সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

  • ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রকাশ্যে গুলি, আহত যুবক

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রকাশ্যে গুলি, আহত যুবক

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পূর্ব বিরোধের জেরে প্রকাশ্যে গুলি বর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষের হামলায় সাগর মিয়া নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন।

    বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় শহরের মুন্সেফপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ সাগর মিয়া শহরের ফুলবাড়িয়ার বাসিন্দা আবু সাঈদের ছেলে।

    জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় শহরের মুন্সেফপাড়া এলাকার খ্রিষ্টিয়ান মিশন মেমোরিয়াল হাসপাতালের দাঁড়িয়ে ছিল সাগর। সেসময় মুঠোফোনে কারো একজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন তিনি। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে হঠাৎ মোটরসাইকেলে ইমন ইসলাম দলবল নিয়ে সেখানে পৌঁছে সাগরের ওপর হামলা চালায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেন।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, সন্ধ্যায় শহরের মুন্সেফপাড়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কে এবং কি কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তা এখনো জানতে পারিনি। ঘটনা জানার চেষ্টা করছি।

  • পানছড়িতে অস্ত্র ও গুলিসহ ইউপিডিএফ সদস্য গ্রেপ্তার

    পানছড়িতে অস্ত্র ও গুলিসহ ইউপিডিএফ সদস্য গ্রেপ্তার

    খাগড়াছড়ির মরাটিলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিলন ত্রিপুরা (৩০) নামে ইউপিডিএফ (প্রসিত) গ্রুপের এক সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী। সোমবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    গ্রেপ্তার মিলন ত্রিপুরা মাটিরাঙ্গা উপজেলার ময়দা ছাড়া এলাকার হরিপূর্ণ ত্রিপুরার ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মরাটিলা এলাকায় ইউপিডিএফের (প্রসিত গ্রুপ) কালেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী মরাটিলা এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় মিলনের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, ৫ রাউন্ড গুলি, চাঁদা আদায়ের খাতা এবং নগদ ১০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়।

    উল্লেখ্য, খাগড়াছড়ি জেলার বিভিন্ন উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে ইউপিডিএফ (প্রসিত) গ্রুপের প্রভাব বিস্তার করেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী, বাজার ও পরিবহন খাতসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করছে সংগঠনটি এমন অভিযোগ বহুদিনের।

  • মোহনপুর কোল্ড ইনজুরিতে নষ্ট হচ্ছে কৃষকের পান

    মোহনপুর কোল্ড ইনজুরিতে নষ্ট হচ্ছে কৃষকের পান

    শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার কারণে কৃষকের পানের বরজে কোল্ড ইনজুরিসহ শীতজনিত বিভিন্ন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। ফলে পানপাতা লালচে, হলুদবর্ণ ছাড়াও শুকিয়ে মারা যাচ্ছে। এ অবস্থায় রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় পানের বরজগুলোতে।

    জানা গেছে, রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় এবছর পান চাষ হয়েছে ১ হাজার ৩১৭ হেক্টর জমিতে। অর্থকরী এই ফসলটি কেনাবেচায় স্থানীয়ভাবে গড়ে উঠেছে হাট-বাজার। ফলে চাষিদের পান কেনাবেচায় দূরের কোথাও যেতে হয় না।

    মোহনপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার কারণে পানপাতায় কোল্ড ইনজুরি দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে কোনো কোনো পানের বরজে কোল্ড ইনজুরিতে গোড়া পচন রোগ দেখা দিয়েছে। ফলে পানপাতা লালচে, হলুদবর্ণ ধারণ করছে। আবার কিছু কিছু পানের পাতা শুকিয়ে যাচ্ছে।

    চাষিরা জানান, প্রথম পান লালচে ও হলুদবর্ণের হয়ে যাচ্ছে। এরপরে পাতার নিচের অংশে শুকাতে শুরু করছে। একপর্যায়ে পুরো পানপাতা শুকিয়ে ঝড়ে যাচ্ছে। এতে করে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা। তারা বলছেন, বছরের এই সময়ে তুলনামূলক পানের দাম বেশি থাকে। তাই তাদের লোকসানটাও বেশি হচ্ছে।

    কেশরহাটের কীটনাশক দোকানি কোবাদ আলী বলেন, ঠান্ডায় পান ঝরেপড়া বন্ধের জন্য সঠিকভাবে কোনো কীটনাশক কাজে আসে না। তবে কৃষকরা রিপকর্ড কনফিডর, সালকক্স, চিলেটেড জিংক ও রুট শক্তি এই জাতীয় কীটনাশক ব্যবহার করে থাকেন।

    এ বিষয়ে মোহনপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মোসা. মোস্তাকিমা খাতুন বলেন, কোল্ড ইনজুরি থেকে রক্ষার জন্য চাষিদের পলিথিন ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছে। এছাড়া কীটনাশক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

  • যশোরে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নেতা-কর্মীদের শোডাউন, বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ

    যশোরে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নেতা-কর্মীদের শোডাউন, বিএনপি প্রার্থীকে শোকজ

    আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নেতা-কর্মীরা শোডাউন করায় যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর ও বসুন্দিয়া ইউনিয়ন) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার টি এস আইয়ুবকে শোকজ করেছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা।

    সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ভুপালী সরকার তাঁকে শোকজ করেন। এতে দুই দিনের মধ্যে লিখিতভাবে শোকজদের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার টি এস আইয়ুব কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক।

    উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুর বাজারে মিছিল ও শোডাউন করেন ইউনিয়ন বিএনপির নেতা-কর্মীরা। রায়পুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুস সালাম সৌদি ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুসের নেতৃত্বে নেতা-কর্মীরা মিছিল করেন। মিছিলটি বাজার প্রদক্ষিণ শেষে সংক্ষিপ্ত পথসভার মধ্যে দিয়ে শেষ হয়। এ সময় নেতা-কর্মীরা ধানের শীষ ও টি এস আইয়ুবের নামে স্লোগান দেন। মিছিল ও শোডাউনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি ভিডিওটি বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার টি এস আইয়ুব নিজেও তাঁর ব্যবহৃত ফেসবুকে শেয়ার করেছেন।

    বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ভুপালী সরকারের স্বাক্ষরিত শোকজে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে ইসির তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ১৮ অনুযায়ী— ‘কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা কোনো প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্য কোনো ব্যক্তি ভোট গ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনের পূর্ববর্তী তিন (৩) সপ্তাহ সময়ের পূর্বে কোনো প্রকার নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে পারবেন না।

    ‘কিন্তু জানা যায় যে, আপনি বা আপনার দলের সমর্থকগণ দ্বারা ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকেলে অনুমোদন ব্যতীত বাঘারপাড়া উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচারের উদ্দেশ্যে মিছিল করেছেন। যা আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

    ‘এমতাবস্থায়, আপনি যেহেতু ৮৮-যশোর-৪ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের সম্ভাব্য প্রার্থী; সুতরাং কেন আপনার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—তার ব্যাখ্যা আগামী দুই (২) দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো।’

    এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ভুপালী সরকার বলেন, ‘স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা অভিযানে যাই। কিন্তু তার আগেই কর্মসূচি শেষ করে নেতা-কর্মীরা। নির্বাচনী আচরণবিধিতে রয়েছে ভোট গ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনের পূর্ববর্তী তিন সপ্তাহের পূর্ব সময়ের কোনো প্রকার নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে পারবেন না প্রার্থীরা। বিএনপির প্রার্থী শোডাউনে না থাকলেও তার নেতা-কর্মীরা শোডাউন করেছে। প্রার্থীর পক্ষে শোডাউন করায় আচরণবিধি ভঙ্গ হয়েছে; তাই প্রার্থীকে প্রাথমিক শোকজ করা হয়েছে। শোকজের জবাব সন্তোষজনক না হলেও নিয়ম অনুযায়ী শান্তির আওতায় আনা হবে।’

  • কারিমার মেডিকেল জয়

    কারিমার মেডিকেল জয়

    হতদরিদ্র পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থী কারিমা খাতুন। এবার মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় (এমবিবিএস) বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। হতদরিদ্র বাবার একমাত্র মেয়ে কারিমার এমন সাফল্যে খুশির জোয়ারে ভাসছে এলাকাবাসী।

    কারিমা রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামের আব্দুল করিম মন্ডলের মেয়ে। ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষায় ৭৮ নম্বর নিয়ে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন তিনি। এর আগে ২০২১ সালে দুর্গাপুর উপজেলার বেলঘরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ২০২৩ সালে রাজশাহী শাহ মখদুম কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি। এসএসসি ও এইচএসসি দুই পরীক্ষাতেই জিপিএ- ৫ পান তিনি।

    কারিমার বাবা আব্দুল করিম মন্ডল বলেন, আমার দুটি সন্তান এক মেয়ে ও এক ছেলে। ছেলেটি শারীরিক প্রতিবন্ধী। সে হুইলচেয়ার ছাড়া চলতে পারে না। ছেলেটিও এইচএসসি পাস করেছে। আমি একজন দরিদ্র মানুষ, দিন এনে দিন খাই। পরের জমিতে কামলা দিই। খুব কষ্ট করে আমার সংসার চালাতে হয়। তারপরও আমার দুই সন্তানকে লেখাপড়া করাতে কমতি রাখিনি।

    করিম মন্ডল আরও বলেন, মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ মেহেরবানি এবং আমার সন্তানদের শিক্ষকদের কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা। আমার মেয়েটা অনেক কষ্ট করে এ পর্যন্ত এসেছে। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। মেয়ে যেন বড় ডাক্তার হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে।

    কারিমা খাতুন বলেন, বাবা পেশায় দিনমজুর হলেও কখনো লজ্জাবোধ করি না। নিজেকে ছোট ভাবি না। কারণ বাবা সৎভাবে কাজ করে টাকা উপার্জন করে। আমরা দুই ভাই-বোন। আমি ছোট ভাই বড়। ভাই ডিএমডি রোগে আক্রান্ত, হুইলচেয়ার ছাড়া চলতে পারে না। এই রোগের চিকিৎসা এখনো আসেনি। তারপরও ভাই লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছেন।

    কারিমা বলেন, আমি একজন ভালো ডাক্তার হতে চাই। সবার পাশে থাকতে চাই। বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে চাই। প্রতিবন্ধী ভাইয়ের চিকিৎসা করাতে চাই।

    নওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আজাদ রেজাইল করিম বলেন, কারিমা মেডিকেলে চান্স পাওয়ার কারণে আমরা অনেক খুশি। সে অনেক কষ্ট করে লেখাপড়া করেছে। তার বাবা একজন দিনমজুর। মানুষের কাজ করে তার বাবা সংসার চালান এবং ছেলে মেয়েকে লেখাপড়া করান। আমরা এলাকাবাসী হিসেবে দোয়া করি কারিমা যেন বড় ডাক্তার হতে পারে এবং এলাকাবাসীসহ দেশবাসীর সেবা করতে পারে।

  • চুয়াডাঙ্গায় নবাগত পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

    চুয়াডাঙ্গায় নবাগত পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

    চুয়াডাঙ্গা

    চুয়াডাঙ্গায় নবাগত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামের সঙ্গে জেলার কর্মরত সাংবাদিকদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বেলা ৩টায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।

    মতবিনিময় সভায় জেলার সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সীমান্তবর্তী অপরাধ, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয় বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় পুলিশের পাশাপাশি সাংবাদিকদের গঠনমূলক সহযোগিতা কামনা করা হয়।
    সভায় উপস্থিত সাংবাদিকরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ জোরদার, যানজট নিরসন, ছিনতাই ও ডাকাতির মতো অপরাধ দমনে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহŸান জানান। সভায় পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন. পুলিশ দিনে রাতে কাজ করে। চুয়াডাঙ্গা জেলায় দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে । নির্বাচনকালীন সময়ে সীমান্ত দিয়ে যেন অবৈধ অস্ত্র,মাদক প্রবেশ করতে না পারে,সে ব্যাপারে অঅইন শৃঙ্খলা বাহিনী সজাগর হতে হবে রয়েছে। তিনি বলেন, আইনের ব্যাপারে আমাদের শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। কোন অবস্থায় সাধারণ নাগরিকদের প্রতিবন্ধকতা করা যাবে না। যে জাতি যত আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, সে জাতি তত উন্নত।

    এ সময় তিনি জেলার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তথ্য দিয়ে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।
    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জামাল আল নাসের, পুলিশ পরিদর্শক আতিকুজ্জামান, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি রাজিব হাসান কচি, সাধারণ সম্পাদক বিপুল আশরাফ,সময়ের সমীকরণের প্রধান সম্পাদক নাজমুল হক স্বপন,আমার দেশের চুয়াডাঙ্গ প্রতিনিধি মফিজুর রহমান জোয়ার্দ্দার সহ প্রেসক্লাবের সদস্য ও বিভিন্ন স্থানীয় পত্রিকার সাংবাদিকবৃন্দ।

  • অবৈধ ভাবে পাহাড় কাটার দায়ে প্রশাসনের অভিযানে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

    অবৈধ ভাবে পাহাড় কাটার দায়ে প্রশাসনের অভিযানে ৫ লাখ টাকা জরিমানা

    পরিবেশ সংরক্ষণ ও পাহাড় ধস প্রতিরোধে আলীকদম উপজেলায় অবৈধ পাহাড় কাটার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সেনাজোন ও উপজেলা প্রশাসন। এ অভিযানে পাহাড় কাটার দায়ে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন জোন সদর থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে পাহাড়তলী পাড়া এলাকায় ক্যাপ্টেন মো. হিরবল উম্মা হামিমের নেতৃত্বে রাত ১২টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত এ অভিযান চলে।অভিযানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মমনজুর আলম নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

    এই সময় স্কেভেটর দিয়ে অবৈধভাবে পাহাড় কেটে মাটি উত্তোলনের দায়ে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ৪(ঙ) ধারায় দুইজনকে মোট ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া পাহাড় কাটায় ব্যবহৃত তিনটি ছোট ট্রাক ও একটি স্কেভেটরের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে প্রতিটি যানবাহনের জন্য ১ লাখ টাকা করে মোট ৪ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়।

    অভিযুক্ত ব্যক্তি ও আটক যানবাহনগুলো আলীকদম থানা পুলিশের সহায়তায় থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানা পরিশোধ না করলে যানবাহনগুলো জব্দ করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

    আলীকদম জোন কমান্ডার জানান, পাহাড়ের নিরাপত্তা ও পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে। সেনা জোন ও প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্থানীয় জনগণ ও বিভিন্ন মহল সাধুবাদ জানিয়েছে।

  • রাজশাহীতে অসময়ের বৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতি

    রাজশাহীতে অসময়ের বৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতি

    ‘বাজারে মুলা তোলার আগেই সব শেষ হইয়া গেল—এই যে জমি, এখন শুধু পানি আর পানি।’ গতকাল শুক্রবার সকালে জমির সামনে দাঁড়িয়ে কথাগুলো বলছিলেন রাজশাহীর পবা উপজেলার শিয়ালবেড় গ্রামের কৃষক রাব্বানী মন্ডল। রাব্বানীর চোখের কোণে পানি, পায়ের নিচেও হাঁটুসমান পানি। একসময় যে জমি ভরে উঠেছিল মুলার গাছে, এখন সে জমি ডুবে রয়েছে বৃষ্টির পানিতে।

    নভেম্বরের শুরুতেই অপ্রত্যাশিত বৃষ্টিতে এখনো এমন দৃশ্য দেখা যাচ্ছে রাজশাহীর পবা, মোহনপুর, বাগমারা, তানোর ও গোদাগাড়ী উপজেলার ফসলের মাঠজুড়ে। টানা দুই দিনের বৃষ্টিতে জেলার হাজারো কৃষক এখন বড় ক্ষতির মুখে। শাক থেকে শুরু করে ঢ্যাঁড়স, মুলা, পেঁয়াজ; এমনকি আমন ধান—সব ফসলই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    কৃষি বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ কোটি ২৭ লাখ টাকা, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ৪ হাজার ২০০ জন। দুই দিনের বৃষ্টিতে জেলার ২ হাজার ১৫০ বিঘা ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    তবে বাস্তবে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। কৃষকেরা বলছেন, ১৯৮৬ সালের পর এই সময়ে এমন বৃষ্টি আর কখনো দেখেননি তাঁরা। গতকাল সকালে পবা উপজেলার শিয়ালবেড় গ্রামে গিয়ে কথা হয় কৃষক রাব্বানী মন্ডলের সঙ্গে। মুখে বিষণ্ণতা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আষাঢ় মাসেও এমন বৃষ্টি হয় না, যে বৃষ্টি এবার হইছে। এখনো পানি নামেনি। ৫ বিঘা জমি পানির নিচে। চারপাশে পুকুর, পানি নামারও পথ নাই।’

    রাব্বানী আরও বলেন, ‘সরকার যদি পাশে থাকে, তাহলে আমরা আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারব। তা না হলে কঠিন হবে।’

    পবা উপজেলার শিয়ালবেড়, পাইকপাড়া, দাদপুর ও মুরারীপুর গ্রামের মাঠজুড়ে একই চিত্র। যেদিকে চোখ যায়, এখনো চোখে পড়ে কেবল পানি। কোথাও ধান হেলে পড়েছে, কোথাও শাকসবজি ডুবে রয়েছে পানির নিচে। পাইকপাড়া গ্রামের কৃষক শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘১২ কাঠা জমিতে শাকসবজি করেছিলাম, বৃষ্টিতে সব শেষ হয়ে গেছে। এমন সময় তো বৃষ্টি হয় না।’

