ কিলোমিটার দূরে। এটি রাজধানী হাভানা থেকে কয়েক ঘণ্টার পথ।

    ইউএসজিএসের ভূকম্পবিদ পল আর্ল বলেন, ক্যারিবীয় অঞ্চলের এই অংশে এত শক্তিশালী ভূমিকম্প খুবই অস্বাভাবিক। কারণ এটি দুটি টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে নয়, বরং একটি প্লেটের অভ্যন্তরে সংঘটিত হয়েছে, যেখানে সাধারণত ভূমিকম্পের ঘটনা তুলনামূলকভাবে কম ঘটে।

    তিনি আরও জানান, সোমবারের ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে ৩২২ কিলোমিটার (২০০ মাইল) ব্যাসার্ধের মধ্যে সর্বশেষ এত শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছিল ১৮৮০ সালে, যখন কিউবার সান ক্রিস্টোবাল এলাকার কাছে ৬.০ মাত্রার একটি কম্পন রেকর্ড করা হয়েছিল।

    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ চিত্র জানতে আরও কিছু সময় প্রয়োজন হতে পারে।

  • অনার্স কোর্স বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়নি: ভিসি

    অনার্স কোর্স বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়নি: ভিসি

    শিক্ষা ডেস্ক:

    অনার্স পর্যায়ে বাংলা, ইতিহাস, দর্শনসহ কোনো বিষয় বন্ধের বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে কোনো সিদ্ধান্ত বা নির্দেশনা আসেনি। ফলে এ ধরনের খবর নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই।

    অনার্স পর্যায়ে বাংলা, ইতিহাস, দর্শনসহ কোনো বিষয় বন্ধের বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে কোনো সিদ্ধান্ত বা নির্দেশনা আসেনি। ফলে এ ধরনের খবর নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই।

    জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অনার্স কোর্স বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি বলেছেন ভিসি অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। মঙ্গলবার (৯ জুন) দৈনিক শিক্ষাডটকমের সঙ্গে একান্ত আলাপে তিনি এ কথা বলেন।

    ভিসি আরো বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন অনার্স কোর্স বন্ধের ব্যাপারে সরকার কিংবা আমাদের কোন সিদ্ধান্ত নেই। তিনি বলেন, অনার্স পর্যায়ে বাংলা, ইতিহাস, দর্শনসহ কোনো বিষয় বন্ধের বিষয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে কোনো সিদ্ধান্ত বা নির্দেশনা আসেনি। ফলে এ ধরনের খবর নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই।

    দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে সনদ নির্ভরতার পরিবর্তে দক্ষতা ও কর্মমুখী করার লক্ষ্যে বড় ধরনের সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে—এমন খবর আজ মঙ্গলবার সকালে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। ওইসব প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন একটি খসড়া মডেল অনুযায়ী বাংলা, ইতিহাস, দর্শনসহ প্রায় ছয়টি বিষয়ের প্রথাগত অনার্স কোর্স বাতিল করে অন্য বিষয়ের সঙ্গে সমন্বয় করা হতে পারে।

    খবরে আরও বলা হয়, কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে পাঠ্যক্রমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাইবার সিকিউরিটি, আউটসোর্সিং ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের মতো প্রযুক্তিনির্ভর বিষয় যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি কলেজ পর্যায়ে ক্যারিয়ার সেন্টার প্রতিষ্ঠা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য সাতটি বিদেশি ভাষা শেখানোর উদ্যোগ নেওয়ার কথাও উল্লেখকরা হয়।

  • ফুলবাড়ী সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে বিজিবির কড়া নজরদারি

    ফুলবাড়ী সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে বিজিবির কড়া নজরদারি

    দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সম্ভাব্য পুশইন প্রচেষ্টা ঠেকাতে কঠোর নজরদারি জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা থেকে বাংলা ভাষাভাষী কিছু ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে জোরপূর্বক পাঠানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইতোমধ্যে পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও এবং দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ কয়েকজনকে পুশইনের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে বিজিবির কঠোর অবস্থান ও তৎপরতার কারণে এসব প্রচেষ্টা সফল হয়নি।

