সুমাইয়া দশম শ্রেণীতে পড়ে। উজিরপুর হাই স্কুলের সবচেয়ে সুন্দরী মেয়ে সে। বেশ চঞ্চল ও স্পষ্টভাষী। তবে পড়াশোনায় মনোযোগ কম। কত ছেলে যে তার প্রেমে হাবুডুবু খায় তার হিসেব নেই। প্রতিদিনই প্রেমের প্রস্তাব আসে তার কাছে। কিন্তু সুমাইয়া এখনও পর্যন্ত কোন প্রস্তাব গ্রহণ করেনি।
এরমধ্যে স্কুলে অয়ন নামে নতুন একজন অংকের শিক্ষক এসেছে। ক্লাসে সুমাইয়া পুরো সময় তার দিকে হা করে তাকিয়ে ছিল। মনে মনে যেরকম ছেলে পছন্দ তার, এই শিক্ষক ঠিক সেরকম। প্রথম দেখাতেই সুমাইয়া তার প্রেমে পড়ে যায়। তরুণ শিক্ষক অয়ন শুরুতেই ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বন্ধুর মতো করে নেয়। সুমাইয়া ক্লাস শেষে তার সঙ্গে দেখা করে। ক্লাসে ঠিকমতো অংক বুঝতে পারেনি বলে তাকে আবার বুঝিয়ে দিতে বলে।
প্রায়ই কাজটি করে সে। আসল উদ্দেশ্য অয়নের কাছে যাওয়া। মনের কথাটা বেশিদিন চেপে রাখতে না পেরে একদিন সুমাইয়া সরাসরি অয়নকে বলে দেয় যে সে তাকে ভালোবাসে। অয়ন কিছুটা অবাক হয় এবং সুমাইয়াকে জানিয়ে দেয়- এরকম কিছু যেন না ভাবে। সুমাইয়া কোন কিছুই মানতে রাজি না। অগত্যা তার পাগলামি থামানোর জন্য অয়ন বলে যদি সে ভালোভাবে পড়াশোনা করে এবং ভালো রেজাল্ট করে তাহলে তার প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে।
এর আগে, অয়ন তার সাথে কথা বলবে না। সুমাইয়া এতে রাজি হয় এবং মন দিয়ে পড়াশোনা শুরু করে। পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করার পর খুশির খবর জানাতে ছুটে যায় অয়নের কাছে। কিন্তু অয়নকে খুঁজে পায় না। এভাবেই এগিয়ে চলে গল্প। নাটক নাম ‘শালিক বালিকা’।
মাহমুদ মাহিনের রচনা ও পরিচালনায় এতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইয়াশ রোহান ও তটিনী। আগামীকাল শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টায় নাটকটি প্রচার হবে মাছরাঙা টেলিভিশনে।
Read this report in English · ইংরেজি সংস্করণ