    একই এলাকার কৃষক আব্দুর রাজ্জাক ১ বিঘা জমিতে বি৮৭ জাতের ধান চাষ করেছিলেন। ধান কাটার আগেই নভেম্বরে অসময়ের বৃষ্টিতে জমিতে পানি উঠেছে, বাতাসে ধানের গাছ হেলে পড়েছে। মাঠে দেখা গেল, কৃষকেরা কাদামাটি মাড়িয়ে হেলে পড়া ধান কেটে নিচ্ছেন। সেখানে তাঁর ছেলে সোহানুর রহমান বলেন, ‘অর্ধেক ধান নষ্ট হয়ে যাবে। শ্রমিক খরচও বেশি হবে। মনে হচ্ছে খরচের টাকাও উঠবে না। তিন দিন পর বৃষ্টি হইলে এই সর্বনাশ হতো না।’

    পবা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এম এ মান্নান বলেন, নভেম্বরের শুরুতেই যে বৃষ্টি হয়েছে, সেটি মূলত নিম্নচাপের কারণে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনা মূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হচ্ছে।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা মাঠপর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি যেন জমি শুকিয়ে দ্রুত নতুন ফসল লাগাতে পারেন।’

    জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন জানান, বৃষ্টিতে জেলার ২ হাজার ১৫০ বিঘা জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ কোটি ২৭ লাখ টাকা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তথ্য ঢাকায় মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রণোদনা এলে তা বিতরণ করা হবে।

  • জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ঘুষ জাদুঘরে পাঠানো হবে : সরওয়ার ছিদ্দিকী

    জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ঘুষ জাদুঘরে পাঠানো হবে : সরওয়ার ছিদ্দিকী

    কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক ড. ছৈয়দ এ কে এম সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী বলেছেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ঘুষ জাদুঘরে পাঠানো হবে। ঘুষের কারণে নাগরিকরা কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পায় না। আমরা মাদকমুক্ত ও ন্যায় ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করব।

    তিনি বলেন, ইসলামী রাষ্ট্রে ভিন্ন ধর্মের মানুষ আমানত। ইসলামী রাষ্ট্রে সকল নাগরিক সমান সুযোগ পাবেন।

    সম্প্রতি লাকসাম পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব লাকসাম এলাকায় আয়োজিত উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

    সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী বলেন, আমি নির্বাচিত হলে চুরি করব না, সম্পদের ন্যায্য বণ্টন করা হবে। পুরো সিস্টেম ঢেলে সাজাব। অনেকে ভুল ফতোয়া দিয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়। এদের বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।

    পূর্ব লাকসাম মৈশান বাড়ি ইউনিট জামায়াত ইসলামীর আমির মু. জাকির হোসেন আজমের সভাপতিত্বে ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড নায়েবে আমির আলম আদম সফিউল্লাহর পরিচালনায় উঠান বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুমিল্লা-৯ আসনের নির্বাচন পরিচালক ও লাকসাম পৌরসভা জামায়াতের আমির মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীন পাটোয়ারী ও সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা শহিদ উল্যাহ।

    এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন ৮ নম্বর ওয়ার্ড আমির মু. আব্দুল জলিল, মাওলানা রফিক উল্লাহ আফসারী, মাওলানা বিল্লাল হোসেন মালেকী, অধ্যাপক জাকির হোসেন, পূর্ব লাকসাম কালীবাড়ি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সঞ্জয় সাহা, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সুপন সাহা, লাকসাম কেন্দ্রীয় মহাশশ্মানের সভাপতি দীপংকর সাহা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সৈয়দ মো. জামাল উদ্দিন ছিদ্দিকী ও সৈয়দ মো. ফরিদ উদ্দিন ছিদ্দিকী।

  • ফেল করানোর জন্য মেঘনার ভোট কুমিল্লায় ঘোষণা দিয়েছিল : ড. খন্দকার মোশাররফ

    ফেল করানোর জন্য মেঘনার ভোট কুমিল্লায় ঘোষণা দিয়েছিল : ড. খন্দকার মোশাররফ

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ও কুমিল্লা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনে বহু কেন্দ্রে শতভাগ ভোট নৌকার পক্ষে পড়েছে, যা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। আমাকে ফেল করানোর জন্য মেঘনার ভোট কুমিল্লায় নিয়ে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল।

    গত শনিবার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লার মেঘনায় গণমিছিল শেষে সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

    উপজেলার রাধানগর থেকে শুরু হয়ে গণমিছিলটি উপজেলার বাস কাউন্টার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। মানিকারচর লাল মিয়া সরকার লতিফ মুন্সী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গণমিছিল শেষে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

    এ সময় তিনি বলেন, মেঘনায় দীর্ঘদিন পর এলাম। এর আগে এখান থেকে আমি নির্বাচন করেছি। আমি ও এমকে আনোয়ার সাহেব মিলে এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন করেছি।

    তিনি আরও বলেন, যেসব এসপি-ডিসি এসব কাজে জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে এখন ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। বিগত নির্বাচনগুলোতে দিনের ভোট রাতে হয়েছে। পরবর্তীতে তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেন এবং ধানের শীর্ষের পক্ষে ভোট চেয়ে বক্তব্য শেষ করেন।

    সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন নির্বাহী কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান। গণমিছিলে সভাপতিত্ব করেন মেঘনা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক রমিজ উদ্দিন লন্ডনি এবং সঞ্চালনায় ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক এমএম মিজানুর রহমান। এতে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী দিলারা শিরিন, সাবেক সদস্য সচিব সালাউদ্দিন সরকার, সাবেক যুবদলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান চেয়ারম্যানসহ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

  • মনোহরগঞ্জে গবাদি পশুর খাদ্য সংকট, বিপাকে খামারিরা

    মনোহরগঞ্জে গবাদি পশুর খাদ্য সংকট, বিপাকে খামারিরা

    কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলায় বছরে একবার বোরো ধানের চাষ হয়। গবাদি পশু পালনে গেরস্ত থেকে খামারি সবাইকে ধানের খড়, কুঁড়া ও ভুসির উপর নির্ভর করতে হয়। বছরে একবার বোরো ধানের চাষাবাদ হওয়ায় বছরের মাঝামাঝি সময়ে দেখা দেয় খাদ্য সংকট।

    অনেক সময় খামারিরা এক এলাকায় থেকে অন্য এলাকায় গিয়ে গোখাদ্য সংগ্রহ করেন। বেশি দামে কিনে আনেন ধানের খড় ও কুঁড়া। ফলে বিপাকে পড়ে অনেক খামারি গরু-ছাগল কম দামে বিক্রি করে দিচ্ছেন।

    হাসানাবাদ ইউনিয়নের খামারি মো. পারবেজ চোধুরী বলেন, আমার খামারে প্রায় ৩০টি গরু ছিল। খাদ্যের সংকটের কারণে অনেকগুলো গরু কম দামে বিক্রি করে দিয়েছি। এখন খামারে মাত্র সাতটি ষাঁড় গরু আছে।

    খিলা ইউনিয়ন দাড়াচৌঁ গ্রামের গরু খামারি রফিকুজ্জামান হিরন বলেন, আমি গরুর ফার্ম করব বলে নতুন ঘর নির্মাণ করেছি। কয়েকটি ষাঁড় গরুও কিনেছি। খাদ্যের সংকটের কারণে খামারটি ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছি। গ্রামের মানুষ যারা গরু পালন করেন, তারা গরুকে সাধারণত ধানের খড়, খৈল, কুঁড়া, ভুসি খাওয়ায়। আমাদের এলাকায় বছরে একবার বোরো ধানের আবাদ হয়। ফলে গরু খাবারের সংকটে পড়েন অনেকে। ফিড ও খৈলের দাম বেশি হওয়ায় খামার চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

    উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মমিনুর রহমান বলেন, মনোহরগঞ্জ উপজেলার মানুষ বছরে একবার বন্যার কবলে পড়েন। ফলে অনেক খামারি খাদ্যের সংকটে পড়ে। উঁচু জমিতে ঘাস চাষ ও খাস জমি দেখে একটি গোচরণ ভূমি তৈরি করলে খাদ্য সংকট কমে যেতে পারে।

  • ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডিভাইডারের গ্রিল ভেঙে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

    ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডিভাইডারের গ্রিল ভেঙে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার

    ব্যস্ততম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পথচারীদের নিরাপদ পারাপারে প্রতিটি স্টেশন এলাকা থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে ফুট ওভারব্রিজ। কিন্তু অধিকাংশ ফুট ওভারব্রিজই ফাঁকা পড়ে আছে। পথচারীরা ওই ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার না করে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে ঝুঁকিপূর্ণভাবে পারাপার করছে দেশের লাইফ লাইন-খ্যাত ব্যস্ততম মহাসড়কটি।

    শিক্ষিত কিংবা অশিক্ষিতসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ মহাসড়কে ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার করছে না। মৃত্যুঝুঁকি জেনেও মহাসড়কের মাঝ দিয়েই এক পাশ থেকে অন্য পাশে যান পথচারীরা। এতে প্রায়ই ঘটছে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। প্রাণ হারাচ্ছে মানুষ। কেউ বা চিরতরে হচ্ছেন পঙ্গু।

    পথচারীদের ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহারে বাধ্য করতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ নিচু বিভাজনের ওপর কোথাও এক থেকে দুইশ মিটারজুড়ে লোহার গ্রিল দিয়েছে। কিন্তু স্থানীয়রা রাতের অন্ধকারে ওই গ্রিল ভেঙে যাতায়াতের পথ নিশ্চিত করে। আর অসচেতন পথচারী দিন-রাত ওই ভাঙা গ্রিল দিয়েই মহাসড়ক পারাপার হন।

    কুমিল্লা সড়ক বিভাগ বলছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের ১০৫ কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন ব্যস্ত এলাকায় ৫৪টি ফুট ওভারব্রিজ রয়েছে। প্রতিটি ব্রিজ নির্মাণে সরকারের কোটি কোটি খরচ হয়েছে। কিন্তু মানুষ সেসব ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার না করে জীবনকে হাতের মুঠোয় নিয়ে চলাচল করছে মহাসড়কে।

    হাইওয়ে পুলিশের তথ্যমতে, গত ৯ মাসে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৪৬৫টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে নিহত হয়েছেন ২৮৪ জন। পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন ৫০৯ জন। রাস্তা পার হতে গিয়ে গাড়িচাপায় প্রাণ গেছে অনেকের।

    সরেজমিন দেখা গেছে, কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া বাসস্টেশনে রয়েছে একটি ফুট ওভারব্রিজ। কোটি টাকা ব্যয়ে ফুট ওভারব্রিজটি নির্মাণ করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। কিন্তু এই ফুট ওভারব্রিজ দিয়ে একজনকেও পারাপার হতে দেখা যায়নি। ফুট ওভারব্রিজটি মাত্র ১০০ ফুটের মধ্যে নিচু বিভাজন ও বিভাজনের কাটা অংশ থাকায় সব বয়সের নারী-পুরুষ ঝুঁকি নিয়ে মহাসড়ক পারাপার হচ্ছেন।

    চান্দিনা-বাগুর বাসস্টেশনটি জেলার অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। চান্দিনা-দেবিদ্বার, বরুড়া উপজেলার এবং বুড়িচং উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের বাসিন্দারা ওই স্টেশনটি ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে। স্টেশনে থাকা ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সড়ক ও জনপথ বিভাগ উভয় পাশে অন্তত ২০০ মিটার লোহার উঁচু গ্রিল স্থাপন করে। কিন্তু রাতের অন্ধকারে ওই গ্রিল ভেঙে ফেলে স্থানীয়রা। আর ওই ভাঙা অংশেই প্রতিদিন যাতায়াত করছে হাজার হাজার পথচারী। ফলে ওই স্টেশনটিতে যানজট নিত্যসঙ্গী। এ ছাড়া মহাসড়কের ইলিয়টগঞ্জ, কুটুম্বপুর, গোবিন্দপুর, নিমসার অংশের ফুট ওভারব্রিজগুলো ব্যবহারই হচ্ছে না।

    গত ১৯ নভেম্বর মহাসড়কের কুটুম্বপুর স্ট্যান্ডে ফুট ওভারব্রিজ থাকা সত্ত্বেও নিচ দিয়ে পারাপারের সময় দ্রুতগতির বাসের ধাক্কায় ডাম্প ট্রাকচালকের মৃত্যু হয়। মাধাইয়া বাসস্ট্যান্ড ও চান্দিনা বাসস্ট্যান্ডে কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। অথচ পাশেই ফুট ওভারব্রিজ।

    জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়ে সড়ক পারাপার করা এসব মানুষের কেউ অসুস্থতার অজুহাতে, কেউ সময় বাঁচাতে, কেউ আবার অভ্যাস থেকেই দ্রুতগতির গাড়ির সামনেই সড়ক পার হতে দেখা গেছে।

    ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি রুহুল আমিন বলেন, মহাসড়কে রাস্তা পারাপারে মানুষের সচেতন হতে হবে। এর বিকল্প কিছু নেই। পুলিশের হাতে যে ক্ষমতা রয়েছে, আমরা সেটাকে ব্যবহার করে মানুষকে ফুট ওভারব্রিজ দিয়ে পারাপারে উদ্বুদ্ধ করছি। কিন্তু পথ যারা ব্যবহার করেন, প্রত্যেককে অবশ্যই সচেতন হতে হবে।

    সড়ক ও জনপথ বিভাগের কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, আমরা ফুট ওভারব্রিজ তৈরি করে দিয়েছি। সড়কে চলাচলকারী সবার উচিত নিজ দায়িত্বে এটাকে ব্যবহার করা। মানুষকে ফুট ওভারব্রিজ ব্যবহারে সচেতন করতে আমরা সব সময় কাজ করে যাচ্ছি। আমরা মহাসড়কের মাঝখানে লোহার রড দিয়ে ঘেরাও করে দিই, মানুষ সেসব রড ভেঙে রাস্তার মাঝ দিয়ে চলাচল করে। আমরা আমাদের পক্ষে যেটা করণীয় সেটা করে যাচ্ছি, মানুষকে সচেতন হতে হবে। সূত্রঃ কালবেলা

  • মানুষ জামায়াতে ইসলামীকে আস্থার প্রতীক হিসেবে নিয়েছে : ড. মোবারক

    মানুষ জামায়াতে ইসলামীকে আস্থার প্রতীক হিসেবে নিয়েছে : ড. মোবারক

    বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও কুমিল্লা-৫ আসনের জামায়াত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ড. মোবারক হোসাইন বলেছেন, মানুষ জামায়াতে ইসলামীকে আস্থার প্রতীক হিসেবে নিয়েছে। আর সে লক্ষ্যে আমাদের প্রতি মানুষের যে আস্থা, যে ভালোবাসা তা চোখে পড়ার মতো।

    গত রোববার বিকেলে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সদরে নির্বাচনী অফিস উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

    মোবারক হোসাইন বলেন, আমরা সমাজকে মাদকমুক্ত সমাজে পরিণত করতে চাই। মানুষ মনে করছেন সমাজ থেকে যদি মাদক নির্মূল করতে হয় তাহলে জামায়াতে ইসলামীর বিকল্প কেউ নেই। আগামী দিনে নৈতিক শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে জ্বালাতে হলে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লার বিকল্প নেই।

    তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন জরিপে আসছে জামায়াতে ইসলামী আগামী দিনে ২০০ আসনের বেশি পেয়ে ক্ষমতায় আসবে। আজকে পথে প্রান্তরে যেখানেই আমরা যাই সেখানেই মানুষ দল বেঁধে ছুটে আসেন। যে জায়গাগুলোতে আমরা চিন্তাও করতাম না, সেসব জায়গাগুলোতে আজকে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আসছেন। আমাদের সাধুবাদ জানাচ্ছেন, আলহামদুলিল্লাহ।

    ছাত্রশিবিরের সাবেক এই শীর্ষ নেতা বলেন, আমাদের মা-বোনেরা যেভাবে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আমাদের স্বাগত জানাচ্ছেন, তা আমাদের অনেক বড় প্রাপ্তি। তারা মনে করছেন আগামী দিনে সমাজকে পরিবর্তন করতে গেলে দাঁড়িপাল্লার কোন বিকল্প নেই। মানুষের এই যে আবেগ-অনুভূতি তাতে মনে হচ্ছে জামায়াতে ইসলামী এখন কোনো একক সংগঠন নয়, পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখা মানুষের সংগঠনে পরিণত হয়েছে।

    মোবারক বলেন, আজকে এই দেশের ইতিহাসে ইসলামী দলগুলো একই জায়গায়, একই বাক্সে পরিণত হওয়ায় বাংলাদেশে একটি নজির স্থাপন হয়েছে। বিভিন্ন লক্ষণ ও বিভিন্ন অবস্থান থেকে মানুষ এখন ধরে নিয়েছে ইসলামের নব সূর্যোদয় হয়ে গেছে।

    নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে ও সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মাঈন উদ্দিন সাঈদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের নির্বাচনী পরিচালক অধ্যাপক আলমগীর সরকার, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা মিজানুর রহমান আতিকী।

    এ সময় কুমিল্লা উত্তর জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন, বুড়িচং উপজেলা সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল আলম, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা আনিছুর রহমানসহ জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    এআর/নিই

  • ক্লান্ত হয়ে আকাশ থেকে পড়ল হিমালয়ান শকুন

    ক্লান্ত হয়ে আকাশ থেকে পড়ল হিমালয়ান শকুন

    চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় একটি পরিযায়ী হিমালয়ান শকুনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেছে বন বিভাগ।

    মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার উত্তর কাঞ্চনা এলাকা থেকে পাখিটি উদ্ধার করা হয়।

    পাখিটির ডান পায়ের থাবার অংশ নেই এবং শারীরিকভাবে দুর্বল হওয়ায় দীর্ঘ উড়ানের ক্লান্তিতে নিচে পড়ে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে উত্তর কাঞ্চনা এলাকার একটি মাদ্রাসার সামনে শকুনটি হঠাৎ আকাশ থেকে নিচে পড়ে যায়। পরে মাদ্রাসার ছাত্ররা বন বিভাগকে খবর দিলে কর্মকর্তারা রাতে গিয়ে শকুনটিকে উদ্ধার করে।

    বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিকূল পরিবেশ ও খাদ্য সংকটের কারণে বাংলাদেশে শকুন বিলুপ্তপ্রায়। উদ্ধার হওয়া শকুনটি পরিযায়ী প্রজাতির ‘হিমালয়ান গৃধিনী’ নামে পরিচিত। এটি শীত এলে ভারত, নেপাল, ভুটান ও তিব্বতের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে দক্ষিণে নেমে আসে। দীর্ঘ পরিযায়নের ক্লান্তিতে শীতকালে এ প্রজাতির শকুন প্রায়ই বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে দুর্বল অবস্থায় আটকা পড়ে।

    আইইউসিএনের শকুন সংরক্ষণ প্রকল্পের গবেষক সীমান্ত দীপু জানান, প্রতি বছর শীতকালে হিমালয়ান গৃধিনী শকুন বাংলাদেশে আসে এবং উড়তে না পেরে অনেক সময় আটকা পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত বন বিভাগ বা আইইউসিএনকে খবর দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

    মাদার্শা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. নাজমুল হোসেন বলেন, প্রায় সাত কেজি ওজনের উদ্ধার হওয়া শকুনটির ডান পা ছিল না। দীর্ঘ পথ উড়ার পর খাবার না পেয়ে শকুনটি ক্লান্ত হয়ে মাটিতে পড়ে গিয়েছিল। আমরা শকুনটিকে খাবার দিয়েছি, এখন মোটামুটি সুস্থ। তবে উড়তে পারার মতো শক্তি নেই। শকুনটিকে কক্সবাজারের ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের বন্য প্রাণী হাসপাতালে পাঠানো হ

    য়েছে। সেখানেই পরিচর্যার পর পাখিটিকে প্রকৃতিতে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

    উদ্ধার হওয়া হিমালয়ান গ্রিফন শকুন প্রজাতিটির আইইউসিএনের লাল তালিকায় রাখা হয়েছে ‘প্রায়-বিপদগ্রস্ত’ ক্যাটাগরিতে। এর মানে হলো, এই প্রাণীর প্রজাতি অদূর ভবিষ্যতে বিপদগ্রস্ত হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

  • কর্ণফুলীতে অস্ত্রসহ যুবক গ্রেপ্তার

    কর্ণফুলীতে অস্ত্রসহ যুবক গ্রেপ্তার

    চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে অস্ত্র ও কার্তুজসহ রাশেদ নুর প্রকাশ রাশু (৩৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার ভোর চারটার দিকে বৈরাগ ইউনিয়নের উত্তর বন্দর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃত যুবক একই এলাকার রাজ্জাক নুর প্রকাশ রজ্জক নুরের ছেলে। এসময় তার কাছ থেকে দেশীয় তৈরি ১টি এলজি এবং ৩ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করে পুলিশ।
    বিষয়টি নিশ্চিত করে কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারকৃত বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে থানায়। পুলিশ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে’।

  • চট্টগ্রামে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একজনের মৃত্যু

    চট্টগ্রামে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একজনের মৃত্যু

    চট্টগ্রামের চন্দনাইশে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় মাহবুবুর রহমান (৪৫) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রবিবার দিবাগত রাতে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার। এ নিয়ে এই ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যু হলো।

    মাহবুবুর রহমান চট্টগ্রামের চন্দনাইশ দক্ষিণ বলতলী গ্রামের কবির আহামেদ ভূঁইয়ার ছেলে। তার আগে এ ঘটনায় মো. ইদ্রিস (২৭) ও মো. ইউসুফ (৩০) নামে দুজন মারা গেছেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান জানান, মাহবুবুর রহমানের শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার দিবাগত রাত ২টা ৪০ মিনিটে মারা যান তিনি। একই ঘটনায় দগ্ধ রিয়াজ নামে আরো একজন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    প্রসঙ্গত, গত বুধবার ভোরে চট্টগ্রামে চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী সৈয়দাবাদ এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডারের একটি গুদামে বিস্ফোরণ হয়। এতে ওই গুদামের মালিক মাহাবুবুল আলমসহ ১০ জন আহত হন। বিস্ফোরণের পর আগুন ছড়িয়ে পড়ায় গুদামটিও পুড়ে যায়।

    সেখানে অবৈধভাবে বড় সিলিন্ডার থেকে ছোট সিলিন্ডারে গ্যাস ভরা (রিফিল) হতো বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

  • ঝুঁকি নিয়ে আগাম টমেটো চাষ করে লাভবান

    ঝুঁকি নিয়ে আগাম টমেটো চাষ করে লাভবান

    কৃষি ডেস্ক

    কেউ খেতে জীবাণুনাশক ছিটাচ্ছেন, কেউ পরিচর্যায় ব্যস্ত। আবার কোথাও তোলা হচ্ছে কাঁচা-পাকা টমেটো। চাষিরাও এসব টমেটো বাছাই করে খেতের পাশেই স্তূপ করছেন। সব মিলিয়ে যেন উৎসবের আমেজ। চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার গন্ডামারা ও সরল ইউনিয়নের গ্রামগুলোর বর্তমান চিত্র এটি। এই এলাকায় ঝুঁকি নিয়ে আগাম টমেটো চাষ করে লাভবান হয়েছেন চাষিরা।

    অন্য বছর অক্টোবরে টমেটো চাষ শুরু হতো। কারণ, এ সময়টাতে সাধারণত বৃষ্টি হয় না। তবে এবার আগস্টেই শুরু হয়েছে টমেটো চাষ। বৃষ্টির পানিতে ক্ষতি রোধে চাষিরা রেখেছেন বিশেষ ব্যবস্থাও। পানি জমে যেন টমেটোগাছের ক্ষতি না হয় এ জন্য খেতজুড়ে কেটেছেন সেচের নালা। আর এটিই সাফল্য এনে দিয়েছে।

    উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্র জানায়, গন্ডামারা, সরল, বাহারছড়া, বৈলছড়ী, খানখানাবাদ, কাথরিয়া, শীলকূপ, চাম্বল ও পুইছুড়ি ইউনিয়নে এবার ৪১৫ হেক্টর জমিতে টমেটো চাষ হয়েছে। এর মধ্যে গন্ডামারা ও সরল ইউনিয়নেই চাষ হয়েছে ৩৫০ হেক্টর জমিতে। এসব জমিতে ‘প্রফিট আর্লি’, ‘দুর্জয়’ ও ‘বাহুবলী’ জাতের উচ্চফলনশীল টমেটো চাষ করছেন কৃষকেরা। অন্য বছরের তুলনায় ভালো ফলন আর বাজারদর বেশি থাকায় কৃষকের প্রত্যাশাও বেড়েছে।

    খেত থেকে সংগ্রহ করা টমেটো বিক্রির জন্য বাছাই করা হচ্ছে। সম্প্রতি বাঁশখালীর গন্ডামারা ইউনিয়নের পাওয়ার প্ল্যান্ট এলাকায়ছবি: উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সৌজন্যে

    উপজেলার যে এলাকাটিতে আগাম টমেটো চাষ হয়েছে এটি উপকূলীয় অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্ষা পুরোপুরি শেষ হওয়ার আগেই আগস্টের শুরুতে বিশেষ পদ্ধতিতে টমেটো রোপণ শুরু করেন তাঁরা। এর মধ্যে ভারী বৃষ্টিও হয়েছে। তবে চাষিরা বৃষ্টিতে জমা পানি সেচে খেত থেকে বের করেছেন। কারণ, জমিতে পানি জমে থাকলে টমেটোর ফল ভালো হয় না। চার মাস পর এখন ফল পাচ্ছেন তাঁরা। অন্য বছর ছোট আকারে চাষাবাদ হলেও এ বছর হয়েছে বাণিজ্যিকভাবে।সরেজমিন দেখা যায়, সারি সারি লাগানো গাছে ঝুলছে কাঁচা-পাকা টমেটো। প্রতিটি খেতের মধ্যেই নালা করেছেন চাষিরা। এ নালা যেমন বর্ষায় পানিনিষ্কাশনের কাজে আসে তেমনটি শুষ্ক মৌসুমে নালা থেকে গাছের গোড়ায় পানিও দেওয়া হয়। অনেকের খেতের টমেটো তোলা শেষ হয়েছে। তাঁরা নতুন করে আবার টমেটো চাষের জন্য জমি প্রস্তুত করছেন।সম্প্রতি গন্ডামারা ইউনিয়নের কেজি স্কুল এলাকায় কথা হয় চাষি আবদুর রশিদের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমি পাঁচ কানি (৪০ শতাংশে ১ কানি) জমিতে টমেটো চাষ করেছি। ফলন ভালো হওয়ায় অন্তত চার লাখ টাকা লাভ হয়েছে। আগে এ জমিতে ধান চাষ করতাম। তবে তেমন লাভ হতো না। ভবিষ্যতে এ এলাকায় টমেটো চাষ আরও বাড়বে।’

    ছবিতে একটি টমেটৌ ক্ষেত

    একই এলাকার আরেক চাষি আজগর আলী ৮ কানি জমিতে টমেটো চাষ করেছেন। জানতে চাইলে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। চার মাস আগে এসব টমেটো চাষ করা হয়। এ এলাকার জমিতে লবণাক্ততা রয়েছে। এখানে এত টমেটো ফলন হবে ধারণা করতে পারিনি।’

    উপজেলার চরপাড়া এলাকায় গিয়ে কথা হয় দশম শ্রেণির ছাত্র সিফাতুল ইসলামের সঙ্গে। সে বাবার সঙ্গে টমেটো চাষ করেছে। জানতে চাইলে সে বলে, ‘আমরা এক কানি জমিতে টমেটো চাষ করেছি। এতে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বিক্রি করে পেয়েছি ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।’

    জানতে চাইলে বাঁশখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র সরকার বলেন, ‘বাঁশখালী উপকূলে টমেটো চাষে বিপ্লব ঘটিয়েছেন চাষিরা। গ্রামের পর গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে টমেটো চাষ হচ্ছে । প্রতিবছরই চাষাবাদের পরিমাণ বাড়ছে। আমরা নিয়মিত চাষিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছি।’

  • পটিয়া পৌরসভায় ময়লার বেড়িবাঁধ!

    পটিয়া পৌরসভায় ময়লার বেড়িবাঁধ!

    ৩৫ বছরের পৌরসভা, কিন্তু নেই একটি ডাম্পিং স্টেশন। ফলে মহাসড়কের পাশেই ফেলে রাখা হয় বর্জ্য, দেখে মনে হবে যেন ময়লার বেড়িবাঁধ। এভাবেই পচা গন্ধ আর বিষাক্ত জীবনের সঙ্গে বসবাস পটিয়াবাসীর। একদিকে পরিবেশ ধ্বংস, অন্যদিকে জনস্বাস্থ্যের চরম ঝুঁকি।

    জানা গেছে, চট্টগ্রামের অন্যতম প্রাচীন পৌরসভা পটিয়া প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯০ সালের ৯ এপ্রিল। প্রতিষ্ঠার মাত্র এক বছরের মাথায় প্রথম শ্রেণির পৌরসভার মর্যাদা পেলেও ৩৫ বছরে এখানকার জন্য একটি স্থায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র বা ডাম্পিং স্টেশন গড়ে ওঠেনি। ফলে ৪ বর্গমাইল এলাকার লক্ষাধিক বাসিন্দাকে প্রতিদিনের গৃহস্থালি ও অন্যান্য বর্জ্য নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

    চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বাহুলী এলাকার একটি খোলা জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে জমে আছে হাজার টন বর্জ্য। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড থেকে প্রতিদিন কয়েক শ টন ময়লা এনে সেখানে ফেলা হয়। এলাকায় পৌঁছালে তীব্র দুর্গন্ধে দাঁড়ানো দায় হয়ে পড়ে। চারদিকে উড়ছে অসংখ্য মশা-মাছি। এতে রোগজীবাণুর দ্রুত বিস্তার ঘটছে।

    স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। বৃষ্টির পানিতে ময়লার স্তূপ ভেঙে আবর্জনা নেমে আসে মহাসড়কে। এতে পথচারীসহ বাস ও ট্রেনের যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ে। এ ছাড়া খোলা জায়গায় আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলায় নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়া আশপাশের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করছে।

    এ বিষয়ে পটিয়া পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক অরজিত কুমার দাশ বলেন, ‘১৪ জন নারী ও ৩২ জন পুরুষ শ্রমিক নিয়মিত বর্জ্য পরিষ্কারের কাজে নিয়োজিত। কিন্তু আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিনিয়ত সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।’

    পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) নেজামুল হক বলেন, ‘ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের জন্য পটিয়া সদরের ইন্দ্রপুল এলাকায় জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে মামলা জটিলতার কারণে কাজ আটকে আছে।’

    পটিয়া পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান বলেন, ‘একটি ডাম্পিং স্টেশন পটিয়া পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য এটি অত্যন্ত জরুরি। আশা করছি, দ্রুত কাজ শুরু করতে পারব।’

  • দেবিদ্বারে হাসনাত আবদুল্লাহর ব্লকেড কর্মসূচি ঘোষিত সেই সড়ক সংস্কার শুরু

    দেবিদ্বারে হাসনাত আবদুল্লাহর ব্লকেড কর্মসূচি ঘোষিত সেই সড়ক সংস্কার শুরু

    সংস্কারের দাবিতে এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর ব্লকেড কর্মসূচি দেয়া সেই কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের দেবিদ্বার অংশে অবশেষে সংস্কার কাজ শুরু করেছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)।

    মঙ্গলবার (৯ডিসেম্বর) দুপুরে দেবিদ্বার সদরের নিউমার্কেট এলাকায় ৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ২৫২ মিটার সড়ক ৪৮ ফুট প্রশস্ত করার কার্যক্রম শুরু করেছে অপসরা ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কাজটি শেষ হলে এ অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে বলে এলাকাবাসীর আশা।

    ভাঙা সড়কটি সংস্কারের দাবিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক ব্লকেড কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন।

    ওই সময় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মঈনুল হাসানের সঙ্গে হাসনাত আবদুল্লাহর মোবাইল ফোনের কথোপকথনের একটি অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। তাতে হাসনাত হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন- ২০ অক্টোবরের মধ্যে রাস্তার কাজ শুরু না হলে পরদিন দুপুর ২টার পর থেকে ওই রাস্তা দিয়ে একটি গাড়িও চলতে দেওয়া হবে না, প্রয়োজনে সেখানে ধান-মাছ চাষ হবে।

    অডিওটি ভাইরাল হওয়ার পরপরই কুমিল্লা সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা দেবিদ্বারের ভাঙা সড়ক পরিদর্শনে এসে দ্রুত সড়ক সংস্কারে আশ্বাস দিলে ওই কর্মসূচি স্থগিত করেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

    কুমিল্লা সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, দেবিদ্বার অংশের ফুলগাছতলা থেকে নিউমার্কেট পর্যন্ত ২৫২ মিটার সড়ক ২৪ ফুট করে মোট ৪৮ ফুট প্রশস্ত করা হবে। নির্মাণ কাজের সময় চার মাস ধরা হয়েছে।

  • ১২৫ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল এনসিপি

    ১২৫ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল এনসিপি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রথম ধাপে ১২৫ আসনে দলের প্রাথমিক মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

    বুধবার (১০ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন।

    তিনি বলেন, আমরা মনোনয়ন পত্র বিতরণের কাজ শেষ করেছি। আজকে প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করব। আজ যাদের নাম প্রকাশ করবো তাদের বিরুদ্ধে যদি অভিযোগ থাকে, সেটা তদন্ত করে প্রার্থিতা বাতিল করব।

    কোন আসনে এনসিপি প্রার্থী কে-

    পঞ্চগড়-১ আসনে মো. সারজিস আলম, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে মো. রবিউল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে, মো. গোলাম মর্তুজা সেলিম, দিনাজপুর-৩ আসনে আ হ ম শামসুল মুকতাদির, দিনাজপুর-৫ আসনে ডা. মো. আব্দুল আহাদ, নীলফামারী-২ আসনে ডা. মো. কামরুল ইসলাম দর্পন, নীলফামারী-৩ আসনে মো. আবু সায়েদ লিয়ন, লালমনিরহাট-২ আসনে রাসেল আহমেদ ও লালমনিরহাট-৩ আসনে মো. রকিবুল হাসান জাতীয় নাগরিক পার্টির হয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    রংপুর-১ আসনে মো. আল মামুন, রংপুর-৪ আসনে আখতার হোসেন, কুড়িগ্রাম-১ আসনে মো. মাহফুজুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-২ আসনে ড. আতিক মুজাহিদ, কুড়িগ্রাম-৩ আসনে ইঞ্জিনিয়ার মো. আবু সাঈদ জনি, গাইবান্ধা-৩ আসনে মো. নাজমুল হাসান সোহাগ, গাইবান্ধা-৫ আসনে ডা. আ. খ. ম. আসাদুজ্জামান, জয়পুরহাট-১ আসনে গোলাম কিবরিয়া, জয়পুরহাট-২ আসনে আবদুল ওয়াহাব দেওয়ান কাজল, বগুড়া-৬ আসনে আব্দুল্লাহ-আল-ওয়াকি ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে মু. নাজমুল হুদা খান (রুবেল খান) এনসিপির হয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    এছাড়া নওগাঁ-১ আসনে কৈলাশ চন্দ্র রবিদাস, নওগাঁ-২ আসনে মো. মাহফুজার রহমান চৌধুরী, নওগাঁ-৩ আসনে পরিমল চন্দ্র (উরাও), নওগাঁ-৪ আসনে মো. আব্দুল হামিদ, নওগাঁ-৫ আসনে মনিরা শারমিন, নাটোর-২ আসনে আব্দুল মান্নাফ, নাটোর-৩ আসনে অধ্যাপক এস. এম. জার্জিস কাদির, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে দিলশানা পারুল, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী (প্রীতি), সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে মনজুর কাদের ও সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে এস এম সাইফ মোস্তাফিজ জাতীয় নাগরিক পার্টির হয়ে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

  • লংগদুতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবসে মানববন্ধন

    লংগদুতে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবসে মানববন্ধন

    আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস-২০২৫ উপলক্ষে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির যৌথ উদ্যোগে, লংগদুতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদে জাতীয় সংগীত ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের একতা” গড়বে আগামী শুদ্ধতা”‘ এই স্লোগানকে সামনে রেখে দিবসটি পালিত হয়। মানববন্ধনে সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক -শিক্ষার্থীরা ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ,অংশ নেন এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    এসময় জনসাধারণের মাঝে দুর্নীতির ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে উদ্বুদ্ধ করা হয।

  • কাপ্তাইয়ে ধরা পড়ল ২৩ কেজি ওজনের কাতল!