    এ পরিস্থিতিতে ফুলবাড়ী সীমান্তে দায়িত্বপ্রাপ্ত ২৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যাতে কোনোভাবেই অবৈধভাবে কাউকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানো না যায়।

    এছাড়া সীমান্ত এলাকায় পাহারা জোরদার করতে স্থানীয় গ্রামবাসীসহ বিজিবি সদস্যরা রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন। বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্তে যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করতে সদস্যরা সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে।

    ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফ-উজ-জামান বলেন, ‘সীমান্তে বিজিবি সর্বদা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কোনো ভারতীয় নাগরিক যেন অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘সীমান্তে চোরাচালান প্রতিরোধেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষায় বিজিবি সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ এবং এ দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের শৈথিল্যের সুযোগ নেই।’

  • যৌন অসদাচরণের অভিযোগে আইসিসি প্রসিকিউটর করিম খান বরখাস্ত

    যৌন অসদাচরণের অভিযোগে আইসিসি প্রসিকিউটর করিম খান বরখাস্ত

    যৌন অসদাচরণের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রসিকিউটর করিম খানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (৯ জুন) আইসিসির পরিচালনাকারী সংস্থা এ সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেয়। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।

    সংস্থাটি জানায়, করিম খানকে যৌন অসদাচরণের অভিযোগের তদন্ত চলাকালে দায়িত্ব থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে জাতিসংঘের অভ্যন্তরীণ তদারকি পরিসেবা কার্যালয় পরিচালিত তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাকে ১২৫ সদস্য রাষ্ট্রের সামনে শৃঙ্খলামূলক কার্যক্রমের জন্য উপস্থাপন করা হবে। তবে তদন্তের ফলাফল জনসমক্ষে প্রকাশ করা হচ্ছে না।

    এক বিবৃতিতে ব্যুরো জানায়, তদন্ত প্রতিবেদন, সংশ্লিষ্ট প্রমাণ, বিচারিক বিশেষজ্ঞদের একটি অ্যাড হক প্যানেলের পরামর্শ এবং লিখিত উপস্থাপনার ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ব্যুরো আরও বলেছে, সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত নথিপত্র গোপন রাখা হবে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের গোপনীয়তা, অধিকার ও চলমান প্রক্রিয়ার অখণ্ডতা রক্ষার আহ্বান জানানো হয়েছে।

    এ/জড

    এ বিষয়ে আলোচনা ও পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য ১২৫ সদস্য রাষ্ট্রকে নিয়ে একটি বিশেষ অধিবেশন যত দ্রুত সম্ভব আহ্বান করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

  • একনেকে

    একনেকে

    ১০ প্রকল্প অনুমোদন

    অর্থনীতি ডেস্ক:

    জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রায় ৩ হাজার ৮৯১ কোটি টাকা ব্যয়ে ১০টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে নতুন ৫টি, সংশোধিত ৩টি এবং মেয়াদ বৃদ্ধির ২টি প্রকল্প।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান।

    পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অনুমোদিত ১০ প্রকল্পে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮৯০ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হবে ৩ হাজার ৮১০ কোটি ৬২ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ব্যয় হবে ৮০ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

    অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রকল্প হলো চট্টগ্রামের আনোয়ারা থেকে কক্সবাজারের ঈদমনি পর্যন্ত আঞ্চলিক মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের আওতায় প্রকল্পটির মাধ্যমে আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া (ঈদমনি) আঞ্চলিক মহাসড়ককে যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীত করা হবে।

    এ ছাড়া পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘বরিশাল সেচ প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতায় নেওয়া হয়েছে ‘সমন্বিত উপজেলা ভূমি কমপ্লেক্স নির্মাণ’ প্রকল্প। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতায় ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন নির্মাণ প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের আওতায় দেশের ৩৩টি জেলার সার্কিট হাউস এবং ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিফট সংযোজনের প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে অনুমোদন পেয়েছে ‘বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ প্রকল্প-২’।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘ঢাকা সিএমএইচে ক্যানসার সেন্টার নির্মাণ (দ্বিতীয় পর্যায়)’ প্রকল্পের সংশোধিত প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়েছে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় দুটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে। এগুলো হলো—‘মাদ্রাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (এমইএমআইএস) সাপোর্ট’ প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন এবং দেশের ৬৫৩টি মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন।

    এ ছাড়া বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ‘বিদ্যমান গ্রিড উপকেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইনের ক্ষমতাবর্ধন’ প্রকল্পের প্রথম সংশোধিত প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে।

    সভায় ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের ছয়টি প্রকল্প সম্পর্কে একনেককে অবহিত করা হয়। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে ৩০টি পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন উন্নয়ন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও যানজট নিরসন, ডাকসেবার সম্প্রসারণ, ঢাকা সেনানিবাসে অবকাঠামো সম্প্রসারণ, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায় এবং খুলনায় পাইকগাছা কৃষি কলেজ স্থাপন প্রকল্প।সভায় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • কুয়াকাটায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত, শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ

    কুয়াকাটায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত, শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ

    প্রকৃতির থেকে অনুপ্রাণিত, জলবায়ুর জন্য, আমাদের ভবিষ্যতের জন্য’— এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর কুয়াকাটার মিশ্রিপাড়ায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি, আলোচনা সভা ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলদ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ১১টার দিকে মিশ্রিপাড়া ফাতেমা হাই মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়।

    মিশ্রিপাড়ার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। পরে বিদ্যালয়ের হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    কারিতাস বরিশাল অঞ্চল পরিচালিত ‘প্রয়াস প্রকল্প’-এর উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রকল্পের মাঠকর্মকর্তা মো: জামাল হোসেন।

    এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) উপজেলা ডেপুটি টিম লিডার শফিকুল আলম।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মিশ্রিপাড়া ফাতেমা হাই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা এবং উপকূলীয় মানব উন্নয়ন সংস্থার (সিকোডা) নির্বাহী পরিচালক মো: মিজানুর রহমান।

    এছাড়াও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং পরিবেশ বিপর্যয় ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ ইতোমধ্যে এর নেতিবাচক প্রভাব অনুভব করছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বেশি বেশি বৃক্ষরোপণ, পলিথিন ও একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো এবং পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।

    সভা শেষে শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

    অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন কারিতাসের হাসান মাহমুদ।

  • হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

    হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

    সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৩৪ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।

    মঙ্গলবার (৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামে মোট ৬৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৯২ জন শিশুর, আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫৩৯ জন।

    এছাড়া গত ১৫ মার্চ থেকে পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৮৩৩ জনে। একই সময়ে উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৬ হাজার ১৭০ জন।

    স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

  • বাগেরহাটে ধর্ষণের শিকার ছয় বছরের শিশু, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

    বাগেরহাটে ধর্ষণের শিকার ছয় বছরের শিশু, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে ছয় বছর বয়সী এক প্রথম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে পরিমল ভক্ত (৪৬) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে মামলা করার পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। একই সঙ্গে শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার পরিমল উপজেলার ঝালোডাংগা গ্রামের মৃত গিরিশ চন্দ্র ভক্তের ছেলে।

    মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত রোববার (৭ জুন) দুপুরে ওই শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী হওয়ায় প্রতিবেশী এক সহপাঠীকে প্রাইভেট পড়ার জন্য ডাকতে যায়। সে সময় পরিমল ভক্ত তাকে জোরপূর্বক ঘরের ভেতর নিয়ে দরজা বন্ধ করে ধর্ষণ করে।

    চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি- অপারেশন) দায়িত্বে থাকা রোকেয়া খানম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

  • সব ‘ককরোচ’ একহলে কি হবে ভারতে?

    সব ‘ককরোচ’ একহলে কি হবে ভারতে?