    কাপ্তাইয়ে ধরা পড়ল ২৩ কেজি ওজনের কাতল!

    রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে জেলের জালে ধরা পড়েছে ২৩ কেজি ওজনের একটি কাতল মাছ। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় কাপ্তাই উপজেলার ১নং চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কয়লার ডিপুঘাট সংলগ্ন কর্ণফুলী নদীতে মাছ ধরতে গেলে স্থানীয় জেলে উজ্জ্বল মল্লিকের জালে মাছটি ধরা পড়ে।

    রাতে হরি মন্দির এলাকায় স্থানীয়দের কাছে প্রতি কেজি এক হাজার টাকা দরে মোট ২৩ হাজার টাকায় মাছটি বিক্রি করেন তিনি।

    মঙ্গলবার ফোনে বিষয়টি জানতে চাইলে জেলে উজ্জ্বল মল্লিক বলেন, সোমবার বিকালে কাচকি জাল নিয়ে কর্ণফুলী নদীতে মাছ ধরতে যাই। সন্ধ্যার দিকে কয়লার ডিপুঘাট এলাকায় জালে একটি বড় কাতল মাছ ধরা পড়ে। মাছটির ওজন ২৩ কেজি। এরপর স্থানীয়দের কাছে কেজি প্রতি এক হাজার টাকা দরে মাছটি বিক্রি করেছি।

    তিনি আরও জানান, এর আগেও তার জালে ২৩ কেজি ওজনের আরেকটি বড় মাছ ধরা পড়েছিল।

  • হবিগঞ্জে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫০

    হবিগঞ্জে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫০

    হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার কাকাইলছেও ইউনিয়নের চানপুর ও আনন্দপুরে ডেমিকান্দি গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে রাসেল মিয়া (৪৮) নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৫০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

    আহতদের মধ্যে রাব্বি মিয়া (১৮), ছাব্বির (২১), ইন্তাজ আলী (১৬), সেলিম (২৫), বাবলু (৩৫), জিয়াউর (৫০), তকদির(২৮), আলতু মিয়া (১৮), রায়হান (২৮), আশরাফ উদ্দিন( ২৪), মাসুম (২৬), জীবন (২৮), আমেনা খাতুন (২৫)। তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে আনন্দপুর গ্রামের আলকুরান সওদাগর গোষ্ঠী এবং কুমেদপুর গ্রামের হান্নান মিয়া গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। সম্প্রতি কাকাইলছেও পঞ্চায়েত কমিটি গঠন ও স্থানীয় বাজারে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে সেই বিরোধ আরও তীব্র আকার ধারণ করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দুই পক্ষ থেকে নানা উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়া হচ্ছিল।এর জের ধরেই সোমবার রাতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। আজ সকালে দুই পক্ষই দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে রাসেল মিয়া নিহত হন এবং অন্তত ৫০ জন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দীর্ঘ দুই ঘণ্টার চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।এ বিষয়ে উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মেডিকেল অফিসার অভিজিৎ পাল বলেন, হাসপাতালে নিয়ে আসার পর পরীক্ষা নিরীক্ষা করে রাসেল মিয়াকে মৃত্যু অবস্থায় পাই। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।আজমিরীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আকবর হোসেন বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। একজন হাসপাতালে নিহত হয়েছেন।

  • সকালে হাঁটতে বেরিয়ে প্রাণ গেল স্কুলশিক্ষকের

    সকালে হাঁটতে বেরিয়ে প্রাণ গেল স্কুলশিক্ষকের

    হবিগঞ্জের বাহুবলে ট্রাকচাপায় রূপজিত কর রাজু নামের এক স্কুলশিক্ষক নিহত হয়েছেন। রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ৭টার দিকে ঢাকা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার নতুনবাজার এলাকার বেন্দারপুল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত রূপজিত কর রাজু (৩৬) উপজেলার মিরপুর সানশাইন মডেল হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক এবং বানিয়াগাঁও গ্রামের নিপেশ করের ছেলে।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে চাকরিজীবী স্ত্রীকে কুলাউড়া যাওয়ার উদ্দেশে মিরপুর বাজারে বাসে তুলে দেওয়ার পর রাজু কর বাড়ি ফিরে আসেন। এরপর এলাকার আরও দুজনকে সঙ্গে নিয়ে মিরপুর-শ্রীমঙ্গল আঞ্চলিক মহাসড়ক ধরে নতুনবাজার এলাকায় হাঁটতে যান। সকাল ৭টার দিকে বেন্দারপুল এলাকায় পৌঁছলে শ্রীমঙ্গলগামী একটি সবজিবোঝাই ট্রাক তাদেরকে চাপা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।দুর্ঘটনায় রূপজিত কর রাজু ও ফুরঞ্জন দেব গুরুতর আহত হন। তাদেরকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসক রূপজিত কর রাজুকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত ফুরঞ্জন দেবকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন।বাহুবল মডেল থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার খবর শুনেছি। একজন শিক্ষক নিহত হয়েছেন।

  • বিতর্কিতদের নিয়ে এনসিপির কমিটি

    বিতর্কিতদের নিয়ে এনসিপির কমিটি

    ফেনীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদ্য ঘোষিত জেলা কমিটিকে ঘিরে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ফেনী প্রেসক্লাবে কমিটি ঘোষণার এক দিনের মাথায় সংবাদ সম্মেলন করেন কমিটিতে স্থান পাওয়া একাংশের নেতারা।

    এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কমিটিতে যুগ্ম সদস্য সচিব পদ পাওয়া আবদুল কাইয়ুম সোহাগ। এসময় উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জোবায়ের, ফজলে এলাহী সায়েমসহ অন্যরা।সংবাদ সম্মেলনে আবদুল কাইয়ুম সোহাগ অভিযোগ করে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ভাবনা ও সাংগঠনিক বিধি উপেক্ষা করে জেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটি গঠনে তৃণমূলের মতামত নেওয়া হয়নি। আন্দোলনের অগ্রভাগে থাকা অনেককে বাদ দিয়ে নতুন মুখ দিয়ে কমিটি করা হয়েছে। এমনকি চাঁদা ও ঘুষ সংক্রান্ত অভিযোগ থাকা দুই ব্যক্তিকেও কমিটিতে রাখা হয়েছে, যা জুলাই চেতনার পরিপন্থী। বিষয়টি কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীলদের জানালেও কোনো সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি। বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে নতুন কমিটি গঠন করা হোক।আরেক যুগ্ম সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জোবায়ের বলেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ও ৫ আগস্ট পরবর্তী এনসিপির কার্যক্রমে অগ্রভাগে থাকা সাবেক সমন্বয়ক আব্দুল আজিজ ও সক্রিয় সদস্য তাহমিদুল ইসলামকে কমিটিতে না রাখায় আমরা ক্ষুব্ধ। এনসিপির কার্যক্রম মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে হলে প্রকৃত আন্দোলনকারীদের জায়গা দিতে হবে। কেন্দ্রীয় নেতারা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে আশা করি।প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে আহ্বায়ক করা হয় জাহিদুল ইসলাম সৈকতকে এবং শাহ ওয়ালী উল্লাহ মানিককে সদস্য সচিব করা হয়।

  • ফ্যাসিবাদি সরকার পালিয়ে গেলেও দেশ ফাসিবাদমুক্ত হয়নি : শফিকুর রহমান

    ফ্যাসিবাদি সরকার পালিয়ে গেলেও দেশ ফাসিবাদমুক্ত হয়নি : শফিকুর রহমান

    শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বেলা পৌনে ২টায় ৮ দলের উদ্যোগে আয়োজিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘গাড়ি দিয়ে পালানোর সাহস বিগত ফ্যাসিবাদি সরকার হারিয়ে ফেলেছিল। এজন্য তারা আকাশপথে পালিয়েছে। দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবিকেও এই অপকর্মে ব্যবহারের অপচেষ্টা করেছিল। দেশের সবকিছু তারা ধ্বংস করেছে। ফ্যাসিবাদ বিদায় নিলেও দেশ এখনো ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়নি। ফ্যাসিবাদকে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াতে দেয়া হবে না।’ ৫ আগস্ট বিপ্লবের পরদিন থেকে একটি গোষ্ঠী প্রভাব বিস্তারের জন্য জনগণের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে জানিয়ে ডা: শফিকুর রহমান বলেন, ‘চাঁদাবাজি, দুর্নীতি অব্যাহত আছে। ক্ষমতায় না গিয়েও অনেকে ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছে। প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করছে।’

    ডা: শফিকুর রহমান আরো বলেন, ‘বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার নিজেদের উন্নয়ন করেছিল। রাস্তাঘাট তৈরি করেছিল রডের বদলে বাঁশ দিয়ে। বাংলাদেশের টাকা লুট করে সিঙ্গাপুরে গিয়ে তারা ব্যবসা শুরু করে দিয়েছে। শাপলা চত্বরে অসংখ্য আলেমকে হত্যা করা হয়েছিল। এরপর কুখ্যাত প্রধানমন্ত্রী বলেছিল রঙ দিয়ে শুয়েছিল। তারা রক্তাক্ত হাতে ক্ষমতায় এসেছিল রক্তাক্ত হাতেই বিদায় নিয়েছে।’

    তিনি আরো বলেন, ‘আমরা ৮ দলের বিজয় চাই না, ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। সেই আকাঙ্ক্ষার বিজয় হবে কোরআনের মাধ্যমে। চট্টগ্রাম থেকে ইসলামের বিজয়ের বাঁশি বাজানো হবে। আগামীর বাংলাদেশ হবে কোরআনের বাংলাদেশ।’

    ৫ আগস্ট বিপ্লবের পরদিন থেকে একটি গোষ্ঠী প্রভাব বিস্তারের জন্য জনগণের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে মন্তব্য করে ডা: শফিকুর রহমান বলেন, ‘চাঁদাবাজি, দুর্নীতি অব্যাহত আছে। ক্ষমতায় না গিয়েও অনেকে ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছে। প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করছে।’

    আন্দোলনরত ৮ দলের ৫ দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের লড়াই অব্যাহত থাকবে ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘ইসলামী দলগুলোর মধ্যে যে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই ঐক্য আমাদেরকে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত নিয়ে যাবে।’

    ‘প্রয়োজনে আবারো ৫ আগস্ট সংঘটিত হবে,’ হুঁশিয়ার করেন তিনি।

    সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশ গরীব-দুঃখী-মেহনতি মানুষের রক্তে গড়া। বনেদিদের বাংলাদেশ আর থাকবে না। অনেক দল থেকে আসন সমঝোতার অফার দেয়া হয়েছিল। আমরা বাংলাদেশের অধিকার মালিকানা কায়েম করতে চাই। ইসলামের বার্তা পৌঁছে দিতে চাই। পুঁজিবাদি অর্থব্যবস্থার কবর রচনা করে আল্লাহর আইনের ব্যবস্থা রচনা করা হবে।’

    তিনি বলেন, ‘এবার ইসলামী দলগুলো ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলার মাটিতে জেগে উঠেছে। সকল চক্রান্ত, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্যদিয়ে জনতার বিজয় হবে।’

    বাংলার মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ উল্লেখ করে মামুনুল হক বলেন, “দলীয় প্রতীকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি ‘হ্যাঁ’ ভোটের বাক্স ভরতে হবে। নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা দেখা দিলে সরকারকে তার দায় নিতে হবে।”

    তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।

    সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, ‘ব্রিটিশ এই দেশ থেকে চলে গেলেও ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধেও বৈষম্য দূর হয়নি। সেই থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত যারা শাসক ছিল তারা বৈষম্য থেকে মুক্তি দিতে পারেনি। তাই ৫ আগস্টের আন্দোলনে হাজার হাজার জীবনের বিনিময়েও মানুষ মুক্তি পায়নি। আগামীতে আবারো চাঁদাবাজ, জালেমদের বিরুদ্ধে আন্দোলন হবে। ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলে বৈষম্য থাকবে না। কেউ দশ তলায় কেউ নিচতলায় থাকবে সেটা আর হবে না।’

    তিনি বলেন, ‘আমরা ইসলামের পক্ষে, বাংলাদেশের পক্ষে থাকতে চাই। ইসলামকে বিজয় করার জন্য চেষ্টা করতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থাকলে ইসলাম আগামীতে ক্ষমতায় যাবে ইনশাআল্লাহ। যথাসময়ে নির্বাচন দিতে হবে। কোনো ষড়যন্ত্র দেশের মানুষ মানবে না। হুমকি-ধমকি চলবে না। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে।’

    জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘আসুন আমরা ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে চট্টগ্রামকে ইসলামের ঘাঁটি বানাই। চট্টগ্রামের মাটি ইসলামের ঘাঁটি। ৮ দলের এই শক্তি ক্ষমতায় গেলে আপনারাই দেশ শাসন করবেন। কারো দাদার শক্তিতে এ দেশ আর চলবে না।’

    তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদশ এমন পর্যায়ে দাঁড়াবে বিদেশীরা এখানে পড়ালেখা করতে আসবে, আমাদের দেশে কাজ করতে আসবে। আসুন আমরা সবাই মিলে সেই দেশ গড়ি।’

    ৮ দলের প্রধানদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির অধ্যক্ষ মাওলানা সরওয়ার কামাল আজিজী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন।

    সমাবেশে ৮ দলের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান মুন্সি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব আলাউল্লাহ আমিন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব আল্লামা মুফতি মুসা বিন ইজহার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির মাওলানা আলী উসমান, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান, খেলাফত মজসিলের যুগ্ম মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক আহসানুল্লাহ ভূঁইয়া, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, ইসলামী

    আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মুফতি রেজাউল করিম আববার, খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মহিউদ্দিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগরী আমির মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চট্টগ্রাম মহানগরী সহ-সভাপতি এডভোকেট আব্দুল মোতালেব, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি আবু মুজাফফর মোহাম্মদ আনাছ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগর আমির মাওলানা এমদাদ উল্লাহ সোহাইল, খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি অধ্যাপক খুরশিদ আলম ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি চট্টগ্রাম মহানগর আমির মাওলানা জিয়াউল হোসাইন।

    আরো বক্তব্য রাখেন- জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আমির মুহাম্মদ আলাউদ্দীন সিকদার, দক্ষিণ জেলা আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা আমির অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহম্মদ আনোয়ারী, চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার, মোহাম্মদ উল্লাহ ও মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোবায়ের মাহমুদ প্রমুখ।

    সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রাম জামায়াতের অঞ্চল টিম সদস্য মুহাম্মদ জাফর সাদেক, অধ্যক্ষ আমিরুজ্জামান, মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, অধ্যাপক মুহাম্মদ নুরুল আমিন চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামী বান্দরবান জেলা আমির মাওলানা আবদুস সালাম আজাদ, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা আমির অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল আলিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি আল মুহাম্মদ ইকবাল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা রিদোয়ানুল ওয়াহেদ, খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা জালাল উদ্দীন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা আনোয়ার হোসেন রব্বানী, জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সেক্রেটারি মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার, দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হক, কক্সবাজার জেলা সেক্রেটারি জাহেদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবু সাঈদ নোমান ও মাওলানা মোহাম্মদ ফয়সাল, নগর জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা: এ কে এম ফজলুল হক, ডা: ছিদ্দিকুর রহমান, এস এম লুৎফর রহমান, শ্রমিক নেতা মুহাম্মদ ইসহাক, হামেদ হাসান ইলাহী, আমির হোসাইন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহসভাপতি নুর উদ্দিন, জামায়াত নেতা আবদুল্লাহ আল ফারুক ও অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান প্রমুখ।

    ওইদিন সকাল থেকে নগরীর ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে মিছিলে মিছিলে জড়ো হতে থাকেন ৮ দলের নেতাকর্মী ও নগরবাসী। দুপুর পৌনে ২টা থেকে শুরু হয় সমাবেশের মূল কার্যক্রম। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।

    বক্তাদের বক্তব্যের সময় নেতাকর্মীরা পাঁচদফা দাবি নিয়ে স্লোগান দেন।

  • একটি সড়কের অপেক্ষায়

    একটি সড়কের অপেক্ষায়

    গ্রামের নাম কাঠালিয়া। চাঁদপুরের কচুয়া ও মতলব দক্ষিণ উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় গ্রামটির অবস্থান। কচুয়া উপজেলার ৫ নম্বর পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এ গ্রামে প্রায় এক হাজার ২শ জনসংখ্যা। অধিকাংশ মানুষ মৎস্যজীবী ও কৃষি শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।

    কাঠালিয়া গ্রামের বাসিন্দা মৎস্য ব্যবসায়ী মাধব সরকার বলেন, আমার বয়স ৫৮। সেই শৈশব কাল থেকে দেখে আসা যাতায়াতের কষ্ট যেন শেষ হয়নি আজও। শেষ বয়সে এসেও আধুনিক যুগে এমন দুর্বিষহ কষ্ট আমাদের গ্রামের মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী।

    দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও যাতায়াতের জন্য একটি রাস্তা পায়নি কাঠালিয়া গ্রামের মানুষজন। গ্রামটিতে রাস্তা না থাকার কারণে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদেরকে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও রোগীদের যাতায়াতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট ভোগ করতে হচ্ছে। গ্রামবাসী বর্ষা মৌসুমে কখনও নৌকায়, আবার কখনও হাঁটু বা কোমর পানিতে এবং গ্রীষ্ম মৌসুমে ইরি ক্ষেতের কর্দমাক্ত আইল দিয়ে যাতায়াত করছে।

    ওই গ্রামের কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের গ্রামে যাতায়াতের জন্য কোনও রাস্তা না থাকায় সময়মতো স্কুল-কলেজে যেতে পারছি না। এতে পড়ালেখায় আমরা অনেক পিছিয়ে যাচ্ছি। বর্ষা মৌসুমে নৌকা দিয়ে পারাপার হতে হয়।
    দ্রুত রাস্তা নির্মাণের দাবি জানান তারা।

    কাঠালিয়া গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, আমাদের গ্রামটি দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী হওয়ায় আমরা অবহেলিত। দুই উপজেলার মধ্য দিয়ে চলাচলে পথ। একটি পক্ষ আদালতে মামলা করলে সেখানে রাস্তার নির্মাণ কাজ থমকে যায়। আধুনিক যুগেও একরকম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন জনপদের নাম কাঠালিয়া গ্রাম। অনেকেই জনপ্রতিনিধি হয়ে আসেন কিন্তু আমাদের দুঃখ ও দুর্ভোগ দেখার কেউ নেই।

    স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বলেন, অনেক বছর ধরে ওই গ্রামে রাস্তা নেই। কিছুদিন আগে আমি ওই গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে যাতায়াতের রাস্তা নির্মাণের জন্য পরিদর্শন করি। কিন্তু যে স্থানে রাস্তা নির্মাণ করা হবে তার দু পাশে কৃষকের মালিকানা জমি থাকায় এবং মামলা থাকায় রাস্তা নির্মাণে সমস্যা হচ্ছে। তবে মতলব ও কচুয়া জনপ্রতিনিধির সমন্বয়ে দ্রুত রাস্তাটি নির্মাণে চেষ্টা চলছে।

    উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল আলিম লিটন বলেন, সম্প্রতি উপজেলার বিভিন্ন স্থানের রাস্তা নির্মাণ কাজের বরাদ্দের বিষয়ে যাবতীয় তথ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। কাঠালিয়া গ্রামের রাস্তাটি বরাদ্দের আওতায় বাদ পড়লে তালিকা তৈরি করে পুনরায় পাঠানো হবে।

    উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাজাহান শিশির বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পরে আমি দুবার কাঠালিয়া গ্রাম পরিদর্শন করি। রাস্তা না থাকায় আমি ও আমার সঙ্গের লোকজনকে ওই গ্রামে যেতে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়। রাতে গ্রামবাসীর চলাচলের সুবিধার জন্য আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৪টি সৌর বিদ্যুতের ব্যবস্থা করেছি। কাঠালিয়া গ্রামের মানুষ অনেক কষ্টে যাতায়াত করেন এবং দুর্ভোগ নিরসনের জন্য আমরা জোরালো চেষ্টা করছি।

  • ফরিদগঞ্জে কৃষক প্রতিনিধিদের সাথে সভা

    ফরিদগঞ্জে কৃষক প্রতিনিধিদের সাথে সভা

    চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সেচ সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে কৃষক প্রতিনিধিদের সাথে প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রধানদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেটু কুমার বড়ুয়ার সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    এসময় সেচ সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে কৃষকদের নানান সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান শেষে দ্রুত তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। কৃষকদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন, কৃষক সংগ্রাম কমিটি চাঁদপুর-লক্ষীপুর সংগঠনের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলমগীর হোসেন দুলাল।

    সভায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কল্লোল কিশোর সরকার, চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২’র ফরিদ্গঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. সাইফুল আলম, প্রেসক্লাবের সভাপতি মামুনুর রশিদ পাঠান, পানি উন্নয়ন বোর্ড চাঁদপুর’র উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোস্তাফিজুুর রহমান, বিএডিসি চাঁদপুর (ক্ষুদ্রসেচ) ইউনিট’র উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আল-আমিনসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত কৃষক প্রতিনিধি ও কৃষির সাথে সম্পক্ত দপ্তরের দায়িত্বশীল প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • চাঁদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যসহ আটক ৫১

    চাঁদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যসহ আটক ৫১

    চাঁদপুরে পৃথক অভিযানে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যসহ ৫১ জনকে আটক করা হয়েছে। আজ সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাহার মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    গতকাল রোববার (৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকে শুরু করে মধ্য রাত পর্যন্ত চাঁদপুর শহরের মুখার্জিঘাট, চৌধুরীঘাট, লন্ডনঘাট, ছায়াবানী মোড় ও পৌর সিএনজি স্ট্যান্ড (পুরান আদালতপাড়া), কালীবাড়ি প্ল্যাটফর্মসহ বেশ কিছু এলাকায় অভিযান চালায় সদর মডেল থানার পুলিশ। এতে ৪৫ জন কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কিশোর অপরাধী সন্দেহে ছয়জনকে আটক করে।

    সদর মডেল থানার ওসি বলেন, যাদের আটক করা হয়েছে, প্রাথমিকেভাবে যাচাই-বাছাই শেষে কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকলে বা যাদের বিরুদ্ধে অপরাধ-সম্পর্কিত তথ্য পাওয়া যাবে, তাদের ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • মেহেরপুরে বিএনপির মনোনয়ন দ্বন্দ্বে পাল্টাপাল্টি হামলা

    মেহেরপুরে বিএনপির মনোনয়ন দ্বন্দ্বে পাল্টাপাল্টি হামলা

    মেহেরপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমজাদ হোসেনের মনোনয়ন পাওয়ায় বঞ্চিত প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে হামলা, পাল্টা হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।মঙ্গলবার দুপুরে গাংনী বাজারে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত সাবেক এমপি আমজাদ হোসেন ও জেলা বিএনপির সভাপতি জাবেদ মাসুদ মিল্টন পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।এ সময় গাংনী উপজেলা বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর করে মেহেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি জাবেদ মাসুদ মিল্টনের সমর্থকরা। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে অন্তত ২০টি মোটরসাইকেল ও কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও গাংনী বাজারজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে।আমজাদ হোসেনের সমর্থকরা জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মেহেরপুর-২ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমজাদ হোসেন নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাসস্ট্যান্ড দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় মনোনয়ন বঞ্চিত জেলা বিএনপির সভাপতি জাবেদ মাসুদ মিল্টন পক্ষের সমর্থকরা অতর্কিতভাবে তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে আমজাদ হোসেন তার কার্যালয়ে আশ্রয় নিলে মিল্টনপন্থীরা গাংনী উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং কার্যালয়ের সামনে থাকা অন্তত ২০টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।এদিকে হামলার খবর পেয়ে হাসপাতাল বাজার থেকে গাংনী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবলুর নেতৃত্বে আমজাদ হোসেন পক্ষের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে গাংনী বাসস্ট্যান্ড চত্বরে আসে। এ সময় আমজাদ হোসেনপন্থী উত্তেজিত নেতাকর্মীরা জাবেদ মাসুদ মিল্টনের অফিসে হামলা চালায়। অবস্থা বেগতিক দেখে মিল্টনপন্থীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এতে গাংনী বাজারজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে দোকানপাট বন্ধ করে দেয়। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর টহল দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এরপরও আবার হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে; শেষ পর্যন্ত পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।চলমান এই ঘটনায় আমজাদ হোসেনের সমর্থকরা দুপুর ৩টার দিকে গাংনী বাজারে অতর্কিত হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে গাংনী উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশ করে তারা।এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি জাবেদ মাসুদ মিল্টন বলেন, ‘সংঘর্ষের ঘটনাটি দুঃখজনক। বিষয়টি আমি পরে জেনেছি। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।’গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বনি ইসরাইল বলেন, গাংনী শহরজুড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

  • বাংলাদেশ থেকে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট যাবে পাকিস্তানে

    বাংলাদেশ থেকে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট যাবে পাকিস্তানে

    বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানের করাচিতে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট পরিচালনার জন্য বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।গতকাল বুধবার পাকিস্তানের ফরেন সার্ভিসেস একাডেমিতে বক্তব্য দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। ইকবাল হোসেন খান বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইট শুরু করছি। আমাদের জাতীয় বিমান সংস্থা করাচিতে তিনটি সাপ্তাহিক ফ্লাইট পরিচালনা করবে।’ফ্লাইটের রুট ভারতের আকাশসীমা ব্যবহার করবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ভারতীয় উড়োজাহাজ যেমন বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারে, তেমনি বিমানের ফ্লাইটও ভারতীয় আকাশসীমা ব্যবহার করে চলবে।’ভারতের আকাশসীমা ব্যবহারে পাকিস্তানের ওপর নিষেধাজ্ঞার কারণে পাকিস্তানি বিমান সংস্থাগুলোর ঢাকা রুটে শিগগির ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা কম।পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়ে হাইকমিশনার বলেন, ‘পাকিস্তান ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ব্যাপকভাবে বাড়ানোর সুযোগ আছে। কিন্তু সরাসরি প্রবেশাধিকার না থাকায় বাণিজ্য সীমিত। অতীতে রেলপথে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বাণিজ্য হতো। কিন্তু বর্তমানে পাকিস্তানের খেজুর দুবাই হয়ে আঞ্চলিক বাজারে পৌঁছায়।

  • আজ চুয়াডাঙ্গায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

    আজ চুয়াডাঙ্গায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

    চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি

    দেশের বিভিন্ন জেলায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা। চুয়াডাঙ্গায় শীত বাড়ায় বড় প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায়। বিশেষ করে রিকশাচালক ও নিম্নআয়ের মানুষের কষ্ট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে।

    বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ভোর ৬টা ও সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
    এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ৮৯ শতাংশ ছিল বলে জানিয়েছেন জেলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ইনচার্জ জামিনুর রহমান।

    সরেজমিনে দেখা যায়, ভোর থেকে ঘন কুয়াশায় পুরো জেলা ঢেকে গেছে। শহরের রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা। এরপরেও জীবনের তাগিদে শীতের তীব্রতাকে উপেক্ষা করে কাজের জন্য বের হয়েছেন রিকশাচালক, দিনমজুর।

    এক রিকশাচালক জানান কয়েকদিন ধরে খুব ঠান্ডা। এই ঠাণ্ডায় ভোরে বের হওয়া খুব কষ্ট। যাত্রী কম, আয়ও কমে গেছে।

    নিম্নআয়ের এক শ্রমিক বলেন, গরম কাপড় ঠিকমতো নেই। এই শীতে আমাদের কষ্ট বাড়ছে।

    এর আগে বুধবার (৩ ডিসেম্বর) জেলার তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কিন্তু আজকের নিম্ন তাপমাত্রা মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

    আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ জামিনুর রহমান বলেন, আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা আরও কমতে পারে। ফলে শীতের তীব্রতা বাড়বে।

  • আজ থেকে সেন্টমার্টিনে রাতযাপনের অনুমতি পাচ্ছেন পর্যটকরা

    আজ থেকে সেন্টমার্টিনে রাতযাপনের অনুমতি পাচ্ছেন পর্যটকরা

    পর্যটন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞার ১০ মাস পর দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে অবশেষে রাতযাপনের সুযোগ পাচ্ছেন পর্যটকরা। আজ সোমবার চারটি জাহাজ কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে যাত্রার অনুমতি পেয়েছে। আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত এই অনুমতি বহাল থাকবে।

    সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জেলা প্রশাসনের অনুমোদনক্রমে প্রতিদিন সকাল ৭টায় উত্তর নুনিয়াছড়া জেটিঘাট থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে জাহাজগুলো ছেড়ে যাবে। তবে, পর্যটকদের রাতযাপনের অনুমতি থাকলেও পর্যটকবাহী জাহাজগুলো একই দিন বেলা ৩টায় সেন্টমার্টিন থেকে ফিরতি যাত্রা করবে। সেক্ষেত্রে পর্যটকরা পরেরদিন বেলা ৩টায় ফিরতে পারবেন।কর্তৃপক্ষ আরো জানায়, প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটক সেন্টমার্টিনে ভ্রমণ ও রাতযাপন করতে পারবেন। তবে, দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পর্যটকদের সরকার প্রদত্ত বিধিনিষেধ ও নির্দেশনা কঠোরভাবে মানতে হবে।জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, প্রথম দিনের যাত্রার জন্য এরই মধ্যে দেড় হাজারের বেশি অগ্রিম টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে।এর আগে, দীর্ঘ ৯ মাসের নিষেধাজ্ঞার পর গত ১ নভেম্বর সীমিত পরিসরে সেন্টমার্টিন ভ্রমণের অনুমতি দেয় সরকার। কিন্তু, রাতযাপনের অনুমতি না থাকায় গত এক মাসে কোনো পর্যটকবাহী জাহাজ দ্বীপটিতে যাত্রা করেনি। এছাড়া কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন রুটের পাশাপাশি টেকনাফ-সেন্টমার্টিন সমুদ্রপথও বছর খানেক সময় ধরে বন্ধ ছিল।কক্সবাজার জেলা প্রশাসক আ. মান্নান বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপ আমাদের জাতীয় সম্পদ। এই সম্পদ রক্ষায় দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও টেকসই পর্যটনে সহায়তার জন্য পর্যটকদের সহযোগিতা করতে হবে।জেলা প্রশাসন কর্তৃপক্ষ জানায়, ভ্রমণকারীদের বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড অনুমোদিত পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে টিকিট কিনতে হবে। এছাড়া সেন্টমার্টিনে রাতযাপন করতে হলে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার ঘোষিত ১২ দফা নির্দেশনা পর্যটকদের কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। দ্বীপের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করতে পর্যটকের সংখ্যা ও ভ্রমণ সময় নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে বলেও জানানো হয়।

  • জীবননগরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী রুহুল আমিন

    জীবননগরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী রুহুল আমিন

    চুয়াডাঙ্গা-২ (জীবননগর-দামুড়হুদা) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ও চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন রোববার দুপুরে জীবননগরে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

    জীবননগর উপজেলা জামাতের এই মতবিনিময় সভায় তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজের নির্বাচনী অঙ্গীকার, উন্নয়ন ভাবনা এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।
    অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন বলেন, জনগণের কল্যানে একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যলয়, চ্যাংখালী স্থলবন্দর, জনগনের অধিকার প্রতিষ্ঠা, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে, তিনি কাজ করতে চান। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের ভূমিকা ও সহযোগিতার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন।মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জীবননগর উপজেলা জামাতের সেক্রেটারী মাহফুজুর রহমান, অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথী হিসেবে উপস্থীত ছিলেন জেলা জামাতের নায়েবে আমির মাওলানা আজিজুর রহমানসহ স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ, সমর্থক ও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

  • জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশে বেকার থাকবেনা – এটিএম আজহার

    জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দেশে বেকার থাকবেনা – এটিএম আজহার

    চৌগাছা প্রতিনিধি

    জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, জামায়াত দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে তার সরকার সর্বপ্রথম দেশ থেকে দুর্নীতি মুক্ত করার চেষ্টা করবে। তিনি বলেন, এ দেশটা গরীব দেশ না, সম্পদশালী দেশ। এ দেশে চরিত্রবান নেতাদের অভাব। সে কারনে দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে।

    রোববার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে যশোরের চৌগাছা উপজেলা জামায়াতের আয়োজনে বিশাল জনসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

    চৌগাছা সরকারি শাহাদৎ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় উপজেলা জামায়াতের আমীর মাও.গোলাম মোরশেদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি আরো বলেন, আমি ফ্যাসিষ্ট সরকারের মিথ্যা মামালায় ফাঁসির দন্ডপ্রাপ্ত ছিলাম। একটি না তিনটি মিথ্যা মামলায় আমাকে ফাঁসি রায় দেওয়া হয়। ২৪শের আন্দোলনে, অনেকে বলেন ২য় স্বাধীনতা। সেই আন্দোলনের পরে আমি মুক্ত হয়েছি। তিনি বলেন, অনেকেই বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে আপনারা দুর্নীতি করবে না তার প্রমাণ কি? আমাদের দুই মন্ত্রী তিনটি মন্ত্রণালয় চালিয়েছে সেখানে সবাই খুঁজে কোন দুর্নীতির প্রমাণ করতে পারে নাই। তিনি বলেন আমরা ক্ষমতায় গেলে ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে বেকারত্ব দূর করবো। দেশে বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকা যাকাত আদায় করা সম্ভব। যাকাত ভিত্তিক অর্থনীতির মাধ্যমে সেই টাকা দিয়ে দেশের উন্নয়ন করা হবে।

    তিনি বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়, আমরা অমুসলিমদের মুসলমান বানাবো। আপনারা দেখেছেন আওয়ামীলীগের আমলে মন্দিরে হামলা করে জামায়াত শিবিরকে দায়ী করা হয়েছে। অথচ গত দুই বছরে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা মন্দির পাহারা দিয়েছে। নিরাপদে সনাতনী ভাইয়েরা তাদের পূজা সম্পন্ন করেছেন।

    এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, অনেক নেতা বিদেশে আছেন। তারা দেশে আসার সাহস পাচ্ছেন না। কারন তারা ইংল্যান্ডের নাগরিকত্ব লাভ করেছেন। নাগরিকত্ব ছেড়ে দিয়ে দেশে আসতে হবে। ভয় পাচ্ছেন, নাগরিকত্ব ছেড়ে দিলাম। দেশে এসে নিরাপদ প্রধানমন্ত্রী হইতে না পারলাম। আমার একূল-ওকূল দুই কূলই গেলো। আসার সাহস পাচ্ছে না। কিন্তু আমাদের এই ভাই (যশোর-২ আসনের প্রার্থী মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ) অবিশ্বাস্য হলেও সত্য ত্রিশ বছর ধরে এত সুন্দর জীবন-যাপন করছিলেন। তার আরও উপার্জন করার সুযোগ ছিলো। আন্ত র্জাতিকভাবে উঁচু যায়গায় যাওয়ার সুযোগ ছিলো। কিন্তু আমীরে জামায়াতের কথা শুনে আনুগত্য করে দুনিয়ার সমস্ত সুখ শান্তি ছেড়ে দিয়ে আপনাদের পাশে এসে দাড়িয়েছেন। আপনারা কি তার পাশে দাড়াতে পারেন না?