    ভারতের তরুণদের প্রতি আহ্বানটি ছিল সহজ, ‘শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানাতে দিল্লির রাস্তায় নামতে প্রস্তুত হও’। সেই আহ্বানে বেরিয়ে আসেন হাজার হাজার তরুণ।

    শনিবার অনুষ্ঠিত হলো ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) প্রথম প্রকাশ্য বিক্ষোভ। মূলত ঠাট্টা-বিদ্রু প আর ব্যঙ্গের মধ্য দিয়ে দলটির জন্ম। ব্যঙ্গাত্মক এই উদ্যোগ দ্রুতই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়।

    সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, যিনি এই প্রাণবন্ত বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিতে শনিবার সকালেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়ে এসেছিলেন। তিনি বলেন, ‘এ দেশের তরুণেরা আর ভয় পাবে না, তারা লড়াই করবে।’

    দীপকে বলেন, ‘সরকারের কাছে আমরা হয়তো নিছক পোকামাকড়, কিন্তু আমরা জীবিত এবং আমাদের অধিকারের জন্য লড়াই করতে সক্ষম।’

    কড়া পুলিশি পাহারার মধ্যে সমবেত হওয়া জেন-জি ও মিলেনিয়াল প্রজন্মের অনেকেই আশা প্রকাশ করছেন যে, প্রতিবেশী দেশ নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় সরকার পতনকারী আন্দোলনের মতো একটি যুব নেতৃত্বাধীন আন্দোলন ভারতেও গতি পেতে পারে।

    সিজেপির পেছনের এই জোয়ার অনেককেই অবাক করেছে। বিশেষ করে দীপকে, যিনি মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগেও বোস্টন ইউনিভার্সিটির একজন ভারতীয় স্নাতক হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এক শান্ত জীবনযাপন করছিলেন।

    সুপ্রিম কোর্টের এক শুনানিতে ভারতের প্রধান বিচারপতি ভারতের বেকার যুবকদের ‘পরজীবী’ এবং ‘তেলাপোকা’র সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। তার এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়েই দীপকে হঠাৎ করে সামাজিক মাধ্যমে মজা করে একটি আহ্বান জানান, ‘সব তেলাপোকা একজোট হলে কেমন হয়?’

    এ/জেড

    ।

  • হামলা বন্ধের ঘোষণা ইরানের, তবে ইসরায়েল হামলা চালালে কঠোর জবাব

    হামলা বন্ধের ঘোষণা ইরানের, তবে ইসরায়েল হামলা চালালে কঠোর জবাব

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

    হামলা বন্ধের ঘোষণা ইরানের, তবে ইসরায়েল হামলা চালালে কঠোর জবাব দেওয়া হবে । আপাতত হামলা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। তবে ইসরায়েল যদি আবার ইরানে বা লেবাননে হামলা চালায়, তাহলে এর জবাব দেওয়া হবে।

    ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে।

    বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সশস্ত্র বাহিনীর চলমান অভিযান সমাপ্তির ঘোষণা দেওয়া হলো।’ পাশাপাশি বিবৃতিতে সতর্ক করে দিয়ে বলা হয়েছে, ইসরায়েল যদি ইরান ও লেবাননে হামলা চালাতে থাকে তেহরান ‘আগের চেয়ে আরও কঠোর এবং শক্তিশালী’ জবাব দেবে।

  • ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১৯

    ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১৯

    ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিন্দানাও দ্বীপের উপকূলে গতকাল সোমবার আঘাত হানে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প। এতে অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। রিখটার স্কেলে তীব্র মাত্রার এই ভূমিকম্পের পর ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়।

    বিবিসির প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার সকাল ৭টা ৩৭ মিনিটে এই শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের তীব্রতায় বেশ কিছু ভবন ধসে পড়ার খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে বিখ্যাত ফাস্টফুড চেইন শপ ‘জলিবি’র একটি রেস্তোরাঁ সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ার ভিডিও সামনে এসেছে।

    স্থানীয় কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পে দক্ষিণ কোটাবাতো, সুলতান কুদরাত, সারাঙ্গানি প্রদেশ এবং জেনারেল সান্তোস শহরে অন্তত ১৩৪ জন আহত হয়েছেন।

    ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল বা উপকেন্দ্রের কাছাকাছি থাকা জেনারেল সান্তোস শহরটি ফিলিপাইনের ‘টুনা মাছের রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত এবং এটি বিশ্বখ্যাত বক্সার ও রাজনীতিবিদ ম্যানি প্যাকিয়াও-এর দেশের বাড়ি। ভূমিকম্পের পর উপকূলীয় সারাঙ্গানি প্রদেশে বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল, যা পরবর্তীতে সচল করা হয়। মূল ভূমিকম্পের পর ১ দশমিক ৩ থেকে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার ১৩০টিরও বেশি আফটারশক অনুভূত হয়েছে।

    ফিলিপাইনের নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনেই এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগটি আঘাত হানে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাভাও অক্সিডেন্টাল প্রদেশের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, সকালের প্রাত্যহিক সমাবেশের (পিটি) সময় তীব্র কম্পনে আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা মাটিতে বসে চিৎকার করছে।

    ভূমিকম্পের পরপরই প্রশান্ত মহাসাগরীয় সুনামি সতর্কতা কেন্দ্র ফিলিপাইন ও ইন্দোনেশিয়ার উপকূলে সর্বোচ্চ ৩ মিটার উচ্চতার ঢেউয়ের পূর্বাভাস দিয়েছিল। জাপানের কর্তৃপক্ষও তাদের উপকূলে এক মিটার উঁচু ঢেউয়ের আঘাতের সতর্কতা জারি করে।

  • আসছে নতুন পাঠ্যবই

    আসছে নতুন পাঠ্যবই

    শিক্ষা ডেস্ক:

    প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণিশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, চতুর্থ শ্রেণিতে দুটি নতুন পাঠ্যবই, খেলাধুলা বিষয়ক একটি, অন্যটি সংষ্কৃতি। অন্যদিকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে কারগারি ও বৃতি্তমূলক শিক্ষা এবং লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস।

    সোমবার (৮ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত রয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। আরো উপস্থিত ছিলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

  • ‘ইসরাইলের শাসনব্যবস্থার দিন ফুরিয়ে আসছে’

    ‘ইসরাইলের শাসনব্যবস্থার দিন ফুরিয়ে আসছে’

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ত: তেহরান ও তেল আবিবের মধ্যে চলমান তীব্র উত্তেজনা ও একের পর এক সামরিক সংঘাতের মধ্যেই ইসরাইলকে নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।

    সোমবার (৮ জুন) এক বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, ভঙ্গুর জায়নবাদী শাসনের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি আছে।

    মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী সংঘাতের এক চরম সংকটময় মুহূর্তে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পক্ষ থেকে এই মন্তব্য এলো। লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে ইসরাইলি বিমান হামলার জবাবে রোববার (৭ জুন) রাতে উত্তর ইসরাইল অভিমুখে বেশ কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় তেহরান।

    ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরপরই পাল্টা জবাব দেয় তেল আবিব। ইসরাইলি বাহিনী পশ্চিম ও মধ্য ইরানের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে জোরালো বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। এই সময় রাজধানী তেহরান, ইসফাহান এবং তাবরিজসহ ইরানের বেশ কয়েকটি প্রধান শহরে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।

    উভয় পক্ষের এই ব্যাপক হামলা ও পাল্টা হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই মোজতবা খামেনির এই হুঙ্কার ইসরাইলের প্রতি ইরানের কঠোর অবস্থান এবং সংঘাত আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

  • ঘোষিত রুটিন অনুযায়ী হবে এসএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

    ঘোষিত রুটিন অনুযায়ী হবে এসএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

    শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে পরামর্শের ঘোষিত রুটিন অনুযায়ী আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। আমরা স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলার পর রোজার আগেই পরীক্ষা শুরু এবং শেষ করার ঘোষণা দিয়েছি। স্টেকহোল্ডারদের কাছ থেকে কোনো বিরোধিতার তথ্য নেই তবে, আপনাদের [সাংবাদিক] কাছ থেকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর তারিখ নিয়ে একাধিকবার প্রশ্ন শুনেছি। একমাস পেছানোর দাবির কথা শুনেছি। আমাদের মূল লক্ষ্য কোর্স শেষ হওয়ার পরে অহেতুক দেরিতে পরীক্ষা নিয়ে লাখ লাখ শিক্ষার্থীর জীবন থেকে গুরুত্বপূর্ণ সময় নষ্ট না হয়।