    তিনি বলেন, সারাদেশে দাড়িপাল্লার জোয়ার উঠেছে। এটা জোয়ারে ভীত হয়ে আমাদের উপর হামলা করার চেষ্টা করছে। আমরা পরিস্কার বলতে চাই আমরা কারও উপর হামলা করবো না। তবে কেউ হামলা করতে আসলে আমাদের কর্মীরাও তাদের ছেড়ে দেবেনা।

    জনসভায় যশোর-২, (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ঢাকা মেডিকেল কলেজ ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি শিশুহৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ প্রধান বক্তার বক্তৃতা করেন।

    উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সহকারী অধ্যাপক নূরজ্জামান আল মামুন, সহকারী সেক্রেটারী মাস্টার কামাল আহমেদ বিশ্বাস ও মাওলানা গিয়াস উদ্দীনের যৌথ সঞ্চালনায় জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও যশোর-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক মোবারক হুসাইন। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

    বক্তৃতায় মোবারক হোসেন বলেন, ইসলামই পারে এদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে।

    ড. শফিুল ইসলাম মাসুদ বলেন, যে দলের কর্মীরা নামাজ চলমান অবস্থায় নিজ দলের কর্মীকে হত্যা করে। তাদের তো রাজনীতিই করার যোগ্যতা নেই। স্বাধীনতার পর ৫৪ বছর পার হয়েছে। ৫৪ বছরে দলের পর দল, প্রতীকের পর প্রতীক দেখতে দেখতে আমরা ক্লান্ত। এবার আওয়াজ তুলতে হবে জমিন যার, আইন তার। সব দল দেখা শেষ, ইসলামের বাংলাদেশ। সব দেখেছি বারবার, ইসলাম এইবার। ডা. মোসলেহ উদ্দীন ফরিদ বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে নারীদের ৫ঘন্টা কাজ করে ৮ঘন্টার বেতন দেবে। সরকার ভূর্তকী দেবে। তিনি বলেন আমরা চাঁদাবাজ মুক্ত দেশ গড়বো।

    জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যশোর আদ্ দ্বীন হাসপাতালের পরিচালক ডা. ইমদাদুল হক, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও যশের-কুষ্টিয়া অঞ্চল পরিচালক যশোর-১ (শার্শা) আসনের এমপি প্রার্থী মাওলানা আজিজুর রহমান, যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনের এমপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক, যশোর জেলা আমীর ও যশোর-৪ (অভয়নগর-বাঘারপাড়া) আসনের এমপি প্রার্থী অধ্যাপক গোলাম রসুল, জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, ডাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন, যশোর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী অধ্যক্ষ আবু জাফর সিদ্দিকী, ঝিনাইদহ-৩ (মহেশপুর-কোটচাঁদপুর) আসনে জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী অধ্যাপক মতিয়ার রহমান, ঝিনাইদ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি প্রার্থী মাওলানা আবু তালেব, শার্শা উপজেলা আমীর উপাধ্যক্ষ ফারুক হাসান, ঝিকরগাছা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল আলীম, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের মজলিশে শূরা সদস্য মাওলানা হাফিজুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা নূরুল ইসলাম, চৌগাছা কামিল মাদরাসা মসজিদের খতিব মাওলানা আলী আকবার, উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী মাস্টার রহিদুল ইসলাম খান, চৌগাছা পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল খালেক, চৌগাছা আদর্শ সাথী শাখা ছাত্র শিবিরের সভাপতি মো. আবু সাঈদ প্রমুখ।

  • ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৬৩৬

    ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৬৩৬

    সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৩৬ জন।

    এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮২ জনে এবং শনাক্ত রোগী বেড়ে ৯৪ হাজার ৪০২ জনে দাঁড়িয়েছে।রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় যারা ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তাদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ৭৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৯৫ জন, ঢাকা বিভাগে ১১৬ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৪৭ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৭৪ জন, খুলনা বিভাগে ৫৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৭ জন, রংপুর বিভাগে দুজন ও সিলেট বিভাগে ৯ জন রয়েছেন।২৪ ঘণ্টায় যে পাঁচজন মারা গেছেন তাদের মধ্যে তিনজনের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে, একজনের চট্টগ্রাম বিভাগে ও একজনের খুলনা বিভাগে মৃত্যু হয়েছে।এই সময়ে ৮০৩ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯২ হাজার ২৫ জন।২০২৪ সালে দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের। এর আগের বছর ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে মারা যান সর্বোচ্চ ১ হাজার ৭০৫ জন এবং আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।

  • চৌগাছায় পুলিশ সদস্য নিখোঁজ

    চৌগাছায় পুলিশ সদস্য নিখোঁজ

    যশোরের চৌগাছায় আক্তারুজ্জামান (৪৬) নামের এক পুলিশ সদস্য তিন দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ পুলিশ সদস্যের বিষয়ে চৌগাছা থানায় অভিযোগ করেছেন তার স্ত্রী শাহিনা আক্তার শিমা।

    নিখোঁজ আক্তারুজ্জামান উপজেলার সিংহঝুলি ইউনিয়নের জামলতা গ্রামের মৃত আনিচুর বিশ্বাসের ছেলে। তিনি খুলনা রেঞ্জের বাগেরহাট জেলার রামপাল থানায় কর্মরত আছেন। তার বিপি নং ৮৪০৩০২৪৬৪৪।

    ২৬ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে নিখোঁজ পুলিশ সদস্যের স্ত্রী শাহিনা আক্তার চৌগাছা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন। ‘আমার তিন সন্তান নিয়ে চৌগাছা শহরের ইছাপুর গ্রামের বিল্লাল হোসেনের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছি। আমার স্বামী ২৬ নভেম্বর ৫ দিনের জন্য ছুটি নিয়ে চৌগাছায় আসেন। ২৭ নভেম্বর সকালে মহেশপুর যাওয়ার কথা বলে তিনি বাড়ি থেকে বের হয়। এর পরে তিনি আর ফিরে আসেননি’। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বাসায় রেখে যান। (তার ব্যবহৃত ফোন নম্বর-০১৭৯০০১৫৬৭৭৫ এবং ০১৯৫৩৮২৪৪৫২) যে কারনে আক্তারুজ্জামানের সাথে কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে জানান শাহিনা আক্তার।

    নিখোঁজ আক্তারুজ্জামানের স্ত্রী শাহিনুর আক্তার জানান, তিনধরে স্বামী আক্তারুজ্জামানের কোনো সন্ধ্যান না পেয়ে থানায় অভিযোগ করেছি।

    চৌগাছা থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

  • দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয় : তারেক রহমান

    দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয় : তারেক রহমান

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বর্তমানে সিসিইউতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে আছেন। এমন পরিস্থিতিতে বর্তমান সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহস্পর্শ লাভের তীব্র আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তবে তিনি বলেছেন, তার দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত তার একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

    তারেক রহমান ফেসবুকে লেখেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সঙ্কটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন। তার রোগমুক্তির জন্য দল-মত নির্বিশেষে দেশের সকল স্তরের নাগরিক আন্তরিকভাবে দোয়া অব্যহত রেখেছেন। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা তার রোগমুক্তির জন্য দোয়ার সাথে সাথে চিকিৎসার সর্বত সহায়তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন।তিনি বলেন, ‘দেশ-বিদেশের চিকিৎসক দল বরাবরের মতো তাদের উচ্চমানের পেশাদারিত্ব ছাড়াও সর্বোচ্চ আন্তরিকত সেবা প্রদান অব্যহত রেখেছেন। বন্ধু-প্রতীম একাধিক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সকল প্রকার সহযোগিতার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করা হয়েছে।তারেক রহমান উল্লেখ করে, সর্বজন শ্রদ্ধেয়া বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সকলের আন্তরিক দোয়া ও ভালোবাসা প্রদর্শন করায় জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। একই সাথে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তির জন্য সকলের প্রতি দোয়া অব্যহত রাখার জন্য ঐকান্তিক অনুরোধ জানাচ্ছি।

  • তৃতীয়বারের মতো জামায়াতের আমির হিসেবে শপথ নিলেন ডাঃ শফিকুর রহমান

    তৃতীয়বারের মতো জামায়াতের আমির হিসেবে শপথ নিলেন ডাঃ শফিকুর রহমান

    ৯ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশের সদস্যদের (রুকনদের) কাছ থেকে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হয়। এতে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, ২০২৬-২০২৮ কার্যকালের জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোট পেয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির নির্বাচিত হন ডা: শফিকুর রহমান।

    শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর আল-ফালাহ মিলনায়তনে এ শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।এর আগে, ৯ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশের সদস্যদের (রুকনদের) কাছ থেকে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হয়। ভোটগ্রহণের কার্যক্রম শেষে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত টিম ভোট গণনা শেষ করেন।পরে ১ নভেম্বর রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংগঠনের আমির নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, ২০২৬-২০২৮ কার্যকালের জন্য সর্বোচ্চ সংখ্যক ভোট পেয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির নির্বাচিত হন ডা: শফিকুর রহমান।

  • হংকংয়ে ভয়াবহ আগুনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২৮

    হংকংয়ে ভয়াবহ আগুনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২৮

    হংকংয়ে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ আগুনে শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১২৮ জনে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তাই পো জেলার একটি আবাসিক কমপ্লেক্সে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, নিহতদের মধ্যে একজন দমকলকর্মীও রয়েছেন। এছাড়াও ১১ জন দমকলকর্মীসহ ৭৯ জন আহত হয়েছেন। উদ্ধার অভিযান এখনো চলমান, যদিও ওয়াং ফুক কোর্ট অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সের সব ব্লকের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।

    নিরাপত্তা সচিব ক্রিস ট্যাং পিং-কেউং জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা এখন ১২৮ জনে পৌঁছেছে। আরো লাশ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কর্তৃপক্ষ ৪৬৭ জন ব্যক্তির নিখোঁজ হওয়ার রিপোর্ট পেয়েছে। এছাড়াও প্রায় ২০০ জন ‘অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে’ রয়েছেন। এর মধ্যে ৮০ জনের লাশ রয়েছে যাদের ‘শনাক্ত করা যাচ্ছে না’।বুধবার দুপুরের দিকে এক হাজার ৯০০টিরও বেশি অ্যাপার্টমেন্ট নিয়ে গঠিত এই কমপ্লেক্সে আগুন লাগে। ভবনগুলোর সংস্কার কাজের জন্য বাইরের দিকে বাঁশের ভারা লাগানোর কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।পুলিশ এ ঘটনায় প্রেস্টিজ কনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানির দুই পরিচালক ও একজন পরামর্শদাতাকে আটক করেছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, সংস্কারের জন্য ব্যবহৃত বাঁশ ও ফোম প্লাস্টিকের উপকরণ দিয়ে জানালাগুলো ঢেকে রাখার কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

  • নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে মার্কেট লিংকেজ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে মার্কেট লিংকেজ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    চুয়াডাঙ্গা :

    কৃষিেত পরিবেশসম্মত ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের মার্কেট লিংকেজ কর্মশালা অনুইষ্ঠত হয়েছে। ২৬ নভেম্বর বুধবার দুপুরে দামুড়হুদার কোষাঘাটার গো গ্রীন সেন্টার ট্রেনিং রুমে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

    ‘পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন পদ্ধতি সম্প্রসারণকল্পে এগ্রো ইকোলজিকাল লার্নিং সেন্টার প্রতীষ্ঠা শীর্ষক ভ্যালু চেইন উপ প্রকল্প’-এর আওতায় এই কর্মশালাটি আয়োজিত হয়।

    কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আল-সাবা।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি কৃষি পণ্য উৎপাদনে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। এবং কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের সঠিক বাজারজাতকরণে সহায়তার আশ্বাস দেন।

    অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ক্ষতিকর দিক এবং অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারে কৃষকদের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলেও কৃষকদেরকে অবহিত করা হয়। অতিরিক্ত টিএসপি সার ব্যবহারের ফলে মাটিতে পিএইচ এর মাত্রা কমে যাচ্ছে বলে কৃষকদেরকে সতর্ক করেন এই কর্মকর্তা। এসময় কৃষকদের জৈব সার ব্যবহারের জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়।

    কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সমন্বয়কারী কামরুজ্জামান যুদ্ধ। প্রধান সমন্বয়কারী এগ্রো ইকোলজিকাল প্রকল্পশাখাওয়াত হোসেন, চুয়াডাঙ্গা এগ্রো-এর উদ্যোক্তা ইরফান বিশ্বাস এবং মর্ডান এগ্রো এর সেলিম রেজা।

    কর্মশালায় উপস্থিত কৃষকদের পরিবেশসম্মত কৃষি পদ্ধতির গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয় এবং তাদের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি ভোক্তার কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিভিন্ন উপায় নিয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়।

  • দুই মাদক কারবারিকে গাঁজাসহ পুলিশে দিলো স্কুল শিক্ষার্থীরা

    দুই মাদক কারবারিকে গাঁজাসহ পুলিশে দিলো স্কুল শিক্ষার্থীরা

    বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার রেলওয়ে জংশন স্টেশন থেকে ৪ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি আটক করেছে স্থানীয় ছাত্র-জনতা। মঙ্গলবার দুপুরে একটি লোকাল ট্রেন থেকে নামার সময় সন্দেহে হলে ওই দুই মাদক কারবারিকে স্থানীয় ছাত্র-জনতা ধরে গাঁজাসহ রেলওয়ে পুলিশের নিকট হস্তান্তর করেন।

    জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে একটি লোকাল ট্রেন থেকে নামার সময় যাত্রীবেশে ওই দুই মাদক কারবারির মধ্যে একজন দৌঁড়ে যাওয়া সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতা সন্দেহে হলে তাদের দুইজনকে আটক করে এবং তাদের নিকট থাকা স্কুলে ব্যাগে মধ্যে কসটেপ দ্বারা মোড়ানো অবস্থায় একটি বান্ডেলে ৪ কেজি গাঁজা পাওয়া যায়। পরে ছাত্র জনতা সান্তাহার রেলওয়ে থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করেন।আটককৃতরা হলেন, লালমনিরহাট জেলার দুরাকুটি গ্রামের জমির উদ্দিনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম (৩৫) ও একই জেলার শ্বাশান কলোনীর গ্রামের মৃত-আনিছ আলীর ছেলে আমিনুল ইসলাম (৩৩)।নবম শ্রেণির ছাত্র আমিনুল ইসলাম বলেন, আমরা বন্ধুরা মিলে স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে স্টেশনে দিয়ে যাওয়ার সময় দেখতে পায় দুইজনের মধ্যে একজন লোক ট্রেন থেকে নেমে দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করছে তখন আমাদের সন্দেহে হলে বন্ধুরা মিলে তাকে ধরে ফেলি এবং তাদের কাছে থাকা একটি ব্যাগ থেকে গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করি।এ বিষয়ে সান্তাহার রেলওয়ে থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাবিবুর রহমান হাবিব ছাত্র-জনতাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তারা দীর্ঘদিন যাবৎ ট্রেন যোগে বিভিন্ন এলাকায় মাদকদ্রব্য গাঁজা বিক্রয় করে আসছে। উদ্ধারকৃত গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দিয়ে বিকেলে বগুড়া জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

  • উপদেষ্টা পরিষদে গণভোট অধ্যাদেশ অনুমোদন

    উপদেষ্টা পরিষদে গণভোট অধ্যাদেশ অনুমোদন

    উপদেষ্টা পরিষদে গণভোট অধ্যাদেশ আকারে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫ এর খসড়ার নীতিগত ও চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপদেষ্টা পরিষদের বিশেষ বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে সকাল ১১টায় এই বৈঠক শুরু হয়।

    এর আগে গত ২০ নভেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা গণভোট আইন অনুমোদন করেন। রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

    তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় পৃথক সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদনও দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। এ সচিবালয়ে নিম্ন আদালতের বিচারকদের সব কিছুর দায়িত্বে থাকবে। ফলে নিম্ন আদালতের বিচারকদের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। সচিবালয় গঠনের পর এটি কার্যকর হবে।

  • ঝুঁকিতে বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ

    ঝুঁকিতে বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ

    ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ জলবায়ু পরিবর্তন ও অতিরিক্ত লবণাক্ততার কারণে দ্রুত ক্ষয়ের মুখে পড়েছে। মসজিদের দেয়াল, গম্বুজ, স্তম্ভ ও বিশেষ করে মিহরাবে ফাটল, চুন খসে পড়া এবং সাদা লবণের স্তর স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। নিচ থেকে উঠে আসা নোনা পানি ইটের ভেতরে লবণ ক্রিস্টাল তৈরি করে স্থাপনার মূল গঠন দুর্বল করে দিচ্ছে।

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি এবং আইকমসের যৌথ গবেষণায় উঠে এসেছে—তাপমাত্রা বৃদ্ধি, শিল্প দূষণ, বর্ষাকালের আর্দ্রতা এবং ভূগর্ভস্থ লবণাক্ততা ক্ষয়কে আরও ত্বরান্বিত করছে।ঐতিহাসিক স্থাপনাটির জরুরি সংরক্ষণের জন্য প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর সাবেক ডিজি ড. মো. শফিকুল আলমের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে। তদন্তে দেখা গেছে, মিহরাব যেকোনো সময় ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। পাথর খণ্ড যুক্ত রাখতে ব্যবহৃত লোহার ক্ল্যাম্পে জং ধরায় ভার বহনক্ষমতাও কমে গেছে।আঞ্চলিক পরিচালক লাভলী ইয়াসমিন বলেন, ইউনেস্কোর সহায়তায় মসজিদের পূর্ণ ক্ষয়-মানচিত্র তৈরি করা হবে এবং আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করে দ্রুত সংরক্ষণ-কাজ শুরু করা হবে। ইউনেস্কো ঢাকার পরামর্শ অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে সাময়িক সংরক্ষণ কাজেরও সুপারিশ করা হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ষাটগম্বুজ মসজিদকে ‘বিপন্ন বিশ্ব ঐতিহ্য’ ঘোষণা করার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে—যা দেশের জন্য বড় ধাক্কা হবে।

  • পর্যবেক্ষকদের রাজনীতিতে না জড়ানোর আহ্বান -সিইসির

    পর্যবেক্ষকদের রাজনীতিতে না জড়ানোর আহ্বান -সিইসির

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আগামী নির্বাচনে পর্যবেক্ষক সংস্থাকে সহযোগী হিসেবে চায় কমিশন। পর্যবেক্ষক সংস্থার দায়িত্ব নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করা। নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের রাজনীতিতে না জড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে দেশি ৮১টি নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ আহ্বান জানান।

    সিইসি বলেন, ইসির এজেন্ডা একটাই জাতিকে সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেয়া। পর্যবেক্ষক সংস্থার দায়িত্ব ভোটের অনিয়ম তুলে ধরা। রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া নয়।তিনি আরও বলেন, আমরা জাতিকে একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে চাই। অতীতের ভুল-ভ্রান্তি ভুলে, সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। এজন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

  • নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে সুখবর

    নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে সুখবর

    জাতীয় পে কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান বলেছেন, ‘আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। তবে সব সচিব সভায় উপস্থিত হননি।’

    সোমবার নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করে পে কমিশন। বিকাল ৩টায় জাতীয় বেতন কমিশনের সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়। চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

    সুপারিশ কবে হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আলোচনা শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যেই রিপোর্ট জমা দিতে পারব বলে আশা করছি।

    গত ২৭ জুলাই জাতীয় বেতন স্কেলের আওতাধীন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সময়োপযোগী ও যথোপযুক্ত বেতন কাঠামো নির্ধারণের জন্য বেতন কমিশন গঠন করে সরকার।

    রোববার (২৩ নভেম্বর) এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবির বলেন, আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে পে কমিশনের সুপারিশ জমা দেওয়া সম্ভব। এ সময়ের মধ্যে দাবি মানা না হলে আগামী ৫ ডিসেম্বরের মহাসমাবেশ থেকে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

    কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও অর্থলয়ী প্রতিষ্ঠান, সরকারি মঞ্জুরিপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পর্যালোচনার ভিত্তিতে নতুন সুপারিশ তৈরি করা হবে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন জাতীয় বেতন কমিশন, ২০২৫-এর সভাপতি জাকির আহমেদ খান।

    বাদিউল কবির বলেন, নতুন পে স্কেলের জন্য অপেক্ষা করছে কর্মচারীরা। কমিশন ইচ্ছে করলে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সুপারিশ জমা করতে পারবেন। অন্ততপক্ষে সারসংক্ষেপ হলেও বেধে দেওয়া সময়ের মধ্যে জমা দেওয়া উচিত। অন্যথায় কর্মচারীরা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়বেন।

    কর্মচারীরা এখন একজোট হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, তারা যেকোনো সময় যেকোনো ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। আমরা কমিশনকে সময় দিচ্ছি, অবশ্যই এই সময়ের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। বেধে দেওয়া সময়ের মধ্যে দাবি আদায় না হলে এমন কর্মসূচি দেওয়া হবে কমিশন তখন এক বছরের কাজ এক সপ্তাহে করতে বাধ্য হবে।

    এই সময়ের মধ্যে দাবি মানা না হলে আগামী ৫ ডিসেম্বরের মহাসমাবেশ থেকে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি।

    জানা গেছে, নতুন পে স্কেল প্রণয়নে গঠিত পে কমিশন চলতি বছরের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে তাদের চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দিতে পারে। কমিশন ইতিমধ্যে সুপারিশ তৈরির ৫০ শতাংশের মতো কাজ শেষ করেছে। আগামী সপ্তাহে সচিবদের মতামত গ্রহণ করা হবে। এর পর কমিশন রিপোর্ট চূড়ান্তকরণের দিকে এগোবে।

  • রাঙ্গুনিয়ায় শ্রমিক দল নেতাকে রাস্তায় গুলি করে হত্যা

    রাঙ্গুনিয়ায় শ্রমিক দল নেতাকে রাস্তায় গুলি করে হত্যা

    ডে স্ক নিউজ:

    চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে শ্রমিক দলের এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর নাম আবদুল মান্নান (৪০)। তিনি উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সহসভাপতি।

    গতকাল রাত ১১টার দিকে উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড মধ্যম সরফভাটা বুলইন্যা বাপেরবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, রাতে রাস্তার পাশে নির্জন এলাকায় গুলিবিদ্ধ আবদুল মান্নানকে পথচারীরা দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা এসে লাশ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও ছিল। তবে কারা, কী কারণে তাঁকে গুলি করেছে, তা জানা যায়নি।

    প্রবাসফেরত আবদুল মান্নান বালুসহ বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে। রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ খুনের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা পুলিশের।

    নিহত আবদুল মান্নানের শরীরে চারটি গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি তাঁর বাঁ চোখের কাছে, একটি বাঁ হাতে ও দুটি পেটের ডান পাশে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।

    দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাব্বির মোহাম্মদ সেলিম বলেন, কেন, কী কারণে মান্নানকে গুলি করা হয়েছে, তা তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

  • ৪১% রোগীর শরীরে কাজ করছে না অ্যান্টিবায়োটিক

    ৪১% রোগীর শরীরে কাজ করছে না অ্যান্টিবায়োটিক

    দেশের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি রোগীদের ৪১ শতাংশের ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর হয়নি বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)।

    সোমবার আইইডিসিআর আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ন্যাশনাল এএমআর সার্ভেলেন্স রিপোর্ট-২০২৫’ প্রকাশ করে।

    এ প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে অ্যান্টিবায়োটিকের অপপ্রয়োগ, অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার ও জীবাণুর শক্তিশালী হয়ে ওঠার কারণে অনেক ক্ষেত্রে ওষুধ কার্যকারিতা হারাচ্ছে। দিন দিন বাড়ছে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স—যেখানে জীবাণু কোনো অ্যান্টিবায়োটিকেই সাড়া দেয় না।

    প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালের ৯৬ হাজার ৪৭৭ রোগীর নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পাঁচটি আইসিইউতে ৭১ ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা যাচাই করে দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রে কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    প্রতিবেদন অনুসারে, সব নমুনার ৭ শতাংশে প্যান-ড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট (পিডিআর) জীবাণু পাওয়া গেছে। আইসিইউতে এই হার ৪১ শতাংশ। মাল্টি-ড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট (এমডিআর) জীবাণু সব নমুনার ৪৬ শতাংশ হলেও আইসিইউতে তা ৮৯ শতাংশ।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) শ্রেণি বিভাগ অনুযায়ী, ওয়াচ গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বেড়ে ৭৭ শতাংশ থেকে দাঁড়িয়েছে ৯০ দশমিক ৯ শতাংশে। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক ছিল সেফট্রিয়াক্সোন (৩৩ শতাংশ) ও মেরোপেনেম (১৬ শতাংশ)।

    প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক তাহমিনা শিরিন ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (ভাইরোলজি) অধ্যাপক জাকির হোসেন হাবিব।

    এ সময় তাহমিনা শিরিন বলেন, ‘ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধ করতে হবে। জনগণের সচেতনতা জরুরি। কোনো ব্যক্তি নিবন্ধিত চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করবেন না। অনেক রোগী দোকানের কর্মী বা অবৈধ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক নেন, যা রেজিস্ট্যান্সের প্রধান কারণ। মানুষ প্রায়শই ফার্মেসি বা হাতুড়ে ডাক্তারের কাছ থেকে অ্যান্টিবায়োটিক নেন, চিকিৎসা পরামর্শ ছাড়াই এবং এর ফলে অনেক ক্ষেত্রে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। আমি সবাইকে জোর দিয়ে বলছি, নিবন্ধিত নয় এমন কারও পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করবেন না।’

    জাকির হোসেন হাবিব বলেন, যথেচ্ছভাবে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়াই জীবাণুর প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াচ্ছে। এই এএমআর এখন জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় সংকট।

    সবাইকে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে সতর্ক হতে আহ্বান জানিয়ে হাবিব বলেন, সেভ অ্যান্টিবায়োটিক, সেভ ইয়োরসেলফ।

    জরিপ অনুযায়ী, দেশে ব্যবহৃত মোট অ্যান্টিবায়োটিকের ৫৭ শতাংশ ব্যবহৃত হয় ঢাকায়। চিকিৎসা সুবিধা, বিশেষায়িত হাসপাতাল ও রোগীর চাপ বেশি হওয়ায় রাজধানীতে এই হার তুলনামূলক বেশি। এরপর রয়েছে রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও সিলেট। ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনে (ইউটিআই) আক্রান্ত রোগীদের মধ্যেও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের উচ্চ প্রবণতা দেখা গেছে।

    সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১০টি অ্যান্টিবায়োটিক হলো সেফট্রিয়াক্সোন, সেফিক্সিম, মেরোপেনেম, সিপ্রোফ্লক্সাসিন, আজিথ্রোমাইসিন, অ্যামোক্সিসিলিন, মেট্রোনিডাজল, ক্লক্সাসিলিন, পিপেরাসিলিন-ট্যাজোব্যাকটাম ও ভ্যানকোমাইসিন।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রড-স্পেকট্রাম অ্যান্টিবায়োটিকের অতিরিক্ত ব্যবহার ভবিষ্যতে পরিস্থিতিকে আরও সংকটজনক করবে।

  • সেনাবাহিনীর অভিযানে ‘মেইড ইন ইন্ডিয়া’ লেখা পিস্তল উদ্ধার

    সেনাবাহিনীর অভিযানে ‘মেইড ইন ইন্ডিয়া’ লেখা পিস্তল উদ্ধার

    ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার সড়াবাড়িয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় পিস্তল, গুলি ও দেশীয় ধারালো দা উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। পিস্তলে লেখা ছি‌লো মেইড ইন ইন্ডিয়া। তবে এই ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।পুলিশ জানি‌য়ে‌ছে, অভিযানের সময় মাসুদ নামে একজন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এসময় তার বাড়ির আঙিনা থেকে ভারতীয় পিস্তল, ৩ রাউন্ড গুলি ও ২টি ধারালো দা উদ্ধার করা হয়েছে। পলাতক মাসুদ হোসেনের বিরুদ্ধে অস্ত্র-হত্যাসহ ১০টির বেশি মামলা রয়েছে।কালীগঞ্জ থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, রোববার দিবাগত মধ্যেরাতে অভিযান পরিচালনা করে সেনাবাহিনীর একটি টিম পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করে।

  • ঢাবির হলে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ

    ঢাবির হলে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিজয় একাত্তর হলে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। সোমবার সন্ধ্যা ৬:১৫ মিনিট নাগাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় ৭১ হলের এক্সটেনশনের খাবারের দোকানে সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। আগুন ধরে পরপর তিনটি বিস্ফোরণ হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

  • চিকেনস নেক ঘিরে ভারতের উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠক

    চিকেনস নেক ঘিরে ভারতের উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠক

    রাশিদুল ইসলাম : ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল শিলিগুড়ি করিডোর বা ‘চিকেনস নেক’ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে একটি উচ্চপর্যায়ের আন্তঃবাহিনী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় স্টেট সাবসিডিয়ারি মাল্টি এজেন্সি সেন্টারের (এসএমএসি-এর রাজ্য শাখা) ব্যানারে, যেখানে ভারতের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নেন।

    বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- ভারতীয় সেনাবাহিনী, আর্মি ইন্টেলিজেন্স, ভারতীয় বিমানবাহিনী (আইএএফ), বিএসএফ, এসএসবি, সিআইএসএফ, আইটিবিপি, আরপিএফ, জিআরপি, রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা শাখা, কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য স্তরের একাধিক সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল- চিকেনস নেক অঞ্চলের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ, সীমান্ত নজরদারি, অবৈধ অনুপ্রবেশ, সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক পর্যবেক্ষণ এবং আন্তঃসংস্থাগত গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থা আরো শক্তিশালী করা।

    দিল্লির বিস্ফোরণ ও আঞ্চলিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে বৈঠকের তাৎপর্য : ভারতের সংবাদমাধ্যম ইটিভি ভারতের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লির লাল কেল্লার নিকটে গাড়ি বিস্ফোরণের ঘটনার পর উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই করিডোর অঞ্চল নতুন করে নিরাপত্তা দৃষ্টিকোণে চলে এসেছে। পাশাপাশি, প্রতিবেশী দেশগুলো- বিশেষ করে বাংলাদেশ ও নেপালে রাজনৈতিক অস্থিরতার আবহ, এবং ভুটান-চীন সীমান্ত পরিস্থিতির সংশ্লিষ্টতা এই বৈঠককে নতুন গুরুত্ব দিয়েছে।

    যদিও শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার সি সুধাকর এই বৈঠককে ‘রুটিন’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈঠকের বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলা সম্ভব নয়- এটি আমাদের নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ।’ তবে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় এই বৈঠক প্রতীকীভাবে রুটিনের চেয়েও অনেক বেশি তাৎপর্যপূর্ণ।

    রেল, সড়ক ও বিমান নিরাপত্তায় বিশেষ সতর্কতা : বৈঠক শেষে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে : বাগডোগরা বিমানবন্দরে নিরাপত্তা বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে; কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে যাত্রী তথ্য যাচাই ও আচরণগত স্ক্রিনিং শুরু করা হয়েছে; এনজেপি, শিলিগুড়ি জংশন, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার স্টেশনে বিশেষ নজরদারি শুরু হয়েছে; রাজধানী এক্সপ্রেস ও বন্দে ভারতসহ গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনগুলোতে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হয়েছে এবং জাতীয় মহাসড়ক ও এশিয়ান হাইওয়েতে অতিরিক্ত পুলিশ টহল শুরু করা হয়েছে।

    বাংলাদেশ-নেপাল-ভুটান সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধি : ভারত সরকার একইসাথে তিনটি সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- ভারত-নেপাল সীমান্ত, ভারত-ভুটান সীমান্ত ও ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। বিশেষভাবে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে স্বয়ংক্রিয় নম্বর প্লেট রিডার (এএনপিআর) মেশিন স্থাপন কার্যক্রম দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে, যা সীমান্ত দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনের তথ্য রিয়েল টাইমে সংগ্রহে সহায়তা করবে।

    রাফাল বিমান ও আধুনিক যুদ্ধসজ্জার বার্তা : বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, চিকেনস নেক-সংলগ্ন বিমান ঘাঁটিতে রাফাল যুদ্ধবিমানসহ অত্যাধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ও নজরদারি ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এটা শুধু অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য নয়, বরং একটি স্পষ্ট ভূরাজনৈতিক প্রতীকী বার্তা-বিশেষ করে চীন ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর প্রতি।

    চিকেনস নেক কেন এটি এত গুরুত্বপূর্ণ : চিকেনস নেক বা শিলিগুড়ি করিডোর মাত্র ২২ কিলোমিটার চওড়া একটি ভূখণ্ড, যা উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্যকে মূল ভূখণ্ডের সাথে যুক্ত করে। এই সঙ্কীর্ণ করিডোরের চারপাশে রয়েছে- পশ্চিমে নেপাল, দক্ষিণে বাংলাদেশ এবং উত্তরে ভুটান ও চীন সীমান্ত। ফলে, এই একটি করিডোরের নিয়ন্ত্রণ বা নিরাপত্তা ভারতের জাতীয় সংহতি ও সামরিক নিরাপত্তার জন্য জীবনরক্ষাকারী ধমনীস্বরূপ।

    বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ভারতীয় উদ্বেগ : বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বৈঠকের পেছনে একটি বড় অপ্রকাশ্য প্রেক্ষাপট রয়েছে- বাংলাদেশে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানবতা বিরোধি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড বিষয়ক ঘোষণা, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের উত্তাপ এবং সীমান্তসংলগ্ন অঞ্চলে রাজনৈতিক অস্থিরতার আশঙ্কা। এসব বিষয় ভারতের দৃষ্টিতে চিকেনস নেক অঞ্চলের নিরাপত্তাকে আরো স্পর্শকাতর করে তুলেছে।

    নিছক রুটিন, নাকি কৌশলগত প্রস্তুতি : সরকারি ভাষ্যে এটি ‘রুটিন বৈঠক’ হলেও বাস্তবতা ভিন্ন বলেই মনে করছেন প্রতিরক্ষা ও ভূরাজনীতি বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এটি দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন নিরাপত্তা ভারসাম্যের প্রস্তুতি, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের গভীরতা নিয়ে ভারতের কৌশলগত বার্তা এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভবিষ্যৎ সামরিক প্রস্তুতির রূপরেখা হতে পারে।

    ভূরাজনীতিবিদদের মতে- চিকেনস নেক এখন কেবল একটি ভূগোল নয়- এটি দক্ষিণ এশিয়ার ভবিষ্যৎ শক্তি-সমীকরণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