    সোমবার (৮ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণিশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। য

    আরো উপস্থিত ছিলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

    এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, এসএসসি এক্সাম তাদের সিলেবাস শেষ হয়ে যাচ্ছে জুন ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে। আমরা চেয়েছি ২০২৭ এর কোনো একটি সময়, হয় রোজার আগে বা রোজার পরে নেয়ার। আমরা স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলাপ করেছিলাম সেখানে সাজেশন আসছে রোজার আগেই শেষ হয়ে যাক পরীক্ষাটা সেই অর্থে আমরা ৭ জানুয়ারি শুরু করতে চেয়েছিলাম আর ৮ ফেব্রুয়ারি শেষ করতে। বাট ইন দ্য মিনটাইম আপনারা রিঅ্যাক্ট করছেন সেটাও আমরা অবজার্ভ করছি। আমরা চাচ্ছিলাম পরীক্ষাটা হয়ে যাক এবং অনেকেই চাচ্ছেন। অতএব আপাতত আমরা রুটিও দিয়েছি এবং আশাকরছি এটাই রয়েছে এটাই থাকবে যেহেতু স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করেছি।

    তিনি বলেন, পরবর্তীতে যদি আপনারা সবাই মনে করেন এক মাস আগানো পিছানোতে আমাদের কিছু যাবে না, বাট ২০২৭ এসএসসি পরীক্ষাকে বেইজড নিয়ে আগামীদিনের সেশনজট এবং ইউনিভার্সিটিগুলো তাদের টাইমলি কোর্স-কারিকুলাম শেষ করতে হবে। অর্থাৎ থ্রি ইয়ারস কোর্স থ্রি ইয়ারসই হবে আর ফাইভ ইয়ারস কোর্স ফাইভ ইয়ারস হবে কোনো রকম ডিলে ওয়েটিং সেশনজট চলবে না। এট দ্যা সেইম টাইম ইন্টারমিডিয়েড পরীক্ষাও একইভাবে সিম্পটোমাইজ করার চেষ্টা করছি যেনো কোনো রকম সময় নষ্ট না হয়।

    শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট টুয়েন্টি জুলাই আউট করবো সেই নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছি। পরবর্তী এসএসসি পরীক্ষার রুটিন ও সবকিছু আমরা অ্যানাউন্স করেছি।

  • ইসরাইল-ইরানকে অবিলম্বে পাল্টাপাল্টি হামলা বন্ধ করতে হবে: ট্রাম্প

    ইসরাইল-ইরানকে অবিলম্বে পাল্টাপাল্টি হামলা বন্ধ করতে হবে: ট্রাম্প

    আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল ও ইরানের মধ্যকার চলমান নতুন সংঘাত দ্রুত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।

    সোমবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ইসরাইল ও ইরানকে অবিলম্বে পরস্পরের বিরুদ্ধে হামলা চালানো বন্ধ করতে হবে।

    একই পোস্টে তিনি জানান, চূড়ান্ত কোনো সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান অবরোধ ব্যবস্থা বহাল থাকবে। ট্রাম্প বলেন, “চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ সম্পূর্ণ কার্যকর থাকবে। তবে বিষয়গুলো দ্রুত এগোবে বলে আশা করছি।

    ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির পর প্রথমবারের মতো ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে আবারও হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে।

  • এসএসসির ফল প্রকাশ ২০ জুলাই

    এসএসসির ফল প্রকাশ ২০ জুলাই

    শিক্ষো ডেস্ক:

    চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

    আজ সোমবার ( ৮ জুন) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, নির্ধারিত তারিখে সারাদেশের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীদের ফলাফল প্রকাশ করা হবে।চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে। পরীক্ষা চলে ২০ মে পর্যন্ত। এখন চলছে ব্যবহারিক পরীক্ষা। ব্যবহারিক পরীক্ষা চলবে ১৪ জুন ২০২৬ পর্যন্ত।

    ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় এ বছর পরীক্ষার্থী ছিল ১৮ লাখ ৫৭ হাজারের বেশি।