    ভারত চিকেন নেককে বাংলাদেশের ভূখণ্ড দখলে নিয়ে গণ্ডারের ঘাড়ে পরিণত করতে চায় : ড. শাহীদুজ্জামান

    আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক এম শাহীদুজ্জামান বলেন, এটা স্পষ্ট যে চিকেনস নেক এখন আঞ্চলিক উত্তেজনা ও দক্ষিণ এশীয় ভূরাজনীতিতে নতুন বার্তা দিতে শুরু করেছে। লালমনিরহাটে বাংলাদেশে যে বিমানঘাঁটি উন্নয়ন করছে, মিলিটারি কনস্ট্রাকশন হচ্ছে, হ্যাঙ্গার তৈরি হচ্ছে, চীন কিংবা পাকিস্তান থেকে যুদ্ধবিমান ক্রয়ের পর সেখানে মোতায়েনের কথা শোনা যাচ্ছে, নিশ্চিতভাবে বলা যায় লালমনিরহাট এখন বড় ধরনের সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত হচ্ছে। চীন সেখানে ইনভলভড হবে কিন্তু এটা ভারত কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছে না। ভারতের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বারবার বলছেন, যেটাকে ওরা চিকেন নেক বলে যা ২২ কিলোমিটার চওড়া সেটাকে তারা গণ্ডারের ঘাড় বা রাইনো নেকে পরিণত করতে চায়। ভারত আন্তর্জাতিক রীতিনীতি উপেক্ষা করে বাংলাদেশের রংপুরের ভূখণ্ডের বেশ কিছুটা ভেতরে ঢুকে যেতে চাচ্ছে। চিকেন নেকের ২২ কিলোমিটার অংশকে তারা কমপক্ষে ৫০ কিলোমিটারে বর্ধিত করতে চায়। সেখানে যে ভারত কৌশলগতভাবে তিনটি গ্যারিসন স্থাপন করেছে, সেনা মোতায়েন করেছে এসব পরিকল্পনা মাথায় রেখেই। তারা সমর বিন্যাস এমনভাবে করছে, সেনা মোতায়েন এমনভাবে করছে যে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে যেন চিকেন নেক দখলে নিয়ে নিতে পারে। চীনভীতি ও বাংলাদেশের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ বাড়াতেই ভারত এসব করছে।

    এম শাহীদুজ্জামান বলেন, ভারতের আভাস থেকে সুস্পষ্ট যে চিকেন নেক দখল বা সেখানকার পরিধি বাড়াতে তারা বাংলাদেশের ভূমি প্রয়োজনে দখলে নেবে। এ কারণেই তিনটি গ্যারিসনে সেনা মোতায়েন করছে তারা। ভারত যদি চূড়ান্তভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইনসহ অন্যান্য আইন ভাঙতে চায় তাহলে তারা সেটাই করবে। স্বাভাবিকভাবে বাংলাদেশের ওপর ভারত চাপ সৃষ্টি করছে বলে আমরা মনে করছি। কিন্তু ভারত যদি তা করতে চায় তাহলে বাংলাদেশে আঘাত করেই চিকেন নেকের সম্প্রসারণ ঘটাবে। ভারত বাংলাদেশের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করছে লালমনিরহাট বিমানবন্দর উন্নয়নকাজ বন্ধ করার জন্যই।

    চীনভীতি থেকে এই তৎপরতা

    ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) রোকন উদ্দিন বলেন, ভারত চিকেন নেকের আশেপাশে যে তিনটি সেনাঘাঁটি করেছে বা সম্প্রতি বিষয়টি একাধিক নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করছে, মূলত দেশটি এসব করছে চীনভীতি থেকে। চীন যেকোনো সময় চিকেন নেকের আশেপাশে এলাকা দখল করে নিতে পারে এমন ভীতি কাজ করছে ভারতের মধ্যে। এ কারণেই চিকেন নেক ঘিরে তাদের সামরিক ও বেসামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের ওপর এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক চাপের অংশ হিসেবেও ভারত এ ধরনের আচরণ করছে। যেমন- লালমনিরহাটের উল্টা পাশে ভারত রাফায়েল বিমান ও সেনা মোতায়েন করেছে। ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে।

    তিনি বলেন, চীনের সাথে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব শক্তিশালী হচ্ছে এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ছে। পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নত হচ্ছে। তিব্বত সীমান্তে ভারতের সাথে চীনের বৈরিতা দীর্ঘদিনের। এ ছাড়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারত পুশইন করছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে একাধিক সশস্ত্র গোষ্ঠীকে ভারত উসকানি দেয়ায় তারা ফের তৎপর হয়ে উঠছে। বাংলাদেশের ওপর চাপ সৃষ্টির অংশ হিসেবেই ভারত এসব করছে। বিশেষ করে কেএনএফকে ভারত টোপ দিয়ে ও দীর্ঘদিন থেকে সন্তু লারমার সমর্থিত গোষ্ঠীকে ভারত পার্বত্য চট্টগ্রামকে অস্থিতিশীল করে তোলার জন্য ব্যবহার করছে। অন্তর্বর্তী সরকারের এ সময়ে ভারতের এ ধরনের অপতৎপরতা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশে যেকোনো সরকারই আসুক ভারত সে সরকারকে চাপে রাখতে চায় বলে পার্বত্য চট্টগ্রামকে একটি প্রেশার পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করছে। ( সুত্র : নয়াদিগন্ত)

  • প্রচারণায় মোটরসাইকেল শোভাযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জামায়াতের

    প্রচারণায় মোটরসাইকেল শোভাযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জামায়াতের

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা করে প্রচারণা চালাতে পারবেন না জামায়াতের কোনো প্রার্থী। দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রায় কয়েকটি দুর্ঘটনা ঘটে।

    এ ঘটনার পর দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব দাঁড়িপাল্লার প্রচারণায় মোটরসাইকেল শোভাযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দেন।

    সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় এ কথা জানান দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

    তিনি বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন জেলা/মহানগরী নির্বাচনি এলাকায় মোটরসাইকেল র‌্যালি ও শোভাযাত্রা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এসব কর্মসূচিতে কয়েকটি দুর্ঘটনা ও আহতের প্রেক্ষাপটে আমিরে জামায়াত এখন থেকে সকল জেলা/মহানগরী নির্বাচনি এলাকায় মোটরসাইকেল র‌্যালি ও শোভাযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন।

    আর আই খান

  • লবণাক্ততার  ঝুঁকিতে বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ

    লবণাক্ততার ঝুঁকিতে বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ

    ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ জলবায়ু পরিবর্তন ও অতিরিক্ত লবণাক্ততার কারণে দ্রুত ক্ষয়ের মুখে পড়েছে। মসজিদের দেয়াল, গম্বুজ, স্তম্ভ ও বিশেষ করে মিহরাবে ফাটল, চুন খসে পড়া এবং সাদা লবণের স্তর স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। নিচ থেকে উঠে আসা নোনা পানি ইটের ভেতরে লবণ ক্রিস্টাল তৈরি করে স্থাপনার মূল গঠন দুর্বল করে দিচ্ছে।

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি এবং আইকমসের যৌথ গবেষণায় উঠে এসেছে—তাপমাত্রা বৃদ্ধি, শিল্প দূষণ, বর্ষাকালের আর্দ্রতা এবং ভূগর্ভস্থ লবণাক্ততা ক্ষয়কে আরও ত্বরান্বিত করছে।

    ঐতিহাসিক স্থাপনাটির জরুরি সংরক্ষণের জন্য প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর সাবেক ডিজি ড. মো. শফিকুল আলমের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে। তদন্তে দেখা গেছে, মিহরাব যেকোনো সময় ধসে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। পাথর খণ্ড যুক্ত রাখতে ব্যবহৃত লোহার ক্ল্যাম্পে জং ধরায় ভার বহনক্ষমতাও কমে গেছে।

    আঞ্চলিক পরিচালক লাভলী ইয়াসমিন বলেন, ইউনেস্কোর সহায়তায় মসজিদের পূর্ণ ক্ষয়-মানচিত্র তৈরি করা হবে এবং আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করে দ্রুত সংরক্ষণ-কাজ শুরু করা হবে। ইউনেস্কো ঢাকার পরামর্শ অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে সাময়িক সংরক্ষণ কাজেরও সুপারিশ করা হয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে ষাটগম্বুজ মসজিদকে ‘বিপন্ন বিশ্ব ঐতিহ্য’ ঘোষণা করার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে—যা দেশের জন্য বড় ধাক্কা হবে।

  • ধানের শীষের বাইরে কেন্দ্রে কেউ এজেন্ট দিতে পারবে না, বললেন বিএনপি নেতা

    ধানের শীষের বাইরে কেন্দ্রে কেউ এজেন্ট দিতে পারবে না, বললেন বিএনপি নেতা

    আমরা ধানের শীষের বাইরের কেউ না। ধানের শীষের বাইরে যদি কেউ নির্বাচন করার চিন্তা করে তাহলে ভাঙ্গুড়ার কোনো কেন্দ্রে তারা কেউ এজেন্ট দিতে পারবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক নূর-মুজাহিদ স্বপন।

    শনিবার সন্ধ্যায় পাবনা- ৩ আসনের (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে বিশাল গণমিছিল শেষে চাটমোহর বালুচর খেলার মাঠে সমাবেশ থেকে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।ভাঙ্গুড়ার বিএনপির আহ্বায়ক স্বপনের এমন বক্তব্যের পর চাটমোহর উপজেলাসহ পাবনা- ৩ এলাকার বিএনপি নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। মুহূর্তে তার এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।গণমিছিলে হাসান জাফির তুহিন ছাড়াও কেন্দ্রীয় বিএনপি, কৃষক দল, জেলা বিএনপি, চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রসঙ্গত, পাবনা-৩ আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি হাসান জাফির তুহিনকে। তবে তাকে ‘বহিরাগত’ উল্লেখ করে স্থানীয় প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে আন্দোলন করছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কেএম আনারুল ইসলাম এবং চাটমোহর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. হাসাদুল ইসলাম হীরার নেতৃত্বে বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা।

    তুহিনের মনোনয়ন বাতিল করে স্থানীয় প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া না হলে সাবেক এমপি কে এম আনোয়ারুল ইসলাম ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হাসাদুল ইসলাম হীরা তাদের মধ্যে থেকে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হবেন বলে শুক্রবার এক মশাল মিছিল থেকে ঘোষণা দিয়েছেন। এ নিয়ে দলের মধ্যে ও বাইরে চলছে চাপা উত্তেজনা। চলছে পাল্টাপাল্টি সভা সমাবেশসহ নানা কর্মসূচি।

  • ফটিকছড়িতে গুলি করে টাকা ছিনতাই

    ফটিকছড়িতে গুলি করে টাকা ছিনতাই

    চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার ভূজপুর ইউনিয়নের রাবার ড্যামের পশ্চিম পাশে রঈপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ব্যবসায়ীর অভিযোগ, মোটরসাইকেল আরোহী দুই দুর্বৃত্ত এ ঘটনায় জড়িত ।

    গুলিবিদ্ধ ওই ব্যবসায়ীর নাম মো. রমজান আলী (৪২)। তিনি মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশের এজেন্ট। পাশাপাশি বাজারে তাঁর কুলিং কর্নার রয়েছে। তাঁর পায়ে গুলি লেগেছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিদিনের মতো ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন রমজান আলী। তবে মাঝপথে তাঁর মোটরসাইকেলের গতিরোধ করেন দুজন মোটরসাইকেল আরোহী। এরপর ওই মোটরসাইকেলে থাকা একজন রমজান আলীকে অতর্কিত গুলি করে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেন। পরে তাঁরা পালিয়ে যান। গুলির শব্দ শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা এসে রমজান আলীকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন।

    জানতে চাইলে ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুল হক বলেন, ‘ওই বিকাশ ব্যবসায়ী দোকান থেকে বের হলে তাঁর পিছু নেন মোটরসাইকেল আরোহী দুই ছিনতাইকারী। আমরা ছিনতাইকারীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি।’

  • মিরসরাইয়ে খেজুরগাছ থেকে পড়ে শিবির নেতার মৃত্যু

    মিরসরাইয়ে খেজুরগাছ থেকে পড়ে শিবির নেতার মৃত্যু

    চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে খেজুরগাছ থেকে পড়ে সাইফুল্লাহ মনোয়ার হোসেন (১৯) নামে এক ছাত্রশিবির নেতার মৃত্যু হয়েছে। আজ দুপুরে উপজেলার কাটাছড়া ইউনিয়নের বামনসুন্দর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    উপজেলার কাটাছড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ জকি উদ্দিন মিজিবাড়ি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা নুরের সালামের ছেলে।

    সুফিয়া নূরিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবদুল হক সিরাজী জানান, সাইফুল্লাহ মনোয়ার হোসেন সুফিয়া মাদ্রাসার আলিম প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। আজ খেজুরগাছে উঠতে গিয়ে পুকুরের পানিতে পড়ে যান তিনি। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

    ছাত্রশিবির মিরসরাই উত্তরের সভাপতি জাহিদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সাইফুল্লাহ মনোয়ার হোসেন ছাত্রশিবিরের কাটাছড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। আজ বিকেলে রসের জন্য খেজুরগাছ কাটতে উঠলে নিচে পুকুরের পানিতে পড়ে যান তিনি। সেখান থেকে এক ঘণ্টা পর তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।

    এ বিষয়ে জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হালিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

  • ডেঙ্গুতে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭৭৮

    ডেঙ্গুতে একদিনে ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৭৭৮

    সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৮ জন মারা গেছেন। একই সময় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৭৮ জন।

    রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, মারা যাওয়া ৮ জনের মধ্যে সিটি করপোরেশনের বাইরে ময়মনসিংহ বিভাগে ৩ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২ জন এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে ১ জন করে রয়েছেন।

    স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় যারা ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তাদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৮৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৩৪ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১২১ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১২৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৮১ জন, খুলনা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১১২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৪ জন, রাজশাহী বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৪৮ জন, রংপুর বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ১৯ জন ও সিলেট বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৭ জন রয়েছেন।

    গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১১১১ জন ডেঙ্গুরোগী। এ নিয়ে চলতি বছর আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৪২ জন।

    ২০২৪ সালে দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিল এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের। এর আগের বছর ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে মারা যান সর্বোচ্চ এক হাজার ৭০৫ জন এবং আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।

  • হাসিনা-কামালকে ফেরাতে ফের দিল্লিকে চিঠি ঢাকার

    হাসিনা-কামালকে ফেরাতে ফের দিল্লিকে চিঠি ঢাকার

    বিডি টাইমসঃ

    জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ফের ভারতের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। রোববার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত চেয়ে ভারতের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। গত শুক্রবার (২১ নভেম্বর) দিল্লির বাংলাদেশ মিশন থেকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।

    ভারতে আশ্রিত শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে এর আগেও চিঠি দিয়েছিল সরকার। সে বিষয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, হাসিনাকে ফেরাতে যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, সেই চিঠির জবাব এখনো আসেনি। তবে এখন তো পরিস্থিতি ভিন্ন রকম। এখন শাস্তি দেওয়া হয়েছে। ভারতের সঙ্গে আমাদের চুক্তিও আছে। তাকে ফেরত আনতে অফিসিয়ালি আবার চিঠি দিলাম।

    উল্লেখ্য, গত বছরের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল ভারতে পালিয়ে যান। তাদের বিরুদ্ধে জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মামলা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে গত ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। রায়ের পরপরই শেখ হাসিনা ও কামালকে হস্তান্তরের জন্য দিল্লির প্রতি আহ্বান জানায় ঢাকা।

    এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত এই ব্যক্তিদের দ্বিতীয় কোনো দেশ আশ্রয় দিলে তা হবে অত্যন্ত অবন্ধুসুলভ আচরণ এবং ন্যায়বিচারের প্রতি অবজ্ঞার শামিল। আমরা ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই, তারা যেন অনতিবিলম্বে দণ্ডপ্রাপ্ত এই দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী, দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা ভারতের অবশ্য পালনীয় দায়িত্বও বটে।

  • ভূমিকম্প মধ্যেই এবার ঘূর্ণিঝড়ের আভাস

    ভূমিকম্প মধ্যেই এবার ঘূর্ণিঝড়ের আভাস

    বিডিনিউজ ডেস্ক: ভূমিকম্প নিয়ে সারাদেশে মানুষের আতঙ্কের মধ্যেই এবার ঘূর্ণিঝড়ের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

    পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় সুস্পষ্ট লঘুচাপ অবস্থান করছে। এটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আরও ঘনীভূত হতে পারে এবং আগামীকাল সোমবার নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এরপর সেটি গভীর নিম্নচাপে রূপ নিয়ে পরিণত হতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে।

    রোববার সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. ওমর ফারুক এক গণমাধ্যমকে বলেন, এখন যে সুস্পষ্ট লঘুচাপটি রয়েছে, এটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল নিম্নচাপে রূপ নেবে। এর প্রভাবে মাসের শেষ দিকে সারাদেশে বৃষ্টিও হতে পারে।

    সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি কোথায় আঘাত হানবে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে এটি ভারতের ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ কিংবা আমাদের চট্টগ্রাম দিয়ে উপকূল অতিক্রম করতে পারে। সেক্ষেত্রে ভারত ও বাংলাদেশ দুদেশের ওপরই প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গভীর নিম্নচাপ হলে আরও নিশ্চিত করে বলা যাবে।

    আবহাওয়া নিয়ে গবেষণা করা মোস্তফা কামাল পলাশ তার ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে লিখেছেন, বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে। লঘুচাপটি পর্যায়ক্রমে নিম্নচাপ, গভীর নিম্নচাপ ও সর্বশেষে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। সর্বশেষ আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম উপকূলের মধ্যবর্তী যেকোনো স্থানের ওপর দিয়ে উপকূলে আঘাত হানতে পারে।

    সম্ভাব্য এ ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ৩০ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হতে পারে

    M